আদাবুল মুফরাদ > অনুচ্ছেদঃ কারো উপস্থিতিতে মহানবী (সাঃ)-এর নামোল্লেখ হওয়া সত্বেও সে তাঁর প্রতি দুরূদ না পড়লে।
আদাবুল মুফরাদ ৬৪৯
حدثنا إبراهيم بن موسى قال: حدثنا إسماعيل بن جعفر قال: أخبرني العلاء، عن أبيه، عن أبي هريرة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال: «من صلى علي واحدة صلى الله عليه وسلم عشرا»
রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেনঃ কোন বাক্তি আমার প্রতি একবার দুরূদ পাঠ করলে আল্লাহ তার প্রতি দশবার রহমাত বর্ষণ করেন। (মুসলিম, আবু দাউদ, তিরমিযী, নাসাঈ, আহমাদ, দারিমী, ইবনে হিব্বান)
রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেনঃ কোন বাক্তি আমার প্রতি একবার দুরূদ পাঠ করলে আল্লাহ তার প্রতি দশবার রহমাত বর্ষণ করেন। (মুসলিম, আবু দাউদ, তিরমিযী, নাসাঈ, আহমাদ, দারিমী, ইবনে হিব্বান)
حدثنا إبراهيم بن موسى قال: حدثنا إسماعيل بن جعفر قال: أخبرني العلاء، عن أبيه، عن أبي هريرة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال: «من صلى علي واحدة صلى الله عليه وسلم عشرا»
আদাবুল মুফরাদ ৬৫২
حدثنا ابن سلام قال: حدثنا أبو معاوية، عن الأعمش، عن أبي صالح، عن أبي هريرة قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «استعيذوا بالله من جهنم، استعيذوا بالله من عذاب القبر، استعيذوا بالله من فتنة المسيح الدجال، استعيذوا بالله من فتنة المحيا والممات»
রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেনঃ তোমরা আল্লাহর নিকট দোযখ থেকে আশ্রয় প্রার্থনা করো। তোমরা আল্লাহর নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করো কবরের আযাব থেকে। তোমরা মাসীহ দাজ্জালের বিপর্যয় থেকে আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাও। তোমরা জীবন ও মৃত্যুর বিপর্যয় থেকে আল্লাহর কাছে আশ্রয় প্রার্থনা করো। (তিরমিযী,নাসাঈ, আহমাদ, ইবনে হিব্বান)
রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেনঃ তোমরা আল্লাহর নিকট দোযখ থেকে আশ্রয় প্রার্থনা করো। তোমরা আল্লাহর নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করো কবরের আযাব থেকে। তোমরা মাসীহ দাজ্জালের বিপর্যয় থেকে আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাও। তোমরা জীবন ও মৃত্যুর বিপর্যয় থেকে আল্লাহর কাছে আশ্রয় প্রার্থনা করো। (তিরমিযী,নাসাঈ, আহমাদ, ইবনে হিব্বান)
حدثنا ابن سلام قال: حدثنا أبو معاوية، عن الأعمش، عن أبي صالح، عن أبي هريرة قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «استعيذوا بالله من جهنم، استعيذوا بالله من عذاب القبر، استعيذوا بالله من فتنة المسيح الدجال، استعيذوا بالله من فتنة المحيا والممات»
আদাবুল মুফরাদ ৬৫০
حدثنا محمد بن عبيد الله قال: حدثنا ابن أبي حازم، عن كثير يرويه، عن الوليد بن رباح، عن أبي هريرة، أن النبي صلى الله عليه وسلم رقى المنبر فقال: «آمين، آمين، آمين» ، قيل له: يا رسول الله، ما كنت تصنع هذا؟ فقال: " قال لي جبريل: رغم أنف عبد أدرك أبويه أو أحدهما لم يدخله الجنة، قلت: آمين. ثم قال: رغم أنف عبد دخل عليه رمضان لم يغفر له، فقلت: آمين. ثم قال: رغم أنف امرئ ذكرت عنده فلم يصل عليك، فقلت: آمين "
নবী (সাঃ) মিম্বারে আরোহণ করে বলেনঃ আমীন আমীন, আমীন। তাঁকে বলা হলো, ইয়া রাসূলাল্লাহ। আপনি তো কখনও এরূপ করেননি। তিনি বলেনঃ জিবরাল (আবু দাউদ) বলেন, যে ব্যক্তি তার পিতা-মাতাকে বা তাদের একজনকে জীবিত পেলো, অথচ তারা তার বেহেশতে প্রবেশের কারণ হলো নাসাঈ, সে অপমানিত হোক। আমি বললামঃ আমীন (তাই হোক)। অতঃপর তিনি বলেন, যে ব্যক্তি রমযান মাস পেলো, অথচ তার গুনাহ মাফ হলো না সে অপমানিত হোক। আমি বললামঃ আমীন। তিনি পুনরায় বলেন, যার সামনে আপনার প্রসঙ্গ উত্থাপিত হলো, অথচ সে আপনার প্রতি দুরূদ পড়লো না সে অপমানিত হোক। আমি বললামঃ আমীন।- (মুসলিম, তিরমিযী, আহমাদ, হাকিম, ইবনে হিব্বান, ইবনে হিব্বান, ইবনে খুজাইমাহ, আবু আওয়া নাসাঈ)
নবী (সাঃ) মিম্বারে আরোহণ করে বলেনঃ আমীন আমীন, আমীন। তাঁকে বলা হলো, ইয়া রাসূলাল্লাহ। আপনি তো কখনও এরূপ করেননি। তিনি বলেনঃ জিবরাল (আবু দাউদ) বলেন, যে ব্যক্তি তার পিতা-মাতাকে বা তাদের একজনকে জীবিত পেলো, অথচ তারা তার বেহেশতে প্রবেশের কারণ হলো নাসাঈ, সে অপমানিত হোক। আমি বললামঃ আমীন (তাই হোক)। অতঃপর তিনি বলেন, যে ব্যক্তি রমযান মাস পেলো, অথচ তার গুনাহ মাফ হলো না সে অপমানিত হোক। আমি বললামঃ আমীন। তিনি পুনরায় বলেন, যার সামনে আপনার প্রসঙ্গ উত্থাপিত হলো, অথচ সে আপনার প্রতি দুরূদ পড়লো না সে অপমানিত হোক। আমি বললামঃ আমীন।- (মুসলিম, তিরমিযী, আহমাদ, হাকিম, ইবনে হিব্বান, ইবনে হিব্বান, ইবনে খুজাইমাহ, আবু আওয়া নাসাঈ)
حدثنا محمد بن عبيد الله قال: حدثنا ابن أبي حازم، عن كثير يرويه، عن الوليد بن رباح، عن أبي هريرة، أن النبي صلى الله عليه وسلم رقى المنبر فقال: «آمين، آمين، آمين» ، قيل له: يا رسول الله، ما كنت تصنع هذا؟ فقال: " قال لي جبريل: رغم أنف عبد أدرك أبويه أو أحدهما لم يدخله الجنة، قلت: آمين. ثم قال: رغم أنف عبد دخل عليه رمضان لم يغفر له، فقلت: آمين. ثم قال: رغم أنف امرئ ذكرت عنده فلم يصل عليك، فقلت: آمين "
আদাবুল মুফরাদ ৬৫০
حدثنا محمد بن عبيد الله قال: حدثنا ابن أبي حازم، عن كثير يرويه، عن الوليد بن رباح، عن أبي هريرة، أن النبي صلى الله عليه وسلم رقى المنبر فقال: «آمين، آمين، آمين» ، قيل له: يا رسول الله، ما كنت تصنع هذا؟ فقال: " قال لي جبريل: رغم أنف عبد أدرك أبويه أو أحدهما لم يدخله الجنة، قلت: آمين. ثم قال: رغم أنف عبد دخل عليه رمضان لم يغفر له، فقلت: آمين. ثم قال: رغم أنف امرئ ذكرت عنده فلم يصل عليك، فقلت: آمين "
নবী (সাঃ) মিম্বারে আরোহণ করে বলেনঃ আমীন আমীন, আমীন। তাঁকে বলা হলো, ইয়া রাসূলাল্লাহ। আপনি তো কখনও এরূপ করেননি। তিনি বলেনঃ জিবরাল (আবু দাউদ) বলেন, যে ব্যক্তি তার পিতা-মাতাকে বা তাদের একজনকে জীবিত পেলো, অথচ তারা তার বেহেশতে প্রবেশের কারণ হলো নাসাঈ, সে অপমানিত হোক। আমি বললামঃ আমীন (তাই হোক)। অতঃপর তিনি বলেন, যে ব্যক্তি রমযান মাস পেলো, অথচ তার গুনাহ মাফ হলো না সে অপমানিত হোক। আমি বললামঃ আমীন। তিনি পুনরায় বলেন, যার সামনে আপনার প্রসঙ্গ উত্থাপিত হলো, অথচ সে আপনার প্রতি দুরূদ পড়লো না সে অপমানিত হোক। আমি বললামঃ আমীন।- (মুসলিম, তিরমিযী, আহমাদ, হাকিম, ইবনে হিব্বান, ইবনে হিব্বান, ইবনে খুজাইমাহ, আবু আওয়া নাসাঈ)
নবী (সাঃ) মিম্বারে আরোহণ করে বলেনঃ আমীন আমীন, আমীন। তাঁকে বলা হলো, ইয়া রাসূলাল্লাহ। আপনি তো কখনও এরূপ করেননি। তিনি বলেনঃ জিবরাল (আবু দাউদ) বলেন, যে ব্যক্তি তার পিতা-মাতাকে বা তাদের একজনকে জীবিত পেলো, অথচ তারা তার বেহেশতে প্রবেশের কারণ হলো নাসাঈ, সে অপমানিত হোক। আমি বললামঃ আমীন (তাই হোক)। অতঃপর তিনি বলেন, যে ব্যক্তি রমযান মাস পেলো, অথচ তার গুনাহ মাফ হলো না সে অপমানিত হোক। আমি বললামঃ আমীন। তিনি পুনরায় বলেন, যার সামনে আপনার প্রসঙ্গ উত্থাপিত হলো, অথচ সে আপনার প্রতি দুরূদ পড়লো না সে অপমানিত হোক। আমি বললামঃ আমীন।- (মুসলিম, তিরমিযী, আহমাদ, হাকিম, ইবনে হিব্বান, ইবনে হিব্বান, ইবনে খুজাইমাহ, আবু আওয়া নাসাঈ)
حدثنا محمد بن عبيد الله قال: حدثنا ابن أبي حازم، عن كثير يرويه، عن الوليد بن رباح، عن أبي هريرة، أن النبي صلى الله عليه وسلم رقى المنبر فقال: «آمين، آمين، آمين» ، قيل له: يا رسول الله، ما كنت تصنع هذا؟ فقال: " قال لي جبريل: رغم أنف عبد أدرك أبويه أو أحدهما لم يدخله الجنة، قلت: آمين. ثم قال: رغم أنف عبد دخل عليه رمضان لم يغفر له، فقلت: آمين. ثم قال: رغم أنف امرئ ذكرت عنده فلم يصل عليك، فقلت: آمين "
আদাবুল মুফরাদ ৬৫০
حدثنا محمد بن عبيد الله قال: حدثنا ابن أبي حازم، عن كثير يرويه، عن الوليد بن رباح، عن أبي هريرة، أن النبي صلى الله عليه وسلم رقى المنبر فقال: «آمين، آمين، آمين» ، قيل له: يا رسول الله، ما كنت تصنع هذا؟ فقال: " قال لي جبريل: رغم أنف عبد أدرك أبويه أو أحدهما لم يدخله الجنة، قلت: آمين. ثم قال: رغم أنف عبد دخل عليه رمضان لم يغفر له، فقلت: آمين. ثم قال: رغم أنف امرئ ذكرت عنده فلم يصل عليك، فقلت: آمين "
নবী (সাঃ) মিম্বারে আরোহণ করে বলেনঃ আমীন আমীন, আমীন। তাঁকে বলা হলো, ইয়া রাসূলাল্লাহ। আপনি তো কখনও এরূপ করেননি। তিনি বলেনঃ জিবরাল (আবু দাউদ) বলেন, যে ব্যক্তি তার পিতা-মাতাকে বা তাদের একজনকে জীবিত পেলো, অথচ তারা তার বেহেশতে প্রবেশের কারণ হলো নাসাঈ, সে অপমানিত হোক। আমি বললামঃ আমীন (তাই হোক)। অতঃপর তিনি বলেন, যে ব্যক্তি রমযান মাস পেলো, অথচ তার গুনাহ মাফ হলো না সে অপমানিত হোক। আমি বললামঃ আমীন। তিনি পুনরায় বলেন, যার সামনে আপনার প্রসঙ্গ উত্থাপিত হলো, অথচ সে আপনার প্রতি দুরূদ পড়লো না সে অপমানিত হোক। আমি বললামঃ আমীন।- (মুসলিম, তিরমিযী, আহমাদ, হাকিম, ইবনে হিব্বান, ইবনে হিব্বান, ইবনে খুজাইমাহ, আবু আওয়া নাসাঈ)
নবী (সাঃ) মিম্বারে আরোহণ করে বলেনঃ আমীন আমীন, আমীন। তাঁকে বলা হলো, ইয়া রাসূলাল্লাহ। আপনি তো কখনও এরূপ করেননি। তিনি বলেনঃ জিবরাল (আবু দাউদ) বলেন, যে ব্যক্তি তার পিতা-মাতাকে বা তাদের একজনকে জীবিত পেলো, অথচ তারা তার বেহেশতে প্রবেশের কারণ হলো নাসাঈ, সে অপমানিত হোক। আমি বললামঃ আমীন (তাই হোক)। অতঃপর তিনি বলেন, যে ব্যক্তি রমযান মাস পেলো, অথচ তার গুনাহ মাফ হলো না সে অপমানিত হোক। আমি বললামঃ আমীন। তিনি পুনরায় বলেন, যার সামনে আপনার প্রসঙ্গ উত্থাপিত হলো, অথচ সে আপনার প্রতি দুরূদ পড়লো না সে অপমানিত হোক। আমি বললামঃ আমীন।- (মুসলিম, তিরমিযী, আহমাদ, হাকিম, ইবনে হিব্বান, ইবনে হিব্বান, ইবনে খুজাইমাহ, আবু আওয়া নাসাঈ)
حدثنا محمد بن عبيد الله قال: حدثنا ابن أبي حازم، عن كثير يرويه، عن الوليد بن رباح، عن أبي هريرة، أن النبي صلى الله عليه وسلم رقى المنبر فقال: «آمين، آمين، آمين» ، قيل له: يا رسول الله، ما كنت تصنع هذا؟ فقال: " قال لي جبريل: رغم أنف عبد أدرك أبويه أو أحدهما لم يدخله الجنة، قلت: آمين. ثم قال: رغم أنف عبد دخل عليه رمضان لم يغفر له، فقلت: آمين. ثم قال: رغم أنف امرئ ذكرت عنده فلم يصل عليك، فقلت: آمين "
আদাবুল মুফরাদ ৬৫১
حدثنا علي قال: حدثنا سفيان قال: حدثنا محمد بن عبد الرحمن مولى آل طلحة قال: سمعت كريبا أبا رشدين، عن ابن عباس، عن جويرية بنت الحارث بن أبي ضرار، أن النبي صلى الله عليه وسلم خرج من عندها، وكان اسمها برة، فحول النبي صلى الله عليه وسلم اسمها، فسماها جويرية، فخرج وكره أن يدخل واسمها برة، ثم رجع إليها بعدما تعالى النهار، وهي في مجلسها، فقال: " ما زلت في مجلسك؟ لقد قلت بعدك أربع كلمات ثلاث مرات، لو وزنت بكلماتك وزنتهن: سبحان الله وبحمده عدد خلقه، ورضا نفسه، وزنة عرشه، ومداد - أو مدد - كلماته " [ص: 226]
নবী (সাঃ) তার নিকট থেকে বের হয়ে গেলেন। তার পূর্বনাম ছিল বাররা। নবী (সাঃ) তার নাম পরিবর্তন করে রাখেন জুয়াইরিয়া। তিনি তার নিকট থেকে বের হয়ে যাওয়ার পর তার নাম বাররা থাকা অবস্থায় তিনি ঘরে পুনরায় প্রবেশ করা পছন্দ করলেন না। অতঃপর দিনের বেশ সময় চলে গেলে তিনি ফিরে এলেন, অথচ জুয়াইরিয়া (রাঃ) তখনও সেই বসা অবস্থায় ছিলেন। তিনি বলেনঃ তুমি কি সেই এক নাগাড়ে বসে আছো? তোমার এখান থেকে যাওয়ার পর আমি চারটি বাক্য তিনবার করে বলেছি। যদি তোমার দোয়া-কালামের সাথে সেগুলো ওজন করা হয়, তবে আমার কথিত বাক্যগুলিই অধিক ভারী হবেঃ “আমি আল্লাহর পবিত্রতা ঘোষণা ও প্রশংসা করছি তাঁর অগণিত সৃষ্টির সমান ও তাঁর নিজের সস্তুষ্টি ও তাঁর আরশের ওজনের সমান এবং তাঁর কলেমাসমূহের সংখ্যার সমপরিমাণ” (মুসলিম)।
নবী (সাঃ) তার নিকট থেকে বের হয়ে গেলেন। তার পূর্বনাম ছিল বাররা। নবী (সাঃ) তার নাম পরিবর্তন করে রাখেন জুয়াইরিয়া। তিনি তার নিকট থেকে বের হয়ে যাওয়ার পর তার নাম বাররা থাকা অবস্থায় তিনি ঘরে পুনরায় প্রবেশ করা পছন্দ করলেন না। অতঃপর দিনের বেশ সময় চলে গেলে তিনি ফিরে এলেন, অথচ জুয়াইরিয়া (রাঃ) তখনও সেই বসা অবস্থায় ছিলেন। তিনি বলেনঃ তুমি কি সেই এক নাগাড়ে বসে আছো? তোমার এখান থেকে যাওয়ার পর আমি চারটি বাক্য তিনবার করে বলেছি। যদি তোমার দোয়া-কালামের সাথে সেগুলো ওজন করা হয়, তবে আমার কথিত বাক্যগুলিই অধিক ভারী হবেঃ “আমি আল্লাহর পবিত্রতা ঘোষণা ও প্রশংসা করছি তাঁর অগণিত সৃষ্টির সমান ও তাঁর নিজের সস্তুষ্টি ও তাঁর আরশের ওজনের সমান এবং তাঁর কলেমাসমূহের সংখ্যার সমপরিমাণ” (মুসলিম)।
حدثنا علي قال: حدثنا سفيان قال: حدثنا محمد بن عبد الرحمن مولى آل طلحة قال: سمعت كريبا أبا رشدين، عن ابن عباس، عن جويرية بنت الحارث بن أبي ضرار، أن النبي صلى الله عليه وسلم خرج من عندها، وكان اسمها برة، فحول النبي صلى الله عليه وسلم اسمها، فسماها جويرية، فخرج وكره أن يدخل واسمها برة، ثم رجع إليها بعدما تعالى النهار، وهي في مجلسها، فقال: " ما زلت في مجلسك؟ لقد قلت بعدك أربع كلمات ثلاث مرات، لو وزنت بكلماتك وزنتهن: سبحان الله وبحمده عدد خلقه، ورضا نفسه، وزنة عرشه، ومداد - أو مدد - كلماته " [ص: 226]
আদাবুল মুফরাদ ৬৪৮
حدثنا عبد الرحمن بن شيبة قال: أخبرني عبد الله بن نافع الصائغ، عن عصام بن زيد، وأثنى عليه ابن شيبة خيرا، عن محمد بن المنكدر، عن جابر بن عبد الله، أن النبي صلى الله عليه وسلم رقى المنبر، فلما رقى الدرجة الأولى قال: «آمين» ، ثم رقى الثانية فقال: «آمين» ، ثم رقى الثالثة فقال: «آمين» ، فقالوا: يا رسول الله، سمعناك تقول: «آمين» ثلاث مرات؟ قال: " لما رقيت الدرجة الأولى جاءني جبريل صلى الله عليه وسلم فقال: شقي عبد أدرك رمضان، فانسلخ منه ولم يغفر له، فقلت: آمين. ثم قال: شقي عبد أدرك والديه أو أحدهما فلم يدخلاه الجنة، فقلت: آمين. ثم قال: شقي عبد ذكرت عنده ولم يصل عليك، فقلت: آمين "
নবী (সাঃ) মিম্বারে উঠলেন। তিনি প্রথম সিঁড়িতে উঠে বলেনঃ আমীন। তিনি দ্বিতীয় সিঁড়িতে উঠেও বলেনঃ আমীন। তিনি তৃতীয় সিঁড়িতে উঠেও বলেনঃ আমীন। সাহাবীগণ বলেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ আমরা আপনাকে তিনবার আমীন বলতে শুনলাম। তিনি বলেনঃ আমি প্রথম সিঁড়িতে উঠতেই জিবরাঈল (আবু দাউদ) এসে বলেন, দুর্ভাগ্য সেই ব্যক্তির যে রমযান মাস পেলো এবং তা শেষ হয়ে যাওয়া সত্বেও তার গুনাহর ক্ষমা হলো না। আমি বললামঃ আমীন। অতঃপর দ্বিতীয় ধাপে উঠতেই তিনি বলেন, দুর্ভাগ্য সেই ব্যক্তির যে নিজ পিতা-মাতা উভয়কে অথবা তাদের একজনকে বৃদ্ধাবস্থায় পেলো, অথচ তারা তাকে বেহেশতে প্রবেশ করালো না। আমি বললামঃ আমীন। অতঃপর তৃতীয় ধাপে উঠতেই তিনি বলেন, দুর্ভাগ্য সেই ব্যক্তির যার নিকট আপনার উল্লেখ হলো, অথচ সে আপনার প্রতি দুরূদ পড়েনি। আমি বললামঃ আমীন। (ইবনুস সুন্নী)
নবী (সাঃ) মিম্বারে উঠলেন। তিনি প্রথম সিঁড়িতে উঠে বলেনঃ আমীন। তিনি দ্বিতীয় সিঁড়িতে উঠেও বলেনঃ আমীন। তিনি তৃতীয় সিঁড়িতে উঠেও বলেনঃ আমীন। সাহাবীগণ বলেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ আমরা আপনাকে তিনবার আমীন বলতে শুনলাম। তিনি বলেনঃ আমি প্রথম সিঁড়িতে উঠতেই জিবরাঈল (আবু দাউদ) এসে বলেন, দুর্ভাগ্য সেই ব্যক্তির যে রমযান মাস পেলো এবং তা শেষ হয়ে যাওয়া সত্বেও তার গুনাহর ক্ষমা হলো না। আমি বললামঃ আমীন। অতঃপর দ্বিতীয় ধাপে উঠতেই তিনি বলেন, দুর্ভাগ্য সেই ব্যক্তির যে নিজ পিতা-মাতা উভয়কে অথবা তাদের একজনকে বৃদ্ধাবস্থায় পেলো, অথচ তারা তাকে বেহেশতে প্রবেশ করালো না। আমি বললামঃ আমীন। অতঃপর তৃতীয় ধাপে উঠতেই তিনি বলেন, দুর্ভাগ্য সেই ব্যক্তির যার নিকট আপনার উল্লেখ হলো, অথচ সে আপনার প্রতি দুরূদ পড়েনি। আমি বললামঃ আমীন। (ইবনুস সুন্নী)
حدثنا عبد الرحمن بن شيبة قال: أخبرني عبد الله بن نافع الصائغ، عن عصام بن زيد، وأثنى عليه ابن شيبة خيرا، عن محمد بن المنكدر، عن جابر بن عبد الله، أن النبي صلى الله عليه وسلم رقى المنبر، فلما رقى الدرجة الأولى قال: «آمين» ، ثم رقى الثانية فقال: «آمين» ، ثم رقى الثالثة فقال: «آمين» ، فقالوا: يا رسول الله، سمعناك تقول: «آمين» ثلاث مرات؟ قال: " لما رقيت الدرجة الأولى جاءني جبريل صلى الله عليه وسلم فقال: شقي عبد أدرك رمضان، فانسلخ منه ولم يغفر له، فقلت: آمين. ثم قال: شقي عبد أدرك والديه أو أحدهما فلم يدخلاه الجنة، فقلت: آمين. ثم قال: شقي عبد ذكرت عنده ولم يصل عليك، فقلت: آمين "
আদাবুল মুফরাদ > অনুচ্ছেদঃ যালেমের বিরুদ্ধে মযলুমের বদদোয়া।
আদাবুল মুফরাদ ৬৫৩
حدثنا الحسن بن الربيع قال: حدثنا ابن إدريس، عن ليث، عن محارب بن دثار، عن جابر قال: كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول: «اللهم أصلح لي سمعي وبصري، واجعلهما الوارثين مني، وانصرني على من ظلمني، وأرني منه ثأري»
রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলতেনঃ “হে আল্লাহ আমার শ্রবণশক্তি ও দর্শনশক্তি সংশোধন করো এবং এগুলোকে আমার মৃত্যু পর্যন্ত কার্যক্ষম রাখো। যে ব্যক্তি আমার উপর যুলুম করেছে তার বিরুদ্ধে তুমি আমাকে সাহায্য করো এবং তুমি তার থেকে প্রতিশোধ গ্রহণ করে আমাকে দেখাও”। -(তাবারানীর মুজামুস সাগীর)
রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলতেনঃ “হে আল্লাহ আমার শ্রবণশক্তি ও দর্শনশক্তি সংশোধন করো এবং এগুলোকে আমার মৃত্যু পর্যন্ত কার্যক্ষম রাখো। যে ব্যক্তি আমার উপর যুলুম করেছে তার বিরুদ্ধে তুমি আমাকে সাহায্য করো এবং তুমি তার থেকে প্রতিশোধ গ্রহণ করে আমাকে দেখাও”। -(তাবারানীর মুজামুস সাগীর)
حدثنا الحسن بن الربيع قال: حدثنا ابن إدريس، عن ليث، عن محارب بن دثار، عن جابر قال: كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول: «اللهم أصلح لي سمعي وبصري، واجعلهما الوارثين مني، وانصرني على من ظلمني، وأرني منه ثأري»
আদাবুল মুফরাদ ৬৫৪
حدثنا موسى قال: حدثنا حماد، عن محمد بن عمرو، عن أبي سلمة، عن أبي هريرة قال: كان النبي صلى الله عليه وسلم يقول: «اللهم متعني بسمعي وبصري، واجعلهما الوارث مني، وانصرني على عدوي، وأرني منه ثأري»
নবী (সাঃ) বলতেনঃ “হে আল্লাহ! তুমি আমাকে আমার চোখ ও কানের দ্বারা উপকৃত করো এবং এগুলোকে আমার মৃত্যু পর্যন্ত সুস্থ রাখো, আমার শক্রর বিরুদ্ধে আমাকে সাহায্য করো এবং তার থেকে প্রতিশোধ গ্রহণ করে আমাকে দেখাও”। (তিরমিযী, হাকিম, বাযযার)
নবী (সাঃ) বলতেনঃ “হে আল্লাহ! তুমি আমাকে আমার চোখ ও কানের দ্বারা উপকৃত করো এবং এগুলোকে আমার মৃত্যু পর্যন্ত সুস্থ রাখো, আমার শক্রর বিরুদ্ধে আমাকে সাহায্য করো এবং তার থেকে প্রতিশোধ গ্রহণ করে আমাকে দেখাও”। (তিরমিযী, হাকিম, বাযযার)
حدثنا موسى قال: حدثنا حماد، عن محمد بن عمرو، عن أبي سلمة، عن أبي هريرة قال: كان النبي صلى الله عليه وسلم يقول: «اللهم متعني بسمعي وبصري، واجعلهما الوارث مني، وانصرني على عدوي، وأرني منه ثأري»
আদাবুল মুফরাদ ৬৫৫
حدثنا علي بن عبد الله قال: حدثنا مروان بن معاوية قال: حدثنا سعد بن طارق بن أشيم الأشجعي قال: حدثني أبي قال: كنا نغدو إلى النبي صلى الله عليه وسلم، فيجيء الرجل وتجيء المرأة فيقول: يا رسول الله، كيف أقول إذا صليت؟ فيقول: " قل: اللهم اغفر لي، وارحمني، واهدني، وارزقني، فقد جمعت لك دنياك وآخرتك "
আমার পিতা আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, আমরা প্রভাতকালে সকাল সকাল নবী (সাঃ)-এর নিকট উপস্থিত হতাম। কোন পুরুষ বা নারী উপস্থিত হয়ে বলতো, ইয়া রাসূলাল্লাহ। আমি নামায পড়াকালে কিরূপ দোয়া করবো? তিনি বলতেনঃ তুমি বলবে, “হে আল্লাহ! তুমি আমাকে ক্ষমা করো, আমাকে দয়া করো, আমাকে হেদায়াত করো এবং আমাকে রিফিক দান করো”। তা তোমার দুনিয়া ও আখেরাতকে একত্র করবে। (মুসলিম)
আমার পিতা আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, আমরা প্রভাতকালে সকাল সকাল নবী (সাঃ)-এর নিকট উপস্থিত হতাম। কোন পুরুষ বা নারী উপস্থিত হয়ে বলতো, ইয়া রাসূলাল্লাহ। আমি নামায পড়াকালে কিরূপ দোয়া করবো? তিনি বলতেনঃ তুমি বলবে, “হে আল্লাহ! তুমি আমাকে ক্ষমা করো, আমাকে দয়া করো, আমাকে হেদায়াত করো এবং আমাকে রিফিক দান করো”। তা তোমার দুনিয়া ও আখেরাতকে একত্র করবে। (মুসলিম)
حدثنا علي بن عبد الله قال: حدثنا مروان بن معاوية قال: حدثنا سعد بن طارق بن أشيم الأشجعي قال: حدثني أبي قال: كنا نغدو إلى النبي صلى الله عليه وسلم، فيجيء الرجل وتجيء المرأة فيقول: يا رسول الله، كيف أقول إذا صليت؟ فيقول: " قل: اللهم اغفر لي، وارحمني، واهدني، وارزقني، فقد جمعت لك دنياك وآخرتك "
আদাবুল মুফরাদ > অনুচ্ছেদঃ যে ব্যক্তি দীর্ঘায়ু কামনা করে।
আদাবুল মুফরাদ ৬৫৬
حدثنا قتيبة قال: حدثنا الليث، عن يزيد بن أبي حبيب، عن أبي الحسن مولى أم قيس ابنة محصن، عن أم قيس، أن النبي صلى الله عليه وسلم قال لها: " ما قالت: طال عمرها؟ "، ولا نعلم امرأة عمرت ما عمرت
নবী (সাঃ) বলেনঃ উম্মু কায়েস যা বলেছে, সে দীর্ঘজীবি হোক। অধস্তন রাবী বলেন, আমার জানামতে তার মতো দীর্ঘায়ু আর কোন নারীর হয়নি। (নাসাঈ)
নবী (সাঃ) বলেনঃ উম্মু কায়েস যা বলেছে, সে দীর্ঘজীবি হোক। অধস্তন রাবী বলেন, আমার জানামতে তার মতো দীর্ঘায়ু আর কোন নারীর হয়নি। (নাসাঈ)
حدثنا قتيبة قال: حدثنا الليث، عن يزيد بن أبي حبيب، عن أبي الحسن مولى أم قيس ابنة محصن، عن أم قيس، أن النبي صلى الله عليه وسلم قال لها: " ما قالت: طال عمرها؟ "، ولا نعلم امرأة عمرت ما عمرت
আদাবুল মুফরাদ ৬৫৭
حدثنا عارم قال: حدثنا سعيد بن زيد، عن سنان قال: حدثنا أنس قال: كان النبي صلى الله عليه وسلم يدخل علينا، أهل البيت، فدخل يوما فدعا لنا، فقالت أم سليم خويدمك ألا تدعو له؟ قال: «اللهم، أكثر ماله وولده، وأطل حياته، واغفر له» . فدعا لي بثلاث، فدفنت مائة وثلاثة، وإن ثمرتي لتطعم في السنة مرتين، وطالت حياتي حتى استحييت من الناس، وأرجو المغفرة
নবী (সাঃ) আমাদের আহলে বাইতের এখানে আসতেন। একদিন তিনি এসে আমাদের জন্য দোয়া করলেন। উম্মু সুলাইম (রাঃ) বলেন, আপনার ছোট্ট খাদেমটি, আপনি তার জন্য কি দোয়া করবেন না? তিনি বলেনঃ “হে আল্লাহ! তুমি তার সম্পদ ও তার সন্তান বৃদ্ধি করো, তাকে দীর্ঘজীবি করো এবং তাকে ক্ষমা করো”। আনাস (রাঃ) বলেন, তিনি আমার জন্য তিনটি দোয়া করেন। অতএব আমি এক শত তিনটি সন্তানকে দাফন করেছি, আমার বাগানে বছরে দুইবার ফল ধরে এবং আমার আয়ু এতো দীর্ঘ হয়েছে যে, অধিক বয়সের জন্য আমি লোকজনের সামনে লজ্জাবোধ করি। এখন আমি ক্ষমা আশা করছি। (মুসলিম)
নবী (সাঃ) আমাদের আহলে বাইতের এখানে আসতেন। একদিন তিনি এসে আমাদের জন্য দোয়া করলেন। উম্মু সুলাইম (রাঃ) বলেন, আপনার ছোট্ট খাদেমটি, আপনি তার জন্য কি দোয়া করবেন না? তিনি বলেনঃ “হে আল্লাহ! তুমি তার সম্পদ ও তার সন্তান বৃদ্ধি করো, তাকে দীর্ঘজীবি করো এবং তাকে ক্ষমা করো”। আনাস (রাঃ) বলেন, তিনি আমার জন্য তিনটি দোয়া করেন। অতএব আমি এক শত তিনটি সন্তানকে দাফন করেছি, আমার বাগানে বছরে দুইবার ফল ধরে এবং আমার আয়ু এতো দীর্ঘ হয়েছে যে, অধিক বয়সের জন্য আমি লোকজনের সামনে লজ্জাবোধ করি। এখন আমি ক্ষমা আশা করছি। (মুসলিম)
حدثنا عارم قال: حدثنا سعيد بن زيد، عن سنان قال: حدثنا أنس قال: كان النبي صلى الله عليه وسلم يدخل علينا، أهل البيت، فدخل يوما فدعا لنا، فقالت أم سليم خويدمك ألا تدعو له؟ قال: «اللهم، أكثر ماله وولده، وأطل حياته، واغفر له» . فدعا لي بثلاث، فدفنت مائة وثلاثة، وإن ثمرتي لتطعم في السنة مرتين، وطالت حياتي حتى استحييت من الناس، وأرجو المغفرة
আদাবুল মুফরাদ > অনুচ্ছেদঃ যে ব্যক্তি বলে, তাড়াহুড়া না করলে বান্দার দোয়া কবুল হয়।
আদাবুল মুফরাদ ৬৫৯
حدثنا عبد الله قال: حدثنا معاوية، أن ربيعة بن يزيد حدثه، عن أبي إدريس، عن أبي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال: " يستجاب لأحدكم ما لم يدع بإثم أو قطيعة رحم، أو يستعجل فيقول: دعوت فلا أرى يستجيب لي، فيدع الدعاء "
নবী (সাঃ) বলেনঃ তোমাদের যে কোন ব্যক্তির দোয়া কবুল হয় যতক্ষণ না সে পাপাচারের বা আত্মীয়তার সম্পর্ক ছিন্ন করার দোয়া করে এবং তাড়াহুড়া না করে। সে বলে, আমি দোয়া করলাম কিন্তু তা কবুল হয়েছে বলে মনে হয় না। তারপর সে দোয়া করা ত্যাগ করে। (বুখারী,মুসলিম,আবু দাউদ,তিরমিযী,ইবনে মাজাহ)
নবী (সাঃ) বলেনঃ তোমাদের যে কোন ব্যক্তির দোয়া কবুল হয় যতক্ষণ না সে পাপাচারের বা আত্মীয়তার সম্পর্ক ছিন্ন করার দোয়া করে এবং তাড়াহুড়া না করে। সে বলে, আমি দোয়া করলাম কিন্তু তা কবুল হয়েছে বলে মনে হয় না। তারপর সে দোয়া করা ত্যাগ করে। (বুখারী,মুসলিম,আবু দাউদ,তিরমিযী,ইবনে মাজাহ)
حدثنا عبد الله قال: حدثنا معاوية، أن ربيعة بن يزيد حدثه، عن أبي إدريس، عن أبي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال: " يستجاب لأحدكم ما لم يدع بإثم أو قطيعة رحم، أو يستعجل فيقول: دعوت فلا أرى يستجيب لي، فيدع الدعاء "
আদাবুল মুফরাদ ৬৫৮
حدثنا أبو اليمان قال: حدثنا شعيب، عن الزهري قال: أخبرني ابن عبيد مولى عبد الرحمن، وكان من القراء وأهل الفقه، أنه سمع أبا هريرة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال: " يستجاب لأحدكم ما لم يعجل، يقول: دعوت فلم يستجب لي "
বাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেনঃ তোমাদের যে কোন ব্যক্তির দোয়া কবুল হয়, যতক্ষণ না সে তাড়াহুড়া করে। সে বলে, আমি দোয়া তো করলাম কিন্তু আমার দোয়া কবুল হলো না। (বুখারী, মুসলিম, আবু দাউদ, তিরমিযী,ইবনে মাজাহ)
বাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেনঃ তোমাদের যে কোন ব্যক্তির দোয়া কবুল হয়, যতক্ষণ না সে তাড়াহুড়া করে। সে বলে, আমি দোয়া তো করলাম কিন্তু আমার দোয়া কবুল হলো না। (বুখারী, মুসলিম, আবু দাউদ, তিরমিযী,ইবনে মাজাহ)
حدثنا أبو اليمان قال: حدثنا شعيب، عن الزهري قال: أخبرني ابن عبيد مولى عبد الرحمن، وكان من القراء وأهل الفقه، أنه سمع أبا هريرة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال: " يستجاب لأحدكم ما لم يعجل، يقول: دعوت فلم يستجب لي "