আদাবুল মুফরাদ > অনুচ্ছেদঃ যে ব্যক্তি নিজের পায়ের নলা উদলা করে কূপের পাশে বসে পদদ্বয় কূপের মধ্যে ঝুলিয়ে দেয়।
আদাবুল মুফরাদ ১১৬১
حدثنا سعيد بن أبي مريم قال: حدثنا محمد بن جعفر، عن شريك بن عبد الله، عن سعيد بن المسيب، عن أبي موسى الأشعري قال: خرج النبي صلى الله عليه وسلم يوما إلى حائط من حوائط المدينة لحاجته، وخرجت في أثره، فلما دخل الحائط جلست على بابه، وقلت: لأكونن اليوم بواب النبي صلى الله عليه وسلم، ولم يأمرني، فذهب النبي صلى الله عليه وسلم فقضى حاجته وجلس على قف البئر، وكشف عن ساقيه، ودلاهما في البئر، فجاء أبو بكر رضي الله عنه ليستأذن عليه ليدخل، فقلت: كما أنت حتى أستأذن لك، فوقف، وجئت النبي صلى الله عليه وسلم فقلت: يا رسول الله، أبو بكر يستأذن عليك؟ فقال: «ائذن له، وبشره بالجنة» ، فدخل فجاء عن يمين النبي صلى الله عليه وسلم، فكشف عن ساقيه ودلاهما في البئر. فجاء عمر، فقلت: كما أنت حتى أستأذن لك، فقال النبي صلى الله عليه وسلم: «ائذن له، وبشره بالجنة» ، فجاء عمر عن يسار النبي صلى الله عليه وسلم فكشف عن ساقيه ودلاهما في البئر فامتلأ القف، فلم يكن فيه مجلس. ثم جاء عثمان، فقلت: كما أنت حتى أستأذن لك، فقال النبي صلى الله عليه وسلم: «ائذن له، وبشره بالجنة معها بلاء يصيبه» ، فدخل فلم يجد معهم مجلسا، فتحول حتى جاء مقابلهم على شفة البئر، فكشف عن ساقيه ثم دلاهما في البئر، فجعلت أتمنى أن يأتي أخ لي، وأدعو الله أن يأتي به، فلم يأت حتى قاموا. قال ابن المسيب: فأولت ذلك قبورهم، اجتمعت ها هنا، وانفرد عثمان
একদিন নবী (সাঃ) তার প্রাকৃতিক প্রয়োজন সাড়ার জন্য মদীনার এক বাগানে প্রবেশ করেন। আমিও তার পিছে পিছে গেলাম। তিনি বাগানের ভেতর প্রবেশ করলে আমি এর ফটকে বসে থাকলাম এবং মনে মনে বললাম, আমি আজ অবশ্যই নবী (সাঃ)-এর দ্বাররক্ষী হবো, যদিও তিনি আমাকে আদেশ করেননি। নবী (সাঃ) গিয়ে তার প্রাকৃতিক প্রয়োজন সাড়ার পর একটি কূপের কিনারায় বসেন এবং তার পায়ের নলা উদলা করে তা কূপের মধ্যে ঝুলিয়ে দিলেন। তখন আবু বাকর (রাঃ) এসে তাঁর সাথে সাক্ষাতের জন্য প্রবেশানুমতি প্রার্থনা করেন। আমি বললাম, অপেক্ষা করুন, যতক্ষণ না আপনার জন্য অনুমতি চাই। তিনি অপেক্ষা করলেন। আমি গিয়ে নবী (সাঃ)-কে বললাম, ইয়া রাসূলাল্লাহ! আবু বকর (রাঃ) আপনার সাক্ষাতপ্রার্থী। তিনি বলেনঃ তাকে অনুমতি দাও এবং তাকে জান্নাতের সুসংবাদও দাও। তিনি প্রবেশ করে নবী (সাঃ)-এর ডান দিক দিয়ে এসে নিজ পায়ের নলা উদলা করে কূপের মধ্যে তা ঝুলিয়ে দিয়ে বসলেন। অতঃপর উমার (রাঃ) এলে আমি বললাম, আমি আপনার জন্য অনুমতি না আনা পর্যন্ত স্বস্থানে অপেক্ষা করুন। নবী (সাঃ) বলেনঃ তাকেও অনুমতি দাও এবং তাকেও জান্নাতের সুসংবাদ দাও। উমার (রাঃ) নবী (সাঃ)-এর বাম পাশ দিয়ে এসে নিজ পদদ্বয়ের নলা উদলা করে তা কূপের মধ্যে ঝুলিয়ে দিয়ে বসলেন। ফলে কূপের বেষ্টনী দেয়াল ভরে গেলো এবং তাতে আর বসার জায়গা থাকলো না। অতঃপর উসমান (রাঃ) এলে আমি বললাম, আমি আপনার জন্য অনুমতি না আনা পর্যন্ত স্বস্থানে অপেক্ষা করুন। নবী (সাঃ) বলেনঃ তাকেও আসার অনুমতি দাও এবং তার উপর বিপদ আপতিত হওয়াসহ তাকে জান্নাতের সুসংবাদ দাও। তিনি প্রবেশ করে তথায় তাদের সাথে বসার খালি জায়গা পেলেন না। তাই তিনি ঘুরে গিয়ে তাদের সম্মুখভাগে কূপের কিনারে এলেন। তিনিও নিজ পদদ্বয়ের নলা উন্মুক্ত করে দিয়ে তা কূপের মধ্যে ঝুলিয়ে দিলেন। আমি তখন আকাঙ্ক্ষা করতে থাকলাম, আমার ভাইটি যদি এসে পৌছতো এবং আমি আল্লাহর কাছে দোয়া করতে থাকলাম যে, তিনি যেন তাকে নিয়ে আসেন। তাঁরা উঠে যাওয়া পর্যন্ত সে এসে পৌঁছেনি। ইবনুল মুসাইয়্যাব (র) বলেন, আমি উক্ত হাদীসের এই ব্যাখ্যা করেছি যে, সেটা তাদের তিনজনের কবর যা এখানে এক স্থানে অবস্থিত, আর উসমান (রাঃ)-র কবর পৃথক স্থানে অবস্থিত। (বুখারী, মুসলিম, তিরমিযী)
একদিন নবী (সাঃ) তার প্রাকৃতিক প্রয়োজন সাড়ার জন্য মদীনার এক বাগানে প্রবেশ করেন। আমিও তার পিছে পিছে গেলাম। তিনি বাগানের ভেতর প্রবেশ করলে আমি এর ফটকে বসে থাকলাম এবং মনে মনে বললাম, আমি আজ অবশ্যই নবী (সাঃ)-এর দ্বাররক্ষী হবো, যদিও তিনি আমাকে আদেশ করেননি। নবী (সাঃ) গিয়ে তার প্রাকৃতিক প্রয়োজন সাড়ার পর একটি কূপের কিনারায় বসেন এবং তার পায়ের নলা উদলা করে তা কূপের মধ্যে ঝুলিয়ে দিলেন। তখন আবু বাকর (রাঃ) এসে তাঁর সাথে সাক্ষাতের জন্য প্রবেশানুমতি প্রার্থনা করেন। আমি বললাম, অপেক্ষা করুন, যতক্ষণ না আপনার জন্য অনুমতি চাই। তিনি অপেক্ষা করলেন। আমি গিয়ে নবী (সাঃ)-কে বললাম, ইয়া রাসূলাল্লাহ! আবু বকর (রাঃ) আপনার সাক্ষাতপ্রার্থী। তিনি বলেনঃ তাকে অনুমতি দাও এবং তাকে জান্নাতের সুসংবাদও দাও। তিনি প্রবেশ করে নবী (সাঃ)-এর ডান দিক দিয়ে এসে নিজ পায়ের নলা উদলা করে কূপের মধ্যে তা ঝুলিয়ে দিয়ে বসলেন। অতঃপর উমার (রাঃ) এলে আমি বললাম, আমি আপনার জন্য অনুমতি না আনা পর্যন্ত স্বস্থানে অপেক্ষা করুন। নবী (সাঃ) বলেনঃ তাকেও অনুমতি দাও এবং তাকেও জান্নাতের সুসংবাদ দাও। উমার (রাঃ) নবী (সাঃ)-এর বাম পাশ দিয়ে এসে নিজ পদদ্বয়ের নলা উদলা করে তা কূপের মধ্যে ঝুলিয়ে দিয়ে বসলেন। ফলে কূপের বেষ্টনী দেয়াল ভরে গেলো এবং তাতে আর বসার জায়গা থাকলো না। অতঃপর উসমান (রাঃ) এলে আমি বললাম, আমি আপনার জন্য অনুমতি না আনা পর্যন্ত স্বস্থানে অপেক্ষা করুন। নবী (সাঃ) বলেনঃ তাকেও আসার অনুমতি দাও এবং তার উপর বিপদ আপতিত হওয়াসহ তাকে জান্নাতের সুসংবাদ দাও। তিনি প্রবেশ করে তথায় তাদের সাথে বসার খালি জায়গা পেলেন না। তাই তিনি ঘুরে গিয়ে তাদের সম্মুখভাগে কূপের কিনারে এলেন। তিনিও নিজ পদদ্বয়ের নলা উন্মুক্ত করে দিয়ে তা কূপের মধ্যে ঝুলিয়ে দিলেন। আমি তখন আকাঙ্ক্ষা করতে থাকলাম, আমার ভাইটি যদি এসে পৌছতো এবং আমি আল্লাহর কাছে দোয়া করতে থাকলাম যে, তিনি যেন তাকে নিয়ে আসেন। তাঁরা উঠে যাওয়া পর্যন্ত সে এসে পৌঁছেনি। ইবনুল মুসাইয়্যাব (র) বলেন, আমি উক্ত হাদীসের এই ব্যাখ্যা করেছি যে, সেটা তাদের তিনজনের কবর যা এখানে এক স্থানে অবস্থিত, আর উসমান (রাঃ)-র কবর পৃথক স্থানে অবস্থিত। (বুখারী, মুসলিম, তিরমিযী)
حدثنا سعيد بن أبي مريم قال: حدثنا محمد بن جعفر، عن شريك بن عبد الله، عن سعيد بن المسيب، عن أبي موسى الأشعري قال: خرج النبي صلى الله عليه وسلم يوما إلى حائط من حوائط المدينة لحاجته، وخرجت في أثره، فلما دخل الحائط جلست على بابه، وقلت: لأكونن اليوم بواب النبي صلى الله عليه وسلم، ولم يأمرني، فذهب النبي صلى الله عليه وسلم فقضى حاجته وجلس على قف البئر، وكشف عن ساقيه، ودلاهما في البئر، فجاء أبو بكر رضي الله عنه ليستأذن عليه ليدخل، فقلت: كما أنت حتى أستأذن لك، فوقف، وجئت النبي صلى الله عليه وسلم فقلت: يا رسول الله، أبو بكر يستأذن عليك؟ فقال: «ائذن له، وبشره بالجنة» ، فدخل فجاء عن يمين النبي صلى الله عليه وسلم، فكشف عن ساقيه ودلاهما في البئر. فجاء عمر، فقلت: كما أنت حتى أستأذن لك، فقال النبي صلى الله عليه وسلم: «ائذن له، وبشره بالجنة» ، فجاء عمر عن يسار النبي صلى الله عليه وسلم فكشف عن ساقيه ودلاهما في البئر فامتلأ القف، فلم يكن فيه مجلس. ثم جاء عثمان، فقلت: كما أنت حتى أستأذن لك، فقال النبي صلى الله عليه وسلم: «ائذن له، وبشره بالجنة معها بلاء يصيبه» ، فدخل فلم يجد معهم مجلسا، فتحول حتى جاء مقابلهم على شفة البئر، فكشف عن ساقيه ثم دلاهما في البئر، فجعلت أتمنى أن يأتي أخ لي، وأدعو الله أن يأتي به، فلم يأت حتى قاموا. قال ابن المسيب: فأولت ذلك قبورهم، اجتمعت ها هنا، وانفرد عثمان
আদাবুল মুফরাদ ১১৬২
حدثنا علي قال: حدثنا سفيان، عن عبيد الله بن أبي يزيد، عن نافع بن جبير بن مطعم، عن أبي هريرة، خرج النبي صلى الله عليه وسلم في طائفة النهار لا يكلمني ولا أكلمه، حتى أتى سوق بني قينقاع، فجلس بفناء بيت فاطمة، فقال: «أثم لكع؟ أثم لكع؟» فحبسته شيئا، فظننت أنها تلبسه سخابا أو تغسله، فجاء يشتد حتى عانقه وقبله، وقال: «اللهم أحببه، وأحبب من يحبه»
নবী (সাঃ) দিনের কোন এক অংশে বের হলেন। (পথিমধ্যে) তিনিও আমার সাথে কোন কথা বলেননি এবং আমিও তাঁর সাথে কোন কথা বলিনি। এমতাবস্থায় তিনি কায়নুকা গোত্রের বাজারে এলেন। (ফেরার পথে) তিনি ফাতেমা (রাঃ)-র বাড়ির আঙ্গিনায় বসে ডেকে বলেনঃ খোকা (হাসান) কি এখানে আছে, খোকা কি এখানে আছে? ফাতেমা (রাঃ) শিশুকে আসতে দিতে খানিক বিলম্ব করলেন। আমি ভাবলাম, হয়তো তিনি তাকে পোশাক পরাচ্ছেন অথবা গোসল করাচ্ছেন। সে দ্রুতবেগে বের হয়ে আসলে নবী (সাঃ) তাকে বুকে চেপে ধরে চুমা দিলেন এবং বললেনঃ “হে আল্লাহ! তুমি তাকে মহব্বত করো এবং যারা তাকে ভালোবাসে তাদেরকেও মহব্বত করো”। -(বুখারী, মুসলিম, আহমাদ, আবু আওয়ানাসাঈ, ইবনে হিব্বান)
নবী (সাঃ) দিনের কোন এক অংশে বের হলেন। (পথিমধ্যে) তিনিও আমার সাথে কোন কথা বলেননি এবং আমিও তাঁর সাথে কোন কথা বলিনি। এমতাবস্থায় তিনি কায়নুকা গোত্রের বাজারে এলেন। (ফেরার পথে) তিনি ফাতেমা (রাঃ)-র বাড়ির আঙ্গিনায় বসে ডেকে বলেনঃ খোকা (হাসান) কি এখানে আছে, খোকা কি এখানে আছে? ফাতেমা (রাঃ) শিশুকে আসতে দিতে খানিক বিলম্ব করলেন। আমি ভাবলাম, হয়তো তিনি তাকে পোশাক পরাচ্ছেন অথবা গোসল করাচ্ছেন। সে দ্রুতবেগে বের হয়ে আসলে নবী (সাঃ) তাকে বুকে চেপে ধরে চুমা দিলেন এবং বললেনঃ “হে আল্লাহ! তুমি তাকে মহব্বত করো এবং যারা তাকে ভালোবাসে তাদেরকেও মহব্বত করো”। -(বুখারী, মুসলিম, আহমাদ, আবু আওয়ানাসাঈ, ইবনে হিব্বান)
حدثنا علي قال: حدثنا سفيان، عن عبيد الله بن أبي يزيد، عن نافع بن جبير بن مطعم، عن أبي هريرة، خرج النبي صلى الله عليه وسلم في طائفة النهار لا يكلمني ولا أكلمه، حتى أتى سوق بني قينقاع، فجلس بفناء بيت فاطمة، فقال: «أثم لكع؟ أثم لكع؟» فحبسته شيئا، فظننت أنها تلبسه سخابا أو تغسله، فجاء يشتد حتى عانقه وقبله، وقال: «اللهم أحببه، وأحبب من يحبه»
আদাবুল মুফরাদ > অনুচ্ছেদঃ কেউ কারো সম্মানে স্বস্থান থেকে উঠে দাঁড়ালে সে যেন সেখানে না বসে।
আদাবুল মুফরাদ ১১৬৩
حدثنا قبيصة قال: حدثنا سفيان، عن عبيد الله، عن نافع، عن ابن عمر قال: نهى النبي صلى الله عليه وسلم أن يقيم الرجل من المجلس ثم يجلس فيه
কোন ব্যক্তিকে স্বস্থান থেকে উঠিয়ে দিয়ে অপর ব্যক্তিকে সেখানে বসতে নবী (সাঃ) নিষেধ করেছেন। (বুখারী,মুসলিম,আবু দাউদ,তিরমিযী,আহমাদ) ইবনে উমার (রাঃ)-র সম্মানে কেউ স্বস্থান থেকে উঠে দাঁড়ালে তিনি তার সেই জায়গায় বসতেন না। (মুসলিম)
কোন ব্যক্তিকে স্বস্থান থেকে উঠিয়ে দিয়ে অপর ব্যক্তিকে সেখানে বসতে নবী (সাঃ) নিষেধ করেছেন। (বুখারী,মুসলিম,আবু দাউদ,তিরমিযী,আহমাদ) ইবনে উমার (রাঃ)-র সম্মানে কেউ স্বস্থান থেকে উঠে দাঁড়ালে তিনি তার সেই জায়গায় বসতেন না। (মুসলিম)
حدثنا قبيصة قال: حدثنا سفيان، عن عبيد الله، عن نافع، عن ابن عمر قال: نهى النبي صلى الله عليه وسلم أن يقيم الرجل من المجلس ثم يجلس فيه
আদাবুল মুফরাদ > অনুচ্ছেদঃ আমানত (বিশ্বস্ততাবারানী)।
আদাবুল মুফরাদ ১১৬৪
حدثنا أبو نعيم قال: حدثنا سليمان، عن ثابت، عن أنس: خدمت رسول الله صلى الله عليه وسلم يوما، حتى إذا رأيت أني قد فرغت من خدمته قلت: يقيل النبي صلى الله عليه وسلم، فخرجت من عنده، فإذا غلمة يلعبون، فقمت أنظر إليهم إلى لعبهم، فجاء النبي صلى الله عليه وسلم فانتهى إليهم فسلم عليهم، ثم دعاني فبعثني إلى حاجة، فكان في فيء حتى أتيته. وأبطأت على أمي، فقالت: ما حبسك؟ قلت: بعثني النبي صلى الله عليه وسلم إلى حاجة، قالت: ما هي؟ قلت: إنه سر للنبي صلى الله عليه وسلم، فقالت: احفظ على رسول الله صلى الله عليه وسلم سره، فما حدثت بتلك الحاجة أحدا من الخلق، فلو كنت محدثا حدثتك بها
এক দিন আমি নবী (সাঃ)-এর খেদমত করলাম। শেষে আমি যখন দেখলাম যে, আমি তাঁর খেদমত থেকে অবসর হয়েছি, আমি ভাবলাম, নবী (সাঃ) হয়তো দুপুরের বিশ্রাম নিবেন। তাই আমি তাঁর নিকট থেকে বের হয়ে চলে গেলাম। পথিমধ্যে শিশুরা খেলছিল। আমি তাদের খেলা দেখার জন্য দাড়িয়ে গেলাম। নবী (সাঃ) এসে তাদের নিকট পৌঁছে তাদের সালাম দিলেন। অতঃপর আমাকে ডেকে একটি প্রয়োজনে পাঠালেন। আমি তার প্রয়োজন সেড়ে তার নিকট ফিরে এলাম এবং মায়ের নিকট ফিরে যেতে আমার বিলম্ব হলো। তিনি জিজ্ঞেস করলেন, বিলম্বের কারণ কি? আমি বললাম, নবী (সাঃ) একটি প্রয়োজনে আমাকে পাঠিয়েছিলেন। তিনি জিজ্ঞেস করেন, তা কি? আমি বললাম, তা নবী (সাঃ)-এর গোপনীয় বিষয়। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাঃ)-এর গোপনীয় বিষয়ের হেফাজত করো। সৃষ্টিকুলের কারো সাথে আমি সে বিষয়ে আলোচনা করিনি। আমি যদি তা কারো কাছে বলতাম, তবে তা আপনার কাছে বলতাম। (বুখারী, মুসলিম, আহমাদ, মুসনাদ আবু আওয়ানা, নাসাঈ)
এক দিন আমি নবী (সাঃ)-এর খেদমত করলাম। শেষে আমি যখন দেখলাম যে, আমি তাঁর খেদমত থেকে অবসর হয়েছি, আমি ভাবলাম, নবী (সাঃ) হয়তো দুপুরের বিশ্রাম নিবেন। তাই আমি তাঁর নিকট থেকে বের হয়ে চলে গেলাম। পথিমধ্যে শিশুরা খেলছিল। আমি তাদের খেলা দেখার জন্য দাড়িয়ে গেলাম। নবী (সাঃ) এসে তাদের নিকট পৌঁছে তাদের সালাম দিলেন। অতঃপর আমাকে ডেকে একটি প্রয়োজনে পাঠালেন। আমি তার প্রয়োজন সেড়ে তার নিকট ফিরে এলাম এবং মায়ের নিকট ফিরে যেতে আমার বিলম্ব হলো। তিনি জিজ্ঞেস করলেন, বিলম্বের কারণ কি? আমি বললাম, নবী (সাঃ) একটি প্রয়োজনে আমাকে পাঠিয়েছিলেন। তিনি জিজ্ঞেস করেন, তা কি? আমি বললাম, তা নবী (সাঃ)-এর গোপনীয় বিষয়। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাঃ)-এর গোপনীয় বিষয়ের হেফাজত করো। সৃষ্টিকুলের কারো সাথে আমি সে বিষয়ে আলোচনা করিনি। আমি যদি তা কারো কাছে বলতাম, তবে তা আপনার কাছে বলতাম। (বুখারী, মুসলিম, আহমাদ, মুসনাদ আবু আওয়ানা, নাসাঈ)
حدثنا أبو نعيم قال: حدثنا سليمان، عن ثابت، عن أنس: خدمت رسول الله صلى الله عليه وسلم يوما، حتى إذا رأيت أني قد فرغت من خدمته قلت: يقيل النبي صلى الله عليه وسلم، فخرجت من عنده، فإذا غلمة يلعبون، فقمت أنظر إليهم إلى لعبهم، فجاء النبي صلى الله عليه وسلم فانتهى إليهم فسلم عليهم، ثم دعاني فبعثني إلى حاجة، فكان في فيء حتى أتيته. وأبطأت على أمي، فقالت: ما حبسك؟ قلت: بعثني النبي صلى الله عليه وسلم إلى حاجة، قالت: ما هي؟ قلت: إنه سر للنبي صلى الله عليه وسلم، فقالت: احفظ على رسول الله صلى الله عليه وسلم سره، فما حدثت بتلك الحاجة أحدا من الخلق، فلو كنت محدثا حدثتك بها
আদাবুল মুফরাদ > অনুচ্ছেদঃ নবী (সাঃ) কারো দিকে ফিরলে পূর্ণদেহে ফিরতেন।
আদাবুল মুফরাদ ১১৬৫
حدثنا إسحاق بن العلاء قال: حدثني عمرو بن الحارث قال: حدثني عبد الله بن سالم، عن الزبيدي قال: أخبرني محمد بن مسلم، عن سعيد بن المسيب أنه سمع أبا هريرة يصف رسول الله صلى الله عليه وسلم: كان ربعة، وهو إلى الطول أقرب، شديد البياض، أسود شعر اللحية، حسن الثغر، أهدب أشفار العينين، بعيد ما بين المنكبين، مفاض الجبين، يطأ بقدمه جميعا، ليس لها أخمص، يقبل جميعا، ويدبر جميعا، لم أر مثله قبل ولا بعد
তিনি আবু হুরায়রা (রাঃ)-কে রাসূলুল্লাহ (সাঃ)-এর দৈহিক গঠন বর্ণনা করতে শুনেছেন। তাঁর দেহের গড়ন ছিল মধ্যম আকৃতির, প্রায় দীর্ঘকায়, অত্যন্ত গৌরবর্ণের, দাড়ির চুল কালো, সুন্দর মুখাবয়ব, লম্বা ভ্রুযুগল, বাহুদ্বয় চওড়া, প্রশস্ত গণ্ডদেশ, পদদ্বয় সম্পূর্ণ সমতল, তার তালুতে গর্ত ছিলো না। কারো প্রতি তাকালে সমস্ত শরীর ঘুরিয়ে তাকাতেন এবং সমস্ত শরীরে পশ্চাদমুখী হতেন। আমি তাঁর আগে কিংবা পরে আর কাউকে তার অনুরূপ দেখিনি।
তিনি আবু হুরায়রা (রাঃ)-কে রাসূলুল্লাহ (সাঃ)-এর দৈহিক গঠন বর্ণনা করতে শুনেছেন। তাঁর দেহের গড়ন ছিল মধ্যম আকৃতির, প্রায় দীর্ঘকায়, অত্যন্ত গৌরবর্ণের, দাড়ির চুল কালো, সুন্দর মুখাবয়ব, লম্বা ভ্রুযুগল, বাহুদ্বয় চওড়া, প্রশস্ত গণ্ডদেশ, পদদ্বয় সম্পূর্ণ সমতল, তার তালুতে গর্ত ছিলো না। কারো প্রতি তাকালে সমস্ত শরীর ঘুরিয়ে তাকাতেন এবং সমস্ত শরীরে পশ্চাদমুখী হতেন। আমি তাঁর আগে কিংবা পরে আর কাউকে তার অনুরূপ দেখিনি।
حدثنا إسحاق بن العلاء قال: حدثني عمرو بن الحارث قال: حدثني عبد الله بن سالم، عن الزبيدي قال: أخبرني محمد بن مسلم، عن سعيد بن المسيب أنه سمع أبا هريرة يصف رسول الله صلى الله عليه وسلم: كان ربعة، وهو إلى الطول أقرب، شديد البياض، أسود شعر اللحية، حسن الثغر، أهدب أشفار العينين، بعيد ما بين المنكبين، مفاض الجبين، يطأ بقدمه جميعا، ليس لها أخمص، يقبل جميعا، ويدبر جميعا، لم أر مثله قبل ولا بعد