সহিহ মুসলিম > যারা নিজেদের উপর অত্যাচার করেছে (সামূদ গোত্রের) তাদের আবাসস্থলে তোমরা যাবে না; তবে কান্নাজড়িত অবস্থায় যেতে পার

সহিহ মুসলিম ৭৩৫৪

حدثنا يحيى بن أيوب، وقتيبة بن سعيد، وعلي بن حجر، جميعا عن إسماعيل، قال ابن أيوب حدثنا إسماعيل بن جعفر، أخبرني عبد الله بن دينار، أنه سمع عبد الله، بن عمر يقول قال رسول الله صلى الله عليه وسلم لأصحاب الحجر ‏ "‏ لا تدخلوا على هؤلاء القوم المعذبين إلا أن تكونوا باكين فإن لم تكونوا باكين فلا تدخلوا عليهم أن يصيبكم مثل ما أصابهم ‏"‏ ‏.‏

‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আসহাবে হিজ্র তথা সামূদ গোত্র সম্পর্কে সহাবাদেরকে বলেছেন: শাস্তিপ্রাপ্ত এ সম্প্রদায়ের উপর দিয়ে ক্রন্দনরত অবস্থায় তোমাদের পথ চলা উচিত। যদি তোমাদের কান্না না আসে তাদের এলাকায় কিছুতেই ঢুকবে না। যাতে এমনটি না ঘটে যে, তাদের উপর যে ‘আযাব এসেছিল, অনুরূপ ‘আযাব তোমাদের উপরও এসে যায়। (ই.ফা. ৭১৯৪, ই.সে. ৭২৪৭)

‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আসহাবে হিজ্র তথা সামূদ গোত্র সম্পর্কে সহাবাদেরকে বলেছেন: শাস্তিপ্রাপ্ত এ সম্প্রদায়ের উপর দিয়ে ক্রন্দনরত অবস্থায় তোমাদের পথ চলা উচিত। যদি তোমাদের কান্না না আসে তাদের এলাকায় কিছুতেই ঢুকবে না। যাতে এমনটি না ঘটে যে, তাদের উপর যে ‘আযাব এসেছিল, অনুরূপ ‘আযাব তোমাদের উপরও এসে যায়। (ই.ফা. ৭১৯৪, ই.সে. ৭২৪৭)

حدثنا يحيى بن أيوب، وقتيبة بن سعيد، وعلي بن حجر، جميعا عن إسماعيل، قال ابن أيوب حدثنا إسماعيل بن جعفر، أخبرني عبد الله بن دينار، أنه سمع عبد الله، بن عمر يقول قال رسول الله صلى الله عليه وسلم لأصحاب الحجر ‏ "‏ لا تدخلوا على هؤلاء القوم المعذبين إلا أن تكونوا باكين فإن لم تكونوا باكين فلا تدخلوا عليهم أن يصيبكم مثل ما أصابهم ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৭৩৫৫

حدثني حرملة بن يحيى، أخبرنا ابن وهب، أخبرني يونس، عن ابن شهاب، - وهو يذكر الحجر مساكن ثمود - قال سالم بن عبد الله إن عبد الله بن عمر قال مررنا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم على الحجر فقال لنا رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ لا تدخلوا مساكن الذين ظلموا أنفسهم إلا أن تكونوا باكين حذرا أن يصيبكم مثل ما أصابهم ‏"‏ ‏.‏ ثم زجر فأسرع حتى خلفها ‏.‏

‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গে একদিন আমরা হিজ্র অধিবাসীদের এলাকা দিয়ে পথ অতিক্রম করছিলাম। এমন সময় রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদেরকে বললেন, যারা নিজেদের প্রতি যুল্ম করেছে তাদের জনপদ দিয়ে তোমরা ক্রন্দনরত অবস্থায় যাবে এ ভয়ে যে, তাদের উপর যে শাস্তি পতিত হয়েছে অনুরূপ শাস্তি তোমাদের উপরও যেন এসে না যায়। অতঃপর (ধমকের স্বরে) তিনি তার সওয়ারীকে আরো দ্রুতগতি করে উক্ত অঞ্চল অতিক্রম করলেন। (ই.ফা. ৭১৯৫, ই.সে. ৭২৪৮)

‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গে একদিন আমরা হিজ্র অধিবাসীদের এলাকা দিয়ে পথ অতিক্রম করছিলাম। এমন সময় রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদেরকে বললেন, যারা নিজেদের প্রতি যুল্ম করেছে তাদের জনপদ দিয়ে তোমরা ক্রন্দনরত অবস্থায় যাবে এ ভয়ে যে, তাদের উপর যে শাস্তি পতিত হয়েছে অনুরূপ শাস্তি তোমাদের উপরও যেন এসে না যায়। অতঃপর (ধমকের স্বরে) তিনি তার সওয়ারীকে আরো দ্রুতগতি করে উক্ত অঞ্চল অতিক্রম করলেন। (ই.ফা. ৭১৯৫, ই.সে. ৭২৪৮)

حدثني حرملة بن يحيى، أخبرنا ابن وهب، أخبرني يونس، عن ابن شهاب، - وهو يذكر الحجر مساكن ثمود - قال سالم بن عبد الله إن عبد الله بن عمر قال مررنا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم على الحجر فقال لنا رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ لا تدخلوا مساكن الذين ظلموا أنفسهم إلا أن تكونوا باكين حذرا أن يصيبكم مثل ما أصابهم ‏"‏ ‏.‏ ثم زجر فأسرع حتى خلفها ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৭৩৫৬

حدثني الحكم بن موسى أبو صالح، حدثنا شعيب بن إسحاق، أخبرنا عبيد الله، عن نافع، أن عبد الله بن عمر، أخبره أن الناس نزلوا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم على الحجر أرض ثمود فاستقوا من آبارها وعجنوا به العجين فأمرهم رسول الله صلى الله عليه وسلم أن يهريقوا ما استقوا ويعلفوا الإبل العجين وأمرهم أن يستقوا من البئر التي كانت تردها الناقة ‏.‏

‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একবার লোকেরা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গে হিজ্র তথা সামূদ গোত্রের জনপদে পৌঁছলেন। অতঃপর লোকেরা তথাকার কূপ হতে পানি উত্তোলন করলেন এবং এর দ্বারা আটার খামীর প্রস্তুত করলেন। এ দেখে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাদেরকে এ পানি ফেলে দেয়া এবং খামীর উষ্ট্রকে খাইয়ে ফেলার নির্দেশ দিলেন। আর তাদেরকে ঐ কূপ হতে পানি উত্তোলনের নির্দেশ দিলেন, যে কূপ হতে সালিহ (‘আঃ)-এর উষ্ট্রী পানি পান করত। (ই.ফা. ৭১৯৬, ই.সে. ৭২৪৯)

‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একবার লোকেরা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গে হিজ্র তথা সামূদ গোত্রের জনপদে পৌঁছলেন। অতঃপর লোকেরা তথাকার কূপ হতে পানি উত্তোলন করলেন এবং এর দ্বারা আটার খামীর প্রস্তুত করলেন। এ দেখে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাদেরকে এ পানি ফেলে দেয়া এবং খামীর উষ্ট্রকে খাইয়ে ফেলার নির্দেশ দিলেন। আর তাদেরকে ঐ কূপ হতে পানি উত্তোলনের নির্দেশ দিলেন, যে কূপ হতে সালিহ (‘আঃ)-এর উষ্ট্রী পানি পান করত। (ই.ফা. ৭১৯৬, ই.সে. ৭২৪৯)

حدثني الحكم بن موسى أبو صالح، حدثنا شعيب بن إسحاق، أخبرنا عبيد الله، عن نافع، أن عبد الله بن عمر، أخبره أن الناس نزلوا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم على الحجر أرض ثمود فاستقوا من آبارها وعجنوا به العجين فأمرهم رسول الله صلى الله عليه وسلم أن يهريقوا ما استقوا ويعلفوا الإبل العجين وأمرهم أن يستقوا من البئر التي كانت تردها الناقة ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৭৩০৯

حدثني محمد بن المثنى العنزي، وإبراهيم بن محمد بن عرعرة السامي، قالا حدثنا عبد الوهاب، - يعنيان الثقفي - عن جعفر، عن أبيه، عن جابر، عن النبي صلى الله عليه وسلم ‏.‏ بمثله غير أن في حديث الثقفي فلو كان حيا كان هذا السكك به عيبا ‏.‏

জাবির (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে অবিকল বর্ণনা করেছেন। তবে আস্ সাকাফীর হাদীসের মধ্যে এ কথা বর্ধিত বর্ণিত রয়েছে যে, এটি যদি জীবিতও হত, তবুও ক্ষুদ্র কান বিশিষ্ট হওয়ায় একটি দোষণীয় ব্যাপার ছিল। (ই.ফা. ৭১৫১, ই.সে. ৭২০৩)

জাবির (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে অবিকল বর্ণনা করেছেন। তবে আস্ সাকাফীর হাদীসের মধ্যে এ কথা বর্ধিত বর্ণিত রয়েছে যে, এটি যদি জীবিতও হত, তবুও ক্ষুদ্র কান বিশিষ্ট হওয়ায় একটি দোষণীয় ব্যাপার ছিল। (ই.ফা. ৭১৫১, ই.সে. ৭২০৩)

حدثني محمد بن المثنى العنزي، وإبراهيم بن محمد بن عرعرة السامي، قالا حدثنا عبد الوهاب، - يعنيان الثقفي - عن جعفر، عن أبيه، عن جابر، عن النبي صلى الله عليه وسلم ‏.‏ بمثله غير أن في حديث الثقفي فلو كان حيا كان هذا السكك به عيبا ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৭৩০৮

حدثنا عبد الله بن مسلمة بن قعنب، حدثنا سليمان، - يعني ابن بلال - عن جعفر، عن أبيه، عن جابر بن عبد الله، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم مر بالسوق داخلا من بعض العالية والناس كنفته فمر بجدى أسك ميت فتناوله فأخذ بأذنه ثم قال ‏"‏ أيكم يحب أن هذا له بدرهم ‏"‏ ‏.‏ فقالوا ما نحب أنه لنا بشىء وما نصنع به قال ‏"‏ أتحبون أنه لكم ‏"‏ ‏.‏ قالوا والله لو كان حيا كان عيبا فيه لأنه أسك فكيف وهو ميت فقال ‏"‏ فوالله للدنيا أهون على الله من هذا عليكم ‏"‏ ‏.‏

জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ

একদিন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ‘আলিয়াহ্ অঞ্চল থেকে মাদীনায় আসার পথে এক বাজার দিয়ে অতিক্রম করছিলেন। এ সময় রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর উভয় পাশে বেশ লোকজন ছিল। যেতে যেতে তিনি ক্ষুদ্র কান বিশিষ্ট একটি মৃত বকরীর বাচ্চার পাশ দিয়ে যেতে তার কাছে গিয়ে এর কান ধরে বললেন, তোমাদের কেউ কি এক দিরহাম দিয়ে এটা ক্রয় করতে আগ্রহী। তখন উপস্থিত লোকেরা বললেন, কোন কিছুর বদৌলতে আমরা এটা নিতে আগ্রহী নই এবং এটি নিয়ে আমরা কি করব? তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ বিনা পয়সায় তোমরা কি সেটা নিতে আগ্রহী? তারা বললেন, এ যদি জীবিত হত তবুও তো এটা দোষী। কেননা এর কান হচ্ছে ছোট ছোট। আর এখন তো সেটা মৃত, আমরা কিভাবে তা গ্রহণ করব? অতঃপর তিনি বললেন, আল্লাহর শপথ! এ তোমাদের কাছে যতটা নগণ্য, আল্লাহর কাছে দুনিয়া এর তুলনায় আরও বেশি নগণ্য। (ই.ফা. ৭১৫০, ই.সে. ৭২০২)

জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ

একদিন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ‘আলিয়াহ্ অঞ্চল থেকে মাদীনায় আসার পথে এক বাজার দিয়ে অতিক্রম করছিলেন। এ সময় রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর উভয় পাশে বেশ লোকজন ছিল। যেতে যেতে তিনি ক্ষুদ্র কান বিশিষ্ট একটি মৃত বকরীর বাচ্চার পাশ দিয়ে যেতে তার কাছে গিয়ে এর কান ধরে বললেন, তোমাদের কেউ কি এক দিরহাম দিয়ে এটা ক্রয় করতে আগ্রহী। তখন উপস্থিত লোকেরা বললেন, কোন কিছুর বদৌলতে আমরা এটা নিতে আগ্রহী নই এবং এটি নিয়ে আমরা কি করব? তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ বিনা পয়সায় তোমরা কি সেটা নিতে আগ্রহী? তারা বললেন, এ যদি জীবিত হত তবুও তো এটা দোষী। কেননা এর কান হচ্ছে ছোট ছোট। আর এখন তো সেটা মৃত, আমরা কিভাবে তা গ্রহণ করব? অতঃপর তিনি বললেন, আল্লাহর শপথ! এ তোমাদের কাছে যতটা নগণ্য, আল্লাহর কাছে দুনিয়া এর তুলনায় আরও বেশি নগণ্য। (ই.ফা. ৭১৫০, ই.সে. ৭২০২)

حدثنا عبد الله بن مسلمة بن قعنب، حدثنا سليمان، - يعني ابن بلال - عن جعفر، عن أبيه، عن جابر بن عبد الله، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم مر بالسوق داخلا من بعض العالية والناس كنفته فمر بجدى أسك ميت فتناوله فأخذ بأذنه ثم قال ‏"‏ أيكم يحب أن هذا له بدرهم ‏"‏ ‏.‏ فقالوا ما نحب أنه لنا بشىء وما نصنع به قال ‏"‏ أتحبون أنه لكم ‏"‏ ‏.‏ قالوا والله لو كان حيا كان عيبا فيه لأنه أسك فكيف وهو ميت فقال ‏"‏ فوالله للدنيا أهون على الله من هذا عليكم ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৭৩১১

حدثنا محمد بن المثنى، وابن، بشار قالا حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، وقالا، جميعا حدثنا ابن أبي عدي، عن سعيد، ح وحدثنا ابن المثنى، حدثنا معاذ بن هشام، حدثنا أبي كلهم، عن قتادة، عن مطرف، عن أبيه، قال انتهيت إلى النبي صلى الله عليه وسلم ‏.‏ فذكر بمثل حديث همام ‏.‏

মুতার্রিফ (রাযিঃ)-এর পিতা থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একদিন আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে গেলাম। এরপর তিনি হাম্মাম-এর হাদীসের অবিকল বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৭১৫৩, ই.সে. ৭২০৫)

মুতার্রিফ (রাযিঃ)-এর পিতা থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একদিন আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে গেলাম। এরপর তিনি হাম্মাম-এর হাদীসের অবিকল বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৭১৫৩, ই.সে. ৭২০৫)

حدثنا محمد بن المثنى، وابن، بشار قالا حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، وقالا، جميعا حدثنا ابن أبي عدي، عن سعيد، ح وحدثنا ابن المثنى، حدثنا معاذ بن هشام، حدثنا أبي كلهم، عن قتادة، عن مطرف، عن أبيه، قال انتهيت إلى النبي صلى الله عليه وسلم ‏.‏ فذكر بمثل حديث همام ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৭৩০৭

حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا عبد العزيز، - يعني الدراوردي - عن العلاء، عن أبيه، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ الدنيا سجن المؤمن وجنة الكافر ‏"‏ ‏.‏

আবূ হুরাইরাহ্ (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ দুনিয়া মু’মিনের জন্য কয়েদখানা এবং কাফিরের জন্য জান্নাততুল্য। (ই.ফা. ৭১৪৯, ই.সে. ৭২০১)

আবূ হুরাইরাহ্ (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ দুনিয়া মু’মিনের জন্য কয়েদখানা এবং কাফিরের জন্য জান্নাততুল্য। (ই.ফা. ৭১৪৯, ই.সে. ৭২০১)

حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا عبد العزيز، - يعني الدراوردي - عن العلاء، عن أبيه، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ الدنيا سجن المؤمن وجنة الكافر ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৭৩১২

حدثني سويد بن سعيد، حدثنا حفص بن ميسرة، عن العلاء، عن أبيه، عن أبي، هريرة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ يقول العبد مالي مالي إنما له من ماله ثلاث ما أكل فأفنى أو لبس فأبلى أو أعطى فاقتنى وما سوى ذلك فهو ذاهب وتاركه للناس ‏"‏ ‏.‏

আবূ হুরাইরাহ্ (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, বান্দাগণ বলে, আমার মাল আমার সম্পদ। অথচ তিনটিই হলো তার মাল, যা সে খেয়ে নিঃশেষ করে দিল। অথবা যা সে পরিধান করে পুরাতন করে দিল। কিংবা যা সে দান করল এবং সঞ্চয় করল। এছাড়া অবশিষ্টগুলো তার থেকে চলে যাবে এবং তা মানুষের জন্য রেখে যেতে হবে। (ই.ফা. ৭১৫৪, ই.সে. ৭২০৬)

আবূ হুরাইরাহ্ (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, বান্দাগণ বলে, আমার মাল আমার সম্পদ। অথচ তিনটিই হলো তার মাল, যা সে খেয়ে নিঃশেষ করে দিল। অথবা যা সে পরিধান করে পুরাতন করে দিল। কিংবা যা সে দান করল এবং সঞ্চয় করল। এছাড়া অবশিষ্টগুলো তার থেকে চলে যাবে এবং তা মানুষের জন্য রেখে যেতে হবে। (ই.ফা. ৭১৫৪, ই.সে. ৭২০৬)

حدثني سويد بن سعيد، حدثنا حفص بن ميسرة، عن العلاء، عن أبيه، عن أبي، هريرة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ يقول العبد مالي مالي إنما له من ماله ثلاث ما أكل فأفنى أو لبس فأبلى أو أعطى فاقتنى وما سوى ذلك فهو ذاهب وتاركه للناس ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৭৩১০

حدثنا هداب بن خالد، حدثنا همام، حدثنا قتادة، عن مطرف، عن أبيه، قال أتيت النبي صلى الله عليه وسلم وهو يقرأ ‏{‏ ألهاكم التكاثر‏}‏ قال ‏ "‏ يقول ابن آدم مالي مالي - قال - وهل لك يا ابن آدم من مالك إلا ما أكلت فأفنيت أو لبست فأبليت أو تصدقت فأمضيت ‏"‏ ‏.‏

মুতার্রিফ (রাযিঃ)-এর পিতা থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একদা আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে আসলাম। তখন তিনি …… (সূরাহ্ আত্ তাকা-সুর) পাঠ করছিলেন। তিনি বললেন, আদাম সন্তানগণ বলে, আমার মাল আমার সম্পদ। বস্তুতঃ হে আদাম সন্তান! তোমার সম্পদ সেটা যা তুমি খেয়ে নিঃশেষ করে দিয়েছ, পরিধান করে পুরাতন করে ফেলেছ এবং দান করে খরচ করেছো। (ই.ফা. ৭১৫২, ই.সে. ৭২০৪)

মুতার্রিফ (রাযিঃ)-এর পিতা থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একদা আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে আসলাম। তখন তিনি …… (সূরাহ্ আত্ তাকা-সুর) পাঠ করছিলেন। তিনি বললেন, আদাম সন্তানগণ বলে, আমার মাল আমার সম্পদ। বস্তুতঃ হে আদাম সন্তান! তোমার সম্পদ সেটা যা তুমি খেয়ে নিঃশেষ করে দিয়েছ, পরিধান করে পুরাতন করে ফেলেছ এবং দান করে খরচ করেছো। (ই.ফা. ৭১৫২, ই.সে. ৭২০৪)

حدثنا هداب بن خالد، حدثنا همام، حدثنا قتادة، عن مطرف، عن أبيه، قال أتيت النبي صلى الله عليه وسلم وهو يقرأ ‏{‏ ألهاكم التكاثر‏}‏ قال ‏ "‏ يقول ابن آدم مالي مالي - قال - وهل لك يا ابن آدم من مالك إلا ما أكلت فأفنيت أو لبست فأبليت أو تصدقت فأمضيت ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৭৩১৩

وحدثنيه أبو بكر بن إسحاق، أخبرنا ابن أبي مريم، أخبرنا محمد بن جعفر، أخبرني العلاء بن عبد الرحمن، بهذا الإسناد مثله ‏.‏

‘আলা ইবনু ‘আবদুর রহমান (রহঃ) থেকে এ সানাদ থেকে বর্নিতঃ

অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৭১৫৪, ই.সে. ৭২০৭)

‘আলা ইবনু ‘আবদুর রহমান (রহঃ) থেকে এ সানাদ থেকে বর্নিতঃ

অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৭১৫৪, ই.সে. ৭২০৭)

وحدثنيه أبو بكر بن إسحاق، أخبرنا ابن أبي مريم، أخبرنا محمد بن جعفر، أخبرني العلاء بن عبد الرحمن، بهذا الإسناد مثله ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৭৩১৪

حدثنا يحيى بن يحيى التميمي، وزهير بن حرب، كلاهما عن ابن عيينة، قال يحيى أخبرنا سفيان بن عيينة، عن عبد الله بن أبي بكر، قال سمعت أنس بن مالك، يقول قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ يتبع الميت ثلاثة فيرجع اثنان ويبقى واحد يتبعه أهله وماله وعمله فيرجع أهله وماله ويبقى عمله ‏"‏ ‏.

আনাস ইবনু মালিক (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তিনটি জিনিস মৃত ব্যক্তির সাথীরূপে তার সঙ্গে যায়। অতঃপর দু’টি ফিরে আসে এবং একটি তার সঙ্গে থেকে যায়। সঙ্গে গমন করে পরিবার-পরিজন, ধন-সম্পদ এবং তার ‘আমাল। তার জাতি গোষ্ঠী ও ধন-সম্পদ ফিরে আসে আর কেবল তার ‘আমাল থেকে যায়। (ই.ফা. ৭১৫৫, ই.সে. ৭২০৮)

আনাস ইবনু মালিক (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তিনটি জিনিস মৃত ব্যক্তির সাথীরূপে তার সঙ্গে যায়। অতঃপর দু’টি ফিরে আসে এবং একটি তার সঙ্গে থেকে যায়। সঙ্গে গমন করে পরিবার-পরিজন, ধন-সম্পদ এবং তার ‘আমাল। তার জাতি গোষ্ঠী ও ধন-সম্পদ ফিরে আসে আর কেবল তার ‘আমাল থেকে যায়। (ই.ফা. ৭১৫৫, ই.সে. ৭২০৮)

حدثنا يحيى بن يحيى التميمي، وزهير بن حرب، كلاهما عن ابن عيينة، قال يحيى أخبرنا سفيان بن عيينة، عن عبد الله بن أبي بكر، قال سمعت أنس بن مالك، يقول قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ يتبع الميت ثلاثة فيرجع اثنان ويبقى واحد يتبعه أهله وماله وعمله فيرجع أهله وماله ويبقى عمله ‏"‏ ‏.


সহিহ মুসলিম ৭৩১৫

حدثني حرملة بن يحيى بن عبد الله، - يعني ابن حرملة بن عمران التجيبي - أخبرنا ابن وهب، أخبرني يونس، عن ابن شهاب، عن عروة بن الزبير، أن المسور بن مخرمة، أخبره أن عمرو بن عوف وهو حليف بني عامر بن لؤى وكان شهد بدرا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم أخبره أن رسول الله صلى الله عليه وسلم بعث أبا عبيدة بن الجراح إلى البحرين يأتي بجزيتها وكان رسول الله صلى الله عليه وسلم هو صالح أهل البحرين وأمر عليهم العلاء بن الحضرمي فقدم أبو عبيدة بمال من البحرين فسمعت الأنصار بقدوم أبي عبيدة فوافوا صلاة الفجر مع رسول الله صلى الله عليه وسلم فلما صلى رسول الله صلى الله عليه وسلم انصرف فتعرضوا له فتبسم رسول الله صلى الله عليه وسلم حين رآهم ثم قال ‏"‏ أظنكم سمعتم أن أبا عبيدة قدم بشىء من البحرين ‏"‏ ‏.‏ فقالوا أجل يا رسول الله قال ‏"‏ ‏"‏ فأبشروا وأملوا ما يسركم فوالله ما الفقر أخشى عليكم ‏.‏ ولكني أخشى عليكم أن تبسط الدنيا عليكم كما بسطت على من كان قبلكم فتنافسوها كما تنافسوها وتهلككم كما أهلكتهم ‏"‏ ‏.‏

বানু ‘আমির ইবনু লুওয়াই-এর চুক্তিবদ্ধ মিত্র ‘আমর ইবনু ‘আওফ (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ

যিনি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাথে বদর যুদ্ধে শারীক হয়েছিলেন। তিনি জানিয়েছেন যে, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)আবূ ‘উবাইদাহ্ ইবনুল জারবাহ (রাঃ)-কে বাহ্রাইনে জিজিয়া বা কর আদায় করতে পাঠিয়েছেন। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বাহ্রাইনবাসীদের সাথে সন্ধি করেছিলেন এবং তাদের জন্য ‘আলা ইবনু আল হায্রামী (রাঃ)-কে শাসনকর্তা নিয়োজিত করেছিলেন। এরপর আবূ ‘উবাইদাহ্ (রাঃ) বাহ্রাইন থেকে ধন-সম্পদ নিয়ে এলে, আনসার সহাবাগণ তাঁর আগমন সংবাদ শুনল, তারপর তারা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গে ফজরের সলাত আদয় করল। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সলাত আদায়ন্তে মুখ ফিরিয়ে বসলে তারা তাঁর কাছে উপস্থিত হলো। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাদেরকে দেখে মুচকি হেসে বললেন, আমার মনে হচ্ছে আবূ ‘উবাইদাহ্ বাহরাইন থেকে কিছু নিয়ে এসেছে, এ সংবাদ তোমরা শুনেছ? তারা বললেন, জী হ্যাঁ, হে আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)! তিনি বললেনঃ তাহলে তোমরা সুসংবাদ গ্রহণ করো যা তোমাদেরকে খুশী করবে আশা রাখো। আল্লাহর শপথ! তোমাদের উপর দারিদ্র্য ও অভাব-অনটনের আশঙ্কা আমি করি না। আমি তোমাদের ব্যাপারে এ আশঙ্কা করি যে, যেমনভাবে তোমাদের উপর প্রাচুর্য ও ঐশ্বর্য ঢেলে দেয়া হবে, যেমনিভাবে পূর্ববর্তীদের উপরও প্রাচুর্য ও ঐশ্বর্য ঢেলে দেয়া হয়েছিল। অতঃপর তোমরা তেমনিভাবে প্রতিযোগিতা করবে যেমন করে তারা প্রতিযোগিতা করেছে। পরিশেষে তোমাদেরকেও ধ্বংস করে দিবে যেমনিভাবে তাদেরকে ধ্বংস করে দিয়েছে। (ই.ফা. ৭১৫৬, ই.সে. ৭২০৯)

বানু ‘আমির ইবনু লুওয়াই-এর চুক্তিবদ্ধ মিত্র ‘আমর ইবনু ‘আওফ (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ

যিনি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাথে বদর যুদ্ধে শারীক হয়েছিলেন। তিনি জানিয়েছেন যে, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)আবূ ‘উবাইদাহ্ ইবনুল জারবাহ (রাঃ)-কে বাহ্রাইনে জিজিয়া বা কর আদায় করতে পাঠিয়েছেন। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বাহ্রাইনবাসীদের সাথে সন্ধি করেছিলেন এবং তাদের জন্য ‘আলা ইবনু আল হায্রামী (রাঃ)-কে শাসনকর্তা নিয়োজিত করেছিলেন। এরপর আবূ ‘উবাইদাহ্ (রাঃ) বাহ্রাইন থেকে ধন-সম্পদ নিয়ে এলে, আনসার সহাবাগণ তাঁর আগমন সংবাদ শুনল, তারপর তারা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গে ফজরের সলাত আদয় করল। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সলাত আদায়ন্তে মুখ ফিরিয়ে বসলে তারা তাঁর কাছে উপস্থিত হলো। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাদেরকে দেখে মুচকি হেসে বললেন, আমার মনে হচ্ছে আবূ ‘উবাইদাহ্ বাহরাইন থেকে কিছু নিয়ে এসেছে, এ সংবাদ তোমরা শুনেছ? তারা বললেন, জী হ্যাঁ, হে আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)! তিনি বললেনঃ তাহলে তোমরা সুসংবাদ গ্রহণ করো যা তোমাদেরকে খুশী করবে আশা রাখো। আল্লাহর শপথ! তোমাদের উপর দারিদ্র্য ও অভাব-অনটনের আশঙ্কা আমি করি না। আমি তোমাদের ব্যাপারে এ আশঙ্কা করি যে, যেমনভাবে তোমাদের উপর প্রাচুর্য ও ঐশ্বর্য ঢেলে দেয়া হবে, যেমনিভাবে পূর্ববর্তীদের উপরও প্রাচুর্য ও ঐশ্বর্য ঢেলে দেয়া হয়েছিল। অতঃপর তোমরা তেমনিভাবে প্রতিযোগিতা করবে যেমন করে তারা প্রতিযোগিতা করেছে। পরিশেষে তোমাদেরকেও ধ্বংস করে দিবে যেমনিভাবে তাদেরকে ধ্বংস করে দিয়েছে। (ই.ফা. ৭১৫৬, ই.সে. ৭২০৯)

حدثني حرملة بن يحيى بن عبد الله، - يعني ابن حرملة بن عمران التجيبي - أخبرنا ابن وهب، أخبرني يونس، عن ابن شهاب، عن عروة بن الزبير، أن المسور بن مخرمة، أخبره أن عمرو بن عوف وهو حليف بني عامر بن لؤى وكان شهد بدرا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم أخبره أن رسول الله صلى الله عليه وسلم بعث أبا عبيدة بن الجراح إلى البحرين يأتي بجزيتها وكان رسول الله صلى الله عليه وسلم هو صالح أهل البحرين وأمر عليهم العلاء بن الحضرمي فقدم أبو عبيدة بمال من البحرين فسمعت الأنصار بقدوم أبي عبيدة فوافوا صلاة الفجر مع رسول الله صلى الله عليه وسلم فلما صلى رسول الله صلى الله عليه وسلم انصرف فتعرضوا له فتبسم رسول الله صلى الله عليه وسلم حين رآهم ثم قال ‏"‏ أظنكم سمعتم أن أبا عبيدة قدم بشىء من البحرين ‏"‏ ‏.‏ فقالوا أجل يا رسول الله قال ‏"‏ ‏"‏ فأبشروا وأملوا ما يسركم فوالله ما الفقر أخشى عليكم ‏.‏ ولكني أخشى عليكم أن تبسط الدنيا عليكم كما بسطت على من كان قبلكم فتنافسوها كما تنافسوها وتهلككم كما أهلكتهم ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৭৩১৭

حدثنا عمرو بن سواد العامري، أخبرنا عبد الله بن وهب، أخبرني عمرو بن، الحارث أن بكر بن سوادة، حدثه أن يزيد بن رباح - هو أبو فراس مولى عبد الله بن عمرو بن العاص - حدثه عن عبد الله بن عمرو بن العاص، عن رسول الله صلى الله عليه وسلم أنه قال ‏"‏ إذا فتحت عليكم فارس والروم أى قوم أنتم ‏"‏ ‏.‏ قال عبد الرحمن بن عوف نقول كما أمرنا الله قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ أو غير ذلك تتنافسون ثم تتحاسدون ثم تتدابرون ثم تتباغضون أو نحو ذلك ثم تنطلقون في مساكين المهاجرين فتجعلون بعضهم على رقاب بعض ‏"‏ ‏.‏

‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আমর ইবনুল ‘আস (রাযিঃ)-এর সূত্রে রসূলুল্লাহ (সাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেছেন, যখন রোম সাম্রাজ্য ও পারস্য (ইরান) সাম্রাজ্য তোমাদের অধিকারে আসবে তখন তোমরা কিরূপ সম্প্রদায় হবে? উত্তরে ‘আবদুর রহ্মান ইবনু ‘উওফ (রাঃ) বলেন, আল্লাহ আমাদেরকে যেরূপ আদেশ করেছেন আমরা ঐরূপই বলব। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ অন্য কিছু কি বলবে না? তখন তোমরা পরস্পর ঈর্ষাপরায়ণ হবে, এরপর হিংসা করবে, অতঃপর সম্পর্ক ছিন্ন করবে, এরপর শত্রুতা করবে। কিংবা এরূপ কিছু কথা তিনি বলেছেন। অতঃপর তোমরা নিঃস্ব মুহাজির লোকেদের কাছে যাবে এবং একজনকে অপরের শাসনকর্তা নিযুক্ত করবে। (ই.ফা. ৭১৫৮, ই.সে. ৭২১১)

‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আমর ইবনুল ‘আস (রাযিঃ)-এর সূত্রে রসূলুল্লাহ (সাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেছেন, যখন রোম সাম্রাজ্য ও পারস্য (ইরান) সাম্রাজ্য তোমাদের অধিকারে আসবে তখন তোমরা কিরূপ সম্প্রদায় হবে? উত্তরে ‘আবদুর রহ্মান ইবনু ‘উওফ (রাঃ) বলেন, আল্লাহ আমাদেরকে যেরূপ আদেশ করেছেন আমরা ঐরূপই বলব। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ অন্য কিছু কি বলবে না? তখন তোমরা পরস্পর ঈর্ষাপরায়ণ হবে, এরপর হিংসা করবে, অতঃপর সম্পর্ক ছিন্ন করবে, এরপর শত্রুতা করবে। কিংবা এরূপ কিছু কথা তিনি বলেছেন। অতঃপর তোমরা নিঃস্ব মুহাজির লোকেদের কাছে যাবে এবং একজনকে অপরের শাসনকর্তা নিযুক্ত করবে। (ই.ফা. ৭১৫৮, ই.সে. ৭২১১)

حدثنا عمرو بن سواد العامري، أخبرنا عبد الله بن وهب، أخبرني عمرو بن، الحارث أن بكر بن سوادة، حدثه أن يزيد بن رباح - هو أبو فراس مولى عبد الله بن عمرو بن العاص - حدثه عن عبد الله بن عمرو بن العاص، عن رسول الله صلى الله عليه وسلم أنه قال ‏"‏ إذا فتحت عليكم فارس والروم أى قوم أنتم ‏"‏ ‏.‏ قال عبد الرحمن بن عوف نقول كما أمرنا الله قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ أو غير ذلك تتنافسون ثم تتحاسدون ثم تتدابرون ثم تتباغضون أو نحو ذلك ثم تنطلقون في مساكين المهاجرين فتجعلون بعضهم على رقاب بعض ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৭৩১৬

حدثنا الحسن بن علي الحلواني، وعبد بن حميد، جميعا عن يعقوب بن إبراهيم، بن سعد حدثنا أبي، عن صالح، ح وحدثنا عبد الله بن عبد الرحمن الدارمي، أخبرنا أبو اليمان أخبرنا شعيب، كلاهما عن الزهري، بإسناد يونس ومثل حديثه غير أن في حديث صالح ‏ "‏ وتلهيكم كما ألهتهم ‏"‏ ‏.‏

যুহরী (রহঃ) হতে ইউনুস-এর সূত্র থেকে বর্নিতঃ

অবিকল হাদীস বর্ণনা করেছেন। তবে সালিহ্ (রহঃ)-এর হাদীসের মধ্যে …….. –এর স্থানে ……… “পরিশেষে তোমাদেরকে তাদের মতোই অমনোযোগী করে দিবে” কথাটি বর্ণিত আছে। (ই.ফা. ৭১৫৭, ই.সে. ৭২১০)

যুহরী (রহঃ) হতে ইউনুস-এর সূত্র থেকে বর্নিতঃ

অবিকল হাদীস বর্ণনা করেছেন। তবে সালিহ্ (রহঃ)-এর হাদীসের মধ্যে …….. –এর স্থানে ……… “পরিশেষে তোমাদেরকে তাদের মতোই অমনোযোগী করে দিবে” কথাটি বর্ণিত আছে। (ই.ফা. ৭১৫৭, ই.সে. ৭২১০)

حدثنا الحسن بن علي الحلواني، وعبد بن حميد، جميعا عن يعقوب بن إبراهيم، بن سعد حدثنا أبي، عن صالح، ح وحدثنا عبد الله بن عبد الرحمن الدارمي، أخبرنا أبو اليمان أخبرنا شعيب، كلاهما عن الزهري، بإسناد يونس ومثل حديثه غير أن في حديث صالح ‏ "‏ وتلهيكم كما ألهتهم ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৭৩১৮

حدثنا يحيى بن يحيى، وقتيبة بن سعيد، قال قتيبة حدثنا وقال، يحيى أخبرنا المغيرة بن عبد الرحمن الحزامي، عن أبي الزناد، عن الأعرج، عن أبي هريرة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ إذا نظر أحدكم إلى من فضل عليه في المال والخلق فلينظر إلى من هو أسفل منه ممن فضل عليه ‏"‏ ‏.‏

আবূ হুরাইরাহ্ (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ তোমাদের কেউ যদি ধন ও সৃষ্টিগত (সুন্দরের) দিক থেকে তার চেয়ে শ্রেষ্ঠ ব্যক্তির প্রতি দৃষ্টিপাত করে তবে সে যেন সাথে সাথে তার চেয়ে নিকৃষ্ট ব্যক্তিদের প্রতি দৃষ্টিপাত করে, যাদের উপরে তাকে শ্রেষ্ঠত্ব দান করা হয়েছে। (ই.ফা. ৭১৫৯, ই.সে. ৭২১২)

আবূ হুরাইরাহ্ (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ তোমাদের কেউ যদি ধন ও সৃষ্টিগত (সুন্দরের) দিক থেকে তার চেয়ে শ্রেষ্ঠ ব্যক্তির প্রতি দৃষ্টিপাত করে তবে সে যেন সাথে সাথে তার চেয়ে নিকৃষ্ট ব্যক্তিদের প্রতি দৃষ্টিপাত করে, যাদের উপরে তাকে শ্রেষ্ঠত্ব দান করা হয়েছে। (ই.ফা. ৭১৫৯, ই.সে. ৭২১২)

حدثنا يحيى بن يحيى، وقتيبة بن سعيد، قال قتيبة حدثنا وقال، يحيى أخبرنا المغيرة بن عبد الرحمن الحزامي، عن أبي الزناد، عن الأعرج، عن أبي هريرة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ إذا نظر أحدكم إلى من فضل عليه في المال والخلق فلينظر إلى من هو أسفل منه ممن فضل عليه ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৭৩১৯

حدثنا محمد بن رافع، حدثنا عبد الرزاق، حدثنا معمر، عن همام بن منبه، عن أبي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم بمثل حديث أبي الزناد سواء ‏.‏

আবূ হুরাইরাহ্ (রাযিঃ)-এর সানাদে নাবী (সাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আবূ যিনাদ-এর অবিকল হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৭১৬০, ই.সে. ৭২১৩)

আবূ হুরাইরাহ্ (রাযিঃ)-এর সানাদে নাবী (সাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আবূ যিনাদ-এর অবিকল হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৭১৬০, ই.সে. ৭২১৩)

حدثنا محمد بن رافع، حدثنا عبد الرزاق، حدثنا معمر، عن همام بن منبه، عن أبي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم بمثل حديث أبي الزناد سواء ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৭৩২০

وحدثني زهير بن حرب، حدثنا جرير، ح وحدثنا أبو كريب، حدثنا أبو معاوية، ح وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، - واللفظ له - حدثنا أبو معاوية، ووكيع، عن الأعمش، عن أبي صالح، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ انظروا إلى من أسفل منكم ولا تنظروا إلى من هو فوقكم فهو أجدر أن لا تزدروا نعمة الله ‏"‏ ‏.‏ قال أبو معاوية ‏"‏ عليكم ‏"‏ ‏.‏

আবূ হুরাইরাহ্ (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমাদের চেয়ে নিম্নস্তরের লোকদের প্রতি দৃষ্টি দাও। তবে তোমাদের চেয়ে উঁচু স্তরের লোকেদের দিকে লক্ষ্য করো না। কেননা আল্লাহর নি‘আমাতকে তুচ্ছ না ভাবার এটাই উত্তম পন্থা। আবূ মু‘আবিয়ার বর্ণনায় ……… -এর স্থলে ……… শব্দ বর্ধিত বর্ণিত আছে। (ই.ফা. ৭১৬১, ই.সে. ৭২১৪)

আবূ হুরাইরাহ্ (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমাদের চেয়ে নিম্নস্তরের লোকদের প্রতি দৃষ্টি দাও। তবে তোমাদের চেয়ে উঁচু স্তরের লোকেদের দিকে লক্ষ্য করো না। কেননা আল্লাহর নি‘আমাতকে তুচ্ছ না ভাবার এটাই উত্তম পন্থা। আবূ মু‘আবিয়ার বর্ণনায় ……… -এর স্থলে ……… শব্দ বর্ধিত বর্ণিত আছে। (ই.ফা. ৭১৬১, ই.সে. ৭২১৪)

وحدثني زهير بن حرب، حدثنا جرير، ح وحدثنا أبو كريب، حدثنا أبو معاوية، ح وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، - واللفظ له - حدثنا أبو معاوية، ووكيع، عن الأعمش، عن أبي صالح، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ انظروا إلى من أسفل منكم ولا تنظروا إلى من هو فوقكم فهو أجدر أن لا تزدروا نعمة الله ‏"‏ ‏.‏ قال أبو معاوية ‏"‏ عليكم ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৭৩২২

حدثنا إسحاق بن إبراهيم، وعباس بن عبد العظيم، - واللفظ لإسحاق - قال عباس حدثنا وقال، إسحاق أخبرنا - أبو بكر الحنفي، حدثنا بكير بن مسمار، حدثني عامر بن سعد، قال كان سعد بن أبي وقاص في إبله فجاءه ابنه عمر فلما رآه سعد قال أعوذ بالله من شر هذا الراكب فنزل فقال له أنزلت في إبلك وغنمك وتركت الناس يتنازعون الملك بينهم فضرب سعد في صدره فقال اسكت سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول ‏ "‏ إن الله يحب العبد التقي الغني الخفي ‏"‏ ‏.‏

‘আমির ইবনু সা‘দ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, সা‘দ ইবনু ওয়াক্কাস (রাঃ) একটা তার উটের পালের মাঝে উপবিষ্ট ছিলেন, এমতাবস্থায় তার পুত্র ‘উমার এসে পৌঁছলেন। সা‘দ (রাঃ) তাকে দেখামাত্রই পাঠ করলেন, “আ‘ঊযুবিল্লা-হি মিন্ শার্রি হা-যার্ র-কিব” অর্থাৎ- ‘আমি এ আরোহীর অনিষ্ট হতে আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাই’। তারপর সে তার আরোহী হতে নেমে বলল, আপনি লোকেদেরকে ছেড়ে দিয়ে উষ্ট্র এবং বকরীর মাঝে এসে বসে আছেন। আর এদিকে কর্তৃত্ব নিয়ে লোকেরা পরস্পর একে অপরের সাথে ঝগড়ায় লিপ্ত। এ কথা শুনে সা‘দ (রাঃ) তার বুকে আঘাত করে বললেন, চুপ থাকো। আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে এ কথা বলতে শুনেছি যে, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ মুত্তাকী, আত্মনির্ভবাশীল ও লোকালয় হতে নির্জনে বাসকারী বান্দাকে আল্লাহ তা‘আলা ভালোবাসেন। (ই.ফা. ৭১৬৩, ই.সে. ৭২১৬)

‘আমির ইবনু সা‘দ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, সা‘দ ইবনু ওয়াক্কাস (রাঃ) একটা তার উটের পালের মাঝে উপবিষ্ট ছিলেন, এমতাবস্থায় তার পুত্র ‘উমার এসে পৌঁছলেন। সা‘দ (রাঃ) তাকে দেখামাত্রই পাঠ করলেন, “আ‘ঊযুবিল্লা-হি মিন্ শার্রি হা-যার্ র-কিব” অর্থাৎ- ‘আমি এ আরোহীর অনিষ্ট হতে আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাই’। তারপর সে তার আরোহী হতে নেমে বলল, আপনি লোকেদেরকে ছেড়ে দিয়ে উষ্ট্র এবং বকরীর মাঝে এসে বসে আছেন। আর এদিকে কর্তৃত্ব নিয়ে লোকেরা পরস্পর একে অপরের সাথে ঝগড়ায় লিপ্ত। এ কথা শুনে সা‘দ (রাঃ) তার বুকে আঘাত করে বললেন, চুপ থাকো। আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে এ কথা বলতে শুনেছি যে, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ মুত্তাকী, আত্মনির্ভবাশীল ও লোকালয় হতে নির্জনে বাসকারী বান্দাকে আল্লাহ তা‘আলা ভালোবাসেন। (ই.ফা. ৭১৬৩, ই.সে. ৭২১৬)

حدثنا إسحاق بن إبراهيم، وعباس بن عبد العظيم، - واللفظ لإسحاق - قال عباس حدثنا وقال، إسحاق أخبرنا - أبو بكر الحنفي، حدثنا بكير بن مسمار، حدثني عامر بن سعد، قال كان سعد بن أبي وقاص في إبله فجاءه ابنه عمر فلما رآه سعد قال أعوذ بالله من شر هذا الراكب فنزل فقال له أنزلت في إبلك وغنمك وتركت الناس يتنازعون الملك بينهم فضرب سعد في صدره فقال اسكت سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول ‏ "‏ إن الله يحب العبد التقي الغني الخفي ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৭৩২১

حدثنا شيبان بن فروخ، حدثنا همام، حدثنا إسحاق بن عبد الله بن أبي طلحة، حدثني عبد الرحمن بن أبي عمرة، أن أبا هريرة، حدثه أنه، سمع النبي صلى الله عليه وسلم يقول ‏"‏ إن ثلاثة في بني إسرائيل أبرص وأقرع وأعمى فأراد الله أن يبتليهم فبعث إليهم ملكا فأتى الأبرص فقال أى شىء أحب إليك قال لون حسن وجلد حسن ويذهب عني الذي قد قذرني الناس ‏.‏ قال فمسحه فذهب عنه قذره وأعطي لونا حسنا وجلدا حسنا قال فأى المال أحب إليك قال الإبل - أو قال البقر شك إسحاق - إلا أن الأبرص أو الأقرع قال أحدهما الإبل وقال الآخر البقر - قال فأعطي ناقة عشراء فقال بارك الله لك فيها - قال - فأتى الأقرع فقال أى شىء أحب إليك قال شعر حسن ويذهب عني هذا الذي قذرني الناس ‏.‏ قال فمسحه فذهب عنه وأعطي شعرا حسنا - قال - فأى المال أحب إليك قال البقر ‏.‏ فأعطي بقرة حاملا فقال بارك الله لك فيها - قال - فأتى الأعمى فقال أى شىء أحب إليك قال أن يرد الله إلى بصري فأبصر به الناس - قال - فمسحه فرد الله إليه بصره ‏.‏ قال فأى المال أحب إليك قال الغنم ‏.‏ فأعطي شاة والدا فأنتج هذان وولد هذا - قال - فكان لهذا واد من الإبل ولهذا واد من البقر ولهذا واد من الغنم ‏.‏ قال ثم إنه أتى الأبرص في صورته وهيئته فقال رجل مسكين قد انقطعت بي الحبال في سفري فلا بلاغ لي اليوم إلا بالله ثم بك أسألك بالذي أعطاك اللون الحسن والجلد الحسن والمال بعيرا أتبلغ عليه في سفري ‏.‏ فقال الحقوق كثيرة ‏.‏ فقال له كأني أعرفك ألم تكن أبرص يقذرك الناس فقيرا فأعطاك الله فقال إنما ورثت هذا المال كابرا عن كابر ‏.‏ فقال إن كنت كاذبا فصيرك الله إلى ما كنت ‏.‏ قال وأتى الأقرع في صورته فقال له مثل ما قال لهذا ورد عليه مثل ما رد على هذا فقال إن كنت كاذبا فصيرك الله إلى ما كنت ‏.‏ قال وأتى الأعمى في صورته وهيئته فقال رجل مسكين وابن سبيل انقطعت بي الحبال في سفري فلا بلاغ لي اليوم إلا بالله ثم بك أسألك بالذي رد عليك بصرك شاة أتبلغ بها في سفري فقال قد كنت أعمى فرد الله إلى بصري فخذ ما شئت ودع ما شئت فوالله لا أجهدك اليوم شيئا أخذته لله فقال أمسك مالك فإنما ابتليتم فقد رضي عنك وسخط على صاحبيك ‏.‏

আবূ হুরাইরাহ্ (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে এ কথা বলতে শুনেছেন যে, বানী ইসরাঈলের মাঝে তিন লোক ছিল। একজন ছিল কুষ্ঠরোগী, দ্বিতীয়জন টাক মাথা বিশিষ্ট এবং তৃতীয়জন অন্ধ। আল্লাহ তা‘আলা এ তিনজনকে পরীক্ষা করার ইচ্ছা করলেন। তাই তিনি তাদের কাছে একজন ফেরেশ্তা পাঠালেন। ফেরেশ্তা প্রথমে কুষ্ঠরোগীর নিকট এসে বললেন, তোমার কাছে সবচেয়ে বেশী প্রিয় জিনিস কি? সে বলল, উত্তম (গায়ের) রং, ভালো চামড়া এবং আমার থেকে যেন এ রোগ নিরাময় হয়ে যায়, যার কারণে লোকেরা আমাকে ঘৃণা করে। অতঃপর ফেরেশ্তা তার শরীরে হাত বুলালেন। এতে তার এ কুৎসিত ব্যাধি ভালো হলো এবং তাকে সুন্দর রং ও সুন্দর চর্ম দান করা হলো। ফেরেশ্তা আবার তাকে প্রশ্ন করলেন, তোমার কাছে প্রিয় মাল কোন্টি? সে বলল, উট বা গাভী। বর্ণনাকারী ইসহাক্ সন্দেহ পোষণ করেছেন। তবে কুষ্ঠরোগী বা টাক মাথাওয়ালা তাদের একজন বলল, উট আর অপরজন বলল গাভী। অতঃপর তাকে গর্ভবতী উষ্ট্রী প্রদান করা হলো এবং বললেন, আল্লাহ তোমাকে এতে বারাকাত দান করুন। এরপর ফেরেশ্তা টাক মাথা লোকের কাছে এসে তাকে প্রশ্ন করলেন, তোমার নিকট সবচেয়ে বেশী প্রিয় জিনিস কি? সে বলল, সুন্দর চুল এবং আমার থেকে যেন এ ব্যাধি নিরাময় হয়ে যায় যার করণে লোকেরা আমাকে অভক্তি করছে। ফেরেশ্তা তার শরীরে হাত বুলালে তার ব্যাধি ভালো হয়ে যায়। এরপর তাকে দান করা হয় সুন্দর চুল। পুনরায় ফেরেশ্তা তাকে প্রশ্ন করলেন যে, কোন্ মাল তোমার কাছে সবচেয়ে বেশী প্রিয়? সে বলল, গাভী। তারপর তাকে গর্ভবতী একটি গাভী দান করা হলো এবং ফেরেশ্তা বললেন, আল্লাহ তোমাকে এতে বারাকাত দান করুন। এরপর ফেরেশ্তা অন্ধ ব্যক্তির নিকট আসলেন এবং বললেন, তোমার নিকট কোন জিনিস সবচেয়ে প্রিয়? সে বলল, আল্লাহ তা‘আলা আমাকে দৃষ্টিশক্তি ফিরিয়ে দিক যাতে আমি লোকজন দেখতে পারি। অতঃপর ফেরেশ্তা তার চোখের উপর হাত বুলালে আল্লাহ তার দৃষ্টি শক্তি ফিরিয়ে দেন। এরপর ফেরেশ্তা আবার তাকে প্রশ্ন করলেন, কোন্ সম্পদ তোমার কাছে বেশী প্রিয়? সে বলল, বকরী। তাকে গর্ভবতী বকরী দান করা হলো। অতঃপর উষ্ট্রী, গাভী এবং বক্রী সবই বাচ্চা দিল। ফলে তার এক মাঠ উট, তার এক মাঠ গাভী এবং তার এর মাঠ বকরী হয়ে গেল। অতঃপর ফেরেশ্তা অনতিকাল পরে তার পূর্ববৎ আকৃতিতে কুষ্ঠরোগীর কাছে এসে বলল, আমি একজন মিসকীন ও নিঃস্ব ব্যক্তি, সফরে আমার সকল অবলম্বন নিঃশেষ হয়ে গেছে। আল্লাহর, অতঃপর তোমার সহযোগিতা ছাড়া বাড়ী পৌঁছাও আমার পক্ষে সম্ভব নয়। সুতরাং যে আল্লাহ তোমাকে উত্তম রং, সুন্দর চামড়া এবং অনেক সম্পদ প্রদান করেছেন তার নামে আমি তোমার কাছে একটি উট সাহায্য চাচ্ছি, যেন এ সফরে আমি তাতে আরোহণ করে বাড়ী পৌঁছতে পারি। এ কথা শুনে সে বলল, দায়-দায়িত্ব অনেক বেশী, তাই দেয়া সম্ভব নয়। তখন ফেরেশ্তা বললেন, আমি তোমাকে চিনি বলে মনে হচ্ছে। তুমি কি নিঃস্ব, কুষ্ঠরোগী ছিলে না? এরপর আল্লাহ তোমাকে অনেক সম্পদ প্রদান করেছেন। সে বলল, বাহ্! আমি তো বাপ-দাদা হতেই বংশপরম্পরায় এ সম্পদের উত্তরাধিকার হয়েছি। অতঃপর ফেরেশ্তা বললেন, যদি তুমি মিথ্যাবাদী হও, তবে আল্লাহ তা‘আলা যেন তোমাকে আগের অবস্থায় ফিরিয়ে দেন। এবার ফেরেশ্তা তার আগের আকৃতিতে টাক মাথা লোকের কাছে এসে ঐ লোকের ন্যায় তাকেও বললেন এবং সে-ও প্রথম লোকের মতোই জবাব দিল। অতঃপর তিনি বললেন, যদি তুমি মিথ্যাবাদী হও তবে যেন আল্লাহ তা‘আলা তোমাকে তোমার আগের অবস্থায় ফিরিয়ে দেন। এরপর ফেরেশ্তা তাঁর আগের আকৃতিতে অন্ধ লোকের কাছে এসে বলল, আমি একজন নিঃস্ব, মুসাফির ব্যক্তি। আমার সফরের যাবতীয় সম্বল নিঃশেষ হয়ে গেছে। আল্লাহ তা‘আলা এবং পরে তোমার সহযোগিতা ছাড়া আজ বাড়ী পৌঁছা আমার পক্ষে অসম্ভব। যে আল্লাহ তোমাকে দৃষ্টিশক্তি ফিরিয়ে দিয়েছেন তার নামে তোমার কাছে আমি একটি বকরী চাই যেন আমি সফর শেষে বাড়ী পৌঁছতে পারি। এ কথা শুনে লোকটি বলল, হ্যাঁ, আমি অন্ধ ছিলাম, আল্লাহ আমার দৃষ্টিশক্তি আবার ফিরিয়ে দিয়েছেন। আপনার ইচ্ছামত আপনি নিয়ে যান এবং যা মনে চায় রেখে যান। আল্লাহর শপথ! আজ আল্লাহর নামে আপনি যা নিবেন এ বিষয়ে আমি আপনাকে বাধা দিব না। অতঃপর ফেরেশ্তা বললেন, তুমি তোমার সম্পদ রেখে দাও। তোমাদের তিনজনের পরীক্ষা হলো। আল্লাহ তোমার প্রতি সন্তুষ্ট এবং তোমার অপর দু’ সাথীদ্বয়ের প্রতি অসন্তুষ্ট হয়েছেন। (ই.ফা. ৭১৬২, ই.সে. ৭২১৫)

আবূ হুরাইরাহ্ (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে এ কথা বলতে শুনেছেন যে, বানী ইসরাঈলের মাঝে তিন লোক ছিল। একজন ছিল কুষ্ঠরোগী, দ্বিতীয়জন টাক মাথা বিশিষ্ট এবং তৃতীয়জন অন্ধ। আল্লাহ তা‘আলা এ তিনজনকে পরীক্ষা করার ইচ্ছা করলেন। তাই তিনি তাদের কাছে একজন ফেরেশ্তা পাঠালেন। ফেরেশ্তা প্রথমে কুষ্ঠরোগীর নিকট এসে বললেন, তোমার কাছে সবচেয়ে বেশী প্রিয় জিনিস কি? সে বলল, উত্তম (গায়ের) রং, ভালো চামড়া এবং আমার থেকে যেন এ রোগ নিরাময় হয়ে যায়, যার কারণে লোকেরা আমাকে ঘৃণা করে। অতঃপর ফেরেশ্তা তার শরীরে হাত বুলালেন। এতে তার এ কুৎসিত ব্যাধি ভালো হলো এবং তাকে সুন্দর রং ও সুন্দর চর্ম দান করা হলো। ফেরেশ্তা আবার তাকে প্রশ্ন করলেন, তোমার কাছে প্রিয় মাল কোন্টি? সে বলল, উট বা গাভী। বর্ণনাকারী ইসহাক্ সন্দেহ পোষণ করেছেন। তবে কুষ্ঠরোগী বা টাক মাথাওয়ালা তাদের একজন বলল, উট আর অপরজন বলল গাভী। অতঃপর তাকে গর্ভবতী উষ্ট্রী প্রদান করা হলো এবং বললেন, আল্লাহ তোমাকে এতে বারাকাত দান করুন। এরপর ফেরেশ্তা টাক মাথা লোকের কাছে এসে তাকে প্রশ্ন করলেন, তোমার নিকট সবচেয়ে বেশী প্রিয় জিনিস কি? সে বলল, সুন্দর চুল এবং আমার থেকে যেন এ ব্যাধি নিরাময় হয়ে যায় যার করণে লোকেরা আমাকে অভক্তি করছে। ফেরেশ্তা তার শরীরে হাত বুলালে তার ব্যাধি ভালো হয়ে যায়। এরপর তাকে দান করা হয় সুন্দর চুল। পুনরায় ফেরেশ্তা তাকে প্রশ্ন করলেন যে, কোন্ মাল তোমার কাছে সবচেয়ে বেশী প্রিয়? সে বলল, গাভী। তারপর তাকে গর্ভবতী একটি গাভী দান করা হলো এবং ফেরেশ্তা বললেন, আল্লাহ তোমাকে এতে বারাকাত দান করুন। এরপর ফেরেশ্তা অন্ধ ব্যক্তির নিকট আসলেন এবং বললেন, তোমার নিকট কোন জিনিস সবচেয়ে প্রিয়? সে বলল, আল্লাহ তা‘আলা আমাকে দৃষ্টিশক্তি ফিরিয়ে দিক যাতে আমি লোকজন দেখতে পারি। অতঃপর ফেরেশ্তা তার চোখের উপর হাত বুলালে আল্লাহ তার দৃষ্টি শক্তি ফিরিয়ে দেন। এরপর ফেরেশ্তা আবার তাকে প্রশ্ন করলেন, কোন্ সম্পদ তোমার কাছে বেশী প্রিয়? সে বলল, বকরী। তাকে গর্ভবতী বকরী দান করা হলো। অতঃপর উষ্ট্রী, গাভী এবং বক্রী সবই বাচ্চা দিল। ফলে তার এক মাঠ উট, তার এক মাঠ গাভী এবং তার এর মাঠ বকরী হয়ে গেল। অতঃপর ফেরেশ্তা অনতিকাল পরে তার পূর্ববৎ আকৃতিতে কুষ্ঠরোগীর কাছে এসে বলল, আমি একজন মিসকীন ও নিঃস্ব ব্যক্তি, সফরে আমার সকল অবলম্বন নিঃশেষ হয়ে গেছে। আল্লাহর, অতঃপর তোমার সহযোগিতা ছাড়া বাড়ী পৌঁছাও আমার পক্ষে সম্ভব নয়। সুতরাং যে আল্লাহ তোমাকে উত্তম রং, সুন্দর চামড়া এবং অনেক সম্পদ প্রদান করেছেন তার নামে আমি তোমার কাছে একটি উট সাহায্য চাচ্ছি, যেন এ সফরে আমি তাতে আরোহণ করে বাড়ী পৌঁছতে পারি। এ কথা শুনে সে বলল, দায়-দায়িত্ব অনেক বেশী, তাই দেয়া সম্ভব নয়। তখন ফেরেশ্তা বললেন, আমি তোমাকে চিনি বলে মনে হচ্ছে। তুমি কি নিঃস্ব, কুষ্ঠরোগী ছিলে না? এরপর আল্লাহ তোমাকে অনেক সম্পদ প্রদান করেছেন। সে বলল, বাহ্! আমি তো বাপ-দাদা হতেই বংশপরম্পরায় এ সম্পদের উত্তরাধিকার হয়েছি। অতঃপর ফেরেশ্তা বললেন, যদি তুমি মিথ্যাবাদী হও, তবে আল্লাহ তা‘আলা যেন তোমাকে আগের অবস্থায় ফিরিয়ে দেন। এবার ফেরেশ্তা তার আগের আকৃতিতে টাক মাথা লোকের কাছে এসে ঐ লোকের ন্যায় তাকেও বললেন এবং সে-ও প্রথম লোকের মতোই জবাব দিল। অতঃপর তিনি বললেন, যদি তুমি মিথ্যাবাদী হও তবে যেন আল্লাহ তা‘আলা তোমাকে তোমার আগের অবস্থায় ফিরিয়ে দেন। এরপর ফেরেশ্তা তাঁর আগের আকৃতিতে অন্ধ লোকের কাছে এসে বলল, আমি একজন নিঃস্ব, মুসাফির ব্যক্তি। আমার সফরের যাবতীয় সম্বল নিঃশেষ হয়ে গেছে। আল্লাহ তা‘আলা এবং পরে তোমার সহযোগিতা ছাড়া আজ বাড়ী পৌঁছা আমার পক্ষে অসম্ভব। যে আল্লাহ তোমাকে দৃষ্টিশক্তি ফিরিয়ে দিয়েছেন তার নামে তোমার কাছে আমি একটি বকরী চাই যেন আমি সফর শেষে বাড়ী পৌঁছতে পারি। এ কথা শুনে লোকটি বলল, হ্যাঁ, আমি অন্ধ ছিলাম, আল্লাহ আমার দৃষ্টিশক্তি আবার ফিরিয়ে দিয়েছেন। আপনার ইচ্ছামত আপনি নিয়ে যান এবং যা মনে চায় রেখে যান। আল্লাহর শপথ! আজ আল্লাহর নামে আপনি যা নিবেন এ বিষয়ে আমি আপনাকে বাধা দিব না। অতঃপর ফেরেশ্তা বললেন, তুমি তোমার সম্পদ রেখে দাও। তোমাদের তিনজনের পরীক্ষা হলো। আল্লাহ তোমার প্রতি সন্তুষ্ট এবং তোমার অপর দু’ সাথীদ্বয়ের প্রতি অসন্তুষ্ট হয়েছেন। (ই.ফা. ৭১৬২, ই.সে. ৭২১৫)

حدثنا شيبان بن فروخ، حدثنا همام، حدثنا إسحاق بن عبد الله بن أبي طلحة، حدثني عبد الرحمن بن أبي عمرة، أن أبا هريرة، حدثه أنه، سمع النبي صلى الله عليه وسلم يقول ‏"‏ إن ثلاثة في بني إسرائيل أبرص وأقرع وأعمى فأراد الله أن يبتليهم فبعث إليهم ملكا فأتى الأبرص فقال أى شىء أحب إليك قال لون حسن وجلد حسن ويذهب عني الذي قد قذرني الناس ‏.‏ قال فمسحه فذهب عنه قذره وأعطي لونا حسنا وجلدا حسنا قال فأى المال أحب إليك قال الإبل - أو قال البقر شك إسحاق - إلا أن الأبرص أو الأقرع قال أحدهما الإبل وقال الآخر البقر - قال فأعطي ناقة عشراء فقال بارك الله لك فيها - قال - فأتى الأقرع فقال أى شىء أحب إليك قال شعر حسن ويذهب عني هذا الذي قذرني الناس ‏.‏ قال فمسحه فذهب عنه وأعطي شعرا حسنا - قال - فأى المال أحب إليك قال البقر ‏.‏ فأعطي بقرة حاملا فقال بارك الله لك فيها - قال - فأتى الأعمى فقال أى شىء أحب إليك قال أن يرد الله إلى بصري فأبصر به الناس - قال - فمسحه فرد الله إليه بصره ‏.‏ قال فأى المال أحب إليك قال الغنم ‏.‏ فأعطي شاة والدا فأنتج هذان وولد هذا - قال - فكان لهذا واد من الإبل ولهذا واد من البقر ولهذا واد من الغنم ‏.‏ قال ثم إنه أتى الأبرص في صورته وهيئته فقال رجل مسكين قد انقطعت بي الحبال في سفري فلا بلاغ لي اليوم إلا بالله ثم بك أسألك بالذي أعطاك اللون الحسن والجلد الحسن والمال بعيرا أتبلغ عليه في سفري ‏.‏ فقال الحقوق كثيرة ‏.‏ فقال له كأني أعرفك ألم تكن أبرص يقذرك الناس فقيرا فأعطاك الله فقال إنما ورثت هذا المال كابرا عن كابر ‏.‏ فقال إن كنت كاذبا فصيرك الله إلى ما كنت ‏.‏ قال وأتى الأقرع في صورته فقال له مثل ما قال لهذا ورد عليه مثل ما رد على هذا فقال إن كنت كاذبا فصيرك الله إلى ما كنت ‏.‏ قال وأتى الأعمى في صورته وهيئته فقال رجل مسكين وابن سبيل انقطعت بي الحبال في سفري فلا بلاغ لي اليوم إلا بالله ثم بك أسألك بالذي رد عليك بصرك شاة أتبلغ بها في سفري فقال قد كنت أعمى فرد الله إلى بصري فخذ ما شئت ودع ما شئت فوالله لا أجهدك اليوم شيئا أخذته لله فقال أمسك مالك فإنما ابتليتم فقد رضي عنك وسخط على صاحبيك ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৭৩২৩

حدثنا يحيى بن حبيب الحارثي، حدثنا المعتمر، قال سمعت إسماعيل، عن قيس، عن سعد، ح وحدثنا محمد بن عبد الله بن نمير، حدثنا أبي وابن، بشر قالا حدثنا إسماعيل، عن قيس، قال سمعت سعد بن أبي وقاص، يقول والله إني لأول رجل من العرب رمى بسهم في سبيل الله ولقد كنا نغزو مع رسول الله صلى الله عليه وسلم ما لنا طعام نأكله إلا ورق الحبلة وهذا السمر حتى إن أحدنا ليضع كما تضع الشاة ثم أصبحت بنو أسد تعزرني على الدين لقد خبت إذا وضل عملي ولم يقل ابن نمير إذا ‏.‏

সা‘দ ইবনু আবূ ওয়াক্কাস (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আল্লাহর শপথ! আরবের বাসিন্দাদের মাঝে সর্বপ্রথম আমিই আল্লাহর রাস্তায় তীর ছুঁড়েছি। আমরা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গে যুদ্ধ করতাম। তখন ‘হুবলাহ্’ এবং ‘সামুর’ নামের বৃক্ষের পাতা ছাড়া আমাদের কাছে খাবার উপযোগী কোন খাদ্যই অবশিষ্ট থাকত না। তাই আমাদের একজন বক্রীর মতো মল ত্যাগ করত। আর এখন বানূ আসাদের লোকেরা দীনী বিষয়ে আমাদেরকে ধমক দিচ্ছে, এমনই যদি হয় তবে তো আমি অকৃতকার্য এবং আমার ‘আমাল সবই ব্যর্থ। ইবনু নুমায়র তার বর্ণনায় ……. শব্দটি উল্লেখ করেননি। (ই.ফা. ৭১৬৪, ই.সে. ৭২১৭)

সা‘দ ইবনু আবূ ওয়াক্কাস (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আল্লাহর শপথ! আরবের বাসিন্দাদের মাঝে সর্বপ্রথম আমিই আল্লাহর রাস্তায় তীর ছুঁড়েছি। আমরা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গে যুদ্ধ করতাম। তখন ‘হুবলাহ্’ এবং ‘সামুর’ নামের বৃক্ষের পাতা ছাড়া আমাদের কাছে খাবার উপযোগী কোন খাদ্যই অবশিষ্ট থাকত না। তাই আমাদের একজন বক্রীর মতো মল ত্যাগ করত। আর এখন বানূ আসাদের লোকেরা দীনী বিষয়ে আমাদেরকে ধমক দিচ্ছে, এমনই যদি হয় তবে তো আমি অকৃতকার্য এবং আমার ‘আমাল সবই ব্যর্থ। ইবনু নুমায়র তার বর্ণনায় ……. শব্দটি উল্লেখ করেননি। (ই.ফা. ৭১৬৪, ই.সে. ৭২১৭)

حدثنا يحيى بن حبيب الحارثي، حدثنا المعتمر، قال سمعت إسماعيل، عن قيس، عن سعد، ح وحدثنا محمد بن عبد الله بن نمير، حدثنا أبي وابن، بشر قالا حدثنا إسماعيل، عن قيس، قال سمعت سعد بن أبي وقاص، يقول والله إني لأول رجل من العرب رمى بسهم في سبيل الله ولقد كنا نغزو مع رسول الله صلى الله عليه وسلم ما لنا طعام نأكله إلا ورق الحبلة وهذا السمر حتى إن أحدنا ليضع كما تضع الشاة ثم أصبحت بنو أسد تعزرني على الدين لقد خبت إذا وضل عملي ولم يقل ابن نمير إذا ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৭৩২৪

وحدثناه يحيى بن يحيى، أخبرنا وكيع، عن إسماعيل بن أبي خالد، بهذا الإسناد وقال حتى إن كان أحدنا ليضع كما تضع العنز ما يخلطه بشىء ‏.‏

ইসমা‘ঈল ইবনু আবূ খালিদ (রহঃ) হতে এ সূত্র থেকে বর্নিতঃ

অবিকল বর্ণনা করেছেন। তবে এতে রয়েছে যে, ফলে আমাদের একজন বকরীর মতো মল নির্গত করত। যার একাংশ অন্য অন্য অংশের সাথে মিশতো না। (ই.ফা. ৭১৬৫, ই.সে. ৭২১৮)

ইসমা‘ঈল ইবনু আবূ খালিদ (রহঃ) হতে এ সূত্র থেকে বর্নিতঃ

অবিকল বর্ণনা করেছেন। তবে এতে রয়েছে যে, ফলে আমাদের একজন বকরীর মতো মল নির্গত করত। যার একাংশ অন্য অন্য অংশের সাথে মিশতো না। (ই.ফা. ৭১৬৫, ই.সে. ৭২১৮)

وحدثناه يحيى بن يحيى، أخبرنا وكيع، عن إسماعيل بن أبي خالد، بهذا الإسناد وقال حتى إن كان أحدنا ليضع كما تضع العنز ما يخلطه بشىء ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৭৩২৫

حدثنا شيبان بن فروخ، حدثنا سليمان بن المغيرة، حدثنا حميد بن هلال، عن خالد بن عمير العدوي، قال خطبنا عتبة بن غزوان فحمد الله وأثنى عليه ثم قال أما بعد فإن الدنيا قد آذنت بصرم وولت حذاء ولم يبق منها إلا صبابة كصبابة الإناء يتصابها صاحبها وإنكم منتقلون منها إلى دار لا زوال لها فانتقلوا بخير ما بحضرتكم فإنه قد ذكر لنا أن الحجر يلقى من شفة جهنم فيهوي فيها سبعين عاما لا يدرك لها قعرا ووالله لتملأن أفعجبتم ولقد ذكر لنا أن ما بين مصراعين من مصاريع الجنة مسيرة أربعين سنة وليأتين عليها يوم وهو كظيظ من الزحام ولقد رأيتني سابع سبعة مع رسول الله صلى الله عليه وسلم ما لنا طعام إلا ورق الشجر حتى قرحت أشداقنا فالتقطت بردة فشققتها بيني وبين سعد بن مالك فاتزرت بنصفها واتزر سعد بنصفها فما أصبح اليوم منا أحد إلا أصبح أميرا على مصر من الأمصار وإني أعوذ بالله أن أكون في نفسي عظيما وعند الله صغيرا وإنها لم تكن نبوة قط إلا تناسخت حتى يكون آخر عاقبتها ملكا فستخبرون وتجربون الأمراء بعدنا ‏.‏

খালিদ ইবনু ‘উমায়র আল ‘আদাবী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, ‘উত্বাহ্ ইবনু গাযওয়ান (রহঃ) একদিন আমাদের মাঝে বক্তৃতা দিলেন এবং প্রথমে আল্লাহর প্রশংসা ও গুণগান করে বললেন, অতঃপর বলেছেন- পৃথিবী ধ্বংস হয়ে যাবার সংবাদ দিয়েছে ও শীঘ্রই বিদায় নিচ্ছে। পৃথিবীর কিয়দংশ অবশিষ্ট রয়েছে, যেমন আহারের পর পাত্রের মধ্যে কিছু খাদ্য অবশিষ্ট থেকে, যা ভক্ষণকারী রেখে দেয়। একদিন এ দুনিয়া পরিত্যাগ করে তোমরা স্থায়ী জগতের দিকে রওয়ানা করবে। অতএব তোমরা ভবিষ্যতের জন্য কিছু পুণ্য নিয়ে রওনা করো। কেননা আমাদের সম্মুখে আলোচনা করা হয়েছে যে, জাহান্নামের এক কোণে একটি পাথর নিক্ষেপ করা হবে, তারপর সেটা সত্তর বছর পর্যন্ত ক্রমাগ্রতভাবে যেতে থাকবে, তথাপিও সেটা তার তলদেশে গিয়ে পৌঁছতে পারবে না। আল্লাহর কসম! জাহান্নাম- পূর্ণ হয়ে যাবে। তোমরা কি এতে আশ্চর্যান্বিত হচ্ছ? এবং আমার নিকট এটাও বর্ণনা করা হয়েছে যে, জান্নাতের এক প্রান্ত হতে অপর প্রান্ত পর্যন্ত চল্লিশ বছরের পথ। শীঘ্রই একদিন এমন আসবে, যখন সেটা মানুষের ভিড়ে পরিপূর্ণতা লাভ করবে। আমি নিজেকে দেখেছি যে, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গী সাত ব্যক্তির সপ্তমজন ছিলাম। তখন আমাদের কাছে বৃক্ষের পাতা ছাড়া আর কোন খাবারই ছিল না। ফলে আমাদের চোয়াল ঘা হয়ে গেল। এ সময় আমি একটি চাদর পেয়েছিলাম। অতঃপর আমার ও সা‘দ ইবনু মালিক-এর জন্য আমি সেটাকে দু’ টুকরো করে নেই। এক টুকরো দিয়ে আমি লুঙ্গি বানিয়েছি এবং আরেক টুকরোটি দিয়ে লুঙ্গি বানিয়েছে সা‘দ ইবনু মালিক (রাঃ)। আজ আমাদের সকলেই কোন না কোন শহরের আমীর। এরপর তিনি বলেন, আমি আমার কাছে বড় এবং আল্লাহর কাছে ছোট হওয়া থেকে আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাই। সকল নাবীদের নাবূওয়াতই এক পর্যায়ে শেষ হয়ে যাবে। পরিশেষে সেটা রাজতন্ত্রে রূপ নিবে। আমার পর আগমনকারী আমীর-উমারাদের খবর তোমরা শীঘ্রই পাবে এবং তাদেরকে পরীক্ষা করে নিবে। (ই.ফা. ৭১৬৬, ই.সে. ৭২১৯)

খালিদ ইবনু ‘উমায়র আল ‘আদাবী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, ‘উত্বাহ্ ইবনু গাযওয়ান (রহঃ) একদিন আমাদের মাঝে বক্তৃতা দিলেন এবং প্রথমে আল্লাহর প্রশংসা ও গুণগান করে বললেন, অতঃপর বলেছেন- পৃথিবী ধ্বংস হয়ে যাবার সংবাদ দিয়েছে ও শীঘ্রই বিদায় নিচ্ছে। পৃথিবীর কিয়দংশ অবশিষ্ট রয়েছে, যেমন আহারের পর পাত্রের মধ্যে কিছু খাদ্য অবশিষ্ট থেকে, যা ভক্ষণকারী রেখে দেয়। একদিন এ দুনিয়া পরিত্যাগ করে তোমরা স্থায়ী জগতের দিকে রওয়ানা করবে। অতএব তোমরা ভবিষ্যতের জন্য কিছু পুণ্য নিয়ে রওনা করো। কেননা আমাদের সম্মুখে আলোচনা করা হয়েছে যে, জাহান্নামের এক কোণে একটি পাথর নিক্ষেপ করা হবে, তারপর সেটা সত্তর বছর পর্যন্ত ক্রমাগ্রতভাবে যেতে থাকবে, তথাপিও সেটা তার তলদেশে গিয়ে পৌঁছতে পারবে না। আল্লাহর কসম! জাহান্নাম- পূর্ণ হয়ে যাবে। তোমরা কি এতে আশ্চর্যান্বিত হচ্ছ? এবং আমার নিকট এটাও বর্ণনা করা হয়েছে যে, জান্নাতের এক প্রান্ত হতে অপর প্রান্ত পর্যন্ত চল্লিশ বছরের পথ। শীঘ্রই একদিন এমন আসবে, যখন সেটা মানুষের ভিড়ে পরিপূর্ণতা লাভ করবে। আমি নিজেকে দেখেছি যে, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গী সাত ব্যক্তির সপ্তমজন ছিলাম। তখন আমাদের কাছে বৃক্ষের পাতা ছাড়া আর কোন খাবারই ছিল না। ফলে আমাদের চোয়াল ঘা হয়ে গেল। এ সময় আমি একটি চাদর পেয়েছিলাম। অতঃপর আমার ও সা‘দ ইবনু মালিক-এর জন্য আমি সেটাকে দু’ টুকরো করে নেই। এক টুকরো দিয়ে আমি লুঙ্গি বানিয়েছি এবং আরেক টুকরোটি দিয়ে লুঙ্গি বানিয়েছে সা‘দ ইবনু মালিক (রাঃ)। আজ আমাদের সকলেই কোন না কোন শহরের আমীর। এরপর তিনি বলেন, আমি আমার কাছে বড় এবং আল্লাহর কাছে ছোট হওয়া থেকে আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাই। সকল নাবীদের নাবূওয়াতই এক পর্যায়ে শেষ হয়ে যাবে। পরিশেষে সেটা রাজতন্ত্রে রূপ নিবে। আমার পর আগমনকারী আমীর-উমারাদের খবর তোমরা শীঘ্রই পাবে এবং তাদেরকে পরীক্ষা করে নিবে। (ই.ফা. ৭১৬৬, ই.সে. ৭২১৯)

حدثنا شيبان بن فروخ، حدثنا سليمان بن المغيرة، حدثنا حميد بن هلال، عن خالد بن عمير العدوي، قال خطبنا عتبة بن غزوان فحمد الله وأثنى عليه ثم قال أما بعد فإن الدنيا قد آذنت بصرم وولت حذاء ولم يبق منها إلا صبابة كصبابة الإناء يتصابها صاحبها وإنكم منتقلون منها إلى دار لا زوال لها فانتقلوا بخير ما بحضرتكم فإنه قد ذكر لنا أن الحجر يلقى من شفة جهنم فيهوي فيها سبعين عاما لا يدرك لها قعرا ووالله لتملأن أفعجبتم ولقد ذكر لنا أن ما بين مصراعين من مصاريع الجنة مسيرة أربعين سنة وليأتين عليها يوم وهو كظيظ من الزحام ولقد رأيتني سابع سبعة مع رسول الله صلى الله عليه وسلم ما لنا طعام إلا ورق الشجر حتى قرحت أشداقنا فالتقطت بردة فشققتها بيني وبين سعد بن مالك فاتزرت بنصفها واتزر سعد بنصفها فما أصبح اليوم منا أحد إلا أصبح أميرا على مصر من الأمصار وإني أعوذ بالله أن أكون في نفسي عظيما وعند الله صغيرا وإنها لم تكن نبوة قط إلا تناسخت حتى يكون آخر عاقبتها ملكا فستخبرون وتجربون الأمراء بعدنا ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৭৩২৬

وحدثني إسحاق بن عمر بن سليط، حدثنا سليمان بن المغيرة، حدثنا حميد بن، هلال عن خالد بن عمير، وقد أدرك الجاهلية قال خطب عتبة بن غزوان وكان أميرا على البصرة ‏.‏ فذكر نحو حديث شيبان ‏.‏

খালিদ ইবনু ‘উমায়র (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি জাহিলী যুগ পেয়েছিলেন, খালিদ (রহঃ) বলেন, একদিন ‘উতবাহ্ ইবনু গায্ওয়ান (রাঃ) ভাষণ দিলেন। তখন তিনি বাসরার শাসনকর্তা ছিলেন। অতঃপর ইসহাক্ সূত্রে শাইবান-এর অবিকল হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৭১৬৭, ই.সে. ৭২২০)

খালিদ ইবনু ‘উমায়র (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি জাহিলী যুগ পেয়েছিলেন, খালিদ (রহঃ) বলেন, একদিন ‘উতবাহ্ ইবনু গায্ওয়ান (রাঃ) ভাষণ দিলেন। তখন তিনি বাসরার শাসনকর্তা ছিলেন। অতঃপর ইসহাক্ সূত্রে শাইবান-এর অবিকল হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৭১৬৭, ই.সে. ৭২২০)

وحدثني إسحاق بن عمر بن سليط، حدثنا سليمان بن المغيرة، حدثنا حميد بن، هلال عن خالد بن عمير، وقد أدرك الجاهلية قال خطب عتبة بن غزوان وكان أميرا على البصرة ‏.‏ فذكر نحو حديث شيبان ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৭৩২৭

وحدثنا أبو كريب، محمد بن العلاء حدثنا وكيع، عن قرة بن خالد، عن حميد، بن هلال عن خالد بن عمير، قال سمعت عتبة بن غزوان، يقول لقد رأيتني سابع سبعة مع رسول الله صلى الله عليه وسلم ما طعامنا إلا ورق الحبلة حتى قرحت أشداقنا ‏.‏

খালিদ ইবনু ‘উমায়র (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি ‘উতবাহ্ ইবনু গায্ওয়ান (রাঃ)-কে এ কথা বলতে শুনলাম যে, তিনি বলেন, এক সময় আমি রসূলুল্লাহ-এর সঙ্গী সাতজনের সপ্তম ব্যক্তি ছিলাম, তখন হুবলাহ্ গাছের পাতা ছাড়া আমাদের কোন খাবার ছিল না। পাতা খেতে খেতে অবশেষে আমাদের মুখে ঘা হয়ে যায়। (ই.ফা. ৭১৬৮, ই.সে. ৭২২১)

খালিদ ইবনু ‘উমায়র (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি ‘উতবাহ্ ইবনু গায্ওয়ান (রাঃ)-কে এ কথা বলতে শুনলাম যে, তিনি বলেন, এক সময় আমি রসূলুল্লাহ-এর সঙ্গী সাতজনের সপ্তম ব্যক্তি ছিলাম, তখন হুবলাহ্ গাছের পাতা ছাড়া আমাদের কোন খাবার ছিল না। পাতা খেতে খেতে অবশেষে আমাদের মুখে ঘা হয়ে যায়। (ই.ফা. ৭১৬৮, ই.সে. ৭২২১)

وحدثنا أبو كريب، محمد بن العلاء حدثنا وكيع، عن قرة بن خالد، عن حميد، بن هلال عن خالد بن عمير، قال سمعت عتبة بن غزوان، يقول لقد رأيتني سابع سبعة مع رسول الله صلى الله عليه وسلم ما طعامنا إلا ورق الحبلة حتى قرحت أشداقنا ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৭৩২৯

حدثنا أبو بكر بن النضر بن أبي النضر، حدثني أبو النضر، هاشم بن القاسم حدثنا عبيد الله الأشجعي، عن سفيان الثوري، عن عبيد المكتب، عن فضيل، عن الشعبي، عن أنس بن مالك، قال كنا عند رسول الله صلى الله عليه وسلم فضحك فقال ‏"‏ هل تدرون مم أضحك ‏"‏ ‏.‏ قال قلنا الله ورسوله أعلم ‏.‏ قال ‏"‏ من مخاطبة العبد ربه يقول يا رب ألم تجرني من الظلم قال يقول بلى ‏.‏ قال فيقول فإني لا أجيز على نفسي إلا شاهدا مني قال فيقول كفى بنفسك اليوم عليك شهيدا وبالكرام الكاتبين شهودا - قال - فيختم على فيه فيقال لأركانه انطقي ‏.‏ قال فتنطق بأعماله - قال - ثم يخلى بينه وبين الكلام - قال - فيقول بعدا لكن وسحقا ‏.‏ فعنكن كنت أناضل ‏"‏ ‏.‏

আনাস ইবনু মালিক (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একদা আমরা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে ছিলাম। এ সময় তিনি হেসে বললেন, তোমরা কি জান, আমি কেন হাসলাম? আমরা বললাম, এ সম্পর্কে আল্লাহ ও তার রসূলই ভাল জানেন। অতঃপর তিনি বললেন, বান্দা তার তদীয় রবের সঙ্গে যে কথা বলবে, এজন্য হাসলাম। বান্দা বলবে, হে আমার পালনকর্তা! তুমি কি আশ্রয় দাওনি আমাকে অত্যাচার হতে? রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ আল্লাহ তা‘আলা বলবেন, হ্যাঁ আমি কারো প্রতি অত্যাচার করি না। এরপর বান্দা বলবে, আমি আমার ব্যাপারে স্বীয় সাক্ষ্য ছাড়া অন্য কারো সাক্ষী হওয়াকে বৈধ মনে করি না। তখন মহান আল্লাহ বলবেন, আজ তুমি নিজেই তোমার সাক্ষী হওয়ার জন্য যথেষ্ট এবং সম্মানিত কিরামান কাতিবীন (লিপিকারবৃন্দও) যথেষ্ট। তারপর বান্দার জবান বন্ধ করে দেয়া হবে এবং তার অঙ্গ-প্রত্যঙ্গকে নির্দেশ দেয়া হবে যে, তোমরা বলো। তারা তার ‘আমাল সম্পর্কে বলবে। তারপর বান্দাকে কথা বলার অনুমতি দেয়া হবে। তখন বান্দা তার অঙ্গ-প্রত্যঙ্গকে উদ্দেশ্য করে বলবে, অভিসম্পাত তোমাদের প্রতি, তোমরা দূর হয়ে যাও। আমি তো তোমাদের জন্যই বিবাদ করছিলাম। (ই.ফা. ৭১৭০, ই.সে. ৭২২৩)

আনাস ইবনু মালিক (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একদা আমরা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে ছিলাম। এ সময় তিনি হেসে বললেন, তোমরা কি জান, আমি কেন হাসলাম? আমরা বললাম, এ সম্পর্কে আল্লাহ ও তার রসূলই ভাল জানেন। অতঃপর তিনি বললেন, বান্দা তার তদীয় রবের সঙ্গে যে কথা বলবে, এজন্য হাসলাম। বান্দা বলবে, হে আমার পালনকর্তা! তুমি কি আশ্রয় দাওনি আমাকে অত্যাচার হতে? রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ আল্লাহ তা‘আলা বলবেন, হ্যাঁ আমি কারো প্রতি অত্যাচার করি না। এরপর বান্দা বলবে, আমি আমার ব্যাপারে স্বীয় সাক্ষ্য ছাড়া অন্য কারো সাক্ষী হওয়াকে বৈধ মনে করি না। তখন মহান আল্লাহ বলবেন, আজ তুমি নিজেই তোমার সাক্ষী হওয়ার জন্য যথেষ্ট এবং সম্মানিত কিরামান কাতিবীন (লিপিকারবৃন্দও) যথেষ্ট। তারপর বান্দার জবান বন্ধ করে দেয়া হবে এবং তার অঙ্গ-প্রত্যঙ্গকে নির্দেশ দেয়া হবে যে, তোমরা বলো। তারা তার ‘আমাল সম্পর্কে বলবে। তারপর বান্দাকে কথা বলার অনুমতি দেয়া হবে। তখন বান্দা তার অঙ্গ-প্রত্যঙ্গকে উদ্দেশ্য করে বলবে, অভিসম্পাত তোমাদের প্রতি, তোমরা দূর হয়ে যাও। আমি তো তোমাদের জন্যই বিবাদ করছিলাম। (ই.ফা. ৭১৭০, ই.সে. ৭২২৩)

حدثنا أبو بكر بن النضر بن أبي النضر، حدثني أبو النضر، هاشم بن القاسم حدثنا عبيد الله الأشجعي، عن سفيان الثوري، عن عبيد المكتب، عن فضيل، عن الشعبي، عن أنس بن مالك، قال كنا عند رسول الله صلى الله عليه وسلم فضحك فقال ‏"‏ هل تدرون مم أضحك ‏"‏ ‏.‏ قال قلنا الله ورسوله أعلم ‏.‏ قال ‏"‏ من مخاطبة العبد ربه يقول يا رب ألم تجرني من الظلم قال يقول بلى ‏.‏ قال فيقول فإني لا أجيز على نفسي إلا شاهدا مني قال فيقول كفى بنفسك اليوم عليك شهيدا وبالكرام الكاتبين شهودا - قال - فيختم على فيه فيقال لأركانه انطقي ‏.‏ قال فتنطق بأعماله - قال - ثم يخلى بينه وبين الكلام - قال - فيقول بعدا لكن وسحقا ‏.‏ فعنكن كنت أناضل ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৭৩২৮

حدثنا محمد بن أبي عمر، حدثنا سفيان، عن سهيل بن أبي صالح، عن أبيه، عن أبي هريرة، قال قالوا يا رسول الله هل نرى ربنا يوم القيامة قال ‏"‏ هل تضارون في رؤية الشمس في الظهيرة ليست في سحابة ‏"‏ ‏.‏ قالوا لا ‏.‏ قال ‏"‏ فهل تضارون في رؤية القمر ليلة البدر ليس في سحابة ‏"‏ ‏.‏ قالوا لا ‏.‏ قال ‏"‏ فوالذي نفسي بيده لا تضارون في رؤية ربكم إلا كما تضارون في رؤية أحدهما - قال - فيلقى العبد فيقول أى فل ألم أكرمك وأسودك وأزوجك وأسخر لك الخيل والإبل وأذرك ترأس وتربع فيقول بلى ‏.‏ قال فيقول أفظننت أنك ملاقي فيقول لا ‏.‏ فيقول فإني أنساك كما نسيتني ‏.‏ ثم يلقى الثاني فيقول أى فل ألم أكرمك وأسودك وأزوجك وأسخر لك الخيل والإبل وأذرك ترأس وتربع فيقول بلى أى رب ‏.‏ فيقول أفظننت أنك ملاقي فيقول لا ‏.‏ فيقول فإني أنساك كما نسيتني ‏.‏ ثم يلقى الثالث فيقول له مثل ذلك فيقول يا رب آمنت بك وبكتابك وبرسلك وصليت وصمت وتصدقت ‏.‏ ويثني بخير ما استطاع فيقول ها هنا إذا - قال - ثم يقال له الآن نبعث شاهدنا عليك ‏.‏ ويتفكر في نفسه من ذا الذي يشهد على فيختم على فيه ويقال لفخذه ولحمه وعظامه انطقي فتنطق فخذه ولحمه وعظامه بعمله وذلك ليعذر من نفسه ‏.‏ وذلك المنافق وذلك الذي يسخط الله عليه ‏"‏ ‏.‏

আবূ হুরাইরাহ্ (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, সহাবাগণ জিজ্ঞেস করলেন, হে আল্লাহর রসূল! কিয়ামাতের দিন আমরা কি আমাদের রবকে দেখতে পাব? জবাবে তিনি বললেন , আকাশে মেঘ না থাকাবস্থায় দুপুরের সময় সূর্য দেখতে তোমাদের কোন কষ্ট হয় কি? সহাবাগণ বললেন, জী না। অতঃপর তিনি বললেন, আকাশে মেঘ না থাকাবস্থায় পূর্ণিমার চাঁদ দেখতে তোমাদের কোন কষ্ট হয় কি? সহাবাগণ বললেন, জী না। তারপর তিনি বললেন, ঐ সত্তার কসম! যাঁর হাতে আমার জীবন! চন্দ্র-সূর্য কোন একটি দেখতে তোমাদের যেরূপ কষ্ট হয় না, তোমাদের রবকেও দেখতে তোমাদের ঠিক তদ্রূপ কষ্ট হবে না। আল্লাহর সাথে বান্দার সাক্ষাৎ হবে। তখন তিনি বললেন, হে অমুক! আমি কি তোমাকে সম্মান দান করিনি, কর্তৃত্ব দান করিনি, জোড়া মিলিয়ে দেইনি, ঘোড়া-উট তোমার কাজে লাগিয়ে দেইনি এবং সুখ-স্বাচ্ছন্দ্যের মাঝে তোমার পানাহারের ব্যবস্থা করিনি? জবাবে বান্দা বলবে, হ্যাঁ, হে আমার রব! তারপর তিনি বলবেন, তুমি কি মনে করতে যে, তুমি আমার মুখোমুখী হবে? সে বলবে, না, তা মনে করতাম না। তিনি বললেন, তুমি যেরূপভাবে আমাকে ভুলে গিয়েছিলে তদ্রূপভাবে আমিও তোমাকে ভুলে যাচ্ছি। অতঃপর দ্বিতীয় অপর এক ব্যক্তির আল্লাহর সাথে সাক্ষাৎ হবে। তখন তিনি তাকেও বলবেন, হে অমুক! আমি কি তোমাকে সম্মান দান করিনি, নেতৃত্ব দেইনি, তোমার পরিবার (জোরা মিলিয়ে) দেইনি, উট-ঘোড়া তোমার কাজে লাগিয়ে দেইনি এবং সুখ-স্বাচ্ছন্দ্যে পানাহারের জন্য তোমাকে কি সুবিধা করে দেইনি? সে বলবে, হ্যাঁ করেছেন। হে আমার পালনকর্তা! তারপর তিনি বললেন, আমার সাথে তোমার সাক্ষাৎ হবে এ কথা তুমি মনে করতে? সে বলবে, না। তখন আল্লাহ তা‘আলা বলবেন, তুমি যেমন আমাকে ভুলে গিয়েছিলে অনুরূপভাবে আমিও তোমাদেরকে ভুলে যাব। তারপর তৃতীয় অপর এক ব্যক্তির আল্লাহর সাথে দেখা হবে। এরপর তিনি আগের মতো অবিকল বলবেন। তখন লোকটি বলবে, হে আমার প্রতিপালক! আমি আপনার প্রতি এবং কিতাব ও রসূলগণের প্রতি ঈমান এনেছি। আমি সলাত আদায় করেছি, সাওম পালন করেছি এবং সদাকাহ্ করেছি। এমনিভাবে সে যথাসাধ্য নিজের প্রশংসা করবে। এমতাবস্থায় আল্লাহ তা‘আলা বলবেন, এখনই তোমার মিথ্যা প্রকাশিত হয়ে যাবে। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ তারপর তাকে বলা হবে, এখনই আমি তোমার উপর আমার সাক্ষী উপস্থিত করব। তখন বান্দা মনে মনে চিন্তা করতে থাকবে যে, কে তার বিপক্ষে সাক্ষী দিবে? তখন তার জবান বন্ধ করে দেয়া হবে এং তার উরু, গোশ্ত ও হাড়কে বলা হবে, তোমরা কথা বলো। ফলে তার উরু, গোশ্ত ও হাড় তার ‘আমালের ব্যাপারে বলতে থাকবে। এ ব্যবস্থা এজন্য করা হবে যেন, আত্মপক্ষ সমর্থন করার কোন সুযোগ তার অবশিষ্ট না থাকে। এ ব্যক্তি হচ্ছে মুনাফিক যার প্রতি আল্লাহ তা‘আলা অসন্তুষ্ট। (ই.ফা. ৭১৬৯, ই.সে. ৭২২২)

আবূ হুরাইরাহ্ (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, সহাবাগণ জিজ্ঞেস করলেন, হে আল্লাহর রসূল! কিয়ামাতের দিন আমরা কি আমাদের রবকে দেখতে পাব? জবাবে তিনি বললেন , আকাশে মেঘ না থাকাবস্থায় দুপুরের সময় সূর্য দেখতে তোমাদের কোন কষ্ট হয় কি? সহাবাগণ বললেন, জী না। অতঃপর তিনি বললেন, আকাশে মেঘ না থাকাবস্থায় পূর্ণিমার চাঁদ দেখতে তোমাদের কোন কষ্ট হয় কি? সহাবাগণ বললেন, জী না। তারপর তিনি বললেন, ঐ সত্তার কসম! যাঁর হাতে আমার জীবন! চন্দ্র-সূর্য কোন একটি দেখতে তোমাদের যেরূপ কষ্ট হয় না, তোমাদের রবকেও দেখতে তোমাদের ঠিক তদ্রূপ কষ্ট হবে না। আল্লাহর সাথে বান্দার সাক্ষাৎ হবে। তখন তিনি বললেন, হে অমুক! আমি কি তোমাকে সম্মান দান করিনি, কর্তৃত্ব দান করিনি, জোড়া মিলিয়ে দেইনি, ঘোড়া-উট তোমার কাজে লাগিয়ে দেইনি এবং সুখ-স্বাচ্ছন্দ্যের মাঝে তোমার পানাহারের ব্যবস্থা করিনি? জবাবে বান্দা বলবে, হ্যাঁ, হে আমার রব! তারপর তিনি বলবেন, তুমি কি মনে করতে যে, তুমি আমার মুখোমুখী হবে? সে বলবে, না, তা মনে করতাম না। তিনি বললেন, তুমি যেরূপভাবে আমাকে ভুলে গিয়েছিলে তদ্রূপভাবে আমিও তোমাকে ভুলে যাচ্ছি। অতঃপর দ্বিতীয় অপর এক ব্যক্তির আল্লাহর সাথে সাক্ষাৎ হবে। তখন তিনি তাকেও বলবেন, হে অমুক! আমি কি তোমাকে সম্মান দান করিনি, নেতৃত্ব দেইনি, তোমার পরিবার (জোরা মিলিয়ে) দেইনি, উট-ঘোড়া তোমার কাজে লাগিয়ে দেইনি এবং সুখ-স্বাচ্ছন্দ্যে পানাহারের জন্য তোমাকে কি সুবিধা করে দেইনি? সে বলবে, হ্যাঁ করেছেন। হে আমার পালনকর্তা! তারপর তিনি বললেন, আমার সাথে তোমার সাক্ষাৎ হবে এ কথা তুমি মনে করতে? সে বলবে, না। তখন আল্লাহ তা‘আলা বলবেন, তুমি যেমন আমাকে ভুলে গিয়েছিলে অনুরূপভাবে আমিও তোমাদেরকে ভুলে যাব। তারপর তৃতীয় অপর এক ব্যক্তির আল্লাহর সাথে দেখা হবে। এরপর তিনি আগের মতো অবিকল বলবেন। তখন লোকটি বলবে, হে আমার প্রতিপালক! আমি আপনার প্রতি এবং কিতাব ও রসূলগণের প্রতি ঈমান এনেছি। আমি সলাত আদায় করেছি, সাওম পালন করেছি এবং সদাকাহ্ করেছি। এমনিভাবে সে যথাসাধ্য নিজের প্রশংসা করবে। এমতাবস্থায় আল্লাহ তা‘আলা বলবেন, এখনই তোমার মিথ্যা প্রকাশিত হয়ে যাবে। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ তারপর তাকে বলা হবে, এখনই আমি তোমার উপর আমার সাক্ষী উপস্থিত করব। তখন বান্দা মনে মনে চিন্তা করতে থাকবে যে, কে তার বিপক্ষে সাক্ষী দিবে? তখন তার জবান বন্ধ করে দেয়া হবে এং তার উরু, গোশ্ত ও হাড়কে বলা হবে, তোমরা কথা বলো। ফলে তার উরু, গোশ্ত ও হাড় তার ‘আমালের ব্যাপারে বলতে থাকবে। এ ব্যবস্থা এজন্য করা হবে যেন, আত্মপক্ষ সমর্থন করার কোন সুযোগ তার অবশিষ্ট না থাকে। এ ব্যক্তি হচ্ছে মুনাফিক যার প্রতি আল্লাহ তা‘আলা অসন্তুষ্ট। (ই.ফা. ৭১৬৯, ই.সে. ৭২২২)

حدثنا محمد بن أبي عمر، حدثنا سفيان، عن سهيل بن أبي صالح، عن أبيه، عن أبي هريرة، قال قالوا يا رسول الله هل نرى ربنا يوم القيامة قال ‏"‏ هل تضارون في رؤية الشمس في الظهيرة ليست في سحابة ‏"‏ ‏.‏ قالوا لا ‏.‏ قال ‏"‏ فهل تضارون في رؤية القمر ليلة البدر ليس في سحابة ‏"‏ ‏.‏ قالوا لا ‏.‏ قال ‏"‏ فوالذي نفسي بيده لا تضارون في رؤية ربكم إلا كما تضارون في رؤية أحدهما - قال - فيلقى العبد فيقول أى فل ألم أكرمك وأسودك وأزوجك وأسخر لك الخيل والإبل وأذرك ترأس وتربع فيقول بلى ‏.‏ قال فيقول أفظننت أنك ملاقي فيقول لا ‏.‏ فيقول فإني أنساك كما نسيتني ‏.‏ ثم يلقى الثاني فيقول أى فل ألم أكرمك وأسودك وأزوجك وأسخر لك الخيل والإبل وأذرك ترأس وتربع فيقول بلى أى رب ‏.‏ فيقول أفظننت أنك ملاقي فيقول لا ‏.‏ فيقول فإني أنساك كما نسيتني ‏.‏ ثم يلقى الثالث فيقول له مثل ذلك فيقول يا رب آمنت بك وبكتابك وبرسلك وصليت وصمت وتصدقت ‏.‏ ويثني بخير ما استطاع فيقول ها هنا إذا - قال - ثم يقال له الآن نبعث شاهدنا عليك ‏.‏ ويتفكر في نفسه من ذا الذي يشهد على فيختم على فيه ويقال لفخذه ولحمه وعظامه انطقي فتنطق فخذه ولحمه وعظامه بعمله وذلك ليعذر من نفسه ‏.‏ وذلك المنافق وذلك الذي يسخط الله عليه ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৭৩৩২

وحدثناه أبو سعيد الأشج، حدثنا أبو أسامة، قال سمعت الأعمش، ذكر عن عمارة، بن القعقاع بهذا الإسناد وقال ‏ "‏ كفافا ‏"‏ ‏.‏

‘উমারাহ্ ইবনু কা‘কা‘(রাযিঃ) থেকে এ সূত্র থেকে বর্নিতঃ

অবিকল বর্ণনা করেছেন। তবে এ বর্ণনায় ……………. –এর পরিবর্তে …….. শব্দ বর্ণিত আছে। [১৫] (ই.ফা. ৭১৭৩, ই.সে. ৭২২৬)

‘উমারাহ্ ইবনু কা‘কা‘(রাযিঃ) থেকে এ সূত্র থেকে বর্নিতঃ

অবিকল বর্ণনা করেছেন। তবে এ বর্ণনায় ……………. –এর পরিবর্তে …….. শব্দ বর্ণিত আছে। [১৫] (ই.ফা. ৭১৭৩, ই.সে. ৭২২৬)

وحدثناه أبو سعيد الأشج، حدثنا أبو أسامة، قال سمعت الأعمش، ذكر عن عمارة، بن القعقاع بهذا الإسناد وقال ‏ "‏ كفافا ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৭৩৩০

حدثني زهير بن حرب، حدثنا محمد بن فضيل، عن أبيه، عن عمارة بن القعقاع، عن أبي زرعة، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ اللهم اجعل رزق آل محمد قوتا ‏"‏ ‏.‏

আবূ হুরাইরাহ্ (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ হে আল্লাহ! তুমি মুহাম্মাদের পরিবার-পরিজনকে জীবন ধারণোপযোগী রিজিক দান করো। (ই.ফা. ৭১৭১, ই.সে. ৭২২৪)

আবূ হুরাইরাহ্ (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ হে আল্লাহ! তুমি মুহাম্মাদের পরিবার-পরিজনকে জীবন ধারণোপযোগী রিজিক দান করো। (ই.ফা. ৭১৭১, ই.সে. ৭২২৪)

حدثني زهير بن حرب، حدثنا محمد بن فضيل، عن أبيه، عن عمارة بن القعقاع، عن أبي زرعة، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ اللهم اجعل رزق آل محمد قوتا ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৭৩৩১

وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وعمرو الناقد، وزهير بن حرب، وأبو كريب قالوا حدثنا وكيع، حدثنا الأعمش، عن عمارة بن القعقاع، عن أبي زرعة، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ اللهم اجعل رزق آل محمد قوتا ‏"‏ ‏.‏ وفي رواية عمرو ‏"‏ اللهم ارزق ‏"‏ ‏.‏

আবূ হুরাইরাহ্ (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ হে আল্লাহ! তুমি মুহাম্মাদের পরিবার-পরিজনক প্রয়োজনীয় জীবিকা দান করো। আমরের বর্ণনায় ……… শব্দটি বর্ণিত আছে (অর্থ একই)। (ই.ফা. ৭১৭২, ই.সে. ৭২২৫)

আবূ হুরাইরাহ্ (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ হে আল্লাহ! তুমি মুহাম্মাদের পরিবার-পরিজনক প্রয়োজনীয় জীবিকা দান করো। আমরের বর্ণনায় ……… শব্দটি বর্ণিত আছে (অর্থ একই)। (ই.ফা. ৭১৭২, ই.সে. ৭২২৫)

وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وعمرو الناقد، وزهير بن حرب، وأبو كريب قالوا حدثنا وكيع، حدثنا الأعمش، عن عمارة بن القعقاع، عن أبي زرعة، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ اللهم اجعل رزق آل محمد قوتا ‏"‏ ‏.‏ وفي رواية عمرو ‏"‏ اللهم ارزق ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৭৩৩৪

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وأبو كريب وإسحاق بن إبراهيم قال إسحاق أخبرنا وقال الآخران، حدثنا أبو معاوية، عن الأعمش، عن إبراهيم، عن الأسود، عن عائشة، قالت ما شبع رسول الله صلى الله عليه وسلم ثلاثة أيام تباعا من خبز بر حتى مضى لسبيله ‏.‏

‘আয়িশাহ্ (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একাধারে তিন দিন গমের রুটি পেট ভরে খাননি, এ অবস্থায়ই তিনি পরপারে চলে যান। (ই.ফা. ৭১৭৫, ই.সে. ৭২২৮)

‘আয়িশাহ্ (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একাধারে তিন দিন গমের রুটি পেট ভরে খাননি, এ অবস্থায়ই তিনি পরপারে চলে যান। (ই.ফা. ৭১৭৫, ই.সে. ৭২২৮)

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وأبو كريب وإسحاق بن إبراهيم قال إسحاق أخبرنا وقال الآخران، حدثنا أبو معاوية، عن الأعمش، عن إبراهيم، عن الأسود، عن عائشة، قالت ما شبع رسول الله صلى الله عليه وسلم ثلاثة أيام تباعا من خبز بر حتى مضى لسبيله ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৭৩৩৩

حدثنا زهير بن حرب، وإسحاق بن إبراهيم، قال إسحاق أخبرنا وقال، زهير حدثنا جرير، عن منصور، عن إبراهيم، عن الأسود، عن عائشة، قالت ما شبع آل محمد صلى الله عليه وسلم منذ قدم المدينة من طعام بر ثلاث ليال تباعا حتى قبض ‏.‏

‘আয়িশাহ্ (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মাদীনায় আগমনের পর থেকে তাঁর ইনতিকালের পূর্ব পর্যন্ত পরিবার-পরিজন নিয়ে একাধারে তিন দিন গমের রুটি তৃপ্তির সাথে খাননি। (ই.ফা. ৭১৭৪, ই.সে. ৭২২৭)

‘আয়িশাহ্ (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মাদীনায় আগমনের পর থেকে তাঁর ইনতিকালের পূর্ব পর্যন্ত পরিবার-পরিজন নিয়ে একাধারে তিন দিন গমের রুটি তৃপ্তির সাথে খাননি। (ই.ফা. ৭১৭৪, ই.সে. ৭২২৭)

حدثنا زهير بن حرب، وإسحاق بن إبراهيم، قال إسحاق أخبرنا وقال، زهير حدثنا جرير، عن منصور، عن إبراهيم، عن الأسود، عن عائشة، قالت ما شبع آل محمد صلى الله عليه وسلم منذ قدم المدينة من طعام بر ثلاث ليال تباعا حتى قبض ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৭৩৩৫

حدثنا محمد بن المثنى، ومحمد بن بشار، قالا حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، عن أبي إسحاق، قال سمعت عبد الرحمن بن يزيد، يحدث عن الأسود، عن عائشة، أنها قالت ما شبع آل محمد صلى الله عليه وسلم من خبز شعير يومين متتابعين حتى قبض رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏.‏

‘আয়িশাহ্ (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, দু’দিন একাধারে মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর পরিবার-পরিজন যবের রুটি কক্ষনো পেট ভর্তি করে খাননি। এ অবস্থায়ই রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর ওফাত হয়ে যায়। (ই.ফা. ৭১৭৬, ই.সে. ৭২২৯)

‘আয়িশাহ্ (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, দু’দিন একাধারে মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর পরিবার-পরিজন যবের রুটি কক্ষনো পেট ভর্তি করে খাননি। এ অবস্থায়ই রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর ওফাত হয়ে যায়। (ই.ফা. ৭১৭৬, ই.সে. ৭২২৯)

حدثنا محمد بن المثنى، ومحمد بن بشار، قالا حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، عن أبي إسحاق، قال سمعت عبد الرحمن بن يزيد، يحدث عن الأسود، عن عائشة، أنها قالت ما شبع آل محمد صلى الله عليه وسلم من خبز شعير يومين متتابعين حتى قبض رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৭৩৩৬

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا وكيع، عن سفيان، عن عبد الرحمن بن عابس، عن أبيه، عن عائشة، قالت ما شبع آل محمد صلى الله عليه وسلم من خبز بر فوق ثلاث ‏.‏

‘আয়িশাহ্ (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এরে পরিবার-পরিজন তিন দিনের বেশি গমের রুটি কক্ষনো পেট ভর্তি খাদ্য গ্রহণ করেননি। (ই.ফা. ৭১৭৭, ই.সে. ৭২৩০)

‘আয়িশাহ্ (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এরে পরিবার-পরিজন তিন দিনের বেশি গমের রুটি কক্ষনো পেট ভর্তি খাদ্য গ্রহণ করেননি। (ই.ফা. ৭১৭৭, ই.সে. ৭২৩০)

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا وكيع، عن سفيان، عن عبد الرحمن بن عابس، عن أبيه، عن عائشة، قالت ما شبع آل محمد صلى الله عليه وسلم من خبز بر فوق ثلاث ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৭৩৩৭

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا حفص بن غياث، عن هشام بن عروة، عن أبيه، قال قالت عائشة ما شبع آل محمد صلى الله عليه وسلم من خبز البر ثلاثا حتى مضى لسبيله ‏.‏

‘আয়িশাহ্ (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, তিন দিন একাধারে মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর পরিবার গমের রুটি পূর্ণতৃপ্ত সহকারে ভক্ষণ করেননি। এ অবস্থায়ই তিনি পরপারে চলে যান। (ই.ফা. ৭১৭৮, ই.সে. ৭২৩১)

‘আয়িশাহ্ (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, তিন দিন একাধারে মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর পরিবার গমের রুটি পূর্ণতৃপ্ত সহকারে ভক্ষণ করেননি। এ অবস্থায়ই তিনি পরপারে চলে যান। (ই.ফা. ৭১৭৮, ই.সে. ৭২৩১)

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا حفص بن غياث، عن هشام بن عروة، عن أبيه، قال قالت عائشة ما شبع آل محمد صلى الله عليه وسلم من خبز البر ثلاثا حتى مضى لسبيله ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৭৩৩৮

حدثنا أبو كريب، حدثنا وكيع، عن مسعر، عن هلال بن حميد، عن عروة، عن عائشة، قالت ما شبع آل محمد صلى الله عليه وسلم يومين من خبز بر إلا وأحدهما تمر ‏.‏

‘আয়িশাহ্ (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর পরিবার-পরিজন দু’ দিন পূর্ণতৃপ্ত হয়ে গমের রুটি খাননি। দু’দিনের একদিন তিনি খুরমা খেয়েই অতিবাহিত করতেন। (ই.ফা. ৭১৭৯, ই.সে. ৭২৩২)

‘আয়িশাহ্ (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর পরিবার-পরিজন দু’ দিন পূর্ণতৃপ্ত হয়ে গমের রুটি খাননি। দু’দিনের একদিন তিনি খুরমা খেয়েই অতিবাহিত করতেন। (ই.ফা. ৭১৭৯, ই.সে. ৭২৩২)

حدثنا أبو كريب، حدثنا وكيع، عن مسعر، عن هلال بن حميد، عن عروة، عن عائشة، قالت ما شبع آل محمد صلى الله عليه وسلم يومين من خبز بر إلا وأحدهما تمر ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৭৩৩৯

حدثنا عمرو الناقد، حدثنا عبدة بن سليمان، قال ويحيى بن يمان حدثنا عن هشام بن عروة، عن أبيه، عن عائشة، قالت إن كنا آل محمد صلى الله عليه وسلم لنمكث شهرا ما نستوقد بنار إن هو إلا التمر والماء ‏.‏

‘আয়িশাহ্ (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমরা মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর পরিবার মাসের পর মাস এমনভাবে অতিবাহিত করতাম যে, আমরা (রান্না করার জন্য) আগুনও প্রজ্জ্বলন করতাম না। আমরা শুধু খেজুর ও পানি খেয়েই দিনাতিপাত করতাম। (ই.ফা. ৭১৮০, ই.সে. ৭২৩৩)

‘আয়িশাহ্ (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমরা মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর পরিবার মাসের পর মাস এমনভাবে অতিবাহিত করতাম যে, আমরা (রান্না করার জন্য) আগুনও প্রজ্জ্বলন করতাম না। আমরা শুধু খেজুর ও পানি খেয়েই দিনাতিপাত করতাম। (ই.ফা. ৭১৮০, ই.সে. ৭২৩৩)

حدثنا عمرو الناقد، حدثنا عبدة بن سليمان، قال ويحيى بن يمان حدثنا عن هشام بن عروة، عن أبيه، عن عائشة، قالت إن كنا آل محمد صلى الله عليه وسلم لنمكث شهرا ما نستوقد بنار إن هو إلا التمر والماء ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৭৩৪০

وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وأبو كريب قالا حدثنا أبو أسامة، وابن، نمير عن هشام بن عروة، بهذا الإسناد إن كنا لنمكث ‏.‏ ولم يذكر آل محمد ‏.‏ وزاد أبو كريب في حديثه عن ابن نمير إلا أن يأتينا اللحيم ‏.‏

হিশাম ইবনু ‘উরওয়াহ্ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

এ সূত্রে অবিকল বর্ণনা করেছেন। এতে রয়েছে যে, …… কিন্তু ……….. কথাটির উল্লেখ নেই। আবূ কুরায়ব-এর বর্ণনায় বর্ধিত রয়েছে এই যে, ‘হ্যাঁ, যখন গোশ্ত আসত তখন আগুন জ্বালানো হত।’ (ই.ফা. ৭১৮১, ই.সে. ৭২৩৪)

হিশাম ইবনু ‘উরওয়াহ্ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

এ সূত্রে অবিকল বর্ণনা করেছেন। এতে রয়েছে যে, …… কিন্তু ……….. কথাটির উল্লেখ নেই। আবূ কুরায়ব-এর বর্ণনায় বর্ধিত রয়েছে এই যে, ‘হ্যাঁ, যখন গোশ্ত আসত তখন আগুন জ্বালানো হত।’ (ই.ফা. ৭১৮১, ই.সে. ৭২৩৪)

وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وأبو كريب قالا حدثنا أبو أسامة، وابن، نمير عن هشام بن عروة، بهذا الإسناد إن كنا لنمكث ‏.‏ ولم يذكر آل محمد ‏.‏ وزاد أبو كريب في حديثه عن ابن نمير إلا أن يأتينا اللحيم ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৭৩৪১

حدثنا أبو كريب، محمد بن العلاء بن كريب حدثنا أبو أسامة، عن هشام، عن أبيه، عن عائشة، قالت توفي رسول الله صلى الله عليه وسلم وما في رفي من شىء يأكله ذو كبد إلا شطر شعير في رف لي فأكلت منه حتى طال على فكلته ففني ‏.‏

‘আয়িশাহ্ (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, যখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইন্তিকাল করেন, তখন আমার পাত্রে অল্প পরিমাণ যব ছিল। আমি তা থেকেই খেতাম। এভাবে অনেক দিন অতিবাহিত হলো। পরিশেষে আমি তা পরিমাপ করলাম, অতঃপর সেটা শেষ হয়ে গেল। (ই.ফা. ৭১৮২, ই.সে. ৭২৩৫)

‘আয়িশাহ্ (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, যখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইন্তিকাল করেন, তখন আমার পাত্রে অল্প পরিমাণ যব ছিল। আমি তা থেকেই খেতাম। এভাবে অনেক দিন অতিবাহিত হলো। পরিশেষে আমি তা পরিমাপ করলাম, অতঃপর সেটা শেষ হয়ে গেল। (ই.ফা. ৭১৮২, ই.সে. ৭২৩৫)

حدثنا أبو كريب، محمد بن العلاء بن كريب حدثنا أبو أسامة، عن هشام، عن أبيه، عن عائشة، قالت توفي رسول الله صلى الله عليه وسلم وما في رفي من شىء يأكله ذو كبد إلا شطر شعير في رف لي فأكلت منه حتى طال على فكلته ففني ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৭৩৪২

حدثنا يحيى بن يحيى، حدثنا عبد العزيز بن أبي حازم، عن أبيه، عن يزيد بن، رومان عن عروة، عن عائشة، أنها كانت تقول والله يا ابن أختي إن كنا لننظر إلى الهلال ثم الهلال ثم الهلال ثلاثة أهلة في شهرين وما أوقد في أبيات رسول الله صلى الله عليه وسلم نار - قال - قلت يا خالة فما كان يعيشكم قالت الأسودان التمر والماء إلا أنه قد كان لرسول الله صلى الله عليه وسلم جيران من الأنصار وكانت لهم منائح فكانوا يرسلون إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم من ألبانها فيسقيناه ‏.‏

‘আয়িশাহ্ (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, হে আমার বোনের ছেলে! আমরা নতুন চন্দ্র দেখতাম তারপর আবার নতুন চন্দ্র দেখতাম। আবারও নতুন চন্দ্র দেখতাম। অর্থাৎ- দু’মাসে তিনটি নতুন চন্দ্র দেখতাম। অথচ রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর ঘরে আগুন জ্বলত না। তিনি বলেন, আমি জিজ্ঞেস করলাম, হে খালা! আপনারা কিভাবে দিনাতিপাত করতেন? তিনি বললেন, দু’টো কালো বস্তু দ্বারা- তা হচ্ছে খুরমা ও পানি। তবে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কতিপয় আনসারী প্রতিবেশী ছিল। তাদের ছিল দুগ্ধবতী উটনী ও বকরী- তারা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর জন্য সেগুলো দোহন করে এর দুধ তাঁর কাছে প্রেরণ করতেন এবং তিনি আমাদেরকে তাই পান করতেন। (ই.ফা. ৭১৮৩, ই.সে. ৭২৩৬)

‘আয়িশাহ্ (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, হে আমার বোনের ছেলে! আমরা নতুন চন্দ্র দেখতাম তারপর আবার নতুন চন্দ্র দেখতাম। আবারও নতুন চন্দ্র দেখতাম। অর্থাৎ- দু’মাসে তিনটি নতুন চন্দ্র দেখতাম। অথচ রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর ঘরে আগুন জ্বলত না। তিনি বলেন, আমি জিজ্ঞেস করলাম, হে খালা! আপনারা কিভাবে দিনাতিপাত করতেন? তিনি বললেন, দু’টো কালো বস্তু দ্বারা- তা হচ্ছে খুরমা ও পানি। তবে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কতিপয় আনসারী প্রতিবেশী ছিল। তাদের ছিল দুগ্ধবতী উটনী ও বকরী- তারা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর জন্য সেগুলো দোহন করে এর দুধ তাঁর কাছে প্রেরণ করতেন এবং তিনি আমাদেরকে তাই পান করতেন। (ই.ফা. ৭১৮৩, ই.সে. ৭২৩৬)

حدثنا يحيى بن يحيى، حدثنا عبد العزيز بن أبي حازم، عن أبيه، عن يزيد بن، رومان عن عروة، عن عائشة، أنها كانت تقول والله يا ابن أختي إن كنا لننظر إلى الهلال ثم الهلال ثم الهلال ثلاثة أهلة في شهرين وما أوقد في أبيات رسول الله صلى الله عليه وسلم نار - قال - قلت يا خالة فما كان يعيشكم قالت الأسودان التمر والماء إلا أنه قد كان لرسول الله صلى الله عليه وسلم جيران من الأنصار وكانت لهم منائح فكانوا يرسلون إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم من ألبانها فيسقيناه ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৭৩৪৩

حدثني أبو الطاهر، أحمد أخبرنا عبد الله بن وهب، أخبرني أبو صخر، عن يزيد، بن عبد الله بن قسيط ح وحدثني هارون بن سعيد، حدثنا ابن وهب، أخبرني أبو صخر، عن ابن قسيط، عن عروة بن الزبير، عن عائشة، زوج النبي صلى الله عليه وسلم قالت لقد مات رسول الله صلى الله عليه وسلم وما شبع من خبز وزيت في يوم واحد مرتين ‏.‏

নাবী (সাঃ)-এর স্ত্রী ‘আয়িশাহ্ (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইন্তিকাল করেছেন অথচ দু’বেলা তিনি রুটি ও যাইতুন দ্বারা কক্ষনো পূর্ণতৃপ্ত হননি। (ই.ফা. ৭১৮৪, ই.সে. ৭২৩৭)

নাবী (সাঃ)-এর স্ত্রী ‘আয়িশাহ্ (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইন্তিকাল করেছেন অথচ দু’বেলা তিনি রুটি ও যাইতুন দ্বারা কক্ষনো পূর্ণতৃপ্ত হননি। (ই.ফা. ৭১৮৪, ই.সে. ৭২৩৭)

حدثني أبو الطاهر، أحمد أخبرنا عبد الله بن وهب، أخبرني أبو صخر، عن يزيد، بن عبد الله بن قسيط ح وحدثني هارون بن سعيد، حدثنا ابن وهب، أخبرني أبو صخر، عن ابن قسيط، عن عروة بن الزبير، عن عائشة، زوج النبي صلى الله عليه وسلم قالت لقد مات رسول الله صلى الله عليه وسلم وما شبع من خبز وزيت في يوم واحد مرتين ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৭৩৪৪

حدثنا يحيى بن يحيى، أخبرنا داود بن عبد الرحمن المكي العطار، عن منصور، عن أمه، عن عائشة، ح وحدثنا سعيد بن منصور، حدثنا داود بن عبد الرحمن العطار، حدثني منصور، بن عبد الرحمن الحجبي عن أمه، صفية عن عائشة، قالت توفي رسول الله صلى الله عليه وسلم حين شبع الناس من الأسودين التمر والماء ‏.‏

‘আয়িশাহ্‌ (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইন্তিকাল করেছেন, যখন লোকেরা দু’টি কালো বস্তু তথা খেজুর ও পানি খেয়ে পূর্ণতৃপ্ত হতো। (ই.ফা. ৭১৮৫, ই.সে. ৭২৩৮)

‘আয়িশাহ্‌ (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইন্তিকাল করেছেন, যখন লোকেরা দু’টি কালো বস্তু তথা খেজুর ও পানি খেয়ে পূর্ণতৃপ্ত হতো। (ই.ফা. ৭১৮৫, ই.সে. ৭২৩৮)

حدثنا يحيى بن يحيى، أخبرنا داود بن عبد الرحمن المكي العطار، عن منصور، عن أمه، عن عائشة، ح وحدثنا سعيد بن منصور، حدثنا داود بن عبد الرحمن العطار، حدثني منصور، بن عبد الرحمن الحجبي عن أمه، صفية عن عائشة، قالت توفي رسول الله صلى الله عليه وسلم حين شبع الناس من الأسودين التمر والماء ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৭৩৪৫

حدثني محمد بن المثنى، حدثنا عبد الرحمن، عن سفيان، عن منصور بن صفية، عن أمه، عن عائشة، قالت توفي رسول الله صلى الله عليه وسلم وقد شبعنا من الأسودين الماء والتمر ‏.‏

‘আয়িশাহ্ (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, এমন সময় রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর ওফাত হয়েছে, যখন আমরা দু’টি কালো জিনিস তথা পানি ও খেজুর খেয়ে পূর্ণতৃপ্ত হতাম। (ই.ফা. ৭১৮৬, ই.সে. ৭২৩৯)

‘আয়িশাহ্ (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, এমন সময় রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর ওফাত হয়েছে, যখন আমরা দু’টি কালো জিনিস তথা পানি ও খেজুর খেয়ে পূর্ণতৃপ্ত হতাম। (ই.ফা. ৭১৮৬, ই.সে. ৭২৩৯)

حدثني محمد بن المثنى، حدثنا عبد الرحمن، عن سفيان، عن منصور بن صفية، عن أمه، عن عائشة، قالت توفي رسول الله صلى الله عليه وسلم وقد شبعنا من الأسودين الماء والتمر ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৭৩৪৬

وحدثنا أبو كريب، حدثنا الأشجعي، ح وحدثنا نصر بن علي، حدثنا أبو أحمد، كلاهما عن سفيان، بهذا الإسناد غير أن في، حديثهما عن سفيان وما شبعنا من الأسودين ‏.‏

সুফ্ইয়ান (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

অবিকল বর্ণনা করেছেন। তবে এখানে শুধু ………………………….. ‘অথচ আমরা দু’টি কালো জিনিস (পানি ও খেজুর) দ্বারা পরিতৃপ্ত হয়নি’ এ কথাটিই বর্ণিত আছে। অর্থাৎ আমরা তৃপ্ত সহকারের খেজুর ও পানিও পেতাম না। (ই.ফা. ৭১৮৭, ই.সে. ৭২৪০)

সুফ্ইয়ান (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

অবিকল বর্ণনা করেছেন। তবে এখানে শুধু ………………………….. ‘অথচ আমরা দু’টি কালো জিনিস (পানি ও খেজুর) দ্বারা পরিতৃপ্ত হয়নি’ এ কথাটিই বর্ণিত আছে। অর্থাৎ আমরা তৃপ্ত সহকারের খেজুর ও পানিও পেতাম না। (ই.ফা. ৭১৮৭, ই.সে. ৭২৪০)

وحدثنا أبو كريب، حدثنا الأشجعي، ح وحدثنا نصر بن علي، حدثنا أبو أحمد، كلاهما عن سفيان، بهذا الإسناد غير أن في، حديثهما عن سفيان وما شبعنا من الأسودين ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৭৩৪৭

حدثنا محمد بن عباد، وابن أبي عمر، قالا حدثنا مروان، - يعنيان الفزاري - عن يزيد، - وهو ابن كيسان - عن أبي حازم، عن أبي هريرة، قال والذي نفسي بيده - وقال ابن عباد والذي نفس أبي هريرة بيده - ما أشبع رسول الله صلى الله عليه وسلم أهله ثلاثة أيام تباعا من خبز حنطة حتى فارق الدنيا ‏.‏

আবূ হুরাইরাহ্ (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, ঐ সত্তার শপথ, যাঁর হাতে আমার জীবন! বর্ণনাকারী ইবনু ‘আব্বাদ (রহঃ) বলেন, আবূ হুরায়রা্ (রাঃ) বলেছেন, ঐ সত্তার শপথ! যাঁর হাতে আবূ হুরাইরার জীবন। একাধারে তিন দিন গমের রুটি দিয়ে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তার পরিবার-পরিজনকে পূর্ণতৃপ্ত আহার করাতে পারেননি। এ অবস্থায়ই তিনি দুনিয়া ত্যাগ করেছেন। (ই.ফা. ৭১৮৮, ই.সে. ৭২৪১)

আবূ হুরাইরাহ্ (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, ঐ সত্তার শপথ, যাঁর হাতে আমার জীবন! বর্ণনাকারী ইবনু ‘আব্বাদ (রহঃ) বলেন, আবূ হুরায়রা্ (রাঃ) বলেছেন, ঐ সত্তার শপথ! যাঁর হাতে আবূ হুরাইরার জীবন। একাধারে তিন দিন গমের রুটি দিয়ে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তার পরিবার-পরিজনকে পূর্ণতৃপ্ত আহার করাতে পারেননি। এ অবস্থায়ই তিনি দুনিয়া ত্যাগ করেছেন। (ই.ফা. ৭১৮৮, ই.সে. ৭২৪১)

حدثنا محمد بن عباد، وابن أبي عمر، قالا حدثنا مروان، - يعنيان الفزاري - عن يزيد، - وهو ابن كيسان - عن أبي حازم، عن أبي هريرة، قال والذي نفسي بيده - وقال ابن عباد والذي نفس أبي هريرة بيده - ما أشبع رسول الله صلى الله عليه وسلم أهله ثلاثة أيام تباعا من خبز حنطة حتى فارق الدنيا ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৭৩৪৮

حدثني محمد بن حاتم، حدثنا يحيى بن سعيد، عن يزيد بن كيسان، حدثني أبو حازم قال رأيت أبا هريرة يشير بإصبعه مرارا يقول والذي نفس أبي هريرة بيده ما شبع نبي الله صلى الله عليه وسلم وأهله ثلاثة أيام تباعا من خبز حنطة حتى فارق الدنيا ‏.‏

আবূ হাযিম (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি আবূ হুরায়রা্ (রাঃ)-কে স্বীয় আঙ্গুল দ্বারা কয়েকবার ইঙ্গিত করতঃ এ কথা বলতে শুনেছি যে, ঐ সত্তার শপথ! যাঁর হাতে আবূ হুরাইরার জীবন, একাধারে তিন দিন পর্যন্ত আল্লাহর নবী ও তাঁর পরিবার গমের রুটি দিয়ে কক্ষনো পরিতৃপ্ত হননি। এমতাবস্থায় তিনি দুনিয়া থেকে বিদায় গ্রহণ করেছেন। (ই.ফা. ৭১৮৯, ই.সে. ৭২৪২)

আবূ হাযিম (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি আবূ হুরায়রা্ (রাঃ)-কে স্বীয় আঙ্গুল দ্বারা কয়েকবার ইঙ্গিত করতঃ এ কথা বলতে শুনেছি যে, ঐ সত্তার শপথ! যাঁর হাতে আবূ হুরাইরার জীবন, একাধারে তিন দিন পর্যন্ত আল্লাহর নবী ও তাঁর পরিবার গমের রুটি দিয়ে কক্ষনো পরিতৃপ্ত হননি। এমতাবস্থায় তিনি দুনিয়া থেকে বিদায় গ্রহণ করেছেন। (ই.ফা. ৭১৮৯, ই.সে. ৭২৪২)

حدثني محمد بن حاتم، حدثنا يحيى بن سعيد، عن يزيد بن كيسان، حدثني أبو حازم قال رأيت أبا هريرة يشير بإصبعه مرارا يقول والذي نفس أبي هريرة بيده ما شبع نبي الله صلى الله عليه وسلم وأهله ثلاثة أيام تباعا من خبز حنطة حتى فارق الدنيا ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৭৩৪৯

حدثنا قتيبة بن سعيد، وأبو بكر بن أبي شيبة قالا حدثنا أبو الأحوص، عن سماك، قال سمعت النعمان بن بشير، يقول ألستم في طعام وشراب ما شئتم لقد رأيت نبيكم صلى الله عليه وسلم وما يجد من الدقل ما يملأ به بطنه ‏.‏ وقتيبة لم يذكر به ‏.‏

নু‘মান ইবনু বাশীর (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, তোমরা কি চাহিদা মতো পর্যাপ্ত খাদ্য ও পানীয় পাচ্ছ না? অথচ আমি তোমাদের নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- কে দেখেছি যে, তিনি ক্ষুধা নিবারণের জন্য নিম্নমানের খুরমাও পাননি। বর্ণনাকারী কুতাইবাহ্ অন্য বর্ণনায় ……. (নিম্নমানের খুরমা) শব্দটি উল্লেখ করেননি। (ই.ফা. ৭১৯০, ই.সে. ৭২৪৩)

নু‘মান ইবনু বাশীর (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, তোমরা কি চাহিদা মতো পর্যাপ্ত খাদ্য ও পানীয় পাচ্ছ না? অথচ আমি তোমাদের নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- কে দেখেছি যে, তিনি ক্ষুধা নিবারণের জন্য নিম্নমানের খুরমাও পাননি। বর্ণনাকারী কুতাইবাহ্ অন্য বর্ণনায় ……. (নিম্নমানের খুরমা) শব্দটি উল্লেখ করেননি। (ই.ফা. ৭১৯০, ই.সে. ৭২৪৩)

حدثنا قتيبة بن سعيد، وأبو بكر بن أبي شيبة قالا حدثنا أبو الأحوص، عن سماك، قال سمعت النعمان بن بشير، يقول ألستم في طعام وشراب ما شئتم لقد رأيت نبيكم صلى الله عليه وسلم وما يجد من الدقل ما يملأ به بطنه ‏.‏ وقتيبة لم يذكر به ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৭৩৫০

حدثنا محمد بن رافع، حدثنا يحيى بن آدم، حدثنا زهير، ح وحدثنا إسحاق، بن إبراهيم أخبرنا الملائي، حدثنا إسرائيل، كلاهما عن سماك، بهذا الإسناد ‏.‏ نحوه وزاد في حديث زهير وما ترضون دون ألوان التمر والزبد ‏.‏

সিমাক (রহঃ) হতে এ সূত্র থেকে বর্নিতঃ

অবিকল বর্ণনা করেছেন। তবে সিমাক (রহঃ) যুহায়র-এর হাদীসের মধ্যে এ কথাটি বর্ধিত বর্ণনা করেছেনে যে, অথচ বর্তমানে তোমরা খুরমা ও মাখনের বিভিন্ন প্রকার খাদ্য ছাড়া কোন খাদ্য গ্রহণ করো না। (ই.ফা. ৭১৯১, ই.সে. ৭২৪৪)

সিমাক (রহঃ) হতে এ সূত্র থেকে বর্নিতঃ

অবিকল বর্ণনা করেছেন। তবে সিমাক (রহঃ) যুহায়র-এর হাদীসের মধ্যে এ কথাটি বর্ধিত বর্ণনা করেছেনে যে, অথচ বর্তমানে তোমরা খুরমা ও মাখনের বিভিন্ন প্রকার খাদ্য ছাড়া কোন খাদ্য গ্রহণ করো না। (ই.ফা. ৭১৯১, ই.সে. ৭২৪৪)

حدثنا محمد بن رافع، حدثنا يحيى بن آدم، حدثنا زهير، ح وحدثنا إسحاق، بن إبراهيم أخبرنا الملائي، حدثنا إسرائيل، كلاهما عن سماك، بهذا الإسناد ‏.‏ نحوه وزاد في حديث زهير وما ترضون دون ألوان التمر والزبد ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৭৩৫২

حدثني أبو الطاهر، أحمد بن عمرو بن سرح أخبرنا ابن وهب، أخبرني أبو هانئ سمع أبا عبد الرحمن الحبلي، يقول سمعت عبد الله بن عمرو بن العاص، وسأله، رجل فقال ألسنا من فقراء المهاجرين فقال له عبد الله ألك امرأة تأوي إليها قال نعم ‏.‏ قال ألك مسكن تسكنه قال نعم قال فأنت من الأغنياء قال فإن لي خادما قال فأنت من الملوك

.‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আমর ইবনুল ‘আস (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ

এক লোক তাকে জিজ্ঞেস করল যে, আমরা কি মুহাজির ফকীরদের দলভুক্ত নই? এ কথা শুনে ‘আবদুল্লাহ তাকে বললেন, তোমার কি সহধর্মিণী নেই, যার কাছে তুমি গিয়ে থাকো? উত্তরে সে বলল, হ্যাঁ আছে। অতঃপর তিনি বললেন, বসবাস করার জন্য তোমার কি আবাসস্থল নেই? সে বলল, হ্যাঁ আছে। তখন তিনি বললেন, তবে তো তুমি ধনীদের পর্যায়ভুক্ত। তারপর সে বলল, আমার একজন খাদিমও আছে। এ কথা শুনে তিনি বললেন, তাহলে তো তুমি বাদশাহ। (ই.ফা. ৭১৯৩, ই.সে. ৭২৪৬)

.‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আমর ইবনুল ‘আস (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ

এক লোক তাকে জিজ্ঞেস করল যে, আমরা কি মুহাজির ফকীরদের দলভুক্ত নই? এ কথা শুনে ‘আবদুল্লাহ তাকে বললেন, তোমার কি সহধর্মিণী নেই, যার কাছে তুমি গিয়ে থাকো? উত্তরে সে বলল, হ্যাঁ আছে। অতঃপর তিনি বললেন, বসবাস করার জন্য তোমার কি আবাসস্থল নেই? সে বলল, হ্যাঁ আছে। তখন তিনি বললেন, তবে তো তুমি ধনীদের পর্যায়ভুক্ত। তারপর সে বলল, আমার একজন খাদিমও আছে। এ কথা শুনে তিনি বললেন, তাহলে তো তুমি বাদশাহ। (ই.ফা. ৭১৯৩, ই.সে. ৭২৪৬)

حدثني أبو الطاهر، أحمد بن عمرو بن سرح أخبرنا ابن وهب، أخبرني أبو هانئ سمع أبا عبد الرحمن الحبلي، يقول سمعت عبد الله بن عمرو بن العاص، وسأله، رجل فقال ألسنا من فقراء المهاجرين فقال له عبد الله ألك امرأة تأوي إليها قال نعم ‏.‏ قال ألك مسكن تسكنه قال نعم قال فأنت من الأغنياء قال فإن لي خادما قال فأنت من الملوك


সহিহ মুসলিম ৭৩৫১

وحدثنا محمد بن المثنى، وابن، بشار - واللفظ لابن المثنى - قالا حدثنا محمد، بن جعفر حدثنا شعبة، عن سماك بن حرب، قال سمعت النعمان، يخطب قال ذكر عمر ما أصاب الناس من الدنيا فقال لقد رأيت رسول الله صلى الله عليه وسلم يظل اليوم يلتوي ما يجد دقلا يملأ به بطنه ‏.‏

সিমাক ইবনু হারব (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নু‘মান (রহঃ)-কে বক্তৃতারত অবস্থায় আমি এ কথা বলতে শুনলাম যে, ‘উমার (রাঃ) বলেছেন, মানুষ কি পরিমাণ দুনিয়া অর্জন করেছে। অথচ রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে আমি দেখেছি যে, তিনি ক্ষুধার তাড়নায় সারা দিন অস্থির থাকতেন। ক্ষুধা নিবারণের জন্য নিম্নমানের খেজুরও তিনি পেতেন না। (যার মাধ্যমে পেটপূর্ণ করবেন)। (ই.ফা. ৭১৯২, ই.সে. ৭২৪৫)

সিমাক ইবনু হারব (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নু‘মান (রহঃ)-কে বক্তৃতারত অবস্থায় আমি এ কথা বলতে শুনলাম যে, ‘উমার (রাঃ) বলেছেন, মানুষ কি পরিমাণ দুনিয়া অর্জন করেছে। অথচ রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে আমি দেখেছি যে, তিনি ক্ষুধার তাড়নায় সারা দিন অস্থির থাকতেন। ক্ষুধা নিবারণের জন্য নিম্নমানের খেজুরও তিনি পেতেন না। (যার মাধ্যমে পেটপূর্ণ করবেন)। (ই.ফা. ৭১৯২, ই.সে. ৭২৪৫)

وحدثنا محمد بن المثنى، وابن، بشار - واللفظ لابن المثنى - قالا حدثنا محمد، بن جعفر حدثنا شعبة، عن سماك بن حرب، قال سمعت النعمان، يخطب قال ذكر عمر ما أصاب الناس من الدنيا فقال لقد رأيت رسول الله صلى الله عليه وسلم يظل اليوم يلتوي ما يجد دقلا يملأ به بطنه ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৭৩৫৩

قال أبو عبد الرحمن وجاء ثلاثة نفر إلى عبد الله بن عمرو بن العاص وأنا عنده فقالوا يا أبا محمد إنا والله ما نقدر على شىء لا نفقة ولا دابة ولا متاع ‏.‏ فقال لهم ما شئتم إن شئتم رجعتم إلينا فأعطيناكم ما يسر الله لكم وإن شئتم ذكرنا أمركم للسلطان وإن شئتم صبرتم فإني سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول ‏ "‏ إن فقراء المهاجرين يسبقون الأغنياء يوم القيامة إلى الجنة بأربعين خريفا ‏"‏ ‏.‏ قالوا فإنا نصبر لا نسأل شيئا ‏.‏

আবূ ‘আবদুর রহমান থেকে বর্নিতঃ

একদিন তিন লোক ‘আবদুল্লহ ইবনু ‘আম্‌র ইবনুল ‘আস (রাঃ)-এর কাছে আসলেন। তখন আমি তার কাছে বসা ছিলাম। তারা এসে বলল, হে আবূ মুহাম্মাদ! আমাদের কোন কিছুই নেই, আমাদের পরিবারের ভরণ-পোষণের কোন ব্যবস্থা নেই, সওয়ারীও নেই, কোন আসবাবপত্রও নেই। তারপর তিনি তাদেরকে বললেন, তোমরা যা চাও আমি তাই করব। তোমরা যদি ইচ্ছা কর আমার কাছে চলে এসো। আল্লাহ তোমাদের ভাগ্যলিপিতে যা রেখেছেন আমি তোমাদেরকে তা প্রদান করব। তোমরা চাইলে বাদশাহে্র নিকট আমি তোমাদের আলোচনা করব। আর তোমাদের মনে চাইলে তোমরা সবর করো। আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে এ কথা বলতে শুনেছি যে, কিয়ামাতের দিন দরিদ্র মুহাজির ব্যক্তিগত বিত্তবানদের চেয়ে চল্লিশ বছর আগেই জান্নাতে পৌঁছে যাবে। এ কথা শুনে তারা বললেন, আমরা ধৈর্য অবলম্বন করব, কারো কাছে কিছুই চাইব না। (ই.ফা. ৭১৯৩, ই.সে. ৭২৪৬)

আবূ ‘আবদুর রহমান থেকে বর্নিতঃ

একদিন তিন লোক ‘আবদুল্লহ ইবনু ‘আম্‌র ইবনুল ‘আস (রাঃ)-এর কাছে আসলেন। তখন আমি তার কাছে বসা ছিলাম। তারা এসে বলল, হে আবূ মুহাম্মাদ! আমাদের কোন কিছুই নেই, আমাদের পরিবারের ভরণ-পোষণের কোন ব্যবস্থা নেই, সওয়ারীও নেই, কোন আসবাবপত্রও নেই। তারপর তিনি তাদেরকে বললেন, তোমরা যা চাও আমি তাই করব। তোমরা যদি ইচ্ছা কর আমার কাছে চলে এসো। আল্লাহ তোমাদের ভাগ্যলিপিতে যা রেখেছেন আমি তোমাদেরকে তা প্রদান করব। তোমরা চাইলে বাদশাহে্র নিকট আমি তোমাদের আলোচনা করব। আর তোমাদের মনে চাইলে তোমরা সবর করো। আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে এ কথা বলতে শুনেছি যে, কিয়ামাতের দিন দরিদ্র মুহাজির ব্যক্তিগত বিত্তবানদের চেয়ে চল্লিশ বছর আগেই জান্নাতে পৌঁছে যাবে। এ কথা শুনে তারা বললেন, আমরা ধৈর্য অবলম্বন করব, কারো কাছে কিছুই চাইব না। (ই.ফা. ৭১৯৩, ই.সে. ৭২৪৬)

قال أبو عبد الرحمن وجاء ثلاثة نفر إلى عبد الله بن عمرو بن العاص وأنا عنده فقالوا يا أبا محمد إنا والله ما نقدر على شىء لا نفقة ولا دابة ولا متاع ‏.‏ فقال لهم ما شئتم إن شئتم رجعتم إلينا فأعطيناكم ما يسر الله لكم وإن شئتم ذكرنا أمركم للسلطان وإن شئتم صبرتم فإني سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول ‏ "‏ إن فقراء المهاجرين يسبقون الأغنياء يوم القيامة إلى الجنة بأربعين خريفا ‏"‏ ‏.‏ قالوا فإنا نصبر لا نسأل شيئا ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৭৩৫৭

وحدثنا إسحاق بن موسى الأنصاري، حدثنا أنس بن عياض، حدثني عبيد الله، بهذا الإسناد ‏.‏ مثله غير أنه قال فاستقوا من بئارها واعتجنوا به ‏.‏

‘উবাইদুল্লাহ (রহঃ) হতে এ সূত্র থেকে বর্নিতঃ

অবিকল হাদীস বর্ণনা করেছেন। তবে এতে …………………….. এর পরিবর্তে …………………. কথাটি বর্ণিত রয়েছে। (ই.ফা. ৭১৯৭, ই.সে. ৭২৫০)

‘উবাইদুল্লাহ (রহঃ) হতে এ সূত্র থেকে বর্নিতঃ

অবিকল হাদীস বর্ণনা করেছেন। তবে এতে …………………….. এর পরিবর্তে …………………. কথাটি বর্ণিত রয়েছে। (ই.ফা. ৭১৯৭, ই.সে. ৭২৫০)

وحدثنا إسحاق بن موسى الأنصاري، حدثنا أنس بن عياض، حدثني عبيد الله، بهذا الإسناد ‏.‏ مثله غير أنه قال فاستقوا من بئارها واعتجنوا به ‏.‏


সহিহ মুসলিম > বিধবা, মিস্কীন ও ইয়াতীমের প্রতি অনুগ্রহ করার মাহাত্ম্য

সহিহ মুসলিম ৭৩৫৯

حدثني زهير بن حرب، حدثنا إسحاق بن عيسى، حدثنا مالك، عن ثور بن زيد، الديلي قال سمعت أبا الغيث، يحدث عن أبي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ كافل اليتيم له أو لغيره أنا وهو كهاتين في الجنة ‏"‏ ‏.‏ وأشار مالك بالسبابة والوسطى ‏.‏

আবূ হুরাইরাহ্ (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আত্মীয় বা অনাত্মীয় ইয়াতীমের রক্ষণাবেক্ষণকারী ও আমি জান্নাতে এ দু’ আঙ্গলের ন্যায় কাছাকাছি থাকব। বর্ণনাকারী মালিক (রহঃ) হাদীস বর্ণনার সময় শাহাদাত ও মধ্যমা অঙ্গুলির দ্বারা ইঙ্গিত করে দেখালেন। (ই.ফা. ৭১৯৯, ই.সে. ৭২৫২)

আবূ হুরাইরাহ্ (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আত্মীয় বা অনাত্মীয় ইয়াতীমের রক্ষণাবেক্ষণকারী ও আমি জান্নাতে এ দু’ আঙ্গলের ন্যায় কাছাকাছি থাকব। বর্ণনাকারী মালিক (রহঃ) হাদীস বর্ণনার সময় শাহাদাত ও মধ্যমা অঙ্গুলির দ্বারা ইঙ্গিত করে দেখালেন। (ই.ফা. ৭১৯৯, ই.সে. ৭২৫২)

حدثني زهير بن حرب، حدثنا إسحاق بن عيسى، حدثنا مالك، عن ثور بن زيد، الديلي قال سمعت أبا الغيث، يحدث عن أبي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ كافل اليتيم له أو لغيره أنا وهو كهاتين في الجنة ‏"‏ ‏.‏ وأشار مالك بالسبابة والوسطى ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৭৩৫৮

حدثنا عبد الله بن مسلمة بن قعنب، حدثنا مالك، عن ثور بن زيد، عن أبي الغيث، عن أبي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ الساعي على الأرملة والمسكين كالمجاهد في سبيل الله - وأحسبه قال - وكالقائم لا يفتر وكالصائم لا يفطر ‏"‏ ‏.‏

আবূ হুরাইরাহ্ (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, বিধবা ও মিসকীনের প্রতি অনুগ্রহকারী লোক আল্লাহর রাস্তায় জিহাদকারী লোকের পর্যায়ভুক্ত। বর্ণনাকারী বলেন, আমার মনে হয় তিনি এটাও বলেছেন যে, ঐ লোক অক্লান্ত সলাত আদায়কারী ও অনবরত সিয়াম সাধনাকারী ব্যক্তির পর্যায়ভুক্ত। (ই.ফা. ৭১৯৮, ই.সে. ৭২৫১)

আবূ হুরাইরাহ্ (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, বিধবা ও মিসকীনের প্রতি অনুগ্রহকারী লোক আল্লাহর রাস্তায় জিহাদকারী লোকের পর্যায়ভুক্ত। বর্ণনাকারী বলেন, আমার মনে হয় তিনি এটাও বলেছেন যে, ঐ লোক অক্লান্ত সলাত আদায়কারী ও অনবরত সিয়াম সাধনাকারী ব্যক্তির পর্যায়ভুক্ত। (ই.ফা. ৭১৯৮, ই.সে. ৭২৫১)

حدثنا عبد الله بن مسلمة بن قعنب، حدثنا مالك، عن ثور بن زيد، عن أبي الغيث، عن أبي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ الساعي على الأرملة والمسكين كالمجاهد في سبيل الله - وأحسبه قال - وكالقائم لا يفتر وكالصائم لا يفطر ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম > মাসজিদ নির্মাণের ফাযীলাত

সহিহ মুসলিম ৭৩৬১

حدثنا زهير بن حرب، ومحمد بن المثنى، كلاهما عن الضحاك، - قال ابن المثنى حدثنا الضحاك بن مخلد، - أخبرنا عبد الحميد بن جعفر، حدثني أبي، عن محمود بن لبيد، أن عثمان بن عفان، أراد بناء المسجد فكره الناس ذلك وأحبوا أن يدعه على هيئته فقال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول ‏ "‏ من بنى مسجدا لله بنى الله له في الجنة مثله ‏"‏ ‏.‏

মাহমূদ ইবনু লাবীদ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

‘উসমান ইবনু আফ্ফান (রহঃ) মাসজিদ তৈরির মনস্থ করলে লোকেরা এটাকে পছন্দ করল না। তারা কামনা করছিল যে, তিনি সেটাকে পূর্বাবস্থায় রেখে দেন। তখন তিনি বললেন, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে এ কথা বলতে শুনেছি যে, যে ব্যক্তি আল্লাহর সন্তোষ লাভের উদ্দেশে মাসজিদ তৈরি করবে, আল্লাহ তা‘আলা তার জন্য জান্নাতে অনুরূপ ঘর নির্মাণ করবেন। (ই.ফা. ৭২০১, ই.সে. ৭২৫৪)

মাহমূদ ইবনু লাবীদ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

‘উসমান ইবনু আফ্ফান (রহঃ) মাসজিদ তৈরির মনস্থ করলে লোকেরা এটাকে পছন্দ করল না। তারা কামনা করছিল যে, তিনি সেটাকে পূর্বাবস্থায় রেখে দেন। তখন তিনি বললেন, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে এ কথা বলতে শুনেছি যে, যে ব্যক্তি আল্লাহর সন্তোষ লাভের উদ্দেশে মাসজিদ তৈরি করবে, আল্লাহ তা‘আলা তার জন্য জান্নাতে অনুরূপ ঘর নির্মাণ করবেন। (ই.ফা. ৭২০১, ই.সে. ৭২৫৪)

حدثنا زهير بن حرب، ومحمد بن المثنى، كلاهما عن الضحاك، - قال ابن المثنى حدثنا الضحاك بن مخلد، - أخبرنا عبد الحميد بن جعفر، حدثني أبي، عن محمود بن لبيد، أن عثمان بن عفان، أراد بناء المسجد فكره الناس ذلك وأحبوا أن يدعه على هيئته فقال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول ‏ "‏ من بنى مسجدا لله بنى الله له في الجنة مثله ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৭৩৬০

حدثني هارون بن سعيد الأيلي، وأحمد بن عيسى، قالا حدثنا ابن وهب، أخبرني عمرو، - وهو ابن الحارث - أن بكيرا، حدثه أن عاصم بن عمر بن قتادة حدثه أنه، سمع عبيد الله الخولاني، يذكر أنه سمع عثمان بن عفان، عند قول الناس فيه حين بنى مسجد رسول الله صلى الله عليه وسلم إنكم قد أكثرتم وإني سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول ‏"‏ من بنى مسجدا - قال بكير حسبت أنه قال - يبتغي به وجه الله بنى الله له مثله في الجنة ‏"‏ ‏.‏ وفي رواية هارون ‏"‏ بنى الله له بيتا في الجنة ‏"‏ ‏.‏

‘উবাইদুল্লাহ আল খাওলানী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি ‘উসমান ইবনু ‘আফ্ফান (রাঃ)-কে বলতে শুনেছেন, যখন মাসজিদে নাবাবী নির্মাণের ব্যাপারে লোকজন তার সমালোচনা করছিল; তোমরা আমার উপর মাত্রাতিরিক্ত সীমালঙ্ঘন করছ, অথচ আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি, যে লোক মাসজিদ তৈরি করবে- বুকায়র (রহঃ) বলেন, রাবী ‘আসিম মনে হয় এটাও বলেছেন যে, আল্লাহর সন্তোষ লাভের উদ্দেশে; আল্লাহ তা‘আলা তার জন্য জান্নাতে অনুরূপ ঘর তৈরি করবেন। হারূন-এর বর্ণনায় আছে যে, আল্লাহ তার জন্য জান্নাতে ঘর তৈরি করবেন। (ই.ফা. ৭২০০, ই.সে. ৭২৫৩)

‘উবাইদুল্লাহ আল খাওলানী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি ‘উসমান ইবনু ‘আফ্ফান (রাঃ)-কে বলতে শুনেছেন, যখন মাসজিদে নাবাবী নির্মাণের ব্যাপারে লোকজন তার সমালোচনা করছিল; তোমরা আমার উপর মাত্রাতিরিক্ত সীমালঙ্ঘন করছ, অথচ আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি, যে লোক মাসজিদ তৈরি করবে- বুকায়র (রহঃ) বলেন, রাবী ‘আসিম মনে হয় এটাও বলেছেন যে, আল্লাহর সন্তোষ লাভের উদ্দেশে; আল্লাহ তা‘আলা তার জন্য জান্নাতে অনুরূপ ঘর তৈরি করবেন। হারূন-এর বর্ণনায় আছে যে, আল্লাহ তার জন্য জান্নাতে ঘর তৈরি করবেন। (ই.ফা. ৭২০০, ই.সে. ৭২৫৩)

حدثني هارون بن سعيد الأيلي، وأحمد بن عيسى، قالا حدثنا ابن وهب، أخبرني عمرو، - وهو ابن الحارث - أن بكيرا، حدثه أن عاصم بن عمر بن قتادة حدثه أنه، سمع عبيد الله الخولاني، يذكر أنه سمع عثمان بن عفان، عند قول الناس فيه حين بنى مسجد رسول الله صلى الله عليه وسلم إنكم قد أكثرتم وإني سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول ‏"‏ من بنى مسجدا - قال بكير حسبت أنه قال - يبتغي به وجه الله بنى الله له مثله في الجنة ‏"‏ ‏.‏ وفي رواية هارون ‏"‏ بنى الله له بيتا في الجنة ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৭৩৬২

وحدثناه إسحاق بن إبراهيم الحنظلي، حدثنا أبو بكر الحنفي، وعبد الملك بن، الصباح كلاهما عن عبد الحميد بن جعفر، بهذا الإسناد غير أن في، حديثهما ‏ "‏ بنى الله له بيتا في الجنة ‏"‏ ‏.‏

‘আবদুল হামীদ ইবনু জা‘ফার (রহঃ) হতে এ সূত্র থেকে বর্নিতঃ

অবিকল হাদীস বর্ণনা করেছেন। তবে তাদের হাদীসের মধ্যে আছে যে, মহান আল্লাহ তা‘আলা তার জন্য জান্নাতে একটি ঘর তৈরি করবেন। (ই.ফা. ৭২০২, ই.সে. ৭২৫৫)

‘আবদুল হামীদ ইবনু জা‘ফার (রহঃ) হতে এ সূত্র থেকে বর্নিতঃ

অবিকল হাদীস বর্ণনা করেছেন। তবে তাদের হাদীসের মধ্যে আছে যে, মহান আল্লাহ তা‘আলা তার জন্য জান্নাতে একটি ঘর তৈরি করবেন। (ই.ফা. ৭২০২, ই.সে. ৭২৫৫)

وحدثناه إسحاق بن إبراهيم الحنظلي، حدثنا أبو بكر الحنفي، وعبد الملك بن، الصباح كلاهما عن عبد الحميد بن جعفر، بهذا الإسناد غير أن في، حديثهما ‏ "‏ بنى الله له بيتا في الجنة ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম > মিসকীন লোকদের জন্য খরচ করার গুরুত্ব

সহিহ মুসলিম ৭৩৬৩

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وزهير بن حرب، - واللفظ لأبي بكر - قالا حدثنا يزيد بن هارون، حدثنا عبد العزيز بن أبي سلمة، عن وهب بن كيسان، عن عبيد بن عمير، الليثي عن أبي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ بينا رجل بفلاة من الأرض فسمع صوتا في سحابة اسق حديقة فلان ‏.‏ فتنحى ذلك السحاب فأفرغ ماءه في حرة فإذا شرجة من تلك الشراج قد استوعبت ذلك الماء كله فتتبع الماء فإذا رجل قائم في حديقته يحول الماء بمسحاته فقال له يا عبد الله ما اسمك قال فلان ‏.‏ للاسم الذي سمع في السحابة فقال له يا عبد الله لم تسألني عن اسمي فقال إني سمعت صوتا في السحاب الذي هذا ماؤه يقول اسق حديقة فلان لاسمك فما تصنع فيها قال أما إذا قلت هذا فإني أنظر إلى ما يخرج منها فأتصدق بثلثه وآكل أنا وعيالي ثلثا وأرد فيها ثلثه ‏"‏ ‏.‏

আবূ হুরাইরাহ্ (রাযিঃ)-এর সূত্রে নাবী (সাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একদিন এক লোক কোন এক মরুপ্রান্তরে সফর করছিলেন। এমন সময় অকস্মাৎ মেঘের মধ্যে একটি আওয়াজ শুনতে পেলেন যে, অমুকের বাগানে পানি দাও। সাথে সাথে ঐ মেঘ খণ্ডটি একদিকে সরে যেতে লাগল। এরপর এক প্রস্তরময় ভূমিতে বৃষ্টি বর্ষিত হল। ঐ স্থানের নালাসমূহের একটি নালা ঐ পানিতে সম্পূর্ণরূপে পূর্ণ হয়ে গেল। তখন সে লোকটি পানির অনুগমন করে চলল। চলার পথে সে এক লোককে দাঁড়ানো অবস্থায় দেখতে পেল যিনি কোদাল দিয়ে পানি বাগানে সবদিকে ছড়িয়ে দিচ্ছে। এ দেখে সে তাকে বলল, হে আল্লাহর বান্দা! তোমার নাম কি? সে বলল, আমার নাম অমুক, যা তিনি মেঘখণ্ডের মাঝে শুনতে পেয়েছিলেন। তারপর বাগানের মালিক তাকে জিজ্ঞেস করল, হে আল্লাহর বান্দা! তুমি আমার নাম জানতে চাইলে কেন? উত্তরে সে বলল, যে মেঘের এ পানি, এর মাঝে আমি এ আওয়াজ শুনতে পেয়েছি, তোমার নাম নিয়ে বলছে যে, অমুকের বাগানে পানি দাও। এরপর বলল, তুমি এ বাগানের ব্যাপারে কি করো? মালিক বলল, যেহেতু তুমি জিজ্ঞেস করছ তাই বলছি, প্রথমে আমি এ বাগানের উৎপন্ন ফসলের হিসাব করি। অতঃপর এর এক তৃতীয়াংশ সদাকাহ্ করি, এক তৃতীয়াংশ আমি ও আমার পরিবার-পরিজনের জন্য রাখি এবং এক তৃতীয়াংশ বাগানের উন্নয়নের কাজে খরচ করি। (ই.ফা. ৭২০৩, ই.সে. ৭২৫৬)

আবূ হুরাইরাহ্ (রাযিঃ)-এর সূত্রে নাবী (সাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একদিন এক লোক কোন এক মরুপ্রান্তরে সফর করছিলেন। এমন সময় অকস্মাৎ মেঘের মধ্যে একটি আওয়াজ শুনতে পেলেন যে, অমুকের বাগানে পানি দাও। সাথে সাথে ঐ মেঘ খণ্ডটি একদিকে সরে যেতে লাগল। এরপর এক প্রস্তরময় ভূমিতে বৃষ্টি বর্ষিত হল। ঐ স্থানের নালাসমূহের একটি নালা ঐ পানিতে সম্পূর্ণরূপে পূর্ণ হয়ে গেল। তখন সে লোকটি পানির অনুগমন করে চলল। চলার পথে সে এক লোককে দাঁড়ানো অবস্থায় দেখতে পেল যিনি কোদাল দিয়ে পানি বাগানে সবদিকে ছড়িয়ে দিচ্ছে। এ দেখে সে তাকে বলল, হে আল্লাহর বান্দা! তোমার নাম কি? সে বলল, আমার নাম অমুক, যা তিনি মেঘখণ্ডের মাঝে শুনতে পেয়েছিলেন। তারপর বাগানের মালিক তাকে জিজ্ঞেস করল, হে আল্লাহর বান্দা! তুমি আমার নাম জানতে চাইলে কেন? উত্তরে সে বলল, যে মেঘের এ পানি, এর মাঝে আমি এ আওয়াজ শুনতে পেয়েছি, তোমার নাম নিয়ে বলছে যে, অমুকের বাগানে পানি দাও। এরপর বলল, তুমি এ বাগানের ব্যাপারে কি করো? মালিক বলল, যেহেতু তুমি জিজ্ঞেস করছ তাই বলছি, প্রথমে আমি এ বাগানের উৎপন্ন ফসলের হিসাব করি। অতঃপর এর এক তৃতীয়াংশ সদাকাহ্ করি, এক তৃতীয়াংশ আমি ও আমার পরিবার-পরিজনের জন্য রাখি এবং এক তৃতীয়াংশ বাগানের উন্নয়নের কাজে খরচ করি। (ই.ফা. ৭২০৩, ই.সে. ৭২৫৬)

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وزهير بن حرب، - واللفظ لأبي بكر - قالا حدثنا يزيد بن هارون، حدثنا عبد العزيز بن أبي سلمة، عن وهب بن كيسان، عن عبيد بن عمير، الليثي عن أبي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ بينا رجل بفلاة من الأرض فسمع صوتا في سحابة اسق حديقة فلان ‏.‏ فتنحى ذلك السحاب فأفرغ ماءه في حرة فإذا شرجة من تلك الشراج قد استوعبت ذلك الماء كله فتتبع الماء فإذا رجل قائم في حديقته يحول الماء بمسحاته فقال له يا عبد الله ما اسمك قال فلان ‏.‏ للاسم الذي سمع في السحابة فقال له يا عبد الله لم تسألني عن اسمي فقال إني سمعت صوتا في السحاب الذي هذا ماؤه يقول اسق حديقة فلان لاسمك فما تصنع فيها قال أما إذا قلت هذا فإني أنظر إلى ما يخرج منها فأتصدق بثلثه وآكل أنا وعيالي ثلثا وأرد فيها ثلثه ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৭৩৬৪

وحدثناه أحمد بن عبدة الضبي، أخبرنا أبو داود، حدثنا عبد العزيز بن أبي سلمة، حدثنا وهب بن كيسان، بهذا الإسناد غير أنه قال ‏ "‏ وأجعل ثلثه في المساكين والسائلين وابن السبيل ‏"‏ ‏.‏

ওয়াহ্ব ইবনু কাইসান (রাযিঃ) হতে এ সূত্র থেকে বর্নিতঃ

অবিকল হাদীস বর্ণনা করেছেন। তবে এতে এ কথা উল্লেখ করেছেন যে, অতঃপর সে বলল, এর এক তৃতীয়াংশ আমি মিস্কীন, ভিক্ষুক ও মুসাফিরদের জন্য খরচ করি। (ই.ফা. ৭২০৪, ই.সে. ৭২৫৭)

ওয়াহ্ব ইবনু কাইসান (রাযিঃ) হতে এ সূত্র থেকে বর্নিতঃ

অবিকল হাদীস বর্ণনা করেছেন। তবে এতে এ কথা উল্লেখ করেছেন যে, অতঃপর সে বলল, এর এক তৃতীয়াংশ আমি মিস্কীন, ভিক্ষুক ও মুসাফিরদের জন্য খরচ করি। (ই.ফা. ৭২০৪, ই.সে. ৭২৫৭)

وحدثناه أحمد بن عبدة الضبي، أخبرنا أبو داود، حدثنا عبد العزيز بن أبي سلمة، حدثنا وهب بن كيسان، بهذا الإسناد غير أنه قال ‏ "‏ وأجعل ثلثه في المساكين والسائلين وابن السبيل ‏"‏ ‏.‏


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00