আদাবুল মুফরাদ > অনুচ্ছেদঃ গীবতের উদ্দেশ্যে নয়, বরং পরিচয় দানের উদ্দেশ্যে কোন ব্যক্তির এরূপ বলাঃ অমুক কৃষ্ণকায়, খর্বাকৃতি বা দীর্ঘদেহী।

আদাবুল মুফরাদ ৭৬০

حدثنا موسى قال: حدثنا حماد بن سلمة، عن محمد بن عمرو، عن أبي سلمة، عن عائشة رضي الله عنها قالت: استأذن رجل على النبي صلى الله عليه وسلم فقال: «بئس أخو العشيرة» ، فلما دخل انبسط إليه، فقلت له؟ فقال: «إن الله لا يحب الفاحش المتفحش»

এক ব্যক্তি নবী (সাঃ)-এর সাক্ষাত প্রার্থনা করলো। তিনি বলেনঃ গোত্রের মন্দ লোক। অতঃপর সে ভেতরে প্রবেশ করলে তিনি তার সাথে প্রসন্ন বদনে সাক্ষাত করেন। (পরে) আমি তাঁকে বললে তিনি বলেনঃ আল্লাহ অশ্লীলভাষীকে এবং অশ্লীল আচরণকারীকে পছন্দ করেন না। (বুখারী, মুসলিম)

এক ব্যক্তি নবী (সাঃ)-এর সাক্ষাত প্রার্থনা করলো। তিনি বলেনঃ গোত্রের মন্দ লোক। অতঃপর সে ভেতরে প্রবেশ করলে তিনি তার সাথে প্রসন্ন বদনে সাক্ষাত করেন। (পরে) আমি তাঁকে বললে তিনি বলেনঃ আল্লাহ অশ্লীলভাষীকে এবং অশ্লীল আচরণকারীকে পছন্দ করেন না। (বুখারী, মুসলিম)

حدثنا موسى قال: حدثنا حماد بن سلمة، عن محمد بن عمرو، عن أبي سلمة، عن عائشة رضي الله عنها قالت: استأذن رجل على النبي صلى الله عليه وسلم فقال: «بئس أخو العشيرة» ، فلما دخل انبسط إليه، فقلت له؟ فقال: «إن الله لا يحب الفاحش المتفحش»


আদাবুল মুফরাদ ৭৬১

حدثنا محمد بن كثير قال: أخبرنا سفيان قال: حدثني عبد الرحمن، عن القاسم، عن عائشة رضي الله عنها قالت: استأذنت رسول الله صلى الله عليه وسلم سودة ليلة جمع - وكانت امرأة ثقيلة ثبطة - فأذن لها

সাওদা (রাঃ) মুযদালিফার রাতে যাত্রা করার জন্য নবী (সাঃ)-এর কাছে অনুমতি চাইলে তিনি তাকে অনুমতি দিলেন। সাওদা (রাঃ) ছিলেন মন্থর গতিসম্পন্ন স্থূলদেহী মহিলা। সুতরাং তিনি (সাঃ) তাকে অনুমতি দিলেন। -(বুখারী, মুসলিম, ইবনে মাজাহ)

সাওদা (রাঃ) মুযদালিফার রাতে যাত্রা করার জন্য নবী (সাঃ)-এর কাছে অনুমতি চাইলে তিনি তাকে অনুমতি দিলেন। সাওদা (রাঃ) ছিলেন মন্থর গতিসম্পন্ন স্থূলদেহী মহিলা। সুতরাং তিনি (সাঃ) তাকে অনুমতি দিলেন। -(বুখারী, মুসলিম, ইবনে মাজাহ)

حدثنا محمد بن كثير قال: أخبرنا سفيان قال: حدثني عبد الرحمن، عن القاسم، عن عائشة رضي الله عنها قالت: استأذنت رسول الله صلى الله عليه وسلم سودة ليلة جمع - وكانت امرأة ثقيلة ثبطة - فأذن لها


আদাবুল মুফরাদ ৭৫৯

حدثنا عبد العزيز بن عبد الله قال: حدثنا إبراهيم بن سعد، عن صالح بن كيسان، عن ابن شهاب قال: أخبرني ابن أخي أبي رهم كلثوم بن الحصين الغفاري، أنه سمع أبا رهم - وكان من أصحاب رسول الله صلى الله عليه وسلم الذين بايعوه تحت الشجرة - يقول: غزوت مع رسول الله صلى الله عليه وسلم غزوة تبوك، فنمت ليلة بالأخضر، فصرت قريبا منه، فألقي علينا النعاس، فطفقت أستيقظ وقد دنت راحلتي من راحلته، فيفزعني دنوها خشية أن تصيب رجله في الغرز، فطفقت أؤخر راحلتي حتى غلبتني عيني بعض الليل، فزاحمت راحلتي راحلة رسول الله صلى الله عليه وسلم، ورجله في الغرز، فأصبت رجله، فلم أستيقظ إلا بقوله: «حس» ، فقلت: يا رسول الله، استغفر لي، فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «سر» . فطفق رسول الله صلى الله عليه وسلم يسألني عن من تخلف من بني غفار فأخبره، فقال - وهو يسألني: «ما فعل النفر الحمر الطوال الثطاط؟» قال: فحدثته بتخلفهم، قال: «فما فعل السود الجعاد القصار الذين لهم نعم بشبكة شرخ؟» فتذكرتهم في بني غفار، فلم أذكرهم حتى ذكرت أنهم رهط من أسلم، فقلت: يا رسول الله، أولئك من أسلم، قال: «فما يمنع أحد أولئك، حين يتخلف، أن يحمل على بعير من إبله امرءا نشيطا في سبيل الله؟ فإن أعز أهلي علي أن يتخلف عني المهاجرون من قريش والأنصار، وغفار وأسلم»

তিনি ছিলেন বৃক্ষতলে (হুদাইবিয়ায়) রাসূলুল্লাহ (সাঃ)-এর নিকট বাইআতকারী সাহাবীদের অন্তর্ভুক্ত। তিনি বলেন, আমি তাবুকের যুদ্ধে রাসূলুল্লাহ (সাঃ)-এর সঙ্গে অংশগ্রহণ করি। এক রাতে আমি নৈশ প্রহরায় দাঁড়ালাম। আমি তাঁর নিকটেই পাহারা দিচ্ছিলাম। আমি তন্দ্রাচ্ছন্ন হয়ে পড়লাম এবং জেগে থাকতে চেষ্টা করলাম। আমার জন্তুযান তাঁর জন্তুযানের কাছাকাছি এসে পড়লে আমার আশংকা হলো, কখন জানি আমার জন্তুযান আরও কাছাকাছি চলে এলে পাদানিতে রাখা তাঁর পায়ে আমার জন্তুযানের ধাক্কায় ব্যাথা পান। তাই আমি আমার জন্তুযানকে হটাতে থাকলাম। শেষে রাতের কোন এক অংশে আমার চোখে তন্দ্রা এলো এবং আমার জন্তুযান রাসূলুল্লাহ (সাঃ)-এর জন্তুযানকে ধাক্কা দিলো। তখনো তাঁর পা পদানিতে ছিল এবং তা আমার পায়ের সাথে লেগে গেলো। কিন্তু তবুও আমার ঘুম ভাংলো না। রাসূলুল্লাহ (সাঃ)-এর ‘সজাগ হও’ কথায় আমার ঘুম ছুটলো। আমি বললাম, ইয়া রাসূলাল্লাহ আমার জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করুন। রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেনঃ সামনে চলো। অতঃপর রাসূলুল্লাহ (সাঃ) আমাকে গিফার গোত্রের কে কে যুদ্ধে যোগদান থেকে পেছনে রয়ে গেছে সেই সম্পর্কে জিজ্ঞেস করতে লাগলেন। তিনি আমাকে জিজ্ঞেস করেনঃ ঐ যে গৌর বর্ণ দীর্ঘদেহী যাদের চোয়ালে সামান্য দাড়ি আছে তারা কি করেছে? আমি তাদের পেছনে থেকে যাওয়ার কথা তাঁকে জানালাম। তিনি জিজ্ঞেস করলেনঃ ঐ যে কৃষ্ণবর্ণ খর্বাকৃতির লোকগুলো কি করেছে, শাবকা শাদাখ নামক পানির উৎসে যাদের পশুপাল আছে? আমি গিফার গোত্রের মধ্যে আমার স্মৃতিচারণ করলাম, কিন্তু সেই গোত্রে তেমন কাউকে স্মরণ করতে পারলাম না। আমার স্মরণ হলো যে, তারা তো আসলাম গোত্রের লোক। আমি বললাম, ইয়া রাসূলাল্লাহ। তারা তো আসলাম গোত্রের লোক। তিনি বলেনঃ তাদের কোন সুচতুর কর্মঠ লোককে তার জন্তুযানে আরোহণ করিয়ে আল্লাহর রাস্তায় পাঠাতে তাদের কিসে বাধা দিলো? আমার একথা চিন্তা করতে কষ্ট হয় যে, কুরাইশ বংশীয় মুহাজিরগণ, আনসারগণ, গিফার গোত্রের লোক এবং আসলাম গোত্রের কেউ যুদ্ধে অংশগ্রহণ থেকে পিছনে থেকে যাবে। (আহমাদ হা/১৯২৮২)

তিনি ছিলেন বৃক্ষতলে (হুদাইবিয়ায়) রাসূলুল্লাহ (সাঃ)-এর নিকট বাইআতকারী সাহাবীদের অন্তর্ভুক্ত। তিনি বলেন, আমি তাবুকের যুদ্ধে রাসূলুল্লাহ (সাঃ)-এর সঙ্গে অংশগ্রহণ করি। এক রাতে আমি নৈশ প্রহরায় দাঁড়ালাম। আমি তাঁর নিকটেই পাহারা দিচ্ছিলাম। আমি তন্দ্রাচ্ছন্ন হয়ে পড়লাম এবং জেগে থাকতে চেষ্টা করলাম। আমার জন্তুযান তাঁর জন্তুযানের কাছাকাছি এসে পড়লে আমার আশংকা হলো, কখন জানি আমার জন্তুযান আরও কাছাকাছি চলে এলে পাদানিতে রাখা তাঁর পায়ে আমার জন্তুযানের ধাক্কায় ব্যাথা পান। তাই আমি আমার জন্তুযানকে হটাতে থাকলাম। শেষে রাতের কোন এক অংশে আমার চোখে তন্দ্রা এলো এবং আমার জন্তুযান রাসূলুল্লাহ (সাঃ)-এর জন্তুযানকে ধাক্কা দিলো। তখনো তাঁর পা পদানিতে ছিল এবং তা আমার পায়ের সাথে লেগে গেলো। কিন্তু তবুও আমার ঘুম ভাংলো না। রাসূলুল্লাহ (সাঃ)-এর ‘সজাগ হও’ কথায় আমার ঘুম ছুটলো। আমি বললাম, ইয়া রাসূলাল্লাহ আমার জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করুন। রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেনঃ সামনে চলো। অতঃপর রাসূলুল্লাহ (সাঃ) আমাকে গিফার গোত্রের কে কে যুদ্ধে যোগদান থেকে পেছনে রয়ে গেছে সেই সম্পর্কে জিজ্ঞেস করতে লাগলেন। তিনি আমাকে জিজ্ঞেস করেনঃ ঐ যে গৌর বর্ণ দীর্ঘদেহী যাদের চোয়ালে সামান্য দাড়ি আছে তারা কি করেছে? আমি তাদের পেছনে থেকে যাওয়ার কথা তাঁকে জানালাম। তিনি জিজ্ঞেস করলেনঃ ঐ যে কৃষ্ণবর্ণ খর্বাকৃতির লোকগুলো কি করেছে, শাবকা শাদাখ নামক পানির উৎসে যাদের পশুপাল আছে? আমি গিফার গোত্রের মধ্যে আমার স্মৃতিচারণ করলাম, কিন্তু সেই গোত্রে তেমন কাউকে স্মরণ করতে পারলাম না। আমার স্মরণ হলো যে, তারা তো আসলাম গোত্রের লোক। আমি বললাম, ইয়া রাসূলাল্লাহ। তারা তো আসলাম গোত্রের লোক। তিনি বলেনঃ তাদের কোন সুচতুর কর্মঠ লোককে তার জন্তুযানে আরোহণ করিয়ে আল্লাহর রাস্তায় পাঠাতে তাদের কিসে বাধা দিলো? আমার একথা চিন্তা করতে কষ্ট হয় যে, কুরাইশ বংশীয় মুহাজিরগণ, আনসারগণ, গিফার গোত্রের লোক এবং আসলাম গোত্রের কেউ যুদ্ধে অংশগ্রহণ থেকে পিছনে থেকে যাবে। (আহমাদ হা/১৯২৮২)

حدثنا عبد العزيز بن عبد الله قال: حدثنا إبراهيم بن سعد، عن صالح بن كيسان، عن ابن شهاب قال: أخبرني ابن أخي أبي رهم كلثوم بن الحصين الغفاري، أنه سمع أبا رهم - وكان من أصحاب رسول الله صلى الله عليه وسلم الذين بايعوه تحت الشجرة - يقول: غزوت مع رسول الله صلى الله عليه وسلم غزوة تبوك، فنمت ليلة بالأخضر، فصرت قريبا منه، فألقي علينا النعاس، فطفقت أستيقظ وقد دنت راحلتي من راحلته، فيفزعني دنوها خشية أن تصيب رجله في الغرز، فطفقت أؤخر راحلتي حتى غلبتني عيني بعض الليل، فزاحمت راحلتي راحلة رسول الله صلى الله عليه وسلم، ورجله في الغرز، فأصبت رجله، فلم أستيقظ إلا بقوله: «حس» ، فقلت: يا رسول الله، استغفر لي، فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «سر» . فطفق رسول الله صلى الله عليه وسلم يسألني عن من تخلف من بني غفار فأخبره، فقال - وهو يسألني: «ما فعل النفر الحمر الطوال الثطاط؟» قال: فحدثته بتخلفهم، قال: «فما فعل السود الجعاد القصار الذين لهم نعم بشبكة شرخ؟» فتذكرتهم في بني غفار، فلم أذكرهم حتى ذكرت أنهم رهط من أسلم، فقلت: يا رسول الله، أولئك من أسلم، قال: «فما يمنع أحد أولئك، حين يتخلف، أن يحمل على بعير من إبله امرءا نشيطا في سبيل الله؟ فإن أعز أهلي علي أن يتخلف عني المهاجرون من قريش والأنصار، وغفار وأسلم»


আদাবুল মুফরাদ > অনুচ্ছেদঃ যিনি মনে করেন, ঘটনা বা উপমা বর্ণনা দোষের নয়।

আদাবুল মুফরাদ ৭৬২

حدثنا مسدد قال: حدثنا حماد بن زيد، عن عاصم بن بهدلة، عن أبي وائل، عن ابن مسعود قال: لما قسم رسول الله صلى الله عليه وسلم غنائم حنين بالجعرانة ازدحموا عليه، فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم: " إن عبدا من عباد الله بعثه الله إلى قوم، فكذبوه وشجوه، فكان يمسح الدم عن جبهته ويقول: اللهم اغفر لقومي، فإنهم لا يعلمون ". قال عبد الله بن مسعود: فكأني أنظر إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم يحكي الرجل يمسح عن جبهته

রাসূলুল্লাহ (সাঃ) যখন জিরানা নামক স্থানে গনীমতের মাল বন্টন করেন তখন সেখানে লোকজনের প্রচণ্ড ভিড় হয়। রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেনঃ আল্লাহ তাঁর কোন এক বান্দাকে এক সম্প্রদায়ের নিকট পাঠান। তারা তাকে মিথ্যা প্রতিপন্ন করে এবং নির্যাতন করে আহত করে। তিনি তার কপাল থেকে রক্ত মুছছেন আর বলছেনঃ “হে আল্লাহ! আমার সম্প্রদায়কে তুমি ক্ষমা করো, কেননা তারা অজ্ঞ”। আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রাঃ) বলেন, আমি যেন দিব্যি রাসূলুল্লাহ (সাঃ)-কে দেখতে পাচ্ছি, তিনি সেই কপাল মোছায় রত ব্যক্তির কাহিনী বর্ণনা করছেন। -(বুখারী, মুসলিম, ইবনে মাজাহ, আহমাদ, ইবনে হিব্বান, মুসনাদ আবু আওয়ানা, নাসাঈ)

রাসূলুল্লাহ (সাঃ) যখন জিরানা নামক স্থানে গনীমতের মাল বন্টন করেন তখন সেখানে লোকজনের প্রচণ্ড ভিড় হয়। রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেনঃ আল্লাহ তাঁর কোন এক বান্দাকে এক সম্প্রদায়ের নিকট পাঠান। তারা তাকে মিথ্যা প্রতিপন্ন করে এবং নির্যাতন করে আহত করে। তিনি তার কপাল থেকে রক্ত মুছছেন আর বলছেনঃ “হে আল্লাহ! আমার সম্প্রদায়কে তুমি ক্ষমা করো, কেননা তারা অজ্ঞ”। আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রাঃ) বলেন, আমি যেন দিব্যি রাসূলুল্লাহ (সাঃ)-কে দেখতে পাচ্ছি, তিনি সেই কপাল মোছায় রত ব্যক্তির কাহিনী বর্ণনা করছেন। -(বুখারী, মুসলিম, ইবনে মাজাহ, আহমাদ, ইবনে হিব্বান, মুসনাদ আবু আওয়ানা, নাসাঈ)

حدثنا مسدد قال: حدثنا حماد بن زيد، عن عاصم بن بهدلة، عن أبي وائل، عن ابن مسعود قال: لما قسم رسول الله صلى الله عليه وسلم غنائم حنين بالجعرانة ازدحموا عليه، فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم: " إن عبدا من عباد الله بعثه الله إلى قوم، فكذبوه وشجوه، فكان يمسح الدم عن جبهته ويقول: اللهم اغفر لقومي، فإنهم لا يعلمون ". قال عبد الله بن مسعود: فكأني أنظر إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم يحكي الرجل يمسح عن جبهته


আদাবুল মুফরাদ > অনুচ্ছেদঃ যে ব্যক্তি মুসলমানের দোষ গোপন রাখে।

আদাবুল মুফরাদ ৭৬৩

حدثنا بشر بن محمد قال: أخبرنا عبد الله قال: حدثنا إبراهيم بن نشيط، عن كعب بن علقمة، عن أبي الهيثم قال: جاء قوم إلى عقبة بن عامر فقالوا: إن لنا جيرانا يشربون ويفعلون، أفنرفعهم إلى الإمام؟ قال: لا، سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول: «من رأى من مسلم عورة فسترها، كان كمن أحيا موءودة من قبرها»

একদল লোক উকবা ইবনে আমের (রাঃ)-এর নিকট এসে বললো, আমাদের কতক প্রতিবেশী আছে, যারা মদ্যপান করে এবং বদ কাজে লিপ্ত থাকে। আমরা কি তাদের বিরুদ্ধে শাসকের নিকট অভিযোগ উত্থাপন করবো? তিনি বলেন, না। আমি রাসূলুল্লাহ (সাঃ)-কে বলতে শুনেছিঃ যে ব্যক্তি কোন মুসলমানের দোষ দেখতে পেয়ে তা গোপন রাখলে সে যেন জীবন্ত প্রোথিত কন্যা সন্তানকে কবর থেকে তুলে জীবন দান করলো। -(আবু দাউদ, তাবারানী)

একদল লোক উকবা ইবনে আমের (রাঃ)-এর নিকট এসে বললো, আমাদের কতক প্রতিবেশী আছে, যারা মদ্যপান করে এবং বদ কাজে লিপ্ত থাকে। আমরা কি তাদের বিরুদ্ধে শাসকের নিকট অভিযোগ উত্থাপন করবো? তিনি বলেন, না। আমি রাসূলুল্লাহ (সাঃ)-কে বলতে শুনেছিঃ যে ব্যক্তি কোন মুসলমানের দোষ দেখতে পেয়ে তা গোপন রাখলে সে যেন জীবন্ত প্রোথিত কন্যা সন্তানকে কবর থেকে তুলে জীবন দান করলো। -(আবু দাউদ, তাবারানী)

حدثنا بشر بن محمد قال: أخبرنا عبد الله قال: حدثنا إبراهيم بن نشيط، عن كعب بن علقمة، عن أبي الهيثم قال: جاء قوم إلى عقبة بن عامر فقالوا: إن لنا جيرانا يشربون ويفعلون، أفنرفعهم إلى الإمام؟ قال: لا، سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول: «من رأى من مسلم عورة فسترها، كان كمن أحيا موءودة من قبرها»


আদাবুল মুফরাদ > অনুচ্ছেদঃ কোন ব্যক্তির মন্তব্য লোক ধ্বংস হয়ে গেলো।

আদাবুল মুফরাদ ৭৬৪

حدثنا إسماعيل قال: حدثني مالك، عن سهيل بن أبي صالح، عن أبيه، عن أبي هريرة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال: " إذا سمعت الرجل يقول: هلك الناس، فهو أهلكهم "

রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেনঃ তুমি যদি কোন ব্যক্তিকে বলতে শোন, লোকজন ধ্বংস হয়ে গেছে, তবে (বুঝবে) সে সর্বাধিক ধ্বংসপ্রাপ্ত। -(মুসলিম, আবু দাউদ, মালিক, ইবনে হিব্বান, মুসনাদ আবু আওয়ানা, নাসাঈ)

রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেনঃ তুমি যদি কোন ব্যক্তিকে বলতে শোন, লোকজন ধ্বংস হয়ে গেছে, তবে (বুঝবে) সে সর্বাধিক ধ্বংসপ্রাপ্ত। -(মুসলিম, আবু দাউদ, মালিক, ইবনে হিব্বান, মুসনাদ আবু আওয়ানা, নাসাঈ)

حدثنا إسماعيل قال: حدثني مالك، عن سهيل بن أبي صالح، عن أبيه، عن أبي هريرة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال: " إذا سمعت الرجل يقول: هلك الناس، فهو أهلكهم "


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00