সহিহ মুসলিম > সর্বোত্তম ব্যক্তিদের বিবরণ

সহিহ মুসলিম ৬৩৪৮

حدثني حرملة بن يحيى، أخبرنا ابن وهب، أخبرني يونس، عن ابن شهاب، حدثني سعيد بن المسيب، عن أبي هريرة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ تجدون الناس معادن فخيارهم في الجاهلية خيارهم في الإسلام إذا فقهوا وتجدون من خير الناس في هذا الأمر أكرههم له قبل أن يقع فيه وتجدون من شرار الناس ذا الوجهين الذي يأتي هؤلاء بوجه وهؤلاء بوجه ‏"‏ ‏.‏

আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমরা ব্যক্তিদের খনিজ ও গুপ্তধনের ন্যায় দেখতে পাবে। অতএব যারা জাহিলী যুগে উত্তম ছিল তারা ইসলামেও উত্তম বলে বিবেচিত হবে। যখন তারা দীনী জ্ঞানের অধিকারী হবে। কিংবা তোমরা এ ব্যাপারে অর্থাৎ ইসলামে উত্তম ব্যক্তি দেখতে পাবে যারা তার পূর্বে চরমভাবে ইসলামকে ঘৃণা করত। আর তোমরা সবচেয়ে খারাপ ব্যক্তি হিসেবে দেখতে পাবে সে সকল লোককে, যারা দ্বিমুখী চরিত্রের লোক- এরা এ দলের নিকট একমুখী কথা বলে পূনরায় অপর এক দলের নিকট এসে আরেক ধরনের রূপ নিয়ে উপস্থিত হয়। [দ্রষ্টব্য হাদীস ২৬২০] (ই. ফা. ৬২২৪, ই. সে. ৬৩৭২)

আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমরা ব্যক্তিদের খনিজ ও গুপ্তধনের ন্যায় দেখতে পাবে। অতএব যারা জাহিলী যুগে উত্তম ছিল তারা ইসলামেও উত্তম বলে বিবেচিত হবে। যখন তারা দীনী জ্ঞানের অধিকারী হবে। কিংবা তোমরা এ ব্যাপারে অর্থাৎ ইসলামে উত্তম ব্যক্তি দেখতে পাবে যারা তার পূর্বে চরমভাবে ইসলামকে ঘৃণা করত। আর তোমরা সবচেয়ে খারাপ ব্যক্তি হিসেবে দেখতে পাবে সে সকল লোককে, যারা দ্বিমুখী চরিত্রের লোক- এরা এ দলের নিকট একমুখী কথা বলে পূনরায় অপর এক দলের নিকট এসে আরেক ধরনের রূপ নিয়ে উপস্থিত হয়। [দ্রষ্টব্য হাদীস ২৬২০] (ই. ফা. ৬২২৪, ই. সে. ৬৩৭২)

حدثني حرملة بن يحيى، أخبرنا ابن وهب، أخبرني يونس، عن ابن شهاب، حدثني سعيد بن المسيب، عن أبي هريرة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ تجدون الناس معادن فخيارهم في الجاهلية خيارهم في الإسلام إذا فقهوا وتجدون من خير الناس في هذا الأمر أكرههم له قبل أن يقع فيه وتجدون من شرار الناس ذا الوجهين الذي يأتي هؤلاء بوجه وهؤلاء بوجه ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৬৩৪৯

حدثني زهير بن حرب، حدثنا جرير، عن عمارة، عن أبي زرعة، عن أبي هريرة، ح وحدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا المغيرة بن عبد الرحمن الحزامي، عن أبي الزناد، عن الأعرج، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ تجدون الناس معادن ‏"‏ ‏.‏ بمثل حديث الزهري غير أن في حديث أبي زرعة والأعرج ‏"‏ تجدون من خير الناس في هذا الشأن أشدهم له كراهية حتى يقع فيه ‏"‏ ‏.‏

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ মানব সম্পদ খনির ন্যায় মূল্যবান দেখতে পাবে। তার পরবর্তি অংশ যুহরীর হাদীসের অনুরূপ। কিন্তু আবূ যুর’আহ্ ও আ’রাজের বর্ণিত হাদীসঃ অর্থাৎ-“তোমরা কতক লোককে সর্বোত্তম ব্যক্তি(৩৯) হিসেবে পাবে যারা এতে পতিত হওয়া এটাকে খুব বেশি ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করেছে। (ই. ফা. ৬২২৫, ই. সে. ৬৩৭৩)

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ মানব সম্পদ খনির ন্যায় মূল্যবান দেখতে পাবে। তার পরবর্তি অংশ যুহরীর হাদীসের অনুরূপ। কিন্তু আবূ যুর’আহ্ ও আ’রাজের বর্ণিত হাদীসঃ অর্থাৎ-“তোমরা কতক লোককে সর্বোত্তম ব্যক্তি(৩৯) হিসেবে পাবে যারা এতে পতিত হওয়া এটাকে খুব বেশি ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করেছে। (ই. ফা. ৬২২৫, ই. সে. ৬৩৭৩)

حدثني زهير بن حرب، حدثنا جرير، عن عمارة، عن أبي زرعة، عن أبي هريرة، ح وحدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا المغيرة بن عبد الرحمن الحزامي، عن أبي الزناد، عن الأعرج، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ تجدون الناس معادن ‏"‏ ‏.‏ بمثل حديث الزهري غير أن في حديث أبي زرعة والأعرج ‏"‏ تجدون من خير الناس في هذا الشأن أشدهم له كراهية حتى يقع فيه ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম > কুরায়শ নারীদের ফযিলত

সহিহ মুসলিম ৬৩৫০

حدثنا ابن أبي عمر، حدثنا سفيان بن عيينة، عن أبي الزناد، عن الأعرج، عن أبي هريرة، وعن ابن طاوس، عن أبيه، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ خير نساء ركبن الإبل - قال أحدهما صالح نساء قريش ‏.‏ وقال الآخر نساء قريش - أحناه على يتيم في صغره وأرعاه على زوج في ذات يده ‏"‏ ‏.‏

আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ সর্বোত্তম মহিলা তারাই যারা উষ্ট্রে আরোহণ করে। রাবীদের একজন বলেন, কুরায়শ নারীই নেক বখ্ত সতী-সাধ্বী। অন্যজন বলেন, কুরাইশী ইয়াতীমদের প্রতি অত্যন্ত স্নেহশীল ও মেহেরবান এবং তারা তাদের স্বামীর ধন-সম্পদের প্রতি বিশ্বস্ত রক্ষক। (ই. ফা. ৬২২৬, ই. সে. ৬৩৭৪)

আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ সর্বোত্তম মহিলা তারাই যারা উষ্ট্রে আরোহণ করে। রাবীদের একজন বলেন, কুরায়শ নারীই নেক বখ্ত সতী-সাধ্বী। অন্যজন বলেন, কুরাইশী ইয়াতীমদের প্রতি অত্যন্ত স্নেহশীল ও মেহেরবান এবং তারা তাদের স্বামীর ধন-সম্পদের প্রতি বিশ্বস্ত রক্ষক। (ই. ফা. ৬২২৬, ই. সে. ৬৩৭৪)

حدثنا ابن أبي عمر، حدثنا سفيان بن عيينة، عن أبي الزناد، عن الأعرج، عن أبي هريرة، وعن ابن طاوس، عن أبيه، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ خير نساء ركبن الإبل - قال أحدهما صالح نساء قريش ‏.‏ وقال الآخر نساء قريش - أحناه على يتيم في صغره وأرعاه على زوج في ذات يده ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৬৩৫২

حدثني حرملة بن يحيى، أخبرنا ابن وهب، أخبرني يونس، عن ابن شهاب، حدثني سعيد بن المسيب، أن أبا هريرة، قال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول ‏ "‏ نساء قريش خير نساء ركبن الإبل أحناه على طفل وأرعاه على زوج في ذات يده ‏"‏ ‏.‏ قال يقول أبو هريرة على إثر ذلك ولم تركب مريم بنت عمران بعيرا قط ‏.‏

আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে বলতে শুনেছি, উটের পিঠে আরোহণকারিণী মহিলাদের মধ্যে কুরাইশী মহিলারা সর্বোত্তম নারী। তারা শিশুদের প্রতি স্নেহশীল এবং স্বামীর ধন-সম্পদের ক্ষেত্রে বিশ্বস্ত রক্ষক। রাবী বলেন, আবূ হুরায়রা্ (রাঃ) এভাবেই বলতেন। আর মারইয়াম বিনতু ‘ইমরান (রাঃ) কক্ষনো উটে সরওয়ার হননি। (ই. ফা. ৬২২৮, ই. সে. ৬৩৭৬)

আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে বলতে শুনেছি, উটের পিঠে আরোহণকারিণী মহিলাদের মধ্যে কুরাইশী মহিলারা সর্বোত্তম নারী। তারা শিশুদের প্রতি স্নেহশীল এবং স্বামীর ধন-সম্পদের ক্ষেত্রে বিশ্বস্ত রক্ষক। রাবী বলেন, আবূ হুরায়রা্ (রাঃ) এভাবেই বলতেন। আর মারইয়াম বিনতু ‘ইমরান (রাঃ) কক্ষনো উটে সরওয়ার হননি। (ই. ফা. ৬২২৮, ই. সে. ৬৩৭৬)

حدثني حرملة بن يحيى، أخبرنا ابن وهب، أخبرني يونس، عن ابن شهاب، حدثني سعيد بن المسيب، أن أبا هريرة، قال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول ‏ "‏ نساء قريش خير نساء ركبن الإبل أحناه على طفل وأرعاه على زوج في ذات يده ‏"‏ ‏.‏ قال يقول أبو هريرة على إثر ذلك ولم تركب مريم بنت عمران بعيرا قط ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৬৩৫৩

حدثني محمد بن رافع، وعبد بن حميد، قال عبد أخبرنا وقال ابن رافع، حدثنا عبد الرزاق، أخبرنا معمر، عن الزهري، عن ابن المسيب، عن أبي هريرة، أن النبي صلى الله عليه وسلم خطب أم هانئ بنت أبي طالب فقالت يا رسول الله إني قد كبرت ولي عيال ‏.‏ فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ خير نساء ركبن ‏"‏ ‏.‏ ثم ذكر بمثل حديث يونس غير أنه قال ‏"‏ أحناه على ولد في صغره ‏"‏ ‏.‏

আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আবূ তালিবের কন্যা উম্মু হানী (রাঃ) এর কাছে বিয়ের প্রস্তাব দিলেন। তখন তিনি বললেন, যে আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)! আমি তো বার্ধক্যে পৌছে গেছি এবং আমার সন্তানাদিও রয়েছে। তারপর রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ উটে আরোহনকারিণীদের মধ্যে (তুমি) সর্বোত্তম নারী। তারপর মা’মার (রাবী) ইউনুস বর্ণিত হাদীসের হুবহু উল্লেখ করেন। কিন্তু তার বর্ণনায় এতটুকু উল্লেখ করেছেন যে, তিনি বলেন, অর্থাৎ -“তারা শৈশবে সন্তানের প্রতি খুবই স্নেহশীল ও যত্নশীল”। (ই. ফা. ৬২২৯, ই. সে. ৬৩৭৭)

আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আবূ তালিবের কন্যা উম্মু হানী (রাঃ) এর কাছে বিয়ের প্রস্তাব দিলেন। তখন তিনি বললেন, যে আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)! আমি তো বার্ধক্যে পৌছে গেছি এবং আমার সন্তানাদিও রয়েছে। তারপর রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ উটে আরোহনকারিণীদের মধ্যে (তুমি) সর্বোত্তম নারী। তারপর মা’মার (রাবী) ইউনুস বর্ণিত হাদীসের হুবহু উল্লেখ করেন। কিন্তু তার বর্ণনায় এতটুকু উল্লেখ করেছেন যে, তিনি বলেন, অর্থাৎ -“তারা শৈশবে সন্তানের প্রতি খুবই স্নেহশীল ও যত্নশীল”। (ই. ফা. ৬২২৯, ই. সে. ৬৩৭৭)

حدثني محمد بن رافع، وعبد بن حميد، قال عبد أخبرنا وقال ابن رافع، حدثنا عبد الرزاق، أخبرنا معمر، عن الزهري، عن ابن المسيب، عن أبي هريرة، أن النبي صلى الله عليه وسلم خطب أم هانئ بنت أبي طالب فقالت يا رسول الله إني قد كبرت ولي عيال ‏.‏ فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ خير نساء ركبن ‏"‏ ‏.‏ ثم ذكر بمثل حديث يونس غير أنه قال ‏"‏ أحناه على ولد في صغره ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৬৩৫৪

حدثني محمد بن رافع، وعبد بن حميد، قال ابن رافع حدثنا وقال عبد، أخبرنا عبد الرزاق، أخبرنا معمر، عن ابن طاوس، عن أبيه، عن أبي هريرة، ح وحدثنا معمر، عن همام بن منبه، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ خير نساء ركبن الإبل صالح نساء قريش أحناه على ولد في صغره وأرعاه على زوج في ذات يده ‏"‏ ‏.‏

আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছনঃ উটে আরোহণকারিণী নারীদের মধ্যে কুরাইশী সৎ নারীরাই উত্তম। তাঁরা তাঁদের সন্তানদের প্রতি শৈশবে যত্নবান এবং স্বামীর ধন-সম্পদের রক্ষণাবেক্ষণের ব্যাপারে বিশ্বস্ত দায়িত্বশীল। (ই. ফা. ৬২৩০, ই. সে. ৬৩৭৮)

আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছনঃ উটে আরোহণকারিণী নারীদের মধ্যে কুরাইশী সৎ নারীরাই উত্তম। তাঁরা তাঁদের সন্তানদের প্রতি শৈশবে যত্নবান এবং স্বামীর ধন-সম্পদের রক্ষণাবেক্ষণের ব্যাপারে বিশ্বস্ত দায়িত্বশীল। (ই. ফা. ৬২৩০, ই. সে. ৬৩৭৮)

حدثني محمد بن رافع، وعبد بن حميد، قال ابن رافع حدثنا وقال عبد، أخبرنا عبد الرزاق، أخبرنا معمر، عن ابن طاوس، عن أبيه، عن أبي هريرة، ح وحدثنا معمر، عن همام بن منبه، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ خير نساء ركبن الإبل صالح نساء قريش أحناه على ولد في صغره وأرعاه على زوج في ذات يده ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৬৩৫১

حدثنا عمرو الناقد، حدثنا سفيان، عن أبي الزناد، عن الأعرج، عن أبي هريرة، يبلغ به النبي صلى الله عليه وسلم وابن طاوس عن أبيه يبلغ به النبي صلى الله عليه وسلم ‏.‏ بمثله غير أنه قال ‏ "‏ أرعاه على ولد في صغره ‏"‏ ‏.‏ ولم يقل يتيم ‏.‏

আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) সূত্র থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে অবিকল বর্ণনা করেছেন। কিন্তু তার বর্ণনায় একটু আলাদা আছে-“শৈশবে তারা তাদের শিশুদের প্রতি অত্যন্ত দয়াশীল” এবং তিনি . . . ‘ইয়াতীম’ শব্দটি বলেননি। (ই. ফা. ৬২২৭, ই. সে. ৬৩৭৫)

আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) সূত্র থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে অবিকল বর্ণনা করেছেন। কিন্তু তার বর্ণনায় একটু আলাদা আছে-“শৈশবে তারা তাদের শিশুদের প্রতি অত্যন্ত দয়াশীল” এবং তিনি . . . ‘ইয়াতীম’ শব্দটি বলেননি। (ই. ফা. ৬২২৭, ই. সে. ৬৩৭৫)

حدثنا عمرو الناقد، حدثنا سفيان، عن أبي الزناد، عن الأعرج، عن أبي هريرة، يبلغ به النبي صلى الله عليه وسلم وابن طاوس عن أبيه يبلغ به النبي صلى الله عليه وسلم ‏.‏ بمثله غير أنه قال ‏ "‏ أرعاه على ولد في صغره ‏"‏ ‏.‏ ولم يقل يتيم ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৬৩৫৫

حدثني أحمد بن عثمان بن حكيم الأودي، حدثنا خالد، - يعني ابن مخلد - حدثني سليمان، - وهو ابن بلال - حدثني سهيل، عن أبيه، عن أبي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم ‏.‏ بمثل حديث معمر هذا سواء ‏.‏

আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) এর সানাদ থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে বর্ণিত মা’মার এর হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। (ই. ফা. ৬২৩১, ই. সে. ৬৩৭৯)

আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) এর সানাদ থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে বর্ণিত মা’মার এর হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। (ই. ফা. ৬২৩১, ই. সে. ৬৩৭৯)

حدثني أحمد بن عثمان بن حكيم الأودي، حدثنا خالد، - يعني ابن مخلد - حدثني سليمان، - وهو ابن بلال - حدثني سهيل، عن أبيه، عن أبي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم ‏.‏ بمثل حديث معمر هذا سواء ‏.‏


সহিহ মুসলিম > নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কর্তৃক সাহাবায়ে কিরাম (রাঃ) এর পরস্পরের মধ্যে ভ্রাতৃসম্পর্ক স্থাপন করার বিবরণ

সহিহ মুসলিম ৬৩৫৬

حدثني حجاج بن الشاعر، حدثنا عبد الصمد، حدثنا حماد، - يعني ابن سلمة - عن ثابت، عن أنس، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم آخى بين أبي عبيدة بن الجراح وبين أبي طلحة ‏.‏

আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আবূ ‘উবাইদাহ্ ইবনুল জার্রাহ (রাঃ) ও আবূ তাল্হাহ্ (রাঃ) এর মাঝে ভ্রাতৃসম্পর্ক স্থাপন করে দিয়েছিলেন। (ই. ফা. ৬২৩২, ই. সে. ৬৩৮০)

আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আবূ ‘উবাইদাহ্ ইবনুল জার্রাহ (রাঃ) ও আবূ তাল্হাহ্ (রাঃ) এর মাঝে ভ্রাতৃসম্পর্ক স্থাপন করে দিয়েছিলেন। (ই. ফা. ৬২৩২, ই. সে. ৬৩৮০)

حدثني حجاج بن الشاعر، حدثنا عبد الصمد، حدثنا حماد، - يعني ابن سلمة - عن ثابت، عن أنس، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم آخى بين أبي عبيدة بن الجراح وبين أبي طلحة ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৬৩৫৮

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، ومحمد بن عبد الله بن نمير، قالا حدثنا عبدة بن، سليمان عن عاصم، عن أنس، قال حالف رسول الله صلى الله عليه وسلم بين قريش والأنصار في داره التي بالمدينة ‏.‏

আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কুরায়াশ ও আনসারদের মাঝে মাদীনাতে তাঁর গৃহে বসেই সহযোগিতা চুক্তি সম্পাদন করেছিলেন। (ই.ফা. ৬২৩৪,ই.স ৬২৮২)

আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কুরায়াশ ও আনসারদের মাঝে মাদীনাতে তাঁর গৃহে বসেই সহযোগিতা চুক্তি সম্পাদন করেছিলেন। (ই.ফা. ৬২৩৪,ই.স ৬২৮২)

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، ومحمد بن عبد الله بن نمير، قالا حدثنا عبدة بن، سليمان عن عاصم، عن أنس، قال حالف رسول الله صلى الله عليه وسلم بين قريش والأنصار في داره التي بالمدينة ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৬৩৫৯

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا عبد الله بن نمير، وأبو أسامة عن زكرياء، عن سعد بن إبراهيم، عن أبيه، عن جبير بن مطعم، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ لا حلف في الإسلام وأيما حلف كان في الجاهلية لم يزده الإسلام إلا شدة ‏"‏ ‏.‏

জুবায়র ইবনু মুত’ইম (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ ইসলামে অবৈধ চুক্তির কোন অবকাশ নেই। তবে জাহিলী যুগে ভাল কাজের উদ্দেশ্যে যে সব চুক্তি সম্পাদিত হয়েছে তা ইসলামে আরও মজবুত ও শক্তিশালী করে দিয়েছে। (ই.ফা. ৬২৩৫, ই.স ৬২৮৩)

জুবায়র ইবনু মুত’ইম (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ ইসলামে অবৈধ চুক্তির কোন অবকাশ নেই। তবে জাহিলী যুগে ভাল কাজের উদ্দেশ্যে যে সব চুক্তি সম্পাদিত হয়েছে তা ইসলামে আরও মজবুত ও শক্তিশালী করে দিয়েছে। (ই.ফা. ৬২৩৫, ই.স ৬২৮৩)

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا عبد الله بن نمير، وأبو أسامة عن زكرياء، عن سعد بن إبراهيم، عن أبيه، عن جبير بن مطعم، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ لا حلف في الإسلام وأيما حلف كان في الجاهلية لم يزده الإسلام إلا شدة ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৬৩৫৭

حدثني أبو جعفر، محمد بن الصباح حدثنا حفص بن غياث، حدثنا عاصم الأحول، قال قيل لأنس بن مالك بلغك أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ لا حلف في الإسلام ‏"‏ ‏.‏ فقال أنس قد حالف رسول الله صلى الله عليه وسلم بين قريش والأنصار في داره ‏.‏

আলিম ইবনুল আহওয়াল (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) কে প্রশ্ন করা হলো, আপনার নিকট কি এ মর্মে রিওয়ায়াত পৌঁছেছে যে রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ ইসলামে কোন হলফ-মৈত্রী স্থাপন নেই? তখন আনাস (রাঃ) বললেন, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কুরায়াশ ও আনসারদের মাঝে তাঁর গৃহে বসেই বন্ধুত্ব –চুক্তি করেছিলেন। (ই.ফা. ৬২৩৩,ই.স ৬২৮১)

আলিম ইবনুল আহওয়াল (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) কে প্রশ্ন করা হলো, আপনার নিকট কি এ মর্মে রিওয়ায়াত পৌঁছেছে যে রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ ইসলামে কোন হলফ-মৈত্রী স্থাপন নেই? তখন আনাস (রাঃ) বললেন, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কুরায়াশ ও আনসারদের মাঝে তাঁর গৃহে বসেই বন্ধুত্ব –চুক্তি করেছিলেন। (ই.ফা. ৬২৩৩,ই.স ৬২৮১)

حدثني أبو جعفر، محمد بن الصباح حدثنا حفص بن غياث، حدثنا عاصم الأحول، قال قيل لأنس بن مالك بلغك أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ لا حلف في الإسلام ‏"‏ ‏.‏ فقال أنس قد حالف رسول الله صلى الله عليه وسلم بين قريش والأنصار في داره ‏.‏


সহিহ মুসলিম > রসূলুল্লাহ্ এর উপস্থিতি তাঁর সহাবাদের নিরাপত্তা ছিল এবং সহাবাগণের উপস্থিতি সমগ্র উন্মাতের জন্য শান্তি ও নিরাপত্তা নিয়ামক ছিল

সহিহ মুসলিম ৬৩৬০

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وإسحاق بن إبراهيم، وعبد الله بن عمر بن أبان، كلهم عن حسين، - قال أبو بكر حدثنا حسين بن علي الجعفي، - عن مجمع بن يحيى، عن سعيد بن أبي بردة، عن أبي بردة، عن أبيه، قال صلينا المغرب مع رسول الله صلى الله عليه وسلم ثم قلنا لو جلسنا حتى نصلي معه العشاء - قال - فجلسنا فخرج علينا فقال ‏"‏ ما زلتم ها هنا ‏"‏ ‏.‏ قلنا يا رسول الله صلينا معك المغرب ثم قلنا نجلس حتى نصلي معك العشاء قال ‏"‏ أحسنتم أو أصبتم ‏"‏ ‏.‏ قال فرفع رأسه إلى السماء وكان كثيرا مما يرفع رأسه إلى السماء فقال ‏"‏ النجوم أمنة للسماء فإذا ذهبت النجوم أتى السماء ما توعد وأنا أمنة لأصحابي فإذا ذهبت أتى أصحابي ما يوعدون وأصحابي أمنة لأمتي فإذا ذهب أصحابي أتى أمتي ما يوعدون ‏"‏ ‏.‏

আবূ বুরদাহ (রাঃ) এর পিতা সানাদ থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন আমরা বললাম, আমরা যদি তাঁর সাথে ইশার সালাত আদায় করা পর্যন্ত উপবিষ্ট হতে পারতাম (তা হলে কতই না ভালো হতো)। রাবী বলেন, আমরা বসে থাকলাম। তখন রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের নিকট আসলেন। তারপর তিনি বললেনঃ তোমরা এখনো পর্যন্ত এখানে উপবিষ্ট আছ? আমরা বললাম, হে আল্লাহর রাসূল আমরা আপনার সাথে মাগরিবের সলাত আদায় করেছি। তারপর আমরা বললাম যে ইশার সলাত আপনার সাথে আদায় করার জন্য বসে অপেক্ষা করি। তিনি বললেনঃ তোমরা অনেক ভাল করেছ কিংবা তোমরা ঠিক করেছ। তিনি (রাবী) বলেন, তারপর তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আকাশের দিকে মাথা তুললেন এবং তিনি অধিকাংশ সময়ই আকাশের পানে তাঁর মাথা তুলতেন। অতঃপর তিনি বললেন তারকারাজি অবস্থানের কারণেই আকাশ স্থিতিশীল রয়েছে। তারকারাজি যখন বিক্ষিপ্ত হয়ে পড়বে তখন আকাশের জন্য ওয়া’দাকৃত বিপদ আসন্ন হবে (অর্থ্যাৎ- কিয়ামাত এসে যাবে এবং আসমান ফেটে চৌচির হয়ে যাবে)। আর আমি আমার সাহাবাদের জন্য শান্তি ও নিরাপত্তা স্বরুপ। আমি যখন বিদায় নিব তখন আমার সাহাবাদের উপর ওয়া’দাকৃত সময় এসে সমুপস্থিত হয়ে যাবে (অর্থ্যাৎ - ফিতনা-ফাসাদ ও দ্বন্দ সংঘাত লেগে যাবে)। আর আমার সাহাবাগণ সকল উন্মাতের জন্য রক্ষাকবচ স্বরুপ। আমার সাহাবীগণ যখন বিদায় হয়ে যাবে তখন আমার উন্মাতের উপর ওয়া’দাকৃত বিষয উপস্থিত হবে। [৪০] (ই.ফা. ৬২৩৬, ই.স ৬২৮৪)

আবূ বুরদাহ (রাঃ) এর পিতা সানাদ থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন আমরা বললাম, আমরা যদি তাঁর সাথে ইশার সালাত আদায় করা পর্যন্ত উপবিষ্ট হতে পারতাম (তা হলে কতই না ভালো হতো)। রাবী বলেন, আমরা বসে থাকলাম। তখন রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের নিকট আসলেন। তারপর তিনি বললেনঃ তোমরা এখনো পর্যন্ত এখানে উপবিষ্ট আছ? আমরা বললাম, হে আল্লাহর রাসূল আমরা আপনার সাথে মাগরিবের সলাত আদায় করেছি। তারপর আমরা বললাম যে ইশার সলাত আপনার সাথে আদায় করার জন্য বসে অপেক্ষা করি। তিনি বললেনঃ তোমরা অনেক ভাল করেছ কিংবা তোমরা ঠিক করেছ। তিনি (রাবী) বলেন, তারপর তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আকাশের দিকে মাথা তুললেন এবং তিনি অধিকাংশ সময়ই আকাশের পানে তাঁর মাথা তুলতেন। অতঃপর তিনি বললেন তারকারাজি অবস্থানের কারণেই আকাশ স্থিতিশীল রয়েছে। তারকারাজি যখন বিক্ষিপ্ত হয়ে পড়বে তখন আকাশের জন্য ওয়া’দাকৃত বিপদ আসন্ন হবে (অর্থ্যাৎ- কিয়ামাত এসে যাবে এবং আসমান ফেটে চৌচির হয়ে যাবে)। আর আমি আমার সাহাবাদের জন্য শান্তি ও নিরাপত্তা স্বরুপ। আমি যখন বিদায় নিব তখন আমার সাহাবাদের উপর ওয়া’দাকৃত সময় এসে সমুপস্থিত হয়ে যাবে (অর্থ্যাৎ - ফিতনা-ফাসাদ ও দ্বন্দ সংঘাত লেগে যাবে)। আর আমার সাহাবাগণ সকল উন্মাতের জন্য রক্ষাকবচ স্বরুপ। আমার সাহাবীগণ যখন বিদায় হয়ে যাবে তখন আমার উন্মাতের উপর ওয়া’দাকৃত বিষয উপস্থিত হবে। [৪০] (ই.ফা. ৬২৩৬, ই.স ৬২৮৪)

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وإسحاق بن إبراهيم، وعبد الله بن عمر بن أبان، كلهم عن حسين، - قال أبو بكر حدثنا حسين بن علي الجعفي، - عن مجمع بن يحيى، عن سعيد بن أبي بردة، عن أبي بردة، عن أبيه، قال صلينا المغرب مع رسول الله صلى الله عليه وسلم ثم قلنا لو جلسنا حتى نصلي معه العشاء - قال - فجلسنا فخرج علينا فقال ‏"‏ ما زلتم ها هنا ‏"‏ ‏.‏ قلنا يا رسول الله صلينا معك المغرب ثم قلنا نجلس حتى نصلي معك العشاء قال ‏"‏ أحسنتم أو أصبتم ‏"‏ ‏.‏ قال فرفع رأسه إلى السماء وكان كثيرا مما يرفع رأسه إلى السماء فقال ‏"‏ النجوم أمنة للسماء فإذا ذهبت النجوم أتى السماء ما توعد وأنا أمنة لأصحابي فإذا ذهبت أتى أصحابي ما يوعدون وأصحابي أمنة لأمتي فإذا ذهب أصحابي أتى أمتي ما يوعدون ‏"‏ ‏.‏


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00