সহিহ মুসলিম > ততক্ষণ পর্যন্ত কিয়ামাত সংঘটিত হবে না, যতক্ষণ পর্যন্ত ফুরাত তার মধ্যস্থিত পাহাড়সম স্বর্ণ উন্মোচন না করে

সহিহ মুসলিম ৭১৬৪

حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا يعقوب، - يعني ابن عبد الرحمن القاري - عن سهيل، عن أبيه، عن أبي هريرة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ لا تقوم الساعة حتى يحسر الفرات عن جبل من ذهب يقتتل الناس عليه فيقتل من كل مائة تسعة وتسعون ويقول كل رجل منهم لعلي أكون أنا الذي أنجو ‏"‏ ‏.‏

আবূ হুরাইরাহ্ (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলূল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ কিয়ামাত সংঘটিত হবে না ততক্ষণ পর্যন্ত, যতক্ষণ না ফুরাত তার মধ্যস্থিত স্বর্ণের পাহাড় বের করে দেয়। লোকেরা এ নিয়ে যুদ্ধ করবে এবং একশতের মধ্যে নিরানব্বই জন মৃত্যুবরণ করবে। তাদের সকলেই বলবে, আমার মনে হয় আমি জীবন্ত থাকব। (ই.ফা. ৭০০৮, ই.সে. ৭০৬৫)

আবূ হুরাইরাহ্ (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলূল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ কিয়ামাত সংঘটিত হবে না ততক্ষণ পর্যন্ত, যতক্ষণ না ফুরাত তার মধ্যস্থিত স্বর্ণের পাহাড় বের করে দেয়। লোকেরা এ নিয়ে যুদ্ধ করবে এবং একশতের মধ্যে নিরানব্বই জন মৃত্যুবরণ করবে। তাদের সকলেই বলবে, আমার মনে হয় আমি জীবন্ত থাকব। (ই.ফা. ৭০০৮, ই.সে. ৭০৬৫)

حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا يعقوب، - يعني ابن عبد الرحمن القاري - عن سهيل، عن أبيه، عن أبي هريرة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ لا تقوم الساعة حتى يحسر الفرات عن جبل من ذهب يقتتل الناس عليه فيقتل من كل مائة تسعة وتسعون ويقول كل رجل منهم لعلي أكون أنا الذي أنجو ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৭১৬৬

حدثنا أبو مسعود، سهل بن عثمان حدثنا عقبة بن خالد السكوني، عن عبيد، الله عن خبيب بن عبد الرحمن، عن حفص بن عاصم، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ يوشك الفرات أن يحسر عن كنز من ذهب فمن حضره فلا يأخذ منه شيئا ‏"‏ ‏.‏

আবূ হুরাইরাহ্ (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ শীঘ্রই ফুরাত তার গর্ভস্থিত স্বর্ণভাণ্ডার বের করে দিবে। সুতরাং এ সময় যারা উপস্থিত থাকবে তারা যেন এ থেকে কিছুই গ্রহণ না করে। (ই.ফা. ৭০১০, ই.সে. ৭০৬৭)

আবূ হুরাইরাহ্ (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ শীঘ্রই ফুরাত তার গর্ভস্থিত স্বর্ণভাণ্ডার বের করে দিবে। সুতরাং এ সময় যারা উপস্থিত থাকবে তারা যেন এ থেকে কিছুই গ্রহণ না করে। (ই.ফা. ৭০১০, ই.সে. ৭০৬৭)

حدثنا أبو مسعود، سهل بن عثمان حدثنا عقبة بن خالد السكوني، عن عبيد، الله عن خبيب بن عبد الرحمن، عن حفص بن عاصم، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ يوشك الفرات أن يحسر عن كنز من ذهب فمن حضره فلا يأخذ منه شيئا ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৭১৬৭

حدثنا سهل بن عثمان، حدثنا عقبة بن خالد، عن عبيد الله، عن أبي الزناد، عن عبد الرحمن الأعرج، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ يوشك الفرات أن يحسر عن جبل من ذهب فمن حضره فلا يأخذ منه شيئا ‏"‏ ‏.

আবূ হুরাইরাহ্ (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ শীঘ্রই ফুরাত তার গর্ভস্থিত পাহাড়সম স্বর্ণ বের করে দিবে। তাই এ সময় যারা সমুপস্থিত থাকবে তারা যেন এ থেকে কিছুই গ্রহণ না করে। (ই.ফে. ৭০১১, ই. সে. ৭০৬৮)

আবূ হুরাইরাহ্ (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ শীঘ্রই ফুরাত তার গর্ভস্থিত পাহাড়সম স্বর্ণ বের করে দিবে। তাই এ সময় যারা সমুপস্থিত থাকবে তারা যেন এ থেকে কিছুই গ্রহণ না করে। (ই.ফে. ৭০১১, ই. সে. ৭০৬৮)

حدثنا سهل بن عثمان، حدثنا عقبة بن خالد، عن عبيد الله، عن أبي الزناد، عن عبد الرحمن الأعرج، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ يوشك الفرات أن يحسر عن جبل من ذهب فمن حضره فلا يأخذ منه شيئا ‏"‏ ‏.


সহিহ মুসলিম ৭১৬৯

حدثنا عبيد بن يعيش، وإسحاق بن إبراهيم، - واللفظ لعبيد - قالا حدثنا يحيى، بن آدم بن سليمان مولى خالد بن خالد حدثنا زهير، عن سهيل بن أبي صالح، عن أبيه، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ منعت العراق درهمها وقفيزها ومنعت الشأم مديها ودينارها ومنعت مصر إردبها ودينارها وعدتم من حيث بدأتم وعدتم من حيث بدأتم وعدتم من حيث بدأتم ‏"‏ ‏.‏ شهد على ذلك لحم أبي هريرة ودمه ‏.‏

আবূ হুরাইরাহ্‌ (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, ইরাক তার রৌপ্য মুদ্রা এবং কাফীয দিতে বারণ করবে। সিরিয়াও তার মুদ এবং স্বর্ণমুদ্রা প্রদান করতে অস্বীকৃতি জানাবে। অনুরূপভাবে মিসরও তাদের আরদাব এবং স্বর্ণমুদ্রা প্রদান করতে অস্বীকৃতি জানাবে। পরিশেষে তোমরা পূর্বাবস্থায় প্রত্যাবর্তন করবে, তোমরা পূর্বাবস্থায় প্রত্যাবর্তন করবে, তোমরা পূর্বাবস্থায় প্রত্যাবর্তন করবে। এ কথার প্রতি আবূ হুরায়রা্‌ (রাঃ)-এর রক্ত-গোশ্‌ত সাক্ষ্য দিচ্ছে। (ই.ফা. ৭০১৩, ই.সে. ৭০৭০)

আবূ হুরাইরাহ্‌ (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, ইরাক তার রৌপ্য মুদ্রা এবং কাফীয দিতে বারণ করবে। সিরিয়াও তার মুদ এবং স্বর্ণমুদ্রা প্রদান করতে অস্বীকৃতি জানাবে। অনুরূপভাবে মিসরও তাদের আরদাব এবং স্বর্ণমুদ্রা প্রদান করতে অস্বীকৃতি জানাবে। পরিশেষে তোমরা পূর্বাবস্থায় প্রত্যাবর্তন করবে, তোমরা পূর্বাবস্থায় প্রত্যাবর্তন করবে, তোমরা পূর্বাবস্থায় প্রত্যাবর্তন করবে। এ কথার প্রতি আবূ হুরায়রা্‌ (রাঃ)-এর রক্ত-গোশ্‌ত সাক্ষ্য দিচ্ছে। (ই.ফা. ৭০১৩, ই.সে. ৭০৭০)

حدثنا عبيد بن يعيش، وإسحاق بن إبراهيم، - واللفظ لعبيد - قالا حدثنا يحيى، بن آدم بن سليمان مولى خالد بن خالد حدثنا زهير، عن سهيل بن أبي صالح، عن أبيه، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ منعت العراق درهمها وقفيزها ومنعت الشأم مديها ودينارها ومنعت مصر إردبها ودينارها وعدتم من حيث بدأتم وعدتم من حيث بدأتم وعدتم من حيث بدأتم ‏"‏ ‏.‏ شهد على ذلك لحم أبي هريرة ودمه ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৭১৬৮

حدثنا أبو كامل، فضيل بن حسين وأبو معن الرقاشي - واللفظ لأبي معن - قالا حدثنا خالد بن الحارث، حدثنا عبد الحميد بن جعفر، أخبرني أبي، عن سليمان بن، يسار عن عبد الله بن الحارث بن نوفل، قال كنت واقفا مع أبى بن كعب فقال لا يزال الناس مختلفة أعناقهم في طلب الدنيا ‏.‏ قلت أجل ‏.‏ قال إني سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول ‏ "‏ يوشك الفرات أن يحسر عن جبل من ذهب فإذا سمع به الناس ساروا إليه فيقول من عنده لئن تركنا الناس يأخذون منه ليذهبن به كله قال فيقتتلون عليه فيقتل من كل مائة تسعة وتسعون ‏"‏ ‏.‏ قال أبو كامل في حديثه قال وقفت أنا وأبى بن كعب في ظل أجم حسان ‏.‏

‘আবদুল্লাহ ইবনুল হারিস ইবনু নাওফাল (রহঃ থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি উবাই ইবনু কা‘ব (রাঃ)-এর সাথে দাঁড়িয়ে ছিলাম। এমন সময় তিনি বললেন, বিভিন্ন প্রক্রিয়া গ্রহণ করতঃ মানুষ জাগতিক সম্পদ উপার্জনের কাজে সর্বদা নিয়োজিত থাকবে। আমি বললাম, হ্যাঁ, ঠিকই। তখন তিনি বললেন, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি, শীঘ্রই ফুরাত তার গর্ভস্থিত স্বর্ণসম পর্বত বের করে দিবে। এ কথা শুনামাত্রই লোকজন সেদিকে চলতে রওনা হবে। সেখানকার লোকেরা বলবে, আমরা যদি লোকদেরকে ছেড়ে দেই তবে তারা সমস্ত কিছুই নিয়ে চলে যাবে। এ নিয়ে তারা পরস্পর যুদ্ধে জড়িয়ে পড়বে এবং এতে একশতের মধ্যে নিরানব্বই জন লোকই নিহত হবে। বর্ণনাকারী আবূ কামিল (রহঃ) তার হাদীস উল্লেখ করেছেন যে, আমি এবং উবাই ইবনু কা‘ব (রাঃ) হাস্‌সান-এর কিল্লার ছায়ায় দাঁড়িয়ে ছিলাম (ই.ফা. ৭০১২, ই.সে. ৭০৬৯)

‘আবদুল্লাহ ইবনুল হারিস ইবনু নাওফাল (রহঃ থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি উবাই ইবনু কা‘ব (রাঃ)-এর সাথে দাঁড়িয়ে ছিলাম। এমন সময় তিনি বললেন, বিভিন্ন প্রক্রিয়া গ্রহণ করতঃ মানুষ জাগতিক সম্পদ উপার্জনের কাজে সর্বদা নিয়োজিত থাকবে। আমি বললাম, হ্যাঁ, ঠিকই। তখন তিনি বললেন, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি, শীঘ্রই ফুরাত তার গর্ভস্থিত স্বর্ণসম পর্বত বের করে দিবে। এ কথা শুনামাত্রই লোকজন সেদিকে চলতে রওনা হবে। সেখানকার লোকেরা বলবে, আমরা যদি লোকদেরকে ছেড়ে দেই তবে তারা সমস্ত কিছুই নিয়ে চলে যাবে। এ নিয়ে তারা পরস্পর যুদ্ধে জড়িয়ে পড়বে এবং এতে একশতের মধ্যে নিরানব্বই জন লোকই নিহত হবে। বর্ণনাকারী আবূ কামিল (রহঃ) তার হাদীস উল্লেখ করেছেন যে, আমি এবং উবাই ইবনু কা‘ব (রাঃ) হাস্‌সান-এর কিল্লার ছায়ায় দাঁড়িয়ে ছিলাম (ই.ফা. ৭০১২, ই.সে. ৭০৬৯)

حدثنا أبو كامل، فضيل بن حسين وأبو معن الرقاشي - واللفظ لأبي معن - قالا حدثنا خالد بن الحارث، حدثنا عبد الحميد بن جعفر، أخبرني أبي، عن سليمان بن، يسار عن عبد الله بن الحارث بن نوفل، قال كنت واقفا مع أبى بن كعب فقال لا يزال الناس مختلفة أعناقهم في طلب الدنيا ‏.‏ قلت أجل ‏.‏ قال إني سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول ‏ "‏ يوشك الفرات أن يحسر عن جبل من ذهب فإذا سمع به الناس ساروا إليه فيقول من عنده لئن تركنا الناس يأخذون منه ليذهبن به كله قال فيقتتلون عليه فيقتل من كل مائة تسعة وتسعون ‏"‏ ‏.‏ قال أبو كامل في حديثه قال وقفت أنا وأبى بن كعب في ظل أجم حسان ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৭১৬৫

وحدثني أمية بن بسطام، حدثنا يزيد بن زريع، حدثنا روح، عن سهيل، بهذا الإسناد نحوه وزاد فقال أبي إن رأيته فلا تقربنه ‏.‏

সুহায়ল (রহঃ) থেকে এ সূত্র থেকে বর্নিতঃ

অবিকল বর্ণনা করেছেন। তবে তিনি এতে বর্ধিত বর্ণনা করেছেন যে, আমার পিতা বলেছেন, যদি তোমরা ঐ পাহাড় দেখো তবে তোমরা এর নিকটেও যেও না। (ই.ফা. ৭০০৯, ই.সে. ৭০৬৬)

সুহায়ল (রহঃ) থেকে এ সূত্র থেকে বর্নিতঃ

অবিকল বর্ণনা করেছেন। তবে তিনি এতে বর্ধিত বর্ণনা করেছেন যে, আমার পিতা বলেছেন, যদি তোমরা ঐ পাহাড় দেখো তবে তোমরা এর নিকটেও যেও না। (ই.ফা. ৭০০৯, ই.সে. ৭০৬৬)

وحدثني أمية بن بسطام، حدثنا يزيد بن زريع، حدثنا روح، عن سهيل، بهذا الإسناد نحوه وزاد فقال أبي إن رأيته فلا تقربنه ‏.‏


সহিহ মুসলিম > কুস্তনতিনিয়া (ইস্তাম্বুলের একটি শহর) বিজয়, দাজ্জালের আগমন এবং ‘ঈসা ইবনু মারইয়াম (আ :) –এর অবতরণ

সহিহ মুসলিম ৭১৭০

حدثني زهير بن حرب، حدثنا معلى بن منصور، حدثنا سليمان بن بلال، حدثنا سهيل، عن أبيه، عن أبي هريرة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ لا تقوم الساعة حتى ينزل الروم بالأعماق أو بدابق فيخرج إليهم جيش من المدينة من خيار أهل الأرض يومئذ فإذا تصافوا قالت الروم خلوا بيننا وبين الذين سبوا منا نقاتلهم ‏.‏ فيقول المسلمون لا والله لا نخلي بينكم وبين إخواننا ‏.‏ فيقاتلونهم فينهزم ثلث لا يتوب الله عليهم أبدا ويقتل ثلثهم أفضل الشهداء عند الله ويفتتح الثلث لا يفتنون أبدا فيفتتحون قسطنطينية فبينما هم يقتسمون الغنائم قد علقوا سيوفهم بالزيتون إذ صاح فيهم الشيطان إن المسيح قد خلفكم في أهليكم ‏.‏ فيخرجون وذلك باطل فإذا جاءوا الشأم خرج فبينما هم يعدون للقتال يسوون الصفوف إذ أقيمت الصلاة فينزل عيسى ابن مريم فأمهم فإذا رآه عدو الله ذاب كما يذوب الملح في الماء فلو تركه لانذاب حتى يهلك ولكن يقتله الله بيده فيريهم دمه في حربته ‏"‏ ‏.‏

আবূ হুরাইরাহ্‌ (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ কিয়ামত সংঘটিত হবে না যতক্ষণ পর্যন্ত না রোমীয় (সিরিয়ার অন্তর্গত) সেনাবাহিনী আ‘মাক অথবা দাবিক নহরের কাছে অবতীর্ণ হবে। তখন তাদের মুকাবিলায় মাদীনাহ্‌ হতে এ দুনিয়ার সর্বোত্তম মানুষেরর এক দল সৈন্য বের হবে। তারপর উভয় দল সারিবদ্ধভাবে দণ্ডায়মান হবার পর রোমীয়গণ বলবে, তোমরা ঐ সমস্ত লোকেদের থেকে পৃথক হয়ে যাও, যারা আমাদের লোকেদেরকে বন্দী করেছে। আমরা তাদের সাথে যুদ্ধ করব। তখন মুসলিমগণ বলবে, আল্লাহর শপথ! আমরা আমাদের ভাইদের থেকে কক্ষনো সম্পর্কচ্ছেদ করব না। পরিশেষে তাদের পরস্পর যুদ্ধ হবে। এ যুদ্ধে মুসলিমদের এক তৃতীয়াংশ সৈন্য পলায়নপর হবে। আল্লাহ তা‘আলা কক্ষনো তাদের তাওবাহ্‌ গ্রহণ করবেন না। সৈন্যদের এক তৃতীয়াংশ নিহত হবে এবং তারা হবে আল্লাহর কাছে শহীদানের মাঝে সর্বোত্তম শাহীদ। আর সৈন্যদের অপর তৃতীয়াংশ বিজয়ী হবে। জীবনে আর কক্ষনো তারা ফিত্‌নায় আক্রান্ত হবে না। তারাই কুস্তুনতিনিয়া বিজয় করবে। তারা নিজেদের তালোয়ার যাইতুন বৃক্ষে লটকিয়ে যুদ্ধলব্ধ সম্পদ ভাগ করতে থাকবে। এমতাবস্থায় তদের মধ্যে শাইতান উচ্চৈঃস্বরে বলতে থাকবে, দাজ্জাল তোমাদের পেছনে তোমাদের পরিবার-পরিজনের মধ্যে চলে এসেছে। এ কথা শুনে মুসলিমরা সেখান থেকে বের হবে। অথচ এ ছিল মিথ্যা সংবাদ। তারা যখন সিরিয়া পৌঁছবে তখন দাজ্জালের আগমন ঘটবে। যখন মুসলিম বাহিনী যুদ্ধের প্রস্তুতি গ্রহণ করবে এবং সারিবদ্ধভাবে দন্ডায়মান হতে শুরু করা মাত্র সলাতের সময় হবে। অতঃপর ‘ঈসা (‘আঃ) অবতরণ করবেন এবং সলাতে তাদের ইমামাত করবেন। আল্লাহর শত্রু তাকে দেখামাত্রই বিচলিত হয়ে যাবে যেমন লবণ পাণিতে মিশে যায়। যদি ‘ঈসা (‘আঃ) তাকে এমনিই ছেড়ে দেন তবে সেও নিজে নিজেই বিগলিত হয়ে ধ্বংস হয়ে যাবে। অবশ্য আল্লাহ তা‘আলা ‘ঈসা (‘আঃ)-এর হাতে তাকে হত্যা করবেন এবং তার রক্ত ‘ঈসা (‘আঃ)-এর বর্শাতে তিনি তাদেরকে দেখিয়ে দিবেন। (ই.ফা. ৭০১৪, ই.সে. ৭০৭১)

আবূ হুরাইরাহ্‌ (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ কিয়ামত সংঘটিত হবে না যতক্ষণ পর্যন্ত না রোমীয় (সিরিয়ার অন্তর্গত) সেনাবাহিনী আ‘মাক অথবা দাবিক নহরের কাছে অবতীর্ণ হবে। তখন তাদের মুকাবিলায় মাদীনাহ্‌ হতে এ দুনিয়ার সর্বোত্তম মানুষেরর এক দল সৈন্য বের হবে। তারপর উভয় দল সারিবদ্ধভাবে দণ্ডায়মান হবার পর রোমীয়গণ বলবে, তোমরা ঐ সমস্ত লোকেদের থেকে পৃথক হয়ে যাও, যারা আমাদের লোকেদেরকে বন্দী করেছে। আমরা তাদের সাথে যুদ্ধ করব। তখন মুসলিমগণ বলবে, আল্লাহর শপথ! আমরা আমাদের ভাইদের থেকে কক্ষনো সম্পর্কচ্ছেদ করব না। পরিশেষে তাদের পরস্পর যুদ্ধ হবে। এ যুদ্ধে মুসলিমদের এক তৃতীয়াংশ সৈন্য পলায়নপর হবে। আল্লাহ তা‘আলা কক্ষনো তাদের তাওবাহ্‌ গ্রহণ করবেন না। সৈন্যদের এক তৃতীয়াংশ নিহত হবে এবং তারা হবে আল্লাহর কাছে শহীদানের মাঝে সর্বোত্তম শাহীদ। আর সৈন্যদের অপর তৃতীয়াংশ বিজয়ী হবে। জীবনে আর কক্ষনো তারা ফিত্‌নায় আক্রান্ত হবে না। তারাই কুস্তুনতিনিয়া বিজয় করবে। তারা নিজেদের তালোয়ার যাইতুন বৃক্ষে লটকিয়ে যুদ্ধলব্ধ সম্পদ ভাগ করতে থাকবে। এমতাবস্থায় তদের মধ্যে শাইতান উচ্চৈঃস্বরে বলতে থাকবে, দাজ্জাল তোমাদের পেছনে তোমাদের পরিবার-পরিজনের মধ্যে চলে এসেছে। এ কথা শুনে মুসলিমরা সেখান থেকে বের হবে। অথচ এ ছিল মিথ্যা সংবাদ। তারা যখন সিরিয়া পৌঁছবে তখন দাজ্জালের আগমন ঘটবে। যখন মুসলিম বাহিনী যুদ্ধের প্রস্তুতি গ্রহণ করবে এবং সারিবদ্ধভাবে দন্ডায়মান হতে শুরু করা মাত্র সলাতের সময় হবে। অতঃপর ‘ঈসা (‘আঃ) অবতরণ করবেন এবং সলাতে তাদের ইমামাত করবেন। আল্লাহর শত্রু তাকে দেখামাত্রই বিচলিত হয়ে যাবে যেমন লবণ পাণিতে মিশে যায়। যদি ‘ঈসা (‘আঃ) তাকে এমনিই ছেড়ে দেন তবে সেও নিজে নিজেই বিগলিত হয়ে ধ্বংস হয়ে যাবে। অবশ্য আল্লাহ তা‘আলা ‘ঈসা (‘আঃ)-এর হাতে তাকে হত্যা করবেন এবং তার রক্ত ‘ঈসা (‘আঃ)-এর বর্শাতে তিনি তাদেরকে দেখিয়ে দিবেন। (ই.ফা. ৭০১৪, ই.সে. ৭০৭১)

حدثني زهير بن حرب، حدثنا معلى بن منصور، حدثنا سليمان بن بلال، حدثنا سهيل، عن أبيه، عن أبي هريرة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ لا تقوم الساعة حتى ينزل الروم بالأعماق أو بدابق فيخرج إليهم جيش من المدينة من خيار أهل الأرض يومئذ فإذا تصافوا قالت الروم خلوا بيننا وبين الذين سبوا منا نقاتلهم ‏.‏ فيقول المسلمون لا والله لا نخلي بينكم وبين إخواننا ‏.‏ فيقاتلونهم فينهزم ثلث لا يتوب الله عليهم أبدا ويقتل ثلثهم أفضل الشهداء عند الله ويفتتح الثلث لا يفتنون أبدا فيفتتحون قسطنطينية فبينما هم يقتسمون الغنائم قد علقوا سيوفهم بالزيتون إذ صاح فيهم الشيطان إن المسيح قد خلفكم في أهليكم ‏.‏ فيخرجون وذلك باطل فإذا جاءوا الشأم خرج فبينما هم يعدون للقتال يسوون الصفوف إذ أقيمت الصلاة فينزل عيسى ابن مريم فأمهم فإذا رآه عدو الله ذاب كما يذوب الملح في الماء فلو تركه لانذاب حتى يهلك ولكن يقتله الله بيده فيريهم دمه في حربته ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম > রোমীয়রা সংখ্যাধিক্য হলে কিয়ামত সংঘটিত হবে

সহিহ মুসলিম ৭১৭১

حدثنا عبد الملك بن شعيب بن الليث، حدثني عبد الله بن وهب، أخبرني الليث، بن سعد حدثني موسى بن على، عن أبيه، قال قال المستورد القرشي عند عمرو بن العاص سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول ‏ "‏ تقوم الساعة والروم أكثر الناس ‏"‏ ‏.‏ فقال له عمرو أبصر ما تقول ‏.‏ قال أقول ما سمعت من رسول الله صلى الله عليه وسلم قال لئن قلت ذلك إن فيهم لخصالا أربعا إنهم لأحلم الناس عند فتنة وأسرعهم إفاقة بعد مصيبة وأوشكهم كرة بعد فرة وخيرهم لمسكين ويتيم وضعيف وخامسة حسنة جميلة وأمنعهم من ظلم الملوك ‏.‏

মুসতাওরিদ আল কুরাশী (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি ‘আম্‌র ইবনুল ‘আস (রাঃ)-এর নিকট বললেন, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি, রোমীয়দের সংখ্যা যখন সবচেয়ে বেশী হবে তখন কিয়ামত সংঘটিত হবে। এ কথা শুনা মাত্র ‘আম্‌র ইবনুল ‘আস (রাঃ) তাকে বললেন, কি বলছ, চিন্তা-ভাবনা করে বলো। তিনি বললেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে যা শুনেছি আমি তাই বর্ণনা করছি। তারপর ‘আম্‌র ইবনুল ‘আস (রাঃ) বললেন, তুমি যদি বলো, তবে সত্যই বলছ। কেননা তাদের মধ্যে চারটি গুণ আছে। প্রথমতঃ ফিত্‌নার সময় তারা সবচেয়ে বেশী ধৈর্যের পরিচয় দিয়ে থাকে। দ্বিতীয়তঃ মুসীবাতের পর দ্রুত তাদের মধ্যে স্বাভাবিকতা ফিরে আসে। তৃতীয়তঃ যুদ্ধু থেকে পলায়নের পর সর্বপ্রথম তারা আক্রমণ করতে সক্ষম হয় এবং, চতুর্থতঃ মিস্‌কীন, ইয়াতীম ও দুর্বলের জন্য তারা সবচেয়ে বেশী শুভাকাঙ্ক্ষী। অতঃপর পঞ্চমতঃ সুন্দর গুণটি হলো এই যে, তারা শাসকবর্গের অত্যাচারকে অধিক প্রতিহত করে। (ই.ফা. ৭০১৫, ই.সে. ৭০৭২)

মুসতাওরিদ আল কুরাশী (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি ‘আম্‌র ইবনুল ‘আস (রাঃ)-এর নিকট বললেন, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি, রোমীয়দের সংখ্যা যখন সবচেয়ে বেশী হবে তখন কিয়ামত সংঘটিত হবে। এ কথা শুনা মাত্র ‘আম্‌র ইবনুল ‘আস (রাঃ) তাকে বললেন, কি বলছ, চিন্তা-ভাবনা করে বলো। তিনি বললেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে যা শুনেছি আমি তাই বর্ণনা করছি। তারপর ‘আম্‌র ইবনুল ‘আস (রাঃ) বললেন, তুমি যদি বলো, তবে সত্যই বলছ। কেননা তাদের মধ্যে চারটি গুণ আছে। প্রথমতঃ ফিত্‌নার সময় তারা সবচেয়ে বেশী ধৈর্যের পরিচয় দিয়ে থাকে। দ্বিতীয়তঃ মুসীবাতের পর দ্রুত তাদের মধ্যে স্বাভাবিকতা ফিরে আসে। তৃতীয়তঃ যুদ্ধু থেকে পলায়নের পর সর্বপ্রথম তারা আক্রমণ করতে সক্ষম হয় এবং, চতুর্থতঃ মিস্‌কীন, ইয়াতীম ও দুর্বলের জন্য তারা সবচেয়ে বেশী শুভাকাঙ্ক্ষী। অতঃপর পঞ্চমতঃ সুন্দর গুণটি হলো এই যে, তারা শাসকবর্গের অত্যাচারকে অধিক প্রতিহত করে। (ই.ফা. ৭০১৫, ই.সে. ৭০৭২)

حدثنا عبد الملك بن شعيب بن الليث، حدثني عبد الله بن وهب، أخبرني الليث، بن سعد حدثني موسى بن على، عن أبيه، قال قال المستورد القرشي عند عمرو بن العاص سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول ‏ "‏ تقوم الساعة والروم أكثر الناس ‏"‏ ‏.‏ فقال له عمرو أبصر ما تقول ‏.‏ قال أقول ما سمعت من رسول الله صلى الله عليه وسلم قال لئن قلت ذلك إن فيهم لخصالا أربعا إنهم لأحلم الناس عند فتنة وأسرعهم إفاقة بعد مصيبة وأوشكهم كرة بعد فرة وخيرهم لمسكين ويتيم وضعيف وخامسة حسنة جميلة وأمنعهم من ظلم الملوك ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৭১৭২

حدثني حرملة بن يحيى التجيبي، حدثنا عبد الله بن وهب، حدثني أبو شريح، أن عبد الكريم بن الحارث، حدثه أن المستورد القرشي قال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول ‏ "‏ تقوم الساعة والروم أكثر الناس ‏"‏ ‏.‏ قال فبلغ ذلك عمرو بن العاص فقال ما هذه الأحاديث التي تذكر عنك أنك تقولها عن رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال له المستورد قلت الذي سمعت من رسول الله صلى الله عليه وسلم قال فقال عمرو لئن قلت ذلك إنهم لأحلم الناس عند فتنة وأجبر الناس عند مصيبة وخير الناس لمساكينهم وضعفائهم ‏.‏

মুসতাওরিদ আল কুরাশী (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি যে, যখন রোমীয়দের সংখ্যা সবচেয়ে বেশী হবে তখন কিয়ামত সংঘটিত হবে। এ খবর ‘আম্‌র ইবনুল ‘আস (রাঃ)-এর কাছে পৌঁছার পর তিনি বললেন, এ কোন্‌ ধরনের হাদীস, যে সম্পর্কে লোকেরা বলছে যে, এ নাকি তুমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে বর্ণনা করছ? উত্তরে মুস্‌তাওরিদ (রাঃ) তাকে বললেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে যা শুনেছি আমি তাই বলছি। একথা শুনে ‘আম্‌র (রাঃ) বললেন, তুমি যদি বলে থাকো তা ঠিকই আছে। কেননা তারা ফিত্‌নার সময় সবচেয়ে বেশী ধৈর্য ধারণ করে এবং মুসীবাতের পর আবার দ্রুত তাদের স্বাভাবিক অবস্থাই ফিরে আসে। তারা সর্বদা মিস্‌কীন এবং অক্ষম মানুষের জন্য অধিক শুভাকাঙ্ক্ষী। (ই.ফা. ৭০১৬, ই.সে. ৭০৭৩)

মুসতাওরিদ আল কুরাশী (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি যে, যখন রোমীয়দের সংখ্যা সবচেয়ে বেশী হবে তখন কিয়ামত সংঘটিত হবে। এ খবর ‘আম্‌র ইবনুল ‘আস (রাঃ)-এর কাছে পৌঁছার পর তিনি বললেন, এ কোন্‌ ধরনের হাদীস, যে সম্পর্কে লোকেরা বলছে যে, এ নাকি তুমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে বর্ণনা করছ? উত্তরে মুস্‌তাওরিদ (রাঃ) তাকে বললেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে যা শুনেছি আমি তাই বলছি। একথা শুনে ‘আম্‌র (রাঃ) বললেন, তুমি যদি বলে থাকো তা ঠিকই আছে। কেননা তারা ফিত্‌নার সময় সবচেয়ে বেশী ধৈর্য ধারণ করে এবং মুসীবাতের পর আবার দ্রুত তাদের স্বাভাবিক অবস্থাই ফিরে আসে। তারা সর্বদা মিস্‌কীন এবং অক্ষম মানুষের জন্য অধিক শুভাকাঙ্ক্ষী। (ই.ফা. ৭০১৬, ই.সে. ৭০৭৩)

حدثني حرملة بن يحيى التجيبي، حدثنا عبد الله بن وهب، حدثني أبو شريح، أن عبد الكريم بن الحارث، حدثه أن المستورد القرشي قال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول ‏ "‏ تقوم الساعة والروم أكثر الناس ‏"‏ ‏.‏ قال فبلغ ذلك عمرو بن العاص فقال ما هذه الأحاديث التي تذكر عنك أنك تقولها عن رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال له المستورد قلت الذي سمعت من رسول الله صلى الله عليه وسلم قال فقال عمرو لئن قلت ذلك إنهم لأحلم الناس عند فتنة وأجبر الناس عند مصيبة وخير الناس لمساكينهم وضعفائهم ‏.‏


সহিহ মুসলিম > দাজ্জালের আবির্ভাবের সময় রোমীয়দের অধিক পরিমাণে যুদ্ধে অগ্রগামী হওয়া

সহিহ মুসলিম ৭১৭৪

وحدثني محمد بن عبيد الغبري، حدثنا حماد بن زيد، عن أيوب، عن حميد بن، هلال عن أبي قتادة، عن يسير بن جابر، قال كنت عند ابن مسعود فهبت ريح حمراء ‏.‏ وساق الحديث بنحوه ‏.‏ وحديث ابن علية أتم وأشبع ‏.‏

ইউসায়র ইবনু জাবির (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি ইবনু মাস‘উদ (রাঃ)-এর নিকট বসা ছিলাম। তখন লাল রক্তিম ঝঞ্ঝা বিশিষ্ট বায়ু প্রবাহিত হলো। তারপর তিনি পূর্বের মতো অবিকল হাদীস বর্ণনা করেছেন। কিন্তু ইবনু ‘উলাইয়্যার হাদীসটি পরিপূর্ণ এবং প্রশান্তিদায়ক। (ই.ফা. ৭০১৮, ই.সে. ৭০৭৫)

ইউসায়র ইবনু জাবির (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি ইবনু মাস‘উদ (রাঃ)-এর নিকট বসা ছিলাম। তখন লাল রক্তিম ঝঞ্ঝা বিশিষ্ট বায়ু প্রবাহিত হলো। তারপর তিনি পূর্বের মতো অবিকল হাদীস বর্ণনা করেছেন। কিন্তু ইবনু ‘উলাইয়্যার হাদীসটি পরিপূর্ণ এবং প্রশান্তিদায়ক। (ই.ফা. ৭০১৮, ই.সে. ৭০৭৫)

وحدثني محمد بن عبيد الغبري، حدثنا حماد بن زيد، عن أيوب، عن حميد بن، هلال عن أبي قتادة، عن يسير بن جابر، قال كنت عند ابن مسعود فهبت ريح حمراء ‏.‏ وساق الحديث بنحوه ‏.‏ وحديث ابن علية أتم وأشبع ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৭১৭৫

وحدثنا شيبان بن فروخ، حدثنا سليمان، - يعني ابن المغيرة - حدثنا حميد، - يعني ابن هلال - عن أبي قتادة، عن أسير بن جابر، قال كنت في بيت عبد الله بن مسعود والبيت ملآن - قال - فهاجت ريح حمراء بالكوفة ‏.‏ فذكر نحو حديث ابن علية ‏.

উসায়র ইবনু জাবির (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একদিন আমি ‘আবদুল্লাহ ইবনু মাস‘উদ (রাঃ)-এর গৃহে ছিলাম। গৃহটি তখন লোকে লোকারণ্য ছিল। ইবনু উসায়র-এর ন্যায় তিনিও বললেন, তখন কূফা নগরীতে লাল রক্তিম ঝঞ্ঝা বিশিষ্ট বায়ু প্রবাহিত হলো। (ই.ফা. ৭০১৯, ই.সে. ৭০৭৬)

উসায়র ইবনু জাবির (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একদিন আমি ‘আবদুল্লাহ ইবনু মাস‘উদ (রাঃ)-এর গৃহে ছিলাম। গৃহটি তখন লোকে লোকারণ্য ছিল। ইবনু উসায়র-এর ন্যায় তিনিও বললেন, তখন কূফা নগরীতে লাল রক্তিম ঝঞ্ঝা বিশিষ্ট বায়ু প্রবাহিত হলো। (ই.ফা. ৭০১৯, ই.সে. ৭০৭৬)

وحدثنا شيبان بن فروخ، حدثنا سليمان، - يعني ابن المغيرة - حدثنا حميد، - يعني ابن هلال - عن أبي قتادة، عن أسير بن جابر، قال كنت في بيت عبد الله بن مسعود والبيت ملآن - قال - فهاجت ريح حمراء بالكوفة ‏.‏ فذكر نحو حديث ابن علية ‏.


সহিহ মুসলিম ৭১৭৩

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وعلي بن حجر، كلاهما عن ابن علية، - واللفظ لابن حجر - حدثنا إسماعيل بن إبراهيم، عن أيوب، عن حميد بن هلال، عن أبي قتادة، العدوي عن يسير بن جابر، قال هاجت ريح حمراء بالكوفة فجاء رجل ليس له هجيرى إلا يا عبد الله بن مسعود جاءت الساعة ‏.‏ قال فقعد وكان متكئا فقال إن الساعة لا تقوم حتى لا يقسم ميراث ولا يفرح بغنيمة ‏.‏ ثم قال بيده هكذا - ونحاها نحو الشأم - فقال عدو يجمعون لأهل الإسلام ويجمع لهم أهل الإسلام ‏.‏ قلت الروم تعني قال نعم وتكون عند ذاكم القتال ردة شديدة فيشترط المسلمون شرطة للموت لا ترجع إلا غالبة فيقتتلون حتى يحجز بينهم الليل فيفيء هؤلاء وهؤلاء كل غير غالب وتفنى الشرطة ثم يشترط المسلمون شرطة للموت لا ترجع إلا غالبة فيقتتلون حتى يحجز بينهم الليل فيفيء هؤلاء وهؤلاء كل غير غالب وتفنى الشرطة ثم يشترط المسلمون شرطة للموت لا ترجع إلا غالبة فيقتتلون حتى يمسوا فيفيء هؤلاء وهؤلاء كل غير غالب وتفنى الشرطة فإذا كان يوم الرابع نهد إليهم بقية أهل الإسلام فيجعل الله الدبرة عليهم فيقتلون مقتلة - إما قال لا يرى مثلها وإما قال لم ير مثلها - حتى إن الطائر ليمر بجنباتهم فما يخلفهم حتى يخر ميتا فيتعاد بنو الأب كانوا مائة فلا يجدونه بقي منهم إلا الرجل الواحد فبأى غنيمة يفرح أو أى ميراث يقاسم فبينما هم كذلك إذ سمعوا ببأس هو أكبر من ذلك فجاءهم الصريخ إن الدجال قد خلفهم في ذراريهم فيرفضون ما في أيديهم ويقبلون فيبعثون عشرة فوارس طليعة ‏.‏ قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ إني لأعرف أسماءهم وأسماء آبائهم وألوان خيولهم هم خير فوارس على ظهر الأرض يومئذ أو من خير فوارس على ظهر الأرض يومئذ ‏"‏ ‏.‏ قال ابن أبي شيبة في روايته عن أسير بن جابر ‏.‏

ইউসায়র ইবনু জাবির (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একবার কূফা নগরীতে লাল ঝঞ্ঝা বিশিষ্ট বায়ু প্রবাহিত হলো। এমন সময় জনৈক লোক কূফায় এসে বলল যে, হে ‘আবদুল্লাহ ইবনু মাস‘উদ! সতর্ক হও, কিয়ামত সংঘটিত হবে না, যতক্ষণ না উত্তরাধিকার সম্পদ অবণ্টিত থাকবে এবং যতক্ষণ না মানুষেরা গনীমাতের বিষয়ে আনন্দ প্রকাশ না করবে। তারপর তিনি নিজ হাত দ্বারা সিরিয়ার প্রতি ইশারা করে বললেন, আল্লাহর শত্রুরা একত্রিত হবে মুসলিমদের সঙ্গে যুদ্ধ করার জন্য এবং মুসলিমগণও তাদের সাথে যুদ্ধ করার জন্য একত্রিত হবে। এ কথা শ্রবণে আমি বললাম, আল্লাহর শত্রু বলে আপনাদের উদ্দেশ্য হলো রোমীয় (খ্রীষ্টান) সম্প্রদায়। তিনি বললেন, হ্যাঁ! এবং তখন ভয়াবহ যুদ্ধ সংঘটিত হবে। তখন মুসলিম জাতি একটি দল অগ্রে প্রেরণ করবে, তারা মৃত্যুর জন্য সম্মুখে এগিয়ে যাবে। বিজয় অর্জন করা ছাড়া তারা প্রত্যাবর্তন করবে না। এরপর পরস্পর তাদের মধ্যে যুদ্ধ হবে। যুদ্ধ করতে করতে রাত্রি অতিবাহিত হয়ে যাবে। তারপর দু‘ পক্ষের সৈন্য জয়লাভ করা ছাড়াই ফিরে চলে যাবে। যুদ্ধের জন্য মুসলিমদের যে দলটি এগিয়ে গিয়েছিল তারা প্রত্যেকেই মৃতুবরণ করবে। অতঃপর পরবর্তী দিন মুসলিমগণ মৃতুর জন্য অপর একটি দল সামনে পাঠাবে। তারা সবাই মৃতুবরণ করবে। অতঃপর পরবর্তী দিন মুসলিমগণ মৃতুর জন্য অপর একটি দল সামনে পাঠাবে। তারা বিজয়ী না হয়ে ফিরবে না। এদিনও পরস্পরের মধ্যে মারাত্মক যুদ্ধ হবে। পরিশেষে সন্ধ্যা হয়ে যাবে। উভয় বাহিনী বিজয়লাভ করা ছড়াই স্বীয় শিবিরে প্রত্যাবর্তন করবে। যে দলটি সামনে ছিল তারা সরে যাবে। অতঃপর তৃতীয় দিন আবার মুসলিমগণ মৃতু বা বিজয়ের উদ্দেশে অপর একটি বাহিনী পাঠাবে। এ যুদ্ধ সন্ধ্যা পর্যন্ত চলতে থাকবে। পরিশেষে বিজয়লাভ করা ছাড়াই উভয় বাহিনী প্রত্যাবর্তন করবে। তবে মুসলিম বাহীনীর সামনের সেনাদলটি শাহীদ হয়ে যাবে। তারপর যুদ্ধের চতুর্থ দিনে অবশিষ্ট মুসলিমগণ সকলেই যুদ্ধের জন্য সামনে এগিয়ে যাবে। সে দিন কাফিরদের উপর আল্লাহ ত‘আলা অকল্যাণ চক্র চাপিয়ে দিবেন। তারপর এমন যুদ্ধ হবে যা জীবনে কেউ দেখবে না অথবা জীবনে কেউ দেখেনি। পরিশেষে তাদের শরীরের উপর পাখী উড়তে থাকবে। পাখী তাদেরকে অতিক্রম করবে না; এমতাবস্থায় তা মাটিতে পড়ে নিহত হবে। একশ’ মানুষ বিশিষ্ট গোত্রে, মাত্র এক লোক বেঁচে থাকবে। এমন সময় কেমন করে গনীমাতের সম্পদ নিয়ে লোকেরা আনন্দোৎসব করবে এবং কেমন করে উত্তরাধিকার সম্পদ ভাগ করা হবে। এমতাবস্থায় মুসলিমগণ আরেকটি ভয়ানক বিপদের খবর শুনতে পাবে এবং এ মর্মে একটি শব্দ তাদের কাছে পৌঁছবে যে, দাজ্জাল তাদের পেছনে তাদের পরিবার-পরিজনের মধ্যে চলে এসেছে। এ সংবাদ শুনতেই তারা হাতের সমস্ত কিছু ফেলে দিয়ে রওনা হয়ে যাবে এবং দশজন অশ্বারোহী ব্যক্তিকে সংবাদ সংগ্রাহক দল হিসেবে প্রেরণ করবে। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, দাজ্জালের খবর সংগ্রাহক দলের প্রতিটি লোকের নাম, তাদের বাপ-দাদার এবং তাদের ঘোড়ার রং সম্পর্কেও জ্ঞাত আছি। এ পৃথিবীর সর্বোত্তম অশ্বারোহী দল সেদিন তারাই হবে। ইবনু আবূ শাইবাহ্‌ (রহঃ) তাঁর রিওয়ায়াতের মধ্যে (আরবী আছে)-এর স্থলে (আরবী আছে) উল্লেখ করেছেন। অর্থাৎ জাবির-এর ছেলের নাম ইউসায়র-এর স্থলে উসায়র বলেছেন। (ই.ফা. ৭০১৭, ই.সে. ৭০৭৪)

ইউসায়র ইবনু জাবির (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একবার কূফা নগরীতে লাল ঝঞ্ঝা বিশিষ্ট বায়ু প্রবাহিত হলো। এমন সময় জনৈক লোক কূফায় এসে বলল যে, হে ‘আবদুল্লাহ ইবনু মাস‘উদ! সতর্ক হও, কিয়ামত সংঘটিত হবে না, যতক্ষণ না উত্তরাধিকার সম্পদ অবণ্টিত থাকবে এবং যতক্ষণ না মানুষেরা গনীমাতের বিষয়ে আনন্দ প্রকাশ না করবে। তারপর তিনি নিজ হাত দ্বারা সিরিয়ার প্রতি ইশারা করে বললেন, আল্লাহর শত্রুরা একত্রিত হবে মুসলিমদের সঙ্গে যুদ্ধ করার জন্য এবং মুসলিমগণও তাদের সাথে যুদ্ধ করার জন্য একত্রিত হবে। এ কথা শ্রবণে আমি বললাম, আল্লাহর শত্রু বলে আপনাদের উদ্দেশ্য হলো রোমীয় (খ্রীষ্টান) সম্প্রদায়। তিনি বললেন, হ্যাঁ! এবং তখন ভয়াবহ যুদ্ধ সংঘটিত হবে। তখন মুসলিম জাতি একটি দল অগ্রে প্রেরণ করবে, তারা মৃত্যুর জন্য সম্মুখে এগিয়ে যাবে। বিজয় অর্জন করা ছাড়া তারা প্রত্যাবর্তন করবে না। এরপর পরস্পর তাদের মধ্যে যুদ্ধ হবে। যুদ্ধ করতে করতে রাত্রি অতিবাহিত হয়ে যাবে। তারপর দু‘ পক্ষের সৈন্য জয়লাভ করা ছাড়াই ফিরে চলে যাবে। যুদ্ধের জন্য মুসলিমদের যে দলটি এগিয়ে গিয়েছিল তারা প্রত্যেকেই মৃতুবরণ করবে। অতঃপর পরবর্তী দিন মুসলিমগণ মৃতুর জন্য অপর একটি দল সামনে পাঠাবে। তারা সবাই মৃতুবরণ করবে। অতঃপর পরবর্তী দিন মুসলিমগণ মৃতুর জন্য অপর একটি দল সামনে পাঠাবে। তারা বিজয়ী না হয়ে ফিরবে না। এদিনও পরস্পরের মধ্যে মারাত্মক যুদ্ধ হবে। পরিশেষে সন্ধ্যা হয়ে যাবে। উভয় বাহিনী বিজয়লাভ করা ছড়াই স্বীয় শিবিরে প্রত্যাবর্তন করবে। যে দলটি সামনে ছিল তারা সরে যাবে। অতঃপর তৃতীয় দিন আবার মুসলিমগণ মৃতু বা বিজয়ের উদ্দেশে অপর একটি বাহিনী পাঠাবে। এ যুদ্ধ সন্ধ্যা পর্যন্ত চলতে থাকবে। পরিশেষে বিজয়লাভ করা ছাড়াই উভয় বাহিনী প্রত্যাবর্তন করবে। তবে মুসলিম বাহীনীর সামনের সেনাদলটি শাহীদ হয়ে যাবে। তারপর যুদ্ধের চতুর্থ দিনে অবশিষ্ট মুসলিমগণ সকলেই যুদ্ধের জন্য সামনে এগিয়ে যাবে। সে দিন কাফিরদের উপর আল্লাহ ত‘আলা অকল্যাণ চক্র চাপিয়ে দিবেন। তারপর এমন যুদ্ধ হবে যা জীবনে কেউ দেখবে না অথবা জীবনে কেউ দেখেনি। পরিশেষে তাদের শরীরের উপর পাখী উড়তে থাকবে। পাখী তাদেরকে অতিক্রম করবে না; এমতাবস্থায় তা মাটিতে পড়ে নিহত হবে। একশ’ মানুষ বিশিষ্ট গোত্রে, মাত্র এক লোক বেঁচে থাকবে। এমন সময় কেমন করে গনীমাতের সম্পদ নিয়ে লোকেরা আনন্দোৎসব করবে এবং কেমন করে উত্তরাধিকার সম্পদ ভাগ করা হবে। এমতাবস্থায় মুসলিমগণ আরেকটি ভয়ানক বিপদের খবর শুনতে পাবে এবং এ মর্মে একটি শব্দ তাদের কাছে পৌঁছবে যে, দাজ্জাল তাদের পেছনে তাদের পরিবার-পরিজনের মধ্যে চলে এসেছে। এ সংবাদ শুনতেই তারা হাতের সমস্ত কিছু ফেলে দিয়ে রওনা হয়ে যাবে এবং দশজন অশ্বারোহী ব্যক্তিকে সংবাদ সংগ্রাহক দল হিসেবে প্রেরণ করবে। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, দাজ্জালের খবর সংগ্রাহক দলের প্রতিটি লোকের নাম, তাদের বাপ-দাদার এবং তাদের ঘোড়ার রং সম্পর্কেও জ্ঞাত আছি। এ পৃথিবীর সর্বোত্তম অশ্বারোহী দল সেদিন তারাই হবে। ইবনু আবূ শাইবাহ্‌ (রহঃ) তাঁর রিওয়ায়াতের মধ্যে (আরবী আছে)-এর স্থলে (আরবী আছে) উল্লেখ করেছেন। অর্থাৎ জাবির-এর ছেলের নাম ইউসায়র-এর স্থলে উসায়র বলেছেন। (ই.ফা. ৭০১৭, ই.সে. ৭০৭৪)

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وعلي بن حجر، كلاهما عن ابن علية، - واللفظ لابن حجر - حدثنا إسماعيل بن إبراهيم، عن أيوب، عن حميد بن هلال، عن أبي قتادة، العدوي عن يسير بن جابر، قال هاجت ريح حمراء بالكوفة فجاء رجل ليس له هجيرى إلا يا عبد الله بن مسعود جاءت الساعة ‏.‏ قال فقعد وكان متكئا فقال إن الساعة لا تقوم حتى لا يقسم ميراث ولا يفرح بغنيمة ‏.‏ ثم قال بيده هكذا - ونحاها نحو الشأم - فقال عدو يجمعون لأهل الإسلام ويجمع لهم أهل الإسلام ‏.‏ قلت الروم تعني قال نعم وتكون عند ذاكم القتال ردة شديدة فيشترط المسلمون شرطة للموت لا ترجع إلا غالبة فيقتتلون حتى يحجز بينهم الليل فيفيء هؤلاء وهؤلاء كل غير غالب وتفنى الشرطة ثم يشترط المسلمون شرطة للموت لا ترجع إلا غالبة فيقتتلون حتى يحجز بينهم الليل فيفيء هؤلاء وهؤلاء كل غير غالب وتفنى الشرطة ثم يشترط المسلمون شرطة للموت لا ترجع إلا غالبة فيقتتلون حتى يمسوا فيفيء هؤلاء وهؤلاء كل غير غالب وتفنى الشرطة فإذا كان يوم الرابع نهد إليهم بقية أهل الإسلام فيجعل الله الدبرة عليهم فيقتلون مقتلة - إما قال لا يرى مثلها وإما قال لم ير مثلها - حتى إن الطائر ليمر بجنباتهم فما يخلفهم حتى يخر ميتا فيتعاد بنو الأب كانوا مائة فلا يجدونه بقي منهم إلا الرجل الواحد فبأى غنيمة يفرح أو أى ميراث يقاسم فبينما هم كذلك إذ سمعوا ببأس هو أكبر من ذلك فجاءهم الصريخ إن الدجال قد خلفهم في ذراريهم فيرفضون ما في أيديهم ويقبلون فيبعثون عشرة فوارس طليعة ‏.‏ قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ إني لأعرف أسماءهم وأسماء آبائهم وألوان خيولهم هم خير فوارس على ظهر الأرض يومئذ أو من خير فوارس على ظهر الأرض يومئذ ‏"‏ ‏.‏ قال ابن أبي شيبة في روايته عن أسير بن جابر ‏.‏


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00