সহিহ মুসলিম > তাওবার প্রতি উৎসাহ প্রদান ও তার মাধ্যমে মুক্তি লাভ করা
সহিহ মুসলিম ৬৮৫০
وحدثني إسحاق بن منصور، حدثنا أبو أسامة، حدثنا الأعمش، حدثنا عمارة، بن عمير قال سمعت الحارث بن سويد، قال حدثني عبد الله، حديثين أحدهما عن رسول الله صلى الله عليه وسلم والآخر عن نفسه فقال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " لله أشد فرحا بتوبة عبده المؤمن " . بمثل حديث جرير .
‘উমারাহ্ ইবনু ‘উমায়র (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি হারিস ইবনু সুওয়াইদকে এ কথা বলতে শুনেছি যে, তিনি বলেন, ‘আবদুল্লাহ আমার কাছে দু’টি হাদীস বর্ণনা করেছেন। একটি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে এবং অপরটি তার নিজের তরফ থেকে। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আল্লাহ তাঁর মু’মিন বান্দার তাওবার কারণে বেশি খুশী হন। জারীর-এর হাদীসের অবিকল। (ই.ফা. ৬৭০৫, ই.সে. ৬৭৬০)
‘উমারাহ্ ইবনু ‘উমায়র (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি হারিস ইবনু সুওয়াইদকে এ কথা বলতে শুনেছি যে, তিনি বলেন, ‘আবদুল্লাহ আমার কাছে দু’টি হাদীস বর্ণনা করেছেন। একটি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে এবং অপরটি তার নিজের তরফ থেকে। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আল্লাহ তাঁর মু’মিন বান্দার তাওবার কারণে বেশি খুশী হন। জারীর-এর হাদীসের অবিকল। (ই.ফা. ৬৭০৫, ই.সে. ৬৭৬০)
وحدثني إسحاق بن منصور، حدثنا أبو أسامة، حدثنا الأعمش، حدثنا عمارة، بن عمير قال سمعت الحارث بن سويد، قال حدثني عبد الله، حديثين أحدهما عن رسول الله صلى الله عليه وسلم والآخر عن نفسه فقال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " لله أشد فرحا بتوبة عبده المؤمن " . بمثل حديث جرير .
সহিহ মুসলিম ৬৮৫৩
حدثنا محمد بن الصباح، وزهير بن حرب، قالا حدثنا عمر بن يونس، حدثنا عكرمة بن عمار، حدثنا إسحاق بن عبد الله بن أبي طلحة، حدثنا أنس بن مالك، - وهو عمه - قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " لله أشد فرحا بتوبة عبده حين يتوب إليه من أحدكم كان على راحلته بأرض فلاة فانفلتت منه وعليها طعامه وشرابه فأيس منها فأتى شجرة فاضطجع في ظلها قد أيس من راحلته فبينا هو كذلك إذا هو بها قائمة عنده فأخذ بخطامها ثم قال من شدة الفرح اللهم أنت عبدي وأنا ربك . أخطأ من شدة الفرح " .
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ বান্দা যখন আল্লাহর কাছে তাওবাহ্ করে তখন আল্লাহ ঐ লোকের চেয়েও বেশি আনন্দিত হন, যে মরুভূমিতে নিজ সওয়ারীর উপর আরোহিত ছিল। তারপর সাওয়ারীটি তার হতে হারিয়ে যায়। আর তার উপর ছিল তার খাদ্য ও পানীয়। এরপর নিরাশ হয়ে সে একটি গাছের ছায়ায় এসে আরাম করে এবং তার উটটি সম্বন্ধে সম্পূর্ণরূপে নিরাশ হয়ে পড়ে। এমতাবস্থায় হঠাৎ উটটি তার কাছে এসে দাঁড়ায়। অমনিই সে তার লাগাম ধরে ফেলে। এরপর সে আনন্দে আত্মহারা হয়ে বলে উঠে, হে আল্লাহ! তুমি আমার বান্দা, আমি তোমার রব। আনন্দে আত্মহারা হয়ে সে ভুল করে ফেলেছে। (ই.ফা. ৬৭০৮, ই.সে. ৬৭৬৩)
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ বান্দা যখন আল্লাহর কাছে তাওবাহ্ করে তখন আল্লাহ ঐ লোকের চেয়েও বেশি আনন্দিত হন, যে মরুভূমিতে নিজ সওয়ারীর উপর আরোহিত ছিল। তারপর সাওয়ারীটি তার হতে হারিয়ে যায়। আর তার উপর ছিল তার খাদ্য ও পানীয়। এরপর নিরাশ হয়ে সে একটি গাছের ছায়ায় এসে আরাম করে এবং তার উটটি সম্বন্ধে সম্পূর্ণরূপে নিরাশ হয়ে পড়ে। এমতাবস্থায় হঠাৎ উটটি তার কাছে এসে দাঁড়ায়। অমনিই সে তার লাগাম ধরে ফেলে। এরপর সে আনন্দে আত্মহারা হয়ে বলে উঠে, হে আল্লাহ! তুমি আমার বান্দা, আমি তোমার রব। আনন্দে আত্মহারা হয়ে সে ভুল করে ফেলেছে। (ই.ফা. ৬৭০৮, ই.সে. ৬৭৬৩)
حدثنا محمد بن الصباح، وزهير بن حرب، قالا حدثنا عمر بن يونس، حدثنا عكرمة بن عمار، حدثنا إسحاق بن عبد الله بن أبي طلحة، حدثنا أنس بن مالك، - وهو عمه - قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " لله أشد فرحا بتوبة عبده حين يتوب إليه من أحدكم كان على راحلته بأرض فلاة فانفلتت منه وعليها طعامه وشرابه فأيس منها فأتى شجرة فاضطجع في ظلها قد أيس من راحلته فبينا هو كذلك إذا هو بها قائمة عنده فأخذ بخطامها ثم قال من شدة الفرح اللهم أنت عبدي وأنا ربك . أخطأ من شدة الفرح " .
সহিহ মুসলিম ৬৮৪৬
حدثني عبد الله بن مسلمة بن قعنب القعنبي، حدثنا المغيرة، - يعني ابن عبد الرحمن الحزامي - عن أبي الزناد، عن الأعرج، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " لله أشد فرحا بتوبة أحدكم من أحدكم بضالته إذا وجدها " .
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমাদের কোন লোক হারানো প্রাণী পাওয়ার পর যে সমান আনন্দিত হয়, তোমাদের তাওবার কারণে আল্লাহ তা‘আলা এর চেয়েও বেশি খুশী হন। (ই. ফা. ৬৭০১, ই. সে. ৬৭৫৬)
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমাদের কোন লোক হারানো প্রাণী পাওয়ার পর যে সমান আনন্দিত হয়, তোমাদের তাওবার কারণে আল্লাহ তা‘আলা এর চেয়েও বেশি খুশী হন। (ই. ফা. ৬৭০১, ই. সে. ৬৭৫৬)
حدثني عبد الله بن مسلمة بن قعنب القعنبي، حدثنا المغيرة، - يعني ابن عبد الرحمن الحزامي - عن أبي الزناد، عن الأعرج، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " لله أشد فرحا بتوبة أحدكم من أحدكم بضالته إذا وجدها " .
সহিহ মুসলিম ৬৮৫১
حدثنا عبيد الله بن معاذ العنبري، حدثنا أبي، حدثنا أبو يونس، عن سماك، قال خطب النعمان بن بشير فقال " لله أشد فرحا بتوبة عبده من رجل حمل زاده ومزاده على بعير ثم سار حتى كان بفلاة من الأرض فأدركته القائلة فنزل فقال تحت شجرة فغلبته عينه وانسل بعيره فاستيقظ فسعى شرفا فلم ير شيئا ثم سعى شرفا ثانيا فلم ير شيئا ثم سعى شرفا ثالثا فلم ير شيئا فأقبل حتى أتى مكانه الذي قال فيه فبينما هو قاعد إذ جاءه بعيره يمشي حتى وضع خطامه في يده فلله أشد فرحا بتوبة العبد من هذا حين وجد بعيره على حاله " . قال سماك فزعم الشعبي أن النعمان رفع هذا الحديث إلى النبي صلى الله عليه وسلم وأما أنا فلم أسمعه .
সিমাক (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, একদা নু‘মান ইবনু বাশীর (রাঃ) খুত্বাহ্ দিতে গিয়ে বললেন, আল্লাহ তাঁর বান্দার তাওবার কারণে ঐ লোক হতেও বেশি আনন্দিত হন যে তার একটি উটের উপর সহায় সম্বল বহন করে সফরে বের হয়েছে। আর অবশেষে এক জনমানবহীন মাঠে উপস্থিত হয়। এমতাবস্থায় দুপুর হয়ে যায়। তখন সে নেমে বৃক্ষের তলায় বিশ্রাম করতে থাকে। সে গভীর ঘুমে নিমগ্ন হয় এবং তার উটটি চলে যায়। সে সজাগ হয়ে ঐ টিলায় দৌড়ে গেল, অতঃপর সে কোন কিছু দেখতে পেল না। তারপর সে অপর টিলায় দৌড়ে উঠল কিন্তু সেখানেও কোন কিছু দেখতে পেল না। তারপর সে তৃতীয় এক টিলার উপরে উঠে, কিন্তু সেকানেও কোন কিছু দেখতে পেল না। অবশেষে হতাশ হয়ে সে বিশ্রামাগারে ফিরে গিয়ে সেখানে এসে বসে থাকে। এমন সময় হঠাৎ হাঁটতে হাঁটতে উটটি তার কাছে চলে আসে। অমনি সে তার হাতে এর লাগাম চেপে ধরে। আল্লাহ তার মু’মিন বান্দার তাওবার কারণে ঐ উট প্রাপ্ত লোকের চেয়েও বেশি খুশী হন। বর্ণনাকারী সিমাক (রহঃ) বলেন, শা‘বী (রহঃ) বলেছেন, নু‘মান এ হাদীসটি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে মারফূ‘ হিসেবে বর্ণনা করেছেন। তবে আমি (সিমাক) নু‘মান (রাঃ)-কে হাদীসটি মারফূ‘ভাবে বর্ণনা করতে শুনিনি। (ই.ফা. ৬৭০৬, ই.সে. ৬৭৬১)
সিমাক (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, একদা নু‘মান ইবনু বাশীর (রাঃ) খুত্বাহ্ দিতে গিয়ে বললেন, আল্লাহ তাঁর বান্দার তাওবার কারণে ঐ লোক হতেও বেশি আনন্দিত হন যে তার একটি উটের উপর সহায় সম্বল বহন করে সফরে বের হয়েছে। আর অবশেষে এক জনমানবহীন মাঠে উপস্থিত হয়। এমতাবস্থায় দুপুর হয়ে যায়। তখন সে নেমে বৃক্ষের তলায় বিশ্রাম করতে থাকে। সে গভীর ঘুমে নিমগ্ন হয় এবং তার উটটি চলে যায়। সে সজাগ হয়ে ঐ টিলায় দৌড়ে গেল, অতঃপর সে কোন কিছু দেখতে পেল না। তারপর সে অপর টিলায় দৌড়ে উঠল কিন্তু সেখানেও কোন কিছু দেখতে পেল না। তারপর সে তৃতীয় এক টিলার উপরে উঠে, কিন্তু সেকানেও কোন কিছু দেখতে পেল না। অবশেষে হতাশ হয়ে সে বিশ্রামাগারে ফিরে গিয়ে সেখানে এসে বসে থাকে। এমন সময় হঠাৎ হাঁটতে হাঁটতে উটটি তার কাছে চলে আসে। অমনি সে তার হাতে এর লাগাম চেপে ধরে। আল্লাহ তার মু’মিন বান্দার তাওবার কারণে ঐ উট প্রাপ্ত লোকের চেয়েও বেশি খুশী হন। বর্ণনাকারী সিমাক (রহঃ) বলেন, শা‘বী (রহঃ) বলেছেন, নু‘মান এ হাদীসটি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে মারফূ‘ হিসেবে বর্ণনা করেছেন। তবে আমি (সিমাক) নু‘মান (রাঃ)-কে হাদীসটি মারফূ‘ভাবে বর্ণনা করতে শুনিনি। (ই.ফা. ৬৭০৬, ই.সে. ৬৭৬১)
حدثنا عبيد الله بن معاذ العنبري، حدثنا أبي، حدثنا أبو يونس، عن سماك، قال خطب النعمان بن بشير فقال " لله أشد فرحا بتوبة عبده من رجل حمل زاده ومزاده على بعير ثم سار حتى كان بفلاة من الأرض فأدركته القائلة فنزل فقال تحت شجرة فغلبته عينه وانسل بعيره فاستيقظ فسعى شرفا فلم ير شيئا ثم سعى شرفا ثانيا فلم ير شيئا ثم سعى شرفا ثالثا فلم ير شيئا فأقبل حتى أتى مكانه الذي قال فيه فبينما هو قاعد إذ جاءه بعيره يمشي حتى وضع خطامه في يده فلله أشد فرحا بتوبة العبد من هذا حين وجد بعيره على حاله " . قال سماك فزعم الشعبي أن النعمان رفع هذا الحديث إلى النبي صلى الله عليه وسلم وأما أنا فلم أسمعه .
সহিহ মুসলিম ৬৮৫২
حدثنا يحيى بن يحيى، وجعفر بن حميد، قال جعفر حدثنا وقال، يحيى أخبرنا عبيد الله بن إياد بن لقيط، عن إياد، عن البراء بن عازب، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " كيف تقولون بفرح رجل انفلتت منه راحلته تجر زمامها بأرض قفر ليس بها طعام ولا شراب وعليها له طعام وشراب فطلبها حتى شق عليه ثم مرت بجذل شجرة فتعلق زمامها فوجدها متعلقة به " . قلنا شديدا يا رسول الله . فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " أما والله لله أشد فرحا بتوبة عبده من الرجل براحلته " . قال جعفر حدثنا عبيد الله بن إياد عن أبيه .
বারা ইবনু ‘আযিব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ এ সম্বন্ধে তোমরা কী বললে যে, এক লোক যার নিকট পানাহারের কোন কিছু নেই, এমন মরুভূমিতে উট চলে যায় এবং এর লাগাম মাটিতে টেনে চলতে থাকে, অথচ এর উপর রয়েছে সে লোকের পানাহারের সামগ্রী। তারপর সে তা খোঁজ করে ক্লান্ত হয়ে পড়ে। আর এহেন মুহূর্তে উক্ত সওয়ারী কোন বৃক্ষের তলা দিয়ে যাওয়ার সময় যদি এর লাগাম ঐ গাছের কাণ্ডের সাথে আটকে যায়, আর আটকানো অবস্থায় যদি সে লোকটি সেটি পেয়ে যায়, তাহলে এ লোক কি পরিমাণ খুশী হবে? সহাবাগণ বললেন, হে আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)! সে অত্যন্ত খুশী হবে। অতঃপর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ স্বীয় বান্দার তাওবার কারণে সওয়ারী প্রাপ্ত ঐ লোকের থেকেও আল্লাহ তা‘আলা অনেক বেশি খুশী হন। জা‘ফার (রহঃ) বলেন, ‘উবাইদুল্লাহ ইবনু ইয়াদ তাঁর পিতা হতে আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৬৭০৭, ই.সে. ৬৭৬২)
বারা ইবনু ‘আযিব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ এ সম্বন্ধে তোমরা কী বললে যে, এক লোক যার নিকট পানাহারের কোন কিছু নেই, এমন মরুভূমিতে উট চলে যায় এবং এর লাগাম মাটিতে টেনে চলতে থাকে, অথচ এর উপর রয়েছে সে লোকের পানাহারের সামগ্রী। তারপর সে তা খোঁজ করে ক্লান্ত হয়ে পড়ে। আর এহেন মুহূর্তে উক্ত সওয়ারী কোন বৃক্ষের তলা দিয়ে যাওয়ার সময় যদি এর লাগাম ঐ গাছের কাণ্ডের সাথে আটকে যায়, আর আটকানো অবস্থায় যদি সে লোকটি সেটি পেয়ে যায়, তাহলে এ লোক কি পরিমাণ খুশী হবে? সহাবাগণ বললেন, হে আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)! সে অত্যন্ত খুশী হবে। অতঃপর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ স্বীয় বান্দার তাওবার কারণে সওয়ারী প্রাপ্ত ঐ লোকের থেকেও আল্লাহ তা‘আলা অনেক বেশি খুশী হন। জা‘ফার (রহঃ) বলেন, ‘উবাইদুল্লাহ ইবনু ইয়াদ তাঁর পিতা হতে আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৬৭০৭, ই.সে. ৬৭৬২)
حدثنا يحيى بن يحيى، وجعفر بن حميد، قال جعفر حدثنا وقال، يحيى أخبرنا عبيد الله بن إياد بن لقيط، عن إياد، عن البراء بن عازب، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " كيف تقولون بفرح رجل انفلتت منه راحلته تجر زمامها بأرض قفر ليس بها طعام ولا شراب وعليها له طعام وشراب فطلبها حتى شق عليه ثم مرت بجذل شجرة فتعلق زمامها فوجدها متعلقة به " . قلنا شديدا يا رسول الله . فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " أما والله لله أشد فرحا بتوبة عبده من الرجل براحلته " . قال جعفر حدثنا عبيد الله بن إياد عن أبيه .
সহিহ মুসলিম ৬৮৪৮
حدثنا عثمان بن أبي شيبة، وإسحاق بن إبراهيم، - واللفظ لعثمان - قال إسحاق أخبرنا وقال، عثمان حدثنا جرير، عن الأعمش، عن عمارة بن عمير، عن الحارث بن، سويد قال دخلت على عبد الله أعوده وهو مريض فحدثنا بحديثين حديثا عن نفسه وحديثا عن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " لله أشد فرحا بتوبة عبده المؤمن من رجل في أرض دوية مهلكة معه راحلته عليها طعامه وشرابه فنام فاستيقظ وقد ذهبت فطلبها حتى أدركه العطش ثم قال أرجع إلى مكاني الذي كنت فيه فأنام حتى أموت . فوضع رأسه على ساعده ليموت فاستيقظ وعنده راحلته وعليها زاده وطعامه وشرابه فالله أشد فرحا بتوبة العبد المؤمن من هذا براحلته وزاده " .
হারিস ইবনু সুওয়াইদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) অসুস্থ ছিলেন। তাঁর সেবা করার জন্য কোন এক সময় আমি তাঁর নিকট প্রবেশ করলাম। তখন তিনি আমাকে দু’টি হাদীস বর্ণনা করলেন। একটি নিজের পক্ষ হতে এবং অন্যটি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর পক্ষ থেকে। তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে এ কথা বলতে শুনেছি যে, আল্লাহ তা‘আলা তাঁর মু’মিন বান্দার তাওবার কারণে ঐ ব্যক্তির চেয়েও অধিক আনন্দিত হন, যে লোক ছায়া-পানিহীন আশঙ্কাপূর্ণ বিজন মাঠে ঘুমিয়ে পড়ে এবং তার সাথে থাকে খাদ্য পানীয় সহ একটি সওয়ারী। এরপর ঘুম হতে সজাগ হয়ে দেখে যে, সওয়ারী কোথায় অদৃশ্য হয়ে গেছে। তারপর সে সেটি খুঁজতে খুঁজতে তৃষ্ণার্ত হয়ে পড়ল এবং বলে, আমি আমার পূর্বের জায়গায় গিয়ে চিরনিদ্রায় আচ্ছন্ন হয়ে মারা যাব। (এ কথা বলে) সে মৃত্যুর জন্য বাহুতে মাথা রাখল। কিছুক্ষণ পর জাগ্রত হয়ে সে দেখল, পানাহার সামগ্রী বহনকারী সওয়ারীটি তার কাছে। (সওয়ারী এবং পানাহার সামগ্রী পেয়ে) লোকটি যে পরিমাণ আনন্দিত হয়, মু’মিন বান্দার তাওবার কারণে আল্লাহ তার চেয়েও বেশি আনন্দিত হন। (ই.ফা. ৬৭০৩, ই.সে. ৬৭৫৮)
হারিস ইবনু সুওয়াইদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) অসুস্থ ছিলেন। তাঁর সেবা করার জন্য কোন এক সময় আমি তাঁর নিকট প্রবেশ করলাম। তখন তিনি আমাকে দু’টি হাদীস বর্ণনা করলেন। একটি নিজের পক্ষ হতে এবং অন্যটি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর পক্ষ থেকে। তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে এ কথা বলতে শুনেছি যে, আল্লাহ তা‘আলা তাঁর মু’মিন বান্দার তাওবার কারণে ঐ ব্যক্তির চেয়েও অধিক আনন্দিত হন, যে লোক ছায়া-পানিহীন আশঙ্কাপূর্ণ বিজন মাঠে ঘুমিয়ে পড়ে এবং তার সাথে থাকে খাদ্য পানীয় সহ একটি সওয়ারী। এরপর ঘুম হতে সজাগ হয়ে দেখে যে, সওয়ারী কোথায় অদৃশ্য হয়ে গেছে। তারপর সে সেটি খুঁজতে খুঁজতে তৃষ্ণার্ত হয়ে পড়ল এবং বলে, আমি আমার পূর্বের জায়গায় গিয়ে চিরনিদ্রায় আচ্ছন্ন হয়ে মারা যাব। (এ কথা বলে) সে মৃত্যুর জন্য বাহুতে মাথা রাখল। কিছুক্ষণ পর জাগ্রত হয়ে সে দেখল, পানাহার সামগ্রী বহনকারী সওয়ারীটি তার কাছে। (সওয়ারী এবং পানাহার সামগ্রী পেয়ে) লোকটি যে পরিমাণ আনন্দিত হয়, মু’মিন বান্দার তাওবার কারণে আল্লাহ তার চেয়েও বেশি আনন্দিত হন। (ই.ফা. ৬৭০৩, ই.সে. ৬৭৫৮)
حدثنا عثمان بن أبي شيبة، وإسحاق بن إبراهيم، - واللفظ لعثمان - قال إسحاق أخبرنا وقال، عثمان حدثنا جرير، عن الأعمش، عن عمارة بن عمير، عن الحارث بن، سويد قال دخلت على عبد الله أعوده وهو مريض فحدثنا بحديثين حديثا عن نفسه وحديثا عن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " لله أشد فرحا بتوبة عبده المؤمن من رجل في أرض دوية مهلكة معه راحلته عليها طعامه وشرابه فنام فاستيقظ وقد ذهبت فطلبها حتى أدركه العطش ثم قال أرجع إلى مكاني الذي كنت فيه فأنام حتى أموت . فوضع رأسه على ساعده ليموت فاستيقظ وعنده راحلته وعليها زاده وطعامه وشرابه فالله أشد فرحا بتوبة العبد المؤمن من هذا براحلته وزاده " .
সহিহ মুসলিম ৬৮৫৪
حدثنا هداب بن خالد، حدثنا همام، حدثنا قتادة، عن أنس بن مالك، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " لله أشد فرحا بتوبة عبده من أحدكم إذا استيقظ على بعيره قد أضله بأرض فلاة " .
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, আল্লাহ তা‘আলা স্বীয় বান্দার তাওবার কারণে তোমাদের ঐ লোকের চেয়েও বেশি খুশী হন, যে সজাগ হয়ে তার ঐ উটটি ফিরে পায়, যা সে মরুভূমিতে হারিয়ে ফেলেছিল। (ই.ফা. ৬৭০৯, ই.সে. ৬৭৬৪)
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, আল্লাহ তা‘আলা স্বীয় বান্দার তাওবার কারণে তোমাদের ঐ লোকের চেয়েও বেশি খুশী হন, যে সজাগ হয়ে তার ঐ উটটি ফিরে পায়, যা সে মরুভূমিতে হারিয়ে ফেলেছিল। (ই.ফা. ৬৭০৯, ই.সে. ৬৭৬৪)
حدثنا هداب بن خالد، حدثنا همام، حدثنا قتادة، عن أنس بن مالك، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " لله أشد فرحا بتوبة عبده من أحدكم إذا استيقظ على بعيره قد أضله بأرض فلاة " .
সহিহ মুসলিম ৬৮৪৫
حدثني سويد بن سعيد، حدثنا حفص بن ميسرة، حدثني زيد بن أسلم، عن أبي، صالح عن أبي هريرة، عن رسول الله صلى الله عليه وسلم أنه قال " قال الله عز وجل أنا عند ظن عبدي بي وأنا معه حيث يذكرني والله لله أفرح بتوبة عبده من أحدكم يجد ضالته بالفلاة ومن تقرب إلى شبرا تقربت إليه ذراعا ومن تقرب إلى ذراعا تقربت إليه باعا وإذا أقبل إلى يمشي أقبلت إليه أهرول " .
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ)-এর সানাদে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্নিতঃ
তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, আল্লাহ রব্বুল ‘আলামীন ইরশাদ করেছেন : আমার উপর বান্দার ধারণা অনুযায়ী আমি তার সাথে আছি। সে যেখানেই আমাকে স্মরণ করে আমি তার সাথে আছি। আল্লাহর কসম, শূণ্য মাঠে তোমাদের কেউ হারানো প্রাণী পাওয়ার পর যে আনন্দিত হয় আল্লাহ তা‘আলা বান্দার তাওবার কারণে এর চেয়েও বেশি আনন্দিত হন। যদি কেউ একবিঘত সমান আমার দিকে অগ্রসর হয় তাহলে আমি তার দিকে একহাত অগ্রসর হই। যদি কেউ একহাত সমান আমার প্রতি অগ্রসর হয়, তাহলে আমি একগজ সমান তার প্রতি অগ্রসর হই। যদি কেউ আমার দিকে পায়ে হেঁটে আসে তবে আমি তার দিকে দৌড়ে আসি। (ই. ফা. ৬৭০০, ই. সে. ৬৭৫৫)
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ)-এর সানাদে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্নিতঃ
তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, আল্লাহ রব্বুল ‘আলামীন ইরশাদ করেছেন : আমার উপর বান্দার ধারণা অনুযায়ী আমি তার সাথে আছি। সে যেখানেই আমাকে স্মরণ করে আমি তার সাথে আছি। আল্লাহর কসম, শূণ্য মাঠে তোমাদের কেউ হারানো প্রাণী পাওয়ার পর যে আনন্দিত হয় আল্লাহ তা‘আলা বান্দার তাওবার কারণে এর চেয়েও বেশি আনন্দিত হন। যদি কেউ একবিঘত সমান আমার দিকে অগ্রসর হয় তাহলে আমি তার দিকে একহাত অগ্রসর হই। যদি কেউ একহাত সমান আমার প্রতি অগ্রসর হয়, তাহলে আমি একগজ সমান তার প্রতি অগ্রসর হই। যদি কেউ আমার দিকে পায়ে হেঁটে আসে তবে আমি তার দিকে দৌড়ে আসি। (ই. ফা. ৬৭০০, ই. সে. ৬৭৫৫)
حدثني سويد بن سعيد، حدثنا حفص بن ميسرة، حدثني زيد بن أسلم، عن أبي، صالح عن أبي هريرة، عن رسول الله صلى الله عليه وسلم أنه قال " قال الله عز وجل أنا عند ظن عبدي بي وأنا معه حيث يذكرني والله لله أفرح بتوبة عبده من أحدكم يجد ضالته بالفلاة ومن تقرب إلى شبرا تقربت إليه ذراعا ومن تقرب إلى ذراعا تقربت إليه باعا وإذا أقبل إلى يمشي أقبلت إليه أهرول " .
সহিহ মুসলিম ৬৮৫৫
وحدثنيه أحمد الدارمي، حدثنا حبان، حدثنا همام، حدثنا قتادة، حدثنا أنس بن، مالك عن النبي صلى الله عليه وسلم بمثله .
আনাস (রাঃ)-এর সানাদে নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্নিতঃ
অবিকল হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৬৭০৯, ই.সে. ৬৭৬৫)
আনাস (রাঃ)-এর সানাদে নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্নিতঃ
অবিকল হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৬৭০৯, ই.সে. ৬৭৬৫)
وحدثنيه أحمد الدارمي، حدثنا حبان، حدثنا همام، حدثنا قتادة، حدثنا أنس بن، مالك عن النبي صلى الله عليه وسلم بمثله .
সহিহ মুসলিম ৬৮৪৭
وحدثنا محمد بن رافع، حدثنا عبد الرزاق، حدثنا معمر، عن همام بن منبه، عن أبي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم بمعناه .
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ)-এর সানাদে নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্নিতঃ
অবিকল হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৬৭০২, ই.সে. ৬৭৫৭)
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ)-এর সানাদে নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্নিতঃ
অবিকল হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৬৭০২, ই.সে. ৬৭৫৭)
وحدثنا محمد بن رافع، حدثنا عبد الرزاق، حدثنا معمر، عن همام بن منبه، عن أبي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم بمعناه .
সহিহ মুসলিম ৬৮৪৯
وحدثناه أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا يحيى بن آدم، عن قطبة بن عبد العزيز، عن الأعمش، بهذا الإسناد وقال " من رجل بداوية من الأرض " .
আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ্ (রহঃ) উক্ত সূত্র থেকে বর্নিতঃ
তবে তাঁর হাদীসে আছে, মরুভুমির সে ব্যক্তির চেয়েও বেশি আনন্দিত হন। (ই.ফা. ৬৭০৪, ই.সে. ৬৭৫৯)
আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ্ (রহঃ) উক্ত সূত্র থেকে বর্নিতঃ
তবে তাঁর হাদীসে আছে, মরুভুমির সে ব্যক্তির চেয়েও বেশি আনন্দিত হন। (ই.ফা. ৬৭০৪, ই.সে. ৬৭৫৯)
وحدثناه أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا يحيى بن آدم، عن قطبة بن عبد العزيز، عن الأعمش، بهذا الإسناد وقال " من رجل بداوية من الأرض " .
সহিহ মুসলিম > ইস্তিগ্ফার ও তাওবার মাধ্যমে গুনাহ মাফ হওয়া প্রসঙ্গে
সহিহ মুসলিম ৬৮৫৬
حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا ليث، عن محمد بن قيس، - قاص عمر بن عبد العزيز - عن أبي صرمة، عن أبي أيوب، أنه قال حين حضرته الوفاة كنت كتمت عنكم شيئا سمعته من رسول الله صلى الله عليه وسلم سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " لولا أنكم تذنبون لخلق الله خلقا يذنبون يغفر لهم " .
আইয়ূব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
যখন তাঁর মৃত্যু সমুপস্থিত তখন তিনি বললেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে শুনা একটি হাদীস আমি তোমাদের নিকট হতে গোপন রেখেছিলাম। আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে এ কথা বলতে শুনেছি যে, যদি তোমরা পাপ না করতে তবে আল্লাহ তা‘আলা এমন মাখ্লূক বানাতেন যারা পাপ করতো এবং আল্লাহ তাদেরকে মাফ করে দিতেন। (ই.ফা. ৬৭১০, ই.সে. ৬৭৬৬)
আইয়ূব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
যখন তাঁর মৃত্যু সমুপস্থিত তখন তিনি বললেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে শুনা একটি হাদীস আমি তোমাদের নিকট হতে গোপন রেখেছিলাম। আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে এ কথা বলতে শুনেছি যে, যদি তোমরা পাপ না করতে তবে আল্লাহ তা‘আলা এমন মাখ্লূক বানাতেন যারা পাপ করতো এবং আল্লাহ তাদেরকে মাফ করে দিতেন। (ই.ফা. ৬৭১০, ই.সে. ৬৭৬৬)
حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا ليث، عن محمد بن قيس، - قاص عمر بن عبد العزيز - عن أبي صرمة، عن أبي أيوب، أنه قال حين حضرته الوفاة كنت كتمت عنكم شيئا سمعته من رسول الله صلى الله عليه وسلم سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " لولا أنكم تذنبون لخلق الله خلقا يذنبون يغفر لهم " .
সহিহ মুসলিম ৬৮৫৮
حدثني محمد بن رافع، حدثنا عبد الرزاق، أخبرنا معمر، عن جعفر الجزري، عن يزيد بن الأصم، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " والذي نفسي بيده لو لم تذنبوا لذهب الله بكم ولجاء بقوم يذنبون فيستغفرون الله فيغفر لهم " .
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, যে সত্তার হাতে আমার জীবন, আমি তাঁর কসম করে বলছি, তোমরা যদি পাপ না করতে তবে অবশ্যই আল্লাহ তোমাদের নিশ্চিহ্ন করে এমন সম্প্রদায় বানাতেন যারা পাপ করে ক্ষমা চাইতো এবং তিনি তাদের মাফ করে দিতেন। (ই.ফা. ৬৭১২, ই.সে. ৬৭৬৮)
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, যে সত্তার হাতে আমার জীবন, আমি তাঁর কসম করে বলছি, তোমরা যদি পাপ না করতে তবে অবশ্যই আল্লাহ তোমাদের নিশ্চিহ্ন করে এমন সম্প্রদায় বানাতেন যারা পাপ করে ক্ষমা চাইতো এবং তিনি তাদের মাফ করে দিতেন। (ই.ফা. ৬৭১২, ই.সে. ৬৭৬৮)
حدثني محمد بن رافع، حدثنا عبد الرزاق، أخبرنا معمر، عن جعفر الجزري، عن يزيد بن الأصم، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " والذي نفسي بيده لو لم تذنبوا لذهب الله بكم ولجاء بقوم يذنبون فيستغفرون الله فيغفر لهم " .
সহিহ মুসলিম ৬৮৫৭
حدثنا هارون بن سعيد الأيلي، حدثنا ابن وهب، حدثني عياض، - وهو ابن عبد الله الفهري - حدثني إبراهيم بن عبيد بن رفاعة، عن محمد بن كعب القرظي، عن أبي صرمة، عن أبي أيوب الأنصاري، عن رسول الله صلى الله عليه وسلم أنه قال " لو أنكم لم تكن لكم ذنوب يغفرها الله لكم لجاء الله بقوم لهم ذنوب يغفرها لهم " .
আবূ আইয়ূব আল আনসারী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যদি তোমাদের কোন পাপ না থাকতো যা আল্লাহ মাফ করে দেন, তবে অবশ্যই আল্লাহ এমন সম্প্রদায় বানাতেন যাদের পাপ হত এবং তিনি তা মাফ করে দিতেন। (ই.ফা. ৬৭১১, ই.সে. ৬৭৬৭)
আবূ আইয়ূব আল আনসারী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যদি তোমাদের কোন পাপ না থাকতো যা আল্লাহ মাফ করে দেন, তবে অবশ্যই আল্লাহ এমন সম্প্রদায় বানাতেন যাদের পাপ হত এবং তিনি তা মাফ করে দিতেন। (ই.ফা. ৬৭১১, ই.সে. ৬৭৬৭)
حدثنا هارون بن سعيد الأيلي، حدثنا ابن وهب، حدثني عياض، - وهو ابن عبد الله الفهري - حدثني إبراهيم بن عبيد بن رفاعة، عن محمد بن كعب القرظي، عن أبي صرمة، عن أبي أيوب الأنصاري، عن رسول الله صلى الله عليه وسلم أنه قال " لو أنكم لم تكن لكم ذنوب يغفرها الله لكم لجاء الله بقوم لهم ذنوب يغفرها لهم " .
সহিহ মুসলিম > সার্বক্ষণিক আল্লাহর যিক্র ও পরকালের বিষয়ে চিন্তা করা ও আল্লাহর ধ্যানে মশগুল থাকা এবং কোন কোন সময় তা ছেড়ে দেয়া ও দুনিয়াবী কাজে লিপ্ত থাকা জায়িয
সহিহ মুসলিম ৬৮৬১
حدثني زهير بن حرب، حدثنا الفضل بن دكين، حدثنا سفيان، عن سعيد الجريري، عن أبي عثمان النهدي، عن حنظلة التميمي الأسيدي الكاتب، قال كنا عند النبي صلى الله عليه وسلم فذكرنا الجنة والنار . فذكر نحو حديثهما .
হান্যালাহ্ আত্ তামীমী আল উসাইয়িদী আল কাতিব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমরা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে ছিলাম। তিনি আমাদের জান্নাত-জাহান্নামের কথা মনে করিয়ে দিলেন। তারপর সুফ্ইয়ান (রাঃ) হাদীসটি পূর্বোক্ত হাদীসদ্বয়ের হুবহু বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৬৭১৫, ই.সে. ৬৭৭১)
হান্যালাহ্ আত্ তামীমী আল উসাইয়িদী আল কাতিব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমরা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে ছিলাম। তিনি আমাদের জান্নাত-জাহান্নামের কথা মনে করিয়ে দিলেন। তারপর সুফ্ইয়ান (রাঃ) হাদীসটি পূর্বোক্ত হাদীসদ্বয়ের হুবহু বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৬৭১৫, ই.সে. ৬৭৭১)
حدثني زهير بن حرب، حدثنا الفضل بن دكين، حدثنا سفيان، عن سعيد الجريري، عن أبي عثمان النهدي، عن حنظلة التميمي الأسيدي الكاتب، قال كنا عند النبي صلى الله عليه وسلم فذكرنا الجنة والنار . فذكر نحو حديثهما .
সহিহ মুসলিম ৬৮৫৯
حدثنا يحيى بن يحيى التميمي، وقطن بن نسير، - واللفظ ليحيى - أخبرنا جعفر، بن سليمان عن سعيد بن إياس الجريري، عن أبي عثمان النهدي، عن حنظلة الأسيدي، قال - وكان من كتاب رسول الله صلى الله عليه وسلم قال - لقيني أبو بكر فقال كيف أنت يا حنظلة قال قلت نافق حنظلة قال سبحان الله ما تقول قال قلت نكون عند رسول الله صلى الله عليه وسلم يذكرنا بالنار والجنة حتى كأنا رأى عين فإذا خرجنا من عند رسول الله صلى الله عليه وسلم عافسنا الأزواج والأولاد والضيعات فنسينا كثيرا قال أبو بكر فوالله إنا لنلقى مثل هذا . فانطلقت أنا وأبو بكر حتى دخلنا على رسول الله صلى الله عليه وسلم قلت نافق حنظلة يا رسول الله . فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " وما ذاك " . قلت يا رسول الله نكون عندك تذكرنا بالنار والجنة حتى كأنا رأى عين فإذا خرجنا من عندك عافسنا الأزواج والأولاد والضيعات نسينا كثيرا . فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " والذي نفسي بيده إن لو تدومون على ما تكونون عندي وفي الذكر لصافحتكم الملائكة على فرشكم وفي طرقكم ولكن يا حنظلة ساعة وساعة " ثلاث مرات .
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাতিব হান্যালাহ্ আল্ উসাইয়িদী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, একদা আবূ বাক্র সিদ্দীক (রাঃ) আমার সঙ্গে দেখা করলেন এবং আমাকে প্রশ্ন করলেন, হে হানযালাহ্! তুমি কেমন আছ? তিনি বলেন, জবাবে আমি বললাম, হানযালাহ্ তো মুনাফিক হয়ে গেছে। সে সময় তিনি বললেন, সুবহানাল্লাহ্ তুমি কি বলছ? হানযালাহ্ (রাঃ) বলেন, আমি বললাম, আমরা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে থাকি, তিনি আমাদের জান্নাত-জাহান্নামের কথা শুনিয়ে দেন, যেন আমরা উভয়টি চাক্ষুষ দেখছি। সুতরাং আমরা যখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সন্নিকটে থেকে বের হয়ে আপনজন স্ত্রী-সন্তান এবং ধন-সম্পদের মধ্যে নিমগ্ন হয়ে যাই তখন আমরা এর অনেক বিষয় ভুলে যাই। আবূ বকর (রাঃ) বললেন, আল্লাহর কসম! আমারও একই অবস্থা। নিশ্চয়ই আমরা এ বিষয় নিয়ে সাক্ষাৎ করবো। তারপর আমি এবং আবূ বকর (রাঃ) রওনা করলাম এবং এমনকি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে গেলাম। আমি বললাম, হে আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)! হানযালাহ্ মুনাফিক হয়ে গেছে। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, তা কী? আমি বললাম, আমরা আপনার কাছে থাকি, আপনি আমাদের জান্নাত-জাহান্নামের কথা মনে করিয়ে দেন, যেন আমরা তা সরাসরি দেখতে পাই। তারপর আমরা যখন আপনার নিকট হতে বের হই এবং স্ত্রী, সন্তান-সন্ততি ও ধন-সম্পদের মধ্যে নিমগ্ন হই সে সময় আমরা এর অনেক বিষয় ভুলে যাই। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ যে সত্তার হাতে আমার জীবন আমি তাঁর কসম করে বলছি। আমার কাছে থাকাকালে তোমাদের যে অবস্থা হয়, যদি তোমরা সবসময় এ অবস্থায় অনড় থাকতে এবং সার্বক্ষণিক আল্লাহর যিক্রে পড়ে থাকে তাহলে অবশ্যই ফেরেশ্তাগণ তোমাদের বিছানায় ও রাস্তায় তোমাদের সাথে মুসাফাহা করত। কিন্তু হে হানযালাহ্! এক ঘণ্টা (আল্লাহর যিক্রে) আর এক ঘন্টা (দুনিয়াবী কাজে ব্যয় করবে) অর্থাৎ আস্তে আস্তে (চেষ্টা কর)। এ কথাটি তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তিনবার বললেন। (ই.ফা. ৬৭১৩, ই.সে. ৬৭৬৯)
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাতিব হান্যালাহ্ আল্ উসাইয়িদী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, একদা আবূ বাক্র সিদ্দীক (রাঃ) আমার সঙ্গে দেখা করলেন এবং আমাকে প্রশ্ন করলেন, হে হানযালাহ্! তুমি কেমন আছ? তিনি বলেন, জবাবে আমি বললাম, হানযালাহ্ তো মুনাফিক হয়ে গেছে। সে সময় তিনি বললেন, সুবহানাল্লাহ্ তুমি কি বলছ? হানযালাহ্ (রাঃ) বলেন, আমি বললাম, আমরা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে থাকি, তিনি আমাদের জান্নাত-জাহান্নামের কথা শুনিয়ে দেন, যেন আমরা উভয়টি চাক্ষুষ দেখছি। সুতরাং আমরা যখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সন্নিকটে থেকে বের হয়ে আপনজন স্ত্রী-সন্তান এবং ধন-সম্পদের মধ্যে নিমগ্ন হয়ে যাই তখন আমরা এর অনেক বিষয় ভুলে যাই। আবূ বকর (রাঃ) বললেন, আল্লাহর কসম! আমারও একই অবস্থা। নিশ্চয়ই আমরা এ বিষয় নিয়ে সাক্ষাৎ করবো। তারপর আমি এবং আবূ বকর (রাঃ) রওনা করলাম এবং এমনকি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে গেলাম। আমি বললাম, হে আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)! হানযালাহ্ মুনাফিক হয়ে গেছে। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, তা কী? আমি বললাম, আমরা আপনার কাছে থাকি, আপনি আমাদের জান্নাত-জাহান্নামের কথা মনে করিয়ে দেন, যেন আমরা তা সরাসরি দেখতে পাই। তারপর আমরা যখন আপনার নিকট হতে বের হই এবং স্ত্রী, সন্তান-সন্ততি ও ধন-সম্পদের মধ্যে নিমগ্ন হই সে সময় আমরা এর অনেক বিষয় ভুলে যাই। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ যে সত্তার হাতে আমার জীবন আমি তাঁর কসম করে বলছি। আমার কাছে থাকাকালে তোমাদের যে অবস্থা হয়, যদি তোমরা সবসময় এ অবস্থায় অনড় থাকতে এবং সার্বক্ষণিক আল্লাহর যিক্রে পড়ে থাকে তাহলে অবশ্যই ফেরেশ্তাগণ তোমাদের বিছানায় ও রাস্তায় তোমাদের সাথে মুসাফাহা করত। কিন্তু হে হানযালাহ্! এক ঘণ্টা (আল্লাহর যিক্রে) আর এক ঘন্টা (দুনিয়াবী কাজে ব্যয় করবে) অর্থাৎ আস্তে আস্তে (চেষ্টা কর)। এ কথাটি তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তিনবার বললেন। (ই.ফা. ৬৭১৩, ই.সে. ৬৭৬৯)
حدثنا يحيى بن يحيى التميمي، وقطن بن نسير، - واللفظ ليحيى - أخبرنا جعفر، بن سليمان عن سعيد بن إياس الجريري، عن أبي عثمان النهدي، عن حنظلة الأسيدي، قال - وكان من كتاب رسول الله صلى الله عليه وسلم قال - لقيني أبو بكر فقال كيف أنت يا حنظلة قال قلت نافق حنظلة قال سبحان الله ما تقول قال قلت نكون عند رسول الله صلى الله عليه وسلم يذكرنا بالنار والجنة حتى كأنا رأى عين فإذا خرجنا من عند رسول الله صلى الله عليه وسلم عافسنا الأزواج والأولاد والضيعات فنسينا كثيرا قال أبو بكر فوالله إنا لنلقى مثل هذا . فانطلقت أنا وأبو بكر حتى دخلنا على رسول الله صلى الله عليه وسلم قلت نافق حنظلة يا رسول الله . فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " وما ذاك " . قلت يا رسول الله نكون عندك تذكرنا بالنار والجنة حتى كأنا رأى عين فإذا خرجنا من عندك عافسنا الأزواج والأولاد والضيعات نسينا كثيرا . فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " والذي نفسي بيده إن لو تدومون على ما تكونون عندي وفي الذكر لصافحتكم الملائكة على فرشكم وفي طرقكم ولكن يا حنظلة ساعة وساعة " ثلاث مرات .
সহিহ মুসলিম ৬৮৬০
حدثني إسحاق بن منصور، أخبرنا عبد الصمد، سمعت أبي يحدث، حدثنا سعيد، الجريري عن أبي عثمان النهدي، عن حنظلة، قال كنا عند رسول الله صلى الله عليه وسلم فوعظنا فذكر النار - قال - ثم جئت إلى البيت فضاحكت الصبيان ولاعبت المرأة - قال - فخرجت فلقيت أبا بكر فذكرت ذلك له فقال وأنا قد فعلت مثل ما تذكر . فلقينا رسول الله صلى الله عليه وسلم فقلت يا رسول الله نافق حنظلة فقال " مه " . فحدثته بالحديث فقال أبو بكر وأنا قد فعلت مثل ما فعل فقال " يا حنظلة ساعة وساعة ولو كانت تكون قلوبكم كما تكون عند الذكر لصافحتكم الملائكة حتى تسلم عليكم في الطرق " .
হানযালাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমরা এক সময় রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে ছিলাম। তিনি আমাদেরকে ওয়ায করলেন এবং জাহান্নামের কথা মনে করিয়ে দিলেন। তিনি বলেন, তারপর আমি গৃহে আসলাম এবং সন্তান-সন্ততিদের সাথে খেল-তামাশা করলাম এবং স্ত্রীর সাথে ক্রীড়া-কৌতুক করলাম। এরপর আমি বাড়ি থেকে রওনা করলাম। পথে আবূ বকর (রাঃ)-এর সাথে দেখা করলাম। আমি তাঁর সাথে এ প্রসঙ্গে আলোচনা করলাম। অতঃপর তিনি বললেন, আমিও তো এমনই করি, যেমন তুমি বললে। তারপর আমরা দু’জনই রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাথে দেখা করলাম। অতঃপর আমি বললাম, হে আল্লাহর রসূল! হানযালাহ্ তো মুনাফিক হয়ে গেছে। তারপর তিনি বললেন, তা কী? তারপর আমি আমার সম্পূর্ণ ঘটনা বর্ণনা করলাম। এরপর আবূ বকর (রাঃ) বললেন, আমিও তো এমনই করি যেমন হানযালাহ্ করেছে। তিনি বললেন, হে হানযালাহ্! কিছু সময় আল্লাহর স্মরণের জন্য এবং কিছু সময় দুনিয়াবী কাজের জন্য। ওয়ায-নাসীহাতের মুহূর্তে তোমাদের মন যেমন থাকে, সবসময় যদি তা এ রকম থাকত তবে ফেরেশ্তাগণ অবশ্যই তোমাদের সাথে মুসাফাহা করত। এমনকি প্রকাশ্যে রাস্তায় তারা তোমাদের সালাম করত। (ই.ফা. ৬৭১৪, ই.সে. ৬৭৭০)
হানযালাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমরা এক সময় রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে ছিলাম। তিনি আমাদেরকে ওয়ায করলেন এবং জাহান্নামের কথা মনে করিয়ে দিলেন। তিনি বলেন, তারপর আমি গৃহে আসলাম এবং সন্তান-সন্ততিদের সাথে খেল-তামাশা করলাম এবং স্ত্রীর সাথে ক্রীড়া-কৌতুক করলাম। এরপর আমি বাড়ি থেকে রওনা করলাম। পথে আবূ বকর (রাঃ)-এর সাথে দেখা করলাম। আমি তাঁর সাথে এ প্রসঙ্গে আলোচনা করলাম। অতঃপর তিনি বললেন, আমিও তো এমনই করি, যেমন তুমি বললে। তারপর আমরা দু’জনই রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাথে দেখা করলাম। অতঃপর আমি বললাম, হে আল্লাহর রসূল! হানযালাহ্ তো মুনাফিক হয়ে গেছে। তারপর তিনি বললেন, তা কী? তারপর আমি আমার সম্পূর্ণ ঘটনা বর্ণনা করলাম। এরপর আবূ বকর (রাঃ) বললেন, আমিও তো এমনই করি যেমন হানযালাহ্ করেছে। তিনি বললেন, হে হানযালাহ্! কিছু সময় আল্লাহর স্মরণের জন্য এবং কিছু সময় দুনিয়াবী কাজের জন্য। ওয়ায-নাসীহাতের মুহূর্তে তোমাদের মন যেমন থাকে, সবসময় যদি তা এ রকম থাকত তবে ফেরেশ্তাগণ অবশ্যই তোমাদের সাথে মুসাফাহা করত। এমনকি প্রকাশ্যে রাস্তায় তারা তোমাদের সালাম করত। (ই.ফা. ৬৭১৪, ই.সে. ৬৭৭০)
حدثني إسحاق بن منصور، أخبرنا عبد الصمد، سمعت أبي يحدث، حدثنا سعيد، الجريري عن أبي عثمان النهدي، عن حنظلة، قال كنا عند رسول الله صلى الله عليه وسلم فوعظنا فذكر النار - قال - ثم جئت إلى البيت فضاحكت الصبيان ولاعبت المرأة - قال - فخرجت فلقيت أبا بكر فذكرت ذلك له فقال وأنا قد فعلت مثل ما تذكر . فلقينا رسول الله صلى الله عليه وسلم فقلت يا رسول الله نافق حنظلة فقال " مه " . فحدثته بالحديث فقال أبو بكر وأنا قد فعلت مثل ما فعل فقال " يا حنظلة ساعة وساعة ولو كانت تكون قلوبكم كما تكون عند الذكر لصافحتكم الملائكة حتى تسلم عليكم في الطرق " .
সহিহ মুসলিম > আল্লাহ তা‘আলার রহ্মাতের ব্যাপকতা যা তার গোস্বাকে অতিক্রম করেছে
সহিহ মুসলিম ৬৮৬২
حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا المغيرة، - يعني الحزامي - عن أبي الزناد، عن الأعرج، عن أبي هريرة، أن النبي صلى الله عليه وسلم قال " لما خلق الله الخلق كتب في كتابه فهو عنده فوق العرش إن رحمتي تغلب غضبي " .
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, যখন আল্লাহ তা‘আলা মাখলূক সৃষ্টি করলেন তখন তিনি তাঁর কিতাবে লিপিবদ্ধ করলেন এবং তা তাঁর নিকট ‘আর্শের উপরে রয়েছে। (তিনি লিখেছেন) আমার গোস্বার উপর রহমাত বিজয়ী থাকবে। (ই.ফা. ৬৭১৬, ই.সে. ৬৭৭২)
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, যখন আল্লাহ তা‘আলা মাখলূক সৃষ্টি করলেন তখন তিনি তাঁর কিতাবে লিপিবদ্ধ করলেন এবং তা তাঁর নিকট ‘আর্শের উপরে রয়েছে। (তিনি লিখেছেন) আমার গোস্বার উপর রহমাত বিজয়ী থাকবে। (ই.ফা. ৬৭১৬, ই.সে. ৬৭৭২)
حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا المغيرة، - يعني الحزامي - عن أبي الزناد، عن الأعرج، عن أبي هريرة، أن النبي صلى الله عليه وسلم قال " لما خلق الله الخلق كتب في كتابه فهو عنده فوق العرش إن رحمتي تغلب غضبي " .
সহিহ মুসলিম ৬৮৬৫
حدثنا حرملة بن يحيى التجيبي، أخبرنا ابن وهب، أخبرني يونس، عن ابن شهاب، أن سعيد بن المسيب، أخبره أن أبا هريرة قال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " جعل الله الرحمة مائة جزء فأمسك عنده تسعة وتسعين وأنزل في الأرض جزءا واحدا فمن ذلك الجزء تتراحم الخلائق حتى ترفع الدابة حافرها عن ولدها خشية أن تصيبه " .
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে এ কথা বলতে শুনেছি যে, আল্লাহ তা‘আলা তাঁর রহ্মাতকে একশ’ ভাগ করে নিরানব্বই ভাগ নিজের কাছে আটকিয়ে রেখেছেন এবং একভাগ পৃথিবীতে অবতীর্ণ করেছেন। রহ্মাতের এ অংশ হতেই সৃষ্টজীব পরস্পর একে অন্যের প্রতি দয়া করে, এমনকি প্রাণী পর্যন্ত; যে স্বীয় ক্ষুরকে নিজ সন্তানাদির গায়ে লাগার ভয়ে তা তুলে নিয়ে থাকে। (ই.ফা. ৬৭১৯, ই.সে. ৬৭৭৫)
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে এ কথা বলতে শুনেছি যে, আল্লাহ তা‘আলা তাঁর রহ্মাতকে একশ’ ভাগ করে নিরানব্বই ভাগ নিজের কাছে আটকিয়ে রেখেছেন এবং একভাগ পৃথিবীতে অবতীর্ণ করেছেন। রহ্মাতের এ অংশ হতেই সৃষ্টজীব পরস্পর একে অন্যের প্রতি দয়া করে, এমনকি প্রাণী পর্যন্ত; যে স্বীয় ক্ষুরকে নিজ সন্তানাদির গায়ে লাগার ভয়ে তা তুলে নিয়ে থাকে। (ই.ফা. ৬৭১৯, ই.সে. ৬৭৭৫)
حدثنا حرملة بن يحيى التجيبي، أخبرنا ابن وهب، أخبرني يونس، عن ابن شهاب، أن سعيد بن المسيب، أخبره أن أبا هريرة قال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " جعل الله الرحمة مائة جزء فأمسك عنده تسعة وتسعين وأنزل في الأرض جزءا واحدا فمن ذلك الجزء تتراحم الخلائق حتى ترفع الدابة حافرها عن ولدها خشية أن تصيبه " .
সহিহ মুসলিম ৬৮৬৭
حدثنا محمد بن عبد الله بن نمير، حدثنا أبي، حدثنا عبد الملك، عن عطاء، عن أبي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " إن لله مائة رحمة أنزل منها رحمة واحدة بين الجن والإنس والبهائم والهوام فبها يتعاطفون وبها يتراحمون وبها تعطف الوحش على ولدها وأخر الله تسعا وتسعين رحمة يرحم بها عباده يوم القيامة " .
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ আল্লাহর একশ’ ভাগ রহ্মাত আছে। তন্মধ্যে একভাগ রহ্মাত তিনি জিন, ইনসান, চুতষ্পদ জন্তু ও কীট-পতঙ্গের মধ্যে ভাগ করে দিয়েছেন। এ এক ভাগ রহ্মাতের কারণেই সৃষ্ট জীব পরস্পর একে অপরের প্রতি দয়া করে এবং এ এক ভাগ রাহ্মাতের মাধ্যমে বন্য পশু নিজ সন্তানের প্রতি দয়া ও অনুকম্পা প্রদর্শন করে। মহান আল্লাহ তাঁর একশ’ ভাগ রহ্মাতের নিরানব্বই ভাগ রহ্মাত নিজের কাছে রেখে দিয়েছেন। এর দ্বারা তিনি কিয়ামাতের দিন স্বীয় বান্দাদের প্রতি দয়া করবেন। (ই.ফা. ৬৭২১, ই.সে. ৬৭৭৭)
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ আল্লাহর একশ’ ভাগ রহ্মাত আছে। তন্মধ্যে একভাগ রহ্মাত তিনি জিন, ইনসান, চুতষ্পদ জন্তু ও কীট-পতঙ্গের মধ্যে ভাগ করে দিয়েছেন। এ এক ভাগ রহ্মাতের কারণেই সৃষ্ট জীব পরস্পর একে অপরের প্রতি দয়া করে এবং এ এক ভাগ রাহ্মাতের মাধ্যমে বন্য পশু নিজ সন্তানের প্রতি দয়া ও অনুকম্পা প্রদর্শন করে। মহান আল্লাহ তাঁর একশ’ ভাগ রহ্মাতের নিরানব্বই ভাগ রহ্মাত নিজের কাছে রেখে দিয়েছেন। এর দ্বারা তিনি কিয়ামাতের দিন স্বীয় বান্দাদের প্রতি দয়া করবেন। (ই.ফা. ৬৭২১, ই.সে. ৬৭৭৭)
حدثنا محمد بن عبد الله بن نمير، حدثنا أبي، حدثنا عبد الملك، عن عطاء، عن أبي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " إن لله مائة رحمة أنزل منها رحمة واحدة بين الجن والإنس والبهائم والهوام فبها يتعاطفون وبها يتراحمون وبها تعطف الوحش على ولدها وأخر الله تسعا وتسعين رحمة يرحم بها عباده يوم القيامة " .
সহিহ মুসলিম ৬৮৬৬
حدثنا يحيى بن أيوب، وقتيبة، وابن، حجر قالوا حدثنا إسماعيل، - يعنون ابن جعفر - عن العلاء، عن أبيه، عن أبي هريرة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " خلق الله مائة رحمة فوضع واحدة بين خلقه وخبأ عنده مائة إلا واحدة " .
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আল্লাহ তা‘আলা একশ’ ভাগ রহ্মাত সৃষ্টি করে একভাগ সৃষ্টির মধ্যে রেখে দিয়েছেন এবং নিরানব্বই ভাগ নিজের নিকট লুকায়িত রেখেছেন। (ই.ফা. ৬৭২০, ই.সে. ৬৭৭৬)
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আল্লাহ তা‘আলা একশ’ ভাগ রহ্মাত সৃষ্টি করে একভাগ সৃষ্টির মধ্যে রেখে দিয়েছেন এবং নিরানব্বই ভাগ নিজের নিকট লুকায়িত রেখেছেন। (ই.ফা. ৬৭২০, ই.সে. ৬৭৭৬)
حدثنا يحيى بن أيوب، وقتيبة، وابن، حجر قالوا حدثنا إسماعيل، - يعنون ابن جعفر - عن العلاء، عن أبيه، عن أبي هريرة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " خلق الله مائة رحمة فوضع واحدة بين خلقه وخبأ عنده مائة إلا واحدة " .
সহিহ মুসলিম ৬৮৬৪
حدثنا علي بن خشرم، أخبرنا أبو ضمرة، عن الحارث بن عبد الرحمن، عن عطاء، بن ميناء عن أبي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " لما قضى الله الخلق كتب في كتابه على نفسه فهو موضوع عنده إن رحمتي تغلب غضبي " .
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, আল্লাহ যখন মাখলূক সৃষ্টি করলেন তখন তিনি তাঁর কিতাবের মধ্যে নিজের কাছে লিপিবদ্ধ করে রেখেছেন। (তাতে তিনি লিখে রেখেছেন) আমার গোস্বার উপর রহমাত বিজয়ী থাকবে। (ই.ফা. ৬৭১৮, ই.সে. ৬৭৭৪)
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, আল্লাহ যখন মাখলূক সৃষ্টি করলেন তখন তিনি তাঁর কিতাবের মধ্যে নিজের কাছে লিপিবদ্ধ করে রেখেছেন। (তাতে তিনি লিখে রেখেছেন) আমার গোস্বার উপর রহমাত বিজয়ী থাকবে। (ই.ফা. ৬৭১৮, ই.সে. ৬৭৭৪)
حدثنا علي بن خشرم، أخبرنا أبو ضمرة، عن الحارث بن عبد الرحمن، عن عطاء، بن ميناء عن أبي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " لما قضى الله الخلق كتب في كتابه على نفسه فهو موضوع عنده إن رحمتي تغلب غضبي " .
সহিহ মুসলিম ৬৮৬৮
حدثني الحكم بن موسى، حدثنا معاذ بن معاذ، حدثنا سليمان التيمي، حدثنا أبو عثمان النهدي عن سلمان الفارسي، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " إن لله مائة رحمة فمنها رحمة بها يتراحم الخلق بينهم وتسعة وتسعون ليوم القيامة " .
সালমান আল ফারিসী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আল্লাহ তা‘আলার একশ’ ভাগ রহ্মাত আছে। তার মধ্যে একভাগ রহ্মাতের দ্বারাই সৃষ্ট জীব পরস্পর একে অন্যের প্রতি দয়া প্রদর্শন করে। বাকী নিরানব্বই ভাগ রহ্মাত রাখা হয়েছে কিয়ামাত দিনের জন্য। (ই.ফা. ৬৭২২, ই.সে. ৬৭৭৮)
সালমান আল ফারিসী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আল্লাহ তা‘আলার একশ’ ভাগ রহ্মাত আছে। তার মধ্যে একভাগ রহ্মাতের দ্বারাই সৃষ্ট জীব পরস্পর একে অন্যের প্রতি দয়া প্রদর্শন করে। বাকী নিরানব্বই ভাগ রহ্মাত রাখা হয়েছে কিয়ামাত দিনের জন্য। (ই.ফা. ৬৭২২, ই.সে. ৬৭৭৮)
حدثني الحكم بن موسى، حدثنا معاذ بن معاذ، حدثنا سليمان التيمي، حدثنا أبو عثمان النهدي عن سلمان الفارسي، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " إن لله مائة رحمة فمنها رحمة بها يتراحم الخلق بينهم وتسعة وتسعون ليوم القيامة " .
সহিহ মুসলিম ৬৮৭০
حدثنا ابن نمير، حدثنا أبو معاوية، عن داود بن أبي هند، عن أبي عثمان، عن سلمان، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " إن الله خلق يوم خلق السموات والأرض مائة رحمة كل رحمة طباق ما بين السماء والأرض فجعل منها في الأرض رحمة فبها تعطف الوالدة على ولدها والوحش والطير بعضها على بعض فإذا كان يوم القيامة أكملها بهذه الرحمة " .
সালমান (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আকাশমণ্ডলী ও জমিন সৃষ্টির সময়ে আল্লাহ তা‘আলা একশ’ রহ্মাত সৃষ্টি করেছেন। প্রত্যেকটি রহ্মাত আকাশ ও জমিনের দূরত্বের সমপরিমাণ। এ একশ’ রহ্মাত হতে একভাগ রহ্মাত দুনিয়ার জন্য নির্ধারণ করেছেন। এর তাগিদেই মা তার সন্তানের প্রতি এতটুকু স্নেহপরায়ণা হয়ে থাকে এবং বন্য পশু-পাখি একে অপরের প্রতি অনুরক্ত হয়। যখন কিয়ামাত দিবস হবে তখন আল্লাহ তা‘আলা এ রহমাত দ্বারা (একভাগকেও নিরানব্বই ভাগের সাথে মিলিয়ে একশ’) পূর্ণ করবেন। (ই.ফা. ৬৭২৪, ই.সে. ৬৭৭৯)
সালমান (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আকাশমণ্ডলী ও জমিন সৃষ্টির সময়ে আল্লাহ তা‘আলা একশ’ রহ্মাত সৃষ্টি করেছেন। প্রত্যেকটি রহ্মাত আকাশ ও জমিনের দূরত্বের সমপরিমাণ। এ একশ’ রহ্মাত হতে একভাগ রহ্মাত দুনিয়ার জন্য নির্ধারণ করেছেন। এর তাগিদেই মা তার সন্তানের প্রতি এতটুকু স্নেহপরায়ণা হয়ে থাকে এবং বন্য পশু-পাখি একে অপরের প্রতি অনুরক্ত হয়। যখন কিয়ামাত দিবস হবে তখন আল্লাহ তা‘আলা এ রহমাত দ্বারা (একভাগকেও নিরানব্বই ভাগের সাথে মিলিয়ে একশ’) পূর্ণ করবেন। (ই.ফা. ৬৭২৪, ই.সে. ৬৭৭৯)
حدثنا ابن نمير، حدثنا أبو معاوية، عن داود بن أبي هند، عن أبي عثمان، عن سلمان، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " إن الله خلق يوم خلق السموات والأرض مائة رحمة كل رحمة طباق ما بين السماء والأرض فجعل منها في الأرض رحمة فبها تعطف الوالدة على ولدها والوحش والطير بعضها على بعض فإذا كان يوم القيامة أكملها بهذه الرحمة " .
সহিহ মুসলিম ৬৮৭১
حدثني الحسن بن علي الحلواني، ومحمد بن سهل التميمي، - واللفظ لحسن - حدثنا ابن أبي مريم، حدثنا أبو غسان، حدثني زيد بن أسلم، عن أبيه، عن عمر بن الخطاب، أنه قال قدم على رسول الله صلى الله عليه وسلم بسبى فإذا امرأة من السبى تبتغي إذا وجدت صبيا في السبى أخذته فألصقته ببطنها وأرضعته فقال لنا رسول الله صلى الله عليه وسلم " أترون هذه المرأة طارحة ولدها في النار " . قلنا لا والله وهي تقدر على أن لا تطرحه . فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " لله أرحم بعباده من هذه بولدها " .
‘উমার ইবনুল খাত্তাব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, এক সময় কয়েকজন বন্দী রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট নিয়ে আসা হলো। বন্দীদের মধ্যে থেকে একজন নারী কেবলই অনুসন্ধানে রত ছিল। সে বন্দীদের মধ্যে কোন শিশুকে পাওয়া মাত্র তাকে কোলো নিয়ে পেটের সাথে জড়িয়ে ধরে তাকে দুগ্ধ পান করাত। এ দেখে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের প্রশ্ন করলেন, এ মহিলাটি কি তার সন্তানদেরকে আগুনে ফেলতে রাজি হবে? আমরা বললাম, না। আল্লাহর শপথ! সে কোন সময় তার সন্তানকে আগুনে নিক্ষেপ করতে পারবে না। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, সন্তানের উপর এ মহিলাটির দয়া হতেও আল্লাহ বেশি দয়ালু। (ই.ফা. ৬৭২৫, ই.সে. ৬৭৮০)
‘উমার ইবনুল খাত্তাব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, এক সময় কয়েকজন বন্দী রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট নিয়ে আসা হলো। বন্দীদের মধ্যে থেকে একজন নারী কেবলই অনুসন্ধানে রত ছিল। সে বন্দীদের মধ্যে কোন শিশুকে পাওয়া মাত্র তাকে কোলো নিয়ে পেটের সাথে জড়িয়ে ধরে তাকে দুগ্ধ পান করাত। এ দেখে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের প্রশ্ন করলেন, এ মহিলাটি কি তার সন্তানদেরকে আগুনে ফেলতে রাজি হবে? আমরা বললাম, না। আল্লাহর শপথ! সে কোন সময় তার সন্তানকে আগুনে নিক্ষেপ করতে পারবে না। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, সন্তানের উপর এ মহিলাটির দয়া হতেও আল্লাহ বেশি দয়ালু। (ই.ফা. ৬৭২৫, ই.সে. ৬৭৮০)
حدثني الحسن بن علي الحلواني، ومحمد بن سهل التميمي، - واللفظ لحسن - حدثنا ابن أبي مريم، حدثنا أبو غسان، حدثني زيد بن أسلم، عن أبيه، عن عمر بن الخطاب، أنه قال قدم على رسول الله صلى الله عليه وسلم بسبى فإذا امرأة من السبى تبتغي إذا وجدت صبيا في السبى أخذته فألصقته ببطنها وأرضعته فقال لنا رسول الله صلى الله عليه وسلم " أترون هذه المرأة طارحة ولدها في النار " . قلنا لا والله وهي تقدر على أن لا تطرحه . فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " لله أرحم بعباده من هذه بولدها " .
সহিহ মুসলিম ৬৮৭২
حدثنا يحيى بن أيوب، وقتيبة، وابن، حجر جميعا عن إسماعيل بن جعفر، قال ابن أيوب حدثنا إسماعيل، أخبرني العلاء، عن أبيه، عن أبي هريرة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " لو يعلم المؤمن ما عند الله من العقوبة ما طمع بجنته أحد ولو يعلم الكافر ما عند الله من الرحمة ما قنط من جنته أحد " .
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আল্লাহর কাছে যে কি পরিমাণ শাস্তি রয়েছে, ঈমানদারগণ যদি তা জানত তবে কেউ তাঁর কাছে জান্নাতের প্রত্যাশা করত না। এমনিভাবে আল্লাহর কাছে যে পরিমাণ দয়া আছে, অবিশ্বাসীরা যদি তা জানত তবে কেউ তার জান্নাত থেকে নিরাশ হত না। (ই.ফা. ৬৭২৬, ই.সে. ৬৭৮১)
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আল্লাহর কাছে যে কি পরিমাণ শাস্তি রয়েছে, ঈমানদারগণ যদি তা জানত তবে কেউ তাঁর কাছে জান্নাতের প্রত্যাশা করত না। এমনিভাবে আল্লাহর কাছে যে পরিমাণ দয়া আছে, অবিশ্বাসীরা যদি তা জানত তবে কেউ তার জান্নাত থেকে নিরাশ হত না। (ই.ফা. ৬৭২৬, ই.সে. ৬৭৮১)
حدثنا يحيى بن أيوب، وقتيبة، وابن، حجر جميعا عن إسماعيل بن جعفر، قال ابن أيوب حدثنا إسماعيل، أخبرني العلاء، عن أبيه، عن أبي هريرة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " لو يعلم المؤمن ما عند الله من العقوبة ما طمع بجنته أحد ولو يعلم الكافر ما عند الله من الرحمة ما قنط من جنته أحد " .
সহিহ মুসলিম ৬৮৭৩
حدثني محمد بن مرزوق ابن بنت مهدي بن ميمون، حدثنا روح، حدثنا مالك، عن أبي الزناد، عن الأعرج، عن أبي هريرة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " قال رجل لم يعمل حسنة قط لأهله إذا مات فحرقوه ثم اذروا نصفه في البر ونصفه في البحر فوالله لئن قدر الله عليه ليعذبنه عذابا لا يعذبه أحدا من العالمين فلما مات الرجل فعلوا ما أمرهم فأمر الله البر فجمع ما فيه وأمر البحر فجمع ما فيه ثم قال لم فعلت هذا قال من خشيتك يا رب وأنت أعلم . فغفر الله له " .
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ জনৈক লোক যে জীবনে কক্ষনো কোন প্রকার সাওয়াবের কাজ করেনি, যখন সে মারা যাবে তার পরিবার পরিজনকে ডেকে বলল, মৃত্যুর পর তোমরা তাকে পুড়ে ফেলবে সেটার অর্ধেক স্থলভাগে বাতাসে উড়িয়ে দিবে এবং অর্ধেক পানিতে নিক্ষেপ করবে। কারণ আল্লাহর কসম! আমাকে যদি আল্লাহ পুনঃ একত্রিত করতে পারেন তাহলে তিনি আমাকে অবশ্যই এমন ‘আযাব দিবেন, যা পৃথিবীর অন্য কাউকে কখনো দেননি। তারপর লোকটি যখন ইন্তিকাল করল তখন তার পরিবারের লোকেরা তার নির্দেশ অনুযায়ী তদ্রূপ করল। তখন আল্লাহ তা‘আলা স্থলভাগকে আদেশ দিলেন সে তার মধ্যস্থিত যা কিছু আছে (ছাই) একত্রিত করলো। এরপর পানিতে মিশ্রিত ভাগকে নির্দেশ দিলেন। সেও তার মধ্যস্থিত সব কিছু একত্রিত করে দিল। অতঃপর আল্লাহ তা‘আলা তাকে প্রশ্ন করলেন, তুমি এমনটি কেন করলে? সে বলল, হে আমার রব! আপনার ভয়ে। আপনি তো সর্বজ্ঞ। তখন আল্লাহ তা‘আলা সদয় হয়ে তাকে মাফ করে দিলেন। (ই.ফা. ৬৭২৭, ই.সে. ৬৭৮২)
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ জনৈক লোক যে জীবনে কক্ষনো কোন প্রকার সাওয়াবের কাজ করেনি, যখন সে মারা যাবে তার পরিবার পরিজনকে ডেকে বলল, মৃত্যুর পর তোমরা তাকে পুড়ে ফেলবে সেটার অর্ধেক স্থলভাগে বাতাসে উড়িয়ে দিবে এবং অর্ধেক পানিতে নিক্ষেপ করবে। কারণ আল্লাহর কসম! আমাকে যদি আল্লাহ পুনঃ একত্রিত করতে পারেন তাহলে তিনি আমাকে অবশ্যই এমন ‘আযাব দিবেন, যা পৃথিবীর অন্য কাউকে কখনো দেননি। তারপর লোকটি যখন ইন্তিকাল করল তখন তার পরিবারের লোকেরা তার নির্দেশ অনুযায়ী তদ্রূপ করল। তখন আল্লাহ তা‘আলা স্থলভাগকে আদেশ দিলেন সে তার মধ্যস্থিত যা কিছু আছে (ছাই) একত্রিত করলো। এরপর পানিতে মিশ্রিত ভাগকে নির্দেশ দিলেন। সেও তার মধ্যস্থিত সব কিছু একত্রিত করে দিল। অতঃপর আল্লাহ তা‘আলা তাকে প্রশ্ন করলেন, তুমি এমনটি কেন করলে? সে বলল, হে আমার রব! আপনার ভয়ে। আপনি তো সর্বজ্ঞ। তখন আল্লাহ তা‘আলা সদয় হয়ে তাকে মাফ করে দিলেন। (ই.ফা. ৬৭২৭, ই.সে. ৬৭৮২)
حدثني محمد بن مرزوق ابن بنت مهدي بن ميمون، حدثنا روح، حدثنا مالك، عن أبي الزناد، عن الأعرج، عن أبي هريرة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " قال رجل لم يعمل حسنة قط لأهله إذا مات فحرقوه ثم اذروا نصفه في البر ونصفه في البحر فوالله لئن قدر الله عليه ليعذبنه عذابا لا يعذبه أحدا من العالمين فلما مات الرجل فعلوا ما أمرهم فأمر الله البر فجمع ما فيه وأمر البحر فجمع ما فيه ثم قال لم فعلت هذا قال من خشيتك يا رب وأنت أعلم . فغفر الله له " .
সহিহ মুসলিম ৬৮৭৬
حدثني أبو الربيع، سليمان بن داود حدثنا محمد بن حرب، حدثني الزبيدي، قال الزهري حدثني حميد بن عبد الرحمن بن عوف، عن أبي هريرة، قال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " أسرف عبد على نفسه " . بنحو حديث معمر إلى قوله " فغفر الله له " . ولم يذكر حديث المرأة في قصة الهرة وفي حديث الزبيدي قال " فقال الله عز وجل لكل شىء أخذ منه شيئا أد ما أخذت منه " .
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি রসূলুলাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে এ কথা বলতে শুনেছি যে, একজন গোলাম তার নিজের আত্মার প্রতি যুল্ম করেছিল অর্থাৎ সীমাহীন পাপ করেছিল। তারপর তিনি (আরবী) পর্যন্ত মা‘মার-এর বর্ণিত হাদীসের হুবহু বর্ণনা করেছেন। তবে বিড়ালের কাহিনী সম্পর্কিত মহিলার হাদীসটি বর্ণনা করেননি। তবে যুবাইদী (রহঃ)-এর হাদীসে রয়েছে, তারপর আল্লাহ তা‘আলা- যারা তার সর্বাঙ্গ গ্রাস করেছে তাদের বললেন, তার যে যে অংশে তোমরা খেয়ে ফেলেছো, তা সমন্বিত করে দাও। (ই.ফা. ৬৭২৯, ই.সে. ৬৭৮৪)
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি রসূলুলাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে এ কথা বলতে শুনেছি যে, একজন গোলাম তার নিজের আত্মার প্রতি যুল্ম করেছিল অর্থাৎ সীমাহীন পাপ করেছিল। তারপর তিনি (আরবী) পর্যন্ত মা‘মার-এর বর্ণিত হাদীসের হুবহু বর্ণনা করেছেন। তবে বিড়ালের কাহিনী সম্পর্কিত মহিলার হাদীসটি বর্ণনা করেননি। তবে যুবাইদী (রহঃ)-এর হাদীসে রয়েছে, তারপর আল্লাহ তা‘আলা- যারা তার সর্বাঙ্গ গ্রাস করেছে তাদের বললেন, তার যে যে অংশে তোমরা খেয়ে ফেলেছো, তা সমন্বিত করে দাও। (ই.ফা. ৬৭২৯, ই.সে. ৬৭৮৪)
حدثني أبو الربيع، سليمان بن داود حدثنا محمد بن حرب، حدثني الزبيدي، قال الزهري حدثني حميد بن عبد الرحمن بن عوف، عن أبي هريرة، قال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " أسرف عبد على نفسه " . بنحو حديث معمر إلى قوله " فغفر الله له " . ولم يذكر حديث المرأة في قصة الهرة وفي حديث الزبيدي قال " فقال الله عز وجل لكل شىء أخذ منه شيئا أد ما أخذت منه " .
সহিহ মুসলিম ৬৮৭৮
وحدثناه يحيى بن حبيب الحارثي، حدثنا معتمر بن سليمان، قال قال لي أبي حدثنا قتادة، ح وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا الحسن بن موسى، حدثنا شيبان، بن عبد الرحمن ح وحدثنا ابن المثنى، حدثنا أبو الوليد، حدثنا أبو عوانة، كلاهما عن قتادة، ذكروا جميعا بإسناد شعبة نحو حديثه وفي حديث شيبان وأبي عوانة " أن رجلا من الناس رغسه الله مالا وولدا " . وفي حديث التيمي " فإنه لم يبتئر عند الله خيرا " . قال فسرها قتادة لم يدخر عند الله خيرا . وفي حديث شيبان " فإنه والله ما ابتأر عند الله خيرا " . وفي حديث أبي عوانة " ما امتأر " . بالميم .
কাতাদাহ্ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তারা সকলেই শু‘বার সানাদের ন্যয় উক্ত হাদীসটি শু‘বার হাদীসের অবিকল বর্ণনা করেছেন। শাইবান-এর হাদীসে (আরবী)-এর স্থলে (আরবী)-(আল্লাহ তাকে দান করেছেন) বর্ণিত আছে। আর আত্ তাইমীর হাদীসের মধ্যে (আরবী)-এর স্থলে (আরবী) বর্ণিত আছে। কাতাদাহ্ (রহঃ)-এর ব্যাখ্যায় বলেন, সে আল্লাহর কাছে কোন বিষয়ই একত্রিত করেনি। শাইবান-এর হাদীসে আছে, (আরবী) এবং আবূ ‘আওয়ানার হাদীসে আছে (আরবী) বা অক্ষরের স্থলে (আরবী) অক্ষর আছে। (ই.ফা. ৬৭৩১, ই.সে. ৬৭৮৬)
কাতাদাহ্ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তারা সকলেই শু‘বার সানাদের ন্যয় উক্ত হাদীসটি শু‘বার হাদীসের অবিকল বর্ণনা করেছেন। শাইবান-এর হাদীসে (আরবী)-এর স্থলে (আরবী)-(আল্লাহ তাকে দান করেছেন) বর্ণিত আছে। আর আত্ তাইমীর হাদীসের মধ্যে (আরবী)-এর স্থলে (আরবী) বর্ণিত আছে। কাতাদাহ্ (রহঃ)-এর ব্যাখ্যায় বলেন, সে আল্লাহর কাছে কোন বিষয়ই একত্রিত করেনি। শাইবান-এর হাদীসে আছে, (আরবী) এবং আবূ ‘আওয়ানার হাদীসে আছে (আরবী) বা অক্ষরের স্থলে (আরবী) অক্ষর আছে। (ই.ফা. ৬৭৩১, ই.সে. ৬৭৮৬)
وحدثناه يحيى بن حبيب الحارثي، حدثنا معتمر بن سليمان، قال قال لي أبي حدثنا قتادة، ح وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا الحسن بن موسى، حدثنا شيبان، بن عبد الرحمن ح وحدثنا ابن المثنى، حدثنا أبو الوليد، حدثنا أبو عوانة، كلاهما عن قتادة، ذكروا جميعا بإسناد شعبة نحو حديثه وفي حديث شيبان وأبي عوانة " أن رجلا من الناس رغسه الله مالا وولدا " . وفي حديث التيمي " فإنه لم يبتئر عند الله خيرا " . قال فسرها قتادة لم يدخر عند الله خيرا . وفي حديث شيبان " فإنه والله ما ابتأر عند الله خيرا " . وفي حديث أبي عوانة " ما امتأر " . بالميم .
সহিহ মুসলিম ৬৮৭৭
حدثني عبيد الله بن معاذ العنبري، حدثنا أبي، حدثنا شعبة، عن قتادة، سمع عقبة بن عبد الغافر، يقول سمعت أبا سعيد الخدري، يحدث عن النبي صلى الله عليه وسلم " أن رجلا فيمن كان قبلكم راشه الله مالا وولدا فقال لولده لتفعلن ما آمركم به أو لأولين ميراثي غيركم إذا أنا مت فأحرقوني - وأكثر علمي أنه قال - ثم اسحقوني واذروني في الريح فإني لم أبتهر عند الله خيرا وإن الله يقدر على أن يعذبني - قال - فأخذ منهم ميثاقا ففعلوا ذلك به وربي فقال الله ما حملك على ما فعلت فقال مخافتك . قال فما تلافاه غيرها " .
আবূ সা‘ঈদ আল খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে বর্ণনা করলে, (তিনি বলেছেন,) আগের যুগের এক লোক ছিল। আল্লাহ তা‘আলা তাকে অনেক সন্তান এবং অনেক প্রাচুর্য দিয়েছিলেন। সে তার সন্তান-সন্ততিদের বলল, আমি যা তোমাদের আদেশ করব অবশ্যই তোমরা তা করবে নচেৎ আমি অন্য কাউকে আমার ধন-সম্পদের উত্তরাধিকার করে দিব। আমি যখন মরে যাবো তখন তোমরা আমাকে আগুনে জ্বালিয়ে ফেলবে। বর্ণনাকারী বলেন, আমার মনে হয় যে, সে এও বলেছে যে, তারপর আমাকে পিষে বাতাসে উড়িয়ে দিবে। কারণ আল্লাহর কাছে আগে আমি কোন সাওয়াব পাঠাইনি। আল্লাহ তা‘আলা আমাকে সাজা দেয়ার উপর শক্তি রাখেন। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, এ বিষয়ে সে তার সন্তানদের থেকে স্বীকারোক্তি গ্রহণ করল। এরপর তারা তার পিতার ক্ষেত্রে তেমনি করল। আমার রবের কসম! এরপর আল্লাহ তা‘আলা তাকে প্রশ্ন করলেন, এ কর্ম করার বিষয়ে কিসে তোমাকে উৎসাহিত করেছে? সে বলল, আপনার ভয়ে। এ কথা শুনে আল্লাহ তাকে আর কোন ‘আযাব দেননি। (ই.ফা. ৬৭৩০, ই.সে. ৬৭৮৫)
আবূ সা‘ঈদ আল খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে বর্ণনা করলে, (তিনি বলেছেন,) আগের যুগের এক লোক ছিল। আল্লাহ তা‘আলা তাকে অনেক সন্তান এবং অনেক প্রাচুর্য দিয়েছিলেন। সে তার সন্তান-সন্ততিদের বলল, আমি যা তোমাদের আদেশ করব অবশ্যই তোমরা তা করবে নচেৎ আমি অন্য কাউকে আমার ধন-সম্পদের উত্তরাধিকার করে দিব। আমি যখন মরে যাবো তখন তোমরা আমাকে আগুনে জ্বালিয়ে ফেলবে। বর্ণনাকারী বলেন, আমার মনে হয় যে, সে এও বলেছে যে, তারপর আমাকে পিষে বাতাসে উড়িয়ে দিবে। কারণ আল্লাহর কাছে আগে আমি কোন সাওয়াব পাঠাইনি। আল্লাহ তা‘আলা আমাকে সাজা দেয়ার উপর শক্তি রাখেন। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, এ বিষয়ে সে তার সন্তানদের থেকে স্বীকারোক্তি গ্রহণ করল। এরপর তারা তার পিতার ক্ষেত্রে তেমনি করল। আমার রবের কসম! এরপর আল্লাহ তা‘আলা তাকে প্রশ্ন করলেন, এ কর্ম করার বিষয়ে কিসে তোমাকে উৎসাহিত করেছে? সে বলল, আপনার ভয়ে। এ কথা শুনে আল্লাহ তাকে আর কোন ‘আযাব দেননি। (ই.ফা. ৬৭৩০, ই.সে. ৬৭৮৫)
حدثني عبيد الله بن معاذ العنبري، حدثنا أبي، حدثنا شعبة، عن قتادة، سمع عقبة بن عبد الغافر، يقول سمعت أبا سعيد الخدري، يحدث عن النبي صلى الله عليه وسلم " أن رجلا فيمن كان قبلكم راشه الله مالا وولدا فقال لولده لتفعلن ما آمركم به أو لأولين ميراثي غيركم إذا أنا مت فأحرقوني - وأكثر علمي أنه قال - ثم اسحقوني واذروني في الريح فإني لم أبتهر عند الله خيرا وإن الله يقدر على أن يعذبني - قال - فأخذ منهم ميثاقا ففعلوا ذلك به وربي فقال الله ما حملك على ما فعلت فقال مخافتك . قال فما تلافاه غيرها " .
সহিহ মুসলিম ৬৮৭৪
حدثنا محمد بن رافع، وعبد بن حميد، قال عبد أخبرنا وقال ابن رافع، - واللفظ له - حدثنا عبد الرزاق، أخبرنا معمر، قال قال لي الزهري ألا أحدثك بحديثين عجيبين قال الزهري أخبرني حميد بن عبد الرحمن عن أبي هريرة عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " أسرف رجل على نفسه فلما حضره الموت أوصى بنيه فقال إذا أنا مت فأحرقوني ثم اسحقوني ثم اذروني في الريح في البحر فوالله لئن قدر على ربي ليعذبني عذابا ما عذبه به أحدا . قال ففعلوا ذلك به فقال للأرض أدي ما أخذت . فإذا هو قائم فقال له ما حملك على ما صنعت فقال خشيتك يا رب - أو قال - مخافتك . فغفر له بذلك " .
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ)-এর সূত্রে নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেছেন, এক লোক তার নিজের উপর সীমাহীন পাপ করেছে। এরপর যখন মৃত্যু সমুপস্থিত তখন সে তার সন্তান-সন্ততিদেরকে ওয়াসীয়াত করে বলল, আমার ইন্তিকালের পর তোমরা আমাকে আগুনে পুড়িয়ে ছাইগুলোকে ভালোভাবে পিষবে। তারপর আমাকে সমুদ্রের মধ্যে বাতাসে ছেড়ে দিবে। আল্লাহর শপথ! আল্লাহ যদি আমাকে পেয়ে যান, তবে নিশ্চিতই তিনি আমাকে এমন ‘আযাব দিবেন, যা তিনি আর কাউকে দেননি। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, সন্তানগণ তার সঙ্গে হুবহু তাই করল। এরপর আল্লাহ তা‘আলা মাটিকে বললেন, তুমি তার যে ছাই ধারণ করছো তা একত্রিত করে দাও। ফলে সে সোজা হঠাৎ দাঁড়িয়ে গেল। তখন আল্লাহ তাকে জিজ্ঞেস করলেন, এ কর্ম করার কারণে কিসে তোমাকে উৎসাহিত করেছে? উত্তরে সে বলল, (আরবী) অথবা (আরবী)–আপনার ভয়ে। এ কথার প্রেক্ষিতে আল্লাহ সদয় হয়ে তাকে মাফ করে দেন। (ই.ফা. ৬৭২৮, ই.সে. ৬৭৮৩)
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ)-এর সূত্রে নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেছেন, এক লোক তার নিজের উপর সীমাহীন পাপ করেছে। এরপর যখন মৃত্যু সমুপস্থিত তখন সে তার সন্তান-সন্ততিদেরকে ওয়াসীয়াত করে বলল, আমার ইন্তিকালের পর তোমরা আমাকে আগুনে পুড়িয়ে ছাইগুলোকে ভালোভাবে পিষবে। তারপর আমাকে সমুদ্রের মধ্যে বাতাসে ছেড়ে দিবে। আল্লাহর শপথ! আল্লাহ যদি আমাকে পেয়ে যান, তবে নিশ্চিতই তিনি আমাকে এমন ‘আযাব দিবেন, যা তিনি আর কাউকে দেননি। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, সন্তানগণ তার সঙ্গে হুবহু তাই করল। এরপর আল্লাহ তা‘আলা মাটিকে বললেন, তুমি তার যে ছাই ধারণ করছো তা একত্রিত করে দাও। ফলে সে সোজা হঠাৎ দাঁড়িয়ে গেল। তখন আল্লাহ তাকে জিজ্ঞেস করলেন, এ কর্ম করার কারণে কিসে তোমাকে উৎসাহিত করেছে? উত্তরে সে বলল, (আরবী) অথবা (আরবী)–আপনার ভয়ে। এ কথার প্রেক্ষিতে আল্লাহ সদয় হয়ে তাকে মাফ করে দেন। (ই.ফা. ৬৭২৮, ই.সে. ৬৭৮৩)
حدثنا محمد بن رافع، وعبد بن حميد، قال عبد أخبرنا وقال ابن رافع، - واللفظ له - حدثنا عبد الرزاق، أخبرنا معمر، قال قال لي الزهري ألا أحدثك بحديثين عجيبين قال الزهري أخبرني حميد بن عبد الرحمن عن أبي هريرة عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " أسرف رجل على نفسه فلما حضره الموت أوصى بنيه فقال إذا أنا مت فأحرقوني ثم اسحقوني ثم اذروني في الريح في البحر فوالله لئن قدر على ربي ليعذبني عذابا ما عذبه به أحدا . قال ففعلوا ذلك به فقال للأرض أدي ما أخذت . فإذا هو قائم فقال له ما حملك على ما صنعت فقال خشيتك يا رب - أو قال - مخافتك . فغفر له بذلك " .
সহিহ মুসলিম ৬৮৬৩
حدثني زهير بن حرب، حدثنا سفيان بن عيينة، عن أبي الزناد، عن الأعرج، عن أبي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم " قال الله عز وجل سبقت رحمتي غضبي " .
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ)-এর সু্ত্রে নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্নিতঃ
আল্লাহ তা‘আলা বলেছেন, আমার গোস্বাকে আমার রহমাত অতিক্রম করেছে। (ই.ফা. ৬৭১৭, ই.সে. ৬৭৭৩)
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ)-এর সু্ত্রে নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্নিতঃ
আল্লাহ তা‘আলা বলেছেন, আমার গোস্বাকে আমার রহমাত অতিক্রম করেছে। (ই.ফা. ৬৭১৭, ই.সে. ৬৭৭৩)
حدثني زهير بن حرب، حدثنا سفيان بن عيينة، عن أبي الزناد، عن الأعرج، عن أبي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم " قال الله عز وجل سبقت رحمتي غضبي " .
সহিহ মুসলিম ৬৮৭৫
قال الزهري وحدثني حميد، عن أبي هريرة، عن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " دخلت امرأة النار في هرة ربطتها فلا هي أطعمتها ولا هي أرسلتها تأكل من خشاش الأرض حتى ماتت هزلا " . قال الزهري ذلك لئلا يتكل رجل ولا ييأس رجل .
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ)-এর সূত্রে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেছেন, জনৈক মহিলা একটি বিড়ালের কারণে জাহান্নামে প্রবেশ করেছে। সে বিড়ালটি বেঁধে রেখেছিল; অথচ তাকে কোন আহারও প্রদান করেনি এবং জমি থেকে কীট-পতঙ্গ বা ঘাসপাতা খাবার জন্য তাকে ছেড়েও দেয়নি। এমনিভাবে বিড়ালটির মৃত্যু হয়। যুহরী (রহঃ) বলেন, উপরোল্লিখিত হাদীস দু’টো এ কারণেই আলোচনা করা হয়েছে, যেন মানুষ ‘আমাল পরিত্যাগ করে আল্লাহর রহমাতের উপর ভরসা করে বসে না থাকে (পাপরাশিতে ডুবে না থাকে) এবং যেন মানুষ আল্লাহর অনুগ্রহ থেকে (‘আযাবের ভয়ে) নিরাশ না হয়ে যায়। (ই.ফা. ৬৭২৮, ই.সে. ৬৭৮৩)
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ)-এর সূত্রে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেছেন, জনৈক মহিলা একটি বিড়ালের কারণে জাহান্নামে প্রবেশ করেছে। সে বিড়ালটি বেঁধে রেখেছিল; অথচ তাকে কোন আহারও প্রদান করেনি এবং জমি থেকে কীট-পতঙ্গ বা ঘাসপাতা খাবার জন্য তাকে ছেড়েও দেয়নি। এমনিভাবে বিড়ালটির মৃত্যু হয়। যুহরী (রহঃ) বলেন, উপরোল্লিখিত হাদীস দু’টো এ কারণেই আলোচনা করা হয়েছে, যেন মানুষ ‘আমাল পরিত্যাগ করে আল্লাহর রহমাতের উপর ভরসা করে বসে না থাকে (পাপরাশিতে ডুবে না থাকে) এবং যেন মানুষ আল্লাহর অনুগ্রহ থেকে (‘আযাবের ভয়ে) নিরাশ না হয়ে যায়। (ই.ফা. ৬৭২৮, ই.সে. ৬৭৮৩)
قال الزهري وحدثني حميد، عن أبي هريرة، عن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " دخلت امرأة النار في هرة ربطتها فلا هي أطعمتها ولا هي أرسلتها تأكل من خشاش الأرض حتى ماتت هزلا " . قال الزهري ذلك لئلا يتكل رجل ولا ييأس رجل .
সহিহ মুসলিম ৬৮৬৯
وحدثناه محمد بن عبد الأعلى، حدثنا المعتمر، عن أبيه، بهذا الإسناد .
মু‘তামির-এর পিতা থেকে বর্নিতঃ
উপরোক্ত সূত্রে হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৬৭২৩, ই.সে. ৬৭৭৯)
মু‘তামির-এর পিতা থেকে বর্নিতঃ
উপরোক্ত সূত্রে হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৬৭২৩, ই.সে. ৬৭৭৯)
وحدثناه محمد بن عبد الأعلى، حدثنا المعتمر، عن أبيه، بهذا الإسناد .