সহিহ মুসলিম > জান্নাতীদের নি‘আমাত চিরস্থায়ী। মহান আল্লাহর বাণী : “আর তাদের সম্বোধন করে বলা হবে, তোমরা যা করতে তারই বিনিময়ে তোমাদেরকে এ জান্নাতের উত্তরাধিকারী করা হয়েছে”
সহিহ মুসলিম ৭০৪৮
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ)-এর সূত্রে নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, যে লোক জান্নাতে প্রবেশ করবে সে স্বাচ্ছন্দে থাকবে কখনো দুর্দশাগ্রস্ত হবে না। তার পরিধেয় বস্ত্র কখনো পুরনো হবে না এবং তার যৌবন কক্ষনো শেষ হবে না। (ই.ফা. ৬৮৯৩, ই.সে. ৬৯৫০)
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ)-এর সূত্রে নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, যে লোক জান্নাতে প্রবেশ করবে সে স্বাচ্ছন্দে থাকবে কখনো দুর্দশাগ্রস্ত হবে না। তার পরিধেয় বস্ত্র কখনো পুরনো হবে না এবং তার যৌবন কক্ষনো শেষ হবে না। (ই.ফা. ৬৮৯৩, ই.সে. ৬৯৫০)
সহিহ মুসলিম ৭০৪৯
আবূ সা‘ঈদ আল খুদরী ও আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ)-এর সূত্রে নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, কোন আহ্বানকারী জান্নাতী লোকেদেরকে আহ্বান করে বলবে, এখানে সর্বদা তোমরা সুস্থ থাকবে, কক্ষনো অসুস্থ হবে না। তোমরা স্থায়ী জীবন লাভ করবে, কখনো তোমরা মরবে না। তোমরা যুবক থাকবে, কক্ষনো তোমরা বৃদ্ধ হবে না। তোমরা সর্বদা সুখ-স্বাচ্ছন্দ্যে থাকবে, কক্ষনো আর তোমরা কষ্ট-ক্লেশে পতিত হবে না। এটাই মহা মহিম আল্লাহর বাণী : “আর তাদেরকে সম্বোধন করে বলা হবে, তোমরা যে ‘আমাল করতে তারই বিনিময়ে তোমাদেরকে এ জান্নাতের উত্তরাধিকারী করা হয়েছে”- (সূরাহ্ আল আ‘রাফ ৭ : ৪৩) এর ব্যাখ্যা। (ই.ফা. ৬৮৯৪, ই.সে. ৬৯৫১)
আবূ সা‘ঈদ আল খুদরী ও আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ)-এর সূত্রে নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, কোন আহ্বানকারী জান্নাতী লোকেদেরকে আহ্বান করে বলবে, এখানে সর্বদা তোমরা সুস্থ থাকবে, কক্ষনো অসুস্থ হবে না। তোমরা স্থায়ী জীবন লাভ করবে, কখনো তোমরা মরবে না। তোমরা যুবক থাকবে, কক্ষনো তোমরা বৃদ্ধ হবে না। তোমরা সর্বদা সুখ-স্বাচ্ছন্দ্যে থাকবে, কক্ষনো আর তোমরা কষ্ট-ক্লেশে পতিত হবে না। এটাই মহা মহিম আল্লাহর বাণী : “আর তাদেরকে সম্বোধন করে বলা হবে, তোমরা যে ‘আমাল করতে তারই বিনিময়ে তোমাদেরকে এ জান্নাতের উত্তরাধিকারী করা হয়েছে”- (সূরাহ্ আল আ‘রাফ ৭ : ৪৩) এর ব্যাখ্যা। (ই.ফা. ৬৮৯৪, ই.সে. ৬৯৫১)
সহিহ মুসলিম > জান্নাতের তাঁবু এবং তাতে মু’মিনগণের স্ত্রীদের বর্ণনা
সহিহ মুসলিম ৭০৫১
‘আবদুল্লাহ ইবনু কায়স (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ জান্নাতে (মু’মিনদের জন্য) মাঝে ফাঁকা এরূপ মুক্তার একটি বিশাল তাঁবু থাকবে, যার বিস্তৃতি হবে ষাট মাইল। এর প্রত্যেক প্রান্তেই স্ত্রীগণ থাকবে। তারা পরস্পর একে অপরকে দেখতে পাবে না। মু’মিনেরা ঘুরে ঘুরে সকল রমণীর নিকট যাবে। (ই.ফা. ৬৮৯৬, ই.সে. ৬৯৫৩)
‘আবদুল্লাহ ইবনু কায়স (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ জান্নাতে (মু’মিনদের জন্য) মাঝে ফাঁকা এরূপ মুক্তার একটি বিশাল তাঁবু থাকবে, যার বিস্তৃতি হবে ষাট মাইল। এর প্রত্যেক প্রান্তেই স্ত্রীগণ থাকবে। তারা পরস্পর একে অপরকে দেখতে পাবে না। মু’মিনেরা ঘুরে ঘুরে সকল রমণীর নিকট যাবে। (ই.ফা. ৬৮৯৬, ই.সে. ৬৯৫৩)
সহিহ মুসলিম ৭০৫০
‘আবদুল্লাহ ইবনু কায়স (রাঃ)-এর সূত্রে নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, মু’মিনদের জন্য জান্নাতে মধ্যস্থলে ফাঁকা এমন একটি মুক্তার তাঁবু নির্মাণ করা হবে যার দৈর্ঘ্য হবে ষাট মাইল। মু’মিনদের সহধর্মিণীগণও এতে থাকবে। তারা তাদের সকলের নিকট গমন করবে। তবে স্ত্রীগণ পরস্পর একে অন্যকে দেখতে পাবে না। (ই.ফা. ৬৮৯৫, ই.সে. ৬৯৫২)
‘আবদুল্লাহ ইবনু কায়স (রাঃ)-এর সূত্রে নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, মু’মিনদের জন্য জান্নাতে মধ্যস্থলে ফাঁকা এমন একটি মুক্তার তাঁবু নির্মাণ করা হবে যার দৈর্ঘ্য হবে ষাট মাইল। মু’মিনদের সহধর্মিণীগণও এতে থাকবে। তারা তাদের সকলের নিকট গমন করবে। তবে স্ত্রীগণ পরস্পর একে অন্যকে দেখতে পাবে না। (ই.ফা. ৬৮৯৫, ই.সে. ৬৯৫২)
সহিহ মুসলিম ৭০৫২
আবূ মূসা (রাঃ)-এর সূত্রে নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, জান্নাতের তাঁবুগুলো মণি-মুক্তার তৈরি হবে। এর দৈর্ঘ্য হবে ঊর্ধাকাশের দিকে ষাট মাইল। এর প্রত্যেক কোণে মু’মিনদের সহধর্মিণীগণ থাকবে। তবে পরস্পর একে অপরকে দেখতে পাবে না। (ই.ফা. ৬৮৯৭, ই.সে. ৬৯৫৪)
আবূ মূসা (রাঃ)-এর সূত্রে নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, জান্নাতের তাঁবুগুলো মণি-মুক্তার তৈরি হবে। এর দৈর্ঘ্য হবে ঊর্ধাকাশের দিকে ষাট মাইল। এর প্রত্যেক কোণে মু’মিনদের সহধর্মিণীগণ থাকবে। তবে পরস্পর একে অপরকে দেখতে পাবে না। (ই.ফা. ৬৮৯৭, ই.সে. ৬৯৫৪)
সহিহ মুসলিম > জান্নাতের নহরসমূহ থেকে যা দুনিয়াতে রয়েছে
সহিহ মুসলিম ৭০৫৩
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ সাইহান, জাইহান (দু’টি নদ) এবং ফুরাত ও নীল (দু’টি নদ) এসবের প্রত্যেকটিই জান্নাতের নহরসমূহেরই অন্তর্ভুক্ত হবে। (ই.ফা. ৬৮৯৮, ই.সে. ৬৯৫৫)
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ সাইহান, জাইহান (দু’টি নদ) এবং ফুরাত ও নীল (দু’টি নদ) এসবের প্রত্যেকটিই জান্নাতের নহরসমূহেরই অন্তর্ভুক্ত হবে। (ই.ফা. ৬৮৯৮, ই.সে. ৬৯৫৫)
সহিহ মুসলিম > পাখীর হৃদয়ের ন্যায় হৃদয় বিশিষ্ট কতিপয় লোক জান্নাতে প্রবেশ করবে
সহিহ মুসলিম ৭০৫৫
হাম্মাম ইবনু মুনাব্বিহ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আবূ হুরায়রা্ (রাঃ) রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে কিছু হাদীস বর্ণনা করেছেন। এর মধ্যে একটি হলো এ-ই যে, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আল্লাহ তা‘আলা আদাম (‘আঃ)-কে তাঁর নিজ আকৃতিতে সৃষ্টি করেছেন। তার দৈর্ঘ্য হলো ষাট হাত। সৃষ্টির পর তিনি তাকে বললেন, যাও এদেরকে সালাম করো। সেখানে একদল ফেরেশ্তারা বসা ছিলেন। সালামের জবাবে তারা কি বলে তা খুব মনোযোগ সহকারে শুনো। কেননা তোমার এবং তোমার বংশধরদের অভিবাদন হবে এ-ই। বর্ণনাকারী বলেন, অতঃপর তিনি এগিয়ে গেলেন ও বললেন, “আস্সালামু ‘আলাইকুম”। জবাবে তারা বললেন, “আস্সালামু ‘আলাইকা ওয়ারহমাতুল্লাহ্”। তাঁরা ওয়ারহমাতুল্লাহ্ বাড়িয়ে বলেছেনঃ । অবশেষে তিনি বললেন, যে লোক জান্নাতে যাবে সে আদাম (‘আঃ)-এর আকৃতি বিশিষ্ট হবে। তার দৈর্ঘ্য হবে ষাট হাত। [তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন,] তারপর আদাম (‘আঃ)-এর পর থেকে আজ পর্যন্ত মানুষ ক্রমশই খাটো হয়ে আসছে। (ই.ফা. ৬৯০০, ই.সে. ৬৯৫৭)
হাম্মাম ইবনু মুনাব্বিহ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আবূ হুরায়রা্ (রাঃ) রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে কিছু হাদীস বর্ণনা করেছেন। এর মধ্যে একটি হলো এ-ই যে, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আল্লাহ তা‘আলা আদাম (‘আঃ)-কে তাঁর নিজ আকৃতিতে সৃষ্টি করেছেন। তার দৈর্ঘ্য হলো ষাট হাত। সৃষ্টির পর তিনি তাকে বললেন, যাও এদেরকে সালাম করো। সেখানে একদল ফেরেশ্তারা বসা ছিলেন। সালামের জবাবে তারা কি বলে তা খুব মনোযোগ সহকারে শুনো। কেননা তোমার এবং তোমার বংশধরদের অভিবাদন হবে এ-ই। বর্ণনাকারী বলেন, অতঃপর তিনি এগিয়ে গেলেন ও বললেন, “আস্সালামু ‘আলাইকুম”। জবাবে তারা বললেন, “আস্সালামু ‘আলাইকা ওয়ারহমাতুল্লাহ্”। তাঁরা ওয়ারহমাতুল্লাহ্ বাড়িয়ে বলেছেনঃ । অবশেষে তিনি বললেন, যে লোক জান্নাতে যাবে সে আদাম (‘আঃ)-এর আকৃতি বিশিষ্ট হবে। তার দৈর্ঘ্য হবে ষাট হাত। [তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন,] তারপর আদাম (‘আঃ)-এর পর থেকে আজ পর্যন্ত মানুষ ক্রমশই খাটো হয়ে আসছে। (ই.ফা. ৬৯০০, ই.সে. ৬৯৫৭)
সহিহ মুসলিম ৭০৫৪
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ)-এর সূত্রে নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, এমন কিছু লোক জান্নাতে যাবে, যাদের অন্তর পাখীর অন্তরের মতো। (ই.ফা. ৬৮৯৯, ই.সে. ৬৯৫৬)
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ)-এর সূত্রে নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, এমন কিছু লোক জান্নাতে যাবে, যাদের অন্তর পাখীর অন্তরের মতো। (ই.ফা. ৬৮৯৯, ই.সে. ৬৯৫৬)