সহিহ মুসলিম > দিনের শুরুতে ও ঘুমানোর সময়ের তাসবীহ
সহিহ মুসলিম ৬৮১১
حدثني أمية بن بسطام العيشي، حدثنا يزيد، - يعني ابن زريع - حدثنا روح، وهو ابن القاسم عن سهيل، عن أبيه، عن أبي هريرة، أن فاطمة، أتت النبي صلى الله عليه وسلم تسأله خادما وشكت العمل فقال " ما ألفيتيه عندنا " . قال " ألا أدلك على ما هو خير لك من خادم تسبحين ثلاثا وثلاثين وتحمدين ثلاثا وثلاثين وتكبرين أربعا وثلاثين حين تأخذين مضجعك " .
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, একবার ফাতিমাহ্ (রাঃ) একজন খাদিমের জন্য নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট আসলেন এবং অনেক কর্মের অভিযোগ করলেন। তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, “আমার নিকটে তো কোন খাদিম নেই। তিনি বললেন, তবে আমি কি তোমাকে এমন বিষয়ের নির্দেশনা করবো না, যা তোমার খাদিমের তুলনায় অতি উত্তম? যখন তুমি শয্যাগ্রহণ করবে তখন ৩৩ বার ‘সুবহা-নাল্ল-হ’, ৩৩ বার ‘আল হাম্দু লিল্লা-হ’ এবং ৩৪ বার ‘আল্ল-হু আকবার’ পড়ে নিবে।” (ই.ফা. ৬৬৭০, ই.সে. ৬৭২৩)
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, একবার ফাতিমাহ্ (রাঃ) একজন খাদিমের জন্য নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট আসলেন এবং অনেক কর্মের অভিযোগ করলেন। তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, “আমার নিকটে তো কোন খাদিম নেই। তিনি বললেন, তবে আমি কি তোমাকে এমন বিষয়ের নির্দেশনা করবো না, যা তোমার খাদিমের তুলনায় অতি উত্তম? যখন তুমি শয্যাগ্রহণ করবে তখন ৩৩ বার ‘সুবহা-নাল্ল-হ’, ৩৩ বার ‘আল হাম্দু লিল্লা-হ’ এবং ৩৪ বার ‘আল্ল-হু আকবার’ পড়ে নিবে।” (ই.ফা. ৬৬৭০, ই.সে. ৬৭২৩)
حدثني أمية بن بسطام العيشي، حدثنا يزيد، - يعني ابن زريع - حدثنا روح، وهو ابن القاسم عن سهيل، عن أبيه، عن أبي هريرة، أن فاطمة، أتت النبي صلى الله عليه وسلم تسأله خادما وشكت العمل فقال " ما ألفيتيه عندنا " . قال " ألا أدلك على ما هو خير لك من خادم تسبحين ثلاثا وثلاثين وتحمدين ثلاثا وثلاثين وتكبرين أربعا وثلاثين حين تأخذين مضجعك " .
সহিহ মুসলিম ৬৮০৭
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وأبو كريب وإسحاق عن محمد بن بشر، عن مسعر، عن محمد بن عبد الرحمن، عن أبي رشدين، عن ابن عباس، عن جويرية، قالت مر بها رسول الله صلى الله عليه وسلم حين صلى صلاة الغداة أو بعد ما صلى الغداة . فذكر نحوه غير أنه قال " سبحان الله عدد خلقه سبحان الله رضا نفسه سبحان الله زنة عرشه سبحان الله مداد كلماته " .
জুওয়াইরিয়াহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, ফাজ্রের সলাতের সময় রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর নিকট আসলেন অথবা ফাজ্রের সলাতের পরে সকালে তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আসলেন। তারপর রাবী তার হুবহু হাদীস বর্ণনা করেন। কিন্তু তাতে পার্থক্য শুধু এই যে, তিনি বলেছেন, “সুবহা-নাল্ল-হি ‘আদাদা খল্কিহি সুবহা-নাল্ল-হি রিযা- নাফ্সিহি সুবহা-নাল্ল-হি যিনাতা ‘আরশিহি সুবহা-নাল্ল-হি মিদা-দা কালিমা-তিহি”, অর্থাৎ- “আমি আল্লাহর প্রশংসার সাথে পবিত্রতা বর্ণনা করছি তাঁর অসংখ্য মাখলুকের পরিমাণ, তার সন্তুষ্টির সমান, তাঁর ‘আর্শের ওযন পরিমাণ এবং তাঁর কালিমাসমূহের সংখ্যার সমান।” (ই.ফা. ৬৬৬৬, ই.সে. ৬৭১৯)
জুওয়াইরিয়াহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, ফাজ্রের সলাতের সময় রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর নিকট আসলেন অথবা ফাজ্রের সলাতের পরে সকালে তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আসলেন। তারপর রাবী তার হুবহু হাদীস বর্ণনা করেন। কিন্তু তাতে পার্থক্য শুধু এই যে, তিনি বলেছেন, “সুবহা-নাল্ল-হি ‘আদাদা খল্কিহি সুবহা-নাল্ল-হি রিযা- নাফ্সিহি সুবহা-নাল্ল-হি যিনাতা ‘আরশিহি সুবহা-নাল্ল-হি মিদা-দা কালিমা-তিহি”, অর্থাৎ- “আমি আল্লাহর প্রশংসার সাথে পবিত্রতা বর্ণনা করছি তাঁর অসংখ্য মাখলুকের পরিমাণ, তার সন্তুষ্টির সমান, তাঁর ‘আর্শের ওযন পরিমাণ এবং তাঁর কালিমাসমূহের সংখ্যার সমান।” (ই.ফা. ৬৬৬৬, ই.সে. ৬৭১৯)
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وأبو كريب وإسحاق عن محمد بن بشر، عن مسعر، عن محمد بن عبد الرحمن، عن أبي رشدين، عن ابن عباس، عن جويرية، قالت مر بها رسول الله صلى الله عليه وسلم حين صلى صلاة الغداة أو بعد ما صلى الغداة . فذكر نحوه غير أنه قال " سبحان الله عدد خلقه سبحان الله رضا نفسه سبحان الله زنة عرشه سبحان الله مداد كلماته " .
সহিহ মুসলিম ৬৮০৬
حدثنا قتيبة بن سعيد، وعمرو الناقد، وابن أبي عمر، - واللفظ لابن أبي عمر - قالوا حدثنا سفيان، عن محمد بن عبد الرحمن، مولى آل طلحة عن كريب، عن ابن عباس، عن جويرية، أن النبي صلى الله عليه وسلم خرج من عندها بكرة حين صلى الصبح وهي في مسجدها ثم رجع بعد أن أضحى وهي جالسة فقال " ما زلت على الحال التي فارقتك عليها " . قالت نعم . قال النبي صلى الله عليه وسلم " لقد قلت بعدك أربع كلمات ثلاث مرات لو وزنت بما قلت منذ اليوم لوزنتهن سبحان الله وبحمده عدد خلقه ورضا نفسه وزنة عرشه ومداد كلماته " .
জুওয়াইরিয়াহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ভোরবেলা ফাজ্রের সলাত আদায় করে তাঁর নিকট থেকে বের হলেন। ঐ সময় তিনি সলাতের স্থানে বসাছিলেন। এরপর তিনি চাশ্তের পরে ফিরে আসলেন। এমতাবস্থায়ও তিনি উপবিষ্ট ছিলেন। তিনি বললেন, আমি তোমাকে যে অবস্থায় ছেড়ে গিয়েছিলাম তুমি সে অবস্থায়ই আছ। তিনি বললেন, হ্যাঁ। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, আমি তোমার নিকট হতে রওনার পর চারটি কালিমাহ্ তিনবার পড়েছি। আজকে তুমি এ পর্যন্ত যা বলেছ তার সাথে ওযন করা হলে এ কালিমাহ্ চারটির ওযনই ভারী হবে। কালিমাগুলো এই- “সুবহা-নাল্ল-হি ওয়াবি হাম্দিহি ‘আদাদা খল্কিহি ওয়া রিযা- নাফ্সিহি ওয়াযিনাতা ‘আর্শিহি ওয়ামি দা-দা কালিমা-তিহি”, অর্থাৎ- “আমি আল্লাহর প্রশংসার সাথে তাঁর পবিত্রতা বর্ণনা করছি তাঁর মাখলুকের সংখ্যার পরিমাণ, তাঁর সন্তুষ্টির পরিমাণ, তাঁর ‘আর্শের ওযন পরিমাণ ও তাঁর কালিমাসমূহের সংখ্যার পরিমাণ।” (ই.ফা. ৬৬৬৫, ই.সে. ৬৭১৮)
জুওয়াইরিয়াহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ভোরবেলা ফাজ্রের সলাত আদায় করে তাঁর নিকট থেকে বের হলেন। ঐ সময় তিনি সলাতের স্থানে বসাছিলেন। এরপর তিনি চাশ্তের পরে ফিরে আসলেন। এমতাবস্থায়ও তিনি উপবিষ্ট ছিলেন। তিনি বললেন, আমি তোমাকে যে অবস্থায় ছেড়ে গিয়েছিলাম তুমি সে অবস্থায়ই আছ। তিনি বললেন, হ্যাঁ। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, আমি তোমার নিকট হতে রওনার পর চারটি কালিমাহ্ তিনবার পড়েছি। আজকে তুমি এ পর্যন্ত যা বলেছ তার সাথে ওযন করা হলে এ কালিমাহ্ চারটির ওযনই ভারী হবে। কালিমাগুলো এই- “সুবহা-নাল্ল-হি ওয়াবি হাম্দিহি ‘আদাদা খল্কিহি ওয়া রিযা- নাফ্সিহি ওয়াযিনাতা ‘আর্শিহি ওয়ামি দা-দা কালিমা-তিহি”, অর্থাৎ- “আমি আল্লাহর প্রশংসার সাথে তাঁর পবিত্রতা বর্ণনা করছি তাঁর মাখলুকের সংখ্যার পরিমাণ, তাঁর সন্তুষ্টির পরিমাণ, তাঁর ‘আর্শের ওযন পরিমাণ ও তাঁর কালিমাসমূহের সংখ্যার পরিমাণ।” (ই.ফা. ৬৬৬৫, ই.সে. ৬৭১৮)
حدثنا قتيبة بن سعيد، وعمرو الناقد، وابن أبي عمر، - واللفظ لابن أبي عمر - قالوا حدثنا سفيان، عن محمد بن عبد الرحمن، مولى آل طلحة عن كريب، عن ابن عباس، عن جويرية، أن النبي صلى الله عليه وسلم خرج من عندها بكرة حين صلى الصبح وهي في مسجدها ثم رجع بعد أن أضحى وهي جالسة فقال " ما زلت على الحال التي فارقتك عليها " . قالت نعم . قال النبي صلى الله عليه وسلم " لقد قلت بعدك أربع كلمات ثلاث مرات لو وزنت بما قلت منذ اليوم لوزنتهن سبحان الله وبحمده عدد خلقه ورضا نفسه وزنة عرشه ومداد كلماته " .
সহিহ মুসলিম ৬৮০৮
حدثنا محمد بن المثنى، ومحمد بن بشار، - واللفظ لابن المثنى - قالا حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، عن الحكم، قال سمعت ابن أبي ليلى، حدثنا علي، أن فاطمة، اشتكت ما تلقى من الرحى في يدها وأتى النبي صلى الله عليه وسلم سبى فانطلقت فلم تجده ولقيت عائشة فأخبرتها فلما جاء النبي صلى الله عليه وسلم أخبرته عائشة بمجيء فاطمة إليها فجاء النبي صلى الله عليه وسلم إلينا وقد أخذنا مضاجعنا فذهبنا نقوم فقال النبي صلى الله عليه وسلم " على مكانكما " . فقعد بيننا حتى وجدت برد قدمه على صدري ثم قال " ألا أعلمكما خيرا مما سألتما إذا أخذتما مضاجعكما أن تكبرا الله أربعا وثلاثين وتسبحاه ثلاثا وثلاثين وتحمداه ثلاثا وثلاثين فهو خير لكما من خادم " .
‘আলী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
ফাতিমাহ্ (রাঃ) চাক্কি ঘুরাতে গিয়ে তাঁর হাতে ব্যাথা অনুভব করলেন। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে বন্দি এসেছিল। তাই তিনি বন্দি হতে একজন খাদিমের জন্য নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট গেলেন, কিন্তু নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে পেলেন না। তিনি ‘আয়িশা (রাঃ)-এর সাথে দেখা করে তাঁকে ব্যাপারটি অবহিত করলেন। অতঃপর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আগমন করলে তখন ‘আয়িশা (রাঃ) তাঁর নিকট ফাতিমাহ্ (রাঃ)-এর তাঁর নিকট আগমনের বিষয়টি অবহিত করলেন। অতঃপর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের নিকট আসলেন। এমন সময় আমরা আমাদের শয্যাগ্রহণ করেছিলাম। অতঃপর আমরা উঠতে লাগলাম। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, “তোমরা তোমাদের যথাস্থানে থাকো। অতঃপর তিনি আমাদের দু’জনের মাঝে বসলেন। এমনকি আমি তাঁর পা মুবারকের শীতলতা আমার সীনার মধ্যে অনুভব করলাম। অতঃপর তিনি বললেন, আমি কি তোমাদের এমন বিষয় শিখিয়ে দিব না, যা তোমরা প্রার্থনা করছিলে তার চেয়ে উত্তম? যে সময় তোমরা তোমাদের শয্যাগ্রহণ করবে তখন ৩৪ বার ‘আল্ল-হু আকবার’, ৩৩ বার ‘সুবহা-নাল্ল-হ’ এবং ৩৩ বার ‘আল হাম্দু লিল্লা-হ’ পড়ে নিবে। এটি তোমাদের জন্য খাদিমের চেয়ে উত্তম।” (ই.ফা. ৬৬৬৭, ই.সে. ৬৭২০)
‘আলী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
ফাতিমাহ্ (রাঃ) চাক্কি ঘুরাতে গিয়ে তাঁর হাতে ব্যাথা অনুভব করলেন। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে বন্দি এসেছিল। তাই তিনি বন্দি হতে একজন খাদিমের জন্য নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট গেলেন, কিন্তু নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে পেলেন না। তিনি ‘আয়িশা (রাঃ)-এর সাথে দেখা করে তাঁকে ব্যাপারটি অবহিত করলেন। অতঃপর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আগমন করলে তখন ‘আয়িশা (রাঃ) তাঁর নিকট ফাতিমাহ্ (রাঃ)-এর তাঁর নিকট আগমনের বিষয়টি অবহিত করলেন। অতঃপর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের নিকট আসলেন। এমন সময় আমরা আমাদের শয্যাগ্রহণ করেছিলাম। অতঃপর আমরা উঠতে লাগলাম। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, “তোমরা তোমাদের যথাস্থানে থাকো। অতঃপর তিনি আমাদের দু’জনের মাঝে বসলেন। এমনকি আমি তাঁর পা মুবারকের শীতলতা আমার সীনার মধ্যে অনুভব করলাম। অতঃপর তিনি বললেন, আমি কি তোমাদের এমন বিষয় শিখিয়ে দিব না, যা তোমরা প্রার্থনা করছিলে তার চেয়ে উত্তম? যে সময় তোমরা তোমাদের শয্যাগ্রহণ করবে তখন ৩৪ বার ‘আল্ল-হু আকবার’, ৩৩ বার ‘সুবহা-নাল্ল-হ’ এবং ৩৩ বার ‘আল হাম্দু লিল্লা-হ’ পড়ে নিবে। এটি তোমাদের জন্য খাদিমের চেয়ে উত্তম।” (ই.ফা. ৬৬৬৭, ই.সে. ৬৭২০)
حدثنا محمد بن المثنى، ومحمد بن بشار، - واللفظ لابن المثنى - قالا حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، عن الحكم، قال سمعت ابن أبي ليلى، حدثنا علي، أن فاطمة، اشتكت ما تلقى من الرحى في يدها وأتى النبي صلى الله عليه وسلم سبى فانطلقت فلم تجده ولقيت عائشة فأخبرتها فلما جاء النبي صلى الله عليه وسلم أخبرته عائشة بمجيء فاطمة إليها فجاء النبي صلى الله عليه وسلم إلينا وقد أخذنا مضاجعنا فذهبنا نقوم فقال النبي صلى الله عليه وسلم " على مكانكما " . فقعد بيننا حتى وجدت برد قدمه على صدري ثم قال " ألا أعلمكما خيرا مما سألتما إذا أخذتما مضاجعكما أن تكبرا الله أربعا وثلاثين وتسبحاه ثلاثا وثلاثين وتحمداه ثلاثا وثلاثين فهو خير لكما من خادم " .
সহিহ মুসলিম ৬৮০৯
وحدثناه أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا وكيع، ح وحدثنا عبيد الله بن معاذ، حدثنا أبي ح، وحدثنا ابن المثنى، حدثنا ابن أبي عدي، كلهم عن شعبة، بهذا الإسناد وفي حديث معاذ " أخذتما مضجعكما من الليل " .
আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ্, ‘উবাইদুল্লাহ ইবনু মু‘আয ও ইবনুল মুসান্না (রহঃ) শু‘বাহ্ (রহঃ)-এর সানাদ থেকে বর্নিতঃ
এ সূত্রে হুবহু হাদীস বর্ণনা করেছেন। কিন্তু মু‘আয-এর হাদীসে (আরবী) (রাতে) শব্দটি রয়েছে। (ই.ফা. ৬৬৬৮, ই.সে. ৬৭২১)
আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ্, ‘উবাইদুল্লাহ ইবনু মু‘আয ও ইবনুল মুসান্না (রহঃ) শু‘বাহ্ (রহঃ)-এর সানাদ থেকে বর্নিতঃ
এ সূত্রে হুবহু হাদীস বর্ণনা করেছেন। কিন্তু মু‘আয-এর হাদীসে (আরবী) (রাতে) শব্দটি রয়েছে। (ই.ফা. ৬৬৬৮, ই.সে. ৬৭২১)
وحدثناه أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا وكيع، ح وحدثنا عبيد الله بن معاذ، حدثنا أبي ح، وحدثنا ابن المثنى، حدثنا ابن أبي عدي، كلهم عن شعبة، بهذا الإسناد وفي حديث معاذ " أخذتما مضجعكما من الليل " .
সহিহ মুসলিম ৬৮১০
وحدثني زهير بن حرب، حدثنا سفيان بن عيينة، عن عبيد الله بن أبي يزيد، عن مجاهد، عن ابن أبي ليلى، عن علي بن أبي طالب، ح وحدثنا محمد بن عبد الله بن نمير، وعبيد بن يعيش، عن عبد الله بن نمير، حدثنا عبد الملك، عن عطاء بن أبي رباح، عن مجاهد، عن ابن أبي ليلى، عن علي، عن النبي صلى الله عليه وسلم . بنحو حديث الحكم عن ابن أبي ليلى، وزاد، في الحديث قال علي ما تركته منذ سمعته من النبي صلى الله عليه وسلم . قيل له ولا ليلة صفين قال ولا ليلة صفين . وفي حديث عطاء عن مجاهد عن ابن أبي ليلى قال قلت له ولا ليلة صفين
‘আলী (রাঃ)-এর সানাদে নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে ইবনু আবূ লাইলা সানাদ থেকে বর্নিতঃ
হাকাম-এর হাদীসের অবিকল হাদীস বর্ণনা করেছেন। হাকাম (রহঃ) তার বর্ণিত হাদীসে এটুকু বর্ধিত বলেছেন যে, ‘আলী (রাঃ) বলেছেন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে শ্রবণ করার পর থেকে আমি কক্ষনো তা ছাড়িনি। তাঁকে প্রশ্ন করা হলো, সিফ্ফীনের রাতেও কি? তিনি বললেন, সিফ্ফীনের রাতে নয়। ইবনু আবূ লাইলা-এর সানাদে ‘আতা বর্ণিত হাদীসে তিনি বলেছেন, আমি তাকে জিজ্ঞেস করলাম, “সিফ্ফীনের রাত্রও কি ছেড়ে দেননি?” (ই.ফা. ৬৬৬৯, ই.সে. ৬৭২২)
‘আলী (রাঃ)-এর সানাদে নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে ইবনু আবূ লাইলা সানাদ থেকে বর্নিতঃ
হাকাম-এর হাদীসের অবিকল হাদীস বর্ণনা করেছেন। হাকাম (রহঃ) তার বর্ণিত হাদীসে এটুকু বর্ধিত বলেছেন যে, ‘আলী (রাঃ) বলেছেন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে শ্রবণ করার পর থেকে আমি কক্ষনো তা ছাড়িনি। তাঁকে প্রশ্ন করা হলো, সিফ্ফীনের রাতেও কি? তিনি বললেন, সিফ্ফীনের রাতে নয়। ইবনু আবূ লাইলা-এর সানাদে ‘আতা বর্ণিত হাদীসে তিনি বলেছেন, আমি তাকে জিজ্ঞেস করলাম, “সিফ্ফীনের রাত্রও কি ছেড়ে দেননি?” (ই.ফা. ৬৬৬৯, ই.সে. ৬৭২২)
وحدثني زهير بن حرب، حدثنا سفيان بن عيينة، عن عبيد الله بن أبي يزيد، عن مجاهد، عن ابن أبي ليلى، عن علي بن أبي طالب، ح وحدثنا محمد بن عبد الله بن نمير، وعبيد بن يعيش، عن عبد الله بن نمير، حدثنا عبد الملك، عن عطاء بن أبي رباح، عن مجاهد، عن ابن أبي ليلى، عن علي، عن النبي صلى الله عليه وسلم . بنحو حديث الحكم عن ابن أبي ليلى، وزاد، في الحديث قال علي ما تركته منذ سمعته من النبي صلى الله عليه وسلم . قيل له ولا ليلة صفين قال ولا ليلة صفين . وفي حديث عطاء عن مجاهد عن ابن أبي ليلى قال قلت له ولا ليلة صفين
সহিহ মুসলিম ৬৮১২
وحدثنيه أحمد بن سعيد الدارمي، حدثنا حبان، حدثنا وهيب، حدثنا سهيل، بهذا الإسناد .
সুহায়ল (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
এ সানাদে হুবহু হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৬৬৭০, ই.সে. ৬৭২৪)
সুহায়ল (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
এ সানাদে হুবহু হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৬৬৭০, ই.সে. ৬৭২৪)
وحدثنيه أحمد بن سعيد الدارمي، حدثنا حبان، حدثنا وهيب، حدثنا سهيل، بهذا الإسناد .
সহিহ মুসলিম > মোরগ ডাকার সময় দু‘আ করা মুস্তাহাব
সহিহ মুসলিম ৬৮১৩
حدثني قتيبة بن سعيد، حدثنا ليث، عن جعفر بن ربيعة، عن الأعرج، عن أبي، هريرة أن النبي صلى الله عليه وسلم قال " إذا سمعتم صياح الديكة فاسألوا الله من فضله فإنها رأت ملكا وإذا سمعتم نهيق الحمار فتعوذوا بالله من الشيطان فإنها رأت شيطانا " .
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে সময় তোমরা মোরগের ডাক শুনতে পাবে তখন আল্লাহর কাছে অনুগ্রহ প্রার্থনা করবে। কেননা সে ফেরেশ্তা দেখতে পায়। আর যে সময় তোমরা গাধার বিকট ডাক শুনতে পাবে তখন আল্লাহর নিকট শাইতান থেকে আশ্রয় চাইবে। কেননা সে শাইতান দেখতে পায়। (ই.ফা. ৬৬৭১, ই.সে. ৬৭২৫)
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে সময় তোমরা মোরগের ডাক শুনতে পাবে তখন আল্লাহর কাছে অনুগ্রহ প্রার্থনা করবে। কেননা সে ফেরেশ্তা দেখতে পায়। আর যে সময় তোমরা গাধার বিকট ডাক শুনতে পাবে তখন আল্লাহর নিকট শাইতান থেকে আশ্রয় চাইবে। কেননা সে শাইতান দেখতে পায়। (ই.ফা. ৬৬৭১, ই.সে. ৬৭২৫)
حدثني قتيبة بن سعيد، حدثنا ليث، عن جعفر بن ربيعة، عن الأعرج، عن أبي، هريرة أن النبي صلى الله عليه وسلم قال " إذا سمعتم صياح الديكة فاسألوا الله من فضله فإنها رأت ملكا وإذا سمعتم نهيق الحمار فتعوذوا بالله من الشيطان فإنها رأت شيطانا " .
সহিহ মুসলিম > কঠিন বিপদাপদের দু‘আ
সহিহ মুসলিম ৬৮১৬
وحدثنا عبد بن حميد، أخبرنا محمد بن بشر العبدي، حدثنا سعيد بن أبي عروبة، عن قتادة، أن أبا العالية الرياحي، حدثهم عن ابن عباس، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان يدعو بهن ويقولهن عند الكرب فذكر بمثل حديث معاذ بن هشام عن أبيه عن قتادة غير أنه قال " رب السموات والأرض " .
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এ বাক্যগুলোর সাহায্যে দু‘আ করতেন এবং কঠিন বিপদাপদের সময় এগুলো পড়তেন। তারপর তিনি কাতাদাহ্ (রহঃ)-এর সানাদে মু‘আয ইবনু হিশামের হাদীসের অবিকল বর্ণনা করেছেন। তবে তিনি বলেছেন, “রব্বুস্ সামা-ওয়া-তি ওয়াল আর্যি”, অর্থাৎ- “আকাশমন্ডলী ও পৃথিবীর প্রতিপালক”। (ই.ফা. ৬৬৭৪, ই.সে. ৬৭২৮)
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এ বাক্যগুলোর সাহায্যে দু‘আ করতেন এবং কঠিন বিপদাপদের সময় এগুলো পড়তেন। তারপর তিনি কাতাদাহ্ (রহঃ)-এর সানাদে মু‘আয ইবনু হিশামের হাদীসের অবিকল বর্ণনা করেছেন। তবে তিনি বলেছেন, “রব্বুস্ সামা-ওয়া-তি ওয়াল আর্যি”, অর্থাৎ- “আকাশমন্ডলী ও পৃথিবীর প্রতিপালক”। (ই.ফা. ৬৬৭৪, ই.সে. ৬৭২৮)
وحدثنا عبد بن حميد، أخبرنا محمد بن بشر العبدي، حدثنا سعيد بن أبي عروبة، عن قتادة، أن أبا العالية الرياحي، حدثهم عن ابن عباس، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان يدعو بهن ويقولهن عند الكرب فذكر بمثل حديث معاذ بن هشام عن أبيه عن قتادة غير أنه قال " رب السموات والأرض " .
সহিহ মুসলিম ৬৮১৪
حدثنا محمد بن المثنى، وابن، بشار وعبيد الله بن سعيد - واللفظ لابن سعيد - قالوا حدثنا معاذ بن هشام، حدثني أبي، عن قتادة، عن أبي العالية، عن ابن عباس، أن نبي الله صلى الله عليه وسلم كان يقول عند الكرب " لا إله إلا الله العظيم الحليم لا إله إلا الله رب العرش العظيم لا إله إلا الله رب السموات ورب الأرض ورب العرش الكريم " .
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
(তিনি বলেন,) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কঠিন বিপদাপদের সময় বলতেনঃ “লা- ইলা-হা ইল্লাল্ল-হুল ‘আযীমুল হালীমু লা- ইলা-হা ইল্লাল্ল-হু রব্বুল ‘আর্শিল ‘আযীমি লা- ইলা-হা ইল্লাল্ল-হু রব্বুস্ সামা- ওয়া-তি ওয়া রব্বুল আর্যি ওয়া রব্বুল ‘আর্শিল কারীম”, অর্থাৎ- “মহান, ধৈর্যশীল আল্লাহ ছাড়া কোন মা‘বূদ নেই। মহান ‘আরশের পালনকর্তা আল্লাহ ছাড়া কোন মা‘বূদ নেই। আকাশমন্ডলী ও পৃথিবীর রব এবং সম্মানিত ‘আর্শের রব আল্লাহ ছাড়া কোন মা‘বূদ নেই।” (ই.ফা. ৬৬৭২, ই.সে. ৬৭২৬)
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
(তিনি বলেন,) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কঠিন বিপদাপদের সময় বলতেনঃ “লা- ইলা-হা ইল্লাল্ল-হুল ‘আযীমুল হালীমু লা- ইলা-হা ইল্লাল্ল-হু রব্বুল ‘আর্শিল ‘আযীমি লা- ইলা-হা ইল্লাল্ল-হু রব্বুস্ সামা- ওয়া-তি ওয়া রব্বুল আর্যি ওয়া রব্বুল ‘আর্শিল কারীম”, অর্থাৎ- “মহান, ধৈর্যশীল আল্লাহ ছাড়া কোন মা‘বূদ নেই। মহান ‘আরশের পালনকর্তা আল্লাহ ছাড়া কোন মা‘বূদ নেই। আকাশমন্ডলী ও পৃথিবীর রব এবং সম্মানিত ‘আর্শের রব আল্লাহ ছাড়া কোন মা‘বূদ নেই।” (ই.ফা. ৬৬৭২, ই.সে. ৬৭২৬)
حدثنا محمد بن المثنى، وابن، بشار وعبيد الله بن سعيد - واللفظ لابن سعيد - قالوا حدثنا معاذ بن هشام، حدثني أبي، عن قتادة، عن أبي العالية، عن ابن عباس، أن نبي الله صلى الله عليه وسلم كان يقول عند الكرب " لا إله إلا الله العظيم الحليم لا إله إلا الله رب العرش العظيم لا إله إلا الله رب السموات ورب الأرض ورب العرش الكريم " .
সহিহ মুসলিম ৬৮১৭
وحدثني محمد بن حاتم، حدثنا بهز، حدثنا حماد بن سلمة، أخبرني يوسف بن، عبد الله بن الحارث عن أبي العالية، عن ابن عباس، أن النبي صلى الله عليه وسلم كان إذا حزبه أمر قال . فذكر بمثل حديث معاذ عن أبيه وزاد معهن " لا إله إلا الله رب العرش الكريم " .
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন কোন গুরুত্বপূর্ণ কর্ম (বিপদ) তাঁর সামনে আসতো তখন তিনি বলতেন .....। এরপর তিনি মু‘আয-এর বাবার বর্ণিত হাদীসের অবিকল বর্ণনা করেছেন এবং এর সঙ্গে “লা- ইলা-হা ইল্লাল্ল-হু রব্বুল ‘আর্শিল কারীম”, অর্থাৎ- “মহান ‘আর্শের প্রতিপালক আল্লাহ ব্যাতীত কোন মা‘বূদ নেই” বর্ধিত বর্ণনা করেছে। (ই.ফা. ৬৬৭৫, ই.সে. ৬৭২৯)
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন কোন গুরুত্বপূর্ণ কর্ম (বিপদ) তাঁর সামনে আসতো তখন তিনি বলতেন .....। এরপর তিনি মু‘আয-এর বাবার বর্ণিত হাদীসের অবিকল বর্ণনা করেছেন এবং এর সঙ্গে “লা- ইলা-হা ইল্লাল্ল-হু রব্বুল ‘আর্শিল কারীম”, অর্থাৎ- “মহান ‘আর্শের প্রতিপালক আল্লাহ ব্যাতীত কোন মা‘বূদ নেই” বর্ধিত বর্ণনা করেছে। (ই.ফা. ৬৬৭৫, ই.সে. ৬৭২৯)
وحدثني محمد بن حاتم، حدثنا بهز، حدثنا حماد بن سلمة، أخبرني يوسف بن، عبد الله بن الحارث عن أبي العالية، عن ابن عباس، أن النبي صلى الله عليه وسلم كان إذا حزبه أمر قال . فذكر بمثل حديث معاذ عن أبيه وزاد معهن " لا إله إلا الله رب العرش الكريم " .
সহিহ মুসলিম ৬৮১৫
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا وكيع، عن هشام، بهذا الإسناد وحديث معاذ بن هشام أتم .
হিশাম (রাঃ)-এর সানাদ থেকে বর্নিতঃ
এ সূত্রে হুবহু হাদীস বর্ণনা করেছেন। আর মু‘আয ইবনু হিশামের বর্ণিত হাদীসটি অধিক পরিপূর্ণ। (ই.ফা. ৬৬৭৩, ই.সে. ৬৭২৭)
হিশাম (রাঃ)-এর সানাদ থেকে বর্নিতঃ
এ সূত্রে হুবহু হাদীস বর্ণনা করেছেন। আর মু‘আয ইবনু হিশামের বর্ণিত হাদীসটি অধিক পরিপূর্ণ। (ই.ফা. ৬৬৭৩, ই.সে. ৬৭২৭)
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا وكيع، عن هشام، بهذا الإسناد وحديث معاذ بن هشام أتم .
সহিহ মুসলিম > ‘সুবহা-নাল্ল-হি ওয়াবি হাম্দিহি’-এর ফাযীলাত
সহিহ মুসলিম ৬৮১৮
حدثنا زهير بن حرب، حدثنا حبان بن هلال، حدثنا وهيب، حدثنا سعيد الجريري، عن أبي عبد الله الجسري، عن ابن الصامت، عن أبي ذر، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم سئل أى الكلام أفضل قال " ما اصطفى الله لملائكته أو لعباده سبحان الله وبحمده " .
আবূ যার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে প্রশ্ন করা হলো কোন্ কালাম সবচেয়ে উত্তম? তিনি বললেন, আল্লাহ তা‘আলা তাঁর ফেরেশ্তা কিংবা তাঁর বান্দাদের জন্য যে কালাম নির্বাচন করেছেন, আর তা হলো, “সুবহা-নাল্ল-হি ওয়াবি হাম্দিহি” অর্থাৎ- “আমি আল্লাহ তা‘আলার প্রশংসা ও পবিত্রতা ঘোষণা করছি”। (ই.ফা. ৬৬৭৬, ই.সে. ৬৭৩০)
আবূ যার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে প্রশ্ন করা হলো কোন্ কালাম সবচেয়ে উত্তম? তিনি বললেন, আল্লাহ তা‘আলা তাঁর ফেরেশ্তা কিংবা তাঁর বান্দাদের জন্য যে কালাম নির্বাচন করেছেন, আর তা হলো, “সুবহা-নাল্ল-হি ওয়াবি হাম্দিহি” অর্থাৎ- “আমি আল্লাহ তা‘আলার প্রশংসা ও পবিত্রতা ঘোষণা করছি”। (ই.ফা. ৬৬৭৬, ই.সে. ৬৭৩০)
حدثنا زهير بن حرب، حدثنا حبان بن هلال، حدثنا وهيب، حدثنا سعيد الجريري، عن أبي عبد الله الجسري، عن ابن الصامت، عن أبي ذر، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم سئل أى الكلام أفضل قال " ما اصطفى الله لملائكته أو لعباده سبحان الله وبحمده " .
সহিহ মুসলিম ৬৮১৯
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا يحيى بن أبي بكير، عن شعبة، عن الجريري، عن أبي عبد الله الجسري، من عنزة عن عبد الله بن الصامت، عن أبي ذر، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " ألا أخبرك بأحب الكلام إلى الله " . قلت يا رسول الله أخبرني بأحب الكلام إلى الله . فقال " إن أحب الكلام إلى الله سبحان الله وبحمده " .
আবূ যার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ হে আবূ যার! আমি কি তোমাকে আল্লাহর নিকট সবচেয়ে প্রিয় কালামটি অবহিত করব না? আমি বললাম, হে আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)! আল্লাহর নিকট সবচেয়ে প্রিয় কালামটি আমাকে বলে দিন। তারপর তিনি বললেন, আল্লাহর নিকট সবচেয়ে প্রিয় কালাম হলো, “সুবহা-নাল্ল-হি ওয়াবি হাম্দিহি”, অর্থাৎ- “আমি আল্লাহর প্রশংসা ও পবিত্রতা ঘোষণা করছি।” (ই.ফা. ৬৬৭৭, ই.সে. ৬৭৩১)
আবূ যার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ হে আবূ যার! আমি কি তোমাকে আল্লাহর নিকট সবচেয়ে প্রিয় কালামটি অবহিত করব না? আমি বললাম, হে আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)! আল্লাহর নিকট সবচেয়ে প্রিয় কালামটি আমাকে বলে দিন। তারপর তিনি বললেন, আল্লাহর নিকট সবচেয়ে প্রিয় কালাম হলো, “সুবহা-নাল্ল-হি ওয়াবি হাম্দিহি”, অর্থাৎ- “আমি আল্লাহর প্রশংসা ও পবিত্রতা ঘোষণা করছি।” (ই.ফা. ৬৬৭৭, ই.সে. ৬৭৩১)
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا يحيى بن أبي بكير، عن شعبة، عن الجريري، عن أبي عبد الله الجسري، من عنزة عن عبد الله بن الصامت، عن أبي ذر، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " ألا أخبرك بأحب الكلام إلى الله " . قلت يا رسول الله أخبرني بأحب الكلام إلى الله . فقال " إن أحب الكلام إلى الله سبحان الله وبحمده " .