আদাবুল মুফরাদ > অনুচ্ছেদঃ ভাইয়ের সম্মানার্থে কোন ব্যক্তির দাঁড়ানো।

আদাবুল মুফরাদ ৯৫২

حدثنا عبد الله بن صالح قال: حدثني الليث قال: حدثني عقيل، عن ابن شهاب قال: أخبرني عبد الرحمن بن عبد الله بن كعب بن مالك، أن عبد الله بن كعب - وكان قائد كعب من بنيه حين عمي - قال: سمعت كعب بن مالك يحدث حديثه حين تخلف عن رسول الله صلى الله عليه وسلم عن غزوة تبوك، فتاب الله عليه: وآذن رسول الله صلى الله عليه وسلم بتوبة الله علينا حين صلى صلاة الفجر، فتلقاني الناس فوجا فوجا، يهنوني بالتوبة يقولون: لتهنك توبة الله عليك، حتى دخلت المسجد، فإذا برسول الله صلى الله عليه وسلم حوله الناس، فقام إلي طلحة بن عبيد الله يهرول، حتى صافحني وهناني، والله ما قام إلي رجل من المهاجرين غيره، لا أنساها لطلحة

কাব (রাঃ) অন্ধ হয়ে গেলে তার পুত্রদের মধ্যে তিনি তার পথপ্রদর্শক ছিলেন। তিনি বলেন, কাব ইবনে মালেক (রাঃ) তাবুক যুদ্ধে যোগদান না করে রাসূলুল্লাহ (সাঃ)-এর পেছনে থেকে যাওয়ার ঘটনা প্রসঙ্গে বলেন, অতঃপর আল্লাহ তার তওবা কবুল করলেন এবং রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ফজরের নামায পড়ার পর আল্লাহ কর্তৃক আমাদের তওবা কবুল করার কথা ঘোষণা করলেন। তাতে দলে দলে লোক এসে আমার তওবা কবুল হওয়ার জন্য আমাকে অভিনন্দন জানাতে থাকেন। তারা বলেন, আপনার তওবা আল্লাহর দরবারে কবুল হওয়ায় আমরা আপনাকে অভিনন্দন জানাই। এমতাবস্থায় আমি গিয়ে মসজিদে প্রবেশ করলাম। তখন রাসূলুল্লাহ (সাঃ) লোক পরিবেষ্টিত অবস্থায় সমাসীন। তালহা ইবনে উবায়দুল্লাহ (রাঃ) উঠে দৌড়ে এসে আমার সাথে মোসাফাহা (করমর্দন) করেন এবং আমাকে অভিনন্দন জানান। আল্লাহর শপথ! মুহাজিরদের মধ্যে তিনি ব্যতীত আর কেউ আমার দিকে উঠে আসেননি। আমি তালহার এ ব্যবহার কখনও ভুলতে পারবো না। -(বুখারী, মুসলিম, আবু দাউদ, তিরমিযী, নাসাঈ)

কাব (রাঃ) অন্ধ হয়ে গেলে তার পুত্রদের মধ্যে তিনি তার পথপ্রদর্শক ছিলেন। তিনি বলেন, কাব ইবনে মালেক (রাঃ) তাবুক যুদ্ধে যোগদান না করে রাসূলুল্লাহ (সাঃ)-এর পেছনে থেকে যাওয়ার ঘটনা প্রসঙ্গে বলেন, অতঃপর আল্লাহ তার তওবা কবুল করলেন এবং রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ফজরের নামায পড়ার পর আল্লাহ কর্তৃক আমাদের তওবা কবুল করার কথা ঘোষণা করলেন। তাতে দলে দলে লোক এসে আমার তওবা কবুল হওয়ার জন্য আমাকে অভিনন্দন জানাতে থাকেন। তারা বলেন, আপনার তওবা আল্লাহর দরবারে কবুল হওয়ায় আমরা আপনাকে অভিনন্দন জানাই। এমতাবস্থায় আমি গিয়ে মসজিদে প্রবেশ করলাম। তখন রাসূলুল্লাহ (সাঃ) লোক পরিবেষ্টিত অবস্থায় সমাসীন। তালহা ইবনে উবায়দুল্লাহ (রাঃ) উঠে দৌড়ে এসে আমার সাথে মোসাফাহা (করমর্দন) করেন এবং আমাকে অভিনন্দন জানান। আল্লাহর শপথ! মুহাজিরদের মধ্যে তিনি ব্যতীত আর কেউ আমার দিকে উঠে আসেননি। আমি তালহার এ ব্যবহার কখনও ভুলতে পারবো না। -(বুখারী, মুসলিম, আবু দাউদ, তিরমিযী, নাসাঈ)

حدثنا عبد الله بن صالح قال: حدثني الليث قال: حدثني عقيل، عن ابن شهاب قال: أخبرني عبد الرحمن بن عبد الله بن كعب بن مالك، أن عبد الله بن كعب - وكان قائد كعب من بنيه حين عمي - قال: سمعت كعب بن مالك يحدث حديثه حين تخلف عن رسول الله صلى الله عليه وسلم عن غزوة تبوك، فتاب الله عليه: وآذن رسول الله صلى الله عليه وسلم بتوبة الله علينا حين صلى صلاة الفجر، فتلقاني الناس فوجا فوجا، يهنوني بالتوبة يقولون: لتهنك توبة الله عليك، حتى دخلت المسجد، فإذا برسول الله صلى الله عليه وسلم حوله الناس، فقام إلي طلحة بن عبيد الله يهرول، حتى صافحني وهناني، والله ما قام إلي رجل من المهاجرين غيره، لا أنساها لطلحة


আদাবুল মুফরাদ ৯৫৪

حدثنا موسى بن إسماعيل قال: حدثنا حماد بن سلمة، عن حميد، عن أنس قال: ما كان شخص أحب إليهم رؤية من النبي صلى الله عليه وسلم، وكانوا إذا رأوه لم يقوموا إليه، لما يعلمون من كراهيته لذلك

সাহাবীগণের নিকট নবী (সাঃ)-এর দর্শন যতো প্রিয় ছিল, আর কারো দর্শন তাদের নিকট এতো প্রিয় ছিলো না। অথচ তারা তাঁকে (আসতে) দেখে তাঁর (সম্মানার্থে) কখনো উঠে দাঁড়াতেন না। কেননা তারা জানতেন যে, তা তাঁর অপছন্দীয়। (তিরমিযী, আহমাদ)

সাহাবীগণের নিকট নবী (সাঃ)-এর দর্শন যতো প্রিয় ছিল, আর কারো দর্শন তাদের নিকট এতো প্রিয় ছিলো না। অথচ তারা তাঁকে (আসতে) দেখে তাঁর (সম্মানার্থে) কখনো উঠে দাঁড়াতেন না। কেননা তারা জানতেন যে, তা তাঁর অপছন্দীয়। (তিরমিযী, আহমাদ)

حدثنا موسى بن إسماعيل قال: حدثنا حماد بن سلمة، عن حميد، عن أنس قال: ما كان شخص أحب إليهم رؤية من النبي صلى الله عليه وسلم، وكانوا إذا رأوه لم يقوموا إليه، لما يعلمون من كراهيته لذلك


আদাবুল মুফরাদ ৯৫৩

حدثنا محمد بن عرعرة قال: حدثنا شعبة، عن سعد بن إبراهيم، عن أبي أمامة بن سهل بن حنيف، عن أبي سعيد الخدري، أن ناسا نزلوا على حكم سعد بن معاذ، فأرسل إليه، فجاء على حمار، فلما بلغ قريبا من المسجد قال النبي صلى الله عليه وسلم: «ائتوا خيركم، أو سيدكم» ، فقال: «يا سعد إن هؤلاء نزلوا على حكمك» ، فقال سعد: أحكم فيهم أن تقتل مقاتلتهم، وتسبى ذريتهم، فقال النبي صلى الله عليه وسلم: «حكمت بحكم الله» ، أو قال: «حكمت بحكم الملك»

লোকেরা (ইহুদীরা) সাদ ইবনে মুআয (রাঃ)-এর ফয়সালা মেনে নেয়ার ব্যাপারে তাদের সম্মতি জ্ঞাপন করলে তার জন্য লোক পাঠানো হলো। তিনি একটি গাধায় চড়ে আসলেন। তিনি মসজিদের নিকটে এসে পৌছলে নবী (সাঃ) বলেনঃ তোমাদের মধ্যকার উত্তম ব্যক্তিকে বা তোমাদের নেতাকে সংবর্ধনা জ্ঞাপন করো। তিনি বলেনঃ হে সাদ! তারা তোমার ফয়সালা মেনে নেয়ার সম্মতি প্রকাশ করেছে। সাদ (রাঃ) বলেন, তাদের ব্যাপারে আমার ফয়সালা এই যে, তাদের মধ্যকার যুদ্ধক্ষম ব্যক্তিদের হত্যা করা হবে এবং তাদের শিশুদের বন্দী করা হবে। নবী (সাঃ) বলেনঃ তুমি আল্লাহর বা মহান মালিকের ফয়সালা অনুযায়ী ফয়সালা করেছো। -(বুখারী, মুসলিম, আবু দাউদ, নাসাঈ)

লোকেরা (ইহুদীরা) সাদ ইবনে মুআয (রাঃ)-এর ফয়সালা মেনে নেয়ার ব্যাপারে তাদের সম্মতি জ্ঞাপন করলে তার জন্য লোক পাঠানো হলো। তিনি একটি গাধায় চড়ে আসলেন। তিনি মসজিদের নিকটে এসে পৌছলে নবী (সাঃ) বলেনঃ তোমাদের মধ্যকার উত্তম ব্যক্তিকে বা তোমাদের নেতাকে সংবর্ধনা জ্ঞাপন করো। তিনি বলেনঃ হে সাদ! তারা তোমার ফয়সালা মেনে নেয়ার সম্মতি প্রকাশ করেছে। সাদ (রাঃ) বলেন, তাদের ব্যাপারে আমার ফয়সালা এই যে, তাদের মধ্যকার যুদ্ধক্ষম ব্যক্তিদের হত্যা করা হবে এবং তাদের শিশুদের বন্দী করা হবে। নবী (সাঃ) বলেনঃ তুমি আল্লাহর বা মহান মালিকের ফয়সালা অনুযায়ী ফয়সালা করেছো। -(বুখারী, মুসলিম, আবু দাউদ, নাসাঈ)

حدثنا محمد بن عرعرة قال: حدثنا شعبة، عن سعد بن إبراهيم، عن أبي أمامة بن سهل بن حنيف، عن أبي سعيد الخدري، أن ناسا نزلوا على حكم سعد بن معاذ، فأرسل إليه، فجاء على حمار، فلما بلغ قريبا من المسجد قال النبي صلى الله عليه وسلم: «ائتوا خيركم، أو سيدكم» ، فقال: «يا سعد إن هؤلاء نزلوا على حكمك» ، فقال سعد: أحكم فيهم أن تقتل مقاتلتهم، وتسبى ذريتهم، فقال النبي صلى الله عليه وسلم: «حكمت بحكم الله» ، أو قال: «حكمت بحكم الملك»


আদাবুল মুফরাদ ৯৫৫

حدثنا محمد بن الحكم قال: أخبرنا النضر قال: حدثنا إسرائيل قال: أخبرنا ميسرة بن حبيب قال: أخبرني المنهال بن عمرو قال: حدثتني عائشة بنت طلحة، عن عائشة أم المؤمنين رضي الله عنها قالت: ما رأيت أحدا من الناس كان أشبه بالنبي صلى الله عليه وسلم كلاما ولا حديثا ولا جلسة من فاطمة، قالت: وكان النبي صلى الله عليه وسلم إذا رآها قد أقبلت رحب بها، ثم قام إليها فقبلها، ثم أخذ بيدها فجاء بها حتى يجلسها في مكانه، وكانت إذا أتاها النبي صلى الله عليه وسلم رحبت به، ثم قامت إليه فقبلته، وأنها دخلت على النبي صلى الله عليه وسلم في مرضه الذي قبض فيه، فرحب وقبلها، وأسر إليها، فبكت، ثم أسر إليها، فضحكت، فقلت للنساء: إن كنت لأرى أن لهذه المرأة فضلا على النساء، فإذا هي من النساء، بينما هي تبكي إذا هي تضحك، فسألتها: ما قال لك؟ قالت: إني إذا لبذرة، فلما قبض النبي صلى الله عليه وسلم، فقالت: أسر إلي فقال: «إني ميت» ، فبكيت، ثم أسر إلي فقال: «إنك أول أهلي بي لحوقا» ، فسررت بذلك وأعجبني

কথাবার্তায়, উঠাবসায় ফাতেমার চাইতে নবী (সাঃ)-এর সাথে অধিক সাদৃশ্যপূর্ণ আমি আর কাউকে দেখিনি। তিনি আরও বলেন, নবী (সাঃ) তাকে দেখলেই অভ্যর্থনা জানাতেন, তার জন্য উঠে দাঁড়াতেন এবং তাকে চুমা দিতেন, অতঃপর তার হাত ধরে তাকে এনে নিজের বসার স্থানে বসাতেন। অপরদিকে নবী (সাঃ)-ও তার নিকট গেলে তিনি তাঁকে অভ্যর্থনা জানাতেন এবং উঠে গিয়ে তাঁকে চুমা দিতেন। নবী (সাঃ)-এর অন্তিম রোগের সময় তিনি তাঁর নিকট উপস্থিত হলে তিনি তাকে অভ্যর্থনা জানালেন, তাকে চুমা দিলেন এবং তার সাথে গোপনে কথা বললেন। ফাতেমা (রাঃ) তাতে কেঁদে দিলেন। তিনি পুনরায় তাকে গোপনে কিছু বললে এবার তিনি (ফাতেমা) হাসেন। আমি উপস্থিত মহিলাগণকে বললাম, আমি মনে করি নারী জাতির মধ্যে এই মহিলা মর্যাদায় অনন্য। তবুও ইনি একজন নারীইবনে মাজাহ, কখনো কাঁদেন আবার কখনও হাসেন। আমি তাকে জিজ্ঞেস করলাম, তিনি আপনাকে কী বলেছেন? তিনি বলেন, নিশ্চয় আমি এখন গোপন রহস্যের সংরক্ষক। নবী (সাঃ) ইন্তিকাল করার পর তিন বলেন, প্রথমার তিনি গোপনে বলেনঃ “আমার মৃত্যু আসন্ন”। তাই আমি কেঁদেছি। অতঃপর তিনি গোপনে আমাকে বলেনঃ “আমার পরিজনদের মধ্যে সর্বপ্রথম তুমিই (মৃত্যুবরণ করে) আমার সাথে মিলিত হবে”। এতে আমি খুশি হই এবং তা আমাকে আনন্দিত করে। (বুখারী হা/৩৩৫৪, তিরমিযী হা/৩৮০৯, মুসলিম, আবু দাউদ, হাকিম, ইবনে হিব্বান)

কথাবার্তায়, উঠাবসায় ফাতেমার চাইতে নবী (সাঃ)-এর সাথে অধিক সাদৃশ্যপূর্ণ আমি আর কাউকে দেখিনি। তিনি আরও বলেন, নবী (সাঃ) তাকে দেখলেই অভ্যর্থনা জানাতেন, তার জন্য উঠে দাঁড়াতেন এবং তাকে চুমা দিতেন, অতঃপর তার হাত ধরে তাকে এনে নিজের বসার স্থানে বসাতেন। অপরদিকে নবী (সাঃ)-ও তার নিকট গেলে তিনি তাঁকে অভ্যর্থনা জানাতেন এবং উঠে গিয়ে তাঁকে চুমা দিতেন। নবী (সাঃ)-এর অন্তিম রোগের সময় তিনি তাঁর নিকট উপস্থিত হলে তিনি তাকে অভ্যর্থনা জানালেন, তাকে চুমা দিলেন এবং তার সাথে গোপনে কথা বললেন। ফাতেমা (রাঃ) তাতে কেঁদে দিলেন। তিনি পুনরায় তাকে গোপনে কিছু বললে এবার তিনি (ফাতেমা) হাসেন। আমি উপস্থিত মহিলাগণকে বললাম, আমি মনে করি নারী জাতির মধ্যে এই মহিলা মর্যাদায় অনন্য। তবুও ইনি একজন নারীইবনে মাজাহ, কখনো কাঁদেন আবার কখনও হাসেন। আমি তাকে জিজ্ঞেস করলাম, তিনি আপনাকে কী বলেছেন? তিনি বলেন, নিশ্চয় আমি এখন গোপন রহস্যের সংরক্ষক। নবী (সাঃ) ইন্তিকাল করার পর তিন বলেন, প্রথমার তিনি গোপনে বলেনঃ “আমার মৃত্যু আসন্ন”। তাই আমি কেঁদেছি। অতঃপর তিনি গোপনে আমাকে বলেনঃ “আমার পরিজনদের মধ্যে সর্বপ্রথম তুমিই (মৃত্যুবরণ করে) আমার সাথে মিলিত হবে”। এতে আমি খুশি হই এবং তা আমাকে আনন্দিত করে। (বুখারী হা/৩৩৫৪, তিরমিযী হা/৩৮০৯, মুসলিম, আবু দাউদ, হাকিম, ইবনে হিব্বান)

حدثنا محمد بن الحكم قال: أخبرنا النضر قال: حدثنا إسرائيل قال: أخبرنا ميسرة بن حبيب قال: أخبرني المنهال بن عمرو قال: حدثتني عائشة بنت طلحة، عن عائشة أم المؤمنين رضي الله عنها قالت: ما رأيت أحدا من الناس كان أشبه بالنبي صلى الله عليه وسلم كلاما ولا حديثا ولا جلسة من فاطمة، قالت: وكان النبي صلى الله عليه وسلم إذا رآها قد أقبلت رحب بها، ثم قام إليها فقبلها، ثم أخذ بيدها فجاء بها حتى يجلسها في مكانه، وكانت إذا أتاها النبي صلى الله عليه وسلم رحبت به، ثم قامت إليه فقبلته، وأنها دخلت على النبي صلى الله عليه وسلم في مرضه الذي قبض فيه، فرحب وقبلها، وأسر إليها، فبكت، ثم أسر إليها، فضحكت، فقلت للنساء: إن كنت لأرى أن لهذه المرأة فضلا على النساء، فإذا هي من النساء، بينما هي تبكي إذا هي تضحك، فسألتها: ما قال لك؟ قالت: إني إذا لبذرة، فلما قبض النبي صلى الله عليه وسلم، فقالت: أسر إلي فقال: «إني ميت» ، فبكيت، ثم أسر إلي فقال: «إنك أول أهلي بي لحوقا» ، فسررت بذلك وأعجبني


আদাবুল মুফরাদ > অনুচ্ছেদঃ উপবিষ্ট ব্যক্তির জন্য কারো দাঁড়ানো।

আদাবুল মুফরাদ ৯৫৬

حدثنا عبد الله بن صالح قال: حدثني الليث قال: حدثني أبو الزبير، عن جابر قال: اشتكى النبي صلى الله عليه وسلم، فصلينا وراءه وهو قاعد، وأبو بكر يسمع الناس تكبيره، فالتفت إلينا فرآنا قياما، فأشار إلينا فقعدنا، فصلينا بصلاته قعودا، فلما سلم قال: «إن كدتم لتفعلوا فعل فارس والروم، يقومون على ملوكهم وهم قعود، فلا تفعلوا، ائتموا بأئمتكم، إن صلى قائما فصلوا قياما، وإن صلى قاعدا فصلوا قعودا»

নবী (সাঃ) অসুস্থ হয়ে পড়লেন। আমরা তাঁর পেছনে নামায পড়লাম। তিনি বসা অবস্থায় ইমামতি করেন। আর আবু বাকর (রাঃ) তাঁর মুকাব্বির হন। তিনি আমাদের দিকে লক্ষ্য করে আমাদেরকে দাঁড়ানো অবস্থায় দেখেন। তিনি আমাদেরকে বসবার জন্য ইঙ্গিত করলেন। তাই আমরা বসে পড়লাম এবং বসা অবস্থায় তাঁর সাথে নামায পড়লাম। তিনি সালাম ফিরানোর পর বলেনঃ তোমরা তো প্রায় পারস্যবাসী ও রোমবাসীদের মত আচরণ করলে। তারা তাদের রাজা-বাদশাদের সামনে দাঁড়িয়ে থাকে, অথচ রাজা-বাদশাগণ থাকে বসা অবস্থায়। তোমরা এরূপ করো না। তোমরা তোমাদের ইমামগণের অনুসরণ করো। ইমাম যদি দাঁড়িয়ে নামায পড়েন তবে তোমরাও দাড়ানো অবস্থায় নামায পড়ো। আর যদি তারা বসা অবস্থায় নামায পড়েন তবে তোমরাও বসা অবস্থায় নামায পড়ো। (মুসলিম)

নবী (সাঃ) অসুস্থ হয়ে পড়লেন। আমরা তাঁর পেছনে নামায পড়লাম। তিনি বসা অবস্থায় ইমামতি করেন। আর আবু বাকর (রাঃ) তাঁর মুকাব্বির হন। তিনি আমাদের দিকে লক্ষ্য করে আমাদেরকে দাঁড়ানো অবস্থায় দেখেন। তিনি আমাদেরকে বসবার জন্য ইঙ্গিত করলেন। তাই আমরা বসে পড়লাম এবং বসা অবস্থায় তাঁর সাথে নামায পড়লাম। তিনি সালাম ফিরানোর পর বলেনঃ তোমরা তো প্রায় পারস্যবাসী ও রোমবাসীদের মত আচরণ করলে। তারা তাদের রাজা-বাদশাদের সামনে দাঁড়িয়ে থাকে, অথচ রাজা-বাদশাগণ থাকে বসা অবস্থায়। তোমরা এরূপ করো না। তোমরা তোমাদের ইমামগণের অনুসরণ করো। ইমাম যদি দাঁড়িয়ে নামায পড়েন তবে তোমরাও দাড়ানো অবস্থায় নামায পড়ো। আর যদি তারা বসা অবস্থায় নামায পড়েন তবে তোমরাও বসা অবস্থায় নামায পড়ো। (মুসলিম)

حدثنا عبد الله بن صالح قال: حدثني الليث قال: حدثني أبو الزبير، عن جابر قال: اشتكى النبي صلى الله عليه وسلم، فصلينا وراءه وهو قاعد، وأبو بكر يسمع الناس تكبيره، فالتفت إلينا فرآنا قياما، فأشار إلينا فقعدنا، فصلينا بصلاته قعودا، فلما سلم قال: «إن كدتم لتفعلوا فعل فارس والروم، يقومون على ملوكهم وهم قعود، فلا تفعلوا، ائتموا بأئمتكم، إن صلى قائما فصلوا قياما، وإن صلى قاعدا فصلوا قعودا»


আদাবুল মুফরাদ > অনুচ্ছেদঃ কারো হাই উঠলে যেন নিজ মুখে হাত দেয়।

আদাবুল মুফরাদ ৯৫৭

حدثنا مسدد قال: حدثنا خالد قال: حدثنا سهيل، عن ابن أبي سعيد، عن أبي سعيد، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال: «إذا تثاءب أحدكم فليضع يده بفيه، فإن الشيطان يدخل فيه»

নবী (সাঃ) বলেন তোমাদের কারো হাই উঠলে সে যেন তার হাত দিয়ে তার মুখ চেপে ধরে। কেননা শয়তান মুখে প্রবেশ করে। -(মুসলিম, আবু দাউদ, আহমাদ, আবু আওয়া নাসাঈ)

নবী (সাঃ) বলেন তোমাদের কারো হাই উঠলে সে যেন তার হাত দিয়ে তার মুখ চেপে ধরে। কেননা শয়তান মুখে প্রবেশ করে। -(মুসলিম, আবু দাউদ, আহমাদ, আবু আওয়া নাসাঈ)

حدثنا مسدد قال: حدثنا خالد قال: حدثنا سهيل، عن ابن أبي سعيد، عن أبي سعيد، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال: «إذا تثاءب أحدكم فليضع يده بفيه، فإن الشيطان يدخل فيه»


আদাবুল মুফরাদ ৯৫৮

حدثنا عثمان قال: حدثنا جرير، عن منصور، عن هلال بن يساف، عن عطاء، عن ابن عباس قال: إذا تثاءب فليضع يده على فيه، فإنما هو من الشيطان --- [قال الشيخ الألباني] : صحيح الإسناد موقوفا

কারো হাই আসলে সে যেন তার হাত তার মুখের উপর রাখে। কেননা তা শয়তানের পক্ষ থেকে।

কারো হাই আসলে সে যেন তার হাত তার মুখের উপর রাখে। কেননা তা শয়তানের পক্ষ থেকে।

حدثنا عثمان قال: حدثنا جرير، عن منصور، عن هلال بن يساف، عن عطاء، عن ابن عباس قال: إذا تثاءب فليضع يده على فيه، فإنما هو من الشيطان --- [قال الشيخ الألباني] : صحيح الإسناد موقوفا


আদাবুল মুফরাদ ৯৫৮

حدثنا عثمان قال: حدثنا جرير، عن منصور، عن هلال بن يساف، عن عطاء، عن ابن عباس قال: إذا تثاءب فليضع يده على فيه، فإنما هو من الشيطان --- [قال الشيخ الألباني] : صحيح الإسناد موقوفا

কারো হাই আসলে সে যেন তার হাত তার মুখের উপর রাখে। কেননা তা শয়তানের পক্ষ থেকে।

কারো হাই আসলে সে যেন তার হাত তার মুখের উপর রাখে। কেননা তা শয়তানের পক্ষ থেকে।

حدثنا عثمان قال: حدثنا جرير، عن منصور، عن هلال بن يساف، عن عطاء، عن ابن عباس قال: إذا تثاءب فليضع يده على فيه، فإنما هو من الشيطان --- [قال الشيخ الألباني] : صحيح الإسناد موقوفا


আদাবুল মুফরাদ ৯৫৯

حدثنا مسدد قال: حدثنا بشر بن المفضل قال: حدثنا سهيل قال: سمعت ابنا لأبي سعيد الخدري يحدث أبي، عن أبيه قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «إذا تثاءب أحدكم فليمسك على فيه، فإن الشيطان يدخله»

রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেনঃ তোমাদের কারো হাই আসলে সে যেন তার মুখ চেপে ধরে। অন্যথায় শয়তান তাতে প্রবেশ করে। (মুসলিম, আবু দাউদ)

রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেনঃ তোমাদের কারো হাই আসলে সে যেন তার মুখ চেপে ধরে। অন্যথায় শয়তান তাতে প্রবেশ করে। (মুসলিম, আবু দাউদ)

حدثنا مسدد قال: حدثنا بشر بن المفضل قال: حدثنا سهيل قال: سمعت ابنا لأبي سعيد الخدري يحدث أبي، عن أبيه قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «إذا تثاءب أحدكم فليمسك على فيه، فإن الشيطان يدخله»


আদাবুল মুফরাদ ৯৬০

حدثنا خالد بن مخلد قال: حدثنا سليمان قال: حدثني سهيل قال: حدثني عبد الرحمن بن أبي سعيد، عن أبيه، أن النبي صلى الله عليه وسلم قال: «إذا تثاءب أحدكم فليمسك بيده فمه، فإن الشيطان يدخله»

নবী (সাঃ) বলেনঃ তোমাদের কারো হাই উঠলে সে যেন তার হাত দ্বারা তার মুখ চেপে ধরে। অন্যথায় শয়তান তাতে ঢুকে পড়ে। -(মুসলিম, আবু দাউদ, আহমাদ, আবু আওয়া নাসাঈ)

নবী (সাঃ) বলেনঃ তোমাদের কারো হাই উঠলে সে যেন তার হাত দ্বারা তার মুখ চেপে ধরে। অন্যথায় শয়তান তাতে ঢুকে পড়ে। -(মুসলিম, আবু দাউদ, আহমাদ, আবু আওয়া নাসাঈ)

حدثنا خالد بن مخلد قال: حدثنا سليمان قال: حدثني سهيل قال: حدثني عبد الرحمن بن أبي سعيد، عن أبيه، أن النبي صلى الله عليه وسلم قال: «إذا تثاءب أحدكم فليمسك بيده فمه، فإن الشيطان يدخله»


আদাবুল মুফরাদ > অনুচ্ছেদঃ একজন অপরজনের মাথার উকুন বেছে দিবে কি?

আদাবুল মুফরাদ ৯৬১

حدثنا عبد الله بن يوسف قال: أخبرنا مالك، عن إسحاق بن أبي طلحة، أنه سمع أنس بن مالك يقول: كان النبي صلى الله عليه وسلم يدخل على أم حرام ابنة ملحان، فتطعمه، وكانت تحت عبادة بن الصامت، فأطعمته وجعلت تفلي رأسه، فنام ثم استيقظ يضحك

নবী (সাঃ) মিলহন-কন্যা উম্মু হারাম (রাঃ)-এর বাড়িতে যাতায়াত করতেন এবং তিনি তাঁকে আহার করাতেন। তিনি ছিলেন উবাদা ইবনুস সামিত (রাঃ)-এর স্ত্রী। একদা উম্মু হারাম (রাঃ) তাঁকে আহার করানোর পর তাঁর মাথার উকন বাছতে লাগলেন। নবী (সাঃ) ঘুমিয়ে পড়লেন এবং ক্ষণিক পর হাসতে হাসতে জাগ্রত হলেন। -(বুখারী, মুসলিম, আবু দাউদ, তিরমিযী, নাসাঈ, ইবনে মাজাহ, আহমাদ, মুয়াত্তা মালিক)

নবী (সাঃ) মিলহন-কন্যা উম্মু হারাম (রাঃ)-এর বাড়িতে যাতায়াত করতেন এবং তিনি তাঁকে আহার করাতেন। তিনি ছিলেন উবাদা ইবনুস সামিত (রাঃ)-এর স্ত্রী। একদা উম্মু হারাম (রাঃ) তাঁকে আহার করানোর পর তাঁর মাথার উকন বাছতে লাগলেন। নবী (সাঃ) ঘুমিয়ে পড়লেন এবং ক্ষণিক পর হাসতে হাসতে জাগ্রত হলেন। -(বুখারী, মুসলিম, আবু দাউদ, তিরমিযী, নাসাঈ, ইবনে মাজাহ, আহমাদ, মুয়াত্তা মালিক)

حدثنا عبد الله بن يوسف قال: أخبرنا مالك، عن إسحاق بن أبي طلحة، أنه سمع أنس بن مالك يقول: كان النبي صلى الله عليه وسلم يدخل على أم حرام ابنة ملحان، فتطعمه، وكانت تحت عبادة بن الصامت، فأطعمته وجعلت تفلي رأسه، فنام ثم استيقظ يضحك


আদাবুল মুফরাদ ৯৬২

حدثنا علي بن عبد الله قال: حدثنا المغيرة بن سلمة أبو هشام المخزومي - وكان ثقة - قال: حدثنا الصعق بن حزن قال: حدثني القاسم بن مطيب، عن الحسن البصري، عن قيس بن عاصم السعدي قال: أتيت رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال: «هذا سيد أهل الوبر» ، فقلت: يا رسول الله، ما المال الذي ليس علي فيه تبعة من طالب، ولا من ضيف؟ فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «نعم المال أربعون، والأكثر ستون، وويل لأصحاب المئين إلا من أعطى الكريمة، ومنح [ص: 329] الغزيرة، ونحر السمينة، فأكل وأطعم القانع والمعتر» ، قلت: يا رسول الله، ما أكرم هذه الأخلاق، لا يحل بواد أنا فيه من كثرة نعمي؟ فقال: «كيف تصنع بالعطية؟» قلت: أعطي البكر، وأعطي الناب، قال: «كيف تصنع في المنيحة؟» قال: إني لأمنح الناقة، قال: «كيف تصنع في الطروقة؟» قال: يغدو الناس بحبالهم، ولا يوزع رجل من جمل يختطمه، فيمسكه ما بدا له، حتى يكون هو يرده، فقال النبي صلى الله عليه وسلم: «فمالك أحب إليك أم مال مواليك؟» قال: مالي، قال: «فإنما لك من مالك ما أكلت فأفنيت، أو أعطيت فأمضيت، وسائره لمواليك» ، فقلت: لا جرم، لئن رجعت لأقلن عددها فلما حضره الموت جمع بنيه فقال: يا بني، خذوا عني، فإنكم لن تأخذوا عن أحد هو أنصح لكم مني: لا تنوحوا علي، فإن رسول الله صلى الله عليه وسلم لم ينح عليه، وقد سمعت النبي صلى الله عليه وسلم ينهى عن النياحة، وكفنوني في ثيابي التي كنت أصلي فيها، وسودوا أكابركم، فإنكم إذا سودتم أكابركم لم يزل لأبيكم فيكم خليفة، وإذا سودتم أصاغركم هان أكابركم على الناس، وزهدوا فيكم وأصلحوا عيشكم، فإن فيه غنى عن طلب الناس، وإياكم والمسألة، فإنها آخر كسب المرء، وإذا دفنتموني فسووا علي قبري، فإنه كان يكون شيء بيني وبين هذا الحي من بكر بن وائل: خماشات، فلا آمن سفيها أن يأتي أمرا يدخل عليكم عيبا في دينكم. قال علي: فذاكرت أبا النعمان محمد بن الفضل، فقال: أتيت الصعق بن حزن في هذا الحديث، فحدثنا عن الحسن، فقيل له: عن الحسن؟ قال: لا، يونس بن عبيد، عن الحسن، قيل له: سمعته من يونس؟ قال: لا، حدثني القاسم [ص: 330] بن مطيب، عن يونس بن عبيد، عن الحسن، عن قيس، فقلت لأبي النعمان: فلم تحمله؟ قال: لا، ضيعناه

আমি রাসূলুল্লাহ (সাঃ)-এর নিকট উপস্থিত হলে তিনি বলেনঃ সে হলো তাঁবুবাসীদের নেতা। আমি বললাম, ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমার কি পরিমাণ মাল থাকলে আমার উপর যাঞ্চাকারী বা মেহমানের কোন দায়দায়িত্ব থাকে না? রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেনঃ চল্লিশটি (পশু সংখ্যা) উত্তম, আর উর্ধ্বতন সংখ্যা ষাট। আর দুই শতের মালিকদের তো বিপদ। তবে যে ব্যক্তি উঠতি বয়সের উট দান করে, দুধ পানের জন্য কাউকে উস্ত্রী ধার দেয় এবং মোটাতাজা উট যবেহ করে নিজেও আহার করে এবং অভাবী ভদ্রলোক ও যাঞ্চাকারীদেরও আহার করায় (তার ভয়ের কোন কারণ নাইবনে মাজাহ)। আমি বললাম, ইয়া রাসূলাল্লাহ! তা তো অতি উত্তম স্বভাব। কিন্তু আমি যে উপত্যকায় বাস করি সেখানে আমার পশুর প্রাচুর্যের বিচারে এটা তো মামুলি ব্যাপার। তিনি জিজ্ঞেস করেনঃ তুমি কিরূপ দান-খয়রাত করো? আমি বললাম, উঠতি বয়সের উষ্ট্রীও দান করে থাকি। তিনি বলেনঃ তুমি কিভাবে দুধ পানের জন্য উষ্ট্রী ধার দিয়ে থাকো? আমি বললাম, আমি শত সংখ্যক দান করি। তিনি পুনরায় জিজ্ঞেস করেনঃ প্রজননের ব্যাপারে তুমি কি করো? আমি বললাম, লোকজন তাদের গর্ভ গ্রহণকারিনী উষ্ট্রী নিয়ে আসে এবং আমার উট পালের মধ্যকার যে উটটিকে প্ররোচিত করতে পারে, তা সাথে নিয়ে যায় এবং তার প্রয়োজন মাফিক তা তার কাছে রেখে দেয়। প্রয়োজন শেষে সে তা ফেরত দিয়ে যায়। নবী (সাঃ) বলেনঃ তোমার নিজের মাল তোমার অধিক প্রিয় নাকি তোমার ওয়ারিসদের মাল? রাবী বলেন, আমার মাল। তিনি বলেনঃ তোমার মাল তাই যা তুমি নিজে পানাহার করে শেষ করেছে অথবা কাউকে (আল্লাহর পথে) দান করেছো। তাছাড়া অবশিষ্টটুকু তোমার ওয়ারিসদের মাল। আমি বললাম, এবার ফিরে গিয়ে অবশ্যই উটের সংখ্যা কমিয়ে ফেলবো। অতঃপর তার মৃত্যুর সময় আসন্ন হলে তিনি তার পুত্রদের ডেকে একত্র করেন এবং বলেন, হে পুত্ৰগণ! তোমরা আমার উপদেশ শোনো। কেননা তোমাদের জন্য আমার উপদেশের চেয়ে অধিক কল্যাণকামী উপদেশদাতা আর কাউকে পাবে না। আমার মৃত্যুর পর আমার জন্য বিলাপ করো না। কেননা রাসূলুল্লাহ (সাঃ)-এর ইন্তিকালের পর তাঁর জন্য বিলাপ করা হয়নি। আমি নবী (সাঃ)-কে “বিলাপ করতে নিষেধ করতে শুনেছি”। আর আমার নামায পড়ার বস্ত্র দ্বারা আমার কাফন দিবে। তোমরা তোমাদের মধ্যকার প্রবীণদের নেতা নির্বাচিত করবে। কেননা যাবৎ তোমরা তোমাদের প্রবীণদের নেতা বানাবে তোমাদের পিতৃপুরুষের প্রতিনিধিত্ব তোমাদের মধ্যে বিদ্যমান থাকবে। আর যখন তোমরা তোমাদের মধ্যকার যুবকদের তোমাদের নেতা নির্বাচিত করবে, তখন লোক সমক্ষে তোমাদের পিতৃপুরুষের অবমাননা হবে। তোমাদের মধ্যে কৃচ্ছসাধনার প্রেরণা যোগাবে। তোমাদের জীবনযাত্রাকে সমুন্নত করো। কেননা তাতে অন্যের দ্বারস্থ হতে হয় না। তোমরা ভিক্ষাবৃত্তি থেকে অবশ্যই বিরত থাকবে। কেননা তা হচ্ছে সর্বশেষ নিকৃষ্টতর পেশা। যখন তোমরা আমাকে দাফন করবে তখন আমার কবর মাটির সাথে সমান করে দিবে। কেননা আমার এবং ঐ পার্শ্ববতী জনপদে বসবাসরত বাকর ইবনে ওয়াইল গোত্রের মধ্যে প্রায়ই বিবাদ হতো। পাছে তাদের মধ্যকার কোন নিবোধ ব্যক্তি এমন কোন কর্ম করে বসে যার প্রতিশোধ গ্রহণ তোমাদের বেলায় তোমাদের দীন-ধর্মের জন্য অনিষ্টকর হবে। (হাকিম, ইবনে হিব্বান, আহমাদ, তাবারানী, ইস্তীআব)

আমি রাসূলুল্লাহ (সাঃ)-এর নিকট উপস্থিত হলে তিনি বলেনঃ সে হলো তাঁবুবাসীদের নেতা। আমি বললাম, ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমার কি পরিমাণ মাল থাকলে আমার উপর যাঞ্চাকারী বা মেহমানের কোন দায়দায়িত্ব থাকে না? রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেনঃ চল্লিশটি (পশু সংখ্যা) উত্তম, আর উর্ধ্বতন সংখ্যা ষাট। আর দুই শতের মালিকদের তো বিপদ। তবে যে ব্যক্তি উঠতি বয়সের উট দান করে, দুধ পানের জন্য কাউকে উস্ত্রী ধার দেয় এবং মোটাতাজা উট যবেহ করে নিজেও আহার করে এবং অভাবী ভদ্রলোক ও যাঞ্চাকারীদেরও আহার করায় (তার ভয়ের কোন কারণ নাইবনে মাজাহ)। আমি বললাম, ইয়া রাসূলাল্লাহ! তা তো অতি উত্তম স্বভাব। কিন্তু আমি যে উপত্যকায় বাস করি সেখানে আমার পশুর প্রাচুর্যের বিচারে এটা তো মামুলি ব্যাপার। তিনি জিজ্ঞেস করেনঃ তুমি কিরূপ দান-খয়রাত করো? আমি বললাম, উঠতি বয়সের উষ্ট্রীও দান করে থাকি। তিনি বলেনঃ তুমি কিভাবে দুধ পানের জন্য উষ্ট্রী ধার দিয়ে থাকো? আমি বললাম, আমি শত সংখ্যক দান করি। তিনি পুনরায় জিজ্ঞেস করেনঃ প্রজননের ব্যাপারে তুমি কি করো? আমি বললাম, লোকজন তাদের গর্ভ গ্রহণকারিনী উষ্ট্রী নিয়ে আসে এবং আমার উট পালের মধ্যকার যে উটটিকে প্ররোচিত করতে পারে, তা সাথে নিয়ে যায় এবং তার প্রয়োজন মাফিক তা তার কাছে রেখে দেয়। প্রয়োজন শেষে সে তা ফেরত দিয়ে যায়। নবী (সাঃ) বলেনঃ তোমার নিজের মাল তোমার অধিক প্রিয় নাকি তোমার ওয়ারিসদের মাল? রাবী বলেন, আমার মাল। তিনি বলেনঃ তোমার মাল তাই যা তুমি নিজে পানাহার করে শেষ করেছে অথবা কাউকে (আল্লাহর পথে) দান করেছো। তাছাড়া অবশিষ্টটুকু তোমার ওয়ারিসদের মাল। আমি বললাম, এবার ফিরে গিয়ে অবশ্যই উটের সংখ্যা কমিয়ে ফেলবো। অতঃপর তার মৃত্যুর সময় আসন্ন হলে তিনি তার পুত্রদের ডেকে একত্র করেন এবং বলেন, হে পুত্ৰগণ! তোমরা আমার উপদেশ শোনো। কেননা তোমাদের জন্য আমার উপদেশের চেয়ে অধিক কল্যাণকামী উপদেশদাতা আর কাউকে পাবে না। আমার মৃত্যুর পর আমার জন্য বিলাপ করো না। কেননা রাসূলুল্লাহ (সাঃ)-এর ইন্তিকালের পর তাঁর জন্য বিলাপ করা হয়নি। আমি নবী (সাঃ)-কে “বিলাপ করতে নিষেধ করতে শুনেছি”। আর আমার নামায পড়ার বস্ত্র দ্বারা আমার কাফন দিবে। তোমরা তোমাদের মধ্যকার প্রবীণদের নেতা নির্বাচিত করবে। কেননা যাবৎ তোমরা তোমাদের প্রবীণদের নেতা বানাবে তোমাদের পিতৃপুরুষের প্রতিনিধিত্ব তোমাদের মধ্যে বিদ্যমান থাকবে। আর যখন তোমরা তোমাদের মধ্যকার যুবকদের তোমাদের নেতা নির্বাচিত করবে, তখন লোক সমক্ষে তোমাদের পিতৃপুরুষের অবমাননা হবে। তোমাদের মধ্যে কৃচ্ছসাধনার প্রেরণা যোগাবে। তোমাদের জীবনযাত্রাকে সমুন্নত করো। কেননা তাতে অন্যের দ্বারস্থ হতে হয় না। তোমরা ভিক্ষাবৃত্তি থেকে অবশ্যই বিরত থাকবে। কেননা তা হচ্ছে সর্বশেষ নিকৃষ্টতর পেশা। যখন তোমরা আমাকে দাফন করবে তখন আমার কবর মাটির সাথে সমান করে দিবে। কেননা আমার এবং ঐ পার্শ্ববতী জনপদে বসবাসরত বাকর ইবনে ওয়াইল গোত্রের মধ্যে প্রায়ই বিবাদ হতো। পাছে তাদের মধ্যকার কোন নিবোধ ব্যক্তি এমন কোন কর্ম করে বসে যার প্রতিশোধ গ্রহণ তোমাদের বেলায় তোমাদের দীন-ধর্মের জন্য অনিষ্টকর হবে। (হাকিম, ইবনে হিব্বান, আহমাদ, তাবারানী, ইস্তীআব)

حدثنا علي بن عبد الله قال: حدثنا المغيرة بن سلمة أبو هشام المخزومي - وكان ثقة - قال: حدثنا الصعق بن حزن قال: حدثني القاسم بن مطيب، عن الحسن البصري، عن قيس بن عاصم السعدي قال: أتيت رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال: «هذا سيد أهل الوبر» ، فقلت: يا رسول الله، ما المال الذي ليس علي فيه تبعة من طالب، ولا من ضيف؟ فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «نعم المال أربعون، والأكثر ستون، وويل لأصحاب المئين إلا من أعطى الكريمة، ومنح [ص: 329] الغزيرة، ونحر السمينة، فأكل وأطعم القانع والمعتر» ، قلت: يا رسول الله، ما أكرم هذه الأخلاق، لا يحل بواد أنا فيه من كثرة نعمي؟ فقال: «كيف تصنع بالعطية؟» قلت: أعطي البكر، وأعطي الناب، قال: «كيف تصنع في المنيحة؟» قال: إني لأمنح الناقة، قال: «كيف تصنع في الطروقة؟» قال: يغدو الناس بحبالهم، ولا يوزع رجل من جمل يختطمه، فيمسكه ما بدا له، حتى يكون هو يرده، فقال النبي صلى الله عليه وسلم: «فمالك أحب إليك أم مال مواليك؟» قال: مالي، قال: «فإنما لك من مالك ما أكلت فأفنيت، أو أعطيت فأمضيت، وسائره لمواليك» ، فقلت: لا جرم، لئن رجعت لأقلن عددها فلما حضره الموت جمع بنيه فقال: يا بني، خذوا عني، فإنكم لن تأخذوا عن أحد هو أنصح لكم مني: لا تنوحوا علي، فإن رسول الله صلى الله عليه وسلم لم ينح عليه، وقد سمعت النبي صلى الله عليه وسلم ينهى عن النياحة، وكفنوني في ثيابي التي كنت أصلي فيها، وسودوا أكابركم، فإنكم إذا سودتم أكابركم لم يزل لأبيكم فيكم خليفة، وإذا سودتم أصاغركم هان أكابركم على الناس، وزهدوا فيكم وأصلحوا عيشكم، فإن فيه غنى عن طلب الناس، وإياكم والمسألة، فإنها آخر كسب المرء، وإذا دفنتموني فسووا علي قبري، فإنه كان يكون شيء بيني وبين هذا الحي من بكر بن وائل: خماشات، فلا آمن سفيها أن يأتي أمرا يدخل عليكم عيبا في دينكم. قال علي: فذاكرت أبا النعمان محمد بن الفضل، فقال: أتيت الصعق بن حزن في هذا الحديث، فحدثنا عن الحسن، فقيل له: عن الحسن؟ قال: لا، يونس بن عبيد، عن الحسن، قيل له: سمعته من يونس؟ قال: لا، حدثني القاسم [ص: 330] بن مطيب، عن يونس بن عبيد، عن الحسن، عن قيس، فقلت لأبي النعمان: فلم تحمله؟ قال: لا، ضيعناه


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00