সহিহ মুসলিম > জা’ফার ইবনু আবু তালিব, আসমা বিনতু ‘উমায়স ও তাদের নৌ সফর-সঙ্গীদের ফাজীলাত

সহিহ মুসলিম ৬৩০৪

حدثنا عبد الله بن براد الأشعري، ومحمد بن العلاء الهمداني، قالا حدثنا أبو أسامة حدثني بريد، عن أبي بردة، عن أبي موسى، قال بلغنا مخرج رسول الله صلى الله عليه وسلم ونحن باليمن فخرجنا مهاجرين إليه أنا وأخوان لي أنا أصغرهما أحدهما أبو بردة والآخر أبو رهم - إما قال بضعا وإما قال ثلاثة وخمسين أو اثنين وخمسين رجلا من قومي - قال فركبنا سفينة فألقتنا سفينتنا إلى النجاشي بالحبشة فوافقنا جعفر بن أبي طالب وأصحابه عنده فقال جعفر إن رسول الله صلى الله عليه وسلم بعثنا ها هنا وأمرنا بالإقامة فأقيموا معنا ‏.‏ فأقمنا معه حتى قدمنا جميعا - قال - فوافقنا رسول الله صلى الله عليه وسلم حين افتتح خيبر فأسهم لنا - أو قال أعطانا منها - وما قسم لأحد غاب عن فتح خيبر منها شيئا إلا لمن شهد معه إلا لأصحاب سفينتنا مع جعفر وأصحابه قسم لهم معهم - قال - فكان ناس من الناس يقولون لنا - يعني لأهل السفينة - نحن سبقناكم بالهجرة ‏.‏

আবূ মূসা আশ’আরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন যখন আমাদের নিকট রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর হিজরাতের সংবাদ পৌছল তখন আমরা ইয়ামানে ছিলাম। তারপর আমি ও আমার দু’ভাই তাঁর নিকট মিলিত হওয়ার জন্য হিজরত করলাম। আমি ছিলাম সে দুজনের ছোট। তাঁদের মধ্যে একজনের নাম ছিল আবূ বুরদাহ (রাঃ) অন্যজন ছিলেন আবূ রুহম (রাঃ) তিনি হয়ত বলেছেন, তখন পঞ্চাশ জনের কিছু বেশি, নয়ত বলেছেন তিপ্পান্ন জন অথবা বায়ান্নজন ব্যক্তি আমাদের সম্প্রদায় ছিল। আমরা একটি নৌকায় আরোহিত হলাম। নৌকাটি আমাদের নিয়ে আবিসিনিয়ায় সন্নিকটে উপস্থিত হলো, যেখানে বাদশাহ ছিলেন নাজাশী। তখন আমরা তাঁর নিকট জা’ফার ইবনু আবূ তালিব (রাঃ) ও তাঁর সাথীদের দেখা পেলাম। তারপর জা’ফর(রাঃ) বললেন, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদেরকে এখানে পাঠিয়েছেন এবং অবস্থান করার আদেশ দিয়েছেন। অতএব আপনারা আমাদের সাথে অবস্থান করুন। তিনি বলেন আমরা তাঁর সাথে থাকতে লাগলাম, পরিশেষে আমরা সকলে একসাথে মাদীনাহ প্রত্যাবর্তন করলাম। তিনি বলেন তারপর খাইবার বিজয়কালে আমরা রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সাথে একত্রিত হলাম্ তিনি আমাদেরও গনীমাতের সম্পদের অংশ দিলেন কিংবা তিনি বলেছেন, তিনি তা হতে আমাদেরও প্রদান করেছেন। তিনি তাঁর সাথে যারা যুদ্ধের মাঠে সমাবেত হয়েছিল তাদের ছাড়া কাউকে গনীমাতের অংশ দান করেননি। তবে জা’ফর ও তাঁর সাথীদের সাথে আমাদের নৌকায় আরোহী সাথীদেরও তাঁদের সাথে অংশ প্রদান করেছিলেন। রাবী বলেন, লোকদের মধ্যে কেউ আমাদের অর্থাৎ-নৌকা আরোহীদের বলে বেড়াত যে, আমরা তোমাদের অগ্রে হিজরাতকারী। (ই.ফা.৬১৮৫, ই.সে. ৬২২৯)

আবূ মূসা আশ’আরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন যখন আমাদের নিকট রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর হিজরাতের সংবাদ পৌছল তখন আমরা ইয়ামানে ছিলাম। তারপর আমি ও আমার দু’ভাই তাঁর নিকট মিলিত হওয়ার জন্য হিজরত করলাম। আমি ছিলাম সে দুজনের ছোট। তাঁদের মধ্যে একজনের নাম ছিল আবূ বুরদাহ (রাঃ) অন্যজন ছিলেন আবূ রুহম (রাঃ) তিনি হয়ত বলেছেন, তখন পঞ্চাশ জনের কিছু বেশি, নয়ত বলেছেন তিপ্পান্ন জন অথবা বায়ান্নজন ব্যক্তি আমাদের সম্প্রদায় ছিল। আমরা একটি নৌকায় আরোহিত হলাম। নৌকাটি আমাদের নিয়ে আবিসিনিয়ায় সন্নিকটে উপস্থিত হলো, যেখানে বাদশাহ ছিলেন নাজাশী। তখন আমরা তাঁর নিকট জা’ফার ইবনু আবূ তালিব (রাঃ) ও তাঁর সাথীদের দেখা পেলাম। তারপর জা’ফর(রাঃ) বললেন, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদেরকে এখানে পাঠিয়েছেন এবং অবস্থান করার আদেশ দিয়েছেন। অতএব আপনারা আমাদের সাথে অবস্থান করুন। তিনি বলেন আমরা তাঁর সাথে থাকতে লাগলাম, পরিশেষে আমরা সকলে একসাথে মাদীনাহ প্রত্যাবর্তন করলাম। তিনি বলেন তারপর খাইবার বিজয়কালে আমরা রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সাথে একত্রিত হলাম্ তিনি আমাদেরও গনীমাতের সম্পদের অংশ দিলেন কিংবা তিনি বলেছেন, তিনি তা হতে আমাদেরও প্রদান করেছেন। তিনি তাঁর সাথে যারা যুদ্ধের মাঠে সমাবেত হয়েছিল তাদের ছাড়া কাউকে গনীমাতের অংশ দান করেননি। তবে জা’ফর ও তাঁর সাথীদের সাথে আমাদের নৌকায় আরোহী সাথীদেরও তাঁদের সাথে অংশ প্রদান করেছিলেন। রাবী বলেন, লোকদের মধ্যে কেউ আমাদের অর্থাৎ-নৌকা আরোহীদের বলে বেড়াত যে, আমরা তোমাদের অগ্রে হিজরাতকারী। (ই.ফা.৬১৮৫, ই.সে. ৬২২৯)

حدثنا عبد الله بن براد الأشعري، ومحمد بن العلاء الهمداني، قالا حدثنا أبو أسامة حدثني بريد، عن أبي بردة، عن أبي موسى، قال بلغنا مخرج رسول الله صلى الله عليه وسلم ونحن باليمن فخرجنا مهاجرين إليه أنا وأخوان لي أنا أصغرهما أحدهما أبو بردة والآخر أبو رهم - إما قال بضعا وإما قال ثلاثة وخمسين أو اثنين وخمسين رجلا من قومي - قال فركبنا سفينة فألقتنا سفينتنا إلى النجاشي بالحبشة فوافقنا جعفر بن أبي طالب وأصحابه عنده فقال جعفر إن رسول الله صلى الله عليه وسلم بعثنا ها هنا وأمرنا بالإقامة فأقيموا معنا ‏.‏ فأقمنا معه حتى قدمنا جميعا - قال - فوافقنا رسول الله صلى الله عليه وسلم حين افتتح خيبر فأسهم لنا - أو قال أعطانا منها - وما قسم لأحد غاب عن فتح خيبر منها شيئا إلا لمن شهد معه إلا لأصحاب سفينتنا مع جعفر وأصحابه قسم لهم معهم - قال - فكان ناس من الناس يقولون لنا - يعني لأهل السفينة - نحن سبقناكم بالهجرة ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৬৩০৫

قال فدخلت أسماء بنت عميس - وهي ممن قدم معنا - على حفصة زوج النبي صلى الله عليه وسلم زائرة وقد كانت هاجرت إلى النجاشي فيمن هاجر إليه فدخل عمر على حفصة وأسماء عندها فقال عمر حين رأى أسماء من هذه قالت أسماء بنت عميس ‏.‏ قال عمر الحبشية هذه البحرية هذه فقالت أسماء نعم ‏.‏ فقال عمر سبقناكم بالهجرة فنحن أحق برسول الله صلى الله عليه وسلم منكم ‏.‏ فغضبت وقالت كلمة كذبت يا عمر كلا والله كنتم مع رسول الله صلى الله عليه وسلم يطعم جائعكم ويعظ جاهلكم وكنا في دار أو في أرض البعداء البغضاء في الحبشة وذلك في الله وفي رسوله وايم الله لا أطعم طعاما ولا أشرب شرابا حتى أذكر ما قلت لرسول الله صلى الله عليه وسلم ونحن كنا نؤذى ونخاف وسأذكر ذلك لرسول الله صلى الله عليه وسلم وأسأله ووالله لا أكذب ولا أزيغ ولا أزيد على ذلك ‏.‏ قال فلما جاء النبي صلى الله عليه وسلم قالت يا نبي الله إن عمر قال كذا وكذا ‏.‏ فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ ليس بأحق بي منكم وله ولأصحابه هجرة واحدة ولكم أنتم أهل السفينة هجرتان ‏"‏ ‏.‏ قالت فلقد رأيت أبا موسى وأصحاب السفينة يأتوني أرسالا يسألوني عن هذا الحديث ما من الدنيا شىء هم به أفرح ولا أعظم في أنفسهم مما قال لهم رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏.‏ قال أبو بردة فقالت أسماء فلقد رأيت أبا موسى وإنه ليستعيد هذا الحديث مني ‏.‏

রাবী (আব্দুল্লাহ ইবনু বাররাদ আশ’আরী) (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

অতঃপর আমাদের নৌকায় সফর সঙ্গিনী আসমা বিনতু উমায়স (রাঃ) রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর স্ত্রী হাফসাহ (রাঃ) এর সাথে সাক্ষাৎ করার জন্য বের হন। যাঁরা নাজাশীর নিকট হিজরাত করেছিলেন, তিনি ছিলেন তাঁদের একজন। ইত্যবসরে উমার(রাঃ) হাফসার নিকট আসলেন। তখন আসমা বিনতু উমায়স (রাঃ) তাঁর নিকট উপস্থিত ছিলেন। তখন উমার (রাঃ)আসমাকে দেখে বললেন, ইনি কে? হাফসাহ (রাঃ) বললেন তিনি আসমা বিনতু উমায়স। উমার (রাঃ) বললেন ইনিই কি হাবশায় হিজরাতকারিণী, নৌকায় আরোহণকারিণী? তখন আসমা (রাঃ) বললেন জি হ্যাঁ। উমার (রাঃ) বললেন, হিজরাতের দৃষ্টিকোণে আমরা তোমাদের চেয়ে অগ্রগামী। অতএব তোমাদের চেয়ে আমরা রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সম্বন্ধে বেশি হকদার। তখন আসমা (রাঃ) রাগান্মিত স্বরে বললেন, হে উমার! কথাটি সঠিক নয়। কক্ষনো সঠিক হতে পারে না আল্লাহ শপথ! তোমরা রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)এর সাথে ছিলে। তিনি তোমাদের ক্ষুধার্তদের খাবার দান করতেন, অজ্ঞদের জ্ঞানের আলো বিতরণ করতেন। আর আমরা আবিসিনিয়ায় প্রবাসে বিপদের ঝুঁকি মাথায় নিয়ে অবস্থান করছিলাম। এটা ছিল শুধু আল্লাহ ও তাঁর রসূলের সান্নিধ্য লাভের জন্যই। আল্লাহর শপথ! তুমি যা বলেছ তা রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট আলোচনা না করা পর্যন্ত আমি কোন খাবার খাব না এবং পানীয় দ্রব্যও ছুঁবো না। আমার (বিদেশ বিভুঁইয়ে) সার্বক্ষণিক বিপদ ও ভয়ভীতির মাঝে দিনাতিপাত করতাম। আমি ব্যাপারটি রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর কাছে উত্থাপন করব এবং প্রশ্ন করব। আল্লাহর শপথ! আমি মিথ্যাচার করব না, বিপথগামীও হব না এবং প্রকৃত ঘটনার চেয়ে বাড়িয়েও কিছু বলব না। রাবী বলেন, যখন রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আসলেন তখন আসমা (রাঃ) বললেন, হে আল্লাহর নাবী! উমার (রাঃ) এই এই বলেছেন। তখনরসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন আমার প্রতি তোমাদের তুলনায় তার হক অধিক নেই। কারণ, তাঁর ও তাঁর সঙ্গীদের জন্য আছে কেবল একটি হিজরাত। আর তোমাদের নৌকারোহীদের জন্য আছে দু’টি হিজরাত। তিনি (আসমা (রাঃ) বলেন, আমি আবূ মূসা (রাঃ) ও নৌকারোহীদের দলবেঁধে এসে আমার নিকট এ হাদীসটি প্রশ্ন করতে দেখেছি। তাঁদের বিষয়ে রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যা বলেছেন তাঁদের নিকট এর চেয়ে বেশি আনন্দদায়ক এবং বড় ও মহৎ কোন ব্যাপার ছির না। আবূ বুরদাহ (রাঃ) বলেন যে, আসমা (রাঃ) বলেছেন, আমি আবূ মূসা (রাঃ) কে দেখেছি তিনি আমার নিকট হতে এ হাদীস আনন্দের আতিশয্যে বারবার শুনতে চাইতেন। (ই.ফা.৬১৮৫, ই.সে. ৬২২৯)

রাবী (আব্দুল্লাহ ইবনু বাররাদ আশ’আরী) (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

অতঃপর আমাদের নৌকায় সফর সঙ্গিনী আসমা বিনতু উমায়স (রাঃ) রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর স্ত্রী হাফসাহ (রাঃ) এর সাথে সাক্ষাৎ করার জন্য বের হন। যাঁরা নাজাশীর নিকট হিজরাত করেছিলেন, তিনি ছিলেন তাঁদের একজন। ইত্যবসরে উমার(রাঃ) হাফসার নিকট আসলেন। তখন আসমা বিনতু উমায়স (রাঃ) তাঁর নিকট উপস্থিত ছিলেন। তখন উমার (রাঃ)আসমাকে দেখে বললেন, ইনি কে? হাফসাহ (রাঃ) বললেন তিনি আসমা বিনতু উমায়স। উমার (রাঃ) বললেন ইনিই কি হাবশায় হিজরাতকারিণী, নৌকায় আরোহণকারিণী? তখন আসমা (রাঃ) বললেন জি হ্যাঁ। উমার (রাঃ) বললেন, হিজরাতের দৃষ্টিকোণে আমরা তোমাদের চেয়ে অগ্রগামী। অতএব তোমাদের চেয়ে আমরা রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সম্বন্ধে বেশি হকদার। তখন আসমা (রাঃ) রাগান্মিত স্বরে বললেন, হে উমার! কথাটি সঠিক নয়। কক্ষনো সঠিক হতে পারে না আল্লাহ শপথ! তোমরা রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)এর সাথে ছিলে। তিনি তোমাদের ক্ষুধার্তদের খাবার দান করতেন, অজ্ঞদের জ্ঞানের আলো বিতরণ করতেন। আর আমরা আবিসিনিয়ায় প্রবাসে বিপদের ঝুঁকি মাথায় নিয়ে অবস্থান করছিলাম। এটা ছিল শুধু আল্লাহ ও তাঁর রসূলের সান্নিধ্য লাভের জন্যই। আল্লাহর শপথ! তুমি যা বলেছ তা রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট আলোচনা না করা পর্যন্ত আমি কোন খাবার খাব না এবং পানীয় দ্রব্যও ছুঁবো না। আমার (বিদেশ বিভুঁইয়ে) সার্বক্ষণিক বিপদ ও ভয়ভীতির মাঝে দিনাতিপাত করতাম। আমি ব্যাপারটি রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর কাছে উত্থাপন করব এবং প্রশ্ন করব। আল্লাহর শপথ! আমি মিথ্যাচার করব না, বিপথগামীও হব না এবং প্রকৃত ঘটনার চেয়ে বাড়িয়েও কিছু বলব না। রাবী বলেন, যখন রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আসলেন তখন আসমা (রাঃ) বললেন, হে আল্লাহর নাবী! উমার (রাঃ) এই এই বলেছেন। তখনরসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন আমার প্রতি তোমাদের তুলনায় তার হক অধিক নেই। কারণ, তাঁর ও তাঁর সঙ্গীদের জন্য আছে কেবল একটি হিজরাত। আর তোমাদের নৌকারোহীদের জন্য আছে দু’টি হিজরাত। তিনি (আসমা (রাঃ) বলেন, আমি আবূ মূসা (রাঃ) ও নৌকারোহীদের দলবেঁধে এসে আমার নিকট এ হাদীসটি প্রশ্ন করতে দেখেছি। তাঁদের বিষয়ে রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যা বলেছেন তাঁদের নিকট এর চেয়ে বেশি আনন্দদায়ক এবং বড় ও মহৎ কোন ব্যাপার ছির না। আবূ বুরদাহ (রাঃ) বলেন যে, আসমা (রাঃ) বলেছেন, আমি আবূ মূসা (রাঃ) কে দেখেছি তিনি আমার নিকট হতে এ হাদীস আনন্দের আতিশয্যে বারবার শুনতে চাইতেন। (ই.ফা.৬১৮৫, ই.সে. ৬২২৯)

قال فدخلت أسماء بنت عميس - وهي ممن قدم معنا - على حفصة زوج النبي صلى الله عليه وسلم زائرة وقد كانت هاجرت إلى النجاشي فيمن هاجر إليه فدخل عمر على حفصة وأسماء عندها فقال عمر حين رأى أسماء من هذه قالت أسماء بنت عميس ‏.‏ قال عمر الحبشية هذه البحرية هذه فقالت أسماء نعم ‏.‏ فقال عمر سبقناكم بالهجرة فنحن أحق برسول الله صلى الله عليه وسلم منكم ‏.‏ فغضبت وقالت كلمة كذبت يا عمر كلا والله كنتم مع رسول الله صلى الله عليه وسلم يطعم جائعكم ويعظ جاهلكم وكنا في دار أو في أرض البعداء البغضاء في الحبشة وذلك في الله وفي رسوله وايم الله لا أطعم طعاما ولا أشرب شرابا حتى أذكر ما قلت لرسول الله صلى الله عليه وسلم ونحن كنا نؤذى ونخاف وسأذكر ذلك لرسول الله صلى الله عليه وسلم وأسأله ووالله لا أكذب ولا أزيغ ولا أزيد على ذلك ‏.‏ قال فلما جاء النبي صلى الله عليه وسلم قالت يا نبي الله إن عمر قال كذا وكذا ‏.‏ فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ ليس بأحق بي منكم وله ولأصحابه هجرة واحدة ولكم أنتم أهل السفينة هجرتان ‏"‏ ‏.‏ قالت فلقد رأيت أبا موسى وأصحاب السفينة يأتوني أرسالا يسألوني عن هذا الحديث ما من الدنيا شىء هم به أفرح ولا أعظم في أنفسهم مما قال لهم رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏.‏ قال أبو بردة فقالت أسماء فلقد رأيت أبا موسى وإنه ليستعيد هذا الحديث مني ‏.‏


সহিহ মুসলিম > সালমান (রাঃ), সুহায়ব (রাঃ) ও বিলাল (রাঃ)এর ফযিলত।

সহিহ মুসলিম ৬৩০৬

حدثنا محمد بن حاتم، حدثنا بهز، حدثنا حماد بن سلمة، عن ثابت، عن معاوية، بن قرة عن عائذ بن عمرو، أن أبا سفيان، أتى على سلمان وصهيب وبلال في نفر فقالوا والله ما أخذت سيوف الله من عنق عدو الله مأخذها ‏.‏ قال فقال أبو بكر أتقولون هذا لشيخ قريش وسيدهم فأتى النبي صلى الله عليه وسلم فأخبره فقال ‏ "‏ يا أبا بكر لعلك أغضبتهم لئن كنت أغضبتهم لقد أغضبت ربك ‏"‏ ‏.‏ فأتاهم أبو بكر فقال يا إخوتاه أغضبتكم قالوا لا يغفر الله لك يا أخى ‏.‏

আয়িয ইবনু আমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আবূ সুফইয়ান (রাঃ) একদল লোকের সঙ্গে সালমান ফারসী (রাঃ), সুহায়ব (রাঃ) ও বিলাল (রাঃ) এর নিকট আসলেন। তখন তাঁরা বললেন, আল্লাহর তলোয়ারসমূহ আল্লাহর শত্রুদের ঘাড়ে ঠিকসময়ে তার লক্ষ্যস্থলে এসে পড়েনি। রাবী বলেন, আবূ বাকর (রাঃ) বললেন, তোমরা কি একজন বয়োবৃদ্ধ কুরায়শ নেতাকে এরূপ কথা বলছ? তারপর তিনি রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট এসে তাকেঁ ব্যাপারটি জানালেন। তখন তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃহে আবূ বাকর! তুমি মনে হয় তাদের অসন্তষ্ট করেছো। তুমি যদি তাদের অসন্তষ্ট করে থাক তবে তুমি তোমার প্রতি পালককেই অসন্তষ্ট করলে। তারপর আবূ বাকর (রাঃ) তাঁদের নিকট এসে বললেন, হে আমার ভাইয়েরা! আমি তোমাদের অসন্তষ্ট করেছি, তাই না? তারা বললেন না হে আমার ভাই! আল্লাহ আপনাকে মাফ করুন। (ই.ফা.৬১৮৬, ই.সে. ৬২৩০)

আয়িয ইবনু আমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আবূ সুফইয়ান (রাঃ) একদল লোকের সঙ্গে সালমান ফারসী (রাঃ), সুহায়ব (রাঃ) ও বিলাল (রাঃ) এর নিকট আসলেন। তখন তাঁরা বললেন, আল্লাহর তলোয়ারসমূহ আল্লাহর শত্রুদের ঘাড়ে ঠিকসময়ে তার লক্ষ্যস্থলে এসে পড়েনি। রাবী বলেন, আবূ বাকর (রাঃ) বললেন, তোমরা কি একজন বয়োবৃদ্ধ কুরায়শ নেতাকে এরূপ কথা বলছ? তারপর তিনি রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট এসে তাকেঁ ব্যাপারটি জানালেন। তখন তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃহে আবূ বাকর! তুমি মনে হয় তাদের অসন্তষ্ট করেছো। তুমি যদি তাদের অসন্তষ্ট করে থাক তবে তুমি তোমার প্রতি পালককেই অসন্তষ্ট করলে। তারপর আবূ বাকর (রাঃ) তাঁদের নিকট এসে বললেন, হে আমার ভাইয়েরা! আমি তোমাদের অসন্তষ্ট করেছি, তাই না? তারা বললেন না হে আমার ভাই! আল্লাহ আপনাকে মাফ করুন। (ই.ফা.৬১৮৬, ই.সে. ৬২৩০)

حدثنا محمد بن حاتم، حدثنا بهز، حدثنا حماد بن سلمة، عن ثابت، عن معاوية، بن قرة عن عائذ بن عمرو، أن أبا سفيان، أتى على سلمان وصهيب وبلال في نفر فقالوا والله ما أخذت سيوف الله من عنق عدو الله مأخذها ‏.‏ قال فقال أبو بكر أتقولون هذا لشيخ قريش وسيدهم فأتى النبي صلى الله عليه وسلم فأخبره فقال ‏ "‏ يا أبا بكر لعلك أغضبتهم لئن كنت أغضبتهم لقد أغضبت ربك ‏"‏ ‏.‏ فأتاهم أبو بكر فقال يا إخوتاه أغضبتكم قالوا لا يغفر الله لك يا أخى ‏.‏


সহিহ মুসলিম > আনসারদের (রাঃ) ফযিলত।

সহিহ মুসলিম ৬৩০৭

حدثنا إسحاق بن إبراهيم الحنظلي، وأحمد بن عبدة، - واللفظ لإسحاق - قالا أخبرنا سفيان، عن عمرو، عن جابر بن عبد الله، قال فينا نزلت ‏{‏ إذ همت طائفتان منكم أن تفشلا والله وليهما‏}‏ بنو سلمة وبنو حارثة وما نحب أنها لم تنزل لقول الله عز وجل ‏{‏ والله وليهما‏}‏ ‏.‏

জাবির ইবনু আব্দুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, “তোমাদের দু’টি দল যখন কাপুরুষতা ও সাহসহীনতা দেখাবার জন্য প্রস্তত হয়েছিল, অথচ আল্লাহই সাহায্যকারী হিসেবে বর্তমান ছিলেন”- (সূরাহ আ-লি ইমরান ১২২) এ আয়াতটি আমাদের অর্থাৎ- বনূ সালিমাহ ও বনূ হারিসাহ সম্বন্ধে অবতীর্ণ হয়েছিল। আর আমরা পছন্দ করতাম না যে এ আয়াতটি অবতীর্ণ না হোক। কারণ, আল্লাহ তা’আলা বলেছেন: আল্লাহ এদের দু’জনের সাহায্যকারী ও অভিভাবক। (ই.ফা.৬১৮৭, ই.সে. ৬২৩১)

জাবির ইবনু আব্দুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, “তোমাদের দু’টি দল যখন কাপুরুষতা ও সাহসহীনতা দেখাবার জন্য প্রস্তত হয়েছিল, অথচ আল্লাহই সাহায্যকারী হিসেবে বর্তমান ছিলেন”- (সূরাহ আ-লি ইমরান ১২২) এ আয়াতটি আমাদের অর্থাৎ- বনূ সালিমাহ ও বনূ হারিসাহ সম্বন্ধে অবতীর্ণ হয়েছিল। আর আমরা পছন্দ করতাম না যে এ আয়াতটি অবতীর্ণ না হোক। কারণ, আল্লাহ তা’আলা বলেছেন: আল্লাহ এদের দু’জনের সাহায্যকারী ও অভিভাবক। (ই.ফা.৬১৮৭, ই.সে. ৬২৩১)

حدثنا إسحاق بن إبراهيم الحنظلي، وأحمد بن عبدة، - واللفظ لإسحاق - قالا أخبرنا سفيان، عن عمرو، عن جابر بن عبد الله، قال فينا نزلت ‏{‏ إذ همت طائفتان منكم أن تفشلا والله وليهما‏}‏ بنو سلمة وبنو حارثة وما نحب أنها لم تنزل لقول الله عز وجل ‏{‏ والله وليهما‏}‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৬৩০৮

حدثنا محمد بن المثنى، حدثنا محمد بن جعفر، وعبد الرحمن بن مهدي، قالا حدثنا شعبة، عن قتادة، عن النضر بن أنس، عن زيد بن أرقم، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ اللهم اغفر للأنصار ولأبناء الأنصار وأبناء أبناء الأنصار ‏"‏ ‏.‏

যায়দ ইবনু আরকাম (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: হে আল্লাহ! আনসারদের মাফ করুন, মাফ করে দিন তাদের সন্তানদের ও নাতী-নাতনীদেরকে। ই.ফা.৬১৮৮, ই.সে. ৬২৩২)

যায়দ ইবনু আরকাম (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: হে আল্লাহ! আনসারদের মাফ করুন, মাফ করে দিন তাদের সন্তানদের ও নাতী-নাতনীদেরকে। ই.ফা.৬১৮৮, ই.সে. ৬২৩২)

حدثنا محمد بن المثنى، حدثنا محمد بن جعفر، وعبد الرحمن بن مهدي، قالا حدثنا شعبة، عن قتادة، عن النضر بن أنس، عن زيد بن أرقم، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ اللهم اغفر للأنصار ولأبناء الأنصار وأبناء أبناء الأنصار ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৬৩১০

حدثني أبو معن الرقاشي، حدثنا عمر بن يونس، حدثنا عكرمة، - وهو ابن عمار - حدثنا إسحاق، - وهو ابن عبد الله بن أبي طلحة - أن أنسا، حدثه أن رسول الله صلى الله عليه وسلم استغفر للأنصار - قال - وأحسبه قال ‏ "‏ ولذراري الأنصار ولموالي الأنصار ‏"‏ ‏.‏ لا أشك فيه ‏.‏

ইসহাক (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

আনাস (রাঃ) তাকে শুনিয়েছেন যে, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আনাসারদের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করেছেন। রাবী বলেন, আমি মনে করি যে, তিনি বলেছেন: আনসারদের সন্তান-সন্ততি ও তাদের গোলামদের জন্যও ক্ষমা প্রার্থনা করেছেন। “এতে আমার কোন সংশয় নেই। (ই.ফা.৬১৮৯, ই.সে. ৬২৩৪)

ইসহাক (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

আনাস (রাঃ) তাকে শুনিয়েছেন যে, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আনাসারদের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করেছেন। রাবী বলেন, আমি মনে করি যে, তিনি বলেছেন: আনসারদের সন্তান-সন্ততি ও তাদের গোলামদের জন্যও ক্ষমা প্রার্থনা করেছেন। “এতে আমার কোন সংশয় নেই। (ই.ফা.৬১৮৯, ই.সে. ৬২৩৪)

حدثني أبو معن الرقاشي، حدثنا عمر بن يونس، حدثنا عكرمة، - وهو ابن عمار - حدثنا إسحاق، - وهو ابن عبد الله بن أبي طلحة - أن أنسا، حدثه أن رسول الله صلى الله عليه وسلم استغفر للأنصار - قال - وأحسبه قال ‏ "‏ ولذراري الأنصار ولموالي الأنصار ‏"‏ ‏.‏ لا أشك فيه ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৬৩১১

حدثني أبو بكر بن أبي شيبة، وزهير بن حرب، جميعا عن ابن علية، - واللفظ لزهير - حدثنا إسماعيل، عن عبد العزيز، - وهو ابن صهيب - عن أنس، أن النبي صلى الله عليه وسلم رأى صبيانا ونساء مقبلين من عرس فقام نبي الله صلى الله عليه وسلم ممثلا فقال ‏ "‏ اللهم أنتم من أحب الناس إلى اللهم أنتم من أحب الناس إلى ‏"‏ ‏.‏ يعني الأنصار ‏.‏

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কিছু বালক ও নারীকে কোন এক উৎসব-অনুষ্ঠান থেকে আসতে দেখেন। তখন তিনি তাদের সামনে গিয়ে বললেনঃআল্লাহর শপথ! তোমরা (আনসাররা) আমার নিকট সবচেয়ে পছন্দের লোক, আমার নিকট তোমরা সবচেয়ে প্রিয় লোক। (ই.ফা.৬১৯০, ই.সে.৬২৩৫)

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কিছু বালক ও নারীকে কোন এক উৎসব-অনুষ্ঠান থেকে আসতে দেখেন। তখন তিনি তাদের সামনে গিয়ে বললেনঃআল্লাহর শপথ! তোমরা (আনসাররা) আমার নিকট সবচেয়ে পছন্দের লোক, আমার নিকট তোমরা সবচেয়ে প্রিয় লোক। (ই.ফা.৬১৯০, ই.সে.৬২৩৫)

حدثني أبو بكر بن أبي شيبة، وزهير بن حرب، جميعا عن ابن علية، - واللفظ لزهير - حدثنا إسماعيل، عن عبد العزيز، - وهو ابن صهيب - عن أنس، أن النبي صلى الله عليه وسلم رأى صبيانا ونساء مقبلين من عرس فقام نبي الله صلى الله عليه وسلم ممثلا فقال ‏ "‏ اللهم أنتم من أحب الناس إلى اللهم أنتم من أحب الناس إلى ‏"‏ ‏.‏ يعني الأنصار ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৬৩১২

حدثنا محمد بن المثنى، وابن، بشار جميعا عن غندر، قال ابن المثنى حدثنا محمد، بن جعفر حدثنا شعبة، عن هشام بن زيد، سمعت أنس بن مالك، يقول جاءت امرأة من الأنصار إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم - قال - فخلا بها رسول الله صلى الله عليه وسلم وقال ‏ "‏ والذي نفسي بيده إنكم لأحب الناس إلى ‏"‏ ‏.‏ ثلاث مرات ‏.‏

হিশাম ইবনু যায়দ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি আনাস (রাঃ) কে বলতে শুনেছি যে, জনৈক আনসারী নারী রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট আসলেন। রাবী বলেন তখন রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তার সাথে নীরবে আলাপ করছিলেন এবং বলছিলেন যাঁর হাতে আমার জীবন সে সত্তার শপথ, তোমরা আমার নিকট সবচেয়ে পছন্দের লোক। তিনি এ কথাটি তিনবার বললেন। (ই.ফা.৬১৯১, ই.সে. ৬২৩৬)

হিশাম ইবনু যায়দ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি আনাস (রাঃ) কে বলতে শুনেছি যে, জনৈক আনসারী নারী রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট আসলেন। রাবী বলেন তখন রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তার সাথে নীরবে আলাপ করছিলেন এবং বলছিলেন যাঁর হাতে আমার জীবন সে সত্তার শপথ, তোমরা আমার নিকট সবচেয়ে পছন্দের লোক। তিনি এ কথাটি তিনবার বললেন। (ই.ফা.৬১৯১, ই.সে. ৬২৩৬)

حدثنا محمد بن المثنى، وابن، بشار جميعا عن غندر، قال ابن المثنى حدثنا محمد، بن جعفر حدثنا شعبة، عن هشام بن زيد، سمعت أنس بن مالك، يقول جاءت امرأة من الأنصار إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم - قال - فخلا بها رسول الله صلى الله عليه وسلم وقال ‏ "‏ والذي نفسي بيده إنكم لأحب الناس إلى ‏"‏ ‏.‏ ثلاث مرات ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৬৩১৪

حدثنا محمد بن المثنى، ومحمد بن بشار، - واللفظ لابن المثنى - قالا حدثنا محمد بن جعفر، أخبرنا شعبة، سمعت قتادة، يحدث عن أنس بن مالك، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ إن الأنصار كرشي وعيبتي وإن الناس سيكثرون ويقلون فاقبلوا من محسنهم واعفوا عن مسيئهم ‏"‏ ‏.‏

আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

যে রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: আনসারগণ আমার পরম শুভাকাঙ্ক্ষী এবং ঘনিষ্ঠ বন্ধু। আর লোকের সংখ্যা অনবরত বৃদ্ধি পাবে এবং আনসারদের সংখ্যা ক্রমশ কমতে থাকবে। অতএব তাদের ভাল আচরণগুলো গ্রহণ করো এবং তাদের অসদাচরণ ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখ। (ই.ফা.৬১৯২, ই.সে. ৬২৩৮)

আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

যে রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: আনসারগণ আমার পরম শুভাকাঙ্ক্ষী এবং ঘনিষ্ঠ বন্ধু। আর লোকের সংখ্যা অনবরত বৃদ্ধি পাবে এবং আনসারদের সংখ্যা ক্রমশ কমতে থাকবে। অতএব তাদের ভাল আচরণগুলো গ্রহণ করো এবং তাদের অসদাচরণ ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখ। (ই.ফা.৬১৯২, ই.সে. ৬২৩৮)

حدثنا محمد بن المثنى، ومحمد بن بشار، - واللفظ لابن المثنى - قالا حدثنا محمد بن جعفر، أخبرنا شعبة، سمعت قتادة، يحدث عن أنس بن مالك، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ إن الأنصار كرشي وعيبتي وإن الناس سيكثرون ويقلون فاقبلوا من محسنهم واعفوا عن مسيئهم ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৬৩০৯

وحدثنيه يحيى بن حبيب، حدثنا خالد، - يعني ابن الحارث - حدثنا شعبة، بهذا الإسناد ‏.‏

শু’বাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

এ সূত্রে উপরের হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। (ই.ফা.৬১৮৮, ই.সে. ৬২৩৩)

শু’বাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

এ সূত্রে উপরের হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। (ই.ফা.৬১৮৮, ই.সে. ৬২৩৩)

وحدثنيه يحيى بن حبيب، حدثنا خالد، - يعني ابن الحارث - حدثنا شعبة، بهذا الإسناد ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৬৩১৩

حدثنيه يحيى بن حبيب، حدثنا خالد بن الحارث، ح وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وأبو كريب قالا حدثنا ابن إدريس، كلاهما عن شعبة، بهذا الإسناد ‏.‏

শু’বাহ (রাঃ) এর সূত্রে এ সানাদ থেকে বর্নিতঃ

অবিকল রিওয়ায়াত করেছেন। (ই.ফা.৬১৯১, ই.সে. ৬২৩৭)

শু’বাহ (রাঃ) এর সূত্রে এ সানাদ থেকে বর্নিতঃ

অবিকল রিওয়ায়াত করেছেন। (ই.ফা.৬১৯১, ই.সে. ৬২৩৭)

حدثنيه يحيى بن حبيب، حدثنا خالد بن الحارث، ح وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وأبو كريب قالا حدثنا ابن إدريس، كلاهما عن شعبة، بهذا الإسناد ‏.‏


সহিহ মুসলিম > আনসারগণের উত্তম গৃহসমূহ।

সহিহ মুসলিম ৬৩১৫

حدثنا محمد بن المثنى، وابن، بشار - واللفظ لابن المثنى - قالا حدثنا محمد، بن جعفر حدثنا شعبة، سمعت قتادة، يحدث عن أنس بن مالك، عن أبي أسيد، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ خير دور الأنصار بنو النجار ثم بنو عبد الأشهل ثم بنو الحارث بن الخزرج ثم بنو ساعدة وفي كل دور الأنصار خير ‏"‏ ‏.‏ فقال سعد ما أرى رسول الله صلى الله عليه وسلم إلا قد فضل علينا ‏.‏ فقيل قد فضلكم على كثير ‏.‏

আবূ সা’ঈদ খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: আনসারদের ঘরসমূহের মাঝে সবচেয়ে ভাল ঘর হলো বানূ নাজ্জার সম্প্রদায়ের, তারপর বানূ আশহালের ঘর, তারপর বানূ হারিস ইবনু খাযরাজের ঘর, তারপরহলো বানূ সাইদাহ সম্প্রদায়ের গৃহ। আনাসারদের প্রত্যেকটি গৃহেই কল্যাণ বিরাজ করছে। সা’দ (রাঃ) বলেন, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের উপর অন্যদের গুরুত্ব দিয়েছেন। লোকেরা বলল, তোমাদেরকেও অনেকের উপর স্থান দিয়েছেন। (ই.ফা.৬১৯৩, ই.সে. ৬২৩৯)

আবূ সা’ঈদ খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: আনসারদের ঘরসমূহের মাঝে সবচেয়ে ভাল ঘর হলো বানূ নাজ্জার সম্প্রদায়ের, তারপর বানূ আশহালের ঘর, তারপর বানূ হারিস ইবনু খাযরাজের ঘর, তারপরহলো বানূ সাইদাহ সম্প্রদায়ের গৃহ। আনাসারদের প্রত্যেকটি গৃহেই কল্যাণ বিরাজ করছে। সা’দ (রাঃ) বলেন, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের উপর অন্যদের গুরুত্ব দিয়েছেন। লোকেরা বলল, তোমাদেরকেও অনেকের উপর স্থান দিয়েছেন। (ই.ফা.৬১৯৩, ই.সে. ৬২৩৯)

حدثنا محمد بن المثنى، وابن، بشار - واللفظ لابن المثنى - قالا حدثنا محمد، بن جعفر حدثنا شعبة، سمعت قتادة، يحدث عن أنس بن مالك، عن أبي أسيد، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ خير دور الأنصار بنو النجار ثم بنو عبد الأشهل ثم بنو الحارث بن الخزرج ثم بنو ساعدة وفي كل دور الأنصار خير ‏"‏ ‏.‏ فقال سعد ما أرى رسول الله صلى الله عليه وسلم إلا قد فضل علينا ‏.‏ فقيل قد فضلكم على كثير ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৬৩১৮

حدثنا محمد بن عباد، ومحمد بن مهران الرازي، - واللفظ لابن عباد - حدثنا حاتم، - وهو ابن إسماعيل - عن عبد الرحمن بن حميد، عن إبراهيم بن محمد بن طلحة، قال سمعت أبا أسيد، خطيبا عند ابن عتبة فقال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ خير دور الأنصار دار بني النجار ودار بني عبد الأشهل ودار بني الحارث بن الخزرج ودار بني ساعدة ‏"‏ ‏.‏ والله لو كنت مؤثرا بها أحدا لآثرت بها عشيرتي ‏.‏

ইব্রাহীম ইবনু মুহাম্মাদ ইবনু তালহাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি আবূ উসায়দ (রাঃ) কে ইবনু উতবার নিকট ভাষণ দিতে শুনেছি যে, তিনি বলেন রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন আনসারদের গৃহসমূহের মধ্যে সর্বোত্তম গৃহ বানূ নাজ্জারের ঘর, বানূ আশহালের ঘর, বানূ হারিস ইবনু খাযরাজের ঘর এবং বানূ সা’ইদার ঘর। তিনি বলেন, আল্লাহর শপথ! আমি যদি আনসাদের উপরে কাউকে মর্যাদায় অগ্রাধিকার দিতাম তাহলে আমার কাওমকে অগ্রাধিকার দিতাম। (ই.ফা.৬১৯৬, ই.সে. ৬২৪২)

ইব্রাহীম ইবনু মুহাম্মাদ ইবনু তালহাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি আবূ উসায়দ (রাঃ) কে ইবনু উতবার নিকট ভাষণ দিতে শুনেছি যে, তিনি বলেন রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন আনসারদের গৃহসমূহের মধ্যে সর্বোত্তম গৃহ বানূ নাজ্জারের ঘর, বানূ আশহালের ঘর, বানূ হারিস ইবনু খাযরাজের ঘর এবং বানূ সা’ইদার ঘর। তিনি বলেন, আল্লাহর শপথ! আমি যদি আনসাদের উপরে কাউকে মর্যাদায় অগ্রাধিকার দিতাম তাহলে আমার কাওমকে অগ্রাধিকার দিতাম। (ই.ফা.৬১৯৬, ই.সে. ৬২৪২)

حدثنا محمد بن عباد، ومحمد بن مهران الرازي، - واللفظ لابن عباد - حدثنا حاتم، - وهو ابن إسماعيل - عن عبد الرحمن بن حميد، عن إبراهيم بن محمد بن طلحة، قال سمعت أبا أسيد، خطيبا عند ابن عتبة فقال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ خير دور الأنصار دار بني النجار ودار بني عبد الأشهل ودار بني الحارث بن الخزرج ودار بني ساعدة ‏"‏ ‏.‏ والله لو كنت مؤثرا بها أحدا لآثرت بها عشيرتي ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৬৩২০

حدثنا عمرو بن علي بن بحر، حدثني أبو داود، حدثنا حرب بن شداد، عن يحيى، بن أبي كثير حدثني أبو سلمة، أن أبا أسيد الأنصاري، حدثه أنه، سمع رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول ‏ "‏ خير الأنصار أو خير دور الأنصار ‏"‏ ‏.‏ بمثل حديثهم في ذكر الدور ولم يذكر قصة سعد بن عبادة رضى الله عنه ‏.‏

আবূ উসায়দ আনসারী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে বলতে শুনেছেন যে, সর্বাধিক উত্তম আনসার কিংবা আনসারদের সবচেয়ে উত্তম গৃহ বর্ণনা করার ক্ষেত্রে তাদের বর্ণিত হাদীসের অবিকল। কিন্ত তিনি তার বর্ণনায় সা’দ ইবনু উবাদার কাহিনী বর্ণনা করেননি। (ই.ফা.৬১৯৮, ই.সে. ৬২৪৪)

আবূ উসায়দ আনসারী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে বলতে শুনেছেন যে, সর্বাধিক উত্তম আনসার কিংবা আনসারদের সবচেয়ে উত্তম গৃহ বর্ণনা করার ক্ষেত্রে তাদের বর্ণিত হাদীসের অবিকল। কিন্ত তিনি তার বর্ণনায় সা’দ ইবনু উবাদার কাহিনী বর্ণনা করেননি। (ই.ফা.৬১৯৮, ই.সে. ৬২৪৪)

حدثنا عمرو بن علي بن بحر، حدثني أبو داود، حدثنا حرب بن شداد، عن يحيى، بن أبي كثير حدثني أبو سلمة، أن أبا أسيد الأنصاري، حدثه أنه، سمع رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول ‏ "‏ خير الأنصار أو خير دور الأنصار ‏"‏ ‏.‏ بمثل حديثهم في ذكر الدور ولم يذكر قصة سعد بن عبادة رضى الله عنه ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৬৩১৯

حدثنا يحيى بن يحيى التميمي، أخبرنا المغيرة بن عبد الرحمن، عن أبي الزناد، قال شهد أبو سلمة لسمع أبا أسيد الأنصاري يشهد أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ خير دور الأنصار بنو النجار ثم بنو عبد الأشهل ثم بنو الحارث بن الخزرج ثم بنو ساعدة وفي كل دور الأنصار خير ‏"‏ ‏.‏ قال أبو سلمة قال أبو أسيد أتهم أنا على رسول الله صلى الله عليه وسلم لو كنت كاذبا لبدأت بقومي بني ساعدة ‏.‏ وبلغ ذلك سعد بن عبادة فوجد في نفسه وقال خلفنا فكنا آخر الأربع أسرجوا لي حماري آتي رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏.‏ وكلمه ابن أخيه سهل فقال أتذهب لترد على رسول الله صلى الله عليه وسلم ورسول الله صلى الله عليه وسلم أعلم أوليس حسبك أن تكون رابع أربع ‏.‏ فرجع وقال الله ورسوله أعلم وأمر بحماره فحل عنه ‏.‏

আবূ উসায়দ আনসারী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আবূ সালামাহ সাক্ষ্য দিচ্ছেন যে, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন আনসারদের গৃহের মধ্যে সর্বোত্তম হচ্ছে বানূ নাজ্জারের ঘর, এরপর বানূ আব্দুল আশহালের ঘর এরপর বানূ হারিস ইবনু খাযরাজের ঘর এরপর বানূ সা’ইদার ঘর। তাছাড়া প্রত্যেক আনসারীর গৃহেই কল্যাণ বিরাজ করছে। আবূ সালামাহ (রহঃ) বলেন, আবূউসায়দ (রাঃ) বলেছেন আমি যদি মিথ্যাচার করতাম তাহলে আমি বংশ বানূ সা’ইদাহ দিয়ে আরম্ভ করতাম। তাতে আমি রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর উপর অপবাদকারীরূপে গণ্য হতাম। ব্যাপারটি সা’দ ইবনু উবাদাহ(রাঃ) এর কাছে পৌছলে তিনি অস্বস্তিবোধ করলেন এবং তিনি বললেন, আমাদের পেছনে দেয়া হয়েছে। অতএব আমরা চার জনের মধ্যে চতুর্থ (শেষ) স্থান পড়ে গেছি। আমার গাধার পৃষ্ঠে গদি লাগাও আমিরসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট চলে যাব। তাঁর সাথে তাঁর ভাইয়ের ছেলে সাহলের কথোপকথন হচ্ছিল। সে বলেছিল, আপনি কি রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট প্রতিবাদ জানানোর জন্য যাবেন বরং রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সর্বাধিক জ্ঞাত? চার জনের মাঝে চতুর্থ হওয়া কি আপনার জন্য যথেষ্ট নয়? তখন তিনি থামলেন এবংবললেন, আল্লাহ ও তাঁর রসূল সর্বাধিক জ্ঞাত। তারপর তিনি তার গাধার জিন খুলতে নির্দেশ দিলেন এবং তা খুলে ফেলা হলো। (ই.ফা.৬১৯৭, ই.সে. ৬২৪৩)

আবূ উসায়দ আনসারী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আবূ সালামাহ সাক্ষ্য দিচ্ছেন যে, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন আনসারদের গৃহের মধ্যে সর্বোত্তম হচ্ছে বানূ নাজ্জারের ঘর, এরপর বানূ আব্দুল আশহালের ঘর এরপর বানূ হারিস ইবনু খাযরাজের ঘর এরপর বানূ সা’ইদার ঘর। তাছাড়া প্রত্যেক আনসারীর গৃহেই কল্যাণ বিরাজ করছে। আবূ সালামাহ (রহঃ) বলেন, আবূউসায়দ (রাঃ) বলেছেন আমি যদি মিথ্যাচার করতাম তাহলে আমি বংশ বানূ সা’ইদাহ দিয়ে আরম্ভ করতাম। তাতে আমি রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর উপর অপবাদকারীরূপে গণ্য হতাম। ব্যাপারটি সা’দ ইবনু উবাদাহ(রাঃ) এর কাছে পৌছলে তিনি অস্বস্তিবোধ করলেন এবং তিনি বললেন, আমাদের পেছনে দেয়া হয়েছে। অতএব আমরা চার জনের মধ্যে চতুর্থ (শেষ) স্থান পড়ে গেছি। আমার গাধার পৃষ্ঠে গদি লাগাও আমিরসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট চলে যাব। তাঁর সাথে তাঁর ভাইয়ের ছেলে সাহলের কথোপকথন হচ্ছিল। সে বলেছিল, আপনি কি রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট প্রতিবাদ জানানোর জন্য যাবেন বরং রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সর্বাধিক জ্ঞাত? চার জনের মাঝে চতুর্থ হওয়া কি আপনার জন্য যথেষ্ট নয়? তখন তিনি থামলেন এবংবললেন, আল্লাহ ও তাঁর রসূল সর্বাধিক জ্ঞাত। তারপর তিনি তার গাধার জিন খুলতে নির্দেশ দিলেন এবং তা খুলে ফেলা হলো। (ই.ফা.৬১৯৭, ই.সে. ৬২৪৩)

حدثنا يحيى بن يحيى التميمي، أخبرنا المغيرة بن عبد الرحمن، عن أبي الزناد، قال شهد أبو سلمة لسمع أبا أسيد الأنصاري يشهد أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ خير دور الأنصار بنو النجار ثم بنو عبد الأشهل ثم بنو الحارث بن الخزرج ثم بنو ساعدة وفي كل دور الأنصار خير ‏"‏ ‏.‏ قال أبو سلمة قال أبو أسيد أتهم أنا على رسول الله صلى الله عليه وسلم لو كنت كاذبا لبدأت بقومي بني ساعدة ‏.‏ وبلغ ذلك سعد بن عبادة فوجد في نفسه وقال خلفنا فكنا آخر الأربع أسرجوا لي حماري آتي رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏.‏ وكلمه ابن أخيه سهل فقال أتذهب لترد على رسول الله صلى الله عليه وسلم ورسول الله صلى الله عليه وسلم أعلم أوليس حسبك أن تكون رابع أربع ‏.‏ فرجع وقال الله ورسوله أعلم وأمر بحماره فحل عنه ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৬৩১৬

حدثناه محمد بن المثنى، حدثنا أبو داود، حدثنا شعبة، عن قتادة، سمعت أنسا، يحدث عن أبي أسيد الأنصاري، عن النبي صلى الله عليه وسلم نحوه ‏.‏

আবূ উসায়দ আনসারী (রাঃ) এর সানাদ থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে অবিকল বর্ণিত রয়েছে। (ই.ফা.৬১৯৪, ই.সে. ৬২৪০)

আবূ উসায়দ আনসারী (রাঃ) এর সানাদ থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে অবিকল বর্ণিত রয়েছে। (ই.ফা.৬১৯৪, ই.সে. ৬২৪০)

حدثناه محمد بن المثنى، حدثنا أبو داود، حدثنا شعبة، عن قتادة، سمعت أنسا، يحدث عن أبي أسيد الأنصاري، عن النبي صلى الله عليه وسلم نحوه ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৬৩১৭

حدثنا قتيبة، وابن، رمح عن الليث بن سعد، ح وحدثنا قتيبة، حدثنا عبد العزيز، يعني ابن محمد ح وحدثنا ابن المثنى، وابن أبي عمر، قالا حدثنا عبد الوهاب الثقفي، كلهم عن يحيى بن سعيد، عن أنس، عن النبي صلى الله عليه وسلم بمثله غير أنه لا يذكر في الحديث قول سعد ‏.‏

আনাস (রাঃ) এর সূত্র থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে হুবহু বর্ণিত রয়েছে। কিন্ত তিনি তার বর্ণিত হাদীসে সা’দ(রাঃ) এর উক্তিটি বর্ণনা করেননি। (ই.ফা.৬১৯৫, ই.সে. ৬২৪১)

আনাস (রাঃ) এর সূত্র থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে হুবহু বর্ণিত রয়েছে। কিন্ত তিনি তার বর্ণিত হাদীসে সা’দ(রাঃ) এর উক্তিটি বর্ণনা করেননি। (ই.ফা.৬১৯৫, ই.সে. ৬২৪১)

حدثنا قتيبة، وابن، رمح عن الليث بن سعد، ح وحدثنا قتيبة، حدثنا عبد العزيز، يعني ابن محمد ح وحدثنا ابن المثنى، وابن أبي عمر، قالا حدثنا عبد الوهاب الثقفي، كلهم عن يحيى بن سعيد، عن أنس، عن النبي صلى الله عليه وسلم بمثله غير أنه لا يذكر في الحديث قول سعد ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৬৩২১

وحدثني عمرو الناقد، وعبد بن حميد، قالا حدثنا يعقوب، - وهو ابن إبراهيم بن سعد - حدثنا أبي، عن صالح، عن ابن شهاب، قال قال أبو سلمة وعبيد الله بن عبد الله بن عتبة بن مسعود سمعا أبا هريرة، يقول قال رسول الله صلى الله عليه وسلم وهو في مجلس عظيم من المسلمين ‏"‏ أحدثكم بخير دور الأنصار ‏"‏ ‏.‏ قالوا نعم يا رسول الله ‏.‏ قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ بنو عبد الأشهل ‏"‏ ‏.‏ قالوا ثم من يا رسول الله قال ‏"‏ ثم بنو النجار ‏"‏ ‏.‏ قالوا ثم من يا رسول الله قال ‏"‏ ثم بنو الحارث بن الخزرج ‏"‏ ‏.‏ قالوا ثم من يا رسول الله قال ‏"‏ ثم بنو ساعدة ‏"‏ ‏.‏ قالوا ثم من يا رسول الله قال ‏"‏ ثم في كل دور الأنصار خير ‏"‏ ‏.‏ فقام سعد بن عبادة مغضبا فقال أنحن آخر الأربع حين سمى رسول الله صلى الله عليه وسلم دارهم فأراد كلام رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال له رجال من قومه اجلس ألا ترضى أن سمى رسول الله صلى الله عليه وسلم داركم في الأربع الدور التي سمى فمن ترك فلم يسم أكثر ممن سمى ‏.‏ فانتهى سعد بن عبادة عن كلام رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏.‏

আবূ সালামাহ উবাইদুল্লাহ ইবনু আব্দুল্লাহ ইবনু উতবাহ ইবনু মাসউদ থেকে বর্নিতঃ

আবূ হুরায়রা (রাঃ) কে বলতে শুনেছেন যে, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মুসলিমদের এক বিরাট সমাবেশে বলেছেন আমি কি লোকেদেরকে আনসারদের সর্বাপেক্ষা ভাল গৃহ সম্বন্ধে উল্লেখ করব? তখন তারা বললেন জ্বি হ্যাঁ, হে আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)! রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন বানূ আব্দুল আশহাল। তাঁরা বললেন তারপর কারা? হে আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তিনি বললেন তারপর বানূ নাজ্জার। তাঁরা বললেন, হে আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তারপর কারা? তিনি বললেন, এরপর বানূ হারিস ইবনু খাযরাজ। তাঁরা বললেন এরপর কারা হে আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তিনি বললেন, বানূ সা’ইদাহ। তাঁরা বললেন, তারপর কারা? তখন তিনি বললেন, প্রত্যেক আনসারীর গৃহে কল্যাণ বিরাজ করছে তখন সা’দ ইবনু উবাদাহ (রাঃ) রাগতস্বরে উঠে দাঁড়িয়ে বললেন, আমরা কি চারের মাঝে সর্বশেষ? যখন রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাদের নামোল্লেখ করলেন তখন তিনি তাঁর কথার বিরুদ্ধাচরণ করার আকাঙ্ক্ষা করছিলেন। তখন তাঁর সম্প্রদায়ের কতক ব্যক্তি তাঁকে বলল, আপনি বসে পড়ুন। আপনি কি এতে খুশী নন যে রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যে চারটি সম্প্রদায়ের কথা বলেছেন তন্মধ্যে আপনার সম্প্রদায়কে অন্তর্ভুক্ত করেছেন? যাদের কথা তিনি উল্লেখ করেছেন তাদের চাইতে যাদের কথা তিনি বর্ণনা করেননি তাদের সংখ্যাই তো বেশি। তখন সা’দ ইবনু উবাদাহ (রাঃ) রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর কথার প্রত্যুত্তর করা হতে বিরত থাকলেন। (ই.ফা.৬১৯৯, ই.সে.৬২৪৫)

আবূ সালামাহ উবাইদুল্লাহ ইবনু আব্দুল্লাহ ইবনু উতবাহ ইবনু মাসউদ থেকে বর্নিতঃ

আবূ হুরায়রা (রাঃ) কে বলতে শুনেছেন যে, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মুসলিমদের এক বিরাট সমাবেশে বলেছেন আমি কি লোকেদেরকে আনসারদের সর্বাপেক্ষা ভাল গৃহ সম্বন্ধে উল্লেখ করব? তখন তারা বললেন জ্বি হ্যাঁ, হে আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)! রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন বানূ আব্দুল আশহাল। তাঁরা বললেন তারপর কারা? হে আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তিনি বললেন তারপর বানূ নাজ্জার। তাঁরা বললেন, হে আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তারপর কারা? তিনি বললেন, এরপর বানূ হারিস ইবনু খাযরাজ। তাঁরা বললেন এরপর কারা হে আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তিনি বললেন, বানূ সা’ইদাহ। তাঁরা বললেন, তারপর কারা? তখন তিনি বললেন, প্রত্যেক আনসারীর গৃহে কল্যাণ বিরাজ করছে তখন সা’দ ইবনু উবাদাহ (রাঃ) রাগতস্বরে উঠে দাঁড়িয়ে বললেন, আমরা কি চারের মাঝে সর্বশেষ? যখন রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাদের নামোল্লেখ করলেন তখন তিনি তাঁর কথার বিরুদ্ধাচরণ করার আকাঙ্ক্ষা করছিলেন। তখন তাঁর সম্প্রদায়ের কতক ব্যক্তি তাঁকে বলল, আপনি বসে পড়ুন। আপনি কি এতে খুশী নন যে রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যে চারটি সম্প্রদায়ের কথা বলেছেন তন্মধ্যে আপনার সম্প্রদায়কে অন্তর্ভুক্ত করেছেন? যাদের কথা তিনি উল্লেখ করেছেন তাদের চাইতে যাদের কথা তিনি বর্ণনা করেননি তাদের সংখ্যাই তো বেশি। তখন সা’দ ইবনু উবাদাহ (রাঃ) রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর কথার প্রত্যুত্তর করা হতে বিরত থাকলেন। (ই.ফা.৬১৯৯, ই.সে.৬২৪৫)

وحدثني عمرو الناقد، وعبد بن حميد، قالا حدثنا يعقوب، - وهو ابن إبراهيم بن سعد - حدثنا أبي، عن صالح، عن ابن شهاب، قال قال أبو سلمة وعبيد الله بن عبد الله بن عتبة بن مسعود سمعا أبا هريرة، يقول قال رسول الله صلى الله عليه وسلم وهو في مجلس عظيم من المسلمين ‏"‏ أحدثكم بخير دور الأنصار ‏"‏ ‏.‏ قالوا نعم يا رسول الله ‏.‏ قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ بنو عبد الأشهل ‏"‏ ‏.‏ قالوا ثم من يا رسول الله قال ‏"‏ ثم بنو النجار ‏"‏ ‏.‏ قالوا ثم من يا رسول الله قال ‏"‏ ثم بنو الحارث بن الخزرج ‏"‏ ‏.‏ قالوا ثم من يا رسول الله قال ‏"‏ ثم بنو ساعدة ‏"‏ ‏.‏ قالوا ثم من يا رسول الله قال ‏"‏ ثم في كل دور الأنصار خير ‏"‏ ‏.‏ فقام سعد بن عبادة مغضبا فقال أنحن آخر الأربع حين سمى رسول الله صلى الله عليه وسلم دارهم فأراد كلام رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال له رجال من قومه اجلس ألا ترضى أن سمى رسول الله صلى الله عليه وسلم داركم في الأربع الدور التي سمى فمن ترك فلم يسم أكثر ممن سمى ‏.‏ فانتهى سعد بن عبادة عن كلام رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏.‏


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00