আদাবুল মুফরাদ > অনুচ্ছেদঃ কেউ কারো পাশে বসলে সে উঠে যেতে তার অনুমতি চাইবে।
আদাবুল মুফরাদ ১১৮৫
حدثنا عمران بن ميسرة، عن حفص بن غياث، عن أشعث، عن أبي بردة بن أبي موسى قال: جلست إلى عبد الله بن سلام، فقال: إنك جلست إلينا، وقد حان منا قيام، فقلت: فإذا شئت، فقام، فاتبعته حتى بلغ الباب
আমি আবদুল্লাহ ইবনে সালাম (রাঃ)-র নিকট বসলাম। তিনি বলেন, তুমি আমার পাশে এসে বসেছে অথচ আমার উঠে যাওয়ার সময় হয়েছে। আমি বললাম, তা আপনার ইচ্ছা। অতএব তিনি উঠে দাঁড়ালেন এবং তিনি দরজায় পৌছা পর্যন্ত তার সাথে সাথে গেলাম।
আমি আবদুল্লাহ ইবনে সালাম (রাঃ)-র নিকট বসলাম। তিনি বলেন, তুমি আমার পাশে এসে বসেছে অথচ আমার উঠে যাওয়ার সময় হয়েছে। আমি বললাম, তা আপনার ইচ্ছা। অতএব তিনি উঠে দাঁড়ালেন এবং তিনি দরজায় পৌছা পর্যন্ত তার সাথে সাথে গেলাম।
حدثنا عمران بن ميسرة، عن حفص بن غياث، عن أشعث، عن أبي بردة بن أبي موسى قال: جلست إلى عبد الله بن سلام، فقال: إنك جلست إلينا، وقد حان منا قيام، فقلت: فإذا شئت، فقام، فاتبعته حتى بلغ الباب
আদাবুল মুফরাদ > অনুচ্ছেদঃ রোদের দিকে মুখ করে বসবে না।
আদাবুল মুফরাদ ১১৮৬
حدثنا مسدد قال: حدثنا يحيى قال: حدثنا إسماعيل بن أبي خالد قال: حدثني قيس، عن أبيه، أنه جاء ورسول الله صلى الله عليه وسلم يخطب، فقام في الشمس، فأمره فتحول إلى الظل
তিনি যখন এসে উপস্থিত হন তখন রসূলুল্লাহ (সাঃ) ভাষণ দিচ্ছিলেন। তিনি রোদের মধ্যে দাঁড়িয়ে গেলেন। নবী (সাঃ) তাকে নির্দেশ দিলে তিনি ছায়ায় চলে আসেন। (আহমাদ, হাকিম, ইবনে খুজাইমাহ, ইবনে হিব্বান,তায়ালিসী)
তিনি যখন এসে উপস্থিত হন তখন রসূলুল্লাহ (সাঃ) ভাষণ দিচ্ছিলেন। তিনি রোদের মধ্যে দাঁড়িয়ে গেলেন। নবী (সাঃ) তাকে নির্দেশ দিলে তিনি ছায়ায় চলে আসেন। (আহমাদ, হাকিম, ইবনে খুজাইমাহ, ইবনে হিব্বান,তায়ালিসী)
حدثنا مسدد قال: حدثنا يحيى قال: حدثنا إسماعيل بن أبي خالد قال: حدثني قيس، عن أبيه، أنه جاء ورسول الله صلى الله عليه وسلم يخطب، فقام في الشمس، فأمره فتحول إلى الظل
আদাবুল মুফরাদ > অনুচ্ছেদঃ পোশাক পরিধানের নিষিদ্ধ নিয়ম (ইহতিবা)।
আদাবুল মুফরাদ ১১৮৭
حدثنا عبد الله بن صالح قال: حدثني الليث قال: حدثني يونس، عن ابن شهاب قال: أخبرني عامر بن سعد، أن أبا سعيد الخدري قال: نهى رسول الله صلى الله عليه وسلم عن لبستين وبيعتين: نهى عن الملامسة، والمنابذة في البيع - الملامسة: أن يمس الرجل ثوبه، والمنابذة: ينبذ الآخر إليه ثوبه - ويكون ذلك بيعهم عن غير نظر. واللبستين اشتمال الصماء - والصماء: أن يجعل طرف ثوبه على إحدى عاتقيه، فيبدو أحد شقيه ليس عليه شيء - واللبسة الأخرى احتباؤه بثوبه وهو جالس، ليس على فرجه منه شيء
রাসূলুল্লাহ (সাঃ) দুই ধরনের পোশাক পরিধানের নিয়ম এবং দুই ধরনের ক্রয়-বিক্রয় করতে নিষেধ করেছেন। তিনি ক্রয়-বিক্রয়ে মুলামাসা ও মুনাবাযা নিষিদ্ধ করেছেন। মুলামাসা হলো, কোন ব্যক্তির অপর ব্যক্তির কাপড় স্পর্শ করা। আর মুনাবাযা হলো, কোন ব্যক্তির কাপড় অপর ব্যক্তির দিকে ছুঁড়ে মারা। (পণ্য নিরীক্ষণ করে না দেখলেও) এতে উভয়ের জন্য ক্রয়-বিক্রয় বাধ্যতামূলক হয়ে যেতো। আর দুই ধরনের পোশাক পরার নিয়মের ক্ষেত্রে তিনি ইশতিমালুস সাম্মা নিষিদ্ধ করেছেন। সাম্মা এই যে, নিজের পরিধেয় বস্ত্র নিজের এক কাঁধে এমনভাবে তুলে দেয়া, যাতে অন্য কাঁধ অনাবৃত থেকে যায়। পোশাক পরিধানের নিষিদ্ধ অপর নিয়ম এই যে, এক পরত কাপড় নিজের গোটা দেহে পেঁচিয়ে কারো এমনভাবে বসা, যাতে তার লজ্জাস্থানে কোন কাপড়ই থাকে না। (বুখারী, মুসলিম, নাসাঈ)
রাসূলুল্লাহ (সাঃ) দুই ধরনের পোশাক পরিধানের নিয়ম এবং দুই ধরনের ক্রয়-বিক্রয় করতে নিষেধ করেছেন। তিনি ক্রয়-বিক্রয়ে মুলামাসা ও মুনাবাযা নিষিদ্ধ করেছেন। মুলামাসা হলো, কোন ব্যক্তির অপর ব্যক্তির কাপড় স্পর্শ করা। আর মুনাবাযা হলো, কোন ব্যক্তির কাপড় অপর ব্যক্তির দিকে ছুঁড়ে মারা। (পণ্য নিরীক্ষণ করে না দেখলেও) এতে উভয়ের জন্য ক্রয়-বিক্রয় বাধ্যতামূলক হয়ে যেতো। আর দুই ধরনের পোশাক পরার নিয়মের ক্ষেত্রে তিনি ইশতিমালুস সাম্মা নিষিদ্ধ করেছেন। সাম্মা এই যে, নিজের পরিধেয় বস্ত্র নিজের এক কাঁধে এমনভাবে তুলে দেয়া, যাতে অন্য কাঁধ অনাবৃত থেকে যায়। পোশাক পরিধানের নিষিদ্ধ অপর নিয়ম এই যে, এক পরত কাপড় নিজের গোটা দেহে পেঁচিয়ে কারো এমনভাবে বসা, যাতে তার লজ্জাস্থানে কোন কাপড়ই থাকে না। (বুখারী, মুসলিম, নাসাঈ)
حدثنا عبد الله بن صالح قال: حدثني الليث قال: حدثني يونس، عن ابن شهاب قال: أخبرني عامر بن سعد، أن أبا سعيد الخدري قال: نهى رسول الله صلى الله عليه وسلم عن لبستين وبيعتين: نهى عن الملامسة، والمنابذة في البيع - الملامسة: أن يمس الرجل ثوبه، والمنابذة: ينبذ الآخر إليه ثوبه - ويكون ذلك بيعهم عن غير نظر. واللبستين اشتمال الصماء - والصماء: أن يجعل طرف ثوبه على إحدى عاتقيه، فيبدو أحد شقيه ليس عليه شيء - واللبسة الأخرى احتباؤه بثوبه وهو جالس، ليس على فرجه منه شيء
আদাবুল মুফরাদ > অনুচ্ছেদঃ কাউকে হেলান দেয়ার বালিশ পেশ করা।
আদাবুল মুফরাদ ১১৮৯
حدثنا مسلم بن إبراهيم قال: حدثنا شعبة، عن يزيد بن خمير، عن عبد الله بن بسر، أن النبي صلى الله عليه وسلم مر على أبيه، فألقى له قطيفة فجلس عليها
নবী (সাঃ) তার পিতার নিকট এলে তিনি তার জন্য নরম গদি পেতে দেন। তিনি তার উপর বসেন।
নবী (সাঃ) তার পিতার নিকট এলে তিনি তার জন্য নরম গদি পেতে দেন। তিনি তার উপর বসেন।
حدثنا مسلم بن إبراهيم قال: حدثنا شعبة، عن يزيد بن خمير، عن عبد الله بن بسر، أن النبي صلى الله عليه وسلم مر على أبيه، فألقى له قطيفة فجلس عليها
আদাবুল মুফরাদ ১১৮৮
حدثنا عبد الله بن محمد قال: حدثنا عمرو بن عوف قال: حدثنا خالد بن عبد الله، عن خالد عن أبي قلابة قال: أخبرني أبو المليح قال: دخلت مع أبيك زيد على عبد الله بن عمرو، فحدثنا أن النبي صلى الله عليه وسلم ذكر له صومي، فدخل علي، فألقيت له وسادة من أدم حشوها ليف، فجلس على الأرض، وصارت الوسادة بيني وبينه، فقال لي: «أما يكفيك من كل شهر ثلاثة أيام؟» قال: قلت: يا رسول الله، قال: «خمسا» ، قلت: يا رسول الله، قال: «سبعا» ، قلت: يا رسول الله، قال: «تسعا» ، قلت: يا رسول الله، قال: «إحدى عشرة» ، قلت: يا رسول الله، قال: «لا صوم فوق صوم داود شطر الدهر، صيام يوم وإفطار يوم»
আবুল মালীহ (র) আমাকে অবহিত করে বলেন, আমি তোমার পিতা যায়েদের সাথে আবদুল্লাহ ইবনে আমর (রাঃ)-র নিকট উপস্থিত হলাম। তিনি আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেন যে, নবী (সাঃ)-এর নিকট আমার রোযা সম্পর্কে আলোচনা হলো। তিনি আমার নিকট এলেন। আমি তাঁর জন্য খেজুর গাছের ছাল ভর্তি চামড়ার একটি বালিশ পেশ করলাম। কিন্তু তিনি মাটিতে বসে গেলেন এবং বালিশটি আমার ও তার মাঝখানে পড়ে থাকলো। তিনি আমাকে বলেনঃ প্রতি মাসে তিন দিন রোযা রাখলে কি তোমার জন্য যথেষ্ট হয় না? আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! (আরো অধিক)। তিনি বলেনঃ পাঁচ দিন। আমি বললাম, ইয়া রাসূলাল্লাহ! (আরো অধিক)। তিনি বলেনঃ সাত দিন। আমি বললাম, ইয়া রাসূলাল্লাহ। তিনি বলেনঃ নয় দিন। আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! তিনি বলেনঃ এগারো দিন। আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! তিনি বলেনঃ দাউদ (আবু দাউদ)-এর রোযার চেয়ে উত্তম রোযা হয় নাসাঈ, অর্ধবছর। একদিন রোযা এবং এক দিন বিরতি। -(বুখারী, মুসলিম)
আবুল মালীহ (র) আমাকে অবহিত করে বলেন, আমি তোমার পিতা যায়েদের সাথে আবদুল্লাহ ইবনে আমর (রাঃ)-র নিকট উপস্থিত হলাম। তিনি আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেন যে, নবী (সাঃ)-এর নিকট আমার রোযা সম্পর্কে আলোচনা হলো। তিনি আমার নিকট এলেন। আমি তাঁর জন্য খেজুর গাছের ছাল ভর্তি চামড়ার একটি বালিশ পেশ করলাম। কিন্তু তিনি মাটিতে বসে গেলেন এবং বালিশটি আমার ও তার মাঝখানে পড়ে থাকলো। তিনি আমাকে বলেনঃ প্রতি মাসে তিন দিন রোযা রাখলে কি তোমার জন্য যথেষ্ট হয় না? আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! (আরো অধিক)। তিনি বলেনঃ পাঁচ দিন। আমি বললাম, ইয়া রাসূলাল্লাহ! (আরো অধিক)। তিনি বলেনঃ সাত দিন। আমি বললাম, ইয়া রাসূলাল্লাহ। তিনি বলেনঃ নয় দিন। আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! তিনি বলেনঃ এগারো দিন। আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! তিনি বলেনঃ দাউদ (আবু দাউদ)-এর রোযার চেয়ে উত্তম রোযা হয় নাসাঈ, অর্ধবছর। একদিন রোযা এবং এক দিন বিরতি। -(বুখারী, মুসলিম)
حدثنا عبد الله بن محمد قال: حدثنا عمرو بن عوف قال: حدثنا خالد بن عبد الله، عن خالد عن أبي قلابة قال: أخبرني أبو المليح قال: دخلت مع أبيك زيد على عبد الله بن عمرو، فحدثنا أن النبي صلى الله عليه وسلم ذكر له صومي، فدخل علي، فألقيت له وسادة من أدم حشوها ليف، فجلس على الأرض، وصارت الوسادة بيني وبينه، فقال لي: «أما يكفيك من كل شهر ثلاثة أيام؟» قال: قلت: يا رسول الله، قال: «خمسا» ، قلت: يا رسول الله، قال: «سبعا» ، قلت: يا رسول الله، قال: «تسعا» ، قلت: يا رسول الله، قال: «إحدى عشرة» ، قلت: يا رسول الله، قال: «لا صوم فوق صوم داود شطر الدهر، صيام يوم وإفطار يوم»