আদাবুল মুফরাদ > অনুচ্ছেদঃ যে উপবিষ্ট ব্যক্তি তার সম্মানে অপরের দণ্ডায়মান হওয়াকে অপছন্দ করে।
আদাবুল মুফরাদ ৯৬৯
حدثنا موسى قال: حدثنا أبو عوانة، عن الأعمش، عن أبي سفيان، عن جابر قال: صرع رسول الله صلى الله عليه وسلم من فرس بالمدينة على جذع نخلة، فانفكت قدمه، فكنا نعوده في مشربة لعائشة رضي الله عنها، فأتيناه وهو يصلي قاعدا، فصلينا قياما، ثم أتيناه مرة أخرى وهو يصلي المكتوبة قاعدا، فصلينا خلفه قياما، فأومأ إلينا أن اقعدوا، فلما قضى الصلاة قال: «إذا صلى الإمام قاعدا فصلوا قعودا، وإذا صلى قائما فصلوا قياما، ولا تقوموا والإمام قاعد كما تفعل فارس بعظمائهم»
নবী (সাঃ) মদীনায় ঘোড়ার পিঠ থেকে একটি খেজুর গাছের গোড়ার উপর পড়ে যান এবং তাঁর পায়ে আঘাত পান। আমরা আয়েশা (রাঃ)-এর ঘরে তাঁকে দেখতে যেতাম। একবার আমরা তাঁর নিকট এসে দেখি যে, তিনি বসে নামায পড়ছেন। আমরা তাঁর সাথে দাড়িয়ে নামায পড়লাম। আরেকবার আমরা তাঁর নিকট এসে দেখি যে, তিনি বসা অবস্থায় ফরজ নামায পড়ছেন। আমরা তাঁর পেছনে দাঁড়ানো অবস্থায় নামায পড়লাম। তিনি ইশারায় আমাদেরকে বসতে বলেন। নামায শেষ করে তিনি বলেনঃ ইমাম বসা অবস্থায় নামায পড়লে তোমরাও বসে নামায পড়বে। আর ইমাম দাঁড়ানো অবস্থায় নামায পড়লে তোমরাও দাঁড়িয়ে নামায পড়বে। ইমাম বসা অবস্থায় থাকলে তোমরা (তার সম্মানে) দাঁড়িও নাসাঈ, যেমন পারস্যবাসীরা তাদের নেতাদের বেলায় দাঁড়ায়। (আহমাদ হা/১৪২৫৪)।
নবী (সাঃ) মদীনায় ঘোড়ার পিঠ থেকে একটি খেজুর গাছের গোড়ার উপর পড়ে যান এবং তাঁর পায়ে আঘাত পান। আমরা আয়েশা (রাঃ)-এর ঘরে তাঁকে দেখতে যেতাম। একবার আমরা তাঁর নিকট এসে দেখি যে, তিনি বসে নামায পড়ছেন। আমরা তাঁর সাথে দাড়িয়ে নামায পড়লাম। আরেকবার আমরা তাঁর নিকট এসে দেখি যে, তিনি বসা অবস্থায় ফরজ নামায পড়ছেন। আমরা তাঁর পেছনে দাঁড়ানো অবস্থায় নামায পড়লাম। তিনি ইশারায় আমাদেরকে বসতে বলেন। নামায শেষ করে তিনি বলেনঃ ইমাম বসা অবস্থায় নামায পড়লে তোমরাও বসে নামায পড়বে। আর ইমাম দাঁড়ানো অবস্থায় নামায পড়লে তোমরাও দাঁড়িয়ে নামায পড়বে। ইমাম বসা অবস্থায় থাকলে তোমরা (তার সম্মানে) দাঁড়িও নাসাঈ, যেমন পারস্যবাসীরা তাদের নেতাদের বেলায় দাঁড়ায়। (আহমাদ হা/১৪২৫৪)।
حدثنا موسى قال: حدثنا أبو عوانة، عن الأعمش، عن أبي سفيان، عن جابر قال: صرع رسول الله صلى الله عليه وسلم من فرس بالمدينة على جذع نخلة، فانفكت قدمه، فكنا نعوده في مشربة لعائشة رضي الله عنها، فأتيناه وهو يصلي قاعدا، فصلينا قياما، ثم أتيناه مرة أخرى وهو يصلي المكتوبة قاعدا، فصلينا خلفه قياما، فأومأ إلينا أن اقعدوا، فلما قضى الصلاة قال: «إذا صلى الإمام قاعدا فصلوا قعودا، وإذا صلى قائما فصلوا قياما، ولا تقوموا والإمام قاعد كما تفعل فارس بعظمائهم»
আদাবুল মুফরাদ ৯৭০
قال: وولد لفلان من الأنصار غلام، فسماه محمدا، فقالت الأنصار: لا نكنيك برسول الله. حتى قعدنا في الطريق نسأله عن الساعة، فقال: «جئتموني تسألوني عن الساعة؟» قلنا: نعم، قال: «ما من نفس منفوسة، يأتي عليها مائة سنة» قلنا: ولد لفلان من الأنصار غلام فسماه محمدا، فقالت الأنصار: لا نكنيك برسول الله، قال: «أحسنت الأنصار، سموا باسمي، ولا تكتنوا بكنيتي»
আনসারদের মধ্যকার এক যুবকের একটি পুত্রসন্তান জন্মগ্রহণ করলে সে তার নাম রাখে মুহাম্মাদ। আনসারগণ বলেন, আমরা আল্লাহর রাসূলের নামে তোমাকে ডাকবো না। শেষে আমরা তার নিকট কিয়ামত সম্পর্কে জিজ্ঞেস করার জন্য রাস্তার উপর বসলাম। তিনি বলেনঃ তোমরা কি আমার কাছে কিয়ামাত সম্পর্কে জিজ্ঞেস করতে আমার নিকট এসেছো? আমরা বললাম, হাঁ। তিনি বলেনঃ শত বছর বাঁচবে এমন লোক খুব কমই আছে। আমরা বললাম, আনসারদের মধ্যকার এক যুবকের একটি পুত্র সন্তান জন্মগ্রহণ করেছে। সে তার নাম রেখেছে মুহাম্মাদ। আনসারগণ তাকে বলেছেন, আমরা আল্লাহর রাসূলের নামে তোমাকে ডাকবো না। তিনি বলেনঃ আনসারগণ উত্তম কাজ করেছে। তোমরা আমার নামে নাম রাখো, কিন্তু আমার ডাকনামে কাউকে অভিহিত করো না। -(বুখারী, মুসলিম, আবু দাউদ, আবু আওয়ানাসাঈ, ইবনে হিব্বান)
আনসারদের মধ্যকার এক যুবকের একটি পুত্রসন্তান জন্মগ্রহণ করলে সে তার নাম রাখে মুহাম্মাদ। আনসারগণ বলেন, আমরা আল্লাহর রাসূলের নামে তোমাকে ডাকবো না। শেষে আমরা তার নিকট কিয়ামত সম্পর্কে জিজ্ঞেস করার জন্য রাস্তার উপর বসলাম। তিনি বলেনঃ তোমরা কি আমার কাছে কিয়ামাত সম্পর্কে জিজ্ঞেস করতে আমার নিকট এসেছো? আমরা বললাম, হাঁ। তিনি বলেনঃ শত বছর বাঁচবে এমন লোক খুব কমই আছে। আমরা বললাম, আনসারদের মধ্যকার এক যুবকের একটি পুত্র সন্তান জন্মগ্রহণ করেছে। সে তার নাম রেখেছে মুহাম্মাদ। আনসারগণ তাকে বলেছেন, আমরা আল্লাহর রাসূলের নামে তোমাকে ডাকবো না। তিনি বলেনঃ আনসারগণ উত্তম কাজ করেছে। তোমরা আমার নামে নাম রাখো, কিন্তু আমার ডাকনামে কাউকে অভিহিত করো না। -(বুখারী, মুসলিম, আবু দাউদ, আবু আওয়ানাসাঈ, ইবনে হিব্বান)
قال: وولد لفلان من الأنصار غلام، فسماه محمدا، فقالت الأنصار: لا نكنيك برسول الله. حتى قعدنا في الطريق نسأله عن الساعة، فقال: «جئتموني تسألوني عن الساعة؟» قلنا: نعم، قال: «ما من نفس منفوسة، يأتي عليها مائة سنة» قلنا: ولد لفلان من الأنصار غلام فسماه محمدا، فقالت الأنصار: لا نكنيك برسول الله، قال: «أحسنت الأنصار، سموا باسمي، ولا تكتنوا بكنيتي»
আদাবুল মুফরাদ > অনুচ্ছেদঃ (দুনিয়া কতই না তুচ্ছ)।
আদাবুল মুফরাদ ৯৭২
حدثنا عثمان المؤذن قال: حدثنا عوف، عن الحسن، عن عتي بن ضمرة قال: رأيت عند أبي رجلا تعزى بعزاء الجاهلية، فأعضه أبي ولم يكنه، فنظر إليه أصحابه، قال: كأنكم أنكرتموه؟ فقال: إني لا أهاب في هذا أحدا أبدا، إني سمعت النبي صلى الله عليه وسلم يقول: «من تعزى بعزاء الجاهلية فأعضوه ولا تكنوه» [ص: 335]
আমি দেখলাম যে, আমার পিতার নিকট এক ব্যক্তি জাহিলী যুগের মত বিলাপ করছে। আমার পিতা পরোক্ষভাবে না বলে সরাসরি তাকে কঠোর ভাষায় ভর্ৎসনা করলেন। এজন্য তার সাথীরা তার দিকে তাকালে তিনি বলেন, তাকে এভাবে বলা হয়তো তোমরা অপছন্দ করছো। কিন্তু এ ব্যাপারে আমি কখনও কাউকে সমীহ করবো না। নিশ্চয় আমি নবী (সাঃ)-কে বলতে শুনেছিঃ “যে ব্যক্তি জাহিলী যুগের মতো বিলাপ করবে, তোমরা তাকে পরোক্ষে না বলে তার প্রতি কঠোর ব্যবহার করবে”।
আমি দেখলাম যে, আমার পিতার নিকট এক ব্যক্তি জাহিলী যুগের মত বিলাপ করছে। আমার পিতা পরোক্ষভাবে না বলে সরাসরি তাকে কঠোর ভাষায় ভর্ৎসনা করলেন। এজন্য তার সাথীরা তার দিকে তাকালে তিনি বলেন, তাকে এভাবে বলা হয়তো তোমরা অপছন্দ করছো। কিন্তু এ ব্যাপারে আমি কখনও কাউকে সমীহ করবো না। নিশ্চয় আমি নবী (সাঃ)-কে বলতে শুনেছিঃ “যে ব্যক্তি জাহিলী যুগের মতো বিলাপ করবে, তোমরা তাকে পরোক্ষে না বলে তার প্রতি কঠোর ব্যবহার করবে”।
حدثنا عثمان المؤذن قال: حدثنا عوف، عن الحسن، عن عتي بن ضمرة قال: رأيت عند أبي رجلا تعزى بعزاء الجاهلية، فأعضه أبي ولم يكنه، فنظر إليه أصحابه، قال: كأنكم أنكرتموه؟ فقال: إني لا أهاب في هذا أحدا أبدا، إني سمعت النبي صلى الله عليه وسلم يقول: «من تعزى بعزاء الجاهلية فأعضوه ولا تكنوه» [ص: 335]
আদাবুল মুফরাদ ৯৭১
حدثنا عبد العزيز بن عبد الله قال: حدثني الدراوردي، عن جعفر، عن أبيه، عن جابر بن عبد الله، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم مر في السوق داخلا من بعض العالية والناس كنفيه، فمر بجدي أسك، فتناوله فأخذ بأذنه ثم قال: «أيكم يحب أن هذا له بدرهم؟» فقالوا: ما نحب أنه لنا بشيء، وما نصنع به؟ قال: «أتحبون أنه لكم؟» قالوا: لا، قال ذلك لهم ثلاثا، فقالوا: لا والله، لو كان حيا لكان عيبا فيه أنه أسك - والأسك: الذي ليس له أذنان - فكيف وهو ميت؟ قال: «فوالله، للدنيا أهون على الله من هذا عليكم»
রাসূলুল্লাহ (সাঃ) তাঁর উভয় পাশে লোক পরিবেষ্টিত অবস্থায় কোন এক উচ্চভূমি দিয়ে একটি বাজার অতিক্রম করছিলেন। পথিমধ্যে তাঁর সামনে ক্ষুদ্র কানবিশিষ্ট একটি মৃত ছাগলছানা পড়লো। তিনি সেটির কান ধরে বলেনঃ তোমাদের কেউ এক দিরহামের বিনিময়ে এটি পেতে আগ্রহী হবে কি? তারা বলেন, কোন কিছুর বিনিময়ে এটি পেতে আমরা আগ্রহী নই। আমরা এটি দিয়ে কি করবো? তিনি বলেনঃ তোমরা কি (বিনামূল্যে) এটি নিতে আগ্রহী হবে? তারা বলেন, না। তিনি তাদেরকে তিনবার একথা জিজ্ঞেস করেন। তারা বলেন, আল্লাহর শপথ! না। জীবিত হলেও তো তা ত্রুটিপূর্ণ হতো। কারণ তা কানবিহীন। (রাবী বলেন) “দুই কানবিহীন পশুকে ‘আসাক্ব’ বলে” (ইমাম নববী অর্থ করেছেন “ক্ষুদ্র কানবিশিষ্ট”)। অতএব মৃত হওয়াতে তা তো আরো মূল্যহীন। তিনি বলেনঃ আল্লাহর শপথ। এটি তোমাদের নিকট যতোখানি তুচ্ছ, দুনিয়াটা আল্লাহর কাছে তার চেয়েও অধিক তুচ্ছ। -(মুসলিম, আবু দাউদ, আহমাদ)
রাসূলুল্লাহ (সাঃ) তাঁর উভয় পাশে লোক পরিবেষ্টিত অবস্থায় কোন এক উচ্চভূমি দিয়ে একটি বাজার অতিক্রম করছিলেন। পথিমধ্যে তাঁর সামনে ক্ষুদ্র কানবিশিষ্ট একটি মৃত ছাগলছানা পড়লো। তিনি সেটির কান ধরে বলেনঃ তোমাদের কেউ এক দিরহামের বিনিময়ে এটি পেতে আগ্রহী হবে কি? তারা বলেন, কোন কিছুর বিনিময়ে এটি পেতে আমরা আগ্রহী নই। আমরা এটি দিয়ে কি করবো? তিনি বলেনঃ তোমরা কি (বিনামূল্যে) এটি নিতে আগ্রহী হবে? তারা বলেন, না। তিনি তাদেরকে তিনবার একথা জিজ্ঞেস করেন। তারা বলেন, আল্লাহর শপথ! না। জীবিত হলেও তো তা ত্রুটিপূর্ণ হতো। কারণ তা কানবিহীন। (রাবী বলেন) “দুই কানবিহীন পশুকে ‘আসাক্ব’ বলে” (ইমাম নববী অর্থ করেছেন “ক্ষুদ্র কানবিশিষ্ট”)। অতএব মৃত হওয়াতে তা তো আরো মূল্যহীন। তিনি বলেনঃ আল্লাহর শপথ। এটি তোমাদের নিকট যতোখানি তুচ্ছ, দুনিয়াটা আল্লাহর কাছে তার চেয়েও অধিক তুচ্ছ। -(মুসলিম, আবু দাউদ, আহমাদ)
حدثنا عبد العزيز بن عبد الله قال: حدثني الدراوردي، عن جعفر، عن أبيه، عن جابر بن عبد الله، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم مر في السوق داخلا من بعض العالية والناس كنفيه، فمر بجدي أسك، فتناوله فأخذ بأذنه ثم قال: «أيكم يحب أن هذا له بدرهم؟» فقالوا: ما نحب أنه لنا بشيء، وما نصنع به؟ قال: «أتحبون أنه لكم؟» قالوا: لا، قال ذلك لهم ثلاثا، فقالوا: لا والله، لو كان حيا لكان عيبا فيه أنه أسك - والأسك: الذي ليس له أذنان - فكيف وهو ميت؟ قال: «فوالله، للدنيا أهون على الله من هذا عليكم»
আদাবুল মুফরাদ > অনুচ্ছেদঃ কারো পায়ে ঝিঝি ধরলে যা বলবে।
আদাবুল মুফরাদ ৯৭৩
حدثنا أبو نعيم قال: حدثنا سفيان، عن أبي إسحاق، عن عبد الرحمن بن سعد قال: خدرت رجل ابن عمر، فقال له رجل: اذكر أحب الناس إليك، فقال: يا محمد
ইবনে উমার (রাঃ)-এর পা ঝিঝি ধরে অবশ হলে এক ব্যক্তি তাকে বললো, আপনার প্রিয়মত ব্যক্তিকে স্মরণ করুন। তিনি বলেন, মুহাম্মাদ (সাঃ)। (ইবনুস সুন্নী)
ইবনে উমার (রাঃ)-এর পা ঝিঝি ধরে অবশ হলে এক ব্যক্তি তাকে বললো, আপনার প্রিয়মত ব্যক্তিকে স্মরণ করুন। তিনি বলেন, মুহাম্মাদ (সাঃ)। (ইবনুস সুন্নী)
حدثنا أبو نعيم قال: حدثنا سفيان، عن أبي إسحاق، عن عبد الرحمن بن سعد قال: خدرت رجل ابن عمر، فقال له رجل: اذكر أحب الناس إليك، فقال: يا محمد
আদাবুল মুফরাদ > অনুচ্ছেদঃ (প্রথম তিন খলীফাকে জান্নাতের সুসংবাদ)।
আদাবুল মুফরাদ ৯৭৪
حدثنا مسدد قال: حدثنا يحيى، عن عثمان بن غياث قال: حدثنا أبو عثمان، عن أبي موسى، أنه كان مع النبي صلى الله عليه وسلم في حائط من حيطان المدينة، وفي يد النبي صلى الله عليه وسلم عود يضرب به من الماء والطين، فجاء رجل يستفتح، فقال النبي صلى الله عليه وسلم: «افتح له، وبشره بالجنة» ، فذهب، فإذا أبو بكر رضي الله عنه، ففتحت له، وبشرته بالجنة. ثم استفتح رجل آخر، فقال: «افتح له، وبشره بالجنة» ، فإذا عمر رضي الله عنه، ففتحت له، وبشرته بالجنة. ثم استفتح رجل آخر - وكان متكئا فجلس - وقال: «افتح له، وبشره بالجنة على بلوى تصيبه، أو تكون» ، فذهبت، فإذا عثمان، ففتحت له، فأخبرته بالذي قال، قال: الله المستعان
তিনি নবী (সাঃ)-এর সাথে মদীনার বাগানসমূহের মধ্যকার এক বাগানে ছিলেন। নবী (সাঃ)-এর হাতে ছিল একটি লাঠি। তিনি তা দ্বারা পানি ও কাদা মাটিতে আঘাত করছিলেন। তখন এক ব্যক্তি এসে (বাগানের প্রবেশদ্বার) খোলার আবেদন করলেন। নবী (সাঃ) বলেনঃ তার জন্য (প্রবেশদ্বার) খুলে দাও এবং তাকে বেহেশতের সুসংবাদ দাও। আমি গিয়ে দেখি আবু বাকর (রাঃ)। আমি তার জন্য দ্বার খুলে দিলাম এবং তাকে বেহেশতের সুসংবাদ দিলাম। অতঃপর আরেক ব্যক্তি প্রবেশদ্বার খোলার আবেদন করলেন। তিনি বলেনঃ দ্বার খুলে দিয়ে তাকেও বেহেশতের সুসংবাদ দাও। তিনি ছিলেন উমার (রাঃ)। আমি দ্বার খুলে দিয়ে তাকে বেহেশতের সুসংবাদ দিলাম। অতঃপর আরেক ব্যক্তি দ্বার খোলার আবেদন করলেন। নবী (সাঃ) তখন হেলান দিয়ে বসা ছিলেন। তিনি সোজা হয়ে বসে বলেনঃ তাকেও ফটক খুলে দাও এবং তাকেও বিপদাপদের শিকার হওয়াসহ বেহেশতের সুসংবাদ দাও। আমি গিয়ে দেখি তিনি উসমান (রাঃ)। আমি তাকে দ্বার খুলে দিলাম এবং নবী (সাঃ) যা বলেছেন তা তাকে অবহিত করলাম। তিনি বলেন, আল্লাহই আমার সাহায্যকারী। (বুখারী, মুসলিম, তিরমিযী)
তিনি নবী (সাঃ)-এর সাথে মদীনার বাগানসমূহের মধ্যকার এক বাগানে ছিলেন। নবী (সাঃ)-এর হাতে ছিল একটি লাঠি। তিনি তা দ্বারা পানি ও কাদা মাটিতে আঘাত করছিলেন। তখন এক ব্যক্তি এসে (বাগানের প্রবেশদ্বার) খোলার আবেদন করলেন। নবী (সাঃ) বলেনঃ তার জন্য (প্রবেশদ্বার) খুলে দাও এবং তাকে বেহেশতের সুসংবাদ দাও। আমি গিয়ে দেখি আবু বাকর (রাঃ)। আমি তার জন্য দ্বার খুলে দিলাম এবং তাকে বেহেশতের সুসংবাদ দিলাম। অতঃপর আরেক ব্যক্তি প্রবেশদ্বার খোলার আবেদন করলেন। তিনি বলেনঃ দ্বার খুলে দিয়ে তাকেও বেহেশতের সুসংবাদ দাও। তিনি ছিলেন উমার (রাঃ)। আমি দ্বার খুলে দিয়ে তাকে বেহেশতের সুসংবাদ দিলাম। অতঃপর আরেক ব্যক্তি দ্বার খোলার আবেদন করলেন। নবী (সাঃ) তখন হেলান দিয়ে বসা ছিলেন। তিনি সোজা হয়ে বসে বলেনঃ তাকেও ফটক খুলে দাও এবং তাকেও বিপদাপদের শিকার হওয়াসহ বেহেশতের সুসংবাদ দাও। আমি গিয়ে দেখি তিনি উসমান (রাঃ)। আমি তাকে দ্বার খুলে দিলাম এবং নবী (সাঃ) যা বলেছেন তা তাকে অবহিত করলাম। তিনি বলেন, আল্লাহই আমার সাহায্যকারী। (বুখারী, মুসলিম, তিরমিযী)
حدثنا مسدد قال: حدثنا يحيى، عن عثمان بن غياث قال: حدثنا أبو عثمان، عن أبي موسى، أنه كان مع النبي صلى الله عليه وسلم في حائط من حيطان المدينة، وفي يد النبي صلى الله عليه وسلم عود يضرب به من الماء والطين، فجاء رجل يستفتح، فقال النبي صلى الله عليه وسلم: «افتح له، وبشره بالجنة» ، فذهب، فإذا أبو بكر رضي الله عنه، ففتحت له، وبشرته بالجنة. ثم استفتح رجل آخر، فقال: «افتح له، وبشره بالجنة» ، فإذا عمر رضي الله عنه، ففتحت له، وبشرته بالجنة. ثم استفتح رجل آخر - وكان متكئا فجلس - وقال: «افتح له، وبشره بالجنة على بلوى تصيبه، أو تكون» ، فذهبت، فإذا عثمان، ففتحت له، فأخبرته بالذي قال، قال: الله المستعان