আদাবুল মুফরাদ > অনুচ্ছেদঃ পুরুষ লোকের নারীর হাঁচির জবাব দেয়া।
আদাবুল মুফরাদ ৯৪৯
حدثنا فروة، وأحمد بن إشكاب، قالا: حدثنا القاسم بن مالك المزني، عن عاصم بن كليب، عن أبي بردة قال: دخلت على أبي موسى، وهو في بيت ابنته أم الفضل بن العباس، فعطست فلم يشمتني، وعطست فشمتها، فأخبرت أمي، فلما أتاها وقعت به وقالت: عطس ابني فلم تشمته، وعطست فشمتها، فقال لها: إني سمعت النبي صلى الله عليه وسلم يقول: «إذا عطس أحدكم فحمد الله فشمتوه، وإن لم يحمد الله فلا تشمتوه» ، وإن ابنك عطس فلم يحمد الله، فلم أشمته، وعطست فحمدت الله فشمتها، فقالت: أحسنت
আমি আবু মূসা (রাঃ)-এর নিকট উপস্থিত হলাম। তখন তিনি ইবনে আব্বাস (রাঃ)-এর মাতা উম্মুল ফাদল (রাঃ)-এর ঘরে ছিলেন। আমি হাঁচি দিলাম কিন্তু তিনি তার জবাব দেননি। অথচ উম্মুল ফাদল (রাঃ) হাঁচি দিলে তিনি তার জবাব দিলেন। আমি (ফিরে এসে) আমার মাতাকে এই কথা জানালাম। অতঃপর আবু মূসা (রাঃ) আমার মায়ের কাছে এলে তিনি অভিযোগ করে বলেন, আমার ছেলে হাঁচি দিয়েছিল, কিন্তু আপনি তার জবাব দেননি। অথচ উম্মুল ফাদল (রাঃ) হাঁচি দিলে আপনি তার জবাব দিয়েছেন। আবু মূসা (রাঃ) বলেন, আমি নবী (সাঃ)-কে বলতে শুনেছিঃ “তোমাদের কোন ব্যক্তি হাঁচি দিয়ে আল্লাহর প্রশংসা করলে তোমরা তার জবাব দিও। আর যদি সে আল্লাহর প্রশংসা না করে তবে তোমরা তার জবাব দিও না”। আমার ছেলেটি (অর্থাৎ আপনার ছেলেটি) হাঁচি দিয়েছে, কিন্তু আলহামদু লিল্লাহ বলেনি, তাই আমিও তার জবাব দেইনি। উম্মুল ফাদল (রাঃ) হাঁচি দিয়েছেন এবং আলহামদু লিল্লাহ বলেছেন। তাই আমিও তার জবাব দিয়েছি। আমার মা বলেন, আপনি ঠিক করেছেন। (মুসলিম, আবু দাউদ, তিরমিযী)
আমি আবু মূসা (রাঃ)-এর নিকট উপস্থিত হলাম। তখন তিনি ইবনে আব্বাস (রাঃ)-এর মাতা উম্মুল ফাদল (রাঃ)-এর ঘরে ছিলেন। আমি হাঁচি দিলাম কিন্তু তিনি তার জবাব দেননি। অথচ উম্মুল ফাদল (রাঃ) হাঁচি দিলে তিনি তার জবাব দিলেন। আমি (ফিরে এসে) আমার মাতাকে এই কথা জানালাম। অতঃপর আবু মূসা (রাঃ) আমার মায়ের কাছে এলে তিনি অভিযোগ করে বলেন, আমার ছেলে হাঁচি দিয়েছিল, কিন্তু আপনি তার জবাব দেননি। অথচ উম্মুল ফাদল (রাঃ) হাঁচি দিলে আপনি তার জবাব দিয়েছেন। আবু মূসা (রাঃ) বলেন, আমি নবী (সাঃ)-কে বলতে শুনেছিঃ “তোমাদের কোন ব্যক্তি হাঁচি দিয়ে আল্লাহর প্রশংসা করলে তোমরা তার জবাব দিও। আর যদি সে আল্লাহর প্রশংসা না করে তবে তোমরা তার জবাব দিও না”। আমার ছেলেটি (অর্থাৎ আপনার ছেলেটি) হাঁচি দিয়েছে, কিন্তু আলহামদু লিল্লাহ বলেনি, তাই আমিও তার জবাব দেইনি। উম্মুল ফাদল (রাঃ) হাঁচি দিয়েছেন এবং আলহামদু লিল্লাহ বলেছেন। তাই আমিও তার জবাব দিয়েছি। আমার মা বলেন, আপনি ঠিক করেছেন। (মুসলিম, আবু দাউদ, তিরমিযী)
حدثنا فروة، وأحمد بن إشكاب، قالا: حدثنا القاسم بن مالك المزني، عن عاصم بن كليب، عن أبي بردة قال: دخلت على أبي موسى، وهو في بيت ابنته أم الفضل بن العباس، فعطست فلم يشمتني، وعطست فشمتها، فأخبرت أمي، فلما أتاها وقعت به وقالت: عطس ابني فلم تشمته، وعطست فشمتها، فقال لها: إني سمعت النبي صلى الله عليه وسلم يقول: «إذا عطس أحدكم فحمد الله فشمتوه، وإن لم يحمد الله فلا تشمتوه» ، وإن ابنك عطس فلم يحمد الله، فلم أشمته، وعطست فحمدت الله فشمتها، فقالت: أحسنت
আদাবুল মুফরাদ > অনুচ্ছেদঃ হাই তোলা।
আদাবুল মুফরাদ ৯৫০
حدثنا عبد الله بن يوسف قال: أخبرنا مالك، عن العلاء بن عبد الرحمن، عن أبيه، عن أبي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال: «إذا تثاءب أحدكم فليكظم ما استطاع»
নবী (সাঃ) বলেনঃ তোমাদের কারো হাই আসলে সে যেন যথাসাধ্য তা চেপে রাখে (বুখারী, মুসলিম)।
নবী (সাঃ) বলেনঃ তোমাদের কারো হাই আসলে সে যেন যথাসাধ্য তা চেপে রাখে (বুখারী, মুসলিম)।
حدثنا عبد الله بن يوسف قال: أخبرنا مالك، عن العلاء بن عبد الرحمن، عن أبيه، عن أبي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال: «إذا تثاءب أحدكم فليكظم ما استطاع»
আদাবুল মুফরাদ > অনুচ্ছেদঃ কাউকে ডাকলে জবাবে লাব্বায়েক বলা।
আদাবুল মুফরাদ ৯৫১
حدثنا موسى بن إسماعيل قال: حدثنا همام، عن قتادة، عن أنس، عن معاذ قال: أنا رديف النبي صلى الله عليه وسلم، فقال: «يا معاذ» ، قلت: لبيك وسعديك، ثم قال مثله ثلاثا: «هل تدري ما حق الله على العباد؟» قلت: لا، قال: «أن يعبدوه ولا يشركوا به شيئا» ، ثم سار ساعة فقال: «يا معاذ» ، قلت: لبيك وسعديك، قال: «هل تدري ما حق العباد على الله عز وجل إذا فعلوا ذلك؟ أن لا يعذبهم»
আমি জন্তুযানে নবী (সাঃ)-এর পিছনে আরোহিত ছিলাম। তখন তিনি বলেনঃ হে মুআয! আমি বললাম, লাব্বায়েক ওয়া সাদায়েক (আমি হাযির আছি) । তিনি পরপর তিনবার এভাবে ডাকলেন, তুমি কি জানো, বান্দার কাছে আল্লাহর কি দাবি আছে? “তারা তার ইবাদত করবে এবং তার সাথে অপর কিছু শরীক করবে না”। অতঃপর তিনি কিছুক্ষণ পথ চলার পর আবার ডাকলেনঃ হে মুআয! আমি জবাব দিলাম, লাব্বায়েক ওয়া সাদায়েক। তিনি বলেনঃ তুমি কি জানো, তারা যদি তাই করে তবে মহামহিম আল্লাহর কাছে তাদের কি দাবি আছে? তিনি তাদেরকে শাস্তি দিবেন না। -(বুখারী, মুসলিম, আবু দাউদ, তিরমিযী)
আমি জন্তুযানে নবী (সাঃ)-এর পিছনে আরোহিত ছিলাম। তখন তিনি বলেনঃ হে মুআয! আমি বললাম, লাব্বায়েক ওয়া সাদায়েক (আমি হাযির আছি) । তিনি পরপর তিনবার এভাবে ডাকলেন, তুমি কি জানো, বান্দার কাছে আল্লাহর কি দাবি আছে? “তারা তার ইবাদত করবে এবং তার সাথে অপর কিছু শরীক করবে না”। অতঃপর তিনি কিছুক্ষণ পথ চলার পর আবার ডাকলেনঃ হে মুআয! আমি জবাব দিলাম, লাব্বায়েক ওয়া সাদায়েক। তিনি বলেনঃ তুমি কি জানো, তারা যদি তাই করে তবে মহামহিম আল্লাহর কাছে তাদের কি দাবি আছে? তিনি তাদেরকে শাস্তি দিবেন না। -(বুখারী, মুসলিম, আবু দাউদ, তিরমিযী)
حدثنا موسى بن إسماعيل قال: حدثنا همام، عن قتادة، عن أنس، عن معاذ قال: أنا رديف النبي صلى الله عليه وسلم، فقال: «يا معاذ» ، قلت: لبيك وسعديك، ثم قال مثله ثلاثا: «هل تدري ما حق الله على العباد؟» قلت: لا، قال: «أن يعبدوه ولا يشركوا به شيئا» ، ثم سار ساعة فقال: «يا معاذ» ، قلت: لبيك وسعديك، قال: «هل تدري ما حق العباد على الله عز وجل إذا فعلوا ذلك؟ أن لا يعذبهم»
আদাবুল মুফরাদ > অনুচ্ছেদঃ ভাইয়ের সম্মানার্থে কোন ব্যক্তির দাঁড়ানো।
আদাবুল মুফরাদ ৯৫২
حدثنا عبد الله بن صالح قال: حدثني الليث قال: حدثني عقيل، عن ابن شهاب قال: أخبرني عبد الرحمن بن عبد الله بن كعب بن مالك، أن عبد الله بن كعب - وكان قائد كعب من بنيه حين عمي - قال: سمعت كعب بن مالك يحدث حديثه حين تخلف عن رسول الله صلى الله عليه وسلم عن غزوة تبوك، فتاب الله عليه: وآذن رسول الله صلى الله عليه وسلم بتوبة الله علينا حين صلى صلاة الفجر، فتلقاني الناس فوجا فوجا، يهنوني بالتوبة يقولون: لتهنك توبة الله عليك، حتى دخلت المسجد، فإذا برسول الله صلى الله عليه وسلم حوله الناس، فقام إلي طلحة بن عبيد الله يهرول، حتى صافحني وهناني، والله ما قام إلي رجل من المهاجرين غيره، لا أنساها لطلحة
কাব (রাঃ) অন্ধ হয়ে গেলে তার পুত্রদের মধ্যে তিনি তার পথপ্রদর্শক ছিলেন। তিনি বলেন, কাব ইবনে মালেক (রাঃ) তাবুক যুদ্ধে যোগদান না করে রাসূলুল্লাহ (সাঃ)-এর পেছনে থেকে যাওয়ার ঘটনা প্রসঙ্গে বলেন, অতঃপর আল্লাহ তার তওবা কবুল করলেন এবং রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ফজরের নামায পড়ার পর আল্লাহ কর্তৃক আমাদের তওবা কবুল করার কথা ঘোষণা করলেন। তাতে দলে দলে লোক এসে আমার তওবা কবুল হওয়ার জন্য আমাকে অভিনন্দন জানাতে থাকেন। তারা বলেন, আপনার তওবা আল্লাহর দরবারে কবুল হওয়ায় আমরা আপনাকে অভিনন্দন জানাই। এমতাবস্থায় আমি গিয়ে মসজিদে প্রবেশ করলাম। তখন রাসূলুল্লাহ (সাঃ) লোক পরিবেষ্টিত অবস্থায় সমাসীন। তালহা ইবনে উবায়দুল্লাহ (রাঃ) উঠে দৌড়ে এসে আমার সাথে মোসাফাহা (করমর্দন) করেন এবং আমাকে অভিনন্দন জানান। আল্লাহর শপথ! মুহাজিরদের মধ্যে তিনি ব্যতীত আর কেউ আমার দিকে উঠে আসেননি। আমি তালহার এ ব্যবহার কখনও ভুলতে পারবো না। -(বুখারী, মুসলিম, আবু দাউদ, তিরমিযী, নাসাঈ)
কাব (রাঃ) অন্ধ হয়ে গেলে তার পুত্রদের মধ্যে তিনি তার পথপ্রদর্শক ছিলেন। তিনি বলেন, কাব ইবনে মালেক (রাঃ) তাবুক যুদ্ধে যোগদান না করে রাসূলুল্লাহ (সাঃ)-এর পেছনে থেকে যাওয়ার ঘটনা প্রসঙ্গে বলেন, অতঃপর আল্লাহ তার তওবা কবুল করলেন এবং রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ফজরের নামায পড়ার পর আল্লাহ কর্তৃক আমাদের তওবা কবুল করার কথা ঘোষণা করলেন। তাতে দলে দলে লোক এসে আমার তওবা কবুল হওয়ার জন্য আমাকে অভিনন্দন জানাতে থাকেন। তারা বলেন, আপনার তওবা আল্লাহর দরবারে কবুল হওয়ায় আমরা আপনাকে অভিনন্দন জানাই। এমতাবস্থায় আমি গিয়ে মসজিদে প্রবেশ করলাম। তখন রাসূলুল্লাহ (সাঃ) লোক পরিবেষ্টিত অবস্থায় সমাসীন। তালহা ইবনে উবায়দুল্লাহ (রাঃ) উঠে দৌড়ে এসে আমার সাথে মোসাফাহা (করমর্দন) করেন এবং আমাকে অভিনন্দন জানান। আল্লাহর শপথ! মুহাজিরদের মধ্যে তিনি ব্যতীত আর কেউ আমার দিকে উঠে আসেননি। আমি তালহার এ ব্যবহার কখনও ভুলতে পারবো না। -(বুখারী, মুসলিম, আবু দাউদ, তিরমিযী, নাসাঈ)
حدثنا عبد الله بن صالح قال: حدثني الليث قال: حدثني عقيل، عن ابن شهاب قال: أخبرني عبد الرحمن بن عبد الله بن كعب بن مالك، أن عبد الله بن كعب - وكان قائد كعب من بنيه حين عمي - قال: سمعت كعب بن مالك يحدث حديثه حين تخلف عن رسول الله صلى الله عليه وسلم عن غزوة تبوك، فتاب الله عليه: وآذن رسول الله صلى الله عليه وسلم بتوبة الله علينا حين صلى صلاة الفجر، فتلقاني الناس فوجا فوجا، يهنوني بالتوبة يقولون: لتهنك توبة الله عليك، حتى دخلت المسجد، فإذا برسول الله صلى الله عليه وسلم حوله الناس، فقام إلي طلحة بن عبيد الله يهرول، حتى صافحني وهناني، والله ما قام إلي رجل من المهاجرين غيره، لا أنساها لطلحة
আদাবুল মুফরাদ ৯৫৪
حدثنا موسى بن إسماعيل قال: حدثنا حماد بن سلمة، عن حميد، عن أنس قال: ما كان شخص أحب إليهم رؤية من النبي صلى الله عليه وسلم، وكانوا إذا رأوه لم يقوموا إليه، لما يعلمون من كراهيته لذلك
সাহাবীগণের নিকট নবী (সাঃ)-এর দর্শন যতো প্রিয় ছিল, আর কারো দর্শন তাদের নিকট এতো প্রিয় ছিলো না। অথচ তারা তাঁকে (আসতে) দেখে তাঁর (সম্মানার্থে) কখনো উঠে দাঁড়াতেন না। কেননা তারা জানতেন যে, তা তাঁর অপছন্দীয়। (তিরমিযী, আহমাদ)
সাহাবীগণের নিকট নবী (সাঃ)-এর দর্শন যতো প্রিয় ছিল, আর কারো দর্শন তাদের নিকট এতো প্রিয় ছিলো না। অথচ তারা তাঁকে (আসতে) দেখে তাঁর (সম্মানার্থে) কখনো উঠে দাঁড়াতেন না। কেননা তারা জানতেন যে, তা তাঁর অপছন্দীয়। (তিরমিযী, আহমাদ)
حدثنا موسى بن إسماعيل قال: حدثنا حماد بن سلمة، عن حميد، عن أنس قال: ما كان شخص أحب إليهم رؤية من النبي صلى الله عليه وسلم، وكانوا إذا رأوه لم يقوموا إليه، لما يعلمون من كراهيته لذلك
আদাবুল মুফরাদ ৯৫৩
حدثنا محمد بن عرعرة قال: حدثنا شعبة، عن سعد بن إبراهيم، عن أبي أمامة بن سهل بن حنيف، عن أبي سعيد الخدري، أن ناسا نزلوا على حكم سعد بن معاذ، فأرسل إليه، فجاء على حمار، فلما بلغ قريبا من المسجد قال النبي صلى الله عليه وسلم: «ائتوا خيركم، أو سيدكم» ، فقال: «يا سعد إن هؤلاء نزلوا على حكمك» ، فقال سعد: أحكم فيهم أن تقتل مقاتلتهم، وتسبى ذريتهم، فقال النبي صلى الله عليه وسلم: «حكمت بحكم الله» ، أو قال: «حكمت بحكم الملك»
লোকেরা (ইহুদীরা) সাদ ইবনে মুআয (রাঃ)-এর ফয়সালা মেনে নেয়ার ব্যাপারে তাদের সম্মতি জ্ঞাপন করলে তার জন্য লোক পাঠানো হলো। তিনি একটি গাধায় চড়ে আসলেন। তিনি মসজিদের নিকটে এসে পৌছলে নবী (সাঃ) বলেনঃ তোমাদের মধ্যকার উত্তম ব্যক্তিকে বা তোমাদের নেতাকে সংবর্ধনা জ্ঞাপন করো। তিনি বলেনঃ হে সাদ! তারা তোমার ফয়সালা মেনে নেয়ার সম্মতি প্রকাশ করেছে। সাদ (রাঃ) বলেন, তাদের ব্যাপারে আমার ফয়সালা এই যে, তাদের মধ্যকার যুদ্ধক্ষম ব্যক্তিদের হত্যা করা হবে এবং তাদের শিশুদের বন্দী করা হবে। নবী (সাঃ) বলেনঃ তুমি আল্লাহর বা মহান মালিকের ফয়সালা অনুযায়ী ফয়সালা করেছো। -(বুখারী, মুসলিম, আবু দাউদ, নাসাঈ)
লোকেরা (ইহুদীরা) সাদ ইবনে মুআয (রাঃ)-এর ফয়সালা মেনে নেয়ার ব্যাপারে তাদের সম্মতি জ্ঞাপন করলে তার জন্য লোক পাঠানো হলো। তিনি একটি গাধায় চড়ে আসলেন। তিনি মসজিদের নিকটে এসে পৌছলে নবী (সাঃ) বলেনঃ তোমাদের মধ্যকার উত্তম ব্যক্তিকে বা তোমাদের নেতাকে সংবর্ধনা জ্ঞাপন করো। তিনি বলেনঃ হে সাদ! তারা তোমার ফয়সালা মেনে নেয়ার সম্মতি প্রকাশ করেছে। সাদ (রাঃ) বলেন, তাদের ব্যাপারে আমার ফয়সালা এই যে, তাদের মধ্যকার যুদ্ধক্ষম ব্যক্তিদের হত্যা করা হবে এবং তাদের শিশুদের বন্দী করা হবে। নবী (সাঃ) বলেনঃ তুমি আল্লাহর বা মহান মালিকের ফয়সালা অনুযায়ী ফয়সালা করেছো। -(বুখারী, মুসলিম, আবু দাউদ, নাসাঈ)
حدثنا محمد بن عرعرة قال: حدثنا شعبة، عن سعد بن إبراهيم، عن أبي أمامة بن سهل بن حنيف، عن أبي سعيد الخدري، أن ناسا نزلوا على حكم سعد بن معاذ، فأرسل إليه، فجاء على حمار، فلما بلغ قريبا من المسجد قال النبي صلى الله عليه وسلم: «ائتوا خيركم، أو سيدكم» ، فقال: «يا سعد إن هؤلاء نزلوا على حكمك» ، فقال سعد: أحكم فيهم أن تقتل مقاتلتهم، وتسبى ذريتهم، فقال النبي صلى الله عليه وسلم: «حكمت بحكم الله» ، أو قال: «حكمت بحكم الملك»
আদাবুল মুফরাদ ৯৫৫
حدثنا محمد بن الحكم قال: أخبرنا النضر قال: حدثنا إسرائيل قال: أخبرنا ميسرة بن حبيب قال: أخبرني المنهال بن عمرو قال: حدثتني عائشة بنت طلحة، عن عائشة أم المؤمنين رضي الله عنها قالت: ما رأيت أحدا من الناس كان أشبه بالنبي صلى الله عليه وسلم كلاما ولا حديثا ولا جلسة من فاطمة، قالت: وكان النبي صلى الله عليه وسلم إذا رآها قد أقبلت رحب بها، ثم قام إليها فقبلها، ثم أخذ بيدها فجاء بها حتى يجلسها في مكانه، وكانت إذا أتاها النبي صلى الله عليه وسلم رحبت به، ثم قامت إليه فقبلته، وأنها دخلت على النبي صلى الله عليه وسلم في مرضه الذي قبض فيه، فرحب وقبلها، وأسر إليها، فبكت، ثم أسر إليها، فضحكت، فقلت للنساء: إن كنت لأرى أن لهذه المرأة فضلا على النساء، فإذا هي من النساء، بينما هي تبكي إذا هي تضحك، فسألتها: ما قال لك؟ قالت: إني إذا لبذرة، فلما قبض النبي صلى الله عليه وسلم، فقالت: أسر إلي فقال: «إني ميت» ، فبكيت، ثم أسر إلي فقال: «إنك أول أهلي بي لحوقا» ، فسررت بذلك وأعجبني
কথাবার্তায়, উঠাবসায় ফাতেমার চাইতে নবী (সাঃ)-এর সাথে অধিক সাদৃশ্যপূর্ণ আমি আর কাউকে দেখিনি। তিনি আরও বলেন, নবী (সাঃ) তাকে দেখলেই অভ্যর্থনা জানাতেন, তার জন্য উঠে দাঁড়াতেন এবং তাকে চুমা দিতেন, অতঃপর তার হাত ধরে তাকে এনে নিজের বসার স্থানে বসাতেন। অপরদিকে নবী (সাঃ)-ও তার নিকট গেলে তিনি তাঁকে অভ্যর্থনা জানাতেন এবং উঠে গিয়ে তাঁকে চুমা দিতেন। নবী (সাঃ)-এর অন্তিম রোগের সময় তিনি তাঁর নিকট উপস্থিত হলে তিনি তাকে অভ্যর্থনা জানালেন, তাকে চুমা দিলেন এবং তার সাথে গোপনে কথা বললেন। ফাতেমা (রাঃ) তাতে কেঁদে দিলেন। তিনি পুনরায় তাকে গোপনে কিছু বললে এবার তিনি (ফাতেমা) হাসেন। আমি উপস্থিত মহিলাগণকে বললাম, আমি মনে করি নারী জাতির মধ্যে এই মহিলা মর্যাদায় অনন্য। তবুও ইনি একজন নারীইবনে মাজাহ, কখনো কাঁদেন আবার কখনও হাসেন। আমি তাকে জিজ্ঞেস করলাম, তিনি আপনাকে কী বলেছেন? তিনি বলেন, নিশ্চয় আমি এখন গোপন রহস্যের সংরক্ষক। নবী (সাঃ) ইন্তিকাল করার পর তিন বলেন, প্রথমার তিনি গোপনে বলেনঃ “আমার মৃত্যু আসন্ন”। তাই আমি কেঁদেছি। অতঃপর তিনি গোপনে আমাকে বলেনঃ “আমার পরিজনদের মধ্যে সর্বপ্রথম তুমিই (মৃত্যুবরণ করে) আমার সাথে মিলিত হবে”। এতে আমি খুশি হই এবং তা আমাকে আনন্দিত করে। (বুখারী হা/৩৩৫৪, তিরমিযী হা/৩৮০৯, মুসলিম, আবু দাউদ, হাকিম, ইবনে হিব্বান)
কথাবার্তায়, উঠাবসায় ফাতেমার চাইতে নবী (সাঃ)-এর সাথে অধিক সাদৃশ্যপূর্ণ আমি আর কাউকে দেখিনি। তিনি আরও বলেন, নবী (সাঃ) তাকে দেখলেই অভ্যর্থনা জানাতেন, তার জন্য উঠে দাঁড়াতেন এবং তাকে চুমা দিতেন, অতঃপর তার হাত ধরে তাকে এনে নিজের বসার স্থানে বসাতেন। অপরদিকে নবী (সাঃ)-ও তার নিকট গেলে তিনি তাঁকে অভ্যর্থনা জানাতেন এবং উঠে গিয়ে তাঁকে চুমা দিতেন। নবী (সাঃ)-এর অন্তিম রোগের সময় তিনি তাঁর নিকট উপস্থিত হলে তিনি তাকে অভ্যর্থনা জানালেন, তাকে চুমা দিলেন এবং তার সাথে গোপনে কথা বললেন। ফাতেমা (রাঃ) তাতে কেঁদে দিলেন। তিনি পুনরায় তাকে গোপনে কিছু বললে এবার তিনি (ফাতেমা) হাসেন। আমি উপস্থিত মহিলাগণকে বললাম, আমি মনে করি নারী জাতির মধ্যে এই মহিলা মর্যাদায় অনন্য। তবুও ইনি একজন নারীইবনে মাজাহ, কখনো কাঁদেন আবার কখনও হাসেন। আমি তাকে জিজ্ঞেস করলাম, তিনি আপনাকে কী বলেছেন? তিনি বলেন, নিশ্চয় আমি এখন গোপন রহস্যের সংরক্ষক। নবী (সাঃ) ইন্তিকাল করার পর তিন বলেন, প্রথমার তিনি গোপনে বলেনঃ “আমার মৃত্যু আসন্ন”। তাই আমি কেঁদেছি। অতঃপর তিনি গোপনে আমাকে বলেনঃ “আমার পরিজনদের মধ্যে সর্বপ্রথম তুমিই (মৃত্যুবরণ করে) আমার সাথে মিলিত হবে”। এতে আমি খুশি হই এবং তা আমাকে আনন্দিত করে। (বুখারী হা/৩৩৫৪, তিরমিযী হা/৩৮০৯, মুসলিম, আবু দাউদ, হাকিম, ইবনে হিব্বান)
حدثنا محمد بن الحكم قال: أخبرنا النضر قال: حدثنا إسرائيل قال: أخبرنا ميسرة بن حبيب قال: أخبرني المنهال بن عمرو قال: حدثتني عائشة بنت طلحة، عن عائشة أم المؤمنين رضي الله عنها قالت: ما رأيت أحدا من الناس كان أشبه بالنبي صلى الله عليه وسلم كلاما ولا حديثا ولا جلسة من فاطمة، قالت: وكان النبي صلى الله عليه وسلم إذا رآها قد أقبلت رحب بها، ثم قام إليها فقبلها، ثم أخذ بيدها فجاء بها حتى يجلسها في مكانه، وكانت إذا أتاها النبي صلى الله عليه وسلم رحبت به، ثم قامت إليه فقبلته، وأنها دخلت على النبي صلى الله عليه وسلم في مرضه الذي قبض فيه، فرحب وقبلها، وأسر إليها، فبكت، ثم أسر إليها، فضحكت، فقلت للنساء: إن كنت لأرى أن لهذه المرأة فضلا على النساء، فإذا هي من النساء، بينما هي تبكي إذا هي تضحك، فسألتها: ما قال لك؟ قالت: إني إذا لبذرة، فلما قبض النبي صلى الله عليه وسلم، فقالت: أسر إلي فقال: «إني ميت» ، فبكيت، ثم أسر إلي فقال: «إنك أول أهلي بي لحوقا» ، فسررت بذلك وأعجبني