সহিহ মুসলিম > ইস্তিগ্ফার ও তাওবার মাধ্যমে গুনাহ মাফ হওয়া প্রসঙ্গে
সহিহ মুসলিম ৬৮৫৬
حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا ليث، عن محمد بن قيس، - قاص عمر بن عبد العزيز - عن أبي صرمة، عن أبي أيوب، أنه قال حين حضرته الوفاة كنت كتمت عنكم شيئا سمعته من رسول الله صلى الله عليه وسلم سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " لولا أنكم تذنبون لخلق الله خلقا يذنبون يغفر لهم " .
আইয়ূব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
যখন তাঁর মৃত্যু সমুপস্থিত তখন তিনি বললেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে শুনা একটি হাদীস আমি তোমাদের নিকট হতে গোপন রেখেছিলাম। আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে এ কথা বলতে শুনেছি যে, যদি তোমরা পাপ না করতে তবে আল্লাহ তা‘আলা এমন মাখ্লূক বানাতেন যারা পাপ করতো এবং আল্লাহ তাদেরকে মাফ করে দিতেন। (ই.ফা. ৬৭১০, ই.সে. ৬৭৬৬)
আইয়ূব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
যখন তাঁর মৃত্যু সমুপস্থিত তখন তিনি বললেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে শুনা একটি হাদীস আমি তোমাদের নিকট হতে গোপন রেখেছিলাম। আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে এ কথা বলতে শুনেছি যে, যদি তোমরা পাপ না করতে তবে আল্লাহ তা‘আলা এমন মাখ্লূক বানাতেন যারা পাপ করতো এবং আল্লাহ তাদেরকে মাফ করে দিতেন। (ই.ফা. ৬৭১০, ই.সে. ৬৭৬৬)
حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا ليث، عن محمد بن قيس، - قاص عمر بن عبد العزيز - عن أبي صرمة، عن أبي أيوب، أنه قال حين حضرته الوفاة كنت كتمت عنكم شيئا سمعته من رسول الله صلى الله عليه وسلم سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " لولا أنكم تذنبون لخلق الله خلقا يذنبون يغفر لهم " .
সহিহ মুসলিম ৬৮৫৮
حدثني محمد بن رافع، حدثنا عبد الرزاق، أخبرنا معمر، عن جعفر الجزري، عن يزيد بن الأصم، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " والذي نفسي بيده لو لم تذنبوا لذهب الله بكم ولجاء بقوم يذنبون فيستغفرون الله فيغفر لهم " .
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, যে সত্তার হাতে আমার জীবন, আমি তাঁর কসম করে বলছি, তোমরা যদি পাপ না করতে তবে অবশ্যই আল্লাহ তোমাদের নিশ্চিহ্ন করে এমন সম্প্রদায় বানাতেন যারা পাপ করে ক্ষমা চাইতো এবং তিনি তাদের মাফ করে দিতেন। (ই.ফা. ৬৭১২, ই.সে. ৬৭৬৮)
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, যে সত্তার হাতে আমার জীবন, আমি তাঁর কসম করে বলছি, তোমরা যদি পাপ না করতে তবে অবশ্যই আল্লাহ তোমাদের নিশ্চিহ্ন করে এমন সম্প্রদায় বানাতেন যারা পাপ করে ক্ষমা চাইতো এবং তিনি তাদের মাফ করে দিতেন। (ই.ফা. ৬৭১২, ই.সে. ৬৭৬৮)
حدثني محمد بن رافع، حدثنا عبد الرزاق، أخبرنا معمر، عن جعفر الجزري، عن يزيد بن الأصم، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " والذي نفسي بيده لو لم تذنبوا لذهب الله بكم ولجاء بقوم يذنبون فيستغفرون الله فيغفر لهم " .
সহিহ মুসলিম ৬৮৫৭
حدثنا هارون بن سعيد الأيلي، حدثنا ابن وهب، حدثني عياض، - وهو ابن عبد الله الفهري - حدثني إبراهيم بن عبيد بن رفاعة، عن محمد بن كعب القرظي، عن أبي صرمة، عن أبي أيوب الأنصاري، عن رسول الله صلى الله عليه وسلم أنه قال " لو أنكم لم تكن لكم ذنوب يغفرها الله لكم لجاء الله بقوم لهم ذنوب يغفرها لهم " .
আবূ আইয়ূব আল আনসারী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যদি তোমাদের কোন পাপ না থাকতো যা আল্লাহ মাফ করে দেন, তবে অবশ্যই আল্লাহ এমন সম্প্রদায় বানাতেন যাদের পাপ হত এবং তিনি তা মাফ করে দিতেন। (ই.ফা. ৬৭১১, ই.সে. ৬৭৬৭)
আবূ আইয়ূব আল আনসারী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যদি তোমাদের কোন পাপ না থাকতো যা আল্লাহ মাফ করে দেন, তবে অবশ্যই আল্লাহ এমন সম্প্রদায় বানাতেন যাদের পাপ হত এবং তিনি তা মাফ করে দিতেন। (ই.ফা. ৬৭১১, ই.সে. ৬৭৬৭)
حدثنا هارون بن سعيد الأيلي، حدثنا ابن وهب، حدثني عياض، - وهو ابن عبد الله الفهري - حدثني إبراهيم بن عبيد بن رفاعة، عن محمد بن كعب القرظي، عن أبي صرمة، عن أبي أيوب الأنصاري، عن رسول الله صلى الله عليه وسلم أنه قال " لو أنكم لم تكن لكم ذنوب يغفرها الله لكم لجاء الله بقوم لهم ذنوب يغفرها لهم " .
সহিহ মুসলিম > সার্বক্ষণিক আল্লাহর যিক্র ও পরকালের বিষয়ে চিন্তা করা ও আল্লাহর ধ্যানে মশগুল থাকা এবং কোন কোন সময় তা ছেড়ে দেয়া ও দুনিয়াবী কাজে লিপ্ত থাকা জায়িয
সহিহ মুসলিম ৬৮৬১
حدثني زهير بن حرب، حدثنا الفضل بن دكين، حدثنا سفيان، عن سعيد الجريري، عن أبي عثمان النهدي، عن حنظلة التميمي الأسيدي الكاتب، قال كنا عند النبي صلى الله عليه وسلم فذكرنا الجنة والنار . فذكر نحو حديثهما .
হান্যালাহ্ আত্ তামীমী আল উসাইয়িদী আল কাতিব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমরা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে ছিলাম। তিনি আমাদের জান্নাত-জাহান্নামের কথা মনে করিয়ে দিলেন। তারপর সুফ্ইয়ান (রাঃ) হাদীসটি পূর্বোক্ত হাদীসদ্বয়ের হুবহু বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৬৭১৫, ই.সে. ৬৭৭১)
হান্যালাহ্ আত্ তামীমী আল উসাইয়িদী আল কাতিব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমরা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে ছিলাম। তিনি আমাদের জান্নাত-জাহান্নামের কথা মনে করিয়ে দিলেন। তারপর সুফ্ইয়ান (রাঃ) হাদীসটি পূর্বোক্ত হাদীসদ্বয়ের হুবহু বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৬৭১৫, ই.সে. ৬৭৭১)
حدثني زهير بن حرب، حدثنا الفضل بن دكين، حدثنا سفيان، عن سعيد الجريري، عن أبي عثمان النهدي، عن حنظلة التميمي الأسيدي الكاتب، قال كنا عند النبي صلى الله عليه وسلم فذكرنا الجنة والنار . فذكر نحو حديثهما .
সহিহ মুসলিম ৬৮৫৯
حدثنا يحيى بن يحيى التميمي، وقطن بن نسير، - واللفظ ليحيى - أخبرنا جعفر، بن سليمان عن سعيد بن إياس الجريري، عن أبي عثمان النهدي، عن حنظلة الأسيدي، قال - وكان من كتاب رسول الله صلى الله عليه وسلم قال - لقيني أبو بكر فقال كيف أنت يا حنظلة قال قلت نافق حنظلة قال سبحان الله ما تقول قال قلت نكون عند رسول الله صلى الله عليه وسلم يذكرنا بالنار والجنة حتى كأنا رأى عين فإذا خرجنا من عند رسول الله صلى الله عليه وسلم عافسنا الأزواج والأولاد والضيعات فنسينا كثيرا قال أبو بكر فوالله إنا لنلقى مثل هذا . فانطلقت أنا وأبو بكر حتى دخلنا على رسول الله صلى الله عليه وسلم قلت نافق حنظلة يا رسول الله . فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " وما ذاك " . قلت يا رسول الله نكون عندك تذكرنا بالنار والجنة حتى كأنا رأى عين فإذا خرجنا من عندك عافسنا الأزواج والأولاد والضيعات نسينا كثيرا . فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " والذي نفسي بيده إن لو تدومون على ما تكونون عندي وفي الذكر لصافحتكم الملائكة على فرشكم وفي طرقكم ولكن يا حنظلة ساعة وساعة " ثلاث مرات .
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাতিব হান্যালাহ্ আল্ উসাইয়িদী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, একদা আবূ বাক্র সিদ্দীক (রাঃ) আমার সঙ্গে দেখা করলেন এবং আমাকে প্রশ্ন করলেন, হে হানযালাহ্! তুমি কেমন আছ? তিনি বলেন, জবাবে আমি বললাম, হানযালাহ্ তো মুনাফিক হয়ে গেছে। সে সময় তিনি বললেন, সুবহানাল্লাহ্ তুমি কি বলছ? হানযালাহ্ (রাঃ) বলেন, আমি বললাম, আমরা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে থাকি, তিনি আমাদের জান্নাত-জাহান্নামের কথা শুনিয়ে দেন, যেন আমরা উভয়টি চাক্ষুষ দেখছি। সুতরাং আমরা যখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সন্নিকটে থেকে বের হয়ে আপনজন স্ত্রী-সন্তান এবং ধন-সম্পদের মধ্যে নিমগ্ন হয়ে যাই তখন আমরা এর অনেক বিষয় ভুলে যাই। আবূ বকর (রাঃ) বললেন, আল্লাহর কসম! আমারও একই অবস্থা। নিশ্চয়ই আমরা এ বিষয় নিয়ে সাক্ষাৎ করবো। তারপর আমি এবং আবূ বকর (রাঃ) রওনা করলাম এবং এমনকি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে গেলাম। আমি বললাম, হে আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)! হানযালাহ্ মুনাফিক হয়ে গেছে। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, তা কী? আমি বললাম, আমরা আপনার কাছে থাকি, আপনি আমাদের জান্নাত-জাহান্নামের কথা মনে করিয়ে দেন, যেন আমরা তা সরাসরি দেখতে পাই। তারপর আমরা যখন আপনার নিকট হতে বের হই এবং স্ত্রী, সন্তান-সন্ততি ও ধন-সম্পদের মধ্যে নিমগ্ন হই সে সময় আমরা এর অনেক বিষয় ভুলে যাই। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ যে সত্তার হাতে আমার জীবন আমি তাঁর কসম করে বলছি। আমার কাছে থাকাকালে তোমাদের যে অবস্থা হয়, যদি তোমরা সবসময় এ অবস্থায় অনড় থাকতে এবং সার্বক্ষণিক আল্লাহর যিক্রে পড়ে থাকে তাহলে অবশ্যই ফেরেশ্তাগণ তোমাদের বিছানায় ও রাস্তায় তোমাদের সাথে মুসাফাহা করত। কিন্তু হে হানযালাহ্! এক ঘণ্টা (আল্লাহর যিক্রে) আর এক ঘন্টা (দুনিয়াবী কাজে ব্যয় করবে) অর্থাৎ আস্তে আস্তে (চেষ্টা কর)। এ কথাটি তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তিনবার বললেন। (ই.ফা. ৬৭১৩, ই.সে. ৬৭৬৯)
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাতিব হান্যালাহ্ আল্ উসাইয়িদী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, একদা আবূ বাক্র সিদ্দীক (রাঃ) আমার সঙ্গে দেখা করলেন এবং আমাকে প্রশ্ন করলেন, হে হানযালাহ্! তুমি কেমন আছ? তিনি বলেন, জবাবে আমি বললাম, হানযালাহ্ তো মুনাফিক হয়ে গেছে। সে সময় তিনি বললেন, সুবহানাল্লাহ্ তুমি কি বলছ? হানযালাহ্ (রাঃ) বলেন, আমি বললাম, আমরা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে থাকি, তিনি আমাদের জান্নাত-জাহান্নামের কথা শুনিয়ে দেন, যেন আমরা উভয়টি চাক্ষুষ দেখছি। সুতরাং আমরা যখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সন্নিকটে থেকে বের হয়ে আপনজন স্ত্রী-সন্তান এবং ধন-সম্পদের মধ্যে নিমগ্ন হয়ে যাই তখন আমরা এর অনেক বিষয় ভুলে যাই। আবূ বকর (রাঃ) বললেন, আল্লাহর কসম! আমারও একই অবস্থা। নিশ্চয়ই আমরা এ বিষয় নিয়ে সাক্ষাৎ করবো। তারপর আমি এবং আবূ বকর (রাঃ) রওনা করলাম এবং এমনকি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে গেলাম। আমি বললাম, হে আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)! হানযালাহ্ মুনাফিক হয়ে গেছে। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, তা কী? আমি বললাম, আমরা আপনার কাছে থাকি, আপনি আমাদের জান্নাত-জাহান্নামের কথা মনে করিয়ে দেন, যেন আমরা তা সরাসরি দেখতে পাই। তারপর আমরা যখন আপনার নিকট হতে বের হই এবং স্ত্রী, সন্তান-সন্ততি ও ধন-সম্পদের মধ্যে নিমগ্ন হই সে সময় আমরা এর অনেক বিষয় ভুলে যাই। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ যে সত্তার হাতে আমার জীবন আমি তাঁর কসম করে বলছি। আমার কাছে থাকাকালে তোমাদের যে অবস্থা হয়, যদি তোমরা সবসময় এ অবস্থায় অনড় থাকতে এবং সার্বক্ষণিক আল্লাহর যিক্রে পড়ে থাকে তাহলে অবশ্যই ফেরেশ্তাগণ তোমাদের বিছানায় ও রাস্তায় তোমাদের সাথে মুসাফাহা করত। কিন্তু হে হানযালাহ্! এক ঘণ্টা (আল্লাহর যিক্রে) আর এক ঘন্টা (দুনিয়াবী কাজে ব্যয় করবে) অর্থাৎ আস্তে আস্তে (চেষ্টা কর)। এ কথাটি তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তিনবার বললেন। (ই.ফা. ৬৭১৩, ই.সে. ৬৭৬৯)
حدثنا يحيى بن يحيى التميمي، وقطن بن نسير، - واللفظ ليحيى - أخبرنا جعفر، بن سليمان عن سعيد بن إياس الجريري، عن أبي عثمان النهدي، عن حنظلة الأسيدي، قال - وكان من كتاب رسول الله صلى الله عليه وسلم قال - لقيني أبو بكر فقال كيف أنت يا حنظلة قال قلت نافق حنظلة قال سبحان الله ما تقول قال قلت نكون عند رسول الله صلى الله عليه وسلم يذكرنا بالنار والجنة حتى كأنا رأى عين فإذا خرجنا من عند رسول الله صلى الله عليه وسلم عافسنا الأزواج والأولاد والضيعات فنسينا كثيرا قال أبو بكر فوالله إنا لنلقى مثل هذا . فانطلقت أنا وأبو بكر حتى دخلنا على رسول الله صلى الله عليه وسلم قلت نافق حنظلة يا رسول الله . فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " وما ذاك " . قلت يا رسول الله نكون عندك تذكرنا بالنار والجنة حتى كأنا رأى عين فإذا خرجنا من عندك عافسنا الأزواج والأولاد والضيعات نسينا كثيرا . فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " والذي نفسي بيده إن لو تدومون على ما تكونون عندي وفي الذكر لصافحتكم الملائكة على فرشكم وفي طرقكم ولكن يا حنظلة ساعة وساعة " ثلاث مرات .
সহিহ মুসলিম ৬৮৬০
حدثني إسحاق بن منصور، أخبرنا عبد الصمد، سمعت أبي يحدث، حدثنا سعيد، الجريري عن أبي عثمان النهدي، عن حنظلة، قال كنا عند رسول الله صلى الله عليه وسلم فوعظنا فذكر النار - قال - ثم جئت إلى البيت فضاحكت الصبيان ولاعبت المرأة - قال - فخرجت فلقيت أبا بكر فذكرت ذلك له فقال وأنا قد فعلت مثل ما تذكر . فلقينا رسول الله صلى الله عليه وسلم فقلت يا رسول الله نافق حنظلة فقال " مه " . فحدثته بالحديث فقال أبو بكر وأنا قد فعلت مثل ما فعل فقال " يا حنظلة ساعة وساعة ولو كانت تكون قلوبكم كما تكون عند الذكر لصافحتكم الملائكة حتى تسلم عليكم في الطرق " .
হানযালাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমরা এক সময় রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে ছিলাম। তিনি আমাদেরকে ওয়ায করলেন এবং জাহান্নামের কথা মনে করিয়ে দিলেন। তিনি বলেন, তারপর আমি গৃহে আসলাম এবং সন্তান-সন্ততিদের সাথে খেল-তামাশা করলাম এবং স্ত্রীর সাথে ক্রীড়া-কৌতুক করলাম। এরপর আমি বাড়ি থেকে রওনা করলাম। পথে আবূ বকর (রাঃ)-এর সাথে দেখা করলাম। আমি তাঁর সাথে এ প্রসঙ্গে আলোচনা করলাম। অতঃপর তিনি বললেন, আমিও তো এমনই করি, যেমন তুমি বললে। তারপর আমরা দু’জনই রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাথে দেখা করলাম। অতঃপর আমি বললাম, হে আল্লাহর রসূল! হানযালাহ্ তো মুনাফিক হয়ে গেছে। তারপর তিনি বললেন, তা কী? তারপর আমি আমার সম্পূর্ণ ঘটনা বর্ণনা করলাম। এরপর আবূ বকর (রাঃ) বললেন, আমিও তো এমনই করি যেমন হানযালাহ্ করেছে। তিনি বললেন, হে হানযালাহ্! কিছু সময় আল্লাহর স্মরণের জন্য এবং কিছু সময় দুনিয়াবী কাজের জন্য। ওয়ায-নাসীহাতের মুহূর্তে তোমাদের মন যেমন থাকে, সবসময় যদি তা এ রকম থাকত তবে ফেরেশ্তাগণ অবশ্যই তোমাদের সাথে মুসাফাহা করত। এমনকি প্রকাশ্যে রাস্তায় তারা তোমাদের সালাম করত। (ই.ফা. ৬৭১৪, ই.সে. ৬৭৭০)
হানযালাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমরা এক সময় রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে ছিলাম। তিনি আমাদেরকে ওয়ায করলেন এবং জাহান্নামের কথা মনে করিয়ে দিলেন। তিনি বলেন, তারপর আমি গৃহে আসলাম এবং সন্তান-সন্ততিদের সাথে খেল-তামাশা করলাম এবং স্ত্রীর সাথে ক্রীড়া-কৌতুক করলাম। এরপর আমি বাড়ি থেকে রওনা করলাম। পথে আবূ বকর (রাঃ)-এর সাথে দেখা করলাম। আমি তাঁর সাথে এ প্রসঙ্গে আলোচনা করলাম। অতঃপর তিনি বললেন, আমিও তো এমনই করি, যেমন তুমি বললে। তারপর আমরা দু’জনই রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাথে দেখা করলাম। অতঃপর আমি বললাম, হে আল্লাহর রসূল! হানযালাহ্ তো মুনাফিক হয়ে গেছে। তারপর তিনি বললেন, তা কী? তারপর আমি আমার সম্পূর্ণ ঘটনা বর্ণনা করলাম। এরপর আবূ বকর (রাঃ) বললেন, আমিও তো এমনই করি যেমন হানযালাহ্ করেছে। তিনি বললেন, হে হানযালাহ্! কিছু সময় আল্লাহর স্মরণের জন্য এবং কিছু সময় দুনিয়াবী কাজের জন্য। ওয়ায-নাসীহাতের মুহূর্তে তোমাদের মন যেমন থাকে, সবসময় যদি তা এ রকম থাকত তবে ফেরেশ্তাগণ অবশ্যই তোমাদের সাথে মুসাফাহা করত। এমনকি প্রকাশ্যে রাস্তায় তারা তোমাদের সালাম করত। (ই.ফা. ৬৭১৪, ই.সে. ৬৭৭০)
حدثني إسحاق بن منصور، أخبرنا عبد الصمد، سمعت أبي يحدث، حدثنا سعيد، الجريري عن أبي عثمان النهدي، عن حنظلة، قال كنا عند رسول الله صلى الله عليه وسلم فوعظنا فذكر النار - قال - ثم جئت إلى البيت فضاحكت الصبيان ولاعبت المرأة - قال - فخرجت فلقيت أبا بكر فذكرت ذلك له فقال وأنا قد فعلت مثل ما تذكر . فلقينا رسول الله صلى الله عليه وسلم فقلت يا رسول الله نافق حنظلة فقال " مه " . فحدثته بالحديث فقال أبو بكر وأنا قد فعلت مثل ما فعل فقال " يا حنظلة ساعة وساعة ولو كانت تكون قلوبكم كما تكون عند الذكر لصافحتكم الملائكة حتى تسلم عليكم في الطرق " .
সহিহ মুসলিম > আল্লাহ তা‘আলার রহ্মাতের ব্যাপকতা যা তার গোস্বাকে অতিক্রম করেছে
সহিহ মুসলিম ৬৮৬২
حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا المغيرة، - يعني الحزامي - عن أبي الزناد، عن الأعرج، عن أبي هريرة، أن النبي صلى الله عليه وسلم قال " لما خلق الله الخلق كتب في كتابه فهو عنده فوق العرش إن رحمتي تغلب غضبي " .
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, যখন আল্লাহ তা‘আলা মাখলূক সৃষ্টি করলেন তখন তিনি তাঁর কিতাবে লিপিবদ্ধ করলেন এবং তা তাঁর নিকট ‘আর্শের উপরে রয়েছে। (তিনি লিখেছেন) আমার গোস্বার উপর রহমাত বিজয়ী থাকবে। (ই.ফা. ৬৭১৬, ই.সে. ৬৭৭২)
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, যখন আল্লাহ তা‘আলা মাখলূক সৃষ্টি করলেন তখন তিনি তাঁর কিতাবে লিপিবদ্ধ করলেন এবং তা তাঁর নিকট ‘আর্শের উপরে রয়েছে। (তিনি লিখেছেন) আমার গোস্বার উপর রহমাত বিজয়ী থাকবে। (ই.ফা. ৬৭১৬, ই.সে. ৬৭৭২)
حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا المغيرة، - يعني الحزامي - عن أبي الزناد، عن الأعرج، عن أبي هريرة، أن النبي صلى الله عليه وسلم قال " لما خلق الله الخلق كتب في كتابه فهو عنده فوق العرش إن رحمتي تغلب غضبي " .
সহিহ মুসলিম ৬৮৬৫
حدثنا حرملة بن يحيى التجيبي، أخبرنا ابن وهب، أخبرني يونس، عن ابن شهاب، أن سعيد بن المسيب، أخبره أن أبا هريرة قال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " جعل الله الرحمة مائة جزء فأمسك عنده تسعة وتسعين وأنزل في الأرض جزءا واحدا فمن ذلك الجزء تتراحم الخلائق حتى ترفع الدابة حافرها عن ولدها خشية أن تصيبه " .
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে এ কথা বলতে শুনেছি যে, আল্লাহ তা‘আলা তাঁর রহ্মাতকে একশ’ ভাগ করে নিরানব্বই ভাগ নিজের কাছে আটকিয়ে রেখেছেন এবং একভাগ পৃথিবীতে অবতীর্ণ করেছেন। রহ্মাতের এ অংশ হতেই সৃষ্টজীব পরস্পর একে অন্যের প্রতি দয়া করে, এমনকি প্রাণী পর্যন্ত; যে স্বীয় ক্ষুরকে নিজ সন্তানাদির গায়ে লাগার ভয়ে তা তুলে নিয়ে থাকে। (ই.ফা. ৬৭১৯, ই.সে. ৬৭৭৫)
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে এ কথা বলতে শুনেছি যে, আল্লাহ তা‘আলা তাঁর রহ্মাতকে একশ’ ভাগ করে নিরানব্বই ভাগ নিজের কাছে আটকিয়ে রেখেছেন এবং একভাগ পৃথিবীতে অবতীর্ণ করেছেন। রহ্মাতের এ অংশ হতেই সৃষ্টজীব পরস্পর একে অন্যের প্রতি দয়া করে, এমনকি প্রাণী পর্যন্ত; যে স্বীয় ক্ষুরকে নিজ সন্তানাদির গায়ে লাগার ভয়ে তা তুলে নিয়ে থাকে। (ই.ফা. ৬৭১৯, ই.সে. ৬৭৭৫)
حدثنا حرملة بن يحيى التجيبي، أخبرنا ابن وهب، أخبرني يونس، عن ابن شهاب، أن سعيد بن المسيب، أخبره أن أبا هريرة قال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " جعل الله الرحمة مائة جزء فأمسك عنده تسعة وتسعين وأنزل في الأرض جزءا واحدا فمن ذلك الجزء تتراحم الخلائق حتى ترفع الدابة حافرها عن ولدها خشية أن تصيبه " .
সহিহ মুসলিম ৬৮৬৭
حدثنا محمد بن عبد الله بن نمير، حدثنا أبي، حدثنا عبد الملك، عن عطاء، عن أبي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " إن لله مائة رحمة أنزل منها رحمة واحدة بين الجن والإنس والبهائم والهوام فبها يتعاطفون وبها يتراحمون وبها تعطف الوحش على ولدها وأخر الله تسعا وتسعين رحمة يرحم بها عباده يوم القيامة " .
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ আল্লাহর একশ’ ভাগ রহ্মাত আছে। তন্মধ্যে একভাগ রহ্মাত তিনি জিন, ইনসান, চুতষ্পদ জন্তু ও কীট-পতঙ্গের মধ্যে ভাগ করে দিয়েছেন। এ এক ভাগ রহ্মাতের কারণেই সৃষ্ট জীব পরস্পর একে অপরের প্রতি দয়া করে এবং এ এক ভাগ রাহ্মাতের মাধ্যমে বন্য পশু নিজ সন্তানের প্রতি দয়া ও অনুকম্পা প্রদর্শন করে। মহান আল্লাহ তাঁর একশ’ ভাগ রহ্মাতের নিরানব্বই ভাগ রহ্মাত নিজের কাছে রেখে দিয়েছেন। এর দ্বারা তিনি কিয়ামাতের দিন স্বীয় বান্দাদের প্রতি দয়া করবেন। (ই.ফা. ৬৭২১, ই.সে. ৬৭৭৭)
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ আল্লাহর একশ’ ভাগ রহ্মাত আছে। তন্মধ্যে একভাগ রহ্মাত তিনি জিন, ইনসান, চুতষ্পদ জন্তু ও কীট-পতঙ্গের মধ্যে ভাগ করে দিয়েছেন। এ এক ভাগ রহ্মাতের কারণেই সৃষ্ট জীব পরস্পর একে অপরের প্রতি দয়া করে এবং এ এক ভাগ রাহ্মাতের মাধ্যমে বন্য পশু নিজ সন্তানের প্রতি দয়া ও অনুকম্পা প্রদর্শন করে। মহান আল্লাহ তাঁর একশ’ ভাগ রহ্মাতের নিরানব্বই ভাগ রহ্মাত নিজের কাছে রেখে দিয়েছেন। এর দ্বারা তিনি কিয়ামাতের দিন স্বীয় বান্দাদের প্রতি দয়া করবেন। (ই.ফা. ৬৭২১, ই.সে. ৬৭৭৭)
حدثنا محمد بن عبد الله بن نمير، حدثنا أبي، حدثنا عبد الملك، عن عطاء، عن أبي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " إن لله مائة رحمة أنزل منها رحمة واحدة بين الجن والإنس والبهائم والهوام فبها يتعاطفون وبها يتراحمون وبها تعطف الوحش على ولدها وأخر الله تسعا وتسعين رحمة يرحم بها عباده يوم القيامة " .
সহিহ মুসলিম ৬৮৬৬
حدثنا يحيى بن أيوب، وقتيبة، وابن، حجر قالوا حدثنا إسماعيل، - يعنون ابن جعفر - عن العلاء، عن أبيه، عن أبي هريرة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " خلق الله مائة رحمة فوضع واحدة بين خلقه وخبأ عنده مائة إلا واحدة " .
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আল্লাহ তা‘আলা একশ’ ভাগ রহ্মাত সৃষ্টি করে একভাগ সৃষ্টির মধ্যে রেখে দিয়েছেন এবং নিরানব্বই ভাগ নিজের নিকট লুকায়িত রেখেছেন। (ই.ফা. ৬৭২০, ই.সে. ৬৭৭৬)
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আল্লাহ তা‘আলা একশ’ ভাগ রহ্মাত সৃষ্টি করে একভাগ সৃষ্টির মধ্যে রেখে দিয়েছেন এবং নিরানব্বই ভাগ নিজের নিকট লুকায়িত রেখেছেন। (ই.ফা. ৬৭২০, ই.সে. ৬৭৭৬)
حدثنا يحيى بن أيوب، وقتيبة، وابن، حجر قالوا حدثنا إسماعيل، - يعنون ابن جعفر - عن العلاء، عن أبيه، عن أبي هريرة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " خلق الله مائة رحمة فوضع واحدة بين خلقه وخبأ عنده مائة إلا واحدة " .
সহিহ মুসলিম ৬৮৬৪
حدثنا علي بن خشرم، أخبرنا أبو ضمرة، عن الحارث بن عبد الرحمن، عن عطاء، بن ميناء عن أبي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " لما قضى الله الخلق كتب في كتابه على نفسه فهو موضوع عنده إن رحمتي تغلب غضبي " .
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, আল্লাহ যখন মাখলূক সৃষ্টি করলেন তখন তিনি তাঁর কিতাবের মধ্যে নিজের কাছে লিপিবদ্ধ করে রেখেছেন। (তাতে তিনি লিখে রেখেছেন) আমার গোস্বার উপর রহমাত বিজয়ী থাকবে। (ই.ফা. ৬৭১৮, ই.সে. ৬৭৭৪)
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, আল্লাহ যখন মাখলূক সৃষ্টি করলেন তখন তিনি তাঁর কিতাবের মধ্যে নিজের কাছে লিপিবদ্ধ করে রেখেছেন। (তাতে তিনি লিখে রেখেছেন) আমার গোস্বার উপর রহমাত বিজয়ী থাকবে। (ই.ফা. ৬৭১৮, ই.সে. ৬৭৭৪)
حدثنا علي بن خشرم، أخبرنا أبو ضمرة، عن الحارث بن عبد الرحمن، عن عطاء، بن ميناء عن أبي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " لما قضى الله الخلق كتب في كتابه على نفسه فهو موضوع عنده إن رحمتي تغلب غضبي " .
সহিহ মুসলিম ৬৮৬৮
حدثني الحكم بن موسى، حدثنا معاذ بن معاذ، حدثنا سليمان التيمي، حدثنا أبو عثمان النهدي عن سلمان الفارسي، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " إن لله مائة رحمة فمنها رحمة بها يتراحم الخلق بينهم وتسعة وتسعون ليوم القيامة " .
সালমান আল ফারিসী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আল্লাহ তা‘আলার একশ’ ভাগ রহ্মাত আছে। তার মধ্যে একভাগ রহ্মাতের দ্বারাই সৃষ্ট জীব পরস্পর একে অন্যের প্রতি দয়া প্রদর্শন করে। বাকী নিরানব্বই ভাগ রহ্মাত রাখা হয়েছে কিয়ামাত দিনের জন্য। (ই.ফা. ৬৭২২, ই.সে. ৬৭৭৮)
সালমান আল ফারিসী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আল্লাহ তা‘আলার একশ’ ভাগ রহ্মাত আছে। তার মধ্যে একভাগ রহ্মাতের দ্বারাই সৃষ্ট জীব পরস্পর একে অন্যের প্রতি দয়া প্রদর্শন করে। বাকী নিরানব্বই ভাগ রহ্মাত রাখা হয়েছে কিয়ামাত দিনের জন্য। (ই.ফা. ৬৭২২, ই.সে. ৬৭৭৮)
حدثني الحكم بن موسى، حدثنا معاذ بن معاذ، حدثنا سليمان التيمي، حدثنا أبو عثمان النهدي عن سلمان الفارسي، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " إن لله مائة رحمة فمنها رحمة بها يتراحم الخلق بينهم وتسعة وتسعون ليوم القيامة " .
সহিহ মুসলিম ৬৮৭০
حدثنا ابن نمير، حدثنا أبو معاوية، عن داود بن أبي هند، عن أبي عثمان، عن سلمان، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " إن الله خلق يوم خلق السموات والأرض مائة رحمة كل رحمة طباق ما بين السماء والأرض فجعل منها في الأرض رحمة فبها تعطف الوالدة على ولدها والوحش والطير بعضها على بعض فإذا كان يوم القيامة أكملها بهذه الرحمة " .
সালমান (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আকাশমণ্ডলী ও জমিন সৃষ্টির সময়ে আল্লাহ তা‘আলা একশ’ রহ্মাত সৃষ্টি করেছেন। প্রত্যেকটি রহ্মাত আকাশ ও জমিনের দূরত্বের সমপরিমাণ। এ একশ’ রহ্মাত হতে একভাগ রহ্মাত দুনিয়ার জন্য নির্ধারণ করেছেন। এর তাগিদেই মা তার সন্তানের প্রতি এতটুকু স্নেহপরায়ণা হয়ে থাকে এবং বন্য পশু-পাখি একে অপরের প্রতি অনুরক্ত হয়। যখন কিয়ামাত দিবস হবে তখন আল্লাহ তা‘আলা এ রহমাত দ্বারা (একভাগকেও নিরানব্বই ভাগের সাথে মিলিয়ে একশ’) পূর্ণ করবেন। (ই.ফা. ৬৭২৪, ই.সে. ৬৭৭৯)
সালমান (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আকাশমণ্ডলী ও জমিন সৃষ্টির সময়ে আল্লাহ তা‘আলা একশ’ রহ্মাত সৃষ্টি করেছেন। প্রত্যেকটি রহ্মাত আকাশ ও জমিনের দূরত্বের সমপরিমাণ। এ একশ’ রহ্মাত হতে একভাগ রহ্মাত দুনিয়ার জন্য নির্ধারণ করেছেন। এর তাগিদেই মা তার সন্তানের প্রতি এতটুকু স্নেহপরায়ণা হয়ে থাকে এবং বন্য পশু-পাখি একে অপরের প্রতি অনুরক্ত হয়। যখন কিয়ামাত দিবস হবে তখন আল্লাহ তা‘আলা এ রহমাত দ্বারা (একভাগকেও নিরানব্বই ভাগের সাথে মিলিয়ে একশ’) পূর্ণ করবেন। (ই.ফা. ৬৭২৪, ই.সে. ৬৭৭৯)
حدثنا ابن نمير، حدثنا أبو معاوية، عن داود بن أبي هند، عن أبي عثمان، عن سلمان، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " إن الله خلق يوم خلق السموات والأرض مائة رحمة كل رحمة طباق ما بين السماء والأرض فجعل منها في الأرض رحمة فبها تعطف الوالدة على ولدها والوحش والطير بعضها على بعض فإذا كان يوم القيامة أكملها بهذه الرحمة " .
সহিহ মুসলিম ৬৮৭১
حدثني الحسن بن علي الحلواني، ومحمد بن سهل التميمي، - واللفظ لحسن - حدثنا ابن أبي مريم، حدثنا أبو غسان، حدثني زيد بن أسلم، عن أبيه، عن عمر بن الخطاب، أنه قال قدم على رسول الله صلى الله عليه وسلم بسبى فإذا امرأة من السبى تبتغي إذا وجدت صبيا في السبى أخذته فألصقته ببطنها وأرضعته فقال لنا رسول الله صلى الله عليه وسلم " أترون هذه المرأة طارحة ولدها في النار " . قلنا لا والله وهي تقدر على أن لا تطرحه . فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " لله أرحم بعباده من هذه بولدها " .
‘উমার ইবনুল খাত্তাব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, এক সময় কয়েকজন বন্দী রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট নিয়ে আসা হলো। বন্দীদের মধ্যে থেকে একজন নারী কেবলই অনুসন্ধানে রত ছিল। সে বন্দীদের মধ্যে কোন শিশুকে পাওয়া মাত্র তাকে কোলো নিয়ে পেটের সাথে জড়িয়ে ধরে তাকে দুগ্ধ পান করাত। এ দেখে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের প্রশ্ন করলেন, এ মহিলাটি কি তার সন্তানদেরকে আগুনে ফেলতে রাজি হবে? আমরা বললাম, না। আল্লাহর শপথ! সে কোন সময় তার সন্তানকে আগুনে নিক্ষেপ করতে পারবে না। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, সন্তানের উপর এ মহিলাটির দয়া হতেও আল্লাহ বেশি দয়ালু। (ই.ফা. ৬৭২৫, ই.সে. ৬৭৮০)
‘উমার ইবনুল খাত্তাব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, এক সময় কয়েকজন বন্দী রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট নিয়ে আসা হলো। বন্দীদের মধ্যে থেকে একজন নারী কেবলই অনুসন্ধানে রত ছিল। সে বন্দীদের মধ্যে কোন শিশুকে পাওয়া মাত্র তাকে কোলো নিয়ে পেটের সাথে জড়িয়ে ধরে তাকে দুগ্ধ পান করাত। এ দেখে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের প্রশ্ন করলেন, এ মহিলাটি কি তার সন্তানদেরকে আগুনে ফেলতে রাজি হবে? আমরা বললাম, না। আল্লাহর শপথ! সে কোন সময় তার সন্তানকে আগুনে নিক্ষেপ করতে পারবে না। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, সন্তানের উপর এ মহিলাটির দয়া হতেও আল্লাহ বেশি দয়ালু। (ই.ফা. ৬৭২৫, ই.সে. ৬৭৮০)
حدثني الحسن بن علي الحلواني، ومحمد بن سهل التميمي، - واللفظ لحسن - حدثنا ابن أبي مريم، حدثنا أبو غسان، حدثني زيد بن أسلم، عن أبيه، عن عمر بن الخطاب، أنه قال قدم على رسول الله صلى الله عليه وسلم بسبى فإذا امرأة من السبى تبتغي إذا وجدت صبيا في السبى أخذته فألصقته ببطنها وأرضعته فقال لنا رسول الله صلى الله عليه وسلم " أترون هذه المرأة طارحة ولدها في النار " . قلنا لا والله وهي تقدر على أن لا تطرحه . فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " لله أرحم بعباده من هذه بولدها " .
সহিহ মুসলিম ৬৮৭২
حدثنا يحيى بن أيوب، وقتيبة، وابن، حجر جميعا عن إسماعيل بن جعفر، قال ابن أيوب حدثنا إسماعيل، أخبرني العلاء، عن أبيه، عن أبي هريرة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " لو يعلم المؤمن ما عند الله من العقوبة ما طمع بجنته أحد ولو يعلم الكافر ما عند الله من الرحمة ما قنط من جنته أحد " .
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আল্লাহর কাছে যে কি পরিমাণ শাস্তি রয়েছে, ঈমানদারগণ যদি তা জানত তবে কেউ তাঁর কাছে জান্নাতের প্রত্যাশা করত না। এমনিভাবে আল্লাহর কাছে যে পরিমাণ দয়া আছে, অবিশ্বাসীরা যদি তা জানত তবে কেউ তার জান্নাত থেকে নিরাশ হত না। (ই.ফা. ৬৭২৬, ই.সে. ৬৭৮১)
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আল্লাহর কাছে যে কি পরিমাণ শাস্তি রয়েছে, ঈমানদারগণ যদি তা জানত তবে কেউ তাঁর কাছে জান্নাতের প্রত্যাশা করত না। এমনিভাবে আল্লাহর কাছে যে পরিমাণ দয়া আছে, অবিশ্বাসীরা যদি তা জানত তবে কেউ তার জান্নাত থেকে নিরাশ হত না। (ই.ফা. ৬৭২৬, ই.সে. ৬৭৮১)
حدثنا يحيى بن أيوب، وقتيبة، وابن، حجر جميعا عن إسماعيل بن جعفر، قال ابن أيوب حدثنا إسماعيل، أخبرني العلاء، عن أبيه، عن أبي هريرة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " لو يعلم المؤمن ما عند الله من العقوبة ما طمع بجنته أحد ولو يعلم الكافر ما عند الله من الرحمة ما قنط من جنته أحد " .
সহিহ মুসলিম ৬৮৭৩
حدثني محمد بن مرزوق ابن بنت مهدي بن ميمون، حدثنا روح، حدثنا مالك، عن أبي الزناد، عن الأعرج، عن أبي هريرة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " قال رجل لم يعمل حسنة قط لأهله إذا مات فحرقوه ثم اذروا نصفه في البر ونصفه في البحر فوالله لئن قدر الله عليه ليعذبنه عذابا لا يعذبه أحدا من العالمين فلما مات الرجل فعلوا ما أمرهم فأمر الله البر فجمع ما فيه وأمر البحر فجمع ما فيه ثم قال لم فعلت هذا قال من خشيتك يا رب وأنت أعلم . فغفر الله له " .
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ জনৈক লোক যে জীবনে কক্ষনো কোন প্রকার সাওয়াবের কাজ করেনি, যখন সে মারা যাবে তার পরিবার পরিজনকে ডেকে বলল, মৃত্যুর পর তোমরা তাকে পুড়ে ফেলবে সেটার অর্ধেক স্থলভাগে বাতাসে উড়িয়ে দিবে এবং অর্ধেক পানিতে নিক্ষেপ করবে। কারণ আল্লাহর কসম! আমাকে যদি আল্লাহ পুনঃ একত্রিত করতে পারেন তাহলে তিনি আমাকে অবশ্যই এমন ‘আযাব দিবেন, যা পৃথিবীর অন্য কাউকে কখনো দেননি। তারপর লোকটি যখন ইন্তিকাল করল তখন তার পরিবারের লোকেরা তার নির্দেশ অনুযায়ী তদ্রূপ করল। তখন আল্লাহ তা‘আলা স্থলভাগকে আদেশ দিলেন সে তার মধ্যস্থিত যা কিছু আছে (ছাই) একত্রিত করলো। এরপর পানিতে মিশ্রিত ভাগকে নির্দেশ দিলেন। সেও তার মধ্যস্থিত সব কিছু একত্রিত করে দিল। অতঃপর আল্লাহ তা‘আলা তাকে প্রশ্ন করলেন, তুমি এমনটি কেন করলে? সে বলল, হে আমার রব! আপনার ভয়ে। আপনি তো সর্বজ্ঞ। তখন আল্লাহ তা‘আলা সদয় হয়ে তাকে মাফ করে দিলেন। (ই.ফা. ৬৭২৭, ই.সে. ৬৭৮২)
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ জনৈক লোক যে জীবনে কক্ষনো কোন প্রকার সাওয়াবের কাজ করেনি, যখন সে মারা যাবে তার পরিবার পরিজনকে ডেকে বলল, মৃত্যুর পর তোমরা তাকে পুড়ে ফেলবে সেটার অর্ধেক স্থলভাগে বাতাসে উড়িয়ে দিবে এবং অর্ধেক পানিতে নিক্ষেপ করবে। কারণ আল্লাহর কসম! আমাকে যদি আল্লাহ পুনঃ একত্রিত করতে পারেন তাহলে তিনি আমাকে অবশ্যই এমন ‘আযাব দিবেন, যা পৃথিবীর অন্য কাউকে কখনো দেননি। তারপর লোকটি যখন ইন্তিকাল করল তখন তার পরিবারের লোকেরা তার নির্দেশ অনুযায়ী তদ্রূপ করল। তখন আল্লাহ তা‘আলা স্থলভাগকে আদেশ দিলেন সে তার মধ্যস্থিত যা কিছু আছে (ছাই) একত্রিত করলো। এরপর পানিতে মিশ্রিত ভাগকে নির্দেশ দিলেন। সেও তার মধ্যস্থিত সব কিছু একত্রিত করে দিল। অতঃপর আল্লাহ তা‘আলা তাকে প্রশ্ন করলেন, তুমি এমনটি কেন করলে? সে বলল, হে আমার রব! আপনার ভয়ে। আপনি তো সর্বজ্ঞ। তখন আল্লাহ তা‘আলা সদয় হয়ে তাকে মাফ করে দিলেন। (ই.ফা. ৬৭২৭, ই.সে. ৬৭৮২)
حدثني محمد بن مرزوق ابن بنت مهدي بن ميمون، حدثنا روح، حدثنا مالك، عن أبي الزناد، عن الأعرج، عن أبي هريرة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " قال رجل لم يعمل حسنة قط لأهله إذا مات فحرقوه ثم اذروا نصفه في البر ونصفه في البحر فوالله لئن قدر الله عليه ليعذبنه عذابا لا يعذبه أحدا من العالمين فلما مات الرجل فعلوا ما أمرهم فأمر الله البر فجمع ما فيه وأمر البحر فجمع ما فيه ثم قال لم فعلت هذا قال من خشيتك يا رب وأنت أعلم . فغفر الله له " .
সহিহ মুসলিম ৬৮৭৬
حدثني أبو الربيع، سليمان بن داود حدثنا محمد بن حرب، حدثني الزبيدي، قال الزهري حدثني حميد بن عبد الرحمن بن عوف، عن أبي هريرة، قال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " أسرف عبد على نفسه " . بنحو حديث معمر إلى قوله " فغفر الله له " . ولم يذكر حديث المرأة في قصة الهرة وفي حديث الزبيدي قال " فقال الله عز وجل لكل شىء أخذ منه شيئا أد ما أخذت منه " .
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি রসূলুলাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে এ কথা বলতে শুনেছি যে, একজন গোলাম তার নিজের আত্মার প্রতি যুল্ম করেছিল অর্থাৎ সীমাহীন পাপ করেছিল। তারপর তিনি (আরবী) পর্যন্ত মা‘মার-এর বর্ণিত হাদীসের হুবহু বর্ণনা করেছেন। তবে বিড়ালের কাহিনী সম্পর্কিত মহিলার হাদীসটি বর্ণনা করেননি। তবে যুবাইদী (রহঃ)-এর হাদীসে রয়েছে, তারপর আল্লাহ তা‘আলা- যারা তার সর্বাঙ্গ গ্রাস করেছে তাদের বললেন, তার যে যে অংশে তোমরা খেয়ে ফেলেছো, তা সমন্বিত করে দাও। (ই.ফা. ৬৭২৯, ই.সে. ৬৭৮৪)
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি রসূলুলাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে এ কথা বলতে শুনেছি যে, একজন গোলাম তার নিজের আত্মার প্রতি যুল্ম করেছিল অর্থাৎ সীমাহীন পাপ করেছিল। তারপর তিনি (আরবী) পর্যন্ত মা‘মার-এর বর্ণিত হাদীসের হুবহু বর্ণনা করেছেন। তবে বিড়ালের কাহিনী সম্পর্কিত মহিলার হাদীসটি বর্ণনা করেননি। তবে যুবাইদী (রহঃ)-এর হাদীসে রয়েছে, তারপর আল্লাহ তা‘আলা- যারা তার সর্বাঙ্গ গ্রাস করেছে তাদের বললেন, তার যে যে অংশে তোমরা খেয়ে ফেলেছো, তা সমন্বিত করে দাও। (ই.ফা. ৬৭২৯, ই.সে. ৬৭৮৪)
حدثني أبو الربيع، سليمان بن داود حدثنا محمد بن حرب، حدثني الزبيدي، قال الزهري حدثني حميد بن عبد الرحمن بن عوف، عن أبي هريرة، قال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " أسرف عبد على نفسه " . بنحو حديث معمر إلى قوله " فغفر الله له " . ولم يذكر حديث المرأة في قصة الهرة وفي حديث الزبيدي قال " فقال الله عز وجل لكل شىء أخذ منه شيئا أد ما أخذت منه " .
সহিহ মুসলিম ৬৮৭৮
وحدثناه يحيى بن حبيب الحارثي، حدثنا معتمر بن سليمان، قال قال لي أبي حدثنا قتادة، ح وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا الحسن بن موسى، حدثنا شيبان، بن عبد الرحمن ح وحدثنا ابن المثنى، حدثنا أبو الوليد، حدثنا أبو عوانة، كلاهما عن قتادة، ذكروا جميعا بإسناد شعبة نحو حديثه وفي حديث شيبان وأبي عوانة " أن رجلا من الناس رغسه الله مالا وولدا " . وفي حديث التيمي " فإنه لم يبتئر عند الله خيرا " . قال فسرها قتادة لم يدخر عند الله خيرا . وفي حديث شيبان " فإنه والله ما ابتأر عند الله خيرا " . وفي حديث أبي عوانة " ما امتأر " . بالميم .
কাতাদাহ্ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তারা সকলেই শু‘বার সানাদের ন্যয় উক্ত হাদীসটি শু‘বার হাদীসের অবিকল বর্ণনা করেছেন। শাইবান-এর হাদীসে (আরবী)-এর স্থলে (আরবী)-(আল্লাহ তাকে দান করেছেন) বর্ণিত আছে। আর আত্ তাইমীর হাদীসের মধ্যে (আরবী)-এর স্থলে (আরবী) বর্ণিত আছে। কাতাদাহ্ (রহঃ)-এর ব্যাখ্যায় বলেন, সে আল্লাহর কাছে কোন বিষয়ই একত্রিত করেনি। শাইবান-এর হাদীসে আছে, (আরবী) এবং আবূ ‘আওয়ানার হাদীসে আছে (আরবী) বা অক্ষরের স্থলে (আরবী) অক্ষর আছে। (ই.ফা. ৬৭৩১, ই.সে. ৬৭৮৬)
কাতাদাহ্ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তারা সকলেই শু‘বার সানাদের ন্যয় উক্ত হাদীসটি শু‘বার হাদীসের অবিকল বর্ণনা করেছেন। শাইবান-এর হাদীসে (আরবী)-এর স্থলে (আরবী)-(আল্লাহ তাকে দান করেছেন) বর্ণিত আছে। আর আত্ তাইমীর হাদীসের মধ্যে (আরবী)-এর স্থলে (আরবী) বর্ণিত আছে। কাতাদাহ্ (রহঃ)-এর ব্যাখ্যায় বলেন, সে আল্লাহর কাছে কোন বিষয়ই একত্রিত করেনি। শাইবান-এর হাদীসে আছে, (আরবী) এবং আবূ ‘আওয়ানার হাদীসে আছে (আরবী) বা অক্ষরের স্থলে (আরবী) অক্ষর আছে। (ই.ফা. ৬৭৩১, ই.সে. ৬৭৮৬)
وحدثناه يحيى بن حبيب الحارثي، حدثنا معتمر بن سليمان، قال قال لي أبي حدثنا قتادة، ح وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا الحسن بن موسى، حدثنا شيبان، بن عبد الرحمن ح وحدثنا ابن المثنى، حدثنا أبو الوليد، حدثنا أبو عوانة، كلاهما عن قتادة، ذكروا جميعا بإسناد شعبة نحو حديثه وفي حديث شيبان وأبي عوانة " أن رجلا من الناس رغسه الله مالا وولدا " . وفي حديث التيمي " فإنه لم يبتئر عند الله خيرا " . قال فسرها قتادة لم يدخر عند الله خيرا . وفي حديث شيبان " فإنه والله ما ابتأر عند الله خيرا " . وفي حديث أبي عوانة " ما امتأر " . بالميم .
সহিহ মুসলিম ৬৮৭৭
حدثني عبيد الله بن معاذ العنبري، حدثنا أبي، حدثنا شعبة، عن قتادة، سمع عقبة بن عبد الغافر، يقول سمعت أبا سعيد الخدري، يحدث عن النبي صلى الله عليه وسلم " أن رجلا فيمن كان قبلكم راشه الله مالا وولدا فقال لولده لتفعلن ما آمركم به أو لأولين ميراثي غيركم إذا أنا مت فأحرقوني - وأكثر علمي أنه قال - ثم اسحقوني واذروني في الريح فإني لم أبتهر عند الله خيرا وإن الله يقدر على أن يعذبني - قال - فأخذ منهم ميثاقا ففعلوا ذلك به وربي فقال الله ما حملك على ما فعلت فقال مخافتك . قال فما تلافاه غيرها " .
আবূ সা‘ঈদ আল খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে বর্ণনা করলে, (তিনি বলেছেন,) আগের যুগের এক লোক ছিল। আল্লাহ তা‘আলা তাকে অনেক সন্তান এবং অনেক প্রাচুর্য দিয়েছিলেন। সে তার সন্তান-সন্ততিদের বলল, আমি যা তোমাদের আদেশ করব অবশ্যই তোমরা তা করবে নচেৎ আমি অন্য কাউকে আমার ধন-সম্পদের উত্তরাধিকার করে দিব। আমি যখন মরে যাবো তখন তোমরা আমাকে আগুনে জ্বালিয়ে ফেলবে। বর্ণনাকারী বলেন, আমার মনে হয় যে, সে এও বলেছে যে, তারপর আমাকে পিষে বাতাসে উড়িয়ে দিবে। কারণ আল্লাহর কাছে আগে আমি কোন সাওয়াব পাঠাইনি। আল্লাহ তা‘আলা আমাকে সাজা দেয়ার উপর শক্তি রাখেন। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, এ বিষয়ে সে তার সন্তানদের থেকে স্বীকারোক্তি গ্রহণ করল। এরপর তারা তার পিতার ক্ষেত্রে তেমনি করল। আমার রবের কসম! এরপর আল্লাহ তা‘আলা তাকে প্রশ্ন করলেন, এ কর্ম করার বিষয়ে কিসে তোমাকে উৎসাহিত করেছে? সে বলল, আপনার ভয়ে। এ কথা শুনে আল্লাহ তাকে আর কোন ‘আযাব দেননি। (ই.ফা. ৬৭৩০, ই.সে. ৬৭৮৫)
আবূ সা‘ঈদ আল খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে বর্ণনা করলে, (তিনি বলেছেন,) আগের যুগের এক লোক ছিল। আল্লাহ তা‘আলা তাকে অনেক সন্তান এবং অনেক প্রাচুর্য দিয়েছিলেন। সে তার সন্তান-সন্ততিদের বলল, আমি যা তোমাদের আদেশ করব অবশ্যই তোমরা তা করবে নচেৎ আমি অন্য কাউকে আমার ধন-সম্পদের উত্তরাধিকার করে দিব। আমি যখন মরে যাবো তখন তোমরা আমাকে আগুনে জ্বালিয়ে ফেলবে। বর্ণনাকারী বলেন, আমার মনে হয় যে, সে এও বলেছে যে, তারপর আমাকে পিষে বাতাসে উড়িয়ে দিবে। কারণ আল্লাহর কাছে আগে আমি কোন সাওয়াব পাঠাইনি। আল্লাহ তা‘আলা আমাকে সাজা দেয়ার উপর শক্তি রাখেন। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, এ বিষয়ে সে তার সন্তানদের থেকে স্বীকারোক্তি গ্রহণ করল। এরপর তারা তার পিতার ক্ষেত্রে তেমনি করল। আমার রবের কসম! এরপর আল্লাহ তা‘আলা তাকে প্রশ্ন করলেন, এ কর্ম করার বিষয়ে কিসে তোমাকে উৎসাহিত করেছে? সে বলল, আপনার ভয়ে। এ কথা শুনে আল্লাহ তাকে আর কোন ‘আযাব দেননি। (ই.ফা. ৬৭৩০, ই.সে. ৬৭৮৫)
حدثني عبيد الله بن معاذ العنبري، حدثنا أبي، حدثنا شعبة، عن قتادة، سمع عقبة بن عبد الغافر، يقول سمعت أبا سعيد الخدري، يحدث عن النبي صلى الله عليه وسلم " أن رجلا فيمن كان قبلكم راشه الله مالا وولدا فقال لولده لتفعلن ما آمركم به أو لأولين ميراثي غيركم إذا أنا مت فأحرقوني - وأكثر علمي أنه قال - ثم اسحقوني واذروني في الريح فإني لم أبتهر عند الله خيرا وإن الله يقدر على أن يعذبني - قال - فأخذ منهم ميثاقا ففعلوا ذلك به وربي فقال الله ما حملك على ما فعلت فقال مخافتك . قال فما تلافاه غيرها " .
সহিহ মুসলিম ৬৮৭৪
حدثنا محمد بن رافع، وعبد بن حميد، قال عبد أخبرنا وقال ابن رافع، - واللفظ له - حدثنا عبد الرزاق، أخبرنا معمر، قال قال لي الزهري ألا أحدثك بحديثين عجيبين قال الزهري أخبرني حميد بن عبد الرحمن عن أبي هريرة عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " أسرف رجل على نفسه فلما حضره الموت أوصى بنيه فقال إذا أنا مت فأحرقوني ثم اسحقوني ثم اذروني في الريح في البحر فوالله لئن قدر على ربي ليعذبني عذابا ما عذبه به أحدا . قال ففعلوا ذلك به فقال للأرض أدي ما أخذت . فإذا هو قائم فقال له ما حملك على ما صنعت فقال خشيتك يا رب - أو قال - مخافتك . فغفر له بذلك " .
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ)-এর সূত্রে নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেছেন, এক লোক তার নিজের উপর সীমাহীন পাপ করেছে। এরপর যখন মৃত্যু সমুপস্থিত তখন সে তার সন্তান-সন্ততিদেরকে ওয়াসীয়াত করে বলল, আমার ইন্তিকালের পর তোমরা আমাকে আগুনে পুড়িয়ে ছাইগুলোকে ভালোভাবে পিষবে। তারপর আমাকে সমুদ্রের মধ্যে বাতাসে ছেড়ে দিবে। আল্লাহর শপথ! আল্লাহ যদি আমাকে পেয়ে যান, তবে নিশ্চিতই তিনি আমাকে এমন ‘আযাব দিবেন, যা তিনি আর কাউকে দেননি। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, সন্তানগণ তার সঙ্গে হুবহু তাই করল। এরপর আল্লাহ তা‘আলা মাটিকে বললেন, তুমি তার যে ছাই ধারণ করছো তা একত্রিত করে দাও। ফলে সে সোজা হঠাৎ দাঁড়িয়ে গেল। তখন আল্লাহ তাকে জিজ্ঞেস করলেন, এ কর্ম করার কারণে কিসে তোমাকে উৎসাহিত করেছে? উত্তরে সে বলল, (আরবী) অথবা (আরবী)–আপনার ভয়ে। এ কথার প্রেক্ষিতে আল্লাহ সদয় হয়ে তাকে মাফ করে দেন। (ই.ফা. ৬৭২৮, ই.সে. ৬৭৮৩)
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ)-এর সূত্রে নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেছেন, এক লোক তার নিজের উপর সীমাহীন পাপ করেছে। এরপর যখন মৃত্যু সমুপস্থিত তখন সে তার সন্তান-সন্ততিদেরকে ওয়াসীয়াত করে বলল, আমার ইন্তিকালের পর তোমরা আমাকে আগুনে পুড়িয়ে ছাইগুলোকে ভালোভাবে পিষবে। তারপর আমাকে সমুদ্রের মধ্যে বাতাসে ছেড়ে দিবে। আল্লাহর শপথ! আল্লাহ যদি আমাকে পেয়ে যান, তবে নিশ্চিতই তিনি আমাকে এমন ‘আযাব দিবেন, যা তিনি আর কাউকে দেননি। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, সন্তানগণ তার সঙ্গে হুবহু তাই করল। এরপর আল্লাহ তা‘আলা মাটিকে বললেন, তুমি তার যে ছাই ধারণ করছো তা একত্রিত করে দাও। ফলে সে সোজা হঠাৎ দাঁড়িয়ে গেল। তখন আল্লাহ তাকে জিজ্ঞেস করলেন, এ কর্ম করার কারণে কিসে তোমাকে উৎসাহিত করেছে? উত্তরে সে বলল, (আরবী) অথবা (আরবী)–আপনার ভয়ে। এ কথার প্রেক্ষিতে আল্লাহ সদয় হয়ে তাকে মাফ করে দেন। (ই.ফা. ৬৭২৮, ই.সে. ৬৭৮৩)
حدثنا محمد بن رافع، وعبد بن حميد، قال عبد أخبرنا وقال ابن رافع، - واللفظ له - حدثنا عبد الرزاق، أخبرنا معمر، قال قال لي الزهري ألا أحدثك بحديثين عجيبين قال الزهري أخبرني حميد بن عبد الرحمن عن أبي هريرة عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " أسرف رجل على نفسه فلما حضره الموت أوصى بنيه فقال إذا أنا مت فأحرقوني ثم اسحقوني ثم اذروني في الريح في البحر فوالله لئن قدر على ربي ليعذبني عذابا ما عذبه به أحدا . قال ففعلوا ذلك به فقال للأرض أدي ما أخذت . فإذا هو قائم فقال له ما حملك على ما صنعت فقال خشيتك يا رب - أو قال - مخافتك . فغفر له بذلك " .
সহিহ মুসলিম ৬৮৬৩
حدثني زهير بن حرب، حدثنا سفيان بن عيينة، عن أبي الزناد، عن الأعرج، عن أبي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم " قال الله عز وجل سبقت رحمتي غضبي " .
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ)-এর সু্ত্রে নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্নিতঃ
আল্লাহ তা‘আলা বলেছেন, আমার গোস্বাকে আমার রহমাত অতিক্রম করেছে। (ই.ফা. ৬৭১৭, ই.সে. ৬৭৭৩)
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ)-এর সু্ত্রে নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্নিতঃ
আল্লাহ তা‘আলা বলেছেন, আমার গোস্বাকে আমার রহমাত অতিক্রম করেছে। (ই.ফা. ৬৭১৭, ই.সে. ৬৭৭৩)
حدثني زهير بن حرب، حدثنا سفيان بن عيينة، عن أبي الزناد، عن الأعرج، عن أبي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم " قال الله عز وجل سبقت رحمتي غضبي " .
সহিহ মুসলিম ৬৮৭৫
قال الزهري وحدثني حميد، عن أبي هريرة، عن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " دخلت امرأة النار في هرة ربطتها فلا هي أطعمتها ولا هي أرسلتها تأكل من خشاش الأرض حتى ماتت هزلا " . قال الزهري ذلك لئلا يتكل رجل ولا ييأس رجل .
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ)-এর সূত্রে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেছেন, জনৈক মহিলা একটি বিড়ালের কারণে জাহান্নামে প্রবেশ করেছে। সে বিড়ালটি বেঁধে রেখেছিল; অথচ তাকে কোন আহারও প্রদান করেনি এবং জমি থেকে কীট-পতঙ্গ বা ঘাসপাতা খাবার জন্য তাকে ছেড়েও দেয়নি। এমনিভাবে বিড়ালটির মৃত্যু হয়। যুহরী (রহঃ) বলেন, উপরোল্লিখিত হাদীস দু’টো এ কারণেই আলোচনা করা হয়েছে, যেন মানুষ ‘আমাল পরিত্যাগ করে আল্লাহর রহমাতের উপর ভরসা করে বসে না থাকে (পাপরাশিতে ডুবে না থাকে) এবং যেন মানুষ আল্লাহর অনুগ্রহ থেকে (‘আযাবের ভয়ে) নিরাশ না হয়ে যায়। (ই.ফা. ৬৭২৮, ই.সে. ৬৭৮৩)
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ)-এর সূত্রে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেছেন, জনৈক মহিলা একটি বিড়ালের কারণে জাহান্নামে প্রবেশ করেছে। সে বিড়ালটি বেঁধে রেখেছিল; অথচ তাকে কোন আহারও প্রদান করেনি এবং জমি থেকে কীট-পতঙ্গ বা ঘাসপাতা খাবার জন্য তাকে ছেড়েও দেয়নি। এমনিভাবে বিড়ালটির মৃত্যু হয়। যুহরী (রহঃ) বলেন, উপরোল্লিখিত হাদীস দু’টো এ কারণেই আলোচনা করা হয়েছে, যেন মানুষ ‘আমাল পরিত্যাগ করে আল্লাহর রহমাতের উপর ভরসা করে বসে না থাকে (পাপরাশিতে ডুবে না থাকে) এবং যেন মানুষ আল্লাহর অনুগ্রহ থেকে (‘আযাবের ভয়ে) নিরাশ না হয়ে যায়। (ই.ফা. ৬৭২৮, ই.সে. ৬৭৮৩)
قال الزهري وحدثني حميد، عن أبي هريرة، عن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " دخلت امرأة النار في هرة ربطتها فلا هي أطعمتها ولا هي أرسلتها تأكل من خشاش الأرض حتى ماتت هزلا " . قال الزهري ذلك لئلا يتكل رجل ولا ييأس رجل .
সহিহ মুসলিম ৬৮৬৯
وحدثناه محمد بن عبد الأعلى، حدثنا المعتمر، عن أبيه، بهذا الإسناد .
মু‘তামির-এর পিতা থেকে বর্নিতঃ
উপরোক্ত সূত্রে হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৬৭২৩, ই.সে. ৬৭৭৯)
মু‘তামির-এর পিতা থেকে বর্নিতঃ
উপরোক্ত সূত্রে হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৬৭২৩, ই.সে. ৬৭৭৯)
وحدثناه محمد بن عبد الأعلى، حدثنا المعتمر، عن أبيه، بهذا الإسناد .
সহিহ মুসলিম > বার বার পাপ করা ও তাওবাহ্ করার কারণেও তাওবাহ্ গৃহীত হওয়ার বর্ণনা
সহিহ মুসলিম ৬৮৮১
حدثني عبد بن حميد، حدثني أبو الوليد، حدثنا همام، حدثنا إسحاق بن عبد الله، بن أبي طلحة قال كان بالمدينة قاص يقال له عبد الرحمن بن أبي عمرة - قال - فسمعته يقول سمعت أبا هريرة يقول سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " إن عبدا أذنب ذنبا " . بمعنى حديث حماد بن سلمة . وذكر ثلاث مرات " أذنب ذنبا " . وفي الثالثة " قد غفرت لعبدي فليعمل ما شاء " .
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে ‘এক লোক পাপ করল’ এ মর্মে একটি হাদীস বর্ণনা করতে শুনেছি। এরপর রাবী‘ হাম্মাদ ইবনু সালামার অবিকল হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। তবে এ হাদীসের মাঝে (আরবী)-কথাটি তিনবার বর্ণিত আছে এবং তৃতীয়বারের পর রয়েছে- ‘আমি আমার বান্দাকে ক্ষমা করে দিলাম।’ তাই এখন সে যা ইচ্ছা তা ‘আমাল করুক। (ই.ফা. ৬৭৩৩, ই.সে. ৬৭৮৯)
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে ‘এক লোক পাপ করল’ এ মর্মে একটি হাদীস বর্ণনা করতে শুনেছি। এরপর রাবী‘ হাম্মাদ ইবনু সালামার অবিকল হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। তবে এ হাদীসের মাঝে (আরবী)-কথাটি তিনবার বর্ণিত আছে এবং তৃতীয়বারের পর রয়েছে- ‘আমি আমার বান্দাকে ক্ষমা করে দিলাম।’ তাই এখন সে যা ইচ্ছা তা ‘আমাল করুক। (ই.ফা. ৬৭৩৩, ই.সে. ৬৭৮৯)
حدثني عبد بن حميد، حدثني أبو الوليد، حدثنا همام، حدثنا إسحاق بن عبد الله، بن أبي طلحة قال كان بالمدينة قاص يقال له عبد الرحمن بن أبي عمرة - قال - فسمعته يقول سمعت أبا هريرة يقول سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " إن عبدا أذنب ذنبا " . بمعنى حديث حماد بن سلمة . وذكر ثلاث مرات " أذنب ذنبا " . وفي الثالثة " قد غفرت لعبدي فليعمل ما شاء " .
সহিহ মুসলিম ৬৮৮২
حدثنا محمد بن المثنى، حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، عن عمرو بن مرة، قال سمعت أبا عبيدة، يحدث عن أبي موسى، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " إن الله عز وجل يبسط يده بالليل ليتوب مسيء النهار ويبسط يده بالنهار ليتوب مسيء الليل حتى تطلع الشمس من مغربها " .
আবূ মূসা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, রাতে আল্লাহ তা‘আলা তার নিজ দয়ার হাত প্রসারিত করেন যেন দিবসের অপরাধী তার নিকট তাওবাহ্ করে এমনিভাবে দিনে তিনি তার নিজ হাত প্রশস্ত করেন যেন রাতের অপরাধী তার নিকট তাওবাহ্ করে। এমনিভাবে দৈনন্দিন চলতে থাকবে পশ্চিম দিগন্ত থেকে সূর্য উদিত হওয়া পর্যন্ত। (ই.ফা. ৬৭৩৪, ই.সে. ৬৭৯০)
আবূ মূসা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, রাতে আল্লাহ তা‘আলা তার নিজ দয়ার হাত প্রসারিত করেন যেন দিবসের অপরাধী তার নিকট তাওবাহ্ করে এমনিভাবে দিনে তিনি তার নিজ হাত প্রশস্ত করেন যেন রাতের অপরাধী তার নিকট তাওবাহ্ করে। এমনিভাবে দৈনন্দিন চলতে থাকবে পশ্চিম দিগন্ত থেকে সূর্য উদিত হওয়া পর্যন্ত। (ই.ফা. ৬৭৩৪, ই.সে. ৬৭৯০)
حدثنا محمد بن المثنى، حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، عن عمرو بن مرة، قال سمعت أبا عبيدة، يحدث عن أبي موسى، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " إن الله عز وجل يبسط يده بالليل ليتوب مسيء النهار ويبسط يده بالنهار ليتوب مسيء الليل حتى تطلع الشمس من مغربها " .
সহিহ মুসলিম ৬৮৭৯
حدثني عبد الأعلى بن حماد، حدثنا حماد بن سلمة، عن إسحاق بن عبد الله، بن أبي طلحة عن عبد الرحمن بن أبي عمرة، عن أبي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم فيما يحكي عن ربه عز وجل قال " أذنب عبد ذنبا فقال اللهم اغفر لي ذنبي . فقال تبارك وتعالى أذنب عبدي ذنبا فعلم أن له ربا يغفر الذنب ويأخذ بالذنب . ثم عاد فأذنب فقال أى رب اغفر لي ذنبي . فقال تبارك وتعالى عبدي أذنب ذنبا فعلم أن له ربا يغفر الذنب ويأخذ بالذنب . ثم عاد فأذنب فقال أى رب اغفر لي ذنبي . فقال تبارك وتعالى أذنب عبدي ذنبا فعلم أن له ربا يغفر الذنب ويأخذ بالذنب واعمل ما شئت فقد غفرت لك " . قال عبد الأعلى لا أدري أقال في الثالثة أو الرابعة " اعمل ما شئت " .
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ)-এর সূত্রে নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্নিতঃ
তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) স্বীয় রব আল্লাহ রাব্বুল ‘আলামীন হতে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন, জনৈক বান্দা পাপ করে বলল, হে আমার রব! আমার পাপ মার্জনা করে দাও। তারপর আল্লাহ তা‘আলা বললেন, আমার বান্দা পাপ করেছে এবং সে জানে যে, তার একজন রব আছে, যিনি পাপ মার্জনা করেন এবং পাপের কারণে ধরেন। এ কথা বলার পর সে আবার পাপ করল এবং বলল, হে আমার রব। আমার পাপ ক্ষমা করে দাও। তারপর আল্লাহ তা‘আলা বললেন, আমার এক বান্দা পাপ করেছে এবং সে জানে যে, তার একজন রব আছে যিনি পাপ মার্জনা করেন এবং পাপের কারণে শাস্তি দিতে পারেন। তারপর সে পুনরায় পাপ করে বলল, হে আমার রব! আমার পাপ মাফ করে দাও। এ কথা শুনে আল্লাহ তা‘আলা পুনরায় বলেন, আমার বান্দা পাপ করেছে এবং সে জানে যে, তার একজন প্রভু আছে, যিনি বান্দার পাপ মার্জনা করেন এবং পাপের কারণে পাকড়াও করেন। তারপর আল্লাহ তা‘আলা বলেন, হে বান্দা! এখন যা ইচ্ছা তুমি ‘আমাল করো। আমি তোমার গুনাহ মাফ করে দিয়েছি। বর্ণনাকারী ‘আবদুল আ’লা বলেন, “এখন যা ইচ্ছা তুমি ‘আমাল করো” কথাটি আল্লাহ তা‘আলা তৃতীয়বারের পর বলেছেন, না চতুর্থবারের পর বলেছেন, তা আমি জানি না। (ই.ফা. ৬৭৩২, ই.সে. ৬৭৮৭)
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ)-এর সূত্রে নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্নিতঃ
তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) স্বীয় রব আল্লাহ রাব্বুল ‘আলামীন হতে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন, জনৈক বান্দা পাপ করে বলল, হে আমার রব! আমার পাপ মার্জনা করে দাও। তারপর আল্লাহ তা‘আলা বললেন, আমার বান্দা পাপ করেছে এবং সে জানে যে, তার একজন রব আছে, যিনি পাপ মার্জনা করেন এবং পাপের কারণে ধরেন। এ কথা বলার পর সে আবার পাপ করল এবং বলল, হে আমার রব। আমার পাপ ক্ষমা করে দাও। তারপর আল্লাহ তা‘আলা বললেন, আমার এক বান্দা পাপ করেছে এবং সে জানে যে, তার একজন রব আছে যিনি পাপ মার্জনা করেন এবং পাপের কারণে শাস্তি দিতে পারেন। তারপর সে পুনরায় পাপ করে বলল, হে আমার রব! আমার পাপ মাফ করে দাও। এ কথা শুনে আল্লাহ তা‘আলা পুনরায় বলেন, আমার বান্দা পাপ করেছে এবং সে জানে যে, তার একজন প্রভু আছে, যিনি বান্দার পাপ মার্জনা করেন এবং পাপের কারণে পাকড়াও করেন। তারপর আল্লাহ তা‘আলা বলেন, হে বান্দা! এখন যা ইচ্ছা তুমি ‘আমাল করো। আমি তোমার গুনাহ মাফ করে দিয়েছি। বর্ণনাকারী ‘আবদুল আ’লা বলেন, “এখন যা ইচ্ছা তুমি ‘আমাল করো” কথাটি আল্লাহ তা‘আলা তৃতীয়বারের পর বলেছেন, না চতুর্থবারের পর বলেছেন, তা আমি জানি না। (ই.ফা. ৬৭৩২, ই.সে. ৬৭৮৭)
حدثني عبد الأعلى بن حماد، حدثنا حماد بن سلمة، عن إسحاق بن عبد الله، بن أبي طلحة عن عبد الرحمن بن أبي عمرة، عن أبي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم فيما يحكي عن ربه عز وجل قال " أذنب عبد ذنبا فقال اللهم اغفر لي ذنبي . فقال تبارك وتعالى أذنب عبدي ذنبا فعلم أن له ربا يغفر الذنب ويأخذ بالذنب . ثم عاد فأذنب فقال أى رب اغفر لي ذنبي . فقال تبارك وتعالى عبدي أذنب ذنبا فعلم أن له ربا يغفر الذنب ويأخذ بالذنب . ثم عاد فأذنب فقال أى رب اغفر لي ذنبي . فقال تبارك وتعالى أذنب عبدي ذنبا فعلم أن له ربا يغفر الذنب ويأخذ بالذنب واعمل ما شئت فقد غفرت لك " . قال عبد الأعلى لا أدري أقال في الثالثة أو الرابعة " اعمل ما شئت " .
সহিহ মুসলিম ৬৮৮০
قال أبو أحمد حدثني محمد بن زنجويه القرشي القشيري، حدثنا عبد الأعلى، بن حماد النرسي بهذا الإسناد .
‘আবদুল আ’লা ইবনু হাম্মাদ আন্ নার্সী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
উপরোক্ত সূত্রে অবিকল হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৬৭৩২, ই.সে. ৬৭৮৮)
‘আবদুল আ’লা ইবনু হাম্মাদ আন্ নার্সী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
উপরোক্ত সূত্রে অবিকল হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৬৭৩২, ই.সে. ৬৭৮৮)
قال أبو أحمد حدثني محمد بن زنجويه القرشي القشيري، حدثنا عبد الأعلى، بن حماد النرسي بهذا الإسناد .
সহিহ মুসলিম ৬৮৮৩
وحدثنا محمد بن بشار، حدثنا أبو داود، حدثنا شعبة، بهذا الإسناد نحوه .
শুবাহ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
শুবাহ (রহঃ) থেকে এ সূত্রে অবিকল হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৭৩৫, ইসলামিক সেন্টার ৬৭৯১)
শুবাহ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
শুবাহ (রহঃ) থেকে এ সূত্রে অবিকল হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৭৩৫, ইসলামিক সেন্টার ৬৭৯১)
وحدثنا محمد بن بشار، حدثنا أبو داود، حدثنا شعبة، بهذا الإسناد نحوه .