সহিহ মুসলিম > যাদের উপর নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) অভিসম্পাত করেছেন, তিরস্কার করেছেন অথবা বদদু‘আ করেছেন; অথচ তারা এর যোগ্য নয় তাদের জন্য তা হবে পবিত্রতা, পুরস্কার ও রহ্‌মাত স্বরূপ

সহিহ মুসলিম ৬৫১৮

حدثني زهير بن حرب، وعبد بن حميد، قال زهير حدثنا يعقوب بن إبراهيم، حدثنا ابن أخي ابن شهاب، عن عمه، حدثني سعيد بن المسيب، عن أبي هريرة، أنه قال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول ‏ "‏ اللهم إني اتخذت عندك عهدا لن تخلفنيه فأيما مؤمن سببته أو جلدته فاجعل ذلك كفارة له يوم القيامة ‏"‏ ‏.‏

আবূ হুরাইরাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি যে, “হে আল্লাহ্‌! আমি আপনার নিকট থেকে যে বিষয়ে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হয়েছি, আপনি কখনো তার বিপরীত করবেন না। কাজেই আমি কোন মু’মিন ব্যক্তিকে কষ্ট দিলে কিংবা গালি বা শাস্তি বিধান কায়িম করলে আপনি তার জন্য কিয়ামাত দিবসে কাফ্‌ফারাহ্‌ বানিয়ে দিন।” (ই.ফা. ৬৩৮৭, ই.সে. ৬৪৩৭)

আবূ হুরাইরাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি যে, “হে আল্লাহ্‌! আমি আপনার নিকট থেকে যে বিষয়ে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হয়েছি, আপনি কখনো তার বিপরীত করবেন না। কাজেই আমি কোন মু’মিন ব্যক্তিকে কষ্ট দিলে কিংবা গালি বা শাস্তি বিধান কায়িম করলে আপনি তার জন্য কিয়ামাত দিবসে কাফ্‌ফারাহ্‌ বানিয়ে দিন।” (ই.ফা. ৬৩৮৭, ই.সে. ৬৪৩৭)

حدثني زهير بن حرب، وعبد بن حميد، قال زهير حدثنا يعقوب بن إبراهيم، حدثنا ابن أخي ابن شهاب، عن عمه، حدثني سعيد بن المسيب، عن أبي هريرة، أنه قال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول ‏ "‏ اللهم إني اتخذت عندك عهدا لن تخلفنيه فأيما مؤمن سببته أو جلدته فاجعل ذلك كفارة له يوم القيامة ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৬৫১৭

حدثني حرملة بن يحيى، أخبرنا ابن وهب، أخبرني يونس، عن ابن شهاب، أخبرني سعيد بن المسيب، عن أبي هريرة، أنه سمع رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول ‏ "‏ اللهم فأيما عبد مؤمن سببته فاجعل ذلك له قربة إليك يوم القيامة ‏"‏ ‏.‏

আবূ হুরাইরাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছেন যে, “হে আল্লাহ্‌! আমি কোন ঈমানদার বান্দাকে মন্দ কথা বললে তুমি তা তার জন্য কিয়ামাত দিবসে তোমার সান্নিধ্য লাভের ওয়াসীলা বানিয়ে দিও।” (ই.ফা. ৬৩৮৬, ই.সে. ৬৪৩৬)

আবূ হুরাইরাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছেন যে, “হে আল্লাহ্‌! আমি কোন ঈমানদার বান্দাকে মন্দ কথা বললে তুমি তা তার জন্য কিয়ামাত দিবসে তোমার সান্নিধ্য লাভের ওয়াসীলা বানিয়ে দিও।” (ই.ফা. ৬৩৮৬, ই.সে. ৬৪৩৬)

حدثني حرملة بن يحيى، أخبرنا ابن وهب، أخبرني يونس، عن ابن شهاب، أخبرني سعيد بن المسيب، عن أبي هريرة، أنه سمع رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول ‏ "‏ اللهم فأيما عبد مؤمن سببته فاجعل ذلك له قربة إليك يوم القيامة ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৬৫১০

حدثنا محمد بن عبد الله بن نمير، حدثنا أبي، حدثنا الأعمش، عن أبي صالح، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ اللهم إنما أنا بشر فأيما رجل من المسلمين سببته أو لعنته أو جلدته فاجعلها له زكاة ورحمة ‏"‏ ‏.‏

আবূ হুরাইরাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ “হে আল্লাহ্‌! আমি তো একজন মানুষ। সুতরাং আমি কোন মুসলিমকে গাল-মন্দ করলে কিংবা তাকে অভিশাপ করলে অথবা আঘাত করলে তখন তুমি তার জন্য তা পবিত্রতা ও রহ্‌মাত অর্জনের উপায় বানিয়ে দিও।” (ই.ফা. ৬৩৭৯, ই.সে. ৬৪৩০)

আবূ হুরাইরাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ “হে আল্লাহ্‌! আমি তো একজন মানুষ। সুতরাং আমি কোন মুসলিমকে গাল-মন্দ করলে কিংবা তাকে অভিশাপ করলে অথবা আঘাত করলে তখন তুমি তার জন্য তা পবিত্রতা ও রহ্‌মাত অর্জনের উপায় বানিয়ে দিও।” (ই.ফা. ৬৩৭৯, ই.সে. ৬৪৩০)

حدثنا محمد بن عبد الله بن نمير، حدثنا أبي، حدثنا الأعمش، عن أبي صالح، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ اللهم إنما أنا بشر فأيما رجل من المسلمين سببته أو لعنته أو جلدته فاجعلها له زكاة ورحمة ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৬৫১৯

حدثني هارون بن عبد الله، وحجاج بن الشاعر، قالا حدثنا حجاج بن محمد، قال قال ابن جريج أخبرني أبو الزبير، أنه سمع جابر بن عبد الله، يقول سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول ‏ "‏ إنما أنا بشر وإني اشترطت على ربي عز وجل أى عبد من المسلمين سببته أو شتمته أن يكون ذلك له زكاة وأجرا ‏"‏ ‏.‏

জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন, আমি তো একজন মানুষ। অতএব আমি আমার পালনকর্তার সাথে এ শর্ত করে নিয়েছি যে, মুসলিমদের অন্তর্ভুক্ত কোন বান্দাকে আমি ভৎর্সনা করলে কিংবা তিরস্কার করলে তা যেন তার জন্য পবিত্রতা ও পুরস্কার হিসেবে গণ্য করা হয়। (ই.ফা. ৬৩৮৮, ই.সে. ৬৪৩৮)

জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন, আমি তো একজন মানুষ। অতএব আমি আমার পালনকর্তার সাথে এ শর্ত করে নিয়েছি যে, মুসলিমদের অন্তর্ভুক্ত কোন বান্দাকে আমি ভৎর্সনা করলে কিংবা তিরস্কার করলে তা যেন তার জন্য পবিত্রতা ও পুরস্কার হিসেবে গণ্য করা হয়। (ই.ফা. ৬৩৮৮, ই.সে. ৬৪৩৮)

حدثني هارون بن عبد الله، وحجاج بن الشاعر، قالا حدثنا حجاج بن محمد، قال قال ابن جريج أخبرني أبو الزبير، أنه سمع جابر بن عبد الله، يقول سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول ‏ "‏ إنما أنا بشر وإني اشترطت على ربي عز وجل أى عبد من المسلمين سببته أو شتمته أن يكون ذلك له زكاة وأجرا ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৬৫২১

حدثني زهير بن حرب، وأبو معن الرقاشي - واللفظ لزهير - قالا حدثنا عمر، بن يونس حدثنا عكرمة بن عمار، حدثنا إسحاق بن أبي طلحة، حدثني أنس بن مالك، قال كانت عند أم سليم يتيمة وهي أم أنس فرأى رسول الله صلى الله عليه وسلم اليتيمة فقال ‏"‏ آنت هيه لقد كبرت لا كبر سنك ‏"‏ ‏.‏ فرجعت اليتيمة إلى أم سليم تبكي فقالت أم سليم ما لك يا بنية قالت الجارية دعا على نبي الله صلى الله عليه وسلم أن لا يكبر سني فالآن لا يكبر سني أبدا - أو قالت قرني - فخرجت أم سليم مستعجلة تلوث خمارها حتى لقيت رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال لها رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ ما لك يا أم سليم ‏"‏ ‏.‏ فقالت يا نبي الله أدعوت على يتيمتي قال ‏"‏ وما ذاك يا أم سليم ‏"‏ ‏.‏ قالت زعمت أنك دعوت أن لا يكبر سنها ولا يكبر قرنها - قال - فضحك رسول الله صلى الله عليه وسلم ثم قال ‏"‏ يا أم سليم أما تعلمين أن شرطي على ربي أني اشترطت على ربي فقلت إنما أنا بشر أرضى كما يرضى البشر وأغضب كما يغضب البشر فأيما أحد دعوت عليه من أمتي بدعوة ليس لها بأهل أن تجعلها له طهورا وزكاة وقربة يقربه بها منه يوم القيامة ‏"‏ ‏.‏ وقال أبو معن يتيمة ‏.‏ بالتصغير في المواضع الثلاثة من الحديث ‏.‏

আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আনাস (রাঃ)-এর মা উম্মু সুলায়মা-এর নিকট এক ইয়াতীম মেয়ে ছিল। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে দেখে বললেন, এ তুমি সে মেয়ে? তুমি তো অনেক বড় হয়েছ; কিন্তু তুমি দীর্ঘায়ু হবে না। তখন ইয়াতীম মেয়েটি উম্মু সুলায়মের নিকট এসে কাঁদতে লাগল। তখন উম্মু সুলায়ম (রাঃ) বললেন, তোমার কী হয়েছে? হে আমার স্নেহের মেয়ে! মেয়েটি বলল, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে বদ্‌দু’আ করেছেন।তিনি বলেছেন, আমি দীর্ঘায়ু হব না। সুতরাং এখন থেকে আমি বয়সে আর বড় হব না। অথবা সে (আরবী) এর স্থলে (আরবী) (আমার সমবয়সী) বলেছিল। এ কথা শুনে উম্মু সুলায়ম (রাঃ) তাড়াতাড়ি গায়ে চাদর দিয়ে বেরিয়ে পড়েন এবং রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাথে দেখা করেন। তখন তাঁর উদ্দেশে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, কী ব্যাপার, হে উম্মু সুলায়ম! তিনি বললেন, ইয়া রসূলাল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)! আপনি কি আমার ইয়াতীম মেয়েটিকে বদ্‌দু’আ করেছেন? তিনি বললেন, হে উম্মু সুলায়ম! এটা কেমন কথা! বদ্‌দু’আ করব কেন? উম্মু সুলায়ম বললেন, সে তো মনে করেছে যে, আপনি তাকে বদ্‌দু’আ করেছেন যেন তার বয়স না বাড়ে কিংবা তার সমবয়সীর বয়স বৃদ্ধি না পায়। রাবী বলেন , তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মুচকি হেসে বললেন, হে উম্মু সুলায়ম! তুমি বোধহয় জান না যে, আমার রবের সাথে এ মর্মে আমি শর্ত করেছি এবং আমি বলেছি যে, আমি একজন মানুষ মাত্র। মানুষ যাতে সন্তুষ্ট থাকে আমিও তাতে সন্তুষ্ট হই। আমিও রাগান্বিত হই যেভাবে মানুষ রাগান্বিত হয়ে থাকে। সুতরাং আমি আমার উম্মতের কোন লোকের বিরুদ্ধে বদ্‌দু’আ করলে সে যদি তার যোগ্য না হয় তাহলে তা তার জন্য পবিত্রতা, আত্মশুদ্ধি ও নৈকট্যর সোপান বানিয়ে দাও, যার দ্বারা কিয়ামাতের দিনে সে তোমার নৈকট্য অর্জন করতে পারে। আবূ মা’ন (রহঃ) উল্লেখিত এক হাদীসে তিন জায়গায় (আরবী)-এর স্থলে (আরবী) শব্দ বর্ণনা করেছেন, যার অর্থ ছোট ইয়াতীম মেয়ে। (ই.ফা. ৬৩৮৯, ই.সে. ৬৪৪০ )

আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আনাস (রাঃ)-এর মা উম্মু সুলায়মা-এর নিকট এক ইয়াতীম মেয়ে ছিল। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে দেখে বললেন, এ তুমি সে মেয়ে? তুমি তো অনেক বড় হয়েছ; কিন্তু তুমি দীর্ঘায়ু হবে না। তখন ইয়াতীম মেয়েটি উম্মু সুলায়মের নিকট এসে কাঁদতে লাগল। তখন উম্মু সুলায়ম (রাঃ) বললেন, তোমার কী হয়েছে? হে আমার স্নেহের মেয়ে! মেয়েটি বলল, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে বদ্‌দু’আ করেছেন।তিনি বলেছেন, আমি দীর্ঘায়ু হব না। সুতরাং এখন থেকে আমি বয়সে আর বড় হব না। অথবা সে (আরবী) এর স্থলে (আরবী) (আমার সমবয়সী) বলেছিল। এ কথা শুনে উম্মু সুলায়ম (রাঃ) তাড়াতাড়ি গায়ে চাদর দিয়ে বেরিয়ে পড়েন এবং রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাথে দেখা করেন। তখন তাঁর উদ্দেশে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, কী ব্যাপার, হে উম্মু সুলায়ম! তিনি বললেন, ইয়া রসূলাল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)! আপনি কি আমার ইয়াতীম মেয়েটিকে বদ্‌দু’আ করেছেন? তিনি বললেন, হে উম্মু সুলায়ম! এটা কেমন কথা! বদ্‌দু’আ করব কেন? উম্মু সুলায়ম বললেন, সে তো মনে করেছে যে, আপনি তাকে বদ্‌দু’আ করেছেন যেন তার বয়স না বাড়ে কিংবা তার সমবয়সীর বয়স বৃদ্ধি না পায়। রাবী বলেন , তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মুচকি হেসে বললেন, হে উম্মু সুলায়ম! তুমি বোধহয় জান না যে, আমার রবের সাথে এ মর্মে আমি শর্ত করেছি এবং আমি বলেছি যে, আমি একজন মানুষ মাত্র। মানুষ যাতে সন্তুষ্ট থাকে আমিও তাতে সন্তুষ্ট হই। আমিও রাগান্বিত হই যেভাবে মানুষ রাগান্বিত হয়ে থাকে। সুতরাং আমি আমার উম্মতের কোন লোকের বিরুদ্ধে বদ্‌দু’আ করলে সে যদি তার যোগ্য না হয় তাহলে তা তার জন্য পবিত্রতা, আত্মশুদ্ধি ও নৈকট্যর সোপান বানিয়ে দাও, যার দ্বারা কিয়ামাতের দিনে সে তোমার নৈকট্য অর্জন করতে পারে। আবূ মা’ন (রহঃ) উল্লেখিত এক হাদীসে তিন জায়গায় (আরবী)-এর স্থলে (আরবী) শব্দ বর্ণনা করেছেন, যার অর্থ ছোট ইয়াতীম মেয়ে। (ই.ফা. ৬৩৮৯, ই.সে. ৬৪৪০ )

حدثني زهير بن حرب، وأبو معن الرقاشي - واللفظ لزهير - قالا حدثنا عمر، بن يونس حدثنا عكرمة بن عمار، حدثنا إسحاق بن أبي طلحة، حدثني أنس بن مالك، قال كانت عند أم سليم يتيمة وهي أم أنس فرأى رسول الله صلى الله عليه وسلم اليتيمة فقال ‏"‏ آنت هيه لقد كبرت لا كبر سنك ‏"‏ ‏.‏ فرجعت اليتيمة إلى أم سليم تبكي فقالت أم سليم ما لك يا بنية قالت الجارية دعا على نبي الله صلى الله عليه وسلم أن لا يكبر سني فالآن لا يكبر سني أبدا - أو قالت قرني - فخرجت أم سليم مستعجلة تلوث خمارها حتى لقيت رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال لها رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ ما لك يا أم سليم ‏"‏ ‏.‏ فقالت يا نبي الله أدعوت على يتيمتي قال ‏"‏ وما ذاك يا أم سليم ‏"‏ ‏.‏ قالت زعمت أنك دعوت أن لا يكبر سنها ولا يكبر قرنها - قال - فضحك رسول الله صلى الله عليه وسلم ثم قال ‏"‏ يا أم سليم أما تعلمين أن شرطي على ربي أني اشترطت على ربي فقلت إنما أنا بشر أرضى كما يرضى البشر وأغضب كما يغضب البشر فأيما أحد دعوت عليه من أمتي بدعوة ليس لها بأهل أن تجعلها له طهورا وزكاة وقربة يقربه بها منه يوم القيامة ‏"‏ ‏.‏ وقال أبو معن يتيمة ‏.‏ بالتصغير في المواضع الثلاثة من الحديث ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৬৫০৮

حدثنا زهير بن حرب، حدثنا جرير، عن الأعمش، عن أبي الضحى، عن مسروق، عن عائشة، قالت دخل على رسول الله صلى الله عليه وسلم رجلان فكلماه بشىء لا أدري ما هو فأغضباه فلعنهما وسبهما فلما خرجا قلت يا رسول الله من أصاب من الخير شيئا ما أصابه هذان قال ‏"‏ وما ذاك ‏"‏ ‏.‏ قالت قلت لعنتهما وسببتهما قال ‏"‏ أوما علمت ما شارطت عليه ربي قلت اللهم إنما أنا بشر فأى المسلمين لعنته أو سببته فاجعله له زكاة وأجرا ‏"‏ ‏.‏

‘আয়িশাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একদা দু’জন লোক রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর দরবারে আসলো। তারা তাঁর সঙ্গে কোন বিষয়ে আলোচনা করল। তা কী ছিল, আমি জানি না। অতঃপর তারা তাঁকে রাগান্বিত করেছিল। তিনি তাদের উভয়কে অভিসম্পাত করলেন এবং তিরস্কার করলেন। যখন তারা বের হয়ে গেল আমি বললাম, হে আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)। যারা (আপনার কাছ থেকে) কল্যাণ লাভ করে। এরা দু’জনে তার কিছুই পাবে না। তিনি বললেন, সে কী ব্যাপার! তিনি [আয়িশাহ্‌ (রাঃ)] বললেন, আপনি তো তাদের উভয়কে অভিসম্পাত করেছেন এবং ধিক্কার দিয়েছেন। রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, তুমি কি জান আমার প্রতিপালকের সাথে এ বিষয়ে আমি কী শর্তারোপ করেছি? আমি বলেছিলাম, “হে আল্লাহ্‌! আমি একজন মানুষ। আমি কোন মুসলিমকে লা’নত করলে কিংবা তিরস্কার করলে তা তুমি তার জন্য পবিত্রতা ও পুরস্কার বানিয়ে দিও।” (ই.ফা. ৬৩৭৭, ই.সে. ৬৪২৮)

‘আয়িশাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একদা দু’জন লোক রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর দরবারে আসলো। তারা তাঁর সঙ্গে কোন বিষয়ে আলোচনা করল। তা কী ছিল, আমি জানি না। অতঃপর তারা তাঁকে রাগান্বিত করেছিল। তিনি তাদের উভয়কে অভিসম্পাত করলেন এবং তিরস্কার করলেন। যখন তারা বের হয়ে গেল আমি বললাম, হে আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)। যারা (আপনার কাছ থেকে) কল্যাণ লাভ করে। এরা দু’জনে তার কিছুই পাবে না। তিনি বললেন, সে কী ব্যাপার! তিনি [আয়িশাহ্‌ (রাঃ)] বললেন, আপনি তো তাদের উভয়কে অভিসম্পাত করেছেন এবং ধিক্কার দিয়েছেন। রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, তুমি কি জান আমার প্রতিপালকের সাথে এ বিষয়ে আমি কী শর্তারোপ করেছি? আমি বলেছিলাম, “হে আল্লাহ্‌! আমি একজন মানুষ। আমি কোন মুসলিমকে লা’নত করলে কিংবা তিরস্কার করলে তা তুমি তার জন্য পবিত্রতা ও পুরস্কার বানিয়ে দিও।” (ই.ফা. ৬৩৭৭, ই.সে. ৬৪২৮)

حدثنا زهير بن حرب، حدثنا جرير، عن الأعمش، عن أبي الضحى، عن مسروق، عن عائشة، قالت دخل على رسول الله صلى الله عليه وسلم رجلان فكلماه بشىء لا أدري ما هو فأغضباه فلعنهما وسبهما فلما خرجا قلت يا رسول الله من أصاب من الخير شيئا ما أصابه هذان قال ‏"‏ وما ذاك ‏"‏ ‏.‏ قالت قلت لعنتهما وسببتهما قال ‏"‏ أوما علمت ما شارطت عليه ربي قلت اللهم إنما أنا بشر فأى المسلمين لعنته أو سببته فاجعله له زكاة وأجرا ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৬৫২৩

حدثني إسحاق بن منصور، أخبرنا النضر بن شميل، حدثنا شعبة، أخبرنا أبو حمزة سمعت ابن عباس، يقول كنت ألعب مع الصبيان فجاء رسول الله صلى الله عليه وسلم فاختبأت منه ‏.‏ فذكر بمثله ‏.‏

আবূ হামযাহ্ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন যে, আমি ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ)-কে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন, আমি কিছু ছেলের সাথে খেলায় লিপ্ত ছিলাম। অকস্মাৎ রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তথায় আসলেন আমি তাত্থেকে লুকিয়ে থাকলাম।… তারপর তিনি তার হুবহু হাদীস উল্লেখ করেছেন। (ই.ফা. ৬৩৯১, ই.সে. ৬৪৪২)

আবূ হামযাহ্ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন যে, আমি ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ)-কে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন, আমি কিছু ছেলের সাথে খেলায় লিপ্ত ছিলাম। অকস্মাৎ রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তথায় আসলেন আমি তাত্থেকে লুকিয়ে থাকলাম।… তারপর তিনি তার হুবহু হাদীস উল্লেখ করেছেন। (ই.ফা. ৬৩৯১, ই.সে. ৬৪৪২)

حدثني إسحاق بن منصور، أخبرنا النضر بن شميل، حدثنا شعبة، أخبرنا أبو حمزة سمعت ابن عباس، يقول كنت ألعب مع الصبيان فجاء رسول الله صلى الله عليه وسلم فاختبأت منه ‏.‏ فذكر بمثله ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৬৫২২

حدثنا محمد بن المثنى العنزي، ح وحدثنا ابن بشار، - واللفظ لابن المثنى - قالا حدثنا أمية بن خالد، حدثنا شعبة، عن أبي حمزة القصاب، عن ابن عباس، قال كنت ألعب مع الصبيان فجاء رسول الله صلى الله عليه وسلم فتواريت خلف باب - قال - فجاء فحطأني حطأة وقال ‏"‏ اذهب وادع لي معاوية ‏"‏ ‏.‏ قال فجئت فقلت هو يأكل - قال - ثم قال لي ‏"‏ اذهب وادع لي معاوية ‏"‏ ‏.‏ قال فجئت فقلت هو يأكل فقال ‏"‏ لا أشبع الله بطنه ‏"‏ ‏.‏ قال ابن المثنى قلت لأمية ما حطأني قال قفدني قفدة ‏.‏

‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, কোন একদিন আমি বালকদের সাথে খেলায় লিপ্ত ছিলাম। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সেখানে আসলেন। তখন আমি একটি দরজার পিছনে লুকিয়ে থাকলাম। তিনি বলেন, তিনি আমাকে তাঁর হাতে (আদর করে) চড় দিলেন এবং বললেন, যাও, মু’আবিয়াকে আমার কাছে ডেকে নিয়ে আসো। তিনি বলেন, তখন আমি তার নিকট গেলাম এবং বললাম, তিনি খাচ্ছিলেন। (আমি ফিরে আসলাম) তিনি বলেন, তারপর তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে বললেন, যাও , মু’আবিয়াকে আমার নিকট ডেকে নিয়ে আসো। তিনি বলেন, তখন আমি তার নিকট গেলাম এবং (ফিরে এসে) বললাম, তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) খাচ্ছেন। তখন তিনি বললেন, আল্লাহ্‌ যেন তার পেটভর্তি না করেন। ইবনুল মুসান্না (রহঃ) বলেন, আমি উমাইয়্যাকে বললাম, (আরবী) ‘আমাকে চড় মেরেছেন’-এর অর্থ কি? তিনি বললেন, (আরবী) অর্থাৎ-তিনি আমাকে আদর করেছেন। (ই.ফা. ৬৩৯০, ই.সে. ৬৪৪১)

‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, কোন একদিন আমি বালকদের সাথে খেলায় লিপ্ত ছিলাম। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সেখানে আসলেন। তখন আমি একটি দরজার পিছনে লুকিয়ে থাকলাম। তিনি বলেন, তিনি আমাকে তাঁর হাতে (আদর করে) চড় দিলেন এবং বললেন, যাও, মু’আবিয়াকে আমার কাছে ডেকে নিয়ে আসো। তিনি বলেন, তখন আমি তার নিকট গেলাম এবং বললাম, তিনি খাচ্ছিলেন। (আমি ফিরে আসলাম) তিনি বলেন, তারপর তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে বললেন, যাও , মু’আবিয়াকে আমার নিকট ডেকে নিয়ে আসো। তিনি বলেন, তখন আমি তার নিকট গেলাম এবং (ফিরে এসে) বললাম, তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) খাচ্ছেন। তখন তিনি বললেন, আল্লাহ্‌ যেন তার পেটভর্তি না করেন। ইবনুল মুসান্না (রহঃ) বলেন, আমি উমাইয়্যাকে বললাম, (আরবী) ‘আমাকে চড় মেরেছেন’-এর অর্থ কি? তিনি বললেন, (আরবী) অর্থাৎ-তিনি আমাকে আদর করেছেন। (ই.ফা. ৬৩৯০, ই.সে. ৬৪৪১)

حدثنا محمد بن المثنى العنزي، ح وحدثنا ابن بشار، - واللفظ لابن المثنى - قالا حدثنا أمية بن خالد، حدثنا شعبة، عن أبي حمزة القصاب، عن ابن عباس، قال كنت ألعب مع الصبيان فجاء رسول الله صلى الله عليه وسلم فتواريت خلف باب - قال - فجاء فحطأني حطأة وقال ‏"‏ اذهب وادع لي معاوية ‏"‏ ‏.‏ قال فجئت فقلت هو يأكل - قال - ثم قال لي ‏"‏ اذهب وادع لي معاوية ‏"‏ ‏.‏ قال فجئت فقلت هو يأكل فقال ‏"‏ لا أشبع الله بطنه ‏"‏ ‏.‏ قال ابن المثنى قلت لأمية ما حطأني قال قفدني قفدة ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৬৫১৩

حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا المغيرة، - يعني ابن عبد الرحمن الحزامي - عن أبي الزناد، عن الأعرج، عن أبي هريرة، أن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ اللهم إني أتخذ عندك عهدا لن تخلفنيه فإنما أنا بشر فأى المؤمنين آذيته شتمته لعنته جلدته فاجعلها له صلاة وزكاة وقربة تقربه بها إليك يوم القيامة ‏"‏ ‏.‏

আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ “হে আল্লাহ্! আমি তোমার নিকট থেকে যে বিষয়ে অঙ্গীকারবদ্ধ হয়েছি, তুমি কখনো তার বিপরীত করো না। আমি তো একজন মানুষ মাত্র। সুতরাং আমি কোন মু’মিন ব্যক্তিকে কষ্ট দিলে, গাল-মন্দ করলে, অভিসম্পাত করলে, তাকে কোড়া লাগালে তা তার জন্য রহ্মাত, পবিত্রতা ও নৈকট্যের কারণ বানিয়ে দাও, যার দ্বারা সে কিয়ামাত দিবসে তোমার নৈকট্য লাভ করতে পারে। (ই.ফা. ৬৩৮২, ই.সে. ৬৪৩২)

আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ “হে আল্লাহ্! আমি তোমার নিকট থেকে যে বিষয়ে অঙ্গীকারবদ্ধ হয়েছি, তুমি কখনো তার বিপরীত করো না। আমি তো একজন মানুষ মাত্র। সুতরাং আমি কোন মু’মিন ব্যক্তিকে কষ্ট দিলে, গাল-মন্দ করলে, অভিসম্পাত করলে, তাকে কোড়া লাগালে তা তার জন্য রহ্মাত, পবিত্রতা ও নৈকট্যের কারণ বানিয়ে দাও, যার দ্বারা সে কিয়ামাত দিবসে তোমার নৈকট্য লাভ করতে পারে। (ই.ফা. ৬৩৮২, ই.সে. ৬৪৩২)

حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا المغيرة، - يعني ابن عبد الرحمن الحزامي - عن أبي الزناد، عن الأعرج، عن أبي هريرة، أن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ اللهم إني أتخذ عندك عهدا لن تخلفنيه فإنما أنا بشر فأى المؤمنين آذيته شتمته لعنته جلدته فاجعلها له صلاة وزكاة وقربة تقربه بها إليك يوم القيامة ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৬৫০৯

حدثناه أبو بكر بن أبي شيبة، وأبو كريب قالا حدثنا أبو معاوية، ح وحدثناه علي بن حجر السعدي، وإسحاق بن إبراهيم، وعلي بن خشرم، جميعا عن عيسى بن يونس، كلاهما عن الأعمش، بهذا الإسناد ‏.‏ نحو حديث جرير وقال في حديث عيسى فخلوا به فسبهما ولعنهما وأخرجهما ‏.‏

আ’মাশ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আ’মাশ (রাঃ) থেকে এ সানাদে জারীর সূত্রে বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। তিনি ঈসা (রহঃ) বর্ণিত হাদীসে বলেন, এরপর তারা তাঁর সঙ্গে একান্তে মিলিত হলেন, তখন তিনি তাদের উভয়কে তিরস্কার করলেন এবং তাদেরকে লা’নাত দিয়ে বের করে দিলেন। (ই.ফা. ৬৩৭৮, ই.সে. ৬৪২৯)

আ’মাশ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আ’মাশ (রাঃ) থেকে এ সানাদে জারীর সূত্রে বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। তিনি ঈসা (রহঃ) বর্ণিত হাদীসে বলেন, এরপর তারা তাঁর সঙ্গে একান্তে মিলিত হলেন, তখন তিনি তাদের উভয়কে তিরস্কার করলেন এবং তাদেরকে লা’নাত দিয়ে বের করে দিলেন। (ই.ফা. ৬৩৭৮, ই.সে. ৬৪২৯)

حدثناه أبو بكر بن أبي شيبة، وأبو كريب قالا حدثنا أبو معاوية، ح وحدثناه علي بن حجر السعدي، وإسحاق بن إبراهيم، وعلي بن خشرم، جميعا عن عيسى بن يونس، كلاهما عن الأعمش، بهذا الإسناد ‏.‏ نحو حديث جرير وقال في حديث عيسى فخلوا به فسبهما ولعنهما وأخرجهما ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৬৫১২

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وأبو كريب قالا حدثنا أبو معاوية، ح وحدثنا إسحاق، بن إبراهيم أخبرنا عيسى بن يونس، كلاهما عن الأعمش، بإسناد عبد الله بن نمير ‏.‏ مثل حديثه غير أن في، حديث عيسى جعل ‏"‏ وأجرا ‏"‏ ‏.‏ في حديث أبي هريرة وجعل ‏"‏ ورحمة ‏"‏ ‏.‏ في حديث جابر ‏.‏

আ‘মাশ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

‘আবদুল্লাহ ইবনু নুমায়র (রহঃ) বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। তবে ‘ঈসা (রহঃ) কর্তৃক বর্ণিত হাদীসে (আরবী) (বানিয়ে দাও) উল্লেখ আছে। আর আবূ হুরায়রা্-এর হাদীসে (আরবী) (পুরস্কার) কথাটি উল্লেখ রয়েছে এবং জাবির (রাঃ)-এর সূত্রে বর্ণিত হাদীসে (আরবী) (বানিয়ে দাও রহ্মাত) কথাটির উল্লেখ আছে। (ই.ফা. ৬৩৮১, ই.সে. ৬৪৩১ [ক])

আ‘মাশ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

‘আবদুল্লাহ ইবনু নুমায়র (রহঃ) বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। তবে ‘ঈসা (রহঃ) কর্তৃক বর্ণিত হাদীসে (আরবী) (বানিয়ে দাও) উল্লেখ আছে। আর আবূ হুরায়রা্-এর হাদীসে (আরবী) (পুরস্কার) কথাটি উল্লেখ রয়েছে এবং জাবির (রাঃ)-এর সূত্রে বর্ণিত হাদীসে (আরবী) (বানিয়ে দাও রহ্মাত) কথাটির উল্লেখ আছে। (ই.ফা. ৬৩৮১, ই.সে. ৬৪৩১ [ক])

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وأبو كريب قالا حدثنا أبو معاوية، ح وحدثنا إسحاق، بن إبراهيم أخبرنا عيسى بن يونس، كلاهما عن الأعمش، بإسناد عبد الله بن نمير ‏.‏ مثل حديثه غير أن في، حديث عيسى جعل ‏"‏ وأجرا ‏"‏ ‏.‏ في حديث أبي هريرة وجعل ‏"‏ ورحمة ‏"‏ ‏.‏ في حديث جابر ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৬৫১১

وحدثنا ابن نمير، حدثنا أبي، حدثنا الأعمش، عن أبي سفيان، عن جابر، عن النبي صلى الله عليه وسلم مثله إلا أن فيه ‏ "‏ زكاة وأجرا ‏"‏ ‏.‏

জাবির (রাঃ)-এর সূত্রে নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্নিতঃ

জাবির (রাঃ)-এর সূত্রে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। তবে তার হাদীসে (আরবী) (করুণা)-এর স্থলে (আরবী) (সাওয়াব) উল্লেখিত হয়েছে। (ই.ফা. ৬৩৮০, ই.সে. ৬৪৩১)

জাবির (রাঃ)-এর সূত্রে নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্নিতঃ

জাবির (রাঃ)-এর সূত্রে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। তবে তার হাদীসে (আরবী) (করুণা)-এর স্থলে (আরবী) (সাওয়াব) উল্লেখিত হয়েছে। (ই.ফা. ৬৩৮০, ই.সে. ৬৪৩১)

وحدثنا ابن نمير، حدثنا أبي، حدثنا الأعمش، عن أبي سفيان، عن جابر، عن النبي صلى الله عليه وسلم مثله إلا أن فيه ‏ "‏ زكاة وأجرا ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৬৫১৪

حدثناه ابن أبي عمر، حدثنا سفيان، حدثنا أبو الزناد، بهذا الإسناد نحوه إلا أنه قال ‏"‏ أو جلده ‏"‏ ‏.‏ قال أبو الزناد وهي لغة أبي هريرة وإنما هي ‏"‏ جلدته ‏"‏ ‏.‏

আবূ যিনাদ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

আবূ যিনাদ (রহঃ) এ সানাদে তার অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। পার্থক্য এতটুকু যে, তিনি বলেছেন, (আরবী) (কিংবা আমি দোর্রা মেরেছি)। আবূ যিনাদ (রহঃ) বলেন, এ শব্দটি আবূ হুরায়রা্ (রাঃ)-এর পরিভাষা মাত্র। আসলে এর অর্থ (আরবী) (অর্থাৎ-আমি তাকে শাস্তি দিয়েছি)। (ই.ফা. ৬৩৮৩, ই.সে. ৬৪৩৩)

আবূ যিনাদ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

আবূ যিনাদ (রহঃ) এ সানাদে তার অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। পার্থক্য এতটুকু যে, তিনি বলেছেন, (আরবী) (কিংবা আমি দোর্রা মেরেছি)। আবূ যিনাদ (রহঃ) বলেন, এ শব্দটি আবূ হুরায়রা্ (রাঃ)-এর পরিভাষা মাত্র। আসলে এর অর্থ (আরবী) (অর্থাৎ-আমি তাকে শাস্তি দিয়েছি)। (ই.ফা. ৬৩৮৩, ই.সে. ৬৪৩৩)

حدثناه ابن أبي عمر، حدثنا سفيان، حدثنا أبو الزناد، بهذا الإسناد نحوه إلا أنه قال ‏"‏ أو جلده ‏"‏ ‏.‏ قال أبو الزناد وهي لغة أبي هريرة وإنما هي ‏"‏ جلدته ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৬৫১৫

حدثني سليمان بن معبد، حدثنا سليمان بن حرب، حدثنا حماد بن زيد، عن أيوب، عن عبد الرحمن الأعرج، عن أبي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم بنحوه ‏.‏

আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ)-এর সূত্রে নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্নিতঃ

আবূ হুরায়রা্ (রাঃ)-এর সূত্রে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে এ রকমই বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৬৩৮৪, ই.সে. ৬৪৩৪)

আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ)-এর সূত্রে নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্নিতঃ

আবূ হুরায়রা্ (রাঃ)-এর সূত্রে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে এ রকমই বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৬৩৮৪, ই.সে. ৬৪৩৪)

حدثني سليمان بن معبد، حدثنا سليمان بن حرب، حدثنا حماد بن زيد، عن أيوب، عن عبد الرحمن الأعرج، عن أبي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم بنحوه ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৬৫২০

حدثنيه ابن أبي خلف، حدثنا روح، ح وحدثناه عبد بن حميد، حدثنا أبو عاصم، جميعا عن ابن جريج، بهذا الإسناد مثله ‏.‏

ইবনু জুরায়জ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

অত্র সানাদে অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৬৩৮৮, ই.সে. ৬৪৩৯)

ইবনু জুরায়জ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

অত্র সানাদে অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৬৩৮৮, ই.সে. ৬৪৩৯)

حدثنيه ابن أبي خلف، حدثنا روح، ح وحدثناه عبد بن حميد، حدثنا أبو عاصم، جميعا عن ابن جريج، بهذا الإسناد مثله ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৬৫১৬

حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا ليث، عن سعيد بن أبي سعيد، عن سالم، مولى النصريين قال سمعت أبا هريرة، يقول سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول ‏ "‏ اللهم إنما محمد بشر يغضب كما يغضب البشر وإني قد اتخذت عندك عهدا لن تخلفنيه فأيما مؤمن آذيته أو سببته أو جلدته فاجعلها له كفارة وقربة تقربه بها إليك يوم القيامة ‏"‏ ‏.‏

নাসরিয়্যিন-এর আযাদকৃত গোলাম সালিম (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

আমি আবূ হুরায়রা্ (রাঃ)-কে বলতে শুনেছি। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ “হে আল্লাহ্! মুহাম্মাদ তো একজন মানুষ। তিনি রাগান্বিত হন যেভাবে একজন মানুষ রাগান্বিত হয়। আর আমি আপনার কাছ থেকে যে অঙ্গীকার গ্রহণ করেছি আপনি কখনো তার উল্টো করবেন না। অতএব কোন মু’মিনকে আমি দুঃখ দিলে কিংবা তাকে তিরস্কার করলে অথবা তাকে কোড়া লাগালে তা আপনি তার জন্য কাফ্ফারাহ্ ও নৈকট্য লাভের সোপান বানিয়ে দিন; যার দ্বারা কিয়ামাত দিবসে সে আপনার নৈকট্য অর্জন করতে পারে।” (ই.ফা. ৬৩৮৫, ই.সে. ৬৪৩৫)

নাসরিয়্যিন-এর আযাদকৃত গোলাম সালিম (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

আমি আবূ হুরায়রা্ (রাঃ)-কে বলতে শুনেছি। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ “হে আল্লাহ্! মুহাম্মাদ তো একজন মানুষ। তিনি রাগান্বিত হন যেভাবে একজন মানুষ রাগান্বিত হয়। আর আমি আপনার কাছ থেকে যে অঙ্গীকার গ্রহণ করেছি আপনি কখনো তার উল্টো করবেন না। অতএব কোন মু’মিনকে আমি দুঃখ দিলে কিংবা তাকে তিরস্কার করলে অথবা তাকে কোড়া লাগালে তা আপনি তার জন্য কাফ্ফারাহ্ ও নৈকট্য লাভের সোপান বানিয়ে দিন; যার দ্বারা কিয়ামাত দিবসে সে আপনার নৈকট্য অর্জন করতে পারে।” (ই.ফা. ৬৩৮৫, ই.সে. ৬৪৩৫)

حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا ليث، عن سعيد بن أبي سعيد، عن سالم، مولى النصريين قال سمعت أبا هريرة، يقول سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول ‏ "‏ اللهم إنما محمد بشر يغضب كما يغضب البشر وإني قد اتخذت عندك عهدا لن تخلفنيه فأيما مؤمن آذيته أو سببته أو جلدته فاجعلها له كفارة وقربة تقربه بها إليك يوم القيامة ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম > দ্বি-মুখী লোকের নিন্দা ও তার এ কাজে হারামকরণ প্রসঙ্গে

সহিহ মুসলিম ৬৫২৫

حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا ليث، ح وحدثنا محمد بن رمح، أخبرنا الليث، عن يزيد بن أبي حبيب، عن عراك بن مالك، عن أبي هريرة، أنه سمع رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول ‏ "‏ إن شر الناس ذو الوجهين الذي يأتي هؤلاء بوجه وهؤلاء بوجه ‏"‏ ‏.‏

আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নিশ্চয়ই তিনি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে বলতে শুনেছেনঃ দু’ রুপধারী লোক সবচেয়ে নিকৃষ্ট, যে ব্যক্তি এ দলের নিকটে আসে একরূপ নিয়ে ও অন্যদলের কাছে আসে একরূপ নিয়ে। (ই.ফা. ৬৩৯৩, ই.সে. ৬৪৪৪)

আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নিশ্চয়ই তিনি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে বলতে শুনেছেনঃ দু’ রুপধারী লোক সবচেয়ে নিকৃষ্ট, যে ব্যক্তি এ দলের নিকটে আসে একরূপ নিয়ে ও অন্যদলের কাছে আসে একরূপ নিয়ে। (ই.ফা. ৬৩৯৩, ই.সে. ৬৪৪৪)

حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا ليث، ح وحدثنا محمد بن رمح، أخبرنا الليث، عن يزيد بن أبي حبيب، عن عراك بن مالك، عن أبي هريرة، أنه سمع رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول ‏ "‏ إن شر الناس ذو الوجهين الذي يأتي هؤلاء بوجه وهؤلاء بوجه ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৬৫২৬

وحدثني زهير بن حرب، حدثنا جرير، عن عمارة، عن أبي زرعة، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ تجدون من شر الناس ذا الوجهين الذي يأتي هؤلاء بوجه وهؤلاء بوجه ‏"‏ ‏.

আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমাদের মধ্যে দু’ রূপধারী মানুষকে সবচেয়ে নিকৃষ্ট পাবে। এ দলের নিকট আসে একরূপ নিয়ে অন্য দলের কাছে আসে আর একরূপ নিয়ে। (ই.ফা. ৬৩৯৪, ই.সে. ৬৪৪৫)

আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমাদের মধ্যে দু’ রূপধারী মানুষকে সবচেয়ে নিকৃষ্ট পাবে। এ দলের নিকট আসে একরূপ নিয়ে অন্য দলের কাছে আসে আর একরূপ নিয়ে। (ই.ফা. ৬৩৯৪, ই.সে. ৬৪৪৫)

وحدثني زهير بن حرب، حدثنا جرير، عن عمارة، عن أبي زرعة، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ تجدون من شر الناس ذا الوجهين الذي يأتي هؤلاء بوجه وهؤلاء بوجه ‏"‏ ‏.


সহিহ মুসলিম ৬৫২৪

حدثنا يحيى بن يحيى، قال قرأت على مالك عن أبي الزناد، عن الأعرج، عن أبي هريرة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ إن من شر الناس ذا الوجهين الذي يأتي هؤلاء بوجه وهؤلاء بوجه ‏"‏ ‏.‏

আবূ হুরাইরাহ্, (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ মানুষের মধ্যে দু’ রূপধারী লোক সবচেয়ে নিকৃষ্ট। যে এ দলের নিকট আসে একরূপ নিয়ে এবং অন্য দলের নিকট আসে অন্য আরেক রূপ নিয়ে। (ই.ফা. ৬৩৯২, ই.সে. ৬৪৪৩)

আবূ হুরাইরাহ্, (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ মানুষের মধ্যে দু’ রূপধারী লোক সবচেয়ে নিকৃষ্ট। যে এ দলের নিকট আসে একরূপ নিয়ে এবং অন্য দলের নিকট আসে অন্য আরেক রূপ নিয়ে। (ই.ফা. ৬৩৯২, ই.সে. ৬৪৪৩)

حدثنا يحيى بن يحيى، قال قرأت على مالك عن أبي الزناد، عن الأعرج، عن أبي هريرة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ إن من شر الناس ذا الوجهين الذي يأتي هؤلاء بوجه وهؤلاء بوجه ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম > মিথ্যা হারামকরণ ও তা মুবাহ হওয়ার বিবরণ

সহিহ মুসলিম ৬৫২৭

حدثني حرملة بن يحيى، أخبرنا ابن وهب، أخبرني يونس، عن ابن شهاب، أخبرني حميد بن عبد الرحمن بن عوف، أن أمه أم كلثوم بنت عقبة بن أبي معيط، وكانت، من المهاجرات الأول اللاتي بايعن النبي صلى الله عليه وسلم أخبرته أنها سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم وهو يقول ‏ "‏ ليس الكذاب الذي يصلح بين الناس ويقول خيرا وينمي خيرا ‏"‏ ‏.‏ قال ابن شهاب ولم أسمع يرخص في شىء مما يقول الناس كذب إلا في ثلاث الحرب والإصلاح بين الناس وحديث الرجل امرأته وحديث المرأة زوجها ‏.‏

হিজরতকারিণীদের মধ্যে নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর হাতে প্রথম বাই’আত গ্রহণকারিণীদের অন্যতমা সহাবীয়া উম্মু কুলসূম বিনতু ‘উকবাহ ইবনু আবূ মু’আয়ত (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছেন যে, সে ব্যক্তি মিথ্যুক নয়, যে লোকের মধ্যে আপোষে সমাধা করে দেয়। সে কল্যাণের জন্যই মিথ্যা বলে এবং কল্যাণের জন্যেই চোগলখোরী করে। ইবনু শিহাব (রহঃ) বলেন, তিনটি স্থান ছাড়া আর কোন বিষয়ে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মিথ্যা বলার অনুমতি দিয়েছেন বলে আমি শুনিনি। যুদ্ধ কৌশলের ক্ষেত্রে, মানুষের মধ্যে আপোষ-মীমাংশা করার জন্য, সহধর্মিণীর সাথে স্বামীর কথা ও স্বামীর সাথে সহধর্মিণীর কথা বলার ক্ষেত্রে। (ই.ফা. ৬৩৯৫, ই.সে. ৬৪৪৬)

হিজরতকারিণীদের মধ্যে নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর হাতে প্রথম বাই’আত গ্রহণকারিণীদের অন্যতমা সহাবীয়া উম্মু কুলসূম বিনতু ‘উকবাহ ইবনু আবূ মু’আয়ত (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছেন যে, সে ব্যক্তি মিথ্যুক নয়, যে লোকের মধ্যে আপোষে সমাধা করে দেয়। সে কল্যাণের জন্যই মিথ্যা বলে এবং কল্যাণের জন্যেই চোগলখোরী করে। ইবনু শিহাব (রহঃ) বলেন, তিনটি স্থান ছাড়া আর কোন বিষয়ে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মিথ্যা বলার অনুমতি দিয়েছেন বলে আমি শুনিনি। যুদ্ধ কৌশলের ক্ষেত্রে, মানুষের মধ্যে আপোষ-মীমাংশা করার জন্য, সহধর্মিণীর সাথে স্বামীর কথা ও স্বামীর সাথে সহধর্মিণীর কথা বলার ক্ষেত্রে। (ই.ফা. ৬৩৯৫, ই.সে. ৬৪৪৬)

حدثني حرملة بن يحيى، أخبرنا ابن وهب، أخبرني يونس، عن ابن شهاب، أخبرني حميد بن عبد الرحمن بن عوف، أن أمه أم كلثوم بنت عقبة بن أبي معيط، وكانت، من المهاجرات الأول اللاتي بايعن النبي صلى الله عليه وسلم أخبرته أنها سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم وهو يقول ‏ "‏ ليس الكذاب الذي يصلح بين الناس ويقول خيرا وينمي خيرا ‏"‏ ‏.‏ قال ابن شهاب ولم أسمع يرخص في شىء مما يقول الناس كذب إلا في ثلاث الحرب والإصلاح بين الناس وحديث الرجل امرأته وحديث المرأة زوجها ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৬৫২৯

وحدثناه عمرو الناقد، حدثنا إسماعيل بن إبراهيم، أخبرنا معمر، عن الزهري، بهذا الإسناد إلى قوله ‏ "‏ ونمى خيرا ‏"‏ ‏.‏ ولم يذكر ما بعده ‏.‏

যুহরী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

এ সানাদে তাঁর কথা (আরবী) (ভালোর জন্যই চোগলখোরী করে) পর্যন্ত বর্ণিত আছে। পরবর্তি অংশ তিনি উল্লেখ করেননি। (ই.ফা. ৬৩৯৭, ই.সে. ৬৪৪৮)

যুহরী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

এ সানাদে তাঁর কথা (আরবী) (ভালোর জন্যই চোগলখোরী করে) পর্যন্ত বর্ণিত আছে। পরবর্তি অংশ তিনি উল্লেখ করেননি। (ই.ফা. ৬৩৯৭, ই.সে. ৬৪৪৮)

وحدثناه عمرو الناقد، حدثنا إسماعيل بن إبراهيم، أخبرنا معمر، عن الزهري، بهذا الإسناد إلى قوله ‏ "‏ ونمى خيرا ‏"‏ ‏.‏ ولم يذكر ما بعده ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৬৫২৮

حدثنا عمرو الناقد، حدثنا يعقوب بن إبراهيم بن سعد، حدثنا أبي، عن صالح، حدثنا محمد بن مسلم بن عبيد الله بن عبد الله بن شهاب، بهذا الإسناد ‏.‏ مثله غير أنفي حديث صالح وقالت ولم أسمعه يرخص في شىء مما يقول الناس إلا في ثلاث ‏.‏ بمثل ما جعله يونس من قول ابن شهاب ‏.‏

মুহাম্মাদ ইবনু মুসলিম ইবনু ‘উবাইদুল্লাহ ইবনু ‘আবদুল্লাহ ইবনু শিহাব (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

এ সানাদে হুবহু বর্ণনা করেছেন। এছাড়া সালিহ (রহঃ) বর্ণিত হাদীসে রয়েছে। রাবী বলেন, আর লোকেরা যা বলে তাতে শুধু এ তিনটি ক্ষেত্র ব্যতীত অন্য কোন ক্ষেত্রে মিথ্যা বলার অনুমতি দানের কথা আমি শুনিনি, যা ইবনু শিহাব (রহঃ)-এর কথা ইউনুস (রহঃ) বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৬৩৯৬, ই.সে. ৬৪৪৭)

মুহাম্মাদ ইবনু মুসলিম ইবনু ‘উবাইদুল্লাহ ইবনু ‘আবদুল্লাহ ইবনু শিহাব (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

এ সানাদে হুবহু বর্ণনা করেছেন। এছাড়া সালিহ (রহঃ) বর্ণিত হাদীসে রয়েছে। রাবী বলেন, আর লোকেরা যা বলে তাতে শুধু এ তিনটি ক্ষেত্র ব্যতীত অন্য কোন ক্ষেত্রে মিথ্যা বলার অনুমতি দানের কথা আমি শুনিনি, যা ইবনু শিহাব (রহঃ)-এর কথা ইউনুস (রহঃ) বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৬৩৯৬, ই.সে. ৬৪৪৭)

حدثنا عمرو الناقد، حدثنا يعقوب بن إبراهيم بن سعد، حدثنا أبي، عن صالح، حدثنا محمد بن مسلم بن عبيد الله بن عبد الله بن شهاب، بهذا الإسناد ‏.‏ مثله غير أنفي حديث صالح وقالت ولم أسمعه يرخص في شىء مما يقول الناس إلا في ثلاث ‏.‏ بمثل ما جعله يونس من قول ابن شهاب ‏.‏


সহিহ মুসলিম > চোগলখোরী হারামকরণ

সহিহ মুসলিম ৬৫৩০

حدثنا محمد بن المثنى، وابن، بشار قالا حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، سمعت أبا إسحاق، يحدث عن أبي الأحوص، عن عبد الله بن مسعود، قال إن محمدا صلى الله عليه وسلم قال ‏"‏ ألا أنبئكم ما العضه هي النميمة القالة بين الناس ‏"‏ ‏.‏ وإن محمدا صلى الله عليه وسلم قال ‏"‏ إن الرجل يصدق حتى يكتب صديقا ويكذب حتى يكتب كذابا ‏"‏ ‏.‏

‘আবদুল্লাহ ইবনু মাস’উদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, আমি কি তোমাদের হুশিয়ার করবনা, চোগলখোরী কী? তা হচ্ছে কুৎসা রটনা করা, যা মানুষের মধ্যে বৈরিতার সৃষ্টি করে। মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আরও বলেছেন, নিশ্চয়ই কোন ব্যক্তি সত্য কথা বলায় সত্যবাদী লিপিবদ্ধ হয়; আবার কেউ মিথ্যা কথা বলায় মিথ্যাবাদী লিপিবদ্ধ হয়। (ই.ফা. ৬৩৯৮, ই.সে. ৬৪৪৯)

‘আবদুল্লাহ ইবনু মাস’উদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, আমি কি তোমাদের হুশিয়ার করবনা, চোগলখোরী কী? তা হচ্ছে কুৎসা রটনা করা, যা মানুষের মধ্যে বৈরিতার সৃষ্টি করে। মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আরও বলেছেন, নিশ্চয়ই কোন ব্যক্তি সত্য কথা বলায় সত্যবাদী লিপিবদ্ধ হয়; আবার কেউ মিথ্যা কথা বলায় মিথ্যাবাদী লিপিবদ্ধ হয়। (ই.ফা. ৬৩৯৮, ই.সে. ৬৪৪৯)

حدثنا محمد بن المثنى، وابن، بشار قالا حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، سمعت أبا إسحاق، يحدث عن أبي الأحوص، عن عبد الله بن مسعود، قال إن محمدا صلى الله عليه وسلم قال ‏"‏ ألا أنبئكم ما العضه هي النميمة القالة بين الناس ‏"‏ ‏.‏ وإن محمدا صلى الله عليه وسلم قال ‏"‏ إن الرجل يصدق حتى يكتب صديقا ويكذب حتى يكتب كذابا ‏"‏ ‏.‏


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00