সহিহ মুসলিম > পূর্ণিমার রাতের চাঁদের ন্যায় যে দলটি সর্বপ্রথম জান্নাতে প্রবেশ করবে তাদের মুখমণ্ডল দীপ্তিমান হবে এবং তাঁদের গুণাবলী ও সহধর্মিণীগণের বর্ণনা
সহিহ মুসলিম ৭০৪০
ইবনু সীরীন (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, (পুরুষ ও মহিলাদের মধ্যে) কারা অধিক জান্নাতী হবে, এ বিষয়ে পুরুষ ও মহিলাগন ঝগড়ায় লিপ্ত হলো। তারপর তারা এ ব্যাপারে আবূ হুরায়রা্ (রাঃ)-কে প্রশ্ন করলে তিনি ইবনু ‘উলাইয়্যার ন্যায় বললেন, আবুল কাসিম (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এ কথা বলেছেনঃ । (ই.ফা. ৬৮৮৫, ই.সে. ৬৯৪২)
ইবনু সীরীন (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, (পুরুষ ও মহিলাদের মধ্যে) কারা অধিক জান্নাতী হবে, এ বিষয়ে পুরুষ ও মহিলাগন ঝগড়ায় লিপ্ত হলো। তারপর তারা এ ব্যাপারে আবূ হুরায়রা্ (রাঃ)-কে প্রশ্ন করলে তিনি ইবনু ‘উলাইয়্যার ন্যায় বললেন, আবুল কাসিম (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এ কথা বলেছেনঃ । (ই.ফা. ৬৮৮৫, ই.সে. ৬৯৪২)
সহিহ মুসলিম ৭০৩৯
মুহাম্মাদ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, লোকেরা গর্ব প্রকাশ করে বলল, অথবা আলোচনা করতঃ বলল, জান্নাতে পুরুষ অধিক হবে, না মহিলা? এ কথা শ্রবণে আবূ হুরায়রা্ (রাঃ) বললেন, আবুল কাসিম (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কি বলেননি, যে দলটি জান্নাতে প্রথমে প্রবেশ করবে তাদের মুখায়ব পূর্ণিমার চাঁদের মতো উজ্জ্বল হবে। তাদের পর যারা জান্নাতে যাবে তাদের চেহারা হবে ঊর্দ্ধাকাশের আলোকিত নক্ষত্রের মতো। তাদের প্রত্যেকের জন্যই থাকবে দু’ জন সহধর্মিণী। গোশ্তের এ পাশ হতে তাদের পায়ের নলার মগজ দৃশ্য হবে। জান্নাতের মাঝে কেউ (আর) অবিবাহিত থাকবে না। (ই.ফা. ৬৮৮৪, ই.সে. ৬৯৪১)
মুহাম্মাদ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, লোকেরা গর্ব প্রকাশ করে বলল, অথবা আলোচনা করতঃ বলল, জান্নাতে পুরুষ অধিক হবে, না মহিলা? এ কথা শ্রবণে আবূ হুরায়রা্ (রাঃ) বললেন, আবুল কাসিম (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কি বলেননি, যে দলটি জান্নাতে প্রথমে প্রবেশ করবে তাদের মুখায়ব পূর্ণিমার চাঁদের মতো উজ্জ্বল হবে। তাদের পর যারা জান্নাতে যাবে তাদের চেহারা হবে ঊর্দ্ধাকাশের আলোকিত নক্ষত্রের মতো। তাদের প্রত্যেকের জন্যই থাকবে দু’ জন সহধর্মিণী। গোশ্তের এ পাশ হতে তাদের পায়ের নলার মগজ দৃশ্য হবে। জান্নাতের মাঝে কেউ (আর) অবিবাহিত থাকবে না। (ই.ফা. ৬৮৮৪, ই.সে. ৬৯৪১)
সহিহ মুসলিম ৭০৪১
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে লোক সর্বপ্রথমে জান্নাতে প্রবেশ করবে। কুতাইবাহ্ ও যুহায়র ইবনু হার্ব (রহঃ) ….. আবূ হুরায়রা্ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ সর্বপ্রথম যে দলটি জান্নাতে প্রবেশ করবে তাদের মুখমণ্ডল পূর্ণিমার চাঁদের মতো উজ্জ্বল হবে। তাদের পর যারা জান্নাতে প্রবেশ করবে তাদের মুখমণ্ডল আকাশে উদিত আলোকজ্জ্বল নক্ষত্রের মতো হবে। তারা প্রস্রাব-পায়খানা করবে না, থু-থু ফেলবে না এবং নাক ঝাড়বে না। তাদের চিরুনী হবে স্বর্ণের। তাদের গায়ের ঘাম হতে মিশকের ঘ্রাণ আসবে এবং তাদের ধূপদানী হবে ‘আলূওয়াহ্’ নামে এক ধরণের সুগন্ধি কাষ্ঠের তৈরি। তাদের স্ত্রীগণ হবে ডাগর চক্ষু বিশিষ্ট। তাদের চরিত্র হবে একই লোকের চরিত্রের মতো। আদি পিতা আদাম (‘আঃ)-এর আকৃতির মতো হবে তাদের আকৃতি। যা ষাট হাত দীর্ঘ আকৃতি বিশিষ্ট। (ই.ফা. ৬৮৮৬, ই.সে. ৬৯৪৩)
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে লোক সর্বপ্রথমে জান্নাতে প্রবেশ করবে। কুতাইবাহ্ ও যুহায়র ইবনু হার্ব (রহঃ) ….. আবূ হুরায়রা্ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ সর্বপ্রথম যে দলটি জান্নাতে প্রবেশ করবে তাদের মুখমণ্ডল পূর্ণিমার চাঁদের মতো উজ্জ্বল হবে। তাদের পর যারা জান্নাতে প্রবেশ করবে তাদের মুখমণ্ডল আকাশে উদিত আলোকজ্জ্বল নক্ষত্রের মতো হবে। তারা প্রস্রাব-পায়খানা করবে না, থু-থু ফেলবে না এবং নাক ঝাড়বে না। তাদের চিরুনী হবে স্বর্ণের। তাদের গায়ের ঘাম হতে মিশকের ঘ্রাণ আসবে এবং তাদের ধূপদানী হবে ‘আলূওয়াহ্’ নামে এক ধরণের সুগন্ধি কাষ্ঠের তৈরি। তাদের স্ত্রীগণ হবে ডাগর চক্ষু বিশিষ্ট। তাদের চরিত্র হবে একই লোকের চরিত্রের মতো। আদি পিতা আদাম (‘আঃ)-এর আকৃতির মতো হবে তাদের আকৃতি। যা ষাট হাত দীর্ঘ আকৃতি বিশিষ্ট। (ই.ফা. ৬৮৮৬, ই.সে. ৬৯৪৩)
সহিহ মুসলিম ৭০৪২
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ প্রথমে আমার উম্মাতের যে দলটি জান্নাতে প্রবেশ করবে তাদের চেহারা হবে পূর্ণিমার চাঁদের মতো আলোকিত। তারপর যারা জান্নাতে যাবে তাদের মুখমণ্ডল হবে ঊর্ধ্বাকাশে উদিত তারকারাজির মতো। অতঃপর যারা জান্নাতে দাখিল হবে তাদের কয়েকটি ধাপ হবে। তারা প্রস্রাব-পায়খানা করবে না, নাক ঝাড়বে না এবং থু-থু ফেলবে না। তাদের চিরুনি হবে স্বর্ণের এবং তাদের ধূপদানী হবে আলূওয়াহ্ নামক সুগন্ধিযুক্ত কাষ্ঠের। তাদের শরীরের ঘাম হতে মিশকের ঘ্রাণ বিচ্ছুরিত হবে। তাদের চরিত্র একই ব্যক্তির চরিত্রের ন্যায় হবে। তারা তাদের আদি পিতা আদাম (‘আঃ)-এর মতো ষাট হাত দীর্ঘ হবে। ইবনু আবী শাইবাহ্-এর বর্ণনাতে (আরবি) অর্থাৎ একই ব্যক্তির চরিত্রের। আর আবূ কুরায়ব-এর বর্ণনাতে (আরবি) অর্থাৎ একই ব্যক্তির গঠনের ন্যায় হবে। কিন্তু ইবনু আবূ শাইবাহ্ (রহঃ) বলেছেন, তাদের আকৃতি আদি পিতা আদাম (‘আঃ)-এর ন্যায় হবে। (ই.ফা. ৬৮৮৭, ই.সে. ৬৯৪৪)
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ প্রথমে আমার উম্মাতের যে দলটি জান্নাতে প্রবেশ করবে তাদের চেহারা হবে পূর্ণিমার চাঁদের মতো আলোকিত। তারপর যারা জান্নাতে যাবে তাদের মুখমণ্ডল হবে ঊর্ধ্বাকাশে উদিত তারকারাজির মতো। অতঃপর যারা জান্নাতে দাখিল হবে তাদের কয়েকটি ধাপ হবে। তারা প্রস্রাব-পায়খানা করবে না, নাক ঝাড়বে না এবং থু-থু ফেলবে না। তাদের চিরুনি হবে স্বর্ণের এবং তাদের ধূপদানী হবে আলূওয়াহ্ নামক সুগন্ধিযুক্ত কাষ্ঠের। তাদের শরীরের ঘাম হতে মিশকের ঘ্রাণ বিচ্ছুরিত হবে। তাদের চরিত্র একই ব্যক্তির চরিত্রের ন্যায় হবে। তারা তাদের আদি পিতা আদাম (‘আঃ)-এর মতো ষাট হাত দীর্ঘ হবে। ইবনু আবী শাইবাহ্-এর বর্ণনাতে (আরবি) অর্থাৎ একই ব্যক্তির চরিত্রের। আর আবূ কুরায়ব-এর বর্ণনাতে (আরবি) অর্থাৎ একই ব্যক্তির গঠনের ন্যায় হবে। কিন্তু ইবনু আবূ শাইবাহ্ (রহঃ) বলেছেন, তাদের আকৃতি আদি পিতা আদাম (‘আঃ)-এর ন্যায় হবে। (ই.ফা. ৬৮৮৭, ই.সে. ৬৯৪৪)
সহিহ মুসলিম > জান্নাত ও জান্নাতবাসীদের বিবরণ এবং সকাল-সন্ধ্যায় তাদের তাসবীহ পাঠ
সহিহ মুসলিম ৭০৪৪
জাবির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি, তিনি বলেনঃ জান্নাতবাসীগণ জান্নাতে পানাহার করবে। তবে থু-থু ফেলবে না, প্রস্রাব-পায়খানা করবে না এবং নাকও ঝাড়বে না। এ কথা শুনে সহাবাগণ বললেন, তবে ভক্ষিত খানা যাবে কোথায়? উত্তরে তিনি বললেন, এক ঢেকুরে শেষ হয়ে যাবে। তাদের শরীরের ঘাম মিশ্কের মতো সুঘ্রাণযুক্ত হবে। আল্লাহর পবিত্রতা এবং প্রশংসা তাদের অন্তঃকরণে এভাবে দেয়া হবে যেভাবে শ্বাস-প্রশ্বাস দেয়া হয়। (ই.ফা. ৬৮৮৯, ই.সে. ৬৮৪৬)
জাবির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি, তিনি বলেনঃ জান্নাতবাসীগণ জান্নাতে পানাহার করবে। তবে থু-থু ফেলবে না, প্রস্রাব-পায়খানা করবে না এবং নাকও ঝাড়বে না। এ কথা শুনে সহাবাগণ বললেন, তবে ভক্ষিত খানা যাবে কোথায়? উত্তরে তিনি বললেন, এক ঢেকুরে শেষ হয়ে যাবে। তাদের শরীরের ঘাম মিশ্কের মতো সুঘ্রাণযুক্ত হবে। আল্লাহর পবিত্রতা এবং প্রশংসা তাদের অন্তঃকরণে এভাবে দেয়া হবে যেভাবে শ্বাস-প্রশ্বাস দেয়া হয়। (ই.ফা. ৬৮৮৯, ই.সে. ৬৮৪৬)
সহিহ মুসলিম ৭০৪৬
জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ জান্নাতবাসীগণ তথায় পানাহার করবে। তবে তারা সেখানে প্রস্রাব-পায়খানা করবে না এবং নাকও ঝাড়বে না। তাদের এ ভক্ষিত খাদ্য ঢেকুরের মাধ্যমে নিঃশেষ হয়ে যাবে। তাদের শরীরের ঘাম মিশকের ন্যায় সুঘ্রাণ বিচ্ছুরিত করবে। তাসবীহ ও তাহমীদের গোগ্যতা তাদের অন্তঃকরণে এভাবে দেয়া হবে যেমনিভাবে মানুষ শ্বাস-প্রশ্বাস গ্রহণ ও ত্যাগ করে থাকে। তবে হাজ্জাজ-এর হাদীসে এ কথা বর্ধিত আছে যে, (আরবি) (এটাই তাদের খাদ্য)। (ই.ফা. ৬৮৯১, ই.সে. ৬৮৪৮)
জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ জান্নাতবাসীগণ তথায় পানাহার করবে। তবে তারা সেখানে প্রস্রাব-পায়খানা করবে না এবং নাকও ঝাড়বে না। তাদের এ ভক্ষিত খাদ্য ঢেকুরের মাধ্যমে নিঃশেষ হয়ে যাবে। তাদের শরীরের ঘাম মিশকের ন্যায় সুঘ্রাণ বিচ্ছুরিত করবে। তাসবীহ ও তাহমীদের গোগ্যতা তাদের অন্তঃকরণে এভাবে দেয়া হবে যেমনিভাবে মানুষ শ্বাস-প্রশ্বাস গ্রহণ ও ত্যাগ করে থাকে। তবে হাজ্জাজ-এর হাদীসে এ কথা বর্ধিত আছে যে, (আরবি) (এটাই তাদের খাদ্য)। (ই.ফা. ৬৮৯১, ই.সে. ৬৮৪৮)
সহিহ মুসলিম ৭০৪৩
হাম্মাম ইবনু মুনাব্বিহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, যা আবূ হুরায়রা্ (রাঃ) রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে বর্ণনা করেছেন। তম্মেধ্যে একটি হলো এই যে, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে দলটি প্রথমে জান্নাতে প্রবেশ করবে তাদের মুখমণ্ডল পূর্ণিমার চাঁদের মতো আলোকজ্জ্বল হবে। তথায় তারা থু-থু ফেলবে না, নাক ঝাড়বে না এবং পায়খানাও করবে না। সেখানে তাদের বাসন এবং চিরুণীসমূহ স্বর্ণ এবং রৌপ্য নির্মিত হবে। তাদের ধূপদানী হবে ‘আলূওয়াহ্’ নামে এক ধরণের সুগন্ধি কাষ্ঠের নির্মিত। তাদের গায়ের ঘাম মিশ্কের মতো সুঘ্রাণযুক্ত হবে। তাদের প্রত্যেকেরই দু’জন করে সহধর্মিণী থাকবে। সৌন্দর্যের কারণে গোশ্তের উপর থেকে তাদের পায়ের নলাস্থিত মজ্জা পরিদৃষ্ট হবে। তাদের মধ্যে কোন মতভেদ থাকবে না, আর কোন হিংসা-বিদ্বেষ থাকবে না। তাদের অন্তঃকরণ একই অন্তরের মতো হবে। তারা সকাল-সন্ধ্যায় আল্লাহর তাসবীহ পাঠে রত থাকবে। (ই.ফা. ৬৮৮৮, ই.সে. ৬৯৪৫)
হাম্মাম ইবনু মুনাব্বিহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, যা আবূ হুরায়রা্ (রাঃ) রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে বর্ণনা করেছেন। তম্মেধ্যে একটি হলো এই যে, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে দলটি প্রথমে জান্নাতে প্রবেশ করবে তাদের মুখমণ্ডল পূর্ণিমার চাঁদের মতো আলোকজ্জ্বল হবে। তথায় তারা থু-থু ফেলবে না, নাক ঝাড়বে না এবং পায়খানাও করবে না। সেখানে তাদের বাসন এবং চিরুণীসমূহ স্বর্ণ এবং রৌপ্য নির্মিত হবে। তাদের ধূপদানী হবে ‘আলূওয়াহ্’ নামে এক ধরণের সুগন্ধি কাষ্ঠের নির্মিত। তাদের গায়ের ঘাম মিশ্কের মতো সুঘ্রাণযুক্ত হবে। তাদের প্রত্যেকেরই দু’জন করে সহধর্মিণী থাকবে। সৌন্দর্যের কারণে গোশ্তের উপর থেকে তাদের পায়ের নলাস্থিত মজ্জা পরিদৃষ্ট হবে। তাদের মধ্যে কোন মতভেদ থাকবে না, আর কোন হিংসা-বিদ্বেষ থাকবে না। তাদের অন্তঃকরণ একই অন্তরের মতো হবে। তারা সকাল-সন্ধ্যায় আল্লাহর তাসবীহ পাঠে রত থাকবে। (ই.ফা. ৬৮৮৮, ই.সে. ৬৯৪৫)
সহিহ মুসলিম ৭০৪৫
আ‘মাশ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
এ সানাদে (আরবি) (মিশ্কের সুঘ্রাণের ন্যায়) পর্যন্ত বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৬৮৯০, ই.সে. ৬৯৪৭)
আ‘মাশ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
এ সানাদে (আরবি) (মিশ্কের সুঘ্রাণের ন্যায়) পর্যন্ত বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৬৮৯০, ই.সে. ৬৯৪৭)
সহিহ মুসলিম ৭০৪৭
জাবির (রাঃ)-এর সানাদে নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্নিতঃ
অবিকল হাদীস বর্ণিত আছে। তবে এতে এ কথা বর্ণিত আছে যে, (আরবী) (তাসবীহ ও তাকবীরের যোগ্যতা তাদের অন্তঃকরণে এভাবে দেয়া হবে যেমনিভাবে মানুষ শ্বাস-প্রশ্বাস গ্রহণ ও ত্যাগ করে থাকে)। (ই.ফা. ৬৮৯২, ই.সে. ৬৯৪৯)
জাবির (রাঃ)-এর সানাদে নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্নিতঃ
অবিকল হাদীস বর্ণিত আছে। তবে এতে এ কথা বর্ণিত আছে যে, (আরবী) (তাসবীহ ও তাকবীরের যোগ্যতা তাদের অন্তঃকরণে এভাবে দেয়া হবে যেমনিভাবে মানুষ শ্বাস-প্রশ্বাস গ্রহণ ও ত্যাগ করে থাকে)। (ই.ফা. ৬৮৯২, ই.সে. ৬৯৪৯)
সহিহ মুসলিম > জান্নাতীদের নি‘আমাত চিরস্থায়ী। মহান আল্লাহর বাণী : “আর তাদের সম্বোধন করে বলা হবে, তোমরা যা করতে তারই বিনিময়ে তোমাদেরকে এ জান্নাতের উত্তরাধিকারী করা হয়েছে”
সহিহ মুসলিম ৭০৪৮
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ)-এর সূত্রে নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, যে লোক জান্নাতে প্রবেশ করবে সে স্বাচ্ছন্দে থাকবে কখনো দুর্দশাগ্রস্ত হবে না। তার পরিধেয় বস্ত্র কখনো পুরনো হবে না এবং তার যৌবন কক্ষনো শেষ হবে না। (ই.ফা. ৬৮৯৩, ই.সে. ৬৯৫০)
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ)-এর সূত্রে নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, যে লোক জান্নাতে প্রবেশ করবে সে স্বাচ্ছন্দে থাকবে কখনো দুর্দশাগ্রস্ত হবে না। তার পরিধেয় বস্ত্র কখনো পুরনো হবে না এবং তার যৌবন কক্ষনো শেষ হবে না। (ই.ফা. ৬৮৯৩, ই.সে. ৬৯৫০)
সহিহ মুসলিম ৭০৪৯
আবূ সা‘ঈদ আল খুদরী ও আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ)-এর সূত্রে নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, কোন আহ্বানকারী জান্নাতী লোকেদেরকে আহ্বান করে বলবে, এখানে সর্বদা তোমরা সুস্থ থাকবে, কক্ষনো অসুস্থ হবে না। তোমরা স্থায়ী জীবন লাভ করবে, কখনো তোমরা মরবে না। তোমরা যুবক থাকবে, কক্ষনো তোমরা বৃদ্ধ হবে না। তোমরা সর্বদা সুখ-স্বাচ্ছন্দ্যে থাকবে, কক্ষনো আর তোমরা কষ্ট-ক্লেশে পতিত হবে না। এটাই মহা মহিম আল্লাহর বাণী : “আর তাদেরকে সম্বোধন করে বলা হবে, তোমরা যে ‘আমাল করতে তারই বিনিময়ে তোমাদেরকে এ জান্নাতের উত্তরাধিকারী করা হয়েছে”- (সূরাহ্ আল আ‘রাফ ৭ : ৪৩) এর ব্যাখ্যা। (ই.ফা. ৬৮৯৪, ই.সে. ৬৯৫১)
আবূ সা‘ঈদ আল খুদরী ও আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ)-এর সূত্রে নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, কোন আহ্বানকারী জান্নাতী লোকেদেরকে আহ্বান করে বলবে, এখানে সর্বদা তোমরা সুস্থ থাকবে, কক্ষনো অসুস্থ হবে না। তোমরা স্থায়ী জীবন লাভ করবে, কখনো তোমরা মরবে না। তোমরা যুবক থাকবে, কক্ষনো তোমরা বৃদ্ধ হবে না। তোমরা সর্বদা সুখ-স্বাচ্ছন্দ্যে থাকবে, কক্ষনো আর তোমরা কষ্ট-ক্লেশে পতিত হবে না। এটাই মহা মহিম আল্লাহর বাণী : “আর তাদেরকে সম্বোধন করে বলা হবে, তোমরা যে ‘আমাল করতে তারই বিনিময়ে তোমাদেরকে এ জান্নাতের উত্তরাধিকারী করা হয়েছে”- (সূরাহ্ আল আ‘রাফ ৭ : ৪৩) এর ব্যাখ্যা। (ই.ফা. ৬৮৯৪, ই.সে. ৬৯৫১)
সহিহ মুসলিম > জান্নাতের তাঁবু এবং তাতে মু’মিনগণের স্ত্রীদের বর্ণনা
সহিহ মুসলিম ৭০৫১
‘আবদুল্লাহ ইবনু কায়স (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ জান্নাতে (মু’মিনদের জন্য) মাঝে ফাঁকা এরূপ মুক্তার একটি বিশাল তাঁবু থাকবে, যার বিস্তৃতি হবে ষাট মাইল। এর প্রত্যেক প্রান্তেই স্ত্রীগণ থাকবে। তারা পরস্পর একে অপরকে দেখতে পাবে না। মু’মিনেরা ঘুরে ঘুরে সকল রমণীর নিকট যাবে। (ই.ফা. ৬৮৯৬, ই.সে. ৬৯৫৩)
‘আবদুল্লাহ ইবনু কায়স (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ জান্নাতে (মু’মিনদের জন্য) মাঝে ফাঁকা এরূপ মুক্তার একটি বিশাল তাঁবু থাকবে, যার বিস্তৃতি হবে ষাট মাইল। এর প্রত্যেক প্রান্তেই স্ত্রীগণ থাকবে। তারা পরস্পর একে অপরকে দেখতে পাবে না। মু’মিনেরা ঘুরে ঘুরে সকল রমণীর নিকট যাবে। (ই.ফা. ৬৮৯৬, ই.সে. ৬৯৫৩)
সহিহ মুসলিম ৭০৫০
‘আবদুল্লাহ ইবনু কায়স (রাঃ)-এর সূত্রে নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, মু’মিনদের জন্য জান্নাতে মধ্যস্থলে ফাঁকা এমন একটি মুক্তার তাঁবু নির্মাণ করা হবে যার দৈর্ঘ্য হবে ষাট মাইল। মু’মিনদের সহধর্মিণীগণও এতে থাকবে। তারা তাদের সকলের নিকট গমন করবে। তবে স্ত্রীগণ পরস্পর একে অন্যকে দেখতে পাবে না। (ই.ফা. ৬৮৯৫, ই.সে. ৬৯৫২)
‘আবদুল্লাহ ইবনু কায়স (রাঃ)-এর সূত্রে নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, মু’মিনদের জন্য জান্নাতে মধ্যস্থলে ফাঁকা এমন একটি মুক্তার তাঁবু নির্মাণ করা হবে যার দৈর্ঘ্য হবে ষাট মাইল। মু’মিনদের সহধর্মিণীগণও এতে থাকবে। তারা তাদের সকলের নিকট গমন করবে। তবে স্ত্রীগণ পরস্পর একে অন্যকে দেখতে পাবে না। (ই.ফা. ৬৮৯৫, ই.সে. ৬৯৫২)
সহিহ মুসলিম ৭০৫২
আবূ মূসা (রাঃ)-এর সূত্রে নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, জান্নাতের তাঁবুগুলো মণি-মুক্তার তৈরি হবে। এর দৈর্ঘ্য হবে ঊর্ধাকাশের দিকে ষাট মাইল। এর প্রত্যেক কোণে মু’মিনদের সহধর্মিণীগণ থাকবে। তবে পরস্পর একে অপরকে দেখতে পাবে না। (ই.ফা. ৬৮৯৭, ই.সে. ৬৯৫৪)
আবূ মূসা (রাঃ)-এর সূত্রে নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, জান্নাতের তাঁবুগুলো মণি-মুক্তার তৈরি হবে। এর দৈর্ঘ্য হবে ঊর্ধাকাশের দিকে ষাট মাইল। এর প্রত্যেক কোণে মু’মিনদের সহধর্মিণীগণ থাকবে। তবে পরস্পর একে অপরকে দেখতে পাবে না। (ই.ফা. ৬৮৯৭, ই.সে. ৬৯৫৪)