সহিহ মুসলিম > মাতা-পিতার প্রতি সদ্ব্যবহার ও উভয়ের মধ্যে কে তা পাওয়ার অধিক হাক্‌দার

সহিহ মুসলিম ৬৩৯৪

حدثنا قتيبة بن سعيد بن جميل بن طريف الثقفي، وزهير بن حرب، قالا حدثنا جرير، عن عمارة بن القعقاع، عن أبي زرعة، عن أبي هريرة، قال جاء رجل إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال من أحق الناس بحسن صحابتي قال ‏"‏ أمك ‏"‏ ‏.‏ قال ثم من قال ‏"‏ ثم أمك ‏"‏ ‏.‏ قال ثم من قال ‏"‏ ثم أمك ‏"‏ ‏.‏ قال ثم من قال ‏"‏ ثم أبوك ‏"‏ ‏.‏ وفي حديث قتيبة من أحق بحسن صحابتي ولم يذكر الناس ‏.‏

আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, এক ব্যক্তি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- এর নিকট এসে জিজ্ঞেস করল, হে আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)! মানুষের মধ্যে আমার সদ্ব্যবহারের সর্বাপেক্ষা হাক্দার ব্যক্তি কে? তিনি বললেন, তোমার মা। সে বলল, এরপর কে? তিনি বললেন, এরপরেও তোমার মা। সে বলল তারপর কে? তিনি বললেন, তারপরও তোমার মা। সে বলল, এরপর কে? তিনি বললেন, এরপর তোমার পিতা। আর কুতাইবাহ্ বর্ণিত হাদিসে “আমার সদ্ব্যবহার পাওয়ার সর্বাপেক্ষা যোগ্য কে” – এর উল্লেখ আছে। তিনি (কুতাইবাহ্) তাঁর রিওয়ায়াতে “মানুষ” শব্দটি উল্লেখ করেন নি। (ই.ফা. ৭ম খণ্ড, ৬২৬৯; ই.সে. ৮ম খণ্ড, ৬৩১৮)

আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, এক ব্যক্তি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- এর নিকট এসে জিজ্ঞেস করল, হে আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)! মানুষের মধ্যে আমার সদ্ব্যবহারের সর্বাপেক্ষা হাক্দার ব্যক্তি কে? তিনি বললেন, তোমার মা। সে বলল, এরপর কে? তিনি বললেন, এরপরেও তোমার মা। সে বলল তারপর কে? তিনি বললেন, তারপরও তোমার মা। সে বলল, এরপর কে? তিনি বললেন, এরপর তোমার পিতা। আর কুতাইবাহ্ বর্ণিত হাদিসে “আমার সদ্ব্যবহার পাওয়ার সর্বাপেক্ষা যোগ্য কে” – এর উল্লেখ আছে। তিনি (কুতাইবাহ্) তাঁর রিওয়ায়াতে “মানুষ” শব্দটি উল্লেখ করেন নি। (ই.ফা. ৭ম খণ্ড, ৬২৬৯; ই.সে. ৮ম খণ্ড, ৬৩১৮)

حدثنا قتيبة بن سعيد بن جميل بن طريف الثقفي، وزهير بن حرب، قالا حدثنا جرير، عن عمارة بن القعقاع، عن أبي زرعة، عن أبي هريرة، قال جاء رجل إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال من أحق الناس بحسن صحابتي قال ‏"‏ أمك ‏"‏ ‏.‏ قال ثم من قال ‏"‏ ثم أمك ‏"‏ ‏.‏ قال ثم من قال ‏"‏ ثم أمك ‏"‏ ‏.‏ قال ثم من قال ‏"‏ ثم أبوك ‏"‏ ‏.‏ وفي حديث قتيبة من أحق بحسن صحابتي ولم يذكر الناس ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৬৩৯৫

حدثنا أبو كريب، محمد بن العلاء الهمداني حدثنا ابن فضيل، عن أبيه، عن عمارة، بن القعقاع عن أبي زرعة، عن أبي هريرة، قال قال رجل يا رسول الله من أحق بحسن الصحبة قال ‏ "‏ أمك ثم أمك ثم أمك ثم أبوك ثم أدناك أدناك ‏"‏ ‏.‏

আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, জনৈক ব্যক্তি জিজ্ঞেস করল, হে আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)! (মানুষের মধ্যে) সদ্ব্যবহার পাওয়ার সর্বাধিক অধিকারী ব্যক্তি কে? তিনি বললেন, তোমার মা। তারপরও তোমার মা। তারপরও তোমার মা। তারপর তোমার পিতা। অতঃপর তোমার নিকটবর্তী জন। এরপর তোমার নিকটবর্তী জন। (ই.ফা. ৬২৭০; ই.সে. ৬৩১৯)

আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, জনৈক ব্যক্তি জিজ্ঞেস করল, হে আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)! (মানুষের মধ্যে) সদ্ব্যবহার পাওয়ার সর্বাধিক অধিকারী ব্যক্তি কে? তিনি বললেন, তোমার মা। তারপরও তোমার মা। তারপরও তোমার মা। তারপর তোমার পিতা। অতঃপর তোমার নিকটবর্তী জন। এরপর তোমার নিকটবর্তী জন। (ই.ফা. ৬২৭০; ই.সে. ৬৩১৯)

حدثنا أبو كريب، محمد بن العلاء الهمداني حدثنا ابن فضيل، عن أبيه، عن عمارة، بن القعقاع عن أبي زرعة، عن أبي هريرة، قال قال رجل يا رسول الله من أحق بحسن الصحبة قال ‏ "‏ أمك ثم أمك ثم أمك ثم أبوك ثم أدناك أدناك ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৬৩৯৬

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا شريك، عن عمارة، وابن، شبرمة عن أبي، زرعة عن أبي هريرة، قال جاء رجل إلى النبي صلى الله عليه وسلم ‏.‏ فذكر بمثل حديث جرير وزاد فقال ‏ "‏ نعم وأبيك لتنبأن ‏"‏ ‏.‏

আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, এক ব্যক্তি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট আগমন করলো। এরপর তিনি জারীর বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেন। এতে তিনি অতিরিক্ত বলেছেন, এরপর সে বলল, হ্যাঁ। ‘তোমার পিতার শপথ!’ তুমি অবশ্যই অবগত হবে। (ই.ফা. ৬২৭১; ই.সে. ৬৩২০)

আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, এক ব্যক্তি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট আগমন করলো। এরপর তিনি জারীর বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেন। এতে তিনি অতিরিক্ত বলেছেন, এরপর সে বলল, হ্যাঁ। ‘তোমার পিতার শপথ!’ তুমি অবশ্যই অবগত হবে। (ই.ফা. ৬২৭১; ই.সে. ৬৩২০)

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا شريك، عن عمارة، وابن، شبرمة عن أبي، زرعة عن أبي هريرة، قال جاء رجل إلى النبي صلى الله عليه وسلم ‏.‏ فذكر بمثل حديث جرير وزاد فقال ‏ "‏ نعم وأبيك لتنبأن ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৬৩৯৮

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وزهير بن حرب، قالا حدثنا وكيع، عن سفيان، عن حبيب، ح وحدثنا محمد بن المثنى، حدثنا يحيى، - يعني ابن سعيد القطان - عن سفيان، وشعبة قالا حدثنا حبيب، عن أبي العباس، عن عبد الله بن عمرو، قال جاء رجل إلى النبي صلى الله عليه وسلم يستأذنه في الجهاد فقال ‏"‏ أحى والداك ‏"‏ ‏.‏ قال نعم ‏.‏ قال ‏"‏ ففيهما فجاهد ‏"‏ ‏.‏

‘আব্দুল্লাহ ইবনু ‘আম্‌র (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, এক ব্যক্তি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট আসলো। এরপর সে তাঁর নিকট জিহাদে অংশগ্রহনের অনুমতি চাইল। তখন তিনি বললেন, তোমার মাতা-পিতা কি জীবিত আছেন? সে বলল, হ্যাঁ। তিনি বললেন, তাহলে তাদের উভয়ের (খিদমাত করে) সন্তুষ্টি অর্জনের চেষ্টা কর। (ই.ফা. ৬২৭৩; ই.সে. ৬৩২২)

‘আব্দুল্লাহ ইবনু ‘আম্‌র (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, এক ব্যক্তি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট আসলো। এরপর সে তাঁর নিকট জিহাদে অংশগ্রহনের অনুমতি চাইল। তখন তিনি বললেন, তোমার মাতা-পিতা কি জীবিত আছেন? সে বলল, হ্যাঁ। তিনি বললেন, তাহলে তাদের উভয়ের (খিদমাত করে) সন্তুষ্টি অর্জনের চেষ্টা কর। (ই.ফা. ৬২৭৩; ই.সে. ৬৩২২)

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وزهير بن حرب، قالا حدثنا وكيع، عن سفيان، عن حبيب، ح وحدثنا محمد بن المثنى، حدثنا يحيى، - يعني ابن سعيد القطان - عن سفيان، وشعبة قالا حدثنا حبيب، عن أبي العباس، عن عبد الله بن عمرو، قال جاء رجل إلى النبي صلى الله عليه وسلم يستأذنه في الجهاد فقال ‏"‏ أحى والداك ‏"‏ ‏.‏ قال نعم ‏.‏ قال ‏"‏ ففيهما فجاهد ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৬৪০১

حدثنا سعيد بن منصور، حدثنا عبد الله بن وهب، أخبرني عمرو بن الحارث، عن يزيد بن أبي حبيب، أن ناعما، مولى أم سلمة حدثه أن عبد الله بن عمرو بن العاص قال أقبل رجل إلى نبي الله صلى الله عليه وسلم فقال أبايعك على الهجرة والجهاد أبتغي الأجر من الله ‏.‏ قال ‏"‏ فهل من والديك أحد حى ‏"‏ ‏.‏ قال نعم بل كلاهما ‏.‏ قال ‏"‏ فتبتغي الأجر من الله ‏"‏ ‏.‏ قال نعم ‏.‏ قال ‏"‏ فارجع إلى والديك فأحسن صحبتهما ‏"‏ ‏.‏

আবদুল্লাহ ইবনু ‘আম্‌র ইবনুল ‘আস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, এক ব্যক্তি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- এর দরবারে দরবারে আগমন করলো। এরপর সে বলল, আমি আপনার নিকট হিজরত ও জিহাদের জন্য বাই’আত গ্রহণ করব। (এর দ্বারা) আমি আল্লাহর কাছে পুরস্কার ও বিনিময় আশা করি। তিনি বললেন, তোমার পিতা-মাতার মধ্যে কেউ জীবিত আছে কি? সে বলল, হ্যাঁ, তারা দুজনেই জীবিত। তিনি আবার বললেন, সত্যিই কি! তুমি আল্লাহর নিকট প্রতিদান আকাঙ্খা করছ? সে বলল, হ্যাঁ! তিনি বললেন, তাহলে তুমি তোমার পিতা-মাতার কাছে ফিরে যাও এবং তাদের দু’জনের সঙ্গে সদাচরণ কর। (ই.ফা. ৬২৭৬; ই.সে. ৬৩২৫)

আবদুল্লাহ ইবনু ‘আম্‌র ইবনুল ‘আস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, এক ব্যক্তি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- এর দরবারে দরবারে আগমন করলো। এরপর সে বলল, আমি আপনার নিকট হিজরত ও জিহাদের জন্য বাই’আত গ্রহণ করব। (এর দ্বারা) আমি আল্লাহর কাছে পুরস্কার ও বিনিময় আশা করি। তিনি বললেন, তোমার পিতা-মাতার মধ্যে কেউ জীবিত আছে কি? সে বলল, হ্যাঁ, তারা দুজনেই জীবিত। তিনি আবার বললেন, সত্যিই কি! তুমি আল্লাহর নিকট প্রতিদান আকাঙ্খা করছ? সে বলল, হ্যাঁ! তিনি বললেন, তাহলে তুমি তোমার পিতা-মাতার কাছে ফিরে যাও এবং তাদের দু’জনের সঙ্গে সদাচরণ কর। (ই.ফা. ৬২৭৬; ই.সে. ৬৩২৫)

حدثنا سعيد بن منصور، حدثنا عبد الله بن وهب، أخبرني عمرو بن الحارث، عن يزيد بن أبي حبيب، أن ناعما، مولى أم سلمة حدثه أن عبد الله بن عمرو بن العاص قال أقبل رجل إلى نبي الله صلى الله عليه وسلم فقال أبايعك على الهجرة والجهاد أبتغي الأجر من الله ‏.‏ قال ‏"‏ فهل من والديك أحد حى ‏"‏ ‏.‏ قال نعم بل كلاهما ‏.‏ قال ‏"‏ فتبتغي الأجر من الله ‏"‏ ‏.‏ قال نعم ‏.‏ قال ‏"‏ فارجع إلى والديك فأحسن صحبتهما ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৬৩৯৭

حدثني محمد بن حاتم، حدثنا شبابة، حدثنا محمد بن طلحة، ح وحدثني أحمد، بن خراش حدثنا حبان، حدثنا وهيب، كلاهما عن ابن شبرمة، بهذا الإسناد في حديث وهيب من أبر وفي حديث محمد بن طلحة أى الناس أحق مني بحسن الصحبة ثم ذكر بمثل حديث جرير ‏.‏

ইবনু শুব্‌রুমাহ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

এ সানাদে উহায়ব বর্ণিত হাদীসে (সর্বাপেক্ষা সদ্ব্যবহার পাওয়ার যোগ্য কে?) উল্লেখ রয়েছে। আর মুহাম্মাদ ইবনু তালহার হাদীসে মানুষের মধ্যে আমার সদ্ব্যবহারের সর্বাপেক্ষা বেশী অধিকার কার রয়েছে। এরপর তিনি জারীর বর্ণিত হাদীসের মতোই উল্লেখ করেছেন। (ই.ফা. ৬২৭২; ই.সে. ৬৩২১)

ইবনু শুব্‌রুমাহ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

এ সানাদে উহায়ব বর্ণিত হাদীসে (সর্বাপেক্ষা সদ্ব্যবহার পাওয়ার যোগ্য কে?) উল্লেখ রয়েছে। আর মুহাম্মাদ ইবনু তালহার হাদীসে মানুষের মধ্যে আমার সদ্ব্যবহারের সর্বাপেক্ষা বেশী অধিকার কার রয়েছে। এরপর তিনি জারীর বর্ণিত হাদীসের মতোই উল্লেখ করেছেন। (ই.ফা. ৬২৭২; ই.সে. ৬৩২১)

حدثني محمد بن حاتم، حدثنا شبابة، حدثنا محمد بن طلحة، ح وحدثني أحمد، بن خراش حدثنا حبان، حدثنا وهيب، كلاهما عن ابن شبرمة، بهذا الإسناد في حديث وهيب من أبر وفي حديث محمد بن طلحة أى الناس أحق مني بحسن الصحبة ثم ذكر بمثل حديث جرير ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৬৩৯৯

حدثنا عبيد الله بن معاذ، حدثنا أبي، حدثنا شعبة، عن حبيب، سمعت أبا العباس، سمعت عبد الله بن عمرو بن العاص، يقول جاء رجل إلى النبي صلى الله عليه وسلم ‏.‏ فذكر بمثله ‏.‏ قال مسلم أبو العباس اسمه السائب بن فروخ المكي ‏.‏

আবুল ‘আব্বাস থেকে বর্নিতঃ

আমি ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আম্‌র ইবনুল ‘আস (রাঃ)-কে বলতে শুনেছি যে, এক ব্যক্তি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর দরবারে আসলো! এরপর বর্ণনাকারী আগের মতো উল্লেখ করেন। ইমাম মুসলিম (রহঃ) বলেন, আবুল ‘আব্বাস-এর আসল নাম সায়িব ইবনু ফার্রুখ আল মাক্কী (রহঃ)। (ই.ফা. ৬২৭৪; ই.সে. ৬৩২৩)

আবুল ‘আব্বাস থেকে বর্নিতঃ

আমি ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আম্‌র ইবনুল ‘আস (রাঃ)-কে বলতে শুনেছি যে, এক ব্যক্তি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর দরবারে আসলো! এরপর বর্ণনাকারী আগের মতো উল্লেখ করেন। ইমাম মুসলিম (রহঃ) বলেন, আবুল ‘আব্বাস-এর আসল নাম সায়িব ইবনু ফার্রুখ আল মাক্কী (রহঃ)। (ই.ফা. ৬২৭৪; ই.সে. ৬৩২৩)

حدثنا عبيد الله بن معاذ، حدثنا أبي، حدثنا شعبة، عن حبيب، سمعت أبا العباس، سمعت عبد الله بن عمرو بن العاص، يقول جاء رجل إلى النبي صلى الله عليه وسلم ‏.‏ فذكر بمثله ‏.‏ قال مسلم أبو العباس اسمه السائب بن فروخ المكي ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৬৪০০

حدثنا أبو كريب، أخبرنا ابن بشر، عن مسعر، ح وحدثني محمد بن حاتم، حدثنا معاوية بن عمرو، عن أبي إسحاق، ح وحدثني القاسم بن زكرياء، حدثنا حسين بن علي، الجعفي عن زائدة، كلاهما عن الأعمش، جميعا عن حبيب، بهذا الإسناد مثله ‏.‏

আবূ কুরায়ব (রহঃ), মুহাম্মাদ ইবনু হাতিম (রহঃ) ও কাসিম ইবনু যাকারিয়্যা (রহঃ) হাবীব (রহঃ)-এর সূত্রে থেকে বর্নিতঃ

এ সানাদে হুবহু বর্ণনা করেন। (ই.ফা. ৬২৭৫; ই.সে. ৬৩২৪)

আবূ কুরায়ব (রহঃ), মুহাম্মাদ ইবনু হাতিম (রহঃ) ও কাসিম ইবনু যাকারিয়্যা (রহঃ) হাবীব (রহঃ)-এর সূত্রে থেকে বর্নিতঃ

এ সানাদে হুবহু বর্ণনা করেন। (ই.ফা. ৬২৭৫; ই.সে. ৬৩২৪)

حدثنا أبو كريب، أخبرنا ابن بشر، عن مسعر، ح وحدثني محمد بن حاتم، حدثنا معاوية بن عمرو، عن أبي إسحاق، ح وحدثني القاسم بن زكرياء، حدثنا حسين بن علي، الجعفي عن زائدة، كلاهما عن الأعمش، جميعا عن حبيب، بهذا الإسناد مثله ‏.‏


সহিহ মুসলিম > নফল সলাত ও অন্য যে কোন নফল ‘ইবাদতের উপর মাতা-পিতার খিদমাত অগ্রাধিকার প্রাপ্ত

সহিহ মুসলিম ৬৪০২

حدثنا شيبان بن فروخ، حدثنا سليمان بن المغيرة، حدثنا حميد بن هلال، عن أبي رافع، عن أبي هريرة، أنه قال كان جريج يتعبد في صومعة فجاءت أمه ‏.‏ قال حميد فوصف لنا أبو رافع صفة أبي هريرة لصفة رسول الله صلى الله عليه وسلم أمه حين دعته كيف جعلت كفها فوق حاجبها ثم رفعت رأسها إليه تدعوه فقالت يا جريج أنا أمك كلمني ‏.‏ فصادفته يصلي فقال اللهم أمي وصلاتي ‏.‏ فاختار صلاته فرجعت ثم عادت في الثانية فقالت يا جريج أنا أمك فكلمني ‏.‏ قال اللهم أمي وصلاتي ‏.‏ فاختار صلاته فقالت اللهم إن هذا جريج وهو ابني وإني كلمته فأبى أن يكلمني اللهم فلا تمته حتى تريه المومسات ‏.‏ قال ولو دعت عليه أن يفتن لفتن ‏.‏ قال وكان راعي ضأن يأوي إلى ديره - قال - فخرجت امرأة من القرية فوقع عليها الراعي فحملت فولدت غلاما فقيل لها ما هذا قالت من صاحب هذا الدير ‏.‏ قال فجاءوا بفئوسهم ومساحيهم فنادوه فصادفوه يصلي فلم يكلمهم - قال - فأخذوا يهدمون ديره فلما رأى ذلك نزل إليهم فقالوا له سل هذه - قال - فتبسم ثم مسح رأس الصبي فقال من أبوك قال أبي راعي الضأن ‏.‏ فلما سمعوا ذلك منه قالوا نبني ما هدمنا من ديرك بالذهب والفضة ‏.‏ قال لا ولكن أعيدوه ترابا كما كان ثم علاه ‏.‏

আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, জুরায়জ (বানী ইসরাঈলের একজন আবিদ ব্যক্তি) তাঁর ‘ইবাদাতখানায় ‘ইবাদাতে নিমগ্ন থাকতেন। (একবার) তাঁর মাতা তাঁর কাছে আসলেন। হুমায়দ (রহঃ) বলেন, আমাদের কাছে আবূ রাফি‘ এমন ভঙ্গিতে ব্যক্ত করেন, যেমনভাবে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর মায়ের ডাকের ভঙ্গিতে আবূ হুরায়রা্ (রাঃ)-এর কাছে ব্যক্ত করেছেন। কিভাবে তাঁর হাত তাঁর ভ্রুর উপর রাখছিলেন। এরপর তাঁর দিকে মাথা উঁচু করে তাকে ডাকছিলেন। বললেন, হে জুরায়জ! আমি তোমার মা, আমার সাথে কথা বলো। এ কথা এমন অবস্থায় বলছিলেন, যখন জুরায়জ সলাতে নিমগ্ন ছিলেন। তখন তিনি মনে মনে বলতে লাগলেন, “হে আল্লাহ! (একদিকে) আমার মা আর (অপরদিকে) আমার সলাত (আমি কী করি?)”। রাবী বলেন, অবশেষে তিনি তাঁর সলাতকে অগ্রাধিকার দিলেন এবং তাঁর মা ফিরে গেলেন। পরে তিনি দ্বিতীয়বার আসলেন এবং বললেন, হে জুরায়জ! আমি তোমার মা, তুমি আমার সঙ্গে কথা বলো। তিনি বললেন, ইয়া আল্লাহ! আমার মা, আমার সলাত। তখন তিনি তাঁর সলাতে ব্যস্ত রইলেন। তখন তাঁর মা বললেন, “হে আল্লাহ! এ জুরায়জ আমারই ছেলে। আমি তার সঙ্গে কথা বলতে চাচ্ছিলাম। সে আমার সাথে কথা বলতে অস্বীকার করল। হে আল্লাহ! তার মৃত্যু দিয়ো না, যে পর্যন্ত তাকে ব্যভিচারিণীর মুখ না দেখাও।” তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, যদি তাঁর মাতা তাঁর বিরুদ্ধে অন্য কোন বিপদের জন্য বদদু‘আ করতেন তাহলে অবশ্যই সে বিপদে পতিত হত। তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, এক মেষ রাখাল জুরায়জ-এর ‘ইবাদাতখানার নিকটেই (মাঝে মাঝে) আশ্রয় নিত। তিনি বলেন, এরপর গ্রাম থেকে এক মহিলা বের হয়ে এলে। উক্ত রাখাল তার সাথে ব্যভিচারে লিপ্ত হয়। এতে মহিলাটি গর্ভবতী হয়ে পড়ে এবং একটি পুত্র সন্তান জন্ম দেয়। তখন লোকেরা তাকে জিজ্ঞেস করলো, এ (সন্তান) কোথা থেকে? সে উত্তর দিল, এ ‘ইবাদাতখানায় যে বাস করে, তার থেকে। তিনি বলেন, এরপর তারা শাবল-কোদাল ইত্যাদি নিয়ে এলো এবং চিৎকার করে ডাক দিল। তখন জুরায়জ সলাতে মশগুল ছিলেন। কাজেই তিনি তাদের সাথে কথা বললেন না। তিনি বলেন, এরপর তারা তাঁর ‘ইবাদাতখানা ধ্বংস করতে লাগল। তিনি এ অবস্থা দেখে নীচে নেমে এলেন। এরপর তারা বলল, এ মহিলাকে জিজ্ঞেস করো (সে কী বলছে)। তিনি বলেন, তখন জুরায়জ মুচকি হেসে শিশুটির মাথায় হাত বুলিয়ে বললেন, তোমার পিতা কে? তখন শিশুটি বলল, আমার পিতা সে মেষ রাখাল। যখন তারা সে শিশুটির মুখে এ কথা শুনতে পেল তখন তারা বলল, (হে দরবেশ) আমরা তোমার ‘ইবাদাতখানার (গীর্জার) যতটুকু ভেঙ্গে ফেলেছি তা সোনা-রূপা দিয়ে পুনঃনির্মাণ করে দেব। তিনি বললেন, না; বরং তোমরা মাটি দ্বারাই পূর্বের ন্যায় তা নির্মাণ করে দাও। এরপর তিনি তাঁর ‘ইবাদাতগাহে উঠে বসলেন। (ই.ফা. ৬২৭৭; ই.সে. ৬৩২৬)

আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, জুরায়জ (বানী ইসরাঈলের একজন আবিদ ব্যক্তি) তাঁর ‘ইবাদাতখানায় ‘ইবাদাতে নিমগ্ন থাকতেন। (একবার) তাঁর মাতা তাঁর কাছে আসলেন। হুমায়দ (রহঃ) বলেন, আমাদের কাছে আবূ রাফি‘ এমন ভঙ্গিতে ব্যক্ত করেন, যেমনভাবে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর মায়ের ডাকের ভঙ্গিতে আবূ হুরায়রা্ (রাঃ)-এর কাছে ব্যক্ত করেছেন। কিভাবে তাঁর হাত তাঁর ভ্রুর উপর রাখছিলেন। এরপর তাঁর দিকে মাথা উঁচু করে তাকে ডাকছিলেন। বললেন, হে জুরায়জ! আমি তোমার মা, আমার সাথে কথা বলো। এ কথা এমন অবস্থায় বলছিলেন, যখন জুরায়জ সলাতে নিমগ্ন ছিলেন। তখন তিনি মনে মনে বলতে লাগলেন, “হে আল্লাহ! (একদিকে) আমার মা আর (অপরদিকে) আমার সলাত (আমি কী করি?)”। রাবী বলেন, অবশেষে তিনি তাঁর সলাতকে অগ্রাধিকার দিলেন এবং তাঁর মা ফিরে গেলেন। পরে তিনি দ্বিতীয়বার আসলেন এবং বললেন, হে জুরায়জ! আমি তোমার মা, তুমি আমার সঙ্গে কথা বলো। তিনি বললেন, ইয়া আল্লাহ! আমার মা, আমার সলাত। তখন তিনি তাঁর সলাতে ব্যস্ত রইলেন। তখন তাঁর মা বললেন, “হে আল্লাহ! এ জুরায়জ আমারই ছেলে। আমি তার সঙ্গে কথা বলতে চাচ্ছিলাম। সে আমার সাথে কথা বলতে অস্বীকার করল। হে আল্লাহ! তার মৃত্যু দিয়ো না, যে পর্যন্ত তাকে ব্যভিচারিণীর মুখ না দেখাও।” তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, যদি তাঁর মাতা তাঁর বিরুদ্ধে অন্য কোন বিপদের জন্য বদদু‘আ করতেন তাহলে অবশ্যই সে বিপদে পতিত হত। তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, এক মেষ রাখাল জুরায়জ-এর ‘ইবাদাতখানার নিকটেই (মাঝে মাঝে) আশ্রয় নিত। তিনি বলেন, এরপর গ্রাম থেকে এক মহিলা বের হয়ে এলে। উক্ত রাখাল তার সাথে ব্যভিচারে লিপ্ত হয়। এতে মহিলাটি গর্ভবতী হয়ে পড়ে এবং একটি পুত্র সন্তান জন্ম দেয়। তখন লোকেরা তাকে জিজ্ঞেস করলো, এ (সন্তান) কোথা থেকে? সে উত্তর দিল, এ ‘ইবাদাতখানায় যে বাস করে, তার থেকে। তিনি বলেন, এরপর তারা শাবল-কোদাল ইত্যাদি নিয়ে এলো এবং চিৎকার করে ডাক দিল। তখন জুরায়জ সলাতে মশগুল ছিলেন। কাজেই তিনি তাদের সাথে কথা বললেন না। তিনি বলেন, এরপর তারা তাঁর ‘ইবাদাতখানা ধ্বংস করতে লাগল। তিনি এ অবস্থা দেখে নীচে নেমে এলেন। এরপর তারা বলল, এ মহিলাকে জিজ্ঞেস করো (সে কী বলছে)। তিনি বলেন, তখন জুরায়জ মুচকি হেসে শিশুটির মাথায় হাত বুলিয়ে বললেন, তোমার পিতা কে? তখন শিশুটি বলল, আমার পিতা সে মেষ রাখাল। যখন তারা সে শিশুটির মুখে এ কথা শুনতে পেল তখন তারা বলল, (হে দরবেশ) আমরা তোমার ‘ইবাদাতখানার (গীর্জার) যতটুকু ভেঙ্গে ফেলেছি তা সোনা-রূপা দিয়ে পুনঃনির্মাণ করে দেব। তিনি বললেন, না; বরং তোমরা মাটি দ্বারাই পূর্বের ন্যায় তা নির্মাণ করে দাও। এরপর তিনি তাঁর ‘ইবাদাতগাহে উঠে বসলেন। (ই.ফা. ৬২৭৭; ই.সে. ৬৩২৬)

حدثنا شيبان بن فروخ، حدثنا سليمان بن المغيرة، حدثنا حميد بن هلال، عن أبي رافع، عن أبي هريرة، أنه قال كان جريج يتعبد في صومعة فجاءت أمه ‏.‏ قال حميد فوصف لنا أبو رافع صفة أبي هريرة لصفة رسول الله صلى الله عليه وسلم أمه حين دعته كيف جعلت كفها فوق حاجبها ثم رفعت رأسها إليه تدعوه فقالت يا جريج أنا أمك كلمني ‏.‏ فصادفته يصلي فقال اللهم أمي وصلاتي ‏.‏ فاختار صلاته فرجعت ثم عادت في الثانية فقالت يا جريج أنا أمك فكلمني ‏.‏ قال اللهم أمي وصلاتي ‏.‏ فاختار صلاته فقالت اللهم إن هذا جريج وهو ابني وإني كلمته فأبى أن يكلمني اللهم فلا تمته حتى تريه المومسات ‏.‏ قال ولو دعت عليه أن يفتن لفتن ‏.‏ قال وكان راعي ضأن يأوي إلى ديره - قال - فخرجت امرأة من القرية فوقع عليها الراعي فحملت فولدت غلاما فقيل لها ما هذا قالت من صاحب هذا الدير ‏.‏ قال فجاءوا بفئوسهم ومساحيهم فنادوه فصادفوه يصلي فلم يكلمهم - قال - فأخذوا يهدمون ديره فلما رأى ذلك نزل إليهم فقالوا له سل هذه - قال - فتبسم ثم مسح رأس الصبي فقال من أبوك قال أبي راعي الضأن ‏.‏ فلما سمعوا ذلك منه قالوا نبني ما هدمنا من ديرك بالذهب والفضة ‏.‏ قال لا ولكن أعيدوه ترابا كما كان ثم علاه ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৬৪০৩

حدثنا زهير بن حرب، حدثنا يزيد بن هارون، أخبرنا جرير بن حازم، حدثنا محمد بن سيرين، عن أبي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏"‏ لم يتكلم في المهد إلا ثلاثة عيسى ابن مريم وصاحب جريج وكان جريج رجلا عابدا فاتخذ صومعة فكان فيها فأتته أمه وهو يصلي فقالت يا جريج ‏.‏ فقال يا رب أمي وصلاتي ‏.‏ فأقبل على صلاته فانصرفت فلما كان من الغد أتته وهو يصلي فقالت يا جريج فقال يا رب أمي وصلاتي فأقبل على صلاته فانصرفت فلما كان من الغد أتته وهو يصلي فقالت يا جريج ‏.‏ فقال أى رب أمي وصلاتي ‏.‏ فأقبل على صلاته فقالت اللهم لا تمته حتى ينظر إلى وجوه المومسات ‏.‏ فتذاكر بنو إسرائيل جريجا وعبادته وكانت امرأة بغي يتمثل بحسنها فقالت إن شئتم لأفتننه لكم - قال - فتعرضت له فلم يلتفت إليها فأتت راعيا كان يأوي إلى صومعته فأمكنته من نفسها فوقع عليها فحملت فلما ولدت قالت هو من جريج ‏.‏ فأتوه فاستنزلوه وهدموا صومعته وجعلوا يضربونه فقال ما شأنكم قالوا زنيت بهذه البغي فولدت منك ‏.‏ فقال أين الصبي فجاءوا به فقال دعوني حتى أصلي فصلى فلما انصرف أتى الصبي فطعن في بطنه وقال يا غلام من أبوك قال فلان الراعي - قال - فأقبلوا على جريج يقبلونه ويتمسحون به وقالوا نبني لك صومعتك من ذهب ‏.‏ قال لا أعيدوها من طين كما كانت ‏.‏ ففعلوا ‏.‏ وبينا صبي يرضع من أمه فمر رجل راكب على دابة فارهة وشارة حسنة فقالت أمه اللهم اجعل ابني مثل هذا ‏.‏ فترك الثدى وأقبل إليه فنظر إليه فقال اللهم لا تجعلني مثله ‏.‏ ثم أقبل على ثديه فجعل يرتضع ‏.‏ قال فكأني أنظر إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم وهو يحكي ارتضاعه بإصبعه السبابة في فمه فجعل يمصها ‏.‏ قال ومروا بجارية وهم يضربونها ويقولون زنيت سرقت ‏.‏ وهي تقول حسبي الله ونعم الوكيل ‏.‏ فقالت أمه اللهم لا تجعل ابني مثلها ‏.‏ فترك الرضاع ونظر إليها فقال اللهم اجعلني مثلها ‏.‏ فهناك تراجعا الحديث فقالت حلقى مر رجل حسن الهيئة فقلت اللهم اجعل ابني مثله ‏.‏ فقلت اللهم لا تجعلني مثله ‏.‏ ومروا بهذه الأمة وهم يضربونها ويقولون زنيت سرقت ‏.‏ فقلت اللهم لا تجعل ابني مثلها ‏.‏ فقلت اللهم اجعلني مثلها قال إن ذاك الرجل كان جبارا فقلت اللهم لا تجعلني مثله ‏.‏ وإن هذه يقولون لها زنيت ‏.‏ ولم تزن وسرقت ولم تسرق فقلت اللهم اجعلني مثلها ‏.‏

আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ তিনজন ব্যতীত কেউ দোলনায় কথা বলেনি। তাঁদের মধ্যে একজন ‘ঈসা ইবনু মারইয়াম (‘আঃ)। আরেকজন জুরায়জ সম্পর্কিত শিশুটি। জুরায়জ ছিলেন একজন ‘ইবাদাতগুজার ব্যক্তি। তিনি একটি ‘ইবাদাতখানা তৈরি করে সেখানে অবস্থান করতেন। এক সময় তাঁর কাছে তাঁর মা আসলেন। তিনি সে সময় সলাতে নিমগ্ন ছিলেন। মা ডাকলেন, হে জুরায়জ! তখন তিনি (মনে মনে) বলতে লাগলেন, হে আমার প্রতিপালক! (একদিকে) আমার মা আর (অন্যদিকে) আমার সলাত। এরপর তিনি সলাতে মগ্ন থাকলেন। মা ফিরে গেলেন। পরের দিন তিনি আবার তার কাছে এলেন। তখনও তিনি সলাত আদায় করছিলেন। তিনি বললেন, হে জুরায়জ! তখন তিনি (মনে মনে) বললেন, হে আমার প্রতিপালক! একদিকে আমার মা (আমাকে ডাকছেন) আর (অন্য দিকে) আমার সলাত। এরপর তিনি সলাতে মশগুল রইলেন। মা ফিরে গেলেন। এরপরের দিন আবার এলেন। তখনও তিনি সলাতেই রত ছিলেন। এবারও (মা) বললেন, হে জুরায়জ! তখন তিনি (মনে মনে) বললেন, হে আমার প্রতিপালক! (একদিকে) আমার মা (আমাকে ডাকছেন)। (অন্যদিকে) আমার সালাত। এরপর তিনি সলাতে ই লিপ্ত রইলেন। এবার তার মা বললেন, হে আল্লাহ! বদ্‌কার স্ত্রীলোকের সম্মুখীন করার আগ পর্যন্ত তুমি তার মৃত্যু দিয়ো না। এরপর বানু ইসরাঈলদের মধ্যে জুরায়জ ও তার ‘ইবাদাত সম্পর্কে আলোচনা হতে লাগল। (বানী ইসরাঈলের মধ্যে) সৌন্দর্য্য উপমেয় এক দুশ্চরিত্রা স্ত্রীলোক ছিল। সে বলল, যদি তোমরা চাও তাহলে আমি তোমাদের সামনে তাকে (জুরায়জকে) ফিতনায় ফেলতে পারি। তিনি বলেন, এরপর সে জুরায়জের সামনে নিজেকে পেশ করে। কিন্তু জুরায়জ তার প্রতি ভ্রুক্ষেপও করেননি। অবশেষে সে এক মেষ রাখালের নিকট আসে। সে জুরায়েজের ‘ইবাদাতখানায় মাঝে মধ্যে যাওয়া-আশা করত। সে তাকে নিজের দিকে প্রলুদ্ধ করল। সে (রাখাল) তার উপর অনুরক্ত হলো। এতে সে গর্ভবতী হয়ে গেল। যখন সে সন্তান প্রসব করল তখন বলে দিল যে, এ সন্তান জুরায়জের। লোকেরা (এ কথা শুনে) তাঁর কাছে এসে জড়ো হলো এবং তাঁকে নীচে নামতে বাধ্য করল এবং তারা তার ‘ইবাদাতখানা ভেঙ্গে ফেলল আর তাঁকে প্রহার করতে লাগল। তখন তিনি (জুরায়জ) জিজ্ঞেস করলেন, তোমাদের ব্যাপার কী? তারা বলল, তুমি তো এ দুশ্চরিত্রা স্ত্রীলোকের সাথে ব্যভিচার করেছো এবং তোমার পক্ষ থেকে সে সন্তান প্রসব করেছে। তখন তিনি বললেন, শিশুটি কোথায়? তারা শিশুটি নিয়ে এলো। এরপর তিনি বললেন, আমাকে একটু অবকাশ দাও, আমি সলাত আদায় করে নেই। তারপর তিনি সলাত আদায় করলেন এবং সলাত শেষে শিশুটির কাছে এলেন। এরপর তিনি শিশুটির পেটে টোকা দিয়ে বললেন, হে বৎস! তোমার পিতা কে? সে উত্তর করল। অমুক রাখাল। বর্ণনাকারী বলেন, তখন লোকেরা জুরায়জের দিকে এগিয়ে আসলো এবং তাঁকে চুম্বন করতে এবং তাঁর গায়ে হাত বুলাতে লাগল। এরপর বলল, আমরা আপনার ‘ইবাদাতখানা স্বর্ণ দ্বারা নির্মাণ করে দিব। তিনি বললেন, না বরং পুনরায় মাটি দিয়ে তৈরি করে দাও, যেমন ছিল। লোকেরা তাই করল। (তৃতীয় জন) একদা এক শিশু তার মায়ের দুধ পান করছিল। তখন উত্তম পোষাকে সজ্জিত এক লোক একটি হৃষ্টপুষ্ট সওয়ারীর উপর আরোহণ করে সেখান দিয়ে যাচ্ছিল। তখন তার মা বলল, “হে আল্লাহ! তুমি আমার ছেলেকে এর মত বানিয়ে দাও। তখন শিশুটি মাতৃস্তন ছেড়ে তার প্রতি লক্ষ করে বলল, “হে আল্লাহ! তুমি আমাকে এর মত বানিও না।” এরপর সে আবার স্তনের দিকে ফিরে দুধ পান করতে লাগল। রাবী বলেন, মনে হয় যেন আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে এখনো দেখছি যে, তিনি তাঁর শাহাদাত আঙ্গুলি নিজ মুখে দিয়ে তা চুষে সে শিশুটির দুধ পানের দৃশ্য দেখাচ্ছেন। এরপর তিনি বর্ণনা করলেন যে, কিছু লোক একজন যুবতীকে নিয়ে যাচ্ছিল এবং তাকে তারা প্রহার করছিল এবং বলাবলি করছিল যে, তুই ব্যভিচার করেছিস, তুই চুরি করেছিস। আর সে বলছিল, আল্লাহর উপরই আমার ভরসা; আর তিনিই উত্তম কর্মবিধায়ক। তখন তার মা বলল, হে আল্লাহ! তুমি আমার পুত্রকে এর (দাসীর) মত বানিও না। তখন শিশুটি দুধপান ছেড়ে তার (দাসীর) প্রতি লক্ষ্য করে বলল, “হে আল্লাহ! তুমি আমাকে এর (দাসীর) মত বানিয়ে দাও।” সে সময় মা ও পুত্রের মধ্যে কথোপকথন হলো। তখন মা বলল, ঠাটা পড়ুক (এ কেমন কথা)। সুদর্শন এক ব্যক্তি যাচ্ছিল। তখন আমি বললাম, “হে আল্লাহ! তুমি আমার ছেলেকে এর মত বানিও”। আর তুমি বললে, “হে আল্লাহ! তুমি আমাকে এর মত বানিও না” এরপর লোকেরা এ দাসীকে নিয়ে যাচ্ছিল। তখন তারা তাঁকে প্রহার করছিল এবং বলছিল, তুই ব্যভিচার করেছিস এবং তুই চুরি করেছিস। তখন আমি বললাম, হে আল্লাহ! তুমি আমার পুত্রকে তার মত বানিও না। আর তুমি বললে, হে আল্লাহ! তুমি আমাকে তার মতো বানাও। সে বলল, সে আরোহী ব্যক্তি ছিল অত্যাচারী। তাই আমি বলেছি, হে আল্লাহ! তুমি আমাকে তার মত বানিও না। আর যে দাসীকে ওরা বলছিল, তুই যিনা করেছিস। আসলে সে ব্যভিচারে লিপ্ত হয় নি এবং বলছিল, চুরি করেছিস, অথচ সে চুরি করেনি। তাই আমি বললাম, “হে আল্লাহ! তুমি আমাকে তার মত বানিয়ে দাও”। (ই.ফা. ৬২৭৮; ই.সে. ৬৩২৭)

আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ তিনজন ব্যতীত কেউ দোলনায় কথা বলেনি। তাঁদের মধ্যে একজন ‘ঈসা ইবনু মারইয়াম (‘আঃ)। আরেকজন জুরায়জ সম্পর্কিত শিশুটি। জুরায়জ ছিলেন একজন ‘ইবাদাতগুজার ব্যক্তি। তিনি একটি ‘ইবাদাতখানা তৈরি করে সেখানে অবস্থান করতেন। এক সময় তাঁর কাছে তাঁর মা আসলেন। তিনি সে সময় সলাতে নিমগ্ন ছিলেন। মা ডাকলেন, হে জুরায়জ! তখন তিনি (মনে মনে) বলতে লাগলেন, হে আমার প্রতিপালক! (একদিকে) আমার মা আর (অন্যদিকে) আমার সলাত। এরপর তিনি সলাতে মগ্ন থাকলেন। মা ফিরে গেলেন। পরের দিন তিনি আবার তার কাছে এলেন। তখনও তিনি সলাত আদায় করছিলেন। তিনি বললেন, হে জুরায়জ! তখন তিনি (মনে মনে) বললেন, হে আমার প্রতিপালক! একদিকে আমার মা (আমাকে ডাকছেন) আর (অন্য দিকে) আমার সলাত। এরপর তিনি সলাতে মশগুল রইলেন। মা ফিরে গেলেন। এরপরের দিন আবার এলেন। তখনও তিনি সলাতেই রত ছিলেন। এবারও (মা) বললেন, হে জুরায়জ! তখন তিনি (মনে মনে) বললেন, হে আমার প্রতিপালক! (একদিকে) আমার মা (আমাকে ডাকছেন)। (অন্যদিকে) আমার সালাত। এরপর তিনি সলাতে ই লিপ্ত রইলেন। এবার তার মা বললেন, হে আল্লাহ! বদ্‌কার স্ত্রীলোকের সম্মুখীন করার আগ পর্যন্ত তুমি তার মৃত্যু দিয়ো না। এরপর বানু ইসরাঈলদের মধ্যে জুরায়জ ও তার ‘ইবাদাত সম্পর্কে আলোচনা হতে লাগল। (বানী ইসরাঈলের মধ্যে) সৌন্দর্য্য উপমেয় এক দুশ্চরিত্রা স্ত্রীলোক ছিল। সে বলল, যদি তোমরা চাও তাহলে আমি তোমাদের সামনে তাকে (জুরায়জকে) ফিতনায় ফেলতে পারি। তিনি বলেন, এরপর সে জুরায়জের সামনে নিজেকে পেশ করে। কিন্তু জুরায়জ তার প্রতি ভ্রুক্ষেপও করেননি। অবশেষে সে এক মেষ রাখালের নিকট আসে। সে জুরায়েজের ‘ইবাদাতখানায় মাঝে মধ্যে যাওয়া-আশা করত। সে তাকে নিজের দিকে প্রলুদ্ধ করল। সে (রাখাল) তার উপর অনুরক্ত হলো। এতে সে গর্ভবতী হয়ে গেল। যখন সে সন্তান প্রসব করল তখন বলে দিল যে, এ সন্তান জুরায়জের। লোকেরা (এ কথা শুনে) তাঁর কাছে এসে জড়ো হলো এবং তাঁকে নীচে নামতে বাধ্য করল এবং তারা তার ‘ইবাদাতখানা ভেঙ্গে ফেলল আর তাঁকে প্রহার করতে লাগল। তখন তিনি (জুরায়জ) জিজ্ঞেস করলেন, তোমাদের ব্যাপার কী? তারা বলল, তুমি তো এ দুশ্চরিত্রা স্ত্রীলোকের সাথে ব্যভিচার করেছো এবং তোমার পক্ষ থেকে সে সন্তান প্রসব করেছে। তখন তিনি বললেন, শিশুটি কোথায়? তারা শিশুটি নিয়ে এলো। এরপর তিনি বললেন, আমাকে একটু অবকাশ দাও, আমি সলাত আদায় করে নেই। তারপর তিনি সলাত আদায় করলেন এবং সলাত শেষে শিশুটির কাছে এলেন। এরপর তিনি শিশুটির পেটে টোকা দিয়ে বললেন, হে বৎস! তোমার পিতা কে? সে উত্তর করল। অমুক রাখাল। বর্ণনাকারী বলেন, তখন লোকেরা জুরায়জের দিকে এগিয়ে আসলো এবং তাঁকে চুম্বন করতে এবং তাঁর গায়ে হাত বুলাতে লাগল। এরপর বলল, আমরা আপনার ‘ইবাদাতখানা স্বর্ণ দ্বারা নির্মাণ করে দিব। তিনি বললেন, না বরং পুনরায় মাটি দিয়ে তৈরি করে দাও, যেমন ছিল। লোকেরা তাই করল। (তৃতীয় জন) একদা এক শিশু তার মায়ের দুধ পান করছিল। তখন উত্তম পোষাকে সজ্জিত এক লোক একটি হৃষ্টপুষ্ট সওয়ারীর উপর আরোহণ করে সেখান দিয়ে যাচ্ছিল। তখন তার মা বলল, “হে আল্লাহ! তুমি আমার ছেলেকে এর মত বানিয়ে দাও। তখন শিশুটি মাতৃস্তন ছেড়ে তার প্রতি লক্ষ করে বলল, “হে আল্লাহ! তুমি আমাকে এর মত বানিও না।” এরপর সে আবার স্তনের দিকে ফিরে দুধ পান করতে লাগল। রাবী বলেন, মনে হয় যেন আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে এখনো দেখছি যে, তিনি তাঁর শাহাদাত আঙ্গুলি নিজ মুখে দিয়ে তা চুষে সে শিশুটির দুধ পানের দৃশ্য দেখাচ্ছেন। এরপর তিনি বর্ণনা করলেন যে, কিছু লোক একজন যুবতীকে নিয়ে যাচ্ছিল এবং তাকে তারা প্রহার করছিল এবং বলাবলি করছিল যে, তুই ব্যভিচার করেছিস, তুই চুরি করেছিস। আর সে বলছিল, আল্লাহর উপরই আমার ভরসা; আর তিনিই উত্তম কর্মবিধায়ক। তখন তার মা বলল, হে আল্লাহ! তুমি আমার পুত্রকে এর (দাসীর) মত বানিও না। তখন শিশুটি দুধপান ছেড়ে তার (দাসীর) প্রতি লক্ষ্য করে বলল, “হে আল্লাহ! তুমি আমাকে এর (দাসীর) মত বানিয়ে দাও।” সে সময় মা ও পুত্রের মধ্যে কথোপকথন হলো। তখন মা বলল, ঠাটা পড়ুক (এ কেমন কথা)। সুদর্শন এক ব্যক্তি যাচ্ছিল। তখন আমি বললাম, “হে আল্লাহ! তুমি আমার ছেলেকে এর মত বানিও”। আর তুমি বললে, “হে আল্লাহ! তুমি আমাকে এর মত বানিও না” এরপর লোকেরা এ দাসীকে নিয়ে যাচ্ছিল। তখন তারা তাঁকে প্রহার করছিল এবং বলছিল, তুই ব্যভিচার করেছিস এবং তুই চুরি করেছিস। তখন আমি বললাম, হে আল্লাহ! তুমি আমার পুত্রকে তার মত বানিও না। আর তুমি বললে, হে আল্লাহ! তুমি আমাকে তার মতো বানাও। সে বলল, সে আরোহী ব্যক্তি ছিল অত্যাচারী। তাই আমি বলেছি, হে আল্লাহ! তুমি আমাকে তার মত বানিও না। আর যে দাসীকে ওরা বলছিল, তুই যিনা করেছিস। আসলে সে ব্যভিচারে লিপ্ত হয় নি এবং বলছিল, চুরি করেছিস, অথচ সে চুরি করেনি। তাই আমি বললাম, “হে আল্লাহ! তুমি আমাকে তার মত বানিয়ে দাও”। (ই.ফা. ৬২৭৮; ই.সে. ৬৩২৭)

حدثنا زهير بن حرب، حدثنا يزيد بن هارون، أخبرنا جرير بن حازم، حدثنا محمد بن سيرين، عن أبي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏"‏ لم يتكلم في المهد إلا ثلاثة عيسى ابن مريم وصاحب جريج وكان جريج رجلا عابدا فاتخذ صومعة فكان فيها فأتته أمه وهو يصلي فقالت يا جريج ‏.‏ فقال يا رب أمي وصلاتي ‏.‏ فأقبل على صلاته فانصرفت فلما كان من الغد أتته وهو يصلي فقالت يا جريج فقال يا رب أمي وصلاتي فأقبل على صلاته فانصرفت فلما كان من الغد أتته وهو يصلي فقالت يا جريج ‏.‏ فقال أى رب أمي وصلاتي ‏.‏ فأقبل على صلاته فقالت اللهم لا تمته حتى ينظر إلى وجوه المومسات ‏.‏ فتذاكر بنو إسرائيل جريجا وعبادته وكانت امرأة بغي يتمثل بحسنها فقالت إن شئتم لأفتننه لكم - قال - فتعرضت له فلم يلتفت إليها فأتت راعيا كان يأوي إلى صومعته فأمكنته من نفسها فوقع عليها فحملت فلما ولدت قالت هو من جريج ‏.‏ فأتوه فاستنزلوه وهدموا صومعته وجعلوا يضربونه فقال ما شأنكم قالوا زنيت بهذه البغي فولدت منك ‏.‏ فقال أين الصبي فجاءوا به فقال دعوني حتى أصلي فصلى فلما انصرف أتى الصبي فطعن في بطنه وقال يا غلام من أبوك قال فلان الراعي - قال - فأقبلوا على جريج يقبلونه ويتمسحون به وقالوا نبني لك صومعتك من ذهب ‏.‏ قال لا أعيدوها من طين كما كانت ‏.‏ ففعلوا ‏.‏ وبينا صبي يرضع من أمه فمر رجل راكب على دابة فارهة وشارة حسنة فقالت أمه اللهم اجعل ابني مثل هذا ‏.‏ فترك الثدى وأقبل إليه فنظر إليه فقال اللهم لا تجعلني مثله ‏.‏ ثم أقبل على ثديه فجعل يرتضع ‏.‏ قال فكأني أنظر إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم وهو يحكي ارتضاعه بإصبعه السبابة في فمه فجعل يمصها ‏.‏ قال ومروا بجارية وهم يضربونها ويقولون زنيت سرقت ‏.‏ وهي تقول حسبي الله ونعم الوكيل ‏.‏ فقالت أمه اللهم لا تجعل ابني مثلها ‏.‏ فترك الرضاع ونظر إليها فقال اللهم اجعلني مثلها ‏.‏ فهناك تراجعا الحديث فقالت حلقى مر رجل حسن الهيئة فقلت اللهم اجعل ابني مثله ‏.‏ فقلت اللهم لا تجعلني مثله ‏.‏ ومروا بهذه الأمة وهم يضربونها ويقولون زنيت سرقت ‏.‏ فقلت اللهم لا تجعل ابني مثلها ‏.‏ فقلت اللهم اجعلني مثلها قال إن ذاك الرجل كان جبارا فقلت اللهم لا تجعلني مثله ‏.‏ وإن هذه يقولون لها زنيت ‏.‏ ولم تزن وسرقت ولم تسرق فقلت اللهم اجعلني مثلها ‏.‏


সহিহ মুসলিম > ধ্বংস সে ব্যক্তির, যে পিতা-মাতা অথবা একজনকে বার্ধক্যে পেয়েও জান্নাত পেল না

সহিহ মুসলিম ৬৪০৪

حدثنا شيبان بن فروخ، حدثنا أبو عوانة، عن سهيل، عن أبيه، عن أبي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏"‏ رغم أنف ثم رغم أنف ثم رغم أنف ‏"‏ ‏.‏ قيل من يا رسول الله قال ‏"‏ من أدرك أبويه عند الكبر أحدهما أو كليهما فلم يدخل الجنة ‏"‏ ‏.‏

আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ নাক ধূলিমলিন হোক, আবারও নাক ধূলিমলিন হোক, আবারও নাক ধূলিমলিন হোক। জিজ্ঞেস করা হল, কোন্‌ ব্যক্তির, হে আল্লাহর রসূল? তিনি বললেন, যে ব্যক্তি তার পিতা-মাতা উভয়কে অথবা একজনকে বার্ধক্যাবস্থায় পেল অথচ সে জান্নাতে প্রবেশ করতে পারল না। (ই.ফা. ৬২৭৯; ই.সে. ৬৩২৮)

আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ নাক ধূলিমলিন হোক, আবারও নাক ধূলিমলিন হোক, আবারও নাক ধূলিমলিন হোক। জিজ্ঞেস করা হল, কোন্‌ ব্যক্তির, হে আল্লাহর রসূল? তিনি বললেন, যে ব্যক্তি তার পিতা-মাতা উভয়কে অথবা একজনকে বার্ধক্যাবস্থায় পেল অথচ সে জান্নাতে প্রবেশ করতে পারল না। (ই.ফা. ৬২৭৯; ই.সে. ৬৩২৮)

حدثنا شيبان بن فروخ، حدثنا أبو عوانة، عن سهيل، عن أبيه، عن أبي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏"‏ رغم أنف ثم رغم أنف ثم رغم أنف ‏"‏ ‏.‏ قيل من يا رسول الله قال ‏"‏ من أدرك أبويه عند الكبر أحدهما أو كليهما فلم يدخل الجنة ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৬৪০৬

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا خالد بن مخلد، عن سليمان بن بلال، حدثني سهيل، عن أبيه، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ رغم أنفه ‏"‏ ‏.‏ ثلاثا ثم ذكر مثله ‏.‏

আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তার নাক ধূলিমলিন হোক- কথাটি তিনবার বলেছেন। এরপর তিনি উক্ত হাদীসের মতোই উল্লেখ করেছেন। (ই. ফা. ৬২৮১, ই.সে. ৬৩৩০)

আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তার নাক ধূলিমলিন হোক- কথাটি তিনবার বলেছেন। এরপর তিনি উক্ত হাদীসের মতোই উল্লেখ করেছেন। (ই. ফা. ৬২৮১, ই.সে. ৬৩৩০)

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا خالد بن مخلد، عن سليمان بن بلال، حدثني سهيل، عن أبيه، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ رغم أنفه ‏"‏ ‏.‏ ثلاثا ثم ذكر مثله ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৬৪০৫

حدثنا زهير بن حرب، حدثنا جرير، عن سهيل، عن أبيه، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ رغم أنفه ثم رغم أنفه ثم رغم أنفه ‏"‏ ‏.‏ قيل من يا رسول الله قال ‏"‏ من أدرك والديه عند الكبر أحدهما أو كليهما ثم لم يدخل الجنة ‏"‏ ‏.‏

আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন যে, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ সে ব্যক্তির নাক ধূলিমলিন হোক, আবার সে ব্যক্তির নাক ধূলিমলিন হোক, আবার তার নাক ধূলিমলিন হোক। জিজ্ঞেস করা হলো, কার হে আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)। তিনি বললেন, যে ব্যক্তি তার পিতা-মাতা উভয়কে কিংবা তাদের একজনকে বার্ধক্যজনিত অবস্থায় পেল, এরপরেও সে জান্নাতে প্রবেশ করতে পারল না। (ই. ফা. ৬২৮০, ই.সে. ৬৩২৯)

আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন যে, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ সে ব্যক্তির নাক ধূলিমলিন হোক, আবার সে ব্যক্তির নাক ধূলিমলিন হোক, আবার তার নাক ধূলিমলিন হোক। জিজ্ঞেস করা হলো, কার হে আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)। তিনি বললেন, যে ব্যক্তি তার পিতা-মাতা উভয়কে কিংবা তাদের একজনকে বার্ধক্যজনিত অবস্থায় পেল, এরপরেও সে জান্নাতে প্রবেশ করতে পারল না। (ই. ফা. ৬২৮০, ই.সে. ৬৩২৯)

حدثنا زهير بن حرب، حدثنا جرير، عن سهيل، عن أبيه، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ رغم أنفه ثم رغم أنفه ثم رغم أنفه ‏"‏ ‏.‏ قيل من يا رسول الله قال ‏"‏ من أدرك والديه عند الكبر أحدهما أو كليهما ثم لم يدخل الجنة ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম > পিতা-মাতার বন্ধু-বান্ধব প্রমুখের সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রাখার মর্যাদা

সহিহ মুসলিম ৬৪০৭

حدثني أبو الطاهر، أحمد بن عمرو بن سرح أخبرنا عبد الله بن وهب، أخبرني سعيد بن أبي أيوب، عن الوليد بن أبي الوليد، عن عبد الله بن دينار، عن عبد الله بن عمر، أن رجلا، من الأعراب لقيه بطريق مكة فسلم عليه عبد الله وحمله على حمار كان يركبه وأعطاه عمامة كانت على رأسه فقال ابن دينار فقلنا له أصلحك الله إنهم الأعراب وإنهم يرضون باليسير ‏.‏ فقال عبد الله إن أبا هذا كان ودا لعمر بن الخطاب وإني سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول ‏ "‏ إن أبر البر صلة الولد أهل ود أبيه ‏"‏ ‏.‏

‘‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

মাক্কায় এক রাস্তায় ‘‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ)- এর সাথে এক বেদুঈনের সাক্ষাৎ হলো। ‘‘আবদুল্লাহ (রাঃ) তাঁকে সালাম দিলেন এবং তিনি যে গাধার পিঠে আরোহণ করতেন, সে গাধাটি তাকে আরোহনের জন্য দিয়ে দিলেন। তিনি তাঁর মাথার পাগড়ীটিও তাকে দান করলেন। তখন ‘‘আবদুল্লাহ ইবনু দীনার (রহঃ) তাঁকে বললেন যে, আমরা তাকে বললাম, আল্লাহ আপনার কল্যাণ করুন। বেদুঈনরা তো অল্পতেই তুষ্ট হয়ে যায়। (এত দেয়ার প্রয়োজন কি ছিল?) তখন ‘‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) বললেন, এ ব্যক্তির পিতা ‘উমার ইবনুল খাত্তাব (রাঃ)- এর বন্ধু ছিলেন। আর আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে বলতে শুনেছি যে, কোন ব্যক্তির সর্বোত্তম নেকীর কাজ হচ্ছে তার পিতার বন্ধুর সঙ্গে সহমর্মিতার সম্পর্ক বজায় রাখা। (ই. ফা. ৬২৮২, ই.সে. ৬৩৩১)

‘‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

মাক্কায় এক রাস্তায় ‘‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ)- এর সাথে এক বেদুঈনের সাক্ষাৎ হলো। ‘‘আবদুল্লাহ (রাঃ) তাঁকে সালাম দিলেন এবং তিনি যে গাধার পিঠে আরোহণ করতেন, সে গাধাটি তাকে আরোহনের জন্য দিয়ে দিলেন। তিনি তাঁর মাথার পাগড়ীটিও তাকে দান করলেন। তখন ‘‘আবদুল্লাহ ইবনু দীনার (রহঃ) তাঁকে বললেন যে, আমরা তাকে বললাম, আল্লাহ আপনার কল্যাণ করুন। বেদুঈনরা তো অল্পতেই তুষ্ট হয়ে যায়। (এত দেয়ার প্রয়োজন কি ছিল?) তখন ‘‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) বললেন, এ ব্যক্তির পিতা ‘উমার ইবনুল খাত্তাব (রাঃ)- এর বন্ধু ছিলেন। আর আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে বলতে শুনেছি যে, কোন ব্যক্তির সর্বোত্তম নেকীর কাজ হচ্ছে তার পিতার বন্ধুর সঙ্গে সহমর্মিতার সম্পর্ক বজায় রাখা। (ই. ফা. ৬২৮২, ই.সে. ৬৩৩১)

حدثني أبو الطاهر، أحمد بن عمرو بن سرح أخبرنا عبد الله بن وهب، أخبرني سعيد بن أبي أيوب، عن الوليد بن أبي الوليد، عن عبد الله بن دينار، عن عبد الله بن عمر، أن رجلا، من الأعراب لقيه بطريق مكة فسلم عليه عبد الله وحمله على حمار كان يركبه وأعطاه عمامة كانت على رأسه فقال ابن دينار فقلنا له أصلحك الله إنهم الأعراب وإنهم يرضون باليسير ‏.‏ فقال عبد الله إن أبا هذا كان ودا لعمر بن الخطاب وإني سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول ‏ "‏ إن أبر البر صلة الولد أهل ود أبيه ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৬৪০৮

حدثني أبو الطاهر، أخبرنا عبد الله بن وهب، أخبرني حيوة بن شريح، عن ابن، الهاد عن عبد الله بن دينار، عن عبد الله بن عمر، أن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ أبر البر أن يصل الرجل ود أبيه ‏"‏ ‏.‏

‘‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ সর্বোত্তম সদ্ব্যবহার হলো পিতার বন্ধুর সাথে সম্পর্ক অক্ষুণ্ন রাখা। (ই. ফা. ৬২৮৩, ই.সে. ৬৩৩২)

‘‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ সর্বোত্তম সদ্ব্যবহার হলো পিতার বন্ধুর সাথে সম্পর্ক অক্ষুণ্ন রাখা। (ই. ফা. ৬২৮৩, ই.সে. ৬৩৩২)

حدثني أبو الطاهر، أخبرنا عبد الله بن وهب، أخبرني حيوة بن شريح، عن ابن، الهاد عن عبد الله بن دينار، عن عبد الله بن عمر، أن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ أبر البر أن يصل الرجل ود أبيه ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৬৪০৯

حدثنا حسن بن علي الحلواني، حدثنا يعقوب بن إبراهيم بن سعد، حدثنا أبي، والليث بن سعد جميعا عن يزيد بن عبد الله بن أسامة بن الهاد، عن عبد الله بن دينار، عن ابن عمر، أنه كان إذا خرج إلى مكة كان له حمار يتروح عليه إذا مل ركوب الراحلة وعمامة يشد بها رأسه فبينا هو يوما على ذلك الحمار إذ مر به أعرابي فقال ألست ابن فلان بن فلان قال بلى ‏.‏ فأعطاه الحمار وقال اركب هذا والعمامة - قال - اشدد بها رأسك ‏.‏ فقال له بعض أصحابه غفر الله لك أعطيت هذا الأعرابي حمارا كنت تروح عليه وعمامة كنت تشد بها رأسك ‏.‏ فقال إني سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول ‏ "‏ إن من أبر البر صلة الرجل أهل ود أبيه بعد أن يولي ‏"‏ ‏.‏ وإن أباه كان صديقا لعمر ‏.‏

ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

যখন তিনি মাক্কা্হ্ অভিমুখে রওনা হতেন তখন তাঁর সাথে একটি গাধা থাকত। উটের সওয়ারীতে ক্লান্ত হয়ে পড়লে ক্ষণিক স্বস্তি লাভের জন্য তাতে আরোহণ করতেন। আর তাঁর সঙ্গে একটি পাগড়ী থাকত, যা দিয়ে তিনি মাথা বেঁধে নিতেন। কোন একসময় তিনি উক্ত গাধায় আরোহণ করে যাচ্ছিলেন, তখন তাঁর পাশ দিয়ে একজন বেদুঈন অতিক্রম করছিল। তিনি তাঁকে জিজ্ঞেস করলেন, তুমি কি অমুক এর পুত্র অমুক নও? সে বলল, হ্যাঁ। তখন তিনি তাকে গাধাটি দিয়ে দিলেন এবং বললেন, এতে আরোহণ কর। তিনি তাঁকে পাগড়ীটিও দান করলেন এবং বললেন, এটি দ্বারা তোমার মাথা বেঁধে নাও। তখন তাঁর সঙ্গীদের কেউ কেউ তাঁকে বললেন, আল্লাহ আপনাকে ক্ষমা করুন। আপনি এ বেদুঈনকে গাধাটি দিয়ে দিলেন, যার উপর আরোহণ করে আপনি স্বস্তি লাভ করতেন এবং পাগড়ীটিও দান করলেন, যার দ্বারা আপনার মাথা বাঁধতেন। তখন তিনি বললেন, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি, সর্বোত্তম সদ্ব্যবহার হলো কোন ব্যক্তির পিতার ইন্তি্কালের পর তার বন্ধু-বান্ধবের সাথে সদ্ব্যবহার বজায় রাখা। আর এ বেদুঈনের পিতা ছিলেন ‘উমার (রাঃ)-এর অন্তরঙ্গ বন্ধু। (ই. ফা. ৬২৮৪, ই.সে. ৬৩৩৩)

ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

যখন তিনি মাক্কা্হ্ অভিমুখে রওনা হতেন তখন তাঁর সাথে একটি গাধা থাকত। উটের সওয়ারীতে ক্লান্ত হয়ে পড়লে ক্ষণিক স্বস্তি লাভের জন্য তাতে আরোহণ করতেন। আর তাঁর সঙ্গে একটি পাগড়ী থাকত, যা দিয়ে তিনি মাথা বেঁধে নিতেন। কোন একসময় তিনি উক্ত গাধায় আরোহণ করে যাচ্ছিলেন, তখন তাঁর পাশ দিয়ে একজন বেদুঈন অতিক্রম করছিল। তিনি তাঁকে জিজ্ঞেস করলেন, তুমি কি অমুক এর পুত্র অমুক নও? সে বলল, হ্যাঁ। তখন তিনি তাকে গাধাটি দিয়ে দিলেন এবং বললেন, এতে আরোহণ কর। তিনি তাঁকে পাগড়ীটিও দান করলেন এবং বললেন, এটি দ্বারা তোমার মাথা বেঁধে নাও। তখন তাঁর সঙ্গীদের কেউ কেউ তাঁকে বললেন, আল্লাহ আপনাকে ক্ষমা করুন। আপনি এ বেদুঈনকে গাধাটি দিয়ে দিলেন, যার উপর আরোহণ করে আপনি স্বস্তি লাভ করতেন এবং পাগড়ীটিও দান করলেন, যার দ্বারা আপনার মাথা বাঁধতেন। তখন তিনি বললেন, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি, সর্বোত্তম সদ্ব্যবহার হলো কোন ব্যক্তির পিতার ইন্তি্কালের পর তার বন্ধু-বান্ধবের সাথে সদ্ব্যবহার বজায় রাখা। আর এ বেদুঈনের পিতা ছিলেন ‘উমার (রাঃ)-এর অন্তরঙ্গ বন্ধু। (ই. ফা. ৬২৮৪, ই.সে. ৬৩৩৩)

حدثنا حسن بن علي الحلواني، حدثنا يعقوب بن إبراهيم بن سعد، حدثنا أبي، والليث بن سعد جميعا عن يزيد بن عبد الله بن أسامة بن الهاد، عن عبد الله بن دينار، عن ابن عمر، أنه كان إذا خرج إلى مكة كان له حمار يتروح عليه إذا مل ركوب الراحلة وعمامة يشد بها رأسه فبينا هو يوما على ذلك الحمار إذ مر به أعرابي فقال ألست ابن فلان بن فلان قال بلى ‏.‏ فأعطاه الحمار وقال اركب هذا والعمامة - قال - اشدد بها رأسك ‏.‏ فقال له بعض أصحابه غفر الله لك أعطيت هذا الأعرابي حمارا كنت تروح عليه وعمامة كنت تشد بها رأسك ‏.‏ فقال إني سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول ‏ "‏ إن من أبر البر صلة الرجل أهل ود أبيه بعد أن يولي ‏"‏ ‏.‏ وإن أباه كان صديقا لعمر ‏.‏


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00