আদাবুল মুফরাদ > অনুচ্ছেদঃ সালাম না দিয়ে অনুমতি প্রার্থনা করলে।
আদাবুল মুফরাদ ১০৭৬
حدثنا بيان قال: حدثنا يزيد قال: حدثنا عبد الملك بن أبي سليمان، عن عطاء، عن أبي هريرة فيمن يستأذن قبل أن يسلم قال: لا يؤذن له حتى يبدأ بالسلام
যে ব্যক্তি সালাম না দিয়ে অনুমতি প্রার্থনা করে তিনি তার সম্পর্কে বলেন, সে সালাম না দেয়া পর্যন্ত তাকে প্রবেশানুমতি দেয়া যাবে না।
যে ব্যক্তি সালাম না দিয়ে অনুমতি প্রার্থনা করে তিনি তার সম্পর্কে বলেন, সে সালাম না দেয়া পর্যন্ত তাকে প্রবেশানুমতি দেয়া যাবে না।
حدثنا بيان قال: حدثنا يزيد قال: حدثنا عبد الملك بن أبي سليمان، عن عطاء، عن أبي هريرة فيمن يستأذن قبل أن يسلم قال: لا يؤذن له حتى يبدأ بالسلام
আদাবুল মুফরাদ ১০৭৭
حدثنا إبراهيم بن موسى قال: أخبرنا هشام، أن ابن جريج أخبرهم قال: سمعت عطاء، قال: سمعت أبا هريرة يقول: إذا دخل ولم يقل: السلام عليكم، فقل: لا، حتى يأتي بالمفتاح: السلام
কেউ সালাম না দিয়ে প্রবেশ করলে তুমি বলো, সে চাবি নিয়ে না আসা পর্যন্ত অর্থাৎ সালাম না দেয়া পর্যন্ত। (খোলা যাবে নাসাঈ)
কেউ সালাম না দিয়ে প্রবেশ করলে তুমি বলো, সে চাবি নিয়ে না আসা পর্যন্ত অর্থাৎ সালাম না দেয়া পর্যন্ত। (খোলা যাবে নাসাঈ)
حدثنا إبراهيم بن موسى قال: أخبرنا هشام، أن ابن جريج أخبرهم قال: سمعت عطاء، قال: سمعت أبا هريرة يقول: إذا دخل ولم يقل: السلام عليكم، فقل: لا، حتى يأتي بالمفتاح: السلام
আদাবুল মুফরাদ > অনুচ্ছেদঃ বিনা অনুমতিতে কেউ ভেতর বাড়িতে তাকালে তার চোখ ফুটো করে দেয়া হবে।
আদাবুল মুফরাদ ১০৭৮
حدثنا أبو اليمان قال: أخبرنا شعيب قال: حدثنا أبو الزناد، عن الأعرج، عن أبي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال: «لو اطلع رجل في بيتك، فخذفته بحصاة ففقأت عينه، ما كان عليك جناح»
নবী (সাঃ) বলেনঃ যদি কোন লোক তোমার ঘরের মধ্যে উঁকি মেরে দেখে এবং তুমি তার প্রতি কংকর নিক্ষেপ করো, তা তার চোখে বিদ্ধ হলে তাতে তোমার কোন দোষ হবে না। -(বুখারী, মুসলিম, আবু দাউদ, নাসাঈ, আহমাদ)
নবী (সাঃ) বলেনঃ যদি কোন লোক তোমার ঘরের মধ্যে উঁকি মেরে দেখে এবং তুমি তার প্রতি কংকর নিক্ষেপ করো, তা তার চোখে বিদ্ধ হলে তাতে তোমার কোন দোষ হবে না। -(বুখারী, মুসলিম, আবু দাউদ, নাসাঈ, আহমাদ)
حدثنا أبو اليمان قال: أخبرنا شعيب قال: حدثنا أبو الزناد، عن الأعرج، عن أبي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال: «لو اطلع رجل في بيتك، فخذفته بحصاة ففقأت عينه، ما كان عليك جناح»
আদাবুল মুফরাদ ১০৭৯
حدثنا حجاج قال: حدثنا حماد قال: حدثنا إسحاق بن عبد الله، عن أنس قال: كان النبي صلى الله عليه وسلم قائما يصلي، فاطلع رجل في بيته، فأخذ سهما من كنانته، فسدد نحو عينيه
নবী (সাঃ) দাঁড়িয়ে নামায পড়ছিলেন। তখন এক ব্যক্তি তাঁর ঘরের মধ্যে উঁকি মেরে তাকায়। তিনি তাঁর তুণীর থেকে তীর তুলে নিয়ে তার দুই চোখ বরাবর তাক করেন। -(বুখারী, মুসলিম, তিরমিযী, নাসাঈ, আবু দাউদ)
নবী (সাঃ) দাঁড়িয়ে নামায পড়ছিলেন। তখন এক ব্যক্তি তাঁর ঘরের মধ্যে উঁকি মেরে তাকায়। তিনি তাঁর তুণীর থেকে তীর তুলে নিয়ে তার দুই চোখ বরাবর তাক করেন। -(বুখারী, মুসলিম, তিরমিযী, নাসাঈ, আবু দাউদ)
حدثنا حجاج قال: حدثنا حماد قال: حدثنا إسحاق بن عبد الله، عن أنس قال: كان النبي صلى الله عليه وسلم قائما يصلي، فاطلع رجل في بيته، فأخذ سهما من كنانته، فسدد نحو عينيه
আদাবুল মুফরাদ > অনুচ্ছেদঃ চোখের কারণেই অনুমতি প্রার্থনা করতে হয়।
আদাবুল মুফরাদ ১০৮১
وقال النبي صلى الله عليه وسلم: «إنما جعل الإذن من أجل البصر»
চোখের কারণেই অনুমতি প্রার্থনার বিধান দেয়া হয়েছে। (আবু দাউদ)
চোখের কারণেই অনুমতি প্রার্থনার বিধান দেয়া হয়েছে। (আবু দাউদ)
وقال النبي صلى الله عليه وسلم: «إنما جعل الإذن من أجل البصر»
আদাবুল মুফরাদ ১০৮২
حدثنا محمد بن سلام قال: أخبرنا الفزاري، عن حميد، عن أنس قال: اطلع رجل من خلل في حجرة النبي صلى الله عليه وسلم، فسدد رسول الله صلى الله عليه وسلم بمشقص، فأخرج الرجل رأسه
এক ব্যক্তি নবী (সাঃ)-এর ঘরের দরজা দিয়ে ভেতরে উঁকি মারে। রাসূলুল্লাহ (সাঃ) তীরের ফলা দিয়ে দরজা বন্ধ করে দেন। লোকটি তার মাথা টেনে বের করে নেয়।
এক ব্যক্তি নবী (সাঃ)-এর ঘরের দরজা দিয়ে ভেতরে উঁকি মারে। রাসূলুল্লাহ (সাঃ) তীরের ফলা দিয়ে দরজা বন্ধ করে দেন। লোকটি তার মাথা টেনে বের করে নেয়।
حدثنا محمد بن سلام قال: أخبرنا الفزاري، عن حميد، عن أنس قال: اطلع رجل من خلل في حجرة النبي صلى الله عليه وسلم، فسدد رسول الله صلى الله عليه وسلم بمشقص، فأخرج الرجل رأسه
আদাবুল মুফরাদ ১০৮০
حدثنا عبد الله بن صالح قال: حدثنا الليث قال: حدثني ابن شهاب، أن سهل بن سعد أخبره، أن رجلا اطلع من جحر في باب النبي صلى الله عليه وسلم، ومع النبي صلى الله عليه وسلم مدرى يحك به رأسه، فلما رآه النبي صلى الله عليه وسلم قال: «لو أعلم أنك تنتظرني لطعنت به في عينك»
এক ব্যক্তি নবী (সাঃ)-এর ঘরের দরজা দিয়ে ভেতরে উঁকি দিলো। নবী (সাঃ) তখন লোহার একটি চিরুনী দিয়ে তাঁর মাথা আচড়াচ্ছিলেন। নবী (সাঃ) তাকে দেখে বলেনঃ আমি যদি জানতে পারতাম যে, তুমি (উঁকি মেরে) আমাকে দেখছো, তাহলে আমি এই চিরুনী দিয়ে তোমার চোখে আঘাত করতাম। (বুখারী, মুসলিম, তিরমিযী, নাসাঈ)
এক ব্যক্তি নবী (সাঃ)-এর ঘরের দরজা দিয়ে ভেতরে উঁকি দিলো। নবী (সাঃ) তখন লোহার একটি চিরুনী দিয়ে তাঁর মাথা আচড়াচ্ছিলেন। নবী (সাঃ) তাকে দেখে বলেনঃ আমি যদি জানতে পারতাম যে, তুমি (উঁকি মেরে) আমাকে দেখছো, তাহলে আমি এই চিরুনী দিয়ে তোমার চোখে আঘাত করতাম। (বুখারী, মুসলিম, তিরমিযী, নাসাঈ)
حدثنا عبد الله بن صالح قال: حدثنا الليث قال: حدثني ابن شهاب، أن سهل بن سعد أخبره، أن رجلا اطلع من جحر في باب النبي صلى الله عليه وسلم، ومع النبي صلى الله عليه وسلم مدرى يحك به رأسه، فلما رآه النبي صلى الله عليه وسلم قال: «لو أعلم أنك تنتظرني لطعنت به في عينك»
আদাবুল মুফরাদ > অনুচ্ছেদঃ কোন ব্যক্তি অপর ব্যক্তিকে তার ঘরে সালাম করলে।
আদাবুল মুফরাদ ১০৮৩
حدثنا عبد الله بن صالح قال: حدثني الليث، عن خالد بن يزيد، عن سعيد بن أبي هلال، عن مروان بن عثمان، أن عبيد بن عمير أخبره، عن أبي موسى قال: استأذنت على عمر، فلم يؤذن لي - ثلاثا - فأدبرت، فأرسل إلي فقال: يا عبد الله، اشتد عليك أن تحتبس على بابي؟ اعلم أن الناس كذلك يشتد عليهم أن يحتبسوا على بابك، فقلت: بل استأذنت عليك ثلاثا، فلم يؤذن لي، فرجعت، فقال: ممن سمعت هذا؟ فقلت: سمعته من النبي صلى الله عليه وسلم، فقال: أسمعت من النبي صلى الله عليه وسلم ما لم نسمع؟ لئن لم تأتني على هذا ببينة لأجعلنك نكالا، فخرجت حتى أتيت نفرا من الأنصار جلوسا في المسجد فسألتهم، فقالوا: أويشك في هذا أحد؟ فأخبرتهم ما قال عمر، فقالوا: لا يقوم معك إلا أصغرنا، فقام معي أبو سعيد الخدري - أو أبو مسعود - إلى عمر، فقال: خرجنا مع النبي صلى الله عليه وسلم وهو يريد سعد بن عبادة، حتى أتاه فسلم، فلم يؤذن له، ثم سلم الثانية، ثم الثالثة، فلم يؤذن له، فقال: «قضينا ما علينا» ، ثم رجع، فأدركه سعد فقال: يا رسول الله، والذي بعثك بالحق ما سلمت من مرة إلا وأنا أسمع، وأرد عليك، ولكن أحببت أن تكثر من السلام علي وعلى أهل بيتي، فقال أبو موسى: والله إن كنت لأمينا على حديث رسول الله صلى الله عليه وسلم، فقال: أجل، ولكن أحببت أن أستثبت
আমি উমার (রাঃ)-র নিকট তিনবার প্রবেশানুমতি প্রার্থনা করলাম, কিন্তু আমাকে অনুমতি দেয়া হয়নি। তাই আমি ফিরে এলাম। তিনি আমার নিকট লোক পাঠিয়ে বলেন, হে আবদুল্লাহ! তোমার কতো কষ্ট হলো যে, তুমি আমার ঘরের দরজায় অবরুদ্ধ হলে। বুঝে নাও! তোমার ঘরের দরজায়ও লোকজন এভাবে অবরুদ্ধ হয়ে কষ্ট ভোগ করে। আমি বললাম, আমি আপনার নিকট তিনবার অনুমতি প্রার্থনা করেছি, কিন্তু আমাকে অনুমতি দেয়া হয়নি। তাই আমি ফিরে এসেছি। আর আমাদেরকে অনুরূপ নির্দেশই দেয়া হয়েছে। উমার (রাঃ) বলেন, আপনি তা কার নিকট শুনেছেন? তিনি বলেন, আমি তা নবী (সাঃ)-এর নিকট শুনেছি। উমার (রাঃ) বলেন, সত্যিই কি আপনি নবী (সাঃ)-এর কাছে শুনেছেন, যা আমি শুনিনি? আপনি যদি একথার প্রমাণ নিয়ে আসতে ব্যর্থ হন তবে আমি আপনাকে উচিৎ শাস্তি দিবো। অতএব আমি রওয়ানা হয়ে মসজিদে (নববীতে) উপবিষ্ট একদল আনসারীর নিকট গিয়ে পৌঁছলাম এবং তাদের নিকট প্রমাণ প্রার্থনা করলাম। তারা বলেন, এই বিষয়ে কি কেউ সন্দেহ করতে পারে? অতএব উমার (রাঃ) যা বলেছেন আমি তাদেরকে তা অবহিত করলাম। তারা বলেন, আমাদের মধ্যকার কনিষ্ঠতর ব্যক্তিই তোমার সাথে দাঁড়াবে। অতএব আবু সাঈদ খুদরী (রাঃ) অথবা আবু মাসউদ (রাঃ) আমার সাথে উমার (রাঃ)-র নিকট যেতে দাঁড়ালেন। তিনি বলেন, আমরা নবী (সাঃ)-এর সাথে রওয়ানা হলাম। তিনি সাদ ইবনে উবাদা (রাঃ)-কে দেখতে যাওয়ার মনস্থ করলেন। তিনি তার বাড়িতে পৌছে সালাম দিলেন, কিন্তু তাঁকে অনুমতি দেয়া হলো না। এভাবে তিনি দ্বিতীয় ও তৃতীয়বার সালাম দিলেন, কিন্তু তাকে অনুমতি দেয়া হলো না। তিনি বলেনঃ আমাদের দায়িত্ব আমরা পালন করেছি। অতঃপর তিনি ফিরে চললেন। ইতিমধ্যে সাদ (রাঃ) (বের হয়ে এসে) তার সাথে সাক্ষাত করে বলেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ! সেই মহান সত্তার শপথ, যিনি আপনাকে সত্য দীনসহ পাঠিয়েছেন! আপনি যতবারই সালাম দিয়েছেন তা আমি শুনতে পেয়েছি এবং আপনার সালামের উত্তর দিয়েছি। কিন্তু আমার প্রতি ও আমার পরিবার-পরিজনের প্রতি আপনার অধিক সালাম আশা করছিলাম (তাই সাড়া দেইনি)। আবু মূসা (রাঃ) এবার উমার (রাঃ)-কে বলেন, আল্লাহর শপথ রাসূলুল্লাহ (সাঃ)-এর হাদীসের ব্যাপারে অবশ্যই আমি বিশ্বস্ত আমানতদার। তিনি বলেন, অবশ্যইবনে মাজাহ, কিন্তু আমি এর অনুকূলে আরো প্রমাণ আশা করছিলাম। (বুখারী, মুসলিম)
আমি উমার (রাঃ)-র নিকট তিনবার প্রবেশানুমতি প্রার্থনা করলাম, কিন্তু আমাকে অনুমতি দেয়া হয়নি। তাই আমি ফিরে এলাম। তিনি আমার নিকট লোক পাঠিয়ে বলেন, হে আবদুল্লাহ! তোমার কতো কষ্ট হলো যে, তুমি আমার ঘরের দরজায় অবরুদ্ধ হলে। বুঝে নাও! তোমার ঘরের দরজায়ও লোকজন এভাবে অবরুদ্ধ হয়ে কষ্ট ভোগ করে। আমি বললাম, আমি আপনার নিকট তিনবার অনুমতি প্রার্থনা করেছি, কিন্তু আমাকে অনুমতি দেয়া হয়নি। তাই আমি ফিরে এসেছি। আর আমাদেরকে অনুরূপ নির্দেশই দেয়া হয়েছে। উমার (রাঃ) বলেন, আপনি তা কার নিকট শুনেছেন? তিনি বলেন, আমি তা নবী (সাঃ)-এর নিকট শুনেছি। উমার (রাঃ) বলেন, সত্যিই কি আপনি নবী (সাঃ)-এর কাছে শুনেছেন, যা আমি শুনিনি? আপনি যদি একথার প্রমাণ নিয়ে আসতে ব্যর্থ হন তবে আমি আপনাকে উচিৎ শাস্তি দিবো। অতএব আমি রওয়ানা হয়ে মসজিদে (নববীতে) উপবিষ্ট একদল আনসারীর নিকট গিয়ে পৌঁছলাম এবং তাদের নিকট প্রমাণ প্রার্থনা করলাম। তারা বলেন, এই বিষয়ে কি কেউ সন্দেহ করতে পারে? অতএব উমার (রাঃ) যা বলেছেন আমি তাদেরকে তা অবহিত করলাম। তারা বলেন, আমাদের মধ্যকার কনিষ্ঠতর ব্যক্তিই তোমার সাথে দাঁড়াবে। অতএব আবু সাঈদ খুদরী (রাঃ) অথবা আবু মাসউদ (রাঃ) আমার সাথে উমার (রাঃ)-র নিকট যেতে দাঁড়ালেন। তিনি বলেন, আমরা নবী (সাঃ)-এর সাথে রওয়ানা হলাম। তিনি সাদ ইবনে উবাদা (রাঃ)-কে দেখতে যাওয়ার মনস্থ করলেন। তিনি তার বাড়িতে পৌছে সালাম দিলেন, কিন্তু তাঁকে অনুমতি দেয়া হলো না। এভাবে তিনি দ্বিতীয় ও তৃতীয়বার সালাম দিলেন, কিন্তু তাকে অনুমতি দেয়া হলো না। তিনি বলেনঃ আমাদের দায়িত্ব আমরা পালন করেছি। অতঃপর তিনি ফিরে চললেন। ইতিমধ্যে সাদ (রাঃ) (বের হয়ে এসে) তার সাথে সাক্ষাত করে বলেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ! সেই মহান সত্তার শপথ, যিনি আপনাকে সত্য দীনসহ পাঠিয়েছেন! আপনি যতবারই সালাম দিয়েছেন তা আমি শুনতে পেয়েছি এবং আপনার সালামের উত্তর দিয়েছি। কিন্তু আমার প্রতি ও আমার পরিবার-পরিজনের প্রতি আপনার অধিক সালাম আশা করছিলাম (তাই সাড়া দেইনি)। আবু মূসা (রাঃ) এবার উমার (রাঃ)-কে বলেন, আল্লাহর শপথ রাসূলুল্লাহ (সাঃ)-এর হাদীসের ব্যাপারে অবশ্যই আমি বিশ্বস্ত আমানতদার। তিনি বলেন, অবশ্যইবনে মাজাহ, কিন্তু আমি এর অনুকূলে আরো প্রমাণ আশা করছিলাম। (বুখারী, মুসলিম)
حدثنا عبد الله بن صالح قال: حدثني الليث، عن خالد بن يزيد، عن سعيد بن أبي هلال، عن مروان بن عثمان، أن عبيد بن عمير أخبره، عن أبي موسى قال: استأذنت على عمر، فلم يؤذن لي - ثلاثا - فأدبرت، فأرسل إلي فقال: يا عبد الله، اشتد عليك أن تحتبس على بابي؟ اعلم أن الناس كذلك يشتد عليهم أن يحتبسوا على بابك، فقلت: بل استأذنت عليك ثلاثا، فلم يؤذن لي، فرجعت، فقال: ممن سمعت هذا؟ فقلت: سمعته من النبي صلى الله عليه وسلم، فقال: أسمعت من النبي صلى الله عليه وسلم ما لم نسمع؟ لئن لم تأتني على هذا ببينة لأجعلنك نكالا، فخرجت حتى أتيت نفرا من الأنصار جلوسا في المسجد فسألتهم، فقالوا: أويشك في هذا أحد؟ فأخبرتهم ما قال عمر، فقالوا: لا يقوم معك إلا أصغرنا، فقام معي أبو سعيد الخدري - أو أبو مسعود - إلى عمر، فقال: خرجنا مع النبي صلى الله عليه وسلم وهو يريد سعد بن عبادة، حتى أتاه فسلم، فلم يؤذن له، ثم سلم الثانية، ثم الثالثة، فلم يؤذن له، فقال: «قضينا ما علينا» ، ثم رجع، فأدركه سعد فقال: يا رسول الله، والذي بعثك بالحق ما سلمت من مرة إلا وأنا أسمع، وأرد عليك، ولكن أحببت أن تكثر من السلام علي وعلى أهل بيتي، فقال أبو موسى: والله إن كنت لأمينا على حديث رسول الله صلى الله عليه وسلم، فقال: أجل، ولكن أحببت أن أستثبت