সহিহ মুসলিম > সৃষ্টিগত ভাবে মানুষ নিজেকে আয়ত্তে রাখতে ক্ষমতা রাখে না

সহিহ মুসলিম ৬৫৪৩

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا يونس بن محمد، عن حماد بن سلمة، عن ثابت، عن أنس، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ لما صور الله آدم في الجنة تركه ما شاء الله أن يتركه فجعل إبليس يطيف به ينظر ما هو فلما رآه أجوف عرف أنه خلق خلقا لا يتمالك ‏"‏ ‏.‏

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আল্লাহ তা‘আলা জান্নাতে যখন আদাম (‘আঃ)-এর আকৃতি সৃষ্টি করেন তখন আল্লাহ তা‘আলা তাকে নিজের ইচ্ছামত ফেলে রাখলেন। আর ইব্লীস তার চতুর্দিকে প্রদক্ষিণ করতো এবং দেখতে থাকতো যে, পদার্থটি কি? সে যখন দেখতে পেল তা খালী পাত্র তখন সে বুঝল যে, তাকে এমন এক স্বভাব দিয়ে সৃষ্টি করা হয়েছে, যে নিজকে আয়ত্তে রাখতে পারে না। (ই.ফা.৬৪১১, ই.সে.৬৪৬১)

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আল্লাহ তা‘আলা জান্নাতে যখন আদাম (‘আঃ)-এর আকৃতি সৃষ্টি করেন তখন আল্লাহ তা‘আলা তাকে নিজের ইচ্ছামত ফেলে রাখলেন। আর ইব্লীস তার চতুর্দিকে প্রদক্ষিণ করতো এবং দেখতে থাকতো যে, পদার্থটি কি? সে যখন দেখতে পেল তা খালী পাত্র তখন সে বুঝল যে, তাকে এমন এক স্বভাব দিয়ে সৃষ্টি করা হয়েছে, যে নিজকে আয়ত্তে রাখতে পারে না। (ই.ফা.৬৪১১, ই.সে.৬৪৬১)

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا يونس بن محمد، عن حماد بن سلمة، عن ثابت، عن أنس، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ لما صور الله آدم في الجنة تركه ما شاء الله أن يتركه فجعل إبليس يطيف به ينظر ما هو فلما رآه أجوف عرف أنه خلق خلقا لا يتمالك ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৬৫৪৪

حدثنا أبو بكر بن نافع، حدثنا بهز، حدثنا حماد، بهذا الإسناد نحوه ‏.‏

হাম্মাদ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

হাম্মাদ (রহঃ) এ সূত্রে হুবহু বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা.৬৪১২, ই.সে.৬৪৬২)

হাম্মাদ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

হাম্মাদ (রহঃ) এ সূত্রে হুবহু বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা.৬৪১২, ই.সে.৬৪৬২)

حدثنا أبو بكر بن نافع، حدثنا بهز، حدثنا حماد، بهذا الإسناد نحوه ‏.‏


সহিহ মুসলিম > চেহারায় প্রহার করা নিষিদ্বকরণ

সহিহ মুসলিম ৬৫৪৫

حدثنا عبد الله بن مسلمة بن قعنب، حدثنا المغيرة، - يعني الحزامي - عن أبي، الزناد عن الأعرج، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ إذا قاتل أحدكم أخاه فليجتنب الوجه ‏"‏ ‏.‏

আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: যখন তোমাদের মাঝে কোন ভাই তার ভাই-এর সাথে ঝগড়া-বিবাদ করে তখন সে যেন তার মুখের উপর আঘাত করা থেকে বিরত থাকে। (ই.ফা.৬৪১৩, ই.সে.৬৪৬৩)

আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: যখন তোমাদের মাঝে কোন ভাই তার ভাই-এর সাথে ঝগড়া-বিবাদ করে তখন সে যেন তার মুখের উপর আঘাত করা থেকে বিরত থাকে। (ই.ফা.৬৪১৩, ই.সে.৬৪৬৩)

حدثنا عبد الله بن مسلمة بن قعنب، حدثنا المغيرة، - يعني الحزامي - عن أبي، الزناد عن الأعرج، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ إذا قاتل أحدكم أخاه فليجتنب الوجه ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৬৫৪৯

حدثنا نصر بن علي الجهضمي، حدثني أبي، حدثنا المثنى، ح وحدثني محمد بن، حاتم حدثنا عبد الرحمن بن مهدي، عن المثنى بن سعيد، عن قتادة، عن أبي أيوب، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم وفي حديث ابن حاتم عن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ إذا قاتل أحدكم أخاه فليجتنب الوجه فإن الله خلق آدم على صورته ‏"‏ ‏.‏

আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: আর ইবনু হাহিম-এর বর্ণনায় আছে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে বর্ণিত, যখন তোমাদের মধ্যে কেউ তার অন্য ভাইকে আঘাত করে সে যেন তার ভাইয়ের মুখমন্ডলে আঘাত করা হতে বিরত থাকে। কেননা আল্লাহ তা‘আলা আদাম (‘আঃ)-কে তার নিজ রূপে সৃষ্টি করেছেন। (ই.ফা.৬৪১৭, ই.সে.৬৪৬৭)

আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: আর ইবনু হাহিম-এর বর্ণনায় আছে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে বর্ণিত, যখন তোমাদের মধ্যে কেউ তার অন্য ভাইকে আঘাত করে সে যেন তার ভাইয়ের মুখমন্ডলে আঘাত করা হতে বিরত থাকে। কেননা আল্লাহ তা‘আলা আদাম (‘আঃ)-কে তার নিজ রূপে সৃষ্টি করেছেন। (ই.ফা.৬৪১৭, ই.সে.৬৪৬৭)

حدثنا نصر بن علي الجهضمي، حدثني أبي، حدثنا المثنى، ح وحدثني محمد بن، حاتم حدثنا عبد الرحمن بن مهدي، عن المثنى بن سعيد، عن قتادة، عن أبي أيوب، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم وفي حديث ابن حاتم عن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ إذا قاتل أحدكم أخاه فليجتنب الوجه فإن الله خلق آدم على صورته ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৬৫৪৮

حدثنا عبيد الله بن معاذ العنبري، حدثنا أبي، حدثنا شعبة، عن قتادة، سمع أبا، أيوب يحدث عن أبي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ إذا قاتل أحدكم أخاه فلا يلطمن الوجه ‏"‏ ‏.‏

আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: তোমাদের মাঝে কোন ব্যক্তি যদি তার ভাইয়ের সাথে মারামারি করে তখন সে যেন তার চেহারায় চপেটাঘাত না করে। (ই.ফা.৬৪১৬, ই.সে.৬৪৬৬)

আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: তোমাদের মাঝে কোন ব্যক্তি যদি তার ভাইয়ের সাথে মারামারি করে তখন সে যেন তার চেহারায় চপেটাঘাত না করে। (ই.ফা.৬৪১৬, ই.সে.৬৪৬৬)

حدثنا عبيد الله بن معاذ العنبري، حدثنا أبي، حدثنا شعبة، عن قتادة، سمع أبا، أيوب يحدث عن أبي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ إذا قاتل أحدكم أخاه فلا يلطمن الوجه ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৬৫৪৭

حدثنا شيبان بن فروخ، حدثنا أبو عوانة، عن سهيل، عن أبيه، عن أبي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ إذا قاتل أحدكم أخاه فليتق الوجه ‏"‏ ‏.‏

আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: তোমাদের কোন ভাই যখন কোন ভাইয়ের সাথে ঝগড়া করে তখন সে যেন মুখমন্ডলকে পরহেয করে (মুখমন্ডলে প্রহার না করে)। (ই.ফা.৬৪১৫, ই.সে.৬৪৬৫)

আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: তোমাদের কোন ভাই যখন কোন ভাইয়ের সাথে ঝগড়া করে তখন সে যেন মুখমন্ডলকে পরহেয করে (মুখমন্ডলে প্রহার না করে)। (ই.ফা.৬৪১৫, ই.সে.৬৪৬৫)

حدثنا شيبان بن فروخ، حدثنا أبو عوانة، عن سهيل، عن أبيه، عن أبي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ إذا قاتل أحدكم أخاه فليتق الوجه ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৬৫৪৬

حدثنا عمرو الناقد، وزهير بن حرب، قالا حدثنا سفيان بن عيينة، عن أبي الزناد، بهذا الإسناد وقال ‏ "‏ إذا ضرب أحدكم ‏"‏ ‏.‏

আবূ যিনাদ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

আবূ যিনাদ (রহঃ) থেকে এ সূত্রে হুবহু হাদীস বর্ণনা করেছেন। আর তিনি বলেছেন, তোমাদের কোন ভাই যখন অন্য ভাইকে মারে….। (ই.ফা.৬৪১৪, ই.সে.৬৪৬৪)

আবূ যিনাদ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

আবূ যিনাদ (রহঃ) থেকে এ সূত্রে হুবহু হাদীস বর্ণনা করেছেন। আর তিনি বলেছেন, তোমাদের কোন ভাই যখন অন্য ভাইকে মারে….। (ই.ফা.৬৪১৪, ই.সে.৬৪৬৪)

حدثنا عمرو الناقد، وزهير بن حرب، قالا حدثنا سفيان بن عيينة، عن أبي الزناد، بهذا الإسناد وقال ‏ "‏ إذا ضرب أحدكم ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৬৫৫০

حدثنا محمد بن المثنى، حدثني عبد الصمد، حدثنا همام، حدثنا قتادة، عن يحيى، بن مالك المراغي - وهو أبو أيوب - عن أبي هريرة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ إذا قاتل أحدكم أخاه فليجتنب الوجه ‏"‏ ‏.‏

আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: তোমাদের মধ্যে কোন ভাই যদি তার অন্য ভাইকে আঘাত করে, সে যেন তার মুখমন্ডলে আঘাত করা হতে বিরত থাকে। (ই.ফা.৬৪১৮, ই.সে.৬৪৬৮)

আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: তোমাদের মধ্যে কোন ভাই যদি তার অন্য ভাইকে আঘাত করে, সে যেন তার মুখমন্ডলে আঘাত করা হতে বিরত থাকে। (ই.ফা.৬৪১৮, ই.সে.৬৪৬৮)

حدثنا محمد بن المثنى، حدثني عبد الصمد، حدثنا همام، حدثنا قتادة، عن يحيى، بن مالك المراغي - وهو أبو أيوب - عن أبي هريرة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ إذا قاتل أحدكم أخاه فليجتنب الوجه ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম > নির্দোষীকে শাস্তিদাতার প্রতি কঠিন ধমকি

সহিহ মুসলিম ৬৫৫৪

حدثني أبو الطاهر، أخبرنا ابن وهب، أخبرني يونس، عن ابن شهاب، عن عروة، بن الزبير أن هشام بن حكيم، وجد رجلا وهو على حمص يشمس ناسا من النبط في أداء الجزية فقال ما هذا إني سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول ‏ "‏ إن الله يعذب الذين يعذبون الناس في الدنيا ‏"‏ ‏.‏

হিশাম ইবনু হাকীম (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি হিমস্‌ এলাকার একব্যক্তি (আমীর)-কে দেখতে পান যে, তিনি জিয্‍য়াহ্ আদায়ের জন্য কৃষকদের সূর্যের তাপে সাজা দিচ্ছেন। তখন তিনি বললেন, এ কী ব্যাপার? আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি, তিনি বলেছেন, নিশ্চয়ই আল্লাহ তা‘আলা সেসব মানুষকে সাজা দিবেন, যারা ইহজগতে মানুষকে (অন্যায়ভাবে) সাজা দেয়। (ই.ফা.৬৪২২, ই.সে.৬৪৭২)

হিশাম ইবনু হাকীম (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি হিমস্‌ এলাকার একব্যক্তি (আমীর)-কে দেখতে পান যে, তিনি জিয্‍য়াহ্ আদায়ের জন্য কৃষকদের সূর্যের তাপে সাজা দিচ্ছেন। তখন তিনি বললেন, এ কী ব্যাপার? আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি, তিনি বলেছেন, নিশ্চয়ই আল্লাহ তা‘আলা সেসব মানুষকে সাজা দিবেন, যারা ইহজগতে মানুষকে (অন্যায়ভাবে) সাজা দেয়। (ই.ফা.৬৪২২, ই.সে.৬৪৭২)

حدثني أبو الطاهر، أخبرنا ابن وهب، أخبرني يونس، عن ابن شهاب، عن عروة، بن الزبير أن هشام بن حكيم، وجد رجلا وهو على حمص يشمس ناسا من النبط في أداء الجزية فقال ما هذا إني سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول ‏ "‏ إن الله يعذب الذين يعذبون الناس في الدنيا ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৬৫৫১

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا حفص بن غياث، عن هشام بن عروة، عن أبيه، عن هشام بن حكيم بن حزام، قال مر بالشام على أناس وقد أقيموا في الشمس وصب على رءوسهم الزيت فقال ما هذا قيل يعذبون في الخراج ‏.‏ فقال أما إني سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول ‏ "‏ إن الله يعذب الذين يعذبون في الدنيا ‏"‏ ‏.‏

হিশাম ইবনু হাকীম ইবনু হিযাম (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন যে, তিনি একবার সিরিয়ায় কয়েকজন মানুষের কাছ দিয়ে যাচ্ছিলেন, যাদেরকে উত্তপ্ত সূর্যতে দাঁড় করিয়ে রাখা হয়েছিল এবং তাদের মাথার উপর গরম তেল ঢালা হচ্ছিল। তখন তিনি বললেন, এটা কী? তাকে বলা হলো যে, তাদেরকে খাযনার জন্য সাজা দেয়া হচ্ছে। তখন তিনি বললেন, হুশিয়ার! আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি যে, তিনি বলেছেন: নিশ্চয়ই আল্লাহ তা‘আলা সেসব লোকদের সাজা দিবেন, যারা এ জগতে মানুষকে (অন্যায়) সাজা দেয়। (ই.ফা.৬৪১৯, ই.সে.৬৪৬৯)

হিশাম ইবনু হাকীম ইবনু হিযাম (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন যে, তিনি একবার সিরিয়ায় কয়েকজন মানুষের কাছ দিয়ে যাচ্ছিলেন, যাদেরকে উত্তপ্ত সূর্যতে দাঁড় করিয়ে রাখা হয়েছিল এবং তাদের মাথার উপর গরম তেল ঢালা হচ্ছিল। তখন তিনি বললেন, এটা কী? তাকে বলা হলো যে, তাদেরকে খাযনার জন্য সাজা দেয়া হচ্ছে। তখন তিনি বললেন, হুশিয়ার! আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি যে, তিনি বলেছেন: নিশ্চয়ই আল্লাহ তা‘আলা সেসব লোকদের সাজা দিবেন, যারা এ জগতে মানুষকে (অন্যায়) সাজা দেয়। (ই.ফা.৬৪১৯, ই.সে.৬৪৬৯)

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا حفص بن غياث، عن هشام بن عروة، عن أبيه، عن هشام بن حكيم بن حزام، قال مر بالشام على أناس وقد أقيموا في الشمس وصب على رءوسهم الزيت فقال ما هذا قيل يعذبون في الخراج ‏.‏ فقال أما إني سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول ‏ "‏ إن الله يعذب الذين يعذبون في الدنيا ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৬৫৫২

حدثنا أبو كريب، حدثنا أبو أسامة، عن هشام، عن أبيه، قال مر هشام بن حكيم بن حزام على أناس من الأنباط بالشام قد أقيموا في الشمس فقال ما شأنهم قالوا حبسوا في الجزية ‏.‏ فقال هشام أشهد لسمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول ‏ "‏ إن الله يعذب الذين يعذبون الناس في الدنيا ‏"‏ ‏.‏

হিশাম (রাঃ)-এর পিতা থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একবার হিশাম ইবনু হাকিম ইবনু হিযাম সিরিয়ার কৃষকদের কাছ দিয়ে যাচ্ছিলেন। এদের কঠিন রৌদ্রে দাঁড় করিয়ে রাখা হয়েছিল। তিনি বললেন, এদের কী হয়েছে? তারা বলল, জিয্‌য়ার জন্যে এদেরকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অতঃপর হিশাম বললেন, আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন, নিশ্চয় আল্লাহ তা‘আলা তাদের সাজা দিবেন যারা পৃথিবীতে (অন্যায়ভাবে) মানুষকে সাজা দেয়। (ই.ফা.৬৪২০, ই.সে.৬৪৭০)

হিশাম (রাঃ)-এর পিতা থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একবার হিশাম ইবনু হাকিম ইবনু হিযাম সিরিয়ার কৃষকদের কাছ দিয়ে যাচ্ছিলেন। এদের কঠিন রৌদ্রে দাঁড় করিয়ে রাখা হয়েছিল। তিনি বললেন, এদের কী হয়েছে? তারা বলল, জিয্‌য়ার জন্যে এদেরকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অতঃপর হিশাম বললেন, আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন, নিশ্চয় আল্লাহ তা‘আলা তাদের সাজা দিবেন যারা পৃথিবীতে (অন্যায়ভাবে) মানুষকে সাজা দেয়। (ই.ফা.৬৪২০, ই.সে.৬৪৭০)

حدثنا أبو كريب، حدثنا أبو أسامة، عن هشام، عن أبيه، قال مر هشام بن حكيم بن حزام على أناس من الأنباط بالشام قد أقيموا في الشمس فقال ما شأنهم قالوا حبسوا في الجزية ‏.‏ فقال هشام أشهد لسمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول ‏ "‏ إن الله يعذب الذين يعذبون الناس في الدنيا ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৬৫৫৩

حدثنا أبو كريب، حدثنا وكيع، وأبو معاوية ح وحدثنا إسحاق بن إبراهيم، أخبرنا جرير، كلهم عن هشام، بهذا الإسناد وزاد في حديث جرير قال وأميرهم يومئذ عمير بن سعد على فلسطين فدخل عليه فحدثه فأمر بهم فخلوا ‏.‏

হিশাম (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

হিশাম (রাঃ) থেকে এ সূত্রে হুবহু বর্ণনা করেছেন। তবে তিনি জারীর বর্ণিত হাদীসে এটুকু বর্ধিত উল্লেখ করেছেন যে, তিনি বলেছেন, সে যুগে ফিলিস্তীনে তাদের শাসক (গভর্নর) ছিলেন ‘উমায়র ইবনু সা‘দ। তিনি তাঁর নিকট যান এবং তার সঙ্গে কথা-বার্তা বলেন। তিনি তাদের ছেড়ে দেয়ার নির্দেশ দিলে তারপর তাদেরকে ছেড়ে দেয়া হয়। (ই.ফা.৬৪২১, ই.সে.৬৪৭১)

হিশাম (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

হিশাম (রাঃ) থেকে এ সূত্রে হুবহু বর্ণনা করেছেন। তবে তিনি জারীর বর্ণিত হাদীসে এটুকু বর্ধিত উল্লেখ করেছেন যে, তিনি বলেছেন, সে যুগে ফিলিস্তীনে তাদের শাসক (গভর্নর) ছিলেন ‘উমায়র ইবনু সা‘দ। তিনি তাঁর নিকট যান এবং তার সঙ্গে কথা-বার্তা বলেন। তিনি তাদের ছেড়ে দেয়ার নির্দেশ দিলে তারপর তাদেরকে ছেড়ে দেয়া হয়। (ই.ফা.৬৪২১, ই.সে.৬৪৭১)

حدثنا أبو كريب، حدثنا وكيع، وأبو معاوية ح وحدثنا إسحاق بن إبراهيم، أخبرنا جرير، كلهم عن هشام، بهذا الإسناد وزاد في حديث جرير قال وأميرهم يومئذ عمير بن سعد على فلسطين فدخل عليه فحدثه فأمر بهم فخلوا ‏.‏


সহিহ মুসলিম > যে ব্যক্তি মাসজিদে, মার্কেটে বা অন্য কোন লোক সভায় অস্ত্র সহ প্রবেশ করে, তার প্রতি তীরের ধারালো অংশ আটকানোর নির্দেশ

সহিহ মুসলিম ৬৫৫৮

حدثنا هداب بن خالد، حدثنا حماد بن سلمة، عن ثابت، عن أبي بردة، عن أبي، موسى أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ إذا مر أحدكم في مجلس أو سوق وبيده نبل فليأخذ بنصالها ثم ليأخذ بنصالها ثم ليأخذ بنصالها ‏"‏ ‏.‏ قال فقال أبو موسى والله ما متنا حتى سددناها بعضنا في وجوه بعض ‏.‏

আবু মুসা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমাদের কোন ভাই যদি তার হাতে তীর নিয়ে কোন সভায় কিংবা বাজারে গমন করে তাহলে সে যেন এর ফলাটা ধরে (আটকে) রাখে। বর্ননা কারী বলেন, এরপর আবু মুসা (রাঃ) বলেন, 'আল্লাহর শপথ! আমরা একে অন্যের উপর বর্শা হামলা না করা পর্যন্ত মৃত্যুকে আলিঙ্গন করব না।' (ই.ফা. ৬৪২৬, ই.সে. ৬৪৭৬)

আবু মুসা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমাদের কোন ভাই যদি তার হাতে তীর নিয়ে কোন সভায় কিংবা বাজারে গমন করে তাহলে সে যেন এর ফলাটা ধরে (আটকে) রাখে। বর্ননা কারী বলেন, এরপর আবু মুসা (রাঃ) বলেন, 'আল্লাহর শপথ! আমরা একে অন্যের উপর বর্শা হামলা না করা পর্যন্ত মৃত্যুকে আলিঙ্গন করব না।' (ই.ফা. ৬৪২৬, ই.সে. ৬৪৭৬)

حدثنا هداب بن خالد، حدثنا حماد بن سلمة، عن ثابت، عن أبي بردة، عن أبي، موسى أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ إذا مر أحدكم في مجلس أو سوق وبيده نبل فليأخذ بنصالها ثم ليأخذ بنصالها ثم ليأخذ بنصالها ‏"‏ ‏.‏ قال فقال أبو موسى والله ما متنا حتى سددناها بعضنا في وجوه بعض ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৬৫৫৬

حدثنا يحيى بن يحيى، وأبو الربيع، قال أبو الربيع حدثنا وقال، يحيى - واللفظ له - أخبرنا حماد بن زيد، عن عمرو بن دينار، عن جابر بن عبد الله، أن رجلا، مر بأسهم في المسجد قد أبدى نصولها فأمر أن يأخذ بنصولها كى لا يخدش مسلما ‏.‏

জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, জনৈক ব্যক্তি খোলা তীরসহ মাসজিদে প্রবেশ করেছিল। সে তীরগুলোর ফলার দিক বের করে রেখেছিল। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর ফলার দিক আটকে রাখার নির্দেশ দিলেন, যাতে কোন মুসলিমের গায়ে আঘাত না লাগে। (ই.ফা.৬৪২৩, ই.সে.৬৪৭৪)

জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, জনৈক ব্যক্তি খোলা তীরসহ মাসজিদে প্রবেশ করেছিল। সে তীরগুলোর ফলার দিক বের করে রেখেছিল। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর ফলার দিক আটকে রাখার নির্দেশ দিলেন, যাতে কোন মুসলিমের গায়ে আঘাত না লাগে। (ই.ফা.৬৪২৩, ই.সে.৬৪৭৪)

حدثنا يحيى بن يحيى، وأبو الربيع، قال أبو الربيع حدثنا وقال، يحيى - واللفظ له - أخبرنا حماد بن زيد، عن عمرو بن دينار، عن جابر بن عبد الله، أن رجلا، مر بأسهم في المسجد قد أبدى نصولها فأمر أن يأخذ بنصولها كى لا يخدش مسلما ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৬৫৫৫

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وإسحاق بن إبراهيم، قال إسحاق أخبرنا وقال، أبو بكر حدثنا - سفيان بن عيينة، عن عمرو، سمع جابرا، يقول مر رجل في المسجد بسهام فقال له رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ أمسك بنصالها ‏"‏ ‏.‏

‘আম্‌র (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি জাবির (রাঃ)-কে বলতে শুনেছেন, তিনি বলেন যে, এক ব্যক্তি তীরসহ মাসজিদে আগমন করল। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে বললেন, এর ফলার দিকটা আকঁড়ে ধরে রেখো। (ই.ফা.৬৪২৪, ই.সে.৬৪৭৩)

‘আম্‌র (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি জাবির (রাঃ)-কে বলতে শুনেছেন, তিনি বলেন যে, এক ব্যক্তি তীরসহ মাসজিদে আগমন করল। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে বললেন, এর ফলার দিকটা আকঁড়ে ধরে রেখো। (ই.ফা.৬৪২৪, ই.সে.৬৪৭৩)

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وإسحاق بن إبراهيم، قال إسحاق أخبرنا وقال، أبو بكر حدثنا - سفيان بن عيينة، عن عمرو، سمع جابرا، يقول مر رجل في المسجد بسهام فقال له رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ أمسك بنصالها ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৬৫৫৭

حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا ليث، ح وحدثنا محمد بن رمح، أخبرنا الليث، عن أبي الزبير، عن جابر، عن رسول الله صلى الله عليه وسلم أنه أمر رجلا كان يتصدق بالنبل في المسجد أن لا يمر بها إلا وهو آخذ بنصولها ‏.‏ وقال ابن رمح كان يصدق بالنبل ‏.‏

জাবির (রাঃ) এর সানাদে রসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, জনৈক ব্যক্তি মাসজিদে তীর সদাকাহ্ করতেছিল। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে এর ফলার দিকটা ধরে রাখার নির্দেশ দেন। ইবনে রুমহ্ (রহঃ) বলেন, সে তীর (বর্শা) দান করতেছিল। (ই.ফা.৬৪২৫, ই.সে.৬৪৭৫)

জাবির (রাঃ) এর সানাদে রসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, জনৈক ব্যক্তি মাসজিদে তীর সদাকাহ্ করতেছিল। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে এর ফলার দিকটা ধরে রাখার নির্দেশ দেন। ইবনে রুমহ্ (রহঃ) বলেন, সে তীর (বর্শা) দান করতেছিল। (ই.ফা.৬৪২৫, ই.সে.৬৪৭৫)

حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا ليث، ح وحدثنا محمد بن رمح، أخبرنا الليث، عن أبي الزبير، عن جابر، عن رسول الله صلى الله عليه وسلم أنه أمر رجلا كان يتصدق بالنبل في المسجد أن لا يمر بها إلا وهو آخذ بنصولها ‏.‏ وقال ابن رمح كان يصدق بالنبل ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৬৫৫৯

حدثنا عبد الله بن براد الأشعري، ومحمد بن العلاء، - واللفظ لعبد الله - قالا حدثنا أبو أسامة، عن بريد، عن أبي بردة، عن أبي موسى، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏"‏ إذا مر أحدكم في مسجدنا أو في سوقنا ومعه نبل فليمسك على نصالها بكفه أن يصيب أحدا من المسلمين منها بشىء ‏"‏ ‏.‏ أو قال ‏"‏ ليقبض على نصالها ‏"‏ ‏.‏

আবু মুসা (রহঃ) এর সানাদে নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, তোমাদের কোন ভাই যখন হাতে বর্শা নিয়ে আমাদের মাসজিদে গমন করে কিংবা আমাদের বাজারে গমন করে সে যেন এর ফলাটা নিজের হাতের মুঠ দিয়ে ধরে রাখে। নতুবা তা দ্বারা কোন মুসলিমের (শরীরে) খোঁচা লাগতে পারে। অথবা তিনি বলেছেন, সে যেন তার বর্শার ফলাটি আটকে রাখে। (ই.ফা. ৬৪২৭, ই.সে. ৬৪৭৭)

আবু মুসা (রহঃ) এর সানাদে নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, তোমাদের কোন ভাই যখন হাতে বর্শা নিয়ে আমাদের মাসজিদে গমন করে কিংবা আমাদের বাজারে গমন করে সে যেন এর ফলাটা নিজের হাতের মুঠ দিয়ে ধরে রাখে। নতুবা তা দ্বারা কোন মুসলিমের (শরীরে) খোঁচা লাগতে পারে। অথবা তিনি বলেছেন, সে যেন তার বর্শার ফলাটি আটকে রাখে। (ই.ফা. ৬৪২৭, ই.সে. ৬৪৭৭)

حدثنا عبد الله بن براد الأشعري، ومحمد بن العلاء، - واللفظ لعبد الله - قالا حدثنا أبو أسامة، عن بريد، عن أبي بردة، عن أبي موسى، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏"‏ إذا مر أحدكم في مسجدنا أو في سوقنا ومعه نبل فليمسك على نصالها بكفه أن يصيب أحدا من المسلمين منها بشىء ‏"‏ ‏.‏ أو قال ‏"‏ ليقبض على نصالها ‏"‏ ‏.‏


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00