সহিহ মুসলিম > (কিয়ামাতের দিন) কাফিরদের অধোমুখী করে একত্র করা হবে

সহিহ মুসলিম ৬৯৮০

আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, এক লোক জিজ্ঞেস করল, হে আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)! কিয়ামাত দিবসে কাফিরদেরকে নিম্নমুখী করে কিরূপে উত্থিত হবে? তিনি বললেন, যিনি দুনিয়াতে উভয় পায়ের উপর ভর করে চালিত করেছেন, তিনি কি কিয়ামাতের দিন তাদেরকে মুখের উপর ভর করে চালাতে সক্ষম হবেন না? এ হাদীস শুনে কাতাদাহ্ বললেন, আমার রবের মর্যাদার শপথ! অবশ্যই তিনি সক্ষম হবেন। (ই.ফা. ৬৮২৮, ই.সে. ৬৮৮৪)

আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, এক লোক জিজ্ঞেস করল, হে আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)! কিয়ামাত দিবসে কাফিরদেরকে নিম্নমুখী করে কিরূপে উত্থিত হবে? তিনি বললেন, যিনি দুনিয়াতে উভয় পায়ের উপর ভর করে চালিত করেছেন, তিনি কি কিয়ামাতের দিন তাদেরকে মুখের উপর ভর করে চালাতে সক্ষম হবেন না? এ হাদীস শুনে কাতাদাহ্ বললেন, আমার রবের মর্যাদার শপথ! অবশ্যই তিনি সক্ষম হবেন। (ই.ফা. ৬৮২৮, ই.সে. ৬৮৮৪)


সহিহ মুসলিম > দুনিয়ার সর্বাধিক স্বাচ্ছন্দ্যভোগী ব্যক্তিকে জাহান্নামে অবগাহন এবং সবচেয়ে কঠিন দুরাবস্থাভোগী বাক্তিকে জান্নাতে অবগাহন করানো প্রসঙ্গ

সহিহ মুসলিম ৬৯৮১

আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ জাহান্নামের উপযোগী-দুনিয়ায় সর্বাধিক সচ্ছল ও ধন-সম্পদের অধিকারী লোককে কিয়ামাতের দিন উপস্থিত করা হবে। এরপর তাকে জাহান্নামের আগুনে একবার অবগাহন করিয়ে বলা হবে, হে আদাম সন্তান! দুনিয়াতে আরাম-আয়েশ কখনো তুমি ভোগ করেছো কি? কখনো তুমি স্বাচ্ছন্দ্য অবস্থায় দিন অতিবাহিত করেছো কি? সে বলবে, আল্লাহর শপথ! হে আমার প্রতিপালক! না, কক্ষনো করিনি। এরপর জান্নাতের উপযোগী দুনিয়ায় সর্বাধিক দুরাবস্থা সম্পন্ন লোককে আনা হবে। এরপর তাকে জান্নাতে একবার অবগাহন করিয়ে জিজ্ঞেস করা হবে, হে আদাম সন্তান! কখনো তুমি কষ্টে দিনাতিপাত করেছো কি? হৃদয় বিদারক এবং ভয়াবহ অবস্থায় দিনাতিপাত করেছো কি? সে বলবে, আল্লাহর কসম, হে আমার প্রতিপালক! কক্ষনো আমি কষ্টের সাথে দিনাতিপাত করিনি এবং দুঃখ কক্ষনো দেখিনি। (ই.ফা. ৬৮২৯, ই.সে. ৬৮৮৫)

আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ জাহান্নামের উপযোগী-দুনিয়ায় সর্বাধিক সচ্ছল ও ধন-সম্পদের অধিকারী লোককে কিয়ামাতের দিন উপস্থিত করা হবে। এরপর তাকে জাহান্নামের আগুনে একবার অবগাহন করিয়ে বলা হবে, হে আদাম সন্তান! দুনিয়াতে আরাম-আয়েশ কখনো তুমি ভোগ করেছো কি? কখনো তুমি স্বাচ্ছন্দ্য অবস্থায় দিন অতিবাহিত করেছো কি? সে বলবে, আল্লাহর শপথ! হে আমার প্রতিপালক! না, কক্ষনো করিনি। এরপর জান্নাতের উপযোগী দুনিয়ায় সর্বাধিক দুরাবস্থা সম্পন্ন লোককে আনা হবে। এরপর তাকে জান্নাতে একবার অবগাহন করিয়ে জিজ্ঞেস করা হবে, হে আদাম সন্তান! কখনো তুমি কষ্টে দিনাতিপাত করেছো কি? হৃদয় বিদারক এবং ভয়াবহ অবস্থায় দিনাতিপাত করেছো কি? সে বলবে, আল্লাহর কসম, হে আমার প্রতিপালক! কক্ষনো আমি কষ্টের সাথে দিনাতিপাত করিনি এবং দুঃখ কক্ষনো দেখিনি। (ই.ফা. ৬৮২৯, ই.সে. ৬৮৮৫)


সহিহ মুসলিম > নেকীর প্রতিফল মু’মিনকে দুনিয়া ও আখিরাত দু’ জগতে প্রদান করা হয় এবং কাফিরের নেকীর প্রতিফল দুনিয়াতেই ত্বরান্বিত করা হয়

সহিহ মুসলিম ৬৯৮২

আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ একটি নেকীর ক্ষেত্রেও আল্লাহ তা‘আলা কোন মু’মিন বান্দার প্রতি অত্যাচার করবেন না। বরং তিনি এর ফলাফল দুনিয়াতে দান করবেন এবং আখিরাতেও দান করবেন। আর কাফির লোক পার্থিব জগতে আল্লাহর উদ্দেশে যে সৎ ‘আমাল করে এর প্রতিদান স্বরূপ তিনি তাকে জীবিকা নির্বাহ করেন। পরিশেষে আখিরাতে প্রতিফল দেয়ার মতো তার কাছে কোন সৎ ‘আমালই থাকবে না। (ই.ফা. ৬৮৩০, ই.সে. ৬৮৮৬)

আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ একটি নেকীর ক্ষেত্রেও আল্লাহ তা‘আলা কোন মু’মিন বান্দার প্রতি অত্যাচার করবেন না। বরং তিনি এর ফলাফল দুনিয়াতে দান করবেন এবং আখিরাতেও দান করবেন। আর কাফির লোক পার্থিব জগতে আল্লাহর উদ্দেশে যে সৎ ‘আমাল করে এর প্রতিদান স্বরূপ তিনি তাকে জীবিকা নির্বাহ করেন। পরিশেষে আখিরাতে প্রতিফল দেয়ার মতো তার কাছে কোন সৎ ‘আমালই থাকবে না। (ই.ফা. ৬৮৩০, ই.সে. ৬৮৮৬)


সহিহ মুসলিম ৬৯৮৩

আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে রিওয়ায়াত করেছেন যে, কাফির যদি দুনিয়াতে কোন সৎ ‘আমাল করে তবে এর প্রতিদান স্বরূপ দুনিয়াতেই তাকে জীবনোপকরণ প্রদান করা হয়ে থাকে। আর মু’মিনদের নেকী আল্লাহ তা‘আলা আখিরাতের জন্য জমা করে রেখে দেন এবং আনুগত্যের প্রতিফল স্বরূপ আল্লাহ তা‘আলা তাদেরকে পৃথিবীতেও জীবিকা নির্বাহ করে থাকেন। (ই.ফা. ৬৮৩১, ই.সে. ৬৮৮৭)

আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে রিওয়ায়াত করেছেন যে, কাফির যদি দুনিয়াতে কোন সৎ ‘আমাল করে তবে এর প্রতিদান স্বরূপ দুনিয়াতেই তাকে জীবনোপকরণ প্রদান করা হয়ে থাকে। আর মু’মিনদের নেকী আল্লাহ তা‘আলা আখিরাতের জন্য জমা করে রেখে দেন এবং আনুগত্যের প্রতিফল স্বরূপ আল্লাহ তা‘আলা তাদেরকে পৃথিবীতেও জীবিকা নির্বাহ করে থাকেন। (ই.ফা. ৬৮৩১, ই.সে. ৬৮৮৭)


সহিহ মুসলিম ৬৯৮৪

আনাস (রাঃ)-এর সূত্রে নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্নিতঃ

অবিকল বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৬৮৩২, ই.সে. ৬৮৮৮)

আনাস (রাঃ)-এর সূত্রে নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্নিতঃ

অবিকল বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৬৮৩২, ই.সে. ৬৮৮৮)


সহিহ মুসলিম > মু’মিনের দৃষ্টান্ত শস্যক্ষেতের মতো এবং মুনাফিক ও কাফিরের দৃষ্টান্ত দেবদারু গাছের মত

সহিহ মুসলিম ৬৯৮৯

কা‘ব ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে বর্ণনা করেছেন। তবে মাহমূদ-এর রিওয়ায়াতে বিশ্র-এর সূত্রে বর্ণিত আছে, (আরবী) ‘কাফিরের দৃষ্টান্ত দেবদারু গাছের মতো’। আর ইবনু হাতিম (রাঃ) যুহায়র (রাঃ)-এর ন্যায় (আরবী) অর্থাৎ- মুনাফিকের দৃষ্টান্তের কথাটি বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৬৮৩৬, ই.সে. ৬৮৯২)

কা‘ব ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে বর্ণনা করেছেন। তবে মাহমূদ-এর রিওয়ায়াতে বিশ্র-এর সূত্রে বর্ণিত আছে, (আরবী) ‘কাফিরের দৃষ্টান্ত দেবদারু গাছের মতো’। আর ইবনু হাতিম (রাঃ) যুহায়র (রাঃ)-এর ন্যায় (আরবী) অর্থাৎ- মুনাফিকের দৃষ্টান্তের কথাটি বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৬৮৩৬, ই.সে. ৬৮৯২)


সহিহ মুসলিম ৬৯৮৭

কা‘ব ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ মু’মিনের দৃষ্টান্ত নরম চারাগাছের মতো। বাতাস সেটাকে দুলাতে থাকে কখনো তাকে নুইয়ে ফেলে আবার কখনো একেবারে সোজা করে ফেলে। এমনিভাবে অবশেষে সেটা পূর্ণতা লাভ করে শুকিয়ে যায়। আর কাফিরদের দৃষ্টান্ত হচ্ছে স্বীয় কাণ্ডে দাঁড়ানো দেবদারু গাছের মতো। কোন কিছুই তাকে নাড়াতে পারে না। কিন্তু এটা একেবারেই মূলোৎপাটিত হয়ে যায়। (ই.ফা. ৬৮৩৫, ই.সে. ৬৮৯১)

কা‘ব ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ মু’মিনের দৃষ্টান্ত নরম চারাগাছের মতো। বাতাস সেটাকে দুলাতে থাকে কখনো তাকে নুইয়ে ফেলে আবার কখনো একেবারে সোজা করে ফেলে। এমনিভাবে অবশেষে সেটা পূর্ণতা লাভ করে শুকিয়ে যায়। আর কাফিরদের দৃষ্টান্ত হচ্ছে স্বীয় কাণ্ডে দাঁড়ানো দেবদারু গাছের মতো। কোন কিছুই তাকে নাড়াতে পারে না। কিন্তু এটা একেবারেই মূলোৎপাটিত হয়ে যায়। (ই.ফা. ৬৮৩৫, ই.সে. ৬৮৯১)


সহিহ মুসলিম ৬৯৮৮

কা‘ব ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ মু’মিনের দৃষ্টান্ত নরম চারাগাছের মতো। বাতাস তাকে আন্দোলিত করে। বাতাস কখনো তাকে নুইয়ে দেয়, আবার কখনো একেবারে সোজা দাঁড় করিয়ে দেয়। এমনি করে তার মৃত্যুক্ষণ এসে উপস্থিত হয়। আর মুনাফিকের দৃষ্টান্ত দাঁড়ানো দেবদারু গাছের মতো, কোন কিছুই তাকে নত করতে পারে না। পরিশেষে তাকে একেবারেই মূলোচ্ছেদ করে দেয়। (ই.ফা. ৬৮৩৬, ই.সে. ৬৮৯১[ক])

কা‘ব ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ মু’মিনের দৃষ্টান্ত নরম চারাগাছের মতো। বাতাস তাকে আন্দোলিত করে। বাতাস কখনো তাকে নুইয়ে দেয়, আবার কখনো একেবারে সোজা দাঁড় করিয়ে দেয়। এমনি করে তার মৃত্যুক্ষণ এসে উপস্থিত হয়। আর মুনাফিকের দৃষ্টান্ত দাঁড়ানো দেবদারু গাছের মতো, কোন কিছুই তাকে নত করতে পারে না। পরিশেষে তাকে একেবারেই মূলোচ্ছেদ করে দেয়। (ই.ফা. ৬৮৩৬, ই.সে. ৬৮৯১[ক])


সহিহ মুসলিম ৬৯৮৬

যুহরী (রহঃ) থেকে এ সূত্র থেকে বর্নিতঃ

অবিকল হাদীস বর্ণনা করেছেন। তবে ‘আবদুর রায্যাক-এর হাদীসে (আরবী)-এর স্থলে (আরবী) উল্লেখ রয়েছে (উভয়ের অর্থ একই, অর্থাৎ আন্দোলিত করে)। (ই.ফা. ৬৮৩৪, ই.সে. ৬৮৯০)

যুহরী (রহঃ) থেকে এ সূত্র থেকে বর্নিতঃ

অবিকল হাদীস বর্ণনা করেছেন। তবে ‘আবদুর রায্যাক-এর হাদীসে (আরবী)-এর স্থলে (আরবী) উল্লেখ রয়েছে (উভয়ের অর্থ একই, অর্থাৎ আন্দোলিত করে)। (ই.ফা. ৬৮৩৪, ই.সে. ৬৮৯০)


সহিহ মুসলিম ৬৯৮৫

আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ মু’মিনের দৃষ্টান্ত শস্যক্ষেতের মতো। বাতাস সবসময় তাকে আন্দোলিত করে। অনুরূপভাবে মু’মিনের উপরও সবসময় বিপদাপদ আসতে থাকে। আর মুনাফিকের দৃষ্টান্ত দেবদারু গাছের মতো। মূল উৎপাটন হয়ে যায়; কিন্তু সেটা আন্দোলিত হয় না। (ই.ফা. ৬৮৩৩, ই.সে. ৬৮৮৯)

আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ মু’মিনের দৃষ্টান্ত শস্যক্ষেতের মতো। বাতাস সবসময় তাকে আন্দোলিত করে। অনুরূপভাবে মু’মিনের উপরও সবসময় বিপদাপদ আসতে থাকে। আর মুনাফিকের দৃষ্টান্ত দেবদারু গাছের মতো। মূল উৎপাটন হয়ে যায়; কিন্তু সেটা আন্দোলিত হয় না। (ই.ফা. ৬৮৩৩, ই.সে. ৬৮৮৯)


সহিহ মুসলিম ৬৯৯০

কা‘ব ইবনু মালিক (রাঃ)-এর সানাদে নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্নিতঃ

তাদের অবিকল হাদীস বর্ণনা করেছেন। কিন্তু তারা দু’জনেই ইয়াহ্ইয়া (রহঃ) হতে বর্ণনা করেছেন যে, কাফিরের দৃষ্টান্ত দেবদারু গাছের মতো। (ই.ফা. ৬৮৩৭, ই.সে. ৬৮৯৩)

কা‘ব ইবনু মালিক (রাঃ)-এর সানাদে নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্নিতঃ

তাদের অবিকল হাদীস বর্ণনা করেছেন। কিন্তু তারা দু’জনেই ইয়াহ্ইয়া (রহঃ) হতে বর্ণনা করেছেন যে, কাফিরের দৃষ্টান্ত দেবদারু গাছের মতো। (ই.ফা. ৬৮৩৭, ই.সে. ৬৮৯৩)


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00