আদাবুল মুফরাদ > অনুচ্ছেদঃ যে ব্যক্তি পত্রের সমাপ্তিতে আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহ লিখে এবং তার সাথে প্রেরকের নাম-ঠিকানা ও পত্র প্রেরণের তারিখও লিখে।

আদাবুল মুফরাদ ১১৪১

حدثنا ابن أبي مريم قال: أخبرنا ابن أبي الزناد قال: حدثني أبي، أنه أخذ هذه الرسالة من خارجة بن زيد، ومن كبراء آل زيد: بسم الله الرحمن الرحيم، لعبد الله معاوية أمير المؤمنين، من زيد بن ثابت: سلام عليك أمير المؤمنين ورحمة الله، فإني أحمد إليك الله الذي لا إله إلا هو، أما بعد: فإنك تسألني عن ميراث الجد والإخوة، فذكر الرسالة، ونسأل الله الهدى والحفظ والتثبت في أمرنا كله، ونعوذ بالله أن نضل، أو نجهل، أو نكلف ما ليس لنا به علم، والسلام عليك أمير المؤمنين ورحمة الله وبركاته ومغفرته. وكتب وهيب: يوم الخميس لثنتي عشرة بقيت من رمضان سنة اثنين وأربعين

আমার পিতা আমার নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন যে, তিনি নিম্নোক্ত পত্রটি খারিজা ইবনে যায়েদ (র) ও যায়েদ পরিবারের প্রবীণদের নিকট থেকে পেয়েছেনঃ বিসমিল্লাহির রহমানির রাহীম। যায়েদ ইবনে সাবিতের পক্ষ থেকে আল্লাহর বান্দা ও মুমিনদের নেতা মুআবিয়াকে। আমীরুল মুমিনীন! আপনাকে সালাম ও আল্লাহর রহমাত। আমি আপনার সমীপে আল্লাহর প্রশংসা করছি, যিনি ছাড়া কোন ইলাহ নাই। অতঃপর আপনি আমাকে দাদা বা নানা ও বোনদের ওয়ারিসী স্বত্ব সম্পর্কে জিজ্ঞেস করেছেন (অতঃপর চিঠির বিষয়বস্তু উক্ত হয়েছে)। আমরা আল্লাহর নিকট সৎপথ প্রাপ্তি, সুস্থ স্মরণশক্তি ও আমাদের সকল কাজ সুষ্ঠভাবে বুঝবার তৌকীক কামনা করি। অপরদিকে আমরা আল্লাহর কাছে পথভ্রষ্ট হওয়া থেকে, মূর্খতা প্রসূত আচরণ করা থেকে এবং আমাদের জ্ঞান বহির্ভূত দায়িত্ব থেকে আশ্রয় প্রার্থনা করি। হে আমীরুল মুমিনীন! আপনার উপর শান্তি ও আল্লাহর রহমাত বর্ষিত হোক এবং তিনি আপনাকে ক্ষমা করুন। উহাইব (র) এই পত্ৰখানা বিয়াল্লিশ হিজরীর রমযান মাসের বারো দিন অবশিষ্ট থাকতে বৃহস্পতিবার লিপিবদ্ধ করেন। (বাযযার)

আমার পিতা আমার নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন যে, তিনি নিম্নোক্ত পত্রটি খারিজা ইবনে যায়েদ (র) ও যায়েদ পরিবারের প্রবীণদের নিকট থেকে পেয়েছেনঃ বিসমিল্লাহির রহমানির রাহীম। যায়েদ ইবনে সাবিতের পক্ষ থেকে আল্লাহর বান্দা ও মুমিনদের নেতা মুআবিয়াকে। আমীরুল মুমিনীন! আপনাকে সালাম ও আল্লাহর রহমাত। আমি আপনার সমীপে আল্লাহর প্রশংসা করছি, যিনি ছাড়া কোন ইলাহ নাই। অতঃপর আপনি আমাকে দাদা বা নানা ও বোনদের ওয়ারিসী স্বত্ব সম্পর্কে জিজ্ঞেস করেছেন (অতঃপর চিঠির বিষয়বস্তু উক্ত হয়েছে)। আমরা আল্লাহর নিকট সৎপথ প্রাপ্তি, সুস্থ স্মরণশক্তি ও আমাদের সকল কাজ সুষ্ঠভাবে বুঝবার তৌকীক কামনা করি। অপরদিকে আমরা আল্লাহর কাছে পথভ্রষ্ট হওয়া থেকে, মূর্খতা প্রসূত আচরণ করা থেকে এবং আমাদের জ্ঞান বহির্ভূত দায়িত্ব থেকে আশ্রয় প্রার্থনা করি। হে আমীরুল মুমিনীন! আপনার উপর শান্তি ও আল্লাহর রহমাত বর্ষিত হোক এবং তিনি আপনাকে ক্ষমা করুন। উহাইব (র) এই পত্ৰখানা বিয়াল্লিশ হিজরীর রমযান মাসের বারো দিন অবশিষ্ট থাকতে বৃহস্পতিবার লিপিবদ্ধ করেন। (বাযযার)

حدثنا ابن أبي مريم قال: أخبرنا ابن أبي الزناد قال: حدثني أبي، أنه أخذ هذه الرسالة من خارجة بن زيد، ومن كبراء آل زيد: بسم الله الرحمن الرحيم، لعبد الله معاوية أمير المؤمنين، من زيد بن ثابت: سلام عليك أمير المؤمنين ورحمة الله، فإني أحمد إليك الله الذي لا إله إلا هو، أما بعد: فإنك تسألني عن ميراث الجد والإخوة، فذكر الرسالة، ونسأل الله الهدى والحفظ والتثبت في أمرنا كله، ونعوذ بالله أن نضل، أو نجهل، أو نكلف ما ليس لنا به علم، والسلام عليك أمير المؤمنين ورحمة الله وبركاته ومغفرته. وكتب وهيب: يوم الخميس لثنتي عشرة بقيت من رمضان سنة اثنين وأربعين


আদাবুল মুফরাদ > অনুচ্ছেদঃ আপনি কেমন আছেন?

আদাবুল মুফরাদ ১১৪২

حدثنا إسماعيل قال: حدثني مالك، عن إسحاق بن عبد الله بن أبي طلحة، عن أنس بن مالك، أنه سمع عمر بن الخطاب رضي الله عنه، وسلم عليه رجل فرد السلام، ثم سأل عمر الرجل: كيف أنت؟ فقال: أحمد الله إليك، فقال عمر: هذا الذي أردت منك --- [قال الشيخ الألباني] : صحيح الإسناد موقوفا ثبت مرفوعا

উমার ইবনুল খাত্তাব (রাঃ)-কে এক ব্যক্তি সালাম দিলো। তিনি সালামের উত্তর দিয়ে লোকটিকে জিজ্ঞেস করেন, তুমি কেমন আছো? সে বললো, আমি আপনার সমীপে আল্লাহর প্রশংসা করছি। উমার (রাঃ) বলেন, আমি তোমার নিকট এটাই আশা করছিলাম। -(মুয়াত্তা মালিক)

উমার ইবনুল খাত্তাব (রাঃ)-কে এক ব্যক্তি সালাম দিলো। তিনি সালামের উত্তর দিয়ে লোকটিকে জিজ্ঞেস করেন, তুমি কেমন আছো? সে বললো, আমি আপনার সমীপে আল্লাহর প্রশংসা করছি। উমার (রাঃ) বলেন, আমি তোমার নিকট এটাই আশা করছিলাম। -(মুয়াত্তা মালিক)

حدثنا إسماعيل قال: حدثني مالك، عن إسحاق بن عبد الله بن أبي طلحة، عن أنس بن مالك، أنه سمع عمر بن الخطاب رضي الله عنه، وسلم عليه رجل فرد السلام، ثم سأل عمر الرجل: كيف أنت؟ فقال: أحمد الله إليك، فقال عمر: هذا الذي أردت منك --- [قال الشيخ الألباني] : صحيح الإسناد موقوفا ثبت مرفوعا


আদাবুল মুফরাদ > অনুচ্ছেদঃ কোন ব্যক্তিকে জিজ্ঞেস করা হলো, আপনার রাত কেমন গেলো? সে কিভাবে এর জবাব দিবে?

আদাবুল মুফরাদ ১১৪৩

حدثنا أبو عاصم، عن عبد الله بن مسلم، عن سلمة المكي، عن جابر بن عبد الله: قيل للنبي صلى الله عليه وسلم: كيف أصبحت؟ قال: «بخير من قوم لم يشهدوا جنازة، ولم يعودوا مريضا»

নবী (সাঃ)-কে জিজ্ঞেস করা হলো, আপনার রাত কেমন কাটলো? তিনি বলেনঃ ভালোভাবেই কেটেছে, এমন জনগোষ্ঠীর তুলনায় যারা কোন জানাযায় উপস্থিত হয়নি এবং রুগ্ন ব্যক্তিকেও দেখতে যায়নি। (ইবনে মাজাহ হা/৩৭১০)

নবী (সাঃ)-কে জিজ্ঞেস করা হলো, আপনার রাত কেমন কাটলো? তিনি বলেনঃ ভালোভাবেই কেটেছে, এমন জনগোষ্ঠীর তুলনায় যারা কোন জানাযায় উপস্থিত হয়নি এবং রুগ্ন ব্যক্তিকেও দেখতে যায়নি। (ইবনে মাজাহ হা/৩৭১০)

حدثنا أبو عاصم، عن عبد الله بن مسلم، عن سلمة المكي، عن جابر بن عبد الله: قيل للنبي صلى الله عليه وسلم: كيف أصبحت؟ قال: «بخير من قوم لم يشهدوا جنازة، ولم يعودوا مريضا»


আদাবুল মুফরাদ ১১৪৪

حدثنا محمد بن الصباح قال: حدثنا شريك، عن مهاجر هو الصائغ، قال: كنت أجلس إلى رجل من أصحاب النبي صلى الله عليه وسلم ضخم من الحضرميين، فكان إذا قيل له: كيف أصبحت؟ قال: لا نشرك بالله

আমি নবী (সাঃ)-এর হাদারামাওতবাসী এক স্থূলকায় সাহাবীর মজলিসে বসতাম। তাকে যখন বলা হতো, আপনার রাত কেমন কেটেছে, তখন তিনি বলতেন, আমরা আল্লাহর সাথে শরীক করি না।

আমি নবী (সাঃ)-এর হাদারামাওতবাসী এক স্থূলকায় সাহাবীর মজলিসে বসতাম। তাকে যখন বলা হতো, আপনার রাত কেমন কেটেছে, তখন তিনি বলতেন, আমরা আল্লাহর সাথে শরীক করি না।

حدثنا محمد بن الصباح قال: حدثنا شريك، عن مهاجر هو الصائغ، قال: كنت أجلس إلى رجل من أصحاب النبي صلى الله عليه وسلم ضخم من الحضرميين، فكان إذا قيل له: كيف أصبحت؟ قال: لا نشرك بالله


আদাবুল মুফরাদ ১১৪৪

حدثنا محمد بن الصباح قال: حدثنا شريك، عن مهاجر هو الصائغ، قال: كنت أجلس إلى رجل من أصحاب النبي صلى الله عليه وسلم ضخم من الحضرميين، فكان إذا قيل له: كيف أصبحت؟ قال: لا نشرك بالله

আমি নবী (সাঃ)-এর হাদারামাওতবাসী এক স্থূলকায় সাহাবীর মজলিসে বসতাম। তাকে যখন বলা হতো, আপনার রাত কেমন কেটেছে, তখন তিনি বলতেন, আমরা আল্লাহর সাথে শরীক করি না।

আমি নবী (সাঃ)-এর হাদারামাওতবাসী এক স্থূলকায় সাহাবীর মজলিসে বসতাম। তাকে যখন বলা হতো, আপনার রাত কেমন কেটেছে, তখন তিনি বলতেন, আমরা আল্লাহর সাথে শরীক করি না।

حدثنا محمد بن الصباح قال: حدثنا شريك، عن مهاجر هو الصائغ، قال: كنت أجلس إلى رجل من أصحاب النبي صلى الله عليه وسلم ضخم من الحضرميين، فكان إذا قيل له: كيف أصبحت؟ قال: لا نشرك بالله


আদাবুল মুফরাদ ১১৪৫

حدثنا موسى قال: حدثنا ربعي بن عبد الله بن الجارود الهذلي قال: حدثنا سيف بن وهب قال: قال لي أبو الطفيل: كم أتى عليك؟ قلت: أنا ابن ثلاث وثلاثين، قال: أفلا أحدثك بحديث سمعته من حذيفة بن اليمان: إن رجلا من محارب خصفة، يقال له: عمرو بن صليع، وكانت له صحبة، وكان بسني يومئذ وأنا بسنك اليوم، أتينا حذيفة في مسجد، فقعدت في آخر القوم، فانطلق عمرو حتى قام بين يديه، قال: كيف أصبحت، أو كيف أمسيت يا عبد الله؟ قال: أحمد الله، قال: ما هذه الأحاديث التي تأتينا عنك؟ قال: وما بلغك عني يا عمرو؟ قال: أحاديث لم أسمعها، قال: إني والله لو أحدثكم بكل ما سمعت ما انتظرتم بي جنح هذا الليل، ولكن يا عمرو بن صليع، إذا رأيت قيسا توالت بالشام فالحذر الحذر، فوالله لا تدع قيس عبدا لله مؤمنا إلا أخافته أو قتلته، والله ليأتين عليهم زمان لا يمنعون فيه ذنب تلعة، قال: ما ينصبك على قومك يرحمك الله؟ قال: ذاك إلي، ثم قعد

আবু তুফাইল (রাঃ) আমাকে জিজ্ঞেস করেন, তোমার বয়স কতো ? আমি বললাম, তেত্রিশ বছর। তিনি বলেন, আমি কি তোমার নিকট একটি হাদীস বর্ণনা করবো নাসাঈ, যা আমি হুযায়ফা (রাঃ)-এর নিকট শুনেছি? আমর ইবনে সুলাই (রাঃ) নামক মুহারিব খাসফার এক ব্যক্তি, যিনি সাহাবী ছিলেন এবং যিনি ছিলেন তখন আমার বয়সী এবং আমি ছিলাম তোমার বয়সী। আমরা এক মসজিদে হুযায়ফা (রাঃ)-র নিকট আসলাম। আমি সমাবেশের একেবারে শেষ প্রান্তে বসলাম। আমর (রাঃ) উঠে গিয়ে হুযায়ফা (রাঃ)-র সামনে দাঁড়িয়ে জিজ্ঞেস করলেন, হে আল্লাহর বান্দা! আপনার রাত কেমন কেটেছে বা আপনার দিন কেমন কেটেছে? তিনি বলেন, আমি আল্লাহর প্রশংসা করি। তিনি জিজ্ঞেস করেন, এসব কি কথা যা আপনার বরাতে আমাদের নিকট পৌঁছে? হ্যায়ফা (রাঃ) বলেন, হে আমরা আমার বরাতে তোমার নিকট কি পৌঁছেছে? তিনি বলেন, এমন কতক হাদীস যা আমি কখনো শুনিনি। তিনি বলেন, আল্লাহর শপথ আমি যদি তোমার নিকট সেইসব হাদীস বর্ণনা করি যা আমি শুনি, তাহলে তোমরা এই রাতের কিয়দংশ-ও তুমি আমার সাথে অপেক্ষা করবে না। কিন্তু হে আমর ইবনে সুলাই! যখন তুমি দেখবে যে, কায়েস গোত্র সিরিয়ার কর্তৃত্ব লাভ করেছে তখন সাবধান, আত্মরক্ষা করো। আল্লাহর শপথ! কায়েস গোত্র আল্লাহর কোনও মুমিন বান্দাকে ভীত-সন্ত্রস্ত অথবা হত্যা না করে ক্ষান্ত হবে না। আল্লাহর শপথ! তাদের সামনে এমন এক যুগ আসবে যখন তারা যে কোন গুনাহের কাজ না করে ছাড়বে না। আমর (রাঃ) বলেন, আল্লাহ আপনাকে দয়া করুন, আপনি আপনার জনগোষ্ঠীকে কিভাবে বশীভূত করবেন ? তিনি বলেন, এটা তো আমারও দুশ্চিন্তার বিষয়। আতঃপর তিনি বসে পড়লেন। (হাকিম)

আবু তুফাইল (রাঃ) আমাকে জিজ্ঞেস করেন, তোমার বয়স কতো ? আমি বললাম, তেত্রিশ বছর। তিনি বলেন, আমি কি তোমার নিকট একটি হাদীস বর্ণনা করবো নাসাঈ, যা আমি হুযায়ফা (রাঃ)-এর নিকট শুনেছি? আমর ইবনে সুলাই (রাঃ) নামক মুহারিব খাসফার এক ব্যক্তি, যিনি সাহাবী ছিলেন এবং যিনি ছিলেন তখন আমার বয়সী এবং আমি ছিলাম তোমার বয়সী। আমরা এক মসজিদে হুযায়ফা (রাঃ)-র নিকট আসলাম। আমি সমাবেশের একেবারে শেষ প্রান্তে বসলাম। আমর (রাঃ) উঠে গিয়ে হুযায়ফা (রাঃ)-র সামনে দাঁড়িয়ে জিজ্ঞেস করলেন, হে আল্লাহর বান্দা! আপনার রাত কেমন কেটেছে বা আপনার দিন কেমন কেটেছে? তিনি বলেন, আমি আল্লাহর প্রশংসা করি। তিনি জিজ্ঞেস করেন, এসব কি কথা যা আপনার বরাতে আমাদের নিকট পৌঁছে? হ্যায়ফা (রাঃ) বলেন, হে আমরা আমার বরাতে তোমার নিকট কি পৌঁছেছে? তিনি বলেন, এমন কতক হাদীস যা আমি কখনো শুনিনি। তিনি বলেন, আল্লাহর শপথ আমি যদি তোমার নিকট সেইসব হাদীস বর্ণনা করি যা আমি শুনি, তাহলে তোমরা এই রাতের কিয়দংশ-ও তুমি আমার সাথে অপেক্ষা করবে না। কিন্তু হে আমর ইবনে সুলাই! যখন তুমি দেখবে যে, কায়েস গোত্র সিরিয়ার কর্তৃত্ব লাভ করেছে তখন সাবধান, আত্মরক্ষা করো। আল্লাহর শপথ! কায়েস গোত্র আল্লাহর কোনও মুমিন বান্দাকে ভীত-সন্ত্রস্ত অথবা হত্যা না করে ক্ষান্ত হবে না। আল্লাহর শপথ! তাদের সামনে এমন এক যুগ আসবে যখন তারা যে কোন গুনাহের কাজ না করে ছাড়বে না। আমর (রাঃ) বলেন, আল্লাহ আপনাকে দয়া করুন, আপনি আপনার জনগোষ্ঠীকে কিভাবে বশীভূত করবেন ? তিনি বলেন, এটা তো আমারও দুশ্চিন্তার বিষয়। আতঃপর তিনি বসে পড়লেন। (হাকিম)

حدثنا موسى قال: حدثنا ربعي بن عبد الله بن الجارود الهذلي قال: حدثنا سيف بن وهب قال: قال لي أبو الطفيل: كم أتى عليك؟ قلت: أنا ابن ثلاث وثلاثين، قال: أفلا أحدثك بحديث سمعته من حذيفة بن اليمان: إن رجلا من محارب خصفة، يقال له: عمرو بن صليع، وكانت له صحبة، وكان بسني يومئذ وأنا بسنك اليوم، أتينا حذيفة في مسجد، فقعدت في آخر القوم، فانطلق عمرو حتى قام بين يديه، قال: كيف أصبحت، أو كيف أمسيت يا عبد الله؟ قال: أحمد الله، قال: ما هذه الأحاديث التي تأتينا عنك؟ قال: وما بلغك عني يا عمرو؟ قال: أحاديث لم أسمعها، قال: إني والله لو أحدثكم بكل ما سمعت ما انتظرتم بي جنح هذا الليل، ولكن يا عمرو بن صليع، إذا رأيت قيسا توالت بالشام فالحذر الحذر، فوالله لا تدع قيس عبدا لله مؤمنا إلا أخافته أو قتلته، والله ليأتين عليهم زمان لا يمنعون فيه ذنب تلعة، قال: ما ينصبك على قومك يرحمك الله؟ قال: ذاك إلي، ثم قعد


লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00