সহিহ মুসলিম > রসনার সংযম (অর্থাৎ এমন কথা আলোচনা করা যার কারণে জাহান্নামে পতিত হবে) এবং অন্য নুসখায় রয়েছে বাকশক্তি নিয়ন্ত্রণ করা
সহিহ মুসলিম ৭৩৭১
حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا بكر، - يعني ابن مضر - عن ابن الهاد، عن محمد، بن إبراهيم عن عيسى بن طلحة، عن أبي هريرة، أنه سمع رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " إن العبد ليتكلم بالكلمة ينزل بها في النار أبعد ما بين المشرق والمغرب " .
আবূ হুরাইরাহ্ (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে এ কথা বলতে শুনেছেন যে, বান্দা এমন কথা বলে, যার কারণে সে জাহান্নামের মধ্যে পূর্ব ও পশ্চিমাকাশের মধ্যস্থিত দূরত্বের তুলনায়ও বেশি দূরে গিয়ে নিপতিত হবে। (ই.ফা. ৭২১১, ই.সে. ৭২৬৩)
আবূ হুরাইরাহ্ (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে এ কথা বলতে শুনেছেন যে, বান্দা এমন কথা বলে, যার কারণে সে জাহান্নামের মধ্যে পূর্ব ও পশ্চিমাকাশের মধ্যস্থিত দূরত্বের তুলনায়ও বেশি দূরে গিয়ে নিপতিত হবে। (ই.ফা. ৭২১১, ই.সে. ৭২৬৩)
حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا بكر، - يعني ابن مضر - عن ابن الهاد، عن محمد، بن إبراهيم عن عيسى بن طلحة، عن أبي هريرة، أنه سمع رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " إن العبد ليتكلم بالكلمة ينزل بها في النار أبعد ما بين المشرق والمغرب " .
সহিহ মুসলিম ৭৩৭২
وحدثناه محمد بن أبي عمر المكي، حدثنا عبد العزيز الدراوردي، عن يزيد بن، الهاد عن محمد بن إبراهيم، عن عيسى بن طلحة، عن أبي هريرة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " إن العبد ليتكلم بالكلمة ما يتبين ما فيها يهوي بها في النار أبعد ما بين المشرق والمغرب " .
আবূ হুরাইরাহ্ (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ বান্দা এমন কথা বলে, যার ক্ষতির ব্যাপারে সে অবহিত নয়, পরিশেষে সে জাহান্নামে পূর্ব ও পশ্চিমাকাশের মধ্যস্থিত দূরত্বের তুলনায়ও অধিক দূরে গিয়ে সে নিপতিত হয়। (ই.ফা. ৭২১২, ই.সে. ৭২৬৪)
আবূ হুরাইরাহ্ (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ বান্দা এমন কথা বলে, যার ক্ষতির ব্যাপারে সে অবহিত নয়, পরিশেষে সে জাহান্নামে পূর্ব ও পশ্চিমাকাশের মধ্যস্থিত দূরত্বের তুলনায়ও অধিক দূরে গিয়ে সে নিপতিত হয়। (ই.ফা. ৭২১২, ই.সে. ৭২৬৪)
وحدثناه محمد بن أبي عمر المكي، حدثنا عبد العزيز الدراوردي، عن يزيد بن، الهاد عن محمد بن إبراهيم، عن عيسى بن طلحة، عن أبي هريرة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " إن العبد ليتكلم بالكلمة ما يتبين ما فيها يهوي بها في النار أبعد ما بين المشرق والمغرب " .
সহিহ মুসলিম > যে ব্যক্তি নেক কাজের আদেশ দেয়, কিন্তু নিজে করে না এবং খারাপ কাজে বাধা দেয়, কিন্তু স্বয়ং তা থেকে দূরে থাকে না, তার শাস্তি
সহিহ মুসলিম ৭৩৭৪
حدثنا عثمان بن أبي شيبة، حدثنا جرير، عن الأعمش، عن أبي وائل، قال كنا عند أسامة بن زيد فقال رجل ما يمنعك أن تدخل على عثمان فتكلمه فيما يصنع وساق الحديث بمثله .
আবূ ওয়ায়িল (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, একদিন আমরা উসামাহ্ ইবনু যায়দ (রাঃ)-এর কাছে উপবিষ্ট ছিলাম। এমতাবস্থায় এক লোক তাকে বললেন, আমীরুল মু’মিনীন ‘উসমান (রাঃ)-এর কাছে গিয়ে তাঁর কর্মপদ্ধতি সম্পর্কে কথোপকথন করতে আপনাকে বাধা দিচ্ছে কিসে? ….. অতঃপর জারীর (রহঃ) অবিকল হাদীস বর্ণনা করলেন। (ই.ফা. ৭২১৪, ই.সে. ৭২৬৬)
আবূ ওয়ায়িল (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, একদিন আমরা উসামাহ্ ইবনু যায়দ (রাঃ)-এর কাছে উপবিষ্ট ছিলাম। এমতাবস্থায় এক লোক তাকে বললেন, আমীরুল মু’মিনীন ‘উসমান (রাঃ)-এর কাছে গিয়ে তাঁর কর্মপদ্ধতি সম্পর্কে কথোপকথন করতে আপনাকে বাধা দিচ্ছে কিসে? ….. অতঃপর জারীর (রহঃ) অবিকল হাদীস বর্ণনা করলেন। (ই.ফা. ৭২১৪, ই.সে. ৭২৬৬)
حدثنا عثمان بن أبي شيبة، حدثنا جرير، عن الأعمش، عن أبي وائل، قال كنا عند أسامة بن زيد فقال رجل ما يمنعك أن تدخل على عثمان فتكلمه فيما يصنع وساق الحديث بمثله .
সহিহ মুসলিম ৭৩৭৩
حدثنا يحيى بن يحيى، وأبو بكر بن أبي شيبة ومحمد بن عبد الله بن نمير وإسحاق بن إبراهيم وأبو كريب - واللفظ لأبي كريب - قال يحيى وإسحاق أخبرنا وقال الآخرون حدثنا أبو معاوية حدثنا الأعمش عن شقيق عن أسامة بن زيد قال قيل له ألا تدخل على عثمان فتكلمه فقال أترون أني لا أكلمه إلا أسمعكم والله لقد كلمته فيما بيني وبينه ما دون أن أفتتح أمرا لا أحب أن أكون أول من فتحه ولا أقول لأحد يكون على أميرا إنه خير الناس . بعد ما سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " يؤتى بالرجل يوم القيامة فيلقى في النار فتندلق أقتاب بطنه فيدور بها كما يدور الحمار بالرحى فيجتمع إليه أهل النار فيقولون يا فلان ما لك ألم تكن تأمر بالمعروف وتنهى عن المنكر فيقول بلى قد كنت آمر بالمعروف ولا آتيه وأنهى عن المنكر وآتيه " .
উসামাহ্ ইবনু যায়দ (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, একদিন তাকে জিজ্ঞেস করা হলো, আপনি ‘উসমান (রাঃ)-এর কাছে গিয়ে আলোচনা করেন না কেন? উত্তরে তিনি বলেন, তোমরা কি এটা মনে করছ যে, শুধু আমি তোমাদেরকে নিয়েই তার সাথে কথা বলি? আল্লাহর শপথ! আমার ও তাঁর মধ্যকার যে কথা বলবার, আমি তাকে তা বলেছি। তবে আমি এসব বিষয়ে মুখ খুলতে চাইনা, যে ব্যাপারে কথা বললে আমিই হব এর প্রথম ব্যক্তি। আর যে লোক আমার আমীর বা নেতা তাদের কারো ব্যাপারে আমি এ কথাও বলতে চাইনা যে, তিনিই সর্বোত্তম ব্যক্তি। কেননা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে আমি এ কথা বলতে শুনেছি যে, কিয়ামাত দিবসে এক লোককে উপস্থিত করা হবে। অতঃপর তাকে জাহান্নামে ফেলে দেয়া হবে। ফলে তার পেটের নাড়ি-ভূড়ি বের হয়ে যাবে। এরপর গাধা যেমন চাক্কীর চারপাশে ঘুরে অনুরূপ ভাবে সেও এগুলো নিয়ে ঘুরতে থাকবে। এ দেখে জাহান্নামীরা তার চারপাশে এসে একত্রিত হবে এবং তাকে বলবে, হে অমুক! তোমার কি হয়েছে? তুমি কি ভালো কাজের আদেশ দিতে না এবং মন্দ কাজ হতে দূরে থাকতে বলতেনা? জবাবে সে বলবে, হ্যাঁ, তবে আমি ভালো কাজের আদেশ দিতাম; কিন্তু স্বয়ং তা পালন করতাম না এবং মন্দ কাজে বাধা দিতাম কিন্তু নিজেই আবার তা কাজ করতাম। (ই.ফা. ৭২১৩, ই.সে. ৭২৬৫)
উসামাহ্ ইবনু যায়দ (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, একদিন তাকে জিজ্ঞেস করা হলো, আপনি ‘উসমান (রাঃ)-এর কাছে গিয়ে আলোচনা করেন না কেন? উত্তরে তিনি বলেন, তোমরা কি এটা মনে করছ যে, শুধু আমি তোমাদেরকে নিয়েই তার সাথে কথা বলি? আল্লাহর শপথ! আমার ও তাঁর মধ্যকার যে কথা বলবার, আমি তাকে তা বলেছি। তবে আমি এসব বিষয়ে মুখ খুলতে চাইনা, যে ব্যাপারে কথা বললে আমিই হব এর প্রথম ব্যক্তি। আর যে লোক আমার আমীর বা নেতা তাদের কারো ব্যাপারে আমি এ কথাও বলতে চাইনা যে, তিনিই সর্বোত্তম ব্যক্তি। কেননা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে আমি এ কথা বলতে শুনেছি যে, কিয়ামাত দিবসে এক লোককে উপস্থিত করা হবে। অতঃপর তাকে জাহান্নামে ফেলে দেয়া হবে। ফলে তার পেটের নাড়ি-ভূড়ি বের হয়ে যাবে। এরপর গাধা যেমন চাক্কীর চারপাশে ঘুরে অনুরূপ ভাবে সেও এগুলো নিয়ে ঘুরতে থাকবে। এ দেখে জাহান্নামীরা তার চারপাশে এসে একত্রিত হবে এবং তাকে বলবে, হে অমুক! তোমার কি হয়েছে? তুমি কি ভালো কাজের আদেশ দিতে না এবং মন্দ কাজ হতে দূরে থাকতে বলতেনা? জবাবে সে বলবে, হ্যাঁ, তবে আমি ভালো কাজের আদেশ দিতাম; কিন্তু স্বয়ং তা পালন করতাম না এবং মন্দ কাজে বাধা দিতাম কিন্তু নিজেই আবার তা কাজ করতাম। (ই.ফা. ৭২১৩, ই.সে. ৭২৬৫)
حدثنا يحيى بن يحيى، وأبو بكر بن أبي شيبة ومحمد بن عبد الله بن نمير وإسحاق بن إبراهيم وأبو كريب - واللفظ لأبي كريب - قال يحيى وإسحاق أخبرنا وقال الآخرون حدثنا أبو معاوية حدثنا الأعمش عن شقيق عن أسامة بن زيد قال قيل له ألا تدخل على عثمان فتكلمه فقال أترون أني لا أكلمه إلا أسمعكم والله لقد كلمته فيما بيني وبينه ما دون أن أفتتح أمرا لا أحب أن أكون أول من فتحه ولا أقول لأحد يكون على أميرا إنه خير الناس . بعد ما سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " يؤتى بالرجل يوم القيامة فيلقى في النار فتندلق أقتاب بطنه فيدور بها كما يدور الحمار بالرحى فيجتمع إليه أهل النار فيقولون يا فلان ما لك ألم تكن تأمر بالمعروف وتنهى عن المنكر فيقول بلى قد كنت آمر بالمعروف ولا آتيه وأنهى عن المنكر وآتيه " .
সহিহ মুসলিম > নিজের গোপন দোষ-ত্রুটি বহিঃপ্রকাশ না করা
সহিহ মুসলিম ৭৩৭৫
حدثني زهير بن حرب، ومحمد بن حاتم، وعبد بن حميد، قال عبد حدثني وقال، الآخران حدثنا يعقوب بن إبراهيم، حدثنا ابن أخي ابن شهاب، عن عمه، قال قال سالم سمعت أبا هريرة، يقول سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " كل أمتي معافاة إلا المجاهرين وإن من الإجهار أن يعمل العبد بالليل عملا ثم يصبح قد ستره ربه فيقول يا فلان قد عملت البارحة كذا وكذا وقد بات يستره ربه فيبيت يستره ربه ويصبح يكشف ستر الله عنه " . قال زهير " وإن من الهجار "
আবূ হুরাইরাহ্ (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে এ কথা বলতে শুনেছি যে, নিজের অপরাধ প্রকাশকারী ছাড়া আমার সমস্ত উম্মাতের গুনাহ মাফ করে দেয়া হবে। নিজের দোষ-ত্রুটি প্রকাশ করার মানে হচ্ছে এই যে, মানুষ রাতে কোন্ ধরনের অপরাধজনিত কাজ করে, তারপর সকাল হয় আর তার পালনকর্তা সেটা লুক্কায়িত রাখেন। এতদ্সত্ত্বেও সে বলে, হে অমুক! গতরাত্রে আমি এ কাজ করেছি। অথচ রাতে তার পালনকর্তা সেটাকে গোপন রেখেছেন এবং অবিরত তার পালনকর্তা সেটাকে গোপন রাখছিলেন আর সে রাত অতিবাহিত করছিল। কিন্তু সকালে সে তার পালনকর্তার গোপনীয় বিষয়টিকে উন্মোচন করে দেয়। রাবী যুহায়র (রহঃ) ………. –এর পরিবর্তে …… শব্দটি উল্লেখ করেছেন। (ই.ফা. ৭২১৫, ই.সে. ৭২৬৭)
আবূ হুরাইরাহ্ (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে এ কথা বলতে শুনেছি যে, নিজের অপরাধ প্রকাশকারী ছাড়া আমার সমস্ত উম্মাতের গুনাহ মাফ করে দেয়া হবে। নিজের দোষ-ত্রুটি প্রকাশ করার মানে হচ্ছে এই যে, মানুষ রাতে কোন্ ধরনের অপরাধজনিত কাজ করে, তারপর সকাল হয় আর তার পালনকর্তা সেটা লুক্কায়িত রাখেন। এতদ্সত্ত্বেও সে বলে, হে অমুক! গতরাত্রে আমি এ কাজ করেছি। অথচ রাতে তার পালনকর্তা সেটাকে গোপন রেখেছেন এবং অবিরত তার পালনকর্তা সেটাকে গোপন রাখছিলেন আর সে রাত অতিবাহিত করছিল। কিন্তু সকালে সে তার পালনকর্তার গোপনীয় বিষয়টিকে উন্মোচন করে দেয়। রাবী যুহায়র (রহঃ) ………. –এর পরিবর্তে …… শব্দটি উল্লেখ করেছেন। (ই.ফা. ৭২১৫, ই.সে. ৭২৬৭)
حدثني زهير بن حرب، ومحمد بن حاتم، وعبد بن حميد، قال عبد حدثني وقال، الآخران حدثنا يعقوب بن إبراهيم، حدثنا ابن أخي ابن شهاب، عن عمه، قال قال سالم سمعت أبا هريرة، يقول سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " كل أمتي معافاة إلا المجاهرين وإن من الإجهار أن يعمل العبد بالليل عملا ثم يصبح قد ستره ربه فيقول يا فلان قد عملت البارحة كذا وكذا وقد بات يستره ربه فيبيت يستره ربه ويصبح يكشف ستر الله عنه " . قال زهير " وإن من الهجار "
সহিহ মুসলিম > হাঁচির উত্তর দেয়া ও হাই তোলা মাকরূহ হওয়ার বর্ণনা
সহিহ মুসলিম ৭৩৭৬
حدثني محمد بن عبد الله بن نمير، حدثنا حفص، - وهو ابن غياث - عن سليمان، التيمي عن أنس بن مالك، قال عطس عند النبي صلى الله عليه وسلم رجلان فشمت أحدهما ولم يشمت الآخر فقال الذي لم يشمته عطس فلان فشمته وعطست أنا فلم تشمتني . قال " إن هذا حمد الله وإنك لم تحمد الله " .
আনাস ইবনু মালিক (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, দু’ ব্যক্তি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে হাঁচি দেয়ার পর তিনি একজনের হাঁচির উত্তর দিলেন। কিন্তু অপরজনের হাঁচির উত্তর দিলেন না। এ দেখে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যার হাঁচির উত্তর দেননি সে বলল, অমুক হাঁচি দিয়েছে আর আপনি তার উত্তর দিয়েছেন, তবে আমি হাঁচি দিয়েছি কিন্তু আপনি আমার হাঁচির কোন উত্তর দেননি। এ কথা শুনে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ সে তো আল্লাহর প্রশংসা করেছে; কিন্তু তুমি আল্লাহর কোন প্রশংসা করনি। (ই.ফা. ৭২১৬, ই.সে. ৭২৬৮)
আনাস ইবনু মালিক (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, দু’ ব্যক্তি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে হাঁচি দেয়ার পর তিনি একজনের হাঁচির উত্তর দিলেন। কিন্তু অপরজনের হাঁচির উত্তর দিলেন না। এ দেখে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যার হাঁচির উত্তর দেননি সে বলল, অমুক হাঁচি দিয়েছে আর আপনি তার উত্তর দিয়েছেন, তবে আমি হাঁচি দিয়েছি কিন্তু আপনি আমার হাঁচির কোন উত্তর দেননি। এ কথা শুনে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ সে তো আল্লাহর প্রশংসা করেছে; কিন্তু তুমি আল্লাহর কোন প্রশংসা করনি। (ই.ফা. ৭২১৬, ই.সে. ৭২৬৮)
حدثني محمد بن عبد الله بن نمير، حدثنا حفص، - وهو ابن غياث - عن سليمان، التيمي عن أنس بن مالك، قال عطس عند النبي صلى الله عليه وسلم رجلان فشمت أحدهما ولم يشمت الآخر فقال الذي لم يشمته عطس فلان فشمته وعطست أنا فلم تشمتني . قال " إن هذا حمد الله وإنك لم تحمد الله " .
সহিহ মুসলিম ৭৩৮০
حدثنا يحيى بن أيوب، وقتيبة بن سعيد، وعلي بن حجر السعدي، قالوا حدثنا إسماعيل، - يعنون ابن جعفر - عن العلاء، عن أبيه، عن أبي هريرة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " التثاؤب من الشيطان فإذا تثاءب أحدكم فليكظم ما استطاع " .
আবূ হুরাইরাহ্ (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, হাই তোলা শাইতানের পক্ষ হতে আসে। তোমাদের কেউ যদি হাই তোলে তবে যথাসাধ্য সে যেন তা ব্যাহত করার চেষ্টা করে। (ই.ফা. ৭২২০, ই.সে. ৭২৭২)
আবূ হুরাইরাহ্ (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, হাই তোলা শাইতানের পক্ষ হতে আসে। তোমাদের কেউ যদি হাই তোলে তবে যথাসাধ্য সে যেন তা ব্যাহত করার চেষ্টা করে। (ই.ফা. ৭২২০, ই.সে. ৭২৭২)
حدثنا يحيى بن أيوب، وقتيبة بن سعيد، وعلي بن حجر السعدي، قالوا حدثنا إسماعيل، - يعنون ابن جعفر - عن العلاء، عن أبيه، عن أبي هريرة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " التثاؤب من الشيطان فإذا تثاءب أحدكم فليكظم ما استطاع " .
সহিহ মুসলিম ৭৩৭৯
حدثنا محمد بن عبد الله بن نمير، حدثنا وكيع، حدثنا عكرمة بن عمار، عن إياس، بن سلمة بن الأكوع عن أبيه، ح وحدثنا إسحاق بن إبراهيم، - واللفظ له - حدثنا أبو النضر، هاشم بن القاسم حدثنا عكرمة بن عمار، حدثني إياس بن سلمة بن الأكوع، أن أباه، حدثه أنه، سمع النبي صلى الله عليه وسلم وعطس رجل عنده فقال له " يرحمك الله " . ثم عطس أخرى فقال له رسول الله صلى الله عليه وسلم " الرجل مزكوم " .
সালামাহ্ ইবনু আক্ওয়া‘ (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ
এক লোক নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে হাঁচি দেয়ার পর তিনি তাকে বললেন, আল্লাহ তোমার প্রতি দয়া করুন। অতঃপর সে আরেকবার হাঁচি দেয়ার পর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ সে সর্দিতে আক্রান্ত। (ই.ফা. ৭২১৯, ই.সে. ৭২৭১)
সালামাহ্ ইবনু আক্ওয়া‘ (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ
এক লোক নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে হাঁচি দেয়ার পর তিনি তাকে বললেন, আল্লাহ তোমার প্রতি দয়া করুন। অতঃপর সে আরেকবার হাঁচি দেয়ার পর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ সে সর্দিতে আক্রান্ত। (ই.ফা. ৭২১৯, ই.সে. ৭২৭১)
حدثنا محمد بن عبد الله بن نمير، حدثنا وكيع، حدثنا عكرمة بن عمار، عن إياس، بن سلمة بن الأكوع عن أبيه، ح وحدثنا إسحاق بن إبراهيم، - واللفظ له - حدثنا أبو النضر، هاشم بن القاسم حدثنا عكرمة بن عمار، حدثني إياس بن سلمة بن الأكوع، أن أباه، حدثه أنه، سمع النبي صلى الله عليه وسلم وعطس رجل عنده فقال له " يرحمك الله " . ثم عطس أخرى فقال له رسول الله صلى الله عليه وسلم " الرجل مزكوم " .
সহিহ মুসলিম ৭৩৮১
حدثني أبو غسان المسمعي، مالك بن عبد الواحد حدثنا بشر بن المفضل، حدثنا سهيل بن أبي صالح، قال سمعت ابنا، لأبي سعيد الخدري يحدث أبي عن أبيه، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " إذا تثاوب أحدكم فليمسك بيده على فيه فإن الشيطان يدخل " .
আবূ সা‘ঈদ আল খুদরী (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমাদের কেউ যদি হাই তোলে তবে সে যেন তার মুখের উপর হাত রাখে। কেননা এ সময় শাইতান মুখের অভ্যন্তরে ঢুকে। (ই.ফা. ৭২২১, ই.সে. ৭২৭৩)
আবূ সা‘ঈদ আল খুদরী (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমাদের কেউ যদি হাই তোলে তবে সে যেন তার মুখের উপর হাত রাখে। কেননা এ সময় শাইতান মুখের অভ্যন্তরে ঢুকে। (ই.ফা. ৭২২১, ই.সে. ৭২৭৩)
حدثني أبو غسان المسمعي، مالك بن عبد الواحد حدثنا بشر بن المفضل، حدثنا سهيل بن أبي صالح، قال سمعت ابنا، لأبي سعيد الخدري يحدث أبي عن أبيه، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " إذا تثاوب أحدكم فليمسك بيده على فيه فإن الشيطان يدخل " .
সহিহ মুসলিম ৭৩৮২
حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا عبد العزيز، عن سهيل، عن عبد الرحمن بن أبي، سعيد عن أبيه، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " إذا تثاوب أحدكم فليمسك بيده فإن الشيطان يدخل " .
আবূ সা‘ঈদ আল খুদরী (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, যদি তোমাদের কেউ হাই তোলে তবে সে যেন তার মুখের উপর হাত রেখে সেটাকে ব্যাহত করে। কেননা এ সময় শাইতান মুখ দিয়ে প্রবেশ করে। (ই.ফা. ৭২২২, ই.সে. ৭২৭৪)
আবূ সা‘ঈদ আল খুদরী (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, যদি তোমাদের কেউ হাই তোলে তবে সে যেন তার মুখের উপর হাত রেখে সেটাকে ব্যাহত করে। কেননা এ সময় শাইতান মুখ দিয়ে প্রবেশ করে। (ই.ফা. ৭২২২, ই.সে. ৭২৭৪)
حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا عبد العزيز، عن سهيل، عن عبد الرحمن بن أبي، سعيد عن أبيه، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " إذا تثاوب أحدكم فليمسك بيده فإن الشيطان يدخل " .
সহিহ মুসলিম ৭৩৭৮
حدثني زهير بن حرب، ومحمد بن عبد الله بن نمير، - واللفظ لزهير - قالا حدثنا القاسم بن مالك، عن عاصم بن كليب، عن أبي بردة، قال دخلت على أبي موسى وهو في بيت بنت الفضل بن عباس فعطست فلم يشمتني وعطست فشمتها فرجعت إلى أمي فأخبرتها فلما جاءها قالت عطس عندك ابني فلم تشمته وعطست فشمتها . فقال إن ابنك عطس فلم يحمد الله فلم أشمته وعطست فحمدت الله فشمتها سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " إذا عطس أحدكم فحمد الله فشمتوه فإن لم يحمد الله فلا تشمتوه " .
আবূ বুরদাহ্ (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, একদিন আমি আবূ মূসা (রাঃ)-এর কাছে গেলাম। তখন তিনি ফায্ল ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ)-এর মেয়ের ঘরে ছিলেন। তখন আমি হাঁচি দিলাম; কিন্তু আবূ মূসা (রাঃ) তার কোন প্রত্যূত্তর দিলেন না। তারপর ফায্ল-এর মেয়ে হাঁচি দিল, তিনি এর উত্তর দিলেন। আমি আমার মায়ের কাছে ফিরে এসে তাকে এ ব্যাপারে জানালাম। তরপর কোন এক সময় আবূ মূসা (রাঃ) আমার মায়ের কাছে আসলে তিনি তাকে বললেন, তোমার কাছে আমার ছেলে হাঁচি দিয়েছিল, তুমি উত্তর দাওনি। কিন্তু ফায্লের মেয়ে হাঁচি দিলে তুমি উত্তর দিয়েছ। এ কথা শুনে আবূ মূসা (রাঃ) বললেন, তোমার ছেলে হাঁচি দিয়েছে এবং আল্লাহর প্রশংসা করেনি। তাই আমিও তার হাঁচির উত্তর দেইনি। আর ঐ মহিলা হাঁচি দিয়েছে এবং আল্লাহর প্রশংসা করেছে তাই আমিও তার হাঁচির উত্তর দিয়েছি। কেননা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে আমি এ কথা বলতে শুনেছি যে, তোমাদের কেউ যদি হাঁচি দেয় এবং আল্লাহর প্রশংসা করে তাহলে তোমরা তার হাঁচির উত্তর দিবে। আর যদি সে আল্লাহর প্রশংসা না করে তবে তোমরাও তার হাঁচির উত্তর দিও না। (ই.ফা. ৭২১৮, ই.সে. ৭২৭০)
আবূ বুরদাহ্ (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, একদিন আমি আবূ মূসা (রাঃ)-এর কাছে গেলাম। তখন তিনি ফায্ল ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ)-এর মেয়ের ঘরে ছিলেন। তখন আমি হাঁচি দিলাম; কিন্তু আবূ মূসা (রাঃ) তার কোন প্রত্যূত্তর দিলেন না। তারপর ফায্ল-এর মেয়ে হাঁচি দিল, তিনি এর উত্তর দিলেন। আমি আমার মায়ের কাছে ফিরে এসে তাকে এ ব্যাপারে জানালাম। তরপর কোন এক সময় আবূ মূসা (রাঃ) আমার মায়ের কাছে আসলে তিনি তাকে বললেন, তোমার কাছে আমার ছেলে হাঁচি দিয়েছিল, তুমি উত্তর দাওনি। কিন্তু ফায্লের মেয়ে হাঁচি দিলে তুমি উত্তর দিয়েছ। এ কথা শুনে আবূ মূসা (রাঃ) বললেন, তোমার ছেলে হাঁচি দিয়েছে এবং আল্লাহর প্রশংসা করেনি। তাই আমিও তার হাঁচির উত্তর দেইনি। আর ঐ মহিলা হাঁচি দিয়েছে এবং আল্লাহর প্রশংসা করেছে তাই আমিও তার হাঁচির উত্তর দিয়েছি। কেননা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে আমি এ কথা বলতে শুনেছি যে, তোমাদের কেউ যদি হাঁচি দেয় এবং আল্লাহর প্রশংসা করে তাহলে তোমরা তার হাঁচির উত্তর দিবে। আর যদি সে আল্লাহর প্রশংসা না করে তবে তোমরাও তার হাঁচির উত্তর দিও না। (ই.ফা. ৭২১৮, ই.সে. ৭২৭০)
حدثني زهير بن حرب، ومحمد بن عبد الله بن نمير، - واللفظ لزهير - قالا حدثنا القاسم بن مالك، عن عاصم بن كليب، عن أبي بردة، قال دخلت على أبي موسى وهو في بيت بنت الفضل بن عباس فعطست فلم يشمتني وعطست فشمتها فرجعت إلى أمي فأخبرتها فلما جاءها قالت عطس عندك ابني فلم تشمته وعطست فشمتها . فقال إن ابنك عطس فلم يحمد الله فلم أشمته وعطست فحمدت الله فشمتها سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " إذا عطس أحدكم فحمد الله فشمتوه فإن لم يحمد الله فلا تشمتوه " .
সহিহ মুসলিম ৭৩৮৩
حدثني أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا وكيع، عن سفيان، عن سهيل بن أبي صالح، عن ابن أبي سعيد الخدري، عن أبيه، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " إذا تثاوب أحدكم في الصلاة فليكظم ما استطاع فإن الشيطان يدخل " .
আবূ সা‘ঈদ আল খুদরী (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, সলাতের মধ্যে তোমাদের কেউ যদি হাই তোলে তবে সে যেন যথাসাধ্য তা ব্যাহত করার চেষ্টা করে। কেননা, শাইতান এ সময় মুখ দিয়ে প্রবেশ করে। (ই.ফা. ৭২২৩, ই.সে. ৭২৭৫)
আবূ সা‘ঈদ আল খুদরী (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, সলাতের মধ্যে তোমাদের কেউ যদি হাই তোলে তবে সে যেন যথাসাধ্য তা ব্যাহত করার চেষ্টা করে। কেননা, শাইতান এ সময় মুখ দিয়ে প্রবেশ করে। (ই.ফা. ৭২২৩, ই.সে. ৭২৭৫)
حدثني أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا وكيع، عن سفيان، عن سهيل بن أبي صالح، عن ابن أبي سعيد الخدري، عن أبيه، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " إذا تثاوب أحدكم في الصلاة فليكظم ما استطاع فإن الشيطان يدخل " .
সহিহ মুসলিম ৭৩৭৭
وحدثنا أبو كريب، حدثنا أبو خالد، - يعني الأحمر - عن سليمان التيمي، عن أنس، عن النبي صلى الله عليه وسلم بمثله .
আনাস (রাযিঃ)-এর সানাদে নাবী (সাঃ) থেকে বর্নিতঃ
অবিকল হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৭২১৭, ই.সে. ৭২৬৯)
আনাস (রাযিঃ)-এর সানাদে নাবী (সাঃ) থেকে বর্নিতঃ
অবিকল হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৭২১৭, ই.সে. ৭২৬৯)
وحدثنا أبو كريب، حدثنا أبو خالد، - يعني الأحمر - عن سليمان التيمي، عن أنس، عن النبي صلى الله عليه وسلم بمثله .
সহিহ মুসলিম ৭৩৮৪
حدثناه عثمان بن أبي شيبة، حدثنا جرير، عن سهيل، عن أبيه، أو عن ابن أبي، سعيد عن أبي سعيد، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم بمثل حديث بشر وعبد العزيز .
আবূ সা‘ঈদ আল খুদরী (রাযিঃ)-এর সানাদে রসূলুল্লাহ (সাঃ) থেকে বর্নিতঃ
বিশ্র ও ‘আবদুল ‘আযীয-এর অবিকল হাদীস বর্ণনা করেছেন।
আবূ সা‘ঈদ আল খুদরী (রাযিঃ)-এর সানাদে রসূলুল্লাহ (সাঃ) থেকে বর্নিতঃ
বিশ্র ও ‘আবদুল ‘আযীয-এর অবিকল হাদীস বর্ণনা করেছেন।
حدثناه عثمان بن أبي شيبة، حدثنا جرير، عن سهيل، عن أبيه، أو عن ابن أبي، سعيد عن أبي سعيد، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم بمثل حديث بشر وعبد العزيز .