আদাবুল মুফরাদ > অনুচ্ছেদঃ কেউ বজ্রধ্বনি শুনলে।
আদাবুল মুফরাদ ৭২৭
حدثنا بشر قال: حدثنا موسى بن عبد العزيز قال: حدثني الحكم قال: حدثني عكرمة، أن ابن عباس كان إذا سمع صوت الرعد قال: سبحان الذي سبحت له، قال: إن الرعد ملك ينعق بالغيث، كما ينعق الراعي بغنمه
তিনি বজ্রধ্বনি শুনতে পেলে বলতেনঃ “মহাপবিত্র সেই সত্তা বজ্রধ্বনি যাঁর পবিত্রতা ঘোষণা করলো”। তিনি বলেন, বজ্রধ্বনিকারী হলেন একজন ফেরেশতা। তিনি মেঘমালাকে হাঁকিয়ে নিয়ে যান, যেমন রাখাল তার মেষপালকে হাঁকিয়ে নিয়ে যায়।
তিনি বজ্রধ্বনি শুনতে পেলে বলতেনঃ “মহাপবিত্র সেই সত্তা বজ্রধ্বনি যাঁর পবিত্রতা ঘোষণা করলো”। তিনি বলেন, বজ্রধ্বনিকারী হলেন একজন ফেরেশতা। তিনি মেঘমালাকে হাঁকিয়ে নিয়ে যান, যেমন রাখাল তার মেষপালকে হাঁকিয়ে নিয়ে যায়।
حدثنا بشر قال: حدثنا موسى بن عبد العزيز قال: حدثني الحكم قال: حدثني عكرمة، أن ابن عباس كان إذا سمع صوت الرعد قال: سبحان الذي سبحت له، قال: إن الرعد ملك ينعق بالغيث، كما ينعق الراعي بغنمه
আদাবুল মুফরাদ ৭২৮
حدثنا إسماعيل قال: حدثني مالك بن أنس، عن عامر بن عبد الله بن الزبير، عن عبد الله بن الزبير، أنه كان إذا سمع الرعد ترك الحديث وقال: سبحان الذي {يسبح الرعد بحمده والملائكة من خيفته} [الرعد: 13] ، ثم يقول: إن هذا لوعيد شديد لأهل الأرض
বজ্রধ্বনি শুনতে পেলে আলাপ-আলোচনা বন্ধ করে দিয়ে বলতেনঃ “মহাপবিত্র সেই সত্তা বজ্রধ্বনি যাঁর প্রশংসাসহ পবিত্রতা ঘোষণা করে এবং ফেরেশতাকুল যার ভয়ে শংকিত” (সূরা রাদ : ১৩)। অতঃপর তিনি বলতেন, এটা হলো জগতবাসীর জন্য চরম ভীতি প্রদর্শন বা হুমকি। -(মুয়াত্তা মালিক)
বজ্রধ্বনি শুনতে পেলে আলাপ-আলোচনা বন্ধ করে দিয়ে বলতেনঃ “মহাপবিত্র সেই সত্তা বজ্রধ্বনি যাঁর প্রশংসাসহ পবিত্রতা ঘোষণা করে এবং ফেরেশতাকুল যার ভয়ে শংকিত” (সূরা রাদ : ১৩)। অতঃপর তিনি বলতেন, এটা হলো জগতবাসীর জন্য চরম ভীতি প্রদর্শন বা হুমকি। -(মুয়াত্তা মালিক)
حدثنا إسماعيل قال: حدثني مالك بن أنس، عن عامر بن عبد الله بن الزبير، عن عبد الله بن الزبير، أنه كان إذا سمع الرعد ترك الحديث وقال: سبحان الذي {يسبح الرعد بحمده والملائكة من خيفته} [الرعد: 13] ، ثم يقول: إن هذا لوعيد شديد لأهل الأرض
আদাবুল মুফরাদ > অনুচ্ছেদঃ যে ব্যক্তি আল্লাহর কাছে শান্তি ও নিরাপত্তা প্রার্থনা করে।
আদাবুল মুফরাদ ৭২৯
حدثنا آدم قال: حدثنا شعبة قال: حدثنا يزيد بن خمير قال: سمعت سليم بن عامر، عن أوسط بن إسماعيل قال: سمعت أبا بكر الصديق رضي الله عنه بعد وفاة النبي صلى الله عليه وسلم قال: قام النبي صلى الله عليه وسلم عام أول مقامي هذا - ثم بكى أبو بكر - ثم قال: «عليكم بالصدق، فإنه مع البر، وهما في الجنة، وإياكم والكذب، فإنه مع الفجور، وهما في النار، وسلوا الله المعافاة، فإنه لم يؤت بعد اليقين خير من المعافاة، ولا تقاطعوا، ولا تدابروا، ولا تحاسدوا، ولا تباغضوا، وكونوا عباد الله إخوانا»
আমি আবু বাকর সিদ্দীক (রাঃ)-কে নবী (সাঃ)-এর ইনতিকালের পর বলতে শুনেছি, নবী (সাঃ) হিজরতের প্রথম বছর আমার এই স্থানে দাঁড়ালেন। এ কথা বলে আবু বাকর (রাঃ) কাঁদলেন, অতঃপর বলেন, তোমরা অবশ্যই সত্যকে আকড়ে থাকবে। কেননা তা পুণ্যের সাথী এবং এই দু’টি জান্নাতে যাবে। তোমরা অবশ্যই মিথ্যা পরিহার করবে। কেননা তা পাপের সাথী এবং এই দু’টি দোযখে যাবে। তোমরা আল্লাহর কাছে নিরাপত্তা কামনা করো। কেননা নিরাপত্তা হচ্ছে ঈমানের পর সর্বাধিক কল্যাণবাহী! তোমরা সম্পর্কচ্ছেদ করো নাসাঈ, একে অপরের পিছনে দুর্নাম করো নাসাঈ, পরস্পর হিংসা-বিদ্বেষ পোষণ করো না। আল্লাহর বান্দাগণ! তোমরা ভাই ভাই হয়ে যাও। (তিরমিযী,ইবনে মাজাহ,আহমাদ, তহাকিম,ইবনে হিব্বান)
আমি আবু বাকর সিদ্দীক (রাঃ)-কে নবী (সাঃ)-এর ইনতিকালের পর বলতে শুনেছি, নবী (সাঃ) হিজরতের প্রথম বছর আমার এই স্থানে দাঁড়ালেন। এ কথা বলে আবু বাকর (রাঃ) কাঁদলেন, অতঃপর বলেন, তোমরা অবশ্যই সত্যকে আকড়ে থাকবে। কেননা তা পুণ্যের সাথী এবং এই দু’টি জান্নাতে যাবে। তোমরা অবশ্যই মিথ্যা পরিহার করবে। কেননা তা পাপের সাথী এবং এই দু’টি দোযখে যাবে। তোমরা আল্লাহর কাছে নিরাপত্তা কামনা করো। কেননা নিরাপত্তা হচ্ছে ঈমানের পর সর্বাধিক কল্যাণবাহী! তোমরা সম্পর্কচ্ছেদ করো নাসাঈ, একে অপরের পিছনে দুর্নাম করো নাসাঈ, পরস্পর হিংসা-বিদ্বেষ পোষণ করো না। আল্লাহর বান্দাগণ! তোমরা ভাই ভাই হয়ে যাও। (তিরমিযী,ইবনে মাজাহ,আহমাদ, তহাকিম,ইবনে হিব্বান)
حدثنا آدم قال: حدثنا شعبة قال: حدثنا يزيد بن خمير قال: سمعت سليم بن عامر، عن أوسط بن إسماعيل قال: سمعت أبا بكر الصديق رضي الله عنه بعد وفاة النبي صلى الله عليه وسلم قال: قام النبي صلى الله عليه وسلم عام أول مقامي هذا - ثم بكى أبو بكر - ثم قال: «عليكم بالصدق، فإنه مع البر، وهما في الجنة، وإياكم والكذب، فإنه مع الفجور، وهما في النار، وسلوا الله المعافاة، فإنه لم يؤت بعد اليقين خير من المعافاة، ولا تقاطعوا، ولا تدابروا، ولا تحاسدوا، ولا تباغضوا، وكونوا عباد الله إخوانا»
আদাবুল মুফরাদ ৭৩১
حدثنا فروة قال: حدثنا عبيدة، عن يزيد بن أبي زياد، عن عبد الله بن الحارث، عن العباس بن عبد المطلب، قلت: يا رسول الله، علمني شيئا أسأل الله به، فقال: «يا عباس، سل الله العافية» ، ثم مكثت ثلاثا، ثم جئت فقلت: علمني شيئا أسأل الله به يا رسول الله، فقال: «يا عباس، يا عم رسول الله، سل الله العافية في الدنيا والآخرة»
আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! আমাকে এমন কিছু শিখিয়ে দিন যা আমি আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করতে পারি। তিনি বলেনঃ আপনি আল্লাহর কাছে শান্তি ও নিরাপত্তা কামনা করুন। কিছু দিন গত হওয়ার পর আমি আবার গিয়ে বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! আমাকে এমন কিছু শিখিয়ে দিন যা আমি আল্লাহর নিকট প্রার্থনা করতে পারি। তিনি আমাকে বলেনঃ হে আব্বাস, হে আল্লাহর রাসূলের চাচা আল্লাহর কাছে দুনিয়া ও আখেরাতের শান্তি ও নিরাপত্তা কামনা করুন। (তিরমিযী,তাবারানী)
আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! আমাকে এমন কিছু শিখিয়ে দিন যা আমি আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করতে পারি। তিনি বলেনঃ আপনি আল্লাহর কাছে শান্তি ও নিরাপত্তা কামনা করুন। কিছু দিন গত হওয়ার পর আমি আবার গিয়ে বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! আমাকে এমন কিছু শিখিয়ে দিন যা আমি আল্লাহর নিকট প্রার্থনা করতে পারি। তিনি আমাকে বলেনঃ হে আব্বাস, হে আল্লাহর রাসূলের চাচা আল্লাহর কাছে দুনিয়া ও আখেরাতের শান্তি ও নিরাপত্তা কামনা করুন। (তিরমিযী,তাবারানী)
حدثنا فروة قال: حدثنا عبيدة، عن يزيد بن أبي زياد، عن عبد الله بن الحارث، عن العباس بن عبد المطلب، قلت: يا رسول الله، علمني شيئا أسأل الله به، فقال: «يا عباس، سل الله العافية» ، ثم مكثت ثلاثا، ثم جئت فقلت: علمني شيئا أسأل الله به يا رسول الله، فقال: «يا عباس، يا عم رسول الله، سل الله العافية في الدنيا والآخرة»
আদাবুল মুফরাদ ৭৩০
حدثنا قبيصة قال: حدثنا سفيان، عن الجريري، عن أبي الورد، عن اللجلاج، عن معاذ قال: مر النبي صلى الله عليه وسلم على رجل يقول: اللهم إني أسألك تمام النعمة، قال: «هل تدري ما تمام النعمة؟» قال: «تمام النعمة دخول الجنة، والفوز من النار» . ثم مر على رجل يقول: اللهم إني أسألك الصبر، قال: «قد سألت ربك البلاء، فسله العافية» . ومر على رجل يقول: يا ذا الجلال والإكرام، قال: «سل»
নবী (সাঃ) এক ব্যক্তির পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন, সে তখন বলছিল, “হে আল্লাহ! আমি তোমার সমস্ত নিয়ামত কামনা করি”। তিনি জিজ্ঞেস করলেনঃ তুমি কি জানো, সমস্ত নিয়ামত কি? সে বললো, পূর্ণ নিয়ামত হচ্ছে বেহেশতে প্রবেশ লাভ এবং দোযখ থেকে মুক্তি লাভ। অতঃপর তিনি আরেক ব্যক্তির নিকট দিয়ে গেলেন। সে বলছিলো, “হে আল্লাহ! আমি তোমার কাছে ধৈর্য প্রার্থনা করি”। তিনি বলেনঃ তুমি আমার প্রভুর কাছে বিপদ কামনা করলে। অতএব তুমি তার কাছে নিরাপত্তা প্রার্থনা করো। তিনি আরেক ব্যক্তির নিকট দিয়ে গেলেন। সে বলছিল, “হে গৌরব ও মহত্বের অধিকারী”। তিনি বলেনঃ তুমি এখনই তার কাছে কিছু প্রার্থনা করো। (তিরমিযী,আহমাদ)
নবী (সাঃ) এক ব্যক্তির পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন, সে তখন বলছিল, “হে আল্লাহ! আমি তোমার সমস্ত নিয়ামত কামনা করি”। তিনি জিজ্ঞেস করলেনঃ তুমি কি জানো, সমস্ত নিয়ামত কি? সে বললো, পূর্ণ নিয়ামত হচ্ছে বেহেশতে প্রবেশ লাভ এবং দোযখ থেকে মুক্তি লাভ। অতঃপর তিনি আরেক ব্যক্তির নিকট দিয়ে গেলেন। সে বলছিলো, “হে আল্লাহ! আমি তোমার কাছে ধৈর্য প্রার্থনা করি”। তিনি বলেনঃ তুমি আমার প্রভুর কাছে বিপদ কামনা করলে। অতএব তুমি তার কাছে নিরাপত্তা প্রার্থনা করো। তিনি আরেক ব্যক্তির নিকট দিয়ে গেলেন। সে বলছিল, “হে গৌরব ও মহত্বের অধিকারী”। তিনি বলেনঃ তুমি এখনই তার কাছে কিছু প্রার্থনা করো। (তিরমিযী,আহমাদ)
حدثنا قبيصة قال: حدثنا سفيان، عن الجريري، عن أبي الورد، عن اللجلاج، عن معاذ قال: مر النبي صلى الله عليه وسلم على رجل يقول: اللهم إني أسألك تمام النعمة، قال: «هل تدري ما تمام النعمة؟» قال: «تمام النعمة دخول الجنة، والفوز من النار» . ثم مر على رجل يقول: اللهم إني أسألك الصبر، قال: «قد سألت ربك البلاء، فسله العافية» . ومر على رجل يقول: يا ذا الجلال والإكرام، قال: «سل»
আদাবুল মুফরাদ > অনুচ্ছেদঃ যে ব্যক্তি বিপদ কামনা করে দোয়া করা অপছন্দ করে।
আদাবুল মুফরাদ ৭৩২
حدثنا أحمد بن يونس قال: حدثنا أبو بكر، عن حميد، عن أنس قال: قال رجل عند النبي صلى الله عليه وسلم: اللهم لم تعطني مالا فأتصدق به، فابتلني ببلاء يكون - أو قال: فيه أجر، فقال: " سبحان الله، لا تطيقه، ألا قلت: اللهم آتنا في الدنيا حسنة، وفي الآخرة حسنة، وقنا عذاب النار "
এক ব্যক্তি নবী (সাঃ)-এর উপস্থিতিতে বললো, হে আল্লাহ! তুমি আমাকে সম্পদ দান করোনি যে, আমি তা দান-খয়রাত করবো। অতএব তুমি আমাকে এমন বিপদে নিক্ষেপ করো যাতে সওয়াব হবে। রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেনঃ সুবহানাল্লাহ! তা তোমার সামর্থ্যের বাইরে। তুমি বলো না কেন, “হে আল্লাহ! তুমি আমাদেরকে দুনিয়ার কল্যাণ দান করো, আখেরাতের কল্যাণ দান করো এবং আমাদের দোযখের আযাব থেকে রক্ষা করো”।
এক ব্যক্তি নবী (সাঃ)-এর উপস্থিতিতে বললো, হে আল্লাহ! তুমি আমাকে সম্পদ দান করোনি যে, আমি তা দান-খয়রাত করবো। অতএব তুমি আমাকে এমন বিপদে নিক্ষেপ করো যাতে সওয়াব হবে। রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেনঃ সুবহানাল্লাহ! তা তোমার সামর্থ্যের বাইরে। তুমি বলো না কেন, “হে আল্লাহ! তুমি আমাদেরকে দুনিয়ার কল্যাণ দান করো, আখেরাতের কল্যাণ দান করো এবং আমাদের দোযখের আযাব থেকে রক্ষা করো”।
حدثنا أحمد بن يونس قال: حدثنا أبو بكر، عن حميد، عن أنس قال: قال رجل عند النبي صلى الله عليه وسلم: اللهم لم تعطني مالا فأتصدق به، فابتلني ببلاء يكون - أو قال: فيه أجر، فقال: " سبحان الله، لا تطيقه، ألا قلت: اللهم آتنا في الدنيا حسنة، وفي الآخرة حسنة، وقنا عذاب النار "
আদাবুল মুফরাদ ৭৩২
حدثنا أحمد بن يونس قال: حدثنا أبو بكر، عن حميد، عن أنس قال: قال رجل عند النبي صلى الله عليه وسلم: اللهم لم تعطني مالا فأتصدق به، فابتلني ببلاء يكون - أو قال: فيه أجر، فقال: " سبحان الله، لا تطيقه، ألا قلت: اللهم آتنا في الدنيا حسنة، وفي الآخرة حسنة، وقنا عذاب النار "
এক ব্যক্তি নবী (সাঃ)-এর উপস্থিতিতে বললো, হে আল্লাহ! তুমি আমাকে সম্পদ দান করোনি যে, আমি তা দান-খয়রাত করবো। অতএব তুমি আমাকে এমন বিপদে নিক্ষেপ করো যাতে সওয়াব হবে। রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেনঃ সুবহানাল্লাহ! তা তোমার সামর্থ্যের বাইরে। তুমি বলো না কেন, “হে আল্লাহ! তুমি আমাদেরকে দুনিয়ার কল্যাণ দান করো, আখেরাতের কল্যাণ দান করো এবং আমাদের দোযখের আযাব থেকে রক্ষা করো”।
এক ব্যক্তি নবী (সাঃ)-এর উপস্থিতিতে বললো, হে আল্লাহ! তুমি আমাকে সম্পদ দান করোনি যে, আমি তা দান-খয়রাত করবো। অতএব তুমি আমাকে এমন বিপদে নিক্ষেপ করো যাতে সওয়াব হবে। রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেনঃ সুবহানাল্লাহ! তা তোমার সামর্থ্যের বাইরে। তুমি বলো না কেন, “হে আল্লাহ! তুমি আমাদেরকে দুনিয়ার কল্যাণ দান করো, আখেরাতের কল্যাণ দান করো এবং আমাদের দোযখের আযাব থেকে রক্ষা করো”।
حدثنا أحمد بن يونس قال: حدثنا أبو بكر، عن حميد، عن أنس قال: قال رجل عند النبي صلى الله عليه وسلم: اللهم لم تعطني مالا فأتصدق به، فابتلني ببلاء يكون - أو قال: فيه أجر، فقال: " سبحان الله، لا تطيقه، ألا قلت: اللهم آتنا في الدنيا حسنة، وفي الآخرة حسنة، وقنا عذاب النار "
আদাবুল মুফরাদ ৭৩২
حدثنا أحمد بن يونس قال: حدثنا أبو بكر، عن حميد، عن أنس قال: قال رجل عند النبي صلى الله عليه وسلم: اللهم لم تعطني مالا فأتصدق به، فابتلني ببلاء يكون - أو قال: فيه أجر، فقال: " سبحان الله، لا تطيقه، ألا قلت: اللهم آتنا في الدنيا حسنة، وفي الآخرة حسنة، وقنا عذاب النار "
এক ব্যক্তি নবী (সাঃ)-এর উপস্থিতিতে বললো, হে আল্লাহ! তুমি আমাকে সম্পদ দান করোনি যে, আমি তা দান-খয়রাত করবো। অতএব তুমি আমাকে এমন বিপদে নিক্ষেপ করো যাতে সওয়াব হবে। রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেনঃ সুবহানাল্লাহ! তা তোমার সামর্থ্যের বাইরে। তুমি বলো না কেন, “হে আল্লাহ! তুমি আমাদেরকে দুনিয়ার কল্যাণ দান করো, আখেরাতের কল্যাণ দান করো এবং আমাদের দোযখের আযাব থেকে রক্ষা করো”।
এক ব্যক্তি নবী (সাঃ)-এর উপস্থিতিতে বললো, হে আল্লাহ! তুমি আমাকে সম্পদ দান করোনি যে, আমি তা দান-খয়রাত করবো। অতএব তুমি আমাকে এমন বিপদে নিক্ষেপ করো যাতে সওয়াব হবে। রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেনঃ সুবহানাল্লাহ! তা তোমার সামর্থ্যের বাইরে। তুমি বলো না কেন, “হে আল্লাহ! তুমি আমাদেরকে দুনিয়ার কল্যাণ দান করো, আখেরাতের কল্যাণ দান করো এবং আমাদের দোযখের আযাব থেকে রক্ষা করো”।
حدثنا أحمد بن يونس قال: حدثنا أبو بكر، عن حميد، عن أنس قال: قال رجل عند النبي صلى الله عليه وسلم: اللهم لم تعطني مالا فأتصدق به، فابتلني ببلاء يكون - أو قال: فيه أجر، فقال: " سبحان الله، لا تطيقه، ألا قلت: اللهم آتنا في الدنيا حسنة، وفي الآخرة حسنة، وقنا عذاب النار "
আদাবুল মুফরাদ ৭৩৩
حدثنا أحمد بن يونس قال: حدثنا زهير قال: حدثنا حميد، عن أنس قال: دخل - قلت لحميد النبي صلى الله عليه وسلم؟ قال: نعم - دخل على رجل قد جهد من المرض، فكأنه فرخ منتوف، قال: «ادع الله بشيء أو سله» ، فجعل يقول: اللهم ما أنت معذبي به في الآخرة، فعجله في الدنيا، قال: " سبحان الله، لا تستطيعه - أو قال: لا تستطيعوا - ألا قلت: اللهم آتنا في الدنيا حسنة، وفي الآخرة حسنة، وقنا عذاب النار؟ " ودعا له، فشفاه الله عز وجل
নবী (সাঃ) এক ব্যক্তিকে দেখতে গেলেন। সে রোগ যাতনায় পালকছিন্ন মুরগীর বাচ্চাবৎ হয়ে গিয়েছিল। তিনি বলেনঃ তুমি আল্লাহর কাছে কিছু প্রার্থনা করো। সে বললো, হে আল্লাহ! তুমি আমাকে আখেরাতে যে শাস্তি দিবে তা এই দুনিয়াতে দাও। রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলোঃ সুবহানাল্লাহ! তুমি তা সহ্য করতে পারবে না বা তা সহ্য করার সামর্থ্য তোমাদের নাই। তুমি কেন বলো নাসাঈ, হে আল্লাহ! তুমি আমাদেরকে দুনিয়ার কল্যাণ দান করো, আখেরাতের কল্যাণ দান করো এবং দোযখের আযাব থেকে রক্ষা করো”। অতঃপর তিনি তার জন্য দোয়া করলেন এবং আল্লাহ তাকে আরোগ্য দান করলেন। -(মুসলিম, তিরমিযী, আহমাদ, তাহাবী)
নবী (সাঃ) এক ব্যক্তিকে দেখতে গেলেন। সে রোগ যাতনায় পালকছিন্ন মুরগীর বাচ্চাবৎ হয়ে গিয়েছিল। তিনি বলেনঃ তুমি আল্লাহর কাছে কিছু প্রার্থনা করো। সে বললো, হে আল্লাহ! তুমি আমাকে আখেরাতে যে শাস্তি দিবে তা এই দুনিয়াতে দাও। রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলোঃ সুবহানাল্লাহ! তুমি তা সহ্য করতে পারবে না বা তা সহ্য করার সামর্থ্য তোমাদের নাই। তুমি কেন বলো নাসাঈ, হে আল্লাহ! তুমি আমাদেরকে দুনিয়ার কল্যাণ দান করো, আখেরাতের কল্যাণ দান করো এবং দোযখের আযাব থেকে রক্ষা করো”। অতঃপর তিনি তার জন্য দোয়া করলেন এবং আল্লাহ তাকে আরোগ্য দান করলেন। -(মুসলিম, তিরমিযী, আহমাদ, তাহাবী)
حدثنا أحمد بن يونس قال: حدثنا زهير قال: حدثنا حميد، عن أنس قال: دخل - قلت لحميد النبي صلى الله عليه وسلم؟ قال: نعم - دخل على رجل قد جهد من المرض، فكأنه فرخ منتوف، قال: «ادع الله بشيء أو سله» ، فجعل يقول: اللهم ما أنت معذبي به في الآخرة، فعجله في الدنيا، قال: " سبحان الله، لا تستطيعه - أو قال: لا تستطيعوا - ألا قلت: اللهم آتنا في الدنيا حسنة، وفي الآخرة حسنة، وقنا عذاب النار؟ " ودعا له، فشفاه الله عز وجل
আদাবুল মুফরাদ > অনুচ্ছেদঃ যে ব্যক্তি কঠিন বিপদ থেকে আশ্রয় প্রার্থনা করে।
আদাবুল মুফরাদ ৭৩৪
حدثنا عمر بن حفص قال: حدثنا أبي قال: حدثنا الأعمش قال: حدثني مجاهد، عن عبد الله بن عمرو قال: يقول الرجل: اللهم إني أعوذ بك من جهد البلاء، ثم يسكت، فإذا قال ذلك فليقل: إلا بلاء فيه علاء
কোন ব্যক্তি বলে, হে আল্লাহ! আমি তোমার নিকট বিপদের কষ্ট থেকে আশ্রয় প্রার্থনা করি, অতঃপর ক্ষান্ত দেয়। সে উক্তরূপ বললে অবশ্যই যেন আরো বলে, তবে যে বিপদে উন্নতি নিহিত আছে তা ব্যতীত।
কোন ব্যক্তি বলে, হে আল্লাহ! আমি তোমার নিকট বিপদের কষ্ট থেকে আশ্রয় প্রার্থনা করি, অতঃপর ক্ষান্ত দেয়। সে উক্তরূপ বললে অবশ্যই যেন আরো বলে, তবে যে বিপদে উন্নতি নিহিত আছে তা ব্যতীত।
حدثنا عمر بن حفص قال: حدثنا أبي قال: حدثنا الأعمش قال: حدثني مجاهد، عن عبد الله بن عمرو قال: يقول الرجل: اللهم إني أعوذ بك من جهد البلاء، ثم يسكت، فإذا قال ذلك فليقل: إلا بلاء فيه علاء
আদাবুল মুফরাদ ৭৩৫
حدثنا محمد بن سلام قال: حدثنا سفيان بن عيينة، عن سمي، عن أبي صالح، عن أبي هريرة، أن النبي صلى الله عليه وسلم كان يتعوذ من جهد البلاء، ودرك الشقاء، وشماتة الأعداء، وسوء القضاء
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাঃ) কঠিন বিপদ, ধ্বংসের মুখোমুখি হওয়া, শক্রর বিদ্বেষজাত আনন্দ ও দুর্ভাগ্য থেকে আশ্রয় প্রার্থনা করতেন। -(বুখারী, মুসলিম)
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাঃ) কঠিন বিপদ, ধ্বংসের মুখোমুখি হওয়া, শক্রর বিদ্বেষজাত আনন্দ ও দুর্ভাগ্য থেকে আশ্রয় প্রার্থনা করতেন। -(বুখারী, মুসলিম)
حدثنا محمد بن سلام قال: حدثنا سفيان بن عيينة، عن سمي، عن أبي صالح، عن أبي هريرة، أن النبي صلى الله عليه وسلم كان يتعوذ من جهد البلاء، ودرك الشقاء، وشماتة الأعداء، وسوء القضاء