আদাবুল মুফরাদ > অনুচ্ছেদঃ কোন ব্যক্তি কি তার সংগীদের দিকে নিজের পদদ্বয় প্রসারিত করে দিতে পারে বা তাদের সামনে হেলান দিয়ে বসতে পারে?

আদাবুল মুফরাদ ১২১০

حدثنا موسى بن إسماعيل قال: حدثنا يحيى بن عبد الرحمن العصري قال: حدثنا شهاب بن عباد العصري، أن بعض وفد عبد القيس سمعه يذكر، قال: لما بدأنا في وفادتنا إلى النبي صلى الله عليه وسلم سرنا، حتى إذا شارفنا القدوم تلقانا رجل يوضع على قعود له، فسلم، فرددنا عليه، ثم وقف فقال: ممن القوم؟ قلنا: وفد عبد القيس، قال: مرحبا بكم وأهلا، إياكم طلبت، جئت لأبشركم، قال النبي صلى الله عليه وسلم بالأمس لنا: إنه نظر إلى المشرق فقال: " ليأتين غدا من هذا الوجه - يعني: المشرق - خير وفد العرب "، فبت أروغ حتى أصبحت، فشددت على راحلتي، فأمعنت في المسير حتى ارتفع النهار، وهممت بالرجوع، ثم رفعت رءوس رواحلكم، ثم ثنى راحلته بزمامها راجعا يوضع عوده على بدئه، حتى انتهى إلى النبي صلى الله عليه وسلم , وأصحابه حوله من المهاجرين والأنصار، فقال: بأبي [ص: 410] وأمي، جئت أبشرك بوفد عبد القيس، فقال: «أنى لك بهم يا عمر؟» قال: هم أولاء على أثري، قد أظلوا، فذكر ذلك، فقال: «بشرك الله بخير» ، وتهيأ القوم في مقاعدهم، وكان النبي صلى الله عليه وسلم قاعدا، فألقى ذيل ردائه تحت يده فاتكأ عليه، وبسط رجليه. فقدم الوفد ففرح بهم المهاجرون والأنصار، فلما رأوا النبي صلى الله عليه وسلم وأصحابه أمرحوا ركابهم فرحا بهم، وأقبلوا سراعا، فأوسع القوم، والنبي صلى الله عليه وسلم متكئ على حاله، فتخلف الأشج - وهو: منذر بن عائذ بن منذر بن الحارث بن النعمان بن زياد بن عصر - فجمع ركابهم ثم أناخها، وحط أحمالها، وجمع متاعها، ثم أخرج عيبة له وألقى عنه ثياب السفر ولبس حلة، ثم أقبل يمشي مترسلا، فقال النبي صلى الله عليه وسلم: «من سيدكم وزعيمكم، وصاحب أمركم؟» فأشاروا بأجمعهم إليه، وقال: «ابن سادتكم هذا؟» قالوا: كان آباؤه سادتنا في الجاهلية، وهو قائدنا إلى الإسلام، فلما انتهى الأشج أراد أن يقعد من ناحية، استوى النبي صلى الله عليه وسلم قاعدا قال: «ها هنا يا أشج» ، وكان أول يوم سمي الأشج ذلك اليوم، أصابته حمارة بحافرها وهو فطيم، فكان في وجهه مثل القمر، فأقعده إلى جنبه، وألطفه، وعرف فضله عليهم، فأقبل القوم على النبي صلى الله عليه وسلم يسألونه ويخبرهم، حتى كان بعقب الحديث قال: «هل معكم من أزودتكم شيء؟» قالوا: نعم، فقاموا سراعا، كل رجل منهم إلى ثقله فجاءوا بصبر التمر في أكفهم، فوضعت على نطع بين يديه، وبين يديه جريدة دون الذراعين وفوق الذراع، فكان يختصر بها، قلما يفارقها، فأومأ بها إلى صبرة من ذلك التمر فقال: «تسمون هذا التعضوض؟» قالوا: نعم، قال: «وتسمون هذا الصرفان؟» قالوا: نعم، «وتسمون هذا البرني؟» ، قالوا: نعم، قال: «هو خير تمركم وأنفعه لكم - وقال بعض شيوخ الحي - وأعظمه بركة» وإنما كانت عندنا خصبة نعلفها إبلنا وحميرنا، فلما رجعنا من وفادتنا تلك عظمت رغبتنا فيها، وفسلناها حتى تحولت ثمارنا منها، ورأينا البركة فيها

তিনি আবদুল কায়েস গোত্রের প্রতিনিধি দলের কোন সদস্যকে বর্ণনা করতে শুনেছেন। তিনি বলেন, নবী (সাঃ)-এর নিকট প্রতিনিধিদল পাঠানোর প্রয়োজনীয়তা আমাদের নিকট প্রতীয়মান হলে আমরা রওয়ানা হলাম। আমরা সফরের শেষপ্রান্তে উপনীত হলে রাস্তার মাথায় বসা এক ব্যক্তি আমাদের সাথে সাক্ষাত করেন। তিনি সালাম দিলে আমরা তার উত্তর দিলাম। তিনি দণ্ডায়মান হয়ে জিজ্ঞেস করলেন, তোমরা কারা? আমরা বললাম, আবদুল কায়েস গোত্রের প্রতিনিধি দল। তিনি বলেন, স্বাগতম, তোমাদের সাদর সম্ভাষণ। আমি তোমাদের তালাশেই এসেছি তোমাদের সুসংবাদ পৌছে দেয়ার জন্য। গতকাল নবী (সাঃ) আমাদের বলেছিলেন। তিনি পুবের দিকে দৃষ্টিপাত করে বলেছিলেনঃ “অবশ্যই আগামী কাল এদিক অর্থাৎ পূর্বদিক থেকে আরবের উত্তম প্রতিনিধিদল আসবে”। এপাশ ওপাশ করতে করতে আমার রাতটি অতিবাহিত হলো। ভোর হতেই আমি কাফেলা ও রাস্তার উপর তীক্ষ্ণ দৃষ্টিতে দেখতে থাকলাম। এভাবে বেশ বেলা হয়ে গেলো এবং আমি ফিরে আসার মনস্থ করলাম। ইত্যবসরে তোমাদের জন্তুযানের মাথা আমার দৃষ্টিগোচর হলো। একথা বলে লোকটি তার জন্তুযানের লাগাম ধরে তাকে ঘুরিয়ে নিয়ে দ্রুতবেগে ফিরে যেতে লাগলেন। তিনি নবী (সাঃ)-এর নিকট পৌছে তাকে মুহাজির ও আনসার সাহাবীগণ পরিবেষ্টিত পেলেন। তিনি বলেন, আমার পিতা-মাতা আপনার জন্য কোরবান হোক! আমি আবদুল কায়েস গোত্রের প্রতিনিধিদল সম্পর্কে আপনাকে সুসংবাদ দিতে এসেছি। তিনি জিজ্ঞেস করেনঃ হে উমার! তাদের সাথে কোথায় তোমার সাক্ষাত হয়েছে? তিনি বলেন, তারা আমার পেছনে আসছে এবং এখনই এসে পৌছবে। তিনি এটা উল্লেখ করলে নবী (সাঃ) বলেনঃ আল্লাহ তোমাকে সুসংবাদ দান করুন। লোকজন তাদের বসাবার ব্যবস্থা করতে লেগে গেলো। আর নবী (সাঃ) বসা অবস্থায় ছিলেন। তিনি তার চাদরের প্রান্তভাগ তার হাতের নিচে রেখে তাতে ভর দিয়ে বসলেন এবং পদদ্বয় সামনে প্রসারিত করে দিলেন। প্রতিনিধি দল এসে পৌঁছলে তাদের দেখে মুহাজির ও আনাসরগণ আনন্দিত হলেন। তারা নবী (সাঃ) ও তার সাহাবীগণকে দেখে আনন্দিত হয়ে রেকাবদানি বাজাতে থাকে এবং দ্রুতবেগে নবী (সাঃ)-এর খেদমতে উপস্থিত হয়। লোকজন সরে গিয়ে তাদের বসার জায়গা করে দিলো এবং নবী (সাঃ) পূর্ববৎ হাতে ভর দিয়ে বসে থাকলেন। (দলনেতাবারানী) আল-আশাজ্জের পৌছতে বিলম্ব হলো । তারা জন্তুযান একত্র করলো, সেগুলোকে বসালো এবং মালপত্র নামিয়ে একত্র করলো, অতঃপর একটি হাতবাক্স বের করে সফরের পোশাক পরিবর্তন করে চাদর পরিধান করে তার প্রান্তভাগ ঝুলিয়ে দিয়ে হেঁটে এসে উপস্থিত হলো। নবী (সাঃ) জিজ্ঞেস করেনঃ তোমাদের নেতা কে, তোমাদের যাবতীয় কাজের দায়িত্বশীল কে? সকলে একসাথে আল-আশাজ্জের দিকে ইংগিত করলো। তিনি বলেনঃ সে কি তোমাদের নেতার পুত্র? তারা বললো, তার পূর্বপুরুষ জাহিলী যুগেও আমাদের নেতা ছিলো এবং ইনি ইসলামে আমাদের নেতা। আশাজ এসে পৌছে এক প্রান্তে বসার ইচ্ছা করলে নবী (সাঃ) সোজা হয়ে বসে বলেনঃ হে আশাজ্জ! এখানে। শিশুকালে যেদিন একটি গর্দভীর ক্ষুরের আঘাতে তিনি আহত হন সেদিন থেকে তার নাম হয়েছে আশাজ্জ (আহত), যার চিহ্ন তার চেহারায় চাদের মত ভাস্কর ছিল। নবী (সাঃ) তাকে নিজের পাশে বসান, তার প্রতি অনুগ্রহ প্রদর্শন করেন এবং তাদের উপর তার মর্যাদার স্বীকৃতি দেন। প্রতিনিধি দল নবী (সাঃ)-কে প্রশ্ন করতে থাকে এবং তিনি তাদের অবহিত করতে থাকেন। সাথে অবশিষ্ট আছে কি? তারা বললো, হাঁ। প্রত্যেক ব্যক্তি নিজ নিজ সামানপত্রের দিকে দ্রুত অগ্রসর হলো এবং বস্তাভর্তি খেজুর নিয়ে এলো। সেগুলো তার সামনে একটি চামড়ার পাত্রের উপর রেখে দেয়া হলো। তাঁর সামনে ছিল দুই হাতের চেয়ে ক্ষুদ্র এবং এক হাতের চেয়ে বড় একটি খেজুরের ছড়ি। এটা তিনি নিজের কাছেই রাখতেন, তা খুব কমই তার থেকে বিচ্ছিন্ন থাকতো। তিনি সেটি দ্বারা খেজুরের স্তুপের দিকে ইশারা করে বলেনঃ তোমরা এর ‘তাদূদ’ নামকরণ করেছো”? তারা বললো, হাঁ। তিনি বলেনঃ তোমরা এর ‘সারাফান’ নামকরণ করেছো? তারা বললো, হাঁ। তিনি বলেনঃ তোমরা এর ‘বারনী’ নামকরণ করেছো ? তারা বললো, হাঁ। এটা তোমাদের সর্বোত্তম ও অধিক ফলনশীল খেজুর। গোত্রের কোন কোন প্রবীণ ব্যক্তি বলেন, এটি ছিল সর্বাধিক বরকতপূর্ণ। কম ফলনশীল ও নিম্ন মানের খেজুরও আমাদের সাথে ছিল যা আমরা আমাদের উট ও গাধাকে খাওয়াই। আমরা আমাদের প্রতিনিধি দলের সাথে ফিরে আসার পর ঐ খেজুরের প্রতি আমাদের আকর্ষণ বেড়ে গেলো এবং আমরা তার চাষাবাদ করলাম। শেষে এটাই আমাদের উৎপাদিত শস্যে পরিণত হলো এবং তাতে আমরা পর্যাপ্ত বরকত লক্ষ্য করলাম। (আহমাদ হা/১৫৬৪৪ ও ১৭৯৮৫)

তিনি আবদুল কায়েস গোত্রের প্রতিনিধি দলের কোন সদস্যকে বর্ণনা করতে শুনেছেন। তিনি বলেন, নবী (সাঃ)-এর নিকট প্রতিনিধিদল পাঠানোর প্রয়োজনীয়তা আমাদের নিকট প্রতীয়মান হলে আমরা রওয়ানা হলাম। আমরা সফরের শেষপ্রান্তে উপনীত হলে রাস্তার মাথায় বসা এক ব্যক্তি আমাদের সাথে সাক্ষাত করেন। তিনি সালাম দিলে আমরা তার উত্তর দিলাম। তিনি দণ্ডায়মান হয়ে জিজ্ঞেস করলেন, তোমরা কারা? আমরা বললাম, আবদুল কায়েস গোত্রের প্রতিনিধি দল। তিনি বলেন, স্বাগতম, তোমাদের সাদর সম্ভাষণ। আমি তোমাদের তালাশেই এসেছি তোমাদের সুসংবাদ পৌছে দেয়ার জন্য। গতকাল নবী (সাঃ) আমাদের বলেছিলেন। তিনি পুবের দিকে দৃষ্টিপাত করে বলেছিলেনঃ “অবশ্যই আগামী কাল এদিক অর্থাৎ পূর্বদিক থেকে আরবের উত্তম প্রতিনিধিদল আসবে”। এপাশ ওপাশ করতে করতে আমার রাতটি অতিবাহিত হলো। ভোর হতেই আমি কাফেলা ও রাস্তার উপর তীক্ষ্ণ দৃষ্টিতে দেখতে থাকলাম। এভাবে বেশ বেলা হয়ে গেলো এবং আমি ফিরে আসার মনস্থ করলাম। ইত্যবসরে তোমাদের জন্তুযানের মাথা আমার দৃষ্টিগোচর হলো। একথা বলে লোকটি তার জন্তুযানের লাগাম ধরে তাকে ঘুরিয়ে নিয়ে দ্রুতবেগে ফিরে যেতে লাগলেন। তিনি নবী (সাঃ)-এর নিকট পৌছে তাকে মুহাজির ও আনসার সাহাবীগণ পরিবেষ্টিত পেলেন। তিনি বলেন, আমার পিতা-মাতা আপনার জন্য কোরবান হোক! আমি আবদুল কায়েস গোত্রের প্রতিনিধিদল সম্পর্কে আপনাকে সুসংবাদ দিতে এসেছি। তিনি জিজ্ঞেস করেনঃ হে উমার! তাদের সাথে কোথায় তোমার সাক্ষাত হয়েছে? তিনি বলেন, তারা আমার পেছনে আসছে এবং এখনই এসে পৌছবে। তিনি এটা উল্লেখ করলে নবী (সাঃ) বলেনঃ আল্লাহ তোমাকে সুসংবাদ দান করুন। লোকজন তাদের বসাবার ব্যবস্থা করতে লেগে গেলো। আর নবী (সাঃ) বসা অবস্থায় ছিলেন। তিনি তার চাদরের প্রান্তভাগ তার হাতের নিচে রেখে তাতে ভর দিয়ে বসলেন এবং পদদ্বয় সামনে প্রসারিত করে দিলেন। প্রতিনিধি দল এসে পৌঁছলে তাদের দেখে মুহাজির ও আনাসরগণ আনন্দিত হলেন। তারা নবী (সাঃ) ও তার সাহাবীগণকে দেখে আনন্দিত হয়ে রেকাবদানি বাজাতে থাকে এবং দ্রুতবেগে নবী (সাঃ)-এর খেদমতে উপস্থিত হয়। লোকজন সরে গিয়ে তাদের বসার জায়গা করে দিলো এবং নবী (সাঃ) পূর্ববৎ হাতে ভর দিয়ে বসে থাকলেন। (দলনেতাবারানী) আল-আশাজ্জের পৌছতে বিলম্ব হলো । তারা জন্তুযান একত্র করলো, সেগুলোকে বসালো এবং মালপত্র নামিয়ে একত্র করলো, অতঃপর একটি হাতবাক্স বের করে সফরের পোশাক পরিবর্তন করে চাদর পরিধান করে তার প্রান্তভাগ ঝুলিয়ে দিয়ে হেঁটে এসে উপস্থিত হলো। নবী (সাঃ) জিজ্ঞেস করেনঃ তোমাদের নেতা কে, তোমাদের যাবতীয় কাজের দায়িত্বশীল কে? সকলে একসাথে আল-আশাজ্জের দিকে ইংগিত করলো। তিনি বলেনঃ সে কি তোমাদের নেতার পুত্র? তারা বললো, তার পূর্বপুরুষ জাহিলী যুগেও আমাদের নেতা ছিলো এবং ইনি ইসলামে আমাদের নেতা। আশাজ এসে পৌছে এক প্রান্তে বসার ইচ্ছা করলে নবী (সাঃ) সোজা হয়ে বসে বলেনঃ হে আশাজ্জ! এখানে। শিশুকালে যেদিন একটি গর্দভীর ক্ষুরের আঘাতে তিনি আহত হন সেদিন থেকে তার নাম হয়েছে আশাজ্জ (আহত), যার চিহ্ন তার চেহারায় চাদের মত ভাস্কর ছিল। নবী (সাঃ) তাকে নিজের পাশে বসান, তার প্রতি অনুগ্রহ প্রদর্শন করেন এবং তাদের উপর তার মর্যাদার স্বীকৃতি দেন। প্রতিনিধি দল নবী (সাঃ)-কে প্রশ্ন করতে থাকে এবং তিনি তাদের অবহিত করতে থাকেন। সাথে অবশিষ্ট আছে কি? তারা বললো, হাঁ। প্রত্যেক ব্যক্তি নিজ নিজ সামানপত্রের দিকে দ্রুত অগ্রসর হলো এবং বস্তাভর্তি খেজুর নিয়ে এলো। সেগুলো তার সামনে একটি চামড়ার পাত্রের উপর রেখে দেয়া হলো। তাঁর সামনে ছিল দুই হাতের চেয়ে ক্ষুদ্র এবং এক হাতের চেয়ে বড় একটি খেজুরের ছড়ি। এটা তিনি নিজের কাছেই রাখতেন, তা খুব কমই তার থেকে বিচ্ছিন্ন থাকতো। তিনি সেটি দ্বারা খেজুরের স্তুপের দিকে ইশারা করে বলেনঃ তোমরা এর ‘তাদূদ’ নামকরণ করেছো”? তারা বললো, হাঁ। তিনি বলেনঃ তোমরা এর ‘সারাফান’ নামকরণ করেছো? তারা বললো, হাঁ। তিনি বলেনঃ তোমরা এর ‘বারনী’ নামকরণ করেছো ? তারা বললো, হাঁ। এটা তোমাদের সর্বোত্তম ও অধিক ফলনশীল খেজুর। গোত্রের কোন কোন প্রবীণ ব্যক্তি বলেন, এটি ছিল সর্বাধিক বরকতপূর্ণ। কম ফলনশীল ও নিম্ন মানের খেজুরও আমাদের সাথে ছিল যা আমরা আমাদের উট ও গাধাকে খাওয়াই। আমরা আমাদের প্রতিনিধি দলের সাথে ফিরে আসার পর ঐ খেজুরের প্রতি আমাদের আকর্ষণ বেড়ে গেলো এবং আমরা তার চাষাবাদ করলাম। শেষে এটাই আমাদের উৎপাদিত শস্যে পরিণত হলো এবং তাতে আমরা পর্যাপ্ত বরকত লক্ষ্য করলাম। (আহমাদ হা/১৫৬৪৪ ও ১৭৯৮৫)

حدثنا موسى بن إسماعيل قال: حدثنا يحيى بن عبد الرحمن العصري قال: حدثنا شهاب بن عباد العصري، أن بعض وفد عبد القيس سمعه يذكر، قال: لما بدأنا في وفادتنا إلى النبي صلى الله عليه وسلم سرنا، حتى إذا شارفنا القدوم تلقانا رجل يوضع على قعود له، فسلم، فرددنا عليه، ثم وقف فقال: ممن القوم؟ قلنا: وفد عبد القيس، قال: مرحبا بكم وأهلا، إياكم طلبت، جئت لأبشركم، قال النبي صلى الله عليه وسلم بالأمس لنا: إنه نظر إلى المشرق فقال: " ليأتين غدا من هذا الوجه - يعني: المشرق - خير وفد العرب "، فبت أروغ حتى أصبحت، فشددت على راحلتي، فأمعنت في المسير حتى ارتفع النهار، وهممت بالرجوع، ثم رفعت رءوس رواحلكم، ثم ثنى راحلته بزمامها راجعا يوضع عوده على بدئه، حتى انتهى إلى النبي صلى الله عليه وسلم , وأصحابه حوله من المهاجرين والأنصار، فقال: بأبي [ص: 410] وأمي، جئت أبشرك بوفد عبد القيس، فقال: «أنى لك بهم يا عمر؟» قال: هم أولاء على أثري، قد أظلوا، فذكر ذلك، فقال: «بشرك الله بخير» ، وتهيأ القوم في مقاعدهم، وكان النبي صلى الله عليه وسلم قاعدا، فألقى ذيل ردائه تحت يده فاتكأ عليه، وبسط رجليه. فقدم الوفد ففرح بهم المهاجرون والأنصار، فلما رأوا النبي صلى الله عليه وسلم وأصحابه أمرحوا ركابهم فرحا بهم، وأقبلوا سراعا، فأوسع القوم، والنبي صلى الله عليه وسلم متكئ على حاله، فتخلف الأشج - وهو: منذر بن عائذ بن منذر بن الحارث بن النعمان بن زياد بن عصر - فجمع ركابهم ثم أناخها، وحط أحمالها، وجمع متاعها، ثم أخرج عيبة له وألقى عنه ثياب السفر ولبس حلة، ثم أقبل يمشي مترسلا، فقال النبي صلى الله عليه وسلم: «من سيدكم وزعيمكم، وصاحب أمركم؟» فأشاروا بأجمعهم إليه، وقال: «ابن سادتكم هذا؟» قالوا: كان آباؤه سادتنا في الجاهلية، وهو قائدنا إلى الإسلام، فلما انتهى الأشج أراد أن يقعد من ناحية، استوى النبي صلى الله عليه وسلم قاعدا قال: «ها هنا يا أشج» ، وكان أول يوم سمي الأشج ذلك اليوم، أصابته حمارة بحافرها وهو فطيم، فكان في وجهه مثل القمر، فأقعده إلى جنبه، وألطفه، وعرف فضله عليهم، فأقبل القوم على النبي صلى الله عليه وسلم يسألونه ويخبرهم، حتى كان بعقب الحديث قال: «هل معكم من أزودتكم شيء؟» قالوا: نعم، فقاموا سراعا، كل رجل منهم إلى ثقله فجاءوا بصبر التمر في أكفهم، فوضعت على نطع بين يديه، وبين يديه جريدة دون الذراعين وفوق الذراع، فكان يختصر بها، قلما يفارقها، فأومأ بها إلى صبرة من ذلك التمر فقال: «تسمون هذا التعضوض؟» قالوا: نعم، قال: «وتسمون هذا الصرفان؟» قالوا: نعم، «وتسمون هذا البرني؟» ، قالوا: نعم، قال: «هو خير تمركم وأنفعه لكم - وقال بعض شيوخ الحي - وأعظمه بركة» وإنما كانت عندنا خصبة نعلفها إبلنا وحميرنا، فلما رجعنا من وفادتنا تلك عظمت رغبتنا فيها، وفسلناها حتى تحولت ثمارنا منها، ورأينا البركة فيها


আদাবুল মুফরাদ > অনুচ্ছেদঃ ভোরে উপনীত হয়ে যে দোয়া পড়বে।

আদাবুল মুফরাদ ১২১১

حدثنا معلى قال: حدثنا وهيب قال: حدثنا سهيل بن أبي صالح، عن أبيه، عن أبي هريرة قال: كان النبي صلى الله عليه وسلم إذا أصبح قال: «اللهم بك أصبحنا، وبك أمسينا، وبك نحيا، وبك نموت، وإليك النشور» ، وإذا أمسى قال: «اللهم بك أمسينا، وبك أصبحنا، وبك نحيا، وبك نموت، وإليك المصير»

নবী (সাঃ) ভোরে উপনীত হয়ে বলতেনঃ “হে আল্লাহ! আমরা তোমার হুকুমে ভোরে উপনত হই এবং সন্ধ্যায় উপনীত হই। তোমার হুকুমে আমরা জীবিত আছি এবং মৃত্যুবরণ করবো। আমরা তোমার নিকটই পুনর্জীবিত হয়ে প্রত্যানীত হবো”। তিনি সন্ধ্যায় উপনীত হয়ে বলতেনঃ “হে আল্লাহ! আমরা তোমার হুকুমে সন্ধ্যায় উপনীত হই এবং ভোরে উপনীত হই। তোমার হুকুমে আমরা জীবিত আছি এবং মৃত্যুবরণ করবো। তোমার নিকটই প্রত্যাবর্তন”। -(আবু দাউদ, তিরমিযী, নাসাঈ, ইবনে মাজাহ, ইবনে হিব্বান, আবু আওয়া নাসাঈ)

নবী (সাঃ) ভোরে উপনীত হয়ে বলতেনঃ “হে আল্লাহ! আমরা তোমার হুকুমে ভোরে উপনত হই এবং সন্ধ্যায় উপনীত হই। তোমার হুকুমে আমরা জীবিত আছি এবং মৃত্যুবরণ করবো। আমরা তোমার নিকটই পুনর্জীবিত হয়ে প্রত্যানীত হবো”। তিনি সন্ধ্যায় উপনীত হয়ে বলতেনঃ “হে আল্লাহ! আমরা তোমার হুকুমে সন্ধ্যায় উপনীত হই এবং ভোরে উপনীত হই। তোমার হুকুমে আমরা জীবিত আছি এবং মৃত্যুবরণ করবো। তোমার নিকটই প্রত্যাবর্তন”। -(আবু দাউদ, তিরমিযী, নাসাঈ, ইবনে মাজাহ, ইবনে হিব্বান, আবু আওয়া নাসাঈ)

حدثنا معلى قال: حدثنا وهيب قال: حدثنا سهيل بن أبي صالح، عن أبيه، عن أبي هريرة قال: كان النبي صلى الله عليه وسلم إذا أصبح قال: «اللهم بك أصبحنا، وبك أمسينا، وبك نحيا، وبك نموت، وإليك النشور» ، وإذا أمسى قال: «اللهم بك أمسينا، وبك أصبحنا، وبك نحيا، وبك نموت، وإليك المصير»


আদাবুল মুফরাদ ১২১২

حدثنا محمد بن سلام قال: حدثنا وكيع، عن عبادة بن مسلم الفزاري قال: حدثني جبير بن أبي سليمان بن جبير بن مطعم قال: سمعت ابن عمر يقول: لم يكن رسول الله صلى الله عليه وسلم يدع هؤلاء الكلمات إذا أصبح وإذا أمسى: «اللهم إني أسألك العافية في الدنيا والآخرة. اللهم إني أسألك العفو والعافية في ديني ودنياي، وأهلي ومالي. اللهم استر عوراتي، وآمن روعاتي. اللهم احفظني من بين يدي ومن خلفي، وعن يميني وعن شمالي، ومن فوقي، وأعوذ بعظمتك من أن أغتال من تحتي»

রাসূলুল্লাহ (সাঃ) সকালে ও সন্ধ্যায় উপনীত হয়ে কখনো এই দোয়া পড়া ত্যাগ করতেন নাঃ “হে আল্লাহ! আমি তোমার নিকট দুনিয়া ও আখেরাতের স্বস্তি ও নিরাপত্তা প্রার্থনা করি। হে আল্লাহ! আমি তোমার নিকট আমার দীন, আমার দুনিয়া, আমার পরিবার ও আমার সম্পদের নিরাপত্তা প্রার্থনা করি। হে আল্লাহ! আমার লজ্জাস্থানকে গোপন রাখো এবং আমার ভয়কে নিরাপত্তায় পরিণত করো। হে আল্লাহ! আমাকে হেফাজত করো আমার সম্মুখভাগ থেকে, আমার পশ্চাদভাগ থেকে, আমার ডান দিক থেকে, আমার বাম দিক থেকে এবং আমার উপরের দিক থেকে। আমি তোমার মহানত্বের উসীলায় আমার নিচের দিক থেকে আমাকে ধ্বসিয়ে দেয়া থেকে আশ্রয় প্রার্থনা করি”। -(আবু দাউদ, ইবনে মাজাহ, নাসাঈ, আহমাদ, হাকিম, ইবনে হিব্বান)

রাসূলুল্লাহ (সাঃ) সকালে ও সন্ধ্যায় উপনীত হয়ে কখনো এই দোয়া পড়া ত্যাগ করতেন নাঃ “হে আল্লাহ! আমি তোমার নিকট দুনিয়া ও আখেরাতের স্বস্তি ও নিরাপত্তা প্রার্থনা করি। হে আল্লাহ! আমি তোমার নিকট আমার দীন, আমার দুনিয়া, আমার পরিবার ও আমার সম্পদের নিরাপত্তা প্রার্থনা করি। হে আল্লাহ! আমার লজ্জাস্থানকে গোপন রাখো এবং আমার ভয়কে নিরাপত্তায় পরিণত করো। হে আল্লাহ! আমাকে হেফাজত করো আমার সম্মুখভাগ থেকে, আমার পশ্চাদভাগ থেকে, আমার ডান দিক থেকে, আমার বাম দিক থেকে এবং আমার উপরের দিক থেকে। আমি তোমার মহানত্বের উসীলায় আমার নিচের দিক থেকে আমাকে ধ্বসিয়ে দেয়া থেকে আশ্রয় প্রার্থনা করি”। -(আবু দাউদ, ইবনে মাজাহ, নাসাঈ, আহমাদ, হাকিম, ইবনে হিব্বান)

حدثنا محمد بن سلام قال: حدثنا وكيع، عن عبادة بن مسلم الفزاري قال: حدثني جبير بن أبي سليمان بن جبير بن مطعم قال: سمعت ابن عمر يقول: لم يكن رسول الله صلى الله عليه وسلم يدع هؤلاء الكلمات إذا أصبح وإذا أمسى: «اللهم إني أسألك العافية في الدنيا والآخرة. اللهم إني أسألك العفو والعافية في ديني ودنياي، وأهلي ومالي. اللهم استر عوراتي، وآمن روعاتي. اللهم احفظني من بين يدي ومن خلفي، وعن يميني وعن شمالي، ومن فوقي، وأعوذ بعظمتك من أن أغتال من تحتي»


আদাবুল মুফরাদ ১২১৩

حدثنا إسحاق قال: حدثنا بقية، عن مسلم بن زياد، مولى ميمونة زوج النبي صلى الله عليه وسلم، قال: سمعت أنس بن مالك قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: " من قال حين يصبح: الله إنا أصبحنا نشهدك، ونشهد حملة عرشك، وملائكتك وجميع خلقك، أنك أنت الله لا إله إلا أنت وحدك لا شريك لك، وأن محمدا عبدك ورسولك، إلا أعتق الله ربعه في ذلك اليوم، ومن قالها مرتين أعتق الله نصفه من النار، ومن قالها أربع مرات أعتقه الله من النار في ذلك اليوم "

রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেনঃ কেউ ভোরে উপনীত হয়ে নিম্নোক্ত দোয়া একবার পড়লে আল্লাহ তাকে দোযখ থেকে সেদিনের এক-চতুর্থাংশ সময় মুক্ত করে দিবেনঃ “হে আল্লাহ! আমরা ভোরে উপনীত হয়েছি। আমরা তোমাকে সাক্ষী রেখে, তোমার আরশ বহনকারীদের, তোমার ফেরেশতাদের এবং তোমার সমস্ত সৃষ্টিকে সাক্ষী রেখে স্বীকার করছি যে, তুমিই একমাত্র আল্লাহ। তুমি ব্যতীত কোন ইলাহ নাইবনে মাজাহ, তুমি এক, তোমার কোন শরীক নাই এবং মুহাম্মদ তোমার বান্দা ও রাসূল”। যে ব্যক্তি উপরোক্ত দোয়া দুইবার পড়বে আল্লাহ সেদিনের অর্ধেক সময় তাকে দোযখ থেকে নিষ্কৃতি দিবেন। আর যে ব্যক্তি তা চারবার পড়বে, আল্লাহ তাকে সারাটি দিন দোযখ থেকে নিষ্কৃতি দিবেন। (আবু দাউদ)

রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেনঃ কেউ ভোরে উপনীত হয়ে নিম্নোক্ত দোয়া একবার পড়লে আল্লাহ তাকে দোযখ থেকে সেদিনের এক-চতুর্থাংশ সময় মুক্ত করে দিবেনঃ “হে আল্লাহ! আমরা ভোরে উপনীত হয়েছি। আমরা তোমাকে সাক্ষী রেখে, তোমার আরশ বহনকারীদের, তোমার ফেরেশতাদের এবং তোমার সমস্ত সৃষ্টিকে সাক্ষী রেখে স্বীকার করছি যে, তুমিই একমাত্র আল্লাহ। তুমি ব্যতীত কোন ইলাহ নাইবনে মাজাহ, তুমি এক, তোমার কোন শরীক নাই এবং মুহাম্মদ তোমার বান্দা ও রাসূল”। যে ব্যক্তি উপরোক্ত দোয়া দুইবার পড়বে আল্লাহ সেদিনের অর্ধেক সময় তাকে দোযখ থেকে নিষ্কৃতি দিবেন। আর যে ব্যক্তি তা চারবার পড়বে, আল্লাহ তাকে সারাটি দিন দোযখ থেকে নিষ্কৃতি দিবেন। (আবু দাউদ)

حدثنا إسحاق قال: حدثنا بقية، عن مسلم بن زياد، مولى ميمونة زوج النبي صلى الله عليه وسلم، قال: سمعت أنس بن مالك قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: " من قال حين يصبح: الله إنا أصبحنا نشهدك، ونشهد حملة عرشك، وملائكتك وجميع خلقك، أنك أنت الله لا إله إلا أنت وحدك لا شريك لك، وأن محمدا عبدك ورسولك، إلا أعتق الله ربعه في ذلك اليوم، ومن قالها مرتين أعتق الله نصفه من النار، ومن قالها أربع مرات أعتقه الله من النار في ذلك اليوم "


আদাবুল মুফরাদ > অনুচ্ছেদঃ সন্ধ্যায় উপনীত হয়ে যা বলবে।

আদাবুল মুফরাদ ১২১৫

حدثنا مسدد قال: حدثنا هشيم، عن يعلى، عن عمرو، عن أبي هريرة مثله. وقال: «رب كل شيء ومليكه» ، وقال: «شر الشيطان وشركه»

... পূর্বোক্ত হাদীসের অনুরূপ। তবে এই বর্ণনায় আরো আছে, “প্রত্যেক জিনিসের প্রভু ও তার মালিক” এবং “শয়তানের অনিষ্ট ও তার শিরক (থেকে আশ্রয় চাইবনে মাজাহ)”।

... পূর্বোক্ত হাদীসের অনুরূপ। তবে এই বর্ণনায় আরো আছে, “প্রত্যেক জিনিসের প্রভু ও তার মালিক” এবং “শয়তানের অনিষ্ট ও তার শিরক (থেকে আশ্রয় চাইবনে মাজাহ)”।

حدثنا مسدد قال: حدثنا هشيم، عن يعلى، عن عمرو، عن أبي هريرة مثله. وقال: «رب كل شيء ومليكه» ، وقال: «شر الشيطان وشركه»


আদাবুল মুফরাদ ১২১৪

حدثنا سعيد بن الربيع قال: حدثنا شعبة، عن يعلى بن عطاء قال: سمعت عمرو بن عاصم قال: سمعت أبا هريرة يقول: قال أبو بكر: يا رسول الله، علمني شيئا أقوله إذا أصبحت وأمسيت، قال: " قل: اللهم عالم الغيب والشهادة، فاطر السماوات والأرض، رب كل شيء ومليكه، أشهد أن لا إله إلا أنت، أعوذ بك من شر نفسي، ومن شر الشيطان وشركه، قله إذا أصبحت وإذا أمسيت، وإذا أخذت مضجعك ".

আবু বাকর (রাঃ) বললেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ! সকাল-সন্ধ্যায় আমার বলার জন্য আমাকে কিছু শিখিয়ে দিন। তিনি বলেনঃ তুমি বলো, “হে আল্লাহ, দৃশ্য ও অদৃশ্যের জ্ঞানী, আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবীর স্রষ্টা প্রতিটি জিনিস তোমার দুই হাতের মুঠোয়। আমি সাক্ষ্য দেই যে, তুমি ব্যতীত কোন ইলাহ নাই। আমি তোমার নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করি আমার নফসের ক্ষতি থেকে এবং শয়তানের ক্ষতি ও তার শিরক থেকে”। তুমি সকাল-সন্ধ্যায় উপনীত হয়ে এবং বিছানায় ঘুমানোর সময় এই দোয়া বলো। -(আবু দাউদ, ইবনে মাজাহ, নাসাঈ, দারিমী, আহমাদ, হাকিম, ইবনে হিব্বান)

আবু বাকর (রাঃ) বললেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ! সকাল-সন্ধ্যায় আমার বলার জন্য আমাকে কিছু শিখিয়ে দিন। তিনি বলেনঃ তুমি বলো, “হে আল্লাহ, দৃশ্য ও অদৃশ্যের জ্ঞানী, আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবীর স্রষ্টা প্রতিটি জিনিস তোমার দুই হাতের মুঠোয়। আমি সাক্ষ্য দেই যে, তুমি ব্যতীত কোন ইলাহ নাই। আমি তোমার নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করি আমার নফসের ক্ষতি থেকে এবং শয়তানের ক্ষতি ও তার শিরক থেকে”। তুমি সকাল-সন্ধ্যায় উপনীত হয়ে এবং বিছানায় ঘুমানোর সময় এই দোয়া বলো। -(আবু দাউদ, ইবনে মাজাহ, নাসাঈ, দারিমী, আহমাদ, হাকিম, ইবনে হিব্বান)

حدثنا سعيد بن الربيع قال: حدثنا شعبة، عن يعلى بن عطاء قال: سمعت عمرو بن عاصم قال: سمعت أبا هريرة يقول: قال أبو بكر: يا رسول الله، علمني شيئا أقوله إذا أصبحت وأمسيت، قال: " قل: اللهم عالم الغيب والشهادة، فاطر السماوات والأرض، رب كل شيء ومليكه، أشهد أن لا إله إلا أنت، أعوذ بك من شر نفسي، ومن شر الشيطان وشركه، قله إذا أصبحت وإذا أمسيت، وإذا أخذت مضجعك ".


আদাবুল মুফরাদ ১২১৬

حدثنا خطاب بن عثمان قال: حدثنا إسماعيل، عن محمد بن زياد، عن أبي راشد الحبراني: أتيت عبد الله بن عمرو فقلت له: حدثنا بما سمعت من رسول الله صلى الله عليه وسلم، فألقى إلي صحيفة فقال: هذا ما كتب لي النبي صلى الله عليه وسلم فنظرت فيها، فإذا فيها: إن أبا بكر الصديق رضي الله عنه سأل النبي صلى الله عليه وسلم قال: يا رسول الله، علمني ما أقول إذا أصبحت وإذا أمسيت، فقال: " يا أبا بكر، قل: اللهم فاطر السماوات والأرض، عالم الغيب والشهادة، رب كل شيء ومليكه، أعوذ بك من شر نفسي، وشر الشيطان وشركه، وأن أقترف على نفسي سوءا أو أجره إلى مسلم "

আমি আবদুল্লাহ ইবনে আমর (রাঃ)-র নিকট উপস্থিত হয়ে তাকে বললাম, আপনি রাসূলুল্লাহ (সাঃ)-এর নিকট যা শুনেছেন তা আমাকে বর্ণনা করে শুনান। তিনি আমার সামনে একটি ক্ষুদ্র পুস্তিকা পেশ করে বলেন, এটা নবী (সাঃ) আমাকে লিখিয়ে দিয়েছেন। আমি তাতে চোখ বুলিয়ে দেখতে পেলাম যে, আবু বাকর সিদ্দীক (রাঃ) নবী (সাঃ)-এর নিকট জিজ্ঞাসার সুরে বলেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ! সকাল-সন্ধ্যায় আমার বলার জন্য আমাকে কিছু শিখিয়ে দিন। তিনি বলেনঃ হে আবু বাকর! তুমি বলো, “হে আল্লাহ আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবীর স্রষ্টা, দৃশ্য ও অদৃশ্যের জ্ঞা তাবারানী, প্রতিটি জিনিসের প্রতিপালক ও মালিক! আমি তোমার আশ্রয় প্রার্থনা করি আমার প্রবৃত্তির ক্ষতি থেকে, শয়তানের অনিষ্ট ও তার অংশীবাদিতা থেকে, আমার নিজের অনিষ্ট করা থেকে এবং কোন মুসলমানের ক্ষতি করা থেকে”।-(তিরমিযী, হাকিম, ইবনে হিব্বান)

আমি আবদুল্লাহ ইবনে আমর (রাঃ)-র নিকট উপস্থিত হয়ে তাকে বললাম, আপনি রাসূলুল্লাহ (সাঃ)-এর নিকট যা শুনেছেন তা আমাকে বর্ণনা করে শুনান। তিনি আমার সামনে একটি ক্ষুদ্র পুস্তিকা পেশ করে বলেন, এটা নবী (সাঃ) আমাকে লিখিয়ে দিয়েছেন। আমি তাতে চোখ বুলিয়ে দেখতে পেলাম যে, আবু বাকর সিদ্দীক (রাঃ) নবী (সাঃ)-এর নিকট জিজ্ঞাসার সুরে বলেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ! সকাল-সন্ধ্যায় আমার বলার জন্য আমাকে কিছু শিখিয়ে দিন। তিনি বলেনঃ হে আবু বাকর! তুমি বলো, “হে আল্লাহ আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবীর স্রষ্টা, দৃশ্য ও অদৃশ্যের জ্ঞা তাবারানী, প্রতিটি জিনিসের প্রতিপালক ও মালিক! আমি তোমার আশ্রয় প্রার্থনা করি আমার প্রবৃত্তির ক্ষতি থেকে, শয়তানের অনিষ্ট ও তার অংশীবাদিতা থেকে, আমার নিজের অনিষ্ট করা থেকে এবং কোন মুসলমানের ক্ষতি করা থেকে”।-(তিরমিযী, হাকিম, ইবনে হিব্বান)

حدثنا خطاب بن عثمان قال: حدثنا إسماعيل، عن محمد بن زياد، عن أبي راشد الحبراني: أتيت عبد الله بن عمرو فقلت له: حدثنا بما سمعت من رسول الله صلى الله عليه وسلم، فألقى إلي صحيفة فقال: هذا ما كتب لي النبي صلى الله عليه وسلم فنظرت فيها، فإذا فيها: إن أبا بكر الصديق رضي الله عنه سأل النبي صلى الله عليه وسلم قال: يا رسول الله، علمني ما أقول إذا أصبحت وإذا أمسيت، فقال: " يا أبا بكر، قل: اللهم فاطر السماوات والأرض، عالم الغيب والشهادة، رب كل شيء ومليكه، أعوذ بك من شر نفسي، وشر الشيطان وشركه، وأن أقترف على نفسي سوءا أو أجره إلى مسلم "


আদাবুল মুফরাদ > অনুচ্ছেদঃ কেউ তার বিছানায় ঘুমাতে গিয়ে যে দোয়া পড়বে।

আদাবুল মুফরাদ ১২১৭

حدثنا قبيصة، وأبو نعيم، قالا: حدثنا سفيان، عن عبد الملك بن عمير، عن ربعي بن حراش، عن حذيفة قال: كان النبي صلى الله عليه وسلم إذا أراد أن ينام قال: «باسمك اللهم أموت وأحيا» ، وإذا استيقظ من منامه قال: «الحمد لله الذي أحيانا بعد ما أماتنا وإليه النشور»

নবী (সাঃ) ঘুমানোর ইচ্ছা করলে বলতেনঃ “হে আল্লাহ! আমি তোমার নামেই মরি ও বাচি”। তিনি তাঁর ঘুম থেকে জাগ্রত হয়ে বলতেনঃ “সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর যিনি আমাদেরকে আমাদের মৃত্যুর পর জীবিত করেছেন এবং তার নিকটই প্রত্যাবর্তন”।-(বুখারী, আবু দাউদ, তিরমিযী, নাসাঈ, ইবনে মাজাহ)

নবী (সাঃ) ঘুমানোর ইচ্ছা করলে বলতেনঃ “হে আল্লাহ! আমি তোমার নামেই মরি ও বাচি”। তিনি তাঁর ঘুম থেকে জাগ্রত হয়ে বলতেনঃ “সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর যিনি আমাদেরকে আমাদের মৃত্যুর পর জীবিত করেছেন এবং তার নিকটই প্রত্যাবর্তন”।-(বুখারী, আবু দাউদ, তিরমিযী, নাসাঈ, ইবনে মাজাহ)

حدثنا قبيصة، وأبو نعيم، قالا: حدثنا سفيان، عن عبد الملك بن عمير، عن ربعي بن حراش، عن حذيفة قال: كان النبي صلى الله عليه وسلم إذا أراد أن ينام قال: «باسمك اللهم أموت وأحيا» ، وإذا استيقظ من منامه قال: «الحمد لله الذي أحيانا بعد ما أماتنا وإليه النشور»


আদাবুল মুফরাদ ১২১৮

حدثنا سليمان بن حرب قال: حدثنا حماد، عن ثابت، عن أنس قال: كان النبي صلى الله عليه وسلم إذا أوى إلى فراشه قال: «الحمد لله الذي أطعمنا وسقانا، وكفانا وآوانا، كم من لا كاف له ولا مؤوي»

নবী (সাঃ) যখন শয্যা গ্রহণ করতেন তখন বলতেনঃ “সকল প্রশংসা আল্লাহর, যিনি আমাদের পানাহার করিয়েছেন, আমাদের পৃষ্ঠপোষকতা করেছেন এবং আমাদের আশ্রয় দিয়েছেন। কতো লোক আছে যাদের কোন পৃষ্ঠপোষকও নাইবনে মাজাহ, আশ্রয়দাতাও নাই”। (মুসলিম হা/৬৬৪৬)

নবী (সাঃ) যখন শয্যা গ্রহণ করতেন তখন বলতেনঃ “সকল প্রশংসা আল্লাহর, যিনি আমাদের পানাহার করিয়েছেন, আমাদের পৃষ্ঠপোষকতা করেছেন এবং আমাদের আশ্রয় দিয়েছেন। কতো লোক আছে যাদের কোন পৃষ্ঠপোষকও নাইবনে মাজাহ, আশ্রয়দাতাও নাই”। (মুসলিম হা/৬৬৪৬)

حدثنا سليمان بن حرب قال: حدثنا حماد، عن ثابت، عن أنس قال: كان النبي صلى الله عليه وسلم إذا أوى إلى فراشه قال: «الحمد لله الذي أطعمنا وسقانا، وكفانا وآوانا، كم من لا كاف له ولا مؤوي»


আদাবুল মুফরাদ ১২২১

حدثنا أبو نعيم قال: حدثنا سفيان، عن ليث، عن أبي الزبير، عن جابر قال: كان النبي صلى الله عليه وسلم لا ينام حتى يقرأ: تبارك و {الم تنزيل} [السجدة: 2] السجدة

নবী (সাঃ) সূরা মুলক ও সূরা আলিফ-লাম-মীম সাজদা না পড়া পর্যন্ত ঘুমাতেন না। -(তিরমিযী, হাকিম)

নবী (সাঃ) সূরা মুলক ও সূরা আলিফ-লাম-মীম সাজদা না পড়া পর্যন্ত ঘুমাতেন না। -(তিরমিযী, হাকিম)

حدثنا أبو نعيم قال: حدثنا سفيان، عن ليث، عن أبي الزبير، عن جابر قال: كان النبي صلى الله عليه وسلم لا ينام حتى يقرأ: تبارك و {الم تنزيل} [السجدة: 2] السجدة


আদাবুল মুফরাদ ১২২০

حدثنا محمد بن محبوب قال: حدثنا عبد الواحد قال: حدثنا عاصم الأحول، عن شميط، أو سميط، عن أبي الأحوص قال: قال عبد الله: النوم عند الذكر من الشيطان، إن شئتم فجربوا، إذا أخذ أحدكم مضجعه وأراد أن ينام فليذكر الله عز وجل --- [قال الشيخ الألباني] : صحيح الإسناد موقوفا

আবদুল্লাহ (রাঃ) বলেছেন, আল্লাহর যিকির করলে শয়তানের পক্ষ থেকে ঘুম এসে যাবে। তোমরা চাইলে অনুশীলন করে দেখতে পারো। তোমাদের কেউ যখন শয্যাগত হয়ে ঘুমাতে ইচ্ছা করে তখন সে যেন মহামহিম আল্লাহর যিকির করে। -(বুখারী, মুসলিম, আবু দাউদ)

আবদুল্লাহ (রাঃ) বলেছেন, আল্লাহর যিকির করলে শয়তানের পক্ষ থেকে ঘুম এসে যাবে। তোমরা চাইলে অনুশীলন করে দেখতে পারো। তোমাদের কেউ যখন শয্যাগত হয়ে ঘুমাতে ইচ্ছা করে তখন সে যেন মহামহিম আল্লাহর যিকির করে। -(বুখারী, মুসলিম, আবু দাউদ)

حدثنا محمد بن محبوب قال: حدثنا عبد الواحد قال: حدثنا عاصم الأحول، عن شميط، أو سميط، عن أبي الأحوص قال: قال عبد الله: النوم عند الذكر من الشيطان، إن شئتم فجربوا، إذا أخذ أحدكم مضجعه وأراد أن ينام فليذكر الله عز وجل --- [قال الشيخ الألباني] : صحيح الإسناد موقوفا


আদাবুল মুফরাদ ১২২০

حدثنا محمد بن محبوب قال: حدثنا عبد الواحد قال: حدثنا عاصم الأحول، عن شميط، أو سميط، عن أبي الأحوص قال: قال عبد الله: النوم عند الذكر من الشيطان، إن شئتم فجربوا، إذا أخذ أحدكم مضجعه وأراد أن ينام فليذكر الله عز وجل --- [قال الشيخ الألباني] : صحيح الإسناد موقوفا

আবদুল্লাহ (রাঃ) বলেছেন, আল্লাহর যিকির করলে শয়তানের পক্ষ থেকে ঘুম এসে যাবে। তোমরা চাইলে অনুশীলন করে দেখতে পারো। তোমাদের কেউ যখন শয্যাগত হয়ে ঘুমাতে ইচ্ছা করে তখন সে যেন মহামহিম আল্লাহর যিকির করে। -(বুখারী, মুসলিম, আবু দাউদ)

আবদুল্লাহ (রাঃ) বলেছেন, আল্লাহর যিকির করলে শয়তানের পক্ষ থেকে ঘুম এসে যাবে। তোমরা চাইলে অনুশীলন করে দেখতে পারো। তোমাদের কেউ যখন শয্যাগত হয়ে ঘুমাতে ইচ্ছা করে তখন সে যেন মহামহিম আল্লাহর যিকির করে। -(বুখারী, মুসলিম, আবু দাউদ)

حدثنا محمد بن محبوب قال: حدثنا عبد الواحد قال: حدثنا عاصم الأحول، عن شميط، أو سميط، عن أبي الأحوص قال: قال عبد الله: النوم عند الذكر من الشيطان، إن شئتم فجربوا، إذا أخذ أحدكم مضجعه وأراد أن ينام فليذكر الله عز وجل --- [قال الشيخ الألباني] : صحيح الإسناد موقوفا


আদাবুল মুফরাদ ১২১৯

حدثنا أبو نعيم، ويحيى بن موسى، قالا: حدثنا شبابة بن سوار قال: حدثني المغيرة بن مسلم، عن أبي الزبير، عن جابر قال: كان رسول الله صلى الله عليه وسلم لا ينام حتى يقرأ: {الم تنزيل} [السجدة: 2] و: {تبارك الذي بيده الملك} [الملك: 1] قال أبو الزبير: فهما يفضلان كل سورة في القرآن بسبعين حسنة، ومن قرأهما كتب له بهما سبعون حسنة، ورفع بهما له سبعون درجة، وحط بهما عنه سبعون خطيئة --- [قال الشيخ الألباني] : (في قول أبي الزبير) صحيح من قول أبي الزبير فهو مقطوع موقوف

রাসূলুল্লাহ (সাঃ) সূরা আলিফ-লাম-মীম তানখীল (সূরা সাজদা-৩২) ও তাবারাকাল্লাযী বিয়াদিহিল মুলক (সূরা মূলক-৬৭) না পড়া পর্যন্ত ঘুমাতেন না। (তিরমিযী) আবুয যুবাইর (র) বলেন, এই সূরাদ্বয় কুরআন মজীদের অন্যসব সূরার তুলনায় সত্তর গুণ সওয়াবের মর্যাদা লাভের অধিকারী। কোন ব্যক্তি এই সূরাদ্বয় পড়লে তার জন্য এর বিনিময়ে সত্তরটি নেকী লেখা হয়, এর উসীলায় তার মর্যাদা সত্তর গুণ বৃদ্ধি করা হয় এবং এর দ্বারা তার সত্তরটি গুনাহ মাফ করা হয়। -(নাসাঈ, দারিমী, হাকিম, ইবনে আবু শায়বাহ)

রাসূলুল্লাহ (সাঃ) সূরা আলিফ-লাম-মীম তানখীল (সূরা সাজদা-৩২) ও তাবারাকাল্লাযী বিয়াদিহিল মুলক (সূরা মূলক-৬৭) না পড়া পর্যন্ত ঘুমাতেন না। (তিরমিযী) আবুয যুবাইর (র) বলেন, এই সূরাদ্বয় কুরআন মজীদের অন্যসব সূরার তুলনায় সত্তর গুণ সওয়াবের মর্যাদা লাভের অধিকারী। কোন ব্যক্তি এই সূরাদ্বয় পড়লে তার জন্য এর বিনিময়ে সত্তরটি নেকী লেখা হয়, এর উসীলায় তার মর্যাদা সত্তর গুণ বৃদ্ধি করা হয় এবং এর দ্বারা তার সত্তরটি গুনাহ মাফ করা হয়। -(নাসাঈ, দারিমী, হাকিম, ইবনে আবু শায়বাহ)

حدثنا أبو نعيم، ويحيى بن موسى، قالا: حدثنا شبابة بن سوار قال: حدثني المغيرة بن مسلم، عن أبي الزبير، عن جابر قال: كان رسول الله صلى الله عليه وسلم لا ينام حتى يقرأ: {الم تنزيل} [السجدة: 2] و: {تبارك الذي بيده الملك} [الملك: 1] قال أبو الزبير: فهما يفضلان كل سورة في القرآن بسبعين حسنة، ومن قرأهما كتب له بهما سبعون حسنة، ورفع بهما له سبعون درجة، وحط بهما عنه سبعون خطيئة --- [قال الشيخ الألباني] : (في قول أبي الزبير) صحيح من قول أبي الزبير فهو مقطوع موقوف


আদাবুল মুফরাদ ১২২২

حدثنا محمد بن سلام قال: أخبرنا عبدة، عن عبيد الله، عن سعيد بن أبي سعيد المقبري، عن أبيه، عن أبي هريرة قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: " إذا أوى أحدكم إلى فراشه، فليحل داخلة إزاره، فلينفض بها فراشه، فإنه لا يدري ما خلف في فراشه، وليضطجع على شقه الأيمن، وليقل: باسمك وضعت جنبي، فإن احتبست نفسي فارحمها، وإن أرسلتها فاحفظها بما تحفظ به الصالحين "، أو قال: «عبادك الصالحين»

রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেনঃ তোমাদের কেউ ঘুমাতে বিছানায় আশ্রয় নিলে সে যেন তার ভেতরের পরিধেয় বস্ত্র খুলে তা দ্বারা বিছানাটা ঝেড়ে নেয়। কেননা সে জানে না যে, তার অনুপস্থিতিতে তার বিছানায় কি পতিত হয়েছে। অতঃপর সে ডান কাতে শুয়ে যেন বলে, “তোমার নামে আমার পার্শ্বদেশ (বিছানায়) রাখলাম। তুমি আমার আত্মা আটক করে রেখে দিলে তার প্রতি দয়া করো, আর তাকে ছেড়ে দিলে তাকে হেফাজত করো, যেভাবে তুমি হেফাজত করে থাকো তোমার সৎকর্মপরায়ণ লোকদের”। -(বুখারী, মুসলিম, আবু দাউদ, নাসাঈ, আহমাদ, আবু আওয়ানা, নাসাঈ, ইবনে হিব্বান)

রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেনঃ তোমাদের কেউ ঘুমাতে বিছানায় আশ্রয় নিলে সে যেন তার ভেতরের পরিধেয় বস্ত্র খুলে তা দ্বারা বিছানাটা ঝেড়ে নেয়। কেননা সে জানে না যে, তার অনুপস্থিতিতে তার বিছানায় কি পতিত হয়েছে। অতঃপর সে ডান কাতে শুয়ে যেন বলে, “তোমার নামে আমার পার্শ্বদেশ (বিছানায়) রাখলাম। তুমি আমার আত্মা আটক করে রেখে দিলে তার প্রতি দয়া করো, আর তাকে ছেড়ে দিলে তাকে হেফাজত করো, যেভাবে তুমি হেফাজত করে থাকো তোমার সৎকর্মপরায়ণ লোকদের”। -(বুখারী, মুসলিম, আবু দাউদ, নাসাঈ, আহমাদ, আবু আওয়ানা, নাসাঈ, ইবনে হিব্বান)

حدثنا محمد بن سلام قال: أخبرنا عبدة، عن عبيد الله، عن سعيد بن أبي سعيد المقبري، عن أبيه، عن أبي هريرة قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: " إذا أوى أحدكم إلى فراشه، فليحل داخلة إزاره، فلينفض بها فراشه، فإنه لا يدري ما خلف في فراشه، وليضطجع على شقه الأيمن، وليقل: باسمك وضعت جنبي، فإن احتبست نفسي فارحمها، وإن أرسلتها فاحفظها بما تحفظ به الصالحين "، أو قال: «عبادك الصالحين»


আদাবুল মুফরাদ ১২২৩

حدثنا أبو سعيد الأشج عبد الله بن سعيد قال: حدثنا عبد الله بن سعيد بن خازم أبو بكر النخعي قال: أخبرنا العلاء بن المسيب، عن أبيه، عن البراء بن عازب قال: كان النبي صلى الله عليه وسلم إذا أوى إلى فراشه نام على شقه الأيمن، ثم قال: اللهم وجهت وجهي إليك، وأسلمت نفسي إليك، وألجأت ظهري إليك، رهبة ورغبة إليك، لا منجا ولا ملجأ منك إلا إليك، آمنت بكتابك الذي أنزلت، ونبيك الذي أرسلت "، قال: «فمن قالهن في ليلة ثم مات مات على الفطرة»

নবী (সাঃ) বিছানাগত হয়ে ডান কাতে শুয়ে যেতেন, অতঃপর বলতেনঃ “হে আল্লাহ! আমার মুখ তোমার দিকে ফিরিয়ে দিলাম, আমাকে তোমার নিকট সোপর্দ করলাম এবং তোমার রহমাতের আশা ও তোমার শাস্তির ভয় সহকারে আমার পিঠ তোমার আশ্রয়ে সোপর্দ করলাম। তোমার থেকে পালিয়ে আশ্রয় নেয়ার এবং নাজাত পাওয়ার তুমি ছাড়া আর কোন ঠিকানা নাই। তুমি যে কিতাব নাযিল করেছে এবং যে নবী পাঠিয়েছে আমি তার উপর ঈমান এনেছি”। নবী (সাঃ) বলেনঃ কোন ব্যক্তি রাতে এই দোয়া পড়লে, অতঃপর মারা গেলে সে দ্বীন ইসলামের উপর মারা গেলো। -(বুখারী, মুসলিম, আবু দাউদ, তিরমিযী)

নবী (সাঃ) বিছানাগত হয়ে ডান কাতে শুয়ে যেতেন, অতঃপর বলতেনঃ “হে আল্লাহ! আমার মুখ তোমার দিকে ফিরিয়ে দিলাম, আমাকে তোমার নিকট সোপর্দ করলাম এবং তোমার রহমাতের আশা ও তোমার শাস্তির ভয় সহকারে আমার পিঠ তোমার আশ্রয়ে সোপর্দ করলাম। তোমার থেকে পালিয়ে আশ্রয় নেয়ার এবং নাজাত পাওয়ার তুমি ছাড়া আর কোন ঠিকানা নাই। তুমি যে কিতাব নাযিল করেছে এবং যে নবী পাঠিয়েছে আমি তার উপর ঈমান এনেছি”। নবী (সাঃ) বলেনঃ কোন ব্যক্তি রাতে এই দোয়া পড়লে, অতঃপর মারা গেলে সে দ্বীন ইসলামের উপর মারা গেলো। -(বুখারী, মুসলিম, আবু দাউদ, তিরমিযী)

حدثنا أبو سعيد الأشج عبد الله بن سعيد قال: حدثنا عبد الله بن سعيد بن خازم أبو بكر النخعي قال: أخبرنا العلاء بن المسيب، عن أبيه، عن البراء بن عازب قال: كان النبي صلى الله عليه وسلم إذا أوى إلى فراشه نام على شقه الأيمن، ثم قال: اللهم وجهت وجهي إليك، وأسلمت نفسي إليك، وألجأت ظهري إليك، رهبة ورغبة إليك، لا منجا ولا ملجأ منك إلا إليك، آمنت بكتابك الذي أنزلت، ونبيك الذي أرسلت "، قال: «فمن قالهن في ليلة ثم مات مات على الفطرة»


আদাবুল মুফরাদ ১২২৪

حدثنا موسى بن إسماعيل قال: حدثنا وهيب قال: حدثنا سهيل بن أبي صالح، عن أبيه، عن أبي هريرة قال: كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول إذا أوى إلى فراشه: «اللهم رب السماوات والأرض، ورب كل شيء، فالق الحب والنوى، منزل التوراة والإنجيل والقرآن، أعوذ بك من كل ذي شر أنت آخذ بناصيته، أنت الأول فليس قبلك شيء، وأنت الآخر فليس بعدك شيء، وأنت الظاهر فليس فوقك شيء، وأنت الباطن فليس دونك شيء، اقض عني الدين، وأغنني من الفقر»

রাসূলুল্লাহ (সাঃ) শয্যাগত হয়ে বলতেনঃ “হে আল্লাহ! আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবীর প্রভু, প্রতিটি জিনিসের প্রভু, বীজ ও অংকুরের প্রভু, তাওরাত, ইনজীল ও কুরআন নাযিলকারী! আমি আপনার আশ্রয় প্রার্থনা করি প্রতিটি ক্ষতিকর বস্তুর ক্ষতি থেকে, আপনিই এগুলোর নিয়ন্ত্রক। আপনিই আদি, আপনার আগে কিছুর অস্তিত্ব নাই। আপনিই অন্ত, আপনার পরে কিছু নাই। আপনি প্রকাশমান, আপনার উর্দ্ধে কিছু নাই। আপনি লুকায়িত, আপনার অগোচরে কিছু নাই। আপনি আমার পক্ষ থেকে আমার ঋণ পরিশোধের ব্যবস্থা করে দিন এবং আমাকে দারিদ্র্য থেকে মুক্তি দিন”।-(মুসলিম, তিরমিযী, আবু দাউদ, নাসাঈ, ইবনে মাজাহ, ইবনে আবু শায়বাহ, আবু আওয়ানাসাঈ, ইবনে হিব্বান)

রাসূলুল্লাহ (সাঃ) শয্যাগত হয়ে বলতেনঃ “হে আল্লাহ! আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবীর প্রভু, প্রতিটি জিনিসের প্রভু, বীজ ও অংকুরের প্রভু, তাওরাত, ইনজীল ও কুরআন নাযিলকারী! আমি আপনার আশ্রয় প্রার্থনা করি প্রতিটি ক্ষতিকর বস্তুর ক্ষতি থেকে, আপনিই এগুলোর নিয়ন্ত্রক। আপনিই আদি, আপনার আগে কিছুর অস্তিত্ব নাই। আপনিই অন্ত, আপনার পরে কিছু নাই। আপনি প্রকাশমান, আপনার উর্দ্ধে কিছু নাই। আপনি লুকায়িত, আপনার অগোচরে কিছু নাই। আপনি আমার পক্ষ থেকে আমার ঋণ পরিশোধের ব্যবস্থা করে দিন এবং আমাকে দারিদ্র্য থেকে মুক্তি দিন”।-(মুসলিম, তিরমিযী, আবু দাউদ, নাসাঈ, ইবনে মাজাহ, ইবনে আবু শায়বাহ, আবু আওয়ানাসাঈ, ইবনে হিব্বান)

حدثنا موسى بن إسماعيل قال: حدثنا وهيب قال: حدثنا سهيل بن أبي صالح، عن أبيه، عن أبي هريرة قال: كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول إذا أوى إلى فراشه: «اللهم رب السماوات والأرض، ورب كل شيء، فالق الحب والنوى، منزل التوراة والإنجيل والقرآن، أعوذ بك من كل ذي شر أنت آخذ بناصيته، أنت الأول فليس قبلك شيء، وأنت الآخر فليس بعدك شيء، وأنت الظاهر فليس فوقك شيء، وأنت الباطن فليس دونك شيء، اقض عني الدين، وأغنني من الفقر»


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00