আদাবুল মুফরাদ > অনুচ্ছেদঃ আবুল হাকাম উপনাম।
আদাবুল মুফরাদ ৮১৮
حدثنا أحمد بن يعقوب قال: حدثنا يزيد بن المقدام بن شريح بن هانئ الحارثي، عن أبيه المقدام، عن شريح بن هانئ قال: حدثني هانئ بن يزيد، أنه لما وفد إلى النبي صلى الله عليه وسلم مع قومه، فسمعهم النبي صلى الله عليه وسلم وهم يكنونه بأبي الحكم، فدعاه النبي صلى الله عليه وسلم فقال: «إن الله هو الحكم، وإليه الحكم، فلم تكنيت بأبي الحكم؟» قال: لا، ولكن قومي إذا اختلفوا في شيء أتوني فحكمت بينهم، فرضي كلا الفريقين، قال: «ما أحسن هذا» ، ثم قال: «ما لك من الولد؟» قلت: لي شريح، وعبد الله، ومسلم، بنو هانئ، قال: «فمن أكبرهم؟» قلت: شريح، قال: «فأنت أبو شريح» ، ودعا له وولدهوسمع النبي صلى الله عليه وسلم قوما يسمون رجلا منهم: عبد الحجر، فقال النبي صلى الله عليه وسلم: «ما اسمك؟» قال: عبد الحجر، قال: «لا، أنت عبد الله»قال شريح: وإن هانئا لما حضر رجوعه إلى بلاده أتى النبي صلى الله عليه وسلم فقال: أخبرني بأي شيء يوجب لي الجنة؟ قال: «عليك بحسن الكلام، وبذل الطعام»
তিনি তার সম্প্রদায়ের প্রতিনিধি দলের সাথে নবী (সাঃ)-এর নিকট গেলেন। নবী (সাঃ) তাদের কাছে শুনলেন যে, তারা তাকে “আবুল হিকাম” ডাকনাম দিয়েছে। নবী (সাঃ) তাকে ডেকে এনে বলেনঃ আল্লাহই হলেন হিকাম (হুকুমের মালিক) এবং তিনিই কেবল হুকুম দিতে পারেন। অতএব তুমি নিজের জন্য আবুল হিকাম উপনাম রাখলে কী করে? তিনি বলেন, ব্যাপারটি তা নয়, বরং আমার সম্প্রদায়ের মধ্যে কোন ব্যাপারে মতানৈক্য হলে তারা আমার কাছে আসে এবং আমি তাদের মধ্যে মীমাংসা করে দেই। উভয় পক্ষই আমার মীমাংসা মেনে নেয়। তিনি বলেনঃ তা তো খুবই উত্তম। তিনি পুনরায় জিজ্ঞেস করেনঃ তোমার কি কোন সন্তান আছে? আমি বললাম, শুরায়হ, আবদুল্লাহ ও মুসলিম নামে আমার তিন সন্তান আছে। তিনি বলেনঃ তাদের মধ্যে বয়জ্যেষ্ঠ কে? আমি বললাম, শুরায়হ। তিনি বলেনঃ তাহলে তুমি আবু শুরায়হ। অতঃপর তিনি তার জন্য এবং তার সন্তানদের জন্য দোয়া করলেন। নবী (সাঃ) শুনতে পেলেন যে, প্রতিনিধি দল তাদের একজনকে “আবদুল হাজার” (পাথরের দাস) নামে ডাকে। নবী (সাঃ) জিজ্ঞেস করেনঃ তোমার নাম কি? সে বললো, আবদুল হাজার। তিনি বলেনঃ নাসাঈ, তোমার নাম আবদুল্লাহ। শুরায়হ (রাঃ) বলেন, স্বদেশে ফেরার সময় হলে হানী (রাঃ) নবী (সাঃ)-এর নিকট উপস্থিত হয়ে বলেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমাকে বলুন, কোন জিনিস আমার জন্য জান্নাত অবধারিত করবে। তিনি বলেনঃ তুমি সর্বদা উত্তম কথা বলবে এবং আহার্য দান করবে। -(আবু দাউদ, তিরমিযী, ইবনে হিব্বান, হাকিম)
তিনি তার সম্প্রদায়ের প্রতিনিধি দলের সাথে নবী (সাঃ)-এর নিকট গেলেন। নবী (সাঃ) তাদের কাছে শুনলেন যে, তারা তাকে “আবুল হিকাম” ডাকনাম দিয়েছে। নবী (সাঃ) তাকে ডেকে এনে বলেনঃ আল্লাহই হলেন হিকাম (হুকুমের মালিক) এবং তিনিই কেবল হুকুম দিতে পারেন। অতএব তুমি নিজের জন্য আবুল হিকাম উপনাম রাখলে কী করে? তিনি বলেন, ব্যাপারটি তা নয়, বরং আমার সম্প্রদায়ের মধ্যে কোন ব্যাপারে মতানৈক্য হলে তারা আমার কাছে আসে এবং আমি তাদের মধ্যে মীমাংসা করে দেই। উভয় পক্ষই আমার মীমাংসা মেনে নেয়। তিনি বলেনঃ তা তো খুবই উত্তম। তিনি পুনরায় জিজ্ঞেস করেনঃ তোমার কি কোন সন্তান আছে? আমি বললাম, শুরায়হ, আবদুল্লাহ ও মুসলিম নামে আমার তিন সন্তান আছে। তিনি বলেনঃ তাদের মধ্যে বয়জ্যেষ্ঠ কে? আমি বললাম, শুরায়হ। তিনি বলেনঃ তাহলে তুমি আবু শুরায়হ। অতঃপর তিনি তার জন্য এবং তার সন্তানদের জন্য দোয়া করলেন। নবী (সাঃ) শুনতে পেলেন যে, প্রতিনিধি দল তাদের একজনকে “আবদুল হাজার” (পাথরের দাস) নামে ডাকে। নবী (সাঃ) জিজ্ঞেস করেনঃ তোমার নাম কি? সে বললো, আবদুল হাজার। তিনি বলেনঃ নাসাঈ, তোমার নাম আবদুল্লাহ। শুরায়হ (রাঃ) বলেন, স্বদেশে ফেরার সময় হলে হানী (রাঃ) নবী (সাঃ)-এর নিকট উপস্থিত হয়ে বলেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমাকে বলুন, কোন জিনিস আমার জন্য জান্নাত অবধারিত করবে। তিনি বলেনঃ তুমি সর্বদা উত্তম কথা বলবে এবং আহার্য দান করবে। -(আবু দাউদ, তিরমিযী, ইবনে হিব্বান, হাকিম)
حدثنا أحمد بن يعقوب قال: حدثنا يزيد بن المقدام بن شريح بن هانئ الحارثي، عن أبيه المقدام، عن شريح بن هانئ قال: حدثني هانئ بن يزيد، أنه لما وفد إلى النبي صلى الله عليه وسلم مع قومه، فسمعهم النبي صلى الله عليه وسلم وهم يكنونه بأبي الحكم، فدعاه النبي صلى الله عليه وسلم فقال: «إن الله هو الحكم، وإليه الحكم، فلم تكنيت بأبي الحكم؟» قال: لا، ولكن قومي إذا اختلفوا في شيء أتوني فحكمت بينهم، فرضي كلا الفريقين، قال: «ما أحسن هذا» ، ثم قال: «ما لك من الولد؟» قلت: لي شريح، وعبد الله، ومسلم، بنو هانئ، قال: «فمن أكبرهم؟» قلت: شريح، قال: «فأنت أبو شريح» ، ودعا له وولدهوسمع النبي صلى الله عليه وسلم قوما يسمون رجلا منهم: عبد الحجر، فقال النبي صلى الله عليه وسلم: «ما اسمك؟» قال: عبد الحجر، قال: «لا، أنت عبد الله»قال شريح: وإن هانئا لما حضر رجوعه إلى بلاده أتى النبي صلى الله عليه وسلم فقال: أخبرني بأي شيء يوجب لي الجنة؟ قال: «عليك بحسن الكلام، وبذل الطعام»
আদাবুল মুফরাদ > অনুচ্ছেদঃ নবী (সাঃ)-এর পছন্দনীয় নাম “হাসান”।
আদাবুল মুফরাদ ৮১৯
حدثنا محمد بن المثنى قال: حدثنا سلم بن قتيبة قال: حدثنا حمل بن بشير بن أبي حدرد قال: حدثني عمي، عن أبي حدرد قال: قال النبي صلى الله عليه وسلم: «من يسوق إبلنا هذه؟» أو قال: «من يبلغ إبلنا هذه؟» قال رجل: أنا، فقال: «ما اسمك؟» قال: فلان، قال: «اجلس» ، ثم قام آخر، فقال: «ما اسمك؟» قال: فلان، فقال: «اجلس» ، ثم قام آخر، فقال: «ما اسمك؟» قال: ناجية، قال: «أنت لها، فسقها»
নবী (সাঃ) বললেনঃ আমাদের এই উটগুলোকে কে চরাতে নিয়ে যাবে বা (চারণভূমিতে) পৌঁছিয়ে দিবে? এক ব্যক্তি বললো, আমি। তিনি জিজ্ঞেস করেনঃ তোমার নাম কি? সে বললো, অমুক। তিনি বলেনঃ তুমি বসো। অতঃপর আর এক ব্যক্তি উঠে দাঁড়ালে তিনি বলেনঃ তোমার নাম কি? সে বললো, অমুক। তিনি বলেনঃ তুমিও বসো। অতঃপর আরেক ব্যক্তি দাঁড়ালে তিনি বলেনঃ তোমার নাম কি? সে বললো, নাজিয়া (মুক্তিপ্রাপ্ত)। তিনি বলেনঃ তুমিই তার যোগ্য। তুমি তা (চরাতে) নিয়ে যাও। (হাকিম)
নবী (সাঃ) বললেনঃ আমাদের এই উটগুলোকে কে চরাতে নিয়ে যাবে বা (চারণভূমিতে) পৌঁছিয়ে দিবে? এক ব্যক্তি বললো, আমি। তিনি জিজ্ঞেস করেনঃ তোমার নাম কি? সে বললো, অমুক। তিনি বলেনঃ তুমি বসো। অতঃপর আর এক ব্যক্তি উঠে দাঁড়ালে তিনি বলেনঃ তোমার নাম কি? সে বললো, অমুক। তিনি বলেনঃ তুমিও বসো। অতঃপর আরেক ব্যক্তি দাঁড়ালে তিনি বলেনঃ তোমার নাম কি? সে বললো, নাজিয়া (মুক্তিপ্রাপ্ত)। তিনি বলেনঃ তুমিই তার যোগ্য। তুমি তা (চরাতে) নিয়ে যাও। (হাকিম)
حدثنا محمد بن المثنى قال: حدثنا سلم بن قتيبة قال: حدثنا حمل بن بشير بن أبي حدرد قال: حدثني عمي، عن أبي حدرد قال: قال النبي صلى الله عليه وسلم: «من يسوق إبلنا هذه؟» أو قال: «من يبلغ إبلنا هذه؟» قال رجل: أنا، فقال: «ما اسمك؟» قال: فلان، قال: «اجلس» ، ثم قام آخر، فقال: «ما اسمك؟» قال: فلان، فقال: «اجلس» ، ثم قام آخر، فقال: «ما اسمك؟» قال: ناجية، قال: «أنت لها، فسقها»
আদাবুল মুফরাদ > অনুচ্ছেদঃ তাড়াহুড়া করে হাঁটা।
আদাবুল মুফরাদ ৮২০
حدثنا إسحاق قال: أخبرنا جرير، عن قابوس، عن أبيه، عن ابن عباس قال: أقبل نبي الله صلى الله عليه وسلم مسرعا ونحن قعود، حتى أفزعنا سرعته إلينا، فلما انتهى إلينا سلم، ثم قال: «قد أقبلت إليكم مسرعا، لأخبركم بليلة القدر، فنسيتها فيما بيني وبينكم، فالتمسوها في العشر الأواخر» --- [قال الشيخ الألباني] : صحيح لغيره دون سبب الحديث والإسراع
নবী (সাঃ) দ্রুত গতিতে এসে উপস্থিত হলেন। আমরা তখন বসা অবস্থায় ছিলাম। আমাদের দিকে তাঁর দ্রুত আসায় আমরা শংকিত হলাম। তিনি আমাদের কাছে পৌঁছে সালাম দিলেন, অতঃপর বলেনঃ আমি তোমাদেরকে লাইলাতুল কদর সম্পর্কে অবহিত করার জন্য তোমাদের দিকে দ্রুতপদে এসেছি, কিন্তু তোমাদের কাছে পৌঁছতে পৌঁছতে তা ভুলে গিয়েছি। অতএব তোমরা তা রমযানের শেষ দশকে খোঁজ করো। (আহমাদ)
নবী (সাঃ) দ্রুত গতিতে এসে উপস্থিত হলেন। আমরা তখন বসা অবস্থায় ছিলাম। আমাদের দিকে তাঁর দ্রুত আসায় আমরা শংকিত হলাম। তিনি আমাদের কাছে পৌঁছে সালাম দিলেন, অতঃপর বলেনঃ আমি তোমাদেরকে লাইলাতুল কদর সম্পর্কে অবহিত করার জন্য তোমাদের দিকে দ্রুতপদে এসেছি, কিন্তু তোমাদের কাছে পৌঁছতে পৌঁছতে তা ভুলে গিয়েছি। অতএব তোমরা তা রমযানের শেষ দশকে খোঁজ করো। (আহমাদ)
حدثنا إسحاق قال: أخبرنا جرير، عن قابوس، عن أبيه، عن ابن عباس قال: أقبل نبي الله صلى الله عليه وسلم مسرعا ونحن قعود، حتى أفزعنا سرعته إلينا، فلما انتهى إلينا سلم، ثم قال: «قد أقبلت إليكم مسرعا، لأخبركم بليلة القدر، فنسيتها فيما بيني وبينكم، فالتمسوها في العشر الأواخر» --- [قال الشيخ الألباني] : صحيح لغيره دون سبب الحديث والإسراع