সহিহ মুসলিম > সহাবাহ, তাবিঈ ও তাবি তাব’ঈগণের ফাযীলত

সহিহ মুসলিম ৬৩৬৩

حدثنا قتيبة بن سعيد، وهناد بن السري، قالا حدثنا أبو الأحوص، عن منصور، عن إبراهيم بن يزيد، عن عبيدة السلماني، عن عبد الله، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ خير أمتي القرن الذين يلوني ثم الذين يلونهم ثم الذين يلونهم ثم يجيء قوم تسبق شهادة أحدهم يمينه ويمينه شهادته ‏"‏ ‏.‏ لم يذكر هناد القرن في حديثه وقال قتيبة ‏"‏ ثم يجيء أقوام ‏"‏ ‏.‏

আবদুল্লাহ ইবনু মাসউদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আমার উম্মাতের মাঝে সর্বাধিক উত্তম তারাই আমার যুগের সাথে সংশ্লিষ্ট লোকেরা ( অর্থ্যাৎ সাহাবাগণ)। তারপর তাদের সন্নিকটবর্তী সংযুক্ত যুগের লোক ( অর্থ্যাৎ তাবি’ঈগণ)।। তারপর তাদের সংযুক্ত যুগ ( অর্থ্যাৎ তাবি তাবি‘ঈগণ )। অতঃপর এমন সম্প্রদায়ের উদ্ভব হবে যারা শপথের পূর্বে সাক্ষী দিবে এবং সাক্ষীর পূর্বে শপথ করবে। আর হান্নাদ তার হাদীসে (যুগ বা সময় ) কথাটি বর্ননা করেননি এবং কুতাইবাহ বলেছেন অতঃপর অনেক সম্প্রদায়ের সৃষ্টি হবে। (ই.ফা. ৬২৩৯, ই.স ৬২৮৭)

আবদুল্লাহ ইবনু মাসউদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আমার উম্মাতের মাঝে সর্বাধিক উত্তম তারাই আমার যুগের সাথে সংশ্লিষ্ট লোকেরা ( অর্থ্যাৎ সাহাবাগণ)। তারপর তাদের সন্নিকটবর্তী সংযুক্ত যুগের লোক ( অর্থ্যাৎ তাবি’ঈগণ)।। তারপর তাদের সংযুক্ত যুগ ( অর্থ্যাৎ তাবি তাবি‘ঈগণ )। অতঃপর এমন সম্প্রদায়ের উদ্ভব হবে যারা শপথের পূর্বে সাক্ষী দিবে এবং সাক্ষীর পূর্বে শপথ করবে। আর হান্নাদ তার হাদীসে (যুগ বা সময় ) কথাটি বর্ননা করেননি এবং কুতাইবাহ বলেছেন অতঃপর অনেক সম্প্রদায়ের সৃষ্টি হবে। (ই.ফা. ৬২৩৯, ই.স ৬২৮৭)

حدثنا قتيبة بن سعيد، وهناد بن السري، قالا حدثنا أبو الأحوص، عن منصور، عن إبراهيم بن يزيد، عن عبيدة السلماني، عن عبد الله، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ خير أمتي القرن الذين يلوني ثم الذين يلونهم ثم الذين يلونهم ثم يجيء قوم تسبق شهادة أحدهم يمينه ويمينه شهادته ‏"‏ ‏.‏ لم يذكر هناد القرن في حديثه وقال قتيبة ‏"‏ ثم يجيء أقوام ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৬৩৬৪

حدثنا عثمان بن أبي شيبة، وإسحاق بن إبراهيم الحنظلي، قال إسحاق أخبرنا وقال، عثمان حدثنا جرير، عن منصور، عن إبراهيم، عن عبيدة، عن عبد الله، قال سئل رسول الله صلى الله عليه وسلم أى الناس خير قال ‏ "‏ قرني ثم الذين يلونهم ثم الذين يلونهم ثم يجيء قوم تبدر شهادة أحدهم يمينه وتبدر يمينه شهادته ‏"‏ ‏.‏ قال إبراهيم كانوا ينهوننا ونحن غلمان عن العهد والشهادات ‏.‏

আবদুল্লাহ ইবনু মাস'উদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে প্রশ্ন করা হলো সর্বোত্তম লোক কে? তিনি বললেনঃ আমার যুগের লোক, তারপর তাদের সন্নিকটবর্তী যুগ, তারপর তাদের সন্নিকটবর্তী যুগ। তারপর এমন এক সম্প্রদায়ের সৃষ্টি হবে, যাদের সাক্ষীর পূর্বে শপথ ত্বরান্বিত হবে এবং শপথের পূর্বে সাক্ষী সংঘটিত হবে। ইবরাহীম বলেছেন আমাদের শৈশবে লোকেরা আমাদেরকে শপথ এবং সাক্ষ্য দান হতে বারণ করেছেন। (ই.ফা. ৬২৪০, ই.স ৬২৮৮)

আবদুল্লাহ ইবনু মাস'উদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে প্রশ্ন করা হলো সর্বোত্তম লোক কে? তিনি বললেনঃ আমার যুগের লোক, তারপর তাদের সন্নিকটবর্তী যুগ, তারপর তাদের সন্নিকটবর্তী যুগ। তারপর এমন এক সম্প্রদায়ের সৃষ্টি হবে, যাদের সাক্ষীর পূর্বে শপথ ত্বরান্বিত হবে এবং শপথের পূর্বে সাক্ষী সংঘটিত হবে। ইবরাহীম বলেছেন আমাদের শৈশবে লোকেরা আমাদেরকে শপথ এবং সাক্ষ্য দান হতে বারণ করেছেন। (ই.ফা. ৬২৪০, ই.স ৬২৮৮)

حدثنا عثمان بن أبي شيبة، وإسحاق بن إبراهيم الحنظلي، قال إسحاق أخبرنا وقال، عثمان حدثنا جرير، عن منصور، عن إبراهيم، عن عبيدة، عن عبد الله، قال سئل رسول الله صلى الله عليه وسلم أى الناس خير قال ‏ "‏ قرني ثم الذين يلونهم ثم الذين يلونهم ثم يجيء قوم تبدر شهادة أحدهم يمينه وتبدر يمينه شهادته ‏"‏ ‏.‏ قال إبراهيم كانوا ينهوننا ونحن غلمان عن العهد والشهادات ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৬৩৬৬

وحدثني الحسن بن علي الحلواني، حدثنا أزهر بن سعد السمان، عن ابن عون، عن إبراهيم، عن عبيدة، عن عبد الله، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏"‏ خير الناس قرني ثم الذين يلونهم ثم الذين يلونهم ‏"‏ ‏.‏ فلا أدري في الثالثة أو في الرابعة قال ‏"‏ ثم يتخلف من بعدهم خلف تسبق شهادة أحدهم يمينه ويمينه شهادته ‏"‏ ‏.‏

আব্দুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেছেনঃ সর্বোত্তম লোক আমার যুগের লোক (অর্থ্যাৎ সাহাববীগণ)। তারপর তাদের সাথে সংশ্লিষ্ট অর্থ্যাৎ তা’বিঈগণ। তারপর তাদের সাথে সংশ্লিষ্ট ( অর্থ্যাৎ তাবি তা’বিঈগণ )। তারপর তিনি বলেন তৃতীয় অথবা চতুর্থটি সর্ম্পকে আমি অজ্ঞাত। তিনি (রাবী) বলেন তারপর তাদের পরবর্তীতে এমন লোক আসবে যাদের কেউ কেউ শপথের পূর্বে সাক্ষী দেবে এবং সাক্ষ্যের পূর্বে শপথ করবে।(ই.ফা. ৬২৪২, ই.স ৬২৯০)

আব্দুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেছেনঃ সর্বোত্তম লোক আমার যুগের লোক (অর্থ্যাৎ সাহাববীগণ)। তারপর তাদের সাথে সংশ্লিষ্ট অর্থ্যাৎ তা’বিঈগণ। তারপর তাদের সাথে সংশ্লিষ্ট ( অর্থ্যাৎ তাবি তা’বিঈগণ )। তারপর তিনি বলেন তৃতীয় অথবা চতুর্থটি সর্ম্পকে আমি অজ্ঞাত। তিনি (রাবী) বলেন তারপর তাদের পরবর্তীতে এমন লোক আসবে যাদের কেউ কেউ শপথের পূর্বে সাক্ষী দেবে এবং সাক্ষ্যের পূর্বে শপথ করবে।(ই.ফা. ৬২৪২, ই.স ৬২৯০)

وحدثني الحسن بن علي الحلواني، حدثنا أزهر بن سعد السمان، عن ابن عون، عن إبراهيم، عن عبيدة، عن عبد الله، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏"‏ خير الناس قرني ثم الذين يلونهم ثم الذين يلونهم ‏"‏ ‏.‏ فلا أدري في الثالثة أو في الرابعة قال ‏"‏ ثم يتخلف من بعدهم خلف تسبق شهادة أحدهم يمينه ويمينه شهادته ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৬৩৬৭

حدثني يعقوب بن إبراهيم، حدثنا هشيم، عن أبي بشر، ح وحدثني إسماعيل، بن سالم أخبرنا هشيم، أخبرنا أبو بشر، عن عبد الله بن شقيق، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ خير أمتي القرن الذين بعثت فيهم ثم الذين يلونهم ‏"‏ ‏.‏ والله أعلم أذكر الثالث أم لا قال ‏"‏ ثم يخلف قوم يحبون السمانة يشهدون قبل أن يستشهدوا ‏"‏ ‏.‏

আবু হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন সর্বোত্তম লোক তারা, যাদের মাঝে আমি আদিষ্ট হয়েছি (অর্থ্যাৎ সাহাবাগণ)। তারপর তাদের সাথে সংশ্লিষ্ট লোকজন ( অর্থ্যাৎ তা’বিঈগণ)। আর আল্লাহই সর্বাধিক জ্ঞাত। তারপর তিনি তৃতীয়টি বর্ননা করেছেন কি-না আমার মনে নেই। রাবী বলেন তারপর এমন এক সম্প্রদায়ের উদ্ভব হবে যারা মোটা-সোটা হওয়া পছন্দ করবে এবং সাক্ষ্য দিতে ডাকার আগেই সাক্ষ্য প্রদান করবে।(ই.ফা. ৬২৪৩, ই.স ৬২৯১)

আবু হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন সর্বোত্তম লোক তারা, যাদের মাঝে আমি আদিষ্ট হয়েছি (অর্থ্যাৎ সাহাবাগণ)। তারপর তাদের সাথে সংশ্লিষ্ট লোকজন ( অর্থ্যাৎ তা’বিঈগণ)। আর আল্লাহই সর্বাধিক জ্ঞাত। তারপর তিনি তৃতীয়টি বর্ননা করেছেন কি-না আমার মনে নেই। রাবী বলেন তারপর এমন এক সম্প্রদায়ের উদ্ভব হবে যারা মোটা-সোটা হওয়া পছন্দ করবে এবং সাক্ষ্য দিতে ডাকার আগেই সাক্ষ্য প্রদান করবে।(ই.ফা. ৬২৪৩, ই.স ৬২৯১)

حدثني يعقوب بن إبراهيم، حدثنا هشيم، عن أبي بشر، ح وحدثني إسماعيل، بن سالم أخبرنا هشيم، أخبرنا أبو بشر، عن عبد الله بن شقيق، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ خير أمتي القرن الذين بعثت فيهم ثم الذين يلونهم ‏"‏ ‏.‏ والله أعلم أذكر الثالث أم لا قال ‏"‏ ثم يخلف قوم يحبون السمانة يشهدون قبل أن يستشهدوا ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৬৩৬৯

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، ومحمد بن المثنى، وابن، بشار جميعا عن غندر، قال ابن المثنى حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، سمعت أبا جمرة، حدثني زهدم بن، مضرب سمعت عمران بن حصين، يحدث أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏"‏ إن خيركم قرني ثم الذين يلونهم ثم الذين يلونهم ثم الذين يلونهم ‏"‏ ‏.‏ قال عمران فلا أدري أقال رسول الله صلى الله عليه وسلم بعد قرنه مرتين أو ثلاثة ‏"‏ ثم يكون بعدهم قوم يشهدون ولا يستشهدون ويخونون ولا يتمنون وينذرون ولا يوفون ويظهر فيهم السمن ‏"‏ ‏.‏

ইমরান ইবনু হুসায়ন (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমাদের মাঝে সর্বোত্তম আমার যুগের লোকেরা। তারপর তাদের সন্নিকটবতী যুগ। তারপর তাদের সন্নিকটবতী যুগ। ইরান (রাঃ) বলেন আমি স্মরণে নেই যে রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কি তাঁর যুগের পর দুযুগের নাকি তিন যুগের কথা বলে বর্ননা করেছেন। তারপর তাদের পরবর্তীতে এমন এক জাতির উদ্ভব হবে যারা সাক্ষ্য প্রদান করবে অথচ তাদের নিকট সাক্ষ্য তলব করা হবে না। আর তারা খিয়ানত করতে থাকবে আমানতদারী রক্ষা করবে না। তারা মানৎ করবে কিন্তু তা পূরণ করবে না। আর তাদের দেহে মোটা-সোটা হওয়া প্রকাশ পাবে। (ই.ফা. ৬২৪৫, ই.স ৬২৯৩)

ইমরান ইবনু হুসায়ন (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমাদের মাঝে সর্বোত্তম আমার যুগের লোকেরা। তারপর তাদের সন্নিকটবতী যুগ। তারপর তাদের সন্নিকটবতী যুগ। ইরান (রাঃ) বলেন আমি স্মরণে নেই যে রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কি তাঁর যুগের পর দুযুগের নাকি তিন যুগের কথা বলে বর্ননা করেছেন। তারপর তাদের পরবর্তীতে এমন এক জাতির উদ্ভব হবে যারা সাক্ষ্য প্রদান করবে অথচ তাদের নিকট সাক্ষ্য তলব করা হবে না। আর তারা খিয়ানত করতে থাকবে আমানতদারী রক্ষা করবে না। তারা মানৎ করবে কিন্তু তা পূরণ করবে না। আর তাদের দেহে মোটা-সোটা হওয়া প্রকাশ পাবে। (ই.ফা. ৬২৪৫, ই.স ৬২৯৩)

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، ومحمد بن المثنى، وابن، بشار جميعا عن غندر، قال ابن المثنى حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، سمعت أبا جمرة، حدثني زهدم بن، مضرب سمعت عمران بن حصين، يحدث أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏"‏ إن خيركم قرني ثم الذين يلونهم ثم الذين يلونهم ثم الذين يلونهم ‏"‏ ‏.‏ قال عمران فلا أدري أقال رسول الله صلى الله عليه وسلم بعد قرنه مرتين أو ثلاثة ‏"‏ ثم يكون بعدهم قوم يشهدون ولا يستشهدون ويخونون ولا يتمنون وينذرون ولا يوفون ويظهر فيهم السمن ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৬৩৬২

حدثني سعيد بن يحيى بن سعيد الأموي، حدثنا أبي، حدثنا ابن جريج، عن أبي، الزبير عن جابر، قال زعم أبو سعيد الخدري قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ يأتي على الناس زمان يبعث منهم البعث فيقولون انظروا هل تجدون فيكم أحدا من أصحاب النبي صلى الله عليه وسلم فيوجد الرجل فيفتح لهم به ثم يبعث البعث الثاني فيقولون هل فيهم من رأى أصحاب النبي صلى الله عليه وسلم فيفتح لهم به ثم يبعث البعث الثالث فيقال انظروا هل ترون فيهم من رأى من رأى أصحاب النبي صلى الله عليه وسلم ثم يكون البعث الرابع فيقال انظروا هل ترون فيهم أحدا رأى من رأى أحدا رأى أصحاب النبي صلى الله عليه وسلم فيوجد الرجل فيفتح لهم به ‏"‏ ‏.‏

জাবির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন,আবু সাঈদ খুদরী (রাঃ) বলেন যে, রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ লোজনের উপর এমন সময় আসবে, যখন তাদের মাঝখান থেকে কোন অভিযাত্রী দল পাঠানো হবে। তারপর মানুষেরা কথোপকথন করবে, সন্ধান করো, তোমাদের মাঝে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর সাহাবীগণের কাউকে পাও কি না। তখন কোন একজন সাহাবী পাওয়া যাবে। তারপর তাঁর কারনে তাদের বিজয় অর্জিত হবে। এরপর দ্বিতীয় সেনাদল পাঠানো হবে। তখন মানুষেরা বলবে, তোমাদের মাঝে এমন কোন লোক আছেন কি, যিনি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর সাহাবীদের প্রত্যক্ষ করেছেন? তখন একজন (তাবিঈ)-কে পাওয়া যাবে। এরপর তাদের বিজয় লাভ হবে। তারপর তৃতীয় সেনাদল পাঠানো হবে। তখন প্রশ্ন করা হবে, খোঁজ করে দেখ, তাদের মাঝে তাদের কাউকে দেখতে পাও কি না, যারা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর সাহাবীদের সাহচর্য লাভকারী অর্থাৎ তাবিঈদের অন্তভূক্ত। তারপর চতুর্থ সেনাদল যুদ্ধে অবতীণ হবে। তখন জিজ্ঞেস করা হবে দেখ, তোমরা এদের মাঝে এমন কাউকে পাও কি-না, যারা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর সাহাবীদের সাহচর্য অর্জনকারীদের সাহচর্য লাভ করেছে অর্থাৎ কোন তাবি-তাবিঈকে প্রত্যক্ষ করেছে? তখন এক লোককে পাওয়া যাবে। অতঃপর তার কারণে তাদের বিজয় লাভ করবে। (ই.ফা. ৬২৩৮, ই.স ৬২৮৬)

জাবির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন,আবু সাঈদ খুদরী (রাঃ) বলেন যে, রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ লোজনের উপর এমন সময় আসবে, যখন তাদের মাঝখান থেকে কোন অভিযাত্রী দল পাঠানো হবে। তারপর মানুষেরা কথোপকথন করবে, সন্ধান করো, তোমাদের মাঝে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর সাহাবীগণের কাউকে পাও কি না। তখন কোন একজন সাহাবী পাওয়া যাবে। তারপর তাঁর কারনে তাদের বিজয় অর্জিত হবে। এরপর দ্বিতীয় সেনাদল পাঠানো হবে। তখন মানুষেরা বলবে, তোমাদের মাঝে এমন কোন লোক আছেন কি, যিনি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর সাহাবীদের প্রত্যক্ষ করেছেন? তখন একজন (তাবিঈ)-কে পাওয়া যাবে। এরপর তাদের বিজয় লাভ হবে। তারপর তৃতীয় সেনাদল পাঠানো হবে। তখন প্রশ্ন করা হবে, খোঁজ করে দেখ, তাদের মাঝে তাদের কাউকে দেখতে পাও কি না, যারা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর সাহাবীদের সাহচর্য লাভকারী অর্থাৎ তাবিঈদের অন্তভূক্ত। তারপর চতুর্থ সেনাদল যুদ্ধে অবতীণ হবে। তখন জিজ্ঞেস করা হবে দেখ, তোমরা এদের মাঝে এমন কাউকে পাও কি-না, যারা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর সাহাবীদের সাহচর্য অর্জনকারীদের সাহচর্য লাভ করেছে অর্থাৎ কোন তাবি-তাবিঈকে প্রত্যক্ষ করেছে? তখন এক লোককে পাওয়া যাবে। অতঃপর তার কারণে তাদের বিজয় লাভ করবে। (ই.ফা. ৬২৩৮, ই.স ৬২৮৬)

حدثني سعيد بن يحيى بن سعيد الأموي، حدثنا أبي، حدثنا ابن جريج، عن أبي، الزبير عن جابر، قال زعم أبو سعيد الخدري قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ يأتي على الناس زمان يبعث منهم البعث فيقولون انظروا هل تجدون فيكم أحدا من أصحاب النبي صلى الله عليه وسلم فيوجد الرجل فيفتح لهم به ثم يبعث البعث الثاني فيقولون هل فيهم من رأى أصحاب النبي صلى الله عليه وسلم فيفتح لهم به ثم يبعث البعث الثالث فيقال انظروا هل ترون فيهم من رأى من رأى أصحاب النبي صلى الله عليه وسلم ثم يكون البعث الرابع فيقال انظروا هل ترون فيهم أحدا رأى من رأى أحدا رأى أصحاب النبي صلى الله عليه وسلم فيوجد الرجل فيفتح لهم به ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৬৩৭২

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وشجاع بن مخلد، - واللفظ لأبي بكر - قالا حدثنا حسين، - وهو ابن علي الجعفي - عن زائدة، عن السدي، عن عبد الله البهي، عن عائشة، قالت سأل رجل النبي صلى الله عليه وسلم أى الناس خير قال ‏ "‏ القرن الذي أنا فيه ثم الثاني ثم الثالث ‏"‏ ‏.‏

আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন এক লোক রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে প্রশ্ন করল সর্বোত্তম লোক কে? তিনি বললেন, সে যুগ যাতে আমি আদিষ্ট হয়েছি। এরপর দ্বিতীয় যুগ, তারপর তৃতীয় যুগ। (ই.ফা. ৬২৪৮, ই.স ৬২৯৬)

আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন এক লোক রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে প্রশ্ন করল সর্বোত্তম লোক কে? তিনি বললেন, সে যুগ যাতে আমি আদিষ্ট হয়েছি। এরপর দ্বিতীয় যুগ, তারপর তৃতীয় যুগ। (ই.ফা. ৬২৪৮, ই.স ৬২৯৬)

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وشجاع بن مخلد، - واللفظ لأبي بكر - قالا حدثنا حسين، - وهو ابن علي الجعفي - عن زائدة، عن السدي، عن عبد الله البهي، عن عائشة، قالت سأل رجل النبي صلى الله عليه وسلم أى الناس خير قال ‏ "‏ القرن الذي أنا فيه ثم الثاني ثم الثالث ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৬৩৭১

وحدثنا قتيبة بن سعيد، ومحمد بن عبد الملك الأموي، قالا حدثنا أبو عوانة، ح وحدثنا محمد بن المثنى، وابن، بشار قالا حدثنا معاذ بن هشام، حدثنا أبي كلاهما، عن قتادة، عن زرارة بن أوفى، عن عمران بن حصين، عن النبي صلى الله عليه وسلم بهذا الحديث ‏"‏ خير هذه الأمة القرن الذين بعثت فيهم ثم الذين يلونهم ‏"‏ ‏.‏ زاد في حديث أبي عوانة قال والله أعلم أذكر الثالث أم لا ‏.‏ بمثل حديث زهدم عن عمران وزاد في حديث هشام عن قتادة ‏"‏ ويحلفون ولا يستحلفون ‏"‏ ‏.‏

ইমরান ইবনু হুসায়নের সানাদ থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ্‌ হতে এ হাদীসটি বর্ণিত। এ বর্ননায় রয়েছে এ উন্মাতের সর্বোত্তম হলো তারাই, যাদের মাঝে আমি আদিষ্ট হয়েছি (অর্থ্যাৎ সাহাবাগণ)। আবূ আওয়ানাহ বর্ণিত হাদীসে বর্ধিত রয়েছে যে, তিনি বলেন আল্লাহই সর্বাধিক জ্ঞাত, তিনি তৃতীয়টি বর্ণনা করেছেন কি-না? ইমরান থেকে যাহদম বর্ণিত হাদীসের অর্থানুসারে। কাতাদা (রহঃ) সানাদে হিশাম বর্ণিত এতটুকু অতিরিক্ত রয়েছে যে, অর্থ্যাৎ “তারা শপথ করতে থাকবে কিন্তু তাদের নিকট শপথ চাওয়া হবে না।” (ই.ফা. ৬২৪৭, ই.স ৬২৯৫)

ইমরান ইবনু হুসায়নের সানাদ থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ্‌ হতে এ হাদীসটি বর্ণিত। এ বর্ননায় রয়েছে এ উন্মাতের সর্বোত্তম হলো তারাই, যাদের মাঝে আমি আদিষ্ট হয়েছি (অর্থ্যাৎ সাহাবাগণ)। আবূ আওয়ানাহ বর্ণিত হাদীসে বর্ধিত রয়েছে যে, তিনি বলেন আল্লাহই সর্বাধিক জ্ঞাত, তিনি তৃতীয়টি বর্ণনা করেছেন কি-না? ইমরান থেকে যাহদম বর্ণিত হাদীসের অর্থানুসারে। কাতাদা (রহঃ) সানাদে হিশাম বর্ণিত এতটুকু অতিরিক্ত রয়েছে যে, অর্থ্যাৎ “তারা শপথ করতে থাকবে কিন্তু তাদের নিকট শপথ চাওয়া হবে না।” (ই.ফা. ৬২৪৭, ই.স ৬২৯৫)

وحدثنا قتيبة بن سعيد، ومحمد بن عبد الملك الأموي، قالا حدثنا أبو عوانة، ح وحدثنا محمد بن المثنى، وابن، بشار قالا حدثنا معاذ بن هشام، حدثنا أبي كلاهما، عن قتادة، عن زرارة بن أوفى، عن عمران بن حصين، عن النبي صلى الله عليه وسلم بهذا الحديث ‏"‏ خير هذه الأمة القرن الذين بعثت فيهم ثم الذين يلونهم ‏"‏ ‏.‏ زاد في حديث أبي عوانة قال والله أعلم أذكر الثالث أم لا ‏.‏ بمثل حديث زهدم عن عمران وزاد في حديث هشام عن قتادة ‏"‏ ويحلفون ولا يستحلفون ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৬৩৬৫

وحدثنا محمد بن المثنى، وابن، بشار قالا حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، ح وحدثنا محمد بن المثنى، وابن، بشار قالا حدثنا عبد الرحمن، حدثنا سفيان، كلاهما عن منصور، بإسناد أبي الأحوص وجرير بمعنى حديثهما وليس في حديثهما سئل رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏.‏

আবুল আহওয়াস ও জারীরের সানাদ থেকে বর্নিতঃ

মানসূর হতে অবিকল বর্ণিত। তবে তাদের উভয়ের হাদীসেঃ (রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে প্রশ্ন করা হয়েছিলো) বর্ননা নেই। (ই.ফা. ৬২৪১, ই.স ৬২৮৯)

আবুল আহওয়াস ও জারীরের সানাদ থেকে বর্নিতঃ

মানসূর হতে অবিকল বর্ণিত। তবে তাদের উভয়ের হাদীসেঃ (রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে প্রশ্ন করা হয়েছিলো) বর্ননা নেই। (ই.ফা. ৬২৪১, ই.স ৬২৮৯)

وحدثنا محمد بن المثنى، وابن، بشار قالا حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، ح وحدثنا محمد بن المثنى، وابن، بشار قالا حدثنا عبد الرحمن، حدثنا سفيان، كلاهما عن منصور، بإسناد أبي الأحوص وجرير بمعنى حديثهما وليس في حديثهما سئل رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৬৩৬১

حدثنا أبو خيثمة، زهير بن حرب وأحمد بن عبدة الضبي - واللفظ لزهير - قالا حدثنا سفيان بن عيينة، قال سمع عمرو، جابرا يخبر عن أبي سعيد الخدري، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ يأتي على الناس زمان يغزو فئام من الناس فيقال لهم فيكم من رأى رسول الله صلى الله عليه وسلم فيقولون ‏.‏ نعم فيفتح لهم ثم يغزو فئام من الناس فيقال لهم فيكم من رأى من صحب رسول الله صلى الله عليه وسلم فيقولون نعم ‏.‏ فيفتح لهم ثم يغزو فئام من الناس فيقال لهم هل فيكم من رأى من صحب من صحب رسول الله صلى الله عليه وسلم فيقولون نعم ‏.‏ فيفتح لهم ‏"‏ ‏.‏

আবূ সা’ঈদ খুদরী (রাঃ) এর সানাদে রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেছেনঃ লোকদের উপর এমন সময় আসবে, তখন তাদের একদল জিহাদে লিপ্ত থাকবে। তারপর তাদের কাছে জানতে চাওয়া হবে, তোমাদের মাঝে এমন কেউ আছেন যিনি রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে প্রত্যক্ষ করেছেন? তারা সমস্বরে বলবে, জ্বি হ্যাঁ। তাঁরা তখন বিজয়ী হবে। তারপর মানুষের মাঝখান থেকে একদল জিহাদ করতে থাকবে। তাদের প্রশ্ন করা হবে, তোমাদের মাঝে এমন কোন লোক আছেন কি, যিনি রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সাহাবাগণকে প্রত্যক্ষ করেছেন? তারা তখন সমস্বরে বলে উঠবে, জ্বি হ্যাঁ। তখন তারা জয়ী হবে। অতঃপর লোক অপর একটি দল যুদ্ধ করতে থাকবে। তখন তাদের প্রশ্ন করা হবে, তোমাদের মাঝে এমন কেউ কি আছেন, যিনি সহাবীদের সাহচর্য অর্জনকারী অর্থ্যাৎ- তাবি’ঈকে প্রত্যক্ষ করেছেন? তখন লোকেরা বলবে, জি হ্যাঁ। তখন তাদের বিজয় চলে আসবে। (ই.ফা. ৬২৩৭, ই.স ৬২৮৫)

আবূ সা’ঈদ খুদরী (রাঃ) এর সানাদে রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেছেনঃ লোকদের উপর এমন সময় আসবে, তখন তাদের একদল জিহাদে লিপ্ত থাকবে। তারপর তাদের কাছে জানতে চাওয়া হবে, তোমাদের মাঝে এমন কেউ আছেন যিনি রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে প্রত্যক্ষ করেছেন? তারা সমস্বরে বলবে, জ্বি হ্যাঁ। তাঁরা তখন বিজয়ী হবে। তারপর মানুষের মাঝখান থেকে একদল জিহাদ করতে থাকবে। তাদের প্রশ্ন করা হবে, তোমাদের মাঝে এমন কোন লোক আছেন কি, যিনি রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সাহাবাগণকে প্রত্যক্ষ করেছেন? তারা তখন সমস্বরে বলে উঠবে, জ্বি হ্যাঁ। তখন তারা জয়ী হবে। অতঃপর লোক অপর একটি দল যুদ্ধ করতে থাকবে। তখন তাদের প্রশ্ন করা হবে, তোমাদের মাঝে এমন কেউ কি আছেন, যিনি সহাবীদের সাহচর্য অর্জনকারী অর্থ্যাৎ- তাবি’ঈকে প্রত্যক্ষ করেছেন? তখন লোকেরা বলবে, জি হ্যাঁ। তখন তাদের বিজয় চলে আসবে। (ই.ফা. ৬২৩৭, ই.স ৬২৮৫)

حدثنا أبو خيثمة، زهير بن حرب وأحمد بن عبدة الضبي - واللفظ لزهير - قالا حدثنا سفيان بن عيينة، قال سمع عمرو، جابرا يخبر عن أبي سعيد الخدري، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ يأتي على الناس زمان يغزو فئام من الناس فيقال لهم فيكم من رأى رسول الله صلى الله عليه وسلم فيقولون ‏.‏ نعم فيفتح لهم ثم يغزو فئام من الناس فيقال لهم فيكم من رأى من صحب رسول الله صلى الله عليه وسلم فيقولون نعم ‏.‏ فيفتح لهم ثم يغزو فئام من الناس فيقال لهم هل فيكم من رأى من صحب من صحب رسول الله صلى الله عليه وسلم فيقولون نعم ‏.‏ فيفتح لهم ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৬৩৬৮

حدثنا محمد بن بشار، حدثنا محمد بن جعفر، ح وحدثني أبو بكر بن نافع، حدثنا غندر، عن شعبة، ح وحدثني حجاج بن الشاعر، حدثنا أبو الوليد، حدثنا أبو عوانة، كلاهما عن أبي بشر، بهذا الإسناد ‏.‏ مثله غير أن في حديث شعبة قال أبو هريرة فلا أدري مرتين أو ثلاثة ‏.‏

আবূ বিশর (রাঃ) থেকে এ সানাদ থেকে বর্নিতঃ

অনুরুপ বর্ণিত। তবে শু’বাহ বর্ণিত হাদীসে এতটুকু আলাদা রয়েছে, আবু হুরায়রা (রাঃ) বলেছেন আমার স্মরণ নেই যে, তিনি দু’বার নাকি তিনবার বলেছেন।(ই.ফা. ৬২৪৪, ই.স ৬২৯২)

আবূ বিশর (রাঃ) থেকে এ সানাদ থেকে বর্নিতঃ

অনুরুপ বর্ণিত। তবে শু’বাহ বর্ণিত হাদীসে এতটুকু আলাদা রয়েছে, আবু হুরায়রা (রাঃ) বলেছেন আমার স্মরণ নেই যে, তিনি দু’বার নাকি তিনবার বলেছেন।(ই.ফা. ৬২৪৪, ই.স ৬২৯২)

حدثنا محمد بن بشار، حدثنا محمد بن جعفر، ح وحدثني أبو بكر بن نافع، حدثنا غندر، عن شعبة، ح وحدثني حجاج بن الشاعر، حدثنا أبو الوليد، حدثنا أبو عوانة، كلاهما عن أبي بشر، بهذا الإسناد ‏.‏ مثله غير أن في حديث شعبة قال أبو هريرة فلا أدري مرتين أو ثلاثة ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৬৩৭০

حدثني محمد بن حاتم، حدثنا يحيى بن سعيد، ح وحدثنا عبد الرحمن بن بشر، العبدي حدثنا بهز، ح وحدثني محمد بن رافع، حدثنا شبابة، كلهم عن شعبة، بهذا الإسناد ‏.‏ وفي حديثهم قال لا أدري أذكر بعد قرنه قرنين أو ثلاثة ‏.‏ وفي حديث شبابة قال سمعت زهدم بن مضرب وجاءني في حاجة على فرس فحدثني أنه سمع عمران بن حصين ‏.‏ وفي حديث يحيى وشبابة ‏"‏ ينذرون ولا يفون ‏"‏ ‏.‏ وفي حديث بهز ‏"‏ يوفون ‏"‏ ‏.‏ كما قال ابن جعفر ‏.‏

শু’বাহ (রাঃ) এর সূত্রে এ সানাদ থেকে বর্নিতঃ

অবিকল বর্ণিত। আর তাদের অর্থ্যাৎ ইয়াহইয়া ইবনু সা’ঈদ, বাহয ও শাবাবাহ বর্ণিত হাদীসে তিনি বলেছেন, আমি স্মরণে নেই যে তিনি কি তাঁর যুগের পর দুযুগ কিংবা তিন যুগের কথা বর্ননা করেছেন কিনা। শাববাহ বর্ণিত হাদীসে তিনি বলেছেন, আমি যাহদাম ইবনু মুদরাব হতে শুনেছি। তিনি আমার নিকট ঘোড়ার পৃষ্ঠে সওয়ার হয়ে এক বিশেষ দরকারে এসেছিলেন। তারপর তিনি আমাকে হাদীস শুনান যে তিনি ইমরান ইবনু হুসায়ন (রাঃ) হতে শুনেছেন। আর ইয়াহইয়া ও বাহয বর্ণিত হাদীসে বর্ননা রয়েছে – “ তারা মানৎ করবে কিন্তু তা পূরণ করবে না”। আর বাহয বর্ণিত হাদীসে ইবনু জা’ফার এর বর্ননানুযায়ী শব্দটার বর্ননা রয়েছে। (শাব্দিক পার্থক্য থাকলেও হাদীসের মূল কথা একই ) (ই.ফা. ৬২৪৬, ই.স ৬২৯৪)

শু’বাহ (রাঃ) এর সূত্রে এ সানাদ থেকে বর্নিতঃ

অবিকল বর্ণিত। আর তাদের অর্থ্যাৎ ইয়াহইয়া ইবনু সা’ঈদ, বাহয ও শাবাবাহ বর্ণিত হাদীসে তিনি বলেছেন, আমি স্মরণে নেই যে তিনি কি তাঁর যুগের পর দুযুগ কিংবা তিন যুগের কথা বর্ননা করেছেন কিনা। শাববাহ বর্ণিত হাদীসে তিনি বলেছেন, আমি যাহদাম ইবনু মুদরাব হতে শুনেছি। তিনি আমার নিকট ঘোড়ার পৃষ্ঠে সওয়ার হয়ে এক বিশেষ দরকারে এসেছিলেন। তারপর তিনি আমাকে হাদীস শুনান যে তিনি ইমরান ইবনু হুসায়ন (রাঃ) হতে শুনেছেন। আর ইয়াহইয়া ও বাহয বর্ণিত হাদীসে বর্ননা রয়েছে – “ তারা মানৎ করবে কিন্তু তা পূরণ করবে না”। আর বাহয বর্ণিত হাদীসে ইবনু জা’ফার এর বর্ননানুযায়ী শব্দটার বর্ননা রয়েছে। (শাব্দিক পার্থক্য থাকলেও হাদীসের মূল কথা একই ) (ই.ফা. ৬২৪৬, ই.স ৬২৯৪)

حدثني محمد بن حاتم، حدثنا يحيى بن سعيد، ح وحدثنا عبد الرحمن بن بشر، العبدي حدثنا بهز، ح وحدثني محمد بن رافع، حدثنا شبابة، كلهم عن شعبة، بهذا الإسناد ‏.‏ وفي حديثهم قال لا أدري أذكر بعد قرنه قرنين أو ثلاثة ‏.‏ وفي حديث شبابة قال سمعت زهدم بن مضرب وجاءني في حاجة على فرس فحدثني أنه سمع عمران بن حصين ‏.‏ وفي حديث يحيى وشبابة ‏"‏ ينذرون ولا يفون ‏"‏ ‏.‏ وفي حديث بهز ‏"‏ يوفون ‏"‏ ‏.‏ كما قال ابن جعفر ‏.‏


সহিহ মুসলিম > রসূলুল্লাহ্ এর বাণী: যারা এখন বর্তমানে আছে একশ বছরের মাথায় কোন লোক ভু-পৃষ্ঠে অবশিষ্ট থাকবে না।

সহিহ মুসলিম ৬৩৭৫

حدثني هارون بن عبد الله، وحجاج بن الشاعر، قالا حدثنا حجاج بن محمد، قال قال ابن جريج أخبرني أبو الزبير، أنه سمع جابر بن عبد الله، يقول سمعت النبي صلى الله عليه وسلم يقول قبل أن يموت بشهر ‏ "‏ تسألوني عن الساعة وإنما علمها عند الله وأقسم بالله ما على الأرض من نفس منفوسة تأتي عليها مائة سنة ‏"‏ ‏.‏

জাবির ইবনু আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন যে, আমি রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে তাঁর ওফাতের এক মাস আগে বলতে শুনেছি যে, আমাকে তোমরা কিয়ামাত সন্মধ্যে প্রশ্ন করছ, কিন্তু তার ইলমতো আল্লাহরই নিকট। আমি আল্লাহর শপথ করে বলছি যে, পৃথিবীতে এমন কোন ব্যক্তি নেই যার উপর একশ বছর পূরণ হবে। (অর্থ্যাৎ আজ হতে থেকে একশ বছরের মাথায় বর্তমানে জীবিত ব্যক্তিরা বাকী থাকবে না। (ই.ফা. ৬২৫১, ই.স ৬৩৯৯)

জাবির ইবনু আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন যে, আমি রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে তাঁর ওফাতের এক মাস আগে বলতে শুনেছি যে, আমাকে তোমরা কিয়ামাত সন্মধ্যে প্রশ্ন করছ, কিন্তু তার ইলমতো আল্লাহরই নিকট। আমি আল্লাহর শপথ করে বলছি যে, পৃথিবীতে এমন কোন ব্যক্তি নেই যার উপর একশ বছর পূরণ হবে। (অর্থ্যাৎ আজ হতে থেকে একশ বছরের মাথায় বর্তমানে জীবিত ব্যক্তিরা বাকী থাকবে না। (ই.ফা. ৬২৫১, ই.স ৬৩৯৯)

حدثني هارون بن عبد الله، وحجاج بن الشاعر، قالا حدثنا حجاج بن محمد، قال قال ابن جريج أخبرني أبو الزبير، أنه سمع جابر بن عبد الله، يقول سمعت النبي صلى الله عليه وسلم يقول قبل أن يموت بشهر ‏ "‏ تسألوني عن الساعة وإنما علمها عند الله وأقسم بالله ما على الأرض من نفس منفوسة تأتي عليها مائة سنة ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৬৩৭৭

حدثني يحيى بن حبيب، ومحمد بن عبد الأعلى، كلاهما عن المعتمر، قال ابن حبيب حدثنا معتمر بن سليمان، قال سمعت أبي، حدثنا أبو نضرة، عن جابر بن عبد الله، عن النبي صلى الله عليه وسلم أنه قال ذلك قبل موته بشهر أو نحو ذلك ‏ "‏ ما من نفس منفوسة اليوم تأتي عليها مائة سنة وهى حية يومئذ ‏"‏ ‏.‏ وعن عبد الرحمن، صاحب السقاية عن جابر بن عبد الله، عن النبي صلى الله عليه وسلم بمثل ذلك وفسرها عبد الرحمن قال نقص العمر ‏.‏

জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি তাঁর ইন্তিকালের এক্মাস আগে বা অনুরূপ সময়ে বলেছিলেন যে, যেসব প্রাণী বর্তমান জীবিত আছে, তাদের উপর একশ’ বছর শেষ হতেই তারা আর অবশিষ্ট থাকবে না। ‘আস্ সিকায়াহ্’ গ্রন্থকার ‘আবদুর রহ্মান (রাঃ) ... জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ)-এর সুত্রে রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে অবিকল বর্ণিত হয়েছে। ‘আবদুর রহ্মান (রাঃ) “আয়ুষ্কাল ক্ষীণ হয়ে গেছে” বলে উক্ত হাদীসের ব্যাখ্যা করেছেন। (ই.ফা. ৬২৫২, ই.সে. ৬৩০১)

জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি তাঁর ইন্তিকালের এক্মাস আগে বা অনুরূপ সময়ে বলেছিলেন যে, যেসব প্রাণী বর্তমান জীবিত আছে, তাদের উপর একশ’ বছর শেষ হতেই তারা আর অবশিষ্ট থাকবে না। ‘আস্ সিকায়াহ্’ গ্রন্থকার ‘আবদুর রহ্মান (রাঃ) ... জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ)-এর সুত্রে রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে অবিকল বর্ণিত হয়েছে। ‘আবদুর রহ্মান (রাঃ) “আয়ুষ্কাল ক্ষীণ হয়ে গেছে” বলে উক্ত হাদীসের ব্যাখ্যা করেছেন। (ই.ফা. ৬২৫২, ই.সে. ৬৩০১)

حدثني يحيى بن حبيب، ومحمد بن عبد الأعلى، كلاهما عن المعتمر، قال ابن حبيب حدثنا معتمر بن سليمان، قال سمعت أبي، حدثنا أبو نضرة، عن جابر بن عبد الله، عن النبي صلى الله عليه وسلم أنه قال ذلك قبل موته بشهر أو نحو ذلك ‏ "‏ ما من نفس منفوسة اليوم تأتي عليها مائة سنة وهى حية يومئذ ‏"‏ ‏.‏ وعن عبد الرحمن، صاحب السقاية عن جابر بن عبد الله، عن النبي صلى الله عليه وسلم بمثل ذلك وفسرها عبد الرحمن قال نقص العمر ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৬৩৭৯

حدثنا ابن نمير، حدثنا أبو خالد، عن داود، واللفظ، له ح وحدثنا أبو بكر بن أبي، شيبة حدثنا سليمان بن حيان، عن داود، عن أبي نضرة، عن أبي سعيد، قال لما رجع النبي صلى الله عليه وسلم من تبوك سألوه عن الساعة فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ لا تأتي مائة سنة وعلى الأرض نفس منفوسة اليوم ‏"‏ ‏.‏

আবূ সা’ঈদ খুদ্রী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাবূক যুদ্ধ হতে প্রত্যাবর্তন শেষে লোকেরা তাঁকে কিয়ামত সম্বন্ধে প্রশ্ন করল। তখন রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ একশ’ বছর পরিসমাপ্তি হলে এখানকার কোন লোক আর অবশিষ্ট থাকবে না। (ই.ফা. ৬২৫৪, ই.সে. ৬৩০৩)

আবূ সা’ঈদ খুদ্রী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাবূক যুদ্ধ হতে প্রত্যাবর্তন শেষে লোকেরা তাঁকে কিয়ামত সম্বন্ধে প্রশ্ন করল। তখন রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ একশ’ বছর পরিসমাপ্তি হলে এখানকার কোন লোক আর অবশিষ্ট থাকবে না। (ই.ফা. ৬২৫৪, ই.সে. ৬৩০৩)

حدثنا ابن نمير، حدثنا أبو خالد، عن داود، واللفظ، له ح وحدثنا أبو بكر بن أبي، شيبة حدثنا سليمان بن حيان، عن داود، عن أبي نضرة، عن أبي سعيد، قال لما رجع النبي صلى الله عليه وسلم من تبوك سألوه عن الساعة فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ لا تأتي مائة سنة وعلى الأرض نفس منفوسة اليوم ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৬৩৮০

حدثني إسحاق بن منصور، أخبرنا أبو الوليد، أخبرنا أبو عوانة، عن حصين، عن سالم، عن جابر بن عبد الله، قال قال نبي الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ ما من نفس منفوسة تبلغ مائة سنة ‏"‏ ‏.‏ فقال سالم تذاكرنا ذلك عنده إنما هي كل نفس مخلوقة يومئذ ‏.‏

জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ কোন প্রাণ (লোক) একশ’ বছর পর্যন্ত পৌঁছবে না। তখন সালিম (রাঃ) বললেন, আমরা এ বিষয়টি তাঁর (জাবির) নিকট বর্ণনা করলাম। তিনি বললেন, এ কথা দ্বারা আজ পর্যন্ত যে সকল নবজাতক পয়দা হয়েছে- সকলকে লক্ষ্য করে বলা হয়েছে। (ই.ফা. ৬২৫৫, ই.সে. ৬৩০৪)

জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ কোন প্রাণ (লোক) একশ’ বছর পর্যন্ত পৌঁছবে না। তখন সালিম (রাঃ) বললেন, আমরা এ বিষয়টি তাঁর (জাবির) নিকট বর্ণনা করলাম। তিনি বললেন, এ কথা দ্বারা আজ পর্যন্ত যে সকল নবজাতক পয়দা হয়েছে- সকলকে লক্ষ্য করে বলা হয়েছে। (ই.ফা. ৬২৫৫, ই.সে. ৬৩০৪)

حدثني إسحاق بن منصور، أخبرنا أبو الوليد، أخبرنا أبو عوانة، عن حصين، عن سالم، عن جابر بن عبد الله، قال قال نبي الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ ما من نفس منفوسة تبلغ مائة سنة ‏"‏ ‏.‏ فقال سالم تذاكرنا ذلك عنده إنما هي كل نفس مخلوقة يومئذ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৬৩৭৩

حدثنا محمد بن رافع، وعبد بن حميد، قال محمد بن رافع حدثنا وقال عبد، أخبرنا عبد الرزاق، أخبرنا معمر، عن الزهري، أخبرني سالم بن عبد الله، وأبو بكر بن سليمان أن عبد الله بن عمر، قال صلى بنا رسول الله صلى الله عليه وسلم ذات ليلة صلاة العشاء في آخر حياته فلما سلم قام فقال ‏ "‏ أرأيتكم ليلتكم هذه فإن على رأس مائة سنة منها لا يبقى ممن هو على ظهر الأرض أحد ‏"‏ ‏.‏ قال ابن عمر فوهل الناس في مقالة رسول الله صلى الله عليه وسلم تلك فيما يتحدثون من هذه الأحاديث عن مائة سنة وإنما قال رسول الله صلى الله عليه وسلم لا يبقى ممن هو اليوم على ظهر الأرض ‏.‏ أحد يريد بذلك أن ينخرم ذلك القرن ‏.‏

আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর জীবনের শেষ প্রান্তে একরাতে আমাদের সাথে ইশার সালাত আদায় করলেন। তিনি সালাম ফিরিয়ে দাঁড়িয়ে বললেন, এ রাত্র সর্ম্পকে তোমরা কি ধারনা পোষণ করো? কারণ এর একশ বছরের মাথায় যারা আজ পৃথিবীর পৃষ্ঠে বিদ্যমান রয়েছে তাদের কেউ জীবিত থাকবে না। ইবনু উমার (রাঃ) বললেন, তখন লোকেরা একশ বছর সংশ্লিষ্ট এসব হাদীসের বর্ননায় দ্বিধায পড়ে গেল। অবশ্য রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, ”আজ যারা পৃথিবী পৃষ্ঠে বর্তমান আছে তাদের কেউ অবশিষ্ট থাকবে না।” দ্বারা একথা বুঝাতে চেয়েছেন যে, যুগের পরিসমাপ্তি হয়ে যাবে।(ই.ফা. ৬২৪৯, ই.স ৬২৯৭)

আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর জীবনের শেষ প্রান্তে একরাতে আমাদের সাথে ইশার সালাত আদায় করলেন। তিনি সালাম ফিরিয়ে দাঁড়িয়ে বললেন, এ রাত্র সর্ম্পকে তোমরা কি ধারনা পোষণ করো? কারণ এর একশ বছরের মাথায় যারা আজ পৃথিবীর পৃষ্ঠে বিদ্যমান রয়েছে তাদের কেউ জীবিত থাকবে না। ইবনু উমার (রাঃ) বললেন, তখন লোকেরা একশ বছর সংশ্লিষ্ট এসব হাদীসের বর্ননায় দ্বিধায পড়ে গেল। অবশ্য রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, ”আজ যারা পৃথিবী পৃষ্ঠে বর্তমান আছে তাদের কেউ অবশিষ্ট থাকবে না।” দ্বারা একথা বুঝাতে চেয়েছেন যে, যুগের পরিসমাপ্তি হয়ে যাবে।(ই.ফা. ৬২৪৯, ই.স ৬২৯৭)

حدثنا محمد بن رافع، وعبد بن حميد، قال محمد بن رافع حدثنا وقال عبد، أخبرنا عبد الرزاق، أخبرنا معمر، عن الزهري، أخبرني سالم بن عبد الله، وأبو بكر بن سليمان أن عبد الله بن عمر، قال صلى بنا رسول الله صلى الله عليه وسلم ذات ليلة صلاة العشاء في آخر حياته فلما سلم قام فقال ‏ "‏ أرأيتكم ليلتكم هذه فإن على رأس مائة سنة منها لا يبقى ممن هو على ظهر الأرض أحد ‏"‏ ‏.‏ قال ابن عمر فوهل الناس في مقالة رسول الله صلى الله عليه وسلم تلك فيما يتحدثون من هذه الأحاديث عن مائة سنة وإنما قال رسول الله صلى الله عليه وسلم لا يبقى ممن هو اليوم على ظهر الأرض ‏.‏ أحد يريد بذلك أن ينخرم ذلك القرن ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৬৩৭৪

حدثني عبد الله بن عبد الرحمن الدارمي، أخبرنا أبو اليمان، أخبرنا شعيب، ورواه، الليث عن عبد الرحمن بن خالد بن مسافر، كلاهما عن الزهري، بإسناد معمر كمثل حديثه ‏.‏

মা’মার (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

যুহুরী (রহঃ) সূত্রে তাঁর হাদীসের অবিকল রিওয়ায়াত করেছেন। (ই.ফা. ৬২৫০, ই.স ৬২৯৮)

মা’মার (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

যুহুরী (রহঃ) সূত্রে তাঁর হাদীসের অবিকল রিওয়ায়াত করেছেন। (ই.ফা. ৬২৫০, ই.স ৬২৯৮)

حدثني عبد الله بن عبد الرحمن الدارمي، أخبرنا أبو اليمان، أخبرنا شعيب، ورواه، الليث عن عبد الرحمن بن خالد بن مسافر، كلاهما عن الزهري، بإسناد معمر كمثل حديثه ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৬৩৭৬

حدثنيه محمد بن حاتم، حدثنا محمد بن بكر، أخبرنا ابن جريج، بهذا الإسناد ولم يذكر قبل موته بشهر ‏.‏

ইবনু জুরায়জের সূত্রে এ সানাদ থেকে বর্নিতঃ

হাদীস রিওয়ায়াত করেছেন। কিন্তু তিনি “ তাঁর ইন্তেকালের এক মাস আগে” উক্তিটি বর্ননা করেননি।(ই.ফা. ৬২৫১, ই.স ৬৩০০)

ইবনু জুরায়জের সূত্রে এ সানাদ থেকে বর্নিতঃ

হাদীস রিওয়ায়াত করেছেন। কিন্তু তিনি “ তাঁর ইন্তেকালের এক মাস আগে” উক্তিটি বর্ননা করেননি।(ই.ফা. ৬২৫১, ই.স ৬৩০০)

حدثنيه محمد بن حاتم، حدثنا محمد بن بكر، أخبرنا ابن جريج، بهذا الإسناد ولم يذكر قبل موته بشهر ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৬৩৭৮

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا يزيد بن هارون، أخبرنا سليمان التيمي، بالإسنادين جميعا ‏.‏ مثله ‏.‏

আবূ বকর ইবনু আবূ শাইবাহ্ ও সুলাইমান তাইমী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

সবাই তাঁর অবিকল রিওয়ায়াত করেন। (ই.ফা. ৬২৫৩, ই.সে. ৬৩০২) (আরবি)

আবূ বকর ইবনু আবূ শাইবাহ্ ও সুলাইমান তাইমী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

সবাই তাঁর অবিকল রিওয়ায়াত করেন। (ই.ফা. ৬২৫৩, ই.সে. ৬৩০২) (আরবি)

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا يزيد بن هارون، أخبرنا سليمان التيمي، بالإسنادين جميعا ‏.‏ مثله ‏.‏


সহিহ মুসলিম > সহাবাগণকে গালি দেয়া বা কুৎসা রটনা করা হারাম

সহিহ মুসলিম ৬৩৮১

حدثنا يحيى بن يحيى التميمي، وأبو بكر بن أبي شيبة ومحمد بن العلاء قال يحيى أخبرنا وقال الآخران، حدثنا أبو معاوية، عن الأعمش، عن أبي صالح، عن أبي، هريرة قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ لا تسبوا أصحابي لا تسبوا أصحابي فوالذي نفسي بيده لو أن أحدكم أنفق مثل أحد ذهبا ما أدرك مد أحدهم ولا نصيفه ‏"‏ ‏.‏

আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমরা আমার সাহাবীগণকে কুৎসা করো না। তোমরা আমার সহাবীদের কুৎসা করবে না। সে সত্তার শপথ! যাঁর হাতে আমার জীবন, তোমাদের মাঝে কেউ যদি উহুদ পর্বতের ন্যায় স্বর্ণ খরচ করে তবুও তাঁদের কারোর এক মুদ কিংবা অর্ধ মুদের সমতুল্য হবে না। (ই.ফা. ৬২৫৬, ই.সে. ৬৩০৫)

আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমরা আমার সাহাবীগণকে কুৎসা করো না। তোমরা আমার সহাবীদের কুৎসা করবে না। সে সত্তার শপথ! যাঁর হাতে আমার জীবন, তোমাদের মাঝে কেউ যদি উহুদ পর্বতের ন্যায় স্বর্ণ খরচ করে তবুও তাঁদের কারোর এক মুদ কিংবা অর্ধ মুদের সমতুল্য হবে না। (ই.ফা. ৬২৫৬, ই.সে. ৬৩০৫)

حدثنا يحيى بن يحيى التميمي، وأبو بكر بن أبي شيبة ومحمد بن العلاء قال يحيى أخبرنا وقال الآخران، حدثنا أبو معاوية، عن الأعمش، عن أبي صالح، عن أبي، هريرة قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ لا تسبوا أصحابي لا تسبوا أصحابي فوالذي نفسي بيده لو أن أحدكم أنفق مثل أحد ذهبا ما أدرك مد أحدهم ولا نصيفه ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৬৩৮২

حدثنا عثمان بن أبي شيبة، حدثنا جرير، عن الأعمش، عن أبي صالح، عن أبي، سعيد قال كان بين خالد بن الوليد وبين عبد الرحمن بن عوف شىء فسبه خالد فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ لا تسبوا أحدا من أصحابي فإن أحدكم لو أنفق مثل أحد ذهبا ما أدرك مد أحدهم ولا نصيفه ‏"‏ ‏.‏

আবূ সা’ঈদ খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একবার খালিদ ইবনুল ওয়ালীদ ও ‘আবদুর রহমান ইবনু ‘আওফ (রাঃ)-এর মাঝে (অপ্রীতিকর) একটা কিছু ঘটেছিল। তখন খালিদ (রাঃ) তাঁকে গাল-মন্দ করেন। তখন রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বল্লেনঃ তোমরা আমার সহাবীদের কাউকে গাল-মন্দ করবে না। কারণ, তোমাদের কেউ যদি উহুদ পর্বতের সমতুল্য স্বর্ণ খরচ করে তবুও তাঁদের এক মুদ অথবা অর্ধ মুদের ন্যায় হবে না। (ই.ফা. ৬২৫৭, ই.সে. ৬৩০৬)

আবূ সা’ঈদ খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একবার খালিদ ইবনুল ওয়ালীদ ও ‘আবদুর রহমান ইবনু ‘আওফ (রাঃ)-এর মাঝে (অপ্রীতিকর) একটা কিছু ঘটেছিল। তখন খালিদ (রাঃ) তাঁকে গাল-মন্দ করেন। তখন রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বল্লেনঃ তোমরা আমার সহাবীদের কাউকে গাল-মন্দ করবে না। কারণ, তোমাদের কেউ যদি উহুদ পর্বতের সমতুল্য স্বর্ণ খরচ করে তবুও তাঁদের এক মুদ অথবা অর্ধ মুদের ন্যায় হবে না। (ই.ফা. ৬২৫৭, ই.সে. ৬৩০৬)

حدثنا عثمان بن أبي شيبة، حدثنا جرير، عن الأعمش، عن أبي صالح، عن أبي، سعيد قال كان بين خالد بن الوليد وبين عبد الرحمن بن عوف شىء فسبه خالد فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ لا تسبوا أحدا من أصحابي فإن أحدكم لو أنفق مثل أحد ذهبا ما أدرك مد أحدهم ولا نصيفه ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৬৩৮৩

حدثنا أبو سعيد الأشج، وأبو كريب قالا حدثنا وكيع، عن الأعمش، ح وحدثنا عبيد الله بن معاذ، حدثنا أبي ح، وحدثنا ابن المثنى، وابن، بشار قالا حدثنا ابن أبي عدي، جميعا عن شعبة، عن الأعمش، بإسناد جرير وأبي معاوية ‏.‏ بمثل حديثهما وليس في حديث شعبة ووكيع ذكر عبد الرحمن بن عوف وخالد بن الوليد ‏.‏

আবূ সা’ঈদ আশাজ্জ ও আবূ কুরায়ব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

অপর সূত্রে ‘উবাইদুল্লাহ ইবনু মু’আয (রাঃ) ... অন্য সুত্রে ইবনুল মুসান্না ও ইবনু বাশ্শার (রাঃ) ... আ’মাশ (রাঃ) হতে জারীর ও আবূ মু’আবিয়ার সানাদে তাঁদের হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। তবে শু’বাহ ও ওয়াকী’-এর হাদীসে ‘আবদুর রহমান ইবনু ‘আওফ (রাঃ) ও খালিদ ইবনু ওয়ালিদ (রাঃ)-এর বর্ণনা নেই। (ই.ফা. ৬২৫৮, ই.সে. ৬৩০৭) –৬৪

আবূ সা’ঈদ আশাজ্জ ও আবূ কুরায়ব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

অপর সূত্রে ‘উবাইদুল্লাহ ইবনু মু’আয (রাঃ) ... অন্য সুত্রে ইবনুল মুসান্না ও ইবনু বাশ্শার (রাঃ) ... আ’মাশ (রাঃ) হতে জারীর ও আবূ মু’আবিয়ার সানাদে তাঁদের হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। তবে শু’বাহ ও ওয়াকী’-এর হাদীসে ‘আবদুর রহমান ইবনু ‘আওফ (রাঃ) ও খালিদ ইবনু ওয়ালিদ (রাঃ)-এর বর্ণনা নেই। (ই.ফা. ৬২৫৮, ই.সে. ৬৩০৭) –৬৪

حدثنا أبو سعيد الأشج، وأبو كريب قالا حدثنا وكيع، عن الأعمش، ح وحدثنا عبيد الله بن معاذ، حدثنا أبي ح، وحدثنا ابن المثنى، وابن، بشار قالا حدثنا ابن أبي عدي، جميعا عن شعبة، عن الأعمش، بإسناد جرير وأبي معاوية ‏.‏ بمثل حديثهما وليس في حديث شعبة ووكيع ذكر عبد الرحمن بن عوف وخالد بن الوليد ‏.‏


সহিহ মুসলিম > উওয়াইস আল কারানী (রাঃ)-এর ফযিলত

সহিহ মুসলিম ৬৩৮৫

حدثنا زهير بن حرب، ومحمد بن المثنى، قالا حدثنا عفان بن مسلم، حدثنا حماد، - وهو ابن سلمة - عن سعيد الجريري، بهذا الإسناد عن عمر بن الخطاب، قال إني سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول ‏ "‏ إن خير التابعين رجل يقال له أويس وله والدة وكان به بياض فمروه فليستغفر لكم ‏"‏ ‏.‏

উমার ইবনুল খাত্তাব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি যে, অবশ্যই তাবি’ঈনদের মধ্যে সে লোক শ্রেষ্ঠ যে ‘উওয়াইস’ নামে খ্যাত। তাঁর একমাত্র মা আছেন এবং তাঁর কুষ্ঠরোগ হয়েছিল। তোমরা তাঁর নিকট অনুরোধ করবে যেন সে তোমাদের মাগফিরাতের জন্য দু’আ কামনা করবে। (ই.ফা. ৬২৬০, ই.সে. ৬৩০৯)

উমার ইবনুল খাত্তাব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি যে, অবশ্যই তাবি’ঈনদের মধ্যে সে লোক শ্রেষ্ঠ যে ‘উওয়াইস’ নামে খ্যাত। তাঁর একমাত্র মা আছেন এবং তাঁর কুষ্ঠরোগ হয়েছিল। তোমরা তাঁর নিকট অনুরোধ করবে যেন সে তোমাদের মাগফিরাতের জন্য দু’আ কামনা করবে। (ই.ফা. ৬২৬০, ই.সে. ৬৩০৯)

حدثنا زهير بن حرب، ومحمد بن المثنى، قالا حدثنا عفان بن مسلم، حدثنا حماد، - وهو ابن سلمة - عن سعيد الجريري، بهذا الإسناد عن عمر بن الخطاب، قال إني سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول ‏ "‏ إن خير التابعين رجل يقال له أويس وله والدة وكان به بياض فمروه فليستغفر لكم ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৬৩৮৪

حدثني زهير بن حرب، حدثنا هاشم بن القاسم، حدثنا سليمان بن المغيرة، حدثني سعيد الجريري، عن أبي نضرة، عن أسير بن جابر، أن أهل الكوفة، وفدوا، إلى عمر وفيهم رجل ممن كان يسخر بأويس فقال عمر هل ها هنا أحد من القرنيين فجاء ذلك الرجل فقال عمر إن رسول الله صلى الله عليه وسلم قد قال ‏ "‏ إن رجلا يأتيكم من اليمن يقال له أويس لا يدع باليمن غير أم له قد كان به بياض فدعا الله فأذهبه عنه إلا موضع الدينار أو الدرهم فمن لقيه منكم فليستغفر لكم ‏"‏ ‏.‏

উসায়র ইবনু জাবির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

কূফার একটি প্রতিনিধি দল ‘উমার (রাঃ)-এর কাছে আগমন করলো। তাঁদের মধ্যে এমন এক ব্যক্তিও ছিল, যে উওয়াইস (রাঃ)-কে ঠাট্টা-বিদ্রূপ করত। তখন ‘উমার (রাঃ) বললেন, এখানে কারানী গোষ্ঠীর কোন ব্যক্তি আছে কি? তখন সে লোকটি আসলো। এরপর ‘উমার (রাঃ) বললেন, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমাদের নিকট ইয়ামান থেকে এক ব্যক্তি আগমন করবে, যে ‘উওয়াইস’ নামে খ্যাত। ইয়ামানে তাঁর মা ছাড়া আর কেউ থাকবে না। তার কুষ্ঠরোগ হয়েছিল। সে আল্লাহর নিকট দু’আ করার পরিবর্তে আল্লাহ তাকে কুষ্ঠরোগ দূর করে দেন। কিন্তু কেবল মাত্র এক দীনার কিংবা এক দিরহাম পরিমাণ জায়গা অবশিষ্ট থাকে। তোমাদের মাঝখান থেকে কেউ যদি তাঁর দেখা পায় সে যেন নিজের জন্য তাঁর নিকট মাগফিরাতের দু’আ প্রার্থনা করে। (ই.ফা. ৬২৫৯, ই.সে. ৬৩০৮)

উসায়র ইবনু জাবির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

কূফার একটি প্রতিনিধি দল ‘উমার (রাঃ)-এর কাছে আগমন করলো। তাঁদের মধ্যে এমন এক ব্যক্তিও ছিল, যে উওয়াইস (রাঃ)-কে ঠাট্টা-বিদ্রূপ করত। তখন ‘উমার (রাঃ) বললেন, এখানে কারানী গোষ্ঠীর কোন ব্যক্তি আছে কি? তখন সে লোকটি আসলো। এরপর ‘উমার (রাঃ) বললেন, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমাদের নিকট ইয়ামান থেকে এক ব্যক্তি আগমন করবে, যে ‘উওয়াইস’ নামে খ্যাত। ইয়ামানে তাঁর মা ছাড়া আর কেউ থাকবে না। তার কুষ্ঠরোগ হয়েছিল। সে আল্লাহর নিকট দু’আ করার পরিবর্তে আল্লাহ তাকে কুষ্ঠরোগ দূর করে দেন। কিন্তু কেবল মাত্র এক দীনার কিংবা এক দিরহাম পরিমাণ জায়গা অবশিষ্ট থাকে। তোমাদের মাঝখান থেকে কেউ যদি তাঁর দেখা পায় সে যেন নিজের জন্য তাঁর নিকট মাগফিরাতের দু’আ প্রার্থনা করে। (ই.ফা. ৬২৫৯, ই.সে. ৬৩০৮)

حدثني زهير بن حرب، حدثنا هاشم بن القاسم، حدثنا سليمان بن المغيرة، حدثني سعيد الجريري، عن أبي نضرة، عن أسير بن جابر، أن أهل الكوفة، وفدوا، إلى عمر وفيهم رجل ممن كان يسخر بأويس فقال عمر هل ها هنا أحد من القرنيين فجاء ذلك الرجل فقال عمر إن رسول الله صلى الله عليه وسلم قد قال ‏ "‏ إن رجلا يأتيكم من اليمن يقال له أويس لا يدع باليمن غير أم له قد كان به بياض فدعا الله فأذهبه عنه إلا موضع الدينار أو الدرهم فمن لقيه منكم فليستغفر لكم ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৬৩৮৬

حدثنا إسحاق بن إبراهيم الحنظلي، ومحمد بن المثنى، ومحمد بن بشار، - قال إسحاق أخبرنا وقال الآخران، حدثنا - واللفظ، لابن المثنى - حدثنا معاذ بن هشام، حدثني أبي، عن قتادة، عن زرارة بن أوفى، عن أسير بن جابر، قال كان عمر بن الخطاب إذا أتى عليه أمداد أهل اليمن سألهم أفيكم أويس بن عامر حتى أتى على أويس فقال أنت أويس بن عامر قال نعم ‏.‏ قال من مراد ثم من قرن قال نعم ‏.‏ قال فكان بك برص فبرأت منه إلا موضع درهم قال نعم ‏.‏ قال لك والدة قال نعم ‏.‏ قال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول ‏"‏ يأتي عليكم أويس بن عامر مع أمداد أهل اليمن من مراد ثم من قرن كان به برص فبرأ منه إلا موضع درهم له والدة هو بها بر لو أقسم على الله لأبره فإن استطعت أن يستغفر لك فافعل ‏"‏ ‏.‏ فاستغفر لي ‏.‏ فاستغفر له ‏.‏ فقال له عمر أين تريد قال الكوفة ‏.‏ قال ألا أكتب لك إلى عاملها قال أكون في غبراء الناس أحب إلى ‏.‏ قال فلما كان من العام المقبل حج رجل من أشرافهم فوافق عمر فسأله عن أويس قال تركته رث البيت قليل المتاع ‏.‏ قال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول ‏"‏ يأتي عليكم أويس بن عامر مع أمداد أهل اليمن من مراد ثم من قرن كان به برص فبرأ منه إلا موضع درهم له والدة هو بها بر لو أقسم على الله لأبره فإن استطعت أن يستغفر لك فافعل ‏"‏ ‏.‏ فأتى أويسا فقال استغفر لي ‏.‏ قال أنت أحدث عهدا بسفر صالح فاستغفر لي ‏.‏ قال استغفر لي ‏.‏ قال أنت أحدث عهدا بسفر صالح فاستغفر لي ‏.‏ قال لقيت عمر قال نعم ‏.‏ فاستغفر له ‏.‏ ففطن له الناس فانطلق على وجهه ‏.‏ قال أسير وكسوته بردة فكان كلما رآه إنسان قال من أين لأويس هذه البردة

উসায়র ইবনু জাবির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, ‘উমার ইবনুল খাত্তাব (রাঃ)-এর অভ্যাস ছিল, যখন ইয়ামানের কোন সাহায্যকারী ফৌজ তাঁর নিকট আসত তখন তিনি তাঁদের প্রশ্ন করতেন, তোমাদের মাঝে কি উওয়াইস ইবনু আমির রয়েছে? পরিশেষে তিনি উওয়াইসকে পান। তখন তিনি বললেন, তুমি কি উওয়াইস ইবনু ‘আমির? তিনি বললেন, হ্যাঁ। তিনি প্রশ্ন করলেন, মুরাদ গোষ্ঠীর কারান কাওমের? তিনি বললেন, হ্যাঁ। জানতে চাইলেন, তোমার কি কুষ্ঠরোগ হয়েছিল এবং তা নিরাময় হয়েছে, শুধুমাত্র এক দিরহাম জায়গা ছাড়া? তিনি বললেন, হ্যাঁ। প্রশ্ন করলেন, তোমার মা আছেন কি? তিনি বললেন, হ্যাঁ। তখন ‘উমার (রাঃ) বললেন, আমি রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি, তিনি বলেছেনঃ “তোমাদের নিকট মুরাদ গোষ্ঠীর কারান বংশের উওয়াইস ইবনু ‘আমির ইয়ামানের সাহায্যকারী দলের সাথে আসবে। তাঁর কুষ্ঠরোগ ছিল। পরে তিনি সুস্থ হয়ে গেছেন। কেবলমাত্র এক দিরহাম ব্যতীত। তাঁর মা রয়েছেন। সে তাঁর প্রতি অতি সেবাপরায়ণ। এমন লোক আল্লাহর উপর শপথ করে নিলে আল্লাহ তা পূর্ণ করে দেন। সুতরাং তুমি যদি তোমার জন্য তাঁর নিকট মাফফিরাতের দু’আ প্রার্থনার সুযোগ পাও তাহলে তা করবে।” কাজেই আপনি আমার জন্য মাগফিরাতের দু’আ কামনা করুন। তখন উওয়াইস (রাঃ) তাঁর মাগফিরাতের জন্য দু’আ প্রার্থনা করলেন। তারপর ‘উমার (রাঃ) তাকে বললেন, তুমি কোথায় যেতে চাও? তিনি বললেন, কুফাহ্ অঞ্চলে। ‘উমার (রাঃ) বললেন, আমি কি তোমার জন্য কূফার প্রশাসকের নিকট চিঠি লিখে দিব? তিনি বললেন, আমি বিনীত ও দারিদ্র-পীড়িত লোকদের মধ্যে অবস্থান করাই পছন্দ করি। রাবী বলেন, পরবর্তী বছরে তাঁদের অভিজাত লোকেদের মাঝে এক লোক হাজ্জ করতে আসলো এবং ‘উমার (রাঃ)-এর সাথে তাঁর দেখা হলো। তখন তিনি তাকে উওয়াইস কারানী (রাঃ)-এর অবস্থা সম্বন্ধে প্রশ্ন করলেন। সে বলল, আমি তাঁকে নিঃস্ব দরিদ্র অবস্থায় রেখে এসেছি। তিনি বললেন, আমি রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি যে, তিনি বলেছেনঃ তোমাদের নিকট কারান বংশের মুরাদ গোত্রের উওয়াইস ইবনু ‘আমির (রাঃ) ইয়ামানের একদল সাহায্যকারীদের সাথে আসবে। তাঁর ছিল কুষ্ঠরোগ। সে তা থেকে নিরাময় লাভ করে, এক দিরহাম জায়গা ছাড়া। তাঁর মা আছেন, সে তাঁর প্রতি অতি সেবাপরায়ণ। সে যদি আল্লাহর নামে শপথ করে তাহলে আল্লাহ তা’আলা তা পূরণ করে দেন। তোমরা নিজের জন্য তাঁর নিকট মাগফিরাত-এর দু’আ কামনা করুন। তিনি বললেন, আপনি তো নেক সফর থেকে সবেমাত্র এসেছেন। কাজেই আপনি আমার জন্য মাগফিরাতের দু’আ প্রার্থনা করুন। সে লোক বলল, আপনি আমার জন্য মাগফিরাতের দু’আ কামনা করুন। উওয়াইস (রাঃ) বললেন, আপনি সদ্য নেক সফর থেকে এসেছেন, আপনি আমার মাগফিরাতের জন্য দু’আ করুন। অতঃপর তিনি প্রশ্ন করলেন, আপনি কি ‘উমার (রাঃ)-এর দেখা পেয়েছেন? সে বলল, হ্যাঁ। তখন তিনি তাঁর জন্য মাগফিরাতের দু’আ কামনা করলেন। তখন লোকেরা তাঁর মর্যাদা সম্বন্ধে অবগত হলেন। এরপর তিনি তাঁর সামনে চললেন। উসায়র বলেন, আমি তাঁকে একটি ডোরাদার চাদর পরিয়ে দিলাম। অতঃপর কোন লোক যখন তাঁকে দেখতো তখন জানতে চাইতো, উওয়াইসের নিকট এ চাদরটি কোত্থেকে আসলো? (ই.ফা.৬২৬১, ই.সে. ৬৩১০)

উসায়র ইবনু জাবির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, ‘উমার ইবনুল খাত্তাব (রাঃ)-এর অভ্যাস ছিল, যখন ইয়ামানের কোন সাহায্যকারী ফৌজ তাঁর নিকট আসত তখন তিনি তাঁদের প্রশ্ন করতেন, তোমাদের মাঝে কি উওয়াইস ইবনু আমির রয়েছে? পরিশেষে তিনি উওয়াইসকে পান। তখন তিনি বললেন, তুমি কি উওয়াইস ইবনু ‘আমির? তিনি বললেন, হ্যাঁ। তিনি প্রশ্ন করলেন, মুরাদ গোষ্ঠীর কারান কাওমের? তিনি বললেন, হ্যাঁ। জানতে চাইলেন, তোমার কি কুষ্ঠরোগ হয়েছিল এবং তা নিরাময় হয়েছে, শুধুমাত্র এক দিরহাম জায়গা ছাড়া? তিনি বললেন, হ্যাঁ। প্রশ্ন করলেন, তোমার মা আছেন কি? তিনি বললেন, হ্যাঁ। তখন ‘উমার (রাঃ) বললেন, আমি রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি, তিনি বলেছেনঃ “তোমাদের নিকট মুরাদ গোষ্ঠীর কারান বংশের উওয়াইস ইবনু ‘আমির ইয়ামানের সাহায্যকারী দলের সাথে আসবে। তাঁর কুষ্ঠরোগ ছিল। পরে তিনি সুস্থ হয়ে গেছেন। কেবলমাত্র এক দিরহাম ব্যতীত। তাঁর মা রয়েছেন। সে তাঁর প্রতি অতি সেবাপরায়ণ। এমন লোক আল্লাহর উপর শপথ করে নিলে আল্লাহ তা পূর্ণ করে দেন। সুতরাং তুমি যদি তোমার জন্য তাঁর নিকট মাফফিরাতের দু’আ প্রার্থনার সুযোগ পাও তাহলে তা করবে।” কাজেই আপনি আমার জন্য মাগফিরাতের দু’আ কামনা করুন। তখন উওয়াইস (রাঃ) তাঁর মাগফিরাতের জন্য দু’আ প্রার্থনা করলেন। তারপর ‘উমার (রাঃ) তাকে বললেন, তুমি কোথায় যেতে চাও? তিনি বললেন, কুফাহ্ অঞ্চলে। ‘উমার (রাঃ) বললেন, আমি কি তোমার জন্য কূফার প্রশাসকের নিকট চিঠি লিখে দিব? তিনি বললেন, আমি বিনীত ও দারিদ্র-পীড়িত লোকদের মধ্যে অবস্থান করাই পছন্দ করি। রাবী বলেন, পরবর্তী বছরে তাঁদের অভিজাত লোকেদের মাঝে এক লোক হাজ্জ করতে আসলো এবং ‘উমার (রাঃ)-এর সাথে তাঁর দেখা হলো। তখন তিনি তাকে উওয়াইস কারানী (রাঃ)-এর অবস্থা সম্বন্ধে প্রশ্ন করলেন। সে বলল, আমি তাঁকে নিঃস্ব দরিদ্র অবস্থায় রেখে এসেছি। তিনি বললেন, আমি রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি যে, তিনি বলেছেনঃ তোমাদের নিকট কারান বংশের মুরাদ গোত্রের উওয়াইস ইবনু ‘আমির (রাঃ) ইয়ামানের একদল সাহায্যকারীদের সাথে আসবে। তাঁর ছিল কুষ্ঠরোগ। সে তা থেকে নিরাময় লাভ করে, এক দিরহাম জায়গা ছাড়া। তাঁর মা আছেন, সে তাঁর প্রতি অতি সেবাপরায়ণ। সে যদি আল্লাহর নামে শপথ করে তাহলে আল্লাহ তা’আলা তা পূরণ করে দেন। তোমরা নিজের জন্য তাঁর নিকট মাগফিরাত-এর দু’আ কামনা করুন। তিনি বললেন, আপনি তো নেক সফর থেকে সবেমাত্র এসেছেন। কাজেই আপনি আমার জন্য মাগফিরাতের দু’আ প্রার্থনা করুন। সে লোক বলল, আপনি আমার জন্য মাগফিরাতের দু’আ কামনা করুন। উওয়াইস (রাঃ) বললেন, আপনি সদ্য নেক সফর থেকে এসেছেন, আপনি আমার মাগফিরাতের জন্য দু’আ করুন। অতঃপর তিনি প্রশ্ন করলেন, আপনি কি ‘উমার (রাঃ)-এর দেখা পেয়েছেন? সে বলল, হ্যাঁ। তখন তিনি তাঁর জন্য মাগফিরাতের দু’আ কামনা করলেন। তখন লোকেরা তাঁর মর্যাদা সম্বন্ধে অবগত হলেন। এরপর তিনি তাঁর সামনে চললেন। উসায়র বলেন, আমি তাঁকে একটি ডোরাদার চাদর পরিয়ে দিলাম। অতঃপর কোন লোক যখন তাঁকে দেখতো তখন জানতে চাইতো, উওয়াইসের নিকট এ চাদরটি কোত্থেকে আসলো? (ই.ফা.৬২৬১, ই.সে. ৬৩১০)

حدثنا إسحاق بن إبراهيم الحنظلي، ومحمد بن المثنى، ومحمد بن بشار، - قال إسحاق أخبرنا وقال الآخران، حدثنا - واللفظ، لابن المثنى - حدثنا معاذ بن هشام، حدثني أبي، عن قتادة، عن زرارة بن أوفى، عن أسير بن جابر، قال كان عمر بن الخطاب إذا أتى عليه أمداد أهل اليمن سألهم أفيكم أويس بن عامر حتى أتى على أويس فقال أنت أويس بن عامر قال نعم ‏.‏ قال من مراد ثم من قرن قال نعم ‏.‏ قال فكان بك برص فبرأت منه إلا موضع درهم قال نعم ‏.‏ قال لك والدة قال نعم ‏.‏ قال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول ‏"‏ يأتي عليكم أويس بن عامر مع أمداد أهل اليمن من مراد ثم من قرن كان به برص فبرأ منه إلا موضع درهم له والدة هو بها بر لو أقسم على الله لأبره فإن استطعت أن يستغفر لك فافعل ‏"‏ ‏.‏ فاستغفر لي ‏.‏ فاستغفر له ‏.‏ فقال له عمر أين تريد قال الكوفة ‏.‏ قال ألا أكتب لك إلى عاملها قال أكون في غبراء الناس أحب إلى ‏.‏ قال فلما كان من العام المقبل حج رجل من أشرافهم فوافق عمر فسأله عن أويس قال تركته رث البيت قليل المتاع ‏.‏ قال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول ‏"‏ يأتي عليكم أويس بن عامر مع أمداد أهل اليمن من مراد ثم من قرن كان به برص فبرأ منه إلا موضع درهم له والدة هو بها بر لو أقسم على الله لأبره فإن استطعت أن يستغفر لك فافعل ‏"‏ ‏.‏ فأتى أويسا فقال استغفر لي ‏.‏ قال أنت أحدث عهدا بسفر صالح فاستغفر لي ‏.‏ قال استغفر لي ‏.‏ قال أنت أحدث عهدا بسفر صالح فاستغفر لي ‏.‏ قال لقيت عمر قال نعم ‏.‏ فاستغفر له ‏.‏ ففطن له الناس فانطلق على وجهه ‏.‏ قال أسير وكسوته بردة فكان كلما رآه إنسان قال من أين لأويس هذه البردة


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00