আদাবুল মুফরাদ > অনুচ্ছেদঃ মায়ের (ঘরে প্রবেশ করতেও) অনুমতি প্রার্থনা করবে।
আদাবুল মুফরাদ ১০৬৯
حدثنا محمد بن يوسف قال: حدثنا سفيان، عن الأعمش، عن إبراهيم، عن علقمة قال: جاء رجل إلى عبد الله قال: أستأذن على أمي؟ فقال: ما على كل أحيانها تحب أن تراها
এক ব্যক্তি আবদুল্লাহ (রাঃ)-র নিকট এসে জিজ্ঞেস করলো, আমি কি আমার মায়ের নিকট (প্রবেশ করতেও) অনুমতি চাইবো? তিনি বলেন, প্রতিটি মুহুর্তে তুমি তাকে দেখতে পছন্দ করবে না।
এক ব্যক্তি আবদুল্লাহ (রাঃ)-র নিকট এসে জিজ্ঞেস করলো, আমি কি আমার মায়ের নিকট (প্রবেশ করতেও) অনুমতি চাইবো? তিনি বলেন, প্রতিটি মুহুর্তে তুমি তাকে দেখতে পছন্দ করবে না।
حدثنا محمد بن يوسف قال: حدثنا سفيان، عن الأعمش، عن إبراهيم، عن علقمة قال: جاء رجل إلى عبد الله قال: أستأذن على أمي؟ فقال: ما على كل أحيانها تحب أن تراها
আদাবুল মুফরাদ ১০৭০
حدثنا آدم قال: حدثنا شعبة، عن أبي إسحاق قال: سمعت مسلم بن نذير يقول: سأل رجل حذيفة فقال: أستأذن على أمي؟ فقال: إن لم تستأذن عليها رأيت ما تكره
এক ব্যক্তি হুযায়ফা (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করে বললো, আমি কি আমার মায়ের নিকটও অনুমতি প্রার্থনা করবো? তিনি বলেন, তুমি তার অনুমতি না চাইলে তাকে এমন অবস্থায় দেখে ফেলবে যা তুমি পছন্দ করো না।
এক ব্যক্তি হুযায়ফা (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করে বললো, আমি কি আমার মায়ের নিকটও অনুমতি প্রার্থনা করবো? তিনি বলেন, তুমি তার অনুমতি না চাইলে তাকে এমন অবস্থায় দেখে ফেলবে যা তুমি পছন্দ করো না।
حدثنا آدم قال: حدثنا شعبة، عن أبي إسحاق قال: سمعت مسلم بن نذير يقول: سأل رجل حذيفة فقال: أستأذن على أمي؟ فقال: إن لم تستأذن عليها رأيت ما تكره
আদাবুল মুফরাদ > অনুচ্ছেদঃ পিতার নিকটও (প্রবেশের) অনুমতি চাইবে।
আদাবুল মুফরাদ ১০৭১
حدثنا فروة قال: حدثنا القاسم بن مالك، عن ليث، عن عبيد الله، عن موسى بن طلحة قال: دخلت مع أبي على أمي، فدخل فاتبعته، فالتفت فدفع في صدري حتى أقعدني على استي، قال: أتدخل بغير إذن؟ --- [قال الشيخ الألباني] : ضعيف الإسناد موقوفا
আমি আমার পিতার সাথে আমার মায়ের ঘরে প্রবেশ করলাম। তিনি ভেতরে প্রবেশ করলে আমিও তার অনুসরণ করলাম। তিনি পেছনে ফিরে আমার বুকে সজোরে আঘাত করে আমাকে আমার নিতম্বের উপর বসিয়ে দিলেন, অতঃপর বলেন, অনুমতি না নিয়েই তুমি প্রবেশ করলে?
আমি আমার পিতার সাথে আমার মায়ের ঘরে প্রবেশ করলাম। তিনি ভেতরে প্রবেশ করলে আমিও তার অনুসরণ করলাম। তিনি পেছনে ফিরে আমার বুকে সজোরে আঘাত করে আমাকে আমার নিতম্বের উপর বসিয়ে দিলেন, অতঃপর বলেন, অনুমতি না নিয়েই তুমি প্রবেশ করলে?
حدثنا فروة قال: حدثنا القاسم بن مالك، عن ليث، عن عبيد الله، عن موسى بن طلحة قال: دخلت مع أبي على أمي، فدخل فاتبعته، فالتفت فدفع في صدري حتى أقعدني على استي، قال: أتدخل بغير إذن؟ --- [قال الشيخ الألباني] : ضعيف الإسناد موقوفا
আদাবুল মুফরাদ > অনুচ্ছেদঃ পিতা ও সন্তানের নিকটও (প্রবেশের) অনুমতি চাইবে।
আদাবুল মুফরাদ ১০৭২
حدثنا إسماعيل بن أبان قال: حدثنا علي بن مسهر، عن أشعث، عن أبي الزبير، عن جابر قال: يستأذن الرجل على ولده، وأمه - وإن كانت عجوزا - وأخيه، وأخته، وأبيه --- [قال الشيخ الألباني] : ضعيف الإسناد موقوفا
যে কোন ব্যক্তি তার সন্তানের নিকট এবং মায়ের নিকট অনুমতি চাইবে, তিনি বৃদ্ধা হলেও, ভাইবনে মাজাহ, বোন ও পিতার নিকটও প্রবেশানুমতি চাইবে।
যে কোন ব্যক্তি তার সন্তানের নিকট এবং মায়ের নিকট অনুমতি চাইবে, তিনি বৃদ্ধা হলেও, ভাইবনে মাজাহ, বোন ও পিতার নিকটও প্রবেশানুমতি চাইবে।
حدثنا إسماعيل بن أبان قال: حدثنا علي بن مسهر، عن أشعث، عن أبي الزبير، عن جابر قال: يستأذن الرجل على ولده، وأمه - وإن كانت عجوزا - وأخيه، وأخته، وأبيه --- [قال الشيخ الألباني] : ضعيف الإسناد موقوفا
আদাবুল মুফরাদ > অনুচ্ছেদঃ নিজের বোনের নিকটও প্রবেশানুমতি চাইবে।
আদাবুল মুফরাদ ১০৭৩
حدثنا الحميدي قال: حدثنا سفيان قال: حدثنا عمرو، وابن جريج، عن عطاء قال: سألت ابن عباس فقلت: أستأذن على أختي؟ فقال: نعم، فأعدت فقلت: أختان في حجري، وأنا أمونهما وأنفق عليهما، أستأذن عليهما؟ قال: نعم، أتحب أن تراهما عريانتين؟ ثم قرأ: {يا أيها الذين آمنوا ليستأذنكم الذين ملكت أيمانكم} [النور: 58] إلى {ثلاث عورات لكم} [النور: 58] ، قال: فلم يؤمر هؤلاء بالإذن إلا في هذه العورات الثلاث، قال: {وإذا بلغ الأطفال منكم الحلم} [النور: 59] ، قال ابن عباس: فالإذن واجب. زاد ابن جريج: على الناس كلهم
আমি ইবনে আব্বাস (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করে বললাম, আমি কি আমার বোনের নিকটও প্রবেশানুতি প্রার্থনা করবো? তিনি বলেন, হাঁ। আমি পুনরায় জিজ্ঞেস করে বললাম, আমার প্রতিপালনাধীনে আমার দু’টি বোন আছে, আমিই তাদের পৃষ্ঠপোষক (নিরাপত্তা দানকারী) এবং আমিই তাদের ভরণপোষণ করি, আমি কি তাদের নিকটও প্রবেশানুমতি চাইবো? তিনি বলেন, হাঁ। তুমি কি তাদেরকে উলঙ্গ দেখতে পছন্দ করবে? অতঃপর তিনি নিম্নোক্ত আয়াত পড়েন (অনুবাদ) : “হে ঈমানদারগণ! তোমাদের মালিকনাধীন দাস-দাসী এবং তোমাদের অপ্রাপ্তবয়স্ক সন্তানেরা তিনটি সময়ে যেন তোমাদের নিকট প্রবেশানুমতি প্রার্থনা করেঃ ফজরের নামাযের পূর্বে, দুপুরের সময় যখন তোমরা পোশাক খুলে রেখে দাও এবং এশার নামাযের পর। তোমাদের তিনটি পর্দা করার সময়” (সূরা নূর : ৫৮)। ইবনে আব্বাস (রাঃ) বলেন, পর্দার এই তিন সময়ই তাদেরকে অনুমতি প্রার্থনার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। মহান আল্লাহ বলেন, “তোমাদের শিশুরা প্রাপ্তবয়সে পৌছলে অবশ্যই (সব সময়) অনুমতি নিয়ে প্রবেশ করবে, যেমন তাদের প্রবীণরা অনুমতি নিয়ে আসে” (সূরা নূর : ৫৯)। ইবনে আব্বাস (রাঃ) বলেন, অতএব অনুমতি প্রার্থনা করা বাধ্যতামূলক। ইবনে জুরাইজের বর্ণনায় আরো আছে, সকল লোকের জন্য। (তাফসীর ইবনে কাসীর)
আমি ইবনে আব্বাস (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করে বললাম, আমি কি আমার বোনের নিকটও প্রবেশানুতি প্রার্থনা করবো? তিনি বলেন, হাঁ। আমি পুনরায় জিজ্ঞেস করে বললাম, আমার প্রতিপালনাধীনে আমার দু’টি বোন আছে, আমিই তাদের পৃষ্ঠপোষক (নিরাপত্তা দানকারী) এবং আমিই তাদের ভরণপোষণ করি, আমি কি তাদের নিকটও প্রবেশানুমতি চাইবো? তিনি বলেন, হাঁ। তুমি কি তাদেরকে উলঙ্গ দেখতে পছন্দ করবে? অতঃপর তিনি নিম্নোক্ত আয়াত পড়েন (অনুবাদ) : “হে ঈমানদারগণ! তোমাদের মালিকনাধীন দাস-দাসী এবং তোমাদের অপ্রাপ্তবয়স্ক সন্তানেরা তিনটি সময়ে যেন তোমাদের নিকট প্রবেশানুমতি প্রার্থনা করেঃ ফজরের নামাযের পূর্বে, দুপুরের সময় যখন তোমরা পোশাক খুলে রেখে দাও এবং এশার নামাযের পর। তোমাদের তিনটি পর্দা করার সময়” (সূরা নূর : ৫৮)। ইবনে আব্বাস (রাঃ) বলেন, পর্দার এই তিন সময়ই তাদেরকে অনুমতি প্রার্থনার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। মহান আল্লাহ বলেন, “তোমাদের শিশুরা প্রাপ্তবয়সে পৌছলে অবশ্যই (সব সময়) অনুমতি নিয়ে প্রবেশ করবে, যেমন তাদের প্রবীণরা অনুমতি নিয়ে আসে” (সূরা নূর : ৫৯)। ইবনে আব্বাস (রাঃ) বলেন, অতএব অনুমতি প্রার্থনা করা বাধ্যতামূলক। ইবনে জুরাইজের বর্ণনায় আরো আছে, সকল লোকের জন্য। (তাফসীর ইবনে কাসীর)
حدثنا الحميدي قال: حدثنا سفيان قال: حدثنا عمرو، وابن جريج، عن عطاء قال: سألت ابن عباس فقلت: أستأذن على أختي؟ فقال: نعم، فأعدت فقلت: أختان في حجري، وأنا أمونهما وأنفق عليهما، أستأذن عليهما؟ قال: نعم، أتحب أن تراهما عريانتين؟ ثم قرأ: {يا أيها الذين آمنوا ليستأذنكم الذين ملكت أيمانكم} [النور: 58] إلى {ثلاث عورات لكم} [النور: 58] ، قال: فلم يؤمر هؤلاء بالإذن إلا في هذه العورات الثلاث، قال: {وإذا بلغ الأطفال منكم الحلم} [النور: 59] ، قال ابن عباس: فالإذن واجب. زاد ابن جريج: على الناس كلهم