সহিহ মুসলিম > যুল্ম হারাম
সহিহ মুসলিম ৬৪৭১
حدثني محمد بن حاتم، حدثنا شبابة، حدثنا عبد العزيز الماجشون، عن عبد الله، بن دينار عن ابن عمر، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " إن الظلم ظلمات يوم القيامة " .
ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, অবশ্যই যুল্ম কিয়ামাত দিবসে ঘোরতর অন্ধকারে পরিণত হবে। (ই.ফা. ৬৩৪১, ই. সে. ৬৩৯১)
ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, অবশ্যই যুল্ম কিয়ামাত দিবসে ঘোরতর অন্ধকারে পরিণত হবে। (ই.ফা. ৬৩৪১, ই. সে. ৬৩৯১)
حدثني محمد بن حاتم، حدثنا شبابة، حدثنا عبد العزيز الماجشون، عن عبد الله، بن دينار عن ابن عمر، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " إن الظلم ظلمات يوم القيامة " .
সহিহ মুসলিম ৬৪৭৫
حدثنا محمد بن عبد الله بن نمير، حدثنا أبو معاوية، حدثنا بريد بن أبي بردة، عن أبيه، عن أبي موسى، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " إن الله عز وجل يملي للظالم فإذا أخذه لم يفلته " . ثم قرأ { وكذلك أخذ ربك إذا أخذ القرى وهي ظالمة إن أخذه أليم شديد}
আবূ মূসা আশ’আরী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ অবশ্যই মহান আল্লাহ যালিমকে সুযোগ দেন। এরপর তিনি যখন তাকে পাকড়াও করেন তখন তাকে ছাড়েন না। এরপর তিনি তিলাওয়াত করেন, “এভাবেই তোমার প্রতিপালকের পাকড়াও-যখন কোন অত্যাচারী জনপদবাসীকে তিনি পাকড়াও করেন। নিশ্চয়ই তার পাকড়াও চরম মর্মান্তিক, অতিশয় কঠোর”- (সূরাহ্ হূদ ১১/১০২)। (ই.ফা. ৬৩৪৫, ই. সে. ৬৩৯৫)
আবূ মূসা আশ’আরী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ অবশ্যই মহান আল্লাহ যালিমকে সুযোগ দেন। এরপর তিনি যখন তাকে পাকড়াও করেন তখন তাকে ছাড়েন না। এরপর তিনি তিলাওয়াত করেন, “এভাবেই তোমার প্রতিপালকের পাকড়াও-যখন কোন অত্যাচারী জনপদবাসীকে তিনি পাকড়াও করেন। নিশ্চয়ই তার পাকড়াও চরম মর্মান্তিক, অতিশয় কঠোর”- (সূরাহ্ হূদ ১১/১০২)। (ই.ফা. ৬৩৪৫, ই. সে. ৬৩৯৫)
حدثنا محمد بن عبد الله بن نمير، حدثنا أبو معاوية، حدثنا بريد بن أبي بردة، عن أبيه، عن أبي موسى، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " إن الله عز وجل يملي للظالم فإذا أخذه لم يفلته " . ثم قرأ { وكذلك أخذ ربك إذا أخذ القرى وهي ظالمة إن أخذه أليم شديد}
সহিহ মুসলিম ৬৪৬৯
حدثنا إسحاق بن إبراهيم، ومحمد بن المثنى، كلاهما عن عبد الصمد بن عبد، الوارث حدثنا همام، حدثنا قتادة، عن أبي قلابة، عن أبي أسماء، عن أبي ذر، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم فيما يروي عن ربه تبارك وتعالى " إني حرمت على نفسي الظلم وعلى عبادي فلا تظالموا " . وساق الحديث بنحوه وحديث أبي إدريس الذي ذكرناه أتم من هذا .
আবূ যার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তাঁর মহিমান্বিত পরওয়ারদিগার ইরশাদ করেন, আমি আমার নিজের উপর ও বান্দাদের উপর অত্যাচারকে হারাম করে নিয়েছি। অতএব তোমরা পরস্পর পরস্পরকে অত্যাচার করোনা। অতঃপর রাবী হাদীসটি অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। আর আবূ ইদ্রীস (রহঃ) বর্ণিত যে হাদীসটি আমরা বিবৃত করেছি তা এর চাইতে অধিক পূর্ণাঙ্গ। (ই.ফা. ৬৩৩৯, ই. সে. ৬৩৮৯)
আবূ যার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তাঁর মহিমান্বিত পরওয়ারদিগার ইরশাদ করেন, আমি আমার নিজের উপর ও বান্দাদের উপর অত্যাচারকে হারাম করে নিয়েছি। অতএব তোমরা পরস্পর পরস্পরকে অত্যাচার করোনা। অতঃপর রাবী হাদীসটি অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। আর আবূ ইদ্রীস (রহঃ) বর্ণিত যে হাদীসটি আমরা বিবৃত করেছি তা এর চাইতে অধিক পূর্ণাঙ্গ। (ই.ফা. ৬৩৩৯, ই. সে. ৬৩৮৯)
حدثنا إسحاق بن إبراهيم، ومحمد بن المثنى، كلاهما عن عبد الصمد بن عبد، الوارث حدثنا همام، حدثنا قتادة، عن أبي قلابة، عن أبي أسماء، عن أبي ذر، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم فيما يروي عن ربه تبارك وتعالى " إني حرمت على نفسي الظلم وعلى عبادي فلا تظالموا " . وساق الحديث بنحوه وحديث أبي إدريس الذي ذكرناه أتم من هذا .
সহিহ মুসলিম ৬৪৭৩
حدثنا قتيبة بن سعيد، وعلي بن حجر، قالا حدثنا إسماعيل، - وهو ابن جعفر - عن العلاء، عن أبيه، عن أبي هريرة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " أتدرون ما المفلس " . قالوا المفلس فينا من لا درهم له ولا متاع . فقال " إن المفلس من أمتي يأتي يوم القيامة بصلاة وصيام وزكاة ويأتي قد شتم هذا وقذف هذا وأكل مال هذا وسفك دم هذا وضرب هذا فيعطى هذا من حسناته وهذا من حسناته فإن فنيت حسناته قبل أن يقضى ما عليه أخذ من خطاياهم فطرحت عليه ثم طرح في النار " .
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, তোমরা কি বলতে পার অভাবী লোক কে? তাঁরা বললেন, আমাদের মাঝে যার দিরহাম (টাকা কড়ি) ও ধন-সম্পদ নেই সে তো অভাবী লোক। তখন তিনি বললেন, আমার উম্মতের মধ্যে সে প্রকৃত অভাবী লোক, যে ব্যক্তি কিয়ামতের দিন সলাত, সাওম ও যাকাত নিয়ে আসবে; অথচ সে এ অবস্থায় আসবে যে, সে কাউকে গালি দিয়েছে, কাউকে অপবাদ দিয়েছে, অমুকের সম্পদ ভোগ করেছে, অমুককে হত্যা করেছে ও আরেকজনকে প্রহার করেছে। এরপর সে ব্যক্তিকে তার নেক ‘আমাল থেকে দেয়া হবে, অমুককে নেক ‘আমাল থেকে দেয়া হবে। এরপর যদি পাওনাদারের হাক্ব তার নেক ‘আমাল থেকে পূরণ করা না যায় সে ঋণের পরিবর্তে তাদের পাপের একাংশ তার প্রতি নিক্ষেপ করা হবে। এরপর তাকে জাহান্নামে নিক্ষেপ করা হবে। (ই.ফা. ৬৩৪৩, ই. সে. ৬৩৯৩)
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, তোমরা কি বলতে পার অভাবী লোক কে? তাঁরা বললেন, আমাদের মাঝে যার দিরহাম (টাকা কড়ি) ও ধন-সম্পদ নেই সে তো অভাবী লোক। তখন তিনি বললেন, আমার উম্মতের মধ্যে সে প্রকৃত অভাবী লোক, যে ব্যক্তি কিয়ামতের দিন সলাত, সাওম ও যাকাত নিয়ে আসবে; অথচ সে এ অবস্থায় আসবে যে, সে কাউকে গালি দিয়েছে, কাউকে অপবাদ দিয়েছে, অমুকের সম্পদ ভোগ করেছে, অমুককে হত্যা করেছে ও আরেকজনকে প্রহার করেছে। এরপর সে ব্যক্তিকে তার নেক ‘আমাল থেকে দেয়া হবে, অমুককে নেক ‘আমাল থেকে দেয়া হবে। এরপর যদি পাওনাদারের হাক্ব তার নেক ‘আমাল থেকে পূরণ করা না যায় সে ঋণের পরিবর্তে তাদের পাপের একাংশ তার প্রতি নিক্ষেপ করা হবে। এরপর তাকে জাহান্নামে নিক্ষেপ করা হবে। (ই.ফা. ৬৩৪৩, ই. সে. ৬৩৯৩)
حدثنا قتيبة بن سعيد، وعلي بن حجر، قالا حدثنا إسماعيل، - وهو ابن جعفر - عن العلاء، عن أبيه، عن أبي هريرة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " أتدرون ما المفلس " . قالوا المفلس فينا من لا درهم له ولا متاع . فقال " إن المفلس من أمتي يأتي يوم القيامة بصلاة وصيام وزكاة ويأتي قد شتم هذا وقذف هذا وأكل مال هذا وسفك دم هذا وضرب هذا فيعطى هذا من حسناته وهذا من حسناته فإن فنيت حسناته قبل أن يقضى ما عليه أخذ من خطاياهم فطرحت عليه ثم طرح في النار " .
সহিহ মুসলিম ৬৪৬৭
حدثنيه أبو بكر بن إسحاق، حدثنا أبو مسهر، حدثنا سعيد بن عبد العزيز، بهذا الإسناد غير أن مروان أتمهما حديثا .
সা‘ঈদ ইবনু ‘আবদুল ‘আযীয (রাযীঃ) থেকে বর্নিতঃ
সা‘ঈদ ইবনু ‘আবদুল ‘আযীয (রাযীঃ) এ সানাদে রিওয়ায়াত করেন। তবে তাদের উভয়ের মধ্যে মারওয়ান পূর্ণাঙ্গ হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৬৩৩৮, ই. সে. ৬৩৮৮)
সা‘ঈদ ইবনু ‘আবদুল ‘আযীয (রাযীঃ) থেকে বর্নিতঃ
সা‘ঈদ ইবনু ‘আবদুল ‘আযীয (রাযীঃ) এ সানাদে রিওয়ায়াত করেন। তবে তাদের উভয়ের মধ্যে মারওয়ান পূর্ণাঙ্গ হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৬৩৩৮, ই. সে. ৬৩৮৮)
حدثنيه أبو بكر بن إسحاق، حدثنا أبو مسهر، حدثنا سعيد بن عبد العزيز، بهذا الإسناد غير أن مروان أتمهما حديثا .
সহিহ মুসলিম ৬৪৬৮
قال أبو إسحاق حدثنا بهذا الحديث الحسن، والحسين، ابنا بشر ومحمد بن يحيى قالوا حدثنا أبو مسهر، . فذكروا الحديث بطوله .
আবূ ইসহাক্ (রহঃ) বলেন, বিশর্ (রহঃ) এর পুত্রদ্বয় হাসান ও হুসাইন এবং মুহাম্মাদ ইবনু ইয়াহ্ইয়া থেকে বর্নিতঃ
আমাদের নিকট আবূ মুসহির এ হাদীসটি পুরোটাই বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৬৩৩৮, ই. সে. ৬৩৮৮)
আবূ ইসহাক্ (রহঃ) বলেন, বিশর্ (রহঃ) এর পুত্রদ্বয় হাসান ও হুসাইন এবং মুহাম্মাদ ইবনু ইয়াহ্ইয়া থেকে বর্নিতঃ
আমাদের নিকট আবূ মুসহির এ হাদীসটি পুরোটাই বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৬৩৩৮, ই. সে. ৬৩৮৮)
قال أبو إسحاق حدثنا بهذا الحديث الحسن، والحسين، ابنا بشر ومحمد بن يحيى قالوا حدثنا أبو مسهر، . فذكروا الحديث بطوله .
সহিহ মুসলিম ৬৪৭২
حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا ليث، عن عقيل، عن الزهري، عن سالم، عن أبيه، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " المسلم أخو المسلم لا يظلمه ولا يسلمه من كان في حاجة أخيه كان الله في حاجته ومن فرج عن مسلم كربة فرج الله عنه بها كربة من كرب يوم القيامة ومن ستر مسلما ستره الله يوم القيامة " .
সালিম-এর পিতা থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইরশাদ করেনঃ এক মুসলিম আরেক মুসলিমের ভাই। সে তার প্রতি অত্যাচার করে না এবং তাকে দুশমনের হাতে সোপর্দও করে না। যে ব্যক্তি তার ভাই-এর অভাব-অনটন পূরণ করবে আল্লাহ তার অভাব-অনটন দূরীভূত করবেন। আর যে ব্যক্তি কোন মুসলিমের বিপদ দূর করবে, আল্লাহ তা’আলা তার প্রতিদানে কিয়ামাত দিবসে তাকে বিপদ থেকে পরিত্রাণ দিবেন। আর যে ব্যক্তি মুসলিমের দোষ-ত্রুটি লুকিয়ে রাখবে, আল্লাহ তা’আলা কিয়ামাত দিবসে তার দোষ-ত্রুটি লুকিয়ে রাখবেন। (ই.ফা. ৬৩৪২, ই. সে. ৬৩৯২)
সালিম-এর পিতা থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইরশাদ করেনঃ এক মুসলিম আরেক মুসলিমের ভাই। সে তার প্রতি অত্যাচার করে না এবং তাকে দুশমনের হাতে সোপর্দও করে না। যে ব্যক্তি তার ভাই-এর অভাব-অনটন পূরণ করবে আল্লাহ তার অভাব-অনটন দূরীভূত করবেন। আর যে ব্যক্তি কোন মুসলিমের বিপদ দূর করবে, আল্লাহ তা’আলা তার প্রতিদানে কিয়ামাত দিবসে তাকে বিপদ থেকে পরিত্রাণ দিবেন। আর যে ব্যক্তি মুসলিমের দোষ-ত্রুটি লুকিয়ে রাখবে, আল্লাহ তা’আলা কিয়ামাত দিবসে তার দোষ-ত্রুটি লুকিয়ে রাখবেন। (ই.ফা. ৬৩৪২, ই. সে. ৬৩৯২)
حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا ليث، عن عقيل، عن الزهري، عن سالم، عن أبيه، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " المسلم أخو المسلم لا يظلمه ولا يسلمه من كان في حاجة أخيه كان الله في حاجته ومن فرج عن مسلم كربة فرج الله عنه بها كربة من كرب يوم القيامة ومن ستر مسلما ستره الله يوم القيامة " .
সহিহ মুসলিম ৬৪৭০
حدثنا عبد الله بن مسلمة بن قعنب، حدثنا داود، - يعني ابن قيس - عن عبيد، الله بن مقسم عن جابر بن عبد الله، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " اتقوا الظلم فإن الظلم ظلمات يوم القيامة واتقوا الشح فإن الشح أهلك من كان قبلكم حملهم على أن سفكوا دماءهم واستحلوا محارمهم " .
জাবির ইবনু ‘আব্দুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমরা অত্যাচার করা থেকে বিরত থাক। কেননা কিয়ামাত দিবসে অত্যাচার অন্ধকারে পরিণত হবে। তোমরা কৃপণতা থেকে সাবধান হও। কেননা এ কৃপণতাই তোমাদের আগেকার কাওমকে ধ্বংস করেছে। এ কৃপণতা তাঁদের খুন-খারাবী ও রক্তপাতে উৎসাহ যুগিয়েছে এবং হারাম বস্তুসমূহ হালাল জ্ঞান করতে প্রলোভন দিয়েছে। (ই.ফা. ৬৩৪০, ই. সে. ৬৩৯০)
জাবির ইবনু ‘আব্দুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমরা অত্যাচার করা থেকে বিরত থাক। কেননা কিয়ামাত দিবসে অত্যাচার অন্ধকারে পরিণত হবে। তোমরা কৃপণতা থেকে সাবধান হও। কেননা এ কৃপণতাই তোমাদের আগেকার কাওমকে ধ্বংস করেছে। এ কৃপণতা তাঁদের খুন-খারাবী ও রক্তপাতে উৎসাহ যুগিয়েছে এবং হারাম বস্তুসমূহ হালাল জ্ঞান করতে প্রলোভন দিয়েছে। (ই.ফা. ৬৩৪০, ই. সে. ৬৩৯০)
حدثنا عبد الله بن مسلمة بن قعنب، حدثنا داود، - يعني ابن قيس - عن عبيد، الله بن مقسم عن جابر بن عبد الله، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " اتقوا الظلم فإن الظلم ظلمات يوم القيامة واتقوا الشح فإن الشح أهلك من كان قبلكم حملهم على أن سفكوا دماءهم واستحلوا محارمهم " .
সহিহ মুসলিম ৬৪৭৪
حدثنا يحيى بن أيوب، وقتيبة، وابن، حجر قالوا حدثنا إسماعيل، - يعنون ابن جعفر - عن العلاء، عن أبيه، عن أبي هريرة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " لتؤدن الحقوق إلى أهلها يوم القيامة حتى يقاد للشاة الجلحاء من الشاة القرناء " .
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ কিয়ামাতের দিন প্রত্যেক পাওনাদারকে তার পাওনা চুকিয়ে দিতে হবে। এমনকি শিং বিশিষ্ট বকরী থেকে শিং বিহীন বকরীর প্রতিশোধ গ্রহণ করা হবে। (ই.ফা. ৬৩৪৪, ই. সে. ৬৩৯৪)
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ কিয়ামাতের দিন প্রত্যেক পাওনাদারকে তার পাওনা চুকিয়ে দিতে হবে। এমনকি শিং বিশিষ্ট বকরী থেকে শিং বিহীন বকরীর প্রতিশোধ গ্রহণ করা হবে। (ই.ফা. ৬৩৪৪, ই. সে. ৬৩৯৪)
حدثنا يحيى بن أيوب، وقتيبة، وابن، حجر قالوا حدثنا إسماعيل، - يعنون ابن جعفر - عن العلاء، عن أبيه، عن أبي هريرة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " لتؤدن الحقوق إلى أهلها يوم القيامة حتى يقاد للشاة الجلحاء من الشاة القرناء " .
সহিহ মুসলিম ৬৪৬৬
حدثنا عبد الله بن عبد الرحمن بن بهرام الدارمي، حدثنا مروان، - يعني ابن محمد الدمشقي - حدثنا سعيد بن عبد العزيز، عن ربيعة بن يزيد، عن أبي إدريس الخولاني، عن أبي ذر، عن النبي صلى الله عليه وسلم فيما روى عن الله، تبارك وتعالى أنه قال " يا عبادي إني حرمت الظلم على نفسي وجعلته بينكم محرما فلا تظالموا يا عبادي كلكم ضال إلا من هديته فاستهدوني أهدكم يا عبادي كلكم جائع إلا من أطعمته فاستطعموني أطعمكم يا عبادي كلكم عار إلا من كسوته فاستكسوني أكسكم يا عبادي إنكم تخطئون بالليل والنهار وأنا أغفر الذنوب جميعا فاستغفروني أغفر لكم يا عبادي إنكم لن تبلغوا ضري فتضروني ولن تبلغوا نفعي فتنفعوني يا عبادي لو أن أولكم وآخركم وإنسكم وجنكم كانوا على أتقى قلب رجل واحد منكم ما زاد ذلك في ملكي شيئا يا عبادي لو أن أولكم وآخركم وإنسكم وجنكم كانوا على أفجر قلب رجل واحد ما نقص ذلك من ملكي شيئا يا عبادي لو أن أولكم وآخركم وإنسكم وجنكم قاموا في صعيد واحد فسألوني فأعطيت كل إنسان مسألته ما نقص ذلك مما عندي إلا كما ينقص المخيط إذا أدخل البحر يا عبادي إنما هي أعمالكم أحصيها لكم ثم أوفيكم إياها فمن وجد خيرا فليحمد الله ومن وجد غير ذلك فلا يلومن إلا نفسه " . قال سعيد كان أبو إدريس الخولاني إذا حدث بهذا الحديث جثا على ركبتيه .
আবূ যার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইরশাদ করেন : আল্লাহ তা‘আলা বলেছেন, ওহে আমার বান্দারা! আমি আমার নিজ সত্তার উপর অত্যাচারকে হারাম করে নিয়েছি এবং তোমাদের মধ্যেও তা হারাম বলে ঘোষণা করছি। অতএব তোমরা একে অপরের উপর অত্যাচার করো না। হে আমার বান্দারা! তোমরা সবাই ছিলে দিশেহারা, তবে আমি যাকে সুপথ দেখিয়েছি সে ব্যতীত। তোমরা আমার কাছে হিদায়াত প্রার্থনা কর আমি তোমাদের হিদায়াত দান করব। হে আমার বান্দারা! তোমরা সবাই ক্ষুধার্ত, তবে আমি যাকে খাদ্য দান করি সে ব্যতীত। তোমরা আমার কাছে আহার্য চাও, আমি তোমাদের আহার করাব। হে আমার বান্দারা! তোমরা সবাই বস্ত্রহীন, কিন্তু আমি যাকে পরিধান করাই সে ব্যতীত। তোমারা আমার কাছে পরিধেয় চাও, আমি তোমাদের পরিধান করাব। হে আমার বান্দারা! তোমরা রাতদিন অপরাধ করে থাকো। আর আমিই সব অপরাধ ক্ষমা করি। সুতরাং তোমরা আমার কাছে মাগফিরাত প্রার্থনা করো, আমি তোমাদেরকে ক্ষমা করে দিব। হে আমার বান্দারা! তোমরা কখনো আমার অনিষ্ট করতে পারবে না, যাতে আমি ক্ষতিগ্রস্ত হই এবং তোমরা কখনো আমার উপকার করতে পারবে না, যাতে আমি উপকৃত হই। হে আমার বান্দারা! তোমাদের আদি, তোমাদের অন্ত, তোমাদের মানুষ ও জিন জাতির মধ্যে যার অন্তর আমাকে সবচাইতে বেশী ভয় পায়, তোমরা সবাই যদি তার মতো হয়ে যাও তাতে আমার রাজত্ব একটুও বৃদ্ধি পাবে না। হে আমার বান্দাগণ! তোমাদের আদি, তোমাদের অন্ত, তোমাদের সকল মানুষ ও জিন জাতির মধ্যে যার অন্তর সবচাইতে পাপিষ্ঠ তোমরা সবাই যদি তার মতো হয়ে যাও তাতে আমার রাজত্ব কিছুমাত্র হ্রাস পাবে না। হে আমার বান্দা! তোমাদের আদি থেকে অন্ত পর্যন্ত সকল মানুষ ও জিন যদি কোন বিশাল মাঠে দাঁড়িয়ে সবাই আমার কাছে আবদার করে আর আমি প্রত্যক ব্যক্তির চাহিদা পূরণ করি তাহলে আমার কাছে যা আছে তাতে এর চাইতে বেশী হ্রাস পাবে না, যেমন কেউ সমুদ্রে একটি সূচ ডুবিয়ে দিলে যতটুকু তাত্থেকে হ্রাস পায়। হে আমার বান্দারা! আমি তোমাদের ‘আমালই তোমাদের জন্য সংরক্ষিত রাখি। এরপর পুরোপুরিভাবে তার বিনিময় প্রদান করে থাকি। সুতরাং যে ব্যক্তি কোন কল্যাণ অর্জন করে সে যেন আল্লাহর প্রশংসা করে। আর যে তা ব্যতীত অন্য কিছু পায়, তবে সে যেন নিজেকেই দোষারোপ করে। সা‘ঈদ (রহঃ) বলেন, আবূ ইদ্রীস আল খাওলানী (রহঃ) যখন এ হাদীস বর্ণনা করতেন তখন তিনি দু’হাঁটুর উপর ভর দিয়ে বসতেন। (ই.ফা. ৬৩৩৮, ই.সে. ৬৩৮৭)
আবূ যার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইরশাদ করেন : আল্লাহ তা‘আলা বলেছেন, ওহে আমার বান্দারা! আমি আমার নিজ সত্তার উপর অত্যাচারকে হারাম করে নিয়েছি এবং তোমাদের মধ্যেও তা হারাম বলে ঘোষণা করছি। অতএব তোমরা একে অপরের উপর অত্যাচার করো না। হে আমার বান্দারা! তোমরা সবাই ছিলে দিশেহারা, তবে আমি যাকে সুপথ দেখিয়েছি সে ব্যতীত। তোমরা আমার কাছে হিদায়াত প্রার্থনা কর আমি তোমাদের হিদায়াত দান করব। হে আমার বান্দারা! তোমরা সবাই ক্ষুধার্ত, তবে আমি যাকে খাদ্য দান করি সে ব্যতীত। তোমরা আমার কাছে আহার্য চাও, আমি তোমাদের আহার করাব। হে আমার বান্দারা! তোমরা সবাই বস্ত্রহীন, কিন্তু আমি যাকে পরিধান করাই সে ব্যতীত। তোমারা আমার কাছে পরিধেয় চাও, আমি তোমাদের পরিধান করাব। হে আমার বান্দারা! তোমরা রাতদিন অপরাধ করে থাকো। আর আমিই সব অপরাধ ক্ষমা করি। সুতরাং তোমরা আমার কাছে মাগফিরাত প্রার্থনা করো, আমি তোমাদেরকে ক্ষমা করে দিব। হে আমার বান্দারা! তোমরা কখনো আমার অনিষ্ট করতে পারবে না, যাতে আমি ক্ষতিগ্রস্ত হই এবং তোমরা কখনো আমার উপকার করতে পারবে না, যাতে আমি উপকৃত হই। হে আমার বান্দারা! তোমাদের আদি, তোমাদের অন্ত, তোমাদের মানুষ ও জিন জাতির মধ্যে যার অন্তর আমাকে সবচাইতে বেশী ভয় পায়, তোমরা সবাই যদি তার মতো হয়ে যাও তাতে আমার রাজত্ব একটুও বৃদ্ধি পাবে না। হে আমার বান্দাগণ! তোমাদের আদি, তোমাদের অন্ত, তোমাদের সকল মানুষ ও জিন জাতির মধ্যে যার অন্তর সবচাইতে পাপিষ্ঠ তোমরা সবাই যদি তার মতো হয়ে যাও তাতে আমার রাজত্ব কিছুমাত্র হ্রাস পাবে না। হে আমার বান্দা! তোমাদের আদি থেকে অন্ত পর্যন্ত সকল মানুষ ও জিন যদি কোন বিশাল মাঠে দাঁড়িয়ে সবাই আমার কাছে আবদার করে আর আমি প্রত্যক ব্যক্তির চাহিদা পূরণ করি তাহলে আমার কাছে যা আছে তাতে এর চাইতে বেশী হ্রাস পাবে না, যেমন কেউ সমুদ্রে একটি সূচ ডুবিয়ে দিলে যতটুকু তাত্থেকে হ্রাস পায়। হে আমার বান্দারা! আমি তোমাদের ‘আমালই তোমাদের জন্য সংরক্ষিত রাখি। এরপর পুরোপুরিভাবে তার বিনিময় প্রদান করে থাকি। সুতরাং যে ব্যক্তি কোন কল্যাণ অর্জন করে সে যেন আল্লাহর প্রশংসা করে। আর যে তা ব্যতীত অন্য কিছু পায়, তবে সে যেন নিজেকেই দোষারোপ করে। সা‘ঈদ (রহঃ) বলেন, আবূ ইদ্রীস আল খাওলানী (রহঃ) যখন এ হাদীস বর্ণনা করতেন তখন তিনি দু’হাঁটুর উপর ভর দিয়ে বসতেন। (ই.ফা. ৬৩৩৮, ই.সে. ৬৩৮৭)
حدثنا عبد الله بن عبد الرحمن بن بهرام الدارمي، حدثنا مروان، - يعني ابن محمد الدمشقي - حدثنا سعيد بن عبد العزيز، عن ربيعة بن يزيد، عن أبي إدريس الخولاني، عن أبي ذر، عن النبي صلى الله عليه وسلم فيما روى عن الله، تبارك وتعالى أنه قال " يا عبادي إني حرمت الظلم على نفسي وجعلته بينكم محرما فلا تظالموا يا عبادي كلكم ضال إلا من هديته فاستهدوني أهدكم يا عبادي كلكم جائع إلا من أطعمته فاستطعموني أطعمكم يا عبادي كلكم عار إلا من كسوته فاستكسوني أكسكم يا عبادي إنكم تخطئون بالليل والنهار وأنا أغفر الذنوب جميعا فاستغفروني أغفر لكم يا عبادي إنكم لن تبلغوا ضري فتضروني ولن تبلغوا نفعي فتنفعوني يا عبادي لو أن أولكم وآخركم وإنسكم وجنكم كانوا على أتقى قلب رجل واحد منكم ما زاد ذلك في ملكي شيئا يا عبادي لو أن أولكم وآخركم وإنسكم وجنكم كانوا على أفجر قلب رجل واحد ما نقص ذلك من ملكي شيئا يا عبادي لو أن أولكم وآخركم وإنسكم وجنكم قاموا في صعيد واحد فسألوني فأعطيت كل إنسان مسألته ما نقص ذلك مما عندي إلا كما ينقص المخيط إذا أدخل البحر يا عبادي إنما هي أعمالكم أحصيها لكم ثم أوفيكم إياها فمن وجد خيرا فليحمد الله ومن وجد غير ذلك فلا يلومن إلا نفسه " . قال سعيد كان أبو إدريس الخولاني إذا حدث بهذا الحديث جثا على ركبتيه .
সহিহ মুসলিম > ভাইকে সাহায্য করা যালিম হোক কিংবা মাযলুম
সহিহ মুসলিম ৬৪৭৬
حدثنا أحمد بن عبد الله بن يونس، حدثنا زهير، حدثنا أبو الزبير، عن جابر، قال اقتتل غلامان غلام من المهاجرين وغلام من الأنصار فنادى المهاجر أو المهاجرون يا للمهاجرين . ونادى الأنصاري يا للأنصار . فخرج رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال " ما هذا دعوى أهل الجاهلية " . قالوا لا يا رسول الله إلا أن غلامين اقتتلا فكسع أحدهما الآخر قال " فلا بأس ولينصر الرجل أخاه ظالما أو مظلوما إن كان ظالما فلينهه فإنه له نصر وإن كان مظلوما فلينصره " .
জাবির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আনসার ও মুহাজিরদের দু’টি গোলাম হাতাহাতি করছিল। তখন মুহাজির গোলাম এ বলে চীৎকার দিল, হে মুহাজিরগণ! পক্ষান্তরে আনসারী গোলামও ডাকল, হে আনসারগণ! তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বের হয়ে বললেন, এ কী ব্যাপার! জাহিলী যুগের লোকেদের মতো হাঁক-ডাক করছ? তারা বললেন, হে আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)! না, দুটি গোলাম ঝগড়া করেছে। তাদের একজন অপরজনের পশ্চাতে আঘাত করেছে। তখন তিনি বললেন, এতো মামুলী ব্যাপার। প্রত্যেক ব্যক্তির জন্য উচিত যেন সে তার ভাইয়ের সাহায্য করে, সে অত্যাচারী হোক কিংবা অত্যাচারিত। যদি সে অত্যাচারী হয় তাহলে তাকে (যুল্ম থেকে) বিরত রাখবে। এ হচ্ছে তার জন্য সাহায্য। আর যদি সে অত্যাচারিত হয় তাহলে তাকে সাহায্য করবে। (ই.ফা. ৬৩৪৬, ই. সে. ৬৩৯৬)
জাবির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আনসার ও মুহাজিরদের দু’টি গোলাম হাতাহাতি করছিল। তখন মুহাজির গোলাম এ বলে চীৎকার দিল, হে মুহাজিরগণ! পক্ষান্তরে আনসারী গোলামও ডাকল, হে আনসারগণ! তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বের হয়ে বললেন, এ কী ব্যাপার! জাহিলী যুগের লোকেদের মতো হাঁক-ডাক করছ? তারা বললেন, হে আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)! না, দুটি গোলাম ঝগড়া করেছে। তাদের একজন অপরজনের পশ্চাতে আঘাত করেছে। তখন তিনি বললেন, এতো মামুলী ব্যাপার। প্রত্যেক ব্যক্তির জন্য উচিত যেন সে তার ভাইয়ের সাহায্য করে, সে অত্যাচারী হোক কিংবা অত্যাচারিত। যদি সে অত্যাচারী হয় তাহলে তাকে (যুল্ম থেকে) বিরত রাখবে। এ হচ্ছে তার জন্য সাহায্য। আর যদি সে অত্যাচারিত হয় তাহলে তাকে সাহায্য করবে। (ই.ফা. ৬৩৪৬, ই. সে. ৬৩৯৬)
حدثنا أحمد بن عبد الله بن يونس، حدثنا زهير، حدثنا أبو الزبير، عن جابر، قال اقتتل غلامان غلام من المهاجرين وغلام من الأنصار فنادى المهاجر أو المهاجرون يا للمهاجرين . ونادى الأنصاري يا للأنصار . فخرج رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال " ما هذا دعوى أهل الجاهلية " . قالوا لا يا رسول الله إلا أن غلامين اقتتلا فكسع أحدهما الآخر قال " فلا بأس ولينصر الرجل أخاه ظالما أو مظلوما إن كان ظالما فلينهه فإنه له نصر وإن كان مظلوما فلينصره " .
সহিহ মুসলিম ৬৪৭৮
حدثنا إسحاق بن إبراهيم، وإسحاق بن منصور، ومحمد بن رافع، قال ابن رافع حدثنا وقال الآخران، أخبرنا عبد الرزاق، أخبرنا معمر، عن أيوب، عن عمرو بن دينار، عن جابر بن عبد الله، قال كسع رجل من المهاجرين رجلا من الأنصار فأتى النبي صلى الله عليه وسلم فسأله القود فقال النبي صلى الله عليه وسلم " دعوها فإنها منتنة " . قال ابن منصور في روايته عمرو قال سمعت جابرا .
জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, একজন মুহাজির একজন আনসারীকে পশ্চাতে আঘাত করেছিল। এরপর সে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট এলো এবং তাঁর কাছে প্রতিশোধ চাইল। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, এটা বাদ দাও। কেননা এ-তো নোংরা কাজ। ইবনু মানসূর (রহঃ) ‘আম্র বর্ণিত হাদীসে বলেছেন যে, তিনি জাবির (রাঃ)-কে বলতে শুনেছেন। (ই.ফা. ৬৩৪৮, ই. সে. ৬৩৯৮)
জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, একজন মুহাজির একজন আনসারীকে পশ্চাতে আঘাত করেছিল। এরপর সে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট এলো এবং তাঁর কাছে প্রতিশোধ চাইল। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, এটা বাদ দাও। কেননা এ-তো নোংরা কাজ। ইবনু মানসূর (রহঃ) ‘আম্র বর্ণিত হাদীসে বলেছেন যে, তিনি জাবির (রাঃ)-কে বলতে শুনেছেন। (ই.ফা. ৬৩৪৮, ই. সে. ৬৩৯৮)
حدثنا إسحاق بن إبراهيم، وإسحاق بن منصور، ومحمد بن رافع، قال ابن رافع حدثنا وقال الآخران، أخبرنا عبد الرزاق، أخبرنا معمر، عن أيوب، عن عمرو بن دينار، عن جابر بن عبد الله، قال كسع رجل من المهاجرين رجلا من الأنصار فأتى النبي صلى الله عليه وسلم فسأله القود فقال النبي صلى الله عليه وسلم " دعوها فإنها منتنة " . قال ابن منصور في روايته عمرو قال سمعت جابرا .
সহিহ মুসলিম ৬৪৭৭
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وزهير بن حرب، وأحمد بن عبدة الضبي، وابن أبي، عمر - واللفظ لابن أبي شيبة - قال ابن عبدة أخبرنا وقال الآخرون، حدثنا سفيان بن، عيينة قال سمع عمرو، جابر بن عبد الله يقول كنا مع النبي صلى الله عليه وسلم في غزاة فكسع رجل من المهاجرين رجلا من الأنصار فقال الأنصاري يا للأنصار وقال المهاجري يا للمهاجرين . فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " ما بال دعوى الجاهلية " . قالوا يا رسول الله كسع رجل من المهاجرين رجلا من الأنصار . فقال " دعوها فإنها منتنة " . فسمعها عبد الله بن أبى فقال قد فعلوها والله لئن رجعنا إلى المدينة ليخرجن الأعز منها الأذل . قال عمر دعني أضرب عنق هذا المنافق فقال " دعه لا يتحدث الناس أن محمدا يقتل أصحابه " .
সুফ্ইয়ান ইবনু ‘উয়াইনাহ্ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
‘আমর (রহঃ) জাবির (রাঃ)-কে বলতে শুনেছেন, আমরা এক যুদ্ধে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সাথে ছিলাম। তখন একজন মুহাজির একজন আনসারের পশ্চাতাঘাত করেছিল। সে সময় আনসারী চীৎকার করে বলল, সে আনসার! আর মুহাজির ব্যক্তি ডাক দিল, হে মুহাজিরগণ! তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, কী ব্যাপার! জাহিলী যুগের মতো হাঁক-ডাক করছ কেন? তারা বলল, হে আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)! একজন মুহাজির একজন আনসারীর পশ্চাতে আঘাত করেছে। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, তোমরা এ ধরণের হাক-ডাক ছেড়ে দাও। কেননা এতো নিন্দনীয় কাজ। এরপর ঘটনাটি ‘আব্দুল্লাহ ইবনু উবাই শুনে বলল, তারা কি এরূপ কান্ড ঘটিয়েছে? আল্লাহর কসম! আমরা মাদীনায় ফিরে গেলে সেখানকার শক্তিশালীরা অবশ্যই দুর্বলকে বহিষ্কৃত করে দিবে। ‘উমার (রাঃ) বললেন, (হে আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)!) আমাকে অনুমতি দিন, আমি এ মুনাফিকের মস্তক উড়িয়ে দাই। তখন তিনি বললেন, একে ছেড়ে দাও, যাতে লোকেরা বলতে না পারে যে, মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর সাহাবাদের হত্যা করেন। (ই.ফা. ৬৩৪৭, ই. সে. ৬৩৯৭)
সুফ্ইয়ান ইবনু ‘উয়াইনাহ্ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
‘আমর (রহঃ) জাবির (রাঃ)-কে বলতে শুনেছেন, আমরা এক যুদ্ধে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সাথে ছিলাম। তখন একজন মুহাজির একজন আনসারের পশ্চাতাঘাত করেছিল। সে সময় আনসারী চীৎকার করে বলল, সে আনসার! আর মুহাজির ব্যক্তি ডাক দিল, হে মুহাজিরগণ! তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, কী ব্যাপার! জাহিলী যুগের মতো হাঁক-ডাক করছ কেন? তারা বলল, হে আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)! একজন মুহাজির একজন আনসারীর পশ্চাতে আঘাত করেছে। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, তোমরা এ ধরণের হাক-ডাক ছেড়ে দাও। কেননা এতো নিন্দনীয় কাজ। এরপর ঘটনাটি ‘আব্দুল্লাহ ইবনু উবাই শুনে বলল, তারা কি এরূপ কান্ড ঘটিয়েছে? আল্লাহর কসম! আমরা মাদীনায় ফিরে গেলে সেখানকার শক্তিশালীরা অবশ্যই দুর্বলকে বহিষ্কৃত করে দিবে। ‘উমার (রাঃ) বললেন, (হে আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)!) আমাকে অনুমতি দিন, আমি এ মুনাফিকের মস্তক উড়িয়ে দাই। তখন তিনি বললেন, একে ছেড়ে দাও, যাতে লোকেরা বলতে না পারে যে, মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর সাহাবাদের হত্যা করেন। (ই.ফা. ৬৩৪৭, ই. সে. ৬৩৯৭)
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وزهير بن حرب، وأحمد بن عبدة الضبي، وابن أبي، عمر - واللفظ لابن أبي شيبة - قال ابن عبدة أخبرنا وقال الآخرون، حدثنا سفيان بن، عيينة قال سمع عمرو، جابر بن عبد الله يقول كنا مع النبي صلى الله عليه وسلم في غزاة فكسع رجل من المهاجرين رجلا من الأنصار فقال الأنصاري يا للأنصار وقال المهاجري يا للمهاجرين . فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " ما بال دعوى الجاهلية " . قالوا يا رسول الله كسع رجل من المهاجرين رجلا من الأنصار . فقال " دعوها فإنها منتنة " . فسمعها عبد الله بن أبى فقال قد فعلوها والله لئن رجعنا إلى المدينة ليخرجن الأعز منها الأذل . قال عمر دعني أضرب عنق هذا المنافق فقال " دعه لا يتحدث الناس أن محمدا يقتل أصحابه " .
সহিহ মুসলিম > মু’মিনদের পারস্পারিক সহমর্মিতা, সহানুভূতি ও সহযোগিতা
সহিহ মুসলিম ৬৪৮২
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وأبو سعيد الأشج قالا حدثنا وكيع، عن الأعمش، عن الشعبي، عن النعمان بن بشير، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " المؤمنون كرجل واحد إن اشتكى رأسه تداعى له سائر الجسد بالحمى والسهر " .
নু’মান ইবনু বাশীর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ মু’মিন সম্প্রদায় একজন ব্যক্তির ন্যায়। যখন তার মাথায় অসুস্থতা দেখা দেয় তখন সমস্ত দেহই তাপ ও অনিদ্রায় আক্রান্ত হয়ে পড়ে। (ই.ফা. ৬৩৫২, ই.সে. ৬৪০২)
নু’মান ইবনু বাশীর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ মু’মিন সম্প্রদায় একজন ব্যক্তির ন্যায়। যখন তার মাথায় অসুস্থতা দেখা দেয় তখন সমস্ত দেহই তাপ ও অনিদ্রায় আক্রান্ত হয়ে পড়ে। (ই.ফা. ৬৩৫২, ই.সে. ৬৪০২)
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وأبو سعيد الأشج قالا حدثنا وكيع، عن الأعمش، عن الشعبي، عن النعمان بن بشير، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " المؤمنون كرجل واحد إن اشتكى رأسه تداعى له سائر الجسد بالحمى والسهر " .
সহিহ মুসলিম ৬৪৭৯
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وأبو عامر الأشعري قالا حدثنا عبد الله بن إدريس، وأبو أسامة ح وحدثنا محمد بن العلاء أبو كريب، حدثنا ابن المبارك، وابن، إدريس وأبو أسامة كلهم عن بريد، عن أبي بردة، عن أبي موسى، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " المؤمن للمؤمن كالبنيان يشد بعضه بعضا " .
আবূ মূসা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইরশাদ করেন : একজন মু’মিন ব্যক্তি অপর মু’মিনের জন্য একটি অট্টালিকা সদৃশ, যার এক অংশ অন্য অংশকে শক্তিশালী করে। (ই.ফা. ৬৩৪৯, ই.সে. ৬৩৯৯)
আবূ মূসা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইরশাদ করেন : একজন মু’মিন ব্যক্তি অপর মু’মিনের জন্য একটি অট্টালিকা সদৃশ, যার এক অংশ অন্য অংশকে শক্তিশালী করে। (ই.ফা. ৬৩৪৯, ই.সে. ৬৩৯৯)
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وأبو عامر الأشعري قالا حدثنا عبد الله بن إدريس، وأبو أسامة ح وحدثنا محمد بن العلاء أبو كريب، حدثنا ابن المبارك، وابن، إدريس وأبو أسامة كلهم عن بريد، عن أبي بردة، عن أبي موسى، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " المؤمن للمؤمن كالبنيان يشد بعضه بعضا " .
সহিহ মুসলিম ৬৪৮০
حدثنا محمد بن عبد الله بن نمير، حدثنا أبي، حدثنا زكرياء، عن الشعبي، عن النعمان بن بشير، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " مثل المؤمنين في توادهم وتراحمهم وتعاطفهم مثل الجسد إذا اشتكى منه عضو تداعى له سائر الجسد بالسهر والحمى " .
নু’মান ইবনু বাশীর থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ মু’মিনদের উদাহরন তাদের পারস্পারিক ভালবাসা, দয়ার্দ্রতা ও সহানুভূতির দিক থেকে একটি মানব দেহের ন্যায় যখন তার একটি অঙ্গ আক্রান্ত হয় তখন তার সমস্ত দেহ ডেকে আনে তাপ ও অনিদ্রা। (ই.ফা. ৬৩৫০, ই.সে. ৬৪০০)
নু’মান ইবনু বাশীর থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ মু’মিনদের উদাহরন তাদের পারস্পারিক ভালবাসা, দয়ার্দ্রতা ও সহানুভূতির দিক থেকে একটি মানব দেহের ন্যায় যখন তার একটি অঙ্গ আক্রান্ত হয় তখন তার সমস্ত দেহ ডেকে আনে তাপ ও অনিদ্রা। (ই.ফা. ৬৩৫০, ই.সে. ৬৪০০)
حدثنا محمد بن عبد الله بن نمير، حدثنا أبي، حدثنا زكرياء، عن الشعبي، عن النعمان بن بشير، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " مثل المؤمنين في توادهم وتراحمهم وتعاطفهم مثل الجسد إذا اشتكى منه عضو تداعى له سائر الجسد بالسهر والحمى " .
সহিহ মুসলিম ৬৪৮৩
حدثني محمد بن عبد الله بن نمير، حدثنا حميد بن عبد الرحمن، عن الأعمش، عن خيثمة، عن النعمان بن بشير، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " المسلمون كرجل واحد إن اشتكى عينه اشتكى كله وإن اشتكى رأسه اشتكى كله " .
নু’মান ইবনু বাশীর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ সকল মুসলিম একজন ব্যক্তির সমতুল্য। যদি তার চক্ষু পীড়িত হয় তবে তার সমগ্র দেহ পীড়িত হয়ে পড়ে। যদি তার মাথা আক্রান্ত হয় তাহলে সমগ্র শরীরই আক্রান্ত হয়ে পড়ে। (ই.ফা. ৬৩৫৩, ই.সে. ৬৪০৩)
নু’মান ইবনু বাশীর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ সকল মুসলিম একজন ব্যক্তির সমতুল্য। যদি তার চক্ষু পীড়িত হয় তবে তার সমগ্র দেহ পীড়িত হয়ে পড়ে। যদি তার মাথা আক্রান্ত হয় তাহলে সমগ্র শরীরই আক্রান্ত হয়ে পড়ে। (ই.ফা. ৬৩৫৩, ই.সে. ৬৪০৩)
حدثني محمد بن عبد الله بن نمير، حدثنا حميد بن عبد الرحمن، عن الأعمش، عن خيثمة، عن النعمان بن بشير، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " المسلمون كرجل واحد إن اشتكى عينه اشتكى كله وإن اشتكى رأسه اشتكى كله " .
সহিহ মুসলিম ৬৪৮৪
حدثنا ابن نمير، حدثنا حميد بن عبد الرحمن، عن الأعمش، عن الشعبي، عن النعمان، بن بشير عن النبي صلى الله عليه وسلم نحوه .
নু’মান ইবনু বাশীর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
ইবনু নুমায়র (রহঃ) ..... নু’মান ইবনু বাশীর (রাঃ) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন । (ই.ফা. ৬৩৫৪, ই.সে. ৬৪০৪)
নু’মান ইবনু বাশীর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
ইবনু নুমায়র (রহঃ) ..... নু’মান ইবনু বাশীর (রাঃ) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন । (ই.ফা. ৬৩৫৪, ই.সে. ৬৪০৪)
حدثنا ابن نمير، حدثنا حميد بن عبد الرحمن، عن الأعمش، عن الشعبي، عن النعمان، بن بشير عن النبي صلى الله عليه وسلم نحوه .
সহিহ মুসলিম ৬৪৮১
حدثنا إسحاق الحنظلي، أخبرنا جرير، عن مطرف، عن الشعبي، عن النعمان بن، بشير عن النبي صلى الله عليه وسلم بنحوه .
নু’মান ইবনু বাশীর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
ইসহাক্ আল হান্যালী (রহঃ) ..... নু’মান ইবনু বাশীর (রাঃ)-এর সূত্রে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে হুবহু বর্ণনা করেছেন । (ই.ফা. ৬৩৫১, ই.সে. ৬৪০১)
নু’মান ইবনু বাশীর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
ইসহাক্ আল হান্যালী (রহঃ) ..... নু’মান ইবনু বাশীর (রাঃ)-এর সূত্রে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে হুবহু বর্ণনা করেছেন । (ই.ফা. ৬৩৫১, ই.সে. ৬৪০১)
حدثنا إسحاق الحنظلي، أخبرنا جرير، عن مطرف، عن الشعبي، عن النعمان بن، بشير عن النبي صلى الله عليه وسلم بنحوه .
সহিহ মুসলিম > গালি-গালাজ নিষিদ্ধ হওয়া প্রসঙ্গ
সহিহ মুসলিম ৬৪৮৫
حدثنا يحيى بن أيوب، وقتيبة، وابن، حجر قالوا حدثنا إسماعيل، - يعنون ابن جعفر - عن العلاء، عن أبيه، عن أبي هريرة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " المستبان ما قالا فعلى البادئ ما لم يعتد المظلوم " .
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ দু’ব্যক্তি যখন গালমন্দে লিপ্ত হয় তখন তাদের উভয়ের গুনাহ তার উপরই বর্তাবে, যে প্রথমে শুরু করে; যতক্ষণ না অত্যাচারিত সীমালঙ্ঘন করে। (ই.ফা. ৬৩৫৫, ই.সে. ৬৪০৫)
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ দু’ব্যক্তি যখন গালমন্দে লিপ্ত হয় তখন তাদের উভয়ের গুনাহ তার উপরই বর্তাবে, যে প্রথমে শুরু করে; যতক্ষণ না অত্যাচারিত সীমালঙ্ঘন করে। (ই.ফা. ৬৩৫৫, ই.সে. ৬৪০৫)
حدثنا يحيى بن أيوب، وقتيبة، وابن، حجر قالوا حدثنا إسماعيل، - يعنون ابن جعفر - عن العلاء، عن أبيه، عن أبي هريرة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " المستبان ما قالا فعلى البادئ ما لم يعتد المظلوم " .