সহিহ মুসলিম > খারাপ সিদ্ধান্ত, (মুসীবাতে) দুঃখ পাওয়া ইত্যাদি থেকে আশ্রয় প্রার্থনা করা
সহিহ মুসলিম ৬৭৭৪
وحدثني عيسى بن حماد المصري، أخبرني الليث، عن يزيد بن أبي حبيب، عن جعفر، عن يعقوب، أنه ذكر له أن أبا صالح، مولى غطفان أخبره أنه، سمع أبا هريرة، يقول قال رجل يا رسول الله لدغتني عقرب بمثل حديث ابن وهب .
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
(তিনি বলেন,) এক লোক বলল, হে আল্লাহর রসূল! আমাকে একটি বিচ্ছু দংশন করেছে। এরপর ইবনু ওয়াহ্ব-এর হাদীসের অবিকল। (ই.ফা. ৬৬৩৩, ই.সে. ৬৬৮৭)
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
(তিনি বলেন,) এক লোক বলল, হে আল্লাহর রসূল! আমাকে একটি বিচ্ছু দংশন করেছে। এরপর ইবনু ওয়াহ্ব-এর হাদীসের অবিকল। (ই.ফা. ৬৬৩৩, ই.সে. ৬৬৮৭)
وحدثني عيسى بن حماد المصري، أخبرني الليث، عن يزيد بن أبي حبيب، عن جعفر، عن يعقوب، أنه ذكر له أن أبا صالح، مولى غطفان أخبره أنه، سمع أبا هريرة، يقول قال رجل يا رسول الله لدغتني عقرب بمثل حديث ابن وهب .
সহিহ মুসলিম ৬৭৭৩
قال يعقوب وقال القعقاع بن حكيم عن ذكوان أبي صالح، عن أبي هريرة، أنه قال جاء رجل إلى النبي صلى الله عليه وسلم فقال يا رسول الله ما لقيت من عقرب لدغتني البارحة قال " أما لو قلت حين أمسيت أعوذ بكلمات الله التامات من شر ما خلق لم تضرك " .
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, এক লোক নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এসে বলল, হে আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)! গত রাতে একটি বিচ্ছু আমাকে দংশন করার কারণে আমি বড় কষ্ট পেয়েছি। তিনি বললেন, যদি তুমি সন্ধ্যায় এ দু‘আটি পড়তে “আ‘ঊযু বিকালিমাতিল্লা-হিত্ তা-ম্মা-তি মিন্ শার্রি মা-খলাক্” অর্থাৎ- ‘আমি পূর্ণাঙ্গ কালিমাহ্ দ্বারা আল্লাহর নিকট তাঁর সৃষ্টির খারাবী থেকে পানাহ চাই’। তাহলে সে তোমাকে ক্ষতি করতে পারত না। (ই.ফা. ৬৬৩২, ই.সে. ৬৬৮৬)
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, এক লোক নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এসে বলল, হে আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)! গত রাতে একটি বিচ্ছু আমাকে দংশন করার কারণে আমি বড় কষ্ট পেয়েছি। তিনি বললেন, যদি তুমি সন্ধ্যায় এ দু‘আটি পড়তে “আ‘ঊযু বিকালিমাতিল্লা-হিত্ তা-ম্মা-তি মিন্ শার্রি মা-খলাক্” অর্থাৎ- ‘আমি পূর্ণাঙ্গ কালিমাহ্ দ্বারা আল্লাহর নিকট তাঁর সৃষ্টির খারাবী থেকে পানাহ চাই’। তাহলে সে তোমাকে ক্ষতি করতে পারত না। (ই.ফা. ৬৬৩২, ই.সে. ৬৬৮৬)
قال يعقوب وقال القعقاع بن حكيم عن ذكوان أبي صالح، عن أبي هريرة، أنه قال جاء رجل إلى النبي صلى الله عليه وسلم فقال يا رسول الله ما لقيت من عقرب لدغتني البارحة قال " أما لو قلت حين أمسيت أعوذ بكلمات الله التامات من شر ما خلق لم تضرك " .
সহিহ মুসলিম ৬৭৭০
حدثني عمرو الناقد، وزهير بن حرب، قالا حدثنا سفيان بن عيينة، حدثني سمى، عن أبي صالح، عن أبي هريرة، أن النبي صلى الله عليه وسلم كان يتعوذ من سوء القضاء ومن درك الشقاء ومن شماتة الأعداء ومن جهد البلاء . قال عمرو في حديثه قال سفيان أشك أني زدت واحدة منها .
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আশ্রয় প্রার্থনা করতেন অদৃষ্টের অনিষ্ট থেকে, দুঃখ পাওয়া থেকে, শত্রুদের আনন্দ থেকে এবং বালা-মুসীবাতের কষ্ট থেকে। ‘আম্র তাঁর হাদীসে বলেছেন যে, সুফ্ইয়ান (রহঃ) বলেছেন, আমি সন্দেহ করছি, এর মধ্যে একটি বাড়িয়ে বলেছি। (ই.ফা. ৬৬৩০, ই.সে. ৬৬৮৪)
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আশ্রয় প্রার্থনা করতেন অদৃষ্টের অনিষ্ট থেকে, দুঃখ পাওয়া থেকে, শত্রুদের আনন্দ থেকে এবং বালা-মুসীবাতের কষ্ট থেকে। ‘আম্র তাঁর হাদীসে বলেছেন যে, সুফ্ইয়ান (রহঃ) বলেছেন, আমি সন্দেহ করছি, এর মধ্যে একটি বাড়িয়ে বলেছি। (ই.ফা. ৬৬৩০, ই.সে. ৬৬৮৪)
حدثني عمرو الناقد، وزهير بن حرب، قالا حدثنا سفيان بن عيينة، حدثني سمى، عن أبي صالح، عن أبي هريرة، أن النبي صلى الله عليه وسلم كان يتعوذ من سوء القضاء ومن درك الشقاء ومن شماتة الأعداء ومن جهد البلاء . قال عمرو في حديثه قال سفيان أشك أني زدت واحدة منها .
সহিহ মুসলিম ৬৭৭২
وحدثنا هارون بن معروف، وأبو الطاهر، كلاهما عن ابن وهب، - واللفظ لهارون - حدثنا عبد الله بن وهب، قال وأخبرنا عمرو، - وهو ابن الحارث - أن يزيد بن أبي، حبيب والحارث بن يعقوب حدثاه عن يعقوب بن عبد الله بن الأشج، عن بسر بن سعيد، عن سعد بن أبي وقاص، عن خولة بنت حكيم السلمية، أنها سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " إذا نزل أحدكم منزلا فليقل أعوذ بكلمات الله التامات من شر ما خلق . فإنه لا يضره شىء حتى يرتحل منه " .
খাওলাহ্ বিনতু হাকীম আস্ সুলামিয়্যাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, তিনি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছেন যে, তিনি বলেছেনঃ তোমাদের মধ্যে কেউ যখন কোন ঘাঁটিতে নামেন তখন সে যেন এ দু‘আ পড়ে- “আ‘ঊযু বিকালিমাতিল্লা-হিত্ তা-ম্মা-তি মিন্ শার্রি মা- খলাক্”। অর্থাৎ- ‘আমি পূর্ণাঙ্গ কালিমাহ্ দ্বারা আল্লাহর নিকট তাঁর সৃষ্টির খারাবী থেকে পানাহ চাই’। এতে সে লোক এ ঘাঁটি হতে অন্যত্র রওনা হওযা পর্যন্ত কোন কিছু তাকে ক্ষতি সাধন করতে পারবে না। (ই.ফা. ৬৬৩২, ই.সে. ৬৬৮৬)
খাওলাহ্ বিনতু হাকীম আস্ সুলামিয়্যাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, তিনি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছেন যে, তিনি বলেছেনঃ তোমাদের মধ্যে কেউ যখন কোন ঘাঁটিতে নামেন তখন সে যেন এ দু‘আ পড়ে- “আ‘ঊযু বিকালিমাতিল্লা-হিত্ তা-ম্মা-তি মিন্ শার্রি মা- খলাক্”। অর্থাৎ- ‘আমি পূর্ণাঙ্গ কালিমাহ্ দ্বারা আল্লাহর নিকট তাঁর সৃষ্টির খারাবী থেকে পানাহ চাই’। এতে সে লোক এ ঘাঁটি হতে অন্যত্র রওনা হওযা পর্যন্ত কোন কিছু তাকে ক্ষতি সাধন করতে পারবে না। (ই.ফা. ৬৬৩২, ই.সে. ৬৬৮৬)
وحدثنا هارون بن معروف، وأبو الطاهر، كلاهما عن ابن وهب، - واللفظ لهارون - حدثنا عبد الله بن وهب، قال وأخبرنا عمرو، - وهو ابن الحارث - أن يزيد بن أبي، حبيب والحارث بن يعقوب حدثاه عن يعقوب بن عبد الله بن الأشج، عن بسر بن سعيد، عن سعد بن أبي وقاص، عن خولة بنت حكيم السلمية، أنها سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " إذا نزل أحدكم منزلا فليقل أعوذ بكلمات الله التامات من شر ما خلق . فإنه لا يضره شىء حتى يرتحل منه " .
সহিহ মুসলিম ৬৭৭১
حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا ليث، ح وحدثنا محمد بن رمح، واللفظ، له أخبرنا الليث، عن يزيد بن أبي حبيب، عن الحارث بن يعقوب، أن يعقوب بن عبد الله، حدثه أنه، سمع بسر بن سعيد، يقول سمعت سعد بن أبي وقاص، يقول سمعت خولة بنت حكيم السلمية، تقول سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " من نزل منزلا ثم قال أعوذ بكلمات الله التامات من شر ما خلق . لم يضره شىء حتى يرتحل من منزله ذلك " .
খাওলা বিনতু হাকীম আস্ সুলামিয়্যাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি যে, তিনি বলেছেনঃ যে লোক কোন ঘাঁটিতে নেমে এ দু‘আ পড়ে, “আ‘ঊযু বিকালিমাতিল্ লা-হিত্ তা-ম্মা-তি মিন্ শার্রি মা- খলাক্”। অর্থাৎ- “আমি আল্লাহর পরিপূর্ণ কালাম দিয়ে তাঁর নিকট তাঁর সৃষ্টির খারাবী হতে আশ্রয় চাই।” সে ঐ ঘাঁটি হতে অন্য ঘাঁটিতে রওনা না হওয়া পর্যন্ত তাকে কোন কিছুই কোন ক্ষতি সাধন করতে পারবে না। (ই.ফা. ৬৬৩১, ই.সে. ৬৬৮৫)
খাওলা বিনতু হাকীম আস্ সুলামিয়্যাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি যে, তিনি বলেছেনঃ যে লোক কোন ঘাঁটিতে নেমে এ দু‘আ পড়ে, “আ‘ঊযু বিকালিমাতিল্ লা-হিত্ তা-ম্মা-তি মিন্ শার্রি মা- খলাক্”। অর্থাৎ- “আমি আল্লাহর পরিপূর্ণ কালাম দিয়ে তাঁর নিকট তাঁর সৃষ্টির খারাবী হতে আশ্রয় চাই।” সে ঐ ঘাঁটি হতে অন্য ঘাঁটিতে রওনা না হওয়া পর্যন্ত তাকে কোন কিছুই কোন ক্ষতি সাধন করতে পারবে না। (ই.ফা. ৬৬৩১, ই.সে. ৬৬৮৫)
حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا ليث، ح وحدثنا محمد بن رمح، واللفظ، له أخبرنا الليث، عن يزيد بن أبي حبيب، عن الحارث بن يعقوب، أن يعقوب بن عبد الله، حدثه أنه، سمع بسر بن سعيد، يقول سمعت سعد بن أبي وقاص، يقول سمعت خولة بنت حكيم السلمية، تقول سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " من نزل منزلا ثم قال أعوذ بكلمات الله التامات من شر ما خلق . لم يضره شىء حتى يرتحل من منزله ذلك " .
সহিহ মুসলিম > বিছানা গ্রহণ ও ঘুমানোর সময় যা বলতে হয়
সহিহ মুসলিম ৬৭৭৮
حدثنا يحيى بن يحيى، أخبرنا أبو الأحوص، عن أبي إسحاق، عن البراء بن، عازب قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم لرجل " يا فلان إذا أويت إلى فراشك " . بمثل حديث عمرو بن مرة غير أنه قال " وبنبيك الذي أرسلت . فإن مت من ليلتك مت على الفطرة وإن أصبحت أصبت خيرا " .
বারা ইবনু ‘আযিব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এক লোককে বললেন, ‘হে অমুক! যখন তুমি তোমার বিছানায় আশ্রয় গ্রহণ করবে।’ এরপর ‘আম্র ইবনু মুর্রাহ্ বর্ণিত হাদীসের অবিকল বর্ণনা করলেন। কিন্তু পার্থক্য এই যে, তিনি বলেছেন, “ওয়াবি নাবিয়্যিকাল্লাযী আর্সাল্তা” অর্থাৎ- “এবং আপনার সে নাবীর উপর বিশ্বাস স্থাপন করেছি, যাকে আপনি প্রেরণ করেছেন।” যদি তুমি সে রাত্রে মৃত্যুবরণ করো তাহলে ফিতরাতের উপরই মৃত্যুবরণ করলে। আর যদি ভোরে উপনীত হও তবে তুমি কল্যাণপ্রাপ্ত হবে। (ই.ফা. ৬৬৩৭, ই.সে. ৬৬৯১)
বারা ইবনু ‘আযিব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এক লোককে বললেন, ‘হে অমুক! যখন তুমি তোমার বিছানায় আশ্রয় গ্রহণ করবে।’ এরপর ‘আম্র ইবনু মুর্রাহ্ বর্ণিত হাদীসের অবিকল বর্ণনা করলেন। কিন্তু পার্থক্য এই যে, তিনি বলেছেন, “ওয়াবি নাবিয়্যিকাল্লাযী আর্সাল্তা” অর্থাৎ- “এবং আপনার সে নাবীর উপর বিশ্বাস স্থাপন করেছি, যাকে আপনি প্রেরণ করেছেন।” যদি তুমি সে রাত্রে মৃত্যুবরণ করো তাহলে ফিতরাতের উপরই মৃত্যুবরণ করলে। আর যদি ভোরে উপনীত হও তবে তুমি কল্যাণপ্রাপ্ত হবে। (ই.ফা. ৬৬৩৭, ই.সে. ৬৬৯১)
حدثنا يحيى بن يحيى، أخبرنا أبو الأحوص، عن أبي إسحاق، عن البراء بن، عازب قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم لرجل " يا فلان إذا أويت إلى فراشك " . بمثل حديث عمرو بن مرة غير أنه قال " وبنبيك الذي أرسلت . فإن مت من ليلتك مت على الفطرة وإن أصبحت أصبت خيرا " .
সহিহ মুসলিম ৬৭৭৯
حدثنا ابن المثنى، وابن، بشار قالا حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، عن أبي، إسحاق أنه سمع البراء بن عازب، يقول أمر رسول الله صلى الله عليه وسلم رجلا . بمثله ولم يذكر " وإن أصبحت أصبت خيرا " .
বারা ইবনু ‘আযিব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেছেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এক লোককে আদেশ করলেন। তারপর তার অবিকল। কিন্তু তিনি “যদি তুমি ভোরে উপনীত হও তবে তুমি কল্যাণপ্রাপ্ত হবে” কথাটি বর্ণনা করেননি। (ই.ফা. ৬৬৩৮, ই.সে. নেই)
বারা ইবনু ‘আযিব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেছেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এক লোককে আদেশ করলেন। তারপর তার অবিকল। কিন্তু তিনি “যদি তুমি ভোরে উপনীত হও তবে তুমি কল্যাণপ্রাপ্ত হবে” কথাটি বর্ণনা করেননি। (ই.ফা. ৬৬৩৮, ই.সে. নেই)
حدثنا ابن المثنى، وابن، بشار قالا حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، عن أبي، إسحاق أنه سمع البراء بن عازب، يقول أمر رسول الله صلى الله عليه وسلم رجلا . بمثله ولم يذكر " وإن أصبحت أصبت خيرا " .
সহিহ মুসলিম ৬৭৮০
حدثنا عبيد الله بن معاذ، حدثنا أبي، حدثنا شعبة، عن عبد الله بن أبي السفر، عن أبي بكر بن أبي موسى، عن البراء، أن النبي صلى الله عليه وسلم كان إذا أخذ مضجعه قال " اللهم باسمك أحيا وباسمك أموت " . وإذا استيقظ قال " الحمد لله الذي أحيانا بعد ما أماتنا وإليه النشور " .
বারা ইবনু ‘আযিব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন শয্যাগ্রহণ করতেন তখন তিনি বলতেন, “আল্ল-হুম্মা বিস্মিকা আহ্ইয়া- ওয়া বিস্মিকা আমূতু” অর্থাৎ- “হে আল্লাহ! আমি তোমার নামেই জীবিত আছি আর তোমার নামেই মৃত্যুবরণ করছি।” আর যখত তিনি ঘুম হতে সজাগ হতেন তখন বলতেন, “আল্হাম্দু লিল্লা-হিল্লাযী আহ্ইয়া-না- বা‘দা মা- আমা-তানা- ওয়া ইলাইহিন্ নুশূর” অর্থাৎ- “সকল প্রশংসা আল্লাহর জন্যই যিনি আমাদেরকে মৃত্যুবরণের পর জীবিত করছেন। আর তার দিকেই প্রত্যাবর্তন।” (ই.ফা. ৬৬৩৯, ই.সে. ৬৬৯২)
বারা ইবনু ‘আযিব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন শয্যাগ্রহণ করতেন তখন তিনি বলতেন, “আল্ল-হুম্মা বিস্মিকা আহ্ইয়া- ওয়া বিস্মিকা আমূতু” অর্থাৎ- “হে আল্লাহ! আমি তোমার নামেই জীবিত আছি আর তোমার নামেই মৃত্যুবরণ করছি।” আর যখত তিনি ঘুম হতে সজাগ হতেন তখন বলতেন, “আল্হাম্দু লিল্লা-হিল্লাযী আহ্ইয়া-না- বা‘দা মা- আমা-তানা- ওয়া ইলাইহিন্ নুশূর” অর্থাৎ- “সকল প্রশংসা আল্লাহর জন্যই যিনি আমাদেরকে মৃত্যুবরণের পর জীবিত করছেন। আর তার দিকেই প্রত্যাবর্তন।” (ই.ফা. ৬৬৩৯, ই.সে. ৬৬৯২)
حدثنا عبيد الله بن معاذ، حدثنا أبي، حدثنا شعبة، عن عبد الله بن أبي السفر، عن أبي بكر بن أبي موسى، عن البراء، أن النبي صلى الله عليه وسلم كان إذا أخذ مضجعه قال " اللهم باسمك أحيا وباسمك أموت " . وإذا استيقظ قال " الحمد لله الذي أحيانا بعد ما أماتنا وإليه النشور " .
সহিহ মুসলিম ৬৭৭৫
حدثنا عثمان بن أبي شيبة، وإسحاق بن إبراهيم، - واللفظ لعثمان - قال إسحاق أخبرنا وقال، عثمان حدثنا جرير، عن منصور، عن سعد بن عبيدة، حدثني البراء بن عازب، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " إذا أخذت مضجعك فتوضأ وضوءك للصلاة ثم اضطجع على شقك الأيمن ثم قل اللهم إني أسلمت وجهي إليك وفوضت أمري إليك وألجأت ظهري إليك رغبة ورهبة إليك لا ملجأ ولا منجا منك إلا إليك آمنت بكتابك الذي أنزلت وبنبيك الذي أرسلت واجعلهن من آخر كلامك فإن مت من ليلتك مت وأنت على الفطرة " . قال فرددتهن لأستذكرهن فقلت آمنت برسولك الذي أرسلت قال " قل آمنت بنبيك الذي أرسلت " .
বারা ইবনু ‘আযিব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
(তিনি বলেন,) রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যখন তুমি তোমার বিছানা গ্রহণ করবে তখন সলাতের ওযূর মতো তুমি ওযূ করে নিবে। এরপর তুমি তোমার ডান কাতে শুয়ে পড়বে। তারপর তুমি বলবে, “হে আল্লাহ! আমি আমার চেহারাকে তোমার প্রতি সমর্পণ করলাম, আমার কাজ-কর্ম তোমার নিকট অর্পণ করলাম। আমি প্রতিদান পাওয়ার প্রত্যাশায় এবং শাস্তির ভয় পূর্বক তোমার নিকট আশ্রয় চাইলাম। তুমি ব্যতীত নেই কোন আশ্রয়স্থল ও নেই কোন মুক্তির স্থান। তুমি যে কিতাব অবতীর্ণ করেছ তার উপর বিশ্বাস আনলাম, তুমি যে নাবীকে পাঠিয়েছ তাঁর প্রতি বিশ্বাস আনলাম।” আর এ বাক্যগুলোকে তোমার শেষ কথা বলে গণ্য করে নাও। এরপর যদি তুমি ঐ রাতে মারা যাও তাহলে তুমি ফিতরাতের উপরই মৃত্যুবরণ করলে। বারা (রাঃ) বলেন, আমি এ দু‘আগুলো মনে রাখার জন্যে বার বার পড়তে গিয়ে আমি বললাম, (হে আল্লাহ) আমি আপনার রসূলের প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করেছি যাকে আপনি প্রেরণ করেছেন। অর্থাৎ- (‘তোমার নাবীর’ স্থানে ‘তোমার রসূল’ বললাম)। তিনি বললেন, তুমি বলো, আমি বিশ্বাস স্থাপন করেছি তোমার নাবীর প্রতি যাকে তুমি প্রেরণ করেছ। (ই.ফা. ৬৬৩৪, ই.সে. ৬৬৮৮)
বারা ইবনু ‘আযিব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
(তিনি বলেন,) রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যখন তুমি তোমার বিছানা গ্রহণ করবে তখন সলাতের ওযূর মতো তুমি ওযূ করে নিবে। এরপর তুমি তোমার ডান কাতে শুয়ে পড়বে। তারপর তুমি বলবে, “হে আল্লাহ! আমি আমার চেহারাকে তোমার প্রতি সমর্পণ করলাম, আমার কাজ-কর্ম তোমার নিকট অর্পণ করলাম। আমি প্রতিদান পাওয়ার প্রত্যাশায় এবং শাস্তির ভয় পূর্বক তোমার নিকট আশ্রয় চাইলাম। তুমি ব্যতীত নেই কোন আশ্রয়স্থল ও নেই কোন মুক্তির স্থান। তুমি যে কিতাব অবতীর্ণ করেছ তার উপর বিশ্বাস আনলাম, তুমি যে নাবীকে পাঠিয়েছ তাঁর প্রতি বিশ্বাস আনলাম।” আর এ বাক্যগুলোকে তোমার শেষ কথা বলে গণ্য করে নাও। এরপর যদি তুমি ঐ রাতে মারা যাও তাহলে তুমি ফিতরাতের উপরই মৃত্যুবরণ করলে। বারা (রাঃ) বলেন, আমি এ দু‘আগুলো মনে রাখার জন্যে বার বার পড়তে গিয়ে আমি বললাম, (হে আল্লাহ) আমি আপনার রসূলের প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করেছি যাকে আপনি প্রেরণ করেছেন। অর্থাৎ- (‘তোমার নাবীর’ স্থানে ‘তোমার রসূল’ বললাম)। তিনি বললেন, তুমি বলো, আমি বিশ্বাস স্থাপন করেছি তোমার নাবীর প্রতি যাকে তুমি প্রেরণ করেছ। (ই.ফা. ৬৬৩৪, ই.সে. ৬৬৮৮)
حدثنا عثمان بن أبي شيبة، وإسحاق بن إبراهيم، - واللفظ لعثمان - قال إسحاق أخبرنا وقال، عثمان حدثنا جرير، عن منصور، عن سعد بن عبيدة، حدثني البراء بن عازب، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " إذا أخذت مضجعك فتوضأ وضوءك للصلاة ثم اضطجع على شقك الأيمن ثم قل اللهم إني أسلمت وجهي إليك وفوضت أمري إليك وألجأت ظهري إليك رغبة ورهبة إليك لا ملجأ ولا منجا منك إلا إليك آمنت بكتابك الذي أنزلت وبنبيك الذي أرسلت واجعلهن من آخر كلامك فإن مت من ليلتك مت وأنت على الفطرة " . قال فرددتهن لأستذكرهن فقلت آمنت برسولك الذي أرسلت قال " قل آمنت بنبيك الذي أرسلت " .
সহিহ মুসলিম ৬৭৭৭
حدثنا محمد بن المثنى، حدثنا أبو داود، حدثنا شعبة، ح وحدثنا ابن بشار، حدثنا عبد الرحمن، وأبو داود قالا حدثنا شعبة، عن عمرو بن مرة، قال سمعت سعد بن عبيدة، يحدث عن البراء بن عازب، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم أمر رجلا إذا أخذ مضجعه من الليل أن يقول " اللهم أسلمت نفسي إليك ووجهت وجهي إليك وألجأت ظهري إليك وفوضت أمري إليك رغبة ورهبة إليك لا ملجأ ولا منجا منك إلا إليك آمنت بكتابك الذي أنزلت وبرسولك الذي أرسلت . فإن مات مات على الفطرة " . ولم يذكر ابن بشار في حديثه من الليل .
বারা ইবনু ‘আযিব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এক লোককে আদেশ করলেন রাত্রে সে শয্যা গ্রহণ করবে তখন সে বলবে- “আল্ল-হুম্মা আস্লাম্তু নাফসী ইলাইকা ওয়া ওয়াজ্জাহ্তু ওয়াজ্হি ইলাইকা ওয়া আল জা’তু যাহ্রী ইলাইকা ওয়াফাও ওয়ায্তু আম্রী ইলাইকা রাগ্বাতান্ ওয়া রাহ্বাতান্ ইলাইকা লা- মাল্জাআ ওয়ালা- মান্জা- মিন্কা ইল্লা- ফিত্রাহ্”। অর্থাৎ- “হে আল্লাহ! আমি আমার আত্মাকে আপনার নিকট সমর্পণ করলাম। আমার মুখমণ্ডল আপনার দিকে ফিরালাম। আমার পিঠকে আপনার নিকট দিলাম পুরস্কারের আশায় ও শাস্তির ভয়ে; আপনি ভিন্ন নেই কোন আশ্রয়স্থল আর নেই কোন মুক্তির পথ। আমি বিশ্বাস স্থাপন করেছি আপনার কিতাবের উপর যা আপনি অবতীর্ণ করেছেন এবং আপনার রসূলের প্রতি (বিশ্বাস স্থাপন করেছি) যাকে আপনি পাঠিয়েছেন।” এরপর যদি সে লোক ঐ রাতে মারা যায় তাহলে ফিতরাতের উপরই মৃত্যুবরণ করেছে (বলে গণ্য হবে)। ইবনু বাশ্শার (রহঃ) তার বর্ণিত হাদীসে (আরবী) ‘রাত্রিকালে’ কথাটি বর্ণনা করেননি। (ই.ফা. ৬৬৩৬, ই.সে. ৬৬৮৯)
বারা ইবনু ‘আযিব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এক লোককে আদেশ করলেন রাত্রে সে শয্যা গ্রহণ করবে তখন সে বলবে- “আল্ল-হুম্মা আস্লাম্তু নাফসী ইলাইকা ওয়া ওয়াজ্জাহ্তু ওয়াজ্হি ইলাইকা ওয়া আল জা’তু যাহ্রী ইলাইকা ওয়াফাও ওয়ায্তু আম্রী ইলাইকা রাগ্বাতান্ ওয়া রাহ্বাতান্ ইলাইকা লা- মাল্জাআ ওয়ালা- মান্জা- মিন্কা ইল্লা- ফিত্রাহ্”। অর্থাৎ- “হে আল্লাহ! আমি আমার আত্মাকে আপনার নিকট সমর্পণ করলাম। আমার মুখমণ্ডল আপনার দিকে ফিরালাম। আমার পিঠকে আপনার নিকট দিলাম পুরস্কারের আশায় ও শাস্তির ভয়ে; আপনি ভিন্ন নেই কোন আশ্রয়স্থল আর নেই কোন মুক্তির পথ। আমি বিশ্বাস স্থাপন করেছি আপনার কিতাবের উপর যা আপনি অবতীর্ণ করেছেন এবং আপনার রসূলের প্রতি (বিশ্বাস স্থাপন করেছি) যাকে আপনি পাঠিয়েছেন।” এরপর যদি সে লোক ঐ রাতে মারা যায় তাহলে ফিতরাতের উপরই মৃত্যুবরণ করেছে (বলে গণ্য হবে)। ইবনু বাশ্শার (রহঃ) তার বর্ণিত হাদীসে (আরবী) ‘রাত্রিকালে’ কথাটি বর্ণনা করেননি। (ই.ফা. ৬৬৩৬, ই.সে. ৬৬৮৯)
حدثنا محمد بن المثنى، حدثنا أبو داود، حدثنا شعبة، ح وحدثنا ابن بشار، حدثنا عبد الرحمن، وأبو داود قالا حدثنا شعبة، عن عمرو بن مرة، قال سمعت سعد بن عبيدة، يحدث عن البراء بن عازب، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم أمر رجلا إذا أخذ مضجعه من الليل أن يقول " اللهم أسلمت نفسي إليك ووجهت وجهي إليك وألجأت ظهري إليك وفوضت أمري إليك رغبة ورهبة إليك لا ملجأ ولا منجا منك إلا إليك آمنت بكتابك الذي أنزلت وبرسولك الذي أرسلت . فإن مات مات على الفطرة " . ولم يذكر ابن بشار في حديثه من الليل .
সহিহ মুসলিম ৬৭৮১
حدثنا عقبة بن مكرم العمي، وأبو بكر بن نافع قالا حدثنا غندر، حدثنا شعبة، عن خالد، قال سمعت عبد الله بن الحارث، يحدث عن عبد الله بن عمر، أنه أمر رجلا إذا أخذ مضجعه قال " اللهم خلقت نفسي وأنت توفاها لك مماتها ومحياها إن أحييتها فاحفظها وإن أمتها فاغفر لها اللهم إني أسألك العافية " . فقال له رجل أسمعت هذا من عمر فقال من خير من عمر من رسول الله صلى الله عليه وسلم . قال ابن نافع في روايته عن عبد الله بن الحارث . ولم يذكر سمعت .
‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি এক লোককে আদেশ করলেন, যখন শয্যাগ্রহণ করবে তখন বলবে, “আল্ল-হুম্মাখ লাক্তা নাফসী ওয়া আন্তা তা ওয়াফ্ফা-হা লাকা মামা-তুহা ওয়া মাহ্ইয়া-হা ইন্ আহ্ ইয়াইতাহা- ফাহ্ফাযহা- ওয়া ইন্ আমাত্তাহা- ফাগ্ফির লাহা- আল্ল-হুম্মা ইন্নী আস্আলুকাল ‘আ-ফিয়াহ্” অর্থাৎ- “হে আল্লাহ! আপনি আমার জীবন সৃষ্টি করেছেন এবং আপনিই তাকে (আমার জীবনকে) মৃত্যুদান করে। আপনার কাছে (নাফ্সের) জীবন ও মরণ। যদি আপনি একে জীবিত রাখেন তাহলে আপনি এর হিফাযাত করুন। আর যদি আপনি এর মৃত্যু দান করেন তাহলে একে ক্ষমা করে দিন। হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে সুস্থতা প্রার্থনা করছি”। তখন সে লোকটি তাকে জিজ্ঞেস করলেন, আপনি তা ‘উমার (রাঃ) হতে শুনছেন? তিনি বললেন, ‘উমার-এর চেয়ে যিনি উত্তম (অর্থাৎ-) রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে শুনেছি। ইবনু নাফি‘ (রহঃ) তার বর্ণনায় বলেছেন, ‘আবদুল্লাহ ইবনু হারিস (রহঃ) হতে এবং তিনি (আরবী) (আমাকে শুনেছি) শব্দটি বলেননি। (ই.ফা. ৬৬৪০, ই.সে. ৬৬৯৩)
‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি এক লোককে আদেশ করলেন, যখন শয্যাগ্রহণ করবে তখন বলবে, “আল্ল-হুম্মাখ লাক্তা নাফসী ওয়া আন্তা তা ওয়াফ্ফা-হা লাকা মামা-তুহা ওয়া মাহ্ইয়া-হা ইন্ আহ্ ইয়াইতাহা- ফাহ্ফাযহা- ওয়া ইন্ আমাত্তাহা- ফাগ্ফির লাহা- আল্ল-হুম্মা ইন্নী আস্আলুকাল ‘আ-ফিয়াহ্” অর্থাৎ- “হে আল্লাহ! আপনি আমার জীবন সৃষ্টি করেছেন এবং আপনিই তাকে (আমার জীবনকে) মৃত্যুদান করে। আপনার কাছে (নাফ্সের) জীবন ও মরণ। যদি আপনি একে জীবিত রাখেন তাহলে আপনি এর হিফাযাত করুন। আর যদি আপনি এর মৃত্যু দান করেন তাহলে একে ক্ষমা করে দিন। হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে সুস্থতা প্রার্থনা করছি”। তখন সে লোকটি তাকে জিজ্ঞেস করলেন, আপনি তা ‘উমার (রাঃ) হতে শুনছেন? তিনি বললেন, ‘উমার-এর চেয়ে যিনি উত্তম (অর্থাৎ-) রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে শুনেছি। ইবনু নাফি‘ (রহঃ) তার বর্ণনায় বলেছেন, ‘আবদুল্লাহ ইবনু হারিস (রহঃ) হতে এবং তিনি (আরবী) (আমাকে শুনেছি) শব্দটি বলেননি। (ই.ফা. ৬৬৪০, ই.সে. ৬৬৯৩)
حدثنا عقبة بن مكرم العمي، وأبو بكر بن نافع قالا حدثنا غندر، حدثنا شعبة، عن خالد، قال سمعت عبد الله بن الحارث، يحدث عن عبد الله بن عمر، أنه أمر رجلا إذا أخذ مضجعه قال " اللهم خلقت نفسي وأنت توفاها لك مماتها ومحياها إن أحييتها فاحفظها وإن أمتها فاغفر لها اللهم إني أسألك العافية " . فقال له رجل أسمعت هذا من عمر فقال من خير من عمر من رسول الله صلى الله عليه وسلم . قال ابن نافع في روايته عن عبد الله بن الحارث . ولم يذكر سمعت .
সহিহ মুসলিম ৬৭৮৩
وحدثني عبد الحميد بن بيان الواسطي، حدثنا خالد، - يعني الطحان - عن سهيل، عن أبيه، عن أبي هريرة، قال كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يأمرنا إذا أخذنا مضجعنا أن نقول . بمثل حديث جرير وقال " من شر كل دابة أنت آخذ بناصيتها " .
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের আদেশ করতেন যে, যখন আমরা শয্যাগ্রহণ করি তখন যেন পড়ি। তারপর জারীর-এর হাদীসের হুবহু হাদীস। আর তিনি বলেছেন, সকল জীবের অকল্যাণ হতে যাদের ধারণকারী আপনিই। (ই.ফা. ৬৬৪২, ই.সে. ৬৬৯৫)
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের আদেশ করতেন যে, যখন আমরা শয্যাগ্রহণ করি তখন যেন পড়ি। তারপর জারীর-এর হাদীসের হুবহু হাদীস। আর তিনি বলেছেন, সকল জীবের অকল্যাণ হতে যাদের ধারণকারী আপনিই। (ই.ফা. ৬৬৪২, ই.সে. ৬৬৯৫)
وحدثني عبد الحميد بن بيان الواسطي، حدثنا خالد، - يعني الطحان - عن سهيل، عن أبيه، عن أبي هريرة، قال كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يأمرنا إذا أخذنا مضجعنا أن نقول . بمثل حديث جرير وقال " من شر كل دابة أنت آخذ بناصيتها " .
সহিহ মুসলিম ৬৭৮২
حدثني زهير بن حرب، حدثنا جرير، عن سهيل، قال كان أبو صالح يأمرنا إذا أراد أحدنا أن ينام أن يضطجع على شقه الأيمن ثم يقول " اللهم رب السموات ورب الأرض ورب العرش العظيم ربنا ورب كل شىء فالق الحب والنوى ومنزل التوراة والإنجيل والفرقان أعوذ بك من شر كل شىء أنت آخذ بناصيته اللهم أنت الأول فليس قبلك شىء وأنت الآخر فليس بعدك شىء وأنت الظاهر فليس فوقك شىء وأنت الباطن فليس دونك شىء اقض عنا الدين وأغننا من الفقر " . وكان يروي ذلك عن أبي هريرة عن النبي صلى الله عليه وسلم .
সুহায়ল (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আবূ সালিহ্ আমাদেরকে আদেশ করতেন, যখন আমাদের কেউ ঘুমাতে যায় সে যেন ডান পার্শ্বে কাত হয়ে শয্যাগ্রহন করে। এরপর যেন বলেন, “আল্ল-হুম্মা রব্বাস্ সামা-ওয়া-তি ওয়া রব্বাল আর্যি ওয়া রব্বাল ‘আর্শিল ‘আযীম, রব্বানা- ওয়া রব্বা কুল্লি শাইয়িন্ ফা-লিকাল্ হাব্বি ওয়ান্ নাওয়া ওয়া মুন্যিলাত্ তাওর-তি ওয়াল ইন্জীলি ওয়াল ফুর্কা-নি আ‘ঊযুবিকা মিন্ শার্রি কুল্লি শাইয়িন্ আন্তা আ-খিযুন্ বিনা-সিয়াতিহি, আল্ল-হুম্মা আন্তাল্ আও্ওয়ালু ফালাইসা কাব্লাকা শাইউন্ ওয়া আন্তাল আ-খিরু ফালাইসা বা‘দাকা শাইউন্ ওয়া আন্তায্ যা-হিরু ফালাইসা ফাওকাকা শাইউন্ ওয়া আন্তাল বা-তিনু ফালাইসা দূনাকা শাইউন্ ইক্যি ‘আন্নাদ্ দাইনা ওয়া আগ্নিনা- মিনাল ফাক্রি” অর্থাৎ- “হে আল্লাহ! আপনি আকাশমণ্ডলী, জামিন ও মহান ‘আর্শের রব। আমাদের রব ও সব কিছুর পালনকর্তা। আপনি শস্য ও বীজের সৃষ্টিকর্তা, আপনি তাওরাত, ইন্জীল ও কুরআনের অবতীর্ণকারী। আমি আপনার নিকট সকল বিষয়ের খারাবী হতে আশ্রয় চাই। আপনিই একমাত্র সব বিষয়ের পরিচর্যাকারী। হে আল্লাহ! আপনিই শুরু, আপনার আগে কোন কিছুর অস্তিত্ব নেই এবং আপনিই শেষ, আপনার পরে কোন কিছু নেই। আপনিই প্রকাশ, আপনার উর্ধ্বে কেউ নেই। আপনিই বাতিন, আপনার অগোচরে কিছু নেই। আমাদের ঋণকে আদায় করে দিন এবং অভাব থেকে আমাদেরকে সচ্ছলতা দিন।” তিনি (আবূ সালিহ) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে আবূ হুরায়রা্ (রাঃ)-এর সূত্রেও এ হাদীসটি রিওয়ায়াত করতেন। (ই.ফা. ৬৬৪১, ই.সে. ৬৬৯৪)
সুহায়ল (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আবূ সালিহ্ আমাদেরকে আদেশ করতেন, যখন আমাদের কেউ ঘুমাতে যায় সে যেন ডান পার্শ্বে কাত হয়ে শয্যাগ্রহন করে। এরপর যেন বলেন, “আল্ল-হুম্মা রব্বাস্ সামা-ওয়া-তি ওয়া রব্বাল আর্যি ওয়া রব্বাল ‘আর্শিল ‘আযীম, রব্বানা- ওয়া রব্বা কুল্লি শাইয়িন্ ফা-লিকাল্ হাব্বি ওয়ান্ নাওয়া ওয়া মুন্যিলাত্ তাওর-তি ওয়াল ইন্জীলি ওয়াল ফুর্কা-নি আ‘ঊযুবিকা মিন্ শার্রি কুল্লি শাইয়িন্ আন্তা আ-খিযুন্ বিনা-সিয়াতিহি, আল্ল-হুম্মা আন্তাল্ আও্ওয়ালু ফালাইসা কাব্লাকা শাইউন্ ওয়া আন্তাল আ-খিরু ফালাইসা বা‘দাকা শাইউন্ ওয়া আন্তায্ যা-হিরু ফালাইসা ফাওকাকা শাইউন্ ওয়া আন্তাল বা-তিনু ফালাইসা দূনাকা শাইউন্ ইক্যি ‘আন্নাদ্ দাইনা ওয়া আগ্নিনা- মিনাল ফাক্রি” অর্থাৎ- “হে আল্লাহ! আপনি আকাশমণ্ডলী, জামিন ও মহান ‘আর্শের রব। আমাদের রব ও সব কিছুর পালনকর্তা। আপনি শস্য ও বীজের সৃষ্টিকর্তা, আপনি তাওরাত, ইন্জীল ও কুরআনের অবতীর্ণকারী। আমি আপনার নিকট সকল বিষয়ের খারাবী হতে আশ্রয় চাই। আপনিই একমাত্র সব বিষয়ের পরিচর্যাকারী। হে আল্লাহ! আপনিই শুরু, আপনার আগে কোন কিছুর অস্তিত্ব নেই এবং আপনিই শেষ, আপনার পরে কোন কিছু নেই। আপনিই প্রকাশ, আপনার উর্ধ্বে কেউ নেই। আপনিই বাতিন, আপনার অগোচরে কিছু নেই। আমাদের ঋণকে আদায় করে দিন এবং অভাব থেকে আমাদেরকে সচ্ছলতা দিন।” তিনি (আবূ সালিহ) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে আবূ হুরায়রা্ (রাঃ)-এর সূত্রেও এ হাদীসটি রিওয়ায়াত করতেন। (ই.ফা. ৬৬৪১, ই.সে. ৬৬৯৪)
حدثني زهير بن حرب، حدثنا جرير، عن سهيل، قال كان أبو صالح يأمرنا إذا أراد أحدنا أن ينام أن يضطجع على شقه الأيمن ثم يقول " اللهم رب السموات ورب الأرض ورب العرش العظيم ربنا ورب كل شىء فالق الحب والنوى ومنزل التوراة والإنجيل والفرقان أعوذ بك من شر كل شىء أنت آخذ بناصيته اللهم أنت الأول فليس قبلك شىء وأنت الآخر فليس بعدك شىء وأنت الظاهر فليس فوقك شىء وأنت الباطن فليس دونك شىء اقض عنا الدين وأغننا من الفقر " . وكان يروي ذلك عن أبي هريرة عن النبي صلى الله عليه وسلم .
সহিহ মুসলিম ৬৭৮৪
وحدثنا أبو كريب، محمد بن العلاء حدثنا أبو أسامة، ح وحدثنا أبو بكر بن أبي، شيبة وأبو كريب قالا حدثنا ابن أبي عبيدة، حدثنا أبي كلاهما، عن الأعمش، عن أبي، صالح عن أبي هريرة، قال أتت فاطمة النبي صلى الله عليه وسلم تسأله خادما فقال لها " قولي اللهم رب السموات السبع " . بمثل حديث سهيل عن أبيه .
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, ফাতিমাহ্ (রাঃ) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এসে একজন খাদিমের জন্য আবেদন করলেন। তখন তিনি তাঁকে বললেনঃ তুমি বলো, “সাত আসমানের রব হে আল্লাহ! .....” (তারপর) সুহায়ল-এর পিতা থেকে বর্ণিত হাদীসের অবিকল উল্লেখ করেছেন। (ই.ফা. ৬৬৪৩, ই.সে. ৬৬৯৬)
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, ফাতিমাহ্ (রাঃ) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এসে একজন খাদিমের জন্য আবেদন করলেন। তখন তিনি তাঁকে বললেনঃ তুমি বলো, “সাত আসমানের রব হে আল্লাহ! .....” (তারপর) সুহায়ল-এর পিতা থেকে বর্ণিত হাদীসের অবিকল উল্লেখ করেছেন। (ই.ফা. ৬৬৪৩, ই.সে. ৬৬৯৬)
وحدثنا أبو كريب، محمد بن العلاء حدثنا أبو أسامة، ح وحدثنا أبو بكر بن أبي، شيبة وأبو كريب قالا حدثنا ابن أبي عبيدة، حدثنا أبي كلاهما، عن الأعمش، عن أبي، صالح عن أبي هريرة، قال أتت فاطمة النبي صلى الله عليه وسلم تسأله خادما فقال لها " قولي اللهم رب السموات السبع " . بمثل حديث سهيل عن أبيه .
সহিহ মুসলিম ৬৭৮৭
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا يزيد بن هارون، عن حماد بن سلمة، عن ثابت، عن أنس، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان إذا أوى إلى فراشه قال " الحمد لله الذي أطعمنا وسقانا وكفانا وآوانا فكم ممن لا كافي له ولا مئوي " .
আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন বিছানায় আশ্রয় গ্রহণ করতেন তখন তিনি বলতেন, “আল্হাম্দু লিল্লা-হিল্লাযী আত্ ‘আমানা- ওয়া সাকা-না- ওয়া কাফা-না- ওয়া আ-ওয়া-না ফাকাম মিম্মান্ লা- কা-ফিয়া লাহু ওয়ালা- মু’বিয়া” অর্থাৎ- “সকল প্রশংসা আল্লাহর জন্য, যিনি আমাদের জীবিকা দিয়েছেন, পানি পান করিয়েছেন, তিনি আমাদেরকে দায়িত্ব বহন করেছেন, আমাদের আশ্রয় দিয়েছেন। এমন অনেক আছে যাদের জন্য কোন দায়িত্ব বহনকারী নেই, আশ্রয় দাতাও নেই।” (ই.ফা. ৬৬৪৬, ই.সে. ৬৬৯৯)
আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন বিছানায় আশ্রয় গ্রহণ করতেন তখন তিনি বলতেন, “আল্হাম্দু লিল্লা-হিল্লাযী আত্ ‘আমানা- ওয়া সাকা-না- ওয়া কাফা-না- ওয়া আ-ওয়া-না ফাকাম মিম্মান্ লা- কা-ফিয়া লাহু ওয়ালা- মু’বিয়া” অর্থাৎ- “সকল প্রশংসা আল্লাহর জন্য, যিনি আমাদের জীবিকা দিয়েছেন, পানি পান করিয়েছেন, তিনি আমাদেরকে দায়িত্ব বহন করেছেন, আমাদের আশ্রয় দিয়েছেন। এমন অনেক আছে যাদের জন্য কোন দায়িত্ব বহনকারী নেই, আশ্রয় দাতাও নেই।” (ই.ফা. ৬৬৪৬, ই.সে. ৬৬৯৯)
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا يزيد بن هارون، عن حماد بن سلمة، عن ثابت، عن أنس، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان إذا أوى إلى فراشه قال " الحمد لله الذي أطعمنا وسقانا وكفانا وآوانا فكم ممن لا كافي له ولا مئوي " .
সহিহ মুসলিম ৬৭৮৫
وحدثنا إسحاق بن موسى الأنصاري، حدثنا أنس بن عياض، حدثنا عبيد الله، حدثني سعيد بن أبي سعيد المقبري، عن أبيه، عن أبي هريرة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " إذا أوى أحدكم إلى فراشه فليأخذ داخلة إزاره فلينفض بها فراشه وليسم الله فإنه لا يعلم ما خلفه بعده على فراشه فإذا أراد أن يضطجع فليضطجع على شقه الأيمن وليقل سبحانك اللهم ربي بك وضعت جنبي وبك أرفعه إن أمسكت نفسي فاغفر لها وإن أرسلتها فاحفظها بما تحفظ به عبادك الصالحين " .
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমাদের কেউ যখন তার শয্যাগ্রহণ করতে বিছানায় আসে, সে যেন তার কাপড়েরর আঁচল দিয়ে বিছানাটি ঝাড়া দিয়ে নেয় এবং ‘বিসমিল্লাহ’ পাঠ করে নেয়। কেননা সে জানে না যে, বিছানা ছাড়ার পর তার বিছানায় কি আছে। তারপর যখন সে শয্যাগ্রহণ করতে ইচ্ছা করে তখন যেন ডান কাত হয়ে শয্যাগ্রহণ করে। এরপর সে যেন বলে, “সুবহা- নাকাল্লা-হুম্মা রব্বী বিকা ওয়া যা‘তু জামবী ওয়াবিকা আর্ ফা‘উহু ইন্ আম্সাক্তা নাফ্সী ফাগ্ফির্ লাহা- ওয়া ইন্ আর্সাল্তাহা- ফাহ্ফায্হা- বিমা- তাহ্ফাযু বিহি ‘ইবা-দাকাস্ স-লিহীন” অর্থাৎ- “আপনার পবিত্রতা ঘোষণা করছি, হে আমার প্রতিপালক! আপনার নামেই আমি আমার পার্শ্ব (দেহ) রাখলাম, আপনার নামেই তা তুলব। আপনি যদি আমার প্রাণ আটকিয়ে রাখেন তাহলে আমাকে মাফ করে দিন। আর যদি আপনি তাকে উঠবার অবকাশ দেন তাহলে তাকে রক্ষা করুন, যেমন আপনি আপনার নেক বান্দাদের রক্ষা করে থাকেন।” (ই.ফা. ৬৬৪৪, ই.সে. ৬৬৯৭)
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমাদের কেউ যখন তার শয্যাগ্রহণ করতে বিছানায় আসে, সে যেন তার কাপড়েরর আঁচল দিয়ে বিছানাটি ঝাড়া দিয়ে নেয় এবং ‘বিসমিল্লাহ’ পাঠ করে নেয়। কেননা সে জানে না যে, বিছানা ছাড়ার পর তার বিছানায় কি আছে। তারপর যখন সে শয্যাগ্রহণ করতে ইচ্ছা করে তখন যেন ডান কাত হয়ে শয্যাগ্রহণ করে। এরপর সে যেন বলে, “সুবহা- নাকাল্লা-হুম্মা রব্বী বিকা ওয়া যা‘তু জামবী ওয়াবিকা আর্ ফা‘উহু ইন্ আম্সাক্তা নাফ্সী ফাগ্ফির্ লাহা- ওয়া ইন্ আর্সাল্তাহা- ফাহ্ফায্হা- বিমা- তাহ্ফাযু বিহি ‘ইবা-দাকাস্ স-লিহীন” অর্থাৎ- “আপনার পবিত্রতা ঘোষণা করছি, হে আমার প্রতিপালক! আপনার নামেই আমি আমার পার্শ্ব (দেহ) রাখলাম, আপনার নামেই তা তুলব। আপনি যদি আমার প্রাণ আটকিয়ে রাখেন তাহলে আমাকে মাফ করে দিন। আর যদি আপনি তাকে উঠবার অবকাশ দেন তাহলে তাকে রক্ষা করুন, যেমন আপনি আপনার নেক বান্দাদের রক্ষা করে থাকেন।” (ই.ফা. ৬৬৪৪, ই.সে. ৬৬৯৭)
وحدثنا إسحاق بن موسى الأنصاري، حدثنا أنس بن عياض، حدثنا عبيد الله، حدثني سعيد بن أبي سعيد المقبري، عن أبيه، عن أبي هريرة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " إذا أوى أحدكم إلى فراشه فليأخذ داخلة إزاره فلينفض بها فراشه وليسم الله فإنه لا يعلم ما خلفه بعده على فراشه فإذا أراد أن يضطجع فليضطجع على شقه الأيمن وليقل سبحانك اللهم ربي بك وضعت جنبي وبك أرفعه إن أمسكت نفسي فاغفر لها وإن أرسلتها فاحفظها بما تحفظ به عبادك الصالحين " .
সহিহ মুসলিম ৬৭৭৬
وحدثنا محمد بن عبد الله بن نمير، حدثنا عبد الله، - يعني ابن إدريس - قال سمعت حصينا، عن سعد بن عبيدة، عن البراء بن عازب، عن النبي صلى الله عليه وسلم . بهذا الحديث غير أن منصورا أتم حديثا وزاد في حديث حصين " وإن أصبح أصاب خيرا " .
বারা ইবনু ‘আযিব (রাঃ)-এর সূত্রে নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্নিতঃ
তিনি মানসূর বর্ণিত হাদীসটি সম্পূর্ণ বর্ণনা করেছেন। আর হুসায়ন-এর হাদীসে ‘যদি সে সকালে উপনীত হয় তাহলে সে কল্যাণপ্রাপ্ত হবে’ কথাটি বর্ধিত বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৬৬৩৫, ই.সে. ৬৬৮৯)
বারা ইবনু ‘আযিব (রাঃ)-এর সূত্রে নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্নিতঃ
তিনি মানসূর বর্ণিত হাদীসটি সম্পূর্ণ বর্ণনা করেছেন। আর হুসায়ন-এর হাদীসে ‘যদি সে সকালে উপনীত হয় তাহলে সে কল্যাণপ্রাপ্ত হবে’ কথাটি বর্ধিত বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৬৬৩৫, ই.সে. ৬৬৮৯)
وحدثنا محمد بن عبد الله بن نمير، حدثنا عبد الله، - يعني ابن إدريس - قال سمعت حصينا، عن سعد بن عبيدة، عن البراء بن عازب، عن النبي صلى الله عليه وسلم . بهذا الحديث غير أن منصورا أتم حديثا وزاد في حديث حصين " وإن أصبح أصاب خيرا " .
সহিহ মুসলিম ৬৭৮৬
وحدثنا أبو كريب، حدثنا عبدة، عن عبيد الله بن عمر، بهذا الإسناد وقال " ثم ليقل باسمك ربي وضعت جنبي فإن أحييت نفسي فارحمها " .
‘উবাইদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রহঃ) এ সূত্র থেকে বর্নিতঃ
হুবহু হাদীস বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেছেন, এরপর সে যেন বলে, “বিস্মিকা রব্বী ওয়াযা‘তু জামবী ফা ইন্ আহ্ ইয়াইতা নাফ্সী ফার্হামহা-” অর্থাৎ- “হে আমার রব! তোমার নামে আমার পার্শ্ব রাখলাম। যদি আপনি আমাকে জীবিত রাখেন তাহলে তার উপর দয়া করুন।” (ই.ফা. ৬৬৪৫, ই.সে. ৬৬৯৮)
‘উবাইদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রহঃ) এ সূত্র থেকে বর্নিতঃ
হুবহু হাদীস বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেছেন, এরপর সে যেন বলে, “বিস্মিকা রব্বী ওয়াযা‘তু জামবী ফা ইন্ আহ্ ইয়াইতা নাফ্সী ফার্হামহা-” অর্থাৎ- “হে আমার রব! তোমার নামে আমার পার্শ্ব রাখলাম। যদি আপনি আমাকে জীবিত রাখেন তাহলে তার উপর দয়া করুন।” (ই.ফা. ৬৬৪৫, ই.সে. ৬৬৯৮)
وحدثنا أبو كريب، حدثنا عبدة، عن عبيد الله بن عمر، بهذا الإسناد وقال " ثم ليقل باسمك ربي وضعت جنبي فإن أحييت نفسي فارحمها " .
সহিহ মুসলিম > কৃত ‘আমাল ও না করা ‘আমালের খারাবী থেকে আশ্রয় প্রার্থনা করা
সহিহ মুসলিম ৬৭৮৮
حدثنا يحيى بن يحيى، وإسحاق بن إبراهيم، - واللفظ ليحيى - قالا أخبرنا جرير، عن منصور، عن هلال، عن فروة بن نوفل الأشجعي، قال سألت عائشة عما كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يدعو به الله قالت كان يقول " اللهم إني أعوذ بك من شر ما عملت ومن شر ما لم أعمل " .
ফারওয়াহ্ ইবনু নাওফাল আল আশজা‘ঈ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি ‘আয়িশা (রাঃ)-কে প্রশ্ন করলাম, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আল্লাহর নিকট কি কি দু‘আ করতেন? তিনি ‘আয়িশা (রাঃ) জবাব দিলেন, তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলতেন, “আল্ল-হুম্মা ইন্নী আ‘ঊযুবিকা মিন্ শার্রি মা- ‘আমিল্তু ওয়া মিন শার্রি মা- লাম আ‘মাল” অর্থাৎ- “হেআল্লাহ! আপনার নিকট সেসব কর্মের খারাবী থেকে আশ্রয় চাই যা আমি করেছি এবং তাত্থেকেও যা আমি করিনি।” (ই.ফা. ৬৬৪৭, ই.সে. ৬৭০০)
ফারওয়াহ্ ইবনু নাওফাল আল আশজা‘ঈ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি ‘আয়িশা (রাঃ)-কে প্রশ্ন করলাম, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আল্লাহর নিকট কি কি দু‘আ করতেন? তিনি ‘আয়িশা (রাঃ) জবাব দিলেন, তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলতেন, “আল্ল-হুম্মা ইন্নী আ‘ঊযুবিকা মিন্ শার্রি মা- ‘আমিল্তু ওয়া মিন শার্রি মা- লাম আ‘মাল” অর্থাৎ- “হেআল্লাহ! আপনার নিকট সেসব কর্মের খারাবী থেকে আশ্রয় চাই যা আমি করেছি এবং তাত্থেকেও যা আমি করিনি।” (ই.ফা. ৬৬৪৭, ই.সে. ৬৭০০)
حدثنا يحيى بن يحيى، وإسحاق بن إبراهيم، - واللفظ ليحيى - قالا أخبرنا جرير، عن منصور، عن هلال، عن فروة بن نوفل الأشجعي، قال سألت عائشة عما كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يدعو به الله قالت كان يقول " اللهم إني أعوذ بك من شر ما عملت ومن شر ما لم أعمل " .
সহিহ মুসলিম ৬৭৮৯
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وأبو كريب قالا حدثنا عبد الله بن إدريس، عن حصين، عن هلال، عن فروة بن نوفل، قال سألت عائشة عن دعاء، كان يدعو به رسول الله صلى الله عليه وسلم فقالت كان يقول " اللهم إني أعوذ بك من شر ما عملت وشر ما لم أعمل " .
ফারওয়াহ্ ইবনু নাওফাল (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি ‘আয়িশা (রাঃ)-কে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর দু‘আ সম্পর্কে প্রশ্ন করলাম। তিনি [‘আয়িশা (রাঃ)] বললেন, তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলতেনঃ “আল্ল-হুম্মা ইন্নী আ‘ঊযুবিকা মিন্ শার্রি মা- ‘আমিলতু ওয়া মিন্ শার্রি মা- লাম আ‘মাল” অর্থাৎ- “হে আল্লাহ! আমি আপনার নিকট সেসব ‘আমালের খারাবী হতে আশ্রয় চাই যা আমি করেছি এবং যা আমি করিনি।” (ই.ফা. ৬৬৪৮, ই.সে. ৬৭০১)
ফারওয়াহ্ ইবনু নাওফাল (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি ‘আয়িশা (রাঃ)-কে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর দু‘আ সম্পর্কে প্রশ্ন করলাম। তিনি [‘আয়িশা (রাঃ)] বললেন, তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলতেনঃ “আল্ল-হুম্মা ইন্নী আ‘ঊযুবিকা মিন্ শার্রি মা- ‘আমিলতু ওয়া মিন্ শার্রি মা- লাম আ‘মাল” অর্থাৎ- “হে আল্লাহ! আমি আপনার নিকট সেসব ‘আমালের খারাবী হতে আশ্রয় চাই যা আমি করেছি এবং যা আমি করিনি।” (ই.ফা. ৬৬৪৮, ই.সে. ৬৭০১)
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وأبو كريب قالا حدثنا عبد الله بن إدريس، عن حصين، عن هلال، عن فروة بن نوفل، قال سألت عائشة عن دعاء، كان يدعو به رسول الله صلى الله عليه وسلم فقالت كان يقول " اللهم إني أعوذ بك من شر ما عملت وشر ما لم أعمل " .
সহিহ মুসলিম ৬৭৯৬
حدثنا إبراهيم بن دينار، حدثنا أبو قطن، عمرو بن الهيثم القطعي عن عبد العزيز، بن عبد الله بن أبي سلمة الماجشون عن قدامة بن موسى، عن أبي صالح السمان، عن أبي هريرة، قال كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " اللهم أصلح لي ديني الذي هو عصمة أمري وأصلح لي دنياى التي فيها معاشي وأصلح لي آخرتي التي فيها معادي واجعل الحياة زيادة لي في كل خير واجعل الموت راحة لي من كل شر " .
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলতেনঃ “আল্ল-হুম্মা আস্লিহ্লী দীনিয়াল্লিযী হুওয়া ‘ইস্মাতু আমরী ওয়া আস্লিহ্লী দুন্ইয়াল্লাতী ফীহা মা‘আ-শী ওয়া আস্লিহ্লী আ-খিরতিল্লাতী ফীহা মা‘আ-দী ওয়াজ ‘আলিল হায়া-তা যিয়া-দাতান্ লী ফী কুল্লি খইরিন্ ওয়াজ ‘আলিল মাওতা রা-হাতান্ মিন্ কুল্লি শার্রিন্” অর্থাৎ- “হে আল্লাহ! আপনি আমার দ্বীন পরিশুদ্ধ করে দিন, যে দীনই আমার নিরাপত্তা। আপনি শুদ্ধ করে দিন আমার দুনিয়াকে, যেথায় আমার জীবনোপকরণ রয়েছে। আপনি সংশোধন করে দিন আমার আখিরাতকে, যেখানে আমাকে প্রত্যাবর্তন করতে হবে। আপনি আমার আয়ূষ্কালকে বৃদ্ধি করে দিন প্রত্যেকটি ভালো কর্মের জন্য এবং আপনি আমার মরণকে বিশ্রামাগার বানিয়ে দিন সব প্রকার খারাবী হতে।” (ই.ফা. ৬৬৫৫, ই.সে. ৬৭০৮)
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলতেনঃ “আল্ল-হুম্মা আস্লিহ্লী দীনিয়াল্লিযী হুওয়া ‘ইস্মাতু আমরী ওয়া আস্লিহ্লী দুন্ইয়াল্লাতী ফীহা মা‘আ-শী ওয়া আস্লিহ্লী আ-খিরতিল্লাতী ফীহা মা‘আ-দী ওয়াজ ‘আলিল হায়া-তা যিয়া-দাতান্ লী ফী কুল্লি খইরিন্ ওয়াজ ‘আলিল মাওতা রা-হাতান্ মিন্ কুল্লি শার্রিন্” অর্থাৎ- “হে আল্লাহ! আপনি আমার দ্বীন পরিশুদ্ধ করে দিন, যে দীনই আমার নিরাপত্তা। আপনি শুদ্ধ করে দিন আমার দুনিয়াকে, যেথায় আমার জীবনোপকরণ রয়েছে। আপনি সংশোধন করে দিন আমার আখিরাতকে, যেখানে আমাকে প্রত্যাবর্তন করতে হবে। আপনি আমার আয়ূষ্কালকে বৃদ্ধি করে দিন প্রত্যেকটি ভালো কর্মের জন্য এবং আপনি আমার মরণকে বিশ্রামাগার বানিয়ে দিন সব প্রকার খারাবী হতে।” (ই.ফা. ৬৬৫৫, ই.সে. ৬৭০৮)
حدثنا إبراهيم بن دينار، حدثنا أبو قطن، عمرو بن الهيثم القطعي عن عبد العزيز، بن عبد الله بن أبي سلمة الماجشون عن قدامة بن موسى، عن أبي صالح السمان، عن أبي هريرة، قال كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " اللهم أصلح لي ديني الذي هو عصمة أمري وأصلح لي دنياى التي فيها معاشي وأصلح لي آخرتي التي فيها معادي واجعل الحياة زيادة لي في كل خير واجعل الموت راحة لي من كل شر " .
সহিহ মুসলিম ৬৭৯৩
حدثني أبو الطاهر، أخبرنا عبد الله بن وهب، أخبرني سليمان بن بلال، عن سهيل، بن أبي صالح عن أبيه، عن أبي هريرة، أن النبي صلى الله عليه وسلم كان إذا كان في سفر وأسحر يقول " سمع سامع بحمد الله وحسن بلائه علينا ربنا صاحبنا وأفضل علينا عائذا بالله من النار " .
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
(তিনি বলেন,) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন ভ্রমণে থাকতেন তখন সকালবেলা বলতেন, “সামি‘আ সা-মি‘উন্ বিহাম্দিল্লা-হি ওয়া হুস্নি বালা-য়িহি ‘আলাইনা- রব্বানা- স-হিব্না- ওয়া আফ্যিল ‘আলাইনা- ‘আ-য়িযান্ বিল্লা-হি মিনান্না-র” অর্থাৎ- “শ্রবণকারী শ্রণ করুক এবং আল্লাহর দেয়া কল্যাণ ও নি‘আমাতের উপর আমাদের প্রশংসার সাক্ষী থাকুক। হে আমাদের রব! আপনি আমাদের সাথী হোন এবং আমাদের উপর অনুগ্রহ দান করুন। আমি মহান আল্লাহর নিকট জাহান্নাম হতে আশ্রয় চাই।” (ই.ফা. ৬৬৫২, ই.সে. ৬৭০৫)
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
(তিনি বলেন,) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন ভ্রমণে থাকতেন তখন সকালবেলা বলতেন, “সামি‘আ সা-মি‘উন্ বিহাম্দিল্লা-হি ওয়া হুস্নি বালা-য়িহি ‘আলাইনা- রব্বানা- স-হিব্না- ওয়া আফ্যিল ‘আলাইনা- ‘আ-য়িযান্ বিল্লা-হি মিনান্না-র” অর্থাৎ- “শ্রবণকারী শ্রণ করুক এবং আল্লাহর দেয়া কল্যাণ ও নি‘আমাতের উপর আমাদের প্রশংসার সাক্ষী থাকুক। হে আমাদের রব! আপনি আমাদের সাথী হোন এবং আমাদের উপর অনুগ্রহ দান করুন। আমি মহান আল্লাহর নিকট জাহান্নাম হতে আশ্রয় চাই।” (ই.ফা. ৬৬৫২, ই.সে. ৬৭০৫)
حدثني أبو الطاهر، أخبرنا عبد الله بن وهب، أخبرني سليمان بن بلال، عن سهيل، بن أبي صالح عن أبيه، عن أبي هريرة، أن النبي صلى الله عليه وسلم كان إذا كان في سفر وأسحر يقول " سمع سامع بحمد الله وحسن بلائه علينا ربنا صاحبنا وأفضل علينا عائذا بالله من النار " .
সহিহ মুসলিম ৬৭৯২
حدثني حجاج بن الشاعر، حدثنا عبد الله بن عمرو أبو معمر، حدثنا عبد الوارث، حدثنا الحسين، حدثني ابن بريدة، عن يحيى بن يعمر، عن ابن عباس، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان يقول " اللهم لك أسلمت وبك آمنت وعليك توكلت وإليك أنبت وبك خاصمت اللهم إني أعوذ بعزتك لا إله إلا أنت أن تضلني أنت الحى الذي لا يموت والجن والإنس يموتون " .
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলতেনঃ “আল্ল-হুম্মা লাকা আস্লাম্তু ওয়াবিকা আ-মান্তু ওয়া ‘আলাইকা তাওয়াক্কাল্তু ওয়া ইলাইকা আনাব্তু ওয়াবিকা খ-সামতু আল্ল-হুম্মা ইন্নী আ‘ঊযু বি‘ইয্যাতিকা লা- ইলা-হা ইল্লা- আন্তা আন্ তুযিল্লানী আন্তাল হাইয়ুল্লাযী লা- ইয়ামূতু ওয়াল জিন্নু ওয়াল ইন্সু ইয়ামূতূন”, অর্থাৎ- “হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছেই আত্মসমর্পণ করেছি, আপনার প্রতিই বিশ্বাস স্থাপন করেছি, আপনার উপরই ভরসা করেছি, আপনার দিকেই ফিরে যাচ্ছি এবং আপনার সহযোগিতায়ই শত্রুদের বিপক্ষে যুদ্ধ করেছি। হে আল্লাহ! আপনার সম্মানের নিকট আশ্রয় চাচ্ছি। আপনি ছাড়া কোন মুা‘বূদ নেই। আপনি আমাকে বিভ্রান্তির পথ থেকে বাঁচান। আপনি চিরঞ্জীব সত্তা, যার মৃত্যু নেই। আর জিন্ জাতি ও মানব জাতি মারা যাবে।” (ই.ফা. ৬৬৫১, ই.সে. ৬৭০৪)
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলতেনঃ “আল্ল-হুম্মা লাকা আস্লাম্তু ওয়াবিকা আ-মান্তু ওয়া ‘আলাইকা তাওয়াক্কাল্তু ওয়া ইলাইকা আনাব্তু ওয়াবিকা খ-সামতু আল্ল-হুম্মা ইন্নী আ‘ঊযু বি‘ইয্যাতিকা লা- ইলা-হা ইল্লা- আন্তা আন্ তুযিল্লানী আন্তাল হাইয়ুল্লাযী লা- ইয়ামূতু ওয়াল জিন্নু ওয়াল ইন্সু ইয়ামূতূন”, অর্থাৎ- “হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছেই আত্মসমর্পণ করেছি, আপনার প্রতিই বিশ্বাস স্থাপন করেছি, আপনার উপরই ভরসা করেছি, আপনার দিকেই ফিরে যাচ্ছি এবং আপনার সহযোগিতায়ই শত্রুদের বিপক্ষে যুদ্ধ করেছি। হে আল্লাহ! আপনার সম্মানের নিকট আশ্রয় চাচ্ছি। আপনি ছাড়া কোন মুা‘বূদ নেই। আপনি আমাকে বিভ্রান্তির পথ থেকে বাঁচান। আপনি চিরঞ্জীব সত্তা, যার মৃত্যু নেই। আর জিন্ জাতি ও মানব জাতি মারা যাবে।” (ই.ফা. ৬৬৫১, ই.সে. ৬৭০৪)
حدثني حجاج بن الشاعر، حدثنا عبد الله بن عمرو أبو معمر، حدثنا عبد الوارث، حدثنا الحسين، حدثني ابن بريدة، عن يحيى بن يعمر، عن ابن عباس، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان يقول " اللهم لك أسلمت وبك آمنت وعليك توكلت وإليك أنبت وبك خاصمت اللهم إني أعوذ بعزتك لا إله إلا أنت أن تضلني أنت الحى الذي لا يموت والجن والإنس يموتون " .
সহিহ মুসলিম ৬৭৯৯
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وإسحاق بن إبراهيم، ومحمد بن عبد الله بن نمير، - واللفظ لابن نمير - قال إسحاق أخبرنا وقال الآخران، حدثنا أبو معاوية، عن عاصم، عن عبد الله بن الحارث، وعن أبي عثمان النهدي، عن زيد بن أرقم، قال لا أقول لكم إلا كما كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول كان يقول " اللهم إني أعوذ بك من العجز والكسل والجبن والبخل والهرم وعذاب القبر اللهم آت نفسي تقواها وزكها أنت خير من زكاها أنت وليها ومولاها اللهم إني أعوذ بك من علم لا ينفع ومن قلب لا يخشع ومن نفس لا تشبع ومن دعوة لا يستجاب لها " .
যায়দ ইবনু আরকাম (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি তোমাদের নিকট তেমনই বলব যেমনটি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলতেন। তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলতেনঃ “আল্ল-হুম্মা ইন্নী আ‘ঊযুবিকা মিনাল ‘আজ্যি ওয়াল কাসালি ওয়াল জুব্নি ওয়াল বুখ্লি ওয়াল হারামি ওয়া ‘আযা-বিল কব্রি, আল্ল-হুম্মা আ-তি নাফসী তাক্ওয়া-হা ওয়াযাক্কিহা-আন্তা খইরু মান্ যাক্কা-হা আন্তা ওয়ালী ইউহা- ওয়া মাওলা-হা-, আল্ল-হুম্মা ইন্নী আ‘ঊযুবিকা মিন ‘ইল্মিন্ লা- ইয়ান্ফা‘উ ওয়ামিন কালবিন্ লা- ইয়াখ্শা‘উ ওয়ামিন নাফ্সিন লা- তাশ্বা‘উ ওয়ামিন দা‘ওয়াতিন লা- ইউসতাজা-বু লাহা-” অর্থাৎ- “হেআল্লাহ! আমি আপনার নিকট পানাহ চাই অপরাগতা, অলসতা, ভীরুতা, বখিলতা, বার্ধক্যতা এবং কবরের শাস্তি থেকে। হেআল্লাহ! আপনি আমার অন্তরে পরহেযগারিতা দান করুন এবং একে সংশোধন করে দিন। আপনি একমাত্র সর্বোত্তম সংশোধনকারী এবং আপনিই একমাত্র তার মালিক ও আশ্রয়স্থল। হে আল্লাহ! আমি আপনার নিকট পানাহ চাই এমন ‘ইল্ম হতে যা কোন উপকারে আসবে না ও এমন অন্তঃকরণ থেকে যা আল্লাহর ভয়ে ভীত হয় না; এমন আত্মা থেকে যা কক্ষনও তৃপ্ত হয় না। আর এমন দু‘আ থেকে যা কবূল হয় না।” (ই.ফা. ৬৬৫৮, ই.সে. ৬৭১১)
যায়দ ইবনু আরকাম (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি তোমাদের নিকট তেমনই বলব যেমনটি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলতেন। তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলতেনঃ “আল্ল-হুম্মা ইন্নী আ‘ঊযুবিকা মিনাল ‘আজ্যি ওয়াল কাসালি ওয়াল জুব্নি ওয়াল বুখ্লি ওয়াল হারামি ওয়া ‘আযা-বিল কব্রি, আল্ল-হুম্মা আ-তি নাফসী তাক্ওয়া-হা ওয়াযাক্কিহা-আন্তা খইরু মান্ যাক্কা-হা আন্তা ওয়ালী ইউহা- ওয়া মাওলা-হা-, আল্ল-হুম্মা ইন্নী আ‘ঊযুবিকা মিন ‘ইল্মিন্ লা- ইয়ান্ফা‘উ ওয়ামিন কালবিন্ লা- ইয়াখ্শা‘উ ওয়ামিন নাফ্সিন লা- তাশ্বা‘উ ওয়ামিন দা‘ওয়াতিন লা- ইউসতাজা-বু লাহা-” অর্থাৎ- “হেআল্লাহ! আমি আপনার নিকট পানাহ চাই অপরাগতা, অলসতা, ভীরুতা, বখিলতা, বার্ধক্যতা এবং কবরের শাস্তি থেকে। হেআল্লাহ! আপনি আমার অন্তরে পরহেযগারিতা দান করুন এবং একে সংশোধন করে দিন। আপনি একমাত্র সর্বোত্তম সংশোধনকারী এবং আপনিই একমাত্র তার মালিক ও আশ্রয়স্থল। হে আল্লাহ! আমি আপনার নিকট পানাহ চাই এমন ‘ইল্ম হতে যা কোন উপকারে আসবে না ও এমন অন্তঃকরণ থেকে যা আল্লাহর ভয়ে ভীত হয় না; এমন আত্মা থেকে যা কক্ষনও তৃপ্ত হয় না। আর এমন দু‘আ থেকে যা কবূল হয় না।” (ই.ফা. ৬৬৫৮, ই.সে. ৬৭১১)
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وإسحاق بن إبراهيم، ومحمد بن عبد الله بن نمير، - واللفظ لابن نمير - قال إسحاق أخبرنا وقال الآخران، حدثنا أبو معاوية، عن عاصم، عن عبد الله بن الحارث، وعن أبي عثمان النهدي، عن زيد بن أرقم، قال لا أقول لكم إلا كما كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول كان يقول " اللهم إني أعوذ بك من العجز والكسل والجبن والبخل والهرم وعذاب القبر اللهم آت نفسي تقواها وزكها أنت خير من زكاها أنت وليها ومولاها اللهم إني أعوذ بك من علم لا ينفع ومن قلب لا يخشع ومن نفس لا تشبع ومن دعوة لا يستجاب لها " .
সহিহ মুসলিম ৬৮০০
حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا عبد الواحد بن زياد، عن الحسن بن عبيد الله، حدثنا إبراهيم بن سويد النخعي، حدثنا عبد الرحمن بن يزيد، عن عبد الله بن مسعود، قال كان رسول الله صلى الله عليه وسلم إذا أمسى قال " أمسينا وأمسى الملك لله والحمد لله لا إله إلا الله وحده لا شريك له " . قال الحسن فحدثني الزبيد أنه حفظ عن إبراهيم في هذا " له الملك وله الحمد وهو على كل شىء قدير اللهم أسألك خير هذه الليلة وأعوذ بك من شر هذه الليلة وشر ما بعدها اللهم إني أعوذ بك من الكسل وسوء الكبر اللهم إني أعوذ بك من عذاب في النار وعذاب في القبر " .
‘আবদুল্লাহ ইবনু মাস‘ঊদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, যখন সন্ধ্যা হত তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলতেনঃ “আম্সাইনা- ওয়া আম্সাল্ মুল্কু লিল্লা-হি ওয়াল হাম্দু লিল্লা-হি লা- ইলা-হা ইল্লাল্ল-হু ওয়াহ্দাহু লা- শারীকা লাহু, অর্থাৎ- “আমরা সন্ধ্যায় উপনীত হয়েছি এবং আল্লাহর রাজ্যও, প্রশংসা একমাত্র আল্লাহর জন্য, তিনি ছাড়া কোন মা‘বুদ নেই। তিনি একক সত্তা, তাঁর কোন শারীক নেই।” হাসান (রহঃ) বলেন, আমাকে যুবায়দ (রহঃ) হাদীস বর্ণনা করেন যে, তিনি ইব্রাহীম (রহঃ) হতে এ দু‘আটি মুখস্ত করেছেনঃ “লাহুল মুল্কু ওয়ালাহুল হাম্দু ওয়াহুয়া ‘আলা- কুল্লি শাইয়িন কদীর, আল্ল-হুম্মা আসাআলুকা খইরা হা-যিহিল লাইলাতি ওয়া আ‘ঊযুবিকা মিন্ শাররি হা-যিহিল লাইলাতি ওয়া শার্রি মা- বা’দাহা- আল্ল-হুম্মা ইন্নী আ‘ঊযুবিকা মিনাল কাসালি ওয়া সূয়িল কিবারি, আল্ল-হুম্মা ইন্নী আ‘ঊযুবিকা মিন ‘আযা-বিন ফিন্না-রি ওয়া ‘আযা-বিন ফিল কবরি।” অর্থাৎ, “রাজত্ব তাঁর মালিকানাধীন, সকল প্রশংসা তাঁরই, তিনিই সকল কিছুর উপর ক্ষমতাবান। হে আল্লাহ! আমি আপনার নিকট এ রাতের কল্যাণ প্রত্যাশা করি এবং আশ্রয় চাই এ রাতের খারাবী হতে এবং এর পরবর্তী রাতের অনিষ্ট থেকেও। হে আল্লাহ! আমি আপনার নিকট আশ্রয় চাই অলসতা থেকে ও অহংকারের খারাবী থেকে। হে আল্লাহ! আমি আপনার নিকট আশ্রয় চাই জাহান্নামের শাস্তি থেকে এবং কবরের শাস্তি থেকে।” (ই.ফা. ৬৬৫৯, ই.সে. ৬৭১২)
‘আবদুল্লাহ ইবনু মাস‘ঊদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, যখন সন্ধ্যা হত তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলতেনঃ “আম্সাইনা- ওয়া আম্সাল্ মুল্কু লিল্লা-হি ওয়াল হাম্দু লিল্লা-হি লা- ইলা-হা ইল্লাল্ল-হু ওয়াহ্দাহু লা- শারীকা লাহু, অর্থাৎ- “আমরা সন্ধ্যায় উপনীত হয়েছি এবং আল্লাহর রাজ্যও, প্রশংসা একমাত্র আল্লাহর জন্য, তিনি ছাড়া কোন মা‘বুদ নেই। তিনি একক সত্তা, তাঁর কোন শারীক নেই।” হাসান (রহঃ) বলেন, আমাকে যুবায়দ (রহঃ) হাদীস বর্ণনা করেন যে, তিনি ইব্রাহীম (রহঃ) হতে এ দু‘আটি মুখস্ত করেছেনঃ “লাহুল মুল্কু ওয়ালাহুল হাম্দু ওয়াহুয়া ‘আলা- কুল্লি শাইয়িন কদীর, আল্ল-হুম্মা আসাআলুকা খইরা হা-যিহিল লাইলাতি ওয়া আ‘ঊযুবিকা মিন্ শাররি হা-যিহিল লাইলাতি ওয়া শার্রি মা- বা’দাহা- আল্ল-হুম্মা ইন্নী আ‘ঊযুবিকা মিনাল কাসালি ওয়া সূয়িল কিবারি, আল্ল-হুম্মা ইন্নী আ‘ঊযুবিকা মিন ‘আযা-বিন ফিন্না-রি ওয়া ‘আযা-বিন ফিল কবরি।” অর্থাৎ, “রাজত্ব তাঁর মালিকানাধীন, সকল প্রশংসা তাঁরই, তিনিই সকল কিছুর উপর ক্ষমতাবান। হে আল্লাহ! আমি আপনার নিকট এ রাতের কল্যাণ প্রত্যাশা করি এবং আশ্রয় চাই এ রাতের খারাবী হতে এবং এর পরবর্তী রাতের অনিষ্ট থেকেও। হে আল্লাহ! আমি আপনার নিকট আশ্রয় চাই অলসতা থেকে ও অহংকারের খারাবী থেকে। হে আল্লাহ! আমি আপনার নিকট আশ্রয় চাই জাহান্নামের শাস্তি থেকে এবং কবরের শাস্তি থেকে।” (ই.ফা. ৬৬৫৯, ই.সে. ৬৭১২)
حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا عبد الواحد بن زياد، عن الحسن بن عبيد الله، حدثنا إبراهيم بن سويد النخعي، حدثنا عبد الرحمن بن يزيد، عن عبد الله بن مسعود، قال كان رسول الله صلى الله عليه وسلم إذا أمسى قال " أمسينا وأمسى الملك لله والحمد لله لا إله إلا الله وحده لا شريك له " . قال الحسن فحدثني الزبيد أنه حفظ عن إبراهيم في هذا " له الملك وله الحمد وهو على كل شىء قدير اللهم أسألك خير هذه الليلة وأعوذ بك من شر هذه الليلة وشر ما بعدها اللهم إني أعوذ بك من الكسل وسوء الكبر اللهم إني أعوذ بك من عذاب في النار وعذاب في القبر " .
সহিহ মুসলিম ৬৮০১
حدثنا عثمان بن أبي شيبة، حدثنا جرير، عن الحسن بن عبيد الله، عن إبراهيم، بن سويد عن عبد الرحمن بن يزيد، عن عبد الله، قال كان نبي الله صلى الله عليه وسلم إذا أمسى قال " أمسينا وأمسى الملك لله والحمد لله لا إله إلا الله وحده لا شريك له " . قال أراه قال فيهن " له الملك وله الحمد وهو على كل شىء قدير رب أسألك خير ما في هذه الليلة وخير ما بعدها وأعوذ بك من شر ما في هذه الليلة وشر ما بعدها رب أعوذ بك من الكسل وسوء الكبر رب أعوذ بك من عذاب في النار وعذاب في القبر " . وإذا أصبح قال ذلك أيضا " أصبحنا وأصبح الملك لله " .
‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, যখন সন্ধ্যা হয়ে যেত সে সময় নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলতেনঃ “আম্সাইনা- ওয়া আম্সাল্ মুল্কু লিল্লা-হি ওয়াল হাম্দু লিল্লা-হি লা- ইলা-হা ইল্লাল্লা-হু ওয়াহ্দাহু লা-শারীকা লাহু”, অর্থাৎ- “আমরা সন্ধ্যায় উপনীত হয়েছি এবং আল্লাহর রাজ্যও সন্ধ্যায় উপনীত হয়েছে। আল্লাহর জন্যই সকল কৃতজ্ঞতা। আল্লাহ ছাড়া প্রকৃতপক্ষে কোন মা‘বূদ নেই। তিনি অদ্বিতীয়, তাঁর কোন অংশীদার নেই।” রাবী বলেন যে, তিনি তাঁর দু‘আর মধ্যে বলেছেন, “লাহুল মুল্কু ওয়ালাহুল হাম্দু ওয়াহুয়া ‘আলা-কুল্লি শাইয়িন্ কদীর, রব্বি আস্আলুকা খইরা মা- ফী হা-যিহিল্ লাইলাতি ওয়া খাইরা মা- বা‘দাহা- ওয়া আ‘ঊযুবিকা মিন্ শার্রি মা- ফী হাযিহিল লাইলাতি ওয়া শার্রি মা- বা‘দাহা- রব্বি আ‘ঊযুবিকা মিনাল কাসালি ওয়া সূয়িল কিবারি রব্বি আ‘ঊযুবিকা মিন্ ‘আযা-বিন ফিন্না-রি ওয়া ‘আযা-বিন ফিল কব্রি”, অর্থাৎ- “রাজত্ব তাঁরই, প্রশংসা তাঁরই এবং তিনিই সব বিষয়ের উপর ক্ষমতাবান। হে আমার রব! আমি আপনার নিকট কল্যাণ চাই এ রাতের এবং পরবর্তী রাতেরও। আর আমি আপনার নিকট আশ্রয় চাই এ রাত্রের খারাবী হতে এবং এর পরবর্তী রাতের খারাবী হতেও। হে আমার প্রতিপালক। আমি আপনার নিকট আশ্রয় চাই অলসতা, অহঙ্কারের অশুভ পরিণতি থেকে। হে আমার প্রতিপালক। আমি আপনার নিকট আশ্রয় চাই জাহান্নাম ও কবরের শাস্তি হতে।” আর যখন ভোর হতো, তিনি বলতেনঃ “আস্বাহ্না- ওয়া আস্বাহাল মুল্কু লিল্লা-হি”, অর্থাৎ “আমরা ভোরে পৌঁছেছি এবং আল্লাহর রাজ্যও ভোরে পৌঁছেছে।” (ই.ফা. ৬৬৬০, ই.সে. ৬৭১৩)
‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, যখন সন্ধ্যা হয়ে যেত সে সময় নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলতেনঃ “আম্সাইনা- ওয়া আম্সাল্ মুল্কু লিল্লা-হি ওয়াল হাম্দু লিল্লা-হি লা- ইলা-হা ইল্লাল্লা-হু ওয়াহ্দাহু লা-শারীকা লাহু”, অর্থাৎ- “আমরা সন্ধ্যায় উপনীত হয়েছি এবং আল্লাহর রাজ্যও সন্ধ্যায় উপনীত হয়েছে। আল্লাহর জন্যই সকল কৃতজ্ঞতা। আল্লাহ ছাড়া প্রকৃতপক্ষে কোন মা‘বূদ নেই। তিনি অদ্বিতীয়, তাঁর কোন অংশীদার নেই।” রাবী বলেন যে, তিনি তাঁর দু‘আর মধ্যে বলেছেন, “লাহুল মুল্কু ওয়ালাহুল হাম্দু ওয়াহুয়া ‘আলা-কুল্লি শাইয়িন্ কদীর, রব্বি আস্আলুকা খইরা মা- ফী হা-যিহিল্ লাইলাতি ওয়া খাইরা মা- বা‘দাহা- ওয়া আ‘ঊযুবিকা মিন্ শার্রি মা- ফী হাযিহিল লাইলাতি ওয়া শার্রি মা- বা‘দাহা- রব্বি আ‘ঊযুবিকা মিনাল কাসালি ওয়া সূয়িল কিবারি রব্বি আ‘ঊযুবিকা মিন্ ‘আযা-বিন ফিন্না-রি ওয়া ‘আযা-বিন ফিল কব্রি”, অর্থাৎ- “রাজত্ব তাঁরই, প্রশংসা তাঁরই এবং তিনিই সব বিষয়ের উপর ক্ষমতাবান। হে আমার রব! আমি আপনার নিকট কল্যাণ চাই এ রাতের এবং পরবর্তী রাতেরও। আর আমি আপনার নিকট আশ্রয় চাই এ রাত্রের খারাবী হতে এবং এর পরবর্তী রাতের খারাবী হতেও। হে আমার প্রতিপালক। আমি আপনার নিকট আশ্রয় চাই অলসতা, অহঙ্কারের অশুভ পরিণতি থেকে। হে আমার প্রতিপালক। আমি আপনার নিকট আশ্রয় চাই জাহান্নাম ও কবরের শাস্তি হতে।” আর যখন ভোর হতো, তিনি বলতেনঃ “আস্বাহ্না- ওয়া আস্বাহাল মুল্কু লিল্লা-হি”, অর্থাৎ “আমরা ভোরে পৌঁছেছি এবং আল্লাহর রাজ্যও ভোরে পৌঁছেছে।” (ই.ফা. ৬৬৬০, ই.সে. ৬৭১৩)
حدثنا عثمان بن أبي شيبة، حدثنا جرير، عن الحسن بن عبيد الله، عن إبراهيم، بن سويد عن عبد الرحمن بن يزيد، عن عبد الله، قال كان نبي الله صلى الله عليه وسلم إذا أمسى قال " أمسينا وأمسى الملك لله والحمد لله لا إله إلا الله وحده لا شريك له " . قال أراه قال فيهن " له الملك وله الحمد وهو على كل شىء قدير رب أسألك خير ما في هذه الليلة وخير ما بعدها وأعوذ بك من شر ما في هذه الليلة وشر ما بعدها رب أعوذ بك من الكسل وسوء الكبر رب أعوذ بك من عذاب في النار وعذاب في القبر " . وإذا أصبح قال ذلك أيضا " أصبحنا وأصبح الملك لله " .
সহিহ মুসলিম ৬৮০৩
حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا ليث، عن سعيد بن أبي سعيد، عن أبيه، عن أبي، هريرة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان يقول " لا إله إلا الله وحده أعز جنده ونصر عبده وغلب الأحزاب وحده فلا شىء بعده " .
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলতেনঃ “লা- ইলা-হা ইল্লাল্ল-হু ওয়াহ্দাহু আ ‘আয্যা জুন্দাহু ওয়া নাসারা ‘আব্দাহু ওয়া গলাবাল আহ্যা-বা ওয়াহ্দাহু ফালা- শাইয়া বা‘দাহু”, অর্থাৎ- “আল্লাহ ছাড়া প্রকৃতপক্ষে কোন মা‘বূদ নেই। তিনি অদ্বিতীয়, তিনি তাঁর সৈনিকদের সম্মান দিয়েছেন এবং তাঁর বান্দাকে সহযোগিতা করেছেন। আর তিনি একাই অসংখ্য কাফির বাহিনীর উপর বিজয়ী হয়েছেন। এরপরে আর কোন কিছু নেই।” (ই.ফা. ৬৬৬২, ই.সে. ৬৭১৫)
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলতেনঃ “লা- ইলা-হা ইল্লাল্ল-হু ওয়াহ্দাহু আ ‘আয্যা জুন্দাহু ওয়া নাসারা ‘আব্দাহু ওয়া গলাবাল আহ্যা-বা ওয়াহ্দাহু ফালা- শাইয়া বা‘দাহু”, অর্থাৎ- “আল্লাহ ছাড়া প্রকৃতপক্ষে কোন মা‘বূদ নেই। তিনি অদ্বিতীয়, তিনি তাঁর সৈনিকদের সম্মান দিয়েছেন এবং তাঁর বান্দাকে সহযোগিতা করেছেন। আর তিনি একাই অসংখ্য কাফির বাহিনীর উপর বিজয়ী হয়েছেন। এরপরে আর কোন কিছু নেই।” (ই.ফা. ৬৬৬২, ই.সে. ৬৭১৫)
حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا ليث، عن سعيد بن أبي سعيد، عن أبيه، عن أبي، هريرة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان يقول " لا إله إلا الله وحده أعز جنده ونصر عبده وغلب الأحزاب وحده فلا شىء بعده " .
সহিহ মুসলিম ৬৮০২
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا حسين بن علي، عن زائدة، عن الحسن بن، عبيد الله عن إبراهيم بن سويد، عن عبد الرحمن بن يزيد، عن عبد الله، قال كان رسول الله صلى الله عليه وسلم إذا أمسى قال " أمسينا وأمسى الملك لله والحمد لله لا إله إلا الله وحده لا شريك له اللهم إني أسألك من خير هذه الليلة وخير ما فيها وأعوذ بك من شرها وشر ما فيها اللهم إني أعوذ بك من الكسل والهرم وسوء الكبر وفتنة الدنيا وعذاب القبر " . قال الحسن بن عبيد الله وزادني فيه زبيد عن إبراهيم بن سويد عن عبد الرحمن بن يزيد عن عبد الله رفعه أنه قال " لا إله إلا الله وحده لا شريك له له الملك وله الحمد وهو على كل شىء قدير " .
‘আবদুল্লাহ ইবনু মাস‘ঊদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, যখন সন্ধ্যা হতো তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলতেনঃ “আম্সাইনা- ওয়া আম্সাল্ মুল্কু লিল্লা-হি ওয়াল হাম্দু লিল্লা-হি লা-ইলা-হা ইল্লাল্ল-হু ওয়াহ্দাহু লা- শারীকা লাহু, আল্ল-হুম্মা ইন্নী আস্আলুকা মিন্ খইরি হাযিহিল লাইলাতি ওয়া খইরি মা- ফীহা- ওয়া আ‘ঊযুবিকা মিন্ শার্রিহা- ওয়া শার্রি মা- ফীহা-, আল্ল-হুম্মা ইন্নী আ‘ঊযুবিকা মিনাল কাসালি ওয়াল হারামি ওয়া সূয়িল কিবারি ওয়া ফিত্নাতিদ্ দুন্ইয়া ওয়া ‘আযা-বিন ফিল কব্রি”, অর্থাৎ- “আমরা সন্ধ্যায় পৌঁছেছি এবং পৃথিবী আল্লাহর জন্য সন্ধ্যায় পৌঁছেছে। সকল প্রকার প্রশংসা আল্লাহরই। আল্লাহ ছাড়া কোন মা‘বূদ নেই। তিনি অদ্বিতীয়, তাঁর কোন অংশীদার নেই। হে আল্লাহ! আমি আপনার নিকট কল্যাণ চাই এ রাত্রের ও তার পরবর্তী রাত্রের এবং আমি আপনার নিকট আশ্রয় চাই এ রাত্র ও এর পরবর্তী রাত্রের খারাবী হতে। হে আল্লাহ! আমি আপনার নিকট আশ্রয় চাই। অলসতা, বার্ধক্য, অহঙ্কারের খারাবী দুনিয়ার ফিত্নাহ্ ও কবরের শাস্তি হতে।” হাসান ইবনু ‘উবাইদুল্লাহ (রহঃ) বলেছেন, যুবায়দ (রহঃ) ‘আবদুল্লাহ (রাঃ)-এর সানাদে মারফূ‘ সূত্রে একটু বর্ধিত বলেছেন। তিনি বলেন, “লা- ইলা-হা ইল্লাল্ল-হু ওয়াহ্দাহু লা- শারীকা লাহু লাহুল মুল্কু ওয়ালাহুল হাম্দু ওয়াহুয়া ‘আলা- কুল্লি শাইয়িন কদীর”, অর্থাৎ “আল্লাহ ভিন্ন অন্য কোন মা‘বূদ নেই। তিনি অদ্বিতীয়, তাঁর কোন অংশীদার নেই। রাজত্ব তাঁরই, প্রশংসা তাঁরই এবং তিনিই সকল বিষয়ের উপর ক্ষমতাবান।” (ই.ফা. ৬৬৬১, ই.সে. ৬৭১৪)
‘আবদুল্লাহ ইবনু মাস‘ঊদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, যখন সন্ধ্যা হতো তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলতেনঃ “আম্সাইনা- ওয়া আম্সাল্ মুল্কু লিল্লা-হি ওয়াল হাম্দু লিল্লা-হি লা-ইলা-হা ইল্লাল্ল-হু ওয়াহ্দাহু লা- শারীকা লাহু, আল্ল-হুম্মা ইন্নী আস্আলুকা মিন্ খইরি হাযিহিল লাইলাতি ওয়া খইরি মা- ফীহা- ওয়া আ‘ঊযুবিকা মিন্ শার্রিহা- ওয়া শার্রি মা- ফীহা-, আল্ল-হুম্মা ইন্নী আ‘ঊযুবিকা মিনাল কাসালি ওয়াল হারামি ওয়া সূয়িল কিবারি ওয়া ফিত্নাতিদ্ দুন্ইয়া ওয়া ‘আযা-বিন ফিল কব্রি”, অর্থাৎ- “আমরা সন্ধ্যায় পৌঁছেছি এবং পৃথিবী আল্লাহর জন্য সন্ধ্যায় পৌঁছেছে। সকল প্রকার প্রশংসা আল্লাহরই। আল্লাহ ছাড়া কোন মা‘বূদ নেই। তিনি অদ্বিতীয়, তাঁর কোন অংশীদার নেই। হে আল্লাহ! আমি আপনার নিকট কল্যাণ চাই এ রাত্রের ও তার পরবর্তী রাত্রের এবং আমি আপনার নিকট আশ্রয় চাই এ রাত্র ও এর পরবর্তী রাত্রের খারাবী হতে। হে আল্লাহ! আমি আপনার নিকট আশ্রয় চাই। অলসতা, বার্ধক্য, অহঙ্কারের খারাবী দুনিয়ার ফিত্নাহ্ ও কবরের শাস্তি হতে।” হাসান ইবনু ‘উবাইদুল্লাহ (রহঃ) বলেছেন, যুবায়দ (রহঃ) ‘আবদুল্লাহ (রাঃ)-এর সানাদে মারফূ‘ সূত্রে একটু বর্ধিত বলেছেন। তিনি বলেন, “লা- ইলা-হা ইল্লাল্ল-হু ওয়াহ্দাহু লা- শারীকা লাহু লাহুল মুল্কু ওয়ালাহুল হাম্দু ওয়াহুয়া ‘আলা- কুল্লি শাইয়িন কদীর”, অর্থাৎ “আল্লাহ ভিন্ন অন্য কোন মা‘বূদ নেই। তিনি অদ্বিতীয়, তাঁর কোন অংশীদার নেই। রাজত্ব তাঁরই, প্রশংসা তাঁরই এবং তিনিই সকল বিষয়ের উপর ক্ষমতাবান।” (ই.ফা. ৬৬৬১, ই.সে. ৬৭১৪)
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا حسين بن علي، عن زائدة، عن الحسن بن، عبيد الله عن إبراهيم بن سويد، عن عبد الرحمن بن يزيد، عن عبد الله، قال كان رسول الله صلى الله عليه وسلم إذا أمسى قال " أمسينا وأمسى الملك لله والحمد لله لا إله إلا الله وحده لا شريك له اللهم إني أسألك من خير هذه الليلة وخير ما فيها وأعوذ بك من شرها وشر ما فيها اللهم إني أعوذ بك من الكسل والهرم وسوء الكبر وفتنة الدنيا وعذاب القبر " . قال الحسن بن عبيد الله وزادني فيه زبيد عن إبراهيم بن سويد عن عبد الرحمن بن يزيد عن عبد الله رفعه أنه قال " لا إله إلا الله وحده لا شريك له له الملك وله الحمد وهو على كل شىء قدير " .
সহিহ মুসলিম ৬৮০৪
حدثنا أبو كريب، محمد بن العلاء حدثنا ابن إدريس، قال سمعت عاصم بن كليب، عن أبي بردة، عن علي، قال قال لي رسول الله صلى الله عليه وسلم " قل اللهم اهدني وسددني واذكر بالهدى هدايتك الطريق والسداد سداد السهم " .
‘আলী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে বলেছেনঃ তুমি বলো- “আল্ল-হুম্মাহ্দিনী ওয়া সাদ্দিদ্নী ওয়ায্কুর বিল্হুদা হিদা-ইয়াতাকাত্ তারীকা ওয়াস্ সাদা-দি সাদা-দাস্ সাহ্ম”, অর্থাৎ- “হে আল্লাহ! আপনি আমাকে সঠিক পথ প্রদর্শন করুন, আমাকে সোজা পথে পরিচালিত করুন।” তিনি আমাকে আরও বলেছেন, “আপনার হিদায়াতকে সঠিক পথের মাধ্যমে এবং তীর সোজা করাকে সরলতার মাধ্যমে স্মরণ করুন।” (ই.ফা. ৬৬৬৩, ই.সে. ৬৭১৬)
‘আলী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে বলেছেনঃ তুমি বলো- “আল্ল-হুম্মাহ্দিনী ওয়া সাদ্দিদ্নী ওয়ায্কুর বিল্হুদা হিদা-ইয়াতাকাত্ তারীকা ওয়াস্ সাদা-দি সাদা-দাস্ সাহ্ম”, অর্থাৎ- “হে আল্লাহ! আপনি আমাকে সঠিক পথ প্রদর্শন করুন, আমাকে সোজা পথে পরিচালিত করুন।” তিনি আমাকে আরও বলেছেন, “আপনার হিদায়াতকে সঠিক পথের মাধ্যমে এবং তীর সোজা করাকে সরলতার মাধ্যমে স্মরণ করুন।” (ই.ফা. ৬৬৬৩, ই.সে. ৬৭১৬)
حدثنا أبو كريب، محمد بن العلاء حدثنا ابن إدريس، قال سمعت عاصم بن كليب، عن أبي بردة، عن علي، قال قال لي رسول الله صلى الله عليه وسلم " قل اللهم اهدني وسددني واذكر بالهدى هدايتك الطريق والسداد سداد السهم " .
সহিহ মুসলিম ৬৭৯০
حدثنا محمد بن المثنى، وابن، بشار قالا حدثنا ابن أبي عدي، ح وحدثنا محمد، بن عمرو بن جبلة حدثنا محمد، - يعني ابن جعفر - كلاهما عن شعبة، عن حصين، بهذا الإسناد مثله غير أن في حديث محمد بن جعفر " ومن شر ما لم أعمل " .
মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না, ইবনু বাশ্শার ও মুহাম্মাদ ইবনু ‘আমর ইবনু জাবালাহ্ (রহঃ) হুসায়ন (রাঃ) হতে এ সূত্র থেকে বর্নিতঃ
অবিকল বর্ণনা করেছেন। তবে মুহাম্মাদ ইবনু জা‘ফারের হাদীসে “ওয়া মিন্ শার্রি মা- লাম আ‘মাল” অর্থাৎ- “এবং আমি যা করিনি তার খারাবী হতে” কথাটি উল্লেখ নেই। (ই.ফা. ৬৬৪৯, ই.সে. ৬৭০২)
মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না, ইবনু বাশ্শার ও মুহাম্মাদ ইবনু ‘আমর ইবনু জাবালাহ্ (রহঃ) হুসায়ন (রাঃ) হতে এ সূত্র থেকে বর্নিতঃ
অবিকল বর্ণনা করেছেন। তবে মুহাম্মাদ ইবনু জা‘ফারের হাদীসে “ওয়া মিন্ শার্রি মা- লাম আ‘মাল” অর্থাৎ- “এবং আমি যা করিনি তার খারাবী হতে” কথাটি উল্লেখ নেই। (ই.ফা. ৬৬৪৯, ই.সে. ৬৭০২)
حدثنا محمد بن المثنى، وابن، بشار قالا حدثنا ابن أبي عدي، ح وحدثنا محمد، بن عمرو بن جبلة حدثنا محمد، - يعني ابن جعفر - كلاهما عن شعبة، عن حصين، بهذا الإسناد مثله غير أن في حديث محمد بن جعفر " ومن شر ما لم أعمل " .
সহিহ মুসলিম ৬৭৯৮
وحدثنا ابن المثنى، وابن، بشار قالا حدثنا عبد الرحمن، عن سفيان، عن أبي، إسحاق بهذا الإسناد . مثله غير أن ابن المثنى، قال في روايته " والعفة " .
ইবনু ইসহাক্ (রহঃ)-এর সানাদ থেকে বর্নিতঃ
এ সূত্রে হবহু হাদীস বর্ণনা করেছেন। কিন্তু পার্থক্য এটুকু যে, ইবনুল মুসান্না তার বর্ণিত হাদীসে (আরবী)-এর স্থলে (হারাম থেকে পবিত্রতা) শব্দ বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৬৬৫৭, ই.সে. ৬৭১০)
ইবনু ইসহাক্ (রহঃ)-এর সানাদ থেকে বর্নিতঃ
এ সূত্রে হবহু হাদীস বর্ণনা করেছেন। কিন্তু পার্থক্য এটুকু যে, ইবনুল মুসান্না তার বর্ণিত হাদীসে (আরবী)-এর স্থলে (হারাম থেকে পবিত্রতা) শব্দ বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৬৬৫৭, ই.সে. ৬৭১০)
وحدثنا ابن المثنى، وابن، بشار قالا حدثنا عبد الرحمن، عن سفيان، عن أبي، إسحاق بهذا الإسناد . مثله غير أن ابن المثنى، قال في روايته " والعفة " .
সহিহ মুসলিম ৬৭৯৫
وحدثناه محمد بن بشار، حدثنا عبد الملك بن الصباح المسمعي، حدثنا شعبة، في هذا الإسناد .
শু‘বাহ্ (রাঃ)-এর সানাদ থেকে বর্নিতঃ
এ সূত্রে অবিকল হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৬৬৫৪, ই.সে. ৬৭০৭)
শু‘বাহ্ (রাঃ)-এর সানাদ থেকে বর্নিতঃ
এ সূত্রে অবিকল হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৬৬৫৪, ই.সে. ৬৭০৭)
وحدثناه محمد بن بشار، حدثنا عبد الملك بن الصباح المسمعي، حدثنا شعبة، في هذا الإسناد .
সহিহ মুসলিম ৬৭৯৭
حدثنا محمد بن المثنى، ومحمد بن بشار، قالا حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، عن أبي إسحاق، عن أبي الأحوص، عن عبد الله، عن النبي صلى الله عليه وسلم أنه كان يقول " اللهم إني أسألك الهدى والتقى والعفاف والغنى " .
‘আবদুল্লাহ (রাঃ)-এর সূত্রে নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্নিতঃ
তিনি এ বলে দু‘আ করতেন, “আল্ল-হুম্মা ইন্নী আস্আলুকাল্ হুদা ওয়াত্ তুকা ওয়াল ‘আফা-ফা ওয়াল গিনা” অর্থাৎ- “হে আল্লাহ! আমি আপনার নিকট পথনির্দেশ, আল্লাহভীতি, চারিত্রিক উৎকর্ষতা ও সচ্ছলতার জন্য দু‘আ করছি।” (ই.ফা. ৬৬৫৬, ই.সে. ৬৭০৯)
‘আবদুল্লাহ (রাঃ)-এর সূত্রে নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্নিতঃ
তিনি এ বলে দু‘আ করতেন, “আল্ল-হুম্মা ইন্নী আস্আলুকাল্ হুদা ওয়াত্ তুকা ওয়াল ‘আফা-ফা ওয়াল গিনা” অর্থাৎ- “হে আল্লাহ! আমি আপনার নিকট পথনির্দেশ, আল্লাহভীতি, চারিত্রিক উৎকর্ষতা ও সচ্ছলতার জন্য দু‘আ করছি।” (ই.ফা. ৬৬৫৬, ই.সে. ৬৭০৯)
حدثنا محمد بن المثنى، ومحمد بن بشار، قالا حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، عن أبي إسحاق، عن أبي الأحوص، عن عبد الله، عن النبي صلى الله عليه وسلم أنه كان يقول " اللهم إني أسألك الهدى والتقى والعفاف والغنى " .
সহিহ মুসলিম ৬৭৯৪
حدثنا عبيد الله بن معاذ العنبري، حدثنا أبي، حدثنا شعبة، عن أبي إسحاق، عن أبي بردة بن أبي موسى الأشعري، عن أبيه، عن النبي صلى الله عليه وسلم أنه كان يدعو بهذا الدعاء " اللهم اغفر لي خطيئتي وجهلي وإسرافي في أمري وما أنت أعلم به مني اللهم اغفر لي جدي وهزلي وخطئي وعمدي وكل ذلك عندي اللهم اغفر لي ما قدمت وما أخرت وما أسررت وما أعلنت وما أنت أعلم به مني أنت المقدم وأنت المؤخر وأنت على كل شىء قدير " .
আবূ মূসা আল আশ‘আরী (রাঃ)-এর সানাদে নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্নিতঃ
তিনি এ দু‘আর মাধ্যমে আল্লাহর নিকট প্রার্থনা করতেন, “আল্ল-হুম্মাগ্ ফির্লী খতীআতী ওয়া জাহ্লী ওয়া ইসরা-ফী ফী আম্রী ওয়ামা- আন্তা আ‘লামু বিহি মিন্নী, আল্ল-হুম্মাগ্ ফির্লী জিদ্দী ওয়া হায্লী ওয়া খতায়ী ওয়া ‘আম্দী ওয়া কুল্লু যালিকা ‘ইন্দী, আল্ল-হুম্মাগ্ ফির্লী মা- কদ্দামতু ওয়ামা- আখ্খার্তু ওয়ামা- আস্রার্তু ওয়ামা- আ‘লান্তু ওয়ামা- আন্তা আ‘লামু বিহি মিন্নী আন্তাল্ মুকাদ্দিমু ওয়া আন্তাল মুয়াখ্খিরু ওয়া আন্তা ‘আলা-কুল্লি শাইয়িন্ কদীর” অর্থাৎ- “হে আল্লাহ! আপনি আমার পাপ, আমার অজ্ঞতা ও আমার কাজের সীমালঙ্ঘনকে মার্জনা করে দিন। আপনি এ বিষয়ে আমার চেয়ে সর্বাধিক জ্ঞাত। হে আল্লাহ! আমাকে মাফ করে দিন আমার আন্তরিকতাপূর্ণ ও রসিকতামূলক অপরাধ এবং আমার ইচ্ছাকৃত ও ভুলক্রমে সব রকমের অপরাধগুলো (যা আমি করেছি)। হে আল্লাহ! মাফ করে দিন যা আমি আগে করে ফেলেছি এবং যা আমি পরে করব, যা আমি গোপনে করেছি এবং যা প্রকাশ্যে করেছি। আর আপনি আমার চাইতে আমার সম্পর্কে সার্বাধিক জ্ঞাত। আপনিই একমাত্র অগ্রবর্তী এবং আপনিই একমাত্র পরবর্তী। আপনি সব বিষয়ের উপর ক্ষমতাবান।” (ই.ফা. ৬৬৫৩, ই.সে. ৬৭০৬)
আবূ মূসা আল আশ‘আরী (রাঃ)-এর সানাদে নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্নিতঃ
তিনি এ দু‘আর মাধ্যমে আল্লাহর নিকট প্রার্থনা করতেন, “আল্ল-হুম্মাগ্ ফির্লী খতীআতী ওয়া জাহ্লী ওয়া ইসরা-ফী ফী আম্রী ওয়ামা- আন্তা আ‘লামু বিহি মিন্নী, আল্ল-হুম্মাগ্ ফির্লী জিদ্দী ওয়া হায্লী ওয়া খতায়ী ওয়া ‘আম্দী ওয়া কুল্লু যালিকা ‘ইন্দী, আল্ল-হুম্মাগ্ ফির্লী মা- কদ্দামতু ওয়ামা- আখ্খার্তু ওয়ামা- আস্রার্তু ওয়ামা- আ‘লান্তু ওয়ামা- আন্তা আ‘লামু বিহি মিন্নী আন্তাল্ মুকাদ্দিমু ওয়া আন্তাল মুয়াখ্খিরু ওয়া আন্তা ‘আলা-কুল্লি শাইয়িন্ কদীর” অর্থাৎ- “হে আল্লাহ! আপনি আমার পাপ, আমার অজ্ঞতা ও আমার কাজের সীমালঙ্ঘনকে মার্জনা করে দিন। আপনি এ বিষয়ে আমার চেয়ে সর্বাধিক জ্ঞাত। হে আল্লাহ! আমাকে মাফ করে দিন আমার আন্তরিকতাপূর্ণ ও রসিকতামূলক অপরাধ এবং আমার ইচ্ছাকৃত ও ভুলক্রমে সব রকমের অপরাধগুলো (যা আমি করেছি)। হে আল্লাহ! মাফ করে দিন যা আমি আগে করে ফেলেছি এবং যা আমি পরে করব, যা আমি গোপনে করেছি এবং যা প্রকাশ্যে করেছি। আর আপনি আমার চাইতে আমার সম্পর্কে সার্বাধিক জ্ঞাত। আপনিই একমাত্র অগ্রবর্তী এবং আপনিই একমাত্র পরবর্তী। আপনি সব বিষয়ের উপর ক্ষমতাবান।” (ই.ফা. ৬৬৫৩, ই.সে. ৬৭০৬)
حدثنا عبيد الله بن معاذ العنبري، حدثنا أبي، حدثنا شعبة، عن أبي إسحاق، عن أبي بردة بن أبي موسى الأشعري، عن أبيه، عن النبي صلى الله عليه وسلم أنه كان يدعو بهذا الدعاء " اللهم اغفر لي خطيئتي وجهلي وإسرافي في أمري وما أنت أعلم به مني اللهم اغفر لي جدي وهزلي وخطئي وعمدي وكل ذلك عندي اللهم اغفر لي ما قدمت وما أخرت وما أسررت وما أعلنت وما أنت أعلم به مني أنت المقدم وأنت المؤخر وأنت على كل شىء قدير " .
সহিহ মুসলিম ৬৭৯১
وحدثني عبد الله بن هاشم، حدثنا وكيع، عن الأوزاعي، عن عبدة بن أبي لبابة، عن هلال بن يساف، عن فروة بن نوفل، عن عائشة، أن النبي صلى الله عليه وسلم كان يقول في دعائه " اللهم إني أعوذ بك من شر ما عملت وشر ما لم أعمل " .
‘আয়িশাহ্ (রাঃ)-এর সানাদে নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্নিতঃ
তিনি তাঁর দু‘আয় বলতেন, “আল্ল-হুম্মা ইন্নী আ‘ঊযুবিকা মিন্ শার্রি মা- ‘আমিল্তু ওয়া মিন্ শার্রি মা-লাম আ‘মাল অর্থাৎ- “হে আল্লাহ! আমি আপনার নিকট আশ্রয় চাই সেসব কর্মের খারাবী হতে, যা আমি করেছি এবং যা আমি করিনি তাথেকেও।” (ই.ফা. ৬৬৫০, ই.সে. ৬৭০৩)
‘আয়িশাহ্ (রাঃ)-এর সানাদে নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্নিতঃ
তিনি তাঁর দু‘আয় বলতেন, “আল্ল-হুম্মা ইন্নী আ‘ঊযুবিকা মিন্ শার্রি মা- ‘আমিল্তু ওয়া মিন্ শার্রি মা-লাম আ‘মাল অর্থাৎ- “হে আল্লাহ! আমি আপনার নিকট আশ্রয় চাই সেসব কর্মের খারাবী হতে, যা আমি করেছি এবং যা আমি করিনি তাথেকেও।” (ই.ফা. ৬৬৫০, ই.সে. ৬৭০৩)
وحدثني عبد الله بن هاشم، حدثنا وكيع، عن الأوزاعي، عن عبدة بن أبي لبابة، عن هلال بن يساف، عن فروة بن نوفل، عن عائشة، أن النبي صلى الله عليه وسلم كان يقول في دعائه " اللهم إني أعوذ بك من شر ما عملت وشر ما لم أعمل " .
সহিহ মুসলিম ৬৮০৫
وحدثنا ابن نمير، حدثنا عبد الله، - يعني ابن إدريس - أخبرنا عاصم بن كليب، بهذا الإسناد قال قال لي رسول الله صلى الله عليه وسلم " قل اللهم إني أسألك الهدى والسداد " . ثم ذكر بمثله .
‘আসিম ইবনু কুলায়ব (রহঃ) এ সূত্র থেকে বর্নিতঃ
অবিকল হাদীস বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে এ রকম বলতে বলেছেনঃ “আল্ল-হুম্মা ইন্নী আস্আলুকাল হুদা ওয়াস্ সাদা-দ”, অর্থাৎ- “হে আল্লাহ! আমি আপনার নিকট হিদায়াত ও সরলপথ প্রার্থনা করছি।” অতঃপর তিনি তার মতই হুবহু বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৬৬৬৪, ই.সে. ৬৭১৭)
‘আসিম ইবনু কুলায়ব (রহঃ) এ সূত্র থেকে বর্নিতঃ
অবিকল হাদীস বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে এ রকম বলতে বলেছেনঃ “আল্ল-হুম্মা ইন্নী আস্আলুকাল হুদা ওয়াস্ সাদা-দ”, অর্থাৎ- “হে আল্লাহ! আমি আপনার নিকট হিদায়াত ও সরলপথ প্রার্থনা করছি।” অতঃপর তিনি তার মতই হুবহু বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৬৬৬৪, ই.সে. ৬৭১৭)
وحدثنا ابن نمير، حدثنا عبد الله، - يعني ابن إدريس - أخبرنا عاصم بن كليب، بهذا الإسناد قال قال لي رسول الله صلى الله عليه وسلم " قل اللهم إني أسألك الهدى والسداد " . ثم ذكر بمثله .
সহিহ মুসলিম > দিনের শুরুতে ও ঘুমানোর সময়ের তাসবীহ
সহিহ মুসলিম ৬৮১১
حدثني أمية بن بسطام العيشي، حدثنا يزيد، - يعني ابن زريع - حدثنا روح، وهو ابن القاسم عن سهيل، عن أبيه، عن أبي هريرة، أن فاطمة، أتت النبي صلى الله عليه وسلم تسأله خادما وشكت العمل فقال " ما ألفيتيه عندنا " . قال " ألا أدلك على ما هو خير لك من خادم تسبحين ثلاثا وثلاثين وتحمدين ثلاثا وثلاثين وتكبرين أربعا وثلاثين حين تأخذين مضجعك " .
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, একবার ফাতিমাহ্ (রাঃ) একজন খাদিমের জন্য নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট আসলেন এবং অনেক কর্মের অভিযোগ করলেন। তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, “আমার নিকটে তো কোন খাদিম নেই। তিনি বললেন, তবে আমি কি তোমাকে এমন বিষয়ের নির্দেশনা করবো না, যা তোমার খাদিমের তুলনায় অতি উত্তম? যখন তুমি শয্যাগ্রহণ করবে তখন ৩৩ বার ‘সুবহা-নাল্ল-হ’, ৩৩ বার ‘আল হাম্দু লিল্লা-হ’ এবং ৩৪ বার ‘আল্ল-হু আকবার’ পড়ে নিবে।” (ই.ফা. ৬৬৭০, ই.সে. ৬৭২৩)
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, একবার ফাতিমাহ্ (রাঃ) একজন খাদিমের জন্য নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট আসলেন এবং অনেক কর্মের অভিযোগ করলেন। তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, “আমার নিকটে তো কোন খাদিম নেই। তিনি বললেন, তবে আমি কি তোমাকে এমন বিষয়ের নির্দেশনা করবো না, যা তোমার খাদিমের তুলনায় অতি উত্তম? যখন তুমি শয্যাগ্রহণ করবে তখন ৩৩ বার ‘সুবহা-নাল্ল-হ’, ৩৩ বার ‘আল হাম্দু লিল্লা-হ’ এবং ৩৪ বার ‘আল্ল-হু আকবার’ পড়ে নিবে।” (ই.ফা. ৬৬৭০, ই.সে. ৬৭২৩)
حدثني أمية بن بسطام العيشي، حدثنا يزيد، - يعني ابن زريع - حدثنا روح، وهو ابن القاسم عن سهيل، عن أبيه، عن أبي هريرة، أن فاطمة، أتت النبي صلى الله عليه وسلم تسأله خادما وشكت العمل فقال " ما ألفيتيه عندنا " . قال " ألا أدلك على ما هو خير لك من خادم تسبحين ثلاثا وثلاثين وتحمدين ثلاثا وثلاثين وتكبرين أربعا وثلاثين حين تأخذين مضجعك " .
সহিহ মুসলিম ৬৮০৭
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وأبو كريب وإسحاق عن محمد بن بشر، عن مسعر، عن محمد بن عبد الرحمن، عن أبي رشدين، عن ابن عباس، عن جويرية، قالت مر بها رسول الله صلى الله عليه وسلم حين صلى صلاة الغداة أو بعد ما صلى الغداة . فذكر نحوه غير أنه قال " سبحان الله عدد خلقه سبحان الله رضا نفسه سبحان الله زنة عرشه سبحان الله مداد كلماته " .
জুওয়াইরিয়াহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, ফাজ্রের সলাতের সময় রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর নিকট আসলেন অথবা ফাজ্রের সলাতের পরে সকালে তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আসলেন। তারপর রাবী তার হুবহু হাদীস বর্ণনা করেন। কিন্তু তাতে পার্থক্য শুধু এই যে, তিনি বলেছেন, “সুবহা-নাল্ল-হি ‘আদাদা খল্কিহি সুবহা-নাল্ল-হি রিযা- নাফ্সিহি সুবহা-নাল্ল-হি যিনাতা ‘আরশিহি সুবহা-নাল্ল-হি মিদা-দা কালিমা-তিহি”, অর্থাৎ- “আমি আল্লাহর প্রশংসার সাথে পবিত্রতা বর্ণনা করছি তাঁর অসংখ্য মাখলুকের পরিমাণ, তার সন্তুষ্টির সমান, তাঁর ‘আর্শের ওযন পরিমাণ এবং তাঁর কালিমাসমূহের সংখ্যার সমান।” (ই.ফা. ৬৬৬৬, ই.সে. ৬৭১৯)
জুওয়াইরিয়াহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, ফাজ্রের সলাতের সময় রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর নিকট আসলেন অথবা ফাজ্রের সলাতের পরে সকালে তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আসলেন। তারপর রাবী তার হুবহু হাদীস বর্ণনা করেন। কিন্তু তাতে পার্থক্য শুধু এই যে, তিনি বলেছেন, “সুবহা-নাল্ল-হি ‘আদাদা খল্কিহি সুবহা-নাল্ল-হি রিযা- নাফ্সিহি সুবহা-নাল্ল-হি যিনাতা ‘আরশিহি সুবহা-নাল্ল-হি মিদা-দা কালিমা-তিহি”, অর্থাৎ- “আমি আল্লাহর প্রশংসার সাথে পবিত্রতা বর্ণনা করছি তাঁর অসংখ্য মাখলুকের পরিমাণ, তার সন্তুষ্টির সমান, তাঁর ‘আর্শের ওযন পরিমাণ এবং তাঁর কালিমাসমূহের সংখ্যার সমান।” (ই.ফা. ৬৬৬৬, ই.সে. ৬৭১৯)
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وأبو كريب وإسحاق عن محمد بن بشر، عن مسعر، عن محمد بن عبد الرحمن، عن أبي رشدين، عن ابن عباس، عن جويرية، قالت مر بها رسول الله صلى الله عليه وسلم حين صلى صلاة الغداة أو بعد ما صلى الغداة . فذكر نحوه غير أنه قال " سبحان الله عدد خلقه سبحان الله رضا نفسه سبحان الله زنة عرشه سبحان الله مداد كلماته " .
সহিহ মুসলিম ৬৮০৬
حدثنا قتيبة بن سعيد، وعمرو الناقد، وابن أبي عمر، - واللفظ لابن أبي عمر - قالوا حدثنا سفيان، عن محمد بن عبد الرحمن، مولى آل طلحة عن كريب، عن ابن عباس، عن جويرية، أن النبي صلى الله عليه وسلم خرج من عندها بكرة حين صلى الصبح وهي في مسجدها ثم رجع بعد أن أضحى وهي جالسة فقال " ما زلت على الحال التي فارقتك عليها " . قالت نعم . قال النبي صلى الله عليه وسلم " لقد قلت بعدك أربع كلمات ثلاث مرات لو وزنت بما قلت منذ اليوم لوزنتهن سبحان الله وبحمده عدد خلقه ورضا نفسه وزنة عرشه ومداد كلماته " .
জুওয়াইরিয়াহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ভোরবেলা ফাজ্রের সলাত আদায় করে তাঁর নিকট থেকে বের হলেন। ঐ সময় তিনি সলাতের স্থানে বসাছিলেন। এরপর তিনি চাশ্তের পরে ফিরে আসলেন। এমতাবস্থায়ও তিনি উপবিষ্ট ছিলেন। তিনি বললেন, আমি তোমাকে যে অবস্থায় ছেড়ে গিয়েছিলাম তুমি সে অবস্থায়ই আছ। তিনি বললেন, হ্যাঁ। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, আমি তোমার নিকট হতে রওনার পর চারটি কালিমাহ্ তিনবার পড়েছি। আজকে তুমি এ পর্যন্ত যা বলেছ তার সাথে ওযন করা হলে এ কালিমাহ্ চারটির ওযনই ভারী হবে। কালিমাগুলো এই- “সুবহা-নাল্ল-হি ওয়াবি হাম্দিহি ‘আদাদা খল্কিহি ওয়া রিযা- নাফ্সিহি ওয়াযিনাতা ‘আর্শিহি ওয়ামি দা-দা কালিমা-তিহি”, অর্থাৎ- “আমি আল্লাহর প্রশংসার সাথে তাঁর পবিত্রতা বর্ণনা করছি তাঁর মাখলুকের সংখ্যার পরিমাণ, তাঁর সন্তুষ্টির পরিমাণ, তাঁর ‘আর্শের ওযন পরিমাণ ও তাঁর কালিমাসমূহের সংখ্যার পরিমাণ।” (ই.ফা. ৬৬৬৫, ই.সে. ৬৭১৮)
জুওয়াইরিয়াহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ভোরবেলা ফাজ্রের সলাত আদায় করে তাঁর নিকট থেকে বের হলেন। ঐ সময় তিনি সলাতের স্থানে বসাছিলেন। এরপর তিনি চাশ্তের পরে ফিরে আসলেন। এমতাবস্থায়ও তিনি উপবিষ্ট ছিলেন। তিনি বললেন, আমি তোমাকে যে অবস্থায় ছেড়ে গিয়েছিলাম তুমি সে অবস্থায়ই আছ। তিনি বললেন, হ্যাঁ। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, আমি তোমার নিকট হতে রওনার পর চারটি কালিমাহ্ তিনবার পড়েছি। আজকে তুমি এ পর্যন্ত যা বলেছ তার সাথে ওযন করা হলে এ কালিমাহ্ চারটির ওযনই ভারী হবে। কালিমাগুলো এই- “সুবহা-নাল্ল-হি ওয়াবি হাম্দিহি ‘আদাদা খল্কিহি ওয়া রিযা- নাফ্সিহি ওয়াযিনাতা ‘আর্শিহি ওয়ামি দা-দা কালিমা-তিহি”, অর্থাৎ- “আমি আল্লাহর প্রশংসার সাথে তাঁর পবিত্রতা বর্ণনা করছি তাঁর মাখলুকের সংখ্যার পরিমাণ, তাঁর সন্তুষ্টির পরিমাণ, তাঁর ‘আর্শের ওযন পরিমাণ ও তাঁর কালিমাসমূহের সংখ্যার পরিমাণ।” (ই.ফা. ৬৬৬৫, ই.সে. ৬৭১৮)
حدثنا قتيبة بن سعيد، وعمرو الناقد، وابن أبي عمر، - واللفظ لابن أبي عمر - قالوا حدثنا سفيان، عن محمد بن عبد الرحمن، مولى آل طلحة عن كريب، عن ابن عباس، عن جويرية، أن النبي صلى الله عليه وسلم خرج من عندها بكرة حين صلى الصبح وهي في مسجدها ثم رجع بعد أن أضحى وهي جالسة فقال " ما زلت على الحال التي فارقتك عليها " . قالت نعم . قال النبي صلى الله عليه وسلم " لقد قلت بعدك أربع كلمات ثلاث مرات لو وزنت بما قلت منذ اليوم لوزنتهن سبحان الله وبحمده عدد خلقه ورضا نفسه وزنة عرشه ومداد كلماته " .
সহিহ মুসলিম ৬৮০৮
حدثنا محمد بن المثنى، ومحمد بن بشار، - واللفظ لابن المثنى - قالا حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، عن الحكم، قال سمعت ابن أبي ليلى، حدثنا علي، أن فاطمة، اشتكت ما تلقى من الرحى في يدها وأتى النبي صلى الله عليه وسلم سبى فانطلقت فلم تجده ولقيت عائشة فأخبرتها فلما جاء النبي صلى الله عليه وسلم أخبرته عائشة بمجيء فاطمة إليها فجاء النبي صلى الله عليه وسلم إلينا وقد أخذنا مضاجعنا فذهبنا نقوم فقال النبي صلى الله عليه وسلم " على مكانكما " . فقعد بيننا حتى وجدت برد قدمه على صدري ثم قال " ألا أعلمكما خيرا مما سألتما إذا أخذتما مضاجعكما أن تكبرا الله أربعا وثلاثين وتسبحاه ثلاثا وثلاثين وتحمداه ثلاثا وثلاثين فهو خير لكما من خادم " .
‘আলী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
ফাতিমাহ্ (রাঃ) চাক্কি ঘুরাতে গিয়ে তাঁর হাতে ব্যাথা অনুভব করলেন। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে বন্দি এসেছিল। তাই তিনি বন্দি হতে একজন খাদিমের জন্য নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট গেলেন, কিন্তু নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে পেলেন না। তিনি ‘আয়িশা (রাঃ)-এর সাথে দেখা করে তাঁকে ব্যাপারটি অবহিত করলেন। অতঃপর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আগমন করলে তখন ‘আয়িশা (রাঃ) তাঁর নিকট ফাতিমাহ্ (রাঃ)-এর তাঁর নিকট আগমনের বিষয়টি অবহিত করলেন। অতঃপর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের নিকট আসলেন। এমন সময় আমরা আমাদের শয্যাগ্রহণ করেছিলাম। অতঃপর আমরা উঠতে লাগলাম। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, “তোমরা তোমাদের যথাস্থানে থাকো। অতঃপর তিনি আমাদের দু’জনের মাঝে বসলেন। এমনকি আমি তাঁর পা মুবারকের শীতলতা আমার সীনার মধ্যে অনুভব করলাম। অতঃপর তিনি বললেন, আমি কি তোমাদের এমন বিষয় শিখিয়ে দিব না, যা তোমরা প্রার্থনা করছিলে তার চেয়ে উত্তম? যে সময় তোমরা তোমাদের শয্যাগ্রহণ করবে তখন ৩৪ বার ‘আল্ল-হু আকবার’, ৩৩ বার ‘সুবহা-নাল্ল-হ’ এবং ৩৩ বার ‘আল হাম্দু লিল্লা-হ’ পড়ে নিবে। এটি তোমাদের জন্য খাদিমের চেয়ে উত্তম।” (ই.ফা. ৬৬৬৭, ই.সে. ৬৭২০)
‘আলী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
ফাতিমাহ্ (রাঃ) চাক্কি ঘুরাতে গিয়ে তাঁর হাতে ব্যাথা অনুভব করলেন। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে বন্দি এসেছিল। তাই তিনি বন্দি হতে একজন খাদিমের জন্য নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট গেলেন, কিন্তু নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে পেলেন না। তিনি ‘আয়িশা (রাঃ)-এর সাথে দেখা করে তাঁকে ব্যাপারটি অবহিত করলেন। অতঃপর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আগমন করলে তখন ‘আয়িশা (রাঃ) তাঁর নিকট ফাতিমাহ্ (রাঃ)-এর তাঁর নিকট আগমনের বিষয়টি অবহিত করলেন। অতঃপর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের নিকট আসলেন। এমন সময় আমরা আমাদের শয্যাগ্রহণ করেছিলাম। অতঃপর আমরা উঠতে লাগলাম। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, “তোমরা তোমাদের যথাস্থানে থাকো। অতঃপর তিনি আমাদের দু’জনের মাঝে বসলেন। এমনকি আমি তাঁর পা মুবারকের শীতলতা আমার সীনার মধ্যে অনুভব করলাম। অতঃপর তিনি বললেন, আমি কি তোমাদের এমন বিষয় শিখিয়ে দিব না, যা তোমরা প্রার্থনা করছিলে তার চেয়ে উত্তম? যে সময় তোমরা তোমাদের শয্যাগ্রহণ করবে তখন ৩৪ বার ‘আল্ল-হু আকবার’, ৩৩ বার ‘সুবহা-নাল্ল-হ’ এবং ৩৩ বার ‘আল হাম্দু লিল্লা-হ’ পড়ে নিবে। এটি তোমাদের জন্য খাদিমের চেয়ে উত্তম।” (ই.ফা. ৬৬৬৭, ই.সে. ৬৭২০)
حدثنا محمد بن المثنى، ومحمد بن بشار، - واللفظ لابن المثنى - قالا حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، عن الحكم، قال سمعت ابن أبي ليلى، حدثنا علي، أن فاطمة، اشتكت ما تلقى من الرحى في يدها وأتى النبي صلى الله عليه وسلم سبى فانطلقت فلم تجده ولقيت عائشة فأخبرتها فلما جاء النبي صلى الله عليه وسلم أخبرته عائشة بمجيء فاطمة إليها فجاء النبي صلى الله عليه وسلم إلينا وقد أخذنا مضاجعنا فذهبنا نقوم فقال النبي صلى الله عليه وسلم " على مكانكما " . فقعد بيننا حتى وجدت برد قدمه على صدري ثم قال " ألا أعلمكما خيرا مما سألتما إذا أخذتما مضاجعكما أن تكبرا الله أربعا وثلاثين وتسبحاه ثلاثا وثلاثين وتحمداه ثلاثا وثلاثين فهو خير لكما من خادم " .
সহিহ মুসলিম ৬৮০৯
وحدثناه أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا وكيع، ح وحدثنا عبيد الله بن معاذ، حدثنا أبي ح، وحدثنا ابن المثنى، حدثنا ابن أبي عدي، كلهم عن شعبة، بهذا الإسناد وفي حديث معاذ " أخذتما مضجعكما من الليل " .
আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ্, ‘উবাইদুল্লাহ ইবনু মু‘আয ও ইবনুল মুসান্না (রহঃ) শু‘বাহ্ (রহঃ)-এর সানাদ থেকে বর্নিতঃ
এ সূত্রে হুবহু হাদীস বর্ণনা করেছেন। কিন্তু মু‘আয-এর হাদীসে (আরবী) (রাতে) শব্দটি রয়েছে। (ই.ফা. ৬৬৬৮, ই.সে. ৬৭২১)
আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ্, ‘উবাইদুল্লাহ ইবনু মু‘আয ও ইবনুল মুসান্না (রহঃ) শু‘বাহ্ (রহঃ)-এর সানাদ থেকে বর্নিতঃ
এ সূত্রে হুবহু হাদীস বর্ণনা করেছেন। কিন্তু মু‘আয-এর হাদীসে (আরবী) (রাতে) শব্দটি রয়েছে। (ই.ফা. ৬৬৬৮, ই.সে. ৬৭২১)
وحدثناه أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا وكيع، ح وحدثنا عبيد الله بن معاذ، حدثنا أبي ح، وحدثنا ابن المثنى، حدثنا ابن أبي عدي، كلهم عن شعبة، بهذا الإسناد وفي حديث معاذ " أخذتما مضجعكما من الليل " .
সহিহ মুসলিম ৬৮১০
وحدثني زهير بن حرب، حدثنا سفيان بن عيينة، عن عبيد الله بن أبي يزيد، عن مجاهد، عن ابن أبي ليلى، عن علي بن أبي طالب، ح وحدثنا محمد بن عبد الله بن نمير، وعبيد بن يعيش، عن عبد الله بن نمير، حدثنا عبد الملك، عن عطاء بن أبي رباح، عن مجاهد، عن ابن أبي ليلى، عن علي، عن النبي صلى الله عليه وسلم . بنحو حديث الحكم عن ابن أبي ليلى، وزاد، في الحديث قال علي ما تركته منذ سمعته من النبي صلى الله عليه وسلم . قيل له ولا ليلة صفين قال ولا ليلة صفين . وفي حديث عطاء عن مجاهد عن ابن أبي ليلى قال قلت له ولا ليلة صفين
‘আলী (রাঃ)-এর সানাদে নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে ইবনু আবূ লাইলা সানাদ থেকে বর্নিতঃ
হাকাম-এর হাদীসের অবিকল হাদীস বর্ণনা করেছেন। হাকাম (রহঃ) তার বর্ণিত হাদীসে এটুকু বর্ধিত বলেছেন যে, ‘আলী (রাঃ) বলেছেন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে শ্রবণ করার পর থেকে আমি কক্ষনো তা ছাড়িনি। তাঁকে প্রশ্ন করা হলো, সিফ্ফীনের রাতেও কি? তিনি বললেন, সিফ্ফীনের রাতে নয়। ইবনু আবূ লাইলা-এর সানাদে ‘আতা বর্ণিত হাদীসে তিনি বলেছেন, আমি তাকে জিজ্ঞেস করলাম, “সিফ্ফীনের রাত্রও কি ছেড়ে দেননি?” (ই.ফা. ৬৬৬৯, ই.সে. ৬৭২২)
‘আলী (রাঃ)-এর সানাদে নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে ইবনু আবূ লাইলা সানাদ থেকে বর্নিতঃ
হাকাম-এর হাদীসের অবিকল হাদীস বর্ণনা করেছেন। হাকাম (রহঃ) তার বর্ণিত হাদীসে এটুকু বর্ধিত বলেছেন যে, ‘আলী (রাঃ) বলেছেন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে শ্রবণ করার পর থেকে আমি কক্ষনো তা ছাড়িনি। তাঁকে প্রশ্ন করা হলো, সিফ্ফীনের রাতেও কি? তিনি বললেন, সিফ্ফীনের রাতে নয়। ইবনু আবূ লাইলা-এর সানাদে ‘আতা বর্ণিত হাদীসে তিনি বলেছেন, আমি তাকে জিজ্ঞেস করলাম, “সিফ্ফীনের রাত্রও কি ছেড়ে দেননি?” (ই.ফা. ৬৬৬৯, ই.সে. ৬৭২২)
وحدثني زهير بن حرب، حدثنا سفيان بن عيينة، عن عبيد الله بن أبي يزيد، عن مجاهد، عن ابن أبي ليلى، عن علي بن أبي طالب، ح وحدثنا محمد بن عبد الله بن نمير، وعبيد بن يعيش، عن عبد الله بن نمير، حدثنا عبد الملك، عن عطاء بن أبي رباح، عن مجاهد، عن ابن أبي ليلى، عن علي، عن النبي صلى الله عليه وسلم . بنحو حديث الحكم عن ابن أبي ليلى، وزاد، في الحديث قال علي ما تركته منذ سمعته من النبي صلى الله عليه وسلم . قيل له ولا ليلة صفين قال ولا ليلة صفين . وفي حديث عطاء عن مجاهد عن ابن أبي ليلى قال قلت له ولا ليلة صفين
সহিহ মুসলিম ৬৮১২
وحدثنيه أحمد بن سعيد الدارمي، حدثنا حبان، حدثنا وهيب، حدثنا سهيل، بهذا الإسناد .
সুহায়ল (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
এ সানাদে হুবহু হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৬৬৭০, ই.সে. ৬৭২৪)
সুহায়ল (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
এ সানাদে হুবহু হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৬৬৭০, ই.সে. ৬৭২৪)
وحدثنيه أحمد بن سعيد الدارمي، حدثنا حبان، حدثنا وهيب، حدثنا سهيل، بهذا الإسناد .