সহিহ মুসলিম > দু’জন মুসলিম যখন তরবারিসহ পরস্পর মুখোমুখি হয়
সহিহ মুসলিম ৭১৪৫
وحدثناه أحمد بن عبدة الضبي، حدثنا حماد، عن أيوب، ويونس، والمعلى بن زياد، عن الحسن، عن الأحنف بن قيس، عن أبي بكرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " إذا التقى المسلمان بسيفيهما فالقاتل والمقتول في النار " .
আবূ বাকরাহ্ (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যদি দু’জন মুসলিম তরবারি নিয়ে পরস্পর যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে তবে হত্যাকারী ও নিহত দু’ ব্যক্তিই জাহান্নামী হবে। (ই.ফা. ৬৯৮৯, ই.সে. ৭০৪৬)
আবূ বাকরাহ্ (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যদি দু’জন মুসলিম তরবারি নিয়ে পরস্পর যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে তবে হত্যাকারী ও নিহত দু’ ব্যক্তিই জাহান্নামী হবে। (ই.ফা. ৬৯৮৯, ই.সে. ৭০৪৬)
وحدثناه أحمد بن عبدة الضبي، حدثنا حماد، عن أيوب، ويونس، والمعلى بن زياد، عن الحسن، عن الأحنف بن قيس، عن أبي بكرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " إذا التقى المسلمان بسيفيهما فالقاتل والمقتول في النار " .
সহিহ মুসলিম ৭১৪৭
وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا غندر، عن شعبة، ح وحدثنا محمد بن المثنى، وابن بشار قالا حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، عن منصور، عن ربعي بن حراش، عن أبي بكرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " إذا المسلمان حمل أحدهما على أخيه السلاح فهما في جرف جهنم فإذا قتل أحدهما صاحبه دخلاها جميعا " .
আবূ বাকরাহ্ (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, যদি দু’জন মুসলিমের একজন তার অন্য ভাইয়ের উপর অস্ত্র ধারণ করে তবে তারা দু’জনেই জাহান্নামের প্রান্তে এসে উপনীত হয়। তারপর যখন তাদের একজন অন্য সাথীকে হত্যা করে ফেলে, তখন তারা উভয়েই জাহান্নামে প্রবেশ করে। (ই.ফা. ৬৯৯১, ই.সে. ৭০৪৮)
আবূ বাকরাহ্ (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, যদি দু’জন মুসলিমের একজন তার অন্য ভাইয়ের উপর অস্ত্র ধারণ করে তবে তারা দু’জনেই জাহান্নামের প্রান্তে এসে উপনীত হয়। তারপর যখন তাদের একজন অন্য সাথীকে হত্যা করে ফেলে, তখন তারা উভয়েই জাহান্নামে প্রবেশ করে। (ই.ফা. ৬৯৯১, ই.সে. ৭০৪৮)
وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا غندر، عن شعبة، ح وحدثنا محمد بن المثنى، وابن بشار قالا حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، عن منصور، عن ربعي بن حراش، عن أبي بكرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " إذا المسلمان حمل أحدهما على أخيه السلاح فهما في جرف جهنم فإذا قتل أحدهما صاحبه دخلاها جميعا " .
সহিহ মুসলিম ৭১৪৯
حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا يعقوب، - يعني ابن عبد الرحمن - عن سهيل، عن أبيه، عن أبي هريرة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " لا تقوم الساعة حتى يكثر الهرج " . قالوا وما الهرج يا رسول الله قال " القتل القتل " .
আবূ হুরাইরাহ্ (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ কিয়ামাত ততক্ষণ পর্যন্ত কায়িম হবে না, যতক্ষণ পর্যন্ত না ‘হার্জ’ বেড়ে যায়। সহাবাগণ জিজ্ঞেস করলেন, হে আল্লাহর রসূল! ‘হার্জ’ কি? উত্তরে তিনি বললেন, হত্যা, হত্যা। (ই.ফা. ৬৯৯৩, ই.সে. ৭০৫০)
আবূ হুরাইরাহ্ (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ কিয়ামাত ততক্ষণ পর্যন্ত কায়িম হবে না, যতক্ষণ পর্যন্ত না ‘হার্জ’ বেড়ে যায়। সহাবাগণ জিজ্ঞেস করলেন, হে আল্লাহর রসূল! ‘হার্জ’ কি? উত্তরে তিনি বললেন, হত্যা, হত্যা। (ই.ফা. ৬৯৯৩, ই.সে. ৭০৫০)
حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا يعقوب، - يعني ابن عبد الرحمن - عن سهيل، عن أبيه، عن أبي هريرة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " لا تقوم الساعة حتى يكثر الهرج " . قالوا وما الهرج يا رسول الله قال " القتل القتل " .
সহিহ মুসলিম ৭১৪৪
حدثني أبو كامل، فضيل بن حسين الجحدري حدثنا حماد بن زيد، عن أيوب، ويونس عن الحسن، عن الأحنف بن قيس، قال خرجت وأنا أريد، هذا الرجل فلقيني أبو بكرة فقال أين تريد يا أحنف قال قلت أريد نصر ابن عم رسول الله صلى الله عليه وسلم - يعني عليا - قال فقال لي يا أحنف ارجع فإني سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " إذا تواجه المسلمان بسيفيهما فالقاتل والمقتول في النار " . قال فقلت أو قيل يا رسول الله هذا القاتل فما بال المقتول قال " إنه قد أراد قتل صاحبه " .
আহনাফ ইবনু কায়স (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, একদিন আমি বের হলাম। এ লোকটিকে সহযোগিতা করা আমার অভিপ্রায় ছিল। এমন সময় আবূ বকরাহ্ (রাঃ)-এর সঙ্গে আমার দেখা হলো। তখন তিনি বললেন, হে আহ্নাফ! তুমি কোথায় যেতে চাচ্ছ? তিনি বলেন, আমি বললাম, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর চাচাত ভাই ‘আলী (রাঃ)-কে সহযোগিতা করার জন্য আমি যেতে চাচ্ছি। আহ্নাফ (রাঃ) বলেন, অতঃপর তিনি আমাকে বললেন, হে আহ্নাফ! চলে যাও। কেননা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে আমি এ কথা বলতে শুনেছি, যখন দু’জন মুসলিম তরবারি নিয়ে পরস্পর যুদ্ধ করে তখন হত্যাকারী ও নিহত ব্যক্তি দু’জনেই জাহান্নামী হবে। এ কথা শুনে আমি বললাম অথবা বলা হলো, হে আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)! হত্যাকারীর অবস্থা তো এ-ই, তবে নিহত ব্যক্তির অপরাধ কি? জবাবে তিনি বললেন, সে তার সাথীকে হত্যা করার প্রচেষ্টায় জড়িয়ে ছিল। (ই.ফা. ৬৯৮৮, ই.সে. ৭০৪৫)
আহনাফ ইবনু কায়স (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, একদিন আমি বের হলাম। এ লোকটিকে সহযোগিতা করা আমার অভিপ্রায় ছিল। এমন সময় আবূ বকরাহ্ (রাঃ)-এর সঙ্গে আমার দেখা হলো। তখন তিনি বললেন, হে আহ্নাফ! তুমি কোথায় যেতে চাচ্ছ? তিনি বলেন, আমি বললাম, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর চাচাত ভাই ‘আলী (রাঃ)-কে সহযোগিতা করার জন্য আমি যেতে চাচ্ছি। আহ্নাফ (রাঃ) বলেন, অতঃপর তিনি আমাকে বললেন, হে আহ্নাফ! চলে যাও। কেননা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে আমি এ কথা বলতে শুনেছি, যখন দু’জন মুসলিম তরবারি নিয়ে পরস্পর যুদ্ধ করে তখন হত্যাকারী ও নিহত ব্যক্তি দু’জনেই জাহান্নামী হবে। এ কথা শুনে আমি বললাম অথবা বলা হলো, হে আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)! হত্যাকারীর অবস্থা তো এ-ই, তবে নিহত ব্যক্তির অপরাধ কি? জবাবে তিনি বললেন, সে তার সাথীকে হত্যা করার প্রচেষ্টায় জড়িয়ে ছিল। (ই.ফা. ৬৯৮৮, ই.সে. ৭০৪৫)
حدثني أبو كامل، فضيل بن حسين الجحدري حدثنا حماد بن زيد، عن أيوب، ويونس عن الحسن، عن الأحنف بن قيس، قال خرجت وأنا أريد، هذا الرجل فلقيني أبو بكرة فقال أين تريد يا أحنف قال قلت أريد نصر ابن عم رسول الله صلى الله عليه وسلم - يعني عليا - قال فقال لي يا أحنف ارجع فإني سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " إذا تواجه المسلمان بسيفيهما فالقاتل والمقتول في النار " . قال فقلت أو قيل يا رسول الله هذا القاتل فما بال المقتول قال " إنه قد أراد قتل صاحبه " .
সহিহ মুসলিম ৭১৪৬
وحدثني حجاج بن الشاعر، حدثنا عبد الرزاق، من كتابه أخبرنا معمر، عن أيوب، بهذا الإسناد نحو حديث أبي كامل عن حماد، إلى آخره .
আইয়ূব (রহঃ) হতে এ সূত্র থেকে বর্নিতঃ
আবূ কামিল-এর সানাদে হাম্মাদ-এর বর্ণিত হাদীসের অবিকল শেষ পর্যন্ত বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৬৯৯০, ই.সে. ৭০৪৭)
আইয়ূব (রহঃ) হতে এ সূত্র থেকে বর্নিতঃ
আবূ কামিল-এর সানাদে হাম্মাদ-এর বর্ণিত হাদীসের অবিকল শেষ পর্যন্ত বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৬৯৯০, ই.সে. ৭০৪৭)
وحدثني حجاج بن الشاعر، حدثنا عبد الرزاق، من كتابه أخبرنا معمر، عن أيوب، بهذا الإسناد نحو حديث أبي كامل عن حماد، إلى آخره .
সহিহ মুসলিম ৭১৪৮
وحدثنا محمد بن رافع، حدثنا عبد الرزاق، حدثنا معمر، عن همام بن منبه، قال هذا ما حدثنا أبو هريرة، عن رسول الله صلى الله عليه وسلم فذكر أحاديث منها وقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " لا تقوم الساعة حتى تقتتل فئتان عظيمتان وتكون بينهما مقتلة عظيمة ودعواهما واحدة " .
হাম্মাম ইবনু মুনাব্বিহ (রহঃ) আবূ হুরাইরাহ্ (রাযিঃ) এর সূত্র থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে কতিপয় হাদীস বর্ণনা করেছেন। তন্মধ্যে একটি হচ্ছে এই যে, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ কিয়ামাত ঐ পর্যন্ত কায়িম হবে না, যে পর্যন্ত না দু’টি বড় দল পরস্পর যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে। তাদের মধ্যে এক ভয়ঙ্কর যুদ্ধ হবে। অথচ তাদের উভয়ের দাবী হবে একই। (ই.ফা. ৬৯৯২, ই.সে. ৭০৪৯)
হাম্মাম ইবনু মুনাব্বিহ (রহঃ) আবূ হুরাইরাহ্ (রাযিঃ) এর সূত্র থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে কতিপয় হাদীস বর্ণনা করেছেন। তন্মধ্যে একটি হচ্ছে এই যে, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ কিয়ামাত ঐ পর্যন্ত কায়িম হবে না, যে পর্যন্ত না দু’টি বড় দল পরস্পর যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে। তাদের মধ্যে এক ভয়ঙ্কর যুদ্ধ হবে। অথচ তাদের উভয়ের দাবী হবে একই। (ই.ফা. ৬৯৯২, ই.সে. ৭০৪৯)
وحدثنا محمد بن رافع، حدثنا عبد الرزاق، حدثنا معمر، عن همام بن منبه، قال هذا ما حدثنا أبو هريرة، عن رسول الله صلى الله عليه وسلم فذكر أحاديث منها وقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " لا تقوم الساعة حتى تقتتل فئتان عظيمتان وتكون بينهما مقتلة عظيمة ودعواهما واحدة " .
সহিহ মুসলিম > এ উম্মাতের এক অংশ অন্য অংশ দ্বারা ধ্বংসপ্রাপ্ত হওয়া
সহিহ মুসলিম ৭১৫১
وحدثني زهير بن حرب، وإسحاق بن إبراهيم، ومحمد بن المثنى، وابن، بشار قال إسحاق أخبرنا وقال الآخرون، حدثنا معاذ بن هشام، حدثني أبي، عن قتادة، عن أبي قلابة، عن أبي أسماء الرحبي، عن ثوبان، أن نبي الله صلى الله عليه وسلم قال " إن الله تعالى زوى لي الأرض حتى رأيت مشارقها ومغاربها وأعطاني الكنزين الأحمر والأبيض " . ثم ذكر نحو حديث أيوب عن أبي قلابة .
সাওবান (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ পৃথিবীকে গুটিয়ে আল্লাহ তা‘আলা আমার সম্মুখে উপস্থিত করলেন। আমি এর পূর্বপ্রান্ত হতে পশ্চিমপ্রান্ত পর্যন্ত দেখে নিলাম, আল্লাহ তা‘আলা আমাকে লাল (স্বর্ণ) ও সাদা (রৌপ্য) দু’টি ধন-ভাণ্ডার দান করেছেন। অতঃপর কাতাদাহ্ (রহঃ) আইয়ূব-এর সূত্রে আবূ কিলাবাহ্ (রহঃ) হতে বর্ণিত হাদীসের অবিকল বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৬৯৯৫, ই.সে. ৭০৫২)
সাওবান (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ পৃথিবীকে গুটিয়ে আল্লাহ তা‘আলা আমার সম্মুখে উপস্থিত করলেন। আমি এর পূর্বপ্রান্ত হতে পশ্চিমপ্রান্ত পর্যন্ত দেখে নিলাম, আল্লাহ তা‘আলা আমাকে লাল (স্বর্ণ) ও সাদা (রৌপ্য) দু’টি ধন-ভাণ্ডার দান করেছেন। অতঃপর কাতাদাহ্ (রহঃ) আইয়ূব-এর সূত্রে আবূ কিলাবাহ্ (রহঃ) হতে বর্ণিত হাদীসের অবিকল বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৬৯৯৫, ই.সে. ৭০৫২)
وحدثني زهير بن حرب، وإسحاق بن إبراهيم، ومحمد بن المثنى، وابن، بشار قال إسحاق أخبرنا وقال الآخرون، حدثنا معاذ بن هشام، حدثني أبي، عن قتادة، عن أبي قلابة، عن أبي أسماء الرحبي، عن ثوبان، أن نبي الله صلى الله عليه وسلم قال " إن الله تعالى زوى لي الأرض حتى رأيت مشارقها ومغاربها وأعطاني الكنزين الأحمر والأبيض " . ثم ذكر نحو حديث أيوب عن أبي قلابة .
সহিহ মুসলিম ৭১৫০
حدثنا أبو الربيع العتكي، وقتيبة بن سعيد، كلاهما عن حماد بن زيد، - واللفظ لقتيبة - حدثنا حماد، عن أيوب، عن أبي قلابة، عن أبي أسماء، عن ثوبان، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " إن الله زوى لي الأرض فرأيت مشارقها ومغاربها وإن أمتي سيبلغ ملكها ما زوي لي منها وأعطيت الكنزين الأحمر والأبيض وإني سألت ربي لأمتي أن لا يهلكها بسنة بعامة وأن لا يسلط عليهم عدوا من سوى أنفسهم فيستبيح بيضتهم وإن ربي قال يا محمد إني إذا قضيت قضاء فإنه لا يرد وإني أعطيتك لأمتك أن لا أهلكهم بسنة بعامة وأن لا أسلط عليهم عدوا من سوى أنفسهم يستبيح بيضتهم ولو اجتمع عليهم من بأقطارها - أو قال من بين أقطارها - حتى يكون بعضهم يهلك بعضا ويسبي بعضهم بعضا " .
সাওবান (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আল্লাহ তা‘আলা গোটা পৃথিবীকে সংকুচিত করে আমার সম্মুখে রেখে দিলেন। অতঃপর আমি এর পূর্বপ্রান্ত থেকে পশ্চিমপ্রান্ত পর্যন্ত প্রত্যক্ষ করেছি। পৃথিবীর যে অংশটুকু গুটিয়ে আমার সম্মুখে রাখা হয়েছিল সে পর্যন্ত আমার উম্মাতের কর্তৃত্ব পৌঁছবে। আমাকে লাল (স্বর্ণ) ও সাদা (রৌপ্য) দু’প্রকারের গুপ্তধন দেয়া হয়েছে। আমি আমার উম্মাতের জন্য আমার রবের কাছে এ দু’আ করেছি, যেন তিনি তাদেরকে সাধারণ দুর্ভিক্ষের দ্বারা ধ্বংস না করেন এবং যেন তিনি তাদের উপর নিজেদের ছাড়া এমন কোন শত্রুকে চাপিয়ে না দেন যারা তাদের দলকে ভেঙ্গে ছিন্নবিচ্ছিন্ন করে দিবে। এ কথা শুনে আমার পালনকর্তা বললেন, হে মুহাম্মাদ! আমি যা সিদ্ধান্ত করি তা কখনো পরিবর্তন হয় না, আমি তোমার দু‘আ কবূল করেছি। আমি তোমার উম্মাতকে সাধারণ দুর্ভিক্ষের দ্বারা ধ্বংস করব না এবং তাদের উপর তাদের নিজেদের ছাড়া অন্য এমন কোন শত্রুকে চাপিয়ে দেব না যারা তাদের সমষ্টিকে বিক্ষিপ্ত ও ধ্বংস করতে সক্ষম হবে। যদিও পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্ত হতে লোক একত্রিত হয়ে প্রচেষ্টা করে না কেন। তবে মুসলিমগণ নিজের মধ্যে পরস্পর একে অপরকে হত্যা করবে এবং একে অপরকে বন্দী করবে। [১৩] (ই.ফা. ৬৯৯৪, ই.সে. ৭০৫১)
সাওবান (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আল্লাহ তা‘আলা গোটা পৃথিবীকে সংকুচিত করে আমার সম্মুখে রেখে দিলেন। অতঃপর আমি এর পূর্বপ্রান্ত থেকে পশ্চিমপ্রান্ত পর্যন্ত প্রত্যক্ষ করেছি। পৃথিবীর যে অংশটুকু গুটিয়ে আমার সম্মুখে রাখা হয়েছিল সে পর্যন্ত আমার উম্মাতের কর্তৃত্ব পৌঁছবে। আমাকে লাল (স্বর্ণ) ও সাদা (রৌপ্য) দু’প্রকারের গুপ্তধন দেয়া হয়েছে। আমি আমার উম্মাতের জন্য আমার রবের কাছে এ দু’আ করেছি, যেন তিনি তাদেরকে সাধারণ দুর্ভিক্ষের দ্বারা ধ্বংস না করেন এবং যেন তিনি তাদের উপর নিজেদের ছাড়া এমন কোন শত্রুকে চাপিয়ে না দেন যারা তাদের দলকে ভেঙ্গে ছিন্নবিচ্ছিন্ন করে দিবে। এ কথা শুনে আমার পালনকর্তা বললেন, হে মুহাম্মাদ! আমি যা সিদ্ধান্ত করি তা কখনো পরিবর্তন হয় না, আমি তোমার দু‘আ কবূল করেছি। আমি তোমার উম্মাতকে সাধারণ দুর্ভিক্ষের দ্বারা ধ্বংস করব না এবং তাদের উপর তাদের নিজেদের ছাড়া অন্য এমন কোন শত্রুকে চাপিয়ে দেব না যারা তাদের সমষ্টিকে বিক্ষিপ্ত ও ধ্বংস করতে সক্ষম হবে। যদিও পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্ত হতে লোক একত্রিত হয়ে প্রচেষ্টা করে না কেন। তবে মুসলিমগণ নিজের মধ্যে পরস্পর একে অপরকে হত্যা করবে এবং একে অপরকে বন্দী করবে। [১৩] (ই.ফা. ৬৯৯৪, ই.সে. ৭০৫১)
حدثنا أبو الربيع العتكي، وقتيبة بن سعيد، كلاهما عن حماد بن زيد، - واللفظ لقتيبة - حدثنا حماد، عن أيوب، عن أبي قلابة، عن أبي أسماء، عن ثوبان، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " إن الله زوى لي الأرض فرأيت مشارقها ومغاربها وإن أمتي سيبلغ ملكها ما زوي لي منها وأعطيت الكنزين الأحمر والأبيض وإني سألت ربي لأمتي أن لا يهلكها بسنة بعامة وأن لا يسلط عليهم عدوا من سوى أنفسهم فيستبيح بيضتهم وإن ربي قال يا محمد إني إذا قضيت قضاء فإنه لا يرد وإني أعطيتك لأمتك أن لا أهلكهم بسنة بعامة وأن لا أسلط عليهم عدوا من سوى أنفسهم يستبيح بيضتهم ولو اجتمع عليهم من بأقطارها - أو قال من بين أقطارها - حتى يكون بعضهم يهلك بعضا ويسبي بعضهم بعضا " .
সহিহ মুসলিম ৭১৫২
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا عبد الله بن نمير، ح وحدثنا ابن نمير، - واللفظ له - حدثنا أبي، حدثنا عثمان بن حكيم، أخبرني عامر بن سعد، عن أبيه، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم أقبل ذات يوم من العالية حتى إذا مر بمسجد بني معاوية دخل فركع فيه ركعتين وصلينا معه ودعا ربه طويلا ثم انصرف إلينا فقال صلى الله عليه وسلم " سألت ربي ثلاثا فأعطاني ثنتين ومنعني واحدة سألت ربي أن لا يهلك أمتي بالسنة فأعطانيها وسألته أن لا يهلك أمتي بالغرق فأعطانيها وسألته أن لا يجعل بأسهم بينهم فمنعنيها " .
সা‘দ (রাযিঃ) তার পিতা থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একদা ‘আলিয়াহ্ হতে এসে বানূ মু‘আবিয়ায় অবস্থিত মাসজিদের সন্নিকটে গেলেন। অতঃপর তিনি উক্ত মাসজিদে প্রবেশ করে দু’রাক‘আত সলাত আদায় করলেন। আমরাও তাঁর সাথে সলাত আদায় করলাম। এ সময় তিনি তাঁর প্রতিপালকের নিকট দীর্ঘ সময় দু’আ করলেন এবং দু’আ শেষে আমাদের দিকে মুখ ফিরালেন। তারপর তিনি বললেন, আমি আমার প্রতিপালকের কাছে তিনটি বিষয় প্রার্থনা করেছি। তন্মধ্যে তিনি আমাকে দু‘টি প্রদান করেছেন এবং একটি প্রদান করেননি। আমি আমার প্রতিপালকের নিকট প্রার্থনা করেছিলাম, যেন তিনি আমার উম্মাতকে দুর্ভিক্ষের দ্বারা ধ্বংস না করেন। তিনি আমার এ দু‘আ কবূল করেছেন। তাঁর নিকট এ-ও প্রার্থনা করেছিলাম যে, তিনি যেন আমার উম্মাতকে পানিতে ডুবিয়ে ধ্বংস না করেন। তিনি আমার এ দু’আও কবূল করেছেন। আমি তাঁর নিকট এ মর্মেও দু’আ করেছিলাম যে, যেন মুসলিমরা পরস্পর একে অপরের বিপক্ষে যুদ্ধে জড়িয়ে না পড়ে। তিনি আমার এ দু’আ কবূল করেননি। (ই.ফা. ৬৯৯৬, ই.সে. ৭০৫৩)
সা‘দ (রাযিঃ) তার পিতা থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একদা ‘আলিয়াহ্ হতে এসে বানূ মু‘আবিয়ায় অবস্থিত মাসজিদের সন্নিকটে গেলেন। অতঃপর তিনি উক্ত মাসজিদে প্রবেশ করে দু’রাক‘আত সলাত আদায় করলেন। আমরাও তাঁর সাথে সলাত আদায় করলাম। এ সময় তিনি তাঁর প্রতিপালকের নিকট দীর্ঘ সময় দু’আ করলেন এবং দু’আ শেষে আমাদের দিকে মুখ ফিরালেন। তারপর তিনি বললেন, আমি আমার প্রতিপালকের কাছে তিনটি বিষয় প্রার্থনা করেছি। তন্মধ্যে তিনি আমাকে দু‘টি প্রদান করেছেন এবং একটি প্রদান করেননি। আমি আমার প্রতিপালকের নিকট প্রার্থনা করেছিলাম, যেন তিনি আমার উম্মাতকে দুর্ভিক্ষের দ্বারা ধ্বংস না করেন। তিনি আমার এ দু‘আ কবূল করেছেন। তাঁর নিকট এ-ও প্রার্থনা করেছিলাম যে, তিনি যেন আমার উম্মাতকে পানিতে ডুবিয়ে ধ্বংস না করেন। তিনি আমার এ দু’আও কবূল করেছেন। আমি তাঁর নিকট এ মর্মেও দু’আ করেছিলাম যে, যেন মুসলিমরা পরস্পর একে অপরের বিপক্ষে যুদ্ধে জড়িয়ে না পড়ে। তিনি আমার এ দু’আ কবূল করেননি। (ই.ফা. ৬৯৯৬, ই.সে. ৭০৫৩)
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا عبد الله بن نمير، ح وحدثنا ابن نمير، - واللفظ له - حدثنا أبي، حدثنا عثمان بن حكيم، أخبرني عامر بن سعد، عن أبيه، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم أقبل ذات يوم من العالية حتى إذا مر بمسجد بني معاوية دخل فركع فيه ركعتين وصلينا معه ودعا ربه طويلا ثم انصرف إلينا فقال صلى الله عليه وسلم " سألت ربي ثلاثا فأعطاني ثنتين ومنعني واحدة سألت ربي أن لا يهلك أمتي بالسنة فأعطانيها وسألته أن لا يهلك أمتي بالغرق فأعطانيها وسألته أن لا يجعل بأسهم بينهم فمنعنيها " .
সহিহ মুসলিম ৭১৫৩
وحدثناه ابن أبي عمر، حدثنا مروان بن معاوية، حدثنا عثمان بن حكيم الأنصاري، أخبرني عامر بن سعد، عن أبيه، أنه أقبل مع رسول الله صلى الله عليه وسلم في طائفة من أصحابه فمر بمسجد بني معاوية . بمثل حديث ابن نمير .
‘আমির ইবনু সা‘দ (রাযিঃ) তার পিতা থেকে বর্নিতঃ
তিনি সহাবাদের একটি দলের মাঝে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গে কোথাও থেকে আসলেন। তারপর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বানূ মু‘আবিয়ায় অবস্থিত মাসজিদের কাছে গেলেন। অতঃপর তিনি ইবনু নুমায়র-এর অবিকল হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৬৯৯৭, ই.সে. ৭০৫৪)
‘আমির ইবনু সা‘দ (রাযিঃ) তার পিতা থেকে বর্নিতঃ
তিনি সহাবাদের একটি দলের মাঝে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গে কোথাও থেকে আসলেন। তারপর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বানূ মু‘আবিয়ায় অবস্থিত মাসজিদের কাছে গেলেন। অতঃপর তিনি ইবনু নুমায়র-এর অবিকল হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৬৯৯৭, ই.সে. ৭০৫৪)
وحدثناه ابن أبي عمر، حدثنا مروان بن معاوية، حدثنا عثمان بن حكيم الأنصاري، أخبرني عامر بن سعد، عن أبيه، أنه أقبل مع رسول الله صلى الله عليه وسلم في طائفة من أصحابه فمر بمسجد بني معاوية . بمثل حديث ابن نمير .
সহিহ মুসলিম > কিয়ামত সংঘটিত হওয়া পর্যন্ত যা ঘটবে সে সম্পর্কে নাবী (সাঃ)-এর সংবাদ প্রদান
সহিহ মুসলিম ৭১৫৭
وحدثنا محمد بن بشار، حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، ح وحدثني أبو بكر، بن نافع حدثنا غندر، حدثنا شعبة، عن عدي بن ثابت، عن عبد الله بن يزيد، عن حذيفة، أنه قال أخبرني رسول الله صلى الله عليه وسلم بما هو كائن إلى أن تقوم الساعة فما منه شىء إلا قد سألته إلا أني لم أسأله ما يخرج أهل المدينة من المدينة
হুযাইফাহ্ (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, কিয়ামাত পর্যন্ত ঘটমান সমূদয় ফিতনা সম্পর্কে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে সংবাদ দিয়েছেন। ফিতনা সম্পর্কীয় কতক বিষয় সম্পর্কে আমি তাকে জিজ্ঞেস করেছি। তবে মাদীনাবাসীকে কোন্ কারণে মাদীনাহ্ হতে বের করা হবে সে সম্পর্কে আমি তাঁকে প্রশ্ন করিনি। (ই.ফা. ৭০০১, ই.সে. ৭০৫৮)
হুযাইফাহ্ (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, কিয়ামাত পর্যন্ত ঘটমান সমূদয় ফিতনা সম্পর্কে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে সংবাদ দিয়েছেন। ফিতনা সম্পর্কীয় কতক বিষয় সম্পর্কে আমি তাকে জিজ্ঞেস করেছি। তবে মাদীনাবাসীকে কোন্ কারণে মাদীনাহ্ হতে বের করা হবে সে সম্পর্কে আমি তাঁকে প্রশ্ন করিনি। (ই.ফা. ৭০০১, ই.সে. ৭০৫৮)
وحدثنا محمد بن بشار، حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، ح وحدثني أبو بكر، بن نافع حدثنا غندر، حدثنا شعبة، عن عدي بن ثابت، عن عبد الله بن يزيد، عن حذيفة، أنه قال أخبرني رسول الله صلى الله عليه وسلم بما هو كائن إلى أن تقوم الساعة فما منه شىء إلا قد سألته إلا أني لم أسأله ما يخرج أهل المدينة من المدينة
সহিহ মুসলিম ৭১৫৫
وحدثنا عثمان بن أبي شيبة، وإسحاق بن إبراهيم، قال عثمان حدثنا وقال، إسحاق أخبرنا جرير، عن الأعمش، عن شقيق، عن حذيفة، قال قام فينا رسول الله صلى الله عليه وسلم مقاما ما ترك شيئا يكون في مقامه ذلك إلى قيام الساعة إلا حدث به حفظه من حفظه ونسيه من نسيه قد علمه أصحابي هؤلاء وإنه ليكون منه الشىء قد نسيته فأراه فأذكره كما يذكر الرجل وجه الرجل إذا غاب عنه ثم إذا رآه عرفه .
হুযাইফাহ্ (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের মাঝে দাঁড়িয়ে কিয়ামাত পর্যন্ত যা কিছু হবে, সকল বিষয় ফিতনার কথা বর্ণনা করলেন। তারপর যে স্মরণ রাখবার সে স্মরণ রাখল এবং যে ভুলে যাবার সে ভুলে গেল। তিনি বলেন, আমার এ সঙ্গীগণ জানেন যে, তন্মধ্যে কতক বিষয় এমন আছে, যা আমি ভুলে গেছি। কিন্তু সেটা সংঘটিত হতে দেখে আমার তা আবার মনে পড়ে যায়। যেরূপ কোন লোক দূরে চলে গেলে তার চেহারার কথা মানুষ ভুলে যায়। অতঃপর তাকে দেখে সে চিনে নেয়। [১৪] (ই.ফা. ৬৯৯৯, ই.সে. ৭০৫৬)
হুযাইফাহ্ (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের মাঝে দাঁড়িয়ে কিয়ামাত পর্যন্ত যা কিছু হবে, সকল বিষয় ফিতনার কথা বর্ণনা করলেন। তারপর যে স্মরণ রাখবার সে স্মরণ রাখল এবং যে ভুলে যাবার সে ভুলে গেল। তিনি বলেন, আমার এ সঙ্গীগণ জানেন যে, তন্মধ্যে কতক বিষয় এমন আছে, যা আমি ভুলে গেছি। কিন্তু সেটা সংঘটিত হতে দেখে আমার তা আবার মনে পড়ে যায়। যেরূপ কোন লোক দূরে চলে গেলে তার চেহারার কথা মানুষ ভুলে যায়। অতঃপর তাকে দেখে সে চিনে নেয়। [১৪] (ই.ফা. ৬৯৯৯, ই.সে. ৭০৫৬)
وحدثنا عثمان بن أبي شيبة، وإسحاق بن إبراهيم، قال عثمان حدثنا وقال، إسحاق أخبرنا جرير، عن الأعمش، عن شقيق، عن حذيفة، قال قام فينا رسول الله صلى الله عليه وسلم مقاما ما ترك شيئا يكون في مقامه ذلك إلى قيام الساعة إلا حدث به حفظه من حفظه ونسيه من نسيه قد علمه أصحابي هؤلاء وإنه ليكون منه الشىء قد نسيته فأراه فأذكره كما يذكر الرجل وجه الرجل إذا غاب عنه ثم إذا رآه عرفه .
সহিহ মুসলিম ৭১৫৯
وحدثني يعقوب بن إبراهيم الدورقي، وحجاج بن الشاعر، جميعا عن أبي عاصم، - قال حجاج حدثنا أبو عاصم، - أخبرنا عزرة بن ثابت، أخبرنا علباء بن أحمر، حدثني أبو زيد، - يعني عمرو بن أخطب - قال صلى بنا رسول الله صلى الله عليه وسلم الفجر وصعد المنبر فخطبنا حتى حضرت الظهر فنزل فصلى ثم صعد المنبر فخطبنا حتى حضرت العصر ثم نزل فصلى ثم صعد المنبر فخطبنا حتى غربت الشمس فأخبرنا بما كان وبما هو كائن فأعلمنا أحفظنا .
আবূ যায়দ (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, একদিন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদেরকে নিয়ে ফজরের সলাত আদায় করলেন। তারপর মিম্বারে আরোহণ করে ভাষণ দিলেন। পরিশেষে যুহরের সলাতের সময় উপস্থিত হলে তিনি মিম্বার হতে নেমে সলাত আদায় করলেন। তারপর পুনরায় মিম্বারে উঠে তিনি ভাষণ দিলেন। এবার আসরের সলাতের ওয়াক্ত হলে তিনি মিম্বার থেকে নেমে সলাত আদায় করে পুনরায় মিম্বারে উঠলেন এবং আমাদেরকে লক্ষ্য করে খুতবাহ্ দিলেন, এমনকি সূর্যাস্ত হয়ে গেল, এ ভাষনে তিনি আমাদেরকে পূর্বে যা ঘটেছে এবং ভবিষ্যতে যা ঘটবে ইত্যকার সম্বন্ধে সংবাদ দিলেন। তিনি (বর্ণনাকারী) বলেন, যে লোক এ কথাগুলো সর্বাধিক মনে রেখেছেন আমাদের মধ্যে এ সম্বন্ধে তিনিই সবচেয়ে বেশী জানেন। (ই.ফা. ৭০০৩, ই.সে. ৭০৬০)
আবূ যায়দ (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, একদিন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদেরকে নিয়ে ফজরের সলাত আদায় করলেন। তারপর মিম্বারে আরোহণ করে ভাষণ দিলেন। পরিশেষে যুহরের সলাতের সময় উপস্থিত হলে তিনি মিম্বার হতে নেমে সলাত আদায় করলেন। তারপর পুনরায় মিম্বারে উঠে তিনি ভাষণ দিলেন। এবার আসরের সলাতের ওয়াক্ত হলে তিনি মিম্বার থেকে নেমে সলাত আদায় করে পুনরায় মিম্বারে উঠলেন এবং আমাদেরকে লক্ষ্য করে খুতবাহ্ দিলেন, এমনকি সূর্যাস্ত হয়ে গেল, এ ভাষনে তিনি আমাদেরকে পূর্বে যা ঘটেছে এবং ভবিষ্যতে যা ঘটবে ইত্যকার সম্বন্ধে সংবাদ দিলেন। তিনি (বর্ণনাকারী) বলেন, যে লোক এ কথাগুলো সর্বাধিক মনে রেখেছেন আমাদের মধ্যে এ সম্বন্ধে তিনিই সবচেয়ে বেশী জানেন। (ই.ফা. ৭০০৩, ই.সে. ৭০৬০)
وحدثني يعقوب بن إبراهيم الدورقي، وحجاج بن الشاعر، جميعا عن أبي عاصم، - قال حجاج حدثنا أبو عاصم، - أخبرنا عزرة بن ثابت، أخبرنا علباء بن أحمر، حدثني أبو زيد، - يعني عمرو بن أخطب - قال صلى بنا رسول الله صلى الله عليه وسلم الفجر وصعد المنبر فخطبنا حتى حضرت الظهر فنزل فصلى ثم صعد المنبر فخطبنا حتى حضرت العصر ثم نزل فصلى ثم صعد المنبر فخطبنا حتى غربت الشمس فأخبرنا بما كان وبما هو كائن فأعلمنا أحفظنا .
সহিহ মুসলিম ৭১৫৪
حدثني حرملة بن يحيى التجيبي، أخبرنا ابن وهب، أخبرني يونس، عن ابن شهاب، أن أبا إدريس الخولاني، كان يقول قال حذيفة بن اليمان والله إني لأعلم الناس بكل فتنة هي كائنة فيما بيني وبين الساعة وما بي إلا أن يكون رسول الله صلى الله عليه وسلم أسر إلى في ذلك شيئا لم يحدثه غيري ولكن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال وهو يحدث مجلسا أنا فيه عن الفتن فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم وهو يعد الفتن " منهن ثلاث لا يكدن يذرن شيئا ومنهن فتن كرياح الصيف منها صغار ومنها كبار " . قال حذيفة فذهب أولئك الرهط كلهم غيري .
আবূ ইদরীস খাওলানী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
হুযাইফাহ্ ইবনু ইয়ামান (রাঃ) বলেন, আমার ও কিয়ামাতের মধ্যবর্তী সময়ের মাঝে ঘটমান বিপদাপদ সম্পর্কে আমি সর্বাধিক জ্ঞাত। বস্তুতঃ বিষয়টি এমন নয় যে, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) অন্যদের কাছে বর্ণনা না করে শুধুমাত্র আমার কাছেই এ ব্যাপারটি বর্ণনা করেছেন। তবে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর এক বৈঠকে আমি উপস্থিত ছিলাম। এতে তিনি ফিতনার ব্যাপারে ধারাবাহিকভাবে বর্ণনা করছিলেন। আর এগুলোর তিনটি এমন, যা কোন কিছু্কেই ছাড় দিবে না। এর কিছু সংখ্যক গ্রীষ্মের ঝাঞ্ঝা বায়ুর মতো। আবার কিছু সংখ্যক ছোট এবং কিছু সংখ্যক বড়। হুযাইফাহ্ (রাঃ) বলেন, উক্ত মাজলিসে উপস্থিত লোকদের মধ্যে আমি ছাড়া প্রত্যেকেই এ দুনিয়া হতে চির বিদায় নিয়েছেন। (ই.ফা. ৬৯৯৮, ই.সে. ৭০৫৫)
আবূ ইদরীস খাওলানী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
হুযাইফাহ্ ইবনু ইয়ামান (রাঃ) বলেন, আমার ও কিয়ামাতের মধ্যবর্তী সময়ের মাঝে ঘটমান বিপদাপদ সম্পর্কে আমি সর্বাধিক জ্ঞাত। বস্তুতঃ বিষয়টি এমন নয় যে, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) অন্যদের কাছে বর্ণনা না করে শুধুমাত্র আমার কাছেই এ ব্যাপারটি বর্ণনা করেছেন। তবে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর এক বৈঠকে আমি উপস্থিত ছিলাম। এতে তিনি ফিতনার ব্যাপারে ধারাবাহিকভাবে বর্ণনা করছিলেন। আর এগুলোর তিনটি এমন, যা কোন কিছু্কেই ছাড় দিবে না। এর কিছু সংখ্যক গ্রীষ্মের ঝাঞ্ঝা বায়ুর মতো। আবার কিছু সংখ্যক ছোট এবং কিছু সংখ্যক বড়। হুযাইফাহ্ (রাঃ) বলেন, উক্ত মাজলিসে উপস্থিত লোকদের মধ্যে আমি ছাড়া প্রত্যেকেই এ দুনিয়া হতে চির বিদায় নিয়েছেন। (ই.ফা. ৬৯৯৮, ই.সে. ৭০৫৫)
حدثني حرملة بن يحيى التجيبي، أخبرنا ابن وهب، أخبرني يونس، عن ابن شهاب، أن أبا إدريس الخولاني، كان يقول قال حذيفة بن اليمان والله إني لأعلم الناس بكل فتنة هي كائنة فيما بيني وبين الساعة وما بي إلا أن يكون رسول الله صلى الله عليه وسلم أسر إلى في ذلك شيئا لم يحدثه غيري ولكن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال وهو يحدث مجلسا أنا فيه عن الفتن فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم وهو يعد الفتن " منهن ثلاث لا يكدن يذرن شيئا ومنهن فتن كرياح الصيف منها صغار ومنها كبار " . قال حذيفة فذهب أولئك الرهط كلهم غيري .
সহিহ মুসলিম ৭১৫৮
حدثنا محمد بن المثنى، حدثني وهب بن جرير، أخبرنا شعبة، بهذا الإسناد نحوه .
শু‘বাহ্ (রহঃ) হতে এ সূত্র থেকে বর্নিতঃ
অবিকল হাদীস বর্ণিত রয়েছে। (ই.ফা. ৭০০২, ই.সে. ৭০৫৯)
শু‘বাহ্ (রহঃ) হতে এ সূত্র থেকে বর্নিতঃ
অবিকল হাদীস বর্ণিত রয়েছে। (ই.ফা. ৭০০২, ই.সে. ৭০৫৯)
حدثنا محمد بن المثنى، حدثني وهب بن جرير، أخبرنا شعبة، بهذا الإسناد نحوه .
সহিহ মুসলিম ৭১৫৬
وحدثناه أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا وكيع، عن سفيان، عن الأعمش، بهذا الإسناد إلى قوله ونسيه من نسيه . ولم يذكر ما بعده .
আ‘মাশ (রহঃ) হতে এ সূত্র থেকে বর্নিতঃ
অর্থাৎ “যে ভুলে যাবার সে ভুলে গেছে” পর্যন্ত অবিকল হাদীস বর্ণনা করেছেন। হাদীসের পরবর্তী অংশটুকু সুফইয়ান (রহঃ) বর্ণনা করেননি। (ই.ফা. ৭০০০, ই.সে. ৭০৫৭)
আ‘মাশ (রহঃ) হতে এ সূত্র থেকে বর্নিতঃ
অর্থাৎ “যে ভুলে যাবার সে ভুলে গেছে” পর্যন্ত অবিকল হাদীস বর্ণনা করেছেন। হাদীসের পরবর্তী অংশটুকু সুফইয়ান (রহঃ) বর্ণনা করেননি। (ই.ফা. ৭০০০, ই.সে. ৭০৫৭)
وحدثناه أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا وكيع، عن سفيان، عن الأعمش، بهذا الإسناد إلى قوله ونسيه من نسيه . ولم يذكر ما بعده .
সহিহ মুসলিম > সমুদ্রের তরঙ্গের মতো যে ফিতনা তরঙ্গায়িত হবে
সহিহ মুসলিম ৭১৬২
وحدثنا ابن أبي عمر، حدثنا سفيان، عن جامع بن أبي راشد، والأعمش، عن أبي وائل، عن حذيفة، قال قال عمر من يحدثنا عن الفتنة، واقتص الحديث، بنحو حديثهم .
হুযাইফাহ্ (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, ‘উমার (রাঃ) বললেন, ফিতনা সম্পর্কীয় হাদীস আমাকে কে শুনাতে পারবে? তারপর সুফ্ইয়ান (রহঃ) পূর্ববর্তীদের হুবহু হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৭০০৬, ই.সে. ৭০৬৩)
হুযাইফাহ্ (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, ‘উমার (রাঃ) বললেন, ফিতনা সম্পর্কীয় হাদীস আমাকে কে শুনাতে পারবে? তারপর সুফ্ইয়ান (রহঃ) পূর্ববর্তীদের হুবহু হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৭০০৬, ই.সে. ৭০৬৩)
وحدثنا ابن أبي عمر، حدثنا سفيان، عن جامع بن أبي راشد، والأعمش، عن أبي وائل، عن حذيفة، قال قال عمر من يحدثنا عن الفتنة، واقتص الحديث، بنحو حديثهم .
সহিহ মুসলিম ৭১৬০
حدثنا محمد بن عبد الله بن نمير، ومحمد بن العلاء أبو كريب، جميعا عن أبي، معاوية قال ابن العلاء حدثنا أبو معاوية، حدثنا الأعمش، عن شقيق، عن حذيفة، قال كنا عند عمر فقال أيكم يحفظ حديث رسول الله صلى الله عليه وسلم في الفتنة كما قال قال فقلت أنا . قال إنك لجريء وكيف قال قال قلت سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " فتنة الرجل في أهله وماله ونفسه وولده وجاره يكفرها الصيام والصلاة والصدقة والأمر بالمعروف والنهى عن المنكر " . فقال عمر ليس هذا أريد إنما أريد التي تموج كموج البحر - قال - فقلت ما لك ولها يا أمير المؤمنين إن بينك وبينها بابا مغلقا قال أفيكسر الباب أم يفتح قال قلت لا بل يكسر . قال ذلك أحرى أن لا يغلق أبدا . قال فقلنا لحذيفة هل كان عمر يعلم من الباب قال نعم كما يعلم أن دون غد الليلة إني حدثته حديثا ليس بالأغاليط . قال فهبنا أن نسأل حذيفة من الباب فقلنا لمسروق سله فسأله فقال عمر .
হুযাইফাহ্ (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমরা ‘উমার (রাঃ)-এর নিকট উপবিষ্ট ছিলাম। এ সময় তিনি বললেন, ফিতনা বিষয়ক রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর বাণী তোমাদের কার মনে আছে? আমি বললাম, আমার মনে আছে। এ কথা শুনে তিনি বললেন, ব্যস! তুমি তো খুব সাহসী। তিনি কি বলেছেন, বলো? তারপর আমি বললাম, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি যে, পরিবার-পরিজন, ধন-সম্পদ, স্বীয় নাফ্স, সন্তান-সন্ততি এবং প্রতিবেশীর ব্যাপারে মানুষ যে ফিতনায় জড়িত হয়, তার সিয়াম, সলাত, সদাকাহ্ এবং সৎকার্যের আদেশ ও অসৎকার্যে বাধা দানই হলো এগুলোর জন্য কাফ্ফারাহ্। এ কথা শুনে ‘উমার (রাঃ) বললেন, আমি তো এ ফিতনার ব্যাপারে শুনতে চাইনি। বরং সমুদ্রের তরঙ্গমালার মতো যে ফিতনা নিপতিত হতে থাকবে, আমি তো শুধু তাই শুনতে চেয়েছি। তখন আমি বললাম, হে আমীরুল মু’মিনীন! এ ফিতনার সাথে আপনার কি সম্পর্ক, এতে আপনার উদ্দেশ্য কি? এ ফিতনা ও আপনার মধ্যে এক রুদ্ধদ্বার অন্তরায় রয়েছে। তিনি প্রশ্ন করলেন, এ দ্বার কি ভাঙ্গা হবে, না খোলা হবে? আমি বললাম, না, ভাঙ্গা হবে না, বরং খোলা হবে। এ কথা শুনে ‘উমার (রাঃ) বললেন, তবে তো তা আর কক্ষনো বন্ধ হবে না। বর্ণনাকারী শাকীক (রহঃ) বলেন, আমরা হুযাইফাহ্ (রাঃ)-কে প্রশ্ন করলাম, কে সে দ্বার, ‘উমার (রাঃ) তা কি জানতেন? উত্তরে তিনি বললেন, হ্যাঁ, আগামী দিনের পর রাত্র, এ কথাটি যেমন জানতেন, ঠিক তদ্রূপ ঐ বিষয়টিও তিনি জানতেন। হুযাইফাহ্ (রাঃ) বলনে, আমি তাঁকে ভুল হাদীস শুনাইনি। শাকীক (রহঃ) বলেন, কে সে দরজা, এ বিষয়ে হুযাইফাহ্ (রাঃ)-কে প্রশ্ন করতে আমরা ভয় পাচ্ছিলাম। তাই আমরা মাসরূক (রহঃ)-কে বললাম, আপনি তাঁকে প্রশ্ন করুন। তিনি হুযাইফাহ্ (রাঃ)-কে প্রশ্ন করলেন। হুযাইফাহ্ (রাঃ) বললেন, এ দরজা হচ্ছে স্বয়ং ‘উমার (রাঃ)। (ই.ফা. ৭০০৪, ই.সে. ৭০৬১)
হুযাইফাহ্ (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমরা ‘উমার (রাঃ)-এর নিকট উপবিষ্ট ছিলাম। এ সময় তিনি বললেন, ফিতনা বিষয়ক রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর বাণী তোমাদের কার মনে আছে? আমি বললাম, আমার মনে আছে। এ কথা শুনে তিনি বললেন, ব্যস! তুমি তো খুব সাহসী। তিনি কি বলেছেন, বলো? তারপর আমি বললাম, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি যে, পরিবার-পরিজন, ধন-সম্পদ, স্বীয় নাফ্স, সন্তান-সন্ততি এবং প্রতিবেশীর ব্যাপারে মানুষ যে ফিতনায় জড়িত হয়, তার সিয়াম, সলাত, সদাকাহ্ এবং সৎকার্যের আদেশ ও অসৎকার্যে বাধা দানই হলো এগুলোর জন্য কাফ্ফারাহ্। এ কথা শুনে ‘উমার (রাঃ) বললেন, আমি তো এ ফিতনার ব্যাপারে শুনতে চাইনি। বরং সমুদ্রের তরঙ্গমালার মতো যে ফিতনা নিপতিত হতে থাকবে, আমি তো শুধু তাই শুনতে চেয়েছি। তখন আমি বললাম, হে আমীরুল মু’মিনীন! এ ফিতনার সাথে আপনার কি সম্পর্ক, এতে আপনার উদ্দেশ্য কি? এ ফিতনা ও আপনার মধ্যে এক রুদ্ধদ্বার অন্তরায় রয়েছে। তিনি প্রশ্ন করলেন, এ দ্বার কি ভাঙ্গা হবে, না খোলা হবে? আমি বললাম, না, ভাঙ্গা হবে না, বরং খোলা হবে। এ কথা শুনে ‘উমার (রাঃ) বললেন, তবে তো তা আর কক্ষনো বন্ধ হবে না। বর্ণনাকারী শাকীক (রহঃ) বলেন, আমরা হুযাইফাহ্ (রাঃ)-কে প্রশ্ন করলাম, কে সে দ্বার, ‘উমার (রাঃ) তা কি জানতেন? উত্তরে তিনি বললেন, হ্যাঁ, আগামী দিনের পর রাত্র, এ কথাটি যেমন জানতেন, ঠিক তদ্রূপ ঐ বিষয়টিও তিনি জানতেন। হুযাইফাহ্ (রাঃ) বলনে, আমি তাঁকে ভুল হাদীস শুনাইনি। শাকীক (রহঃ) বলেন, কে সে দরজা, এ বিষয়ে হুযাইফাহ্ (রাঃ)-কে প্রশ্ন করতে আমরা ভয় পাচ্ছিলাম। তাই আমরা মাসরূক (রহঃ)-কে বললাম, আপনি তাঁকে প্রশ্ন করুন। তিনি হুযাইফাহ্ (রাঃ)-কে প্রশ্ন করলেন। হুযাইফাহ্ (রাঃ) বললেন, এ দরজা হচ্ছে স্বয়ং ‘উমার (রাঃ)। (ই.ফা. ৭০০৪, ই.সে. ৭০৬১)
حدثنا محمد بن عبد الله بن نمير، ومحمد بن العلاء أبو كريب، جميعا عن أبي، معاوية قال ابن العلاء حدثنا أبو معاوية، حدثنا الأعمش، عن شقيق، عن حذيفة، قال كنا عند عمر فقال أيكم يحفظ حديث رسول الله صلى الله عليه وسلم في الفتنة كما قال قال فقلت أنا . قال إنك لجريء وكيف قال قال قلت سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " فتنة الرجل في أهله وماله ونفسه وولده وجاره يكفرها الصيام والصلاة والصدقة والأمر بالمعروف والنهى عن المنكر " . فقال عمر ليس هذا أريد إنما أريد التي تموج كموج البحر - قال - فقلت ما لك ولها يا أمير المؤمنين إن بينك وبينها بابا مغلقا قال أفيكسر الباب أم يفتح قال قلت لا بل يكسر . قال ذلك أحرى أن لا يغلق أبدا . قال فقلنا لحذيفة هل كان عمر يعلم من الباب قال نعم كما يعلم أن دون غد الليلة إني حدثته حديثا ليس بالأغاليط . قال فهبنا أن نسأل حذيفة من الباب فقلنا لمسروق سله فسأله فقال عمر .
সহিহ মুসলিম ৭১৬৩
وحدثنا محمد بن المثنى، ومحمد بن حاتم، قالا حدثنا معاذ بن معاذ، حدثنا ابن، عون عن محمد، قال قال جندب جئت يوم الجرعة فإذا رجل جالس فقلت ليهراقن اليوم ها هنا دماء . فقال ذاك الرجل كلا والله . قلت بلى والله . قال كلا والله . قلت بلى والله . قال كلا والله إنه لحديث رسول الله صلى الله عليه وسلم حدثنيه . قلت بئس الجليس لي أنت منذ اليوم تسمعني أخالفك وقد سمعته من رسول الله صلى الله عليه وسلم فلا تنهاني ثم قلت ما هذا الغضب فأقبلت عليه وأسأله فإذا الرجل حذيفة .
মুহাম্মাদ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, জুনদুব (রাঃ) বললেন, আমি জারা‘আয় (কূফার সন্নিকটবর্তী একটি স্থানে) আসলাম। দেখলাম এক লোক বসে আছে। আমি বললাম, আজ তো এখানে কয়েকটি খুন হবে। এ কথা শুনে লোকটি বলল, কক্ষনো না। আল্লাহর শপথ! খুন হবে না। আমি বললাম, আল্লাহর শপথ! অবশ্যই খুন হবে। সে আবারো বলল, আল্লাহর শপথ! খুন কক্ষনো হবে না। এ ব্যাপারে আমি একটি হাদীস শুনেছি, যা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমার কাছে বর্ণনা করেছেন। আমি বললাম, আজ থেকে তুমি আমার একজন অপ্রীতিকর সঙ্গী। কারণ তুমি শুনতে পাচ্ছ যে, আমি তোমার বিরুদ্ধাচারণ করছি। অথচ রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে হাদীস শুনা সত্ত্বেও তুমি আমাকে নিষেধ করছ না। তারপর আমি বললাম, এ অসন্তুষ্টির কি কারণ? তাই আমি তার দিকে এগিয়ে গেলাম এবং তাকে প্রশ্ন করলাম পরে জানতে পেলাম, তিনি হলেন হুযাইফাহ্ (রাঃ)। (ই.ফা. ৭০০৭, ই.সে. ৭০৬৪)
মুহাম্মাদ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, জুনদুব (রাঃ) বললেন, আমি জারা‘আয় (কূফার সন্নিকটবর্তী একটি স্থানে) আসলাম। দেখলাম এক লোক বসে আছে। আমি বললাম, আজ তো এখানে কয়েকটি খুন হবে। এ কথা শুনে লোকটি বলল, কক্ষনো না। আল্লাহর শপথ! খুন হবে না। আমি বললাম, আল্লাহর শপথ! অবশ্যই খুন হবে। সে আবারো বলল, আল্লাহর শপথ! খুন কক্ষনো হবে না। এ ব্যাপারে আমি একটি হাদীস শুনেছি, যা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমার কাছে বর্ণনা করেছেন। আমি বললাম, আজ থেকে তুমি আমার একজন অপ্রীতিকর সঙ্গী। কারণ তুমি শুনতে পাচ্ছ যে, আমি তোমার বিরুদ্ধাচারণ করছি। অথচ রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে হাদীস শুনা সত্ত্বেও তুমি আমাকে নিষেধ করছ না। তারপর আমি বললাম, এ অসন্তুষ্টির কি কারণ? তাই আমি তার দিকে এগিয়ে গেলাম এবং তাকে প্রশ্ন করলাম পরে জানতে পেলাম, তিনি হলেন হুযাইফাহ্ (রাঃ)। (ই.ফা. ৭০০৭, ই.সে. ৭০৬৪)
وحدثنا محمد بن المثنى، ومحمد بن حاتم، قالا حدثنا معاذ بن معاذ، حدثنا ابن، عون عن محمد، قال قال جندب جئت يوم الجرعة فإذا رجل جالس فقلت ليهراقن اليوم ها هنا دماء . فقال ذاك الرجل كلا والله . قلت بلى والله . قال كلا والله . قلت بلى والله . قال كلا والله إنه لحديث رسول الله صلى الله عليه وسلم حدثنيه . قلت بئس الجليس لي أنت منذ اليوم تسمعني أخالفك وقد سمعته من رسول الله صلى الله عليه وسلم فلا تنهاني ثم قلت ما هذا الغضب فأقبلت عليه وأسأله فإذا الرجل حذيفة .
সহিহ মুসলিম ৭১৬১
وحدثناه أبو بكر بن أبي شيبة، وأبو سعيد الأشج قالا حدثنا وكيع، ح وحدثنا عثمان بن أبي شيبة، حدثنا جرير، ح وحدثنا إسحاق بن إبراهيم، أخبرنا عيسى بن يونس، ح وحدثنا ابن أبي عمر، حدثنا يحيى بن عيسى، كلهم عن الأعمش، بهذا الإسناد . نحو حديث أبي معاوية وفي حديث عيسى عن الأعمش، عن شقيق، قال سمعت حذيفة، يقول .
আ‘মাশ (রাযিঃ) হতে এ সূত্র থেকে বর্নিতঃ
আবূ মু‘আবিয়ার অবিকল হাদীস বর্ণনা করেছেন। তবে ‘ঈসা (রহঃ)-এর সানাদে শাকীক (রহঃ) হতে বর্ণিত হাদীসে তিনি বলেছেন, আমি হুযাইফাহ্ (রাঃ)-কে এ কথা বলতে শুনেছি। (ই.ফা. ৭০০৫, ই.সে. ৭০৬২)
আ‘মাশ (রাযিঃ) হতে এ সূত্র থেকে বর্নিতঃ
আবূ মু‘আবিয়ার অবিকল হাদীস বর্ণনা করেছেন। তবে ‘ঈসা (রহঃ)-এর সানাদে শাকীক (রহঃ) হতে বর্ণিত হাদীসে তিনি বলেছেন, আমি হুযাইফাহ্ (রাঃ)-কে এ কথা বলতে শুনেছি। (ই.ফা. ৭০০৫, ই.সে. ৭০৬২)
وحدثناه أبو بكر بن أبي شيبة، وأبو سعيد الأشج قالا حدثنا وكيع، ح وحدثنا عثمان بن أبي شيبة، حدثنا جرير، ح وحدثنا إسحاق بن إبراهيم، أخبرنا عيسى بن يونس، ح وحدثنا ابن أبي عمر، حدثنا يحيى بن عيسى، كلهم عن الأعمش، بهذا الإسناد . نحو حديث أبي معاوية وفي حديث عيسى عن الأعمش، عن شقيق، قال سمعت حذيفة، يقول .