সহিহ মুসলিম > জান্নাতীগণ আকাশের তারকারাজির ন্যায় বালাখানাসমূহ দেখতে পাবে
সহিহ মুসলিম ৭০৩৩
সাহ্ল ইবনু সা‘দ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ জান্নাতবাসীগণ জান্নাতের সুউচ্চ বালাখানাসমূহ দেখতে পাবে, তোমরা যেমন আকাশের তারকারাজি দেখে থাকো। (ই.ফা. ৬৮৭৯, ই.সে. ৬৯৩৬)
সাহ্ল ইবনু সা‘দ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ জান্নাতবাসীগণ জান্নাতের সুউচ্চ বালাখানাসমূহ দেখতে পাবে, তোমরা যেমন আকাশের তারকারাজি দেখে থাকো। (ই.ফা. ৬৮৭৯, ই.সে. ৬৯৩৬)
সহিহ মুসলিম ৭০৩৬
আবূ সা‘ঈদ আল খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, জান্নাতের বাসিন্দাগণ জান্নাতের সুউচ্চ প্রাসাদসমূহ উপর দিকে দেখতে পাবে, যেমন দূরবর্তী উজ্জ্বল নক্ষত্রসমূহ তোমরা আকাশের পূর্ব বা পশ্চিম কোণে স্পষ্ট দেখতে পাও। কেননা তাদের পরস্পরের সম্মানের ক্ষেত্রে পার্থক্য সূচিত থাকবে। এ কথা শ্রবণে সহাবাগণ বললেন, হে আল্লাহর রসূল! এ স্তরসমূহ তো নাবীদের জন্য নির্ধারিত। তাদের ছাড়া অন্যেরা তো এ স্তরে কক্ষনো পৌঁছতে পারবে না। জবাবে তিনি বললেন, কেন পারবে না, অবশ্যই পারবে। যে সত্তার হাতে আমার প্রাণ আমি তাঁর শপথ করে বলছি! যে সকল লোক আল্লাহতে ঈমান আনয়ন করে এবং তাঁর রসূলদের প্রতি আস্থা স্থাপন করে, তারা সকলেই এ মর্যাদা সম্পন্ন স্তরসমূহে প্রবেশ করতে সক্ষম হবে। (ই.ফা. ৬৮৮১, ই.সে. ৬৯৩৮)
আবূ সা‘ঈদ আল খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, জান্নাতের বাসিন্দাগণ জান্নাতের সুউচ্চ প্রাসাদসমূহ উপর দিকে দেখতে পাবে, যেমন দূরবর্তী উজ্জ্বল নক্ষত্রসমূহ তোমরা আকাশের পূর্ব বা পশ্চিম কোণে স্পষ্ট দেখতে পাও। কেননা তাদের পরস্পরের সম্মানের ক্ষেত্রে পার্থক্য সূচিত থাকবে। এ কথা শ্রবণে সহাবাগণ বললেন, হে আল্লাহর রসূল! এ স্তরসমূহ তো নাবীদের জন্য নির্ধারিত। তাদের ছাড়া অন্যেরা তো এ স্তরে কক্ষনো পৌঁছতে পারবে না। জবাবে তিনি বললেন, কেন পারবে না, অবশ্যই পারবে। যে সত্তার হাতে আমার প্রাণ আমি তাঁর শপথ করে বলছি! যে সকল লোক আল্লাহতে ঈমান আনয়ন করে এবং তাঁর রসূলদের প্রতি আস্থা স্থাপন করে, তারা সকলেই এ মর্যাদা সম্পন্ন স্তরসমূহে প্রবেশ করতে সক্ষম হবে। (ই.ফা. ৬৮৮১, ই.সে. ৬৯৩৮)
সহিহ মুসলিম ৭০৩৪
নু‘মান ইবনু আবূ ‘আইয়্যাশ থেকে বর্নিতঃ
বর্ণনাকারী বলেন, নু‘মান ইবনু আবূ ‘আইয়্যাশ-এর নিকট এ হাদীসটি আমি বর্ণনা করার পর তিনি বললেন, আমি আবূ সা‘ঈদ আল খুদ্রী (রাঃ)-এর কাছে শুনেছি, তিনি বলেছেন, যেমনিভাবে তোমরা পূর্ব বা পশ্চিম আকাশের উজ্জ্বল তারকারাজি দেখে থাকো। (ই.ফা. ৬৮৭৯, ই.সে. ৬৯৩৬)
নু‘মান ইবনু আবূ ‘আইয়্যাশ থেকে বর্নিতঃ
বর্ণনাকারী বলেন, নু‘মান ইবনু আবূ ‘আইয়্যাশ-এর নিকট এ হাদীসটি আমি বর্ণনা করার পর তিনি বললেন, আমি আবূ সা‘ঈদ আল খুদ্রী (রাঃ)-এর কাছে শুনেছি, তিনি বলেছেন, যেমনিভাবে তোমরা পূর্ব বা পশ্চিম আকাশের উজ্জ্বল তারকারাজি দেখে থাকো। (ই.ফা. ৬৮৭৯, ই.সে. ৬৯৩৬)
সহিহ মুসলিম ৭০৩৫
আবূ হাযিম (রহঃ) থেকে উভয় সূত্র থেকে বর্নিতঃ
ইয়া‘কূব-এর হাদীসের অবিকল বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৬৮৮০, ই.সে. ৬৯৩৭)
আবূ হাযিম (রহঃ) থেকে উভয় সূত্র থেকে বর্নিতঃ
ইয়া‘কূব-এর হাদীসের অবিকল বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৬৮৮০, ই.সে. ৬৯৩৭)
সহিহ মুসলিম > নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে যারা তাদের পরিবার-পরিজন ও ধনৈশ্বর্যের বিনিময়ে দেখতে পছন্দ করবে
সহিহ মুসলিম ৭০৩৭
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ আমার উম্মাতের মাঝে আমাকে বেশি মহব্বতকারী ঐ সব লোকেরা হবে, যারা আবির্ভূত হবে আমার ইন্তিকালের পর, তারা আকাঙ্ক্ষা করবে, হায় যদি তাদের পরিবার-পরিজন এবং ধন-সম্পদের বিনিময়েও আমাকে দেখতে পেত। (ই.ফা. ৬৮৮২, ই.সে. ৬৯৩৯)
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ আমার উম্মাতের মাঝে আমাকে বেশি মহব্বতকারী ঐ সব লোকেরা হবে, যারা আবির্ভূত হবে আমার ইন্তিকালের পর, তারা আকাঙ্ক্ষা করবে, হায় যদি তাদের পরিবার-পরিজন এবং ধন-সম্পদের বিনিময়েও আমাকে দেখতে পেত। (ই.ফা. ৬৮৮২, ই.সে. ৬৯৩৯)
সহিহ মুসলিম > জান্নাতের বাজার ও তাতে যে সৌন্দর্য ও নি‘আমাত পাওয়া যাবে
সহিহ মুসলিম ৭০৩৮
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ জান্নাতে একটি বাজার থাকবে। প্রত্যেক জুমু‘আয় জান্নাতী লোকেরা এতে একত্রিত হবে। তারপর উত্তরদিকের বায়ু প্রবাহিত হয়ে সেখানকার ধূলা-বালি তাদের মুখমণ্ডল ও পোশাক-পরিচ্ছদে গিয়ে লাগবে। এতে তাদের সৌন্দর্য এবং শরীরের রং আরো বেড়ে যাবে। তারপর তারা স্ব স্ব পরিবারের কাছে ফিরে আসবে। এসে দেখবে, তাদের শরীরের রং এবং সৌন্দর্যও বহু বৃদ্ধি পেয়েছে। এরপর তাদের পরিবারের লোকেরা বলবে, আল্লাহর শপথ! আমাদের নিকট হতে যাবার পর তোমাদের সৌন্দর্য বৃদ্ধি পেয়েছে। উত্তরে তারাও বলবে, আল্লাহ শপথ! তোমাদের শরীরের সৌন্দর্য তোমাদের নিকট থেকে যাবার পর বহুগুণে বেড়ে গেছে। (ই.ফা. ৬৮৮৩, ই.সে. ৬৯৪০)
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ জান্নাতে একটি বাজার থাকবে। প্রত্যেক জুমু‘আয় জান্নাতী লোকেরা এতে একত্রিত হবে। তারপর উত্তরদিকের বায়ু প্রবাহিত হয়ে সেখানকার ধূলা-বালি তাদের মুখমণ্ডল ও পোশাক-পরিচ্ছদে গিয়ে লাগবে। এতে তাদের সৌন্দর্য এবং শরীরের রং আরো বেড়ে যাবে। তারপর তারা স্ব স্ব পরিবারের কাছে ফিরে আসবে। এসে দেখবে, তাদের শরীরের রং এবং সৌন্দর্যও বহু বৃদ্ধি পেয়েছে। এরপর তাদের পরিবারের লোকেরা বলবে, আল্লাহর শপথ! আমাদের নিকট হতে যাবার পর তোমাদের সৌন্দর্য বৃদ্ধি পেয়েছে। উত্তরে তারাও বলবে, আল্লাহ শপথ! তোমাদের শরীরের সৌন্দর্য তোমাদের নিকট থেকে যাবার পর বহুগুণে বেড়ে গেছে। (ই.ফা. ৬৮৮৩, ই.সে. ৬৯৪০)
সহিহ মুসলিম > পূর্ণিমার রাতের চাঁদের ন্যায় যে দলটি সর্বপ্রথম জান্নাতে প্রবেশ করবে তাদের মুখমণ্ডল দীপ্তিমান হবে এবং তাঁদের গুণাবলী ও সহধর্মিণীগণের বর্ণনা
সহিহ মুসলিম ৭০৪০
ইবনু সীরীন (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, (পুরুষ ও মহিলাদের মধ্যে) কারা অধিক জান্নাতী হবে, এ বিষয়ে পুরুষ ও মহিলাগন ঝগড়ায় লিপ্ত হলো। তারপর তারা এ ব্যাপারে আবূ হুরায়রা্ (রাঃ)-কে প্রশ্ন করলে তিনি ইবনু ‘উলাইয়্যার ন্যায় বললেন, আবুল কাসিম (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এ কথা বলেছেনঃ । (ই.ফা. ৬৮৮৫, ই.সে. ৬৯৪২)
ইবনু সীরীন (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, (পুরুষ ও মহিলাদের মধ্যে) কারা অধিক জান্নাতী হবে, এ বিষয়ে পুরুষ ও মহিলাগন ঝগড়ায় লিপ্ত হলো। তারপর তারা এ ব্যাপারে আবূ হুরায়রা্ (রাঃ)-কে প্রশ্ন করলে তিনি ইবনু ‘উলাইয়্যার ন্যায় বললেন, আবুল কাসিম (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এ কথা বলেছেনঃ । (ই.ফা. ৬৮৮৫, ই.সে. ৬৯৪২)
সহিহ মুসলিম ৭০৩৯
মুহাম্মাদ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, লোকেরা গর্ব প্রকাশ করে বলল, অথবা আলোচনা করতঃ বলল, জান্নাতে পুরুষ অধিক হবে, না মহিলা? এ কথা শ্রবণে আবূ হুরায়রা্ (রাঃ) বললেন, আবুল কাসিম (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কি বলেননি, যে দলটি জান্নাতে প্রথমে প্রবেশ করবে তাদের মুখায়ব পূর্ণিমার চাঁদের মতো উজ্জ্বল হবে। তাদের পর যারা জান্নাতে যাবে তাদের চেহারা হবে ঊর্দ্ধাকাশের আলোকিত নক্ষত্রের মতো। তাদের প্রত্যেকের জন্যই থাকবে দু’ জন সহধর্মিণী। গোশ্তের এ পাশ হতে তাদের পায়ের নলার মগজ দৃশ্য হবে। জান্নাতের মাঝে কেউ (আর) অবিবাহিত থাকবে না। (ই.ফা. ৬৮৮৪, ই.সে. ৬৯৪১)
মুহাম্মাদ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, লোকেরা গর্ব প্রকাশ করে বলল, অথবা আলোচনা করতঃ বলল, জান্নাতে পুরুষ অধিক হবে, না মহিলা? এ কথা শ্রবণে আবূ হুরায়রা্ (রাঃ) বললেন, আবুল কাসিম (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কি বলেননি, যে দলটি জান্নাতে প্রথমে প্রবেশ করবে তাদের মুখায়ব পূর্ণিমার চাঁদের মতো উজ্জ্বল হবে। তাদের পর যারা জান্নাতে যাবে তাদের চেহারা হবে ঊর্দ্ধাকাশের আলোকিত নক্ষত্রের মতো। তাদের প্রত্যেকের জন্যই থাকবে দু’ জন সহধর্মিণী। গোশ্তের এ পাশ হতে তাদের পায়ের নলার মগজ দৃশ্য হবে। জান্নাতের মাঝে কেউ (আর) অবিবাহিত থাকবে না। (ই.ফা. ৬৮৮৪, ই.সে. ৬৯৪১)
সহিহ মুসলিম ৭০৪১
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে লোক সর্বপ্রথমে জান্নাতে প্রবেশ করবে। কুতাইবাহ্ ও যুহায়র ইবনু হার্ব (রহঃ) ….. আবূ হুরায়রা্ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ সর্বপ্রথম যে দলটি জান্নাতে প্রবেশ করবে তাদের মুখমণ্ডল পূর্ণিমার চাঁদের মতো উজ্জ্বল হবে। তাদের পর যারা জান্নাতে প্রবেশ করবে তাদের মুখমণ্ডল আকাশে উদিত আলোকজ্জ্বল নক্ষত্রের মতো হবে। তারা প্রস্রাব-পায়খানা করবে না, থু-থু ফেলবে না এবং নাক ঝাড়বে না। তাদের চিরুনী হবে স্বর্ণের। তাদের গায়ের ঘাম হতে মিশকের ঘ্রাণ আসবে এবং তাদের ধূপদানী হবে ‘আলূওয়াহ্’ নামে এক ধরণের সুগন্ধি কাষ্ঠের তৈরি। তাদের স্ত্রীগণ হবে ডাগর চক্ষু বিশিষ্ট। তাদের চরিত্র হবে একই লোকের চরিত্রের মতো। আদি পিতা আদাম (‘আঃ)-এর আকৃতির মতো হবে তাদের আকৃতি। যা ষাট হাত দীর্ঘ আকৃতি বিশিষ্ট। (ই.ফা. ৬৮৮৬, ই.সে. ৬৯৪৩)
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে লোক সর্বপ্রথমে জান্নাতে প্রবেশ করবে। কুতাইবাহ্ ও যুহায়র ইবনু হার্ব (রহঃ) ….. আবূ হুরায়রা্ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ সর্বপ্রথম যে দলটি জান্নাতে প্রবেশ করবে তাদের মুখমণ্ডল পূর্ণিমার চাঁদের মতো উজ্জ্বল হবে। তাদের পর যারা জান্নাতে প্রবেশ করবে তাদের মুখমণ্ডল আকাশে উদিত আলোকজ্জ্বল নক্ষত্রের মতো হবে। তারা প্রস্রাব-পায়খানা করবে না, থু-থু ফেলবে না এবং নাক ঝাড়বে না। তাদের চিরুনী হবে স্বর্ণের। তাদের গায়ের ঘাম হতে মিশকের ঘ্রাণ আসবে এবং তাদের ধূপদানী হবে ‘আলূওয়াহ্’ নামে এক ধরণের সুগন্ধি কাষ্ঠের তৈরি। তাদের স্ত্রীগণ হবে ডাগর চক্ষু বিশিষ্ট। তাদের চরিত্র হবে একই লোকের চরিত্রের মতো। আদি পিতা আদাম (‘আঃ)-এর আকৃতির মতো হবে তাদের আকৃতি। যা ষাট হাত দীর্ঘ আকৃতি বিশিষ্ট। (ই.ফা. ৬৮৮৬, ই.সে. ৬৯৪৩)
সহিহ মুসলিম ৭০৪২
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ প্রথমে আমার উম্মাতের যে দলটি জান্নাতে প্রবেশ করবে তাদের চেহারা হবে পূর্ণিমার চাঁদের মতো আলোকিত। তারপর যারা জান্নাতে যাবে তাদের মুখমণ্ডল হবে ঊর্ধ্বাকাশে উদিত তারকারাজির মতো। অতঃপর যারা জান্নাতে দাখিল হবে তাদের কয়েকটি ধাপ হবে। তারা প্রস্রাব-পায়খানা করবে না, নাক ঝাড়বে না এবং থু-থু ফেলবে না। তাদের চিরুনি হবে স্বর্ণের এবং তাদের ধূপদানী হবে আলূওয়াহ্ নামক সুগন্ধিযুক্ত কাষ্ঠের। তাদের শরীরের ঘাম হতে মিশকের ঘ্রাণ বিচ্ছুরিত হবে। তাদের চরিত্র একই ব্যক্তির চরিত্রের ন্যায় হবে। তারা তাদের আদি পিতা আদাম (‘আঃ)-এর মতো ষাট হাত দীর্ঘ হবে। ইবনু আবী শাইবাহ্-এর বর্ণনাতে (আরবি) অর্থাৎ একই ব্যক্তির চরিত্রের। আর আবূ কুরায়ব-এর বর্ণনাতে (আরবি) অর্থাৎ একই ব্যক্তির গঠনের ন্যায় হবে। কিন্তু ইবনু আবূ শাইবাহ্ (রহঃ) বলেছেন, তাদের আকৃতি আদি পিতা আদাম (‘আঃ)-এর ন্যায় হবে। (ই.ফা. ৬৮৮৭, ই.সে. ৬৯৪৪)
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ প্রথমে আমার উম্মাতের যে দলটি জান্নাতে প্রবেশ করবে তাদের চেহারা হবে পূর্ণিমার চাঁদের মতো আলোকিত। তারপর যারা জান্নাতে যাবে তাদের মুখমণ্ডল হবে ঊর্ধ্বাকাশে উদিত তারকারাজির মতো। অতঃপর যারা জান্নাতে দাখিল হবে তাদের কয়েকটি ধাপ হবে। তারা প্রস্রাব-পায়খানা করবে না, নাক ঝাড়বে না এবং থু-থু ফেলবে না। তাদের চিরুনি হবে স্বর্ণের এবং তাদের ধূপদানী হবে আলূওয়াহ্ নামক সুগন্ধিযুক্ত কাষ্ঠের। তাদের শরীরের ঘাম হতে মিশকের ঘ্রাণ বিচ্ছুরিত হবে। তাদের চরিত্র একই ব্যক্তির চরিত্রের ন্যায় হবে। তারা তাদের আদি পিতা আদাম (‘আঃ)-এর মতো ষাট হাত দীর্ঘ হবে। ইবনু আবী শাইবাহ্-এর বর্ণনাতে (আরবি) অর্থাৎ একই ব্যক্তির চরিত্রের। আর আবূ কুরায়ব-এর বর্ণনাতে (আরবি) অর্থাৎ একই ব্যক্তির গঠনের ন্যায় হবে। কিন্তু ইবনু আবূ শাইবাহ্ (রহঃ) বলেছেন, তাদের আকৃতি আদি পিতা আদাম (‘আঃ)-এর ন্যায় হবে। (ই.ফা. ৬৮৮৭, ই.সে. ৬৯৪৪)