সহিহ মুসলিম > মহান আল্লাহর বাণী : “প্রত্যেক সলাতের সময় সৌন্দর্য অবলম্বন করবে"
সহিহ মুসলিম ৭৪৪১
حدثنا محمد بن بشار، حدثنا محمد بن جعفر، ح وحدثني أبو بكر بن نافع، - واللفظ له - حدثنا غندر، حدثنا شعبة، عن سلمة بن كهيل، عن مسلم البطين، عن سعيد بن، جبير عن ابن عباس، قال كانت المرأة تطوف بالبيت وهي عريانة فتقول من يعيرني تطوافا تجعله على فرجها وتقول اليوم يبدو بعضه أو كله فما بدا منه فلا أحله فنزلت هذه الآية { خذوا زينتكم عند كل مسجد}
ইবনু আব্বাস (রাঃ থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, স্ত্রীলোকেরা উলঙ্গ অবস্থায় বাইতুল্লাহর তাওয়াফ করত এবং বলত, কে আমাকে একটি কাপড় ধার দিবে? এর দ্বারা উদ্দেশ্য স্বীয় লজ্জাস্থান ঢাকা। আর এটাও বলত, আজ খুলে যাচ্ছে কিয়দংশ বা পূর্ণাংশ। তবে যে অংশটা খুলে সেটা আমি আর কখনো হালাল করব না। তখন অবতীর্ণ হলো, "প্রত্যেক সলাতের সময় সৌন্দর্য অবলম্বন করবে"- (সূরাহ আল আরাফ ৭:৩১)। (ই.ফা. ৭২৭০,ই-সে, ৭৩২৫)
ইবনু আব্বাস (রাঃ থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, স্ত্রীলোকেরা উলঙ্গ অবস্থায় বাইতুল্লাহর তাওয়াফ করত এবং বলত, কে আমাকে একটি কাপড় ধার দিবে? এর দ্বারা উদ্দেশ্য স্বীয় লজ্জাস্থান ঢাকা। আর এটাও বলত, আজ খুলে যাচ্ছে কিয়দংশ বা পূর্ণাংশ। তবে যে অংশটা খুলে সেটা আমি আর কখনো হালাল করব না। তখন অবতীর্ণ হলো, "প্রত্যেক সলাতের সময় সৌন্দর্য অবলম্বন করবে"- (সূরাহ আল আরাফ ৭:৩১)। (ই.ফা. ৭২৭০,ই-সে, ৭৩২৫)
حدثنا محمد بن بشار، حدثنا محمد بن جعفر، ح وحدثني أبو بكر بن نافع، - واللفظ له - حدثنا غندر، حدثنا شعبة، عن سلمة بن كهيل، عن مسلم البطين، عن سعيد بن، جبير عن ابن عباس، قال كانت المرأة تطوف بالبيت وهي عريانة فتقول من يعيرني تطوافا تجعله على فرجها وتقول اليوم يبدو بعضه أو كله فما بدا منه فلا أحله فنزلت هذه الآية { خذوا زينتكم عند كل مسجد}
সহিহ মুসলিম > মহান আল্লাহর বাণী : “তোমরা তোমাদের দাসীদেরকে ব্যভিচারে বাধ্য করো না"
সহিহ মুসলিম ৭৪৪২
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وأبو كريب جميعا عن أبي معاوية، - واللفظ لأبي كريب - حدثنا أبو معاوية، حدثنا الأعمش، عن أبي سفيان، عن جابر، قال كان عبد الله بن أبى ابن سلول يقول لجارية له اذهبي فابغينا شيئا فأنزل الله عز وجل { ولا تكرهوا فتياتكم على البغاء إن أردن تحصنا لتبتغوا عرض الحياة الدنيا ومن يكرههن فإن الله من بعد إكراههن} لهن { غفور رحيم}
জাবির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আবদুল্লাহ ইবনু উবাই ইবনু সালুল তার বাদীকে বলত, যাও বেশ্যাবৃত্তির মাধ্যমে সম্পদ উপার্জন করে নিয়ে এসো। তখন আল্লাহ তা'আলা অবতীর্ণ করলেন, “তোমাদের বাদীদেরকে সতীত্ব রক্ষা করতে চাইলে পার্থিব জীবনের ধন লালসায় তাদেরকে ব্যভিচারে লিপ্ত করতে বাধ্য করবে না। আর যে তাদেরকে বাধ্য করে, তবে তাদের (দাসীদের) উপর জবর-দস্তির পর আল্লাহ তো (দাসীদের জন্য) ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু” (সূরা: আন নূর ২৪:৩৩)। (ই.ফা, ৭২৭১, ই.সে, ৭৩২৬)
জাবির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আবদুল্লাহ ইবনু উবাই ইবনু সালুল তার বাদীকে বলত, যাও বেশ্যাবৃত্তির মাধ্যমে সম্পদ উপার্জন করে নিয়ে এসো। তখন আল্লাহ তা'আলা অবতীর্ণ করলেন, “তোমাদের বাদীদেরকে সতীত্ব রক্ষা করতে চাইলে পার্থিব জীবনের ধন লালসায় তাদেরকে ব্যভিচারে লিপ্ত করতে বাধ্য করবে না। আর যে তাদেরকে বাধ্য করে, তবে তাদের (দাসীদের) উপর জবর-দস্তির পর আল্লাহ তো (দাসীদের জন্য) ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু” (সূরা: আন নূর ২৪:৩৩)। (ই.ফা, ৭২৭১, ই.সে, ৭৩২৬)
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وأبو كريب جميعا عن أبي معاوية، - واللفظ لأبي كريب - حدثنا أبو معاوية، حدثنا الأعمش، عن أبي سفيان، عن جابر، قال كان عبد الله بن أبى ابن سلول يقول لجارية له اذهبي فابغينا شيئا فأنزل الله عز وجل { ولا تكرهوا فتياتكم على البغاء إن أردن تحصنا لتبتغوا عرض الحياة الدنيا ومن يكرههن فإن الله من بعد إكراههن} لهن { غفور رحيم}
সহিহ মুসলিম ৭৪৪৩
وحدثني أبو كامل الجحدري، حدثنا أبو عوانة، عن الأعمش، عن أبي سفيان، عن جابر، أن جارية، لعبد الله بن أبى ابن سلول يقال لها مسيكة وأخرى يقال لها أميمة فكان يكرههما على الزنى فشكتا ذلك إلى النبي صلى الله عليه وسلم فأنزل الله { ولا تكرهوا فتياتكم على البغاء} إلى قوله { غفور رحيم}
জাবির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, 'আবদুল্লাহ ইবনু উবাই এর দু'জন বাদী ছিল। একজনের নাম ছিল মুসাইকাহ এবং অপরজনের নাম ছিল উমাইমাহ। সে দু'জন বাদীকে দিয়ে জোরপূর্বক বেশ্যাবৃত্তি করাতো। তাই তারা এ বিষয়ে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট অভিযোগ করল। তখন আল্লাহ তা'আলা নাযিল করলেন : “তোমাদের বাদীরা সতীত্ব রক্ষা করতে চাইলে পার্থিব জীবনের ধন-লালসায় তাদেরকে ব্যভিচারে লিপ্ত হতে জোর-জবরদস্তি করবে না। আর যে তাদেরকে জোরজবরদস্তি করে তবে তাদের (বাদীদের) উপর জবরদস্তির পর আল্লাহ তো ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু। (ই.ফা ৭২৭২, ই.সে, ৭৩২৭)
জাবির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, 'আবদুল্লাহ ইবনু উবাই এর দু'জন বাদী ছিল। একজনের নাম ছিল মুসাইকাহ এবং অপরজনের নাম ছিল উমাইমাহ। সে দু'জন বাদীকে দিয়ে জোরপূর্বক বেশ্যাবৃত্তি করাতো। তাই তারা এ বিষয়ে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট অভিযোগ করল। তখন আল্লাহ তা'আলা নাযিল করলেন : “তোমাদের বাদীরা সতীত্ব রক্ষা করতে চাইলে পার্থিব জীবনের ধন-লালসায় তাদেরকে ব্যভিচারে লিপ্ত হতে জোর-জবরদস্তি করবে না। আর যে তাদেরকে জোরজবরদস্তি করে তবে তাদের (বাদীদের) উপর জবরদস্তির পর আল্লাহ তো ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু। (ই.ফা ৭২৭২, ই.সে, ৭৩২৭)
وحدثني أبو كامل الجحدري، حدثنا أبو عوانة، عن الأعمش، عن أبي سفيان، عن جابر، أن جارية، لعبد الله بن أبى ابن سلول يقال لها مسيكة وأخرى يقال لها أميمة فكان يكرههما على الزنى فشكتا ذلك إلى النبي صلى الله عليه وسلم فأنزل الله { ولا تكرهوا فتياتكم على البغاء} إلى قوله { غفور رحيم}
সহিহ মুসলিম > মহান আল্লাহর বাণী : “তারা যাদেরকে আহবান করে তারাই তো তাদের প্রতিপালকের নৈকট্যার্জনের উপায় খোজ করে"
সহিহ মুসলিম ৭৪৪৪
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا عبد الله بن إدريس، عن الأعمش، عن إبراهيم، عن أبي معمر، عن عبد الله، في قوله عز وجل { أولئك الذين يدعون يبتغون إلى ربهم الوسيلة أيهم أقرب} قال كان نفر من الجن أسلموا وكانوا يعبدون فبقي الذين كانوا يعبدون على عبادتهم وقد أسلم النفر من الجن .
আবদুল্লাহ (রা:) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, মহান আল্লাহ তা'আলার বাণী : “তাঁরা যাদেরকে আহ্বান করে তারাই তো তাদের প্রতিপালকের নৈকটা লাভের উপায় খোজ করে"- (সূরা আল ইসরা ১৭:৫৭) এর ব্যাখ্যায় বলেন, একদা একদল জিন ইসলাম গ্রহণ করলো। (একদল মানুষ) তাদের (জিনদের) পূজা করতো। কিন্তু পূজায় রত এ লোকগুলো তাদের পূজাতেই অটল থাকল। অথচ জিনের একদল ইসলাম গ্রহণ করেছে। (ই.ফা ৭২৭৩, ই.সে ৭৩২৮)
আবদুল্লাহ (রা:) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, মহান আল্লাহ তা'আলার বাণী : “তাঁরা যাদেরকে আহ্বান করে তারাই তো তাদের প্রতিপালকের নৈকটা লাভের উপায় খোজ করে"- (সূরা আল ইসরা ১৭:৫৭) এর ব্যাখ্যায় বলেন, একদা একদল জিন ইসলাম গ্রহণ করলো। (একদল মানুষ) তাদের (জিনদের) পূজা করতো। কিন্তু পূজায় রত এ লোকগুলো তাদের পূজাতেই অটল থাকল। অথচ জিনের একদল ইসলাম গ্রহণ করেছে। (ই.ফা ৭২৭৩, ই.সে ৭৩২৮)
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا عبد الله بن إدريس، عن الأعمش، عن إبراهيم، عن أبي معمر، عن عبد الله، في قوله عز وجل { أولئك الذين يدعون يبتغون إلى ربهم الوسيلة أيهم أقرب} قال كان نفر من الجن أسلموا وكانوا يعبدون فبقي الذين كانوا يعبدون على عبادتهم وقد أسلم النفر من الجن .
সহিহ মুসলিম ৭৪৪৫
حدثني أبو بكر بن نافع العبدي، حدثنا عبد الرحمن، حدثنا سفيان، عن الأعمش، عن إبراهيم، عن أبي معمر، عن عبد الله، { أولئك الذين يدعون يبتغون إلى ربهم الوسيلة} قال كان نفر من الإنس يعبدون نفرا من الجن فأسلم النفر من الجن . واستمسك الإنس بعبادتهم فنزلت { أولئك الذين يدعون يبتغون إلى ربهم الوسيلة}
আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন মহান আল্লাহ্র বানীঃ তারা যাদেরকে আহবান করে তারাই তো তাদের পালনকর্তার নৈকট্যার্জনের উপায় সন্ধান করে”- (সূরা আল ইসৱা ১৭:৫৭)-এর ব্যাখ্যায় বলেন, একদল মানুষ কয়েকটি জিনের পূজা করত। তারপর জিনের দলটি ইসলাম গ্রহণ করল। কিন্তু এ লোকগুলো তাদের পূজার উপর অটল থাকে। তখন অবতীর্ণ হলো "তারা যাদেরকে ডাকে, তারাই তো তাদের পালনকর্তার নৈকট্যার্জনের উপায় সন্ধানে লিপ্ত থাকে"- (সূরাঃ আল ইসরা ১৭:৫৭)। (ই.ফা ৭২৭৪, ই.সে ৭৩২৯)
আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন মহান আল্লাহ্র বানীঃ তারা যাদেরকে আহবান করে তারাই তো তাদের পালনকর্তার নৈকট্যার্জনের উপায় সন্ধান করে”- (সূরা আল ইসৱা ১৭:৫৭)-এর ব্যাখ্যায় বলেন, একদল মানুষ কয়েকটি জিনের পূজা করত। তারপর জিনের দলটি ইসলাম গ্রহণ করল। কিন্তু এ লোকগুলো তাদের পূজার উপর অটল থাকে। তখন অবতীর্ণ হলো "তারা যাদেরকে ডাকে, তারাই তো তাদের পালনকর্তার নৈকট্যার্জনের উপায় সন্ধানে লিপ্ত থাকে"- (সূরাঃ আল ইসরা ১৭:৫৭)। (ই.ফা ৭২৭৪, ই.সে ৭৩২৯)
حدثني أبو بكر بن نافع العبدي، حدثنا عبد الرحمن، حدثنا سفيان، عن الأعمش، عن إبراهيم، عن أبي معمر، عن عبد الله، { أولئك الذين يدعون يبتغون إلى ربهم الوسيلة} قال كان نفر من الإنس يعبدون نفرا من الجن فأسلم النفر من الجن . واستمسك الإنس بعبادتهم فنزلت { أولئك الذين يدعون يبتغون إلى ربهم الوسيلة}
সহিহ মুসলিম ৭৪৪৭
وحدثني حجاج بن الشاعر، حدثنا عبد الصمد بن عبد الوارث، حدثني أبي، حدثنا حسين، عن قتادة، عن عبد الله بن معبد الزماني، عن عبد الله بن عتبة، عن عبد الله بن، مسعود { أولئك الذين يدعون يبتغون إلى ربهم الوسيلة} قال نزلت في نفر من العرب كانوا يعبدون نفرا من الجن فأسلم الجنيون والإنس الذين كانوا يعبدونهم لا يشعرون فنزلت { أولئك الذين يدعون يبتغون إلى ربهم الوسيلة}
'আবদুল্লাহ ইবনু মাসউদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, মহান আল্লাহর বাণী : “তারা যাদেরকে ডাকে তারাই তো তাদের পালনকর্তার নৈকট্যার্জনের উপায় খোঁজ করে"- (সূরা আল ইসরা ১৭:৫৭)-এর ব্যাখ্যায় বলেন, অত্র আয়াতটি আরবের এক দল লোক সম্বন্ধে নাযিল হয়েছে। তারা কতগুলো জিনের আরাধনা করত। অতঃপর জিনেরা তো ইসলাম গ্রহণ করলো; কিন্তু তাদের ইবাদাতে রত এ মানুষগুলো তা বুঝতে পারল না। তখন অবতীর্ণ হলো, "তারা যাদেরকে ডাকে তারাই তো তাদের প্রতিপালকের নৈকট্যার্জনের উপায় সন্ধানে লিপ্ত থাকে"- (সূরা আল ইসরা ১৭:৫৭) (ই.ফা ৭২৭৫, ই.সে, ৭৩৩১)
'আবদুল্লাহ ইবনু মাসউদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, মহান আল্লাহর বাণী : “তারা যাদেরকে ডাকে তারাই তো তাদের পালনকর্তার নৈকট্যার্জনের উপায় খোঁজ করে"- (সূরা আল ইসরা ১৭:৫৭)-এর ব্যাখ্যায় বলেন, অত্র আয়াতটি আরবের এক দল লোক সম্বন্ধে নাযিল হয়েছে। তারা কতগুলো জিনের আরাধনা করত। অতঃপর জিনেরা তো ইসলাম গ্রহণ করলো; কিন্তু তাদের ইবাদাতে রত এ মানুষগুলো তা বুঝতে পারল না। তখন অবতীর্ণ হলো, "তারা যাদেরকে ডাকে তারাই তো তাদের প্রতিপালকের নৈকট্যার্জনের উপায় সন্ধানে লিপ্ত থাকে"- (সূরা আল ইসরা ১৭:৫৭) (ই.ফা ৭২৭৫, ই.সে, ৭৩৩১)
وحدثني حجاج بن الشاعر، حدثنا عبد الصمد بن عبد الوارث، حدثني أبي، حدثنا حسين، عن قتادة، عن عبد الله بن معبد الزماني، عن عبد الله بن عتبة، عن عبد الله بن، مسعود { أولئك الذين يدعون يبتغون إلى ربهم الوسيلة} قال نزلت في نفر من العرب كانوا يعبدون نفرا من الجن فأسلم الجنيون والإنس الذين كانوا يعبدونهم لا يشعرون فنزلت { أولئك الذين يدعون يبتغون إلى ربهم الوسيلة}
সহিহ মুসলিম ৭৪৪৬
وحدثنيه بشر بن خالد، أخبرنا محمد، - يعني ابن جعفر - عن شعبة، عن سليمان، بهذا الإسناد .
সুলাইমান (রাঃ) হতে এ সূত্র থেকে বর্নিতঃ
অবিকল হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা, ৭২৭৪,ই.সে, ৭৩৩০)
সুলাইমান (রাঃ) হতে এ সূত্র থেকে বর্নিতঃ
অবিকল হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা, ৭২৭৪,ই.সে, ৭৩৩০)
وحدثنيه بشر بن خالد، أخبرنا محمد، - يعني ابن جعفر - عن شعبة، عن سليمان، بهذا الإسناد .
সহিহ মুসলিম > সূরাহ বারাআহ (আত তাওবাহ্), আল আনফাল ও আল হাশর
সহিহ মুসলিম ৭৪৪৮
حدثني عبد الله بن مطيع، حدثنا هشيم، عن أبي بشر، عن سعيد بن جبير، قال قلت لابن عباس سورة التوبة قال آلتوبة قال بل هي الفاضحة ما زالت تنزل ومنهم ومنهم . حتى ظنوا أن لا يبقى منا أحد إلا ذكر فيها . قال قلت سورة الأنفال قال تلك سورة بدر . قال قلت فالحشر قال نزلت في بني النضير .
সাঈদ ইবনু জুবায়র (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, একদা আমি ইবনু আব্বাস (রাঃ)-এর কাছে জিজ্ঞেস করলাম। তিনি বললেন, সূরাহ আত তাওবাহ। বরং এটা হচ্ছে অপমানকারী সূরাহ। এ সূরাতে কেবল......... (এদের মধ্যে, এদের মধ্যে) বর্ণিত হয়েছে। ফলে মানুষেরা ধারণা করতে লাগল যে, এ সূরায় আমাদের কেউ আলোচনা ব্যতীত অবশিষ্ট থাকবে না, সকলের দুর্বলতা তুলে ধরবে। অতঃপর আমি বললাম, সূরাহ আল আনফাল। এ কথা শুনে তিনি বললেন, এ সূরাহ তো বদর যুদ্ধের পটভূমিতে নাযিল হয়েছে। এরপর আমি সূরাহ আল হাশরের কথা বললাম। তিনি বললেন, এতো বানু নায়ীর গোত্র সম্পর্কে অবতীর্ণ হয়েছে। (ই.ফা ৭২৭৬, ই.সে, ৭৩৩২)
সাঈদ ইবনু জুবায়র (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, একদা আমি ইবনু আব্বাস (রাঃ)-এর কাছে জিজ্ঞেস করলাম। তিনি বললেন, সূরাহ আত তাওবাহ। বরং এটা হচ্ছে অপমানকারী সূরাহ। এ সূরাতে কেবল......... (এদের মধ্যে, এদের মধ্যে) বর্ণিত হয়েছে। ফলে মানুষেরা ধারণা করতে লাগল যে, এ সূরায় আমাদের কেউ আলোচনা ব্যতীত অবশিষ্ট থাকবে না, সকলের দুর্বলতা তুলে ধরবে। অতঃপর আমি বললাম, সূরাহ আল আনফাল। এ কথা শুনে তিনি বললেন, এ সূরাহ তো বদর যুদ্ধের পটভূমিতে নাযিল হয়েছে। এরপর আমি সূরাহ আল হাশরের কথা বললাম। তিনি বললেন, এতো বানু নায়ীর গোত্র সম্পর্কে অবতীর্ণ হয়েছে। (ই.ফা ৭২৭৬, ই.সে, ৭৩৩২)
حدثني عبد الله بن مطيع، حدثنا هشيم، عن أبي بشر، عن سعيد بن جبير، قال قلت لابن عباس سورة التوبة قال آلتوبة قال بل هي الفاضحة ما زالت تنزل ومنهم ومنهم . حتى ظنوا أن لا يبقى منا أحد إلا ذكر فيها . قال قلت سورة الأنفال قال تلك سورة بدر . قال قلت فالحشر قال نزلت في بني النضير .