সহিহ মুসলিম > (আল্লাহর কাছে) ফিত্নাহ্ ইত্যাদির অকল্যাণ থেকে আশ্রয় প্রার্থনা করা
সহিহ মুসলিম ৬৭৬৪
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وأبو كريب - واللفظ لأبي بكر - قالا حدثنا ابن، نمير حدثنا هشام، عن أبيه، عن عائشة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان يدعو بهؤلاء الدعوات " اللهم فإني أعوذ بك من فتنة النار وعذاب النار وفتنة القبر وعذاب القبر ومن شر فتنة الغنى ومن شر فتنة الفقر وأعوذ بك من شر فتنة المسيح الدجال اللهم اغسل خطاياى بماء الثلج والبرد ونق قلبي من الخطايا كما نقيت الثوب الأبيض من الدنس وباعد بيني وبين خطاياى كما باعدت بين المشرق والمغرب اللهم فإني أعوذ بك من الكسل والهرم والمأثم والمغرم " .
‘আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এ দু‘আসমূহ পাঠের মাধ্যমে দু‘আ করতেন, “আল্ল-হুম্মা ফাইন্নী আ‘ঊযুবিকা মিন্ ফিতনাতিন্ না-রি ওয়া ‘আযা-বিন্ না-রি ওয়া ফিতনাতিল কব্রি ওয়া ‘আযা-বিল্ কব্রি ওয়ামিন্ শার্রি ফিতনাতিল গিনা ওয়ামিন্ শার্রি ফিতনাতিল ফাক্রি ওয়া আ‘ঊযুবিকা মিন্ শার্রি ফিতনাতিল মাসীহিদ্ দাজ্জা-ল, আল্ল-হুম্মাগ্সিল খতা- ইয়া-ইয়া বিমা-য়িস্ সাল্জি ওয়াল বারাদ, ওয়ানাক্কি কল্বী মিনাল খতা-ইয়া- কামা- নাক্কাইতাস্ সাওবাল্ আব্ইয়াযা মিনাদ্ দানাস ওয়া বা-‘ইদ বাইনী ওয়া বাইনা খতা-ইয়া-ইয়া কামা- বা-‘আদ্তা বাইনাল মাশ্রিকি ওয়াল মাগ্রিব, আল্ল-হুম্মা ফা-ইন্নী আ‘ঊযুবিকা মিনাল কাসালি ওয়াল হারামি ওয়াল মা’সামি ওয়াল মাগ্রাম।” অর্থাৎ- “হে আল্লাহ! আমি আপনার নিকট জাহান্নামের ফিতনা থেকে আশ্রয় চাই, জাহান্নামের শাস্তি হতে আশ্রয় চাই, কবরের ফিতনাহ্, কবর শাস্তি ও ধন-সম্পদের ফিতনাহ্ এবং অসচ্ছলতার ফিতনার খারাবী হতে আপনার নিকট আশ্রয় চাই। আমি আপনার নিকট মাসীহ দাজ্জালের ফিতনার বিভ্রান্তির অপকারিতা থেকে আশ্রয় চাই। হে আল্লাহ! আমার গুনাহ্সমূহ বরফ ও কুয়াশার স্নিগ্ধ-শীতল পানি দিয়ে ধুয়ে মুছে পরিষ্কার করে দিন। আমার অন্তর পবিত্র করে দিন যেভাবে আপনি সাদা কাপড় ময়লা হতে পরিষ্কার করে দেন। আমি ও আমার গুনাহসমূহের মাঝে দুরত্ব করে দিন যেমন আপনি পূর্ব ও পশ্চিমের মাঝে দুরত্ব সৃষ্টি করেছেন। হে আল্লাহ! আমি আপনার নিকট অলসতা, বার্ধক্য, গুনাহ ও ধার-কর্জ হতে আশ্রয় চাই।” (ই.ফা. ৬৬২৪, ই.সে. ৬৬৭৯)
‘আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এ দু‘আসমূহ পাঠের মাধ্যমে দু‘আ করতেন, “আল্ল-হুম্মা ফাইন্নী আ‘ঊযুবিকা মিন্ ফিতনাতিন্ না-রি ওয়া ‘আযা-বিন্ না-রি ওয়া ফিতনাতিল কব্রি ওয়া ‘আযা-বিল্ কব্রি ওয়ামিন্ শার্রি ফিতনাতিল গিনা ওয়ামিন্ শার্রি ফিতনাতিল ফাক্রি ওয়া আ‘ঊযুবিকা মিন্ শার্রি ফিতনাতিল মাসীহিদ্ দাজ্জা-ল, আল্ল-হুম্মাগ্সিল খতা- ইয়া-ইয়া বিমা-য়িস্ সাল্জি ওয়াল বারাদ, ওয়ানাক্কি কল্বী মিনাল খতা-ইয়া- কামা- নাক্কাইতাস্ সাওবাল্ আব্ইয়াযা মিনাদ্ দানাস ওয়া বা-‘ইদ বাইনী ওয়া বাইনা খতা-ইয়া-ইয়া কামা- বা-‘আদ্তা বাইনাল মাশ্রিকি ওয়াল মাগ্রিব, আল্ল-হুম্মা ফা-ইন্নী আ‘ঊযুবিকা মিনাল কাসালি ওয়াল হারামি ওয়াল মা’সামি ওয়াল মাগ্রাম।” অর্থাৎ- “হে আল্লাহ! আমি আপনার নিকট জাহান্নামের ফিতনা থেকে আশ্রয় চাই, জাহান্নামের শাস্তি হতে আশ্রয় চাই, কবরের ফিতনাহ্, কবর শাস্তি ও ধন-সম্পদের ফিতনাহ্ এবং অসচ্ছলতার ফিতনার খারাবী হতে আপনার নিকট আশ্রয় চাই। আমি আপনার নিকট মাসীহ দাজ্জালের ফিতনার বিভ্রান্তির অপকারিতা থেকে আশ্রয় চাই। হে আল্লাহ! আমার গুনাহ্সমূহ বরফ ও কুয়াশার স্নিগ্ধ-শীতল পানি দিয়ে ধুয়ে মুছে পরিষ্কার করে দিন। আমার অন্তর পবিত্র করে দিন যেভাবে আপনি সাদা কাপড় ময়লা হতে পরিষ্কার করে দেন। আমি ও আমার গুনাহসমূহের মাঝে দুরত্ব করে দিন যেমন আপনি পূর্ব ও পশ্চিমের মাঝে দুরত্ব সৃষ্টি করেছেন। হে আল্লাহ! আমি আপনার নিকট অলসতা, বার্ধক্য, গুনাহ ও ধার-কর্জ হতে আশ্রয় চাই।” (ই.ফা. ৬৬২৪, ই.সে. ৬৬৭৯)
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وأبو كريب - واللفظ لأبي بكر - قالا حدثنا ابن، نمير حدثنا هشام، عن أبيه، عن عائشة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان يدعو بهؤلاء الدعوات " اللهم فإني أعوذ بك من فتنة النار وعذاب النار وفتنة القبر وعذاب القبر ومن شر فتنة الغنى ومن شر فتنة الفقر وأعوذ بك من شر فتنة المسيح الدجال اللهم اغسل خطاياى بماء الثلج والبرد ونق قلبي من الخطايا كما نقيت الثوب الأبيض من الدنس وباعد بيني وبين خطاياى كما باعدت بين المشرق والمغرب اللهم فإني أعوذ بك من الكسل والهرم والمأثم والمغرم " .
সহিহ মুসলিম ৬৭৬৫
وحدثناه أبو كريب، حدثنا أبو معاوية، ووكيع، عن هشام، بهذا الإسناد .
হিশাম (রহঃ)-এর সানাদ থেকে বর্নিতঃ
এ সূত্রে হুবহু হাদীস বর্ণিত। (ই.ফা. ৬৬২৫, ই.সে. ৬৬৮০)
হিশাম (রহঃ)-এর সানাদ থেকে বর্নিতঃ
এ সূত্রে হুবহু হাদীস বর্ণিত। (ই.ফা. ৬৬২৫, ই.সে. ৬৬৮০)
وحدثناه أبو كريب، حدثنا أبو معاوية، ووكيع، عن هشام، بهذا الإسناد .
সহিহ মুসলিম > অক্ষমতা, অলসতা ইত্যাদি থেকে আশ্রয় প্রার্থনা করা
সহিহ মুসলিম ৬৭৬৬
حدثنا يحيى بن أيوب، حدثنا ابن علية، قال وأخبرنا سليمان التيمي، حدثنا أنس، بن مالك قال كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " اللهم إني أعوذ بك من العجز والكسل والجبن والهرم والبخل وأعوذ بك من عذاب القبر ومن فتنة المحيا والممات " .
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলতেনঃ “আল্ল-হুম্মা ইন্নী আ‘ঊযুবিকা মিনাল ‘আজ্যি ওয়াল কাসালি ওয়াল জুব্নি ওয়াল হারামি ওয়াল বুখ্লি ওয়া আ‘ঊযুবিকা মিন ‘আযা-বিল কব্রি ওয়ামিন ফিতনাতিল মাহ্ইয়া- ওয়াল মামা-ত”। অর্থাৎ- “হেআল্লাহ! আমি আপনার কাছে অক্ষমতা, অলসতা, কাপুরুষতা, বার্ধক্য, বখিলতা থেকে আশ্রয় চাচ্ছি। আমি আপনার নিকট আরও আশ্রয় চাচ্ছি কবরের শাস্তি, জীবন ও মরণের ফিতনার খারাবী থেকে।” (ই.ফা. ৬৬২৬, ই.সে. ৬৬৮১)
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলতেনঃ “আল্ল-হুম্মা ইন্নী আ‘ঊযুবিকা মিনাল ‘আজ্যি ওয়াল কাসালি ওয়াল জুব্নি ওয়াল হারামি ওয়াল বুখ্লি ওয়া আ‘ঊযুবিকা মিন ‘আযা-বিল কব্রি ওয়ামিন ফিতনাতিল মাহ্ইয়া- ওয়াল মামা-ত”। অর্থাৎ- “হেআল্লাহ! আমি আপনার কাছে অক্ষমতা, অলসতা, কাপুরুষতা, বার্ধক্য, বখিলতা থেকে আশ্রয় চাচ্ছি। আমি আপনার নিকট আরও আশ্রয় চাচ্ছি কবরের শাস্তি, জীবন ও মরণের ফিতনার খারাবী থেকে।” (ই.ফা. ৬৬২৬, ই.সে. ৬৬৮১)
حدثنا يحيى بن أيوب، حدثنا ابن علية، قال وأخبرنا سليمان التيمي، حدثنا أنس، بن مالك قال كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " اللهم إني أعوذ بك من العجز والكسل والجبن والهرم والبخل وأعوذ بك من عذاب القبر ومن فتنة المحيا والممات " .
সহিহ মুসলিম ৬৭৬৯
حدثنا أبو بكر بن نافع العبدي، حدثنا بهز بن أسد العمي، حدثنا هارون الأعور، حدثنا شعيب بن الحبحاب، عن أنس، قال كان النبي صلى الله عليه وسلم يدعو بهؤلاء الدعوات " اللهم إني أعوذ بك من البخل والكسل وأرذل العمر وعذاب القبر وفتنة المحيا والممات " .
আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এ দু‘আসমূহ পাঠ করতেনঃ “আল্ল-হুম্মা ইন্নী আ‘ঊযুবিকা মিনাল বুখ্লি ওয়াল কাসালি ওয়া আর্যালিল ‘উমুরি ওয়া ‘আযা-বিল কব্রি ওয়া ফিতনাতিল মাহ্ইয়া- ওয়াল মামা-ত”। অর্থাৎ- “হে আল্লাহ! আমি আপনার নিকটে বখিলতা, অলসতা, নিকৃষ্ট জীবন-যাপন, কবরের শাস্তি এবং জীবন ও মৃত্যুর ফিতনা থেকে আশ্রয় চাই।” (ই.ফা. ৬৬২৯, ই.সে. ৬৬৮৩)
আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এ দু‘আসমূহ পাঠ করতেনঃ “আল্ল-হুম্মা ইন্নী আ‘ঊযুবিকা মিনাল বুখ্লি ওয়াল কাসালি ওয়া আর্যালিল ‘উমুরি ওয়া ‘আযা-বিল কব্রি ওয়া ফিতনাতিল মাহ্ইয়া- ওয়াল মামা-ত”। অর্থাৎ- “হে আল্লাহ! আমি আপনার নিকটে বখিলতা, অলসতা, নিকৃষ্ট জীবন-যাপন, কবরের শাস্তি এবং জীবন ও মৃত্যুর ফিতনা থেকে আশ্রয় চাই।” (ই.ফা. ৬৬২৯, ই.সে. ৬৬৮৩)
حدثنا أبو بكر بن نافع العبدي، حدثنا بهز بن أسد العمي، حدثنا هارون الأعور، حدثنا شعيب بن الحبحاب، عن أنس، قال كان النبي صلى الله عليه وسلم يدعو بهؤلاء الدعوات " اللهم إني أعوذ بك من البخل والكسل وأرذل العمر وعذاب القبر وفتنة المحيا والممات " .
সহিহ মুসলিম ৬৭৬৭
وحدثنا أبو كامل، حدثنا يزيد بن زريع، ح وحدثنا محمد بن عبد الأعلى، حدثنا معتمر، كلاهما عن التيمي، عن أنس، عن النبي صلى الله عليه وسلم . بمثله غير أن يزيد ليس في حديثه قوله " ومن فتنة المحيا والممات " .
আনাস (রাঃ)-এর সানাদে নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্নিতঃ
তার অবিকল হাদীস বর্ণিত। তবে ইয়াযীদ বর্ণিত হাদীসে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর বাণী ‘জীবন ও মরণের ফিতনার খারাবী হতে’ কথাটি উল্লেখ নেই। (ই.ফা. ৬৬২৭, ই.সে. নেই)
আনাস (রাঃ)-এর সানাদে নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্নিতঃ
তার অবিকল হাদীস বর্ণিত। তবে ইয়াযীদ বর্ণিত হাদীসে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর বাণী ‘জীবন ও মরণের ফিতনার খারাবী হতে’ কথাটি উল্লেখ নেই। (ই.ফা. ৬৬২৭, ই.সে. নেই)
وحدثنا أبو كامل، حدثنا يزيد بن زريع، ح وحدثنا محمد بن عبد الأعلى، حدثنا معتمر، كلاهما عن التيمي، عن أنس، عن النبي صلى الله عليه وسلم . بمثله غير أن يزيد ليس في حديثه قوله " ومن فتنة المحيا والممات " .
সহিহ মুসলিম ৬৭৬৮
حدثنا أبو كريب، محمد بن العلاء أخبرنا ابن مبارك، عن سليمان التيمي، عن أنس بن مالك، عن النبي صلى الله عليه وسلم أنه تعوذ من أشياء ذكرها والبخل .
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ)-এর সূত্রে নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্নিতঃ
তিনি আশ্রয় চেয়েছেন বর্ণিত বিষয়সমূহ থেকে এবং বখিলতা হতে। (ই.ফা. ৬৬২৮, ই.সে. ৬৬৮২)
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ)-এর সূত্রে নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্নিতঃ
তিনি আশ্রয় চেয়েছেন বর্ণিত বিষয়সমূহ থেকে এবং বখিলতা হতে। (ই.ফা. ৬৬২৮, ই.সে. ৬৬৮২)
حدثنا أبو كريب، محمد بن العلاء أخبرنا ابن مبارك، عن سليمان التيمي، عن أنس بن مالك، عن النبي صلى الله عليه وسلم أنه تعوذ من أشياء ذكرها والبخل .
সহিহ মুসলিম > খারাপ সিদ্ধান্ত, (মুসীবাতে) দুঃখ পাওয়া ইত্যাদি থেকে আশ্রয় প্রার্থনা করা
সহিহ মুসলিম ৬৭৭৪
وحدثني عيسى بن حماد المصري، أخبرني الليث، عن يزيد بن أبي حبيب، عن جعفر، عن يعقوب، أنه ذكر له أن أبا صالح، مولى غطفان أخبره أنه، سمع أبا هريرة، يقول قال رجل يا رسول الله لدغتني عقرب بمثل حديث ابن وهب .
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
(তিনি বলেন,) এক লোক বলল, হে আল্লাহর রসূল! আমাকে একটি বিচ্ছু দংশন করেছে। এরপর ইবনু ওয়াহ্ব-এর হাদীসের অবিকল। (ই.ফা. ৬৬৩৩, ই.সে. ৬৬৮৭)
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
(তিনি বলেন,) এক লোক বলল, হে আল্লাহর রসূল! আমাকে একটি বিচ্ছু দংশন করেছে। এরপর ইবনু ওয়াহ্ব-এর হাদীসের অবিকল। (ই.ফা. ৬৬৩৩, ই.সে. ৬৬৮৭)
وحدثني عيسى بن حماد المصري، أخبرني الليث، عن يزيد بن أبي حبيب، عن جعفر، عن يعقوب، أنه ذكر له أن أبا صالح، مولى غطفان أخبره أنه، سمع أبا هريرة، يقول قال رجل يا رسول الله لدغتني عقرب بمثل حديث ابن وهب .
সহিহ মুসলিম ৬৭৭৩
قال يعقوب وقال القعقاع بن حكيم عن ذكوان أبي صالح، عن أبي هريرة، أنه قال جاء رجل إلى النبي صلى الله عليه وسلم فقال يا رسول الله ما لقيت من عقرب لدغتني البارحة قال " أما لو قلت حين أمسيت أعوذ بكلمات الله التامات من شر ما خلق لم تضرك " .
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, এক লোক নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এসে বলল, হে আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)! গত রাতে একটি বিচ্ছু আমাকে দংশন করার কারণে আমি বড় কষ্ট পেয়েছি। তিনি বললেন, যদি তুমি সন্ধ্যায় এ দু‘আটি পড়তে “আ‘ঊযু বিকালিমাতিল্লা-হিত্ তা-ম্মা-তি মিন্ শার্রি মা-খলাক্” অর্থাৎ- ‘আমি পূর্ণাঙ্গ কালিমাহ্ দ্বারা আল্লাহর নিকট তাঁর সৃষ্টির খারাবী থেকে পানাহ চাই’। তাহলে সে তোমাকে ক্ষতি করতে পারত না। (ই.ফা. ৬৬৩২, ই.সে. ৬৬৮৬)
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, এক লোক নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এসে বলল, হে আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)! গত রাতে একটি বিচ্ছু আমাকে দংশন করার কারণে আমি বড় কষ্ট পেয়েছি। তিনি বললেন, যদি তুমি সন্ধ্যায় এ দু‘আটি পড়তে “আ‘ঊযু বিকালিমাতিল্লা-হিত্ তা-ম্মা-তি মিন্ শার্রি মা-খলাক্” অর্থাৎ- ‘আমি পূর্ণাঙ্গ কালিমাহ্ দ্বারা আল্লাহর নিকট তাঁর সৃষ্টির খারাবী থেকে পানাহ চাই’। তাহলে সে তোমাকে ক্ষতি করতে পারত না। (ই.ফা. ৬৬৩২, ই.সে. ৬৬৮৬)
قال يعقوب وقال القعقاع بن حكيم عن ذكوان أبي صالح، عن أبي هريرة، أنه قال جاء رجل إلى النبي صلى الله عليه وسلم فقال يا رسول الله ما لقيت من عقرب لدغتني البارحة قال " أما لو قلت حين أمسيت أعوذ بكلمات الله التامات من شر ما خلق لم تضرك " .
সহিহ মুসলিম ৬৭৭০
حدثني عمرو الناقد، وزهير بن حرب، قالا حدثنا سفيان بن عيينة، حدثني سمى، عن أبي صالح، عن أبي هريرة، أن النبي صلى الله عليه وسلم كان يتعوذ من سوء القضاء ومن درك الشقاء ومن شماتة الأعداء ومن جهد البلاء . قال عمرو في حديثه قال سفيان أشك أني زدت واحدة منها .
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আশ্রয় প্রার্থনা করতেন অদৃষ্টের অনিষ্ট থেকে, দুঃখ পাওয়া থেকে, শত্রুদের আনন্দ থেকে এবং বালা-মুসীবাতের কষ্ট থেকে। ‘আম্র তাঁর হাদীসে বলেছেন যে, সুফ্ইয়ান (রহঃ) বলেছেন, আমি সন্দেহ করছি, এর মধ্যে একটি বাড়িয়ে বলেছি। (ই.ফা. ৬৬৩০, ই.সে. ৬৬৮৪)
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আশ্রয় প্রার্থনা করতেন অদৃষ্টের অনিষ্ট থেকে, দুঃখ পাওয়া থেকে, শত্রুদের আনন্দ থেকে এবং বালা-মুসীবাতের কষ্ট থেকে। ‘আম্র তাঁর হাদীসে বলেছেন যে, সুফ্ইয়ান (রহঃ) বলেছেন, আমি সন্দেহ করছি, এর মধ্যে একটি বাড়িয়ে বলেছি। (ই.ফা. ৬৬৩০, ই.সে. ৬৬৮৪)
حدثني عمرو الناقد، وزهير بن حرب، قالا حدثنا سفيان بن عيينة، حدثني سمى، عن أبي صالح، عن أبي هريرة، أن النبي صلى الله عليه وسلم كان يتعوذ من سوء القضاء ومن درك الشقاء ومن شماتة الأعداء ومن جهد البلاء . قال عمرو في حديثه قال سفيان أشك أني زدت واحدة منها .
সহিহ মুসলিম ৬৭৭২
وحدثنا هارون بن معروف، وأبو الطاهر، كلاهما عن ابن وهب، - واللفظ لهارون - حدثنا عبد الله بن وهب، قال وأخبرنا عمرو، - وهو ابن الحارث - أن يزيد بن أبي، حبيب والحارث بن يعقوب حدثاه عن يعقوب بن عبد الله بن الأشج، عن بسر بن سعيد، عن سعد بن أبي وقاص، عن خولة بنت حكيم السلمية، أنها سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " إذا نزل أحدكم منزلا فليقل أعوذ بكلمات الله التامات من شر ما خلق . فإنه لا يضره شىء حتى يرتحل منه " .
খাওলাহ্ বিনতু হাকীম আস্ সুলামিয়্যাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, তিনি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছেন যে, তিনি বলেছেনঃ তোমাদের মধ্যে কেউ যখন কোন ঘাঁটিতে নামেন তখন সে যেন এ দু‘আ পড়ে- “আ‘ঊযু বিকালিমাতিল্লা-হিত্ তা-ম্মা-তি মিন্ শার্রি মা- খলাক্”। অর্থাৎ- ‘আমি পূর্ণাঙ্গ কালিমাহ্ দ্বারা আল্লাহর নিকট তাঁর সৃষ্টির খারাবী থেকে পানাহ চাই’। এতে সে লোক এ ঘাঁটি হতে অন্যত্র রওনা হওযা পর্যন্ত কোন কিছু তাকে ক্ষতি সাধন করতে পারবে না। (ই.ফা. ৬৬৩২, ই.সে. ৬৬৮৬)
খাওলাহ্ বিনতু হাকীম আস্ সুলামিয়্যাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, তিনি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছেন যে, তিনি বলেছেনঃ তোমাদের মধ্যে কেউ যখন কোন ঘাঁটিতে নামেন তখন সে যেন এ দু‘আ পড়ে- “আ‘ঊযু বিকালিমাতিল্লা-হিত্ তা-ম্মা-তি মিন্ শার্রি মা- খলাক্”। অর্থাৎ- ‘আমি পূর্ণাঙ্গ কালিমাহ্ দ্বারা আল্লাহর নিকট তাঁর সৃষ্টির খারাবী থেকে পানাহ চাই’। এতে সে লোক এ ঘাঁটি হতে অন্যত্র রওনা হওযা পর্যন্ত কোন কিছু তাকে ক্ষতি সাধন করতে পারবে না। (ই.ফা. ৬৬৩২, ই.সে. ৬৬৮৬)
وحدثنا هارون بن معروف، وأبو الطاهر، كلاهما عن ابن وهب، - واللفظ لهارون - حدثنا عبد الله بن وهب، قال وأخبرنا عمرو، - وهو ابن الحارث - أن يزيد بن أبي، حبيب والحارث بن يعقوب حدثاه عن يعقوب بن عبد الله بن الأشج، عن بسر بن سعيد، عن سعد بن أبي وقاص، عن خولة بنت حكيم السلمية، أنها سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " إذا نزل أحدكم منزلا فليقل أعوذ بكلمات الله التامات من شر ما خلق . فإنه لا يضره شىء حتى يرتحل منه " .
সহিহ মুসলিম ৬৭৭১
حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا ليث، ح وحدثنا محمد بن رمح، واللفظ، له أخبرنا الليث، عن يزيد بن أبي حبيب، عن الحارث بن يعقوب، أن يعقوب بن عبد الله، حدثه أنه، سمع بسر بن سعيد، يقول سمعت سعد بن أبي وقاص، يقول سمعت خولة بنت حكيم السلمية، تقول سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " من نزل منزلا ثم قال أعوذ بكلمات الله التامات من شر ما خلق . لم يضره شىء حتى يرتحل من منزله ذلك " .
খাওলা বিনতু হাকীম আস্ সুলামিয়্যাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি যে, তিনি বলেছেনঃ যে লোক কোন ঘাঁটিতে নেমে এ দু‘আ পড়ে, “আ‘ঊযু বিকালিমাতিল্ লা-হিত্ তা-ম্মা-তি মিন্ শার্রি মা- খলাক্”। অর্থাৎ- “আমি আল্লাহর পরিপূর্ণ কালাম দিয়ে তাঁর নিকট তাঁর সৃষ্টির খারাবী হতে আশ্রয় চাই।” সে ঐ ঘাঁটি হতে অন্য ঘাঁটিতে রওনা না হওয়া পর্যন্ত তাকে কোন কিছুই কোন ক্ষতি সাধন করতে পারবে না। (ই.ফা. ৬৬৩১, ই.সে. ৬৬৮৫)
খাওলা বিনতু হাকীম আস্ সুলামিয়্যাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি যে, তিনি বলেছেনঃ যে লোক কোন ঘাঁটিতে নেমে এ দু‘আ পড়ে, “আ‘ঊযু বিকালিমাতিল্ লা-হিত্ তা-ম্মা-তি মিন্ শার্রি মা- খলাক্”। অর্থাৎ- “আমি আল্লাহর পরিপূর্ণ কালাম দিয়ে তাঁর নিকট তাঁর সৃষ্টির খারাবী হতে আশ্রয় চাই।” সে ঐ ঘাঁটি হতে অন্য ঘাঁটিতে রওনা না হওয়া পর্যন্ত তাকে কোন কিছুই কোন ক্ষতি সাধন করতে পারবে না। (ই.ফা. ৬৬৩১, ই.সে. ৬৬৮৫)
حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا ليث، ح وحدثنا محمد بن رمح، واللفظ، له أخبرنا الليث، عن يزيد بن أبي حبيب، عن الحارث بن يعقوب، أن يعقوب بن عبد الله، حدثه أنه، سمع بسر بن سعيد، يقول سمعت سعد بن أبي وقاص، يقول سمعت خولة بنت حكيم السلمية، تقول سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " من نزل منزلا ثم قال أعوذ بكلمات الله التامات من شر ما خلق . لم يضره شىء حتى يرتحل من منزله ذلك " .
সহিহ মুসলিম > বিছানা গ্রহণ ও ঘুমানোর সময় যা বলতে হয়
সহিহ মুসলিম ৬৭৭৮
حدثنا يحيى بن يحيى، أخبرنا أبو الأحوص، عن أبي إسحاق، عن البراء بن، عازب قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم لرجل " يا فلان إذا أويت إلى فراشك " . بمثل حديث عمرو بن مرة غير أنه قال " وبنبيك الذي أرسلت . فإن مت من ليلتك مت على الفطرة وإن أصبحت أصبت خيرا " .
বারা ইবনু ‘আযিব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এক লোককে বললেন, ‘হে অমুক! যখন তুমি তোমার বিছানায় আশ্রয় গ্রহণ করবে।’ এরপর ‘আম্র ইবনু মুর্রাহ্ বর্ণিত হাদীসের অবিকল বর্ণনা করলেন। কিন্তু পার্থক্য এই যে, তিনি বলেছেন, “ওয়াবি নাবিয়্যিকাল্লাযী আর্সাল্তা” অর্থাৎ- “এবং আপনার সে নাবীর উপর বিশ্বাস স্থাপন করেছি, যাকে আপনি প্রেরণ করেছেন।” যদি তুমি সে রাত্রে মৃত্যুবরণ করো তাহলে ফিতরাতের উপরই মৃত্যুবরণ করলে। আর যদি ভোরে উপনীত হও তবে তুমি কল্যাণপ্রাপ্ত হবে। (ই.ফা. ৬৬৩৭, ই.সে. ৬৬৯১)
বারা ইবনু ‘আযিব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এক লোককে বললেন, ‘হে অমুক! যখন তুমি তোমার বিছানায় আশ্রয় গ্রহণ করবে।’ এরপর ‘আম্র ইবনু মুর্রাহ্ বর্ণিত হাদীসের অবিকল বর্ণনা করলেন। কিন্তু পার্থক্য এই যে, তিনি বলেছেন, “ওয়াবি নাবিয়্যিকাল্লাযী আর্সাল্তা” অর্থাৎ- “এবং আপনার সে নাবীর উপর বিশ্বাস স্থাপন করেছি, যাকে আপনি প্রেরণ করেছেন।” যদি তুমি সে রাত্রে মৃত্যুবরণ করো তাহলে ফিতরাতের উপরই মৃত্যুবরণ করলে। আর যদি ভোরে উপনীত হও তবে তুমি কল্যাণপ্রাপ্ত হবে। (ই.ফা. ৬৬৩৭, ই.সে. ৬৬৯১)
حدثنا يحيى بن يحيى، أخبرنا أبو الأحوص، عن أبي إسحاق، عن البراء بن، عازب قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم لرجل " يا فلان إذا أويت إلى فراشك " . بمثل حديث عمرو بن مرة غير أنه قال " وبنبيك الذي أرسلت . فإن مت من ليلتك مت على الفطرة وإن أصبحت أصبت خيرا " .
সহিহ মুসলিম ৬৭৭৯
حدثنا ابن المثنى، وابن، بشار قالا حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، عن أبي، إسحاق أنه سمع البراء بن عازب، يقول أمر رسول الله صلى الله عليه وسلم رجلا . بمثله ولم يذكر " وإن أصبحت أصبت خيرا " .
বারা ইবনু ‘আযিব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেছেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এক লোককে আদেশ করলেন। তারপর তার অবিকল। কিন্তু তিনি “যদি তুমি ভোরে উপনীত হও তবে তুমি কল্যাণপ্রাপ্ত হবে” কথাটি বর্ণনা করেননি। (ই.ফা. ৬৬৩৮, ই.সে. নেই)
বারা ইবনু ‘আযিব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেছেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এক লোককে আদেশ করলেন। তারপর তার অবিকল। কিন্তু তিনি “যদি তুমি ভোরে উপনীত হও তবে তুমি কল্যাণপ্রাপ্ত হবে” কথাটি বর্ণনা করেননি। (ই.ফা. ৬৬৩৮, ই.সে. নেই)
حدثنا ابن المثنى، وابن، بشار قالا حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، عن أبي، إسحاق أنه سمع البراء بن عازب، يقول أمر رسول الله صلى الله عليه وسلم رجلا . بمثله ولم يذكر " وإن أصبحت أصبت خيرا " .
সহিহ মুসলিম ৬৭৮০
حدثنا عبيد الله بن معاذ، حدثنا أبي، حدثنا شعبة، عن عبد الله بن أبي السفر، عن أبي بكر بن أبي موسى، عن البراء، أن النبي صلى الله عليه وسلم كان إذا أخذ مضجعه قال " اللهم باسمك أحيا وباسمك أموت " . وإذا استيقظ قال " الحمد لله الذي أحيانا بعد ما أماتنا وإليه النشور " .
বারা ইবনু ‘আযিব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন শয্যাগ্রহণ করতেন তখন তিনি বলতেন, “আল্ল-হুম্মা বিস্মিকা আহ্ইয়া- ওয়া বিস্মিকা আমূতু” অর্থাৎ- “হে আল্লাহ! আমি তোমার নামেই জীবিত আছি আর তোমার নামেই মৃত্যুবরণ করছি।” আর যখত তিনি ঘুম হতে সজাগ হতেন তখন বলতেন, “আল্হাম্দু লিল্লা-হিল্লাযী আহ্ইয়া-না- বা‘দা মা- আমা-তানা- ওয়া ইলাইহিন্ নুশূর” অর্থাৎ- “সকল প্রশংসা আল্লাহর জন্যই যিনি আমাদেরকে মৃত্যুবরণের পর জীবিত করছেন। আর তার দিকেই প্রত্যাবর্তন।” (ই.ফা. ৬৬৩৯, ই.সে. ৬৬৯২)
বারা ইবনু ‘আযিব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন শয্যাগ্রহণ করতেন তখন তিনি বলতেন, “আল্ল-হুম্মা বিস্মিকা আহ্ইয়া- ওয়া বিস্মিকা আমূতু” অর্থাৎ- “হে আল্লাহ! আমি তোমার নামেই জীবিত আছি আর তোমার নামেই মৃত্যুবরণ করছি।” আর যখত তিনি ঘুম হতে সজাগ হতেন তখন বলতেন, “আল্হাম্দু লিল্লা-হিল্লাযী আহ্ইয়া-না- বা‘দা মা- আমা-তানা- ওয়া ইলাইহিন্ নুশূর” অর্থাৎ- “সকল প্রশংসা আল্লাহর জন্যই যিনি আমাদেরকে মৃত্যুবরণের পর জীবিত করছেন। আর তার দিকেই প্রত্যাবর্তন।” (ই.ফা. ৬৬৩৯, ই.সে. ৬৬৯২)
حدثنا عبيد الله بن معاذ، حدثنا أبي، حدثنا شعبة، عن عبد الله بن أبي السفر، عن أبي بكر بن أبي موسى، عن البراء، أن النبي صلى الله عليه وسلم كان إذا أخذ مضجعه قال " اللهم باسمك أحيا وباسمك أموت " . وإذا استيقظ قال " الحمد لله الذي أحيانا بعد ما أماتنا وإليه النشور " .
সহিহ মুসলিম ৬৭৭৫
حدثنا عثمان بن أبي شيبة، وإسحاق بن إبراهيم، - واللفظ لعثمان - قال إسحاق أخبرنا وقال، عثمان حدثنا جرير، عن منصور، عن سعد بن عبيدة، حدثني البراء بن عازب، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " إذا أخذت مضجعك فتوضأ وضوءك للصلاة ثم اضطجع على شقك الأيمن ثم قل اللهم إني أسلمت وجهي إليك وفوضت أمري إليك وألجأت ظهري إليك رغبة ورهبة إليك لا ملجأ ولا منجا منك إلا إليك آمنت بكتابك الذي أنزلت وبنبيك الذي أرسلت واجعلهن من آخر كلامك فإن مت من ليلتك مت وأنت على الفطرة " . قال فرددتهن لأستذكرهن فقلت آمنت برسولك الذي أرسلت قال " قل آمنت بنبيك الذي أرسلت " .
বারা ইবনু ‘আযিব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
(তিনি বলেন,) রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যখন তুমি তোমার বিছানা গ্রহণ করবে তখন সলাতের ওযূর মতো তুমি ওযূ করে নিবে। এরপর তুমি তোমার ডান কাতে শুয়ে পড়বে। তারপর তুমি বলবে, “হে আল্লাহ! আমি আমার চেহারাকে তোমার প্রতি সমর্পণ করলাম, আমার কাজ-কর্ম তোমার নিকট অর্পণ করলাম। আমি প্রতিদান পাওয়ার প্রত্যাশায় এবং শাস্তির ভয় পূর্বক তোমার নিকট আশ্রয় চাইলাম। তুমি ব্যতীত নেই কোন আশ্রয়স্থল ও নেই কোন মুক্তির স্থান। তুমি যে কিতাব অবতীর্ণ করেছ তার উপর বিশ্বাস আনলাম, তুমি যে নাবীকে পাঠিয়েছ তাঁর প্রতি বিশ্বাস আনলাম।” আর এ বাক্যগুলোকে তোমার শেষ কথা বলে গণ্য করে নাও। এরপর যদি তুমি ঐ রাতে মারা যাও তাহলে তুমি ফিতরাতের উপরই মৃত্যুবরণ করলে। বারা (রাঃ) বলেন, আমি এ দু‘আগুলো মনে রাখার জন্যে বার বার পড়তে গিয়ে আমি বললাম, (হে আল্লাহ) আমি আপনার রসূলের প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করেছি যাকে আপনি প্রেরণ করেছেন। অর্থাৎ- (‘তোমার নাবীর’ স্থানে ‘তোমার রসূল’ বললাম)। তিনি বললেন, তুমি বলো, আমি বিশ্বাস স্থাপন করেছি তোমার নাবীর প্রতি যাকে তুমি প্রেরণ করেছ। (ই.ফা. ৬৬৩৪, ই.সে. ৬৬৮৮)
বারা ইবনু ‘আযিব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
(তিনি বলেন,) রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যখন তুমি তোমার বিছানা গ্রহণ করবে তখন সলাতের ওযূর মতো তুমি ওযূ করে নিবে। এরপর তুমি তোমার ডান কাতে শুয়ে পড়বে। তারপর তুমি বলবে, “হে আল্লাহ! আমি আমার চেহারাকে তোমার প্রতি সমর্পণ করলাম, আমার কাজ-কর্ম তোমার নিকট অর্পণ করলাম। আমি প্রতিদান পাওয়ার প্রত্যাশায় এবং শাস্তির ভয় পূর্বক তোমার নিকট আশ্রয় চাইলাম। তুমি ব্যতীত নেই কোন আশ্রয়স্থল ও নেই কোন মুক্তির স্থান। তুমি যে কিতাব অবতীর্ণ করেছ তার উপর বিশ্বাস আনলাম, তুমি যে নাবীকে পাঠিয়েছ তাঁর প্রতি বিশ্বাস আনলাম।” আর এ বাক্যগুলোকে তোমার শেষ কথা বলে গণ্য করে নাও। এরপর যদি তুমি ঐ রাতে মারা যাও তাহলে তুমি ফিতরাতের উপরই মৃত্যুবরণ করলে। বারা (রাঃ) বলেন, আমি এ দু‘আগুলো মনে রাখার জন্যে বার বার পড়তে গিয়ে আমি বললাম, (হে আল্লাহ) আমি আপনার রসূলের প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করেছি যাকে আপনি প্রেরণ করেছেন। অর্থাৎ- (‘তোমার নাবীর’ স্থানে ‘তোমার রসূল’ বললাম)। তিনি বললেন, তুমি বলো, আমি বিশ্বাস স্থাপন করেছি তোমার নাবীর প্রতি যাকে তুমি প্রেরণ করেছ। (ই.ফা. ৬৬৩৪, ই.সে. ৬৬৮৮)
حدثنا عثمان بن أبي شيبة، وإسحاق بن إبراهيم، - واللفظ لعثمان - قال إسحاق أخبرنا وقال، عثمان حدثنا جرير، عن منصور، عن سعد بن عبيدة، حدثني البراء بن عازب، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " إذا أخذت مضجعك فتوضأ وضوءك للصلاة ثم اضطجع على شقك الأيمن ثم قل اللهم إني أسلمت وجهي إليك وفوضت أمري إليك وألجأت ظهري إليك رغبة ورهبة إليك لا ملجأ ولا منجا منك إلا إليك آمنت بكتابك الذي أنزلت وبنبيك الذي أرسلت واجعلهن من آخر كلامك فإن مت من ليلتك مت وأنت على الفطرة " . قال فرددتهن لأستذكرهن فقلت آمنت برسولك الذي أرسلت قال " قل آمنت بنبيك الذي أرسلت " .
সহিহ মুসলিম ৬৭৭৭
حدثنا محمد بن المثنى، حدثنا أبو داود، حدثنا شعبة، ح وحدثنا ابن بشار، حدثنا عبد الرحمن، وأبو داود قالا حدثنا شعبة، عن عمرو بن مرة، قال سمعت سعد بن عبيدة، يحدث عن البراء بن عازب، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم أمر رجلا إذا أخذ مضجعه من الليل أن يقول " اللهم أسلمت نفسي إليك ووجهت وجهي إليك وألجأت ظهري إليك وفوضت أمري إليك رغبة ورهبة إليك لا ملجأ ولا منجا منك إلا إليك آمنت بكتابك الذي أنزلت وبرسولك الذي أرسلت . فإن مات مات على الفطرة " . ولم يذكر ابن بشار في حديثه من الليل .
বারা ইবনু ‘আযিব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এক লোককে আদেশ করলেন রাত্রে সে শয্যা গ্রহণ করবে তখন সে বলবে- “আল্ল-হুম্মা আস্লাম্তু নাফসী ইলাইকা ওয়া ওয়াজ্জাহ্তু ওয়াজ্হি ইলাইকা ওয়া আল জা’তু যাহ্রী ইলাইকা ওয়াফাও ওয়ায্তু আম্রী ইলাইকা রাগ্বাতান্ ওয়া রাহ্বাতান্ ইলাইকা লা- মাল্জাআ ওয়ালা- মান্জা- মিন্কা ইল্লা- ফিত্রাহ্”। অর্থাৎ- “হে আল্লাহ! আমি আমার আত্মাকে আপনার নিকট সমর্পণ করলাম। আমার মুখমণ্ডল আপনার দিকে ফিরালাম। আমার পিঠকে আপনার নিকট দিলাম পুরস্কারের আশায় ও শাস্তির ভয়ে; আপনি ভিন্ন নেই কোন আশ্রয়স্থল আর নেই কোন মুক্তির পথ। আমি বিশ্বাস স্থাপন করেছি আপনার কিতাবের উপর যা আপনি অবতীর্ণ করেছেন এবং আপনার রসূলের প্রতি (বিশ্বাস স্থাপন করেছি) যাকে আপনি পাঠিয়েছেন।” এরপর যদি সে লোক ঐ রাতে মারা যায় তাহলে ফিতরাতের উপরই মৃত্যুবরণ করেছে (বলে গণ্য হবে)। ইবনু বাশ্শার (রহঃ) তার বর্ণিত হাদীসে (আরবী) ‘রাত্রিকালে’ কথাটি বর্ণনা করেননি। (ই.ফা. ৬৬৩৬, ই.সে. ৬৬৮৯)
বারা ইবনু ‘আযিব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এক লোককে আদেশ করলেন রাত্রে সে শয্যা গ্রহণ করবে তখন সে বলবে- “আল্ল-হুম্মা আস্লাম্তু নাফসী ইলাইকা ওয়া ওয়াজ্জাহ্তু ওয়াজ্হি ইলাইকা ওয়া আল জা’তু যাহ্রী ইলাইকা ওয়াফাও ওয়ায্তু আম্রী ইলাইকা রাগ্বাতান্ ওয়া রাহ্বাতান্ ইলাইকা লা- মাল্জাআ ওয়ালা- মান্জা- মিন্কা ইল্লা- ফিত্রাহ্”। অর্থাৎ- “হে আল্লাহ! আমি আমার আত্মাকে আপনার নিকট সমর্পণ করলাম। আমার মুখমণ্ডল আপনার দিকে ফিরালাম। আমার পিঠকে আপনার নিকট দিলাম পুরস্কারের আশায় ও শাস্তির ভয়ে; আপনি ভিন্ন নেই কোন আশ্রয়স্থল আর নেই কোন মুক্তির পথ। আমি বিশ্বাস স্থাপন করেছি আপনার কিতাবের উপর যা আপনি অবতীর্ণ করেছেন এবং আপনার রসূলের প্রতি (বিশ্বাস স্থাপন করেছি) যাকে আপনি পাঠিয়েছেন।” এরপর যদি সে লোক ঐ রাতে মারা যায় তাহলে ফিতরাতের উপরই মৃত্যুবরণ করেছে (বলে গণ্য হবে)। ইবনু বাশ্শার (রহঃ) তার বর্ণিত হাদীসে (আরবী) ‘রাত্রিকালে’ কথাটি বর্ণনা করেননি। (ই.ফা. ৬৬৩৬, ই.সে. ৬৬৮৯)
حدثنا محمد بن المثنى، حدثنا أبو داود، حدثنا شعبة، ح وحدثنا ابن بشار، حدثنا عبد الرحمن، وأبو داود قالا حدثنا شعبة، عن عمرو بن مرة، قال سمعت سعد بن عبيدة، يحدث عن البراء بن عازب، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم أمر رجلا إذا أخذ مضجعه من الليل أن يقول " اللهم أسلمت نفسي إليك ووجهت وجهي إليك وألجأت ظهري إليك وفوضت أمري إليك رغبة ورهبة إليك لا ملجأ ولا منجا منك إلا إليك آمنت بكتابك الذي أنزلت وبرسولك الذي أرسلت . فإن مات مات على الفطرة " . ولم يذكر ابن بشار في حديثه من الليل .
সহিহ মুসলিম ৬৭৮১
حدثنا عقبة بن مكرم العمي، وأبو بكر بن نافع قالا حدثنا غندر، حدثنا شعبة، عن خالد، قال سمعت عبد الله بن الحارث، يحدث عن عبد الله بن عمر، أنه أمر رجلا إذا أخذ مضجعه قال " اللهم خلقت نفسي وأنت توفاها لك مماتها ومحياها إن أحييتها فاحفظها وإن أمتها فاغفر لها اللهم إني أسألك العافية " . فقال له رجل أسمعت هذا من عمر فقال من خير من عمر من رسول الله صلى الله عليه وسلم . قال ابن نافع في روايته عن عبد الله بن الحارث . ولم يذكر سمعت .
‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি এক লোককে আদেশ করলেন, যখন শয্যাগ্রহণ করবে তখন বলবে, “আল্ল-হুম্মাখ লাক্তা নাফসী ওয়া আন্তা তা ওয়াফ্ফা-হা লাকা মামা-তুহা ওয়া মাহ্ইয়া-হা ইন্ আহ্ ইয়াইতাহা- ফাহ্ফাযহা- ওয়া ইন্ আমাত্তাহা- ফাগ্ফির লাহা- আল্ল-হুম্মা ইন্নী আস্আলুকাল ‘আ-ফিয়াহ্” অর্থাৎ- “হে আল্লাহ! আপনি আমার জীবন সৃষ্টি করেছেন এবং আপনিই তাকে (আমার জীবনকে) মৃত্যুদান করে। আপনার কাছে (নাফ্সের) জীবন ও মরণ। যদি আপনি একে জীবিত রাখেন তাহলে আপনি এর হিফাযাত করুন। আর যদি আপনি এর মৃত্যু দান করেন তাহলে একে ক্ষমা করে দিন। হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে সুস্থতা প্রার্থনা করছি”। তখন সে লোকটি তাকে জিজ্ঞেস করলেন, আপনি তা ‘উমার (রাঃ) হতে শুনছেন? তিনি বললেন, ‘উমার-এর চেয়ে যিনি উত্তম (অর্থাৎ-) রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে শুনেছি। ইবনু নাফি‘ (রহঃ) তার বর্ণনায় বলেছেন, ‘আবদুল্লাহ ইবনু হারিস (রহঃ) হতে এবং তিনি (আরবী) (আমাকে শুনেছি) শব্দটি বলেননি। (ই.ফা. ৬৬৪০, ই.সে. ৬৬৯৩)
‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি এক লোককে আদেশ করলেন, যখন শয্যাগ্রহণ করবে তখন বলবে, “আল্ল-হুম্মাখ লাক্তা নাফসী ওয়া আন্তা তা ওয়াফ্ফা-হা লাকা মামা-তুহা ওয়া মাহ্ইয়া-হা ইন্ আহ্ ইয়াইতাহা- ফাহ্ফাযহা- ওয়া ইন্ আমাত্তাহা- ফাগ্ফির লাহা- আল্ল-হুম্মা ইন্নী আস্আলুকাল ‘আ-ফিয়াহ্” অর্থাৎ- “হে আল্লাহ! আপনি আমার জীবন সৃষ্টি করেছেন এবং আপনিই তাকে (আমার জীবনকে) মৃত্যুদান করে। আপনার কাছে (নাফ্সের) জীবন ও মরণ। যদি আপনি একে জীবিত রাখেন তাহলে আপনি এর হিফাযাত করুন। আর যদি আপনি এর মৃত্যু দান করেন তাহলে একে ক্ষমা করে দিন। হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে সুস্থতা প্রার্থনা করছি”। তখন সে লোকটি তাকে জিজ্ঞেস করলেন, আপনি তা ‘উমার (রাঃ) হতে শুনছেন? তিনি বললেন, ‘উমার-এর চেয়ে যিনি উত্তম (অর্থাৎ-) রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে শুনেছি। ইবনু নাফি‘ (রহঃ) তার বর্ণনায় বলেছেন, ‘আবদুল্লাহ ইবনু হারিস (রহঃ) হতে এবং তিনি (আরবী) (আমাকে শুনেছি) শব্দটি বলেননি। (ই.ফা. ৬৬৪০, ই.সে. ৬৬৯৩)
حدثنا عقبة بن مكرم العمي، وأبو بكر بن نافع قالا حدثنا غندر، حدثنا شعبة، عن خالد، قال سمعت عبد الله بن الحارث، يحدث عن عبد الله بن عمر، أنه أمر رجلا إذا أخذ مضجعه قال " اللهم خلقت نفسي وأنت توفاها لك مماتها ومحياها إن أحييتها فاحفظها وإن أمتها فاغفر لها اللهم إني أسألك العافية " . فقال له رجل أسمعت هذا من عمر فقال من خير من عمر من رسول الله صلى الله عليه وسلم . قال ابن نافع في روايته عن عبد الله بن الحارث . ولم يذكر سمعت .
সহিহ মুসলিম ৬৭৮৩
وحدثني عبد الحميد بن بيان الواسطي، حدثنا خالد، - يعني الطحان - عن سهيل، عن أبيه، عن أبي هريرة، قال كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يأمرنا إذا أخذنا مضجعنا أن نقول . بمثل حديث جرير وقال " من شر كل دابة أنت آخذ بناصيتها " .
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের আদেশ করতেন যে, যখন আমরা শয্যাগ্রহণ করি তখন যেন পড়ি। তারপর জারীর-এর হাদীসের হুবহু হাদীস। আর তিনি বলেছেন, সকল জীবের অকল্যাণ হতে যাদের ধারণকারী আপনিই। (ই.ফা. ৬৬৪২, ই.সে. ৬৬৯৫)
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের আদেশ করতেন যে, যখন আমরা শয্যাগ্রহণ করি তখন যেন পড়ি। তারপর জারীর-এর হাদীসের হুবহু হাদীস। আর তিনি বলেছেন, সকল জীবের অকল্যাণ হতে যাদের ধারণকারী আপনিই। (ই.ফা. ৬৬৪২, ই.সে. ৬৬৯৫)
وحدثني عبد الحميد بن بيان الواسطي، حدثنا خالد، - يعني الطحان - عن سهيل، عن أبيه، عن أبي هريرة، قال كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يأمرنا إذا أخذنا مضجعنا أن نقول . بمثل حديث جرير وقال " من شر كل دابة أنت آخذ بناصيتها " .
সহিহ মুসলিম ৬৭৮২
حدثني زهير بن حرب، حدثنا جرير، عن سهيل، قال كان أبو صالح يأمرنا إذا أراد أحدنا أن ينام أن يضطجع على شقه الأيمن ثم يقول " اللهم رب السموات ورب الأرض ورب العرش العظيم ربنا ورب كل شىء فالق الحب والنوى ومنزل التوراة والإنجيل والفرقان أعوذ بك من شر كل شىء أنت آخذ بناصيته اللهم أنت الأول فليس قبلك شىء وأنت الآخر فليس بعدك شىء وأنت الظاهر فليس فوقك شىء وأنت الباطن فليس دونك شىء اقض عنا الدين وأغننا من الفقر " . وكان يروي ذلك عن أبي هريرة عن النبي صلى الله عليه وسلم .
সুহায়ল (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আবূ সালিহ্ আমাদেরকে আদেশ করতেন, যখন আমাদের কেউ ঘুমাতে যায় সে যেন ডান পার্শ্বে কাত হয়ে শয্যাগ্রহন করে। এরপর যেন বলেন, “আল্ল-হুম্মা রব্বাস্ সামা-ওয়া-তি ওয়া রব্বাল আর্যি ওয়া রব্বাল ‘আর্শিল ‘আযীম, রব্বানা- ওয়া রব্বা কুল্লি শাইয়িন্ ফা-লিকাল্ হাব্বি ওয়ান্ নাওয়া ওয়া মুন্যিলাত্ তাওর-তি ওয়াল ইন্জীলি ওয়াল ফুর্কা-নি আ‘ঊযুবিকা মিন্ শার্রি কুল্লি শাইয়িন্ আন্তা আ-খিযুন্ বিনা-সিয়াতিহি, আল্ল-হুম্মা আন্তাল্ আও্ওয়ালু ফালাইসা কাব্লাকা শাইউন্ ওয়া আন্তাল আ-খিরু ফালাইসা বা‘দাকা শাইউন্ ওয়া আন্তায্ যা-হিরু ফালাইসা ফাওকাকা শাইউন্ ওয়া আন্তাল বা-তিনু ফালাইসা দূনাকা শাইউন্ ইক্যি ‘আন্নাদ্ দাইনা ওয়া আগ্নিনা- মিনাল ফাক্রি” অর্থাৎ- “হে আল্লাহ! আপনি আকাশমণ্ডলী, জামিন ও মহান ‘আর্শের রব। আমাদের রব ও সব কিছুর পালনকর্তা। আপনি শস্য ও বীজের সৃষ্টিকর্তা, আপনি তাওরাত, ইন্জীল ও কুরআনের অবতীর্ণকারী। আমি আপনার নিকট সকল বিষয়ের খারাবী হতে আশ্রয় চাই। আপনিই একমাত্র সব বিষয়ের পরিচর্যাকারী। হে আল্লাহ! আপনিই শুরু, আপনার আগে কোন কিছুর অস্তিত্ব নেই এবং আপনিই শেষ, আপনার পরে কোন কিছু নেই। আপনিই প্রকাশ, আপনার উর্ধ্বে কেউ নেই। আপনিই বাতিন, আপনার অগোচরে কিছু নেই। আমাদের ঋণকে আদায় করে দিন এবং অভাব থেকে আমাদেরকে সচ্ছলতা দিন।” তিনি (আবূ সালিহ) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে আবূ হুরায়রা্ (রাঃ)-এর সূত্রেও এ হাদীসটি রিওয়ায়াত করতেন। (ই.ফা. ৬৬৪১, ই.সে. ৬৬৯৪)
সুহায়ল (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আবূ সালিহ্ আমাদেরকে আদেশ করতেন, যখন আমাদের কেউ ঘুমাতে যায় সে যেন ডান পার্শ্বে কাত হয়ে শয্যাগ্রহন করে। এরপর যেন বলেন, “আল্ল-হুম্মা রব্বাস্ সামা-ওয়া-তি ওয়া রব্বাল আর্যি ওয়া রব্বাল ‘আর্শিল ‘আযীম, রব্বানা- ওয়া রব্বা কুল্লি শাইয়িন্ ফা-লিকাল্ হাব্বি ওয়ান্ নাওয়া ওয়া মুন্যিলাত্ তাওর-তি ওয়াল ইন্জীলি ওয়াল ফুর্কা-নি আ‘ঊযুবিকা মিন্ শার্রি কুল্লি শাইয়িন্ আন্তা আ-খিযুন্ বিনা-সিয়াতিহি, আল্ল-হুম্মা আন্তাল্ আও্ওয়ালু ফালাইসা কাব্লাকা শাইউন্ ওয়া আন্তাল আ-খিরু ফালাইসা বা‘দাকা শাইউন্ ওয়া আন্তায্ যা-হিরু ফালাইসা ফাওকাকা শাইউন্ ওয়া আন্তাল বা-তিনু ফালাইসা দূনাকা শাইউন্ ইক্যি ‘আন্নাদ্ দাইনা ওয়া আগ্নিনা- মিনাল ফাক্রি” অর্থাৎ- “হে আল্লাহ! আপনি আকাশমণ্ডলী, জামিন ও মহান ‘আর্শের রব। আমাদের রব ও সব কিছুর পালনকর্তা। আপনি শস্য ও বীজের সৃষ্টিকর্তা, আপনি তাওরাত, ইন্জীল ও কুরআনের অবতীর্ণকারী। আমি আপনার নিকট সকল বিষয়ের খারাবী হতে আশ্রয় চাই। আপনিই একমাত্র সব বিষয়ের পরিচর্যাকারী। হে আল্লাহ! আপনিই শুরু, আপনার আগে কোন কিছুর অস্তিত্ব নেই এবং আপনিই শেষ, আপনার পরে কোন কিছু নেই। আপনিই প্রকাশ, আপনার উর্ধ্বে কেউ নেই। আপনিই বাতিন, আপনার অগোচরে কিছু নেই। আমাদের ঋণকে আদায় করে দিন এবং অভাব থেকে আমাদেরকে সচ্ছলতা দিন।” তিনি (আবূ সালিহ) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে আবূ হুরায়রা্ (রাঃ)-এর সূত্রেও এ হাদীসটি রিওয়ায়াত করতেন। (ই.ফা. ৬৬৪১, ই.সে. ৬৬৯৪)
حدثني زهير بن حرب، حدثنا جرير، عن سهيل، قال كان أبو صالح يأمرنا إذا أراد أحدنا أن ينام أن يضطجع على شقه الأيمن ثم يقول " اللهم رب السموات ورب الأرض ورب العرش العظيم ربنا ورب كل شىء فالق الحب والنوى ومنزل التوراة والإنجيل والفرقان أعوذ بك من شر كل شىء أنت آخذ بناصيته اللهم أنت الأول فليس قبلك شىء وأنت الآخر فليس بعدك شىء وأنت الظاهر فليس فوقك شىء وأنت الباطن فليس دونك شىء اقض عنا الدين وأغننا من الفقر " . وكان يروي ذلك عن أبي هريرة عن النبي صلى الله عليه وسلم .
সহিহ মুসলিম ৬৭৮৪
وحدثنا أبو كريب، محمد بن العلاء حدثنا أبو أسامة، ح وحدثنا أبو بكر بن أبي، شيبة وأبو كريب قالا حدثنا ابن أبي عبيدة، حدثنا أبي كلاهما، عن الأعمش، عن أبي، صالح عن أبي هريرة، قال أتت فاطمة النبي صلى الله عليه وسلم تسأله خادما فقال لها " قولي اللهم رب السموات السبع " . بمثل حديث سهيل عن أبيه .
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, ফাতিমাহ্ (রাঃ) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এসে একজন খাদিমের জন্য আবেদন করলেন। তখন তিনি তাঁকে বললেনঃ তুমি বলো, “সাত আসমানের রব হে আল্লাহ! .....” (তারপর) সুহায়ল-এর পিতা থেকে বর্ণিত হাদীসের অবিকল উল্লেখ করেছেন। (ই.ফা. ৬৬৪৩, ই.সে. ৬৬৯৬)
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, ফাতিমাহ্ (রাঃ) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এসে একজন খাদিমের জন্য আবেদন করলেন। তখন তিনি তাঁকে বললেনঃ তুমি বলো, “সাত আসমানের রব হে আল্লাহ! .....” (তারপর) সুহায়ল-এর পিতা থেকে বর্ণিত হাদীসের অবিকল উল্লেখ করেছেন। (ই.ফা. ৬৬৪৩, ই.সে. ৬৬৯৬)
وحدثنا أبو كريب، محمد بن العلاء حدثنا أبو أسامة، ح وحدثنا أبو بكر بن أبي، شيبة وأبو كريب قالا حدثنا ابن أبي عبيدة، حدثنا أبي كلاهما، عن الأعمش، عن أبي، صالح عن أبي هريرة، قال أتت فاطمة النبي صلى الله عليه وسلم تسأله خادما فقال لها " قولي اللهم رب السموات السبع " . بمثل حديث سهيل عن أبيه .
সহিহ মুসলিম ৬৭৮৭
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا يزيد بن هارون، عن حماد بن سلمة، عن ثابت، عن أنس، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان إذا أوى إلى فراشه قال " الحمد لله الذي أطعمنا وسقانا وكفانا وآوانا فكم ممن لا كافي له ولا مئوي " .
আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন বিছানায় আশ্রয় গ্রহণ করতেন তখন তিনি বলতেন, “আল্হাম্দু লিল্লা-হিল্লাযী আত্ ‘আমানা- ওয়া সাকা-না- ওয়া কাফা-না- ওয়া আ-ওয়া-না ফাকাম মিম্মান্ লা- কা-ফিয়া লাহু ওয়ালা- মু’বিয়া” অর্থাৎ- “সকল প্রশংসা আল্লাহর জন্য, যিনি আমাদের জীবিকা দিয়েছেন, পানি পান করিয়েছেন, তিনি আমাদেরকে দায়িত্ব বহন করেছেন, আমাদের আশ্রয় দিয়েছেন। এমন অনেক আছে যাদের জন্য কোন দায়িত্ব বহনকারী নেই, আশ্রয় দাতাও নেই।” (ই.ফা. ৬৬৪৬, ই.সে. ৬৬৯৯)
আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন বিছানায় আশ্রয় গ্রহণ করতেন তখন তিনি বলতেন, “আল্হাম্দু লিল্লা-হিল্লাযী আত্ ‘আমানা- ওয়া সাকা-না- ওয়া কাফা-না- ওয়া আ-ওয়া-না ফাকাম মিম্মান্ লা- কা-ফিয়া লাহু ওয়ালা- মু’বিয়া” অর্থাৎ- “সকল প্রশংসা আল্লাহর জন্য, যিনি আমাদের জীবিকা দিয়েছেন, পানি পান করিয়েছেন, তিনি আমাদেরকে দায়িত্ব বহন করেছেন, আমাদের আশ্রয় দিয়েছেন। এমন অনেক আছে যাদের জন্য কোন দায়িত্ব বহনকারী নেই, আশ্রয় দাতাও নেই।” (ই.ফা. ৬৬৪৬, ই.সে. ৬৬৯৯)
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا يزيد بن هارون، عن حماد بن سلمة، عن ثابت، عن أنس، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان إذا أوى إلى فراشه قال " الحمد لله الذي أطعمنا وسقانا وكفانا وآوانا فكم ممن لا كافي له ولا مئوي " .
সহিহ মুসলিম ৬৭৮৫
وحدثنا إسحاق بن موسى الأنصاري، حدثنا أنس بن عياض، حدثنا عبيد الله، حدثني سعيد بن أبي سعيد المقبري، عن أبيه، عن أبي هريرة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " إذا أوى أحدكم إلى فراشه فليأخذ داخلة إزاره فلينفض بها فراشه وليسم الله فإنه لا يعلم ما خلفه بعده على فراشه فإذا أراد أن يضطجع فليضطجع على شقه الأيمن وليقل سبحانك اللهم ربي بك وضعت جنبي وبك أرفعه إن أمسكت نفسي فاغفر لها وإن أرسلتها فاحفظها بما تحفظ به عبادك الصالحين " .
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমাদের কেউ যখন তার শয্যাগ্রহণ করতে বিছানায় আসে, সে যেন তার কাপড়েরর আঁচল দিয়ে বিছানাটি ঝাড়া দিয়ে নেয় এবং ‘বিসমিল্লাহ’ পাঠ করে নেয়। কেননা সে জানে না যে, বিছানা ছাড়ার পর তার বিছানায় কি আছে। তারপর যখন সে শয্যাগ্রহণ করতে ইচ্ছা করে তখন যেন ডান কাত হয়ে শয্যাগ্রহণ করে। এরপর সে যেন বলে, “সুবহা- নাকাল্লা-হুম্মা রব্বী বিকা ওয়া যা‘তু জামবী ওয়াবিকা আর্ ফা‘উহু ইন্ আম্সাক্তা নাফ্সী ফাগ্ফির্ লাহা- ওয়া ইন্ আর্সাল্তাহা- ফাহ্ফায্হা- বিমা- তাহ্ফাযু বিহি ‘ইবা-দাকাস্ স-লিহীন” অর্থাৎ- “আপনার পবিত্রতা ঘোষণা করছি, হে আমার প্রতিপালক! আপনার নামেই আমি আমার পার্শ্ব (দেহ) রাখলাম, আপনার নামেই তা তুলব। আপনি যদি আমার প্রাণ আটকিয়ে রাখেন তাহলে আমাকে মাফ করে দিন। আর যদি আপনি তাকে উঠবার অবকাশ দেন তাহলে তাকে রক্ষা করুন, যেমন আপনি আপনার নেক বান্দাদের রক্ষা করে থাকেন।” (ই.ফা. ৬৬৪৪, ই.সে. ৬৬৯৭)
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমাদের কেউ যখন তার শয্যাগ্রহণ করতে বিছানায় আসে, সে যেন তার কাপড়েরর আঁচল দিয়ে বিছানাটি ঝাড়া দিয়ে নেয় এবং ‘বিসমিল্লাহ’ পাঠ করে নেয়। কেননা সে জানে না যে, বিছানা ছাড়ার পর তার বিছানায় কি আছে। তারপর যখন সে শয্যাগ্রহণ করতে ইচ্ছা করে তখন যেন ডান কাত হয়ে শয্যাগ্রহণ করে। এরপর সে যেন বলে, “সুবহা- নাকাল্লা-হুম্মা রব্বী বিকা ওয়া যা‘তু জামবী ওয়াবিকা আর্ ফা‘উহু ইন্ আম্সাক্তা নাফ্সী ফাগ্ফির্ লাহা- ওয়া ইন্ আর্সাল্তাহা- ফাহ্ফায্হা- বিমা- তাহ্ফাযু বিহি ‘ইবা-দাকাস্ স-লিহীন” অর্থাৎ- “আপনার পবিত্রতা ঘোষণা করছি, হে আমার প্রতিপালক! আপনার নামেই আমি আমার পার্শ্ব (দেহ) রাখলাম, আপনার নামেই তা তুলব। আপনি যদি আমার প্রাণ আটকিয়ে রাখেন তাহলে আমাকে মাফ করে দিন। আর যদি আপনি তাকে উঠবার অবকাশ দেন তাহলে তাকে রক্ষা করুন, যেমন আপনি আপনার নেক বান্দাদের রক্ষা করে থাকেন।” (ই.ফা. ৬৬৪৪, ই.সে. ৬৬৯৭)
وحدثنا إسحاق بن موسى الأنصاري، حدثنا أنس بن عياض، حدثنا عبيد الله، حدثني سعيد بن أبي سعيد المقبري، عن أبيه، عن أبي هريرة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " إذا أوى أحدكم إلى فراشه فليأخذ داخلة إزاره فلينفض بها فراشه وليسم الله فإنه لا يعلم ما خلفه بعده على فراشه فإذا أراد أن يضطجع فليضطجع على شقه الأيمن وليقل سبحانك اللهم ربي بك وضعت جنبي وبك أرفعه إن أمسكت نفسي فاغفر لها وإن أرسلتها فاحفظها بما تحفظ به عبادك الصالحين " .
সহিহ মুসলিম ৬৭৭৬
وحدثنا محمد بن عبد الله بن نمير، حدثنا عبد الله، - يعني ابن إدريس - قال سمعت حصينا، عن سعد بن عبيدة، عن البراء بن عازب، عن النبي صلى الله عليه وسلم . بهذا الحديث غير أن منصورا أتم حديثا وزاد في حديث حصين " وإن أصبح أصاب خيرا " .
বারা ইবনু ‘আযিব (রাঃ)-এর সূত্রে নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্নিতঃ
তিনি মানসূর বর্ণিত হাদীসটি সম্পূর্ণ বর্ণনা করেছেন। আর হুসায়ন-এর হাদীসে ‘যদি সে সকালে উপনীত হয় তাহলে সে কল্যাণপ্রাপ্ত হবে’ কথাটি বর্ধিত বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৬৬৩৫, ই.সে. ৬৬৮৯)
বারা ইবনু ‘আযিব (রাঃ)-এর সূত্রে নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্নিতঃ
তিনি মানসূর বর্ণিত হাদীসটি সম্পূর্ণ বর্ণনা করেছেন। আর হুসায়ন-এর হাদীসে ‘যদি সে সকালে উপনীত হয় তাহলে সে কল্যাণপ্রাপ্ত হবে’ কথাটি বর্ধিত বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৬৬৩৫, ই.সে. ৬৬৮৯)
وحدثنا محمد بن عبد الله بن نمير، حدثنا عبد الله، - يعني ابن إدريس - قال سمعت حصينا، عن سعد بن عبيدة، عن البراء بن عازب، عن النبي صلى الله عليه وسلم . بهذا الحديث غير أن منصورا أتم حديثا وزاد في حديث حصين " وإن أصبح أصاب خيرا " .
সহিহ মুসলিম ৬৭৮৬
وحدثنا أبو كريب، حدثنا عبدة، عن عبيد الله بن عمر، بهذا الإسناد وقال " ثم ليقل باسمك ربي وضعت جنبي فإن أحييت نفسي فارحمها " .
‘উবাইদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রহঃ) এ সূত্র থেকে বর্নিতঃ
হুবহু হাদীস বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেছেন, এরপর সে যেন বলে, “বিস্মিকা রব্বী ওয়াযা‘তু জামবী ফা ইন্ আহ্ ইয়াইতা নাফ্সী ফার্হামহা-” অর্থাৎ- “হে আমার রব! তোমার নামে আমার পার্শ্ব রাখলাম। যদি আপনি আমাকে জীবিত রাখেন তাহলে তার উপর দয়া করুন।” (ই.ফা. ৬৬৪৫, ই.সে. ৬৬৯৮)
‘উবাইদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রহঃ) এ সূত্র থেকে বর্নিতঃ
হুবহু হাদীস বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেছেন, এরপর সে যেন বলে, “বিস্মিকা রব্বী ওয়াযা‘তু জামবী ফা ইন্ আহ্ ইয়াইতা নাফ্সী ফার্হামহা-” অর্থাৎ- “হে আমার রব! তোমার নামে আমার পার্শ্ব রাখলাম। যদি আপনি আমাকে জীবিত রাখেন তাহলে তার উপর দয়া করুন।” (ই.ফা. ৬৬৪৫, ই.সে. ৬৬৯৮)
وحدثنا أبو كريب، حدثنا عبدة، عن عبيد الله بن عمر، بهذا الإسناد وقال " ثم ليقل باسمك ربي وضعت جنبي فإن أحييت نفسي فارحمها " .