সহিহ মুসলিম > মায়ের উদরে মানুষের সৃষ্টি রহস্য, তার ভাগ্যের রিয্ক, মুত্যুস্থান, ‘আমাল, হতভাগ্য ও সৌভাগ্য লিপিবদ্ধকরণ
সহিহ মুসলিম ৬৬৩০
حدثنا يحيى بن يحيى، أخبرنا حماد بن زيد، عن يزيد الضبعي، حدثنا مطرف، عن عمران بن حصين، قال قيل يا رسول الله أعلم أهل الجنة من أهل النار قال فقال " نعم " . قال قيل ففيم يعمل العاملون قال " كل ميسر لما خلق له " .
‘ইমরান ইবনু হুসায়ন (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, বলা হলো, হে আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)! জাহান্নামীদের হতে জান্নাতীদের সুনির্দিষ্ট হয়েছে কি? তিনি বললেন, হ্যাঁ প্রতীয়মান হয়েছে। তিনি (রাবী) বলেন, বলা হলো, তাহলে ‘আমালকারী কিসের জন্য ‘আমাল করবে? তিনি বললেন, প্রত্যেক লোকের জন্যে সে কর্মটি সহজ করে দেয়া হবে, যার জন্যে তাকে বানানো হয়েছে। (ই.ফা. ৬৪৯৬, ই.সে. ৬৫৪৭)
‘ইমরান ইবনু হুসায়ন (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, বলা হলো, হে আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)! জাহান্নামীদের হতে জান্নাতীদের সুনির্দিষ্ট হয়েছে কি? তিনি বললেন, হ্যাঁ প্রতীয়মান হয়েছে। তিনি (রাবী) বলেন, বলা হলো, তাহলে ‘আমালকারী কিসের জন্য ‘আমাল করবে? তিনি বললেন, প্রত্যেক লোকের জন্যে সে কর্মটি সহজ করে দেয়া হবে, যার জন্যে তাকে বানানো হয়েছে। (ই.ফা. ৬৪৯৬, ই.সে. ৬৫৪৭)
حدثنا يحيى بن يحيى، أخبرنا حماد بن زيد، عن يزيد الضبعي، حدثنا مطرف، عن عمران بن حصين، قال قيل يا رسول الله أعلم أهل الجنة من أهل النار قال فقال " نعم " . قال قيل ففيم يعمل العاملون قال " كل ميسر لما خلق له " .
সহিহ মুসলিম ৬৬২৫
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وهناد بن السري، قالا حدثنا أبو الأحوص، عن منصور، بهذا الإسناد في معناه وقال فأخذ عودا . ولم يقل مخصرة . وقال ابن أبي شيبة في حديثه عن أبي الأحوص ثم قرأ رسول الله صلى الله عليه وسلم .
মানসূর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি (মানসূর) বলেন, তাছাড়া তিনি বলেছেন, “একটি লাকড়ি ধারণ করলেন এবং ছড়ি” শব্দটি তিনি বলেননি। ইবনু আবূ শাইবাহ্ (রহঃ) আবুল আহওয়াস (রহঃ)-এর সানাদে তার হাদীসে বলেছেন, তারপর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) পড়লেন। (ই.ফা. ৬৪৯১, ই.সে. ৬৫৪৩)
মানসূর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি (মানসূর) বলেন, তাছাড়া তিনি বলেছেন, “একটি লাকড়ি ধারণ করলেন এবং ছড়ি” শব্দটি তিনি বলেননি। ইবনু আবূ শাইবাহ্ (রহঃ) আবুল আহওয়াস (রহঃ)-এর সানাদে তার হাদীসে বলেছেন, তারপর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) পড়লেন। (ই.ফা. ৬৪৯১, ই.সে. ৬৫৪৩)
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وهناد بن السري، قالا حدثنا أبو الأحوص، عن منصور، بهذا الإسناد في معناه وقال فأخذ عودا . ولم يقل مخصرة . وقال ابن أبي شيبة في حديثه عن أبي الأحوص ثم قرأ رسول الله صلى الله عليه وسلم .
সহিহ মুসলিম ৬৬২৬
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وزهير بن حرب، وأبو سعيد الأشج قالوا حدثنا وكيع، ح وحدثنا ابن نمير، حدثنا أبي، حدثنا الأعمش، ح وحدثنا أبو كريب، - واللفظ له - حدثنا أبو معاوية، حدثنا الأعمش، عن سعد بن عبيدة، عن أبي عبد الرحمن السلمي، عن علي، قال كان رسول الله صلى الله عليه وسلم ذات يوم جالسا وفي يده عود ينكت به فرفع رأسه فقال " ما منكم من نفس إلا وقد علم منزلها من الجنة والنار " . قالوا يا رسول الله فلم نعمل أفلا نتكل قال " لا . اعملوا فكل ميسر لما خلق له " . ثم قرأ { فأما من أعطى واتقى * وصدق بالحسنى} إلى قوله { فسنيسره للعسرى}
‘আলী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, একদা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এক টুকরা লাকড়ি হাতে নিয়ে বসে ছিলেন। তিনি তা দ্বারা জমিনে টোকা দিচ্ছিলেন। তারপর তিনি নিজের মাথা উঠালেন এবং বললেন, তোমাদের মাঝে এমন কেউ নেই যে তার ঠিকানা জান্নাতে বা জাহান্নামে নির্ধারিত নেই। তারা সকলে বললেন, হে আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)! তাহলে আমরা কেন কাজ-কর্ম করব? আমরা কি ভরসা করব না? তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, না, বরং তোমরা ‘আমাল করতে থাকো। যাকে যে জন্য সৃষ্টি করা হয়েছে তা তার জন্য সহজ করা হয়েছে। তারপর তিনি পাঠ করলেন, “সুতরাং যারা দান-সদাকাহ্ করল, তাক্ওয়া অর্জন করল এবং যা ভাল তা সত্যায়ন করল, ….. ….. আমি কঠোর পরিণামের পথ সহজ করে দিব, এ পর্যন্ত”- (সূরাহ্ আল লায়ল ৯২ : ৫-১০)। (ই.ফা. ৬৪৯২, ই.সে. ৬৫৪৪)
‘আলী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, একদা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এক টুকরা লাকড়ি হাতে নিয়ে বসে ছিলেন। তিনি তা দ্বারা জমিনে টোকা দিচ্ছিলেন। তারপর তিনি নিজের মাথা উঠালেন এবং বললেন, তোমাদের মাঝে এমন কেউ নেই যে তার ঠিকানা জান্নাতে বা জাহান্নামে নির্ধারিত নেই। তারা সকলে বললেন, হে আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)! তাহলে আমরা কেন কাজ-কর্ম করব? আমরা কি ভরসা করব না? তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, না, বরং তোমরা ‘আমাল করতে থাকো। যাকে যে জন্য সৃষ্টি করা হয়েছে তা তার জন্য সহজ করা হয়েছে। তারপর তিনি পাঠ করলেন, “সুতরাং যারা দান-সদাকাহ্ করল, তাক্ওয়া অর্জন করল এবং যা ভাল তা সত্যায়ন করল, ….. ….. আমি কঠোর পরিণামের পথ সহজ করে দিব, এ পর্যন্ত”- (সূরাহ্ আল লায়ল ৯২ : ৫-১০)। (ই.ফা. ৬৪৯২, ই.সে. ৬৫৪৪)
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وزهير بن حرب، وأبو سعيد الأشج قالوا حدثنا وكيع، ح وحدثنا ابن نمير، حدثنا أبي، حدثنا الأعمش، ح وحدثنا أبو كريب، - واللفظ له - حدثنا أبو معاوية، حدثنا الأعمش، عن سعد بن عبيدة، عن أبي عبد الرحمن السلمي، عن علي، قال كان رسول الله صلى الله عليه وسلم ذات يوم جالسا وفي يده عود ينكت به فرفع رأسه فقال " ما منكم من نفس إلا وقد علم منزلها من الجنة والنار " . قالوا يا رسول الله فلم نعمل أفلا نتكل قال " لا . اعملوا فكل ميسر لما خلق له " . ثم قرأ { فأما من أعطى واتقى * وصدق بالحسنى} إلى قوله { فسنيسره للعسرى}
সহিহ মুসলিম ৬৬১৬
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا أبو معاوية، ووكيع، ح وحدثنا محمد بن عبد، الله بن نمير الهمداني - واللفظ له - حدثنا أبي وأبو معاوية ووكيع قالوا حدثنا الأعمش، عن زيد بن وهب، عن عبد الله، قال حدثنا رسول الله صلى الله عليه وسلم وهو الصادق المصدوق " إن أحدكم يجمع خلقه في بطن أمه أربعين يوما ثم يكون في ذلك علقة مثل ذلك ثم يكون في ذلك مضغة مثل ذلك ثم يرسل الملك فينفخ فيه الروح ويؤمر بأربع كلمات بكتب رزقه وأجله وعمله وشقي أو سعيد فوالذي لا إله غيره إن أحدكم ليعمل بعمل أهل الجنة حتى ما يكون بينه وبينها إلا ذراع فيسبق عليه الكتاب فيعمل بعمل أهل النار فيدخلها وإن أحدكم ليعمل بعمل أهل النار حتى ما يكون بينه وبينها إلا ذراع فيسبق عليه الكتاب فيعمل بعمل أهل الجنة فيدخلها " .
‘আবদুল্লাহ ইবনু মাস‘উদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, সাদিকুল মাসদূক (ন্যায়পরায়ণ ও ন্যায়নিষ্ঠরূপে প্রত্যায়িত) রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদেরকে হাদীস বর্ণনা করেছেন যে, তোমাদের প্রত্যেকের শুক্রকীট তার মায়ের গর্ভে চল্লিশ দিন একত্রিত করা হয়। তারপর হুবহু চল্লিশ দিনে তা একটি গোশত টুকরায় পরিণত হয়। তারপর আল্লাহ্ তা ‘আলার পক্ষ থেকে একজন ফেরেশ্তাকে প্রেরণ করা হয়। সে তাতে রূহ্ ফুঁকে দেয়। আর তাঁকে চারটি কালিমা (বিষয়) লিপিবদ্ধ করার আদেশ করা হয়। রিয্ক, মৃত্যুক্ষণ, কর্ম, বদ্কার ও নেক্কার। সে সত্তার শপথ যিনি ছাড়া কোন ইলাহ নেই! নিশ্চয়ই তোমাদের মাঝ হতে কেউ জান্নাতীদের ‘আমালের (আমলের)ন্যায় ‘আমাল (আমল) করতে থাকে। অবশেষে তার ও জান্নাতের মধ্যে মাত্র একহাত দূরত্ব থাকে। অতঃপর ভাগ্যের লিখন তার উপর জয়ী হয়ে যায়। ফলে সে জাহান্নামীদের কর্ম শুরু করে। এরপর সে জাহান্নামে নিক্ষিপ্ত হয়। আর তোমাদের মধ্যে কোন কোন ব্যক্তি জাহান্নামের কাজ-কর্ম করতে থাকে। ফলে জাহান্নামের মাঝে ও তার মাঝে মাত্র একহাত দূরত্ব থাকে। তারপর ভাগ্যলিপি তার উপর জয়ী হয়। ফলে সে জান্নাতীদের ন্যায় ‘আমাল করে। অবশেষে জান্নাতে প্রবিষ্ট হয়। (ই.ফা. ৬৪৮২, ই.সে. ৬৫৩৪)
‘আবদুল্লাহ ইবনু মাস‘উদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, সাদিকুল মাসদূক (ন্যায়পরায়ণ ও ন্যায়নিষ্ঠরূপে প্রত্যায়িত) রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদেরকে হাদীস বর্ণনা করেছেন যে, তোমাদের প্রত্যেকের শুক্রকীট তার মায়ের গর্ভে চল্লিশ দিন একত্রিত করা হয়। তারপর হুবহু চল্লিশ দিনে তা একটি গোশত টুকরায় পরিণত হয়। তারপর আল্লাহ্ তা ‘আলার পক্ষ থেকে একজন ফেরেশ্তাকে প্রেরণ করা হয়। সে তাতে রূহ্ ফুঁকে দেয়। আর তাঁকে চারটি কালিমা (বিষয়) লিপিবদ্ধ করার আদেশ করা হয়। রিয্ক, মৃত্যুক্ষণ, কর্ম, বদ্কার ও নেক্কার। সে সত্তার শপথ যিনি ছাড়া কোন ইলাহ নেই! নিশ্চয়ই তোমাদের মাঝ হতে কেউ জান্নাতীদের ‘আমালের (আমলের)ন্যায় ‘আমাল (আমল) করতে থাকে। অবশেষে তার ও জান্নাতের মধ্যে মাত্র একহাত দূরত্ব থাকে। অতঃপর ভাগ্যের লিখন তার উপর জয়ী হয়ে যায়। ফলে সে জাহান্নামীদের কর্ম শুরু করে। এরপর সে জাহান্নামে নিক্ষিপ্ত হয়। আর তোমাদের মধ্যে কোন কোন ব্যক্তি জাহান্নামের কাজ-কর্ম করতে থাকে। ফলে জাহান্নামের মাঝে ও তার মাঝে মাত্র একহাত দূরত্ব থাকে। তারপর ভাগ্যলিপি তার উপর জয়ী হয়। ফলে সে জান্নাতীদের ন্যায় ‘আমাল করে। অবশেষে জান্নাতে প্রবিষ্ট হয়। (ই.ফা. ৬৪৮২, ই.সে. ৬৫৩৪)
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا أبو معاوية، ووكيع، ح وحدثنا محمد بن عبد، الله بن نمير الهمداني - واللفظ له - حدثنا أبي وأبو معاوية ووكيع قالوا حدثنا الأعمش، عن زيد بن وهب، عن عبد الله، قال حدثنا رسول الله صلى الله عليه وسلم وهو الصادق المصدوق " إن أحدكم يجمع خلقه في بطن أمه أربعين يوما ثم يكون في ذلك علقة مثل ذلك ثم يكون في ذلك مضغة مثل ذلك ثم يرسل الملك فينفخ فيه الروح ويؤمر بأربع كلمات بكتب رزقه وأجله وعمله وشقي أو سعيد فوالذي لا إله غيره إن أحدكم ليعمل بعمل أهل الجنة حتى ما يكون بينه وبينها إلا ذراع فيسبق عليه الكتاب فيعمل بعمل أهل النار فيدخلها وإن أحدكم ليعمل بعمل أهل النار حتى ما يكون بينه وبينها إلا ذراع فيسبق عليه الكتاب فيعمل بعمل أهل الجنة فيدخلها " .
সহিহ মুসলিম ৬৬২৪
حدثنا عثمان بن أبي شيبة، وزهير بن حرب، وإسحاق بن إبراهيم، - واللفظ لزهير - قال إسحاق أخبرنا وقال الآخران، حدثنا جرير، عن منصور، عن سعد بن عبيدة، عن أبي عبد الرحمن، عن علي، قال كنا في جنازة في بقيع الغرقد فأتانا رسول الله صلى الله عليه وسلم فقعد وقعدنا حوله ومعه مخصرة فنكس فجعل ينكت بمخصرته ثم قال " ما منكم من أحد ما من نفس منفوسة إلا وقد كتب الله مكانها من الجنة والنار وإلا وقد كتبت شقية أو سعيدة " . قال فقال رجل يا رسول الله أفلا نمكث على كتابنا وندع العمل فقال " من كان من أهل السعادة فسيصير إلى عمل أهل السعادة ومن كان من أهل الشقاوة فسيصير إلى عمل أهل الشقاوة " . فقال " اعملوا فكل ميسر أما أهل السعادة فييسرون لعمل أهل السعادة وأما أهل الشقاوة فييسرون لعمل أهل الشقاوة " . ثم قرأ { فأما من أعطى واتقى * وصدق بالحسنى * فسنيسره لليسرى * وأما من بخل واستغنى * وكذب بالحسنى * فسنيسره للعسرى}
‘আলী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমরা বাকী‘ গারকাদে [৪] একটি জানাযা সলাতে উপস্থিত ছিলাম। তারপর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের নিকট এসে বসলেন এবং আমরাও তাঁর পাশাপাশি বসলাম। তাঁর সাথে ছিল একটি ছড়ি। তিনি মাথা নিচু করেছিলেন। সে সময় তিনি তাঁর ছড়ি দ্বারা জমিনে টোকা দিচ্ছিলেন। তারপর তিনি বললেন, তোমাদের মাঝে এমন কোন লোক নেই, যার পরিণাম আল্লাহ তা‘আলা জান্নাতে বা জাহান্নামে নির্ধারণ করেননি এবং সে দুর্ভাগ্যবান হবে বা সৌভাগ্যবান হবে, তা লিপিবদ্ধ করেননি। বর্ণনাকারী বলেন, তখন জনৈক লোক আবেদন করল, হে আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)! আমরা কি আমাদের ভাগ্যলিপির উপর অটুট থেকে ‘আমাল ত্যাগ করব না? তখন তিনি বললেন, যে লোক সৌভাগ্যবান সে সৌভাগ্যবানদের ‘আমালের দিকে ধাবিত হবে। যে হতভাগাদের অন্তর্ভূক্ত সে হতভাগার ‘আমালের প্রতি ধাবিত হবে। তারপর তিনি বললেন, তোমরা ‘আমাল করো। প্রত্যেকের পথ সহজ করে দেয়া হয়েছে। অবশ্যই সৌভাগ্যবান লোকদেরকে সৌভাগ্যের ‘আমাল করা সহজ করে দেয়া হচ্ছে। হতভাগ্যদেরকে হতভাগ্যের ‘আমাল সহজ করে দেয়া হচ্ছে। তাপর তিনি তিলাওয়াত করলেন, “সুতরাং যে দান করল, তাক্ওয়া অর্জন করল এবং যা উত্তম তা সত্যায়ন করল, আমি তাদের জন্যে সফলতার পথ সুগম করে দিব এবং যারা বখিলী করল এবং নিজকে স্বয়ংসম্পূর্ণ অমুখাপেক্ষী মনে করল আর যা উত্তম তা মিথ্যা সাব্যস্ত করল, আমি তার জন্যে কঠোর বিফল পথ সহজ করে দিব”- (সূরাহ্ আল লায়ল ৯২ : ৫-১০)। (ই.ফা. ৬৪৭৮, ই.সে. ৬৫৩০)
‘আলী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমরা বাকী‘ গারকাদে [৪] একটি জানাযা সলাতে উপস্থিত ছিলাম। তারপর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের নিকট এসে বসলেন এবং আমরাও তাঁর পাশাপাশি বসলাম। তাঁর সাথে ছিল একটি ছড়ি। তিনি মাথা নিচু করেছিলেন। সে সময় তিনি তাঁর ছড়ি দ্বারা জমিনে টোকা দিচ্ছিলেন। তারপর তিনি বললেন, তোমাদের মাঝে এমন কোন লোক নেই, যার পরিণাম আল্লাহ তা‘আলা জান্নাতে বা জাহান্নামে নির্ধারণ করেননি এবং সে দুর্ভাগ্যবান হবে বা সৌভাগ্যবান হবে, তা লিপিবদ্ধ করেননি। বর্ণনাকারী বলেন, তখন জনৈক লোক আবেদন করল, হে আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)! আমরা কি আমাদের ভাগ্যলিপির উপর অটুট থেকে ‘আমাল ত্যাগ করব না? তখন তিনি বললেন, যে লোক সৌভাগ্যবান সে সৌভাগ্যবানদের ‘আমালের দিকে ধাবিত হবে। যে হতভাগাদের অন্তর্ভূক্ত সে হতভাগার ‘আমালের প্রতি ধাবিত হবে। তারপর তিনি বললেন, তোমরা ‘আমাল করো। প্রত্যেকের পথ সহজ করে দেয়া হয়েছে। অবশ্যই সৌভাগ্যবান লোকদেরকে সৌভাগ্যের ‘আমাল করা সহজ করে দেয়া হচ্ছে। হতভাগ্যদেরকে হতভাগ্যের ‘আমাল সহজ করে দেয়া হচ্ছে। তাপর তিনি তিলাওয়াত করলেন, “সুতরাং যে দান করল, তাক্ওয়া অর্জন করল এবং যা উত্তম তা সত্যায়ন করল, আমি তাদের জন্যে সফলতার পথ সুগম করে দিব এবং যারা বখিলী করল এবং নিজকে স্বয়ংসম্পূর্ণ অমুখাপেক্ষী মনে করল আর যা উত্তম তা মিথ্যা সাব্যস্ত করল, আমি তার জন্যে কঠোর বিফল পথ সহজ করে দিব”- (সূরাহ্ আল লায়ল ৯২ : ৫-১০)। (ই.ফা. ৬৪৭৮, ই.সে. ৬৫৩০)
حدثنا عثمان بن أبي شيبة، وزهير بن حرب، وإسحاق بن إبراهيم، - واللفظ لزهير - قال إسحاق أخبرنا وقال الآخران، حدثنا جرير، عن منصور، عن سعد بن عبيدة، عن أبي عبد الرحمن، عن علي، قال كنا في جنازة في بقيع الغرقد فأتانا رسول الله صلى الله عليه وسلم فقعد وقعدنا حوله ومعه مخصرة فنكس فجعل ينكت بمخصرته ثم قال " ما منكم من أحد ما من نفس منفوسة إلا وقد كتب الله مكانها من الجنة والنار وإلا وقد كتبت شقية أو سعيدة " . قال فقال رجل يا رسول الله أفلا نمكث على كتابنا وندع العمل فقال " من كان من أهل السعادة فسيصير إلى عمل أهل السعادة ومن كان من أهل الشقاوة فسيصير إلى عمل أهل الشقاوة " . فقال " اعملوا فكل ميسر أما أهل السعادة فييسرون لعمل أهل السعادة وأما أهل الشقاوة فييسرون لعمل أهل الشقاوة " . ثم قرأ { فأما من أعطى واتقى * وصدق بالحسنى * فسنيسره لليسرى * وأما من بخل واستغنى * وكذب بالحسنى * فسنيسره للعسرى}
সহিহ মুসলিম ৬৬২৮
حدثنا أحمد بن يونس، حدثنا زهير، حدثنا أبو الزبير، ح وحدثنا يحيى بن يحيى، أخبرنا أبو خيثمة، عن أبي الزبير، عن جابر، قال جاء سراقة بن مالك بن جعشم قال يا رسول الله بين لنا ديننا كأنا خلقنا الآن فيما العمل اليوم أفيما جفت به الأقلام وجرت به المقادير أم فيما نستقبل قال " لا . بل فيما جفت به الأقلام وجرت به المقادير " . قال ففيم العمل قال زهير ثم تكلم أبو الزبير بشىء لم أفهمه فسألت ما قال فقال " اعملوا فكل ميسر " .
জাবির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, সুরাকাহ্ ইবনু মালিক ইবনু জু‘শুম (রাঃ) রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট আসলেন, অতঃপর বললেন, হে আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)! আমাদের সামনে আমাদের দ্বীন সুস্পষ্টভাবে বর্ণনা করুন, যেন আমরা এই মাত্র সৃষ্ট হয়েছি। আজকের ‘আমাল কি ঐ বিষয়ের উপর যার সম্পর্কে কলম লিখে শুকিয়ে গেছে এবং তাক্দীর তার উপর চলছে? নাকি আমরা ভবিষ্যতে তার সামনাসামনি হব? তিনি বললেন, না; বরং কলম যা কিছু লিখার লিখে শুকিয়ে গেছে ও সে অনুযায়ী তাকদীর জারী হয়ে গেছে। সুরাকাহ্ বললেন, তাহলে কিসের জন্য ‘আমাল করার প্রয়োজন? যুহায়র বলেন, অতঃপর আবূ যুবায়র কিছু কথা বললেন, যা আমি বুঝতে পারিনি। অতঃপর আমি (লোকেদের) প্রশ্ন করলাম, তিনি কি বললেন। জবাবে বললেন, তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, তোমরা ‘আমাল করতে থাকো; প্রত্যেকের জন্য সে পথ সহজ করা হয়েছে। (ই.ফা. ৬৪৯৪, ই.সে. ৬৫৪৬)
জাবির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, সুরাকাহ্ ইবনু মালিক ইবনু জু‘শুম (রাঃ) রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট আসলেন, অতঃপর বললেন, হে আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)! আমাদের সামনে আমাদের দ্বীন সুস্পষ্টভাবে বর্ণনা করুন, যেন আমরা এই মাত্র সৃষ্ট হয়েছি। আজকের ‘আমাল কি ঐ বিষয়ের উপর যার সম্পর্কে কলম লিখে শুকিয়ে গেছে এবং তাক্দীর তার উপর চলছে? নাকি আমরা ভবিষ্যতে তার সামনাসামনি হব? তিনি বললেন, না; বরং কলম যা কিছু লিখার লিখে শুকিয়ে গেছে ও সে অনুযায়ী তাকদীর জারী হয়ে গেছে। সুরাকাহ্ বললেন, তাহলে কিসের জন্য ‘আমাল করার প্রয়োজন? যুহায়র বলেন, অতঃপর আবূ যুবায়র কিছু কথা বললেন, যা আমি বুঝতে পারিনি। অতঃপর আমি (লোকেদের) প্রশ্ন করলাম, তিনি কি বললেন। জবাবে বললেন, তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, তোমরা ‘আমাল করতে থাকো; প্রত্যেকের জন্য সে পথ সহজ করা হয়েছে। (ই.ফা. ৬৪৯৪, ই.সে. ৬৫৪৬)
حدثنا أحمد بن يونس، حدثنا زهير، حدثنا أبو الزبير، ح وحدثنا يحيى بن يحيى، أخبرنا أبو خيثمة، عن أبي الزبير، عن جابر، قال جاء سراقة بن مالك بن جعشم قال يا رسول الله بين لنا ديننا كأنا خلقنا الآن فيما العمل اليوم أفيما جفت به الأقلام وجرت به المقادير أم فيما نستقبل قال " لا . بل فيما جفت به الأقلام وجرت به المقادير " . قال ففيم العمل قال زهير ثم تكلم أبو الزبير بشىء لم أفهمه فسألت ما قال فقال " اعملوا فكل ميسر " .
সহিহ মুসলিম ৬৬৩৪
حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا يعقوب، - يعني ابن عبد الرحمن القاري - عن أبي حازم، عن سهل بن سعد الساعدي، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " إن الرجل ليعمل عمل أهل الجنة فيما يبدو للناس وهو من أهل النار . وإن الرجل ليعمل عمل أهل النار فيما يبدو للناس وهو من أهل الجنة " .
সাহ্ল ইবনু সা‘দ আস্ সা‘ইদী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ কোন ব্যক্তি জনসাধারণের সামনে প্রকাশিত ‘আমালের বিবেচনায় জান্নাতীদের ‘আমালের ন্যায় ‘আমাল করবে; অথচ সে জাহান্নামীদের অন্তর্ভূক্ত। আর কোন ব্যক্তি জনসাধারণের সামনে প্রকাশিত ‘আমালের বিবেচনায় জাহান্নামীদের ‘আমালের ন্যায় ‘আমাল করবে, অথচ সে জান্নাতীদের অন্তর্ভূক্ত। (ই.ফা. ৬৫০০, ই.সে. ৬৫৫১)
সাহ্ল ইবনু সা‘দ আস্ সা‘ইদী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ কোন ব্যক্তি জনসাধারণের সামনে প্রকাশিত ‘আমালের বিবেচনায় জান্নাতীদের ‘আমালের ন্যায় ‘আমাল করবে; অথচ সে জাহান্নামীদের অন্তর্ভূক্ত। আর কোন ব্যক্তি জনসাধারণের সামনে প্রকাশিত ‘আমালের বিবেচনায় জাহান্নামীদের ‘আমালের ন্যায় ‘আমাল করবে, অথচ সে জান্নাতীদের অন্তর্ভূক্ত। (ই.ফা. ৬৫০০, ই.সে. ৬৫৫১)
حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا يعقوب، - يعني ابن عبد الرحمن القاري - عن أبي حازم، عن سهل بن سعد الساعدي، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " إن الرجل ليعمل عمل أهل الجنة فيما يبدو للناس وهو من أهل النار . وإن الرجل ليعمل عمل أهل النار فيما يبدو للناس وهو من أهل الجنة " .
সহিহ মুসলিম ৬৬৩২
حدثنا إسحاق بن إبراهيم الحنظلي، حدثنا عثمان بن عمر، حدثنا عزرة بن، ثابت عن يحيى بن عقيل، عن يحيى بن يعمر، عن أبي الأسود الدئلي، قال قال لي عمران بن الحصين أرأيت ما يعمل الناس اليوم ويكدحون فيه أشىء قضي عليهم ومضى عليهم من قدر ما سبق أو فيما يستقبلون به مما أتاهم به نبيهم وثبتت الحجة عليهم فقلت بل شىء قضي عليهم ومضى عليهم قال فقال أفلا يكون ظلما قال ففزعت من ذلك فزعا شديدا وقلت كل شىء خلق الله وملك يده فلا يسأل عما يفعل وهم يسألون . فقال لي يرحمك الله إني لم أرد بما سألتك إلا لأحزر عقلك إن رجلين من مزينة أتيا رسول الله صلى الله عليه وسلم فقالا يا رسول الله أرأيت ما يعمل الناس اليوم ويكدحون فيه أشىء قضي عليهم ومضى فيهم من قدر قد سبق أو فيما يستقبلون به مما أتاهم به نبيهم وثبتت الحجة عليهم فقال " لا بل شىء قضي عليهم ومضى فيهم وتصديق ذلك في كتاب الله عز وجل { ونفس وما سواها * فألهمها فجورها وتقواها} " .
আবুল আসওয়াদ আদ্ দিয়ালী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, ‘ইমরান ইবনু হুসায়ন (রহঃ) আমাকে বললেন, আজকাল মানুষেরা যা ‘আমাল করে এবং তাতে যা কষ্ট করে, সে ব্যাপারে আপনার মতামত কি? তা-কি এমন বিষয় যা তাদের উপর সিদ্ধান্ত গৃহীত ও অতীতে সাব্যস্ত হয়ে গেছে যা তাদের উপর পূর্ব নির্ধারিত? নাকি ভবিষ্যতে করা হবে যা তাদের নিকট তাদের নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নিয়ে আসছেন এবং যাদের উপর দলীল-প্রমাণ সাব্যস্ত হয়েছে? আমি বললাম বরং বিষয়টি তো তাদের উপর সিদ্ধান্ত গৃহীত ও অতীত সাব্যস্ত হয়ে গেছে। তিনি (রাবী) বলেন, অতঃপর তিনি বললেন, তা কি যুল্ম হবে না? তিনি বললেন, এতে আমি অত্যন্ত ঘাবড়ে গেলাম এবং বললাম, প্রতিটি বিষয় আল্লাহর মাখলুক এবং তাঁর আওতাধীন। সুতরাং তিনি যা করেন, সে বিষয়ে জবাবদিহিতা নেই অথবা তাদেরকে কৈফিয়ত দিতে হবে না। কিন্তু তারা যা করে সে বিষয়ে তাদের নিকট কৈফিয়ত তলব করা হবে। অতঃপর তিনি আমাকে বললেন, আল্লাহ আপনার প্রতি দয়া করুন। আমি আপনাকে জিজ্ঞেস করে আপনার অনুভূতি অনুমান করতে চেয়েছিলাম। মুযাইনাহ্ গোত্রের দু’ ব্যক্তি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এসে বলল, হে আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)! লোকেরা আজকাল যেসব ‘আমাল করে এবং পরিশ্রম করে, সেগুলো কি তাদের উপর সিদ্ধান্ত গৃহীত ও অতীত সাব্যস্ত হয়ে গেছে, আগে নির্দিষ্টতা থেকে? নাকি ভবিষ্যতে যে ‘আমাল করা হবে, যা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাদের নিকট নিয়ে আসছেন এবং তাদের উপর দলীল প্রমাণ সাব্যস্ত আছে? জবাবে তিনি বললেন, না; বরং বিষয়টি তাদের উপর সিদ্ধান্ত করা হয়েছে এবং অতীতে সাব্যস্ত হয়ে গিয়েছে? আল্লাহর কিতাবে তার সত্যায়ন: “আর শপথ মানুষের এবং তাঁর যিনি তাকে সম্পূর্ণ করেছেন, এরপর তার উপর তিনি পাপ-পুণ্যের জ্ঞান ঢেলে দিয়েছেন”- (সূরাহ্ আশ্ শামস্ ৯১ : ৭-৮)। (ই.ফা. ৬৪৯৮, ই.সে. ৬৫৪৯)
আবুল আসওয়াদ আদ্ দিয়ালী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, ‘ইমরান ইবনু হুসায়ন (রহঃ) আমাকে বললেন, আজকাল মানুষেরা যা ‘আমাল করে এবং তাতে যা কষ্ট করে, সে ব্যাপারে আপনার মতামত কি? তা-কি এমন বিষয় যা তাদের উপর সিদ্ধান্ত গৃহীত ও অতীতে সাব্যস্ত হয়ে গেছে যা তাদের উপর পূর্ব নির্ধারিত? নাকি ভবিষ্যতে করা হবে যা তাদের নিকট তাদের নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নিয়ে আসছেন এবং যাদের উপর দলীল-প্রমাণ সাব্যস্ত হয়েছে? আমি বললাম বরং বিষয়টি তো তাদের উপর সিদ্ধান্ত গৃহীত ও অতীত সাব্যস্ত হয়ে গেছে। তিনি (রাবী) বলেন, অতঃপর তিনি বললেন, তা কি যুল্ম হবে না? তিনি বললেন, এতে আমি অত্যন্ত ঘাবড়ে গেলাম এবং বললাম, প্রতিটি বিষয় আল্লাহর মাখলুক এবং তাঁর আওতাধীন। সুতরাং তিনি যা করেন, সে বিষয়ে জবাবদিহিতা নেই অথবা তাদেরকে কৈফিয়ত দিতে হবে না। কিন্তু তারা যা করে সে বিষয়ে তাদের নিকট কৈফিয়ত তলব করা হবে। অতঃপর তিনি আমাকে বললেন, আল্লাহ আপনার প্রতি দয়া করুন। আমি আপনাকে জিজ্ঞেস করে আপনার অনুভূতি অনুমান করতে চেয়েছিলাম। মুযাইনাহ্ গোত্রের দু’ ব্যক্তি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এসে বলল, হে আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)! লোকেরা আজকাল যেসব ‘আমাল করে এবং পরিশ্রম করে, সেগুলো কি তাদের উপর সিদ্ধান্ত গৃহীত ও অতীত সাব্যস্ত হয়ে গেছে, আগে নির্দিষ্টতা থেকে? নাকি ভবিষ্যতে যে ‘আমাল করা হবে, যা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাদের নিকট নিয়ে আসছেন এবং তাদের উপর দলীল প্রমাণ সাব্যস্ত আছে? জবাবে তিনি বললেন, না; বরং বিষয়টি তাদের উপর সিদ্ধান্ত করা হয়েছে এবং অতীতে সাব্যস্ত হয়ে গিয়েছে? আল্লাহর কিতাবে তার সত্যায়ন: “আর শপথ মানুষের এবং তাঁর যিনি তাকে সম্পূর্ণ করেছেন, এরপর তার উপর তিনি পাপ-পুণ্যের জ্ঞান ঢেলে দিয়েছেন”- (সূরাহ্ আশ্ শামস্ ৯১ : ৭-৮)। (ই.ফা. ৬৪৯৮, ই.সে. ৬৫৪৯)
حدثنا إسحاق بن إبراهيم الحنظلي، حدثنا عثمان بن عمر، حدثنا عزرة بن، ثابت عن يحيى بن عقيل، عن يحيى بن يعمر، عن أبي الأسود الدئلي، قال قال لي عمران بن الحصين أرأيت ما يعمل الناس اليوم ويكدحون فيه أشىء قضي عليهم ومضى عليهم من قدر ما سبق أو فيما يستقبلون به مما أتاهم به نبيهم وثبتت الحجة عليهم فقلت بل شىء قضي عليهم ومضى عليهم قال فقال أفلا يكون ظلما قال ففزعت من ذلك فزعا شديدا وقلت كل شىء خلق الله وملك يده فلا يسأل عما يفعل وهم يسألون . فقال لي يرحمك الله إني لم أرد بما سألتك إلا لأحزر عقلك إن رجلين من مزينة أتيا رسول الله صلى الله عليه وسلم فقالا يا رسول الله أرأيت ما يعمل الناس اليوم ويكدحون فيه أشىء قضي عليهم ومضى فيهم من قدر قد سبق أو فيما يستقبلون به مما أتاهم به نبيهم وثبتت الحجة عليهم فقال " لا بل شىء قضي عليهم ومضى فيهم وتصديق ذلك في كتاب الله عز وجل { ونفس وما سواها * فألهمها فجورها وتقواها} " .
সহিহ মুসলিম ৬৬১৭
حدثنا عثمان بن أبي شيبة، وإسحاق بن إبراهيم، كلاهما عن جرير بن عبد، الحميد ح وحدثنا إسحاق بن إبراهيم، أخبرنا عيسى بن يونس، ح وحدثني أبو سعيد، الأشج حدثنا وكيع، ح وحدثناه عبيد الله بن معاذ، حدثنا أبي، حدثنا شعبة بن الحجاج، كلهم عن الأعمش، بهذا الإسناد . قال في حديث وكيع " إن خلق أحدكم يجمع في بطن أمه أربعين ليلة " . وقال في حديث معاذ عن شعبة " أربعين ليلة أربعين يوما " . وأما في حديث جرير وعيسى " أربعين يوما " .
জারীর ইবনু ‘আবদুল হামীদ, ‘ঈসা ইবনু ইউনুস, ওয়াকী‘ ও শু‘বাহ্ ইবনুল হাজ্জাজ (রহঃ) সকলে আ‘মাশ (রহঃ) হতে এ সূত্র থেকে বর্নিতঃ
হুবহু হাদীস বর্ণনা করেছেন। তিনি (আ‘মাশ) ওয়াকী‘ বর্ণিত হাদীসে বলেছেন, নিশ্চয়ই তোমাদের কারো সৃষ্টি (শুক্রকীট) তার মায়ের গর্ভে চল্লিশ রাত্রি একত্রি রাখা হয়। আর তিনি শু‘বার সানাদে মু‘আয বর্ণিত হাদীসে বলেছেন, চল্লিশ রাত কিংবা চল্লিশ দিন। কিন্তু জারীর ও ‘ঈসা (রহঃ)-এর হাদীসে কেবলমাত্র ………… (চল্লিশ দিবসের) কথা উল্লেখ রয়েছে। (ই.ফা. ৬৪৮৩, ই.সে. ৬৫৩৫)
জারীর ইবনু ‘আবদুল হামীদ, ‘ঈসা ইবনু ইউনুস, ওয়াকী‘ ও শু‘বাহ্ ইবনুল হাজ্জাজ (রহঃ) সকলে আ‘মাশ (রহঃ) হতে এ সূত্র থেকে বর্নিতঃ
হুবহু হাদীস বর্ণনা করেছেন। তিনি (আ‘মাশ) ওয়াকী‘ বর্ণিত হাদীসে বলেছেন, নিশ্চয়ই তোমাদের কারো সৃষ্টি (শুক্রকীট) তার মায়ের গর্ভে চল্লিশ রাত্রি একত্রি রাখা হয়। আর তিনি শু‘বার সানাদে মু‘আয বর্ণিত হাদীসে বলেছেন, চল্লিশ রাত কিংবা চল্লিশ দিন। কিন্তু জারীর ও ‘ঈসা (রহঃ)-এর হাদীসে কেবলমাত্র ………… (চল্লিশ দিবসের) কথা উল্লেখ রয়েছে। (ই.ফা. ৬৪৮৩, ই.সে. ৬৫৩৫)
حدثنا عثمان بن أبي شيبة، وإسحاق بن إبراهيم، كلاهما عن جرير بن عبد، الحميد ح وحدثنا إسحاق بن إبراهيم، أخبرنا عيسى بن يونس، ح وحدثني أبو سعيد، الأشج حدثنا وكيع، ح وحدثناه عبيد الله بن معاذ، حدثنا أبي، حدثنا شعبة بن الحجاج، كلهم عن الأعمش، بهذا الإسناد . قال في حديث وكيع " إن خلق أحدكم يجمع في بطن أمه أربعين ليلة " . وقال في حديث معاذ عن شعبة " أربعين ليلة أربعين يوما " . وأما في حديث جرير وعيسى " أربعين يوما " .
সহিহ মুসলিম ৬৬১৮
حدثنا محمد بن عبد الله بن نمير، وزهير بن حرب، - واللفظ لابن نمير - قالا حدثنا سفيان بن عيينة، عن عمرو بن دينار، عن أبي الطفيل، عن حذيفة بن أسيد، يبلغ به النبي صلى الله عليه وسلم قال " يدخل الملك على النطفة بعد ما تستقر في الرحم بأربعين أو خمسة وأربعين ليلة فيقول يا رب أشقي أو سعيد فيكتبان فيقول أى رب أذكر أو أنثى فيكتبان ويكتب عمله وأثره وأجله ورزقه ثم تطوى الصحف فلا يزاد فيها ولا ينقص " .
হুযাইফাহ্ ইবুন আসীদ (রহঃ) হতে মারফূ‘ সূত্রে নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, জরায়ুতে চল্লিশ অথবা পঁয়তাল্লিশ দিন রেণু জমা থাকার পর সেখানে ফেরেশ্ তা গমন করে। অতঃপর সে বলতে থাকে, হে আমার প্রভু! সে কি হতভাগ্য না সৌভাগ্যবান? তখন উভয়টাতে লিপিবদ্ধ করা হয়। তারপর সে বলতে থাকে, হে আমার রব! সে কি পুরুষ না মহিলা? তখন আদেশ অনুসারে উভয়টা লিপিবদ্ধ করা হয়। তার ‘আমাল, আচরণ, মৃত্যুক্ষণ ও জীবনোপকরণ লিপিবদ্ধ করা হয়। তারপর ফলকটিকে পেঁচিয়ে দেয়া হয়। তাতে কোন অতিরিক্ত করা হবে না এবং ঘাটতিও হবে না। (ই.ফা. ৬৪৮৪, ই.সে. ৬৫৩৬)
হুযাইফাহ্ ইবুন আসীদ (রহঃ) হতে মারফূ‘ সূত্রে নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, জরায়ুতে চল্লিশ অথবা পঁয়তাল্লিশ দিন রেণু জমা থাকার পর সেখানে ফেরেশ্ তা গমন করে। অতঃপর সে বলতে থাকে, হে আমার প্রভু! সে কি হতভাগ্য না সৌভাগ্যবান? তখন উভয়টাতে লিপিবদ্ধ করা হয়। তারপর সে বলতে থাকে, হে আমার রব! সে কি পুরুষ না মহিলা? তখন আদেশ অনুসারে উভয়টা লিপিবদ্ধ করা হয়। তার ‘আমাল, আচরণ, মৃত্যুক্ষণ ও জীবনোপকরণ লিপিবদ্ধ করা হয়। তারপর ফলকটিকে পেঁচিয়ে দেয়া হয়। তাতে কোন অতিরিক্ত করা হবে না এবং ঘাটতিও হবে না। (ই.ফা. ৬৪৮৪, ই.সে. ৬৫৩৬)
حدثنا محمد بن عبد الله بن نمير، وزهير بن حرب، - واللفظ لابن نمير - قالا حدثنا سفيان بن عيينة، عن عمرو بن دينار، عن أبي الطفيل، عن حذيفة بن أسيد، يبلغ به النبي صلى الله عليه وسلم قال " يدخل الملك على النطفة بعد ما تستقر في الرحم بأربعين أو خمسة وأربعين ليلة فيقول يا رب أشقي أو سعيد فيكتبان فيقول أى رب أذكر أو أنثى فيكتبان ويكتب عمله وأثره وأجله ورزقه ثم تطوى الصحف فلا يزاد فيها ولا ينقص " .
সহিহ মুসলিম ৬৬১৯
حدثني أبو الطاهر، أحمد بن عمرو بن سرح أخبرنا ابن وهب، أخبرني عمرو، بن الحارث عن أبي الزبير المكي، أن عامر بن واثلة، حدثه أنه، سمع عبد الله بن مسعود، يقول الشقي من شقي في بطن أمه والسعيد من وعظ بغيره . فأتى رجلا من أصحاب رسول الله صلى الله عليه وسلم يقال له حذيفة بن أسيد الغفاري فحدثه بذلك من قول ابن مسعود فقال وكيف يشقى رجل بغير عمل فقال له الرجل أتعجب من ذلك فإني سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " إذا مر بالنطفة ثنتان وأربعون ليلة بعث الله إليها ملكا فصورها وخلق سمعها وبصرها وجلدها ولحمها وعظامها ثم . قال يا رب أذكر أم أنثى فيقضي ربك ما شاء ويكتب الملك ثم يقول يا رب أجله . فيقول ربك ما شاء ويكتب الملك ثم يقول يا رب رزقه . فيقضي ربك ما شاء ويكتب الملك ثم يخرج الملك بالصحيفة في يده فلا يزيد على ما أمر ولا ينقص " .
‘আমির ইবনু ওয়াসিলাহ্ (রহঃ) ‘আবদুল্লাহ ইবনু মাস‘উদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেছেন, দুর্ভাগ্য সে লোক, যে তার মায়ের গর্ভ হতে দুর্ভাগা আর সৌভাগ্যবান লোক সে, যে অন্যের নিকট হতে উপদেশ লাভ করে। অতঃপর তিনি রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সহাবাদের মধ্য থেকে একজন সহাবা যাকে হুযাইফাহ্ ইবনু আসীদ আল গিফারী বলা হয় তার কাছে আসলেন। তখন তিনি তাঁর নিকট ‘আবদুল্লাহ ইবনু মাস‘ঊদ (রাঃ)-এর কথা বর্ণনা করলেন এবং বললেন, ‘আমালহীন কোন লোক কিভাবে দুর্ভাগ্যবান হতে পারে? অতঃপর তিনি [হুযাইফাহ্ (রাঃ)] তাঁকে বললেন, তুমি কি এতে আশ্চর্য হচ্ছ? আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি যে, তিনি বলেছেন, যখন (মাতৃগর্ভে) শুক্রকীটের উপর বিয়াল্লিশ দিন চলে যায় তখন আল্লাহ তা‘আলা একজন ফেরেশ্তা প্রেরণ করেন। তিনি ওটাকে (শুক্রকে) একটি রূপ দান করে, তার কান, চোখ, চামড়া, গোশ্ত ও হাড় সৃষ্টি করে দেয়। তারপর ফেরেশতা বলে, হে আমাদের রব! সেটা কি পুরুষ, না মহিলা হবে? তখন তোমার প্রভু যা চান সিদ্ধান্ত দেন এবং ফেরেশ্তা আদেশ অনুসারে তা লিখে ফেলেন। তারপর সে বলতে থাকে, হে আমাদের রব! তার জীবিকা কি হবে? তখন তোমার রব তাঁর মর্জি অনুযায়ী ফায়সালা করেন এবং ফেরেশ্তা তা লিপিবদ্ধ করেন। এরপর ফেরেশ্তা তাঁর হাতে একটি লিপিবদ্ধ কিতাব নিয়ে বের হন। সে এটাকে বৃদ্ধিও করে না এবং ঘাটতিও করে না। (ই.ফা. ৬৪৮৫, ই.সে. ৬৫৩৭)
‘আমির ইবনু ওয়াসিলাহ্ (রহঃ) ‘আবদুল্লাহ ইবনু মাস‘উদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেছেন, দুর্ভাগ্য সে লোক, যে তার মায়ের গর্ভ হতে দুর্ভাগা আর সৌভাগ্যবান লোক সে, যে অন্যের নিকট হতে উপদেশ লাভ করে। অতঃপর তিনি রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সহাবাদের মধ্য থেকে একজন সহাবা যাকে হুযাইফাহ্ ইবনু আসীদ আল গিফারী বলা হয় তার কাছে আসলেন। তখন তিনি তাঁর নিকট ‘আবদুল্লাহ ইবনু মাস‘ঊদ (রাঃ)-এর কথা বর্ণনা করলেন এবং বললেন, ‘আমালহীন কোন লোক কিভাবে দুর্ভাগ্যবান হতে পারে? অতঃপর তিনি [হুযাইফাহ্ (রাঃ)] তাঁকে বললেন, তুমি কি এতে আশ্চর্য হচ্ছ? আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি যে, তিনি বলেছেন, যখন (মাতৃগর্ভে) শুক্রকীটের উপর বিয়াল্লিশ দিন চলে যায় তখন আল্লাহ তা‘আলা একজন ফেরেশ্তা প্রেরণ করেন। তিনি ওটাকে (শুক্রকে) একটি রূপ দান করে, তার কান, চোখ, চামড়া, গোশ্ত ও হাড় সৃষ্টি করে দেয়। তারপর ফেরেশতা বলে, হে আমাদের রব! সেটা কি পুরুষ, না মহিলা হবে? তখন তোমার প্রভু যা চান সিদ্ধান্ত দেন এবং ফেরেশ্তা আদেশ অনুসারে তা লিখে ফেলেন। তারপর সে বলতে থাকে, হে আমাদের রব! তার জীবিকা কি হবে? তখন তোমার রব তাঁর মর্জি অনুযায়ী ফায়সালা করেন এবং ফেরেশ্তা তা লিপিবদ্ধ করেন। এরপর ফেরেশ্তা তাঁর হাতে একটি লিপিবদ্ধ কিতাব নিয়ে বের হন। সে এটাকে বৃদ্ধিও করে না এবং ঘাটতিও করে না। (ই.ফা. ৬৪৮৫, ই.সে. ৬৫৩৭)
حدثني أبو الطاهر، أحمد بن عمرو بن سرح أخبرنا ابن وهب، أخبرني عمرو، بن الحارث عن أبي الزبير المكي، أن عامر بن واثلة، حدثه أنه، سمع عبد الله بن مسعود، يقول الشقي من شقي في بطن أمه والسعيد من وعظ بغيره . فأتى رجلا من أصحاب رسول الله صلى الله عليه وسلم يقال له حذيفة بن أسيد الغفاري فحدثه بذلك من قول ابن مسعود فقال وكيف يشقى رجل بغير عمل فقال له الرجل أتعجب من ذلك فإني سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " إذا مر بالنطفة ثنتان وأربعون ليلة بعث الله إليها ملكا فصورها وخلق سمعها وبصرها وجلدها ولحمها وعظامها ثم . قال يا رب أذكر أم أنثى فيقضي ربك ما شاء ويكتب الملك ثم يقول يا رب أجله . فيقول ربك ما شاء ويكتب الملك ثم يقول يا رب رزقه . فيقضي ربك ما شاء ويكتب الملك ثم يخرج الملك بالصحيفة في يده فلا يزيد على ما أمر ولا ينقص " .
সহিহ মুসলিম ৬৬২০
حدثنا أحمد بن عثمان النوفلي، أخبرنا أبو عاصم، حدثنا ابن جريج، أخبرني أبو الزبير، أن أبا الطفيل، أخبره أنه، سمع عبد الله بن مسعود، يقول . وساق الحديث بمثل حديث عمرو بن الحارث .
আবূ তুফায়ল (রহঃ) ‘আবদুল্লাহ ইবনু মাস‘ঊদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি ‘আমর ইবনুল আল হারিস (রহঃ)-এর হাদীসের হুবহু বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৬৪৮৬, ই.সে. ৬৫৩৮)
আবূ তুফায়ল (রহঃ) ‘আবদুল্লাহ ইবনু মাস‘ঊদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি ‘আমর ইবনুল আল হারিস (রহঃ)-এর হাদীসের হুবহু বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৬৪৮৬, ই.সে. ৬৫৩৮)
حدثنا أحمد بن عثمان النوفلي، أخبرنا أبو عاصم، حدثنا ابن جريج، أخبرني أبو الزبير، أن أبا الطفيل، أخبره أنه، سمع عبد الله بن مسعود، يقول . وساق الحديث بمثل حديث عمرو بن الحارث .
সহিহ মুসলিম ৬৬২১
حدثني محمد بن أحمد بن أبي خلف، حدثنا يحيى بن أبي بكير، حدثنا زهير أبو خيثمة حدثني عبد الله بن عطاء، أن عكرمة بن خالد، حدثه أن أبا الطفيل حدثه قال دخلت على أبي سريحة حذيفة بن أسيد الغفاري فقال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم بأذنى هاتين يقول " إن النطفة تقع في الرحم أربعين ليلة ثم يتصور عليها الملك " . قال زهير حسبته قال الذي يخلقها " فيقول يا رب أذكر أو أنثى فيجعله الله ذكرا أو أنثى ثم يقول يا رب أسوي أو غير سوي فيجعله الله سويا أو غير سوي ثم يقول يا رب ما رزقه ما أجله ما خلقه ثم يجعله الله شقيا أو سعيدا " .
আবূ তুফায়ল থেকে বর্নিতঃ
আমি আবূ সারীহাহ্ হুযাইফাহ্ ইবনু আসীদ আল গিফারী (রাঃ) -এর নিকট গেলে তিনি বলেন, আমি আমার এ কান দিয়ে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি যে, তিনি বলেন, বীর্য জরায়ুতে চল্লিশ রাত স্থির থাকে। তারপর এজন ফেরেশ্তা তাকে আকৃতি প্রদান করেন। রাবী যুহায়র (রহঃ) বলেন, আমার ধারণা তিনি বলেছেন, “যাকে তিনি তৈরি করেন” তখন তিনি বলতে থাকেন, হে আমার প্রভু! সে-কি পুরুষ না মহিলা? তারপর আল্লাহ তাকে পুরুষ কিংবা মহিলা সৃষ্টি করেন। অতঃপর তিনি (ফেরেশ্তা) বলতে থাকেন, হে আমার রব! আপনি তাকে পূর্ণ সৃষ্টি করবেন না অপূর্ণ? তখন আল্লাহ তাকে পূর্ণ অথবা অপূর্ণ সৃষ্টি করেন। তারপর তিনি বলেন, হে আমার প্রভু! তার জীবনোপকরণ, মৃত্যুক্ষণ, চরিত্র কি হবে? তারপর আল্লাহ তা‘আলা তাকে হতভাগ্যবান কিংবা সৌভাগ্যবান বানিয়ে দেন। (ই.ফা. ৬৪৮৭, ই.সে. ৬৫৩৯)
আবূ তুফায়ল থেকে বর্নিতঃ
আমি আবূ সারীহাহ্ হুযাইফাহ্ ইবনু আসীদ আল গিফারী (রাঃ) -এর নিকট গেলে তিনি বলেন, আমি আমার এ কান দিয়ে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি যে, তিনি বলেন, বীর্য জরায়ুতে চল্লিশ রাত স্থির থাকে। তারপর এজন ফেরেশ্তা তাকে আকৃতি প্রদান করেন। রাবী যুহায়র (রহঃ) বলেন, আমার ধারণা তিনি বলেছেন, “যাকে তিনি তৈরি করেন” তখন তিনি বলতে থাকেন, হে আমার প্রভু! সে-কি পুরুষ না মহিলা? তারপর আল্লাহ তাকে পুরুষ কিংবা মহিলা সৃষ্টি করেন। অতঃপর তিনি (ফেরেশ্তা) বলতে থাকেন, হে আমার রব! আপনি তাকে পূর্ণ সৃষ্টি করবেন না অপূর্ণ? তখন আল্লাহ তাকে পূর্ণ অথবা অপূর্ণ সৃষ্টি করেন। তারপর তিনি বলেন, হে আমার প্রভু! তার জীবনোপকরণ, মৃত্যুক্ষণ, চরিত্র কি হবে? তারপর আল্লাহ তা‘আলা তাকে হতভাগ্যবান কিংবা সৌভাগ্যবান বানিয়ে দেন। (ই.ফা. ৬৪৮৭, ই.সে. ৬৫৩৯)
حدثني محمد بن أحمد بن أبي خلف، حدثنا يحيى بن أبي بكير، حدثنا زهير أبو خيثمة حدثني عبد الله بن عطاء، أن عكرمة بن خالد، حدثه أن أبا الطفيل حدثه قال دخلت على أبي سريحة حذيفة بن أسيد الغفاري فقال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم بأذنى هاتين يقول " إن النطفة تقع في الرحم أربعين ليلة ثم يتصور عليها الملك " . قال زهير حسبته قال الذي يخلقها " فيقول يا رب أذكر أو أنثى فيجعله الله ذكرا أو أنثى ثم يقول يا رب أسوي أو غير سوي فيجعله الله سويا أو غير سوي ثم يقول يا رب ما رزقه ما أجله ما خلقه ثم يجعله الله شقيا أو سعيدا " .
সহিহ মুসলিম ৬৬২২
حدثنا عبد الوارث بن عبد الصمد، حدثني أبي، حدثنا ربيعة بن كلثوم، حدثني أبي كلثوم، عن أبي الطفيل، عن حذيفة بن أسيد الغفاري، صاحب رسول الله صلى الله عليه وسلم رفع الحديث إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم " أن ملكا موكلا بالرحم إذا أراد الله أن يخلق شيئا بإذن الله لبضع وأربعين ليلة " . ثم ذكر نحو حديثهم .
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সহাবা হুযাইফাহ্ ইবনু আসীদ আল গিফারী (রাঃ) রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) পর্যন্ত মারফূ‘ সূত্র থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, যখন আল্লাহ তাঁর আদেশ অনুসারে কোন কিছু সৃষ্টির আকাঙ্খা করেন তখন জরায়ুতে একজন ফেরেশ্তা প্রেরণ করে দেন চল্লিশের কিছু বেশি দিন পরে। তারপর তিনি তাদের হাদীসের হুবহু হাদীস উল্লেখ করেন। (ই.ফা. ৬৪৮৮, ই.সে. ৬৫৪০)
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সহাবা হুযাইফাহ্ ইবনু আসীদ আল গিফারী (রাঃ) রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) পর্যন্ত মারফূ‘ সূত্র থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, যখন আল্লাহ তাঁর আদেশ অনুসারে কোন কিছু সৃষ্টির আকাঙ্খা করেন তখন জরায়ুতে একজন ফেরেশ্তা প্রেরণ করে দেন চল্লিশের কিছু বেশি দিন পরে। তারপর তিনি তাদের হাদীসের হুবহু হাদীস উল্লেখ করেন। (ই.ফা. ৬৪৮৮, ই.সে. ৬৫৪০)
حدثنا عبد الوارث بن عبد الصمد، حدثني أبي، حدثنا ربيعة بن كلثوم، حدثني أبي كلثوم، عن أبي الطفيل، عن حذيفة بن أسيد الغفاري، صاحب رسول الله صلى الله عليه وسلم رفع الحديث إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم " أن ملكا موكلا بالرحم إذا أراد الله أن يخلق شيئا بإذن الله لبضع وأربعين ليلة " . ثم ذكر نحو حديثهم .
সহিহ মুসলিম ৬৬২৩
حدثني أبو كامل، فضيل بن حسين الجحدري حدثنا حماد بن زيد، حدثنا عبيد، الله بن أبي بكر عن أنس بن مالك، ورفع الحديث، أنه قال " إن الله عز وجل قد وكل بالرحم ملكا فيقول أى رب نطفة أى رب علقة أى رب مضغة . فإذا أراد الله أن يقضي خلقا - قال - قال الملك أى رب ذكر أو أنثى شقي أو سعيد فما الرزق فما الأجل فيكتب كذلك في بطن أمه " .
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) হতে মারফূ‘ সূত্র থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আল্লাহ তা‘আলা জরায়ুতে একজন ফেরেশ্তা প্রেরণ করে দেন। তখন ফেরেশ্তা বলতে থাকেন, হে আমার প্রভু! এখন তা শুক্র। হে আমার রব! এখন তা জমাট রক্ত। হে আমার প্রতিপালক! এখন গোশ্তের খণ্ড। তারপর যখন আল্লাহ তা‘আলা সৃষ্টি করার সিদ্ধান্ত করেন তখন ফেরেশ্তা বলেন, হে আমার প্রতিপালক! সে-কি পুরুষ না মহিলা, দুর্ভাগ্যবান, না সৌভাগ্যবান হবে? তার রিজিক কি হবে? তার আয়ুষ্কাল কি হবে? তারপর এমনিভাবে মায়ের গর্ভে থাকাবস্থায় সবকিছু লিখে দেয়া হয়। (ই.ফা. ৬৪৮৯, ই.সে. ৬৫৪১)
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) হতে মারফূ‘ সূত্র থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আল্লাহ তা‘আলা জরায়ুতে একজন ফেরেশ্তা প্রেরণ করে দেন। তখন ফেরেশ্তা বলতে থাকেন, হে আমার প্রভু! এখন তা শুক্র। হে আমার রব! এখন তা জমাট রক্ত। হে আমার প্রতিপালক! এখন গোশ্তের খণ্ড। তারপর যখন আল্লাহ তা‘আলা সৃষ্টি করার সিদ্ধান্ত করেন তখন ফেরেশ্তা বলেন, হে আমার প্রতিপালক! সে-কি পুরুষ না মহিলা, দুর্ভাগ্যবান, না সৌভাগ্যবান হবে? তার রিজিক কি হবে? তার আয়ুষ্কাল কি হবে? তারপর এমনিভাবে মায়ের গর্ভে থাকাবস্থায় সবকিছু লিখে দেয়া হয়। (ই.ফা. ৬৪৮৯, ই.সে. ৬৫৪১)
حدثني أبو كامل، فضيل بن حسين الجحدري حدثنا حماد بن زيد، حدثنا عبيد، الله بن أبي بكر عن أنس بن مالك، ورفع الحديث، أنه قال " إن الله عز وجل قد وكل بالرحم ملكا فيقول أى رب نطفة أى رب علقة أى رب مضغة . فإذا أراد الله أن يقضي خلقا - قال - قال الملك أى رب ذكر أو أنثى شقي أو سعيد فما الرزق فما الأجل فيكتب كذلك في بطن أمه " .
সহিহ মুসলিম ৬৬২৭
حدثنا محمد بن المثنى، وابن، بشار قالا حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، عن منصور، والأعمش، أنهما سمعا سعد بن عبيدة، يحدثه عن أبي عبد الرحمن السلمي، عن علي، عن النبي صلى الله عليه وسلم بنحوه .
‘আলী (রাঃ)-এর সানাদে নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্নিতঃ
‘আলী (রাঃ)-এর সানাদে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে হুবহু হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৬৪৯৩, ই.সে. ৬৫৪৫)
‘আলী (রাঃ)-এর সানাদে নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্নিতঃ
‘আলী (রাঃ)-এর সানাদে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে হুবহু হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৬৪৯৩, ই.সে. ৬৫৪৫)
حدثنا محمد بن المثنى، وابن، بشار قالا حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، عن منصور، والأعمش، أنهما سمعا سعد بن عبيدة، يحدثه عن أبي عبد الرحمن السلمي، عن علي، عن النبي صلى الله عليه وسلم بنحوه .
সহিহ মুসলিম ৬৬২৯
حدثني أبو الطاهر، أخبرنا ابن وهب، أخبرني عمرو بن الحارث، عن أبي الزبير، عن جابر بن عبد الله، عن النبي صلى الله عليه وسلم بهذا المعنى وفيه فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " كل عامل ميسر لعمله " .
জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ)-এর সানাদে নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্নিতঃ
জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ)-এর সানাদে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে এ মর্মে হাদীস বর্ণনা করেছেন। এ বর্ণনায় উল্লেখ রয়েছে যে, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ প্রত্যেক ‘আমালকারীকে তার ‘আমালের পথ সহজ করে দেয়া হয়েছে। (ই.ফা. ৬৪৯৫, ই.সে. নেই)
জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ)-এর সানাদে নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্নিতঃ
জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ)-এর সানাদে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে এ মর্মে হাদীস বর্ণনা করেছেন। এ বর্ণনায় উল্লেখ রয়েছে যে, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ প্রত্যেক ‘আমালকারীকে তার ‘আমালের পথ সহজ করে দেয়া হয়েছে। (ই.ফা. ৬৪৯৫, ই.সে. নেই)
حدثني أبو الطاهر، أخبرنا ابن وهب، أخبرني عمرو بن الحارث، عن أبي الزبير، عن جابر بن عبد الله، عن النبي صلى الله عليه وسلم بهذا المعنى وفيه فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " كل عامل ميسر لعمله " .
সহিহ মুসলিম ৬৬৩৩
حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا عبد العزيز، - يعني ابن محمد - عن العلاء، عن أبيه، عن أبي هريرة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " إن الرجل ليعمل الزمن الطويل بعمل أهل الجنة ثم يختم له عمله بعمل أهل النار وإن الرجل ليعمل الزمن الطويل بعمل أهل النار ثم يختم له عمله بعمل أهل الجنة " .
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ কোন লোক দীর্ঘকাল জান্নাতীদের ন্যায় ‘আমাল করবে। এরপর জাহান্নামীদের ‘আমালের সাথে তার ‘আমাল পরিসমাপ্ত হয়। আর এক লোক দীর্ঘকাল ধরে জাহান্নামীদের ‘আমালের ন্যায় ‘আমাল করবে। তারপর জান্নাতীদের ‘আমালের সাথে তার ‘আমাল পরিসমাপ্ত হবে। (ই.ফা. ৬৪৯৯, ই.সে. ৬৫৫০)
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ কোন লোক দীর্ঘকাল জান্নাতীদের ন্যায় ‘আমাল করবে। এরপর জাহান্নামীদের ‘আমালের সাথে তার ‘আমাল পরিসমাপ্ত হয়। আর এক লোক দীর্ঘকাল ধরে জাহান্নামীদের ‘আমালের ন্যায় ‘আমাল করবে। তারপর জান্নাতীদের ‘আমালের সাথে তার ‘আমাল পরিসমাপ্ত হবে। (ই.ফা. ৬৪৯৯, ই.সে. ৬৫৫০)
حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا عبد العزيز، - يعني ابن محمد - عن العلاء، عن أبيه، عن أبي هريرة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " إن الرجل ليعمل الزمن الطويل بعمل أهل الجنة ثم يختم له عمله بعمل أهل النار وإن الرجل ليعمل الزمن الطويل بعمل أهل النار ثم يختم له عمله بعمل أهل الجنة " .
সহিহ মুসলিম ৬৬৩১
حدثنا شيبان بن فروخ، حدثنا عبد الوارث، ح وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وزهير بن حرب وإسحاق بن إبراهيم وابن نمير عن ابن علية، ح وحدثنا يحيى بن يحيى، أخبرنا جعفر بن سليمان، ح وحدثنا ابن المثنى، حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، كلهم عن يزيد الرشك، في هذا الإسناد . بمعنى حديث حماد وفي حديث عبد الوارث قال قلت يا رسول الله .
শাইবান ইবনু ফার্রূখ, আবূ বাক্র ইবনু আবূ শাইবাহ্, যুহায়র ইবনু হার্ব, ইসহাক্ ইবনু ইব্রাহীম, ইবনু নুমায়র, ইয়াহ্ইয়া ইবনুল ইয়াহ্ইয়া ও ইবনু মুসান্না (রহঃ) সব সানাদেই ইয়াযীদ আর্ রিশ্ক (রহঃ) হতে এ সূত্রে হাম্মাদ থেকে বর্নিতঃ
শাইবান ইবনু ফার্রূখ, আবূ বকর ইবনু আবূ শাইবাহ্, যুহায়র ইবনু হার্ব, ইসহাক্ ইবনু ইব্রাহীম, ইবনু নুমায়র, ইয়াহ্ইয়া ইবনুল ইয়াহ্ইয়া ও ইবনু মুসান্না (রহঃ) সব সানাদেই ইয়াযীদ আর্ রিশ্ক (রহঃ) হতে এ সূত্রে হাম্মাদ-এর হাদীসের অর্থে হাদীস বর্ণনা করেছেন। আর এছাড়া ‘আবদুল ওয়ারিস বর্ণিত হাদীসে রয়েছে, সে বলেছে, আমি বললাম, “হে আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)!” (ই.ফা. ৬৪৯৭, ই.সে. ৬৫৪৮)
শাইবান ইবনু ফার্রূখ, আবূ বাক্র ইবনু আবূ শাইবাহ্, যুহায়র ইবনু হার্ব, ইসহাক্ ইবনু ইব্রাহীম, ইবনু নুমায়র, ইয়াহ্ইয়া ইবনুল ইয়াহ্ইয়া ও ইবনু মুসান্না (রহঃ) সব সানাদেই ইয়াযীদ আর্ রিশ্ক (রহঃ) হতে এ সূত্রে হাম্মাদ থেকে বর্নিতঃ
শাইবান ইবনু ফার্রূখ, আবূ বকর ইবনু আবূ শাইবাহ্, যুহায়র ইবনু হার্ব, ইসহাক্ ইবনু ইব্রাহীম, ইবনু নুমায়র, ইয়াহ্ইয়া ইবনুল ইয়াহ্ইয়া ও ইবনু মুসান্না (রহঃ) সব সানাদেই ইয়াযীদ আর্ রিশ্ক (রহঃ) হতে এ সূত্রে হাম্মাদ-এর হাদীসের অর্থে হাদীস বর্ণনা করেছেন। আর এছাড়া ‘আবদুল ওয়ারিস বর্ণিত হাদীসে রয়েছে, সে বলেছে, আমি বললাম, “হে আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)!” (ই.ফা. ৬৪৯৭, ই.সে. ৬৫৪৮)
حدثنا شيبان بن فروخ، حدثنا عبد الوارث، ح وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وزهير بن حرب وإسحاق بن إبراهيم وابن نمير عن ابن علية، ح وحدثنا يحيى بن يحيى، أخبرنا جعفر بن سليمان، ح وحدثنا ابن المثنى، حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، كلهم عن يزيد الرشك، في هذا الإسناد . بمعنى حديث حماد وفي حديث عبد الوارث قال قلت يا رسول الله .
সহিহ মুসলিম > আদাম (‘আঃ) ও মূসা (‘আঃ)-এর বাক-বিতণ্ডা
সহিহ মুসলিম ৬৬৩৬
حدثنا قتيبة بن سعيد، عن مالك بن أنس، فيما قرئ عليه عن أبي الزناد، عن الأعرج، عن أبي هريرة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " تحاج آدم وموسى فحج آدم موسى فقال له موسى أنت آدم الذي أغويت الناس وأخرجتهم من الجنة فقال آدم أنت الذي أعطاه الله علم كل شىء واصطفاه على الناس برسالته قال نعم . قال فتلومني على أمر قدر على قبل أن أخلق " .
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আদাম (‘আঃ) ও মূসা (‘আঃ) পরস্পরের বাদানুবাদ করেন। এতে আদাম (‘আঃ) মূসা (‘আঃ)-এর উপর জয়ী হলেন। মূসা (‘আঃ) আদাম-কে বললেন, আপনি তো সে আদাম (‘আঃ) যিনি মানুষদেরকে পথভ্রষ্ট করেছেন এবং জান্নাত হতে তাদেরকে বের করেছেন। তারপর আদাম (‘আঃ) বললেন, আপনি তো সে লোক (নাবী) যাকে আল্লাহ তা‘আলা সকল বস্তুর জ্ঞান দান করেছেন এবং তাকে মনোনীত করে রিসালাতের দায়িত্ব দিয়ে মানুষের নিকট প্রেরণ করেছেন? মূসা (‘আঃ) বললেন, হ্যাঁ। আদাম (‘আঃ) বললেন, আপনি আমাকে এমন একটি বিষয়ে ভর্ৎসনা করেছেন, যা আমার জন্মের আগেই আল্লাহ আমার জন্য নির্ধারণ করে দিয়েছেন। (ই.ফা. ৬৫০২, ই.সে. ৬৫৫৩)
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আদাম (‘আঃ) ও মূসা (‘আঃ) পরস্পরের বাদানুবাদ করেন। এতে আদাম (‘আঃ) মূসা (‘আঃ)-এর উপর জয়ী হলেন। মূসা (‘আঃ) আদাম-কে বললেন, আপনি তো সে আদাম (‘আঃ) যিনি মানুষদেরকে পথভ্রষ্ট করেছেন এবং জান্নাত হতে তাদেরকে বের করেছেন। তারপর আদাম (‘আঃ) বললেন, আপনি তো সে লোক (নাবী) যাকে আল্লাহ তা‘আলা সকল বস্তুর জ্ঞান দান করেছেন এবং তাকে মনোনীত করে রিসালাতের দায়িত্ব দিয়ে মানুষের নিকট প্রেরণ করেছেন? মূসা (‘আঃ) বললেন, হ্যাঁ। আদাম (‘আঃ) বললেন, আপনি আমাকে এমন একটি বিষয়ে ভর্ৎসনা করেছেন, যা আমার জন্মের আগেই আল্লাহ আমার জন্য নির্ধারণ করে দিয়েছেন। (ই.ফা. ৬৫০২, ই.সে. ৬৫৫৩)
حدثنا قتيبة بن سعيد، عن مالك بن أنس، فيما قرئ عليه عن أبي الزناد، عن الأعرج، عن أبي هريرة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " تحاج آدم وموسى فحج آدم موسى فقال له موسى أنت آدم الذي أغويت الناس وأخرجتهم من الجنة فقال آدم أنت الذي أعطاه الله علم كل شىء واصطفاه على الناس برسالته قال نعم . قال فتلومني على أمر قدر على قبل أن أخلق " .
সহিহ মুসলিম ৬৬৩৮
حدثني زهير بن حرب، وابن، حاتم قالا حدثنا يعقوب بن إبراهيم، حدثنا أبي، عن ابن شهاب، عن حميد بن عبد الرحمن، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " احتج آدم وموسى فقال له موسى أنت آدم الذي أخرجتك خطيئتك من الجنة فقال له آدم أنت موسى الذي اصطفاك الله برسالته وبكلامه ثم تلومني على أمر قد قدر على قبل أن أخلق فحج آدم موسى " .
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আদাম (‘আঃ) ও মূসা (‘আঃ) বাদানুবাদ করেন। তখন মূসা (‘আঃ) তাকে বললেন, আপনি তো সে আদাম (‘আঃ) যাকে তাঁর ভুলে জান্নাত হতে বের করে দিয়েছে। এরপর আদাম (‘আঃ) তাকে বললেন, আপনি তো সে মূসা (‘আঃ) আল্লাহ তা‘আলা যাকে তাঁর রিসালাত ও কথা বলার জন্যে বাছাই করেছেন। তারপরও তুমি আমাকে তিরস্কার করছ, এমন একটি ব্যাপারে, যা আমার জন্মের আগে আমার উপর ভাগ্যলিপিতে নির্ধারিত হয়েছিল। পরিশেষে আদাম (‘আঃ) মূসা (‘আঃ)-এর উপর জয়ী হলেন। (ই.ফা. ৬৫০৪, ই.সে. ৬৫৫৫)
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আদাম (‘আঃ) ও মূসা (‘আঃ) বাদানুবাদ করেন। তখন মূসা (‘আঃ) তাকে বললেন, আপনি তো সে আদাম (‘আঃ) যাকে তাঁর ভুলে জান্নাত হতে বের করে দিয়েছে। এরপর আদাম (‘আঃ) তাকে বললেন, আপনি তো সে মূসা (‘আঃ) আল্লাহ তা‘আলা যাকে তাঁর রিসালাত ও কথা বলার জন্যে বাছাই করেছেন। তারপরও তুমি আমাকে তিরস্কার করছ, এমন একটি ব্যাপারে, যা আমার জন্মের আগে আমার উপর ভাগ্যলিপিতে নির্ধারিত হয়েছিল। পরিশেষে আদাম (‘আঃ) মূসা (‘আঃ)-এর উপর জয়ী হলেন। (ই.ফা. ৬৫০৪, ই.সে. ৬৫৫৫)
حدثني زهير بن حرب، وابن، حاتم قالا حدثنا يعقوب بن إبراهيم، حدثنا أبي، عن ابن شهاب، عن حميد بن عبد الرحمن، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " احتج آدم وموسى فقال له موسى أنت آدم الذي أخرجتك خطيئتك من الجنة فقال له آدم أنت موسى الذي اصطفاك الله برسالته وبكلامه ثم تلومني على أمر قد قدر على قبل أن أخلق فحج آدم موسى " .
সহিহ মুসলিম ৬৬৪১
حدثني أبو الطاهر، أحمد بن عمرو بن عبد الله بن عمرو بن سرح حدثنا ابن، وهب أخبرني أبو هانئ الخولاني، عن أبي عبد الرحمن الحبلي، عن عبد الله بن عمرو، بن العاص قال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " كتب الله مقادير الخلائق قبل أن يخلق السموات والأرض بخمسين ألف سنة - قال - وعرشه على الماء " .
‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আম্র ইবনুল ‘আস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে বলতে শুনেছি যে, তিনি বলেছেন: আল্লাহ তা‘আলা সকল মাখলুকের তাকদীর আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবী সৃষ্টির পঞ্চাশ হাজার বৎসর পূর্বে লিখেছেন। তিনি বলেছেন, সে সময় আল্লাহর ‘আর্শ পানির উপরে ছিল। (ই.ফা. ৬৫০৭, ই.সে. ৬৫৫৮)
‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আম্র ইবনুল ‘আস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে বলতে শুনেছি যে, তিনি বলেছেন: আল্লাহ তা‘আলা সকল মাখলুকের তাকদীর আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবী সৃষ্টির পঞ্চাশ হাজার বৎসর পূর্বে লিখেছেন। তিনি বলেছেন, সে সময় আল্লাহর ‘আর্শ পানির উপরে ছিল। (ই.ফা. ৬৫০৭, ই.সে. ৬৫৫৮)
حدثني أبو الطاهر، أحمد بن عمرو بن عبد الله بن عمرو بن سرح حدثنا ابن، وهب أخبرني أبو هانئ الخولاني، عن أبي عبد الرحمن الحبلي، عن عبد الله بن عمرو، بن العاص قال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " كتب الله مقادير الخلائق قبل أن يخلق السموات والأرض بخمسين ألف سنة - قال - وعرشه على الماء " .
সহিহ মুসলিম ৬৬৩৫
حدثني محمد بن حاتم، وإبراهيم بن دينار، وابن أبي عمر المكي، وأحمد بن عبدة، الضبي جميعا عن ابن عيينة، - واللفظ لابن حاتم وابن دينار - قالا حدثنا سفيان بن، عيينة عن عمرو، عن طاوس، قال سمعت أبا هريرة، يقول قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " احتج آدم وموسى فقال موسى يا آدم أنت أبونا خيبتنا وأخرجتنا من الجنة فقال له آدم أنت موسى اصطفاك الله بكلامه وخط لك بيده أتلومني على أمر قدره الله على قبل أن يخلقني بأربعين سنة " . فقال النبي صلى الله عليه وسلم " فحج آدم موسى فحج آدم موسى " . وفي حديث ابن أبي عمر وابن عبدة قال أحدهما خط . وقال الآخر كتب لك التوراة بيده .
তাউস (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আবূ হুরায়রা (রাঃ)-কে বলতে শুনেছি। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আদাম (‘আঃ) ও মূসা (‘আঃ)-এর মাঝে বাক-বিতণ্ডা হয়। মূসা (‘আঃ) বললেন, হে আদাম! আপনি আমাদের পিতা, আপনি আমাদেরকে মাহরুম করেছেন এবং জান্নাত হতে আমাদেরকে বের করে দিয়েছেন। এরপর আদাম (‘আঃ) তাঁকে বললেন, আপনি তো মূসা (‘আঃ)। আল্লাহ তা‘আলা তাঁর সঙ্গে কথা বলতে আপনাকে চয়ন করেছেন এবং আপনাকে লিখিত কিতাব (তাওরাত) দিয়েছেন। আপনি কি এমন বিষয়ে আমাকে ভর্ৎসনা করছেন যা আমার সৃষ্টির চল্লিশ বৎসর আগে আল্লাহ তা‘আলা নির্ধারণ করে রেখেছেন? রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, আদাম (‘আঃ) মূসা (‘আঃ)-এর উপর বাক-বিতণ্ডায় জয়ী হলেন। আদাম (‘আঃ) মূসা (‘আঃ)-এর উপর বাক-বিতণ্ডায় জয়ী হলেন। আর ইবনু আবূ ‘উমার ও ইবনু ‘আব্দাহ্ বর্ণিত হাদীসে তাদের একজন বলেছেন, লিখে দিয়েছেন; অপরজন বলেছেন, তিনি তাঁর হস্তে আপনার জন্য তাওরাত লিখে দিয়েছেন। (ই.ফা. ৬৫০১, ই.সে. ৬৫৫২)
তাউস (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আবূ হুরায়রা (রাঃ)-কে বলতে শুনেছি। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আদাম (‘আঃ) ও মূসা (‘আঃ)-এর মাঝে বাক-বিতণ্ডা হয়। মূসা (‘আঃ) বললেন, হে আদাম! আপনি আমাদের পিতা, আপনি আমাদেরকে মাহরুম করেছেন এবং জান্নাত হতে আমাদেরকে বের করে দিয়েছেন। এরপর আদাম (‘আঃ) তাঁকে বললেন, আপনি তো মূসা (‘আঃ)। আল্লাহ তা‘আলা তাঁর সঙ্গে কথা বলতে আপনাকে চয়ন করেছেন এবং আপনাকে লিখিত কিতাব (তাওরাত) দিয়েছেন। আপনি কি এমন বিষয়ে আমাকে ভর্ৎসনা করছেন যা আমার সৃষ্টির চল্লিশ বৎসর আগে আল্লাহ তা‘আলা নির্ধারণ করে রেখেছেন? রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, আদাম (‘আঃ) মূসা (‘আঃ)-এর উপর বাক-বিতণ্ডায় জয়ী হলেন। আদাম (‘আঃ) মূসা (‘আঃ)-এর উপর বাক-বিতণ্ডায় জয়ী হলেন। আর ইবনু আবূ ‘উমার ও ইবনু ‘আব্দাহ্ বর্ণিত হাদীসে তাদের একজন বলেছেন, লিখে দিয়েছেন; অপরজন বলেছেন, তিনি তাঁর হস্তে আপনার জন্য তাওরাত লিখে দিয়েছেন। (ই.ফা. ৬৫০১, ই.সে. ৬৫৫২)
حدثني محمد بن حاتم، وإبراهيم بن دينار، وابن أبي عمر المكي، وأحمد بن عبدة، الضبي جميعا عن ابن عيينة، - واللفظ لابن حاتم وابن دينار - قالا حدثنا سفيان بن، عيينة عن عمرو، عن طاوس، قال سمعت أبا هريرة، يقول قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " احتج آدم وموسى فقال موسى يا آدم أنت أبونا خيبتنا وأخرجتنا من الجنة فقال له آدم أنت موسى اصطفاك الله بكلامه وخط لك بيده أتلومني على أمر قدره الله على قبل أن يخلقني بأربعين سنة " . فقال النبي صلى الله عليه وسلم " فحج آدم موسى فحج آدم موسى " . وفي حديث ابن أبي عمر وابن عبدة قال أحدهما خط . وقال الآخر كتب لك التوراة بيده .
সহিহ মুসলিম ৬৬৩৭
حدثنا إسحاق بن موسى بن عبد الله بن موسى بن عبد الله بن يزيد الأنصاري، حدثنا أنس بن عياض، حدثني الحارث بن أبي ذباب، عن يزيد، - وهو ابن هرمز - وعبد الرحمن الأعرج قالا سمعنا أبا هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " احتج آدم وموسى عليهما السلام عند ربهما فحج آدم موسى قال موسى أنت آدم الذي خلقك الله بيده ونفخ فيك من روحه وأسجد لك ملائكته وأسكنك في جنته ثم أهبطت الناس بخطيئتك إلى الأرض فقال آدم أنت موسى الذي اصطفاك الله برسالته وبكلامه وأعطاك الألواح فيها تبيان كل شىء وقربك نجيا فبكم وجدت الله كتب التوراة قبل أن أخلق قال موسى بأربعين عاما . قال آدم فهل وجدت فيها { وعصى آدم ربه فغوى} قال نعم . قال أفتلومني على أن عملت عملا كتبه الله على أن أعمله قبل أن يخلقني بأربعين سنة قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " فحج آدم موسى " .
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আদাম (‘আঃ) ও মূসা (‘আঃ) তাঁদের রবের নিকট ঝগড়া করলেন।৫ অতঃপর আদাম (‘আঃ) মূসা (আঃ)-এর উপর জয়ী হলেন। মূসা (‘আঃ) বললেন, আপনি তো সে আদাম (‘আঃ) যাকে আল্লাহ তা‘আলা নিজ হস্তে সৃষ্টি করেছেন এবং আপনার মধ্যে তিনি তাঁর রূহকে ফুঁকে দিয়েছেন, তিনি তাঁর ফেরেশ্তাদের দিয়ে আপনাকে সাজদাহ্ করিয়েছেন এবং তাঁর জান্নাতে আপনাকে আবাসন করে দিয়েছেন। তারপর আপনি আপনার ভুলের কারণে মানবজাতিকে দুনিয়াতে নামিয়ে দিয়েছেন? এরপর আদাম (‘আঃ) বললেন, আপনি তো সে মূসা (‘আঃ) যাকে আল্লাহ তা‘আলা রিসালাত দিয়েছেন তার সাথে কথা বলার জন্য বাছাই করেছেন এবং আপনাকে দান করেছেন তক্তিসমূহ, তাতে সব বিষয়ের বর্ণনা লিখিত রয়েছে এং নির্জনে আলাপচারিতার জন্যে নৈকট্য দান করেছেন। সুতরাং আমার জন্মের কত বৎসর পূর্বে আল্লাহ তা‘আলা তাওরাত লিপিবদ্ধ করেছেন তা-কি আপনি দেখেছেন? মূসা (‘আঃ) বললেন, চল্লিশ বৎসর পূর্বে। আদাম (‘আঃ) বললেন, আপনি কি তাতে পাননি- ‘আদাম তাঁর রবের আদেশ অমান্য করেছেন এবং পথভ্রষ্ট হয়েছেন’। আদাম (‘আঃ) বললেন, এরপর আপনি আমাকে আমার এমন কর্মের জন্য কেন ভর্ৎসনা করছেন যা আমাকে সৃষ্টি করার চল্লিশ বৎসর পূর্বে আল্লাহ তা‘আলা আমার উপর লিখে রেখেছেন? রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, এরপর আদাম (‘আঃ) মূসা (‘আঃ)-এর উপর জয়ী হলেন। (ই.ফা. ৬৫০৩, ই.সে. ৬৫৫৪)
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আদাম (‘আঃ) ও মূসা (‘আঃ) তাঁদের রবের নিকট ঝগড়া করলেন।৫ অতঃপর আদাম (‘আঃ) মূসা (আঃ)-এর উপর জয়ী হলেন। মূসা (‘আঃ) বললেন, আপনি তো সে আদাম (‘আঃ) যাকে আল্লাহ তা‘আলা নিজ হস্তে সৃষ্টি করেছেন এবং আপনার মধ্যে তিনি তাঁর রূহকে ফুঁকে দিয়েছেন, তিনি তাঁর ফেরেশ্তাদের দিয়ে আপনাকে সাজদাহ্ করিয়েছেন এবং তাঁর জান্নাতে আপনাকে আবাসন করে দিয়েছেন। তারপর আপনি আপনার ভুলের কারণে মানবজাতিকে দুনিয়াতে নামিয়ে দিয়েছেন? এরপর আদাম (‘আঃ) বললেন, আপনি তো সে মূসা (‘আঃ) যাকে আল্লাহ তা‘আলা রিসালাত দিয়েছেন তার সাথে কথা বলার জন্য বাছাই করেছেন এবং আপনাকে দান করেছেন তক্তিসমূহ, তাতে সব বিষয়ের বর্ণনা লিখিত রয়েছে এং নির্জনে আলাপচারিতার জন্যে নৈকট্য দান করেছেন। সুতরাং আমার জন্মের কত বৎসর পূর্বে আল্লাহ তা‘আলা তাওরাত লিপিবদ্ধ করেছেন তা-কি আপনি দেখেছেন? মূসা (‘আঃ) বললেন, চল্লিশ বৎসর পূর্বে। আদাম (‘আঃ) বললেন, আপনি কি তাতে পাননি- ‘আদাম তাঁর রবের আদেশ অমান্য করেছেন এবং পথভ্রষ্ট হয়েছেন’। আদাম (‘আঃ) বললেন, এরপর আপনি আমাকে আমার এমন কর্মের জন্য কেন ভর্ৎসনা করছেন যা আমাকে সৃষ্টি করার চল্লিশ বৎসর পূর্বে আল্লাহ তা‘আলা আমার উপর লিখে রেখেছেন? রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, এরপর আদাম (‘আঃ) মূসা (‘আঃ)-এর উপর জয়ী হলেন। (ই.ফা. ৬৫০৩, ই.সে. ৬৫৫৪)
حدثنا إسحاق بن موسى بن عبد الله بن موسى بن عبد الله بن يزيد الأنصاري، حدثنا أنس بن عياض، حدثني الحارث بن أبي ذباب، عن يزيد، - وهو ابن هرمز - وعبد الرحمن الأعرج قالا سمعنا أبا هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " احتج آدم وموسى عليهما السلام عند ربهما فحج آدم موسى قال موسى أنت آدم الذي خلقك الله بيده ونفخ فيك من روحه وأسجد لك ملائكته وأسكنك في جنته ثم أهبطت الناس بخطيئتك إلى الأرض فقال آدم أنت موسى الذي اصطفاك الله برسالته وبكلامه وأعطاك الألواح فيها تبيان كل شىء وقربك نجيا فبكم وجدت الله كتب التوراة قبل أن أخلق قال موسى بأربعين عاما . قال آدم فهل وجدت فيها { وعصى آدم ربه فغوى} قال نعم . قال أفتلومني على أن عملت عملا كتبه الله على أن أعمله قبل أن يخلقني بأربعين سنة قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " فحج آدم موسى " .
সহিহ মুসলিম ৬৬৩৯
حدثني عمرو الناقد، حدثنا أيوب بن النجار اليمامي، حدثنا يحيى بن أبي كثير، عن أبي سلمة، عن أبي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم ح وحدثنا ابن رافع، حدثنا عبد الرزاق، أخبرنا معمر، عن همام بن منبه، عن أبي، هريرة عن النبي صلى الله عليه وسلم بمعنى حديثهم .
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ)-এর সানাদে নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্নিতঃ
আবূ হুরায়রা্ (রাঃ)-এর সানাদে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে তাদের হাদীসের মর্মের হুবহু বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৬৫০৫, ই.সে. ৬৫৫৬)
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ)-এর সানাদে নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্নিতঃ
আবূ হুরায়রা্ (রাঃ)-এর সানাদে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে তাদের হাদীসের মর্মের হুবহু বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৬৫০৫, ই.সে. ৬৫৫৬)
حدثني عمرو الناقد، حدثنا أيوب بن النجار اليمامي، حدثنا يحيى بن أبي كثير، عن أبي سلمة، عن أبي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم ح وحدثنا ابن رافع، حدثنا عبد الرزاق، أخبرنا معمر، عن همام بن منبه، عن أبي، هريرة عن النبي صلى الله عليه وسلم بمعنى حديثهم .
সহিহ মুসলিম ৬৬৪০
وحدثنا محمد بن منهال الضرير، حدثنا يزيد بن زريع، حدثنا هشام بن حسان، عن محمد بن سيرين، عن أبي هريرة، عن رسول الله صلى الله عليه وسلم نحو حديثهم .
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আবূ হুরায়রা্ (রাঃ)-এর সানাদে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে তাদের হাদীসের হুবহু বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৬৫০৬, ই.সে. ৬৫৫৭)
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আবূ হুরায়রা্ (রাঃ)-এর সানাদে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে তাদের হাদীসের হুবহু বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৬৫০৬, ই.সে. ৬৫৫৭)
وحدثنا محمد بن منهال الضرير، حدثنا يزيد بن زريع، حدثنا هشام بن حسان، عن محمد بن سيرين، عن أبي هريرة، عن رسول الله صلى الله عليه وسلم نحو حديثهم .
সহিহ মুসলিম ৬৬৪২
حدثنا ابن أبي عمر، حدثنا المقرئ، حدثنا حيوة، ح وحدثني محمد بن سهل التميمي، حدثنا ابن أبي مريم، أخبرنا نافع، - يعني ابن يزيد - كلاهما عن أبي هانئ، . بهذا الإسناد مثله غير أنهما لم يذكرا وعرشه على الماء .
আবূ হানী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আবূ হানী (রাঃ)-এর সানাদে তার হাদীসৈর হুবহু বর্ণনা করেছেন। তবে তারা উভয়ে তাদের হাদীসে “তাঁর ‘আর্শ পানির উপর ছিল” কথাটি উল্লেখ করেননি। (ই.ফা. ৬৫০৮, ই.সে. ৬৫৫৯)
আবূ হানী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আবূ হানী (রাঃ)-এর সানাদে তার হাদীসৈর হুবহু বর্ণনা করেছেন। তবে তারা উভয়ে তাদের হাদীসে “তাঁর ‘আর্শ পানির উপর ছিল” কথাটি উল্লেখ করেননি। (ই.ফা. ৬৫০৮, ই.সে. ৬৫৫৯)
حدثنا ابن أبي عمر، حدثنا المقرئ، حدثنا حيوة، ح وحدثني محمد بن سهل التميمي، حدثنا ابن أبي مريم، أخبرنا نافع، - يعني ابن يزيد - كلاهما عن أبي هانئ، . بهذا الإسناد مثله غير أنهما لم يذكرا وعرشه على الماء .
সহিহ মুসলিম > আল্লাহ তা‘আলা যেভাবে চান হৃদয়সমূহ পরিবর্তন করেন
সহিহ মুসলিম ৬৬৪৩
حدثني زهير بن حرب، وابن، نمير كلاهما عن المقرئ، قال زهير حدثنا عبد، الله بن يزيد المقرئ قال حدثنا حيوة، أخبرني أبو هانئ، أنه سمع أبا عبد الرحمن الحبلي، أنه سمع عبد الله بن عمرو بن العاص، يقول أنه سمع رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " إن قلوب بني آدم كلها بين إصبعين من أصابع الرحمن كقلب واحد يصرفه حيث يشاء " . ثم قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " اللهم مصرف القلوب صرف قلوبنا على طاعتك " .
‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আম্র ইবনুল ‘আস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছেন যে, তিনি বলেছেন, আদাম সন্তানের কল্বসমূহ পরম দয়াময় আল্লাহ তা‘আলার দু’আঙ্গুলের মধ্যে এমনভাবে আছে যেন তা একটি কল্ব। তিনি যেভাবে চান সেভাবেই তা উলটপালট করেন। এরপর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, “কল্বসমূহের পরিচালক হে আল্লাহ! আপনি আমাদের কল্বসমূহকে তোমার বশ্যতার উপর স্থির রাখুন।” (ই.ফা. ৬৫০৯, ই.সে. ৬৫৬০)
‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আম্র ইবনুল ‘আস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছেন যে, তিনি বলেছেন, আদাম সন্তানের কল্বসমূহ পরম দয়াময় আল্লাহ তা‘আলার দু’আঙ্গুলের মধ্যে এমনভাবে আছে যেন তা একটি কল্ব। তিনি যেভাবে চান সেভাবেই তা উলটপালট করেন। এরপর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, “কল্বসমূহের পরিচালক হে আল্লাহ! আপনি আমাদের কল্বসমূহকে তোমার বশ্যতার উপর স্থির রাখুন।” (ই.ফা. ৬৫০৯, ই.সে. ৬৫৬০)
حدثني زهير بن حرب، وابن، نمير كلاهما عن المقرئ، قال زهير حدثنا عبد، الله بن يزيد المقرئ قال حدثنا حيوة، أخبرني أبو هانئ، أنه سمع أبا عبد الرحمن الحبلي، أنه سمع عبد الله بن عمرو بن العاص، يقول أنه سمع رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " إن قلوب بني آدم كلها بين إصبعين من أصابع الرحمن كقلب واحد يصرفه حيث يشاء " . ثم قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " اللهم مصرف القلوب صرف قلوبنا على طاعتك " .
সহিহ মুসলিম > সকল বিষয় নির্ধারিত
সহিহ মুসলিম ৬৬৪৫
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وأبو كريب قالا حدثنا وكيع، عن سفيان، عن زياد، بن إسماعيل عن محمد بن عباد بن جعفر المخزومي، عن أبي هريرة، قال جاء مشركو قريش يخاصمون رسول الله صلى الله عليه وسلم في القدر فنزلت { يوم يسحبون في النار على وجوههم ذوقوا مس سقر* إنا كل شىء خلقناه بقدر}
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, কুরায়শ গোত্রের মুশরিক্রা ভাগ্যলিপির ব্যাপারে বিবাদ করতে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট আগমন করলো। তারপর এ আয়াত নাযিল হলো- “যেদিন তাদেরকে নিম্নমুখী করে জাহান্নামে টেনে আনা হবে এবং (বলা হবে) জাহান্নামের আগুনের ছোয়া আস্বাদন করো। নিশ্চয়ই আমি সকল বিষয়বস্তু পরিমিত পরিমাণে সৃষ্টি করেছি।” (ই.ফা. ৬৫১১, ই.সে. ৬৫৬২)
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, কুরায়শ গোত্রের মুশরিক্রা ভাগ্যলিপির ব্যাপারে বিবাদ করতে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট আগমন করলো। তারপর এ আয়াত নাযিল হলো- “যেদিন তাদেরকে নিম্নমুখী করে জাহান্নামে টেনে আনা হবে এবং (বলা হবে) জাহান্নামের আগুনের ছোয়া আস্বাদন করো। নিশ্চয়ই আমি সকল বিষয়বস্তু পরিমিত পরিমাণে সৃষ্টি করেছি।” (ই.ফা. ৬৫১১, ই.সে. ৬৫৬২)
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وأبو كريب قالا حدثنا وكيع، عن سفيان، عن زياد، بن إسماعيل عن محمد بن عباد بن جعفر المخزومي، عن أبي هريرة، قال جاء مشركو قريش يخاصمون رسول الله صلى الله عليه وسلم في القدر فنزلت { يوم يسحبون في النار على وجوههم ذوقوا مس سقر* إنا كل شىء خلقناه بقدر}
সহিহ মুসলিম ৬৬৪৪
حدثني عبد الأعلى بن حماد، قال قرأت على مالك بن أنس ح وحدثنا قتيبة، بن سعيد عن مالك، فيما قرئ عليه عن زياد بن سعد، عن عمرو بن مسلم، عن طاوس، أنه قال أدركت ناسا من أصحاب رسول الله صلى الله عليه وسلم يقولون كل شىء بقدر . قال وسمعت عبد الله بن عمر يقول قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " كل شىء بقدر حتى العجز والكيس أو الكيس والعجز " .
তাউস (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সহাবাদের মধ্য থেকে কিছু সংখ্যক সহাবাকে দেখতে পেয়েছি। তারা বলতেন যে, সকল বিষয় নির্ধারিত (সৃষ্ট)। তিনি বলেন, আমি ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ)-কে বলতে শুনেছি যে, তিনি বলেছেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ সকল বিষয় নির্দিষ্ট পরিমাণে সৃষ্ট; এমনকি অক্ষমতা ও বুদ্ধিমত্তা বা বুদ্ধিমত্তা ও অক্ষমতাও। (ই.ফা. ৬৫১০, ই.সে. ৬৫৬১)
তাউস (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সহাবাদের মধ্য থেকে কিছু সংখ্যক সহাবাকে দেখতে পেয়েছি। তারা বলতেন যে, সকল বিষয় নির্ধারিত (সৃষ্ট)। তিনি বলেন, আমি ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ)-কে বলতে শুনেছি যে, তিনি বলেছেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ সকল বিষয় নির্দিষ্ট পরিমাণে সৃষ্ট; এমনকি অক্ষমতা ও বুদ্ধিমত্তা বা বুদ্ধিমত্তা ও অক্ষমতাও। (ই.ফা. ৬৫১০, ই.সে. ৬৫৬১)
حدثني عبد الأعلى بن حماد، قال قرأت على مالك بن أنس ح وحدثنا قتيبة، بن سعيد عن مالك، فيما قرئ عليه عن زياد بن سعد، عن عمرو بن مسلم، عن طاوس، أنه قال أدركت ناسا من أصحاب رسول الله صلى الله عليه وسلم يقولون كل شىء بقدر . قال وسمعت عبد الله بن عمر يقول قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " كل شىء بقدر حتى العجز والكيس أو الكيس والعجز " .