আদাবুল মুফরাদ > অনুচ্ছেদঃ কোন ব্যক্তি মেহমানের সামনে আহার পরিবেশন করে নিজে নামাযে দাঁড়িয়ে গেলে।
আদাবুল মুফরাদ ৭৫২
حدثنا أبو معمر قال: حدثنا عبد الوارث قال: حدثني الجريري قال: حدثنا أبو العلاء بن عبد الله، عن نعيم بن قعنب قال: أتيت أبا ذر فلم أوافقه، فقلت لامرأته: أين أبو ذر؟ قالت: يمتهن، سيأتيك الآن، فجلست له، فجاء ومعه بعيران، قد قطر أحدهما بعجز الآخر، في عنق كل واحد منهما قربة، فوضعهما ثم جاء، فقلت: يا أبا ذر، ما من رجل كنت ألقاه كان أحب إلي لقيا منك، ولا أبغض إلي لقيا منك، قال: لله أبوك، وما جمع هذا؟ قال: إني كنت وأدت موءودة في الجاهلية أرهب إن لقيتك أن تقول: لا توبة لك، لا مخرج لك، وكنت أرجو أن تقول: لك توبة ومخرج، قال: أفي الجاهلية أصبت؟ قلت: نعم، قال: عفا الله عما سلف. وقال لامرأته: آتينا بطعام، فأبت، ثم أمرها فأبت، حتى ارتفعت أصواتهما، قال: إيه، فإنكن لا تعدون ما قال رسول الله صلى الله عليه وسلم، قلت: وما قال رسول الله فيهن؟ قال: «إن المرأة خلقت من ضلع، وإنك إن ترد أن تقيمها تكسرها، وإن تدارها فإن فيها أودا وبلغة» ، فولت فجاءت بثريدة كأنها قطاة، فقال: كل ولا أهولنك فإني صائم، ثم قام يصلي، فجعل يهذب الركوع، ثم انفتل فأكل، فقلت: إنا لله، ما كنت أخاف أن تكذبني، قال: لله أبوك، ما كذبت منذ لقيتني، قلت: ألم تخبرني أنك صائم؟ قال: بلى، إني صمت من هذا الشهر ثلاثة أيام فكتب لي أجره، وحل لي الطعام
আমি আবু যার (রাঃ)-এর নিকট এসে তাকে ঘরে পেলাম না। আমি তার স্ত্রীকে জিজ্ঞেস করলাম, আবু যার (রাঃ) কোথায়? তিনি বলেন, কোন কাজে বাইরে গিয়েছেন, এখনই আপনার সাক্ষাতে এসে যাবেন। অতএব আমি তার অপেক্ষায় বসে থাকলাম। তিনি দু’টি উটসহ আসলেন, যার একটির পিছনে অপরটি বাধা এবং প্রতিটির ঘাড়ে ছিল একটি করে মশক। তিনি সেই দু’টি নামালেন, অতঃপর এলেন। আমি বললাম, হে আবু যার! যাদের সাথে আমি দেখা-সাক্ষাত করি তাদের মধ্যে আমার কাছে আপনার চেয়ে অধিক প্রিয় কেউ নাই। আবার তাদের মধ্যে আপনার চেয়ে অধিক অপ্রিয়ও আমার কাছে কেউ নাই। তিনি বলেন, তোমার পিতা আল্লাহর জন্য কোরবান হোক। এই দু’টি বিপরীত জিনিস একত্র হলো কি করে। তিনি বলেন, আমি জাহিলী যুগে একটি কন্যা সন্তানকে জীবন্ত কবর দিয়েছি। আমার আশংকা হয় যে, আমি আপনার সাথে সাক্ষাত করলেই আপনি বলবেন, তোমার তওবা করার বা নিস্কৃতি লাভের কোন সুযোগ নাই। কিন্তু আমি আকাঙ্খা করতাম যে, আপনি বলবেন, তোমার তওবা করার ও নিস্তার লাভের উপায় আছে। তিনি বলেন, তুমি কি এটি জাহিলী যুগে করেছিলে? আমি বললাম, হাঁ। তিনি বলেন, অতীতের গুনাহ আল্লাহ ক্ষমা করেছেন। তিনি তার স্ত্রীকে বলেন, আমাদের জন্য খাবার নিয়ে এসো। মহিলা অসম্মত হলো। তিনি পুনরায় তাকে আদেশ করলে এবারও সে অস্বীকার করলো। শেষে দু’জনের কথা কাটাকাটির স্বর উচ্চ মাত্রায় পৌঁছলো। তিনি বলেন, এই যে! তোমরা তো রাসূলুল্লাহ (সাঃ)-এর বক্তব্য গণায় ধরো না। আমি বললাম, রাসূলুল্লাহ (সাঃ) তাদের সম্পর্কে কি বলেছেন? তিনি বলেছেনঃ “নিশ্চয় নারী হচ্ছে পাঁজরের বাঁকা হাড়। তুমি যদি তা সোজা করতে চাও তবে তাকে খানখান করে ফেলবে। আর তুমি যদি তাদের সাথে সৌজন্যমূলক আচরণ করে যাও, তবুও তাদের বাঁকা স্বভাব বিদ্যমান থাকবেই”। মহিলাটি চলে গেলো এবং সারীদ (ঝোলে ভিজানো রুটি) নিয়ে বিড়ালের মত চুপিসারে ফিরে এলো। আবু যার (রাঃ) আমাকে বলেন, তুমি খাও, আমার কথা চিন্তা করো না। আমি রোযা আছি। অতঃপর তিনি নামাযে দাঁড়িয়ে গেলেন এবং ধীরেসুস্থে নামায পড়লেন। নামায শেষে তিনি আহার করলেন। আমি বললাম, ইন্না লিল্লাহ! আমি কখনও আশংকা করিনি যে, আপনি আমাকে মিথ্যা কথা বলবেন! তিনি বলেন, তোমার পিতা আল্লাহর জন্য কোরবান হোক! তুমি সাক্ষাত করার সময় থেকে আমি তোমাকে কোন মিথ্যা কথা বলিনি। আমি বললাম, আপনি কি আমাকে বলেননি যে, আপনি রোযাদার? তিনি বলেন, হাঁ, আমি এই মাসে তিন দিন রোযা রেখেছি। আমার জন্য তার সওয়াব লেখা হয়েছে এবং আমার জন্য খাদ্য গ্রহণ হালাল হয়ে গেছে। (নাসাঈ, দারিমী, আহমাদ হা/২১৬৬৫)
আমি আবু যার (রাঃ)-এর নিকট এসে তাকে ঘরে পেলাম না। আমি তার স্ত্রীকে জিজ্ঞেস করলাম, আবু যার (রাঃ) কোথায়? তিনি বলেন, কোন কাজে বাইরে গিয়েছেন, এখনই আপনার সাক্ষাতে এসে যাবেন। অতএব আমি তার অপেক্ষায় বসে থাকলাম। তিনি দু’টি উটসহ আসলেন, যার একটির পিছনে অপরটি বাধা এবং প্রতিটির ঘাড়ে ছিল একটি করে মশক। তিনি সেই দু’টি নামালেন, অতঃপর এলেন। আমি বললাম, হে আবু যার! যাদের সাথে আমি দেখা-সাক্ষাত করি তাদের মধ্যে আমার কাছে আপনার চেয়ে অধিক প্রিয় কেউ নাই। আবার তাদের মধ্যে আপনার চেয়ে অধিক অপ্রিয়ও আমার কাছে কেউ নাই। তিনি বলেন, তোমার পিতা আল্লাহর জন্য কোরবান হোক। এই দু’টি বিপরীত জিনিস একত্র হলো কি করে। তিনি বলেন, আমি জাহিলী যুগে একটি কন্যা সন্তানকে জীবন্ত কবর দিয়েছি। আমার আশংকা হয় যে, আমি আপনার সাথে সাক্ষাত করলেই আপনি বলবেন, তোমার তওবা করার বা নিস্কৃতি লাভের কোন সুযোগ নাই। কিন্তু আমি আকাঙ্খা করতাম যে, আপনি বলবেন, তোমার তওবা করার ও নিস্তার লাভের উপায় আছে। তিনি বলেন, তুমি কি এটি জাহিলী যুগে করেছিলে? আমি বললাম, হাঁ। তিনি বলেন, অতীতের গুনাহ আল্লাহ ক্ষমা করেছেন। তিনি তার স্ত্রীকে বলেন, আমাদের জন্য খাবার নিয়ে এসো। মহিলা অসম্মত হলো। তিনি পুনরায় তাকে আদেশ করলে এবারও সে অস্বীকার করলো। শেষে দু’জনের কথা কাটাকাটির স্বর উচ্চ মাত্রায় পৌঁছলো। তিনি বলেন, এই যে! তোমরা তো রাসূলুল্লাহ (সাঃ)-এর বক্তব্য গণায় ধরো না। আমি বললাম, রাসূলুল্লাহ (সাঃ) তাদের সম্পর্কে কি বলেছেন? তিনি বলেছেনঃ “নিশ্চয় নারী হচ্ছে পাঁজরের বাঁকা হাড়। তুমি যদি তা সোজা করতে চাও তবে তাকে খানখান করে ফেলবে। আর তুমি যদি তাদের সাথে সৌজন্যমূলক আচরণ করে যাও, তবুও তাদের বাঁকা স্বভাব বিদ্যমান থাকবেই”। মহিলাটি চলে গেলো এবং সারীদ (ঝোলে ভিজানো রুটি) নিয়ে বিড়ালের মত চুপিসারে ফিরে এলো। আবু যার (রাঃ) আমাকে বলেন, তুমি খাও, আমার কথা চিন্তা করো না। আমি রোযা আছি। অতঃপর তিনি নামাযে দাঁড়িয়ে গেলেন এবং ধীরেসুস্থে নামায পড়লেন। নামায শেষে তিনি আহার করলেন। আমি বললাম, ইন্না লিল্লাহ! আমি কখনও আশংকা করিনি যে, আপনি আমাকে মিথ্যা কথা বলবেন! তিনি বলেন, তোমার পিতা আল্লাহর জন্য কোরবান হোক! তুমি সাক্ষাত করার সময় থেকে আমি তোমাকে কোন মিথ্যা কথা বলিনি। আমি বললাম, আপনি কি আমাকে বলেননি যে, আপনি রোযাদার? তিনি বলেন, হাঁ, আমি এই মাসে তিন দিন রোযা রেখেছি। আমার জন্য তার সওয়াব লেখা হয়েছে এবং আমার জন্য খাদ্য গ্রহণ হালাল হয়ে গেছে। (নাসাঈ, দারিমী, আহমাদ হা/২১৬৬৫)
حدثنا أبو معمر قال: حدثنا عبد الوارث قال: حدثني الجريري قال: حدثنا أبو العلاء بن عبد الله، عن نعيم بن قعنب قال: أتيت أبا ذر فلم أوافقه، فقلت لامرأته: أين أبو ذر؟ قالت: يمتهن، سيأتيك الآن، فجلست له، فجاء ومعه بعيران، قد قطر أحدهما بعجز الآخر، في عنق كل واحد منهما قربة، فوضعهما ثم جاء، فقلت: يا أبا ذر، ما من رجل كنت ألقاه كان أحب إلي لقيا منك، ولا أبغض إلي لقيا منك، قال: لله أبوك، وما جمع هذا؟ قال: إني كنت وأدت موءودة في الجاهلية أرهب إن لقيتك أن تقول: لا توبة لك، لا مخرج لك، وكنت أرجو أن تقول: لك توبة ومخرج، قال: أفي الجاهلية أصبت؟ قلت: نعم، قال: عفا الله عما سلف. وقال لامرأته: آتينا بطعام، فأبت، ثم أمرها فأبت، حتى ارتفعت أصواتهما، قال: إيه، فإنكن لا تعدون ما قال رسول الله صلى الله عليه وسلم، قلت: وما قال رسول الله فيهن؟ قال: «إن المرأة خلقت من ضلع، وإنك إن ترد أن تقيمها تكسرها، وإن تدارها فإن فيها أودا وبلغة» ، فولت فجاءت بثريدة كأنها قطاة، فقال: كل ولا أهولنك فإني صائم، ثم قام يصلي، فجعل يهذب الركوع، ثم انفتل فأكل، فقلت: إنا لله، ما كنت أخاف أن تكذبني، قال: لله أبوك، ما كذبت منذ لقيتني، قلت: ألم تخبرني أنك صائم؟ قال: بلى، إني صمت من هذا الشهر ثلاثة أيام فكتب لي أجره، وحل لي الطعام
আদাবুল মুফরাদ > অনুচ্ছেদঃ কারো নিজ পরিবার-পরিজনের জন্য ব্যয় করা।
আদাবুল মুফরাদ ৭৫৪
حدثنا حجاج قال: حدثنا شعبة قال: أخبرني عدي بن ثابت قال: سمعت عبد الله بن يزيد يحدث، عن أبي مسعود البدري، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال: «من أنفق نفقة على أهله، وهو يحتسبها، كانت له صدقة»
নবী (সাঃ) বলেনঃ যে ব্যক্তি সওয়াবের আশায় তার পরিবার-পরিজনের জন্য যে সম্পদ ব্যয় করে তা তার জন্য দান-খয়রাত হিসেবে গণ্য। -(বুখারী, মুসলিম, তিরমিযী, নাসাঈ)
নবী (সাঃ) বলেনঃ যে ব্যক্তি সওয়াবের আশায় তার পরিবার-পরিজনের জন্য যে সম্পদ ব্যয় করে তা তার জন্য দান-খয়রাত হিসেবে গণ্য। -(বুখারী, মুসলিম, তিরমিযী, নাসাঈ)
حدثنا حجاج قال: حدثنا شعبة قال: أخبرني عدي بن ثابت قال: سمعت عبد الله بن يزيد يحدث، عن أبي مسعود البدري، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال: «من أنفق نفقة على أهله، وهو يحتسبها، كانت له صدقة»
আদাবুল মুফরাদ ৭৫৫
حدثنا هشام بن عمار قال: حدثنا الوليد قال: حدثنا أبو رافع إسماعيل بن رافع قال: حدثنا محمد بن المنكدر، عن جابر قال: قال رجل: يا رسول الله، عندي دينار؟ قال: «أنفقه على نفسك» ، قال: عندي آخر، فقال: " أنفقه على خادمك - أو قال: على ولدك "، قال: عندي آخر، قال: «ضعه في سبيل الله، وهو أخسها» --- [قال الشيخ الألباني] : صحيح لغيره دون قوله (ضعه. .)
এক ব্যক্তি বললো, ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমার কাছে একটি দীনার আছে। তিনি বলেনঃ তা তুমি নিজের জন্য খরচ করো। সে বললো, আমার কাছে আরো একটি দীনার আছে। তিনি বলেনঃ তা তোমার খাদেমের জন্য বা সন্তানের জন্য খরচ করো। সে বললো, আমার কাছে আরো একটি আছে। তিনি বলেনঃ তা আল্লাহর পথে রেখে দাও। আর তা হচ্ছে সর্বনিকৃষ্ট দীনার। (আবু দাউদ, নাসাঈ, আহমাদ; আবু হুরায়রা সূত্রে)
এক ব্যক্তি বললো, ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমার কাছে একটি দীনার আছে। তিনি বলেনঃ তা তুমি নিজের জন্য খরচ করো। সে বললো, আমার কাছে আরো একটি দীনার আছে। তিনি বলেনঃ তা তোমার খাদেমের জন্য বা সন্তানের জন্য খরচ করো। সে বললো, আমার কাছে আরো একটি আছে। তিনি বলেনঃ তা আল্লাহর পথে রেখে দাও। আর তা হচ্ছে সর্বনিকৃষ্ট দীনার। (আবু দাউদ, নাসাঈ, আহমাদ; আবু হুরায়রা সূত্রে)
حدثنا هشام بن عمار قال: حدثنا الوليد قال: حدثنا أبو رافع إسماعيل بن رافع قال: حدثنا محمد بن المنكدر، عن جابر قال: قال رجل: يا رسول الله، عندي دينار؟ قال: «أنفقه على نفسك» ، قال: عندي آخر، فقال: " أنفقه على خادمك - أو قال: على ولدك "، قال: عندي آخر، قال: «ضعه في سبيل الله، وهو أخسها» --- [قال الشيخ الألباني] : صحيح لغيره دون قوله (ضعه. .)
আদাবুল মুফরাদ ৭৫৩
حدثنا حجاج قال: حدثنا حماد بن زيد، عن أيوب، عن أبي قلابة، عن أبي أسماء، عن ثوبان، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال: «إن من أفضل دينار أنفقه الرجل على عياله، ودينار أنفقه على أصحابه في سبيل الله، ودينار أنفقه على دابته في سبيل الله» قال أبو قلابة: وبدأ بالعيال، وأي رجل أعظم أجرا من رجل ينفق على عيال صغار حتى يغنيهم الله عز وجل؟
নবী (সাঃ) বলেনঃ “কোন ব্যক্তির ব্যয়কৃত সর্বোত্তম দীনার (মুদ্রা) হলো সেটি যা সে তার পরিবারের জন্য খরচ করে, যা সে আল্লাহর পথের (জিহাদকারী) তার সঙ্গী-সাথীদের জন্য খরচ করে এবং যা সে আল্লাহর পথে (জিহাদে) তার জন্তুযানের জন্য খরচ করে”। অধস্তন রাবী আবু কিলাবা (র) বলেন, (ঊর্ধতন রাবী) পরিবার-পরিজনের কথা প্রথমে উল্লেখ করেছেন। যে ব্যক্তি তার ছোট ছোট সন্তান-সন্ততির জন্য ব্যয় করে মহান আল্লাহ তাদেরকে আত্মনির্ভরশীল না করা পর্যন্ত, তার চেয়ে অধিক উত্তম পুরস্কার লাভের যোগ্য আর কে হতে পারে? (মুসলিম)
নবী (সাঃ) বলেনঃ “কোন ব্যক্তির ব্যয়কৃত সর্বোত্তম দীনার (মুদ্রা) হলো সেটি যা সে তার পরিবারের জন্য খরচ করে, যা সে আল্লাহর পথের (জিহাদকারী) তার সঙ্গী-সাথীদের জন্য খরচ করে এবং যা সে আল্লাহর পথে (জিহাদে) তার জন্তুযানের জন্য খরচ করে”। অধস্তন রাবী আবু কিলাবা (র) বলেন, (ঊর্ধতন রাবী) পরিবার-পরিজনের কথা প্রথমে উল্লেখ করেছেন। যে ব্যক্তি তার ছোট ছোট সন্তান-সন্ততির জন্য ব্যয় করে মহান আল্লাহ তাদেরকে আত্মনির্ভরশীল না করা পর্যন্ত, তার চেয়ে অধিক উত্তম পুরস্কার লাভের যোগ্য আর কে হতে পারে? (মুসলিম)
حدثنا حجاج قال: حدثنا حماد بن زيد، عن أيوب، عن أبي قلابة، عن أبي أسماء، عن ثوبان، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال: «إن من أفضل دينار أنفقه الرجل على عياله، ودينار أنفقه على أصحابه في سبيل الله، ودينار أنفقه على دابته في سبيل الله» قال أبو قلابة: وبدأ بالعيال، وأي رجل أعظم أجرا من رجل ينفق على عيال صغار حتى يغنيهم الله عز وجل؟
আদাবুল মুফরাদ ৭৫৬
حدثنا محمد بن يوسف قال: حدثنا سفيان، عن مزاحم بن زفر، عن مجاهد، عن أبي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال: " أربعة دنانير: دينارا أعطيته مسكينا، ودينارا أعطيته في رقبة، ودينارا أنفقته في سبيل الله، ودينارا أنفقته على أهلك، أفضلها الذي أنفقته على أهلك "
নবী (সাঃ) বলেনঃ তুমি চারটি দীনারের (স্বর্ণ মুদ্রা) মধ্য থেকে একটি দীনার দীন-দুঃখীকে দান করলে, একটি দীনার দ্বারা গোলামকে দাসত্বমুক্ত করলে, একটি দীনার আল্লাহর পথে খরচ করলে এবং একটি দীনার তোমার পরিবার-পরিজনের জন্য খরচ করলে। এগুলোর মধ্যে যে দীনারটি তুমি তোমার পরিবার-পরিজনের জন্য খরচ করেছে সেটিই সবোৰ্ত্তম। -(মুসলিম, আবু দাউদ, নাসাঈ, আহমাদ, হাকিম, মুসনাদ আবু আওয়ানা, নাসাঈ)
নবী (সাঃ) বলেনঃ তুমি চারটি দীনারের (স্বর্ণ মুদ্রা) মধ্য থেকে একটি দীনার দীন-দুঃখীকে দান করলে, একটি দীনার দ্বারা গোলামকে দাসত্বমুক্ত করলে, একটি দীনার আল্লাহর পথে খরচ করলে এবং একটি দীনার তোমার পরিবার-পরিজনের জন্য খরচ করলে। এগুলোর মধ্যে যে দীনারটি তুমি তোমার পরিবার-পরিজনের জন্য খরচ করেছে সেটিই সবোৰ্ত্তম। -(মুসলিম, আবু দাউদ, নাসাঈ, আহমাদ, হাকিম, মুসনাদ আবু আওয়ানা, নাসাঈ)
حدثنا محمد بن يوسف قال: حدثنا سفيان، عن مزاحم بن زفر، عن مجاهد، عن أبي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال: " أربعة دنانير: دينارا أعطيته مسكينا، ودينارا أعطيته في رقبة، ودينارا أنفقته في سبيل الله، ودينارا أنفقته على أهلك، أفضلها الذي أنفقته على أهلك "
আদাবুল মুফরাদ > অনুচ্ছেদঃ প্রত্যেক জিনিসের সওয়াব আছে, এমনকি কোন ব্যক্তির নিজ স্ত্রীর মুখে তুলে দেয়া গ্রাসেও।
আদাবুল মুফরাদ ৭৫৭
حدثنا أبو اليمان قال: حدثنا شعيب، عن الزهري قال: حدثني عامر بن سعد، عن سعد بن أبي وقاص أنه أخبره، أن النبي صلى الله عليه وسلم قال لسعد: «إنك لن تنفق نفقة تبتغي بها وجه الله عز وجل إلا أجرت بها، حتى ما تجعل في فم امرأتك»
রাসূলুল্লাহ (সাঃ) তাকে বলেনঃ তুমি আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের আশায় যা-ই খরচ করো, তোমাকে তার সওয়াব অবশ্যই দেয়া হবে, এমনকি তুমি তোমার স্ত্রীর মুখে যা তুলে দাও তার জন্যও। (বুখারী, মুসলিম)
রাসূলুল্লাহ (সাঃ) তাকে বলেনঃ তুমি আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের আশায় যা-ই খরচ করো, তোমাকে তার সওয়াব অবশ্যই দেয়া হবে, এমনকি তুমি তোমার স্ত্রীর মুখে যা তুলে দাও তার জন্যও। (বুখারী, মুসলিম)
حدثنا أبو اليمان قال: حدثنا شعيب، عن الزهري قال: حدثني عامر بن سعد، عن سعد بن أبي وقاص أنه أخبره، أن النبي صلى الله عليه وسلم قال لسعد: «إنك لن تنفق نفقة تبتغي بها وجه الله عز وجل إلا أجرت بها، حتى ما تجعل في فم امرأتك»
আদাবুল মুফরাদ > অনুচ্ছেদঃ রাতের শেষ তৃতীয়াংশে দোয়া করা।
আদাবুল মুফরাদ ৭৫৮
حدثنا إسماعيل قال: حدثني مالك، عن ابن شهاب، عن أبي عبد الله الأغر، عن أبي هريرة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال: " ينزل ربنا تبارك وتعالى في كل ليلة إلى السماء الدنيا، حين يبقى ثلث الليل الآخر، فيقول: من يدعوني فأستجيب له؟ من يسألني فأعطيه؟ من يستغفرني فأغفر له؟ "
রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেনঃ আমাদের বরকতময় মহামহিম প্রভু রাতের শেষ তৃতীয়াংশ অবশিষ্ট থাকতে প্রতি রাতে নিকটবর্তী আসমানে অবতরণ করে ঘোষণা করতে থাকেনঃ কে আছে যে আমাকে ডাকবে, আমি তার ডাকে সাড়া দিবো? (কে আছে এমন, যে আমার কাছে দোয়া করবে এবং আমি তার দোয়া কবুল করবো)? কে আছে এমন, যে আমার কাছে কিছু প্রার্থনা করবে এবং আমি তা দান করবো? কে আছে এমন, যে আমার কাছে ক্ষমা চাইবে এবং আমি তাকে ক্ষমা করবো। -(বুখারী, মুসলিম, দারিমী)
রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেনঃ আমাদের বরকতময় মহামহিম প্রভু রাতের শেষ তৃতীয়াংশ অবশিষ্ট থাকতে প্রতি রাতে নিকটবর্তী আসমানে অবতরণ করে ঘোষণা করতে থাকেনঃ কে আছে যে আমাকে ডাকবে, আমি তার ডাকে সাড়া দিবো? (কে আছে এমন, যে আমার কাছে দোয়া করবে এবং আমি তার দোয়া কবুল করবো)? কে আছে এমন, যে আমার কাছে কিছু প্রার্থনা করবে এবং আমি তা দান করবো? কে আছে এমন, যে আমার কাছে ক্ষমা চাইবে এবং আমি তাকে ক্ষমা করবো। -(বুখারী, মুসলিম, দারিমী)
حدثنا إسماعيل قال: حدثني مالك، عن ابن شهاب، عن أبي عبد الله الأغر، عن أبي هريرة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال: " ينزل ربنا تبارك وتعالى في كل ليلة إلى السماء الدنيا، حين يبقى ثلث الليل الآخر، فيقول: من يدعوني فأستجيب له؟ من يسألني فأعطيه؟ من يستغفرني فأغفر له؟ "