আদাবুল মুফরাদ > অনুচ্ছেদঃ শোয়ার সময় পঠিত দোয়ার ফযীলাত।

আদাবুল মুফরাদ ১২২৫

حدثنا مسدد قال: حدثنا عبد الواحد بن زياد قال: حدثنا العلاء بن المسيب قال: حدثني أبي، عن البراء بن عازب قال: كان رسول الله صلى الله عليه وسلم إذا أوى إلى فراشه نام على شقه الأيمن، ثم قال: اللهم أسلمت نفسي إليك، ووجهت بوجهي إليك، وفوضت أمري إليك، وألجأت ظهري إليك، رغبة ورهبة إليك، لا منجا ولا ملجأ منك إلا إليك، آمنت بكتابك الذي أنزلت، ونبيك الذي أرسلت "، قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «من قالهن ثم مات تحت ليلته مات على الفطرة»

রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বিছানাগত হয়ে ডান কাতে শুয়ে নিম্নোক্ত দোয়া পড়তেনঃ “হে আল্লাহ! আমি নিজেকে তোমার নিকট সোপর্দ করলাম, আমার মুখমণ্ডল তোমার দিকে ফিরিয়ে দিলাম, আমার সকল বিষয় তোমার উপর সোপর্দ করলাম এবং তোমার রহমাতের আশা ও তোমার শাস্তির ভয় সহকারে আমার পিঠ তোমার আশ্রয়ে সোপর্দ করলাম। তোমার থেকে পালিয়ে আশ্রয় নেয়ার এবং নাজাত পাওয়ার তুমি ভিন্ন আর কোন ঠিকানা নাই। তুমি যে কিতাব নাযিল করেছে এবং যে রাসূল পাঠিয়েছে, আমি তার উপর ঈমান আনলাম। রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেনঃ যে ব্যক্তি এই দোয়া পড়লো, অতঃপর সেই রাতে মারা গেলো, সে দ্বীন ইসলামের উপর মারা গেলো। -(বুখারী, মুসলিম, আবু দাউদ, তিরমিযী)

রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বিছানাগত হয়ে ডান কাতে শুয়ে নিম্নোক্ত দোয়া পড়তেনঃ “হে আল্লাহ! আমি নিজেকে তোমার নিকট সোপর্দ করলাম, আমার মুখমণ্ডল তোমার দিকে ফিরিয়ে দিলাম, আমার সকল বিষয় তোমার উপর সোপর্দ করলাম এবং তোমার রহমাতের আশা ও তোমার শাস্তির ভয় সহকারে আমার পিঠ তোমার আশ্রয়ে সোপর্দ করলাম। তোমার থেকে পালিয়ে আশ্রয় নেয়ার এবং নাজাত পাওয়ার তুমি ভিন্ন আর কোন ঠিকানা নাই। তুমি যে কিতাব নাযিল করেছে এবং যে রাসূল পাঠিয়েছে, আমি তার উপর ঈমান আনলাম। রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেনঃ যে ব্যক্তি এই দোয়া পড়লো, অতঃপর সেই রাতে মারা গেলো, সে দ্বীন ইসলামের উপর মারা গেলো। -(বুখারী, মুসলিম, আবু দাউদ, তিরমিযী)

حدثنا مسدد قال: حدثنا عبد الواحد بن زياد قال: حدثنا العلاء بن المسيب قال: حدثني أبي، عن البراء بن عازب قال: كان رسول الله صلى الله عليه وسلم إذا أوى إلى فراشه نام على شقه الأيمن، ثم قال: اللهم أسلمت نفسي إليك، ووجهت بوجهي إليك، وفوضت أمري إليك، وألجأت ظهري إليك، رغبة ورهبة إليك، لا منجا ولا ملجأ منك إلا إليك، آمنت بكتابك الذي أنزلت، ونبيك الذي أرسلت "، قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «من قالهن ثم مات تحت ليلته مات على الفطرة»


আদাবুল মুফরাদ ১২২৬

حدثنا محمد بن المثنى قال: حدثنا ابن أبي عدي، عن حجاج الصواف، عن أبي الزبير، عن جابر قال: إذا دخل الرجل بيته أو أوى إلى فراشه ابتدره ملك وشيطان، فقال الملك: اختم بخير، وقال الشيطان: اختم بشر، فإن حمد الله وذكره أطرده، وبات يكلؤه، فإذا استيقظ ابتدره ملك وشيطان فقالا مثله، فإن ذكر الله وقال: الحمد لله الذي رد إلي نفسي بعد موتها ولم يمتها في منامها، الحمد لله الذي {يمسك السموات والأرض أن تزولا، ولئن زالتا إن أمسكهما من أحد من بعده إنه كان حليما غفورا} ، الحمد لله الذي {يمسك السماء أن تقع على الأرض إلا بإذنه} [الحج: 65] إلى {لرءوف رحيم} ، فإن مات مات شهيدا، وإن قام فصلى صلى في فضائل --- [قال الشيخ الألباني] : ضعيف الإسناد موقوفا

কোন ব্যক্তি যখন তার ঘরে প্রবেশ করে অথবা তার বিছানায় আশ্রয় নেয় তখন একজন ফেরেশতা ও একটি শয়তান তার দিকে ধাবিত হয়। ফেরেশতা বলেন, কল্যাণের সাথে (তোমার দিনটি) শেষ করো, আর শয়তান বলে, অনিষ্ট সহকারে শেষ করো। অতএব সে যদি আল্লাহর প্রশংসা করে, তার যিকির করে তাহলে সে শয়তানকে বিতাড়িত করলো এবং রাতটি (আল্লাহর) হেফাজতে কাটালো। অনুরূপভাবে সে ঘুম থেকে জাগ্রত হলে একজন ফেরেশতা ও একটি শয়তান তার দিকে ধাবিত হয় এবং তারা পূর্বানুরূপ কথা বলে। সে যদি আল্লাহকে স্মরণ করে এবং বলে, সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর যিনি আমার মৃত্যুর পর আমার জীবনটা আমার নিকট ফিরিয়ে দিয়েছেন এবং ঘুমের মধ্যে মৃত্যুদান করেননি। সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর, “যিনি আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবীকে স্থানচ্যুত হওয়া থেকে রুখে রেখেছেন। যদি এই দুটি স্থানচ্যুত হয় তবে তিনি ছাড়া কেউই এদের প্রতিরোধ করে রাখতে পারবে না। নিশ্চয় তিনি পরম সহিষ্ণু, পরম ক্ষমাশীল” (সূরা ফাতির : ৪১)। সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর, “যিনি আসমানকে প্রতিরোধ করে রেখেছেন যাতে তা তার অনুমতি ব্যতীত পৃথিবীর উপর পতিত হতে না পারে। নিশ্চয় আল্লাহ মানুষের প্রতি অতীব মমতাশীল, পরম দয়াময়” (সূরা হজ্জ : ৬৫)। সে মারা গেলে শহিদী মৃত্যুবরণ করলো, অন্যথা উঠে নামায পড়লে মর্যাদাপূর্ণ নামায পড়লো। -(নাসাঈ, ইবনে হিব্বান)

কোন ব্যক্তি যখন তার ঘরে প্রবেশ করে অথবা তার বিছানায় আশ্রয় নেয় তখন একজন ফেরেশতা ও একটি শয়তান তার দিকে ধাবিত হয়। ফেরেশতা বলেন, কল্যাণের সাথে (তোমার দিনটি) শেষ করো, আর শয়তান বলে, অনিষ্ট সহকারে শেষ করো। অতএব সে যদি আল্লাহর প্রশংসা করে, তার যিকির করে তাহলে সে শয়তানকে বিতাড়িত করলো এবং রাতটি (আল্লাহর) হেফাজতে কাটালো। অনুরূপভাবে সে ঘুম থেকে জাগ্রত হলে একজন ফেরেশতা ও একটি শয়তান তার দিকে ধাবিত হয় এবং তারা পূর্বানুরূপ কথা বলে। সে যদি আল্লাহকে স্মরণ করে এবং বলে, সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর যিনি আমার মৃত্যুর পর আমার জীবনটা আমার নিকট ফিরিয়ে দিয়েছেন এবং ঘুমের মধ্যে মৃত্যুদান করেননি। সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর, “যিনি আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবীকে স্থানচ্যুত হওয়া থেকে রুখে রেখেছেন। যদি এই দুটি স্থানচ্যুত হয় তবে তিনি ছাড়া কেউই এদের প্রতিরোধ করে রাখতে পারবে না। নিশ্চয় তিনি পরম সহিষ্ণু, পরম ক্ষমাশীল” (সূরা ফাতির : ৪১)। সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর, “যিনি আসমানকে প্রতিরোধ করে রেখেছেন যাতে তা তার অনুমতি ব্যতীত পৃথিবীর উপর পতিত হতে না পারে। নিশ্চয় আল্লাহ মানুষের প্রতি অতীব মমতাশীল, পরম দয়াময়” (সূরা হজ্জ : ৬৫)। সে মারা গেলে শহিদী মৃত্যুবরণ করলো, অন্যথা উঠে নামায পড়লে মর্যাদাপূর্ণ নামায পড়লো। -(নাসাঈ, ইবনে হিব্বান)

حدثنا محمد بن المثنى قال: حدثنا ابن أبي عدي، عن حجاج الصواف، عن أبي الزبير، عن جابر قال: إذا دخل الرجل بيته أو أوى إلى فراشه ابتدره ملك وشيطان، فقال الملك: اختم بخير، وقال الشيطان: اختم بشر، فإن حمد الله وذكره أطرده، وبات يكلؤه، فإذا استيقظ ابتدره ملك وشيطان فقالا مثله، فإن ذكر الله وقال: الحمد لله الذي رد إلي نفسي بعد موتها ولم يمتها في منامها، الحمد لله الذي {يمسك السموات والأرض أن تزولا، ولئن زالتا إن أمسكهما من أحد من بعده إنه كان حليما غفورا} ، الحمد لله الذي {يمسك السماء أن تقع على الأرض إلا بإذنه} [الحج: 65] إلى {لرءوف رحيم} ، فإن مات مات شهيدا، وإن قام فصلى صلى في فضائل --- [قال الشيخ الألباني] : ضعيف الإسناد موقوفا


আদাবুল মুফরাদ > অনুচ্ছেদঃ গালের নিচে হাত রাখা।

আদাবুল মুফরাদ ১২২৭

حدثنا قبيصة بن عقبة قال: حدثنا سفيان، عن أبي إسحاق، عن البراء قال: كان النبي صلى الله عليه وسلم إذا أراد أن ينام وضع يده تحت خده الأيمن، ويقول: «اللهم قني عذابك يوم تبعث عبادك» .

নবী (সাঃ) ঘুমানোর ইচ্ছা করলে তিনি তাঁর হাত তাঁর ডান গালের নিচে রেখে বলতেনঃ “হে আল্লাহ! যেদিন তুমি তোমার বান্দাদের পুনরুত্থান করবে সেদিন তোমার শাস্তি থেকে আমাকে রক্ষা করো”। (তিরমিযী হা/৩৩৩৫, নাসাঈ, ইবনে মাজাহ হা/৩৮৭৭)

নবী (সাঃ) ঘুমানোর ইচ্ছা করলে তিনি তাঁর হাত তাঁর ডান গালের নিচে রেখে বলতেনঃ “হে আল্লাহ! যেদিন তুমি তোমার বান্দাদের পুনরুত্থান করবে সেদিন তোমার শাস্তি থেকে আমাকে রক্ষা করো”। (তিরমিযী হা/৩৩৩৫, নাসাঈ, ইবনে মাজাহ হা/৩৮৭৭)

حدثنا قبيصة بن عقبة قال: حدثنا سفيان، عن أبي إسحاق، عن البراء قال: كان النبي صلى الله عليه وسلم إذا أراد أن ينام وضع يده تحت خده الأيمن، ويقول: «اللهم قني عذابك يوم تبعث عبادك» .


আদাবুল মুফরাদ ১২২৮

حدثنا أبو نعيم قال: حدثنا سفيان، عن عطاء، عن أبيه، عن عبد الله بن عمرو، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال: «خلتان لا يحصيهما رجل مسلم إلا دخل الجنة، وهما يسير، ومن يعمل بهما قليل» ، قيل: وما هما يا رسول الله؟ قال: «يكبر أحدكم في دبر كل صلاة عشرا، ويحمد عشرا، ويسبح عشرا، فذلك خمسون ومائة على اللسان، وألف وخمسمائة في الميزان» ، فرأيت النبي صلى الله عليه وسلم يعدهن بيده. «وإذا أوى إلى فراشه سبحه وحمده وكبره، فتلك مائة على اللسان، وألف في الميزان، فأيكم يعمل في اليوم والليلة ألفين وخمسمائة سيئة؟» قيل: يا رسول الله، كيف لا يحصيهما؟ قال: «يأتي أحدكم الشيطان في صلاته، فيذكره حاجة كذا وكذا، فلا يذكره»

নবী (সাঃ) বলেনঃ কোন মুসলমান ব্যক্তি দুইটি অভ্যাসে বৈশিষ্ট্যমণ্ডিত হতে পারলে সে নিশ্চয় জান্নাতে প্রবেশ করবে। অভ্যাস দুটি আয়ত্ত করা খুবই সহজ। তবে খুব কম লোকই তদনুযায়ী আমল করে থাকে। বলা হলো, ইয়া রাসূলাল্লাহ! সেই দুটি অভ্যাস কি কি? তিনি বলেনঃ প্রতি নামাযের পূর্বে তোমাদের কেউ দশবার আল্লাহু আকবার, দশবার আলহামদু লিল্লাহ এবং দশবার সুবহানাল্লাহ বলবে। তাতে (পাঁচ ওয়াক্তে) মৌখিক উচ্চারণে এক শত পঞ্চাশবার এবং মীযানে দেড় হাজার বার হবে। আমি নবী (সাঃ)-কে (নামাযের পর) তার হাতে সেগুলো গুণে গুণে পড়তে দেখেছি। আবার সে শয্যা গ্রহণকালে সুবহানাল্লাহ, আলহামদু লিল্লাহ ও আল্লাহু আকবার পড়লে তা মৌখিক উচ্চারণে এক শতবার এবং মীযানে এক হাজারবার হবে। তোমাদের মধ্যে কে এক দিন ও এক রাতে দুই হাজার পাঁচ শত গুনাহে লিপ্ত হয়? (তাতে এতোগুলো পাপও ক্ষমাযোগ্য হয়)। বলা হলো, হে আল্লাহর রাসূল! সে কিভাবে এরূপ আমল না করে থাকতে পারে? তিনি বলেনঃ তোমাদের কেউ নামাযে রত থাকাকালে তার নিকট শয়তান এসে তাকে এই এই প্রয়োজনের কথা স্মরণ করাতে থাকে। অতএব সে যেন তা স্মরণ না করে। -(আবু দাউদ, তিরমিযী, নাসাঈ, আহমাদ, ইবনে হিব্বান)

নবী (সাঃ) বলেনঃ কোন মুসলমান ব্যক্তি দুইটি অভ্যাসে বৈশিষ্ট্যমণ্ডিত হতে পারলে সে নিশ্চয় জান্নাতে প্রবেশ করবে। অভ্যাস দুটি আয়ত্ত করা খুবই সহজ। তবে খুব কম লোকই তদনুযায়ী আমল করে থাকে। বলা হলো, ইয়া রাসূলাল্লাহ! সেই দুটি অভ্যাস কি কি? তিনি বলেনঃ প্রতি নামাযের পূর্বে তোমাদের কেউ দশবার আল্লাহু আকবার, দশবার আলহামদু লিল্লাহ এবং দশবার সুবহানাল্লাহ বলবে। তাতে (পাঁচ ওয়াক্তে) মৌখিক উচ্চারণে এক শত পঞ্চাশবার এবং মীযানে দেড় হাজার বার হবে। আমি নবী (সাঃ)-কে (নামাযের পর) তার হাতে সেগুলো গুণে গুণে পড়তে দেখেছি। আবার সে শয্যা গ্রহণকালে সুবহানাল্লাহ, আলহামদু লিল্লাহ ও আল্লাহু আকবার পড়লে তা মৌখিক উচ্চারণে এক শতবার এবং মীযানে এক হাজারবার হবে। তোমাদের মধ্যে কে এক দিন ও এক রাতে দুই হাজার পাঁচ শত গুনাহে লিপ্ত হয়? (তাতে এতোগুলো পাপও ক্ষমাযোগ্য হয়)। বলা হলো, হে আল্লাহর রাসূল! সে কিভাবে এরূপ আমল না করে থাকতে পারে? তিনি বলেনঃ তোমাদের কেউ নামাযে রত থাকাকালে তার নিকট শয়তান এসে তাকে এই এই প্রয়োজনের কথা স্মরণ করাতে থাকে। অতএব সে যেন তা স্মরণ না করে। -(আবু দাউদ, তিরমিযী, নাসাঈ, আহমাদ, ইবনে হিব্বান)

حدثنا أبو نعيم قال: حدثنا سفيان، عن عطاء، عن أبيه، عن عبد الله بن عمرو، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال: «خلتان لا يحصيهما رجل مسلم إلا دخل الجنة، وهما يسير، ومن يعمل بهما قليل» ، قيل: وما هما يا رسول الله؟ قال: «يكبر أحدكم في دبر كل صلاة عشرا، ويحمد عشرا، ويسبح عشرا، فذلك خمسون ومائة على اللسان، وألف وخمسمائة في الميزان» ، فرأيت النبي صلى الله عليه وسلم يعدهن بيده. «وإذا أوى إلى فراشه سبحه وحمده وكبره، فتلك مائة على اللسان، وألف في الميزان، فأيكم يعمل في اليوم والليلة ألفين وخمسمائة سيئة؟» قيل: يا رسول الله، كيف لا يحصيهما؟ قال: «يأتي أحدكم الشيطان في صلاته، فيذكره حاجة كذا وكذا، فلا يذكره»


আদাবুল মুফরাদ > অনুচ্ছেদঃ কেউ বিছানা থেকে উঠে গিয়ে আবার ফিরে এলে তা যেন ঝেড়ে নেয়।

আদাবুল মুফরাদ ১২২৯

حدثنا إبراهيم بن المنذر قال: حدثنا أنس بن عياض، عن عبيد الله قال: حدثني سعيد المقبري، عن أبيه، عن أبي هريرة قال: قال النبي صلى الله عليه وسلم: " إذا أوى أحدكم إلى فراشه فليأخذ داخلة إزاره، فلينفض بها فراشه وليسم الله، فإنه لا يعلم ما خلفه بعده على فراشه، فإذا أراد أن يضطجع فليضطجع على شقه الأيمن وليقل: سبحانك ربي، بك وضعت جنبي، وبك أرفعه، إن أمسكت نفسي فاغفر لها، وإن أرسلتها فاحفظها بما تحفظ به عبادك الصالحين "

নবী (সাঃ) বলেছেনঃ তোমাদের কেউ তার বিছানায় ঘুমাতে এলে সে যেন তার পরিধেয় বস্ত্রের নিম্নাংশ দ্বারা তার বিছানাটা ঝেড়ে নেয় এবং আল্লাহর নাম স্মরণ করে। কারণ সে জানে না যে, তার অনুপস্থিতিতে তার বিছানায় কি পতিত হয়েছে। সে যখন বিছানায় শোবে তখন যেন তার ডান কাতে শোয় এবং বলে, “আমার প্রতিপালক মহাপবিত্র। তোমার নামে আমার পার্শ্বদেশ বিছানায় রাখলাম এবং তোমার নামে তা উঠাবো। যদি তুমি আমার জান রেখে দাও তবে তাকে ক্ষমা করো। আর যদি তাকে ছেড়ে দাও তবে তার হেফাজত করো, যেরূপ তুমি তোমার সৎকর্মপরায়ণ বান্দাদের হেফাজত করে থাকো”।-(বুখারী, মুসলিম, দারিমী, ইবনে হিব্বান)

নবী (সাঃ) বলেছেনঃ তোমাদের কেউ তার বিছানায় ঘুমাতে এলে সে যেন তার পরিধেয় বস্ত্রের নিম্নাংশ দ্বারা তার বিছানাটা ঝেড়ে নেয় এবং আল্লাহর নাম স্মরণ করে। কারণ সে জানে না যে, তার অনুপস্থিতিতে তার বিছানায় কি পতিত হয়েছে। সে যখন বিছানায় শোবে তখন যেন তার ডান কাতে শোয় এবং বলে, “আমার প্রতিপালক মহাপবিত্র। তোমার নামে আমার পার্শ্বদেশ বিছানায় রাখলাম এবং তোমার নামে তা উঠাবো। যদি তুমি আমার জান রেখে দাও তবে তাকে ক্ষমা করো। আর যদি তাকে ছেড়ে দাও তবে তার হেফাজত করো, যেরূপ তুমি তোমার সৎকর্মপরায়ণ বান্দাদের হেফাজত করে থাকো”।-(বুখারী, মুসলিম, দারিমী, ইবনে হিব্বান)

حدثنا إبراهيم بن المنذر قال: حدثنا أنس بن عياض، عن عبيد الله قال: حدثني سعيد المقبري، عن أبيه، عن أبي هريرة قال: قال النبي صلى الله عليه وسلم: " إذا أوى أحدكم إلى فراشه فليأخذ داخلة إزاره، فلينفض بها فراشه وليسم الله، فإنه لا يعلم ما خلفه بعده على فراشه، فإذا أراد أن يضطجع فليضطجع على شقه الأيمن وليقل: سبحانك ربي، بك وضعت جنبي، وبك أرفعه، إن أمسكت نفسي فاغفر لها، وإن أرسلتها فاحفظها بما تحفظ به عبادك الصالحين "


আদাবুল মুফরাদ > অনুচ্ছেদঃ রাতে ঘুম থেকে জাগ্রত হলে যে দোয়া পড়বে।

আদাবুল মুফরাদ ১২৩০

حدثنا معاذ بن فضالة قال: حدثنا هشام الدستوائي، عن يحيى هو ابن أبي كثير، عن أبي سلمة قال: حدثني ربيعة بن كعب قال: كنت أبيت عند باب النبي صلى الله عليه وسلم فأعطيه وضوءه، قال: فأسمعه الهوي من الليل يقول: «سمع الله لمن حمده» ، وأسمعه الهوي من الليل يقول: «الحمد لله رب العالمين»

আমি নবী (সাঃ)-এর ঘরের দ্বারদেশে রাত যাপন করতাম এবং তাঁর উযুর পানি সরবরাহ করতাম। আমি রাতে দীর্ঘক্ষণ ধরে তাকে বলতে শোনতাম, সামিয়াল্লাহু লিমান হামিদাহ (কেউ আল্লাহর প্রশংসা করলে তিনি তা শোনেন)। আমি আরো শোনতাম যে, তিনি দীর্ঘ রাত পর্যন্ত আলহামদু লিল্লাহ রব্বিল আলামীন (সমস্ত প্রশংসা জগতসমূহের প্রতিপালক আল্লাহর জন্য) বলছেন। (মুসলিম, আবু দাউদ, নাসাঈ, ইবনে মাজাহ, তিরমিযী হা/৩৩৫০)

আমি নবী (সাঃ)-এর ঘরের দ্বারদেশে রাত যাপন করতাম এবং তাঁর উযুর পানি সরবরাহ করতাম। আমি রাতে দীর্ঘক্ষণ ধরে তাকে বলতে শোনতাম, সামিয়াল্লাহু লিমান হামিদাহ (কেউ আল্লাহর প্রশংসা করলে তিনি তা শোনেন)। আমি আরো শোনতাম যে, তিনি দীর্ঘ রাত পর্যন্ত আলহামদু লিল্লাহ রব্বিল আলামীন (সমস্ত প্রশংসা জগতসমূহের প্রতিপালক আল্লাহর জন্য) বলছেন। (মুসলিম, আবু দাউদ, নাসাঈ, ইবনে মাজাহ, তিরমিযী হা/৩৩৫০)

حدثنا معاذ بن فضالة قال: حدثنا هشام الدستوائي، عن يحيى هو ابن أبي كثير، عن أبي سلمة قال: حدثني ربيعة بن كعب قال: كنت أبيت عند باب النبي صلى الله عليه وسلم فأعطيه وضوءه، قال: فأسمعه الهوي من الليل يقول: «سمع الله لمن حمده» ، وأسمعه الهوي من الليل يقول: «الحمد لله رب العالمين»


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00