আদাবুল মুফরাদ > অনুচ্ছেদঃ নিজের বোনের নিকটও প্রবেশানুমতি চাইবে।

আদাবুল মুফরাদ ১০৭৩

حدثنا الحميدي قال: حدثنا سفيان قال: حدثنا عمرو، وابن جريج، عن عطاء قال: سألت ابن عباس فقلت: أستأذن على أختي؟ فقال: نعم، فأعدت فقلت: أختان في حجري، وأنا أمونهما وأنفق عليهما، أستأذن عليهما؟ قال: نعم، أتحب أن تراهما عريانتين؟ ثم قرأ: {يا أيها الذين آمنوا ليستأذنكم الذين ملكت أيمانكم} [النور: 58] إلى {ثلاث عورات لكم} [النور: 58] ، قال: فلم يؤمر هؤلاء بالإذن إلا في هذه العورات الثلاث، قال: {وإذا بلغ الأطفال منكم الحلم} [النور: 59] ، قال ابن عباس: فالإذن واجب. زاد ابن جريج: على الناس كلهم

আমি ইবনে আব্বাস (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করে বললাম, আমি কি আমার বোনের নিকটও প্রবেশানুতি প্রার্থনা করবো? তিনি বলেন, হাঁ। আমি পুনরায় জিজ্ঞেস করে বললাম, আমার প্রতিপালনাধীনে আমার দু’টি বোন আছে, আমিই তাদের পৃষ্ঠপোষক (নিরাপত্তা দানকারী) এবং আমিই তাদের ভরণপোষণ করি, আমি কি তাদের নিকটও প্রবেশানুমতি চাইবো? তিনি বলেন, হাঁ। তুমি কি তাদেরকে উলঙ্গ দেখতে পছন্দ করবে? অতঃপর তিনি নিম্নোক্ত আয়াত পড়েন (অনুবাদ) : “হে ঈমানদারগণ! তোমাদের মালিকনাধীন দাস-দাসী এবং তোমাদের অপ্রাপ্তবয়স্ক সন্তানেরা তিনটি সময়ে যেন তোমাদের নিকট প্রবেশানুমতি প্রার্থনা করেঃ ফজরের নামাযের পূর্বে, দুপুরের সময় যখন তোমরা পোশাক খুলে রেখে দাও এবং এশার নামাযের পর। তোমাদের তিনটি পর্দা করার সময়” (সূরা নূর : ৫৮)। ইবনে আব্বাস (রাঃ) বলেন, পর্দার এই তিন সময়ই তাদেরকে অনুমতি প্রার্থনার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। মহান আল্লাহ বলেন, “তোমাদের শিশুরা প্রাপ্তবয়সে পৌছলে অবশ্যই (সব সময়) অনুমতি নিয়ে প্রবেশ করবে, যেমন তাদের প্রবীণরা অনুমতি নিয়ে আসে” (সূরা নূর : ৫৯)। ইবনে আব্বাস (রাঃ) বলেন, অতএব অনুমতি প্রার্থনা করা বাধ্যতামূলক। ইবনে জুরাইজের বর্ণনায় আরো আছে, সকল লোকের জন্য। (তাফসীর ইবনে কাসীর)

আমি ইবনে আব্বাস (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করে বললাম, আমি কি আমার বোনের নিকটও প্রবেশানুতি প্রার্থনা করবো? তিনি বলেন, হাঁ। আমি পুনরায় জিজ্ঞেস করে বললাম, আমার প্রতিপালনাধীনে আমার দু’টি বোন আছে, আমিই তাদের পৃষ্ঠপোষক (নিরাপত্তা দানকারী) এবং আমিই তাদের ভরণপোষণ করি, আমি কি তাদের নিকটও প্রবেশানুমতি চাইবো? তিনি বলেন, হাঁ। তুমি কি তাদেরকে উলঙ্গ দেখতে পছন্দ করবে? অতঃপর তিনি নিম্নোক্ত আয়াত পড়েন (অনুবাদ) : “হে ঈমানদারগণ! তোমাদের মালিকনাধীন দাস-দাসী এবং তোমাদের অপ্রাপ্তবয়স্ক সন্তানেরা তিনটি সময়ে যেন তোমাদের নিকট প্রবেশানুমতি প্রার্থনা করেঃ ফজরের নামাযের পূর্বে, দুপুরের সময় যখন তোমরা পোশাক খুলে রেখে দাও এবং এশার নামাযের পর। তোমাদের তিনটি পর্দা করার সময়” (সূরা নূর : ৫৮)। ইবনে আব্বাস (রাঃ) বলেন, পর্দার এই তিন সময়ই তাদেরকে অনুমতি প্রার্থনার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। মহান আল্লাহ বলেন, “তোমাদের শিশুরা প্রাপ্তবয়সে পৌছলে অবশ্যই (সব সময়) অনুমতি নিয়ে প্রবেশ করবে, যেমন তাদের প্রবীণরা অনুমতি নিয়ে আসে” (সূরা নূর : ৫৯)। ইবনে আব্বাস (রাঃ) বলেন, অতএব অনুমতি প্রার্থনা করা বাধ্যতামূলক। ইবনে জুরাইজের বর্ণনায় আরো আছে, সকল লোকের জন্য। (তাফসীর ইবনে কাসীর)

حدثنا الحميدي قال: حدثنا سفيان قال: حدثنا عمرو، وابن جريج، عن عطاء قال: سألت ابن عباس فقلت: أستأذن على أختي؟ فقال: نعم، فأعدت فقلت: أختان في حجري، وأنا أمونهما وأنفق عليهما، أستأذن عليهما؟ قال: نعم، أتحب أن تراهما عريانتين؟ ثم قرأ: {يا أيها الذين آمنوا ليستأذنكم الذين ملكت أيمانكم} [النور: 58] إلى {ثلاث عورات لكم} [النور: 58] ، قال: فلم يؤمر هؤلاء بالإذن إلا في هذه العورات الثلاث، قال: {وإذا بلغ الأطفال منكم الحلم} [النور: 59] ، قال ابن عباس: فالإذن واجب. زاد ابن جريج: على الناس كلهم


আদাবুল মুফরাদ > অনুচ্ছেদঃ নিজের ভাইয়ের কাছেও অনুমতি প্রার্থনা করবে।

আদাবুল মুফরাদ ১০৭৪

حدثنا قتيبة قال: حدثنا عبثر، عن أشعث، عن كردوس، عن عبد الله قال: يستأذن الرجل على أبيه، وأمه، وأخيه، وأخته --- [قال الشيخ الألباني] : ضعيف الإسناد موقوفا

মানুষ তার পিতা-মাতা ও ভাই-বোনের নিকট প্রবেশানুমতি চাইবে। (তাবারী)

মানুষ তার পিতা-মাতা ও ভাই-বোনের নিকট প্রবেশানুমতি চাইবে। (তাবারী)

حدثنا قتيبة قال: حدثنا عبثر، عن أشعث، عن كردوس، عن عبد الله قال: يستأذن الرجل على أبيه، وأمه، وأخيه، وأخته --- [قال الشيخ الألباني] : ضعيف الإسناد موقوفا


আদাবুল মুফরাদ > অনুচ্ছেদঃ তিনবার অনুমতি প্রার্থনা করবে।

আদাবুল মুফরাদ ১০৭৫

حدثنا محمد بن سلام قال: أخبرنا مخلد قال: أخبرنا ابن جريج قال: أخبرني عطاء، عن عبيد بن عمير، أن أبا موسى الأشعري استأذن على عمر بن الخطاب، فلم يؤذن له - وكأنه كان مشغولا - فرجع أبو موسى، ففرغ عمر فقال: ألم أسمع صوت عبد الله بن قيس؟ إيذنوا له، قيل: قد رجع، فدعاه، فقال: كنا نؤمر بذلك، فقال: تأتيني على ذلك بالبينة، فانطلق إلى مجلس الأنصار فسألهم، فقالوا: لا يشهد لك على هذا إلا أصغرنا: أبو سعيد الخدري فذهب بأبي سعيد، فقال عمر: أخفي علي من أمر رسول الله صلى الله عليه وسلم؟ ألهاني الصفق بالأسواق، يعني الخروج إلى التجارة

আবু মূসা আশআরী (রাঃ) উমার ইবনুল খাত্তাব (রাঃ)-র নিকট প্রবেশানুমতি প্রার্থনা করলেন। কিন্তু তাকে অনুমতি দেয়া হয়নি। উমার (রাঃ) হয়তো কোন কাজে মশগুল ছিলেন। তাই আবু মূসা (রাঃ) ফিরে এলেন। উমার (রাঃ) অবসর হয়ে বলেন, আমি কি আবদুল্লাহ ইবনে কায়েস (রাঃ)-র আওয়াজ শুনিনি? তোমরা তাকে আমার অনুমতি দাও। বলা হলো, তিনি ফিরে গেছেন। তিনি তাকে ডেকে পাঠালেন। আবু মূসা (রাঃ) বললেন, আমাদেরকে এরূপই নির্দেশ দেয়া হয়েছে। উমার (রাঃ) বলেন, আপনি আমার সামনে এর অনুকূলে প্রমাণ পেশ করুন। অতএব তিনি আনসারদের মজলিসে এসে তাদেরকে জিজ্ঞেস করেন। তারা বলেন, আমাদের মধ্যকার কনিষ্ঠতর আবু সাঈদ আল-খুদরীই এর অনুকূলে সাক্ষ্য দিবে। অতএব তিনি আবু সাঈদ (রাঃ)-কে নিয়ে গেলেন। উমার (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাঃ)-এর একটি নির্দেশ আমার অজ্ঞাত থেকে গেলো? বাজারে ব্যবসাই আমাকে ব্যতিব্যস্ত রেখেছে অর্থাৎ ব্যবসায়ের উদ্দেশ্যে বাইরের যাতায়াত। -(বুখারী, মুসলিম, আদ-দুররুল মানসুর, তিরমিযী, ইবনে মাজাহ)

আবু মূসা আশআরী (রাঃ) উমার ইবনুল খাত্তাব (রাঃ)-র নিকট প্রবেশানুমতি প্রার্থনা করলেন। কিন্তু তাকে অনুমতি দেয়া হয়নি। উমার (রাঃ) হয়তো কোন কাজে মশগুল ছিলেন। তাই আবু মূসা (রাঃ) ফিরে এলেন। উমার (রাঃ) অবসর হয়ে বলেন, আমি কি আবদুল্লাহ ইবনে কায়েস (রাঃ)-র আওয়াজ শুনিনি? তোমরা তাকে আমার অনুমতি দাও। বলা হলো, তিনি ফিরে গেছেন। তিনি তাকে ডেকে পাঠালেন। আবু মূসা (রাঃ) বললেন, আমাদেরকে এরূপই নির্দেশ দেয়া হয়েছে। উমার (রাঃ) বলেন, আপনি আমার সামনে এর অনুকূলে প্রমাণ পেশ করুন। অতএব তিনি আনসারদের মজলিসে এসে তাদেরকে জিজ্ঞেস করেন। তারা বলেন, আমাদের মধ্যকার কনিষ্ঠতর আবু সাঈদ আল-খুদরীই এর অনুকূলে সাক্ষ্য দিবে। অতএব তিনি আবু সাঈদ (রাঃ)-কে নিয়ে গেলেন। উমার (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাঃ)-এর একটি নির্দেশ আমার অজ্ঞাত থেকে গেলো? বাজারে ব্যবসাই আমাকে ব্যতিব্যস্ত রেখেছে অর্থাৎ ব্যবসায়ের উদ্দেশ্যে বাইরের যাতায়াত। -(বুখারী, মুসলিম, আদ-দুররুল মানসুর, তিরমিযী, ইবনে মাজাহ)

حدثنا محمد بن سلام قال: أخبرنا مخلد قال: أخبرنا ابن جريج قال: أخبرني عطاء، عن عبيد بن عمير، أن أبا موسى الأشعري استأذن على عمر بن الخطاب، فلم يؤذن له - وكأنه كان مشغولا - فرجع أبو موسى، ففرغ عمر فقال: ألم أسمع صوت عبد الله بن قيس؟ إيذنوا له، قيل: قد رجع، فدعاه، فقال: كنا نؤمر بذلك، فقال: تأتيني على ذلك بالبينة، فانطلق إلى مجلس الأنصار فسألهم، فقالوا: لا يشهد لك على هذا إلا أصغرنا: أبو سعيد الخدري فذهب بأبي سعيد، فقال عمر: أخفي علي من أمر رسول الله صلى الله عليه وسلم؟ ألهاني الصفق بالأسواق، يعني الخروج إلى التجارة


আদাবুল মুফরাদ > অনুচ্ছেদঃ সালাম না দিয়ে অনুমতি প্রার্থনা করলে।

আদাবুল মুফরাদ ১০৭৬

حدثنا بيان قال: حدثنا يزيد قال: حدثنا عبد الملك بن أبي سليمان، عن عطاء، عن أبي هريرة فيمن يستأذن قبل أن يسلم قال: لا يؤذن له حتى يبدأ بالسلام

যে ব্যক্তি সালাম না দিয়ে অনুমতি প্রার্থনা করে তিনি তার সম্পর্কে বলেন, সে সালাম না দেয়া পর্যন্ত তাকে প্রবেশানুমতি দেয়া যাবে না।

যে ব্যক্তি সালাম না দিয়ে অনুমতি প্রার্থনা করে তিনি তার সম্পর্কে বলেন, সে সালাম না দেয়া পর্যন্ত তাকে প্রবেশানুমতি দেয়া যাবে না।

حدثنا بيان قال: حدثنا يزيد قال: حدثنا عبد الملك بن أبي سليمان، عن عطاء، عن أبي هريرة فيمن يستأذن قبل أن يسلم قال: لا يؤذن له حتى يبدأ بالسلام


আদাবুল মুফরাদ ১০৭৭

حدثنا إبراهيم بن موسى قال: أخبرنا هشام، أن ابن جريج أخبرهم قال: سمعت عطاء، قال: سمعت أبا هريرة يقول: إذا دخل ولم يقل: السلام عليكم، فقل: لا، حتى يأتي بالمفتاح: السلام

কেউ সালাম না দিয়ে প্রবেশ করলে তুমি বলো, সে চাবি নিয়ে না আসা পর্যন্ত অর্থাৎ সালাম না দেয়া পর্যন্ত। (খোলা যাবে নাসাঈ)

কেউ সালাম না দিয়ে প্রবেশ করলে তুমি বলো, সে চাবি নিয়ে না আসা পর্যন্ত অর্থাৎ সালাম না দেয়া পর্যন্ত। (খোলা যাবে নাসাঈ)

حدثنا إبراهيم بن موسى قال: أخبرنا هشام، أن ابن جريج أخبرهم قال: سمعت عطاء، قال: سمعت أبا هريرة يقول: إذا دخل ولم يقل: السلام عليكم، فقل: لا، حتى يأتي بالمفتاح: السلام


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00