সহিহ মুসলিম > দ্বি-মুখী লোকের নিন্দা ও তার এ কাজে হারামকরণ প্রসঙ্গে
সহিহ মুসলিম ৬৫২৫
حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا ليث، ح وحدثنا محمد بن رمح، أخبرنا الليث، عن يزيد بن أبي حبيب، عن عراك بن مالك، عن أبي هريرة، أنه سمع رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " إن شر الناس ذو الوجهين الذي يأتي هؤلاء بوجه وهؤلاء بوجه " .
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নিশ্চয়ই তিনি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে বলতে শুনেছেনঃ দু’ রুপধারী লোক সবচেয়ে নিকৃষ্ট, যে ব্যক্তি এ দলের নিকটে আসে একরূপ নিয়ে ও অন্যদলের কাছে আসে একরূপ নিয়ে। (ই.ফা. ৬৩৯৩, ই.সে. ৬৪৪৪)
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নিশ্চয়ই তিনি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে বলতে শুনেছেনঃ দু’ রুপধারী লোক সবচেয়ে নিকৃষ্ট, যে ব্যক্তি এ দলের নিকটে আসে একরূপ নিয়ে ও অন্যদলের কাছে আসে একরূপ নিয়ে। (ই.ফা. ৬৩৯৩, ই.সে. ৬৪৪৪)
حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا ليث، ح وحدثنا محمد بن رمح، أخبرنا الليث، عن يزيد بن أبي حبيب، عن عراك بن مالك، عن أبي هريرة، أنه سمع رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " إن شر الناس ذو الوجهين الذي يأتي هؤلاء بوجه وهؤلاء بوجه " .
সহিহ মুসলিম ৬৫২৬
وحدثني زهير بن حرب، حدثنا جرير، عن عمارة، عن أبي زرعة، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " تجدون من شر الناس ذا الوجهين الذي يأتي هؤلاء بوجه وهؤلاء بوجه " .
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমাদের মধ্যে দু’ রূপধারী মানুষকে সবচেয়ে নিকৃষ্ট পাবে। এ দলের নিকট আসে একরূপ নিয়ে অন্য দলের কাছে আসে আর একরূপ নিয়ে। (ই.ফা. ৬৩৯৪, ই.সে. ৬৪৪৫)
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমাদের মধ্যে দু’ রূপধারী মানুষকে সবচেয়ে নিকৃষ্ট পাবে। এ দলের নিকট আসে একরূপ নিয়ে অন্য দলের কাছে আসে আর একরূপ নিয়ে। (ই.ফা. ৬৩৯৪, ই.সে. ৬৪৪৫)
وحدثني زهير بن حرب، حدثنا جرير، عن عمارة، عن أبي زرعة، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " تجدون من شر الناس ذا الوجهين الذي يأتي هؤلاء بوجه وهؤلاء بوجه " .
সহিহ মুসলিম ৬৫২৪
حدثنا يحيى بن يحيى، قال قرأت على مالك عن أبي الزناد، عن الأعرج، عن أبي هريرة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " إن من شر الناس ذا الوجهين الذي يأتي هؤلاء بوجه وهؤلاء بوجه " .
আবূ হুরাইরাহ্, (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ মানুষের মধ্যে দু’ রূপধারী লোক সবচেয়ে নিকৃষ্ট। যে এ দলের নিকট আসে একরূপ নিয়ে এবং অন্য দলের নিকট আসে অন্য আরেক রূপ নিয়ে। (ই.ফা. ৬৩৯২, ই.সে. ৬৪৪৩)
আবূ হুরাইরাহ্, (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ মানুষের মধ্যে দু’ রূপধারী লোক সবচেয়ে নিকৃষ্ট। যে এ দলের নিকট আসে একরূপ নিয়ে এবং অন্য দলের নিকট আসে অন্য আরেক রূপ নিয়ে। (ই.ফা. ৬৩৯২, ই.সে. ৬৪৪৩)
حدثنا يحيى بن يحيى، قال قرأت على مالك عن أبي الزناد، عن الأعرج، عن أبي هريرة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " إن من شر الناس ذا الوجهين الذي يأتي هؤلاء بوجه وهؤلاء بوجه " .
সহিহ মুসলিম > মিথ্যা হারামকরণ ও তা মুবাহ হওয়ার বিবরণ
সহিহ মুসলিম ৬৫২৭
حدثني حرملة بن يحيى، أخبرنا ابن وهب، أخبرني يونس، عن ابن شهاب، أخبرني حميد بن عبد الرحمن بن عوف، أن أمه أم كلثوم بنت عقبة بن أبي معيط، وكانت، من المهاجرات الأول اللاتي بايعن النبي صلى الله عليه وسلم أخبرته أنها سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم وهو يقول " ليس الكذاب الذي يصلح بين الناس ويقول خيرا وينمي خيرا " . قال ابن شهاب ولم أسمع يرخص في شىء مما يقول الناس كذب إلا في ثلاث الحرب والإصلاح بين الناس وحديث الرجل امرأته وحديث المرأة زوجها .
হিজরতকারিণীদের মধ্যে নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর হাতে প্রথম বাই’আত গ্রহণকারিণীদের অন্যতমা সহাবীয়া উম্মু কুলসূম বিনতু ‘উকবাহ ইবনু আবূ মু’আয়ত (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছেন যে, সে ব্যক্তি মিথ্যুক নয়, যে লোকের মধ্যে আপোষে সমাধা করে দেয়। সে কল্যাণের জন্যই মিথ্যা বলে এবং কল্যাণের জন্যেই চোগলখোরী করে। ইবনু শিহাব (রহঃ) বলেন, তিনটি স্থান ছাড়া আর কোন বিষয়ে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মিথ্যা বলার অনুমতি দিয়েছেন বলে আমি শুনিনি। যুদ্ধ কৌশলের ক্ষেত্রে, মানুষের মধ্যে আপোষ-মীমাংশা করার জন্য, সহধর্মিণীর সাথে স্বামীর কথা ও স্বামীর সাথে সহধর্মিণীর কথা বলার ক্ষেত্রে। (ই.ফা. ৬৩৯৫, ই.সে. ৬৪৪৬)
হিজরতকারিণীদের মধ্যে নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর হাতে প্রথম বাই’আত গ্রহণকারিণীদের অন্যতমা সহাবীয়া উম্মু কুলসূম বিনতু ‘উকবাহ ইবনু আবূ মু’আয়ত (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছেন যে, সে ব্যক্তি মিথ্যুক নয়, যে লোকের মধ্যে আপোষে সমাধা করে দেয়। সে কল্যাণের জন্যই মিথ্যা বলে এবং কল্যাণের জন্যেই চোগলখোরী করে। ইবনু শিহাব (রহঃ) বলেন, তিনটি স্থান ছাড়া আর কোন বিষয়ে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মিথ্যা বলার অনুমতি দিয়েছেন বলে আমি শুনিনি। যুদ্ধ কৌশলের ক্ষেত্রে, মানুষের মধ্যে আপোষ-মীমাংশা করার জন্য, সহধর্মিণীর সাথে স্বামীর কথা ও স্বামীর সাথে সহধর্মিণীর কথা বলার ক্ষেত্রে। (ই.ফা. ৬৩৯৫, ই.সে. ৬৪৪৬)
حدثني حرملة بن يحيى، أخبرنا ابن وهب، أخبرني يونس، عن ابن شهاب، أخبرني حميد بن عبد الرحمن بن عوف، أن أمه أم كلثوم بنت عقبة بن أبي معيط، وكانت، من المهاجرات الأول اللاتي بايعن النبي صلى الله عليه وسلم أخبرته أنها سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم وهو يقول " ليس الكذاب الذي يصلح بين الناس ويقول خيرا وينمي خيرا " . قال ابن شهاب ولم أسمع يرخص في شىء مما يقول الناس كذب إلا في ثلاث الحرب والإصلاح بين الناس وحديث الرجل امرأته وحديث المرأة زوجها .
সহিহ মুসলিম ৬৫২৯
وحدثناه عمرو الناقد، حدثنا إسماعيل بن إبراهيم، أخبرنا معمر، عن الزهري، بهذا الإسناد إلى قوله " ونمى خيرا " . ولم يذكر ما بعده .
যুহরী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
এ সানাদে তাঁর কথা (আরবী) (ভালোর জন্যই চোগলখোরী করে) পর্যন্ত বর্ণিত আছে। পরবর্তি অংশ তিনি উল্লেখ করেননি। (ই.ফা. ৬৩৯৭, ই.সে. ৬৪৪৮)
যুহরী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
এ সানাদে তাঁর কথা (আরবী) (ভালোর জন্যই চোগলখোরী করে) পর্যন্ত বর্ণিত আছে। পরবর্তি অংশ তিনি উল্লেখ করেননি। (ই.ফা. ৬৩৯৭, ই.সে. ৬৪৪৮)
وحدثناه عمرو الناقد، حدثنا إسماعيل بن إبراهيم، أخبرنا معمر، عن الزهري، بهذا الإسناد إلى قوله " ونمى خيرا " . ولم يذكر ما بعده .
সহিহ মুসলিম ৬৫২৮
حدثنا عمرو الناقد، حدثنا يعقوب بن إبراهيم بن سعد، حدثنا أبي، عن صالح، حدثنا محمد بن مسلم بن عبيد الله بن عبد الله بن شهاب، بهذا الإسناد . مثله غير أنفي حديث صالح وقالت ولم أسمعه يرخص في شىء مما يقول الناس إلا في ثلاث . بمثل ما جعله يونس من قول ابن شهاب .
মুহাম্মাদ ইবনু মুসলিম ইবনু ‘উবাইদুল্লাহ ইবনু ‘আবদুল্লাহ ইবনু শিহাব (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
এ সানাদে হুবহু বর্ণনা করেছেন। এছাড়া সালিহ (রহঃ) বর্ণিত হাদীসে রয়েছে। রাবী বলেন, আর লোকেরা যা বলে তাতে শুধু এ তিনটি ক্ষেত্র ব্যতীত অন্য কোন ক্ষেত্রে মিথ্যা বলার অনুমতি দানের কথা আমি শুনিনি, যা ইবনু শিহাব (রহঃ)-এর কথা ইউনুস (রহঃ) বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৬৩৯৬, ই.সে. ৬৪৪৭)
মুহাম্মাদ ইবনু মুসলিম ইবনু ‘উবাইদুল্লাহ ইবনু ‘আবদুল্লাহ ইবনু শিহাব (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
এ সানাদে হুবহু বর্ণনা করেছেন। এছাড়া সালিহ (রহঃ) বর্ণিত হাদীসে রয়েছে। রাবী বলেন, আর লোকেরা যা বলে তাতে শুধু এ তিনটি ক্ষেত্র ব্যতীত অন্য কোন ক্ষেত্রে মিথ্যা বলার অনুমতি দানের কথা আমি শুনিনি, যা ইবনু শিহাব (রহঃ)-এর কথা ইউনুস (রহঃ) বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৬৩৯৬, ই.সে. ৬৪৪৭)
حدثنا عمرو الناقد، حدثنا يعقوب بن إبراهيم بن سعد، حدثنا أبي، عن صالح، حدثنا محمد بن مسلم بن عبيد الله بن عبد الله بن شهاب، بهذا الإسناد . مثله غير أنفي حديث صالح وقالت ولم أسمعه يرخص في شىء مما يقول الناس إلا في ثلاث . بمثل ما جعله يونس من قول ابن شهاب .
সহিহ মুসলিম > চোগলখোরী হারামকরণ
সহিহ মুসলিম ৬৫৩০
حدثنا محمد بن المثنى، وابن، بشار قالا حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، سمعت أبا إسحاق، يحدث عن أبي الأحوص، عن عبد الله بن مسعود، قال إن محمدا صلى الله عليه وسلم قال " ألا أنبئكم ما العضه هي النميمة القالة بين الناس " . وإن محمدا صلى الله عليه وسلم قال " إن الرجل يصدق حتى يكتب صديقا ويكذب حتى يكتب كذابا " .
‘আবদুল্লাহ ইবনু মাস’উদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, আমি কি তোমাদের হুশিয়ার করবনা, চোগলখোরী কী? তা হচ্ছে কুৎসা রটনা করা, যা মানুষের মধ্যে বৈরিতার সৃষ্টি করে। মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আরও বলেছেন, নিশ্চয়ই কোন ব্যক্তি সত্য কথা বলায় সত্যবাদী লিপিবদ্ধ হয়; আবার কেউ মিথ্যা কথা বলায় মিথ্যাবাদী লিপিবদ্ধ হয়। (ই.ফা. ৬৩৯৮, ই.সে. ৬৪৪৯)
‘আবদুল্লাহ ইবনু মাস’উদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, আমি কি তোমাদের হুশিয়ার করবনা, চোগলখোরী কী? তা হচ্ছে কুৎসা রটনা করা, যা মানুষের মধ্যে বৈরিতার সৃষ্টি করে। মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আরও বলেছেন, নিশ্চয়ই কোন ব্যক্তি সত্য কথা বলায় সত্যবাদী লিপিবদ্ধ হয়; আবার কেউ মিথ্যা কথা বলায় মিথ্যাবাদী লিপিবদ্ধ হয়। (ই.ফা. ৬৩৯৮, ই.সে. ৬৪৪৯)
حدثنا محمد بن المثنى، وابن، بشار قالا حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، سمعت أبا إسحاق، يحدث عن أبي الأحوص، عن عبد الله بن مسعود، قال إن محمدا صلى الله عليه وسلم قال " ألا أنبئكم ما العضه هي النميمة القالة بين الناس " . وإن محمدا صلى الله عليه وسلم قال " إن الرجل يصدق حتى يكتب صديقا ويكذب حتى يكتب كذابا " .
সহিহ মুসলিম > মিথ্যার নিন্দা এবং সত্যের সৌন্দর্যতা ও তার উপকারিতা
সহিহ মুসলিম ৬৫৩২
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وهناد بن السري، قالا حدثنا أبو الأحوص، عن منصور، عن أبي وائل، عن عبد الله بن مسعود، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " إن الصدق بر وإن البر يهدي إلى الجنة وإن العبد ليتحرى الصدق حتى يكتب عند الله صديقا وإن الكذب فجور وإن الفجور يهدي إلى النار وإن العبد ليتحرى الكذب حتى يكتب كذابا " . قال ابن أبي شيبة في روايته عن النبي صلى الله عليه وسلم .
‘আবদুল্লাহ ইবনু মাস’উদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ সত্যতা তো পুণ্যের কাজ; আর পুণ্যময় কাজ জান্নাতের পথ দেখিয়ে দেয়। কোন বান্দা সৎ বলার ইচ্ছা করলে অবশেষে আল্লাহর নিকট তার নাম সত্যবাদী বলে লিপিবদ্ধ হয়। আর মিথ্যা তো অপরাধ, এ অপরাধ জাহান্নামের পথপ্রদর্শন করে। আর কোন বান্দা মিথ্যা বলার চিন্তা করার কারণে অবশেষে সে মিথ্যাবাদী হিসাবে লিপিবদ্ধ হয়। ইবনু আবূ শাইবাহ্ (রহঃ) তাঁর অপর বর্ণিত হাদীসটি ‘আন্ ‘আন্ সূত্রে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৬৪০০, ই.সে. ৬৪৫১)
‘আবদুল্লাহ ইবনু মাস’উদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ সত্যতা তো পুণ্যের কাজ; আর পুণ্যময় কাজ জান্নাতের পথ দেখিয়ে দেয়। কোন বান্দা সৎ বলার ইচ্ছা করলে অবশেষে আল্লাহর নিকট তার নাম সত্যবাদী বলে লিপিবদ্ধ হয়। আর মিথ্যা তো অপরাধ, এ অপরাধ জাহান্নামের পথপ্রদর্শন করে। আর কোন বান্দা মিথ্যা বলার চিন্তা করার কারণে অবশেষে সে মিথ্যাবাদী হিসাবে লিপিবদ্ধ হয়। ইবনু আবূ শাইবাহ্ (রহঃ) তাঁর অপর বর্ণিত হাদীসটি ‘আন্ ‘আন্ সূত্রে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৬৪০০, ই.সে. ৬৪৫১)
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وهناد بن السري، قالا حدثنا أبو الأحوص، عن منصور، عن أبي وائل، عن عبد الله بن مسعود، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " إن الصدق بر وإن البر يهدي إلى الجنة وإن العبد ليتحرى الصدق حتى يكتب عند الله صديقا وإن الكذب فجور وإن الفجور يهدي إلى النار وإن العبد ليتحرى الكذب حتى يكتب كذابا " . قال ابن أبي شيبة في روايته عن النبي صلى الله عليه وسلم .
সহিহ মুসলিম ৬৫৩১
حدثنا زهير بن حرب، وعثمان بن أبي شيبة، وإسحاق بن إبراهيم، قال إسحاق أخبرنا وقال الآخران، حدثنا جرير، عن منصور، عن أبي وائل، عن عبد الله، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " إن الصدق يهدي إلى البر وإن البر يهدي إلى الجنة وإن الرجل ليصدق حتى يكتب صديقا وإن الكذب يهدي إلى الفجور وإن الفجور يهدي إلى النار وإن الرجل ليكذب حتى يكتب كذابا " .
‘আবদুল্লাহ ইবনু মাস’ঊদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ সততা সৎকর্মের দিকে পথপ্রদর্শন করে আর সৎকর্ম জান্নাতের পথপ্রদর্শন করে। নিশ্চয়ই কোন মানুষ সত্য কথা বলায় সত্যবাদী হিসাবে (তার নাম) লিপিবদ্ধ হয়। আর অসত্য পাপের পথপ্রদর্শন করে এবং পাপ জাহান্নামের দিকে পথপ্রদর্শন করে। নিশ্চয়ই কোন ব্যক্তি নিথ্যায় রত থাকলে পরিশেষে মিথ্যাবাদী হিসেবেই (তার নাম) লিপিবদ্ধ করা হয়। (ই.ফা. ৬৩৯৯, ই.সে. ৬৪৫০)
‘আবদুল্লাহ ইবনু মাস’ঊদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ সততা সৎকর্মের দিকে পথপ্রদর্শন করে আর সৎকর্ম জান্নাতের পথপ্রদর্শন করে। নিশ্চয়ই কোন মানুষ সত্য কথা বলায় সত্যবাদী হিসাবে (তার নাম) লিপিবদ্ধ হয়। আর অসত্য পাপের পথপ্রদর্শন করে এবং পাপ জাহান্নামের দিকে পথপ্রদর্শন করে। নিশ্চয়ই কোন ব্যক্তি নিথ্যায় রত থাকলে পরিশেষে মিথ্যাবাদী হিসেবেই (তার নাম) লিপিবদ্ধ করা হয়। (ই.ফা. ৬৩৯৯, ই.সে. ৬৪৫০)
حدثنا زهير بن حرب، وعثمان بن أبي شيبة، وإسحاق بن إبراهيم، قال إسحاق أخبرنا وقال الآخران، حدثنا جرير، عن منصور، عن أبي وائل، عن عبد الله، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " إن الصدق يهدي إلى البر وإن البر يهدي إلى الجنة وإن الرجل ليصدق حتى يكتب صديقا وإن الكذب يهدي إلى الفجور وإن الفجور يهدي إلى النار وإن الرجل ليكذب حتى يكتب كذابا " .
সহিহ মুসলিম ৬৫৩৩
حدثنا محمد بن عبد الله بن نمير، حدثنا أبو معاوية، ووكيع، قالا حدثنا الأعمش، ح وحدثنا أبو كريب، حدثنا أبو معاوية، حدثنا الأعمش، عن شقيق، عن عبد الله، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " عليكم بالصدق فإن الصدق يهدي إلى البر وإن البر يهدي إلى الجنة وما يزال الرجل يصدق ويتحرى الصدق حتى يكتب عند الله صديقا وإياكم والكذب فإن الكذب يهدي إلى الفجور وإن الفجور يهدي إلى النار وما يزال الرجل يكذب ويتحرى الكذب حتى يكتب عند الله كذابا " .
‘আবদুল্লাহ (ইবনু মাস’ঊদ) (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ সত্যকে ধারণ করা তোমাদের একান্ত কর্তব্য। কেননা সততা নেক কর্মের দিকে পথপ্রদর্শন করে আর নেককর্ম জান্নাতের পথপ্রদর্শন করে। কোন ব্যক্তি সর্বদা সত্য কথা বললে ও সত্য বলার চেষ্টায় রত থাকলে, অবশেষে আল্লাহর নিকট সে সত্যবাদী হিসেবে লিপিবদ্ধ হয়। আর তোমরা মিথ্যা বলা থেকে বিরত থাকো! কেননা মিথ্যা পাপের দিকে পথপ্রদর্শন করে। আর পাপ নিশ্চিত জাহান্নামের দিকে পরিচালিত করে। কোন ব্যক্তি সর্বদা মিথ্যা কথা বললে এবং মিথ্যার উপর অবিচল থাকার চেষ্টা করলে, অবশেষে সে আল্লাহর নিকট মিথ্যাবাদীরূপে লিপিবদ্ধ হয়। (ই.ফা. ৬৪০১, ই.সে. ৬৪৫২)
‘আবদুল্লাহ (ইবনু মাস’ঊদ) (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ সত্যকে ধারণ করা তোমাদের একান্ত কর্তব্য। কেননা সততা নেক কর্মের দিকে পথপ্রদর্শন করে আর নেককর্ম জান্নাতের পথপ্রদর্শন করে। কোন ব্যক্তি সর্বদা সত্য কথা বললে ও সত্য বলার চেষ্টায় রত থাকলে, অবশেষে আল্লাহর নিকট সে সত্যবাদী হিসেবে লিপিবদ্ধ হয়। আর তোমরা মিথ্যা বলা থেকে বিরত থাকো! কেননা মিথ্যা পাপের দিকে পথপ্রদর্শন করে। আর পাপ নিশ্চিত জাহান্নামের দিকে পরিচালিত করে। কোন ব্যক্তি সর্বদা মিথ্যা কথা বললে এবং মিথ্যার উপর অবিচল থাকার চেষ্টা করলে, অবশেষে সে আল্লাহর নিকট মিথ্যাবাদীরূপে লিপিবদ্ধ হয়। (ই.ফা. ৬৪০১, ই.সে. ৬৪৫২)
حدثنا محمد بن عبد الله بن نمير، حدثنا أبو معاوية، ووكيع، قالا حدثنا الأعمش، ح وحدثنا أبو كريب، حدثنا أبو معاوية، حدثنا الأعمش، عن شقيق، عن عبد الله، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " عليكم بالصدق فإن الصدق يهدي إلى البر وإن البر يهدي إلى الجنة وما يزال الرجل يصدق ويتحرى الصدق حتى يكتب عند الله صديقا وإياكم والكذب فإن الكذب يهدي إلى الفجور وإن الفجور يهدي إلى النار وما يزال الرجل يكذب ويتحرى الكذب حتى يكتب عند الله كذابا " .
সহিহ মুসলিম ৬৫৩৪
حدثنا منجاب بن الحارث التميمي، أخبرنا ابن مسهر، ح وحدثنا إسحاق بن، إبراهيم الحنظلي أخبرنا عيسى بن يونس، كلاهما عن الأعمش، بهذا الإسناد . ولم يذكر في حديث عيسى " ويتحرى الصدق ويتحرى الكذب " . وفي حديث ابن مسهر " حتى يكتبه الله " .
মিনজাব ইবনুল হারিস আত্ তামীমী (রহঃ), ইসহাক্ ইবনু ইব্রাহীম আল হানযালী (রহঃ) উভয়ে আ’মাশ থেকে বর্নিতঃ
এ সানাদে হুবহু হাদীস বর্ণনা করেছেন। তবে তিনি ‘ঈসা (রহঃ)-এর হাদীসে “সত্য বলার চেষ্টা করে এবং মিথ্যা বলার চেষ্টা করে এবং মিথ্যা বলার চেষ্টা করে” কথাটি উল্লেখ করেননি। আর ইবনু মুসহির (রহঃ) বর্ণিত হাদীসে “অবশেষে আল্লাহ তা লিখবেন” কথাটি উল্লেখ আছে। (ই.ফা. ৬৪০২, ই.সে. ৬৪৫৩)
মিনজাব ইবনুল হারিস আত্ তামীমী (রহঃ), ইসহাক্ ইবনু ইব্রাহীম আল হানযালী (রহঃ) উভয়ে আ’মাশ থেকে বর্নিতঃ
এ সানাদে হুবহু হাদীস বর্ণনা করেছেন। তবে তিনি ‘ঈসা (রহঃ)-এর হাদীসে “সত্য বলার চেষ্টা করে এবং মিথ্যা বলার চেষ্টা করে এবং মিথ্যা বলার চেষ্টা করে” কথাটি উল্লেখ করেননি। আর ইবনু মুসহির (রহঃ) বর্ণিত হাদীসে “অবশেষে আল্লাহ তা লিখবেন” কথাটি উল্লেখ আছে। (ই.ফা. ৬৪০২, ই.সে. ৬৪৫৩)
حدثنا منجاب بن الحارث التميمي، أخبرنا ابن مسهر، ح وحدثنا إسحاق بن، إبراهيم الحنظلي أخبرنا عيسى بن يونس، كلاهما عن الأعمش، بهذا الإسناد . ولم يذكر في حديث عيسى " ويتحرى الصدق ويتحرى الكذب " . وفي حديث ابن مسهر " حتى يكتبه الله " .