আদাবুল মুফরাদ > অনুচ্ছেদঃ আল্লাহর বাণীঃ “কবিগণ, কেবল পথভ্রষ্টরাই তাদের অনুগামী হয়” (২৬ : ২২৪)।
আদাবুল মুফরাদ ৮৭৯
حدثنا إسحاق قال: أخبرنا علي بن الحسين قال: حدثني أبي، عن يزيد النحوي، عن عكرمة، عن ابن عباس: {والشعراء يتبعهم الغاوون} [الشعراء: 224] إلى قوله: {وأنهم يقولون ما لا يفعلون} [الشعراء: 226] ، فنسخ من ذلك واستثنى فقال: {إلا الذين آمنوا} [الشعراء: 227] إلى قوله: {ينقلبون} [الشعراء: 227]
“বিভ্রান্ত লোকেরাই কবিদের অনুসরণ করে। তুমি কি দেখো না যে, তারা প্রতিটি ময়দানে উদভ্ৰান্ত হয়ে ঘুরে বেড়ায় এবং এমন কথা বলে যা তারা করে না” (সূরা শুআরাঃ ২২৪-২২৫)? উপরোক্ত অংশ (মহামহিম আল্লাহ) মানসূখ (রহিত) করেছেন এবং নিম্নোক্ত অংশ ব্যতিক্রম করেছেন, মহান আল্লাহ বলেনঃ “তবে তারা স্বতন্ত্র, যারা ঈমান এনেছে, সৎকাজ করেছে, আল্লাহকে পর্যাপ্ত স্মরণ করে এবং নির্যাতিত হওয়ার পর প্রতিশোধ গ্রহণ করে। নির্যাতনকারী অচিরেই জানতে পারবে তাদের গন্তব্য কিরূপ” (সূরা শুআরাঃ ২২৭)। (আবু দাউদ)
“বিভ্রান্ত লোকেরাই কবিদের অনুসরণ করে। তুমি কি দেখো না যে, তারা প্রতিটি ময়দানে উদভ্ৰান্ত হয়ে ঘুরে বেড়ায় এবং এমন কথা বলে যা তারা করে না” (সূরা শুআরাঃ ২২৪-২২৫)? উপরোক্ত অংশ (মহামহিম আল্লাহ) মানসূখ (রহিত) করেছেন এবং নিম্নোক্ত অংশ ব্যতিক্রম করেছেন, মহান আল্লাহ বলেনঃ “তবে তারা স্বতন্ত্র, যারা ঈমান এনেছে, সৎকাজ করেছে, আল্লাহকে পর্যাপ্ত স্মরণ করে এবং নির্যাতিত হওয়ার পর প্রতিশোধ গ্রহণ করে। নির্যাতনকারী অচিরেই জানতে পারবে তাদের গন্তব্য কিরূপ” (সূরা শুআরাঃ ২২৭)। (আবু দাউদ)
حدثنا إسحاق قال: أخبرنا علي بن الحسين قال: حدثني أبي، عن يزيد النحوي، عن عكرمة، عن ابن عباس: {والشعراء يتبعهم الغاوون} [الشعراء: 224] إلى قوله: {وأنهم يقولون ما لا يفعلون} [الشعراء: 226] ، فنسخ من ذلك واستثنى فقال: {إلا الذين آمنوا} [الشعراء: 227] إلى قوله: {ينقلبون} [الشعراء: 227]
আদাবুল মুফরাদ > অনুচ্ছেদঃ যে বলে, কথায়ও যাদুকরী প্রভাব থাকে।
আদাবুল মুফরাদ ৮৮০
حدثنا عارم قال: حدثنا أبو عوانة، عن سماك، عن عكرمة، عن ابن عباس، أن رجلا - أو أعرابيا - أتى النبي صلى الله عليه وسلم فتكلم بكلام بين، فقال النبي صلى الله عليه وسلم: «إن من البيان سحرا، وإن من الشعر حكمة»
এক ব্যক্তি বা এক বেদুইন নবী (সাঃ)-এর নিকট উপস্থিত হয়ে অত্যন্ত প্রাঞ্জল ভাষায় কথাবার্তা বললো। নবী (সাঃ) বলেনঃ কথায়ও যাদুকরী প্রভাব থাকে এবং কবিতাও প্রজ্ঞাপূর্ণ হতে পারে। (আবু দাউদ,তিরমিযী,ইবনে মাজাহ,আহমাদ, ইবনে হিব্বান,তহাকিম)
এক ব্যক্তি বা এক বেদুইন নবী (সাঃ)-এর নিকট উপস্থিত হয়ে অত্যন্ত প্রাঞ্জল ভাষায় কথাবার্তা বললো। নবী (সাঃ) বলেনঃ কথায়ও যাদুকরী প্রভাব থাকে এবং কবিতাও প্রজ্ঞাপূর্ণ হতে পারে। (আবু দাউদ,তিরমিযী,ইবনে মাজাহ,আহমাদ, ইবনে হিব্বান,তহাকিম)
حدثنا عارم قال: حدثنا أبو عوانة، عن سماك، عن عكرمة، عن ابن عباس، أن رجلا - أو أعرابيا - أتى النبي صلى الله عليه وسلم فتكلم بكلام بين، فقال النبي صلى الله عليه وسلم: «إن من البيان سحرا، وإن من الشعر حكمة»
আদাবুল মুফরাদ ৮৮১
حدثنا إبراهيم بن المنذر قال: حدثني معن قال: حدثني عمر بن سلام، أن عبد الملك بن مروان دفع ولده إلى الشعبي يؤدبهم، فقال: علمهم الشعر يمجدوا وينجدوا، وأطعمهم اللحم تشتد قلوبهم، وجز شعورهم تشتد رقابهم، وجالس بهم علية الرجال يناقضوهم الكلام
আবদুল মালেক ইবনে মারওয়ান তার সন্তানদের আদব-কায়দা শিক্ষা দেয়ার জন্য শাবী (র)-এর নিকট সোপর্দ করেন। তিনি বলেন, এদের কবিতা শিক্ষা দিন, তাতে তারা উচ্চাভিলাসী ও নির্ভীক হবে, এদের গোশত খাওয়ান, তাতে তাদের হৃদয়ের শক্তি বৃদ্ধি পাবে। এদের মস্তক মুণ্ডন করান, তাতে তাদের ঘাড় শক্ত হবে এবং এদের নিয়ে প্রতিভাবান ব্যক্তিদের সমাবেশে বসুন। তাতে তাদের সাথে বাক্য বিনিময়ে তারা কথা বলার কৌশল আয়ত্ত করতে পারবে। -(তারীখুল কাবীর, আবু হাতেম, ইবনে হিব্বান)
আবদুল মালেক ইবনে মারওয়ান তার সন্তানদের আদব-কায়দা শিক্ষা দেয়ার জন্য শাবী (র)-এর নিকট সোপর্দ করেন। তিনি বলেন, এদের কবিতা শিক্ষা দিন, তাতে তারা উচ্চাভিলাসী ও নির্ভীক হবে, এদের গোশত খাওয়ান, তাতে তাদের হৃদয়ের শক্তি বৃদ্ধি পাবে। এদের মস্তক মুণ্ডন করান, তাতে তাদের ঘাড় শক্ত হবে এবং এদের নিয়ে প্রতিভাবান ব্যক্তিদের সমাবেশে বসুন। তাতে তাদের সাথে বাক্য বিনিময়ে তারা কথা বলার কৌশল আয়ত্ত করতে পারবে। -(তারীখুল কাবীর, আবু হাতেম, ইবনে হিব্বান)
حدثنا إبراهيم بن المنذر قال: حدثني معن قال: حدثني عمر بن سلام، أن عبد الملك بن مروان دفع ولده إلى الشعبي يؤدبهم، فقال: علمهم الشعر يمجدوا وينجدوا، وأطعمهم اللحم تشتد قلوبهم، وجز شعورهم تشتد رقابهم، وجالس بهم علية الرجال يناقضوهم الكلام
আদাবুল মুফরাদ > অনুচ্ছেদঃ নিন্দনীয় কবিতা।
আদাবুল মুফরাদ ৮৮২
حدثنا قتيبة قال: حدثنا جرير، عن الأعمش، عن عمرو بن مرة، عن يوسف بن ماهك، عن عبيد بن عمير، عن عائشة رضي الله عنها، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال: «إن أعظم الناس جرما إنسان شاعر يهجو القبيلة من أسرها، ورجل انتفى من أبيه»
নবী (সাঃ) বলেনঃ মানুষের মধ্যে মারাত্মক অপরাধী হলো সেই কবি যে সমগ্র গোত্রের নিন্দা করে এবং যে ব্যক্তি নিজ পিতাকে অস্বীকার করে। -(ইবনে মাজাহ হা/৩৭৬১)
নবী (সাঃ) বলেনঃ মানুষের মধ্যে মারাত্মক অপরাধী হলো সেই কবি যে সমগ্র গোত্রের নিন্দা করে এবং যে ব্যক্তি নিজ পিতাকে অস্বীকার করে। -(ইবনে মাজাহ হা/৩৭৬১)
حدثنا قتيبة قال: حدثنا جرير، عن الأعمش، عن عمرو بن مرة، عن يوسف بن ماهك، عن عبيد بن عمير، عن عائشة رضي الله عنها، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال: «إن أعظم الناس جرما إنسان شاعر يهجو القبيلة من أسرها، ورجل انتفى من أبيه»
আদাবুল মুফরাদ > অনুচ্ছেদঃ বাচালতা।
আদাবুল মুফরাদ ৮৮৪
حدثنا سعيد بن أبي مريم قال: حدثنا محمد بن جعفر قال: أخبرني حميد، أنه سمع أنسا يقول: خطب رجل عند عمر فأكثر الكلام، فقال عمر: إن كثرة الكلام في الخطب من شقاشق الشيطان
এক ব্যক্তি উমার (রাঃ)-র সামনে দীর্ঘ বক্তৃতা করলো। উমার (রাঃ) বলেন, বক্তৃতায় লম্বা-চওড়া কথা বলা শয়তানের কাজ।
এক ব্যক্তি উমার (রাঃ)-র সামনে দীর্ঘ বক্তৃতা করলো। উমার (রাঃ) বলেন, বক্তৃতায় লম্বা-চওড়া কথা বলা শয়তানের কাজ।
حدثنا سعيد بن أبي مريم قال: حدثنا محمد بن جعفر قال: أخبرني حميد، أنه سمع أنسا يقول: خطب رجل عند عمر فأكثر الكلام، فقال عمر: إن كثرة الكلام في الخطب من شقاشق الشيطان
আদাবুল মুফরাদ ৮৮৫
حدثنا أحمد بن إسحاق قال: حدثنا يحيى بن حماد قال: حدثنا أبو عوانة، عن عاصم بن كليب قال: حدثني سهيل بن ذراع قال: سمعت أبا يزيد أو معن بن يزيد أن النبي صلى الله عليه وسلم قال: «اجتمعوا في مساجدكم، وكلما اجتمع قوم فليؤذنوني» ، فأتانا أول من أتى، فجلس، فتكلم متكلم منا، ثم قال: إن الحمد لله الذي ليس للحمد دونه مقصد، ولا وراءه منفذ. فغضب فقام، فتلاومنا بيننا، فقلنا: أتانا أول من أتى، فذهب إلى مسجد آخر فجلس فيه، فأتيناه فكلمناه، فجاء معنا فقعد في مجلسه أو قريبا من مجلسه، ثم قال: «الحمد لله الذي ما شاء جعل بين يديه، وما شاء جعل خلفه، وإن من البيان سحرا» ، ثم أمرنا وعلمنا
নবী (সাঃ) বলে পাঠানঃ তোমরা তোমাদের মসজিসমূহে একত্র হও। লোকজন একত্র হলে তারা যেন আমাকে খবর দেয়। অতঃপর আগমনকারী প্রথমে আমাদের মসজিদে আসেন এবং বসেন। তখন আমাদের মধ্যকার এক ব্যক্তি দাঁড়িয়ে কিছু কথা বলেন। তিনি বলেন, সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর যাঁর প্রশংসা দ্বারা একমাত্র তাঁর সত্তা ছাড়া আর কিছুই কাম্য নয়। আর তিনি ছাড়া পালিয়ে যাবার অন্য কোন ঠাই নাই। এতে নবী (সাঃ) অসন্তুষ্ট হন এবং উঠে চলে যান। আমরা এজন্য পরস্পরকে দোষারোপ করে বললাম, আগন্তুক তো প্রথমেই আমাদের মসজিদে আসেন (আর আমরা তাঁকে অসন্তুষ্ট করলাম)। অতঃপর তিনি অন্য এক মসজিদে গিয়ে সেখানে বসেন। আমরা সেখানে উপস্থিত হয়ে তাঁর নিকট (ক্ষমা চাইলাম)। অতএব তিনি আমাদের সাথে ফিরে এলেন এবং তাঁর আগের জায়গায় বা তার সন্নিকটে বসেন, অতঃপর বলেনঃ সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর, যিনি যা ইচ্ছা তাঁর সম্মুখে করেন এবং যা ইচ্ছা তাঁর পশ্চাতে করেন। আর কোন কোন বক্তৃতায় যাদুকরী প্রভাব থাকে। অতঃপর তিনি আমাদের উদ্দেশ্যে ওয়াজ-নসীহত করেন এবং জ্ঞান দান করেন। (আহমাদ হা/১৫৯৫৫)
নবী (সাঃ) বলে পাঠানঃ তোমরা তোমাদের মসজিসমূহে একত্র হও। লোকজন একত্র হলে তারা যেন আমাকে খবর দেয়। অতঃপর আগমনকারী প্রথমে আমাদের মসজিদে আসেন এবং বসেন। তখন আমাদের মধ্যকার এক ব্যক্তি দাঁড়িয়ে কিছু কথা বলেন। তিনি বলেন, সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর যাঁর প্রশংসা দ্বারা একমাত্র তাঁর সত্তা ছাড়া আর কিছুই কাম্য নয়। আর তিনি ছাড়া পালিয়ে যাবার অন্য কোন ঠাই নাই। এতে নবী (সাঃ) অসন্তুষ্ট হন এবং উঠে চলে যান। আমরা এজন্য পরস্পরকে দোষারোপ করে বললাম, আগন্তুক তো প্রথমেই আমাদের মসজিদে আসেন (আর আমরা তাঁকে অসন্তুষ্ট করলাম)। অতঃপর তিনি অন্য এক মসজিদে গিয়ে সেখানে বসেন। আমরা সেখানে উপস্থিত হয়ে তাঁর নিকট (ক্ষমা চাইলাম)। অতএব তিনি আমাদের সাথে ফিরে এলেন এবং তাঁর আগের জায়গায় বা তার সন্নিকটে বসেন, অতঃপর বলেনঃ সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর, যিনি যা ইচ্ছা তাঁর সম্মুখে করেন এবং যা ইচ্ছা তাঁর পশ্চাতে করেন। আর কোন কোন বক্তৃতায় যাদুকরী প্রভাব থাকে। অতঃপর তিনি আমাদের উদ্দেশ্যে ওয়াজ-নসীহত করেন এবং জ্ঞান দান করেন। (আহমাদ হা/১৫৯৫৫)
حدثنا أحمد بن إسحاق قال: حدثنا يحيى بن حماد قال: حدثنا أبو عوانة، عن عاصم بن كليب قال: حدثني سهيل بن ذراع قال: سمعت أبا يزيد أو معن بن يزيد أن النبي صلى الله عليه وسلم قال: «اجتمعوا في مساجدكم، وكلما اجتمع قوم فليؤذنوني» ، فأتانا أول من أتى، فجلس، فتكلم متكلم منا، ثم قال: إن الحمد لله الذي ليس للحمد دونه مقصد، ولا وراءه منفذ. فغضب فقام، فتلاومنا بيننا، فقلنا: أتانا أول من أتى، فذهب إلى مسجد آخر فجلس فيه، فأتيناه فكلمناه، فجاء معنا فقعد في مجلسه أو قريبا من مجلسه، ثم قال: «الحمد لله الذي ما شاء جعل بين يديه، وما شاء جعل خلفه، وإن من البيان سحرا» ، ثم أمرنا وعلمنا
আদাবুল মুফরাদ ৮৮৩
حدثنا عبد الله بن محمد قال: حدثنا أبو عامر العقدي قال: حدثنا زهير عن زيد بن أسلم قال: سمعت ابن عمر يقول: قدم رجلان من المشرق خطيبان على عهد رسول الله صلى الله عليه وسلم، فقاما فتكلما ثم قعدا، وقام ثابت بن قيس، خطيب رسول الله صلى الله عليه وسلم فتكلم، فعجب الناس من كلامهما، فقام رسول الله صلى الله عليه وسلم يخطب فقال: «يا أيها الناس، قولوا قولكم، فإنما تشقيق الكلام من الشيطان» ثم قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «إن من البيان سحرا»
রাসূলুল্লাহ (সাঃ)-এর যুগে প্রাচ্য থেকে দুই বাগ্মী পুরুষ (মদীনায়) আসে। তারা দাঁড়িয়ে বক্তৃতা করলো, অতঃপর বসলো। অতঃপর রাসূলুল্লাহ (সাঃ)-এর বক্তা সাবিত ইবনে কায়েস (রাঃ) দাঁড়িয়ে ভাষণ দিলেন। কিন্তু লোকজন পূর্বের দুই বক্তার বক্তৃতায়ই অভিভূত হলো। অতঃপর রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ভাষণ দিতে দাঁড়িয়ে বলেনঃ হে জনগণ! নিজেদের কথা বলো। কেননা মারপ্যাচের কথা বলা শয়তানের অভ্যাস। অতঃপর রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেনঃ কোন কোন বক্তৃতায় যাদুকরী প্রভাব থাকে। -(বুখারী, আবু দাউদ, তিরমিযী, ইবনে হিব্বান)
রাসূলুল্লাহ (সাঃ)-এর যুগে প্রাচ্য থেকে দুই বাগ্মী পুরুষ (মদীনায়) আসে। তারা দাঁড়িয়ে বক্তৃতা করলো, অতঃপর বসলো। অতঃপর রাসূলুল্লাহ (সাঃ)-এর বক্তা সাবিত ইবনে কায়েস (রাঃ) দাঁড়িয়ে ভাষণ দিলেন। কিন্তু লোকজন পূর্বের দুই বক্তার বক্তৃতায়ই অভিভূত হলো। অতঃপর রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ভাষণ দিতে দাঁড়িয়ে বলেনঃ হে জনগণ! নিজেদের কথা বলো। কেননা মারপ্যাচের কথা বলা শয়তানের অভ্যাস। অতঃপর রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেনঃ কোন কোন বক্তৃতায় যাদুকরী প্রভাব থাকে। -(বুখারী, আবু দাউদ, তিরমিযী, ইবনে হিব্বান)
حدثنا عبد الله بن محمد قال: حدثنا أبو عامر العقدي قال: حدثنا زهير عن زيد بن أسلم قال: سمعت ابن عمر يقول: قدم رجلان من المشرق خطيبان على عهد رسول الله صلى الله عليه وسلم، فقاما فتكلما ثم قعدا، وقام ثابت بن قيس، خطيب رسول الله صلى الله عليه وسلم فتكلم، فعجب الناس من كلامهما، فقام رسول الله صلى الله عليه وسلم يخطب فقال: «يا أيها الناس، قولوا قولكم، فإنما تشقيق الكلام من الشيطان» ثم قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «إن من البيان سحرا»