সহিহ মুসলিম > উওয়াইস আল কারানী (রাঃ)-এর ফযিলত
সহিহ মুসলিম ৬৩৮৫
حدثنا زهير بن حرب، ومحمد بن المثنى، قالا حدثنا عفان بن مسلم، حدثنا حماد، - وهو ابن سلمة - عن سعيد الجريري، بهذا الإسناد عن عمر بن الخطاب، قال إني سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " إن خير التابعين رجل يقال له أويس وله والدة وكان به بياض فمروه فليستغفر لكم " .
উমার ইবনুল খাত্তাব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি যে, অবশ্যই তাবি’ঈনদের মধ্যে সে লোক শ্রেষ্ঠ যে ‘উওয়াইস’ নামে খ্যাত। তাঁর একমাত্র মা আছেন এবং তাঁর কুষ্ঠরোগ হয়েছিল। তোমরা তাঁর নিকট অনুরোধ করবে যেন সে তোমাদের মাগফিরাতের জন্য দু’আ কামনা করবে। (ই.ফা. ৬২৬০, ই.সে. ৬৩০৯)
উমার ইবনুল খাত্তাব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি যে, অবশ্যই তাবি’ঈনদের মধ্যে সে লোক শ্রেষ্ঠ যে ‘উওয়াইস’ নামে খ্যাত। তাঁর একমাত্র মা আছেন এবং তাঁর কুষ্ঠরোগ হয়েছিল। তোমরা তাঁর নিকট অনুরোধ করবে যেন সে তোমাদের মাগফিরাতের জন্য দু’আ কামনা করবে। (ই.ফা. ৬২৬০, ই.সে. ৬৩০৯)
حدثنا زهير بن حرب، ومحمد بن المثنى، قالا حدثنا عفان بن مسلم، حدثنا حماد، - وهو ابن سلمة - عن سعيد الجريري، بهذا الإسناد عن عمر بن الخطاب، قال إني سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " إن خير التابعين رجل يقال له أويس وله والدة وكان به بياض فمروه فليستغفر لكم " .
সহিহ মুসলিম ৬৩৮৪
حدثني زهير بن حرب، حدثنا هاشم بن القاسم، حدثنا سليمان بن المغيرة، حدثني سعيد الجريري، عن أبي نضرة، عن أسير بن جابر، أن أهل الكوفة، وفدوا، إلى عمر وفيهم رجل ممن كان يسخر بأويس فقال عمر هل ها هنا أحد من القرنيين فجاء ذلك الرجل فقال عمر إن رسول الله صلى الله عليه وسلم قد قال " إن رجلا يأتيكم من اليمن يقال له أويس لا يدع باليمن غير أم له قد كان به بياض فدعا الله فأذهبه عنه إلا موضع الدينار أو الدرهم فمن لقيه منكم فليستغفر لكم " .
উসায়র ইবনু জাবির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
কূফার একটি প্রতিনিধি দল ‘উমার (রাঃ)-এর কাছে আগমন করলো। তাঁদের মধ্যে এমন এক ব্যক্তিও ছিল, যে উওয়াইস (রাঃ)-কে ঠাট্টা-বিদ্রূপ করত। তখন ‘উমার (রাঃ) বললেন, এখানে কারানী গোষ্ঠীর কোন ব্যক্তি আছে কি? তখন সে লোকটি আসলো। এরপর ‘উমার (রাঃ) বললেন, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমাদের নিকট ইয়ামান থেকে এক ব্যক্তি আগমন করবে, যে ‘উওয়াইস’ নামে খ্যাত। ইয়ামানে তাঁর মা ছাড়া আর কেউ থাকবে না। তার কুষ্ঠরোগ হয়েছিল। সে আল্লাহর নিকট দু’আ করার পরিবর্তে আল্লাহ তাকে কুষ্ঠরোগ দূর করে দেন। কিন্তু কেবল মাত্র এক দীনার কিংবা এক দিরহাম পরিমাণ জায়গা অবশিষ্ট থাকে। তোমাদের মাঝখান থেকে কেউ যদি তাঁর দেখা পায় সে যেন নিজের জন্য তাঁর নিকট মাগফিরাতের দু’আ প্রার্থনা করে। (ই.ফা. ৬২৫৯, ই.সে. ৬৩০৮)
উসায়র ইবনু জাবির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
কূফার একটি প্রতিনিধি দল ‘উমার (রাঃ)-এর কাছে আগমন করলো। তাঁদের মধ্যে এমন এক ব্যক্তিও ছিল, যে উওয়াইস (রাঃ)-কে ঠাট্টা-বিদ্রূপ করত। তখন ‘উমার (রাঃ) বললেন, এখানে কারানী গোষ্ঠীর কোন ব্যক্তি আছে কি? তখন সে লোকটি আসলো। এরপর ‘উমার (রাঃ) বললেন, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমাদের নিকট ইয়ামান থেকে এক ব্যক্তি আগমন করবে, যে ‘উওয়াইস’ নামে খ্যাত। ইয়ামানে তাঁর মা ছাড়া আর কেউ থাকবে না। তার কুষ্ঠরোগ হয়েছিল। সে আল্লাহর নিকট দু’আ করার পরিবর্তে আল্লাহ তাকে কুষ্ঠরোগ দূর করে দেন। কিন্তু কেবল মাত্র এক দীনার কিংবা এক দিরহাম পরিমাণ জায়গা অবশিষ্ট থাকে। তোমাদের মাঝখান থেকে কেউ যদি তাঁর দেখা পায় সে যেন নিজের জন্য তাঁর নিকট মাগফিরাতের দু’আ প্রার্থনা করে। (ই.ফা. ৬২৫৯, ই.সে. ৬৩০৮)
حدثني زهير بن حرب، حدثنا هاشم بن القاسم، حدثنا سليمان بن المغيرة، حدثني سعيد الجريري، عن أبي نضرة، عن أسير بن جابر، أن أهل الكوفة، وفدوا، إلى عمر وفيهم رجل ممن كان يسخر بأويس فقال عمر هل ها هنا أحد من القرنيين فجاء ذلك الرجل فقال عمر إن رسول الله صلى الله عليه وسلم قد قال " إن رجلا يأتيكم من اليمن يقال له أويس لا يدع باليمن غير أم له قد كان به بياض فدعا الله فأذهبه عنه إلا موضع الدينار أو الدرهم فمن لقيه منكم فليستغفر لكم " .
সহিহ মুসলিম ৬৩৮৬
حدثنا إسحاق بن إبراهيم الحنظلي، ومحمد بن المثنى، ومحمد بن بشار، - قال إسحاق أخبرنا وقال الآخران، حدثنا - واللفظ، لابن المثنى - حدثنا معاذ بن هشام، حدثني أبي، عن قتادة، عن زرارة بن أوفى، عن أسير بن جابر، قال كان عمر بن الخطاب إذا أتى عليه أمداد أهل اليمن سألهم أفيكم أويس بن عامر حتى أتى على أويس فقال أنت أويس بن عامر قال نعم . قال من مراد ثم من قرن قال نعم . قال فكان بك برص فبرأت منه إلا موضع درهم قال نعم . قال لك والدة قال نعم . قال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " يأتي عليكم أويس بن عامر مع أمداد أهل اليمن من مراد ثم من قرن كان به برص فبرأ منه إلا موضع درهم له والدة هو بها بر لو أقسم على الله لأبره فإن استطعت أن يستغفر لك فافعل " . فاستغفر لي . فاستغفر له . فقال له عمر أين تريد قال الكوفة . قال ألا أكتب لك إلى عاملها قال أكون في غبراء الناس أحب إلى . قال فلما كان من العام المقبل حج رجل من أشرافهم فوافق عمر فسأله عن أويس قال تركته رث البيت قليل المتاع . قال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " يأتي عليكم أويس بن عامر مع أمداد أهل اليمن من مراد ثم من قرن كان به برص فبرأ منه إلا موضع درهم له والدة هو بها بر لو أقسم على الله لأبره فإن استطعت أن يستغفر لك فافعل " . فأتى أويسا فقال استغفر لي . قال أنت أحدث عهدا بسفر صالح فاستغفر لي . قال استغفر لي . قال أنت أحدث عهدا بسفر صالح فاستغفر لي . قال لقيت عمر قال نعم . فاستغفر له . ففطن له الناس فانطلق على وجهه . قال أسير وكسوته بردة فكان كلما رآه إنسان قال من أين لأويس هذه البردة
উসায়র ইবনু জাবির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, ‘উমার ইবনুল খাত্তাব (রাঃ)-এর অভ্যাস ছিল, যখন ইয়ামানের কোন সাহায্যকারী ফৌজ তাঁর নিকট আসত তখন তিনি তাঁদের প্রশ্ন করতেন, তোমাদের মাঝে কি উওয়াইস ইবনু আমির রয়েছে? পরিশেষে তিনি উওয়াইসকে পান। তখন তিনি বললেন, তুমি কি উওয়াইস ইবনু ‘আমির? তিনি বললেন, হ্যাঁ। তিনি প্রশ্ন করলেন, মুরাদ গোষ্ঠীর কারান কাওমের? তিনি বললেন, হ্যাঁ। জানতে চাইলেন, তোমার কি কুষ্ঠরোগ হয়েছিল এবং তা নিরাময় হয়েছে, শুধুমাত্র এক দিরহাম জায়গা ছাড়া? তিনি বললেন, হ্যাঁ। প্রশ্ন করলেন, তোমার মা আছেন কি? তিনি বললেন, হ্যাঁ। তখন ‘উমার (রাঃ) বললেন, আমি রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি, তিনি বলেছেনঃ “তোমাদের নিকট মুরাদ গোষ্ঠীর কারান বংশের উওয়াইস ইবনু ‘আমির ইয়ামানের সাহায্যকারী দলের সাথে আসবে। তাঁর কুষ্ঠরোগ ছিল। পরে তিনি সুস্থ হয়ে গেছেন। কেবলমাত্র এক দিরহাম ব্যতীত। তাঁর মা রয়েছেন। সে তাঁর প্রতি অতি সেবাপরায়ণ। এমন লোক আল্লাহর উপর শপথ করে নিলে আল্লাহ তা পূর্ণ করে দেন। সুতরাং তুমি যদি তোমার জন্য তাঁর নিকট মাফফিরাতের দু’আ প্রার্থনার সুযোগ পাও তাহলে তা করবে।” কাজেই আপনি আমার জন্য মাগফিরাতের দু’আ কামনা করুন। তখন উওয়াইস (রাঃ) তাঁর মাগফিরাতের জন্য দু’আ প্রার্থনা করলেন। তারপর ‘উমার (রাঃ) তাকে বললেন, তুমি কোথায় যেতে চাও? তিনি বললেন, কুফাহ্ অঞ্চলে। ‘উমার (রাঃ) বললেন, আমি কি তোমার জন্য কূফার প্রশাসকের নিকট চিঠি লিখে দিব? তিনি বললেন, আমি বিনীত ও দারিদ্র-পীড়িত লোকদের মধ্যে অবস্থান করাই পছন্দ করি। রাবী বলেন, পরবর্তী বছরে তাঁদের অভিজাত লোকেদের মাঝে এক লোক হাজ্জ করতে আসলো এবং ‘উমার (রাঃ)-এর সাথে তাঁর দেখা হলো। তখন তিনি তাকে উওয়াইস কারানী (রাঃ)-এর অবস্থা সম্বন্ধে প্রশ্ন করলেন। সে বলল, আমি তাঁকে নিঃস্ব দরিদ্র অবস্থায় রেখে এসেছি। তিনি বললেন, আমি রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি যে, তিনি বলেছেনঃ তোমাদের নিকট কারান বংশের মুরাদ গোত্রের উওয়াইস ইবনু ‘আমির (রাঃ) ইয়ামানের একদল সাহায্যকারীদের সাথে আসবে। তাঁর ছিল কুষ্ঠরোগ। সে তা থেকে নিরাময় লাভ করে, এক দিরহাম জায়গা ছাড়া। তাঁর মা আছেন, সে তাঁর প্রতি অতি সেবাপরায়ণ। সে যদি আল্লাহর নামে শপথ করে তাহলে আল্লাহ তা’আলা তা পূরণ করে দেন। তোমরা নিজের জন্য তাঁর নিকট মাগফিরাত-এর দু’আ কামনা করুন। তিনি বললেন, আপনি তো নেক সফর থেকে সবেমাত্র এসেছেন। কাজেই আপনি আমার জন্য মাগফিরাতের দু’আ প্রার্থনা করুন। সে লোক বলল, আপনি আমার জন্য মাগফিরাতের দু’আ কামনা করুন। উওয়াইস (রাঃ) বললেন, আপনি সদ্য নেক সফর থেকে এসেছেন, আপনি আমার মাগফিরাতের জন্য দু’আ করুন। অতঃপর তিনি প্রশ্ন করলেন, আপনি কি ‘উমার (রাঃ)-এর দেখা পেয়েছেন? সে বলল, হ্যাঁ। তখন তিনি তাঁর জন্য মাগফিরাতের দু’আ কামনা করলেন। তখন লোকেরা তাঁর মর্যাদা সম্বন্ধে অবগত হলেন। এরপর তিনি তাঁর সামনে চললেন। উসায়র বলেন, আমি তাঁকে একটি ডোরাদার চাদর পরিয়ে দিলাম। অতঃপর কোন লোক যখন তাঁকে দেখতো তখন জানতে চাইতো, উওয়াইসের নিকট এ চাদরটি কোত্থেকে আসলো? (ই.ফা.৬২৬১, ই.সে. ৬৩১০)
উসায়র ইবনু জাবির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, ‘উমার ইবনুল খাত্তাব (রাঃ)-এর অভ্যাস ছিল, যখন ইয়ামানের কোন সাহায্যকারী ফৌজ তাঁর নিকট আসত তখন তিনি তাঁদের প্রশ্ন করতেন, তোমাদের মাঝে কি উওয়াইস ইবনু আমির রয়েছে? পরিশেষে তিনি উওয়াইসকে পান। তখন তিনি বললেন, তুমি কি উওয়াইস ইবনু ‘আমির? তিনি বললেন, হ্যাঁ। তিনি প্রশ্ন করলেন, মুরাদ গোষ্ঠীর কারান কাওমের? তিনি বললেন, হ্যাঁ। জানতে চাইলেন, তোমার কি কুষ্ঠরোগ হয়েছিল এবং তা নিরাময় হয়েছে, শুধুমাত্র এক দিরহাম জায়গা ছাড়া? তিনি বললেন, হ্যাঁ। প্রশ্ন করলেন, তোমার মা আছেন কি? তিনি বললেন, হ্যাঁ। তখন ‘উমার (রাঃ) বললেন, আমি রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি, তিনি বলেছেনঃ “তোমাদের নিকট মুরাদ গোষ্ঠীর কারান বংশের উওয়াইস ইবনু ‘আমির ইয়ামানের সাহায্যকারী দলের সাথে আসবে। তাঁর কুষ্ঠরোগ ছিল। পরে তিনি সুস্থ হয়ে গেছেন। কেবলমাত্র এক দিরহাম ব্যতীত। তাঁর মা রয়েছেন। সে তাঁর প্রতি অতি সেবাপরায়ণ। এমন লোক আল্লাহর উপর শপথ করে নিলে আল্লাহ তা পূর্ণ করে দেন। সুতরাং তুমি যদি তোমার জন্য তাঁর নিকট মাফফিরাতের দু’আ প্রার্থনার সুযোগ পাও তাহলে তা করবে।” কাজেই আপনি আমার জন্য মাগফিরাতের দু’আ কামনা করুন। তখন উওয়াইস (রাঃ) তাঁর মাগফিরাতের জন্য দু’আ প্রার্থনা করলেন। তারপর ‘উমার (রাঃ) তাকে বললেন, তুমি কোথায় যেতে চাও? তিনি বললেন, কুফাহ্ অঞ্চলে। ‘উমার (রাঃ) বললেন, আমি কি তোমার জন্য কূফার প্রশাসকের নিকট চিঠি লিখে দিব? তিনি বললেন, আমি বিনীত ও দারিদ্র-পীড়িত লোকদের মধ্যে অবস্থান করাই পছন্দ করি। রাবী বলেন, পরবর্তী বছরে তাঁদের অভিজাত লোকেদের মাঝে এক লোক হাজ্জ করতে আসলো এবং ‘উমার (রাঃ)-এর সাথে তাঁর দেখা হলো। তখন তিনি তাকে উওয়াইস কারানী (রাঃ)-এর অবস্থা সম্বন্ধে প্রশ্ন করলেন। সে বলল, আমি তাঁকে নিঃস্ব দরিদ্র অবস্থায় রেখে এসেছি। তিনি বললেন, আমি রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি যে, তিনি বলেছেনঃ তোমাদের নিকট কারান বংশের মুরাদ গোত্রের উওয়াইস ইবনু ‘আমির (রাঃ) ইয়ামানের একদল সাহায্যকারীদের সাথে আসবে। তাঁর ছিল কুষ্ঠরোগ। সে তা থেকে নিরাময় লাভ করে, এক দিরহাম জায়গা ছাড়া। তাঁর মা আছেন, সে তাঁর প্রতি অতি সেবাপরায়ণ। সে যদি আল্লাহর নামে শপথ করে তাহলে আল্লাহ তা’আলা তা পূরণ করে দেন। তোমরা নিজের জন্য তাঁর নিকট মাগফিরাত-এর দু’আ কামনা করুন। তিনি বললেন, আপনি তো নেক সফর থেকে সবেমাত্র এসেছেন। কাজেই আপনি আমার জন্য মাগফিরাতের দু’আ প্রার্থনা করুন। সে লোক বলল, আপনি আমার জন্য মাগফিরাতের দু’আ কামনা করুন। উওয়াইস (রাঃ) বললেন, আপনি সদ্য নেক সফর থেকে এসেছেন, আপনি আমার মাগফিরাতের জন্য দু’আ করুন। অতঃপর তিনি প্রশ্ন করলেন, আপনি কি ‘উমার (রাঃ)-এর দেখা পেয়েছেন? সে বলল, হ্যাঁ। তখন তিনি তাঁর জন্য মাগফিরাতের দু’আ কামনা করলেন। তখন লোকেরা তাঁর মর্যাদা সম্বন্ধে অবগত হলেন। এরপর তিনি তাঁর সামনে চললেন। উসায়র বলেন, আমি তাঁকে একটি ডোরাদার চাদর পরিয়ে দিলাম। অতঃপর কোন লোক যখন তাঁকে দেখতো তখন জানতে চাইতো, উওয়াইসের নিকট এ চাদরটি কোত্থেকে আসলো? (ই.ফা.৬২৬১, ই.সে. ৬৩১০)
حدثنا إسحاق بن إبراهيم الحنظلي، ومحمد بن المثنى، ومحمد بن بشار، - قال إسحاق أخبرنا وقال الآخران، حدثنا - واللفظ، لابن المثنى - حدثنا معاذ بن هشام، حدثني أبي، عن قتادة، عن زرارة بن أوفى، عن أسير بن جابر، قال كان عمر بن الخطاب إذا أتى عليه أمداد أهل اليمن سألهم أفيكم أويس بن عامر حتى أتى على أويس فقال أنت أويس بن عامر قال نعم . قال من مراد ثم من قرن قال نعم . قال فكان بك برص فبرأت منه إلا موضع درهم قال نعم . قال لك والدة قال نعم . قال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " يأتي عليكم أويس بن عامر مع أمداد أهل اليمن من مراد ثم من قرن كان به برص فبرأ منه إلا موضع درهم له والدة هو بها بر لو أقسم على الله لأبره فإن استطعت أن يستغفر لك فافعل " . فاستغفر لي . فاستغفر له . فقال له عمر أين تريد قال الكوفة . قال ألا أكتب لك إلى عاملها قال أكون في غبراء الناس أحب إلى . قال فلما كان من العام المقبل حج رجل من أشرافهم فوافق عمر فسأله عن أويس قال تركته رث البيت قليل المتاع . قال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " يأتي عليكم أويس بن عامر مع أمداد أهل اليمن من مراد ثم من قرن كان به برص فبرأ منه إلا موضع درهم له والدة هو بها بر لو أقسم على الله لأبره فإن استطعت أن يستغفر لك فافعل " . فأتى أويسا فقال استغفر لي . قال أنت أحدث عهدا بسفر صالح فاستغفر لي . قال استغفر لي . قال أنت أحدث عهدا بسفر صالح فاستغفر لي . قال لقيت عمر قال نعم . فاستغفر له . ففطن له الناس فانطلق على وجهه . قال أسير وكسوته بردة فكان كلما رآه إنسان قال من أين لأويس هذه البردة
সহিহ মুসলিম > মিসরবাসীদের জন্য নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর ওয়াসীয়াত
সহিহ মুসলিম ৬৩৮৭
حدثني أبو الطاهر، أخبرنا ابن وهب، أخبرني حرملة، ح وحدثني هارون بن، سعيد الأيلي حدثنا ابن وهب، حدثني حرملة، - وهو ابن عمران التجيبي - عن عبد الرحمن، بن شماسة المهري قال سمعت أبا ذر، يقول قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " إنكم ستفتحون أرضا يذكر فيها القيراط فاستوصوا بأهلها خيرا فإن لهم ذمة ورحما فإذا رأيتم رجلين يقتتلان في موضع لبنة فاخرج منها " . قال فمر بربيعة وعبد الرحمن ابنى شرحبيل بن حسنة يتنازعان في موضع لبنة فخرج منها .
আবূ যার গিফারী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ শীঘ্রই তোমরা এমন একটি ভূখণ্ড বিজয় লাভ করবে, সেখানে কীরাতের (দিরহাম বা দীনারের অংশবিশেষ) প্রচলন আছে। তোমরা সেখানকার অধিবাসীদের সঙ্গে সদাচরণ করবে। কেননা তোমাদের উপর তাদের প্রতি আছে যিম্মাদারী এবং আত্মীয়তা। তোমরা যদি সেখানে দু’ লোককে একটি ইটের জায়গার ব্যাপারে বিবাদ করতে দেখো তাহলে সেখান থেকে চলে আসবে। রাবী বলেন, তারপর সুরাহ্বীল ইবনু হাসানার পুত্রদ্বয় রাবী’আহ্ ও ‘আবদুর রহ্মানের কাছ দিয়ে যাওয়ার সময় একটি ইটের স্থান নিয়ে বিবাদ করতে দেখলেন। তিনি তখন সেখান থেকে চলে আসলেন। (ই.ফা. ৬২৬২, ই.সে. ৬৩১১)
আবূ যার গিফারী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ শীঘ্রই তোমরা এমন একটি ভূখণ্ড বিজয় লাভ করবে, সেখানে কীরাতের (দিরহাম বা দীনারের অংশবিশেষ) প্রচলন আছে। তোমরা সেখানকার অধিবাসীদের সঙ্গে সদাচরণ করবে। কেননা তোমাদের উপর তাদের প্রতি আছে যিম্মাদারী এবং আত্মীয়তা। তোমরা যদি সেখানে দু’ লোককে একটি ইটের জায়গার ব্যাপারে বিবাদ করতে দেখো তাহলে সেখান থেকে চলে আসবে। রাবী বলেন, তারপর সুরাহ্বীল ইবনু হাসানার পুত্রদ্বয় রাবী’আহ্ ও ‘আবদুর রহ্মানের কাছ দিয়ে যাওয়ার সময় একটি ইটের স্থান নিয়ে বিবাদ করতে দেখলেন। তিনি তখন সেখান থেকে চলে আসলেন। (ই.ফা. ৬২৬২, ই.সে. ৬৩১১)
حدثني أبو الطاهر، أخبرنا ابن وهب، أخبرني حرملة، ح وحدثني هارون بن، سعيد الأيلي حدثنا ابن وهب، حدثني حرملة، - وهو ابن عمران التجيبي - عن عبد الرحمن، بن شماسة المهري قال سمعت أبا ذر، يقول قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " إنكم ستفتحون أرضا يذكر فيها القيراط فاستوصوا بأهلها خيرا فإن لهم ذمة ورحما فإذا رأيتم رجلين يقتتلان في موضع لبنة فاخرج منها " . قال فمر بربيعة وعبد الرحمن ابنى شرحبيل بن حسنة يتنازعان في موضع لبنة فخرج منها .
সহিহ মুসলিম ৬৩৮৮
حدثني زهير بن حرب، وعبيد الله بن سعيد، قالا حدثنا وهب بن جرير، حدثنا أبي، سمعت حرملة المصري، يحدث عن عبد الرحمن بن شماسة، عن أبي بصرة، عن أبي، ذر قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " إنكم ستفتحون مصر وهي أرض يسمى فيها القيراط فإذا فتحتموها فأحسنوا إلى أهلها فإن لهم ذمة ورحما " . أو قال " ذمة وصهرا فإذا رأيت رجلين يختصمان فيها في موضع لبنة فاخرج منها " . قال فرأيت عبد الرحمن بن شرحبيل بن حسنة وأخاه ربيعة يختصمان في موضع لبنة فخرجت منها .
আবূ যার গিফারী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ শীঘ্রই তোমরা মিশর বিজয় লাভ করবে। সেটা এমন একটি দেশ, যেখানে ‘কীরাত’ নামে মুদ্রা খ্যাত। তোমরা যখন সে দেশ বিজয় লাভ করবে তখন সেখানকার অধিবাসীদের সাথে উত্তম ব্যবহার করবে। কারণ তাদের জন্য দায়িত্ব ও আত্মীয়তার সম্পর্ক বিদ্যমান রয়েছে। কিংবা তিনি বলেছেনঃ যিম্মাদারী ও বৈবাহিক সম্পর্ক রয়েছে। তোমরা যখন সেখানে দু’ লোককে একটি ইটের স্থান নিয়ে বিবাদ করতে দেখবে তখন সেখান থেকে চলে আসবে। আবূ যার (রাঃ) বলেন, তারপর আমি যখন ‘আবদুর রহ্মান ইবনু শুরাহ্বীল ইবনু হাসান ও তাঁর ভাই রাবী’আকে একটি ইটের স্থান নিয়ে ঝগড়া-বিবাদ করতে দেখলাম তখন আমি সেখান থেকে চলে আসলাম। (ই.ফা. ৬২৬৩, ই.সে. ৬৩১২)
আবূ যার গিফারী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ শীঘ্রই তোমরা মিশর বিজয় লাভ করবে। সেটা এমন একটি দেশ, যেখানে ‘কীরাত’ নামে মুদ্রা খ্যাত। তোমরা যখন সে দেশ বিজয় লাভ করবে তখন সেখানকার অধিবাসীদের সাথে উত্তম ব্যবহার করবে। কারণ তাদের জন্য দায়িত্ব ও আত্মীয়তার সম্পর্ক বিদ্যমান রয়েছে। কিংবা তিনি বলেছেনঃ যিম্মাদারী ও বৈবাহিক সম্পর্ক রয়েছে। তোমরা যখন সেখানে দু’ লোককে একটি ইটের স্থান নিয়ে বিবাদ করতে দেখবে তখন সেখান থেকে চলে আসবে। আবূ যার (রাঃ) বলেন, তারপর আমি যখন ‘আবদুর রহ্মান ইবনু শুরাহ্বীল ইবনু হাসান ও তাঁর ভাই রাবী’আকে একটি ইটের স্থান নিয়ে ঝগড়া-বিবাদ করতে দেখলাম তখন আমি সেখান থেকে চলে আসলাম। (ই.ফা. ৬২৬৩, ই.সে. ৬৩১২)
حدثني زهير بن حرب، وعبيد الله بن سعيد، قالا حدثنا وهب بن جرير، حدثنا أبي، سمعت حرملة المصري، يحدث عن عبد الرحمن بن شماسة، عن أبي بصرة، عن أبي، ذر قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " إنكم ستفتحون مصر وهي أرض يسمى فيها القيراط فإذا فتحتموها فأحسنوا إلى أهلها فإن لهم ذمة ورحما " . أو قال " ذمة وصهرا فإذا رأيت رجلين يختصمان فيها في موضع لبنة فاخرج منها " . قال فرأيت عبد الرحمن بن شرحبيل بن حسنة وأخاه ربيعة يختصمان في موضع لبنة فخرجت منها .
সহিহ মুসলিম > ‘উমানের (ওমান দেশের) অধিবাসীগণের ফযিলত
সহিহ মুসলিম ৬৩৮৯
حدثنا سعيد بن منصور، حدثنا مهدي بن ميمون، عن أبي الوازع، جابر بن عمرو الراسبي سمعت أبا برزة، يقول بعث رسول الله صلى الله عليه وسلم رجلا إلى حى من أحياء العرب فسبوه وضربوه فجاء إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فأخبره فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " لو أن أهل عمان أتيت ما سبوك ولا ضربوك " .
আবূ বারযাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এক ব্যক্তিকে কোন এক আরব গোত্রের নিকট প্রেরণ করলেন। তারা তাঁকে গালি-গালাজ ও মারধর করল। সে রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এসে তাঁকে কাহিনী বর্ণনা করল। তখন রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তুমি বংশধগণের নিকট যেতে তাহলে তারা তোমাকে গালিও দিত না এবং মারধরও করত না। (ই.ফা. ৬২৬৪, ই.সে. ৬৩১৩)
আবূ বারযাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এক ব্যক্তিকে কোন এক আরব গোত্রের নিকট প্রেরণ করলেন। তারা তাঁকে গালি-গালাজ ও মারধর করল। সে রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এসে তাঁকে কাহিনী বর্ণনা করল। তখন রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তুমি বংশধগণের নিকট যেতে তাহলে তারা তোমাকে গালিও দিত না এবং মারধরও করত না। (ই.ফা. ৬২৬৪, ই.সে. ৬৩১৩)
حدثنا سعيد بن منصور، حدثنا مهدي بن ميمون، عن أبي الوازع، جابر بن عمرو الراسبي سمعت أبا برزة، يقول بعث رسول الله صلى الله عليه وسلم رجلا إلى حى من أحياء العرب فسبوه وضربوه فجاء إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فأخبره فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " لو أن أهل عمان أتيت ما سبوك ولا ضربوك " .
সহিহ মুসলিম > সাকীফ গোত্রের মিথ্যাবাদী ও নির্বিচার হত্যাকারীর বিবরণ
সহিহ মুসলিম ৬৩৯০
حدثنا عقبة بن مكرم العمي، حدثنا يعقوب، - يعني ابن إسحاق الحضرمي - أخبرنا الأسود بن شيبان، عن أبي نوفل، رأيت عبد الله بن الزبير على عقبة المدينة - قال - فجعلت قريش تمر عليه والناس حتى مر عليه عبد الله بن عمر فوقف عليه فقال السلام عليك أبا خبيب السلام عليك أبا خبيب السلام عليك أبا خبيب أما والله لقد كنت أنهاك عن هذا أما والله لقد كنت أنهاك عن هذا أما والله لقد كنت أنهاك عن هذا أما والله إن كنت ما علمت صواما قواما وصولا للرحم أما والله لأمة أنت أشرها لأمة خير . ثم نفذ عبد الله بن عمر فبلغ الحجاج موقف عبد الله وقوله فأرسل إليه فأنزل عن جذعه فألقي في قبور اليهود ثم أرسل إلى أمه أسماء بنت أبي بكر فأبت أن تأتيه فأعاد عليها الرسول لتأتيني أو لأبعثن إليك من يسحبك بقرونك - قال - فأبت وقالت والله لا آتيك حتى تبعث إلى من يسحبني بقروني - قال - فقال أروني سبتى . فأخذ نعليه ثم انطلق يتوذف حتى دخل عليها فقال كيف رأيتني صنعت بعدو الله قالت رأيتك أفسدت عليه دنياه وأفسد عليك آخرتك بلغني أنك تقول له يا ابن ذات النطاقين أنا والله ذات النطاقين أما أحدهما فكنت أرفع به طعام رسول الله صلى الله عليه وسلم وطعام أبي بكر من الدواب وأما الآخر فنطاق المرأة التي لا تستغني عنه أما إن رسول الله صلى الله عليه وسلم حدثنا " أن في ثقيف كذابا ومبيرا " . فأما الكذاب فرأيناه وأما المبير فلا إخالك إلا إياه - قال - فقام عنها ولم يراجعها .
আবূ নাওফিল (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আমি (মাক্কায়) ‘উকবাতুল মাদীনাহ্ নামে ঘাঁটিতে ‘আবদুল্লাহ ইবনু যুবায়র (রাঃ)-কে (শুলীকাষ্ঠে ঝুলতে) দেখতে পেলাম। রাবী বলেন, তখন অন্যান্য লোকজন তাঁর কাছ দিয়ে যাচ্ছিল। পরিশেষ ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) তাঁর কাছ দিয়ে যাওয়াকালে বললেন, আস্সালামু ‘আলাইকা ইয়া আবূ খুবায়ব! আস্সালামু ‘আলাইকা ইয়া আবূ খুবায়ব! আস্সালামু ‘আলাইকা ইয়া আবূ খুবায়ব! আল্লাহ্র শপথ! আমি অবশ্য আপনাকে এ থেকে বিরত থাকতে বলেছিলাম। আল্লাহ্র শপথ! আমি অবশ্য আপনাকে এ থেকে নিষেধ করছিলাম, আমি অবশ্য আপনাকে এ থেকে নিষেধ করছিলাম। আল্লাহ্র শপথ! আমি যদ্দুর জানি আপনি ছিলেন সর্বাধিক সিয়াম পালনকারী, সর্বাধিক সলাত আদায়কারী এবং আত্মীয়তার সম্পর্ক সম্মিলনকারী। আল্লাহর শপথ, শ্রেষ্ঠ উম্মাতের দৃষ্টিতে আজ আপনি (আপনার মতো মহৎ ব্যক্তিত্ব) নিকৃষ্ট মানুষে গণ্য হয়েছেন। তারপর ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) সেখান হতে প্রত্যাবর্তন করলেন। ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ)-এর এ অবস্থান (থামা) ও তাঁর বক্তব্য হাজ্জাজের নিকট পৌঁছল। তখন সে ‘আবদুল্লাহ ইবনু যুবায়রের নিকট লোক প্রেরণ করল এবং তাঁকে শূলীর উপর থেকে নামানো হলো। তারপর ইয়াহূদীদের কবরস্থানে তাঁকে নিক্ষিপ্ত করা হলো। তারপর সে তাঁর মা আসমা বিন্ত আবূ বকর (রাঃ)-কে ডেকে নেয়ার জন্য দূত পাঠায়। তিনি তাঁর নিকট আসতে অস্বীকৃতি জানালেন। হাজ্জাজ আবার তাঁর নিকট লোক পাঠাল তাঁকে তাঁর নিকট আসার জন্য এই বলে যে, তোমাকে অবশ্যই আসতে হবে। অন্যথায় তোমার নিকট এমন লোক পাঠাব যে, তোমাকে চুল ধরে টেনে নিয়ে আসবে। রাবী বললেন, এরপরও তিনি অস্বীকৃতি জানালেন এবং বললেন, আল্লাহর শপথ! আমি সে পর্যন্ত তোমার নিকট আসব না যতক্ষণ না তুমি আমার নিকট এমন লোক পাঠাবে যে, আমার চুলে ধরে টেনে নিয়ে আসবে। রাবী বলেন, তারপর হাজ্জাজ বলেন, আমার জুতা নাও। তারপর সে জুতা পরল এবং সদর্পে আসমা বিন্ত আবূ বকর (রাঃ)-এর নিকট পৌঁছল এবং সে বলল, তুমি তো দেখলে আল্লাহর শত্রুর সাথে আমি কী ব্যবহার করেছি। তিনি বললেন, “হ্যাঁ আমি তোকে দেখছি, তুই তাঁর দুনিয়া বরবাদ করে দিয়েছিস। আর সে তোর আখিরাত নষ্ট করে দিয়েছে। আমি জানতে পেরেছি যে, তুই তাকে (তিরস্কার স্বরূপ) দু’টি কোমরবন্ধনীর ছেলে বলে সম্বোধন করে থাকিস। আল্লাহর শপথ! আমই দু’ কোমরবন্ধ ব্যবহারকারিণী। এর একটির মাঝে আমি রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এবং আবূ বকর (রাঃ)-এর খাদ্যদ্রব্য বেঁধে তুলে রাখতাম যাতে বাহনের পশু থেকে খেয়ে ফেলতে না পারে। অপরটি হলো যা স্ত্রীলোকের জন্য প্রয়োজন। জেনে রাখো, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন যে, সাকীফ সম্প্রদায়ে এক মিথ্যুকের এবং নরহত্যাকারীর উভ্যুদয় হবে। মিথ্যুককে তো আমরা সকলে দেখেছি, আমি রক্ত প্রবাহকারী তোমাকে ব্যতীত আর কাউকে মনে করছি না।” এ কথা শুনে হাজ্জাজ উঠে দাঁড়াল এবং আসমা (রাঃ)-এর কথার কোন প্রত্যুত্তর করল না। (ই.ফা. ৬২৬৫, ই.সে. ৬৩১৪)
আবূ নাওফিল (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আমি (মাক্কায়) ‘উকবাতুল মাদীনাহ্ নামে ঘাঁটিতে ‘আবদুল্লাহ ইবনু যুবায়র (রাঃ)-কে (শুলীকাষ্ঠে ঝুলতে) দেখতে পেলাম। রাবী বলেন, তখন অন্যান্য লোকজন তাঁর কাছ দিয়ে যাচ্ছিল। পরিশেষ ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) তাঁর কাছ দিয়ে যাওয়াকালে বললেন, আস্সালামু ‘আলাইকা ইয়া আবূ খুবায়ব! আস্সালামু ‘আলাইকা ইয়া আবূ খুবায়ব! আস্সালামু ‘আলাইকা ইয়া আবূ খুবায়ব! আল্লাহ্র শপথ! আমি অবশ্য আপনাকে এ থেকে বিরত থাকতে বলেছিলাম। আল্লাহ্র শপথ! আমি অবশ্য আপনাকে এ থেকে নিষেধ করছিলাম, আমি অবশ্য আপনাকে এ থেকে নিষেধ করছিলাম। আল্লাহ্র শপথ! আমি যদ্দুর জানি আপনি ছিলেন সর্বাধিক সিয়াম পালনকারী, সর্বাধিক সলাত আদায়কারী এবং আত্মীয়তার সম্পর্ক সম্মিলনকারী। আল্লাহর শপথ, শ্রেষ্ঠ উম্মাতের দৃষ্টিতে আজ আপনি (আপনার মতো মহৎ ব্যক্তিত্ব) নিকৃষ্ট মানুষে গণ্য হয়েছেন। তারপর ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) সেখান হতে প্রত্যাবর্তন করলেন। ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ)-এর এ অবস্থান (থামা) ও তাঁর বক্তব্য হাজ্জাজের নিকট পৌঁছল। তখন সে ‘আবদুল্লাহ ইবনু যুবায়রের নিকট লোক প্রেরণ করল এবং তাঁকে শূলীর উপর থেকে নামানো হলো। তারপর ইয়াহূদীদের কবরস্থানে তাঁকে নিক্ষিপ্ত করা হলো। তারপর সে তাঁর মা আসমা বিন্ত আবূ বকর (রাঃ)-কে ডেকে নেয়ার জন্য দূত পাঠায়। তিনি তাঁর নিকট আসতে অস্বীকৃতি জানালেন। হাজ্জাজ আবার তাঁর নিকট লোক পাঠাল তাঁকে তাঁর নিকট আসার জন্য এই বলে যে, তোমাকে অবশ্যই আসতে হবে। অন্যথায় তোমার নিকট এমন লোক পাঠাব যে, তোমাকে চুল ধরে টেনে নিয়ে আসবে। রাবী বললেন, এরপরও তিনি অস্বীকৃতি জানালেন এবং বললেন, আল্লাহর শপথ! আমি সে পর্যন্ত তোমার নিকট আসব না যতক্ষণ না তুমি আমার নিকট এমন লোক পাঠাবে যে, আমার চুলে ধরে টেনে নিয়ে আসবে। রাবী বলেন, তারপর হাজ্জাজ বলেন, আমার জুতা নাও। তারপর সে জুতা পরল এবং সদর্পে আসমা বিন্ত আবূ বকর (রাঃ)-এর নিকট পৌঁছল এবং সে বলল, তুমি তো দেখলে আল্লাহর শত্রুর সাথে আমি কী ব্যবহার করেছি। তিনি বললেন, “হ্যাঁ আমি তোকে দেখছি, তুই তাঁর দুনিয়া বরবাদ করে দিয়েছিস। আর সে তোর আখিরাত নষ্ট করে দিয়েছে। আমি জানতে পেরেছি যে, তুই তাকে (তিরস্কার স্বরূপ) দু’টি কোমরবন্ধনীর ছেলে বলে সম্বোধন করে থাকিস। আল্লাহর শপথ! আমই দু’ কোমরবন্ধ ব্যবহারকারিণী। এর একটির মাঝে আমি রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এবং আবূ বকর (রাঃ)-এর খাদ্যদ্রব্য বেঁধে তুলে রাখতাম যাতে বাহনের পশু থেকে খেয়ে ফেলতে না পারে। অপরটি হলো যা স্ত্রীলোকের জন্য প্রয়োজন। জেনে রাখো, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন যে, সাকীফ সম্প্রদায়ে এক মিথ্যুকের এবং নরহত্যাকারীর উভ্যুদয় হবে। মিথ্যুককে তো আমরা সকলে দেখেছি, আমি রক্ত প্রবাহকারী তোমাকে ব্যতীত আর কাউকে মনে করছি না।” এ কথা শুনে হাজ্জাজ উঠে দাঁড়াল এবং আসমা (রাঃ)-এর কথার কোন প্রত্যুত্তর করল না। (ই.ফা. ৬২৬৫, ই.সে. ৬৩১৪)
حدثنا عقبة بن مكرم العمي، حدثنا يعقوب، - يعني ابن إسحاق الحضرمي - أخبرنا الأسود بن شيبان، عن أبي نوفل، رأيت عبد الله بن الزبير على عقبة المدينة - قال - فجعلت قريش تمر عليه والناس حتى مر عليه عبد الله بن عمر فوقف عليه فقال السلام عليك أبا خبيب السلام عليك أبا خبيب السلام عليك أبا خبيب أما والله لقد كنت أنهاك عن هذا أما والله لقد كنت أنهاك عن هذا أما والله لقد كنت أنهاك عن هذا أما والله إن كنت ما علمت صواما قواما وصولا للرحم أما والله لأمة أنت أشرها لأمة خير . ثم نفذ عبد الله بن عمر فبلغ الحجاج موقف عبد الله وقوله فأرسل إليه فأنزل عن جذعه فألقي في قبور اليهود ثم أرسل إلى أمه أسماء بنت أبي بكر فأبت أن تأتيه فأعاد عليها الرسول لتأتيني أو لأبعثن إليك من يسحبك بقرونك - قال - فأبت وقالت والله لا آتيك حتى تبعث إلى من يسحبني بقروني - قال - فقال أروني سبتى . فأخذ نعليه ثم انطلق يتوذف حتى دخل عليها فقال كيف رأيتني صنعت بعدو الله قالت رأيتك أفسدت عليه دنياه وأفسد عليك آخرتك بلغني أنك تقول له يا ابن ذات النطاقين أنا والله ذات النطاقين أما أحدهما فكنت أرفع به طعام رسول الله صلى الله عليه وسلم وطعام أبي بكر من الدواب وأما الآخر فنطاق المرأة التي لا تستغني عنه أما إن رسول الله صلى الله عليه وسلم حدثنا " أن في ثقيف كذابا ومبيرا " . فأما الكذاب فرأيناه وأما المبير فلا إخالك إلا إياه - قال - فقام عنها ولم يراجعها .