সহিহ মুসলিম > চন্দ্র খণ্ডিত হওয়ার বর্ণনা

সহিহ মুসলিম ৬৯৭২

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সময় চাঁদ দু‘টুকরো হয়েছে। (ই.ফা. ৬৮২০, ই.সে. ৬৮৭৬)

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সময় চাঁদ দু‘টুকরো হয়েছে। (ই.ফা. ৬৮২০, ই.সে. ৬৮৭৬)


সহিহ মুসলিম ৬৯৭১

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, চাঁদ দু’টুকরো হয়েছে। তবে আবূ দাউদ (রহঃ)-এর হাদীসে রয়েছে, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সময় চাঁদ দু’টুকরো হয়েছে। (ই.ফা. ৬৮১৯, ই.সে. ৬৮৭৫)

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, চাঁদ দু’টুকরো হয়েছে। তবে আবূ দাউদ (রহঃ)-এর হাদীসে রয়েছে, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সময় চাঁদ দু’টুকরো হয়েছে। (ই.ফা. ৬৮১৯, ই.সে. ৬৮৭৫)


সহিহ মুসলিম ৬৯৬৪

‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সময় চন্দ্র দু’টুকরো হয়েছিল। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছিলেনঃ তোমরা সাক্ষী থাকো। (ই.ফা. ৬৮১৪, ই.সে. ৬৮৬৮)

‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সময় চন্দ্র দু’টুকরো হয়েছিল। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছিলেনঃ তোমরা সাক্ষী থাকো। (ই.ফা. ৬৮১৪, ই.সে. ৬৮৬৮)


সহিহ মুসলিম ৬৯৬৯

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, মাক্কাহ্বাসী লোকেরা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে তাদের একটি নিদর্শন (মু‘জিযা) দেখানোর অনুরোধ করল। তিনি তাদের দু’বার চন্দ্র দু’টুকরো হওয়ার নিদর্শন দেখালেন। (ই.ফা. ৬৮১৮, ই.সে. ৬৮৭৩)

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, মাক্কাহ্বাসী লোকেরা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে তাদের একটি নিদর্শন (মু‘জিযা) দেখানোর অনুরোধ করল। তিনি তাদের দু’বার চন্দ্র দু’টুকরো হওয়ার নিদর্শন দেখালেন। (ই.ফা. ৬৮১৮, ই.সে. ৬৮৭৩)


সহিহ মুসলিম ৬৯৬৬

‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সময় চন্দ্র ফেটে দু’টুকরো হয়ে যায়। এক টুকরোকে পাহাড় আড়াল করে ফেলেছে এবং অপর এক টুকরো পাহাড়ের উপর পরিলক্ষিত হয়েছে। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ হে আল্লাহ! তুমি সাক্ষী থাকো। (ই.ফা. ৬৮১৬, ই.সে. ৬৮৭০)

‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সময় চন্দ্র ফেটে দু’টুকরো হয়ে যায়। এক টুকরোকে পাহাড় আড়াল করে ফেলেছে এবং অপর এক টুকরো পাহাড়ের উপর পরিলক্ষিত হয়েছে। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ হে আল্লাহ! তুমি সাক্ষী থাকো। (ই.ফা. ৬৮১৬, ই.সে. ৬৮৭০)


সহিহ মুসলিম ৬৯৬৫

‘আবদুল্লাহ ইবনু মাস‘ঊদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, মিনায় আমরা রসূলূল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাথে ছিলাম। এমতাবস্থায় অকস্মাৎ চাঁদ দু’টুকরো হয়ে গেল। এক টুকরো পাহাড়ের পিছনে পতিত হল এবং অপর টুকরো পাহাড়ের সামনে। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদেরকে বললেন, তোমরা সাক্ষী থাকো। (ই.ফা. ৬৮১৫, ই.সে. ৬৮৬৯)

‘আবদুল্লাহ ইবনু মাস‘ঊদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, মিনায় আমরা রসূলূল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাথে ছিলাম। এমতাবস্থায় অকস্মাৎ চাঁদ দু’টুকরো হয়ে গেল। এক টুকরো পাহাড়ের পিছনে পতিত হল এবং অপর টুকরো পাহাড়ের সামনে। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদেরকে বললেন, তোমরা সাক্ষী থাকো। (ই.ফা. ৬৮১৫, ই.সে. ৬৮৬৯)


সহিহ মুসলিম ৬৯৬৭

ইবনু ‘উমার (রাঃ)-এর সানাদে নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্নিতঃ

হুবহু বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৬৮১৭, ই.সে. ৬৮৭১)

ইবনু ‘উমার (রাঃ)-এর সানাদে নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্নিতঃ

হুবহু বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৬৮১৭, ই.সে. ৬৮৭১)


সহিহ মুসলিম ৬৯৭০

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

শাইবানের অবিকল হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৬৮১৮, ই.সে. ৬৮৭৪)

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

শাইবানের অবিকল হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৬৮১৮, ই.সে. ৬৮৭৪)


সহিহ মুসলিম ৬৯৬৮

শু‘বাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

অবিকল বর্ণনা করেছেন। তবে ইবনু আবূ ‘আদী (রহঃ)-এর হাদীসের মধ্যে রয়েছে যে, তারপর তিনি বললেনঃ তোমরা সাক্ষী থাকো, তোমরা সাক্ষী থাকো। (ই.ফা. ৬৮১৭, ই.সে. ৬৮৭২)

শু‘বাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

অবিকল বর্ণনা করেছেন। তবে ইবনু আবূ ‘আদী (রহঃ)-এর হাদীসের মধ্যে রয়েছে যে, তারপর তিনি বললেনঃ তোমরা সাক্ষী থাকো, তোমরা সাক্ষী থাকো। (ই.ফা. ৬৮১৭, ই.সে. ৬৮৭২)


সহিহ মুসলিম > আল্লাহ তা‘আলার চেয়ে বেশি ধৈর্যশীল আর কোন সত্তা নেই

সহিহ মুসলিম ৬৯৭৫

‘আবদুল্লাহ ইবনু কায়স (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, কষ্টকর কোন কথা শোনার পর আল্লাহর চেয়ে বেশি ধৈর্যশীল আর কেউ নেই। কেননা মানুষ আল্লাহর সঙ্গে অংশীদার স্থাপন করে এবং তাঁর জন্য সন্তান সাব্যস্ত করে, এতদসত্ত্বেও তিনি তাদের জীবিকা নির্বাহ করেন, তাদেরকে মাফ করেন এবং তাদেরকে প্রয়োজনীয় সব কিছু প্রদান করেন। (ই.ফা. ৬৮২৩, ই.সে. ৬৮৭৯)

‘আবদুল্লাহ ইবনু কায়স (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, কষ্টকর কোন কথা শোনার পর আল্লাহর চেয়ে বেশি ধৈর্যশীল আর কেউ নেই। কেননা মানুষ আল্লাহর সঙ্গে অংশীদার স্থাপন করে এবং তাঁর জন্য সন্তান সাব্যস্ত করে, এতদসত্ত্বেও তিনি তাদের জীবিকা নির্বাহ করেন, তাদেরকে মাফ করেন এবং তাদেরকে প্রয়োজনীয় সব কিছু প্রদান করেন। (ই.ফা. ৬৮২৩, ই.সে. ৬৮৭৯)


সহিহ মুসলিম ৬৯৭৩

আবূ মূসা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ কষ্টকর কোন কথা শোনার পর আল্লাহ তা‘আলার চেয়ে বেশি ধৈর্যশীল আর কোন সত্তা নেই। অবস্থা এই যে, আল্লাহর সাথে অংশীদার স্থাপন করা হয় এবং তাঁর জন্য সন্তান সাব্যস্ত করা হয়, এরপরও তিনি তাদেরকে মাফ করে দেন এবং তাদেরকে রিযিক দান করেন। (ই.ফা. ৬৮২১, ই.সে. ৬৮৭৭)

আবূ মূসা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ কষ্টকর কোন কথা শোনার পর আল্লাহ তা‘আলার চেয়ে বেশি ধৈর্যশীল আর কোন সত্তা নেই। অবস্থা এই যে, আল্লাহর সাথে অংশীদার স্থাপন করা হয় এবং তাঁর জন্য সন্তান সাব্যস্ত করা হয়, এরপরও তিনি তাদেরকে মাফ করে দেন এবং তাদেরকে রিযিক দান করেন। (ই.ফা. ৬৮২১, ই.সে. ৬৮৭৭)


সহিহ মুসলিম ৬৯৭৪

আবূ মূসা (রাঃ)-এর সূত্রে নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্নিতঃ

হুবহু হাদীস বর্ণনা করেছেন। তবে হাদীসের মধ্যে (আরবী) কথাটি উল্লেখ নেই। (ই.ফা. ৬৮২২, ই.সে. ৬৮৭৮)

আবূ মূসা (রাঃ)-এর সূত্রে নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্নিতঃ

হুবহু হাদীস বর্ণনা করেছেন। তবে হাদীসের মধ্যে (আরবী) কথাটি উল্লেখ নেই। (ই.ফা. ৬৮২২, ই.সে. ৬৮৭৮)


সহিহ মুসলিম > কাফির কর্তৃক পৃথিবীপূর্ণ স্বর্ণ মুক্তিপণ দিতে চাওয়া প্রসঙ্গ

সহিহ মুসলিম ৬৯৭৭

আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে অবিকল বর্ণনা করেছন। তবে তিনি (আরবী) কথাটি উল্লেখ করেননি। (ই.ফা. ৬৮২৫, ই.সে. ৬৮৮১)

আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে অবিকল বর্ণনা করেছন। তবে তিনি (আরবী) কথাটি উল্লেখ করেননি। (ই.ফা. ৬৮২৫, ই.সে. ৬৮৮১)


সহিহ মুসলিম ৬৯৭৮

আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, কিয়ামাতের দিন কাফিরদেরকে বলা হবে, তুমি কি বলো, যদি তুমি পৃথিবী সমতুল্য স্বর্ণের মালিক হও, তাহলে মুক্তিপণ হিসেবে তা প্রদান করে তুমি কি নিজেকে শাস্তি হতে রক্ষা করবে? সে বলবে, হ্যাঁ অবশ্যই। তখন তাকে বলা হবে, তোমার নিকট হতে তো এর থেকে অধিক সহজ বিষয় কামনা করা হয়েছিল। (ই.ফা. ৬৮২৬, ই.সে. ৬৮৮২)

আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, কিয়ামাতের দিন কাফিরদেরকে বলা হবে, তুমি কি বলো, যদি তুমি পৃথিবী সমতুল্য স্বর্ণের মালিক হও, তাহলে মুক্তিপণ হিসেবে তা প্রদান করে তুমি কি নিজেকে শাস্তি হতে রক্ষা করবে? সে বলবে, হ্যাঁ অবশ্যই। তখন তাকে বলা হবে, তোমার নিকট হতে তো এর থেকে অধিক সহজ বিষয় কামনা করা হয়েছিল। (ই.ফা. ৬৮২৬, ই.সে. ৬৮৮২)


সহিহ মুসলিম ৬৯৭৬

আনাস ইবনু মালিক (রাঃ)-এর সূত্রে নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, জাহান্নামীদের মাঝে যার শাস্তি সবচেয়ে কম হবে, আল্লাহ তা‘আলা তাকে বলবেন, পৃথিবী এবং পৃথিবীর মাঝে যা কিছু আছে সব কিছু যদি তোমার হয়ে যায়, তবে কি তুমি এসব কিছু মুক্তিপণ হিসেবে প্রদান করে নিজেকে ‘আযাব থেকে রক্ষা করবে? সে বলবে, হ্যাঁ, অবশ্যই। তখন তিনি বলবেল, তুমি আদামের পৃষ্ঠে থাকা অবস্থায় আমি তো তোমার কাছে এ থেকেও সহজ জিনিস আশা করেছিলাম। তা হলো, তুমি শির্ক করবে না। রাবী বলেন, আমার মনে হয়, তিনি বলেছেনঃ তাহলে আমি তোমাকে জাহান্নামে প্রবেশ করাব না। কিন্তু তুমি তা উপেক্ষা করে শির্কে জড়িয়ে পড়েছো। (ই.ফা. ৬৮২৪, ই.সে. ৬৮৮০)

আনাস ইবনু মালিক (রাঃ)-এর সূত্রে নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, জাহান্নামীদের মাঝে যার শাস্তি সবচেয়ে কম হবে, আল্লাহ তা‘আলা তাকে বলবেন, পৃথিবী এবং পৃথিবীর মাঝে যা কিছু আছে সব কিছু যদি তোমার হয়ে যায়, তবে কি তুমি এসব কিছু মুক্তিপণ হিসেবে প্রদান করে নিজেকে ‘আযাব থেকে রক্ষা করবে? সে বলবে, হ্যাঁ, অবশ্যই। তখন তিনি বলবেল, তুমি আদামের পৃষ্ঠে থাকা অবস্থায় আমি তো তোমার কাছে এ থেকেও সহজ জিনিস আশা করেছিলাম। তা হলো, তুমি শির্ক করবে না। রাবী বলেন, আমার মনে হয়, তিনি বলেছেনঃ তাহলে আমি তোমাকে জাহান্নামে প্রবেশ করাব না। কিন্তু তুমি তা উপেক্ষা করে শির্কে জড়িয়ে পড়েছো। (ই.ফা. ৬৮২৪, ই.সে. ৬৮৮০)


সহিহ মুসলিম ৬৯৭৯

আনাস (রাঃ)-এর সানাদে নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্নিতঃ

অবিকল হাদীস বর্ণনা করেছেন। তবে এতে রয়েছে যে, তাকে বলা হবে, তুমি মিথ্যা বলেছ। তোমার কাছে তো এর থেকে সহজ বিষয় কামনা করা হয়েছিল। (ই.ফা. ৬৮২৭, ই.সে. ৬৮৮৩)

আনাস (রাঃ)-এর সানাদে নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্নিতঃ

অবিকল হাদীস বর্ণনা করেছেন। তবে এতে রয়েছে যে, তাকে বলা হবে, তুমি মিথ্যা বলেছ। তোমার কাছে তো এর থেকে সহজ বিষয় কামনা করা হয়েছিল। (ই.ফা. ৬৮২৭, ই.সে. ৬৮৮৩)


সহিহ মুসলিম > (কিয়ামাতের দিন) কাফিরদের অধোমুখী করে একত্র করা হবে

সহিহ মুসলিম ৬৯৮০

আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, এক লোক জিজ্ঞেস করল, হে আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)! কিয়ামাত দিবসে কাফিরদেরকে নিম্নমুখী করে কিরূপে উত্থিত হবে? তিনি বললেন, যিনি দুনিয়াতে উভয় পায়ের উপর ভর করে চালিত করেছেন, তিনি কি কিয়ামাতের দিন তাদেরকে মুখের উপর ভর করে চালাতে সক্ষম হবেন না? এ হাদীস শুনে কাতাদাহ্ বললেন, আমার রবের মর্যাদার শপথ! অবশ্যই তিনি সক্ষম হবেন। (ই.ফা. ৬৮২৮, ই.সে. ৬৮৮৪)

আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, এক লোক জিজ্ঞেস করল, হে আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)! কিয়ামাত দিবসে কাফিরদেরকে নিম্নমুখী করে কিরূপে উত্থিত হবে? তিনি বললেন, যিনি দুনিয়াতে উভয় পায়ের উপর ভর করে চালিত করেছেন, তিনি কি কিয়ামাতের দিন তাদেরকে মুখের উপর ভর করে চালাতে সক্ষম হবেন না? এ হাদীস শুনে কাতাদাহ্ বললেন, আমার রবের মর্যাদার শপথ! অবশ্যই তিনি সক্ষম হবেন। (ই.ফা. ৬৮২৮, ই.সে. ৬৮৮৪)


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00