আদাবুল মুফরাদ > অনুচ্ছেদঃ শিশুর মাথায় কোন মহিলার হাত বুলানো।

আদাবুল মুফরাদ ৯৭৮

حدثنا عبد الله بن أبي الأسود قال: حدثنا إبراهيم بن مرزوق الثقفي قال: حدثني أبي - وكان لعبد الله بن الزبير فأخذه الحجاج منه - قال: كان عبد الله بن الزبير بعثني إلى أمه أسماء بنت أبي بكر فأخبرها بما يعاملهم حجاج، وتدعو لي، وتمسح رأسي، وأنا يومئذ وصيف --- [قال الشيخ الألباني] : ضعيف الإسناد موقوف

আমার পিতা আবদুল্লাহ ইবনুয যুবাইর (রাঃ)-র সমর্থক ছিলেন এবং পরে হাজ্জাজ তাকে তার নিকট থেকে ছিনিয়ে নেয়। তিনি বলেন, আবদুল্লাহ ইবনুয যুবাইর (রাঃ) আমাকে তার মা আসমা বিনতে আবু বাকর (রাঃ)-এর কাছে পাঠাতেন এবং আমি তাকে তাদের প্রতি হাজ্জাজের দুর্ব্যবহারের কথা অবগত করতাম। তিনি আমার জন্য দোয়া করতেন এবং আমার মাথায় হাত বুলাতেন। আমি ছিলাম তখন বালক বয়সী।

আমার পিতা আবদুল্লাহ ইবনুয যুবাইর (রাঃ)-র সমর্থক ছিলেন এবং পরে হাজ্জাজ তাকে তার নিকট থেকে ছিনিয়ে নেয়। তিনি বলেন, আবদুল্লাহ ইবনুয যুবাইর (রাঃ) আমাকে তার মা আসমা বিনতে আবু বাকর (রাঃ)-এর কাছে পাঠাতেন এবং আমি তাকে তাদের প্রতি হাজ্জাজের দুর্ব্যবহারের কথা অবগত করতাম। তিনি আমার জন্য দোয়া করতেন এবং আমার মাথায় হাত বুলাতেন। আমি ছিলাম তখন বালক বয়সী।

حدثنا عبد الله بن أبي الأسود قال: حدثنا إبراهيم بن مرزوق الثقفي قال: حدثني أبي - وكان لعبد الله بن الزبير فأخذه الحجاج منه - قال: كان عبد الله بن الزبير بعثني إلى أمه أسماء بنت أبي بكر فأخبرها بما يعاملهم حجاج، وتدعو لي، وتمسح رأسي، وأنا يومئذ وصيف --- [قال الشيخ الألباني] : ضعيف الإسناد موقوف


আদাবুল মুফরাদ > অনুচ্ছেদঃ মুয়ানাকা (আলিঙ্গন)।

আদাবুল মুফরাদ ৯৭৯

حدثنا موسى قال: حدثنا همام، عن القاسم بن عبد الواحد، عن ابن عقيل، أن جابر بن عبد الله حدثه، أنه بلغه حديث عن رجل من أصحاب النبي صلى الله عليه وسلم، فابتعت بعيرا فشددت إليه رحلي شهرا، حتى قدمت الشام، فإذا عبد الله بن أنيس، فبعثت إليه أن جابرا بالباب، فرجع الرسول فقال: جابر بن عبد الله؟ فقلت: نعم، فخرج فاعتنقني، قلت: حديث بلغني لم أسمعه، خشيت أن أموت أو تموت، قال: سمعت النبي صلى الله عليه وسلم يقول: «يحشر الله العباد - أو الناس - عراة غرلا بهما» ، قلت: ما بهما؟ قال: " ليس معهم شيء، فيناديهم بصوت يسمعه من بعد - أحسبه قال: كما يسمعه من قرب -: أنا الملك، لا ينبغي لأحد من أهل الجنة يدخل الجنة وأحد من أهل النار يطلبه بمظلمة، ولا ينبغي لأحد من أهل النار يدخل النار وأحد من أهل الجنة يطلبه بمظلمة "، قلت: وكيف؟ وإنما نأتي الله عراة بهما؟ قال: «بالحسنات والسيئات»

জাবের ইবন আবদুল্লাহ (র) তার নিকট বর্ণনা করেন যে, তিনি রাসূলুল্লাহ (সাঃ)-এর এক সাহাবীর বরাতে একটি হাদীস সম্পর্কে অবহিত হন। আমি (জাবের) একটি উট ক্রয় করে তাতে আরোহণ করে এক মাসের পথ অতিক্রম করে সিরিয়ায় গিয়ে তার নিকট উপস্থিত হই। সেই সাহাবী ছিলেন আবদুল্লাহ ইবনে উনাইস (রাঃ)। আমি তাকে খবর পাঠালাম যে, জাবের তোমার দ্বারে অপেক্ষমাণ। দূত ফিরে এসে জিজ্জেস করলো, আপনার নাম কি জাবের ইবনে আবদুল্লাহ (রাঃ)? আমি বললাম, হাঁ। তখন তিনি বাইরে বের হয়ে এসে আমাকে আলিঙ্গন করেন। আমি বললাম, এমন একটি হাদীস আমার নিকট পৌঁছেছে যা আমি ইতিপূর্বে শুনিনি। আমার আশংকা হলো হয়তো আমি মারা যাবো অথবা আপনি মারা যাবেন। তিনি বলেন, আমি নবী (সাঃ)-কে বলতে শুনেছিঃ আল্লাহ তাআলা বান্দাগণকে বা মানবজাতিকে হাশরের মাঠে উঠাবেন বস্ত্রহীন ও সহায়-সম্বলহীন অবস্থায়। আমরা বললাম, সহায়-সম্বলহীন কি? তিনি বলেনঃ তাদের কোন সহায়-সম্বল থাকবে না। তিনি তাদেরকে সশব্দে ডাকবেন, দূরবর্তীগণও তা শুনতে পাবে, যেমন শুনতে পাবে নিকটবর্তীরা, “আমিই রাজাধিরাজ”। কোন বেহেশতবাসী বেহেশতে প্রবেশ করতে পারবে না যতক্ষণ তার উপর কোন দোযখবাসীর কোন দাবি অবশিষ্ট থাকবে। আর কোন দোযখবাসীও দোযখে প্রবেশ করবে না যতক্ষণ তার উপর কোন বেহেশতবাসীর কোন দাবি অবশিষ্ট থাকবে। আমি বললাম, সে দাবি কিভাবে মিটমাট করবে, যেখানে আমরা সকলে উথিত হবো আল্লাহর সমীপে সহায়-সম্বলহীনভাবে? তিনি বলেনঃ নেকী এবং গোনাহ দ্বারা। -(বুখারী, আহমাদ, আবু ইয়ালা, তাবারানী, হাকিম)

জাবের ইবন আবদুল্লাহ (র) তার নিকট বর্ণনা করেন যে, তিনি রাসূলুল্লাহ (সাঃ)-এর এক সাহাবীর বরাতে একটি হাদীস সম্পর্কে অবহিত হন। আমি (জাবের) একটি উট ক্রয় করে তাতে আরোহণ করে এক মাসের পথ অতিক্রম করে সিরিয়ায় গিয়ে তার নিকট উপস্থিত হই। সেই সাহাবী ছিলেন আবদুল্লাহ ইবনে উনাইস (রাঃ)। আমি তাকে খবর পাঠালাম যে, জাবের তোমার দ্বারে অপেক্ষমাণ। দূত ফিরে এসে জিজ্জেস করলো, আপনার নাম কি জাবের ইবনে আবদুল্লাহ (রাঃ)? আমি বললাম, হাঁ। তখন তিনি বাইরে বের হয়ে এসে আমাকে আলিঙ্গন করেন। আমি বললাম, এমন একটি হাদীস আমার নিকট পৌঁছেছে যা আমি ইতিপূর্বে শুনিনি। আমার আশংকা হলো হয়তো আমি মারা যাবো অথবা আপনি মারা যাবেন। তিনি বলেন, আমি নবী (সাঃ)-কে বলতে শুনেছিঃ আল্লাহ তাআলা বান্দাগণকে বা মানবজাতিকে হাশরের মাঠে উঠাবেন বস্ত্রহীন ও সহায়-সম্বলহীন অবস্থায়। আমরা বললাম, সহায়-সম্বলহীন কি? তিনি বলেনঃ তাদের কোন সহায়-সম্বল থাকবে না। তিনি তাদেরকে সশব্দে ডাকবেন, দূরবর্তীগণও তা শুনতে পাবে, যেমন শুনতে পাবে নিকটবর্তীরা, “আমিই রাজাধিরাজ”। কোন বেহেশতবাসী বেহেশতে প্রবেশ করতে পারবে না যতক্ষণ তার উপর কোন দোযখবাসীর কোন দাবি অবশিষ্ট থাকবে। আর কোন দোযখবাসীও দোযখে প্রবেশ করবে না যতক্ষণ তার উপর কোন বেহেশতবাসীর কোন দাবি অবশিষ্ট থাকবে। আমি বললাম, সে দাবি কিভাবে মিটমাট করবে, যেখানে আমরা সকলে উথিত হবো আল্লাহর সমীপে সহায়-সম্বলহীনভাবে? তিনি বলেনঃ নেকী এবং গোনাহ দ্বারা। -(বুখারী, আহমাদ, আবু ইয়ালা, তাবারানী, হাকিম)

حدثنا موسى قال: حدثنا همام، عن القاسم بن عبد الواحد، عن ابن عقيل، أن جابر بن عبد الله حدثه، أنه بلغه حديث عن رجل من أصحاب النبي صلى الله عليه وسلم، فابتعت بعيرا فشددت إليه رحلي شهرا، حتى قدمت الشام، فإذا عبد الله بن أنيس، فبعثت إليه أن جابرا بالباب، فرجع الرسول فقال: جابر بن عبد الله؟ فقلت: نعم، فخرج فاعتنقني، قلت: حديث بلغني لم أسمعه، خشيت أن أموت أو تموت، قال: سمعت النبي صلى الله عليه وسلم يقول: «يحشر الله العباد - أو الناس - عراة غرلا بهما» ، قلت: ما بهما؟ قال: " ليس معهم شيء، فيناديهم بصوت يسمعه من بعد - أحسبه قال: كما يسمعه من قرب -: أنا الملك، لا ينبغي لأحد من أهل الجنة يدخل الجنة وأحد من أهل النار يطلبه بمظلمة، ولا ينبغي لأحد من أهل النار يدخل النار وأحد من أهل الجنة يطلبه بمظلمة "، قلت: وكيف؟ وإنما نأتي الله عراة بهما؟ قال: «بالحسنات والسيئات»


আদাবুল মুফরাদ > অনুচ্ছেদঃ নিজ কন্যাকে চুমা দেয়া।

আদাবুল মুফরাদ ৯৮০

حدثنا محمد بن المثنى قال: حدثنا عثمان بن عمر قال: حدثنا إسرائيل، عن ميسرة بن حبيب، عن المنهال بن عمرو، عن عائشة بنت طلحة، عن عائشة أم المؤمنين قالت: ما رأيت أحدا كان أشبه حديثا وكلاما برسول الله صلى الله عليه وسلم من فاطمة، وكانت إذا دخلت عليه قام إليها، فرحب بها وقبلها، وأجلسها في مجلسه، وكان إذا دخل عليها قامت إليه فأخذت بيده، فرحبت به وقبلته، وأجلسته في مجلسها، فدخلت عليه في مرضه الذي توفي، فرحب بها وقبلها

কথাবার্তায় ফাতেমার চাইতে রাসূলুল্লাহ (সাঃ)-এর সাথে অধিক সাদৃশ্যপূর্ণ আমি আর কাউকে দেখিনি। ফাতেমা (রাঃ) তার নিকট এলে তিনি উঠে তার নিকট যেতেন, তাকে স্বাগত জানাতেন, তাকে চুমা দিতেন এবং তাকে নিজের জায়গায় বসাতেন। আর রাসূলুল্লাহ (সাঃ)-ও তার নিকট গেলে ফাতেমা (রাঃ)-ও তাঁর নিকট উঠে যেতেন, তাঁর হাত ধরে তাকে স্বাগত জানাতেন এবং তাঁকে নিজের জায়গায় বসাতেন। নবী (সাঃ) অন্তিমরোগে আক্রান্ত অবস্থায় ফাতেমা (রাঃ) আসলে তিনি তাকে স্বাগত জানান এবং চুমা দেন। (বুখারী, মুসলিম, দারিমী, তিরমিযী)

কথাবার্তায় ফাতেমার চাইতে রাসূলুল্লাহ (সাঃ)-এর সাথে অধিক সাদৃশ্যপূর্ণ আমি আর কাউকে দেখিনি। ফাতেমা (রাঃ) তার নিকট এলে তিনি উঠে তার নিকট যেতেন, তাকে স্বাগত জানাতেন, তাকে চুমা দিতেন এবং তাকে নিজের জায়গায় বসাতেন। আর রাসূলুল্লাহ (সাঃ)-ও তার নিকট গেলে ফাতেমা (রাঃ)-ও তাঁর নিকট উঠে যেতেন, তাঁর হাত ধরে তাকে স্বাগত জানাতেন এবং তাঁকে নিজের জায়গায় বসাতেন। নবী (সাঃ) অন্তিমরোগে আক্রান্ত অবস্থায় ফাতেমা (রাঃ) আসলে তিনি তাকে স্বাগত জানান এবং চুমা দেন। (বুখারী, মুসলিম, দারিমী, তিরমিযী)

حدثنا محمد بن المثنى قال: حدثنا عثمان بن عمر قال: حدثنا إسرائيل، عن ميسرة بن حبيب، عن المنهال بن عمرو، عن عائشة بنت طلحة، عن عائشة أم المؤمنين قالت: ما رأيت أحدا كان أشبه حديثا وكلاما برسول الله صلى الله عليه وسلم من فاطمة، وكانت إذا دخلت عليه قام إليها، فرحب بها وقبلها، وأجلسها في مجلسه، وكان إذا دخل عليها قامت إليه فأخذت بيده، فرحبت به وقبلته، وأجلسته في مجلسها، فدخلت عليه في مرضه الذي توفي، فرحب بها وقبلها


আদাবুল মুফরাদ > অনুচ্ছেদঃ হাতে চুমা দেয়া।

আদাবুল মুফরাদ ৯৮৩

حدثنا عبد الله بن محمد قال: حدثنا ابن عيينة، عن ابن جدعان، قال ثابت لأنس: أمسست النبي صلى الله عليه وسلم بيدك؟ قال: نعم، فقبلها --- [قال الشيخ الألباني] : ضعيف الإسناد موقوف

সাবিত (র) আনাস (রাঃ)-কে বলেন, আপনি কি নবী (সাঃ)-কে নিজ হাতে স্পর্শ করেছেন? তিনি বলেন, হাঁ। তখন তিনি তার হাতে চুমা দিলেন।

সাবিত (র) আনাস (রাঃ)-কে বলেন, আপনি কি নবী (সাঃ)-কে নিজ হাতে স্পর্শ করেছেন? তিনি বলেন, হাঁ। তখন তিনি তার হাতে চুমা দিলেন।

حدثنا عبد الله بن محمد قال: حدثنا ابن عيينة، عن ابن جدعان، قال ثابت لأنس: أمسست النبي صلى الله عليه وسلم بيدك؟ قال: نعم، فقبلها --- [قال الشيخ الألباني] : ضعيف الإسناد موقوف


আদাবুল মুফরাদ ৯৮২

حدثنا ابن أبي مريم قال: حدثنا عطاف بن خالد قال: حدثني عبد الرحمن بن رزين قال: مررنا بالربذة فقيل لنا: ها هنا سلمة بن الأكوع، فأتيناه فسلمنا عليه، فأخرج يديه فقال: بايعت بهاتين نبي الله صلى الله عليه وسلم، فأخرج كفا له ضخمة كأنها كف بعير، فقمنا إليها فقبلناها

আমরা একদা রাবাযা নামক স্থান দিয়ে যাচ্ছিলাম। আমাদের বলা হলো, সালামা ইবনুল আকওয়া (রাঃ) এখানে আছেন। আমরা তার নিকট এসে তাকে সালাম দিলাম। তিনি তার দুই হাত বের করে বলেন, এই দুই হাতে আমি আল্লাহর নবীর হাতে বায়আত হয়েছি। তিনি তার হৃষ্টপুষ্ট এক হাতের তালু বের করলেন, যা ছিল উটের পাঞ্জার মত। আমরা উঠে তার নিকট গিয়ে তাতে চুমা দিলাম।

আমরা একদা রাবাযা নামক স্থান দিয়ে যাচ্ছিলাম। আমাদের বলা হলো, সালামা ইবনুল আকওয়া (রাঃ) এখানে আছেন। আমরা তার নিকট এসে তাকে সালাম দিলাম। তিনি তার দুই হাত বের করে বলেন, এই দুই হাতে আমি আল্লাহর নবীর হাতে বায়আত হয়েছি। তিনি তার হৃষ্টপুষ্ট এক হাতের তালু বের করলেন, যা ছিল উটের পাঞ্জার মত। আমরা উঠে তার নিকট গিয়ে তাতে চুমা দিলাম।

حدثنا ابن أبي مريم قال: حدثنا عطاف بن خالد قال: حدثني عبد الرحمن بن رزين قال: مررنا بالربذة فقيل لنا: ها هنا سلمة بن الأكوع، فأتيناه فسلمنا عليه، فأخرج يديه فقال: بايعت بهاتين نبي الله صلى الله عليه وسلم، فأخرج كفا له ضخمة كأنها كف بعير، فقمنا إليها فقبلناها


আদাবুল মুফরাদ ৯৮১

حدثنا موسى قال: حدثنا أبو عوانة، عن يزيد بن أبي زياد، عن عبد الرحمن بن أبي ليلى، عن ابن عمر قال: كنا في غزوة، فحاص الناس حيصة، قلنا: كيف نلقى النبي صلى الله عليه وسلم وقد فررنا؟ فنزلت: {إلا متحرفا لقتال} [الأنفال: 16] ، فقلنا: لا نقدم المدينة، فلا يرانا أحد، فقلنا: لو قدمنا، فخرج النبي صلى الله عليه وسلم من صلاة الفجر، قلنا: نحن الفرارون، قال: «أنتم العكارون» ، فقبلنا يده، قال: «أنا فئتكم»

আমরা একটি যুদ্ধে যোগদান করলাম। (যুদ্ধের ভয়াবহতায়) লোকজন পলায়ন করলো। আমরা বলাবলি করলাম, আমরা কেমন করে নবী (সাঃ)-এর সাথে সাক্ষাত করবো, অথচ আমরা যুদ্ধক্ষেত্র থেকে পলায়ন করেছি। তখন নাযিল হলো, “অবশ্য যুদ্ধকৌশল অবলম্বনের জন্য পশ্চাৎপদ হলে স্বতন্ত্র কথা” (সূরা আনফাল : ১৬)। আমরা বলাবলি করলাম, আমরা মদীনায় ফিরে যাবো না। তাহলে লোকজন আমাদেরকে দেখবে না। আমরা আরও বললাম, যদি আমরা মদীনায় ফিরে যাই! নবী (সাঃ) ফজরের নামায পড়ে কেবল বের হয়েছেন। আমরা বললাম, ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমরা তো পলাতকের দল। তিনি বলেনঃ তোমরা তো পাল্টা আক্রমণকারী দল। তাঁর একথায় আমরা তাঁর হাতে চুমা দিলাম। তিনি বলেনঃ আমি তোমাদের দলভুক্ত। -(আবু দাউদ, তিরমিযী, ইবনে মাজাহ, আহমাদ)

আমরা একটি যুদ্ধে যোগদান করলাম। (যুদ্ধের ভয়াবহতায়) লোকজন পলায়ন করলো। আমরা বলাবলি করলাম, আমরা কেমন করে নবী (সাঃ)-এর সাথে সাক্ষাত করবো, অথচ আমরা যুদ্ধক্ষেত্র থেকে পলায়ন করেছি। তখন নাযিল হলো, “অবশ্য যুদ্ধকৌশল অবলম্বনের জন্য পশ্চাৎপদ হলে স্বতন্ত্র কথা” (সূরা আনফাল : ১৬)। আমরা বলাবলি করলাম, আমরা মদীনায় ফিরে যাবো না। তাহলে লোকজন আমাদেরকে দেখবে না। আমরা আরও বললাম, যদি আমরা মদীনায় ফিরে যাই! নবী (সাঃ) ফজরের নামায পড়ে কেবল বের হয়েছেন। আমরা বললাম, ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমরা তো পলাতকের দল। তিনি বলেনঃ তোমরা তো পাল্টা আক্রমণকারী দল। তাঁর একথায় আমরা তাঁর হাতে চুমা দিলাম। তিনি বলেনঃ আমি তোমাদের দলভুক্ত। -(আবু দাউদ, তিরমিযী, ইবনে মাজাহ, আহমাদ)

حدثنا موسى قال: حدثنا أبو عوانة، عن يزيد بن أبي زياد، عن عبد الرحمن بن أبي ليلى، عن ابن عمر قال: كنا في غزوة، فحاص الناس حيصة، قلنا: كيف نلقى النبي صلى الله عليه وسلم وقد فررنا؟ فنزلت: {إلا متحرفا لقتال} [الأنفال: 16] ، فقلنا: لا نقدم المدينة، فلا يرانا أحد، فقلنا: لو قدمنا، فخرج النبي صلى الله عليه وسلم من صلاة الفجر، قلنا: نحن الفرارون، قال: «أنتم العكارون» ، فقبلنا يده، قال: «أنا فئتكم»


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00