সহিহ মুসলিম > মুসলিমের উপর যুল্‌ম করা, তাকে অপদস্ত করা, হেয় জ্ঞান করা হারাম এবং তার খুন, ইযযত-আবরু ও সম্পদও হারাম

সহিহ মুসলিম ৬৪৩৬

حدثني أبو الطاهر، أحمد بن عمرو بن سرح حدثنا ابن وهب، عن أسامة، - وهو ابن زيد - أنه سمع أبا سعيد، مولى عبد الله بن عامر بن كريز يقول سمعت أبا، هريرة يقول قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏.‏ فذكر نحو حديث داود وزاد ونقص ومما زاد فيه ‏ "‏ إن الله لا ينظر إلى أجسادكم ولا إلى صوركم ولكن ينظر إلى قلوبكم ‏"‏ ‏.‏ وأشار بأصابعه إلى صدره ‏.‏

আবূ হুরাইরাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: ……. এরপর উসামাহ্‌ ইবনু যায়দ দাউদ-এর হাদীসের অনুরূপ উল্লেখ করেছেন। তবে এ বর্ণনায় তিনি সামান্য কম-বেশি করেছেন। তারা উভয়ে যতটুকু বাড়িয়ে বলেছেন, তা হচ্ছে “নিশ্চয়ই আল্লাহ তোমাদের দেহকায় ও বাহ্যিক আকৃতির প্রতি দৃষ্টিপাত করেন না; বরং তিনি তোমাদের অন্তরসমূহের প্রতি দৃষ্টিপাত করেন।” (এ বলে) তিনি তাঁর আঙ্গুলের মাধ্যমে স্বীয় বক্ষের দিকে ইঙ্গিত করেন। (ই.ফা. ৬৩১০, ই.সে. ৬৩৫৯)

আবূ হুরাইরাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: ……. এরপর উসামাহ্‌ ইবনু যায়দ দাউদ-এর হাদীসের অনুরূপ উল্লেখ করেছেন। তবে এ বর্ণনায় তিনি সামান্য কম-বেশি করেছেন। তারা উভয়ে যতটুকু বাড়িয়ে বলেছেন, তা হচ্ছে “নিশ্চয়ই আল্লাহ তোমাদের দেহকায় ও বাহ্যিক আকৃতির প্রতি দৃষ্টিপাত করেন না; বরং তিনি তোমাদের অন্তরসমূহের প্রতি দৃষ্টিপাত করেন।” (এ বলে) তিনি তাঁর আঙ্গুলের মাধ্যমে স্বীয় বক্ষের দিকে ইঙ্গিত করেন। (ই.ফা. ৬৩১০, ই.সে. ৬৩৫৯)

حدثني أبو الطاهر، أحمد بن عمرو بن سرح حدثنا ابن وهب، عن أسامة، - وهو ابن زيد - أنه سمع أبا سعيد، مولى عبد الله بن عامر بن كريز يقول سمعت أبا، هريرة يقول قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏.‏ فذكر نحو حديث داود وزاد ونقص ومما زاد فيه ‏ "‏ إن الله لا ينظر إلى أجسادكم ولا إلى صوركم ولكن ينظر إلى قلوبكم ‏"‏ ‏.‏ وأشار بأصابعه إلى صدره ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৬৪৩৫

حدثنا عبد الله بن مسلمة بن قعنب، حدثنا داود، - يعني ابن قيس - عن أبي، سعيد مولى عامر بن كريز عن أبي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ لا تحاسدوا ولا تناجشوا ولا تباغضوا ولا تدابروا ولا يبع بعضكم على بيع بعض وكونوا عباد الله إخوانا ‏.‏ المسلم أخو المسلم لا يظلمه ولا يخذله ولا يحقره ‏.‏ التقوى ها هنا ‏"‏ ‏.‏ ويشير إلى صدره ثلاث مرات ‏"‏ بحسب امرئ من الشر أن يحقر أخاه المسلم كل المسلم على المسلم حرام دمه وماله وعرضه ‏"‏ ‏.‏

আবূ হুরাইরাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমরা পরস্পর হিংসা করো না, পরস্পর ধোঁকাবাজি করো না, পরস্পর বিদ্বেষ পোষণ করো না, একে অপরের ক্ষতি করার উদ্দেশে আগোচরে শত্রুতা করো না এবং একে অন্যের ক্রয়-বিক্রয়ের উপর ক্রয়-বিক্রয়ের চেষ্টা করবে না। তোমরা আল্লাহর বান্দা হিসেবে ভাই ভাই হয়ে থাকো। এক মুসলিম অপর মুসলিমের ভাই। সে তার উপর অত্যাচার করবে না, তাকে অপদস্ত করবে না এবং হেয় প্রতিপন্ন করবে না। তাক্‌ওয়া এখানে, এ কথা বলে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তিনবার তাঁর বক্ষের প্রতি ইঙ্গিত করলেন। একজন মানুষের মন্দ হওয়ার জন্য এটাই যথেষ্ট যে, সে তার ভাইকে হেয় জ্ঞান করে। কোন মুসলিমের উপর প্রত্যেক মুসলিমের জান-মাল ও ইয্‌যত-আবরু হারাম। (ই.ফা. ৬৩০৯, ই.সে. ৬৩৫৮)

আবূ হুরাইরাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমরা পরস্পর হিংসা করো না, পরস্পর ধোঁকাবাজি করো না, পরস্পর বিদ্বেষ পোষণ করো না, একে অপরের ক্ষতি করার উদ্দেশে আগোচরে শত্রুতা করো না এবং একে অন্যের ক্রয়-বিক্রয়ের উপর ক্রয়-বিক্রয়ের চেষ্টা করবে না। তোমরা আল্লাহর বান্দা হিসেবে ভাই ভাই হয়ে থাকো। এক মুসলিম অপর মুসলিমের ভাই। সে তার উপর অত্যাচার করবে না, তাকে অপদস্ত করবে না এবং হেয় প্রতিপন্ন করবে না। তাক্‌ওয়া এখানে, এ কথা বলে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তিনবার তাঁর বক্ষের প্রতি ইঙ্গিত করলেন। একজন মানুষের মন্দ হওয়ার জন্য এটাই যথেষ্ট যে, সে তার ভাইকে হেয় জ্ঞান করে। কোন মুসলিমের উপর প্রত্যেক মুসলিমের জান-মাল ও ইয্‌যত-আবরু হারাম। (ই.ফা. ৬৩০৯, ই.সে. ৬৩৫৮)

حدثنا عبد الله بن مسلمة بن قعنب، حدثنا داود، - يعني ابن قيس - عن أبي، سعيد مولى عامر بن كريز عن أبي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ لا تحاسدوا ولا تناجشوا ولا تباغضوا ولا تدابروا ولا يبع بعضكم على بيع بعض وكونوا عباد الله إخوانا ‏.‏ المسلم أخو المسلم لا يظلمه ولا يخذله ولا يحقره ‏.‏ التقوى ها هنا ‏"‏ ‏.‏ ويشير إلى صدره ثلاث مرات ‏"‏ بحسب امرئ من الشر أن يحقر أخاه المسلم كل المسلم على المسلم حرام دمه وماله وعرضه ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৬৪৩৭

حدثنا عمرو الناقد، حدثنا كثير بن هشام، حدثنا جعفر بن برقان، عن يزيد بن، الأصم عن أبي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ إن الله لا ينظر إلى صوركم وأموالكم ولكن ينظر إلى قلوبكم وأعمالكم ‏"‏ ‏.‏

আবূ হুরাইরাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ নিশ্চয়ই আল্লাহ তোমাদের বাহ্যিক চাল-চলন ও বিত্ত-বৈভবের প্রতি দৃষ্টিপাত করেন না; বরং তিনি দৃষ্টি দিয়ে থাকেন তোমাদের অন্তর ও ‘আমলের প্রতি। (ই.ফা. ৬৩১১, ই.সে. ৬৩৬০)

আবূ হুরাইরাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ নিশ্চয়ই আল্লাহ তোমাদের বাহ্যিক চাল-চলন ও বিত্ত-বৈভবের প্রতি দৃষ্টিপাত করেন না; বরং তিনি দৃষ্টি দিয়ে থাকেন তোমাদের অন্তর ও ‘আমলের প্রতি। (ই.ফা. ৬৩১১, ই.সে. ৬৩৬০)

حدثنا عمرو الناقد، حدثنا كثير بن هشام، حدثنا جعفر بن برقان، عن يزيد بن، الأصم عن أبي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ إن الله لا ينظر إلى صوركم وأموالكم ولكن ينظر إلى قلوبكم وأعمالكم ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম > শত্রুতা ও পরস্পরকে পরিত্যাগ করা নিষিদ্ধ হওয়ার বিবরণ

সহিহ মুসলিম ৬৪৩৮

حدثنا قتيبة بن سعيد، عن مالك بن أنس، فيما قرئ عليه عن سهيل، عن أبيه، عن أبي هريرة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏"‏ تفتح أبواب الجنة يوم الاثنين ويوم الخميس فيغفر لكل عبد لا يشرك بالله شيئا إلا رجلا كانت بينه وبين أخيه شحناء فيقال أنظروا هذين حتى يصطلحا أنظروا هذين حتى يصطلحا أنظروا هذين حتى يصطلحا ‏"‏ ‏.‏

আবূ হুরাইরাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ প্রতি সোমবার ও বৃহস্পতিবার জান্নাতের দরজাসমূহ খুলে দেয়া হয়। এরপর এমন সব বান্দাকে ক্ষমা করে দেয়া হয়, যারা আল্লাহর সাথে অংশীদার স্থাপন করে না। তবে সে ব্যক্তিকে নয়, যার ভাই ও তার মধ্যে শত্রুতা বিদ্যমান। এরপর বলা হবে, এ দু’জনকে আপোষ মীমাংসা করার জন্য অবকাশ দাও, এ দু’জনকে আপোষ মীমাংসা করার জন্য সুযোগ দাও, এ দু’জনকে আপোষ মীমাংসা করার জন্য সুযোগ দাও। (ই.ফা. ৬৩১২, ই.সে. ৬৩৬১)

আবূ হুরাইরাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ প্রতি সোমবার ও বৃহস্পতিবার জান্নাতের দরজাসমূহ খুলে দেয়া হয়। এরপর এমন সব বান্দাকে ক্ষমা করে দেয়া হয়, যারা আল্লাহর সাথে অংশীদার স্থাপন করে না। তবে সে ব্যক্তিকে নয়, যার ভাই ও তার মধ্যে শত্রুতা বিদ্যমান। এরপর বলা হবে, এ দু’জনকে আপোষ মীমাংসা করার জন্য অবকাশ দাও, এ দু’জনকে আপোষ মীমাংসা করার জন্য সুযোগ দাও, এ দু’জনকে আপোষ মীমাংসা করার জন্য সুযোগ দাও। (ই.ফা. ৬৩১২, ই.সে. ৬৩৬১)

حدثنا قتيبة بن سعيد، عن مالك بن أنس، فيما قرئ عليه عن سهيل، عن أبيه، عن أبي هريرة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏"‏ تفتح أبواب الجنة يوم الاثنين ويوم الخميس فيغفر لكل عبد لا يشرك بالله شيئا إلا رجلا كانت بينه وبين أخيه شحناء فيقال أنظروا هذين حتى يصطلحا أنظروا هذين حتى يصطلحا أنظروا هذين حتى يصطلحا ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৬৪৩৯

حدثنيه زهير بن حرب، حدثنا جرير، ح وحدثنا قتيبة بن سعيد، وأحمد بن عبدة، الضبي عن عبد العزيز الدراوردي، كلاهما عن سهيل، عن أبيه، بإسناد مالك نحو حديثه غير أن في حديث الدراوردي ‏"‏ إلا المتهاجرين ‏"‏ ‏.‏ من رواية ابن عبدة وقال قتيبة ‏"‏ إلا المهتجرين ‏"‏ ‏.‏

সুহায়ল (রাঃ)-এর পিতার সূত্রে থেকে বর্নিতঃ

মালিক-এর সানাদে তার হাদীসের অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। তবে দারাওয়ার্দী (রহঃ) বর্ণিত হাদীসে ইবনু ‘আবদাহ্-এর বর্ণনায় (আরবী) “কিন্তু সম্পর্কচ্ছেদকারী দু’ব্যক্তিকে ক্ষমা করা হবে না” উল্লেখ আছে। আর কুতাইবাহ্ (রাঃ) বলেছেন, (আরবী) (তবে সম্পর্ক বিচ্ছিন্নকারী দু’জনকে ক্ষমা করা হবে না)। (ই.ফা. ৬৩১২, ই.সে. ৬৩৬২)

সুহায়ল (রাঃ)-এর পিতার সূত্রে থেকে বর্নিতঃ

মালিক-এর সানাদে তার হাদীসের অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। তবে দারাওয়ার্দী (রহঃ) বর্ণিত হাদীসে ইবনু ‘আবদাহ্-এর বর্ণনায় (আরবী) “কিন্তু সম্পর্কচ্ছেদকারী দু’ব্যক্তিকে ক্ষমা করা হবে না” উল্লেখ আছে। আর কুতাইবাহ্ (রাঃ) বলেছেন, (আরবী) (তবে সম্পর্ক বিচ্ছিন্নকারী দু’জনকে ক্ষমা করা হবে না)। (ই.ফা. ৬৩১২, ই.সে. ৬৩৬২)

حدثنيه زهير بن حرب، حدثنا جرير، ح وحدثنا قتيبة بن سعيد، وأحمد بن عبدة، الضبي عن عبد العزيز الدراوردي، كلاهما عن سهيل، عن أبيه، بإسناد مالك نحو حديثه غير أن في حديث الدراوردي ‏"‏ إلا المتهاجرين ‏"‏ ‏.‏ من رواية ابن عبدة وقال قتيبة ‏"‏ إلا المهتجرين ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৬৪৪১

حدثنا أبو الطاهر، وعمرو بن سواد، قالا أخبرنا ابن وهب، أخبرنا مالك بن، أنس عن مسلم بن أبي مريم، عن أبي صالح، عن أبي هريرة، عن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ تعرض أعمال الناس في كل جمعة مرتين يوم الاثنين ويوم الخميس فيغفر لكل عبد مؤمن إلا عبدا بينه وبين أخيه شحناء فيقال اتركوا - أو اركوا - هذين حتى يفيئا ‏"‏ ‏.‏

আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ)-এর সূত্রে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, মানুষের ‘আমাল (সপ্তাহে দু’বার) সোমবার ও বৃহস্পতিবার (আল্লাহর দরবারে) উপস্থাপন করা হয়। এরপর প্রত্যেক মু’মিন বান্দাকে ক্ষমা করা হয়। তবে সে ব্যক্তিকে নয়, যার ভাই-এর সাথে তার দুশমনি রয়েছে। তখন বলা হবে, এ দু’জনকে বর্জন করো অথবা অবকাশ দাও যতক্ষণ না তারা মীমাংসার প্রতি প্রত্যাবর্তন করে। (ই.ফা. ৬৩১৪, ই.সে. ৬৩৬৪)

আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ)-এর সূত্রে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, মানুষের ‘আমাল (সপ্তাহে দু’বার) সোমবার ও বৃহস্পতিবার (আল্লাহর দরবারে) উপস্থাপন করা হয়। এরপর প্রত্যেক মু’মিন বান্দাকে ক্ষমা করা হয়। তবে সে ব্যক্তিকে নয়, যার ভাই-এর সাথে তার দুশমনি রয়েছে। তখন বলা হবে, এ দু’জনকে বর্জন করো অথবা অবকাশ দাও যতক্ষণ না তারা মীমাংসার প্রতি প্রত্যাবর্তন করে। (ই.ফা. ৬৩১৪, ই.সে. ৬৩৬৪)

حدثنا أبو الطاهر، وعمرو بن سواد، قالا أخبرنا ابن وهب، أخبرنا مالك بن، أنس عن مسلم بن أبي مريم، عن أبي صالح، عن أبي هريرة، عن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ تعرض أعمال الناس في كل جمعة مرتين يوم الاثنين ويوم الخميس فيغفر لكل عبد مؤمن إلا عبدا بينه وبين أخيه شحناء فيقال اتركوا - أو اركوا - هذين حتى يفيئا ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৬৪৪০

حدثنا ابن أبي عمر، حدثنا سفيان، عن مسلم بن أبي مريم، عن أبي صالح، سمع أبا هريرة، رفعه مرة قال ‏ "‏ تعرض الأعمال في كل يوم خميس واثنين فيغفر الله عز وجل في ذلك اليوم لكل امرئ لا يشرك بالله شيئا إلا امرأ كانت بينه وبين أخيه شحناء فيقال اركوا هذين حتى يصطلحا اركوا هذين حتى يصطلحا ‏"‏ ‏.‏

মারফূ‘ সানাদে আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, প্রতি বৃহস্পতিবার ও সোমবার ‘আমাল পেশ করা হয়। তখন আল্লাহ তা’আলা সেদিন প্রত্যেক এমন বান্দাকে ক্ষমা করেন, যারা তাঁর সাথে কোন কিছুকে অংশীদার স্থির করে না। তবে এমন ব্যক্তিকে নয়, যার ভাই ও তার মধ্যে শত্রুতা আছে। তখন বলা হবে, এ দু’জনকে অবকাশ দাও যতক্ষণ না তারা সংশোধনের দিকে ফিরে আসে। (ই.ফা. ৬৩১৩, ই.সে. ৬৩৬৩)

মারফূ‘ সানাদে আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, প্রতি বৃহস্পতিবার ও সোমবার ‘আমাল পেশ করা হয়। তখন আল্লাহ তা’আলা সেদিন প্রত্যেক এমন বান্দাকে ক্ষমা করেন, যারা তাঁর সাথে কোন কিছুকে অংশীদার স্থির করে না। তবে এমন ব্যক্তিকে নয়, যার ভাই ও তার মধ্যে শত্রুতা আছে। তখন বলা হবে, এ দু’জনকে অবকাশ দাও যতক্ষণ না তারা সংশোধনের দিকে ফিরে আসে। (ই.ফা. ৬৩১৩, ই.সে. ৬৩৬৩)

حدثنا ابن أبي عمر، حدثنا سفيان، عن مسلم بن أبي مريم، عن أبي صالح، سمع أبا هريرة، رفعه مرة قال ‏ "‏ تعرض الأعمال في كل يوم خميس واثنين فيغفر الله عز وجل في ذلك اليوم لكل امرئ لا يشرك بالله شيئا إلا امرأ كانت بينه وبين أخيه شحناء فيقال اركوا هذين حتى يصطلحا اركوا هذين حتى يصطلحا ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম > আল্লাহর জন্য ভালবাসার ফাযীলাত

সহিহ মুসলিম ৬৪৪২

حدثنا قتيبة بن سعيد، عن مالك بن أنس، فيما قرئ عليه عن عبد الله بن عبد، الرحمن بن معمر عن أبي الحباب، سعيد بن يسار عن أبي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ إن الله يقول يوم القيامة أين المتحابون بجلالي اليوم أظلهم في ظلي يوم لا ظل إلا ظلي ‏"‏ ‏.‏

আবূ হুরাইরাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: কিয়ামাতের দিন আল্লাহ বলবেন, আমার মহত্ত্বের কারণে একে অপরের প্রতি ভালবাসা স্থাপনকারীরা কোথায়? আজ আমি তাদেরকে আমার বিশেষ ছায়ায় ছায়া প্রদান করব। আজ এমন দিন, যেদিন আমার ছায়া ব্যতীত অন্য কোন ছায়া নেই। (ই.ফা. ৬৩১৫, ই.সে. ৬৩৬৫)

আবূ হুরাইরাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: কিয়ামাতের দিন আল্লাহ বলবেন, আমার মহত্ত্বের কারণে একে অপরের প্রতি ভালবাসা স্থাপনকারীরা কোথায়? আজ আমি তাদেরকে আমার বিশেষ ছায়ায় ছায়া প্রদান করব। আজ এমন দিন, যেদিন আমার ছায়া ব্যতীত অন্য কোন ছায়া নেই। (ই.ফা. ৬৩১৫, ই.সে. ৬৩৬৫)

حدثنا قتيبة بن سعيد، عن مالك بن أنس، فيما قرئ عليه عن عبد الله بن عبد، الرحمن بن معمر عن أبي الحباب، سعيد بن يسار عن أبي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ إن الله يقول يوم القيامة أين المتحابون بجلالي اليوم أظلهم في ظلي يوم لا ظل إلا ظلي ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৬৪৪৩

حدثني عبد الأعلى بن حماد، حدثنا حماد بن سلمة، عن ثابت، عن أبي رافع، عن أبي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ أن رجلا زار أخا له في قرية أخرى فأرصد الله له على مدرجته ملكا فلما أتى عليه قال أين تريد قال أريد أخا لي في هذه القرية ‏.‏ قال هل لك عليه من نعمة تربها قال لا غير أني أحببته في الله عز وجل ‏.‏ قال فإني رسول الله إليك بأن الله قد أحبك كما أحببته فيه ‏"‏ ‏.‏

আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ এক ব্যক্তি তার ভাইয়ের সাক্ষাতের জন্য অন্য এক গ্রামে গেল। আল্লাহ তা’আলা তার জন্য পথিমধ্যে একজন ফেরেশ্তা নিযুক্ত করলেন। সে ব্যক্তি যখন ফেরেশ্তার কাছে পৌছল, তখন ফেরেশতা জিজ্ঞেস করলেন, তুমি কোথায় যাওয়ার ইচ্ছা পোষণ করেছো? সে বলল, আমি এ গ্রামে আমার এক ভাইয়ের সাথে দেখা করার জন্য যেতে চাই। ফেরেশ্তা বললেন, তার কাছে কি তোমার কোন অবদান আছে, যা তুমি আরো প্রবৃদ্ধি করতে চাও? সে বলল, না। আমি তো শুধু আল্লাহর জন্যই তাকে ভালবাসি। ফেরেশতা বললেন, আমি আল্লাহর পক্ষ থেকে (তাঁর দূত হয়ে) তোমার কাছে অবহিত করার জন্য এসেছি যে, আল্লাহ তোমাকে ভালবাসেন, যেমন তুমি তোমার ভাইকে তাঁরই সন্তুষ্টি অর্জনের জন্য ভালবেসেছ। (ই.ফা. ৬৩১৬, ই.সে. ৬৩৬৬)

আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ এক ব্যক্তি তার ভাইয়ের সাক্ষাতের জন্য অন্য এক গ্রামে গেল। আল্লাহ তা’আলা তার জন্য পথিমধ্যে একজন ফেরেশ্তা নিযুক্ত করলেন। সে ব্যক্তি যখন ফেরেশ্তার কাছে পৌছল, তখন ফেরেশতা জিজ্ঞেস করলেন, তুমি কোথায় যাওয়ার ইচ্ছা পোষণ করেছো? সে বলল, আমি এ গ্রামে আমার এক ভাইয়ের সাথে দেখা করার জন্য যেতে চাই। ফেরেশ্তা বললেন, তার কাছে কি তোমার কোন অবদান আছে, যা তুমি আরো প্রবৃদ্ধি করতে চাও? সে বলল, না। আমি তো শুধু আল্লাহর জন্যই তাকে ভালবাসি। ফেরেশতা বললেন, আমি আল্লাহর পক্ষ থেকে (তাঁর দূত হয়ে) তোমার কাছে অবহিত করার জন্য এসেছি যে, আল্লাহ তোমাকে ভালবাসেন, যেমন তুমি তোমার ভাইকে তাঁরই সন্তুষ্টি অর্জনের জন্য ভালবেসেছ। (ই.ফা. ৬৩১৬, ই.সে. ৬৩৬৬)

حدثني عبد الأعلى بن حماد، حدثنا حماد بن سلمة، عن ثابت، عن أبي رافع، عن أبي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ أن رجلا زار أخا له في قرية أخرى فأرصد الله له على مدرجته ملكا فلما أتى عليه قال أين تريد قال أريد أخا لي في هذه القرية ‏.‏ قال هل لك عليه من نعمة تربها قال لا غير أني أحببته في الله عز وجل ‏.‏ قال فإني رسول الله إليك بأن الله قد أحبك كما أحببته فيه ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৬৪৪৪

قال الشيخ أبو أحمد أخبرني أبو بكر، محمد بن زنجويه القشيري حدثنا عبد، الأعلى بن حماد حدثنا حماد بن سلمة، بهذا الإسناد نحوه ‏.‏

হাম্মাদ বিন সালামাহ্ থেকে বর্নিতঃ

হাম্মাদ বিন সালামাহ্ এ সানাদে অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. নেই, ই.সে. নেই)

হাম্মাদ বিন সালামাহ্ থেকে বর্নিতঃ

হাম্মাদ বিন সালামাহ্ এ সানাদে অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. নেই, ই.সে. নেই)

قال الشيخ أبو أحمد أخبرني أبو بكر، محمد بن زنجويه القشيري حدثنا عبد، الأعلى بن حماد حدثنا حماد بن سلمة، بهذا الإسناد نحوه ‏.‏


সহিহ মুসলিম > রোগীর সেবা-শুশ্রূষার মর্যাদা

সহিহ মুসলিম ৬৪৪৮

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وزهير بن حرب، جميعا عن يزيد، - واللفظ لزهير - حدثنا يزيد بن هارون، أخبرنا عاصم الأحول، عن عبد الله بن زيد، - وهو أبو قلابة - عن أبي الأشعث الصنعاني، عن أبي أسماء الرحبي، عن ثوبان، مولى رسول الله صلى الله عليه وسلم عن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏"‏ من عاد مريضا لم يزل في خرفة الجنة ‏"‏ ‏.‏ قيل يا رسول الله وما خرفة الجنة قال ‏"‏ جناها ‏"‏ ‏.‏

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর আযাদকৃত গোলাম সাওবান (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, যে ব্যক্তি কোন রোগীর সেবা করে, সে খুরফাতুল জান্নাতে রত থাকে। জিজ্ঞেস করা হলো, হে আল্লাহর রসূল! খুরফাতুল জান্নাত কী? তিনি বললেন, এর ফল-ফলাদি সংগ্রহ করা। (ই.ফা. ৬৩২০, ই.সে. ৬৩৬৯)

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর আযাদকৃত গোলাম সাওবান (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, যে ব্যক্তি কোন রোগীর সেবা করে, সে খুরফাতুল জান্নাতে রত থাকে। জিজ্ঞেস করা হলো, হে আল্লাহর রসূল! খুরফাতুল জান্নাত কী? তিনি বললেন, এর ফল-ফলাদি সংগ্রহ করা। (ই.ফা. ৬৩২০, ই.সে. ৬৩৬৯)

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وزهير بن حرب، جميعا عن يزيد، - واللفظ لزهير - حدثنا يزيد بن هارون، أخبرنا عاصم الأحول، عن عبد الله بن زيد، - وهو أبو قلابة - عن أبي الأشعث الصنعاني، عن أبي أسماء الرحبي، عن ثوبان، مولى رسول الله صلى الله عليه وسلم عن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏"‏ من عاد مريضا لم يزل في خرفة الجنة ‏"‏ ‏.‏ قيل يا رسول الله وما خرفة الجنة قال ‏"‏ جناها ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৬৪৫০

حدثني محمد بن حاتم بن ميمون، حدثنا بهز، حدثنا حماد بن سلمة، عن ثابت، عن أبي رافع، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ إن الله عز وجل يقول يوم القيامة يا ابن آدم مرضت فلم تعدني ‏.‏ قال يا رب كيف أعودك وأنت رب العالمين ‏.‏ قال أما علمت أن عبدي فلانا مرض فلم تعده أما علمت أنك لو عدته لوجدتني عنده يا ابن آدم استطعمتك فلم تطعمني ‏.‏ قال يا رب وكيف أطعمك وأنت رب العالمين ‏.‏ قال أما علمت أنه استطعمك عبدي فلان فلم تطعمه أما علمت أنك لو أطعمته لوجدت ذلك عندي يا ابن آدم استسقيتك فلم تسقني ‏.‏ قال يا رب كيف أسقيك وأنت رب العالمين قال استسقاك عبدي فلان فلم تسقه أما إنك لو سقيته وجدت ذلك عندي ‏"‏ ‏.‏

আবূ হুরাইরাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আল্লাহ তা’আলা কিয়ামাতের দিনে বলবেন, হে আদাম সন্তান! আমি অসুস্থ হয়েছিলাম; কিন্তু তুমি আমার সেবা-শুশ্রূষা করনি। সে বলবে, হে পরওয়ারদিগার! আমি কী করে তোমার সেবা-শুশ্রূষা করব, অথচ তুমি সারা জাহানের প্রতিপালক। আল্লাহ বলবেন, তুমি কি জানতে না যে, আমার অমুক বান্দা অসুস্থ হয়েছিল, আর তুমি তার সেবা করনি, তুমি কি জানতে না যে, তুমি তার সেবা-শুশ্রূষা করলে আমাকে তার কাছেই পেতে। হে আদাম সন্তান! আমি তোমার কাছে খাবার চেয়েছিলাম; কিন্তু তুমি আমাকে খেতে দাওনি। সে (বান্দা) বলবে, হে আমার পরওয়ারদিগার! আমি কী করে তোমাকে আহার করাতে পারি? তুমি তো সারা জাহানের প্রতিপালক। তিনি (আল্লাহ) বলবেন, তুমি কি জানতে না যে, আমার অমুক বান্দা তোমার কাছে আহার চেয়েছিল? তুমি তাকে খেতে দাওনি। তুমি কি জানতে না যে, যদি তুমি তাকে আহার করাতে তাহলে তা অবশ্যই আমার কাছে পেতে। হে আদাম সন্তান! আমি তোমার কাছে পানীয় চেয়েছিলাম; কিন্তু তুমি আমাকে পানি পান করাওনি। সে (বান্দা) বলবে, হে আমার পরওয়ারদিগার! আমি কী করে তোমাকে পান করাব, অথচ তুমি সারা জাহানের প্রতিপালক। তিনি (আল্লাহ) বলবেন, আমার অমুক বান্দা তোমার কাছে পানীয় চেয়েছিল, তুমি তাকে পান করাওনি। যদি তুমি তাকে পান করাতে, তবে তা আমার কাছে পেয়ে যেতে। (ই.ফা. ৬৩২২, ই.সে. ৬৩৭১)

আবূ হুরাইরাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আল্লাহ তা’আলা কিয়ামাতের দিনে বলবেন, হে আদাম সন্তান! আমি অসুস্থ হয়েছিলাম; কিন্তু তুমি আমার সেবা-শুশ্রূষা করনি। সে বলবে, হে পরওয়ারদিগার! আমি কী করে তোমার সেবা-শুশ্রূষা করব, অথচ তুমি সারা জাহানের প্রতিপালক। আল্লাহ বলবেন, তুমি কি জানতে না যে, আমার অমুক বান্দা অসুস্থ হয়েছিল, আর তুমি তার সেবা করনি, তুমি কি জানতে না যে, তুমি তার সেবা-শুশ্রূষা করলে আমাকে তার কাছেই পেতে। হে আদাম সন্তান! আমি তোমার কাছে খাবার চেয়েছিলাম; কিন্তু তুমি আমাকে খেতে দাওনি। সে (বান্দা) বলবে, হে আমার পরওয়ারদিগার! আমি কী করে তোমাকে আহার করাতে পারি? তুমি তো সারা জাহানের প্রতিপালক। তিনি (আল্লাহ) বলবেন, তুমি কি জানতে না যে, আমার অমুক বান্দা তোমার কাছে আহার চেয়েছিল? তুমি তাকে খেতে দাওনি। তুমি কি জানতে না যে, যদি তুমি তাকে আহার করাতে তাহলে তা অবশ্যই আমার কাছে পেতে। হে আদাম সন্তান! আমি তোমার কাছে পানীয় চেয়েছিলাম; কিন্তু তুমি আমাকে পানি পান করাওনি। সে (বান্দা) বলবে, হে আমার পরওয়ারদিগার! আমি কী করে তোমাকে পান করাব, অথচ তুমি সারা জাহানের প্রতিপালক। তিনি (আল্লাহ) বলবেন, আমার অমুক বান্দা তোমার কাছে পানীয় চেয়েছিল, তুমি তাকে পান করাওনি। যদি তুমি তাকে পান করাতে, তবে তা আমার কাছে পেয়ে যেতে। (ই.ফা. ৬৩২২, ই.সে. ৬৩৭১)

حدثني محمد بن حاتم بن ميمون، حدثنا بهز، حدثنا حماد بن سلمة، عن ثابت، عن أبي رافع، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ إن الله عز وجل يقول يوم القيامة يا ابن آدم مرضت فلم تعدني ‏.‏ قال يا رب كيف أعودك وأنت رب العالمين ‏.‏ قال أما علمت أن عبدي فلانا مرض فلم تعده أما علمت أنك لو عدته لوجدتني عنده يا ابن آدم استطعمتك فلم تطعمني ‏.‏ قال يا رب وكيف أطعمك وأنت رب العالمين ‏.‏ قال أما علمت أنه استطعمك عبدي فلان فلم تطعمه أما علمت أنك لو أطعمته لوجدت ذلك عندي يا ابن آدم استسقيتك فلم تسقني ‏.‏ قال يا رب كيف أسقيك وأنت رب العالمين قال استسقاك عبدي فلان فلم تسقه أما إنك لو سقيته وجدت ذلك عندي ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৬৪৪৫

حدثنا سعيد بن منصور، وأبو الربيع الزهراني، قالا حدثنا حماد، - يعنيان ابن زيد - عن أيوب، عن أبي قلابة، عن أبي أسماء، عن ثوبان، قال أبو الربيع رفعه إلى النبي صلى الله عليه وسلم وفي حديث سعيد قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ عائد المريض في مخرفة الجنة حتى يرجع ‏"‏ ‏.‏

সাওবান (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আবূ রাবী‘ বলেছেন, তিনি হাদীসটি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেছেন। আর সা’ঈদের হাদীসে রয়েছে যে, তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ রোগীর সেবা শুশ্রূষাকারী বেহেশ্তের ফলমূল আহরণে রত থাকে, যতক্ষণ পর্যন্ত সে না প্রত্যাবর্তন করে। (ই.ফা. ৬৩১৭, ই.সে. ৬৩৬৭)

সাওবান (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আবূ রাবী‘ বলেছেন, তিনি হাদীসটি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেছেন। আর সা’ঈদের হাদীসে রয়েছে যে, তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ রোগীর সেবা শুশ্রূষাকারী বেহেশ্তের ফলমূল আহরণে রত থাকে, যতক্ষণ পর্যন্ত সে না প্রত্যাবর্তন করে। (ই.ফা. ৬৩১৭, ই.সে. ৬৩৬৭)

حدثنا سعيد بن منصور، وأبو الربيع الزهراني، قالا حدثنا حماد، - يعنيان ابن زيد - عن أيوب، عن أبي قلابة، عن أبي أسماء، عن ثوبان، قال أبو الربيع رفعه إلى النبي صلى الله عليه وسلم وفي حديث سعيد قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ عائد المريض في مخرفة الجنة حتى يرجع ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৬৪৪৬

حدثنا يحيى بن يحيى التميمي، أخبرنا هشيم، عن خالد، عن أبي قلابة، عن أبي، أسماء عن ثوبان، مولى رسول الله صلى الله عليه وسلم قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ من عاد مريضا لم يزل في خرفة الجنة حتى يرجع ‏"‏ ‏.‏

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর আযাদকৃত গোলাম সাওবান (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: যে ব্যক্তি কোন রোগীর সেবা-শুশ্রূষা করতে থাকে সে প্রত্যাবর্তন না করা পর্যন্ত বেহেশ্তের ফলমূল আহরণে রত থাকে। (ই.ফা. ৬৩১৮, ই.সে. নেই)

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর আযাদকৃত গোলাম সাওবান (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: যে ব্যক্তি কোন রোগীর সেবা-শুশ্রূষা করতে থাকে সে প্রত্যাবর্তন না করা পর্যন্ত বেহেশ্তের ফলমূল আহরণে রত থাকে। (ই.ফা. ৬৩১৮, ই.সে. নেই)

حدثنا يحيى بن يحيى التميمي، أخبرنا هشيم، عن خالد، عن أبي قلابة، عن أبي، أسماء عن ثوبان، مولى رسول الله صلى الله عليه وسلم قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ من عاد مريضا لم يزل في خرفة الجنة حتى يرجع ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৬৪৪৭

حدثنا يحيى بن حبيب الحارثي، حدثنا يزيد بن زريع، حدثنا خالد، عن أبي قلابة، عن أبي أسماء الرحبي، عن ثوبان، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ إن المسلم إذا عاد أخاه المسلم لم يزل في خرفة الجنة حتى يرجع ‏"‏ ‏.‏

সাওবান (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যখন কোন মুসলিম তার মুসলিম ভাইয়ের রোগ সেবায় নিয়োজিত হয় তখন সে প্রত্যাবর্তন না করা পর্যন্ত জান্নাতের ফল-ফলাদি আহরণে রত থাকে। (ই.ফা. ৬৩১৯, ই.সে. ৬৩৬৮)

সাওবান (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যখন কোন মুসলিম তার মুসলিম ভাইয়ের রোগ সেবায় নিয়োজিত হয় তখন সে প্রত্যাবর্তন না করা পর্যন্ত জান্নাতের ফল-ফলাদি আহরণে রত থাকে। (ই.ফা. ৬৩১৯, ই.সে. ৬৩৬৮)

حدثنا يحيى بن حبيب الحارثي، حدثنا يزيد بن زريع، حدثنا خالد، عن أبي قلابة، عن أبي أسماء الرحبي، عن ثوبان، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ إن المسلم إذا عاد أخاه المسلم لم يزل في خرفة الجنة حتى يرجع ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৬৪৪৯

حدثني سويد بن سعيد، حدثنا مروان بن معاوية، عن عاصم الأحول، بهذا الإسناد ‏.‏

‘আসিম আহওয়াল (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

‘আসিম আহওয়াল (রহঃ) থেকে এ সানাদে বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৬৩২১, ই.সে. ৬৩৭০)

‘আসিম আহওয়াল (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

‘আসিম আহওয়াল (রহঃ) থেকে এ সানাদে বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৬৩২১, ই.সে. ৬৩৭০)

حدثني سويد بن سعيد، حدثنا مروان بن معاوية، عن عاصم الأحول، بهذا الإسناد ‏.‏


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00