সহিহ মুসলিম > মিথ্যার নিন্দা এবং সত্যের সৌন্দর্যতা ও তার উপকারিতা
সহিহ মুসলিম ৬৫৩২
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وهناد بن السري، قالا حدثنا أبو الأحوص، عن منصور، عن أبي وائل، عن عبد الله بن مسعود، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " إن الصدق بر وإن البر يهدي إلى الجنة وإن العبد ليتحرى الصدق حتى يكتب عند الله صديقا وإن الكذب فجور وإن الفجور يهدي إلى النار وإن العبد ليتحرى الكذب حتى يكتب كذابا " . قال ابن أبي شيبة في روايته عن النبي صلى الله عليه وسلم .
‘আবদুল্লাহ ইবনু মাস’উদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ সত্যতা তো পুণ্যের কাজ; আর পুণ্যময় কাজ জান্নাতের পথ দেখিয়ে দেয়। কোন বান্দা সৎ বলার ইচ্ছা করলে অবশেষে আল্লাহর নিকট তার নাম সত্যবাদী বলে লিপিবদ্ধ হয়। আর মিথ্যা তো অপরাধ, এ অপরাধ জাহান্নামের পথপ্রদর্শন করে। আর কোন বান্দা মিথ্যা বলার চিন্তা করার কারণে অবশেষে সে মিথ্যাবাদী হিসাবে লিপিবদ্ধ হয়। ইবনু আবূ শাইবাহ্ (রহঃ) তাঁর অপর বর্ণিত হাদীসটি ‘আন্ ‘আন্ সূত্রে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৬৪০০, ই.সে. ৬৪৫১)
‘আবদুল্লাহ ইবনু মাস’উদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ সত্যতা তো পুণ্যের কাজ; আর পুণ্যময় কাজ জান্নাতের পথ দেখিয়ে দেয়। কোন বান্দা সৎ বলার ইচ্ছা করলে অবশেষে আল্লাহর নিকট তার নাম সত্যবাদী বলে লিপিবদ্ধ হয়। আর মিথ্যা তো অপরাধ, এ অপরাধ জাহান্নামের পথপ্রদর্শন করে। আর কোন বান্দা মিথ্যা বলার চিন্তা করার কারণে অবশেষে সে মিথ্যাবাদী হিসাবে লিপিবদ্ধ হয়। ইবনু আবূ শাইবাহ্ (রহঃ) তাঁর অপর বর্ণিত হাদীসটি ‘আন্ ‘আন্ সূত্রে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৬৪০০, ই.সে. ৬৪৫১)
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وهناد بن السري، قالا حدثنا أبو الأحوص، عن منصور، عن أبي وائل، عن عبد الله بن مسعود، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " إن الصدق بر وإن البر يهدي إلى الجنة وإن العبد ليتحرى الصدق حتى يكتب عند الله صديقا وإن الكذب فجور وإن الفجور يهدي إلى النار وإن العبد ليتحرى الكذب حتى يكتب كذابا " . قال ابن أبي شيبة في روايته عن النبي صلى الله عليه وسلم .
সহিহ মুসলিম ৬৫৩১
حدثنا زهير بن حرب، وعثمان بن أبي شيبة، وإسحاق بن إبراهيم، قال إسحاق أخبرنا وقال الآخران، حدثنا جرير، عن منصور، عن أبي وائل، عن عبد الله، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " إن الصدق يهدي إلى البر وإن البر يهدي إلى الجنة وإن الرجل ليصدق حتى يكتب صديقا وإن الكذب يهدي إلى الفجور وإن الفجور يهدي إلى النار وإن الرجل ليكذب حتى يكتب كذابا " .
‘আবদুল্লাহ ইবনু মাস’ঊদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ সততা সৎকর্মের দিকে পথপ্রদর্শন করে আর সৎকর্ম জান্নাতের পথপ্রদর্শন করে। নিশ্চয়ই কোন মানুষ সত্য কথা বলায় সত্যবাদী হিসাবে (তার নাম) লিপিবদ্ধ হয়। আর অসত্য পাপের পথপ্রদর্শন করে এবং পাপ জাহান্নামের দিকে পথপ্রদর্শন করে। নিশ্চয়ই কোন ব্যক্তি নিথ্যায় রত থাকলে পরিশেষে মিথ্যাবাদী হিসেবেই (তার নাম) লিপিবদ্ধ করা হয়। (ই.ফা. ৬৩৯৯, ই.সে. ৬৪৫০)
‘আবদুল্লাহ ইবনু মাস’ঊদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ সততা সৎকর্মের দিকে পথপ্রদর্শন করে আর সৎকর্ম জান্নাতের পথপ্রদর্শন করে। নিশ্চয়ই কোন মানুষ সত্য কথা বলায় সত্যবাদী হিসাবে (তার নাম) লিপিবদ্ধ হয়। আর অসত্য পাপের পথপ্রদর্শন করে এবং পাপ জাহান্নামের দিকে পথপ্রদর্শন করে। নিশ্চয়ই কোন ব্যক্তি নিথ্যায় রত থাকলে পরিশেষে মিথ্যাবাদী হিসেবেই (তার নাম) লিপিবদ্ধ করা হয়। (ই.ফা. ৬৩৯৯, ই.সে. ৬৪৫০)
حدثنا زهير بن حرب، وعثمان بن أبي شيبة، وإسحاق بن إبراهيم، قال إسحاق أخبرنا وقال الآخران، حدثنا جرير، عن منصور، عن أبي وائل، عن عبد الله، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " إن الصدق يهدي إلى البر وإن البر يهدي إلى الجنة وإن الرجل ليصدق حتى يكتب صديقا وإن الكذب يهدي إلى الفجور وإن الفجور يهدي إلى النار وإن الرجل ليكذب حتى يكتب كذابا " .
সহিহ মুসলিম ৬৫৩৩
حدثنا محمد بن عبد الله بن نمير، حدثنا أبو معاوية، ووكيع، قالا حدثنا الأعمش، ح وحدثنا أبو كريب، حدثنا أبو معاوية، حدثنا الأعمش، عن شقيق، عن عبد الله، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " عليكم بالصدق فإن الصدق يهدي إلى البر وإن البر يهدي إلى الجنة وما يزال الرجل يصدق ويتحرى الصدق حتى يكتب عند الله صديقا وإياكم والكذب فإن الكذب يهدي إلى الفجور وإن الفجور يهدي إلى النار وما يزال الرجل يكذب ويتحرى الكذب حتى يكتب عند الله كذابا " .
‘আবদুল্লাহ (ইবনু মাস’ঊদ) (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ সত্যকে ধারণ করা তোমাদের একান্ত কর্তব্য। কেননা সততা নেক কর্মের দিকে পথপ্রদর্শন করে আর নেককর্ম জান্নাতের পথপ্রদর্শন করে। কোন ব্যক্তি সর্বদা সত্য কথা বললে ও সত্য বলার চেষ্টায় রত থাকলে, অবশেষে আল্লাহর নিকট সে সত্যবাদী হিসেবে লিপিবদ্ধ হয়। আর তোমরা মিথ্যা বলা থেকে বিরত থাকো! কেননা মিথ্যা পাপের দিকে পথপ্রদর্শন করে। আর পাপ নিশ্চিত জাহান্নামের দিকে পরিচালিত করে। কোন ব্যক্তি সর্বদা মিথ্যা কথা বললে এবং মিথ্যার উপর অবিচল থাকার চেষ্টা করলে, অবশেষে সে আল্লাহর নিকট মিথ্যাবাদীরূপে লিপিবদ্ধ হয়। (ই.ফা. ৬৪০১, ই.সে. ৬৪৫২)
‘আবদুল্লাহ (ইবনু মাস’ঊদ) (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ সত্যকে ধারণ করা তোমাদের একান্ত কর্তব্য। কেননা সততা নেক কর্মের দিকে পথপ্রদর্শন করে আর নেককর্ম জান্নাতের পথপ্রদর্শন করে। কোন ব্যক্তি সর্বদা সত্য কথা বললে ও সত্য বলার চেষ্টায় রত থাকলে, অবশেষে আল্লাহর নিকট সে সত্যবাদী হিসেবে লিপিবদ্ধ হয়। আর তোমরা মিথ্যা বলা থেকে বিরত থাকো! কেননা মিথ্যা পাপের দিকে পথপ্রদর্শন করে। আর পাপ নিশ্চিত জাহান্নামের দিকে পরিচালিত করে। কোন ব্যক্তি সর্বদা মিথ্যা কথা বললে এবং মিথ্যার উপর অবিচল থাকার চেষ্টা করলে, অবশেষে সে আল্লাহর নিকট মিথ্যাবাদীরূপে লিপিবদ্ধ হয়। (ই.ফা. ৬৪০১, ই.সে. ৬৪৫২)
حدثنا محمد بن عبد الله بن نمير، حدثنا أبو معاوية، ووكيع، قالا حدثنا الأعمش، ح وحدثنا أبو كريب، حدثنا أبو معاوية، حدثنا الأعمش، عن شقيق، عن عبد الله، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " عليكم بالصدق فإن الصدق يهدي إلى البر وإن البر يهدي إلى الجنة وما يزال الرجل يصدق ويتحرى الصدق حتى يكتب عند الله صديقا وإياكم والكذب فإن الكذب يهدي إلى الفجور وإن الفجور يهدي إلى النار وما يزال الرجل يكذب ويتحرى الكذب حتى يكتب عند الله كذابا " .
সহিহ মুসলিম ৬৫৩৪
حدثنا منجاب بن الحارث التميمي، أخبرنا ابن مسهر، ح وحدثنا إسحاق بن، إبراهيم الحنظلي أخبرنا عيسى بن يونس، كلاهما عن الأعمش، بهذا الإسناد . ولم يذكر في حديث عيسى " ويتحرى الصدق ويتحرى الكذب " . وفي حديث ابن مسهر " حتى يكتبه الله " .
মিনজাব ইবনুল হারিস আত্ তামীমী (রহঃ), ইসহাক্ ইবনু ইব্রাহীম আল হানযালী (রহঃ) উভয়ে আ’মাশ থেকে বর্নিতঃ
এ সানাদে হুবহু হাদীস বর্ণনা করেছেন। তবে তিনি ‘ঈসা (রহঃ)-এর হাদীসে “সত্য বলার চেষ্টা করে এবং মিথ্যা বলার চেষ্টা করে এবং মিথ্যা বলার চেষ্টা করে” কথাটি উল্লেখ করেননি। আর ইবনু মুসহির (রহঃ) বর্ণিত হাদীসে “অবশেষে আল্লাহ তা লিখবেন” কথাটি উল্লেখ আছে। (ই.ফা. ৬৪০২, ই.সে. ৬৪৫৩)
মিনজাব ইবনুল হারিস আত্ তামীমী (রহঃ), ইসহাক্ ইবনু ইব্রাহীম আল হানযালী (রহঃ) উভয়ে আ’মাশ থেকে বর্নিতঃ
এ সানাদে হুবহু হাদীস বর্ণনা করেছেন। তবে তিনি ‘ঈসা (রহঃ)-এর হাদীসে “সত্য বলার চেষ্টা করে এবং মিথ্যা বলার চেষ্টা করে এবং মিথ্যা বলার চেষ্টা করে” কথাটি উল্লেখ করেননি। আর ইবনু মুসহির (রহঃ) বর্ণিত হাদীসে “অবশেষে আল্লাহ তা লিখবেন” কথাটি উল্লেখ আছে। (ই.ফা. ৬৪০২, ই.সে. ৬৪৫৩)
حدثنا منجاب بن الحارث التميمي، أخبرنا ابن مسهر، ح وحدثنا إسحاق بن، إبراهيم الحنظلي أخبرنا عيسى بن يونس، كلاهما عن الأعمش، بهذا الإسناد . ولم يذكر في حديث عيسى " ويتحرى الصدق ويتحرى الكذب " . وفي حديث ابن مسهر " حتى يكتبه الله " .
সহিহ মুসলিম > রাগের মুহুর্তে যে নিজেকে বশ করে তার মর্যাদা এবং কিসের সাহায্যে রাগ দূরীভূত হয়
সহিহ মুসলিম ৬৫৪০
حدثنا يحيى بن يحيى، ومحمد بن العلاء، قال يحيى أخبرنا وقال ابن العلاء، حدثنا أبو معاوية، عن الأعمش، عن عدي بن ثابت، عن سليمان بن صرد، قال استب رجلان عند النبي صلى الله عليه وسلم فجعل أحدهما تحمر عيناه وتنتفخ أوداجه قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " إني لأعرف كلمة لو قالها لذهب عنه الذي يجد أعوذ بالله من الشيطان الرجيم " . فقال الرجل وهل ترى بي من جنون قال ابن العلاء فقال وهل ترى . ولم يذكر الرجل
সুলাইমান ইবনু সুরাদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)–এর নিকট এসে দু’ব্যক্তি কথা কাটাকাটিতে প্রবৃত্ত হলো এবং তাদের একজনের দু’ চোখ (রাগে) লাল হয়ে গেল এবং তার রগরেশা খাড়া হয়ে গেল। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, আমি এমন একটা কালিমাহ্ জানি, যা যে কেউ পাঠ করলে তার রাগ দূর হয়ে যায়। আর তা হচ্ছে (আরবী) (আমি বিতাড়িত শাইতানের থেকে আল্লাহর নিকট আশ্রয় চাই)। (এ কথা শুনে) সে ব্যক্তি বলল, আপনি কি আমাকে পাগল মনে করেছেন? ইবনুল ‘আলা (রহঃ) তার বর্ণনায় বলেন, তারপর তিনি বললেন, তুমি কি মনে করেছ? (আরবী) শব্দটি তিনি উল্লেখ করেননি। (ই.ফা.৬৪০৮, ই.সে.৬৪৫৮) (আরবী)
সুলাইমান ইবনু সুরাদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)–এর নিকট এসে দু’ব্যক্তি কথা কাটাকাটিতে প্রবৃত্ত হলো এবং তাদের একজনের দু’ চোখ (রাগে) লাল হয়ে গেল এবং তার রগরেশা খাড়া হয়ে গেল। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, আমি এমন একটা কালিমাহ্ জানি, যা যে কেউ পাঠ করলে তার রাগ দূর হয়ে যায়। আর তা হচ্ছে (আরবী) (আমি বিতাড়িত শাইতানের থেকে আল্লাহর নিকট আশ্রয় চাই)। (এ কথা শুনে) সে ব্যক্তি বলল, আপনি কি আমাকে পাগল মনে করেছেন? ইবনুল ‘আলা (রহঃ) তার বর্ণনায় বলেন, তারপর তিনি বললেন, তুমি কি মনে করেছ? (আরবী) শব্দটি তিনি উল্লেখ করেননি। (ই.ফা.৬৪০৮, ই.সে.৬৪৫৮) (আরবী)
حدثنا يحيى بن يحيى، ومحمد بن العلاء، قال يحيى أخبرنا وقال ابن العلاء، حدثنا أبو معاوية، عن الأعمش، عن عدي بن ثابت، عن سليمان بن صرد، قال استب رجلان عند النبي صلى الله عليه وسلم فجعل أحدهما تحمر عيناه وتنتفخ أوداجه قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " إني لأعرف كلمة لو قالها لذهب عنه الذي يجد أعوذ بالله من الشيطان الرجيم " . فقال الرجل وهل ترى بي من جنون قال ابن العلاء فقال وهل ترى . ولم يذكر الرجل
সহিহ মুসলিম ৬৫৩৮
حدثنا حاجب بن الوليد، حدثنا محمد بن حرب، عن الزبيدي، عن الزهري، أخبرني حميد بن عبد الرحمن، أن أبا هريرة، قال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " ليس الشديد بالصرعة " . قالوا فالشديد أيم هو يا رسول الله قال " الذي يملك نفسه عند الغضب " .
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি, সে লোক প্রকৃত বীর বিক্রম নয়, যে কুস্তিতে সফল হয়। লোকেরা জানতে চাইল, হে আল্লাহর রসূল! তাহলে প্রকৃত বীর কে? তিনি বললেন, প্রকৃত সাহসী বীর সে-ই, যে রাগের মুহূর্তে নিজেকে নিয়ন্ত্রণ রাখতে পারে। (ই.ফা.৬৪০৬, ই.সে.৬৪৫৬ [ক])
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি, সে লোক প্রকৃত বীর বিক্রম নয়, যে কুস্তিতে সফল হয়। লোকেরা জানতে চাইল, হে আল্লাহর রসূল! তাহলে প্রকৃত বীর কে? তিনি বললেন, প্রকৃত সাহসী বীর সে-ই, যে রাগের মুহূর্তে নিজেকে নিয়ন্ত্রণ রাখতে পারে। (ই.ফা.৬৪০৬, ই.সে.৬৪৫৬ [ক])
حدثنا حاجب بن الوليد، حدثنا محمد بن حرب، عن الزبيدي، عن الزهري، أخبرني حميد بن عبد الرحمن، أن أبا هريرة، قال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " ليس الشديد بالصرعة " . قالوا فالشديد أيم هو يا رسول الله قال " الذي يملك نفسه عند الغضب " .
সহিহ মুসলিম ৬৫৩৭
حدثنا يحيى بن يحيى، وعبد الأعلى بن حماد، قالا كلاهما قرأت على مالك عن ابن شهاب، عن سعيد بن المسيب، عن أبي هريرة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " ليس الشديد بالصرعة إنما الشديد الذي يملك نفسه عند الغضب " .
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: সে লোক প্রকৃত বীর বিক্রম নয়, যে কুস্তিতে জয়ী হয় বরং প্রকৃত বীর বিক্রম সে-ই; যে রাগের মুহূর্তে নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে। (ই.ফা.৬৪০৫, ই.সে.৬৪৫৬)(আরবী)
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: সে লোক প্রকৃত বীর বিক্রম নয়, যে কুস্তিতে জয়ী হয় বরং প্রকৃত বীর বিক্রম সে-ই; যে রাগের মুহূর্তে নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে। (ই.ফা.৬৪০৫, ই.সে.৬৪৫৬)(আরবী)
حدثنا يحيى بن يحيى، وعبد الأعلى بن حماد، قالا كلاهما قرأت على مالك عن ابن شهاب، عن سعيد بن المسيب، عن أبي هريرة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " ليس الشديد بالصرعة إنما الشديد الذي يملك نفسه عند الغضب " .
সহিহ মুসলিম ৬৫৩৫
حدثنا قتيبة بن سعيد، وعثمان بن أبي شيبة، - واللفظ لقتيبة - قالا حدثنا جرير، عن الأعمش، عن إبراهيم التيمي، عن الحارث بن سويد، عن عبد الله بن مسعود، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " ما تعدون الرقوب فيكم " . قال قلنا الذي لا يولد له . قال " ليس ذاك بالرقوب ولكنه الرجل الذي لم يقدم من ولده شيئا " . قال " فما تعدون الصرعة فيكم " . قال قلنا الذي لا يصرعه الرجال . قال " ليس بذلك ولكنه الذي يملك نفسه عند الغضب " .
‘আবদুল্লাহ ইবনু মাস’উদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ তোমরা তোমাদের মাঝে কাউকে নিঃসন্তান বলে মনে করো? বর্ণনাকারী বলেন, আমরা বললাম, যার সন্তান জন্মায় না তাকেই নিঃসন্তান মনে করি। তিনি বললেন, সে ব্যক্তি মূলতঃ নিঃসন্তান নয়। বরং সে লোকই নিঃসন্তান, যে তার কোন সন্তানকে আগে পাঠায়নি (অর্থাৎ-যার জীবিতাবস্থায় তার সন্তান মৃত্যুবরণ করেনি)। তিনি বললেন, তোমরা তোমাদের মাঝে কাকে বীর বিক্রম বলে গণ্য করো? আমরা বললাম, যাকে মানুষেরা কুস্তিতে ঠকাতে পারে না। তিনি বললেন, মূলতঃ সে বীর বিক্রম নয়; বরং (প্রকৃত বীর সে-ই) যে রাগের মুহূর্তে নিজেকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারে।১ (ই.ফা. ৬৪০৩, ই.সে. ৬৪৫৪)
‘আবদুল্লাহ ইবনু মাস’উদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ তোমরা তোমাদের মাঝে কাউকে নিঃসন্তান বলে মনে করো? বর্ণনাকারী বলেন, আমরা বললাম, যার সন্তান জন্মায় না তাকেই নিঃসন্তান মনে করি। তিনি বললেন, সে ব্যক্তি মূলতঃ নিঃসন্তান নয়। বরং সে লোকই নিঃসন্তান, যে তার কোন সন্তানকে আগে পাঠায়নি (অর্থাৎ-যার জীবিতাবস্থায় তার সন্তান মৃত্যুবরণ করেনি)। তিনি বললেন, তোমরা তোমাদের মাঝে কাকে বীর বিক্রম বলে গণ্য করো? আমরা বললাম, যাকে মানুষেরা কুস্তিতে ঠকাতে পারে না। তিনি বললেন, মূলতঃ সে বীর বিক্রম নয়; বরং (প্রকৃত বীর সে-ই) যে রাগের মুহূর্তে নিজেকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারে।১ (ই.ফা. ৬৪০৩, ই.সে. ৬৪৫৪)
حدثنا قتيبة بن سعيد، وعثمان بن أبي شيبة، - واللفظ لقتيبة - قالا حدثنا جرير، عن الأعمش، عن إبراهيم التيمي، عن الحارث بن سويد، عن عبد الله بن مسعود، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " ما تعدون الرقوب فيكم " . قال قلنا الذي لا يولد له . قال " ليس ذاك بالرقوب ولكنه الرجل الذي لم يقدم من ولده شيئا " . قال " فما تعدون الصرعة فيكم " . قال قلنا الذي لا يصرعه الرجال . قال " ليس بذلك ولكنه الذي يملك نفسه عند الغضب " .
সহিহ মুসলিম ৬৫৪১
حدثنا نصر بن علي الجهضمي، حدثنا أبو أسامة، سمعت الأعمش، يقول سمعت عدي بن ثابت، يقول حدثنا سليمان بن صرد، قال استب رجلان عند النبي صلى الله عليه وسلم فجعل أحدهما يغضب ويحمر وجهه فنظر إليه النبي صلى الله عليه وسلم فقال " إني لأعلم كلمة لو قالها لذهب ذا عنه أعوذ بالله من الشيطان الرجيم " . فقام إلى الرجل رجل ممن سمع النبي صلى الله عليه وسلم فقال أتدري ما قال رسول الله صلى الله عليه وسلم آنفا قال " إني لأعلم كلمة لو قالها لذهب ذا عنه أعوذ بالله من الشيطان الرجيم " . فقال له الرجل أمجنونا تراني
সুলাইমান ইবনু সুরাদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)–এর সামনে দু‘ব্যক্তি কথা কাটাকাটি করতে উদ্যত হলো। তাদের একজন কঠিন রাগান্বিত হলো এবং তার মুখমন্ডল রাগে লাল হয়ে গেল। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তার প্রতি তাকিয়ে বললেন, আমি এমন একটা কালিমাহ্ জানি, সে তা পাঠ করে তার থেকে এ রাগ চলে যাবে। (আর তা হলো) আ‘ঊযু বিল্লাহি মিনাশ্ শাইত্ব-নির রজীম-… “আমি বিতাড়িত শাইতানের থেকে আল্লাহর নিকট আশ্রয় চাই”। সে সময় যারা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর বাণী শুনেছেন, তাদের মধ্য হতে একজন সে লোকটির নিকট গিয়ে বললেন, তুমি কি জান, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একটু আগে কি বলেছেন? তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, অবশ্যই আমি এমন একটি কালিমাহ্ জানি, তা যদি সে পাঠ করত তাহলে তার হতে তা (রাগ) চলে যেত। (আর তা হলো) এ- (আরবী) তারপর সে ব্যক্তি তাকে বলল, তুমি কি আমাকে পাগল মনে করেছ? (ই.ফা.৬৪০৯, ই.সে.৬৪৫৯)(আরবী)
সুলাইমান ইবনু সুরাদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)–এর সামনে দু‘ব্যক্তি কথা কাটাকাটি করতে উদ্যত হলো। তাদের একজন কঠিন রাগান্বিত হলো এবং তার মুখমন্ডল রাগে লাল হয়ে গেল। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তার প্রতি তাকিয়ে বললেন, আমি এমন একটা কালিমাহ্ জানি, সে তা পাঠ করে তার থেকে এ রাগ চলে যাবে। (আর তা হলো) আ‘ঊযু বিল্লাহি মিনাশ্ শাইত্ব-নির রজীম-… “আমি বিতাড়িত শাইতানের থেকে আল্লাহর নিকট আশ্রয় চাই”। সে সময় যারা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর বাণী শুনেছেন, তাদের মধ্য হতে একজন সে লোকটির নিকট গিয়ে বললেন, তুমি কি জান, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একটু আগে কি বলেছেন? তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, অবশ্যই আমি এমন একটি কালিমাহ্ জানি, তা যদি সে পাঠ করত তাহলে তার হতে তা (রাগ) চলে যেত। (আর তা হলো) এ- (আরবী) তারপর সে ব্যক্তি তাকে বলল, তুমি কি আমাকে পাগল মনে করেছ? (ই.ফা.৬৪০৯, ই.সে.৬৪৫৯)(আরবী)
حدثنا نصر بن علي الجهضمي، حدثنا أبو أسامة، سمعت الأعمش، يقول سمعت عدي بن ثابت، يقول حدثنا سليمان بن صرد، قال استب رجلان عند النبي صلى الله عليه وسلم فجعل أحدهما يغضب ويحمر وجهه فنظر إليه النبي صلى الله عليه وسلم فقال " إني لأعلم كلمة لو قالها لذهب ذا عنه أعوذ بالله من الشيطان الرجيم " . فقام إلى الرجل رجل ممن سمع النبي صلى الله عليه وسلم فقال أتدري ما قال رسول الله صلى الله عليه وسلم آنفا قال " إني لأعلم كلمة لو قالها لذهب ذا عنه أعوذ بالله من الشيطان الرجيم " . فقال له الرجل أمجنونا تراني
সহিহ মুসলিম ৬৫৩৯
وحدثناه محمد بن رافع، وعبد بن حميد، جميعا عن عبد الرزاق، أخبرنا معمر، ح وحدثنا عبد الله بن عبد الرحمن بن بهرام، أخبرنا أبو اليمان، أخبرنا شعيب، كلاهما عن الزهري، عن حميد بن عبد الرحمن بن عوف، عن أبي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم بمثله .
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ)-এর সানাদে নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্নিতঃ
আবূ হুরায়রা্ (রাঃ)-এর সানাদে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে হুবহু হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা.৬৪০৭, ই.সে.৬৪৫৭)
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ)-এর সানাদে নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্নিতঃ
আবূ হুরায়রা্ (রাঃ)-এর সানাদে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে হুবহু হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা.৬৪০৭, ই.সে.৬৪৫৭)
وحدثناه محمد بن رافع، وعبد بن حميد، جميعا عن عبد الرزاق، أخبرنا معمر، ح وحدثنا عبد الله بن عبد الرحمن بن بهرام، أخبرنا أبو اليمان، أخبرنا شعيب، كلاهما عن الزهري، عن حميد بن عبد الرحمن بن عوف، عن أبي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم بمثله .
সহিহ মুসলিম ৬৫৪২
وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا حفص بن غياث، عن الأعمش، بهذا الإسناد .
আ‘মাশ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
এ সানাদে অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা.৬৪১০, ই.সে.৬৪৬০)
আ‘মাশ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
এ সানাদে অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা.৬৪১০, ই.সে.৬৪৬০)
وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا حفص بن غياث، عن الأعمش، بهذا الإسناد .
সহিহ মুসলিম ৬৫৩৬
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وأبو كريب قالا حدثنا أبو معاوية، ح وحدثنا إسحاق، بن إبراهيم أخبرنا عيسى بن يونس، كلاهما عن الأعمش، بهذا الإسناد مثل معناه .
আ‘মাশ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আ‘মাশ (রাঃ) হতে এ সূত্রে অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৬৪০৪, ই.সে. ৬৪৫৫)
আ‘মাশ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আ‘মাশ (রাঃ) হতে এ সূত্রে অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৬৪০৪, ই.সে. ৬৪৫৫)
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وأبو كريب قالا حدثنا أبو معاوية، ح وحدثنا إسحاق، بن إبراهيم أخبرنا عيسى بن يونس، كلاهما عن الأعمش، بهذا الإسناد مثل معناه .
সহিহ মুসলিম > সৃষ্টিগত ভাবে মানুষ নিজেকে আয়ত্তে রাখতে ক্ষমতা রাখে না
সহিহ মুসলিম ৬৫৪৩
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا يونس بن محمد، عن حماد بن سلمة، عن ثابت، عن أنس، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " لما صور الله آدم في الجنة تركه ما شاء الله أن يتركه فجعل إبليس يطيف به ينظر ما هو فلما رآه أجوف عرف أنه خلق خلقا لا يتمالك " .
আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আল্লাহ তা‘আলা জান্নাতে যখন আদাম (‘আঃ)-এর আকৃতি সৃষ্টি করেন তখন আল্লাহ তা‘আলা তাকে নিজের ইচ্ছামত ফেলে রাখলেন। আর ইব্লীস তার চতুর্দিকে প্রদক্ষিণ করতো এবং দেখতে থাকতো যে, পদার্থটি কি? সে যখন দেখতে পেল তা খালী পাত্র তখন সে বুঝল যে, তাকে এমন এক স্বভাব দিয়ে সৃষ্টি করা হয়েছে, যে নিজকে আয়ত্তে রাখতে পারে না। (ই.ফা.৬৪১১, ই.সে.৬৪৬১)
আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আল্লাহ তা‘আলা জান্নাতে যখন আদাম (‘আঃ)-এর আকৃতি সৃষ্টি করেন তখন আল্লাহ তা‘আলা তাকে নিজের ইচ্ছামত ফেলে রাখলেন। আর ইব্লীস তার চতুর্দিকে প্রদক্ষিণ করতো এবং দেখতে থাকতো যে, পদার্থটি কি? সে যখন দেখতে পেল তা খালী পাত্র তখন সে বুঝল যে, তাকে এমন এক স্বভাব দিয়ে সৃষ্টি করা হয়েছে, যে নিজকে আয়ত্তে রাখতে পারে না। (ই.ফা.৬৪১১, ই.সে.৬৪৬১)
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا يونس بن محمد، عن حماد بن سلمة، عن ثابت، عن أنس، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " لما صور الله آدم في الجنة تركه ما شاء الله أن يتركه فجعل إبليس يطيف به ينظر ما هو فلما رآه أجوف عرف أنه خلق خلقا لا يتمالك " .
সহিহ মুসলিম ৬৫৪৪
حدثنا أبو بكر بن نافع، حدثنا بهز، حدثنا حماد، بهذا الإسناد نحوه .
হাম্মাদ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
হাম্মাদ (রহঃ) এ সূত্রে হুবহু বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা.৬৪১২, ই.সে.৬৪৬২)
হাম্মাদ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
হাম্মাদ (রহঃ) এ সূত্রে হুবহু বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা.৬৪১২, ই.সে.৬৪৬২)
حدثنا أبو بكر بن نافع، حدثنا بهز، حدثنا حماد، بهذا الإسناد نحوه .
সহিহ মুসলিম > চেহারায় প্রহার করা নিষিদ্বকরণ
সহিহ মুসলিম ৬৫৪৫
حدثنا عبد الله بن مسلمة بن قعنب، حدثنا المغيرة، - يعني الحزامي - عن أبي، الزناد عن الأعرج، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " إذا قاتل أحدكم أخاه فليجتنب الوجه " .
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: যখন তোমাদের মাঝে কোন ভাই তার ভাই-এর সাথে ঝগড়া-বিবাদ করে তখন সে যেন তার মুখের উপর আঘাত করা থেকে বিরত থাকে। (ই.ফা.৬৪১৩, ই.সে.৬৪৬৩)
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: যখন তোমাদের মাঝে কোন ভাই তার ভাই-এর সাথে ঝগড়া-বিবাদ করে তখন সে যেন তার মুখের উপর আঘাত করা থেকে বিরত থাকে। (ই.ফা.৬৪১৩, ই.সে.৬৪৬৩)
حدثنا عبد الله بن مسلمة بن قعنب، حدثنا المغيرة، - يعني الحزامي - عن أبي، الزناد عن الأعرج، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " إذا قاتل أحدكم أخاه فليجتنب الوجه " .
সহিহ মুসলিম ৬৫৪৯
حدثنا نصر بن علي الجهضمي، حدثني أبي، حدثنا المثنى، ح وحدثني محمد بن، حاتم حدثنا عبد الرحمن بن مهدي، عن المثنى بن سعيد، عن قتادة، عن أبي أيوب، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم وفي حديث ابن حاتم عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " إذا قاتل أحدكم أخاه فليجتنب الوجه فإن الله خلق آدم على صورته " .
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: আর ইবনু হাহিম-এর বর্ণনায় আছে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে বর্ণিত, যখন তোমাদের মধ্যে কেউ তার অন্য ভাইকে আঘাত করে সে যেন তার ভাইয়ের মুখমন্ডলে আঘাত করা হতে বিরত থাকে। কেননা আল্লাহ তা‘আলা আদাম (‘আঃ)-কে তার নিজ রূপে সৃষ্টি করেছেন। (ই.ফা.৬৪১৭, ই.সে.৬৪৬৭)
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: আর ইবনু হাহিম-এর বর্ণনায় আছে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে বর্ণিত, যখন তোমাদের মধ্যে কেউ তার অন্য ভাইকে আঘাত করে সে যেন তার ভাইয়ের মুখমন্ডলে আঘাত করা হতে বিরত থাকে। কেননা আল্লাহ তা‘আলা আদাম (‘আঃ)-কে তার নিজ রূপে সৃষ্টি করেছেন। (ই.ফা.৬৪১৭, ই.সে.৬৪৬৭)
حدثنا نصر بن علي الجهضمي، حدثني أبي، حدثنا المثنى، ح وحدثني محمد بن، حاتم حدثنا عبد الرحمن بن مهدي، عن المثنى بن سعيد، عن قتادة، عن أبي أيوب، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم وفي حديث ابن حاتم عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " إذا قاتل أحدكم أخاه فليجتنب الوجه فإن الله خلق آدم على صورته " .
সহিহ মুসলিম ৬৫৪৮
حدثنا عبيد الله بن معاذ العنبري، حدثنا أبي، حدثنا شعبة، عن قتادة، سمع أبا، أيوب يحدث عن أبي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " إذا قاتل أحدكم أخاه فلا يلطمن الوجه " .
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: তোমাদের মাঝে কোন ব্যক্তি যদি তার ভাইয়ের সাথে মারামারি করে তখন সে যেন তার চেহারায় চপেটাঘাত না করে। (ই.ফা.৬৪১৬, ই.সে.৬৪৬৬)
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: তোমাদের মাঝে কোন ব্যক্তি যদি তার ভাইয়ের সাথে মারামারি করে তখন সে যেন তার চেহারায় চপেটাঘাত না করে। (ই.ফা.৬৪১৬, ই.সে.৬৪৬৬)
حدثنا عبيد الله بن معاذ العنبري، حدثنا أبي، حدثنا شعبة، عن قتادة، سمع أبا، أيوب يحدث عن أبي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " إذا قاتل أحدكم أخاه فلا يلطمن الوجه " .
সহিহ মুসলিম ৬৫৪৭
حدثنا شيبان بن فروخ، حدثنا أبو عوانة، عن سهيل، عن أبيه، عن أبي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " إذا قاتل أحدكم أخاه فليتق الوجه " .
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: তোমাদের কোন ভাই যখন কোন ভাইয়ের সাথে ঝগড়া করে তখন সে যেন মুখমন্ডলকে পরহেয করে (মুখমন্ডলে প্রহার না করে)। (ই.ফা.৬৪১৫, ই.সে.৬৪৬৫)
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: তোমাদের কোন ভাই যখন কোন ভাইয়ের সাথে ঝগড়া করে তখন সে যেন মুখমন্ডলকে পরহেয করে (মুখমন্ডলে প্রহার না করে)। (ই.ফা.৬৪১৫, ই.সে.৬৪৬৫)
حدثنا شيبان بن فروخ، حدثنا أبو عوانة، عن سهيل، عن أبيه، عن أبي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " إذا قاتل أحدكم أخاه فليتق الوجه " .
সহিহ মুসলিম ৬৫৪৬
حدثنا عمرو الناقد، وزهير بن حرب، قالا حدثنا سفيان بن عيينة، عن أبي الزناد، بهذا الإسناد وقال " إذا ضرب أحدكم " .
আবূ যিনাদ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
আবূ যিনাদ (রহঃ) থেকে এ সূত্রে হুবহু হাদীস বর্ণনা করেছেন। আর তিনি বলেছেন, তোমাদের কোন ভাই যখন অন্য ভাইকে মারে….। (ই.ফা.৬৪১৪, ই.সে.৬৪৬৪)
আবূ যিনাদ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
আবূ যিনাদ (রহঃ) থেকে এ সূত্রে হুবহু হাদীস বর্ণনা করেছেন। আর তিনি বলেছেন, তোমাদের কোন ভাই যখন অন্য ভাইকে মারে….। (ই.ফা.৬৪১৪, ই.সে.৬৪৬৪)
حدثنا عمرو الناقد، وزهير بن حرب، قالا حدثنا سفيان بن عيينة، عن أبي الزناد، بهذا الإسناد وقال " إذا ضرب أحدكم " .
সহিহ মুসলিম ৬৫৫০
حدثنا محمد بن المثنى، حدثني عبد الصمد، حدثنا همام، حدثنا قتادة، عن يحيى، بن مالك المراغي - وهو أبو أيوب - عن أبي هريرة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " إذا قاتل أحدكم أخاه فليجتنب الوجه " .
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: তোমাদের মধ্যে কোন ভাই যদি তার অন্য ভাইকে আঘাত করে, সে যেন তার মুখমন্ডলে আঘাত করা হতে বিরত থাকে। (ই.ফা.৬৪১৮, ই.সে.৬৪৬৮)
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: তোমাদের মধ্যে কোন ভাই যদি তার অন্য ভাইকে আঘাত করে, সে যেন তার মুখমন্ডলে আঘাত করা হতে বিরত থাকে। (ই.ফা.৬৪১৮, ই.সে.৬৪৬৮)
حدثنا محمد بن المثنى، حدثني عبد الصمد، حدثنا همام، حدثنا قتادة، عن يحيى، بن مالك المراغي - وهو أبو أيوب - عن أبي هريرة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " إذا قاتل أحدكم أخاه فليجتنب الوجه " .