সহিহ মুসলিম > কুরায়শ নারীদের ফযিলত
সহিহ মুসলিম ৬৩৫০
حدثنا ابن أبي عمر، حدثنا سفيان بن عيينة، عن أبي الزناد، عن الأعرج، عن أبي هريرة، وعن ابن طاوس، عن أبيه، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " خير نساء ركبن الإبل - قال أحدهما صالح نساء قريش . وقال الآخر نساء قريش - أحناه على يتيم في صغره وأرعاه على زوج في ذات يده " .
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ সর্বোত্তম মহিলা তারাই যারা উষ্ট্রে আরোহণ করে। রাবীদের একজন বলেন, কুরায়শ নারীই নেক বখ্ত সতী-সাধ্বী। অন্যজন বলেন, কুরাইশী ইয়াতীমদের প্রতি অত্যন্ত স্নেহশীল ও মেহেরবান এবং তারা তাদের স্বামীর ধন-সম্পদের প্রতি বিশ্বস্ত রক্ষক। (ই. ফা. ৬২২৬, ই. সে. ৬৩৭৪)
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ সর্বোত্তম মহিলা তারাই যারা উষ্ট্রে আরোহণ করে। রাবীদের একজন বলেন, কুরায়শ নারীই নেক বখ্ত সতী-সাধ্বী। অন্যজন বলেন, কুরাইশী ইয়াতীমদের প্রতি অত্যন্ত স্নেহশীল ও মেহেরবান এবং তারা তাদের স্বামীর ধন-সম্পদের প্রতি বিশ্বস্ত রক্ষক। (ই. ফা. ৬২২৬, ই. সে. ৬৩৭৪)
حدثنا ابن أبي عمر، حدثنا سفيان بن عيينة، عن أبي الزناد، عن الأعرج، عن أبي هريرة، وعن ابن طاوس، عن أبيه، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " خير نساء ركبن الإبل - قال أحدهما صالح نساء قريش . وقال الآخر نساء قريش - أحناه على يتيم في صغره وأرعاه على زوج في ذات يده " .
সহিহ মুসলিম ৬৩৫২
حدثني حرملة بن يحيى، أخبرنا ابن وهب، أخبرني يونس، عن ابن شهاب، حدثني سعيد بن المسيب، أن أبا هريرة، قال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " نساء قريش خير نساء ركبن الإبل أحناه على طفل وأرعاه على زوج في ذات يده " . قال يقول أبو هريرة على إثر ذلك ولم تركب مريم بنت عمران بعيرا قط .
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে বলতে শুনেছি, উটের পিঠে আরোহণকারিণী মহিলাদের মধ্যে কুরাইশী মহিলারা সর্বোত্তম নারী। তারা শিশুদের প্রতি স্নেহশীল এবং স্বামীর ধন-সম্পদের ক্ষেত্রে বিশ্বস্ত রক্ষক। রাবী বলেন, আবূ হুরায়রা্ (রাঃ) এভাবেই বলতেন। আর মারইয়াম বিনতু ‘ইমরান (রাঃ) কক্ষনো উটে সরওয়ার হননি। (ই. ফা. ৬২২৮, ই. সে. ৬৩৭৬)
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে বলতে শুনেছি, উটের পিঠে আরোহণকারিণী মহিলাদের মধ্যে কুরাইশী মহিলারা সর্বোত্তম নারী। তারা শিশুদের প্রতি স্নেহশীল এবং স্বামীর ধন-সম্পদের ক্ষেত্রে বিশ্বস্ত রক্ষক। রাবী বলেন, আবূ হুরায়রা্ (রাঃ) এভাবেই বলতেন। আর মারইয়াম বিনতু ‘ইমরান (রাঃ) কক্ষনো উটে সরওয়ার হননি। (ই. ফা. ৬২২৮, ই. সে. ৬৩৭৬)
حدثني حرملة بن يحيى، أخبرنا ابن وهب، أخبرني يونس، عن ابن شهاب، حدثني سعيد بن المسيب، أن أبا هريرة، قال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " نساء قريش خير نساء ركبن الإبل أحناه على طفل وأرعاه على زوج في ذات يده " . قال يقول أبو هريرة على إثر ذلك ولم تركب مريم بنت عمران بعيرا قط .
সহিহ মুসলিম ৬৩৫৩
حدثني محمد بن رافع، وعبد بن حميد، قال عبد أخبرنا وقال ابن رافع، حدثنا عبد الرزاق، أخبرنا معمر، عن الزهري، عن ابن المسيب، عن أبي هريرة، أن النبي صلى الله عليه وسلم خطب أم هانئ بنت أبي طالب فقالت يا رسول الله إني قد كبرت ولي عيال . فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " خير نساء ركبن " . ثم ذكر بمثل حديث يونس غير أنه قال " أحناه على ولد في صغره " .
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আবূ তালিবের কন্যা উম্মু হানী (রাঃ) এর কাছে বিয়ের প্রস্তাব দিলেন। তখন তিনি বললেন, যে আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)! আমি তো বার্ধক্যে পৌছে গেছি এবং আমার সন্তানাদিও রয়েছে। তারপর রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ উটে আরোহনকারিণীদের মধ্যে (তুমি) সর্বোত্তম নারী। তারপর মা’মার (রাবী) ইউনুস বর্ণিত হাদীসের হুবহু উল্লেখ করেন। কিন্তু তার বর্ণনায় এতটুকু উল্লেখ করেছেন যে, তিনি বলেন, অর্থাৎ -“তারা শৈশবে সন্তানের প্রতি খুবই স্নেহশীল ও যত্নশীল”। (ই. ফা. ৬২২৯, ই. সে. ৬৩৭৭)
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আবূ তালিবের কন্যা উম্মু হানী (রাঃ) এর কাছে বিয়ের প্রস্তাব দিলেন। তখন তিনি বললেন, যে আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)! আমি তো বার্ধক্যে পৌছে গেছি এবং আমার সন্তানাদিও রয়েছে। তারপর রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ উটে আরোহনকারিণীদের মধ্যে (তুমি) সর্বোত্তম নারী। তারপর মা’মার (রাবী) ইউনুস বর্ণিত হাদীসের হুবহু উল্লেখ করেন। কিন্তু তার বর্ণনায় এতটুকু উল্লেখ করেছেন যে, তিনি বলেন, অর্থাৎ -“তারা শৈশবে সন্তানের প্রতি খুবই স্নেহশীল ও যত্নশীল”। (ই. ফা. ৬২২৯, ই. সে. ৬৩৭৭)
حدثني محمد بن رافع، وعبد بن حميد، قال عبد أخبرنا وقال ابن رافع، حدثنا عبد الرزاق، أخبرنا معمر، عن الزهري، عن ابن المسيب، عن أبي هريرة، أن النبي صلى الله عليه وسلم خطب أم هانئ بنت أبي طالب فقالت يا رسول الله إني قد كبرت ولي عيال . فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " خير نساء ركبن " . ثم ذكر بمثل حديث يونس غير أنه قال " أحناه على ولد في صغره " .
সহিহ মুসলিম ৬৩৫৪
حدثني محمد بن رافع، وعبد بن حميد، قال ابن رافع حدثنا وقال عبد، أخبرنا عبد الرزاق، أخبرنا معمر، عن ابن طاوس، عن أبيه، عن أبي هريرة، ح وحدثنا معمر، عن همام بن منبه، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " خير نساء ركبن الإبل صالح نساء قريش أحناه على ولد في صغره وأرعاه على زوج في ذات يده " .
আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছনঃ উটে আরোহণকারিণী নারীদের মধ্যে কুরাইশী সৎ নারীরাই উত্তম। তাঁরা তাঁদের সন্তানদের প্রতি শৈশবে যত্নবান এবং স্বামীর ধন-সম্পদের রক্ষণাবেক্ষণের ব্যাপারে বিশ্বস্ত দায়িত্বশীল। (ই. ফা. ৬২৩০, ই. সে. ৬৩৭৮)
আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছনঃ উটে আরোহণকারিণী নারীদের মধ্যে কুরাইশী সৎ নারীরাই উত্তম। তাঁরা তাঁদের সন্তানদের প্রতি শৈশবে যত্নবান এবং স্বামীর ধন-সম্পদের রক্ষণাবেক্ষণের ব্যাপারে বিশ্বস্ত দায়িত্বশীল। (ই. ফা. ৬২৩০, ই. সে. ৬৩৭৮)
حدثني محمد بن رافع، وعبد بن حميد، قال ابن رافع حدثنا وقال عبد، أخبرنا عبد الرزاق، أخبرنا معمر، عن ابن طاوس، عن أبيه، عن أبي هريرة، ح وحدثنا معمر، عن همام بن منبه، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " خير نساء ركبن الإبل صالح نساء قريش أحناه على ولد في صغره وأرعاه على زوج في ذات يده " .
সহিহ মুসলিম ৬৩৫১
حدثنا عمرو الناقد، حدثنا سفيان، عن أبي الزناد، عن الأعرج، عن أبي هريرة، يبلغ به النبي صلى الله عليه وسلم وابن طاوس عن أبيه يبلغ به النبي صلى الله عليه وسلم . بمثله غير أنه قال " أرعاه على ولد في صغره " . ولم يقل يتيم .
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) সূত্র থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে অবিকল বর্ণনা করেছেন। কিন্তু তার বর্ণনায় একটু আলাদা আছে-“শৈশবে তারা তাদের শিশুদের প্রতি অত্যন্ত দয়াশীল” এবং তিনি . . . ‘ইয়াতীম’ শব্দটি বলেননি। (ই. ফা. ৬২২৭, ই. সে. ৬৩৭৫)
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) সূত্র থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে অবিকল বর্ণনা করেছেন। কিন্তু তার বর্ণনায় একটু আলাদা আছে-“শৈশবে তারা তাদের শিশুদের প্রতি অত্যন্ত দয়াশীল” এবং তিনি . . . ‘ইয়াতীম’ শব্দটি বলেননি। (ই. ফা. ৬২২৭, ই. সে. ৬৩৭৫)
حدثنا عمرو الناقد، حدثنا سفيان، عن أبي الزناد، عن الأعرج، عن أبي هريرة، يبلغ به النبي صلى الله عليه وسلم وابن طاوس عن أبيه يبلغ به النبي صلى الله عليه وسلم . بمثله غير أنه قال " أرعاه على ولد في صغره " . ولم يقل يتيم .
সহিহ মুসলিম ৬৩৫৫
حدثني أحمد بن عثمان بن حكيم الأودي، حدثنا خالد، - يعني ابن مخلد - حدثني سليمان، - وهو ابن بلال - حدثني سهيل، عن أبيه، عن أبي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم . بمثل حديث معمر هذا سواء .
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) এর সানাদ থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে বর্ণিত মা’মার এর হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। (ই. ফা. ৬২৩১, ই. সে. ৬৩৭৯)
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) এর সানাদ থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে বর্ণিত মা’মার এর হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। (ই. ফা. ৬২৩১, ই. সে. ৬৩৭৯)
حدثني أحمد بن عثمان بن حكيم الأودي، حدثنا خالد، - يعني ابن مخلد - حدثني سليمان، - وهو ابن بلال - حدثني سهيل، عن أبيه، عن أبي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم . بمثل حديث معمر هذا سواء .
সহিহ মুসলিম > নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কর্তৃক সাহাবায়ে কিরাম (রাঃ) এর পরস্পরের মধ্যে ভ্রাতৃসম্পর্ক স্থাপন করার বিবরণ
সহিহ মুসলিম ৬৩৫৬
حدثني حجاج بن الشاعر، حدثنا عبد الصمد، حدثنا حماد، - يعني ابن سلمة - عن ثابت، عن أنس، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم آخى بين أبي عبيدة بن الجراح وبين أبي طلحة .
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আবূ ‘উবাইদাহ্ ইবনুল জার্রাহ (রাঃ) ও আবূ তাল্হাহ্ (রাঃ) এর মাঝে ভ্রাতৃসম্পর্ক স্থাপন করে দিয়েছিলেন। (ই. ফা. ৬২৩২, ই. সে. ৬৩৮০)
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আবূ ‘উবাইদাহ্ ইবনুল জার্রাহ (রাঃ) ও আবূ তাল্হাহ্ (রাঃ) এর মাঝে ভ্রাতৃসম্পর্ক স্থাপন করে দিয়েছিলেন। (ই. ফা. ৬২৩২, ই. সে. ৬৩৮০)
حدثني حجاج بن الشاعر، حدثنا عبد الصمد، حدثنا حماد، - يعني ابن سلمة - عن ثابت، عن أنس، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم آخى بين أبي عبيدة بن الجراح وبين أبي طلحة .
সহিহ মুসলিম ৬৩৫৮
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، ومحمد بن عبد الله بن نمير، قالا حدثنا عبدة بن، سليمان عن عاصم، عن أنس، قال حالف رسول الله صلى الله عليه وسلم بين قريش والأنصار في داره التي بالمدينة .
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কুরায়াশ ও আনসারদের মাঝে মাদীনাতে তাঁর গৃহে বসেই সহযোগিতা চুক্তি সম্পাদন করেছিলেন। (ই.ফা. ৬২৩৪,ই.স ৬২৮২)
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কুরায়াশ ও আনসারদের মাঝে মাদীনাতে তাঁর গৃহে বসেই সহযোগিতা চুক্তি সম্পাদন করেছিলেন। (ই.ফা. ৬২৩৪,ই.স ৬২৮২)
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، ومحمد بن عبد الله بن نمير، قالا حدثنا عبدة بن، سليمان عن عاصم، عن أنس، قال حالف رسول الله صلى الله عليه وسلم بين قريش والأنصار في داره التي بالمدينة .
সহিহ মুসলিম ৬৩৫৯
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا عبد الله بن نمير، وأبو أسامة عن زكرياء، عن سعد بن إبراهيم، عن أبيه، عن جبير بن مطعم، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " لا حلف في الإسلام وأيما حلف كان في الجاهلية لم يزده الإسلام إلا شدة " .
জুবায়র ইবনু মুত’ইম (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ ইসলামে অবৈধ চুক্তির কোন অবকাশ নেই। তবে জাহিলী যুগে ভাল কাজের উদ্দেশ্যে যে সব চুক্তি সম্পাদিত হয়েছে তা ইসলামে আরও মজবুত ও শক্তিশালী করে দিয়েছে। (ই.ফা. ৬২৩৫, ই.স ৬২৮৩)
জুবায়র ইবনু মুত’ইম (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ ইসলামে অবৈধ চুক্তির কোন অবকাশ নেই। তবে জাহিলী যুগে ভাল কাজের উদ্দেশ্যে যে সব চুক্তি সম্পাদিত হয়েছে তা ইসলামে আরও মজবুত ও শক্তিশালী করে দিয়েছে। (ই.ফা. ৬২৩৫, ই.স ৬২৮৩)
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا عبد الله بن نمير، وأبو أسامة عن زكرياء، عن سعد بن إبراهيم، عن أبيه، عن جبير بن مطعم، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " لا حلف في الإسلام وأيما حلف كان في الجاهلية لم يزده الإسلام إلا شدة " .
সহিহ মুসলিম ৬৩৫৭
حدثني أبو جعفر، محمد بن الصباح حدثنا حفص بن غياث، حدثنا عاصم الأحول، قال قيل لأنس بن مالك بلغك أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " لا حلف في الإسلام " . فقال أنس قد حالف رسول الله صلى الله عليه وسلم بين قريش والأنصار في داره .
আলিম ইবনুল আহওয়াল (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) কে প্রশ্ন করা হলো, আপনার নিকট কি এ মর্মে রিওয়ায়াত পৌঁছেছে যে রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ ইসলামে কোন হলফ-মৈত্রী স্থাপন নেই? তখন আনাস (রাঃ) বললেন, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কুরায়াশ ও আনসারদের মাঝে তাঁর গৃহে বসেই বন্ধুত্ব –চুক্তি করেছিলেন। (ই.ফা. ৬২৩৩,ই.স ৬২৮১)
আলিম ইবনুল আহওয়াল (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) কে প্রশ্ন করা হলো, আপনার নিকট কি এ মর্মে রিওয়ায়াত পৌঁছেছে যে রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ ইসলামে কোন হলফ-মৈত্রী স্থাপন নেই? তখন আনাস (রাঃ) বললেন, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কুরায়াশ ও আনসারদের মাঝে তাঁর গৃহে বসেই বন্ধুত্ব –চুক্তি করেছিলেন। (ই.ফা. ৬২৩৩,ই.স ৬২৮১)
حدثني أبو جعفر، محمد بن الصباح حدثنا حفص بن غياث، حدثنا عاصم الأحول، قال قيل لأنس بن مالك بلغك أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " لا حلف في الإسلام " . فقال أنس قد حالف رسول الله صلى الله عليه وسلم بين قريش والأنصار في داره .
সহিহ মুসলিম > রসূলুল্লাহ্ এর উপস্থিতি তাঁর সহাবাদের নিরাপত্তা ছিল এবং সহাবাগণের উপস্থিতি সমগ্র উন্মাতের জন্য শান্তি ও নিরাপত্তা নিয়ামক ছিল
সহিহ মুসলিম ৬৩৬০
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وإسحاق بن إبراهيم، وعبد الله بن عمر بن أبان، كلهم عن حسين، - قال أبو بكر حدثنا حسين بن علي الجعفي، - عن مجمع بن يحيى، عن سعيد بن أبي بردة، عن أبي بردة، عن أبيه، قال صلينا المغرب مع رسول الله صلى الله عليه وسلم ثم قلنا لو جلسنا حتى نصلي معه العشاء - قال - فجلسنا فخرج علينا فقال " ما زلتم ها هنا " . قلنا يا رسول الله صلينا معك المغرب ثم قلنا نجلس حتى نصلي معك العشاء قال " أحسنتم أو أصبتم " . قال فرفع رأسه إلى السماء وكان كثيرا مما يرفع رأسه إلى السماء فقال " النجوم أمنة للسماء فإذا ذهبت النجوم أتى السماء ما توعد وأنا أمنة لأصحابي فإذا ذهبت أتى أصحابي ما يوعدون وأصحابي أمنة لأمتي فإذا ذهب أصحابي أتى أمتي ما يوعدون " .
আবূ বুরদাহ (রাঃ) এর পিতা সানাদ থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন আমরা বললাম, আমরা যদি তাঁর সাথে ইশার সালাত আদায় করা পর্যন্ত উপবিষ্ট হতে পারতাম (তা হলে কতই না ভালো হতো)। রাবী বলেন, আমরা বসে থাকলাম। তখন রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের নিকট আসলেন। তারপর তিনি বললেনঃ তোমরা এখনো পর্যন্ত এখানে উপবিষ্ট আছ? আমরা বললাম, হে আল্লাহর রাসূল আমরা আপনার সাথে মাগরিবের সলাত আদায় করেছি। তারপর আমরা বললাম যে ইশার সলাত আপনার সাথে আদায় করার জন্য বসে অপেক্ষা করি। তিনি বললেনঃ তোমরা অনেক ভাল করেছ কিংবা তোমরা ঠিক করেছ। তিনি (রাবী) বলেন, তারপর তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আকাশের দিকে মাথা তুললেন এবং তিনি অধিকাংশ সময়ই আকাশের পানে তাঁর মাথা তুলতেন। অতঃপর তিনি বললেন তারকারাজি অবস্থানের কারণেই আকাশ স্থিতিশীল রয়েছে। তারকারাজি যখন বিক্ষিপ্ত হয়ে পড়বে তখন আকাশের জন্য ওয়া’দাকৃত বিপদ আসন্ন হবে (অর্থ্যাৎ- কিয়ামাত এসে যাবে এবং আসমান ফেটে চৌচির হয়ে যাবে)। আর আমি আমার সাহাবাদের জন্য শান্তি ও নিরাপত্তা স্বরুপ। আমি যখন বিদায় নিব তখন আমার সাহাবাদের উপর ওয়া’দাকৃত সময় এসে সমুপস্থিত হয়ে যাবে (অর্থ্যাৎ - ফিতনা-ফাসাদ ও দ্বন্দ সংঘাত লেগে যাবে)। আর আমার সাহাবাগণ সকল উন্মাতের জন্য রক্ষাকবচ স্বরুপ। আমার সাহাবীগণ যখন বিদায় হয়ে যাবে তখন আমার উন্মাতের উপর ওয়া’দাকৃত বিষয উপস্থিত হবে। [৪০] (ই.ফা. ৬২৩৬, ই.স ৬২৮৪)
আবূ বুরদাহ (রাঃ) এর পিতা সানাদ থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন আমরা বললাম, আমরা যদি তাঁর সাথে ইশার সালাত আদায় করা পর্যন্ত উপবিষ্ট হতে পারতাম (তা হলে কতই না ভালো হতো)। রাবী বলেন, আমরা বসে থাকলাম। তখন রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের নিকট আসলেন। তারপর তিনি বললেনঃ তোমরা এখনো পর্যন্ত এখানে উপবিষ্ট আছ? আমরা বললাম, হে আল্লাহর রাসূল আমরা আপনার সাথে মাগরিবের সলাত আদায় করেছি। তারপর আমরা বললাম যে ইশার সলাত আপনার সাথে আদায় করার জন্য বসে অপেক্ষা করি। তিনি বললেনঃ তোমরা অনেক ভাল করেছ কিংবা তোমরা ঠিক করেছ। তিনি (রাবী) বলেন, তারপর তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আকাশের দিকে মাথা তুললেন এবং তিনি অধিকাংশ সময়ই আকাশের পানে তাঁর মাথা তুলতেন। অতঃপর তিনি বললেন তারকারাজি অবস্থানের কারণেই আকাশ স্থিতিশীল রয়েছে। তারকারাজি যখন বিক্ষিপ্ত হয়ে পড়বে তখন আকাশের জন্য ওয়া’দাকৃত বিপদ আসন্ন হবে (অর্থ্যাৎ- কিয়ামাত এসে যাবে এবং আসমান ফেটে চৌচির হয়ে যাবে)। আর আমি আমার সাহাবাদের জন্য শান্তি ও নিরাপত্তা স্বরুপ। আমি যখন বিদায় নিব তখন আমার সাহাবাদের উপর ওয়া’দাকৃত সময় এসে সমুপস্থিত হয়ে যাবে (অর্থ্যাৎ - ফিতনা-ফাসাদ ও দ্বন্দ সংঘাত লেগে যাবে)। আর আমার সাহাবাগণ সকল উন্মাতের জন্য রক্ষাকবচ স্বরুপ। আমার সাহাবীগণ যখন বিদায় হয়ে যাবে তখন আমার উন্মাতের উপর ওয়া’দাকৃত বিষয উপস্থিত হবে। [৪০] (ই.ফা. ৬২৩৬, ই.স ৬২৮৪)
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وإسحاق بن إبراهيم، وعبد الله بن عمر بن أبان، كلهم عن حسين، - قال أبو بكر حدثنا حسين بن علي الجعفي، - عن مجمع بن يحيى، عن سعيد بن أبي بردة، عن أبي بردة، عن أبيه، قال صلينا المغرب مع رسول الله صلى الله عليه وسلم ثم قلنا لو جلسنا حتى نصلي معه العشاء - قال - فجلسنا فخرج علينا فقال " ما زلتم ها هنا " . قلنا يا رسول الله صلينا معك المغرب ثم قلنا نجلس حتى نصلي معك العشاء قال " أحسنتم أو أصبتم " . قال فرفع رأسه إلى السماء وكان كثيرا مما يرفع رأسه إلى السماء فقال " النجوم أمنة للسماء فإذا ذهبت النجوم أتى السماء ما توعد وأنا أمنة لأصحابي فإذا ذهبت أتى أصحابي ما يوعدون وأصحابي أمنة لأمتي فإذا ذهب أصحابي أتى أمتي ما يوعدون " .
সহিহ মুসলিম > সহাবাহ, তাবিঈ ও তাবি তাব’ঈগণের ফাযীলত
সহিহ মুসলিম ৬৩৬৩
حدثنا قتيبة بن سعيد، وهناد بن السري، قالا حدثنا أبو الأحوص، عن منصور، عن إبراهيم بن يزيد، عن عبيدة السلماني، عن عبد الله، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " خير أمتي القرن الذين يلوني ثم الذين يلونهم ثم الذين يلونهم ثم يجيء قوم تسبق شهادة أحدهم يمينه ويمينه شهادته " . لم يذكر هناد القرن في حديثه وقال قتيبة " ثم يجيء أقوام " .
আবদুল্লাহ ইবনু মাসউদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আমার উম্মাতের মাঝে সর্বাধিক উত্তম তারাই আমার যুগের সাথে সংশ্লিষ্ট লোকেরা ( অর্থ্যাৎ সাহাবাগণ)। তারপর তাদের সন্নিকটবর্তী সংযুক্ত যুগের লোক ( অর্থ্যাৎ তাবি’ঈগণ)।। তারপর তাদের সংযুক্ত যুগ ( অর্থ্যাৎ তাবি তাবি‘ঈগণ )। অতঃপর এমন সম্প্রদায়ের উদ্ভব হবে যারা শপথের পূর্বে সাক্ষী দিবে এবং সাক্ষীর পূর্বে শপথ করবে। আর হান্নাদ তার হাদীসে (যুগ বা সময় ) কথাটি বর্ননা করেননি এবং কুতাইবাহ বলেছেন অতঃপর অনেক সম্প্রদায়ের সৃষ্টি হবে। (ই.ফা. ৬২৩৯, ই.স ৬২৮৭)
আবদুল্লাহ ইবনু মাসউদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আমার উম্মাতের মাঝে সর্বাধিক উত্তম তারাই আমার যুগের সাথে সংশ্লিষ্ট লোকেরা ( অর্থ্যাৎ সাহাবাগণ)। তারপর তাদের সন্নিকটবর্তী সংযুক্ত যুগের লোক ( অর্থ্যাৎ তাবি’ঈগণ)।। তারপর তাদের সংযুক্ত যুগ ( অর্থ্যাৎ তাবি তাবি‘ঈগণ )। অতঃপর এমন সম্প্রদায়ের উদ্ভব হবে যারা শপথের পূর্বে সাক্ষী দিবে এবং সাক্ষীর পূর্বে শপথ করবে। আর হান্নাদ তার হাদীসে (যুগ বা সময় ) কথাটি বর্ননা করেননি এবং কুতাইবাহ বলেছেন অতঃপর অনেক সম্প্রদায়ের সৃষ্টি হবে। (ই.ফা. ৬২৩৯, ই.স ৬২৮৭)
حدثنا قتيبة بن سعيد، وهناد بن السري، قالا حدثنا أبو الأحوص، عن منصور، عن إبراهيم بن يزيد، عن عبيدة السلماني، عن عبد الله، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " خير أمتي القرن الذين يلوني ثم الذين يلونهم ثم الذين يلونهم ثم يجيء قوم تسبق شهادة أحدهم يمينه ويمينه شهادته " . لم يذكر هناد القرن في حديثه وقال قتيبة " ثم يجيء أقوام " .
সহিহ মুসলিম ৬৩৬৪
حدثنا عثمان بن أبي شيبة، وإسحاق بن إبراهيم الحنظلي، قال إسحاق أخبرنا وقال، عثمان حدثنا جرير، عن منصور، عن إبراهيم، عن عبيدة، عن عبد الله، قال سئل رسول الله صلى الله عليه وسلم أى الناس خير قال " قرني ثم الذين يلونهم ثم الذين يلونهم ثم يجيء قوم تبدر شهادة أحدهم يمينه وتبدر يمينه شهادته " . قال إبراهيم كانوا ينهوننا ونحن غلمان عن العهد والشهادات .
আবদুল্লাহ ইবনু মাস'উদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে প্রশ্ন করা হলো সর্বোত্তম লোক কে? তিনি বললেনঃ আমার যুগের লোক, তারপর তাদের সন্নিকটবর্তী যুগ, তারপর তাদের সন্নিকটবর্তী যুগ। তারপর এমন এক সম্প্রদায়ের সৃষ্টি হবে, যাদের সাক্ষীর পূর্বে শপথ ত্বরান্বিত হবে এবং শপথের পূর্বে সাক্ষী সংঘটিত হবে। ইবরাহীম বলেছেন আমাদের শৈশবে লোকেরা আমাদেরকে শপথ এবং সাক্ষ্য দান হতে বারণ করেছেন। (ই.ফা. ৬২৪০, ই.স ৬২৮৮)
আবদুল্লাহ ইবনু মাস'উদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে প্রশ্ন করা হলো সর্বোত্তম লোক কে? তিনি বললেনঃ আমার যুগের লোক, তারপর তাদের সন্নিকটবর্তী যুগ, তারপর তাদের সন্নিকটবর্তী যুগ। তারপর এমন এক সম্প্রদায়ের সৃষ্টি হবে, যাদের সাক্ষীর পূর্বে শপথ ত্বরান্বিত হবে এবং শপথের পূর্বে সাক্ষী সংঘটিত হবে। ইবরাহীম বলেছেন আমাদের শৈশবে লোকেরা আমাদেরকে শপথ এবং সাক্ষ্য দান হতে বারণ করেছেন। (ই.ফা. ৬২৪০, ই.স ৬২৮৮)
حدثنا عثمان بن أبي شيبة، وإسحاق بن إبراهيم الحنظلي، قال إسحاق أخبرنا وقال، عثمان حدثنا جرير، عن منصور، عن إبراهيم، عن عبيدة، عن عبد الله، قال سئل رسول الله صلى الله عليه وسلم أى الناس خير قال " قرني ثم الذين يلونهم ثم الذين يلونهم ثم يجيء قوم تبدر شهادة أحدهم يمينه وتبدر يمينه شهادته " . قال إبراهيم كانوا ينهوننا ونحن غلمان عن العهد والشهادات .
সহিহ মুসলিম ৬৩৬৬
وحدثني الحسن بن علي الحلواني، حدثنا أزهر بن سعد السمان، عن ابن عون، عن إبراهيم، عن عبيدة، عن عبد الله، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " خير الناس قرني ثم الذين يلونهم ثم الذين يلونهم " . فلا أدري في الثالثة أو في الرابعة قال " ثم يتخلف من بعدهم خلف تسبق شهادة أحدهم يمينه ويمينه شهادته " .
আব্দুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেছেনঃ সর্বোত্তম লোক আমার যুগের লোক (অর্থ্যাৎ সাহাববীগণ)। তারপর তাদের সাথে সংশ্লিষ্ট অর্থ্যাৎ তা’বিঈগণ। তারপর তাদের সাথে সংশ্লিষ্ট ( অর্থ্যাৎ তাবি তা’বিঈগণ )। তারপর তিনি বলেন তৃতীয় অথবা চতুর্থটি সর্ম্পকে আমি অজ্ঞাত। তিনি (রাবী) বলেন তারপর তাদের পরবর্তীতে এমন লোক আসবে যাদের কেউ কেউ শপথের পূর্বে সাক্ষী দেবে এবং সাক্ষ্যের পূর্বে শপথ করবে।(ই.ফা. ৬২৪২, ই.স ৬২৯০)
আব্দুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেছেনঃ সর্বোত্তম লোক আমার যুগের লোক (অর্থ্যাৎ সাহাববীগণ)। তারপর তাদের সাথে সংশ্লিষ্ট অর্থ্যাৎ তা’বিঈগণ। তারপর তাদের সাথে সংশ্লিষ্ট ( অর্থ্যাৎ তাবি তা’বিঈগণ )। তারপর তিনি বলেন তৃতীয় অথবা চতুর্থটি সর্ম্পকে আমি অজ্ঞাত। তিনি (রাবী) বলেন তারপর তাদের পরবর্তীতে এমন লোক আসবে যাদের কেউ কেউ শপথের পূর্বে সাক্ষী দেবে এবং সাক্ষ্যের পূর্বে শপথ করবে।(ই.ফা. ৬২৪২, ই.স ৬২৯০)
وحدثني الحسن بن علي الحلواني، حدثنا أزهر بن سعد السمان، عن ابن عون، عن إبراهيم، عن عبيدة، عن عبد الله، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " خير الناس قرني ثم الذين يلونهم ثم الذين يلونهم " . فلا أدري في الثالثة أو في الرابعة قال " ثم يتخلف من بعدهم خلف تسبق شهادة أحدهم يمينه ويمينه شهادته " .
সহিহ মুসলিম ৬৩৬৭
حدثني يعقوب بن إبراهيم، حدثنا هشيم، عن أبي بشر، ح وحدثني إسماعيل، بن سالم أخبرنا هشيم، أخبرنا أبو بشر، عن عبد الله بن شقيق، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " خير أمتي القرن الذين بعثت فيهم ثم الذين يلونهم " . والله أعلم أذكر الثالث أم لا قال " ثم يخلف قوم يحبون السمانة يشهدون قبل أن يستشهدوا " .
আবু হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন সর্বোত্তম লোক তারা, যাদের মাঝে আমি আদিষ্ট হয়েছি (অর্থ্যাৎ সাহাবাগণ)। তারপর তাদের সাথে সংশ্লিষ্ট লোকজন ( অর্থ্যাৎ তা’বিঈগণ)। আর আল্লাহই সর্বাধিক জ্ঞাত। তারপর তিনি তৃতীয়টি বর্ননা করেছেন কি-না আমার মনে নেই। রাবী বলেন তারপর এমন এক সম্প্রদায়ের উদ্ভব হবে যারা মোটা-সোটা হওয়া পছন্দ করবে এবং সাক্ষ্য দিতে ডাকার আগেই সাক্ষ্য প্রদান করবে।(ই.ফা. ৬২৪৩, ই.স ৬২৯১)
আবু হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন সর্বোত্তম লোক তারা, যাদের মাঝে আমি আদিষ্ট হয়েছি (অর্থ্যাৎ সাহাবাগণ)। তারপর তাদের সাথে সংশ্লিষ্ট লোকজন ( অর্থ্যাৎ তা’বিঈগণ)। আর আল্লাহই সর্বাধিক জ্ঞাত। তারপর তিনি তৃতীয়টি বর্ননা করেছেন কি-না আমার মনে নেই। রাবী বলেন তারপর এমন এক সম্প্রদায়ের উদ্ভব হবে যারা মোটা-সোটা হওয়া পছন্দ করবে এবং সাক্ষ্য দিতে ডাকার আগেই সাক্ষ্য প্রদান করবে।(ই.ফা. ৬২৪৩, ই.স ৬২৯১)
حدثني يعقوب بن إبراهيم، حدثنا هشيم، عن أبي بشر، ح وحدثني إسماعيل، بن سالم أخبرنا هشيم، أخبرنا أبو بشر، عن عبد الله بن شقيق، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " خير أمتي القرن الذين بعثت فيهم ثم الذين يلونهم " . والله أعلم أذكر الثالث أم لا قال " ثم يخلف قوم يحبون السمانة يشهدون قبل أن يستشهدوا " .
সহিহ মুসলিম ৬৩৬৯
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، ومحمد بن المثنى، وابن، بشار جميعا عن غندر، قال ابن المثنى حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، سمعت أبا جمرة، حدثني زهدم بن، مضرب سمعت عمران بن حصين، يحدث أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " إن خيركم قرني ثم الذين يلونهم ثم الذين يلونهم ثم الذين يلونهم " . قال عمران فلا أدري أقال رسول الله صلى الله عليه وسلم بعد قرنه مرتين أو ثلاثة " ثم يكون بعدهم قوم يشهدون ولا يستشهدون ويخونون ولا يتمنون وينذرون ولا يوفون ويظهر فيهم السمن " .
ইমরান ইবনু হুসায়ন (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমাদের মাঝে সর্বোত্তম আমার যুগের লোকেরা। তারপর তাদের সন্নিকটবতী যুগ। তারপর তাদের সন্নিকটবতী যুগ। ইরান (রাঃ) বলেন আমি স্মরণে নেই যে রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কি তাঁর যুগের পর দুযুগের নাকি তিন যুগের কথা বলে বর্ননা করেছেন। তারপর তাদের পরবর্তীতে এমন এক জাতির উদ্ভব হবে যারা সাক্ষ্য প্রদান করবে অথচ তাদের নিকট সাক্ষ্য তলব করা হবে না। আর তারা খিয়ানত করতে থাকবে আমানতদারী রক্ষা করবে না। তারা মানৎ করবে কিন্তু তা পূরণ করবে না। আর তাদের দেহে মোটা-সোটা হওয়া প্রকাশ পাবে। (ই.ফা. ৬২৪৫, ই.স ৬২৯৩)
ইমরান ইবনু হুসায়ন (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমাদের মাঝে সর্বোত্তম আমার যুগের লোকেরা। তারপর তাদের সন্নিকটবতী যুগ। তারপর তাদের সন্নিকটবতী যুগ। ইরান (রাঃ) বলেন আমি স্মরণে নেই যে রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কি তাঁর যুগের পর দুযুগের নাকি তিন যুগের কথা বলে বর্ননা করেছেন। তারপর তাদের পরবর্তীতে এমন এক জাতির উদ্ভব হবে যারা সাক্ষ্য প্রদান করবে অথচ তাদের নিকট সাক্ষ্য তলব করা হবে না। আর তারা খিয়ানত করতে থাকবে আমানতদারী রক্ষা করবে না। তারা মানৎ করবে কিন্তু তা পূরণ করবে না। আর তাদের দেহে মোটা-সোটা হওয়া প্রকাশ পাবে। (ই.ফা. ৬২৪৫, ই.স ৬২৯৩)
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، ومحمد بن المثنى، وابن، بشار جميعا عن غندر، قال ابن المثنى حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، سمعت أبا جمرة، حدثني زهدم بن، مضرب سمعت عمران بن حصين، يحدث أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " إن خيركم قرني ثم الذين يلونهم ثم الذين يلونهم ثم الذين يلونهم " . قال عمران فلا أدري أقال رسول الله صلى الله عليه وسلم بعد قرنه مرتين أو ثلاثة " ثم يكون بعدهم قوم يشهدون ولا يستشهدون ويخونون ولا يتمنون وينذرون ولا يوفون ويظهر فيهم السمن " .
সহিহ মুসলিম ৬৩৬২
حدثني سعيد بن يحيى بن سعيد الأموي، حدثنا أبي، حدثنا ابن جريج، عن أبي، الزبير عن جابر، قال زعم أبو سعيد الخدري قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " يأتي على الناس زمان يبعث منهم البعث فيقولون انظروا هل تجدون فيكم أحدا من أصحاب النبي صلى الله عليه وسلم فيوجد الرجل فيفتح لهم به ثم يبعث البعث الثاني فيقولون هل فيهم من رأى أصحاب النبي صلى الله عليه وسلم فيفتح لهم به ثم يبعث البعث الثالث فيقال انظروا هل ترون فيهم من رأى من رأى أصحاب النبي صلى الله عليه وسلم ثم يكون البعث الرابع فيقال انظروا هل ترون فيهم أحدا رأى من رأى أحدا رأى أصحاب النبي صلى الله عليه وسلم فيوجد الرجل فيفتح لهم به " .
জাবির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন,আবু সাঈদ খুদরী (রাঃ) বলেন যে, রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ লোজনের উপর এমন সময় আসবে, যখন তাদের মাঝখান থেকে কোন অভিযাত্রী দল পাঠানো হবে। তারপর মানুষেরা কথোপকথন করবে, সন্ধান করো, তোমাদের মাঝে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর সাহাবীগণের কাউকে পাও কি না। তখন কোন একজন সাহাবী পাওয়া যাবে। তারপর তাঁর কারনে তাদের বিজয় অর্জিত হবে। এরপর দ্বিতীয় সেনাদল পাঠানো হবে। তখন মানুষেরা বলবে, তোমাদের মাঝে এমন কোন লোক আছেন কি, যিনি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর সাহাবীদের প্রত্যক্ষ করেছেন? তখন একজন (তাবিঈ)-কে পাওয়া যাবে। এরপর তাদের বিজয় লাভ হবে। তারপর তৃতীয় সেনাদল পাঠানো হবে। তখন প্রশ্ন করা হবে, খোঁজ করে দেখ, তাদের মাঝে তাদের কাউকে দেখতে পাও কি না, যারা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর সাহাবীদের সাহচর্য লাভকারী অর্থাৎ তাবিঈদের অন্তভূক্ত। তারপর চতুর্থ সেনাদল যুদ্ধে অবতীণ হবে। তখন জিজ্ঞেস করা হবে দেখ, তোমরা এদের মাঝে এমন কাউকে পাও কি-না, যারা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর সাহাবীদের সাহচর্য অর্জনকারীদের সাহচর্য লাভ করেছে অর্থাৎ কোন তাবি-তাবিঈকে প্রত্যক্ষ করেছে? তখন এক লোককে পাওয়া যাবে। অতঃপর তার কারণে তাদের বিজয় লাভ করবে। (ই.ফা. ৬২৩৮, ই.স ৬২৮৬)
জাবির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন,আবু সাঈদ খুদরী (রাঃ) বলেন যে, রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ লোজনের উপর এমন সময় আসবে, যখন তাদের মাঝখান থেকে কোন অভিযাত্রী দল পাঠানো হবে। তারপর মানুষেরা কথোপকথন করবে, সন্ধান করো, তোমাদের মাঝে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর সাহাবীগণের কাউকে পাও কি না। তখন কোন একজন সাহাবী পাওয়া যাবে। তারপর তাঁর কারনে তাদের বিজয় অর্জিত হবে। এরপর দ্বিতীয় সেনাদল পাঠানো হবে। তখন মানুষেরা বলবে, তোমাদের মাঝে এমন কোন লোক আছেন কি, যিনি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর সাহাবীদের প্রত্যক্ষ করেছেন? তখন একজন (তাবিঈ)-কে পাওয়া যাবে। এরপর তাদের বিজয় লাভ হবে। তারপর তৃতীয় সেনাদল পাঠানো হবে। তখন প্রশ্ন করা হবে, খোঁজ করে দেখ, তাদের মাঝে তাদের কাউকে দেখতে পাও কি না, যারা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর সাহাবীদের সাহচর্য লাভকারী অর্থাৎ তাবিঈদের অন্তভূক্ত। তারপর চতুর্থ সেনাদল যুদ্ধে অবতীণ হবে। তখন জিজ্ঞেস করা হবে দেখ, তোমরা এদের মাঝে এমন কাউকে পাও কি-না, যারা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর সাহাবীদের সাহচর্য অর্জনকারীদের সাহচর্য লাভ করেছে অর্থাৎ কোন তাবি-তাবিঈকে প্রত্যক্ষ করেছে? তখন এক লোককে পাওয়া যাবে। অতঃপর তার কারণে তাদের বিজয় লাভ করবে। (ই.ফা. ৬২৩৮, ই.স ৬২৮৬)
حدثني سعيد بن يحيى بن سعيد الأموي، حدثنا أبي، حدثنا ابن جريج، عن أبي، الزبير عن جابر، قال زعم أبو سعيد الخدري قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " يأتي على الناس زمان يبعث منهم البعث فيقولون انظروا هل تجدون فيكم أحدا من أصحاب النبي صلى الله عليه وسلم فيوجد الرجل فيفتح لهم به ثم يبعث البعث الثاني فيقولون هل فيهم من رأى أصحاب النبي صلى الله عليه وسلم فيفتح لهم به ثم يبعث البعث الثالث فيقال انظروا هل ترون فيهم من رأى من رأى أصحاب النبي صلى الله عليه وسلم ثم يكون البعث الرابع فيقال انظروا هل ترون فيهم أحدا رأى من رأى أحدا رأى أصحاب النبي صلى الله عليه وسلم فيوجد الرجل فيفتح لهم به " .
সহিহ মুসলিম ৬৩৭২
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وشجاع بن مخلد، - واللفظ لأبي بكر - قالا حدثنا حسين، - وهو ابن علي الجعفي - عن زائدة، عن السدي، عن عبد الله البهي، عن عائشة، قالت سأل رجل النبي صلى الله عليه وسلم أى الناس خير قال " القرن الذي أنا فيه ثم الثاني ثم الثالث " .
আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন এক লোক রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে প্রশ্ন করল সর্বোত্তম লোক কে? তিনি বললেন, সে যুগ যাতে আমি আদিষ্ট হয়েছি। এরপর দ্বিতীয় যুগ, তারপর তৃতীয় যুগ। (ই.ফা. ৬২৪৮, ই.স ৬২৯৬)
আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন এক লোক রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে প্রশ্ন করল সর্বোত্তম লোক কে? তিনি বললেন, সে যুগ যাতে আমি আদিষ্ট হয়েছি। এরপর দ্বিতীয় যুগ, তারপর তৃতীয় যুগ। (ই.ফা. ৬২৪৮, ই.স ৬২৯৬)
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وشجاع بن مخلد، - واللفظ لأبي بكر - قالا حدثنا حسين، - وهو ابن علي الجعفي - عن زائدة، عن السدي، عن عبد الله البهي، عن عائشة، قالت سأل رجل النبي صلى الله عليه وسلم أى الناس خير قال " القرن الذي أنا فيه ثم الثاني ثم الثالث " .
সহিহ মুসলিম ৬৩৭১
وحدثنا قتيبة بن سعيد، ومحمد بن عبد الملك الأموي، قالا حدثنا أبو عوانة، ح وحدثنا محمد بن المثنى، وابن، بشار قالا حدثنا معاذ بن هشام، حدثنا أبي كلاهما، عن قتادة، عن زرارة بن أوفى، عن عمران بن حصين، عن النبي صلى الله عليه وسلم بهذا الحديث " خير هذه الأمة القرن الذين بعثت فيهم ثم الذين يلونهم " . زاد في حديث أبي عوانة قال والله أعلم أذكر الثالث أم لا . بمثل حديث زهدم عن عمران وزاد في حديث هشام عن قتادة " ويحلفون ولا يستحلفون " .
ইমরান ইবনু হুসায়নের সানাদ থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ্ হতে এ হাদীসটি বর্ণিত। এ বর্ননায় রয়েছে এ উন্মাতের সর্বোত্তম হলো তারাই, যাদের মাঝে আমি আদিষ্ট হয়েছি (অর্থ্যাৎ সাহাবাগণ)। আবূ আওয়ানাহ বর্ণিত হাদীসে বর্ধিত রয়েছে যে, তিনি বলেন আল্লাহই সর্বাধিক জ্ঞাত, তিনি তৃতীয়টি বর্ণনা করেছেন কি-না? ইমরান থেকে যাহদম বর্ণিত হাদীসের অর্থানুসারে। কাতাদা (রহঃ) সানাদে হিশাম বর্ণিত এতটুকু অতিরিক্ত রয়েছে যে, অর্থ্যাৎ “তারা শপথ করতে থাকবে কিন্তু তাদের নিকট শপথ চাওয়া হবে না।” (ই.ফা. ৬২৪৭, ই.স ৬২৯৫)
ইমরান ইবনু হুসায়নের সানাদ থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ্ হতে এ হাদীসটি বর্ণিত। এ বর্ননায় রয়েছে এ উন্মাতের সর্বোত্তম হলো তারাই, যাদের মাঝে আমি আদিষ্ট হয়েছি (অর্থ্যাৎ সাহাবাগণ)। আবূ আওয়ানাহ বর্ণিত হাদীসে বর্ধিত রয়েছে যে, তিনি বলেন আল্লাহই সর্বাধিক জ্ঞাত, তিনি তৃতীয়টি বর্ণনা করেছেন কি-না? ইমরান থেকে যাহদম বর্ণিত হাদীসের অর্থানুসারে। কাতাদা (রহঃ) সানাদে হিশাম বর্ণিত এতটুকু অতিরিক্ত রয়েছে যে, অর্থ্যাৎ “তারা শপথ করতে থাকবে কিন্তু তাদের নিকট শপথ চাওয়া হবে না।” (ই.ফা. ৬২৪৭, ই.স ৬২৯৫)
وحدثنا قتيبة بن سعيد، ومحمد بن عبد الملك الأموي، قالا حدثنا أبو عوانة، ح وحدثنا محمد بن المثنى، وابن، بشار قالا حدثنا معاذ بن هشام، حدثنا أبي كلاهما، عن قتادة، عن زرارة بن أوفى، عن عمران بن حصين، عن النبي صلى الله عليه وسلم بهذا الحديث " خير هذه الأمة القرن الذين بعثت فيهم ثم الذين يلونهم " . زاد في حديث أبي عوانة قال والله أعلم أذكر الثالث أم لا . بمثل حديث زهدم عن عمران وزاد في حديث هشام عن قتادة " ويحلفون ولا يستحلفون " .
সহিহ মুসলিম ৬৩৬৫
وحدثنا محمد بن المثنى، وابن، بشار قالا حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، ح وحدثنا محمد بن المثنى، وابن، بشار قالا حدثنا عبد الرحمن، حدثنا سفيان، كلاهما عن منصور، بإسناد أبي الأحوص وجرير بمعنى حديثهما وليس في حديثهما سئل رسول الله صلى الله عليه وسلم .
আবুল আহওয়াস ও জারীরের সানাদ থেকে বর্নিতঃ
মানসূর হতে অবিকল বর্ণিত। তবে তাদের উভয়ের হাদীসেঃ (রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে প্রশ্ন করা হয়েছিলো) বর্ননা নেই। (ই.ফা. ৬২৪১, ই.স ৬২৮৯)
আবুল আহওয়াস ও জারীরের সানাদ থেকে বর্নিতঃ
মানসূর হতে অবিকল বর্ণিত। তবে তাদের উভয়ের হাদীসেঃ (রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে প্রশ্ন করা হয়েছিলো) বর্ননা নেই। (ই.ফা. ৬২৪১, ই.স ৬২৮৯)
وحدثنا محمد بن المثنى، وابن، بشار قالا حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، ح وحدثنا محمد بن المثنى، وابن، بشار قالا حدثنا عبد الرحمن، حدثنا سفيان، كلاهما عن منصور، بإسناد أبي الأحوص وجرير بمعنى حديثهما وليس في حديثهما سئل رسول الله صلى الله عليه وسلم .
সহিহ মুসলিম ৬৩৬১
حدثنا أبو خيثمة، زهير بن حرب وأحمد بن عبدة الضبي - واللفظ لزهير - قالا حدثنا سفيان بن عيينة، قال سمع عمرو، جابرا يخبر عن أبي سعيد الخدري، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " يأتي على الناس زمان يغزو فئام من الناس فيقال لهم فيكم من رأى رسول الله صلى الله عليه وسلم فيقولون . نعم فيفتح لهم ثم يغزو فئام من الناس فيقال لهم فيكم من رأى من صحب رسول الله صلى الله عليه وسلم فيقولون نعم . فيفتح لهم ثم يغزو فئام من الناس فيقال لهم هل فيكم من رأى من صحب من صحب رسول الله صلى الله عليه وسلم فيقولون نعم . فيفتح لهم " .
আবূ সা’ঈদ খুদরী (রাঃ) এর সানাদে রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেছেনঃ লোকদের উপর এমন সময় আসবে, তখন তাদের একদল জিহাদে লিপ্ত থাকবে। তারপর তাদের কাছে জানতে চাওয়া হবে, তোমাদের মাঝে এমন কেউ আছেন যিনি রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে প্রত্যক্ষ করেছেন? তারা সমস্বরে বলবে, জ্বি হ্যাঁ। তাঁরা তখন বিজয়ী হবে। তারপর মানুষের মাঝখান থেকে একদল জিহাদ করতে থাকবে। তাদের প্রশ্ন করা হবে, তোমাদের মাঝে এমন কোন লোক আছেন কি, যিনি রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সাহাবাগণকে প্রত্যক্ষ করেছেন? তারা তখন সমস্বরে বলে উঠবে, জ্বি হ্যাঁ। তখন তারা জয়ী হবে। অতঃপর লোক অপর একটি দল যুদ্ধ করতে থাকবে। তখন তাদের প্রশ্ন করা হবে, তোমাদের মাঝে এমন কেউ কি আছেন, যিনি সহাবীদের সাহচর্য অর্জনকারী অর্থ্যাৎ- তাবি’ঈকে প্রত্যক্ষ করেছেন? তখন লোকেরা বলবে, জি হ্যাঁ। তখন তাদের বিজয় চলে আসবে। (ই.ফা. ৬২৩৭, ই.স ৬২৮৫)
আবূ সা’ঈদ খুদরী (রাঃ) এর সানাদে রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেছেনঃ লোকদের উপর এমন সময় আসবে, তখন তাদের একদল জিহাদে লিপ্ত থাকবে। তারপর তাদের কাছে জানতে চাওয়া হবে, তোমাদের মাঝে এমন কেউ আছেন যিনি রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে প্রত্যক্ষ করেছেন? তারা সমস্বরে বলবে, জ্বি হ্যাঁ। তাঁরা তখন বিজয়ী হবে। তারপর মানুষের মাঝখান থেকে একদল জিহাদ করতে থাকবে। তাদের প্রশ্ন করা হবে, তোমাদের মাঝে এমন কোন লোক আছেন কি, যিনি রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সাহাবাগণকে প্রত্যক্ষ করেছেন? তারা তখন সমস্বরে বলে উঠবে, জ্বি হ্যাঁ। তখন তারা জয়ী হবে। অতঃপর লোক অপর একটি দল যুদ্ধ করতে থাকবে। তখন তাদের প্রশ্ন করা হবে, তোমাদের মাঝে এমন কেউ কি আছেন, যিনি সহাবীদের সাহচর্য অর্জনকারী অর্থ্যাৎ- তাবি’ঈকে প্রত্যক্ষ করেছেন? তখন লোকেরা বলবে, জি হ্যাঁ। তখন তাদের বিজয় চলে আসবে। (ই.ফা. ৬২৩৭, ই.স ৬২৮৫)
حدثنا أبو خيثمة، زهير بن حرب وأحمد بن عبدة الضبي - واللفظ لزهير - قالا حدثنا سفيان بن عيينة، قال سمع عمرو، جابرا يخبر عن أبي سعيد الخدري، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " يأتي على الناس زمان يغزو فئام من الناس فيقال لهم فيكم من رأى رسول الله صلى الله عليه وسلم فيقولون . نعم فيفتح لهم ثم يغزو فئام من الناس فيقال لهم فيكم من رأى من صحب رسول الله صلى الله عليه وسلم فيقولون نعم . فيفتح لهم ثم يغزو فئام من الناس فيقال لهم هل فيكم من رأى من صحب من صحب رسول الله صلى الله عليه وسلم فيقولون نعم . فيفتح لهم " .
সহিহ মুসলিম ৬৩৬৮
حدثنا محمد بن بشار، حدثنا محمد بن جعفر، ح وحدثني أبو بكر بن نافع، حدثنا غندر، عن شعبة، ح وحدثني حجاج بن الشاعر، حدثنا أبو الوليد، حدثنا أبو عوانة، كلاهما عن أبي بشر، بهذا الإسناد . مثله غير أن في حديث شعبة قال أبو هريرة فلا أدري مرتين أو ثلاثة .
আবূ বিশর (রাঃ) থেকে এ সানাদ থেকে বর্নিতঃ
অনুরুপ বর্ণিত। তবে শু’বাহ বর্ণিত হাদীসে এতটুকু আলাদা রয়েছে, আবু হুরায়রা (রাঃ) বলেছেন আমার স্মরণ নেই যে, তিনি দু’বার নাকি তিনবার বলেছেন।(ই.ফা. ৬২৪৪, ই.স ৬২৯২)
আবূ বিশর (রাঃ) থেকে এ সানাদ থেকে বর্নিতঃ
অনুরুপ বর্ণিত। তবে শু’বাহ বর্ণিত হাদীসে এতটুকু আলাদা রয়েছে, আবু হুরায়রা (রাঃ) বলেছেন আমার স্মরণ নেই যে, তিনি দু’বার নাকি তিনবার বলেছেন।(ই.ফা. ৬২৪৪, ই.স ৬২৯২)
حدثنا محمد بن بشار، حدثنا محمد بن جعفر، ح وحدثني أبو بكر بن نافع، حدثنا غندر، عن شعبة، ح وحدثني حجاج بن الشاعر، حدثنا أبو الوليد، حدثنا أبو عوانة، كلاهما عن أبي بشر، بهذا الإسناد . مثله غير أن في حديث شعبة قال أبو هريرة فلا أدري مرتين أو ثلاثة .
সহিহ মুসলিম ৬৩৭০
حدثني محمد بن حاتم، حدثنا يحيى بن سعيد، ح وحدثنا عبد الرحمن بن بشر، العبدي حدثنا بهز، ح وحدثني محمد بن رافع، حدثنا شبابة، كلهم عن شعبة، بهذا الإسناد . وفي حديثهم قال لا أدري أذكر بعد قرنه قرنين أو ثلاثة . وفي حديث شبابة قال سمعت زهدم بن مضرب وجاءني في حاجة على فرس فحدثني أنه سمع عمران بن حصين . وفي حديث يحيى وشبابة " ينذرون ولا يفون " . وفي حديث بهز " يوفون " . كما قال ابن جعفر .
শু’বাহ (রাঃ) এর সূত্রে এ সানাদ থেকে বর্নিতঃ
অবিকল বর্ণিত। আর তাদের অর্থ্যাৎ ইয়াহইয়া ইবনু সা’ঈদ, বাহয ও শাবাবাহ বর্ণিত হাদীসে তিনি বলেছেন, আমি স্মরণে নেই যে তিনি কি তাঁর যুগের পর দুযুগ কিংবা তিন যুগের কথা বর্ননা করেছেন কিনা। শাববাহ বর্ণিত হাদীসে তিনি বলেছেন, আমি যাহদাম ইবনু মুদরাব হতে শুনেছি। তিনি আমার নিকট ঘোড়ার পৃষ্ঠে সওয়ার হয়ে এক বিশেষ দরকারে এসেছিলেন। তারপর তিনি আমাকে হাদীস শুনান যে তিনি ইমরান ইবনু হুসায়ন (রাঃ) হতে শুনেছেন। আর ইয়াহইয়া ও বাহয বর্ণিত হাদীসে বর্ননা রয়েছে – “ তারা মানৎ করবে কিন্তু তা পূরণ করবে না”। আর বাহয বর্ণিত হাদীসে ইবনু জা’ফার এর বর্ননানুযায়ী শব্দটার বর্ননা রয়েছে। (শাব্দিক পার্থক্য থাকলেও হাদীসের মূল কথা একই ) (ই.ফা. ৬২৪৬, ই.স ৬২৯৪)
শু’বাহ (রাঃ) এর সূত্রে এ সানাদ থেকে বর্নিতঃ
অবিকল বর্ণিত। আর তাদের অর্থ্যাৎ ইয়াহইয়া ইবনু সা’ঈদ, বাহয ও শাবাবাহ বর্ণিত হাদীসে তিনি বলেছেন, আমি স্মরণে নেই যে তিনি কি তাঁর যুগের পর দুযুগ কিংবা তিন যুগের কথা বর্ননা করেছেন কিনা। শাববাহ বর্ণিত হাদীসে তিনি বলেছেন, আমি যাহদাম ইবনু মুদরাব হতে শুনেছি। তিনি আমার নিকট ঘোড়ার পৃষ্ঠে সওয়ার হয়ে এক বিশেষ দরকারে এসেছিলেন। তারপর তিনি আমাকে হাদীস শুনান যে তিনি ইমরান ইবনু হুসায়ন (রাঃ) হতে শুনেছেন। আর ইয়াহইয়া ও বাহয বর্ণিত হাদীসে বর্ননা রয়েছে – “ তারা মানৎ করবে কিন্তু তা পূরণ করবে না”। আর বাহয বর্ণিত হাদীসে ইবনু জা’ফার এর বর্ননানুযায়ী শব্দটার বর্ননা রয়েছে। (শাব্দিক পার্থক্য থাকলেও হাদীসের মূল কথা একই ) (ই.ফা. ৬২৪৬, ই.স ৬২৯৪)
حدثني محمد بن حاتم، حدثنا يحيى بن سعيد، ح وحدثنا عبد الرحمن بن بشر، العبدي حدثنا بهز، ح وحدثني محمد بن رافع، حدثنا شبابة، كلهم عن شعبة، بهذا الإسناد . وفي حديثهم قال لا أدري أذكر بعد قرنه قرنين أو ثلاثة . وفي حديث شبابة قال سمعت زهدم بن مضرب وجاءني في حاجة على فرس فحدثني أنه سمع عمران بن حصين . وفي حديث يحيى وشبابة " ينذرون ولا يفون " . وفي حديث بهز " يوفون " . كما قال ابن جعفر .