সহিহ মুসলিম > ইবনু সাইয়্যাদ- এর বর্ণনা

সহিহ মুসলিম ৭২৩৫

حدثنا محمد بن عبد الله بن نمير، وإسحاق بن إبراهيم، وأبو كريب - واللفظ لأبي كريب - قال ابن نمير حدثنا وقال الآخران، أخبرنا أبو معاوية، حدثنا الأعمش، عن شقيق، عن عبد الله، قال كنا نمشي مع النبي صلى الله عليه وسلم فمر بابن صياد فقال له رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ قد خبأت لك خبيئا ‏"‏ ‏.‏ فقال دخ ‏.‏ فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ اخسأ فلن تعدو قدرك ‏"‏ ‏.‏ فقال عمر يا رسول الله دعني فأضرب عنقه فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ دعه فإن يكن الذي تخاف لن تستطيع قتله ‏"‏ ‏.‏

‘আবদুল্লাহ (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমরা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সাথে হাঁটছিলাম। নবী (সা) ইবনু সাইয়্যাদের পাশ দিয়ে অতিক্রম করলেন। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে বললেন, তোমার বিষয়ে আমি একটি কথা লুক্কায়িত রখেছি। ইবনু সাইয়্যাদ বলল, আপনার হৃদয়ে আরবি (ধুয়া) শব্দটি লুক্কায়িত রয়েছে। এ কথা শুনে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, চলে যা অভিশপ্ত, তুই তোর পরিমন্ডল অতিক্রম করতে পারবি না। তখন ‘উমার (রাঃ)বললেন, হে আল্লাহর রসূল! আমাকে ছেড়ে দিন আমি তার গর্দান উড়িয়ে দেব। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, তাকে ছাড়ো, যার সম্বন্ধে তুমি আশঙ্কা করছ সে যদি ঐ লোকই হয়ে থাকে তবে তুমি তাকে হত্যা করতে সক্ষম হবে না। (ই.ফা. ৭০৮১, ই.সে. ৭১৩৫)

‘আবদুল্লাহ (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমরা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সাথে হাঁটছিলাম। নবী (সা) ইবনু সাইয়্যাদের পাশ দিয়ে অতিক্রম করলেন। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে বললেন, তোমার বিষয়ে আমি একটি কথা লুক্কায়িত রখেছি। ইবনু সাইয়্যাদ বলল, আপনার হৃদয়ে আরবি (ধুয়া) শব্দটি লুক্কায়িত রয়েছে। এ কথা শুনে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, চলে যা অভিশপ্ত, তুই তোর পরিমন্ডল অতিক্রম করতে পারবি না। তখন ‘উমার (রাঃ)বললেন, হে আল্লাহর রসূল! আমাকে ছেড়ে দিন আমি তার গর্দান উড়িয়ে দেব। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, তাকে ছাড়ো, যার সম্বন্ধে তুমি আশঙ্কা করছ সে যদি ঐ লোকই হয়ে থাকে তবে তুমি তাকে হত্যা করতে সক্ষম হবে না। (ই.ফা. ৭০৮১, ই.সে. ৭১৩৫)

حدثنا محمد بن عبد الله بن نمير، وإسحاق بن إبراهيم، وأبو كريب - واللفظ لأبي كريب - قال ابن نمير حدثنا وقال الآخران، أخبرنا أبو معاوية، حدثنا الأعمش، عن شقيق، عن عبد الله، قال كنا نمشي مع النبي صلى الله عليه وسلم فمر بابن صياد فقال له رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ قد خبأت لك خبيئا ‏"‏ ‏.‏ فقال دخ ‏.‏ فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ اخسأ فلن تعدو قدرك ‏"‏ ‏.‏ فقال عمر يا رسول الله دعني فأضرب عنقه فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ دعه فإن يكن الذي تخاف لن تستطيع قتله ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৭২৩৭

حدثنا يحيى بن حبيب، ومحمد بن عبد الأعلى، قالا حدثنا معتمر، قال سمعت أبي قال، حدثنا أبو نضرة، عن جابر بن عبد الله، قال لقي نبي الله صلى الله عليه وسلم ابن صائد ومعه أبو بكر وعمر وابن صائد مع الغلمان ‏.‏ فذكر نحو حديث الجريري ‏.‏

জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একদা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইবনু সাইয়্যাদকে দেখলেন। এমন সময় রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সঙ্গে আবূ বাক্‌র ও ‘উমার (রাঃ)-ও ছিলেন এবং কিছু বালকের সাথে ইবনু সাইয়্যাদ ছিল। তারপর তিনি জুরাইরী (রহঃ)-এর হাদীসের অবিকল বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৭০৮৩, ই.সে. ৭১৩৭)

জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একদা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইবনু সাইয়্যাদকে দেখলেন। এমন সময় রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সঙ্গে আবূ বাক্‌র ও ‘উমার (রাঃ)-ও ছিলেন এবং কিছু বালকের সাথে ইবনু সাইয়্যাদ ছিল। তারপর তিনি জুরাইরী (রহঃ)-এর হাদীসের অবিকল বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৭০৮৩, ই.সে. ৭১৩৭)

حدثنا يحيى بن حبيب، ومحمد بن عبد الأعلى، قالا حدثنا معتمر، قال سمعت أبي قال، حدثنا أبو نضرة، عن جابر بن عبد الله، قال لقي نبي الله صلى الله عليه وسلم ابن صائد ومعه أبو بكر وعمر وابن صائد مع الغلمان ‏.‏ فذكر نحو حديث الجريري ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৭২৩৪

حدثنا عثمان بن أبي شيبة، وإسحاق بن إبراهيم، - واللفظ لعثمان - قال إسحاق أخبرنا وقال، عثمان حدثنا جرير، عن الأعمش، عن أبي وائل، عن عبد الله، قال كنا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم فمررنا بصبيان فيهم ابن صياد ففر الصبيان وجلس ابن صياد فكأن رسول الله صلى الله عليه وسلم كره ذلك فقال له النبي صلى الله عليه وسلم ‏"‏ تربت يداك أتشهد أني رسول الله ‏"‏ ‏.‏ فقال لا ‏.‏ بل تشهد أني رسول الله ‏.‏ فقال عمر بن الخطاب ذرني يا رسول الله حتى أقتله ‏.‏ فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ إن يكن الذي ترى فلن تستطيع قتله ‏"‏ ‏.‏

‘আবদুল্লাহ (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একদিন আমরা রসূলুল্লাহ (সা)এর সঙ্গে ছিলাম। এমন সময় আমরা কতক বালকের পাশ দিয়ে অতিক্রম করলাম। তাদের মাঝে ইবনু সাইয়্যাদও ছিল। বালকেরা পালিয়ে গেল কিন্ত ইবনু সাইয়্যাদ বসে রইল। তার এরূপ আচরণ দেখে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কিছুটা অপছন্দ করলেন। তারপর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে বললেনঃ তোমার উভয় হাত ভূলুন্ঠিত হোক। তুমি কি সাক্ষ্য দাও যে, আমি আল্লাহর রসূল? সে বলল, না। বরং আপনি সাক্ষ্য দেন যে, আমি আল্লাহর রসূল। এ কথা শুনে ‘উমার ইবনুল খাত্তাব (রাঃ) বললেন, হে আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)! আমাকে সুযোগ দিন, আমি তাকে নিঃশেষ করে দেই। এরপর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তুমি যা মনে করছ, যদি সে তাই (দাজ্জাল) হয়, তবে তো তুমি তাকে হত্যা করতে সক্ষম হবে না। (ই.ফা. ৭০৮০, ই.সে. ৭১৩৪)

‘আবদুল্লাহ (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একদিন আমরা রসূলুল্লাহ (সা)এর সঙ্গে ছিলাম। এমন সময় আমরা কতক বালকের পাশ দিয়ে অতিক্রম করলাম। তাদের মাঝে ইবনু সাইয়্যাদও ছিল। বালকেরা পালিয়ে গেল কিন্ত ইবনু সাইয়্যাদ বসে রইল। তার এরূপ আচরণ দেখে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কিছুটা অপছন্দ করলেন। তারপর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে বললেনঃ তোমার উভয় হাত ভূলুন্ঠিত হোক। তুমি কি সাক্ষ্য দাও যে, আমি আল্লাহর রসূল? সে বলল, না। বরং আপনি সাক্ষ্য দেন যে, আমি আল্লাহর রসূল। এ কথা শুনে ‘উমার ইবনুল খাত্তাব (রাঃ) বললেন, হে আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)! আমাকে সুযোগ দিন, আমি তাকে নিঃশেষ করে দেই। এরপর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তুমি যা মনে করছ, যদি সে তাই (দাজ্জাল) হয়, তবে তো তুমি তাকে হত্যা করতে সক্ষম হবে না। (ই.ফা. ৭০৮০, ই.সে. ৭১৩৪)

حدثنا عثمان بن أبي شيبة، وإسحاق بن إبراهيم، - واللفظ لعثمان - قال إسحاق أخبرنا وقال، عثمان حدثنا جرير، عن الأعمش، عن أبي وائل، عن عبد الله، قال كنا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم فمررنا بصبيان فيهم ابن صياد ففر الصبيان وجلس ابن صياد فكأن رسول الله صلى الله عليه وسلم كره ذلك فقال له النبي صلى الله عليه وسلم ‏"‏ تربت يداك أتشهد أني رسول الله ‏"‏ ‏.‏ فقال لا ‏.‏ بل تشهد أني رسول الله ‏.‏ فقال عمر بن الخطاب ذرني يا رسول الله حتى أقتله ‏.‏ فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ إن يكن الذي ترى فلن تستطيع قتله ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৭২৩৬

حدثنا محمد بن المثنى، حدثنا سالم بن نوح، عن الجريري، عن أبي نضرة، عن أبي سعيد، قال لقيه رسول الله صلى الله عليه وسلم وأبو بكر وعمر في بعض طرق المدينة فقال له رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ أتشهد أني رسول الله ‏"‏ ‏.‏ فقال هو أتشهد أني رسول الله فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ آمنت بالله وملائكته وكتبه ما ترى ‏"‏ ‏.‏ قال أرى عرشا على الماء ‏.‏ فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ ترى عرش إبليس على البحر وما ترى ‏"‏ ‏.‏ قال أرى صادقين وكاذبا أو كاذبين وصادقا ‏.‏ فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ لبس عليه دعوه ‏"‏ ‏.

আবূ সা’ঈদ (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একদিন মাদীনার কোন পথে ইবনু সাইয়্যাদ-এর সঙ্গে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম), আবূ বাক্‌র ও ‘উমার (রাঃ)-এর সাক্ষাৎ হয়। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইবনু সাইয়্যাদকে বললেনঃ তুমি কি এ সাক্ষ্য দাও, আমি আল্লাহর রসূল? উত্তরে সে বলল, আপনি কি সাক্ষ্য দেন যে, আমি আল্লাহর রসূল? রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ আমি তো আল্লাহর প্রতি, তাঁর ফেরেশ্‌তাগণের প্রতি ও তাঁর কিতাবসমূহের উপর ঈমান এনেছি। তারপর তিনি বললেন, তুমি কি দেখছ? সে বলল, আমি সমুদ্রের উপর ‘আর্‌শ দেখতে পাচ্ছি। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন তুমি তো সমুদ্রে ইবলীসের ‘আরশ দেখতে পাচ্ছ। তুমি আর কি দেখতে পাচ্ছ? সে বলল, আমি কিছু সংখ্যক সত্যবাদী ও একজন মিথ্যাবাদীকে অথবা কিছু সংখ্যক মিথ্যাবাদী ও একজন সত্যবাদীকে দেখতে পাচ্ছি। রসূলুল্লাহ (সা)বললেনঃ একে ছেড়ে দাও। সে বিষয়ে নিজেই সন্দেহ পোষণ করছে। (ই.ফা. ৭০৮২, ই.সে. ৭১৩৬)

আবূ সা’ঈদ (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একদিন মাদীনার কোন পথে ইবনু সাইয়্যাদ-এর সঙ্গে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম), আবূ বাক্‌র ও ‘উমার (রাঃ)-এর সাক্ষাৎ হয়। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইবনু সাইয়্যাদকে বললেনঃ তুমি কি এ সাক্ষ্য দাও, আমি আল্লাহর রসূল? উত্তরে সে বলল, আপনি কি সাক্ষ্য দেন যে, আমি আল্লাহর রসূল? রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ আমি তো আল্লাহর প্রতি, তাঁর ফেরেশ্‌তাগণের প্রতি ও তাঁর কিতাবসমূহের উপর ঈমান এনেছি। তারপর তিনি বললেন, তুমি কি দেখছ? সে বলল, আমি সমুদ্রের উপর ‘আর্‌শ দেখতে পাচ্ছি। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন তুমি তো সমুদ্রে ইবলীসের ‘আরশ দেখতে পাচ্ছ। তুমি আর কি দেখতে পাচ্ছ? সে বলল, আমি কিছু সংখ্যক সত্যবাদী ও একজন মিথ্যাবাদীকে অথবা কিছু সংখ্যক মিথ্যাবাদী ও একজন সত্যবাদীকে দেখতে পাচ্ছি। রসূলুল্লাহ (সা)বললেনঃ একে ছেড়ে দাও। সে বিষয়ে নিজেই সন্দেহ পোষণ করছে। (ই.ফা. ৭০৮২, ই.সে. ৭১৩৬)

حدثنا محمد بن المثنى، حدثنا سالم بن نوح، عن الجريري، عن أبي نضرة، عن أبي سعيد، قال لقيه رسول الله صلى الله عليه وسلم وأبو بكر وعمر في بعض طرق المدينة فقال له رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ أتشهد أني رسول الله ‏"‏ ‏.‏ فقال هو أتشهد أني رسول الله فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ آمنت بالله وملائكته وكتبه ما ترى ‏"‏ ‏.‏ قال أرى عرشا على الماء ‏.‏ فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ ترى عرش إبليس على البحر وما ترى ‏"‏ ‏.‏ قال أرى صادقين وكاذبا أو كاذبين وصادقا ‏.‏ فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ لبس عليه دعوه ‏"‏ ‏.


সহিহ মুসলিম ৭২৩৮

حدثني عبيد الله بن عمر القواريري، ومحمد بن المثنى، قالا حدثنا عبد الأعلى، حدثنا داود، عن أبي نضرة، عن أبي سعيد الخدري، قال صحبت ابن صائد إلى مكة فقال لي أما قد لقيت من الناس يزعمون أني الدجال ألست سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول ‏"‏ إنه لا يولد له ‏"‏ ‏.‏ قال قلت بلى ‏.‏ قال فقد ولد لي ‏.‏ أوليس سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول ‏"‏ لا يدخل المدينة ولا مكة ‏"‏ ‏.‏ قلت بلى ‏.‏ قال فقد ولدت بالمدينة وهذا أنا أريد مكة - قال - ثم قال لي في آخر قوله أما والله إني لأعلم مولده ومكانه وأين هو ‏.‏ قال فلبسني ‏.‏

আবূ সা’ঈদ আল খুদ্‌রী (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একদিন মক্কা যাওয়ার পথে ইবনু সাইয়্যাদ মক্কা পর্যন্ত আমার সফর সঙ্গী ছিল। পথে সে আমাকে বলল, এমন কতিপয় লোকের সঙ্গে আমার সাক্ষাৎ ঘটেছে যারা ধারণা করে যে, আমিই দাজ্জাল। আপনি কি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে বলতে শুনেননি যে, দাজ্জালের কোন সন্তান হবে না? তিনি বলেন, আমি বললাম, হ্যাঁ, শুনেছি। তখন সে বলল, আমার তো সন্তানাদি রয়েছে। আপনি কি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে বলতে শুনেননি যে, দাজ্জাল মক্কা ও মাদীনাতে ঢুকতে পারবে না? আমি বললাম, হ্যাঁ, শুনেছি। সে বলল, মনে রাখুন, আমি তো মাদীনায় জন্মগ্রহণ করেছি এবং এখন মক্কা যাওয়ার উদ্দেশে রওনা হয়েছি। আবূ সা’ঈদ আল খুদরী বলেন, অতঃপর এসব কথা বলার পর পরিশেষে সে বলল, আল্লাহর শপথ! আমি অবশ্যই জানি দাজ্জালের জন্মস্থান, বাসস্থান এবং তার বর্তমান অবস্থান সম্পর্কে। আবূ সা’ঈদ আল খুদ্‌রী (রাঃ) বলেন, (এ কথা বলে) সে আমাকে দ্বিধা ও সংশয়ে ফেলে দিল। (ই.ফা. ৭০৮৪, ই.সে. ৭১৩৮)

আবূ সা’ঈদ আল খুদ্‌রী (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একদিন মক্কা যাওয়ার পথে ইবনু সাইয়্যাদ মক্কা পর্যন্ত আমার সফর সঙ্গী ছিল। পথে সে আমাকে বলল, এমন কতিপয় লোকের সঙ্গে আমার সাক্ষাৎ ঘটেছে যারা ধারণা করে যে, আমিই দাজ্জাল। আপনি কি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে বলতে শুনেননি যে, দাজ্জালের কোন সন্তান হবে না? তিনি বলেন, আমি বললাম, হ্যাঁ, শুনেছি। তখন সে বলল, আমার তো সন্তানাদি রয়েছে। আপনি কি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে বলতে শুনেননি যে, দাজ্জাল মক্কা ও মাদীনাতে ঢুকতে পারবে না? আমি বললাম, হ্যাঁ, শুনেছি। সে বলল, মনে রাখুন, আমি তো মাদীনায় জন্মগ্রহণ করেছি এবং এখন মক্কা যাওয়ার উদ্দেশে রওনা হয়েছি। আবূ সা’ঈদ আল খুদরী বলেন, অতঃপর এসব কথা বলার পর পরিশেষে সে বলল, আল্লাহর শপথ! আমি অবশ্যই জানি দাজ্জালের জন্মস্থান, বাসস্থান এবং তার বর্তমান অবস্থান সম্পর্কে। আবূ সা’ঈদ আল খুদ্‌রী (রাঃ) বলেন, (এ কথা বলে) সে আমাকে দ্বিধা ও সংশয়ে ফেলে দিল। (ই.ফা. ৭০৮৪, ই.সে. ৭১৩৮)

حدثني عبيد الله بن عمر القواريري، ومحمد بن المثنى، قالا حدثنا عبد الأعلى، حدثنا داود، عن أبي نضرة، عن أبي سعيد الخدري، قال صحبت ابن صائد إلى مكة فقال لي أما قد لقيت من الناس يزعمون أني الدجال ألست سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول ‏"‏ إنه لا يولد له ‏"‏ ‏.‏ قال قلت بلى ‏.‏ قال فقد ولد لي ‏.‏ أوليس سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول ‏"‏ لا يدخل المدينة ولا مكة ‏"‏ ‏.‏ قلت بلى ‏.‏ قال فقد ولدت بالمدينة وهذا أنا أريد مكة - قال - ثم قال لي في آخر قوله أما والله إني لأعلم مولده ومكانه وأين هو ‏.‏ قال فلبسني ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৭২৩৯

حدثنا يحيى بن حبيب، ومحمد بن عبد الأعلى، قالا حدثنا معتمر، قال سمعت أبي يحدث، عن أبي نضرة، عن أبي سعيد الخدري، قال قال لي ابن صائد وأخذتني منه ذمامة هذا عذرت الناس ما لي ولكم يا أصحاب محمد ألم يقل نبي الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ إنه يهودي ‏"‏ ‏.‏ وقد أسلمت ‏.‏ قال ‏"‏ ولا يولد له ‏"‏ ‏.‏ وقد ولد لي ‏.‏ وقال ‏"‏ إن الله قد حرم عليه مكة ‏"‏ ‏.‏ وقد حججت ‏.‏ قال فما زال حتى كاد أن يأخذ في قوله ‏.‏ قال فقال له أما والله إني لأعلم الآن حيث هو وأعرف أباه وأمه ‏.‏ قال وقيل له أيسرك أنك ذاك الرجل قال فقال لو عرض على ما كرهت ‏.‏

আবূ সা’ঈদ আল খুদ্‌রী (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একদিন ইবনু সাইয়্যাদ আমার সঙ্গে কিছু কথা বলেছে যাতে আমার মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়ে গেছে। তা হচ্ছে ইবনু সাইয়্যাদ-এর এ বক্তব্যঃ আমি মানুষকে এ বলে ওযর পেশ করছি। হে মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সংগী-সাথীগণ! আমার ব্যপারে তোমাদের কি হয়েছে? আল্লাহর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কি এ কথা বলেননি যে, দাজ্জাল ইয়াহুদী হবে? কিন্তু আমি তো মুসলিম। তিনি বলেছেনঃ দাজ্জালের কোন সন্তান হবে না অথচ আমার তো সন্তানাদি রয়েছে। তিনি তো এ-ও বলেছেন যে, আল্লাহ তা’লা দাজ্জালের উপর মক্কা প্রবেশ নিষিদ্ধ করেছেন। অথচ আমি হাজ্জও করেছি। আবূ সা’ঈদ (রাঃ) বলেন, সে অনর্গল এমনভাবে বলে যেতে লাগল, যার ফলে আমি তাকে সত্যবাদী মনে করার কাছাকাছি পৌছে গেলাম। অতঃপর সে বলল, আল্লাহর কসম! অবশ্যই আমি জানি, দাজ্জালের অবস্থান সম্পর্কে। আমি তার পিতামাতাকেও চিনি। লোকেরা ইবনু সাইয়্যাদ কে জিজ্ঞাসা করল, তুমি যদি দাজ্জাল হও, তাতে কি তুমি আনন্দিত হবে? উত্তরে সে বলল, যদি আমাকে দাজ্জালরূপে সাব্যস্ত করা হয়, তবে আমি তাতে নারায হব না। (ই.ফা. ৭০৮৫, ই.সে. ৭১৩৯)

আবূ সা’ঈদ আল খুদ্‌রী (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একদিন ইবনু সাইয়্যাদ আমার সঙ্গে কিছু কথা বলেছে যাতে আমার মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়ে গেছে। তা হচ্ছে ইবনু সাইয়্যাদ-এর এ বক্তব্যঃ আমি মানুষকে এ বলে ওযর পেশ করছি। হে মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সংগী-সাথীগণ! আমার ব্যপারে তোমাদের কি হয়েছে? আল্লাহর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কি এ কথা বলেননি যে, দাজ্জাল ইয়াহুদী হবে? কিন্তু আমি তো মুসলিম। তিনি বলেছেনঃ দাজ্জালের কোন সন্তান হবে না অথচ আমার তো সন্তানাদি রয়েছে। তিনি তো এ-ও বলেছেন যে, আল্লাহ তা’লা দাজ্জালের উপর মক্কা প্রবেশ নিষিদ্ধ করেছেন। অথচ আমি হাজ্জও করেছি। আবূ সা’ঈদ (রাঃ) বলেন, সে অনর্গল এমনভাবে বলে যেতে লাগল, যার ফলে আমি তাকে সত্যবাদী মনে করার কাছাকাছি পৌছে গেলাম। অতঃপর সে বলল, আল্লাহর কসম! অবশ্যই আমি জানি, দাজ্জালের অবস্থান সম্পর্কে। আমি তার পিতামাতাকেও চিনি। লোকেরা ইবনু সাইয়্যাদ কে জিজ্ঞাসা করল, তুমি যদি দাজ্জাল হও, তাতে কি তুমি আনন্দিত হবে? উত্তরে সে বলল, যদি আমাকে দাজ্জালরূপে সাব্যস্ত করা হয়, তবে আমি তাতে নারায হব না। (ই.ফা. ৭০৮৫, ই.সে. ৭১৩৯)

حدثنا يحيى بن حبيب، ومحمد بن عبد الأعلى، قالا حدثنا معتمر، قال سمعت أبي يحدث، عن أبي نضرة، عن أبي سعيد الخدري، قال قال لي ابن صائد وأخذتني منه ذمامة هذا عذرت الناس ما لي ولكم يا أصحاب محمد ألم يقل نبي الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ إنه يهودي ‏"‏ ‏.‏ وقد أسلمت ‏.‏ قال ‏"‏ ولا يولد له ‏"‏ ‏.‏ وقد ولد لي ‏.‏ وقال ‏"‏ إن الله قد حرم عليه مكة ‏"‏ ‏.‏ وقد حججت ‏.‏ قال فما زال حتى كاد أن يأخذ في قوله ‏.‏ قال فقال له أما والله إني لأعلم الآن حيث هو وأعرف أباه وأمه ‏.‏ قال وقيل له أيسرك أنك ذاك الرجل قال فقال لو عرض على ما كرهت ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৭২৪১

حدثنا نصر بن علي الجهضمي، حدثنا بشر، - يعني ابن مفضل - عن أبي مسلمة، عن أبي نضرة، عن أبي سعيد، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم لابن صائد ‏"‏ ما تربة الجنة ‏"‏ ‏.‏ قال درمكة بيضاء مسك يا أبا القاسم ‏.‏ قال ‏"‏ صدقت ‏"‏ ‏.‏

আবূ সা’ঈদ(রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইবনু সায়িদকে প্রশ্ন করেছেন, জান্নাতের মাটি কিরূপ হবে? সে বলল, হে আবুল কাসিম! জান্নাতের মাটি ময়দার মতো সাদা এবং খাঁটি মিশ্‌কের ন্যায় সুগন্ধিযুক্ত হবে। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ হ্যাঁ, তুমি সত্য বলেছ। (ই.ফা. ৭০৮৭, ই.সে. ৭১৪১)

আবূ সা’ঈদ(রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইবনু সায়িদকে প্রশ্ন করেছেন, জান্নাতের মাটি কিরূপ হবে? সে বলল, হে আবুল কাসিম! জান্নাতের মাটি ময়দার মতো সাদা এবং খাঁটি মিশ্‌কের ন্যায় সুগন্ধিযুক্ত হবে। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ হ্যাঁ, তুমি সত্য বলেছ। (ই.ফা. ৭০৮৭, ই.সে. ৭১৪১)

حدثنا نصر بن علي الجهضمي، حدثنا بشر، - يعني ابن مفضل - عن أبي مسلمة، عن أبي نضرة، عن أبي سعيد، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم لابن صائد ‏"‏ ما تربة الجنة ‏"‏ ‏.‏ قال درمكة بيضاء مسك يا أبا القاسم ‏.‏ قال ‏"‏ صدقت ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৭২৪০

حدثنا محمد بن المثنى، حدثنا سالم بن نوح، أخبرني الجريري، عن أبي نضرة، عن أبي سعيد الخدري، قال خرجنا حجاجا أو عمارا ومعنا ابن صائد - قال - فنزلنا منزلا فتفرق الناس وبقيت أنا وهو فاستوحشت منه وحشة شديدة مما يقال عليه - قال - وجاء بمتاعه فوضعه مع متاعي ‏.‏ فقلت إن الحر شديد فلو وضعته تحت تلك الشجرة - قال - ففعل - قال - فرفعت لنا غنم فانطلق فجاء بعس فقال اشرب أبا سعيد ‏.‏ فقلت إن الحر شديد واللبن حار ‏.‏ ما بي إلا أني أكره أن أشرب عن يده - أو قال آخذ عن يده - فقال أبا سعيد لقد هممت أن آخذ حبلا فأعلقه بشجرة ثم أختنق مما يقول لي الناس يا أبا سعيد من خفي عليه حديث رسول الله صلى الله عليه وسلم ما خفي عليكم معشر الأنصار ألست من أعلم الناس بحديث رسول الله صلى الله عليه وسلم أليس قد قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ هو كافر ‏"‏ ‏.‏ وأنا مسلم أوليس قد قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ هو عقيم لا يولد له ‏"‏ ‏.‏ وقد تركت ولدي بالمدينة أو ليس قد قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ لا يدخل المدينة ولا مكة ‏"‏ ‏.‏ وقد أقبلت من المدينة وأنا أريد مكة قال أبو سعيد الخدري حتى كدت أن أعذره ‏.‏ ثم قال أما والله إني لأعرفه وأعرف مولده وأين هو الآن ‏.‏ قال قلت له تبا لك سائر اليوم ‏.‏

আবূ সা’ঈদ আল খুদ্‌রী (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একবার আমরা হাজ্জ বা ‘উমরার উদ্দেশে রওয়ানা হলাম। আমাদের সঙ্গে ইবনু সায়িদ ছিল। তারপর কোন এক মঞ্জিলে আমরা অবতরণ করলাম। লোকেরা এদিক-সেদিক ছড়িয়ে পড়ল। কেবল আমি এবং সে থেকে গেলাম। লোকেরা ইবনু সাইয়্যাদ-এর ব্যপারে যে কথা কথোপকথন করছে, এ কারণে আমি তার প্রতি অত্যধিক ভীত ও ঘাবড়িয়ে গিয়েছিলাম। তিনি বলেন, ইবনু সাইয়্যাদ তার দ্রব্য-সামগ্রী আমার সাথে এনে রাখল। আমি বললাম, গরম খুব বেশী মনে হচ্ছে। তুমি যদি তোমার দ্রব্য-সামগ্রী ঐ গাছের নীচে রাখতে তবে ভালো হতো। এ কথা শুনে সে তা-ই করল। তারপর আমাদের জন্য কতগুলো বকরী নিয়ে আসা হলো। এ দেখে ইবনু সাইয়্যাদ সেখানে গেল এবং এক পাত্র দুধ নিয়ে এলো। এরপর সে আমাকে বলল, হে আবূ সা’ঈদ। তুমি দুধ পান করে নাও। আমি বললাম, গরম খুব বেশী। দুধও গরম। আবূ সা’ঈদ আল খুদ্‌রী (রাঃ) বলেন, তার হাতে দুধ পান করা বা তার হাত হতে দুধ গ্রহণ করা আমি পছন্দ করিনি। এ দেখে ইবনূ সাইয়্যাদ বলল, হে আবূ সা’ঈদ! লোকেরা আমার ব্যাপারে যে সব কথাবার্তা বলছে, এখন আমার ইচ্ছা হয় যে, আমি একটি রশি নিয়ে সেটা গাছে লটকিয়ে ফাঁসি দিয়ে মরে যাই এবং তাত্থেকে পরিত্রাণ লাভ করি। তারপর সে বলল, হে আবূ সা’ঈদ! তোমাদের আনসার সম্প্রদায়ের চেয়ে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর হাদীস আর কারো কাছে অজানা নেই? তুমি কি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর হাদীস সম্বন্ধে সবচেয়ে বেশী জ্ঞাত নও? রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কি বলেননি যে, সে ব্যক্তি (দাজ্জাল) কাফির হবে? অথচ আমি মুসলিম। তিনি কি বলেননি যে , দাজ্জাল নিঃসন্তান? আর তার কোন সন্তান হবে না? অথচ মাদীনায় আমি আমার সন্তান রেখে এসেছি। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কি বলেননি যে, দাজ্জাল মক্কা-মাদীনাহ্‌ প্রবেশ করতে পারবে না? অথচ আমি মাদীনাহ্‌ থেকে এসেছি এবং মক্কা যাবার ইচ্ছা করছি। আবূ সা’ঈদ আল খুদ্‌রী (রাঃ)বলেন, তার কথায় আমি তাকে বিশ্বাস করার কাছাকাছি পৌছে গিয়েছিলাম। অতঃপর ইবনূ সাইয়্যাদ বললঃ আল্লাহর শপথ! আমি তাকে (দাজ্জালকে) চিনি, তার জন্মস্থান চিনি এবং এখন সে কোথায় অবস্থান করছে, তাও আমি জানি। এ কথা শুনে আমি বললাম, তোমার সারাটা দিন ধ্বংস হোক, অকল্যাণকর হোক। (ই.ফা. ৭০৮৬, ই.সে. ৭১৪০)

আবূ সা’ঈদ আল খুদ্‌রী (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একবার আমরা হাজ্জ বা ‘উমরার উদ্দেশে রওয়ানা হলাম। আমাদের সঙ্গে ইবনু সায়িদ ছিল। তারপর কোন এক মঞ্জিলে আমরা অবতরণ করলাম। লোকেরা এদিক-সেদিক ছড়িয়ে পড়ল। কেবল আমি এবং সে থেকে গেলাম। লোকেরা ইবনু সাইয়্যাদ-এর ব্যপারে যে কথা কথোপকথন করছে, এ কারণে আমি তার প্রতি অত্যধিক ভীত ও ঘাবড়িয়ে গিয়েছিলাম। তিনি বলেন, ইবনু সাইয়্যাদ তার দ্রব্য-সামগ্রী আমার সাথে এনে রাখল। আমি বললাম, গরম খুব বেশী মনে হচ্ছে। তুমি যদি তোমার দ্রব্য-সামগ্রী ঐ গাছের নীচে রাখতে তবে ভালো হতো। এ কথা শুনে সে তা-ই করল। তারপর আমাদের জন্য কতগুলো বকরী নিয়ে আসা হলো। এ দেখে ইবনু সাইয়্যাদ সেখানে গেল এবং এক পাত্র দুধ নিয়ে এলো। এরপর সে আমাকে বলল, হে আবূ সা’ঈদ। তুমি দুধ পান করে নাও। আমি বললাম, গরম খুব বেশী। দুধও গরম। আবূ সা’ঈদ আল খুদ্‌রী (রাঃ) বলেন, তার হাতে দুধ পান করা বা তার হাত হতে দুধ গ্রহণ করা আমি পছন্দ করিনি। এ দেখে ইবনূ সাইয়্যাদ বলল, হে আবূ সা’ঈদ! লোকেরা আমার ব্যাপারে যে সব কথাবার্তা বলছে, এখন আমার ইচ্ছা হয় যে, আমি একটি রশি নিয়ে সেটা গাছে লটকিয়ে ফাঁসি দিয়ে মরে যাই এবং তাত্থেকে পরিত্রাণ লাভ করি। তারপর সে বলল, হে আবূ সা’ঈদ! তোমাদের আনসার সম্প্রদায়ের চেয়ে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর হাদীস আর কারো কাছে অজানা নেই? তুমি কি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর হাদীস সম্বন্ধে সবচেয়ে বেশী জ্ঞাত নও? রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কি বলেননি যে, সে ব্যক্তি (দাজ্জাল) কাফির হবে? অথচ আমি মুসলিম। তিনি কি বলেননি যে , দাজ্জাল নিঃসন্তান? আর তার কোন সন্তান হবে না? অথচ মাদীনায় আমি আমার সন্তান রেখে এসেছি। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কি বলেননি যে, দাজ্জাল মক্কা-মাদীনাহ্‌ প্রবেশ করতে পারবে না? অথচ আমি মাদীনাহ্‌ থেকে এসেছি এবং মক্কা যাবার ইচ্ছা করছি। আবূ সা’ঈদ আল খুদ্‌রী (রাঃ)বলেন, তার কথায় আমি তাকে বিশ্বাস করার কাছাকাছি পৌছে গিয়েছিলাম। অতঃপর ইবনূ সাইয়্যাদ বললঃ আল্লাহর শপথ! আমি তাকে (দাজ্জালকে) চিনি, তার জন্মস্থান চিনি এবং এখন সে কোথায় অবস্থান করছে, তাও আমি জানি। এ কথা শুনে আমি বললাম, তোমার সারাটা দিন ধ্বংস হোক, অকল্যাণকর হোক। (ই.ফা. ৭০৮৬, ই.সে. ৭১৪০)

حدثنا محمد بن المثنى، حدثنا سالم بن نوح، أخبرني الجريري، عن أبي نضرة، عن أبي سعيد الخدري، قال خرجنا حجاجا أو عمارا ومعنا ابن صائد - قال - فنزلنا منزلا فتفرق الناس وبقيت أنا وهو فاستوحشت منه وحشة شديدة مما يقال عليه - قال - وجاء بمتاعه فوضعه مع متاعي ‏.‏ فقلت إن الحر شديد فلو وضعته تحت تلك الشجرة - قال - ففعل - قال - فرفعت لنا غنم فانطلق فجاء بعس فقال اشرب أبا سعيد ‏.‏ فقلت إن الحر شديد واللبن حار ‏.‏ ما بي إلا أني أكره أن أشرب عن يده - أو قال آخذ عن يده - فقال أبا سعيد لقد هممت أن آخذ حبلا فأعلقه بشجرة ثم أختنق مما يقول لي الناس يا أبا سعيد من خفي عليه حديث رسول الله صلى الله عليه وسلم ما خفي عليكم معشر الأنصار ألست من أعلم الناس بحديث رسول الله صلى الله عليه وسلم أليس قد قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ هو كافر ‏"‏ ‏.‏ وأنا مسلم أوليس قد قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ هو عقيم لا يولد له ‏"‏ ‏.‏ وقد تركت ولدي بالمدينة أو ليس قد قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ لا يدخل المدينة ولا مكة ‏"‏ ‏.‏ وقد أقبلت من المدينة وأنا أريد مكة قال أبو سعيد الخدري حتى كدت أن أعذره ‏.‏ ثم قال أما والله إني لأعرفه وأعرف مولده وأين هو الآن ‏.‏ قال قلت له تبا لك سائر اليوم ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৭২৪২

وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا أبو أسامة، عن الجريري، عن أبي نضرة، عن أبي سعيد، أن ابن صياد، سأل النبي صلى الله عليه وسلم عن تربة الجنة فقال ‏ "‏ درمكة بيضاء مسك خالص ‏"‏ ‏.

আবূ সা’ঈদ আল খুদ্‌রী (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ

আবূ বাক্‌র ইবনু আবূ শাইবাহ্‌ (রহঃ)... আবূ সা’ঈদ আল খুদ্‌রী (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, জান্নাতের মাটি কেমন হবে– এ সম্বন্ধে ইবনু সাইয়্যাদকে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) প্রশ্ন করলে সে বলল, জান্নাতের মাটি ময়দার ন্যায় শুভ্র এবং খাঁটি মিশ্‌কের ন্যায় সুগন্ধিযুক্ত হবে। (ই.ফা. ৭০৮৮, ই.সে. ৭১৪২)

আবূ সা’ঈদ আল খুদ্‌রী (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ

আবূ বাক্‌র ইবনু আবূ শাইবাহ্‌ (রহঃ)... আবূ সা’ঈদ আল খুদ্‌রী (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, জান্নাতের মাটি কেমন হবে– এ সম্বন্ধে ইবনু সাইয়্যাদকে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) প্রশ্ন করলে সে বলল, জান্নাতের মাটি ময়দার ন্যায় শুভ্র এবং খাঁটি মিশ্‌কের ন্যায় সুগন্ধিযুক্ত হবে। (ই.ফা. ৭০৮৮, ই.সে. ৭১৪২)

وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا أبو أسامة، عن الجريري، عن أبي نضرة، عن أبي سعيد، أن ابن صياد، سأل النبي صلى الله عليه وسلم عن تربة الجنة فقال ‏ "‏ درمكة بيضاء مسك خالص ‏"‏ ‏.


সহিহ মুসলিম ৭২৪৩

حدثنا عبيد الله بن معاذ العنبري، حدثنا أبي، حدثنا شعبة، عن سعد بن إبراهيم، عن محمد بن المنكدر، قال رأيت جابر بن عبد الله يحلف بالله أن ابن صائد الدجال، فقلت أتحلف بالله قال إني سمعت عمر يحلف على ذلك عند النبي صلى الله عليه وسلم فلم ينكره النبي صلى الله عليه وسلم ‏.

মুহাম্মাদ ইবনুল মুনকাদির (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহকে আল্লাহর নামে কসম করে এ কথা বলতে শুনেছি যে, ইবনু সাইয়্যাদই হলো প্রকৃতপক্ষে দাজ্জাল। আমি বললাম, আপনি আল্লাহর নামে কসম করে এ কথা বলছেন? তিনি বললেন,আমি ‘উমার (রাঃ)-কে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এ সম্পর্কে কসম খেতে শুনেছি। অথচ নবী (সা) তার এ কথাকে অগ্রাহ্য করেননি। (ই.ফা. ৭০৮৯, ই.সে. ৭১৪৩)

মুহাম্মাদ ইবনুল মুনকাদির (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহকে আল্লাহর নামে কসম করে এ কথা বলতে শুনেছি যে, ইবনু সাইয়্যাদই হলো প্রকৃতপক্ষে দাজ্জাল। আমি বললাম, আপনি আল্লাহর নামে কসম করে এ কথা বলছেন? তিনি বললেন,আমি ‘উমার (রাঃ)-কে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এ সম্পর্কে কসম খেতে শুনেছি। অথচ নবী (সা) তার এ কথাকে অগ্রাহ্য করেননি। (ই.ফা. ৭০৮৯, ই.সে. ৭১৪৩)

حدثنا عبيد الله بن معاذ العنبري، حدثنا أبي، حدثنا شعبة، عن سعد بن إبراهيم، عن محمد بن المنكدر، قال رأيت جابر بن عبد الله يحلف بالله أن ابن صائد الدجال، فقلت أتحلف بالله قال إني سمعت عمر يحلف على ذلك عند النبي صلى الله عليه وسلم فلم ينكره النبي صلى الله عليه وسلم ‏.


সহিহ মুসলিম ৭২৪৪

حدثني حرملة بن يحيى بن عبد الله بن حرملة بن عمران التجيبي، أخبرني ابن، وهب أخبرني يونس، عن ابن شهاب، عن سالم بن عبد الله، أخبره أن عبد الله بن عمر أخبره أن عمر بن الخطاب انطلق مع رسول الله صلى الله عليه وسلم في رهط قبل ابن صياد حتى وجده يلعب مع الصبيان عند أطم بني مغالة وقد قارب ابن صياد يومئذ الحلم فلم يشعر حتى ضرب رسول الله صلى الله عليه وسلم ظهره بيده ثم قال رسول الله صلى الله عليه وسلم لابن صياد ‏"‏ أتشهد أني رسول الله ‏"‏ ‏.‏ فنظر إليه ابن صياد فقال أشهد أنك رسول الأميين ‏.‏ فقال ابن صياد لرسول الله صلى الله عليه وسلم أتشهد أني رسول الله فرفضه رسول الله صلى الله عليه وسلم وقال ‏"‏ آمنت بالله وبرسله ‏"‏ ‏.‏ ثم قال له رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ ماذا ترى ‏"‏ ‏.‏ قال ابن صياد يأتيني صادق وكاذب فقال له رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ خلط عليك الأمر ‏"‏ ‏.‏ ثم قال له رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ إني قد خبأت لك خبيئا ‏"‏ ‏.‏ فقال ابن صياد ‏"‏ هو الدخ ‏"‏ ‏.‏ فقال له رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ اخسأ فلن تعدو قدرك ‏"‏ ‏.‏ فقال عمر بن الخطاب ذرني يا رسول الله أضرب عنقه ‏.‏ فقال له رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ إن يكنه فلن تسلط عليه وإن لم يكنه فلا خير لك في قتله ‏"‏

‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ

একদিন ‘উমার ইবনুল খাত্তাব (রাঃ) একদল মানুষসহ রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)–এর সঙ্গে ইবনু সাইয়্যাদের কাছে গেলেন। তাকে বানী মাগালার কিল্লার কাছে একদল বালকের সাথে ক্রিড়ারত অবস্থায় পেলেন। তখন ইবনু সাইয়্যাদ বয়োঃপ্রাপ্ত হবার কাছাকাছি পৌছে গিয়েছিল। সে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর আগমন টের পাওয়ার আগেই রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নিজ হাত দ্বারা তার পিঠে আঘাত করে বললেন, তুমি কি সাক্ষ্য দিচ্ছ যে, আমি আল্লাহর রসূল? এ কথা শুনে ইবনু সাইয়্যাদ তাঁর প্রতি তাকাল এবং বলল যে, আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আপনি উম্মীদের (নিরক্ষরদের) রসূল। অতঃপর ইবনু সাইয়্যাদ রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে জিজ্ঞেস করল যে, আপনি কি সাক্ষ্য দেন যে, আমি আল্লাহর রসূল। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তার কোন প্রত্যুত্তর দেননি। অধিকন্ত তিনি বললেনঃ আমি ঈমান এনেছি আল্লাহর প্রতি ও তাঁর রসূলদের প্রতি। তারপর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে বললেনঃ তুমি কি দেখতে পাচ্ছ? ইবনু সাইয়্যাদ বলল, আমার নিকট একজন সত্যবাদী ও একজন মিথ্যাবাদী লোক আসে। এ কথা শুনে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে বললেন, তোমার বিষয়টি এলোমেলো হয়ে গেছে। তোমাকে জিজ্ঞেস করার জন্য একটি কথা আমি মনে মনে লুক্কায়িত রেখেছি। শুনামাত্রই ইবনু সাইয়্যাদ বলল, তা হচ্ছে (আরবি) (ধুয়া)। তৎপর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ দূর হয়ে যা। তুই তোর সীমানা অতিক্রম করতে পারবি না। তারপর ‘উমার ইবনুল খাত্তাব (রাঃ) বললেন, হে আল্লাহর রসূল! আমাকে ছেড়ে দিন। আমি তার গর্দান উড়িয়ে দেই। রসূলুল্লাহ (সা) বললেনঃ যদি সে প্রকৃতপক্ষেই দাজ্জাল হয়, তবে তো তাকে হত্যা করতে পারবে না। আর যদি সে দাজ্জাল না হয় তবে তাকে হত্যা করাতে কোন কল্যাণ নেই। (ই.ফা. নেই, ই.সে. ৭১৪৪)

‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ

একদিন ‘উমার ইবনুল খাত্তাব (রাঃ) একদল মানুষসহ রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)–এর সঙ্গে ইবনু সাইয়্যাদের কাছে গেলেন। তাকে বানী মাগালার কিল্লার কাছে একদল বালকের সাথে ক্রিড়ারত অবস্থায় পেলেন। তখন ইবনু সাইয়্যাদ বয়োঃপ্রাপ্ত হবার কাছাকাছি পৌছে গিয়েছিল। সে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর আগমন টের পাওয়ার আগেই রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নিজ হাত দ্বারা তার পিঠে আঘাত করে বললেন, তুমি কি সাক্ষ্য দিচ্ছ যে, আমি আল্লাহর রসূল? এ কথা শুনে ইবনু সাইয়্যাদ তাঁর প্রতি তাকাল এবং বলল যে, আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আপনি উম্মীদের (নিরক্ষরদের) রসূল। অতঃপর ইবনু সাইয়্যাদ রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে জিজ্ঞেস করল যে, আপনি কি সাক্ষ্য দেন যে, আমি আল্লাহর রসূল। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তার কোন প্রত্যুত্তর দেননি। অধিকন্ত তিনি বললেনঃ আমি ঈমান এনেছি আল্লাহর প্রতি ও তাঁর রসূলদের প্রতি। তারপর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে বললেনঃ তুমি কি দেখতে পাচ্ছ? ইবনু সাইয়্যাদ বলল, আমার নিকট একজন সত্যবাদী ও একজন মিথ্যাবাদী লোক আসে। এ কথা শুনে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে বললেন, তোমার বিষয়টি এলোমেলো হয়ে গেছে। তোমাকে জিজ্ঞেস করার জন্য একটি কথা আমি মনে মনে লুক্কায়িত রেখেছি। শুনামাত্রই ইবনু সাইয়্যাদ বলল, তা হচ্ছে (আরবি) (ধুয়া)। তৎপর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ দূর হয়ে যা। তুই তোর সীমানা অতিক্রম করতে পারবি না। তারপর ‘উমার ইবনুল খাত্তাব (রাঃ) বললেন, হে আল্লাহর রসূল! আমাকে ছেড়ে দিন। আমি তার গর্দান উড়িয়ে দেই। রসূলুল্লাহ (সা) বললেনঃ যদি সে প্রকৃতপক্ষেই দাজ্জাল হয়, তবে তো তাকে হত্যা করতে পারবে না। আর যদি সে দাজ্জাল না হয় তবে তাকে হত্যা করাতে কোন কল্যাণ নেই। (ই.ফা. নেই, ই.সে. ৭১৪৪)

حدثني حرملة بن يحيى بن عبد الله بن حرملة بن عمران التجيبي، أخبرني ابن، وهب أخبرني يونس، عن ابن شهاب، عن سالم بن عبد الله، أخبره أن عبد الله بن عمر أخبره أن عمر بن الخطاب انطلق مع رسول الله صلى الله عليه وسلم في رهط قبل ابن صياد حتى وجده يلعب مع الصبيان عند أطم بني مغالة وقد قارب ابن صياد يومئذ الحلم فلم يشعر حتى ضرب رسول الله صلى الله عليه وسلم ظهره بيده ثم قال رسول الله صلى الله عليه وسلم لابن صياد ‏"‏ أتشهد أني رسول الله ‏"‏ ‏.‏ فنظر إليه ابن صياد فقال أشهد أنك رسول الأميين ‏.‏ فقال ابن صياد لرسول الله صلى الله عليه وسلم أتشهد أني رسول الله فرفضه رسول الله صلى الله عليه وسلم وقال ‏"‏ آمنت بالله وبرسله ‏"‏ ‏.‏ ثم قال له رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ ماذا ترى ‏"‏ ‏.‏ قال ابن صياد يأتيني صادق وكاذب فقال له رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ خلط عليك الأمر ‏"‏ ‏.‏ ثم قال له رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ إني قد خبأت لك خبيئا ‏"‏ ‏.‏ فقال ابن صياد ‏"‏ هو الدخ ‏"‏ ‏.‏ فقال له رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ اخسأ فلن تعدو قدرك ‏"‏ ‏.‏ فقال عمر بن الخطاب ذرني يا رسول الله أضرب عنقه ‏.‏ فقال له رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ إن يكنه فلن تسلط عليه وإن لم يكنه فلا خير لك في قتله ‏"‏


সহিহ মুসলিম ৭২৪৭

حدثنا الحسن بن علي الحلواني، وعبد بن حميد، قالا حدثنا يعقوب، - وهو ابن إبراهيم بن سعد - حدثنا أبي، عن صالح، عن ابن شهاب، أخبرني سالم بن عبد الله، أنالله عليه وسلم ومعه رهط من أصحابه فيهم عمر بن الخطاب حتى وجد ابن صياد غلاما قد ناهز الحلم يلعب مع الغلمان عند أطم بني معاوية ‏.‏ وساق الحديث بمثل حديث يونس إلى منتهى حديث عمر بن ثابت وفي الحديث عن يعقوب قال قال أبى - يعني في قوله لو تركته بين - قال لو تركته أمه بين أمره ‏.

সালিম ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাযি:) থেকে বর্নিতঃ

‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাযি:) বলেছেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একদল সহাবার সাথে রওনা হলেন। তাঁদের মধ্যে ‘উমার ইবনুল খাত্তাব (রাযি:)-ও ছিলেন। ইবনু সাইয়্যাদ বয়োঃপ্রাপ্ত হওয়ার কাছাকাছি পৌছেছে। তিনি তাকে বানী মু’আবিয়্যার কিল্লার কাছে অন্যান্য বালকদের সঙ্গে খেলাধুলা অবস্থায় দেখতে পেলেন। অতঃপর তিনি ‘উমার ইবনু সাবিত-এর হাদীসের শেষ পর্যন্ত ইউনুস-এর অবিকল হাদীস বর্ণনা করেছেন। তবে ইয়া’কূব-এর এ হাদীসের মধ্যে এ কথা বর্ধিত বর্ণিত রয়েছে যে, আমার পিতা (আরবী) এর ব্যাখ্যায় বলেছেন আরবী অর্থাৎ তার মা যদি তাকে ঐ অবস্থায় ছেড়ে দিতো তবে তার ব্যাপারটি উম্মোচন হয়ে যেত।(ই.ফা. ৭০৯১, ই.সে. ৭১৪৫)

সালিম ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাযি:) থেকে বর্নিতঃ

‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাযি:) বলেছেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একদল সহাবার সাথে রওনা হলেন। তাঁদের মধ্যে ‘উমার ইবনুল খাত্তাব (রাযি:)-ও ছিলেন। ইবনু সাইয়্যাদ বয়োঃপ্রাপ্ত হওয়ার কাছাকাছি পৌছেছে। তিনি তাকে বানী মু’আবিয়্যার কিল্লার কাছে অন্যান্য বালকদের সঙ্গে খেলাধুলা অবস্থায় দেখতে পেলেন। অতঃপর তিনি ‘উমার ইবনু সাবিত-এর হাদীসের শেষ পর্যন্ত ইউনুস-এর অবিকল হাদীস বর্ণনা করেছেন। তবে ইয়া’কূব-এর এ হাদীসের মধ্যে এ কথা বর্ধিত বর্ণিত রয়েছে যে, আমার পিতা (আরবী) এর ব্যাখ্যায় বলেছেন আরবী অর্থাৎ তার মা যদি তাকে ঐ অবস্থায় ছেড়ে দিতো তবে তার ব্যাপারটি উম্মোচন হয়ে যেত।(ই.ফা. ৭০৯১, ই.সে. ৭১৪৫)

حدثنا الحسن بن علي الحلواني، وعبد بن حميد، قالا حدثنا يعقوب، - وهو ابن إبراهيم بن سعد - حدثنا أبي، عن صالح، عن ابن شهاب، أخبرني سالم بن عبد الله، أنالله عليه وسلم ومعه رهط من أصحابه فيهم عمر بن الخطاب حتى وجد ابن صياد غلاما قد ناهز الحلم يلعب مع الغلمان عند أطم بني معاوية ‏.‏ وساق الحديث بمثل حديث يونس إلى منتهى حديث عمر بن ثابت وفي الحديث عن يعقوب قال قال أبى - يعني في قوله لو تركته بين - قال لو تركته أمه بين أمره ‏.


সহিহ মুসলিম ৭২৪৮

وحدثنا عبد بن حميد، وسلمة بن شبيب، جميعا عن عبد الرزاق، أخبرنا معمر، عن الزهري، عن سالم، عن ابن عمر، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم مر بابن صياد في نفر من أصحابه فيهم عمر بن الخطاب وهو يلعب مع الغلمان عند أطم بني مغالة وهو غلام ‏.‏ بمعنى حديث يونس وصالح غير أن عبد بن حميد لم يذكر حديث ابن عمر في انطلاق النبي صلى الله عليه وسلم مع أبى بن كعب إلى النخل ‏.‏

ইবনু ‘উমার (রাযি:) থেকে বর্নিতঃ

একদা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একদল সহাবাদের নিয়ে ইবনু সাইয়্যাদ-এর কাছে গেলেন। এদের মাঝে ‘উমার ইবনুল খাত্তাব (রাযি:)-ও ছিলেন। এমন সময় সে বানী মাগালার দুর্গের পাশে একদল বালকের সঙ্গে ক্রীড়ারত অবস্থায় ছিল। তখন সে বালক ছিল। বর্ণনাকারী এ হাদীসটি ইউনুস এবং মালিক এর অবিকল বর্ণনা করেছেন। তবে ‘আব্দ ইবনু হুমায়দ (রহঃ) ইবনু ‘উমার–এর হাদীস তথা উবাই ইবনু কা’বের সঙ্গে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর বাগানের দিকে রওয়ানার হাদীসটি উল্লেখ করেননি। (ই.ফা. ৭০৯২, ই.সে. ৭১৪৬)

ইবনু ‘উমার (রাযি:) থেকে বর্নিতঃ

একদা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একদল সহাবাদের নিয়ে ইবনু সাইয়্যাদ-এর কাছে গেলেন। এদের মাঝে ‘উমার ইবনুল খাত্তাব (রাযি:)-ও ছিলেন। এমন সময় সে বানী মাগালার দুর্গের পাশে একদল বালকের সঙ্গে ক্রীড়ারত অবস্থায় ছিল। তখন সে বালক ছিল। বর্ণনাকারী এ হাদীসটি ইউনুস এবং মালিক এর অবিকল বর্ণনা করেছেন। তবে ‘আব্দ ইবনু হুমায়দ (রহঃ) ইবনু ‘উমার–এর হাদীস তথা উবাই ইবনু কা’বের সঙ্গে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর বাগানের দিকে রওয়ানার হাদীসটি উল্লেখ করেননি। (ই.ফা. ৭০৯২, ই.সে. ৭১৪৬)

وحدثنا عبد بن حميد، وسلمة بن شبيب، جميعا عن عبد الرزاق، أخبرنا معمر، عن الزهري، عن سالم، عن ابن عمر، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم مر بابن صياد في نفر من أصحابه فيهم عمر بن الخطاب وهو يلعب مع الغلمان عند أطم بني مغالة وهو غلام ‏.‏ بمعنى حديث يونس وصالح غير أن عبد بن حميد لم يذكر حديث ابن عمر في انطلاق النبي صلى الله عليه وسلم مع أبى بن كعب إلى النخل ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৭২৪৯

حدثنا عبد بن حميد، حدثنا روح بن عبادة، حدثنا هشام، عن أيوب، عن نافع، قال لقي ابن عمر ابن صائد في بعض طرق المدينة فقال له قولا أغضبه فانتفخ حتى ملأ السكة فدخل ابن عمر على حفصة وقد بلغها فقالت له رحمك الله ما أردت من ابن صائد أما علمت أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ إنما يخرج من غضبة يغضبها ‏"‏ ‏.‏

নাফি’ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, মাদীনার কোন এক রাস্তায় ইবনু ‘উমার (রাযি:) ইবনু সাইয়্যাদ-এর সাথে দেখা হলে তিনি তাকে এমন কতিপয় কথা বলেন, যার ফলে সে ক্রোধান্বিত হয়ে গেল। সে ক্রোধে এমন ফুলল যে, সমস্ত রাস্তা জুড়ে ফেলল। অতঃপর ইবনু ‘উমার (রাযি:) হাফসাহ্ (রাযি:)-এর কাছে গেলেন। তিনি আগেই এ ঘটনার ব্যাপারে সবিশেষ অবহিত ছিলেন। তিনি বললেন, আল্লাহ তা’আলা আপনার প্রতি রহম করুন। আপনি ইবনু সাইয়্যাদ সম্পর্কে কি ইচ্ছা পোষণ করছেন? আপনি কি জানেন না যে, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ দাজ্জাল সর্বপ্রথম ক্রোধের মাধ্যমে বহিঃপ্রকাশ ঘটাবে। (ই.ফা. ৭০৯৩, ই.সে. ৭১৪৭)

নাফি’ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, মাদীনার কোন এক রাস্তায় ইবনু ‘উমার (রাযি:) ইবনু সাইয়্যাদ-এর সাথে দেখা হলে তিনি তাকে এমন কতিপয় কথা বলেন, যার ফলে সে ক্রোধান্বিত হয়ে গেল। সে ক্রোধে এমন ফুলল যে, সমস্ত রাস্তা জুড়ে ফেলল। অতঃপর ইবনু ‘উমার (রাযি:) হাফসাহ্ (রাযি:)-এর কাছে গেলেন। তিনি আগেই এ ঘটনার ব্যাপারে সবিশেষ অবহিত ছিলেন। তিনি বললেন, আল্লাহ তা’আলা আপনার প্রতি রহম করুন। আপনি ইবনু সাইয়্যাদ সম্পর্কে কি ইচ্ছা পোষণ করছেন? আপনি কি জানেন না যে, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ দাজ্জাল সর্বপ্রথম ক্রোধের মাধ্যমে বহিঃপ্রকাশ ঘটাবে। (ই.ফা. ৭০৯৩, ই.সে. ৭১৪৭)

حدثنا عبد بن حميد، حدثنا روح بن عبادة، حدثنا هشام، عن أيوب، عن نافع، قال لقي ابن عمر ابن صائد في بعض طرق المدينة فقال له قولا أغضبه فانتفخ حتى ملأ السكة فدخل ابن عمر على حفصة وقد بلغها فقالت له رحمك الله ما أردت من ابن صائد أما علمت أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ إنما يخرج من غضبة يغضبها ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৭২৫০

حدثنا محمد بن المثنى، حدثنا حسين، - يعني ابن حسن بن يسار - حدثنا ابن، عون عن نافع، قال كان نافع يقول ابن صياد ‏.‏ قال قال ابن عمر لقيته مرتين - قال - فلقيته فقلت لبعضهم هل تحدثون أنه هو قال لا والله - قال - قلت كذبتني والله لقد أخبرني بعضكم أنه لن يموت حتى يكون أكثركم مالا وولدا فكذلك هو زعموا اليوم - قال - فتحدثنا ثم فارقته - قال - فلقيته لقية أخرى وقد نفرت عينه - قال - فقلت متى فعلت عينك ما أرى قال لا أدري - قال - قلت لا تدري وهي في رأسك قال إن شاء الله خلقها في عصاك هذه ‏.‏ قال فنخر كأشد نخير حمار سمعت - قال - فزعم بعض أصحابي أني ضربته بعصا كانت معي حتى تكسرت وأما أنا فوالله ما شعرت - قال - وجاء حتى دخل على أم المؤمنين فحدثها فقالت ما تريد إليه ألم تعلم أنه قد قال ‏ "‏ إن أول ما يبعثه على الناس غضب يغضبه ‏"‏ ‏.‏

নাফি’ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

ইবনু ‘উমার (রাযি:) বলেন, ইবনু সাইয়্যাদ-এর সঙ্গে আমার দু’বার দেখা হয়েছে। একবার দেখার পর আমি জনৈক লোককে প্রশ্ন করলাম, আপনি বলেন যে, ইবনু সাইয়্যাদই দাজ্জাল? উত্তরে সে বলল, আল্লাহর শপথ, কখনো না। আমি বললাম, তাহলে তো তুমি আমাকে মিথ্যা প্রতিপন্ন করছো। আল্লাহর শপথ! তোমাদের এক লোক তো আমাকে এ মর্মে খবর দিয়েছে যে, সে মৃত্যুবরণ করবে না, যতক্ষণ পর্যন্ত তোমাদের চাইতে সর্বাধিক বিত্তশালী এবং সন্তান-সন্ততি সম্পন্ন না হবে। আজ তো অনুরুপই হয়েছে বলে সে মন্তব্য করছে। তারপর ইবনু সাইয়্যাদ আমাদের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা করল। এরপর আমি তার থেকে সরে পড়লাম। ইবনু সাইয়্যাদ-এর সাথে আরেকবার আমার সাক্ষাৎ হয়েছে। তখন তার চোখ ফোলা অবস্থায় ছিল। আমি তাকে বললাম, তোমার চোখের এ কি অবস্থা, আমি কি দেখতে পাচ্ছি? সে বলল, আমি জানি না। আমি বললাম, তোমার মাথায় চোখ অথচ তুমি জান না! তারপর সে বলল, আল্লাহ ইচ্ছা করলে তোমার এ লাঠিতেও তিনি চোখ সৃষ্টি করে দিতে পারেন। এরপর সে গাধার চেয়েও বিকট শব্দে চিৎকার করল যা আমি ইতোপূর্বে শুনিনি। আমার কোন সাথী ধারণা করছে যে, আমি তাকে আমার সাথে থাকা লাঠি দ্বারা সজোরে আঘাত করেছি যাতে লাঠি ভেঙ্গে গেছে। আল্লাহর শপথ, অথচ এ সম্পর্কে আমি একেবারে অজ্ঞাত ছিলাম। নাফি’ (রহঃ) বলেন, তারপর ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাযি:) উম্মুল মু’মিনীন হাফসাহ্ (রাযি:)-এর নিকট এলেন এবং তার কাছে এ ঘটনা বর্ণনা করলেন। এ কথা শুনে তিনি বললেন, ইবনু সাইয়্যাদ–এর নিকট আপনার কি প্রয়োজন ছিল? আপনি কি জানেন না যে, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ কারো প্রতি ভীষণ রাগই সর্বপ্রথম দাজ্জালকে মানুষের সম্মুখে প্রকাশ ঘটবে। (ই.ফা. ৭০৯৪, ই.সে. ৭১৪৮)

নাফি’ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

ইবনু ‘উমার (রাযি:) বলেন, ইবনু সাইয়্যাদ-এর সঙ্গে আমার দু’বার দেখা হয়েছে। একবার দেখার পর আমি জনৈক লোককে প্রশ্ন করলাম, আপনি বলেন যে, ইবনু সাইয়্যাদই দাজ্জাল? উত্তরে সে বলল, আল্লাহর শপথ, কখনো না। আমি বললাম, তাহলে তো তুমি আমাকে মিথ্যা প্রতিপন্ন করছো। আল্লাহর শপথ! তোমাদের এক লোক তো আমাকে এ মর্মে খবর দিয়েছে যে, সে মৃত্যুবরণ করবে না, যতক্ষণ পর্যন্ত তোমাদের চাইতে সর্বাধিক বিত্তশালী এবং সন্তান-সন্ততি সম্পন্ন না হবে। আজ তো অনুরুপই হয়েছে বলে সে মন্তব্য করছে। তারপর ইবনু সাইয়্যাদ আমাদের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা করল। এরপর আমি তার থেকে সরে পড়লাম। ইবনু সাইয়্যাদ-এর সাথে আরেকবার আমার সাক্ষাৎ হয়েছে। তখন তার চোখ ফোলা অবস্থায় ছিল। আমি তাকে বললাম, তোমার চোখের এ কি অবস্থা, আমি কি দেখতে পাচ্ছি? সে বলল, আমি জানি না। আমি বললাম, তোমার মাথায় চোখ অথচ তুমি জান না! তারপর সে বলল, আল্লাহ ইচ্ছা করলে তোমার এ লাঠিতেও তিনি চোখ সৃষ্টি করে দিতে পারেন। এরপর সে গাধার চেয়েও বিকট শব্দে চিৎকার করল যা আমি ইতোপূর্বে শুনিনি। আমার কোন সাথী ধারণা করছে যে, আমি তাকে আমার সাথে থাকা লাঠি দ্বারা সজোরে আঘাত করেছি যাতে লাঠি ভেঙ্গে গেছে। আল্লাহর শপথ, অথচ এ সম্পর্কে আমি একেবারে অজ্ঞাত ছিলাম। নাফি’ (রহঃ) বলেন, তারপর ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাযি:) উম্মুল মু’মিনীন হাফসাহ্ (রাযি:)-এর নিকট এলেন এবং তার কাছে এ ঘটনা বর্ণনা করলেন। এ কথা শুনে তিনি বললেন, ইবনু সাইয়্যাদ–এর নিকট আপনার কি প্রয়োজন ছিল? আপনি কি জানেন না যে, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ কারো প্রতি ভীষণ রাগই সর্বপ্রথম দাজ্জালকে মানুষের সম্মুখে প্রকাশ ঘটবে। (ই.ফা. ৭০৯৪, ই.সে. ৭১৪৮)

حدثنا محمد بن المثنى، حدثنا حسين، - يعني ابن حسن بن يسار - حدثنا ابن، عون عن نافع، قال كان نافع يقول ابن صياد ‏.‏ قال قال ابن عمر لقيته مرتين - قال - فلقيته فقلت لبعضهم هل تحدثون أنه هو قال لا والله - قال - قلت كذبتني والله لقد أخبرني بعضكم أنه لن يموت حتى يكون أكثركم مالا وولدا فكذلك هو زعموا اليوم - قال - فتحدثنا ثم فارقته - قال - فلقيته لقية أخرى وقد نفرت عينه - قال - فقلت متى فعلت عينك ما أرى قال لا أدري - قال - قلت لا تدري وهي في رأسك قال إن شاء الله خلقها في عصاك هذه ‏.‏ قال فنخر كأشد نخير حمار سمعت - قال - فزعم بعض أصحابي أني ضربته بعصا كانت معي حتى تكسرت وأما أنا فوالله ما شعرت - قال - وجاء حتى دخل على أم المؤمنين فحدثها فقالت ما تريد إليه ألم تعلم أنه قد قال ‏ "‏ إن أول ما يبعثه على الناس غضب يغضبه ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৭২৪৫

وقال سالم بن عبد الله سمعت عبد الله بن عمر، يقول انطلق بعد ذلك رسول الله صلى الله عليه وسلم وأبى بن كعب الأنصاري إلى النخل التي فيها ابن صياد حتى إذا دخل رسول الله صلى الله عليه وسلم النخل طفق يتقي بجذوع النخل وهو يختل أن يسمع من ابن صياد شيئا قبل أن يراه ابن صياد فرآه رسول الله صلى الله عليه وسلم وهو مضطجع على فراش في قطيفة له فيها زمزمة فرأت أم ابن صياد رسول الله صلى الله عليه وسلم وهو يتقي بجذوع النخل فقالت لابن صياد يا صاف - وهو اسم ابن صياد - هذا محمد ‏.‏ فثار ابن صياد ‏.‏ فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ لو تركته بين ‏"

সালিম ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

আমি ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ)- কে বলতে শুনেছি, অতঃপর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এবং উবাই ইবনু কা’ব আনসারী (রাঃ) সে বাগিচার দিকে চললেন, যেখানে ইবনু সাইয়্যাদ বসবাস করত। বাগিচার মধ্যে এসে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) গাছের আড়ালে লুকাতে চেষ্টা করছিলেন, যাতে ইবনু সাইয়্যাদ তাঁকে দেখার আগেই তিনি তার কথা শুনে নেন। তারপর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে দেখলেন যে, সে তার বিছানায় একটি মখমলের চাদর গায়ে দিয়ে শুয়ে আছে এবং তার গুনগুন আওয়াজ শুনা যাচ্ছে। এদিকে ইবনু সাইয়্যাদের মা রসূলুল্লাহ(সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে দেখল যে, তিনি গাছের আড়ালে লুকানোর চেষ্টা করছেন। সে হঠাৎ ইবনু সাইয়্যাদকে বলে উঠল, হে সাফ! এটা ইবনু সাইয়্যাদ-এর নাম। মুহাম্মাদ এসে গেছে। এ কথা শুনতেই ইবনু সাইয়্যাদ বিছানা ছেড়ে উঠে দাঁড়িয়ে গেল। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, তার মা তাকে সতর্ক না করলে সে রহস্য উদঘাটিত হতো। (ই.ফা. ৭০৯০, ই.সে. ৭১৪৪)

সালিম ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

আমি ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ)- কে বলতে শুনেছি, অতঃপর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এবং উবাই ইবনু কা’ব আনসারী (রাঃ) সে বাগিচার দিকে চললেন, যেখানে ইবনু সাইয়্যাদ বসবাস করত। বাগিচার মধ্যে এসে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) গাছের আড়ালে লুকাতে চেষ্টা করছিলেন, যাতে ইবনু সাইয়্যাদ তাঁকে দেখার আগেই তিনি তার কথা শুনে নেন। তারপর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে দেখলেন যে, সে তার বিছানায় একটি মখমলের চাদর গায়ে দিয়ে শুয়ে আছে এবং তার গুনগুন আওয়াজ শুনা যাচ্ছে। এদিকে ইবনু সাইয়্যাদের মা রসূলুল্লাহ(সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে দেখল যে, তিনি গাছের আড়ালে লুকানোর চেষ্টা করছেন। সে হঠাৎ ইবনু সাইয়্যাদকে বলে উঠল, হে সাফ! এটা ইবনু সাইয়্যাদ-এর নাম। মুহাম্মাদ এসে গেছে। এ কথা শুনতেই ইবনু সাইয়্যাদ বিছানা ছেড়ে উঠে দাঁড়িয়ে গেল। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, তার মা তাকে সতর্ক না করলে সে রহস্য উদঘাটিত হতো। (ই.ফা. ৭০৯০, ই.সে. ৭১৪৪)

وقال سالم بن عبد الله سمعت عبد الله بن عمر، يقول انطلق بعد ذلك رسول الله صلى الله عليه وسلم وأبى بن كعب الأنصاري إلى النخل التي فيها ابن صياد حتى إذا دخل رسول الله صلى الله عليه وسلم النخل طفق يتقي بجذوع النخل وهو يختل أن يسمع من ابن صياد شيئا قبل أن يراه ابن صياد فرآه رسول الله صلى الله عليه وسلم وهو مضطجع على فراش في قطيفة له فيها زمزمة فرأت أم ابن صياد رسول الله صلى الله عليه وسلم وهو يتقي بجذوع النخل فقالت لابن صياد يا صاف - وهو اسم ابن صياد - هذا محمد ‏.‏ فثار ابن صياد ‏.‏ فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ لو تركته بين ‏"


সহিহ মুসলিম ৭২৪৬

قال سالم قال عبد الله بن عمر فقام رسول الله صلى الله عليه وسلم في الناس فأثنى على الله بما هو أهله ثم ذكر الدجال فقال ‏"‏ إني لأنذركموه ما من نبي إلا وقد أنذره قومه لقد أنذره نوح قومه ولكن أقول لكم فيه قولا لم يقله نبي لقومه تعلموا أنه أعور وأن الله تبارك وتعالى ليس بأعور ‏"‏ ‏.‏ قال ابن شهاب وأخبرني عمر بن ثابت الأنصاري أنه أخبره بعض أصحاب رسول الله صلى الله عليه وسلم أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال يوم حذر الناس الدجال ‏"‏ إنه مكتوب بين عينيه كافر يقرؤه من كره عمله أو يقرؤه كل مؤمن ‏"‏ ‏.‏ وقال ‏"‏ تعلموا أنه لن يرى أحد منكم ربه عز وجل حتى يموت ‏"

সালিম (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাযি:) বলেছেন, এরপর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মুসলিমদের উদ্দেশে একটি বক্তৃতা দিলেন। তাতে তিনি আল্লাহ তা’আলার যথাযোগ্য প্রশংসা ও গুণগান করে দাজ্জালের কথা বর্ণনা করে বললেনঃ আমি তোমাদেরকে দাজ্জালের ফিতনার ব্যাপারে সাবধান করছি, যেমন প্রত্যেক নবী তাঁর সম্প্রদায়কে এ ব্যাপারে সাবধান করেছেন, এমনকি নূহ (‘আঃ)-ও তাঁর সম্প্রদায়কে এ ব্যাপারে সাবধান করেছেন। তবে এ সম্পর্কে আমি তোমাদেরকে এমন একটি বিষয় পরিষ্কারভাবে বলে দিচ্ছি, যা কোন নবী তাঁর সম্প্রদায়কে বলেননি। তা হলো এই যে, তোমরা জেনে রাখো, দাজ্জাল কানা হবে। আল্লাহ তা’আলা কানা নন। ইবনু শিহাব (রহঃ) বলেন, আমাকে ‘উমার ইবনু সাবিত আল আনসারী জানিয়েছেন, জনৈক সহাবা আমাকে অবহিত করেছেন যেদিন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) লোকেদেরকে দাজ্জাল সম্পর্কে সাবধান করেছেন সেদিন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এ কথা বলেছেন, তার চক্ষুদ্বয়ের মধ্যস্থলে ‘কাফির’ লেখা থাকবে। যে ব্যক্তি তার কার্যক্রম পছন্দ করবে না সে তা পাঠ করতে পারবে কিংবা প্রত্যক মু’মিন মাত্রই তা পাঠ করতে সক্ষম হবে। তিনি এ-ও বলেছেন যে, তোমরা জেনে রাখো যে, তোমাদের কোন লোক মৃত্যুর আগে তার রবকে কক্ষনো দেখতে পারবে না। (ই.ফা. ৭০৯০, ই.সে. ৭১৪৪)

সালিম (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাযি:) বলেছেন, এরপর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মুসলিমদের উদ্দেশে একটি বক্তৃতা দিলেন। তাতে তিনি আল্লাহ তা’আলার যথাযোগ্য প্রশংসা ও গুণগান করে দাজ্জালের কথা বর্ণনা করে বললেনঃ আমি তোমাদেরকে দাজ্জালের ফিতনার ব্যাপারে সাবধান করছি, যেমন প্রত্যেক নবী তাঁর সম্প্রদায়কে এ ব্যাপারে সাবধান করেছেন, এমনকি নূহ (‘আঃ)-ও তাঁর সম্প্রদায়কে এ ব্যাপারে সাবধান করেছেন। তবে এ সম্পর্কে আমি তোমাদেরকে এমন একটি বিষয় পরিষ্কারভাবে বলে দিচ্ছি, যা কোন নবী তাঁর সম্প্রদায়কে বলেননি। তা হলো এই যে, তোমরা জেনে রাখো, দাজ্জাল কানা হবে। আল্লাহ তা’আলা কানা নন। ইবনু শিহাব (রহঃ) বলেন, আমাকে ‘উমার ইবনু সাবিত আল আনসারী জানিয়েছেন, জনৈক সহাবা আমাকে অবহিত করেছেন যেদিন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) লোকেদেরকে দাজ্জাল সম্পর্কে সাবধান করেছেন সেদিন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এ কথা বলেছেন, তার চক্ষুদ্বয়ের মধ্যস্থলে ‘কাফির’ লেখা থাকবে। যে ব্যক্তি তার কার্যক্রম পছন্দ করবে না সে তা পাঠ করতে পারবে কিংবা প্রত্যক মু’মিন মাত্রই তা পাঠ করতে সক্ষম হবে। তিনি এ-ও বলেছেন যে, তোমরা জেনে রাখো যে, তোমাদের কোন লোক মৃত্যুর আগে তার রবকে কক্ষনো দেখতে পারবে না। (ই.ফা. ৭০৯০, ই.সে. ৭১৪৪)

قال سالم قال عبد الله بن عمر فقام رسول الله صلى الله عليه وسلم في الناس فأثنى على الله بما هو أهله ثم ذكر الدجال فقال ‏"‏ إني لأنذركموه ما من نبي إلا وقد أنذره قومه لقد أنذره نوح قومه ولكن أقول لكم فيه قولا لم يقله نبي لقومه تعلموا أنه أعور وأن الله تبارك وتعالى ليس بأعور ‏"‏ ‏.‏ قال ابن شهاب وأخبرني عمر بن ثابت الأنصاري أنه أخبره بعض أصحاب رسول الله صلى الله عليه وسلم أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال يوم حذر الناس الدجال ‏"‏ إنه مكتوب بين عينيه كافر يقرؤه من كره عمله أو يقرؤه كل مؤمن ‏"‏ ‏.‏ وقال ‏"‏ تعلموا أنه لن يرى أحد منكم ربه عز وجل حتى يموت ‏"


সহিহ মুসলিম > দাজ্জাল এর বর্ণনা, তার পরিচয় এবং তার সাথে যা থাকবে

সহিহ মুসলিম ৭২৫৩

حدثنا محمد بن المثنى، ومحمد بن بشار، قالا حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، عن قتادة، قال سمعت أنس بن مالك، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ ما من نبي إلا وقد أنذر أمته الأعور الكذاب ألا إنه أعور وإن ربكم ليس بأعور ومكتوب بين عينيه ك ف ر ‏"‏ ‏.‏

আনাস ইবনু মালিক (রাযি:) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ সকল নাবীই তার উম্মাতকে কানা মিথ্যাবাদী (দাজ্জাল) সম্পর্কে সাবধান করেছেন। সাবধান! দাজ্জাল কানা হবে। তোমাদের রব কানা নন। দাজ্জালের দু’চোখের মধ্যস্থলে ……..(আরবী) অর্থাৎ …(আরবী) (কাফির) লেখা থাকবে। (ই.ফা. ৭০৯৭, ই.সে. ৭১৫১)

আনাস ইবনু মালিক (রাযি:) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ সকল নাবীই তার উম্মাতকে কানা মিথ্যাবাদী (দাজ্জাল) সম্পর্কে সাবধান করেছেন। সাবধান! দাজ্জাল কানা হবে। তোমাদের রব কানা নন। দাজ্জালের দু’চোখের মধ্যস্থলে ……..(আরবী) অর্থাৎ …(আরবী) (কাফির) লেখা থাকবে। (ই.ফা. ৭০৯৭, ই.সে. ৭১৫১)

حدثنا محمد بن المثنى، ومحمد بن بشار، قالا حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، عن قتادة، قال سمعت أنس بن مالك، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ ما من نبي إلا وقد أنذر أمته الأعور الكذاب ألا إنه أعور وإن ربكم ليس بأعور ومكتوب بين عينيه ك ف ر ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৭২৫৪

حدثنا ابن المثنى، وابن، بشار - واللفظ لابن المثنى - قالا حدثنا معاذ بن هشام، حدثني أبي، عن قتادة، حدثنا أنس بن مالك، أن نبي الله صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ الدجال مكتوب بين عينيه ك ف ر أى كافر ‏"‏ ‏.‏

আনাস ইবনু মালিক (রাযি:) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, দাজ্জালের দু’চোখের মধ্যস্থলে....(আরবী) অর্থাৎ ‘কাফির’ লেখা থাকবে। (ই.ফা. ৭০৯৮, ই.সে. ৭১৫২)

আনাস ইবনু মালিক (রাযি:) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, দাজ্জালের দু’চোখের মধ্যস্থলে....(আরবী) অর্থাৎ ‘কাফির’ লেখা থাকবে। (ই.ফা. ৭০৯৮, ই.সে. ৭১৫২)

حدثنا ابن المثنى، وابن، بشار - واللفظ لابن المثنى - قالا حدثنا معاذ بن هشام، حدثني أبي، عن قتادة، حدثنا أنس بن مالك، أن نبي الله صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ الدجال مكتوب بين عينيه ك ف ر أى كافر ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৭২৫১

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا أبو أسامة، ومحمد بن بشر، قالا حدثنا عبيد، الله عن نافع، عن ابن عمر، ح وحدثنا ابن نمير، - واللفظ له - حدثنا محمد بن بشر، حدثنا عبيد الله، عن نافع، عن ابن عمر، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم ذكر الدجال بين ظهرانى الناس فقال ‏ "‏ إن الله تعالى ليس بأعور ‏.‏ ألا وإن المسيح الدجال أعور العين اليمنى كأن عينه عنبة طافئة ‏"‏ ‏.

ইবনু ‘উমার (রাযি:) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মানুষের মধ্যে দাজ্জালের আলাপ-আলোচনা করে বললেন, আল্লাহ তা’আলা অন্ধ নন। কিন্তু সতর্ক হও! দাজ্জালের ডান চোখ কানা হবে। আর তা আঙ্গুরের মতো ফোলা হবে। (ই.ফা. ৭০৯৫, ই.সে. ৭১৪৯)

ইবনু ‘উমার (রাযি:) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মানুষের মধ্যে দাজ্জালের আলাপ-আলোচনা করে বললেন, আল্লাহ তা’আলা অন্ধ নন। কিন্তু সতর্ক হও! দাজ্জালের ডান চোখ কানা হবে। আর তা আঙ্গুরের মতো ফোলা হবে। (ই.ফা. ৭০৯৫, ই.সে. ৭১৪৯)

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا أبو أسامة، ومحمد بن بشر، قالا حدثنا عبيد، الله عن نافع، عن ابن عمر، ح وحدثنا ابن نمير، - واللفظ له - حدثنا محمد بن بشر، حدثنا عبيد الله، عن نافع، عن ابن عمر، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم ذكر الدجال بين ظهرانى الناس فقال ‏ "‏ إن الله تعالى ليس بأعور ‏.‏ ألا وإن المسيح الدجال أعور العين اليمنى كأن عينه عنبة طافئة ‏"‏ ‏.


সহিহ মুসলিম ৭২৫৬

حدثنا محمد بن عبد الله بن نمير، ومحمد بن العلاء، وإسحاق بن إبراهيم، قال إسحاق أخبرنا وقال الآخران، حدثنا أبو معاوية، عن الأعمش، عن شقيق، عن حذيفة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ الدجال أعور العين اليسرى جفال الشعر معه جنة ونار فناره جنة وجنته نار ‏"‏ ‏.‏

হুযাইফাহ্ (রাযি:) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ দাজ্জালের বামচোখ কানা হবে। তার দেহে ঘন পশম হবে। তার সাথে থাকবে জান্নাত ও জাহান্নামের চিত্র। প্রকৃতপক্ষে তার জাহান্নাম জান্নাত হবে এবং তার জান্নাত জাহান্নাম বলে গণ্য হবে। (ই.ফা. ৭১০০, ই.সে. ৭১৫৪)

হুযাইফাহ্ (রাযি:) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ দাজ্জালের বামচোখ কানা হবে। তার দেহে ঘন পশম হবে। তার সাথে থাকবে জান্নাত ও জাহান্নামের চিত্র। প্রকৃতপক্ষে তার জাহান্নাম জান্নাত হবে এবং তার জান্নাত জাহান্নাম বলে গণ্য হবে। (ই.ফা. ৭১০০, ই.সে. ৭১৫৪)

حدثنا محمد بن عبد الله بن نمير، ومحمد بن العلاء، وإسحاق بن إبراهيم، قال إسحاق أخبرنا وقال الآخران، حدثنا أبو معاوية، عن الأعمش، عن شقيق، عن حذيفة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ الدجال أعور العين اليسرى جفال الشعر معه جنة ونار فناره جنة وجنته نار ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৭২৫৫

وحدثني زهير بن حرب، حدثنا عفان، حدثنا عبد الوارث، عن شعيب بن الحبحاب، عن أنس بن مالك، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ الدجال ممسوح العين مكتوب بين عينيه كافر ‏"‏ ‏.‏ ثم تهجاها ك ف ر ‏"‏ يقرؤه كل مسلم ‏"‏ ‏.

আনাস ইবনু মালিক (রাযি:) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ দাজ্জালের চোখ ফোলা হবে। তার উভয় চোখের মধ্যস্থলে কাফির লেখা থাকবে। অতঃপর তিনি এক একটি হরফ উচ্চারণ করে বললেন, …(আরবী) আর প্রত্যেক মুসলিম মাত্রই এ লেখা পাঠ করতে পারবে। (ই.ফা. ৭০৯৯, ই.সে. ৭১৫৩)

আনাস ইবনু মালিক (রাযি:) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ দাজ্জালের চোখ ফোলা হবে। তার উভয় চোখের মধ্যস্থলে কাফির লেখা থাকবে। অতঃপর তিনি এক একটি হরফ উচ্চারণ করে বললেন, …(আরবী) আর প্রত্যেক মুসলিম মাত্রই এ লেখা পাঠ করতে পারবে। (ই.ফা. ৭০৯৯, ই.সে. ৭১৫৩)

وحدثني زهير بن حرب، حدثنا عفان، حدثنا عبد الوارث، عن شعيب بن الحبحاب، عن أنس بن مالك، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ الدجال ممسوح العين مكتوب بين عينيه كافر ‏"‏ ‏.‏ ثم تهجاها ك ف ر ‏"‏ يقرؤه كل مسلم ‏"‏ ‏.


সহিহ মুসলিম ৭২৫৭

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا يزيد بن هارون، عن أبي مالك الأشجعي، عن ربعي بن حراش، عن حذيفة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ لأنا أعلم بما مع الدجال منه معه نهران يجريان أحدهما رأى العين ماء أبيض والآخر رأى العين نار تأجج فإما أدركن أحد فليأت النهر الذي يراه نارا وليغمض ثم ليطأطئ رأسه فيشرب منه فإنه ماء بارد وإن الدجال ممسوح العين عليها ظفرة غليظة مكتوب بين عينيه كافر يقرؤه كل مؤمن كاتب وغير كاتب ‏"‏ ‏.‏

হুযাইফাহ্ (রাযি:) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ দাজ্জালের সাথে কি থাকবে, এ সম্পর্কে আমি নিশ্চিত অবগত আছি। তার সাথে প্রবাহমান দু’টি নহর থাকবে। একটি দৃশ্যত ধবধবে সাদা পানি বিশিষ্ট এবং অপরটি দৃশ্যত লেলিহান অগ্নির মতো হবে। যদি কেউ সুযোগ পায় তবে সে যেন ঐ নহরে প্রবেশ করে যাকে দৃশ্যত অগ্নি মনে হবে এবং চক্ষু বন্ধ করতঃ মাথা অবনমিত করে সে যেন সেটা থেকে পানি পান করে। সেটা হবে ঠান্ডা পানি। দাজ্জালের চক্ষু লেপা হবে এবং তার চোখের উপর নখের মতো পুরু চামড়া থাকবে এবং উভয় চোখের মাঝখানে পৃথক-পৃথকভাবে কাফির লেখা থাকবে। শিক্ষিত অশিক্ষিত নির্বিশেষে সকল মূ’মিন ব্যক্তি এ লেখা পাঠ করতে পারবে। (ই.ফা. ৭১০১, ই.সে. ৭১৫৫)

হুযাইফাহ্ (রাযি:) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ দাজ্জালের সাথে কি থাকবে, এ সম্পর্কে আমি নিশ্চিত অবগত আছি। তার সাথে প্রবাহমান দু’টি নহর থাকবে। একটি দৃশ্যত ধবধবে সাদা পানি বিশিষ্ট এবং অপরটি দৃশ্যত লেলিহান অগ্নির মতো হবে। যদি কেউ সুযোগ পায় তবে সে যেন ঐ নহরে প্রবেশ করে যাকে দৃশ্যত অগ্নি মনে হবে এবং চক্ষু বন্ধ করতঃ মাথা অবনমিত করে সে যেন সেটা থেকে পানি পান করে। সেটা হবে ঠান্ডা পানি। দাজ্জালের চক্ষু লেপা হবে এবং তার চোখের উপর নখের মতো পুরু চামড়া থাকবে এবং উভয় চোখের মাঝখানে পৃথক-পৃথকভাবে কাফির লেখা থাকবে। শিক্ষিত অশিক্ষিত নির্বিশেষে সকল মূ’মিন ব্যক্তি এ লেখা পাঠ করতে পারবে। (ই.ফা. ৭১০১, ই.সে. ৭১৫৫)

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا يزيد بن هارون، عن أبي مالك الأشجعي، عن ربعي بن حراش، عن حذيفة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ لأنا أعلم بما مع الدجال منه معه نهران يجريان أحدهما رأى العين ماء أبيض والآخر رأى العين نار تأجج فإما أدركن أحد فليأت النهر الذي يراه نارا وليغمض ثم ليطأطئ رأسه فيشرب منه فإنه ماء بارد وإن الدجال ممسوح العين عليها ظفرة غليظة مكتوب بين عينيه كافر يقرؤه كل مؤمن كاتب وغير كاتب ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৭২৫৮

حدثنا عبيد الله بن معاذ، حدثنا أبي، حدثنا شعبة، ح وحدثنا محمد بن المثنى، - واللفظ له - حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، عن عبد الملك بن عمير، عن ربعي بن، حراش عن حذيفة، عن النبي صلى الله عليه وسلم أنه قال في الدجال ‏ "‏ إن معه ماء ونارا فناره ماء بارد وماؤه نار فلا تهلكوا ‏"

হুযাইফাহ্ (রাযি:)-এর সূত্রে নাবী (সা:) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, দাজ্জালের সাথে পানি ও আগুন থাকবে। কিন্তু প্রকৃতপক্ষে তার অগ্নিই হবে সুশীতল পানি এবং তার পানিই হবে অগ্নি। সুতরাং নিজেকে ধ্বংস করো না। (ই.ফা. ৭১০২, ই.সে. ৭১৫৬)

হুযাইফাহ্ (রাযি:)-এর সূত্রে নাবী (সা:) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, দাজ্জালের সাথে পানি ও আগুন থাকবে। কিন্তু প্রকৃতপক্ষে তার অগ্নিই হবে সুশীতল পানি এবং তার পানিই হবে অগ্নি। সুতরাং নিজেকে ধ্বংস করো না। (ই.ফা. ৭১০২, ই.সে. ৭১৫৬)

حدثنا عبيد الله بن معاذ، حدثنا أبي، حدثنا شعبة، ح وحدثنا محمد بن المثنى، - واللفظ له - حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، عن عبد الملك بن عمير، عن ربعي بن، حراش عن حذيفة، عن النبي صلى الله عليه وسلم أنه قال في الدجال ‏ "‏ إن معه ماء ونارا فناره ماء بارد وماؤه نار فلا تهلكوا ‏"


সহিহ মুসলিম ৭২৬০

حدثنا علي بن حجر، حدثنا شعيب بن صفوان، عن عبد الملك بن عمير، عن ربعي، بن حراش عن عقبة بن عمرو أبي مسعود الأنصاري، قال انطلقت معه إلى حذيفة بن اليمان فقال له عقبة حدثني ما سمعت من رسول الله صلى الله عليه وسلم في الدجال ‏.‏ قال ‏ "‏ إن الدجال يخرج وإن معه ماء ونارا فأما الذي يراه الناس ماء فنار تحرق وأما الذي يراه الناس نارا فماء بارد عذب فمن أدرك ذلك منكم فليقع في الذي يراه نارا فإنه ماء عذب طيب ‏"‏ ‏.‏ فقال عقبة وأنا قد، سمعته تصديقا، لحذيفة ‏.‏

‘উকবাহ ইবনু ‘আমর ও আবূ মাস’ঊদ আনসারী (রাযি:) থেকে বর্নিতঃ

রিব’ঈ ইবনু হিরাশ (রহঃ) বলেন, আমি ‘উক্বাহ ইবনু ‘আমির আবূ মাস’ঊদ আনসারী (রাঃ)-এর সাথে হুযাইফাহ্ ইবনু ইয়ামান (রাযি:)-এর নিকট গেলাম। তারপর ‘উকবাহ্ (রাযি:) হুযাইফাহ্ (রাযি:)-কে বললেন, আপনি দাজ্জাল বিষয়ে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে যা যা শুনেছেন তা আমাদেরকেও শুনান। তিনি বললেন, দাজ্জাল যখন আবির্ভূত হবে তখন তার সাথে পানি ও আগুন থাকবে। কিন্তু মানুষ যেটাকে বাহ্যত পানি দেখবে সেটা হবে দাহনশীল অগ্নি। আর যেটাকে মানুষ বাহ্যত অগ্নি দেখবে সেটা হবে সুমিষ্ট ঠান্ডা পানি। কাজেই তোমাদের মধ্যে যে কেউ এ সময়কাল পায় সে যেন দৃশ্যত যাকে অগ্নি দেখা যাচ্ছে তাতেই প্রবেশ করে। কেননা প্রকৃতপক্ষে সেটা হবে সুমিষ্ট পানি। তারপর হুযাইফার সমর্থন করে ‘উকবাহ্ (রহঃ) বলেন, আমিও রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে এ হাদীস শুনেছি। (ই.ফা. ৭১০৩, ই.সে. ৭১৫৭)

‘উকবাহ ইবনু ‘আমর ও আবূ মাস’ঊদ আনসারী (রাযি:) থেকে বর্নিতঃ

রিব’ঈ ইবনু হিরাশ (রহঃ) বলেন, আমি ‘উক্বাহ ইবনু ‘আমির আবূ মাস’ঊদ আনসারী (রাঃ)-এর সাথে হুযাইফাহ্ ইবনু ইয়ামান (রাযি:)-এর নিকট গেলাম। তারপর ‘উকবাহ্ (রাযি:) হুযাইফাহ্ (রাযি:)-কে বললেন, আপনি দাজ্জাল বিষয়ে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে যা যা শুনেছেন তা আমাদেরকেও শুনান। তিনি বললেন, দাজ্জাল যখন আবির্ভূত হবে তখন তার সাথে পানি ও আগুন থাকবে। কিন্তু মানুষ যেটাকে বাহ্যত পানি দেখবে সেটা হবে দাহনশীল অগ্নি। আর যেটাকে মানুষ বাহ্যত অগ্নি দেখবে সেটা হবে সুমিষ্ট ঠান্ডা পানি। কাজেই তোমাদের মধ্যে যে কেউ এ সময়কাল পায় সে যেন দৃশ্যত যাকে অগ্নি দেখা যাচ্ছে তাতেই প্রবেশ করে। কেননা প্রকৃতপক্ষে সেটা হবে সুমিষ্ট পানি। তারপর হুযাইফার সমর্থন করে ‘উকবাহ্ (রহঃ) বলেন, আমিও রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে এ হাদীস শুনেছি। (ই.ফা. ৭১০৩, ই.সে. ৭১৫৭)

حدثنا علي بن حجر، حدثنا شعيب بن صفوان، عن عبد الملك بن عمير، عن ربعي، بن حراش عن عقبة بن عمرو أبي مسعود الأنصاري، قال انطلقت معه إلى حذيفة بن اليمان فقال له عقبة حدثني ما سمعت من رسول الله صلى الله عليه وسلم في الدجال ‏.‏ قال ‏ "‏ إن الدجال يخرج وإن معه ماء ونارا فأما الذي يراه الناس ماء فنار تحرق وأما الذي يراه الناس نارا فماء بارد عذب فمن أدرك ذلك منكم فليقع في الذي يراه نارا فإنه ماء عذب طيب ‏"‏ ‏.‏ فقال عقبة وأنا قد، سمعته تصديقا، لحذيفة ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৭২৬১

حدثنا علي بن حجر السعدي، وإسحاق بن إبراهيم، - واللفظ لابن حجر قال إسحاق أخبرنا وقال ابن حجر، حدثنا جرير، عن المغيرة، عن نعيم بن أبي هند، عن ربعي، بن حراش قال اجتمع حذيفة وأبو مسعود فقال حذيفة ‏ "‏ لأنا بما مع الدجال أعلم منه إن معه نهرا من ماء ونهرا من نار فأما الذي ترون أنه نار ماء وأما الذي ترون أنه ماء نار فمن أدرك ذلك منكم فأراد الماء فليشرب من الذي يراه أنه نار فإنه سيجده ماء ‏"‏ ‏.‏ قال أبو مسعود هكذا سمعت النبي صلى الله عليه وسلم يقول ‏.‏

রিব’ঈ ইবনু হিরাশ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একদা হুযাইফাহ্ ও আবু মাস’উদ (রাযি:) একত্রিত হলেন। তখন হুযাইফাহ্ (রাযি:) বললেন, দাজ্জালের সঙ্গে যা থাকবে এ সম্পর্কে আমি তাত্থেকে সর্বাধিক জ্ঞাত। তার সঙ্গে একটি পানির ঝর্ণা এবং একটি আগুনের নহর থাকবে। যেটাকে বাহ্যত অগ্নি মনে হবে সেটাই হবে পানি। আর যেটাকে বাহ্যত পানি মনে হবে সেটাই হবে অগ্নি। তোমাদের কেউ যদি এ সময়কাল পায় এবং সে পানি পান করার ইচ্ছা করে তবে সে যেন যা দৃশ্যত অগ্নি মনে হবে তা থেকে পান করে। কেননা এখানেই সে পানি পাবে। বর্ণনাকারী আবূ মাস’উদ (রাযি:) বলেন, আমিও এমনটিই নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে বলতে শুনেছি। (ই.ফা. ৭১০৪, ই.সে. ৭১৫৮)

রিব’ঈ ইবনু হিরাশ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একদা হুযাইফাহ্ ও আবু মাস’উদ (রাযি:) একত্রিত হলেন। তখন হুযাইফাহ্ (রাযি:) বললেন, দাজ্জালের সঙ্গে যা থাকবে এ সম্পর্কে আমি তাত্থেকে সর্বাধিক জ্ঞাত। তার সঙ্গে একটি পানির ঝর্ণা এবং একটি আগুনের নহর থাকবে। যেটাকে বাহ্যত অগ্নি মনে হবে সেটাই হবে পানি। আর যেটাকে বাহ্যত পানি মনে হবে সেটাই হবে অগ্নি। তোমাদের কেউ যদি এ সময়কাল পায় এবং সে পানি পান করার ইচ্ছা করে তবে সে যেন যা দৃশ্যত অগ্নি মনে হবে তা থেকে পান করে। কেননা এখানেই সে পানি পাবে। বর্ণনাকারী আবূ মাস’উদ (রাযি:) বলেন, আমিও এমনটিই নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে বলতে শুনেছি। (ই.ফা. ৭১০৪, ই.সে. ৭১৫৮)

حدثنا علي بن حجر السعدي، وإسحاق بن إبراهيم، - واللفظ لابن حجر قال إسحاق أخبرنا وقال ابن حجر، حدثنا جرير، عن المغيرة، عن نعيم بن أبي هند، عن ربعي، بن حراش قال اجتمع حذيفة وأبو مسعود فقال حذيفة ‏ "‏ لأنا بما مع الدجال أعلم منه إن معه نهرا من ماء ونهرا من نار فأما الذي ترون أنه نار ماء وأما الذي ترون أنه ماء نار فمن أدرك ذلك منكم فأراد الماء فليشرب من الذي يراه أنه نار فإنه سيجده ماء ‏"‏ ‏.‏ قال أبو مسعود هكذا سمعت النبي صلى الله عليه وسلم يقول ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৭২৬২

حدثني محمد بن رافع، حدثنا حسين بن محمد، حدثنا شيبان، عن يحيى، عن أبي، سلمة قال سمعت أبا هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ ألا أخبركم عن الدجال حديثا ما حدثه نبي قومه إنه أعور وإنه يجيء معه مثل الجنة والنار فالتي يقول إنها الجنة هي النار وإني أنذرتكم به كما أنذر به نوح قومه ‏"‏ ‏.‏

আবূ হুরাইরাহ্ (রাযি:) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আমি দাজ্জাল বিষয়ে তোমাদেরকে কি এমন একটি হাদীস বলব না, যা কোন নবী তাঁর কাওমকে অদ্যাবধি বলেননি? শুনো, দাজ্জাল কানা হবে এবং তার সাথে জান্নাত ও জাহান্নাম নামে দু’টি প্রতারণার বস্তু থাকবে। সে যাকে জান্নাত বলবে, সেটি আসলে হবে জাহান্নাম। দেখো, দাজ্জাল সম্পর্কে আমি তোমাদেরকে ভীতি-প্রদর্শন করছি, যেমন নূহ (‘আঃ) তাঁর কাওমকে সতর্ক করেছিলেন।(ই.ফা. ৭১০৫, ই.সে. ৭১৫৯)

আবূ হুরাইরাহ্ (রাযি:) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আমি দাজ্জাল বিষয়ে তোমাদেরকে কি এমন একটি হাদীস বলব না, যা কোন নবী তাঁর কাওমকে অদ্যাবধি বলেননি? শুনো, দাজ্জাল কানা হবে এবং তার সাথে জান্নাত ও জাহান্নাম নামে দু’টি প্রতারণার বস্তু থাকবে। সে যাকে জান্নাত বলবে, সেটি আসলে হবে জাহান্নাম। দেখো, দাজ্জাল সম্পর্কে আমি তোমাদেরকে ভীতি-প্রদর্শন করছি, যেমন নূহ (‘আঃ) তাঁর কাওমকে সতর্ক করেছিলেন।(ই.ফা. ৭১০৫, ই.সে. ৭১৫৯)

حدثني محمد بن رافع، حدثنا حسين بن محمد، حدثنا شيبان، عن يحيى، عن أبي، سلمة قال سمعت أبا هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ ألا أخبركم عن الدجال حديثا ما حدثه نبي قومه إنه أعور وإنه يجيء معه مثل الجنة والنار فالتي يقول إنها الجنة هي النار وإني أنذرتكم به كما أنذر به نوح قومه ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৭২৬৩

حدثنا أبو خيثمة، زهير بن حرب حدثنا الوليد بن مسلم، حدثني عبد الرحمن، بن يزيد بن جابر حدثني يحيى بن جابر الطائي، قاضي حمص حدثني عبد الرحمن بن، جبير عن أبيه، جبير بن نفير الحضرمي أنه سمع النواس بن سمعان الكلابي، ح وحدثني محمد بن مهران الرازي، - واللفظ له - حدثنا الوليد بن مسلم، حدثنا عبد الرحمن بن يزيد بن جابر، عن يحيى بن جابر الطائي، عن عبد الرحمن بن جبير بن، نفير عن أبيه، جبير بن نفير عن النواس بن سمعان، قال ذكر رسول الله صلى الله عليه وسلم الدجال ذات غداة فخفض فيه ورفع حتى ظنناه في طائفة النخل فلما رحنا إليه عرف ذلك فينا فقال ‏"‏ ما شأنكم ‏"‏ ‏.‏ قلنا يا رسول الله ذكرت الدجال غداة فخفضت فيه ورفعت حتى ظنناه في طائفة النخل ‏.‏ فقال ‏"‏ غير الدجال أخوفني عليكم إن يخرج وأنا فيكم فأنا حجيجه دونكم وإن يخرج ولست فيكم فامرؤ حجيج نفسه والله خليفتي على كل مسلم إنه شاب قطط عينه طافئة كأني أشبهه بعبد العزى بن قطن فمن أدركه منكم فليقرأ عليه فواتح سورة الكهف إنه خارج خلة بين الشأم والعراق فعاث يمينا وعاث شمالا يا عباد الله فاثبتوا ‏"‏ ‏.‏ قلنا يا رسول الله وما لبثه في الأرض قال ‏"‏ أربعون يوما يوم كسنة ويوم كشهر ويوم كجمعة وسائر أيامه كأيامكم ‏"‏ ‏.‏ قلنا يا رسول الله فذلك اليوم الذي كسنة أتكفينا فيه صلاة يوم قال ‏"‏ لا اقدروا له قدره ‏"‏ ‏.‏ قلنا يا رسول الله وما إسراعه في الأرض قال ‏"‏ كالغيث استدبرته الريح فيأتي على القوم فيدعوهم فيؤمنون به ويستجيبون له فيأمر السماء فتمطر والأرض فتنبت فتروح عليهم سارحتهم أطول ما كانت ذرا وأسبغه ضروعا وأمده خواصر ثم يأتي القوم فيدعوهم فيردون عليه قوله فينصرف عنهم فيصبحون ممحلين ليس بأيديهم شىء من أموالهم ويمر بالخربة فيقول لها أخرجي كنوزك ‏.‏ فتتبعه كنوزها كيعاسيب النحل ثم يدعو رجلا ممتلئا شبابا فيضربه بالسيف فيقطعه جزلتين رمية الغرض ثم يدعوه فيقبل ويتهلل وجهه يضحك فبينما هو كذلك إذ بعث الله المسيح ابن مريم فينزل عند المنارة البيضاء شرقي دمشق بين مهرودتين واضعا كفيه على أجنحة ملكين إذا طأطأ رأسه قطر وإذا رفعه تحدر منه جمان كاللؤلؤ فلا يحل لكافر يجد ريح نفسه إلا مات ونفسه ينتهي حيث ينتهي طرفه فيطلبه حتى يدركه بباب لد فيقتله ثم يأتي عيسى ابن مريم قوم قد عصمهم الله منه فيمسح عن وجوههم ويحدثهم بدرجاتهم في الجنة فبينما هو كذلك إذ أوحى الله إلى عيسى إني قد أخرجت عبادا لي لا يدان لأحد بقتالهم فحرز عبادي إلى الطور ‏.‏ ويبعث الله يأجوج ومأجوج وهم من كل حدب ينسلون فيمر أوائلهم على بحيرة طبرية فيشربون ما فيها ويمر آخرهم فيقولون لقد كان بهذه مرة ماء ‏.‏ ويحصر نبي الله عيسى وأصحابه حتى يكون رأس الثور لأحدهم خيرا من مائة دينار لأحدكم اليوم فيرغب نبي الله عيسى وأصحابه فيرسل الله عليهم النغف في رقابهم فيصبحون فرسى كموت نفس واحدة ثم يهبط نبي الله عيسى وأصحابه إلى الأرض فلا يجدون في الأرض موضع شبر إلا ملأه زهمهم ونتنهم فيرغب نبي الله عيسى وأصحابه إلى الله فيرسل الله طيرا كأعناق البخت فتحملهم فتطرحهم حيث شاء الله ثم يرسل الله مطرا لا يكن منه بيت مدر ولا وبر فيغسل الأرض حتى يتركها كالزلفة ثم يقال للأرض أنبتي ثمرتك وردي بركتك ‏.‏ فيومئذ تأكل العصابة من الرمانة ويستظلون بقحفها ويبارك في الرسل حتى أن اللقحة من الإبل لتكفي الفئام من الناس واللقحة من البقر لتكفي القبيلة من الناس واللقحة من الغنم لتكفي الفخذ من الناس فبينما هم كذلك إذ بعث الله ريحا طيبة فتأخذهم تحت آباطهم فتقبض روح كل مؤمن وكل مسلم ويبقى شرار الناس يتهارجون فيها تهارج الحمر فعليهم تقوم الساعة ‏"‏ ‏.

নাও্ওয়াস ইবনু সাম’আন (রাযি:) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একদা সকালে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দাজ্জাল সম্পর্কে আলোচনা করলেন। আলোচনার সময় তিনি তার ব্যক্তিত্বকে তুচ্ছ করে তুলে ধরেন। পরে অনেক গুরুত্ব সহকারে উপস্থিত করেন যাতে তাকে আমরা ঐ বৃক্ষরাজির নির্দিষ্ট এলাকায় (আবাসস্থল সম্পর্কে) ধারণা করতে লাগলাম। এরপর আমরা সন্ধ্যায় আবার তাঁর কাছে গেলাম। তিনি আমাদের মধ্যে এর প্রভাব দেখতে পেয়ে বললেন, তোমাদের ব্যাপার কি? আমরা বললাম, হে আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)! আপনি সকালে দাজ্জাল সম্পর্কে আলোচনা করেছেন এবং এতে আপনি কখনো ব্যক্তিত্বকে তুচ্ছ করে তুলে ধরেছেন, আবার কখনো তার ব্যক্তিত্বকে বড় করে তুলে ধরেছেন। ফলে আমরা মনে করেছি যে, দাজ্জাল বুঝি এ বাগার মধ্যেই বিদ্যমান। এ কথা শুনে তিনি বললেন, দাজ্জাল নয়, বরং তোমাদের ব্যাপারে অন্য কিছুর আমি অধিক ভয় করছি। তবে শোন, আমি তোমাদের মধ্যে বিদ্যমান থাকা অবস্থায় যদি দাজ্জালের আত্মপ্রকাশ হয় তবে আমি নিজেই তাকে প্রতিহত করব। তোমাদের প্রয়োজন হবেনা। আর যদি আমি তোমাদের মাঝে না থাকাবস্থায় দাজ্জালের আত্মপ্রকাশ হয়, তবে প্রত্যেক মু’মিন লোক নিজের পক্ষ হতে তাকে প্রতিহত করবে। প্রত্যেক মুসলিমের জন্য আল্লাহ তা’আলাই হলেন আমার পক্ষ হতে তত্ত্বাবধানকারী। দাজ্জাল যুবক এবং ঘন চুল বিশিষ্ট হবে, চোখ আঙ্গুরের ন্যায় হবে। আমি তাকে কাফির ‘আবদুল ‘উয্যা ইবনু কাতান-এর মতো মনে করছি। তোমাদের যে কেউ দাজ্জালের সময়কাল পাবে সে যেন সূরাহ্ আল-কাহ্‌ফ-এর প্রথমোক্ত আয়াতসমূহ পাঠ করে। সে ইরাক ও সিরিয়ার মধ্যপথ হতে আবির্ভুত হবে। সে ডানে-বামে দুর্যোগ সৃষ্টি করবে। হে আল্লাহর বান্দাগণ! তোমরা অটল থাকবে। আমরা প্রশ্ন করলাম, হে আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)! সে পৃথিবীতে কয়দিন অবস্থান করবে? উত্তরে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, চল্লিশদিন পর্যন্ত। এর প্রথম দিনটি এক বছরের সমান, দ্বিতীয় দিন এক মাসের সমান এবং তৃতীয় দিন এক সপ্তাহের সমান হবে। অবশিষ্ট দিনগুলো তোমাদের দিনসমূহের মতই হবে। আমরা প্রশ্ন করলাম, হে আল্লাহর রসূল! যেদিন এক বছরের সমান হবে, সেটাতে এক দিনের সলাতই কি আমাদের জন্য যথেষ্ট হবে? উত্তরে তিনি বললেন, না, বরং তোমরা এদিন হিসাব করে তোমাদের দিনের পরিমাণ নির্দিষ্ট করে নিবে। আমরা বললাম, হে আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)! দুনিয়াতে দাজ্জালের অগ্রসরতা কি রকম বৃদ্ধি পাবে? তিনি বললেন, বাতাসের প্রবাহ মেঘমালাকে যে রকম হাঁকিয়ে নিয়ে যায়। সে এক কাওমের কাছে এসে তাদেরকে কুফরির দিকে ডাকবে। তারা তার উপর ঈমান আনবে এবং তার আহবানে সাড়া দিবে। অতঃপর সে আকাশমন্ডলীকে আদেশ করবে। আকাশ বৃষ্টি বর্ষন করবে এবং ভূমিকে নির্দেশ দিবে, ফলে ভূমি গাছ-পালা ও শস্য উৎপন্ন করবে। তারপর সন্ধ্যায় তাদের গবাদি পশুগুলো পূর্বের চেয়ে বেশি লম্বা কুজ, প্রশস্ত স্তন এবং পেটভর্তি অবস্থায় তাদের কাছে ফিরে আসবে। তারপর দাজ্জাল অপর এক কাওমের কাছে আসবে এবং তাদেরকে কুফ্‌রীর প্রতি ডাকবে। তারা তার কথাকে উপেক্ষা করবে। ফলে সে তাদের নিকট হতে প্রত্যাবর্তন করবে। অমনি তাদের মধ্যে দুর্ভিক্ষ ও পানির অনটন দেখা দিবে এবং তাদের হাতে তাদের ধন-সম্পদ কিছুই থাকবে না। তখন দাজ্জাল এক পতিত স্থান অতিক্রমকালে সেটাকে সম্বোধন করে বলবে, তুমি তোমার গুপ্তধন বের করে দাও। তখন জমিনের ধন-ভান্ডার বের হয়ে তার চতুষ্পার্শে একত্রিত হতে থাকবে, যেমন মধু মক্ষিকা তাদের সর্দারের চারপাশে সমবেত হয়। অতঃপর দাজ্জাল এক যুবক ব্যক্তিকে ডেকে আনবে এবং তাকে তরবারি দ্বারা আঘাত করে তীরের লক্ষ্যস্থলের ন্যায় দু’টুকরো করে ফেলবে। তারপর সে আবার তাকে আহ্বান করবে। যুবক আলোকময় হাস্যোজ্জল চেহারায় তার সম্মুখে এগিয়ে আসবে। এ সময় আল্লাহ রব্বুল ‘আলামীন ‘ঈসা ইবনু মারইয়াম (‘আঃ)-কে প্রেরণ করবেন। তিনি দু’ ফেরেশ্তার কাঁধের উপর ভর করে ওয়ারস ও জাফরান রং-এর জোড়া কাপড় পরিহিত অবস্থায় দামেশ্ক নগরীর পূর্ব দিকের উজ্জ্বল মিনারে অবতরণ করবেন। যখন তিনি তাঁর মাথা ঝুঁকাবেন তখন ফোঁটা ফোঁটা ঘাম তাঁর শরীর থেকে গড়িয়ে পড়বে। তিনি যে কোন কাফিরের কাছে যাবেন সে তাঁর শ্বাসের বাতাসে ধ্বংস হয়ে যাবে। তাঁর দৃষ্টি যতদূর পর্যন্ত যাবে তাঁর শ্বাসও ততদূর পর্যন্ত পৌছবে। তিনি দাজ্জালকে সন্ধান করতে থাকবেন। অবশেষে তাকে ‘বাবে লুদ’ নামক স্থানে গিয়ে পাকড়াও করবেন এবং তাকে হত্যা করবেন। অতঃপর ‘ঈসা (‘আঃ) ঐ সম্প্রদায়ের নিকট যাবেন, যাদেরকে আল্লাহ তা’আলা দাজ্জালের বিপর্যয় থেকে রক্ষা করেছেন। ‘ঈসা (‘আঃ) তাদের কাছে গিয়ে তাদের চেহারায় হাত বুলিয়ে জান্নাতে তাদের স্থানমূহের ব্যাপারে খবর দিবেন। এমন সময় আল্লাহ তা’আলা ‘ঈসা (‘আঃ) এর প্রতি এই মর্মে ওয়াহী অবতীর্ণ করবেন যে, আমি আমার এমন বান্দাদের অবির্ভাব ঘটিয়েছি, যাদের সঙ্গে কারোই যুদ্ধ করার ক্ষমতা নেই। অতঃপর তুমি আমার মু’মিন বান্দাদেরকে নিয়ে তুর পাহাড়ে চলে যাও। তখন আল্লাহ তা’আলা ইয়া’জূজ-মা’জূজ কাওমকে পাঠাবেন। তারা ছাড়া পেয়ে পৃথিবীর সব প্রান্তে দ্রুত ছড়িয়ে পড়বে। তাদের প্রথম দলটি “বুহাইরায়ে তাবারিয়া”র (ভূমধ্যসাগর) উপকূলে এসে এর সমুদয় পানি পান করে নিঃশেষ করে দিবে। তারপর তাদের সর্বশেষ দলটি এ স্থান দিয়ে যাত্রাকালে বলবে, এ সমুদ্রে কোন সময় পানি ছিল কি? তারা আল্লাহর নবী ‘ঈসা (‘আঃ) এবং তাঁর সাথীদেরকে অবরোধ করে রাখবে। ফলে তাদের নিকট একটি বলদের মাথা বর্তমানে তোমাদের নিকট একশ’ দীনারের মূল্যের চেয়েও অধিক মূল্যবান প্রতিপন্ন হবে। তখন আল্লাহর নবী ‘ঈসা (‘আঃ) এবং তাঁর সঙ্গীগণ আল্লহর নিকট প্রার্থনা করবেন। ফলে আল্লাহ তা’আলা ইয়া’জুজ-মা’জুজ সম্প্রদায়ের প্রতি ‘আযাব পাঠাবেন। তাদের ঘাড়ে এক প্রকার পোকা হবে। এতে একজন মানুষের মৃত্যুর মতো তারাও সবাই মরে নিঃশেষ হয়ে যাবে। তারপর ‘ঈসা (‘আঃ) ও তাঁর সঙ্গীগণ পাহাড় হতে জমিনে বেরিয়ে আসবেন। কিন্তু তারা অর্ধ হাত জায়গাও এমন পাবেন না যেথায় তাদের পঁচা লাশ ও লাশের দুর্গন্ধ নেই। অতঃপর ‘ঈসা (আঃ)এবং তাঁর সঙ্গীগণ পুনরায় আল্লাহর নিকট প্রার্থনা করবেন। তখন আল্লাহ তা’আলা উটের ঘাড়ের মতো লম্বা এক ধরনের পাখি পাঠাবেন। তারা তাদেরকে বহন করে আল্লাহর ইচ্ছানুসারে কোন স্থানে নিয়ে ফেলবে। এরপর আল্লাহ এমন মুষলধারে বৃষ্টি বর্ষণ করবেন যার ফলে কাঁচা-পাকা কোন গৃহই আর অবশিষ্ট থাকবে না। এতে জমিন বিধৌত হয়ে উদ্ভিদ শূন্য মৃত্তিকায় পরিণত হবে। অতঃপর পুনরায় জমিনকে এ মর্মে নির্দেশ দেয়া হবে যে, হে জমিন! তুমি আবার শস্য উৎপন্ন করো এবং তোমার বারাকাত ফিরিয়ে দাও। সেদিন একদল মানুষ একটি ডালিম ভক্ষণ করবে এবং এর বাকলের নীচে লোকেরা ছায়া গ্রহণ করবে। দুধের মধ্যে বারাকাত হবে। ফলে দুগ্ধবতী একটি উটই একদল মানুষের জন্য যথেষ্ট হবে, দুগ্ধবতী একটি গাভী একগোত্রীয় মানুষের জন্য যথেষ্ট হবে এবং যথেষ্ট হবে দুগ্ধবতী একটি বকরী এক দাদার সন্তানদের (একটি ছোট গোত্রের) জন্য। এ সময় আল্লাহ তা’আলা অত্যন্ত আরামদায়ক একটি বায়ু প্রেরণ করবেন। এ বায়ু সকল মু’মিন লোকদের বগলে গিয়ে লাগবে এবং সমস্ত মু’মিন মুসলিমদের রূহ্ কবয করে নিয়ে যাবে। তখন একমাত্র মন্দ লোকেরাই এ পৃথিবীতে বাকী থাকবে। তারা গাধার ন্যায় পরস্পর একে অন্যের সাথে প্রকাশ্যে ব্যভিচারে লিপ্ত হবে। এদের উপরই কিয়ামত সংঘটিত হবে। (ই.ফা. ৭১০৬, ই.সে. ৭১৬০)

নাও্ওয়াস ইবনু সাম’আন (রাযি:) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একদা সকালে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দাজ্জাল সম্পর্কে আলোচনা করলেন। আলোচনার সময় তিনি তার ব্যক্তিত্বকে তুচ্ছ করে তুলে ধরেন। পরে অনেক গুরুত্ব সহকারে উপস্থিত করেন যাতে তাকে আমরা ঐ বৃক্ষরাজির নির্দিষ্ট এলাকায় (আবাসস্থল সম্পর্কে) ধারণা করতে লাগলাম। এরপর আমরা সন্ধ্যায় আবার তাঁর কাছে গেলাম। তিনি আমাদের মধ্যে এর প্রভাব দেখতে পেয়ে বললেন, তোমাদের ব্যাপার কি? আমরা বললাম, হে আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)! আপনি সকালে দাজ্জাল সম্পর্কে আলোচনা করেছেন এবং এতে আপনি কখনো ব্যক্তিত্বকে তুচ্ছ করে তুলে ধরেছেন, আবার কখনো তার ব্যক্তিত্বকে বড় করে তুলে ধরেছেন। ফলে আমরা মনে করেছি যে, দাজ্জাল বুঝি এ বাগার মধ্যেই বিদ্যমান। এ কথা শুনে তিনি বললেন, দাজ্জাল নয়, বরং তোমাদের ব্যাপারে অন্য কিছুর আমি অধিক ভয় করছি। তবে শোন, আমি তোমাদের মধ্যে বিদ্যমান থাকা অবস্থায় যদি দাজ্জালের আত্মপ্রকাশ হয় তবে আমি নিজেই তাকে প্রতিহত করব। তোমাদের প্রয়োজন হবেনা। আর যদি আমি তোমাদের মাঝে না থাকাবস্থায় দাজ্জালের আত্মপ্রকাশ হয়, তবে প্রত্যেক মু’মিন লোক নিজের পক্ষ হতে তাকে প্রতিহত করবে। প্রত্যেক মুসলিমের জন্য আল্লাহ তা’আলাই হলেন আমার পক্ষ হতে তত্ত্বাবধানকারী। দাজ্জাল যুবক এবং ঘন চুল বিশিষ্ট হবে, চোখ আঙ্গুরের ন্যায় হবে। আমি তাকে কাফির ‘আবদুল ‘উয্যা ইবনু কাতান-এর মতো মনে করছি। তোমাদের যে কেউ দাজ্জালের সময়কাল পাবে সে যেন সূরাহ্ আল-কাহ্‌ফ-এর প্রথমোক্ত আয়াতসমূহ পাঠ করে। সে ইরাক ও সিরিয়ার মধ্যপথ হতে আবির্ভুত হবে। সে ডানে-বামে দুর্যোগ সৃষ্টি করবে। হে আল্লাহর বান্দাগণ! তোমরা অটল থাকবে। আমরা প্রশ্ন করলাম, হে আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)! সে পৃথিবীতে কয়দিন অবস্থান করবে? উত্তরে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, চল্লিশদিন পর্যন্ত। এর প্রথম দিনটি এক বছরের সমান, দ্বিতীয় দিন এক মাসের সমান এবং তৃতীয় দিন এক সপ্তাহের সমান হবে। অবশিষ্ট দিনগুলো তোমাদের দিনসমূহের মতই হবে। আমরা প্রশ্ন করলাম, হে আল্লাহর রসূল! যেদিন এক বছরের সমান হবে, সেটাতে এক দিনের সলাতই কি আমাদের জন্য যথেষ্ট হবে? উত্তরে তিনি বললেন, না, বরং তোমরা এদিন হিসাব করে তোমাদের দিনের পরিমাণ নির্দিষ্ট করে নিবে। আমরা বললাম, হে আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)! দুনিয়াতে দাজ্জালের অগ্রসরতা কি রকম বৃদ্ধি পাবে? তিনি বললেন, বাতাসের প্রবাহ মেঘমালাকে যে রকম হাঁকিয়ে নিয়ে যায়। সে এক কাওমের কাছে এসে তাদেরকে কুফরির দিকে ডাকবে। তারা তার উপর ঈমান আনবে এবং তার আহবানে সাড়া দিবে। অতঃপর সে আকাশমন্ডলীকে আদেশ করবে। আকাশ বৃষ্টি বর্ষন করবে এবং ভূমিকে নির্দেশ দিবে, ফলে ভূমি গাছ-পালা ও শস্য উৎপন্ন করবে। তারপর সন্ধ্যায় তাদের গবাদি পশুগুলো পূর্বের চেয়ে বেশি লম্বা কুজ, প্রশস্ত স্তন এবং পেটভর্তি অবস্থায় তাদের কাছে ফিরে আসবে। তারপর দাজ্জাল অপর এক কাওমের কাছে আসবে এবং তাদেরকে কুফ্‌রীর প্রতি ডাকবে। তারা তার কথাকে উপেক্ষা করবে। ফলে সে তাদের নিকট হতে প্রত্যাবর্তন করবে। অমনি তাদের মধ্যে দুর্ভিক্ষ ও পানির অনটন দেখা দিবে এবং তাদের হাতে তাদের ধন-সম্পদ কিছুই থাকবে না। তখন দাজ্জাল এক পতিত স্থান অতিক্রমকালে সেটাকে সম্বোধন করে বলবে, তুমি তোমার গুপ্তধন বের করে দাও। তখন জমিনের ধন-ভান্ডার বের হয়ে তার চতুষ্পার্শে একত্রিত হতে থাকবে, যেমন মধু মক্ষিকা তাদের সর্দারের চারপাশে সমবেত হয়। অতঃপর দাজ্জাল এক যুবক ব্যক্তিকে ডেকে আনবে এবং তাকে তরবারি দ্বারা আঘাত করে তীরের লক্ষ্যস্থলের ন্যায় দু’টুকরো করে ফেলবে। তারপর সে আবার তাকে আহ্বান করবে। যুবক আলোকময় হাস্যোজ্জল চেহারায় তার সম্মুখে এগিয়ে আসবে। এ সময় আল্লাহ রব্বুল ‘আলামীন ‘ঈসা ইবনু মারইয়াম (‘আঃ)-কে প্রেরণ করবেন। তিনি দু’ ফেরেশ্তার কাঁধের উপর ভর করে ওয়ারস ও জাফরান রং-এর জোড়া কাপড় পরিহিত অবস্থায় দামেশ্ক নগরীর পূর্ব দিকের উজ্জ্বল মিনারে অবতরণ করবেন। যখন তিনি তাঁর মাথা ঝুঁকাবেন তখন ফোঁটা ফোঁটা ঘাম তাঁর শরীর থেকে গড়িয়ে পড়বে। তিনি যে কোন কাফিরের কাছে যাবেন সে তাঁর শ্বাসের বাতাসে ধ্বংস হয়ে যাবে। তাঁর দৃষ্টি যতদূর পর্যন্ত যাবে তাঁর শ্বাসও ততদূর পর্যন্ত পৌছবে। তিনি দাজ্জালকে সন্ধান করতে থাকবেন। অবশেষে তাকে ‘বাবে লুদ’ নামক স্থানে গিয়ে পাকড়াও করবেন এবং তাকে হত্যা করবেন। অতঃপর ‘ঈসা (‘আঃ) ঐ সম্প্রদায়ের নিকট যাবেন, যাদেরকে আল্লাহ তা’আলা দাজ্জালের বিপর্যয় থেকে রক্ষা করেছেন। ‘ঈসা (‘আঃ) তাদের কাছে গিয়ে তাদের চেহারায় হাত বুলিয়ে জান্নাতে তাদের স্থানমূহের ব্যাপারে খবর দিবেন। এমন সময় আল্লাহ তা’আলা ‘ঈসা (‘আঃ) এর প্রতি এই মর্মে ওয়াহী অবতীর্ণ করবেন যে, আমি আমার এমন বান্দাদের অবির্ভাব ঘটিয়েছি, যাদের সঙ্গে কারোই যুদ্ধ করার ক্ষমতা নেই। অতঃপর তুমি আমার মু’মিন বান্দাদেরকে নিয়ে তুর পাহাড়ে চলে যাও। তখন আল্লাহ তা’আলা ইয়া’জূজ-মা’জূজ কাওমকে পাঠাবেন। তারা ছাড়া পেয়ে পৃথিবীর সব প্রান্তে দ্রুত ছড়িয়ে পড়বে। তাদের প্রথম দলটি “বুহাইরায়ে তাবারিয়া”র (ভূমধ্যসাগর) উপকূলে এসে এর সমুদয় পানি পান করে নিঃশেষ করে দিবে। তারপর তাদের সর্বশেষ দলটি এ স্থান দিয়ে যাত্রাকালে বলবে, এ সমুদ্রে কোন সময় পানি ছিল কি? তারা আল্লাহর নবী ‘ঈসা (‘আঃ) এবং তাঁর সাথীদেরকে অবরোধ করে রাখবে। ফলে তাদের নিকট একটি বলদের মাথা বর্তমানে তোমাদের নিকট একশ’ দীনারের মূল্যের চেয়েও অধিক মূল্যবান প্রতিপন্ন হবে। তখন আল্লাহর নবী ‘ঈসা (‘আঃ) এবং তাঁর সঙ্গীগণ আল্লহর নিকট প্রার্থনা করবেন। ফলে আল্লাহ তা’আলা ইয়া’জুজ-মা’জুজ সম্প্রদায়ের প্রতি ‘আযাব পাঠাবেন। তাদের ঘাড়ে এক প্রকার পোকা হবে। এতে একজন মানুষের মৃত্যুর মতো তারাও সবাই মরে নিঃশেষ হয়ে যাবে। তারপর ‘ঈসা (‘আঃ) ও তাঁর সঙ্গীগণ পাহাড় হতে জমিনে বেরিয়ে আসবেন। কিন্তু তারা অর্ধ হাত জায়গাও এমন পাবেন না যেথায় তাদের পঁচা লাশ ও লাশের দুর্গন্ধ নেই। অতঃপর ‘ঈসা (আঃ)এবং তাঁর সঙ্গীগণ পুনরায় আল্লাহর নিকট প্রার্থনা করবেন। তখন আল্লাহ তা’আলা উটের ঘাড়ের মতো লম্বা এক ধরনের পাখি পাঠাবেন। তারা তাদেরকে বহন করে আল্লাহর ইচ্ছানুসারে কোন স্থানে নিয়ে ফেলবে। এরপর আল্লাহ এমন মুষলধারে বৃষ্টি বর্ষণ করবেন যার ফলে কাঁচা-পাকা কোন গৃহই আর অবশিষ্ট থাকবে না। এতে জমিন বিধৌত হয়ে উদ্ভিদ শূন্য মৃত্তিকায় পরিণত হবে। অতঃপর পুনরায় জমিনকে এ মর্মে নির্দেশ দেয়া হবে যে, হে জমিন! তুমি আবার শস্য উৎপন্ন করো এবং তোমার বারাকাত ফিরিয়ে দাও। সেদিন একদল মানুষ একটি ডালিম ভক্ষণ করবে এবং এর বাকলের নীচে লোকেরা ছায়া গ্রহণ করবে। দুধের মধ্যে বারাকাত হবে। ফলে দুগ্ধবতী একটি উটই একদল মানুষের জন্য যথেষ্ট হবে, দুগ্ধবতী একটি গাভী একগোত্রীয় মানুষের জন্য যথেষ্ট হবে এবং যথেষ্ট হবে দুগ্ধবতী একটি বকরী এক দাদার সন্তানদের (একটি ছোট গোত্রের) জন্য। এ সময় আল্লাহ তা’আলা অত্যন্ত আরামদায়ক একটি বায়ু প্রেরণ করবেন। এ বায়ু সকল মু’মিন লোকদের বগলে গিয়ে লাগবে এবং সমস্ত মু’মিন মুসলিমদের রূহ্ কবয করে নিয়ে যাবে। তখন একমাত্র মন্দ লোকেরাই এ পৃথিবীতে বাকী থাকবে। তারা গাধার ন্যায় পরস্পর একে অন্যের সাথে প্রকাশ্যে ব্যভিচারে লিপ্ত হবে। এদের উপরই কিয়ামত সংঘটিত হবে। (ই.ফা. ৭১০৬, ই.সে. ৭১৬০)

حدثنا أبو خيثمة، زهير بن حرب حدثنا الوليد بن مسلم، حدثني عبد الرحمن، بن يزيد بن جابر حدثني يحيى بن جابر الطائي، قاضي حمص حدثني عبد الرحمن بن، جبير عن أبيه، جبير بن نفير الحضرمي أنه سمع النواس بن سمعان الكلابي، ح وحدثني محمد بن مهران الرازي، - واللفظ له - حدثنا الوليد بن مسلم، حدثنا عبد الرحمن بن يزيد بن جابر، عن يحيى بن جابر الطائي، عن عبد الرحمن بن جبير بن، نفير عن أبيه، جبير بن نفير عن النواس بن سمعان، قال ذكر رسول الله صلى الله عليه وسلم الدجال ذات غداة فخفض فيه ورفع حتى ظنناه في طائفة النخل فلما رحنا إليه عرف ذلك فينا فقال ‏"‏ ما شأنكم ‏"‏ ‏.‏ قلنا يا رسول الله ذكرت الدجال غداة فخفضت فيه ورفعت حتى ظنناه في طائفة النخل ‏.‏ فقال ‏"‏ غير الدجال أخوفني عليكم إن يخرج وأنا فيكم فأنا حجيجه دونكم وإن يخرج ولست فيكم فامرؤ حجيج نفسه والله خليفتي على كل مسلم إنه شاب قطط عينه طافئة كأني أشبهه بعبد العزى بن قطن فمن أدركه منكم فليقرأ عليه فواتح سورة الكهف إنه خارج خلة بين الشأم والعراق فعاث يمينا وعاث شمالا يا عباد الله فاثبتوا ‏"‏ ‏.‏ قلنا يا رسول الله وما لبثه في الأرض قال ‏"‏ أربعون يوما يوم كسنة ويوم كشهر ويوم كجمعة وسائر أيامه كأيامكم ‏"‏ ‏.‏ قلنا يا رسول الله فذلك اليوم الذي كسنة أتكفينا فيه صلاة يوم قال ‏"‏ لا اقدروا له قدره ‏"‏ ‏.‏ قلنا يا رسول الله وما إسراعه في الأرض قال ‏"‏ كالغيث استدبرته الريح فيأتي على القوم فيدعوهم فيؤمنون به ويستجيبون له فيأمر السماء فتمطر والأرض فتنبت فتروح عليهم سارحتهم أطول ما كانت ذرا وأسبغه ضروعا وأمده خواصر ثم يأتي القوم فيدعوهم فيردون عليه قوله فينصرف عنهم فيصبحون ممحلين ليس بأيديهم شىء من أموالهم ويمر بالخربة فيقول لها أخرجي كنوزك ‏.‏ فتتبعه كنوزها كيعاسيب النحل ثم يدعو رجلا ممتلئا شبابا فيضربه بالسيف فيقطعه جزلتين رمية الغرض ثم يدعوه فيقبل ويتهلل وجهه يضحك فبينما هو كذلك إذ بعث الله المسيح ابن مريم فينزل عند المنارة البيضاء شرقي دمشق بين مهرودتين واضعا كفيه على أجنحة ملكين إذا طأطأ رأسه قطر وإذا رفعه تحدر منه جمان كاللؤلؤ فلا يحل لكافر يجد ريح نفسه إلا مات ونفسه ينتهي حيث ينتهي طرفه فيطلبه حتى يدركه بباب لد فيقتله ثم يأتي عيسى ابن مريم قوم قد عصمهم الله منه فيمسح عن وجوههم ويحدثهم بدرجاتهم في الجنة فبينما هو كذلك إذ أوحى الله إلى عيسى إني قد أخرجت عبادا لي لا يدان لأحد بقتالهم فحرز عبادي إلى الطور ‏.‏ ويبعث الله يأجوج ومأجوج وهم من كل حدب ينسلون فيمر أوائلهم على بحيرة طبرية فيشربون ما فيها ويمر آخرهم فيقولون لقد كان بهذه مرة ماء ‏.‏ ويحصر نبي الله عيسى وأصحابه حتى يكون رأس الثور لأحدهم خيرا من مائة دينار لأحدكم اليوم فيرغب نبي الله عيسى وأصحابه فيرسل الله عليهم النغف في رقابهم فيصبحون فرسى كموت نفس واحدة ثم يهبط نبي الله عيسى وأصحابه إلى الأرض فلا يجدون في الأرض موضع شبر إلا ملأه زهمهم ونتنهم فيرغب نبي الله عيسى وأصحابه إلى الله فيرسل الله طيرا كأعناق البخت فتحملهم فتطرحهم حيث شاء الله ثم يرسل الله مطرا لا يكن منه بيت مدر ولا وبر فيغسل الأرض حتى يتركها كالزلفة ثم يقال للأرض أنبتي ثمرتك وردي بركتك ‏.‏ فيومئذ تأكل العصابة من الرمانة ويستظلون بقحفها ويبارك في الرسل حتى أن اللقحة من الإبل لتكفي الفئام من الناس واللقحة من البقر لتكفي القبيلة من الناس واللقحة من الغنم لتكفي الفخذ من الناس فبينما هم كذلك إذ بعث الله ريحا طيبة فتأخذهم تحت آباطهم فتقبض روح كل مؤمن وكل مسلم ويبقى شرار الناس يتهارجون فيها تهارج الحمر فعليهم تقوم الساعة ‏"‏ ‏.


সহিহ মুসলিম ৭২৫২

حدثني أبو الربيع، وأبو كامل قالا حدثنا حماد، - وهو ابن زيد - عن أيوب، وحدثنا محمد بن عباد، حدثنا حاتم، - يعني ابن إسماعيل - عن موسى بن عقبة، كلاهما عن نافع، عن ابن عمر، عن النبي صلى الله عليه وسلم بمثله ‏.‏

আবূ রাবী’ ও আবূ কামিল, মুহাম্মাদ ইবনু ‘আব্বাদ (রহঃ) ইবনু ‘উমার (রাযি:)-এর সানাদ থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে অবিকল হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৭০৯৬, ই.সে. ৭১৫০)

আবূ রাবী’ ও আবূ কামিল, মুহাম্মাদ ইবনু ‘আব্বাদ (রহঃ) ইবনু ‘উমার (রাযি:)-এর সানাদ থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে অবিকল হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৭০৯৬, ই.সে. ৭১৫০)

حدثني أبو الربيع، وأبو كامل قالا حدثنا حماد، - وهو ابن زيد - عن أيوب، وحدثنا محمد بن عباد، حدثنا حاتم، - يعني ابن إسماعيل - عن موسى بن عقبة، كلاهما عن نافع، عن ابن عمر، عن النبي صلى الله عليه وسلم بمثله ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৭২৬৪

حدثنا علي بن حجر السعدي، حدثنا عبد الله بن عبد الرحمن بن يزيد بن جابر، والوليد بن مسلم - قال ابن حجر دخل حديث أحدهما في حديث الآخر - عن عبد الرحمن بن يزيد بن جابر بهذا الإسناد ‏.‏ نحو ما ذكرنا وزاد بعد قوله ‏"‏ لقد كان بهذه مرة ماء ثم يسيرون حتى ينتهوا إلى جبل الخمر وهو جبل بيت المقدس فيقولون لقد قتلنا من في الأرض هلم فلنقتل من في السماء ‏.‏ فيرمون بنشابهم إلى السماء فيرد الله عليهم نشابهم مخضوبة دما ‏"‏ ‏.‏ وفي رواية ابن حجر ‏"‏ فإني قد أنزلت عبادا لي لا يدى لأحد بقتالهم ‏"‏ ‏.‏

‘আবদুর রহমান ইবনু ইয়াযীদ ইবনু জাবির (রাযি:) থেকে এক সূত্র থেকে বর্নিতঃ

কিন্তু এতে “এখানেও এক সময় পানি ছিল” এ কথার পর বর্ধিত এ কথাও উল্লেখ রয়েছে যে, এরপর তারা অগ্রসর হতে থাকবে। পরিশেষে যেতে যেতে তারা ‘জাবালে খামার’ নামক স্থানে গিয়ে পৌছবে। এ হলো, বাইতুল মুকাদ্দাসের একটি পর্বত। এখানে পৌছে তারা বলবে, আমরা তো পৃথিবীবাসীদেরকে নিঃশেষ করে দিয়েছি। এসো, আকাশমন্ডলীর সত্তাকেও নিঃশেষ করে দেই। এ বলেই তারা আকাশের পানে তীর ছুঁড়তে থাকবে। আল্লাহ তা’আলা তীর রক্তে রঞ্জিত করে তাদের প্রতি আবার ফিরিয়ে দিবেন। বর্ণনাকারী ইবনু হুজ্রের বর্ণনায় এ কথাও বর্ধিত আছে যে, আল্লাহ বলবেন, আমি আমার এমন বান্দাদের আবির্ভাব ঘটিয়েছি, যাদের সঙ্গে যুদ্ধ করার শক্তি কারো নেই। (ই.ফা. ৭১০৭, ই.সে. ৭১৬১)

‘আবদুর রহমান ইবনু ইয়াযীদ ইবনু জাবির (রাযি:) থেকে এক সূত্র থেকে বর্নিতঃ

কিন্তু এতে “এখানেও এক সময় পানি ছিল” এ কথার পর বর্ধিত এ কথাও উল্লেখ রয়েছে যে, এরপর তারা অগ্রসর হতে থাকবে। পরিশেষে যেতে যেতে তারা ‘জাবালে খামার’ নামক স্থানে গিয়ে পৌছবে। এ হলো, বাইতুল মুকাদ্দাসের একটি পর্বত। এখানে পৌছে তারা বলবে, আমরা তো পৃথিবীবাসীদেরকে নিঃশেষ করে দিয়েছি। এসো, আকাশমন্ডলীর সত্তাকেও নিঃশেষ করে দেই। এ বলেই তারা আকাশের পানে তীর ছুঁড়তে থাকবে। আল্লাহ তা’আলা তীর রক্তে রঞ্জিত করে তাদের প্রতি আবার ফিরিয়ে দিবেন। বর্ণনাকারী ইবনু হুজ্রের বর্ণনায় এ কথাও বর্ধিত আছে যে, আল্লাহ বলবেন, আমি আমার এমন বান্দাদের আবির্ভাব ঘটিয়েছি, যাদের সঙ্গে যুদ্ধ করার শক্তি কারো নেই। (ই.ফা. ৭১০৭, ই.সে. ৭১৬১)

حدثنا علي بن حجر السعدي، حدثنا عبد الله بن عبد الرحمن بن يزيد بن جابر، والوليد بن مسلم - قال ابن حجر دخل حديث أحدهما في حديث الآخر - عن عبد الرحمن بن يزيد بن جابر بهذا الإسناد ‏.‏ نحو ما ذكرنا وزاد بعد قوله ‏"‏ لقد كان بهذه مرة ماء ثم يسيرون حتى ينتهوا إلى جبل الخمر وهو جبل بيت المقدس فيقولون لقد قتلنا من في الأرض هلم فلنقتل من في السماء ‏.‏ فيرمون بنشابهم إلى السماء فيرد الله عليهم نشابهم مخضوبة دما ‏"‏ ‏.‏ وفي رواية ابن حجر ‏"‏ فإني قد أنزلت عبادا لي لا يدى لأحد بقتالهم ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৭২৫৯

قال أبو مسعود وأنا سمعته من، رسول الله صلى الله عليه وسلم

আবূ মাস’উদ (রাযি:) থেকে বর্নিতঃ

আমিও রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে এ কথা শ্রবণ করেছি। (ই.ফা. ৭১০২, ই.সে. ৭১৫৬)

আবূ মাস’উদ (রাযি:) থেকে বর্নিতঃ

আমিও রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে এ কথা শ্রবণ করেছি। (ই.ফা. ৭১০২, ই.সে. ৭১৫৬)

قال أبو مسعود وأنا سمعته من، رسول الله صلى الله عليه وسلم


সহিহ মুসলিম > দাজ্জালের পরিচিতি, তার জন্য মাদীনাহ্ (প্রবেশ) হারাম এবং কোন মু’মিনকে হত্যা ও জীবিত করণ

সহিহ মুসলিম ৭২৬৫

حدثني عمرو الناقد، والحسن الحلواني، وعبد بن حميد، - وألفاظهم متقاربة والسياق لعبد - قال حدثني وقال الآخران، حدثنا يعقوب، - وهو ابن إبراهيم بن سعد - حدثنا أبي، عن صالح، عن ابن شهاب، أخبرني عبيد الله بن عبد الله بن عتبة، أن أبا سعيد الخدري، قال حدثنا رسول الله صلى الله عليه وسلم يوما حديثا طويلا عن الدجال فكان فيما حدثنا قال ‏ "‏ يأتي وهو محرم عليه أن يدخل نقاب المدينة فينتهي إلى بعض السباخ التي تلي المدينة فيخرج إليه يومئذ رجل هو خير الناس - أو من خير الناس - فيقول له أشهد أنك الدجال الذي حدثنا رسول الله صلى الله عليه وسلم حديثه فيقول الدجال أرأيتم إن قتلت هذا ثم أحييته أتشكون في الأمر فيقولون لا ‏.‏ قال فيقتله ثم يحييه فيقول حين يحييه والله ما كنت فيك قط أشد بصيرة مني الآن - قال - فيريد الدجال أن يقتله فلا يسلط عليه ‏"‏ ‏.‏ قال أبو إسحاق يقال إن هذا الرجل هو الخضر عليه السلام ‏.‏

আবূ সা’ঈদ আল খুদ্রী (রাযি:) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একদিন আমাদেরকে দাজ্জাল সম্পর্কে এক লম্বা বর্ণনা দিলেন। দাজ্জালের বিষয়ে তিনি এ-ও বললেন যে, দাজ্জালের আবির্ভাব হবে, কিন্তু মাদীনার পথে ঘাটে প্রবেশ করা তার জন্য নিষিদ্ধ ও হারাম হবে। অতঃপর মাদীনার নিকটবর্তী কোন এক রাস্তায় পৌছলে ঐ দিনই মাদীনাহ্ হতে এক লোক তার নিকট যাবে, যে ব্যক্তি সে সময়কার শ্রেষ্ঠ মানব হবে। সে এসে তাকে বলবে, আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, তুই সে দাজ্জাল, যার কথা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদেরকে শুনিয়েছিলেন। দাজ্জাল বলবে, হে লোক সকল! যদি আমি এ লোককে হত্যা করার পর পুনরায় জীবিত করি তবে তোমাদের মনে এ বিষয়ে কোন সন্দেহ থাকবে কি? লোকেরা বলবে, না। অতঃপর সে তাকে হত্যা করবে; তারপর জীবন দান করবে; জীবন দান করার পর সে লোক বলবে, আল্লাহর শপথ! এখন তো তোমার ব্যাপারে আমার জ্ঞান আরো বেড়ে গেছে, যা ইতোপূর্বে কখনো ছিল না। দাজ্জাল আবারো তাকে হত্যা করতে মনস্থ হবে। কিন্তু আর হত্যা করতে সক্ষম হবে না। আবূ ইসহাক বলেনঃ কথিত আছে যে, উক্ত ব্যক্তি (যাকে দাজ্জাল হত্যা করবে) খিযির (‘আঃ)। (ই.ফা. ৭১০৮, ই.সে. ৭১৬২)

আবূ সা’ঈদ আল খুদ্রী (রাযি:) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একদিন আমাদেরকে দাজ্জাল সম্পর্কে এক লম্বা বর্ণনা দিলেন। দাজ্জালের বিষয়ে তিনি এ-ও বললেন যে, দাজ্জালের আবির্ভাব হবে, কিন্তু মাদীনার পথে ঘাটে প্রবেশ করা তার জন্য নিষিদ্ধ ও হারাম হবে। অতঃপর মাদীনার নিকটবর্তী কোন এক রাস্তায় পৌছলে ঐ দিনই মাদীনাহ্ হতে এক লোক তার নিকট যাবে, যে ব্যক্তি সে সময়কার শ্রেষ্ঠ মানব হবে। সে এসে তাকে বলবে, আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, তুই সে দাজ্জাল, যার কথা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদেরকে শুনিয়েছিলেন। দাজ্জাল বলবে, হে লোক সকল! যদি আমি এ লোককে হত্যা করার পর পুনরায় জীবিত করি তবে তোমাদের মনে এ বিষয়ে কোন সন্দেহ থাকবে কি? লোকেরা বলবে, না। অতঃপর সে তাকে হত্যা করবে; তারপর জীবন দান করবে; জীবন দান করার পর সে লোক বলবে, আল্লাহর শপথ! এখন তো তোমার ব্যাপারে আমার জ্ঞান আরো বেড়ে গেছে, যা ইতোপূর্বে কখনো ছিল না। দাজ্জাল আবারো তাকে হত্যা করতে মনস্থ হবে। কিন্তু আর হত্যা করতে সক্ষম হবে না। আবূ ইসহাক বলেনঃ কথিত আছে যে, উক্ত ব্যক্তি (যাকে দাজ্জাল হত্যা করবে) খিযির (‘আঃ)। (ই.ফা. ৭১০৮, ই.সে. ৭১৬২)

حدثني عمرو الناقد، والحسن الحلواني، وعبد بن حميد، - وألفاظهم متقاربة والسياق لعبد - قال حدثني وقال الآخران، حدثنا يعقوب، - وهو ابن إبراهيم بن سعد - حدثنا أبي، عن صالح، عن ابن شهاب، أخبرني عبيد الله بن عبد الله بن عتبة، أن أبا سعيد الخدري، قال حدثنا رسول الله صلى الله عليه وسلم يوما حديثا طويلا عن الدجال فكان فيما حدثنا قال ‏ "‏ يأتي وهو محرم عليه أن يدخل نقاب المدينة فينتهي إلى بعض السباخ التي تلي المدينة فيخرج إليه يومئذ رجل هو خير الناس - أو من خير الناس - فيقول له أشهد أنك الدجال الذي حدثنا رسول الله صلى الله عليه وسلم حديثه فيقول الدجال أرأيتم إن قتلت هذا ثم أحييته أتشكون في الأمر فيقولون لا ‏.‏ قال فيقتله ثم يحييه فيقول حين يحييه والله ما كنت فيك قط أشد بصيرة مني الآن - قال - فيريد الدجال أن يقتله فلا يسلط عليه ‏"‏ ‏.‏ قال أبو إسحاق يقال إن هذا الرجل هو الخضر عليه السلام ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৭২৬৭

حدثني محمد بن عبد الله بن قهزاذ، من أهل مرو حدثنا عبد الله بن عثمان، عن أبي حمزة، عن قيس بن وهب، عن أبي الوداك، عن أبي سعيد الخدري، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ يخرج الدجال فيتوجه قبله رجل من المؤمنين فتلقاه المسالح مسالح الدجال فيقولون له أين تعمد فيقول أعمد إلى هذا الذي خرج - قال - فيقولون له أوما تؤمن بربنا فيقول ما بربنا خفاء ‏.‏ فيقولون اقتلوه ‏.‏ فيقول بعضهم لبعض أليس قد نهاكم ربكم أن تقتلوا أحدا دونه - قال - فينطلقون به إلى الدجال فإذا رآه المؤمن قال يا أيها الناس هذا الدجال الذي ذكر رسول الله صلى الله عليه وسلم قال فيأمر الدجال به فيشبح فيقول خذوه وشجوه ‏.‏ فيوسع ظهره وبطنه ضربا - قال - فيقول أوما تؤمن بي قال فيقول أنت المسيح الكذاب - قال - فيؤمر به فيؤشر بالمئشار من مفرقه حتى يفرق بين رجليه - قال - ثم يمشي الدجال بين القطعتين ثم يقول له قم ‏.‏ فيستوي قائما - قال - ثم يقول له أتؤمن بي فيقول ما ازددت فيك إلا بصيرة - قال - ثم يقول يا أيها الناس إنه لا يفعل بعدي بأحد من الناس - قال - فيأخذه الدجال ليذبحه فيجعل ما بين رقبته إلى ترقوته نحاسا فلا يستطيع إليه سبيلا - قال - فيأخذ بيديه ورجليه فيقذف به فيحسب الناس أنما قذفه إلى النار وإنما ألقي في الجنة ‏"‏ ‏.‏ فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ هذا أعظم الناس شهادة عند رب العالمين ‏"‏ ‏.‏

আবূ সাঈদ আল খুদরী (রাযি:) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলূল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, দাজ্জালের আত্মপ্রকাশের পর কোন এক মুসলিম লোক তার দিকে এগিয়ে যাবে। তারপর পথে অস্ত্রধারী দাজ্জাল বাহিনীর সঙ্গে তার দেখা হবে। তারা তাকে প্রশ্ন করবে, কোথায় যাবে? সে বলবে, আবির্ভূত দাজ্জালের কাছে যাব। তারা তাকে আবারো প্রশ্ন করবে, তুমি কি আমাদের প্রতিপালকের উপর ঈমান আননি? সে বলবে, আমাদের প্রতিপালক গুপ্ত নন। দাজ্জালের লোকেরা তাকে লক্ষ্য করে বলবে, তোমরা তাকে হত্যা করে দাও। তখন তারা একে অপরকে বলবে, আমাদের রব কাউকে তার সামনে নেয়া ব্যতিরেকে হত্যা করতে কি তোমাদের বারণ করেননি? তারপর তারা তাকে নিয়ে দাজ্জালের কাছে যাবে। দাজ্জালকে দেখামাত্রই সে বলবে, হে লোক সকল! এ-তো সেই দাজ্জাল, যার ব্যাপারে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদেরকে বর্ণনা দিয়েছেন। তারপর দাজ্জাল তার লোকদেরকে আগন্তুক লোকের মাথা ছিন্ন-ভিন্ন করার নির্দেশ দিয়ে বলবে, তাকে ধর এবং তার মাথা ছিন্ন-বিচ্ছিন্ন করে দাও। তারপর তার পেট ও পিঠে আঘাত করা হবে। আবার দাজ্জাল তাকে প্রশ্ন করবে, তুমি কি আমার প্রতি ঈমান আনয়ন করবে না। সে বলবে, তুমি তো মাসীহ্ দাজ্জাল। বর্ণনাকারী বলেন, তারপর দাজ্জাল তার ব্যাপারে নির্দেশ দিবে। দাজ্জালের হুকুমে মাথা হতে পা পর্যন্ত তাকে করাতে চিরে দু’ টুকরো করে দেয়া হবে। তারপর দাজ্জাল উভয় টুকরার মধ্যস্থলে দন্ডায়মান হয়ে তাকে সম্বোধন করে বলবে, উঠো। সে সোজা দাঁড়িয়ে যাবে। এরপর আবারো তাকে জিজ্ঞেস করা হবে, তুমি কি আমার প্রতি ঈমান আনবে না? অত:পর আগন্তুক ব্যক্তি বলবে, তোমার সম্পর্কে কেবল আমার মাঝে সুস্পষ্ট ধারণা বেড়েই চলবে। তারপর আগন্তুক লোক বলবে, হে লোক সকল! আমার পর দাজ্জাল আর কারো সংঙ্গে এমন আচরণ করতে সক্ষম হবে না। এরপর যবাহ্ করার জন্য দাজ্জাল তাকে পাকড়াও করবে। কিন্তু তার গলা ও ঘাড় তামায় রূপান্তর করা হবে। ফলে দাজ্জাল তাকে যবাহ্ করতে সক্ষম হবে না। উপায়ান্তর না দেখে দাজ্জাল তখন তার হাত-পা ধরে তাকে নিক্ষেপ করবে। লোকেরা মনে করবে, দাজ্জাল তাকে আগুনে নিক্ষেপ করেছে। বস্তুত: সে জান্নাতে নিক্ষিপ্ত হবে। অত:পর রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, আল্লাহ রাব্বুল ‘আলামীনের কাছে এ লোকই হবে মানুষের মধ্যে সবচেয়ে বড় শাহাদাতের মর্যাদায় অধিষ্ঠিত। (ই.ফা. ৭১১০, ই.সে. ৭১৬৪)

আবূ সাঈদ আল খুদরী (রাযি:) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলূল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, দাজ্জালের আত্মপ্রকাশের পর কোন এক মুসলিম লোক তার দিকে এগিয়ে যাবে। তারপর পথে অস্ত্রধারী দাজ্জাল বাহিনীর সঙ্গে তার দেখা হবে। তারা তাকে প্রশ্ন করবে, কোথায় যাবে? সে বলবে, আবির্ভূত দাজ্জালের কাছে যাব। তারা তাকে আবারো প্রশ্ন করবে, তুমি কি আমাদের প্রতিপালকের উপর ঈমান আননি? সে বলবে, আমাদের প্রতিপালক গুপ্ত নন। দাজ্জালের লোকেরা তাকে লক্ষ্য করে বলবে, তোমরা তাকে হত্যা করে দাও। তখন তারা একে অপরকে বলবে, আমাদের রব কাউকে তার সামনে নেয়া ব্যতিরেকে হত্যা করতে কি তোমাদের বারণ করেননি? তারপর তারা তাকে নিয়ে দাজ্জালের কাছে যাবে। দাজ্জালকে দেখামাত্রই সে বলবে, হে লোক সকল! এ-তো সেই দাজ্জাল, যার ব্যাপারে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদেরকে বর্ণনা দিয়েছেন। তারপর দাজ্জাল তার লোকদেরকে আগন্তুক লোকের মাথা ছিন্ন-ভিন্ন করার নির্দেশ দিয়ে বলবে, তাকে ধর এবং তার মাথা ছিন্ন-বিচ্ছিন্ন করে দাও। তারপর তার পেট ও পিঠে আঘাত করা হবে। আবার দাজ্জাল তাকে প্রশ্ন করবে, তুমি কি আমার প্রতি ঈমান আনয়ন করবে না। সে বলবে, তুমি তো মাসীহ্ দাজ্জাল। বর্ণনাকারী বলেন, তারপর দাজ্জাল তার ব্যাপারে নির্দেশ দিবে। দাজ্জালের হুকুমে মাথা হতে পা পর্যন্ত তাকে করাতে চিরে দু’ টুকরো করে দেয়া হবে। তারপর দাজ্জাল উভয় টুকরার মধ্যস্থলে দন্ডায়মান হয়ে তাকে সম্বোধন করে বলবে, উঠো। সে সোজা দাঁড়িয়ে যাবে। এরপর আবারো তাকে জিজ্ঞেস করা হবে, তুমি কি আমার প্রতি ঈমান আনবে না? অত:পর আগন্তুক ব্যক্তি বলবে, তোমার সম্পর্কে কেবল আমার মাঝে সুস্পষ্ট ধারণা বেড়েই চলবে। তারপর আগন্তুক লোক বলবে, হে লোক সকল! আমার পর দাজ্জাল আর কারো সংঙ্গে এমন আচরণ করতে সক্ষম হবে না। এরপর যবাহ্ করার জন্য দাজ্জাল তাকে পাকড়াও করবে। কিন্তু তার গলা ও ঘাড় তামায় রূপান্তর করা হবে। ফলে দাজ্জাল তাকে যবাহ্ করতে সক্ষম হবে না। উপায়ান্তর না দেখে দাজ্জাল তখন তার হাত-পা ধরে তাকে নিক্ষেপ করবে। লোকেরা মনে করবে, দাজ্জাল তাকে আগুনে নিক্ষেপ করেছে। বস্তুত: সে জান্নাতে নিক্ষিপ্ত হবে। অত:পর রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, আল্লাহ রাব্বুল ‘আলামীনের কাছে এ লোকই হবে মানুষের মধ্যে সবচেয়ে বড় শাহাদাতের মর্যাদায় অধিষ্ঠিত। (ই.ফা. ৭১১০, ই.সে. ৭১৬৪)

حدثني محمد بن عبد الله بن قهزاذ، من أهل مرو حدثنا عبد الله بن عثمان، عن أبي حمزة، عن قيس بن وهب، عن أبي الوداك، عن أبي سعيد الخدري، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ يخرج الدجال فيتوجه قبله رجل من المؤمنين فتلقاه المسالح مسالح الدجال فيقولون له أين تعمد فيقول أعمد إلى هذا الذي خرج - قال - فيقولون له أوما تؤمن بربنا فيقول ما بربنا خفاء ‏.‏ فيقولون اقتلوه ‏.‏ فيقول بعضهم لبعض أليس قد نهاكم ربكم أن تقتلوا أحدا دونه - قال - فينطلقون به إلى الدجال فإذا رآه المؤمن قال يا أيها الناس هذا الدجال الذي ذكر رسول الله صلى الله عليه وسلم قال فيأمر الدجال به فيشبح فيقول خذوه وشجوه ‏.‏ فيوسع ظهره وبطنه ضربا - قال - فيقول أوما تؤمن بي قال فيقول أنت المسيح الكذاب - قال - فيؤمر به فيؤشر بالمئشار من مفرقه حتى يفرق بين رجليه - قال - ثم يمشي الدجال بين القطعتين ثم يقول له قم ‏.‏ فيستوي قائما - قال - ثم يقول له أتؤمن بي فيقول ما ازددت فيك إلا بصيرة - قال - ثم يقول يا أيها الناس إنه لا يفعل بعدي بأحد من الناس - قال - فيأخذه الدجال ليذبحه فيجعل ما بين رقبته إلى ترقوته نحاسا فلا يستطيع إليه سبيلا - قال - فيأخذ بيديه ورجليه فيقذف به فيحسب الناس أنما قذفه إلى النار وإنما ألقي في الجنة ‏"‏ ‏.‏ فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ هذا أعظم الناس شهادة عند رب العالمين ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৭২৬৬

وحدثني عبد الله بن عبد الرحمن الدارمي، أخبرنا أبو اليمان، أخبرنا شعيب، عن الزهري، في هذا الإسناد بمثله ‏.‏

যুহরী (রহঃ) হতে এ সূত্র থেকে বর্নিতঃ

অবিকল বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৭১০৯, ই.সে. ৭১৬৩)

যুহরী (রহঃ) হতে এ সূত্র থেকে বর্নিতঃ

অবিকল বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৭১০৯, ই.সে. ৭১৬৩)

وحدثني عبد الله بن عبد الرحمن الدارمي، أخبرنا أبو اليمان، أخبرنا شعيب، عن الزهري، في هذا الإسناد بمثله ‏.‏


সহিহ মুসলিম > দাজ্জালের (অলেৌকিকত্ব) আল্লাহর নিকট অধিক সহজ

সহিহ মুসলিম ৭২৬৮

حدثنا شهاب بن عباد العبدي، حدثنا إبراهيم بن حميد الرؤاسي، عن إسماعيل، بن أبي خالد عن قيس بن أبي حازم، عن المغيرة بن شعبة، قال ما سأل أحد النبي صلى الله عليه وسلم عن الدجال أكثر مما سألت قال ‏"‏ وما ينصبك منه إنه لا يضرك ‏"‏ ‏.‏ قال قلت يا رسول الله إنهم يقولون إن معه الطعام والأنهار قال ‏"‏ هو أهون على الله من ذلك ‏"‏ ‏.‏

মুগীরাহ্ ইবনু শু’বাহ (রাযি:) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, দাজ্জালের ব্যাপারে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে আমার চেয়ে এতো বেশী আর কেউ জিজ্ঞেস করেনি। তিনি বলেছেন: তোমার কাছে যেটা পীড়াদায়ক তা তোমার কোন ক্ষতিসাধন করতে সক্ষম হবে না। জবাবে আমি বললাম, হে আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)! লোকেরা বলাবলি করছে যে, তার সাথে খাদ্য এবং পানির ঝর্ণা থাকবে। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃএটা তো আল্লাহর কাছে তার চেয়েও অনেক সহজ। (ই.ফা. ৭১১১, ই.সে. ৭১৬৫)

মুগীরাহ্ ইবনু শু’বাহ (রাযি:) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, দাজ্জালের ব্যাপারে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে আমার চেয়ে এতো বেশী আর কেউ জিজ্ঞেস করেনি। তিনি বলেছেন: তোমার কাছে যেটা পীড়াদায়ক তা তোমার কোন ক্ষতিসাধন করতে সক্ষম হবে না। জবাবে আমি বললাম, হে আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)! লোকেরা বলাবলি করছে যে, তার সাথে খাদ্য এবং পানির ঝর্ণা থাকবে। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃএটা তো আল্লাহর কাছে তার চেয়েও অনেক সহজ। (ই.ফা. ৭১১১, ই.সে. ৭১৬৫)

حدثنا شهاب بن عباد العبدي، حدثنا إبراهيم بن حميد الرؤاسي، عن إسماعيل، بن أبي خالد عن قيس بن أبي حازم، عن المغيرة بن شعبة، قال ما سأل أحد النبي صلى الله عليه وسلم عن الدجال أكثر مما سألت قال ‏"‏ وما ينصبك منه إنه لا يضرك ‏"‏ ‏.‏ قال قلت يا رسول الله إنهم يقولون إن معه الطعام والأنهار قال ‏"‏ هو أهون على الله من ذلك ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৭২৬৯

حدثنا سريج بن يونس، حدثنا هشيم، عن إسماعيل، عن قيس، عن المغيرة، بن شعبة قال ما سأل أحد النبي صلى الله عليه وسلم عن الدجال أكثر مما سألته قال ‏"‏ وما سؤالك ‏"‏ ‏.‏ قال قلت إنهم يقولون معه جبال من خبز ولحم ونهر من ماء ‏.‏ قال ‏"‏ هو أهون على الله من ذلك ‏"‏ ‏.‏

মুগীরাহ্ ইবনু শুবাহ (রাযি:) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, দাজ্জালের ব্যাপারে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে আমার চেয়ে বেশী আর কেউ জিজ্ঞেস করেনি। আর তিনি আমাকে বলেছেন, তোমার কি প্রশ্ন? তিনি বলেন, জবাবে আমি বললাম, লোকেরা কথোপকথন করছে যে, তার সাথে রুটি ও গোশতের পর্বত এবং পানির ঝর্ণা থাকবে। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃএটা তো আল্লাহর কাছে তার তুলনায় সহজ। (ই.ফা. ৭১১২, ই.সে. ৭১৬৬)

মুগীরাহ্ ইবনু শুবাহ (রাযি:) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, দাজ্জালের ব্যাপারে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে আমার চেয়ে বেশী আর কেউ জিজ্ঞেস করেনি। আর তিনি আমাকে বলেছেন, তোমার কি প্রশ্ন? তিনি বলেন, জবাবে আমি বললাম, লোকেরা কথোপকথন করছে যে, তার সাথে রুটি ও গোশতের পর্বত এবং পানির ঝর্ণা থাকবে। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃএটা তো আল্লাহর কাছে তার তুলনায় সহজ। (ই.ফা. ৭১১২, ই.সে. ৭১৬৬)

حدثنا سريج بن يونس، حدثنا هشيم، عن إسماعيل، عن قيس، عن المغيرة، بن شعبة قال ما سأل أحد النبي صلى الله عليه وسلم عن الدجال أكثر مما سألته قال ‏"‏ وما سؤالك ‏"‏ ‏.‏ قال قلت إنهم يقولون معه جبال من خبز ولحم ونهر من ماء ‏.‏ قال ‏"‏ هو أهون على الله من ذلك ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৭২৭০

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وابن، نمير قالا حدثنا وكيع، ح وحدثنا إسحاق، بن إبراهيم أخبرنا جرير، ح وحدثنا ابن أبي عمر، حدثنا سفيان، ح وحدثنا أبو بكر بن، أبي شيبة حدثنا يزيد بن هارون، ح وحدثني محمد بن رافع، حدثنا أبو أسامة، كلهم عن إسماعيل، بهذا الإسناد ‏.‏ نحو حديث إبراهيم بن حميد وزاد في حديث يزيد فقال لي ‏ "‏ أى بنى ‏"‏ ‏.‏

আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ, ইবনু নুমায়র, ইসহাক্ ইবনু ইবরাহীম, ইবনু আবূ ‘উমার, আবূ বাকর ইবনু শাইবাহ্, মুহাম্মাদ ইবনু রাফি’, ইসমাঈল (রহ) হতে এ সূত্র থেকে বর্নিতঃ

ইবরাহীম ইবনু হুমায়দ-এর অবিকল হাদীস বর্ণনা করেছেন। তবে ইয়াযীদ-এর হাদীসে এ কথা বর্ধিত রয়েছে যে, অত:পর তিনি আমাকে বললেন, ‘হে প্রিয় বৎস!’ (ই.ফা. ৭১১৩, ই.সে. ৭১৬৭)

আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ, ইবনু নুমায়র, ইসহাক্ ইবনু ইবরাহীম, ইবনু আবূ ‘উমার, আবূ বাকর ইবনু শাইবাহ্, মুহাম্মাদ ইবনু রাফি’, ইসমাঈল (রহ) হতে এ সূত্র থেকে বর্নিতঃ

ইবরাহীম ইবনু হুমায়দ-এর অবিকল হাদীস বর্ণনা করেছেন। তবে ইয়াযীদ-এর হাদীসে এ কথা বর্ধিত রয়েছে যে, অত:পর তিনি আমাকে বললেন, ‘হে প্রিয় বৎস!’ (ই.ফা. ৭১১৩, ই.সে. ৭১৬৭)

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وابن، نمير قالا حدثنا وكيع، ح وحدثنا إسحاق، بن إبراهيم أخبرنا جرير، ح وحدثنا ابن أبي عمر، حدثنا سفيان، ح وحدثنا أبو بكر بن، أبي شيبة حدثنا يزيد بن هارون، ح وحدثني محمد بن رافع، حدثنا أبو أسامة، كلهم عن إسماعيل، بهذا الإسناد ‏.‏ نحو حديث إبراهيم بن حميد وزاد في حديث يزيد فقال لي ‏ "‏ أى بنى ‏"‏ ‏.‏


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00