সহিহ মুসলিম > জান্নাতের তাঁবু এবং তাতে মু’মিনগণের স্ত্রীদের বর্ণনা
সহিহ মুসলিম ৭০৫১
‘আবদুল্লাহ ইবনু কায়স (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ জান্নাতে (মু’মিনদের জন্য) মাঝে ফাঁকা এরূপ মুক্তার একটি বিশাল তাঁবু থাকবে, যার বিস্তৃতি হবে ষাট মাইল। এর প্রত্যেক প্রান্তেই স্ত্রীগণ থাকবে। তারা পরস্পর একে অপরকে দেখতে পাবে না। মু’মিনেরা ঘুরে ঘুরে সকল রমণীর নিকট যাবে। (ই.ফা. ৬৮৯৬, ই.সে. ৬৯৫৩)
‘আবদুল্লাহ ইবনু কায়স (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ জান্নাতে (মু’মিনদের জন্য) মাঝে ফাঁকা এরূপ মুক্তার একটি বিশাল তাঁবু থাকবে, যার বিস্তৃতি হবে ষাট মাইল। এর প্রত্যেক প্রান্তেই স্ত্রীগণ থাকবে। তারা পরস্পর একে অপরকে দেখতে পাবে না। মু’মিনেরা ঘুরে ঘুরে সকল রমণীর নিকট যাবে। (ই.ফা. ৬৮৯৬, ই.সে. ৬৯৫৩)
সহিহ মুসলিম ৭০৫০
‘আবদুল্লাহ ইবনু কায়স (রাঃ)-এর সূত্রে নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, মু’মিনদের জন্য জান্নাতে মধ্যস্থলে ফাঁকা এমন একটি মুক্তার তাঁবু নির্মাণ করা হবে যার দৈর্ঘ্য হবে ষাট মাইল। মু’মিনদের সহধর্মিণীগণও এতে থাকবে। তারা তাদের সকলের নিকট গমন করবে। তবে স্ত্রীগণ পরস্পর একে অন্যকে দেখতে পাবে না। (ই.ফা. ৬৮৯৫, ই.সে. ৬৯৫২)
‘আবদুল্লাহ ইবনু কায়স (রাঃ)-এর সূত্রে নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, মু’মিনদের জন্য জান্নাতে মধ্যস্থলে ফাঁকা এমন একটি মুক্তার তাঁবু নির্মাণ করা হবে যার দৈর্ঘ্য হবে ষাট মাইল। মু’মিনদের সহধর্মিণীগণও এতে থাকবে। তারা তাদের সকলের নিকট গমন করবে। তবে স্ত্রীগণ পরস্পর একে অন্যকে দেখতে পাবে না। (ই.ফা. ৬৮৯৫, ই.সে. ৬৯৫২)
সহিহ মুসলিম ৭০৫২
আবূ মূসা (রাঃ)-এর সূত্রে নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, জান্নাতের তাঁবুগুলো মণি-মুক্তার তৈরি হবে। এর দৈর্ঘ্য হবে ঊর্ধাকাশের দিকে ষাট মাইল। এর প্রত্যেক কোণে মু’মিনদের সহধর্মিণীগণ থাকবে। তবে পরস্পর একে অপরকে দেখতে পাবে না। (ই.ফা. ৬৮৯৭, ই.সে. ৬৯৫৪)
আবূ মূসা (রাঃ)-এর সূত্রে নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, জান্নাতের তাঁবুগুলো মণি-মুক্তার তৈরি হবে। এর দৈর্ঘ্য হবে ঊর্ধাকাশের দিকে ষাট মাইল। এর প্রত্যেক কোণে মু’মিনদের সহধর্মিণীগণ থাকবে। তবে পরস্পর একে অপরকে দেখতে পাবে না। (ই.ফা. ৬৮৯৭, ই.সে. ৬৯৫৪)
সহিহ মুসলিম > জান্নাতের নহরসমূহ থেকে যা দুনিয়াতে রয়েছে
সহিহ মুসলিম ৭০৫৩
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ সাইহান, জাইহান (দু’টি নদ) এবং ফুরাত ও নীল (দু’টি নদ) এসবের প্রত্যেকটিই জান্নাতের নহরসমূহেরই অন্তর্ভুক্ত হবে। (ই.ফা. ৬৮৯৮, ই.সে. ৬৯৫৫)
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ সাইহান, জাইহান (দু’টি নদ) এবং ফুরাত ও নীল (দু’টি নদ) এসবের প্রত্যেকটিই জান্নাতের নহরসমূহেরই অন্তর্ভুক্ত হবে। (ই.ফা. ৬৮৯৮, ই.সে. ৬৯৫৫)
সহিহ মুসলিম > পাখীর হৃদয়ের ন্যায় হৃদয় বিশিষ্ট কতিপয় লোক জান্নাতে প্রবেশ করবে
সহিহ মুসলিম ৭০৫৫
হাম্মাম ইবনু মুনাব্বিহ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আবূ হুরায়রা্ (রাঃ) রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে কিছু হাদীস বর্ণনা করেছেন। এর মধ্যে একটি হলো এ-ই যে, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আল্লাহ তা‘আলা আদাম (‘আঃ)-কে তাঁর নিজ আকৃতিতে সৃষ্টি করেছেন। তার দৈর্ঘ্য হলো ষাট হাত। সৃষ্টির পর তিনি তাকে বললেন, যাও এদেরকে সালাম করো। সেখানে একদল ফেরেশ্তারা বসা ছিলেন। সালামের জবাবে তারা কি বলে তা খুব মনোযোগ সহকারে শুনো। কেননা তোমার এবং তোমার বংশধরদের অভিবাদন হবে এ-ই। বর্ণনাকারী বলেন, অতঃপর তিনি এগিয়ে গেলেন ও বললেন, “আস্সালামু ‘আলাইকুম”। জবাবে তারা বললেন, “আস্সালামু ‘আলাইকা ওয়ারহমাতুল্লাহ্”। তাঁরা ওয়ারহমাতুল্লাহ্ বাড়িয়ে বলেছেনঃ । অবশেষে তিনি বললেন, যে লোক জান্নাতে যাবে সে আদাম (‘আঃ)-এর আকৃতি বিশিষ্ট হবে। তার দৈর্ঘ্য হবে ষাট হাত। [তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন,] তারপর আদাম (‘আঃ)-এর পর থেকে আজ পর্যন্ত মানুষ ক্রমশই খাটো হয়ে আসছে। (ই.ফা. ৬৯০০, ই.সে. ৬৯৫৭)
হাম্মাম ইবনু মুনাব্বিহ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আবূ হুরায়রা্ (রাঃ) রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে কিছু হাদীস বর্ণনা করেছেন। এর মধ্যে একটি হলো এ-ই যে, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আল্লাহ তা‘আলা আদাম (‘আঃ)-কে তাঁর নিজ আকৃতিতে সৃষ্টি করেছেন। তার দৈর্ঘ্য হলো ষাট হাত। সৃষ্টির পর তিনি তাকে বললেন, যাও এদেরকে সালাম করো। সেখানে একদল ফেরেশ্তারা বসা ছিলেন। সালামের জবাবে তারা কি বলে তা খুব মনোযোগ সহকারে শুনো। কেননা তোমার এবং তোমার বংশধরদের অভিবাদন হবে এ-ই। বর্ণনাকারী বলেন, অতঃপর তিনি এগিয়ে গেলেন ও বললেন, “আস্সালামু ‘আলাইকুম”। জবাবে তারা বললেন, “আস্সালামু ‘আলাইকা ওয়ারহমাতুল্লাহ্”। তাঁরা ওয়ারহমাতুল্লাহ্ বাড়িয়ে বলেছেনঃ । অবশেষে তিনি বললেন, যে লোক জান্নাতে যাবে সে আদাম (‘আঃ)-এর আকৃতি বিশিষ্ট হবে। তার দৈর্ঘ্য হবে ষাট হাত। [তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন,] তারপর আদাম (‘আঃ)-এর পর থেকে আজ পর্যন্ত মানুষ ক্রমশই খাটো হয়ে আসছে। (ই.ফা. ৬৯০০, ই.সে. ৬৯৫৭)
সহিহ মুসলিম ৭০৫৪
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ)-এর সূত্রে নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, এমন কিছু লোক জান্নাতে যাবে, যাদের অন্তর পাখীর অন্তরের মতো। (ই.ফা. ৬৮৯৯, ই.সে. ৬৯৫৬)
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ)-এর সূত্রে নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, এমন কিছু লোক জান্নাতে যাবে, যাদের অন্তর পাখীর অন্তরের মতো। (ই.ফা. ৬৮৯৯, ই.সে. ৬৯৫৬)
সহিহ মুসলিম > জাহান্নামের আগুনের প্রবল উত্তাপ ও গভীর তলদেশ এবং শাস্তিপ্রাপ্তদের যা স্পর্শ করবে
সহিহ মুসলিম ৭০৫৯
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমরা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাথে উপবিষ্ট ছিলাম। তিনি হঠাৎ একটি বিকট আওয়াজ শুনতে পেলেন। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, তোমরা কি জান, এটা কিসের আওয়াজ? বর্ণনাকারী বলেন, আমরা বললাম, আল্লাহ ও তাঁর রসূলই অধিক জ্ঞাত। তিনি বললেন, এ একটি পাথর যা সত্তর বছর আগে জাহান্নামে নিক্ষেপ করা হয়েছিল। তারপর তা কেবল নিম্নে পতিত হতে হতে এখন সেটা তার তলদেশে গিয়ে পৌঁছেছে। (ই.ফা. ৬৯০৪, ই.সে. ৬৯৬১)
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমরা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাথে উপবিষ্ট ছিলাম। তিনি হঠাৎ একটি বিকট আওয়াজ শুনতে পেলেন। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, তোমরা কি জান, এটা কিসের আওয়াজ? বর্ণনাকারী বলেন, আমরা বললাম, আল্লাহ ও তাঁর রসূলই অধিক জ্ঞাত। তিনি বললেন, এ একটি পাথর যা সত্তর বছর আগে জাহান্নামে নিক্ষেপ করা হয়েছিল। তারপর তা কেবল নিম্নে পতিত হতে হতে এখন সেটা তার তলদেশে গিয়ে পৌঁছেছে। (ই.ফা. ৬৯০৪, ই.সে. ৬৯৬১)
সহিহ মুসলিম ৭০৫৭
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমাদের এ অগ্নি যা আদাম সন্তানগণ জ্বালিয়ে থাকে তা জাহান্নামের অগ্নির উত্তাপের সত্তর ভাগের একভাগ। সহাবাগণ বললেন, হে আল্লাহর রসূল! আল্লাহর কসম! এ আগুনই তো যথেষ্ট ছিল? তিনি বললেন, সে আগুন তো এ আগুনের তুলনায় উনসত্তর গুণ অধিক তাপমাত্রা সম্পন্ন। এ উনসত্তরের প্রতিটি তাপমাত্রাই দুনিয়ার আগুনের তাপমাত্রার সমতুল্য। (ই.ফা. ৬৯০২, ই.সে. ৬৯৫৯)
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমাদের এ অগ্নি যা আদাম সন্তানগণ জ্বালিয়ে থাকে তা জাহান্নামের অগ্নির উত্তাপের সত্তর ভাগের একভাগ। সহাবাগণ বললেন, হে আল্লাহর রসূল! আল্লাহর কসম! এ আগুনই তো যথেষ্ট ছিল? তিনি বললেন, সে আগুন তো এ আগুনের তুলনায় উনসত্তর গুণ অধিক তাপমাত্রা সম্পন্ন। এ উনসত্তরের প্রতিটি তাপমাত্রাই দুনিয়ার আগুনের তাপমাত্রার সমতুল্য। (ই.ফা. ৬৯০২, ই.সে. ৬৯৫৯)
সহিহ মুসলিম ৭০৫৬
‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ জাহান্নামকে এভাবে উপস্থিত করা হবে। সেদিন তাতে সত্তর হাজার লাগাম লাগানো থাকবে। প্রতিটি লাগামের সাথে সত্তর হাজার ফেরেশ্তা থাকবে তাঁরা তাকে টেনে নিয়ে যাবে। (ই.ফা. ৬৯০১, ই.সে. ৬৯৫৮)
‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ জাহান্নামকে এভাবে উপস্থিত করা হবে। সেদিন তাতে সত্তর হাজার লাগাম লাগানো থাকবে। প্রতিটি লাগামের সাথে সত্তর হাজার ফেরেশ্তা থাকবে তাঁরা তাকে টেনে নিয়ে যাবে। (ই.ফা. ৬৯০১, ই.সে. ৬৯৫৮)
সহিহ মুসলিম ৭০৬১
সামুরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে এ কথা বলতে শুনেছেন যে, অগ্নি জাহান্নামীদের কাউকে তো তার উভয় গোড়ালি পর্যন্ত স্পর্শ করবে; আবার কাউকে তার কোমর পর্যন্ত এবং কাউকে তার গর্দান পর্যন্ত স্পর্শ করবে। (ই.ফা. ৬৯০৬, ই.সে. ৬৯৬৩)
সামুরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে এ কথা বলতে শুনেছেন যে, অগ্নি জাহান্নামীদের কাউকে তো তার উভয় গোড়ালি পর্যন্ত স্পর্শ করবে; আবার কাউকে তার কোমর পর্যন্ত এবং কাউকে তার গর্দান পর্যন্ত স্পর্শ করবে। (ই.ফা. ৬৯০৬, ই.সে. ৬৯৬৩)
সহিহ মুসলিম ৭০৬২
সামুরাহ্ ইবনু জুনদাব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ অগ্নি জাহান্নামীদের কাউকে তার উভয় টাখনু পর্যন্ত স্পর্শ করবে, কাউকে তার উভয় হাঁটু পর্যন্ত স্পর্শ করবে, কাউকে তার কোমর পর্যন্ত, আবার কাউকে তার গলা পর্যন্ত স্পর্শ করবে। (ই.ফা. ৬৯০৭, ই.সে. ৬৯৬৪)
সামুরাহ্ ইবনু জুনদাব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ অগ্নি জাহান্নামীদের কাউকে তার উভয় টাখনু পর্যন্ত স্পর্শ করবে, কাউকে তার উভয় হাঁটু পর্যন্ত স্পর্শ করবে, কাউকে তার কোমর পর্যন্ত, আবার কাউকে তার গলা পর্যন্ত স্পর্শ করবে। (ই.ফা. ৬৯০৭, ই.সে. ৬৯৬৪)
সহিহ মুসলিম ৭০৫৮
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ)-এর সূত্র থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে আবূ যিনাদ-এর অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। তবে এতে হাম্মাম (রহঃ) (আরবী) (প্রতিটি)-এর স্থলে (আরবী) (সবগুলোই তার তাপমাত্রার সমতুল্য) বলেছেন। (ই.ফা. ৬৯০৩ই.সে. ৬৯৬০)
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ)-এর সূত্র থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে আবূ যিনাদ-এর অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। তবে এতে হাম্মাম (রহঃ) (আরবী) (প্রতিটি)-এর স্থলে (আরবী) (সবগুলোই তার তাপমাত্রার সমতুল্য) বলেছেন। (ই.ফা. ৬৯০৩ই.সে. ৬৯৬০)
সহিহ মুসলিম ৭০৬০
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে এ সানাদ থেকে বর্নিতঃ
হুবহু হাদীস বর্ণনা করেছেন। তবে এতে এ কথা বর্ধিত বর্ণিত রয়েছে যে, এ পাথরটি এখন জাহান্নামের অতল গভীরে গিয়ে পৌঁছেছে, তাই তোমরা বিকট আওয়াজ শুনতে পেয়েছো। (ই.ফা. ৬৯০৫, ই.সে৬৯৬২)
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে এ সানাদ থেকে বর্নিতঃ
হুবহু হাদীস বর্ণনা করেছেন। তবে এতে এ কথা বর্ধিত বর্ণিত রয়েছে যে, এ পাথরটি এখন জাহান্নামের অতল গভীরে গিয়ে পৌঁছেছে, তাই তোমরা বিকট আওয়াজ শুনতে পেয়েছো। (ই.ফা. ৬৯০৫, ই.সে৬৯৬২)
সহিহ মুসলিম ৭০৬৩
সা‘ঈদ (রাঃ) থেকে এ সানাদ থেকে বর্নিতঃ
অবিকল হাদীস বর্ণনা করেছেন। তবে এতে (আরবী) পরিবর্তে (আরবী) (উভয় শব্দের অর্থ একই, অর্থাৎ কোমর) শব্দটি বর্ণিত আছে। (ই.ফা. ৬৯০৮, ই.সে. ৬৯৬৫)
সা‘ঈদ (রাঃ) থেকে এ সানাদ থেকে বর্নিতঃ
অবিকল হাদীস বর্ণনা করেছেন। তবে এতে (আরবী) পরিবর্তে (আরবী) (উভয় শব্দের অর্থ একই, অর্থাৎ কোমর) শব্দটি বর্ণিত আছে। (ই.ফা. ৬৯০৮, ই.সে. ৬৯৬৫)