সহিহ মুসলিম > আবূ সুফইয়ান ইবনু হারব (রাঃ)-এর ফযিলত
সহিহ মুসলিম ৬৩০৩
حدثني عباس بن عبد العظيم العنبري، وأحمد بن جعفر المعقري، قالا حدثنا النضر، - وهو ابن محمد اليمامي - حدثنا عكرمة، حدثنا أبو زميل، حدثني ابن عباس، قال كان المسلمون لا ينظرون إلى أبي سفيان ولا يقاعدونه فقال للنبي صلى الله عليه وسلم يا نبي الله ثلاث أعطنيهن قال " نعم " . قال عندي أحسن العرب وأجمله أم حبيبة بنت أبي سفيان أزوجكها قال " نعم " . قال ومعاوية تجعله كاتبا بين يديك . قال " نعم " . قال وتؤمرني حتى أقاتل الكفار كما كنت أقاتل المسلمين . قال " نعم " . قال أبو زميل ولولا أنه طلب ذلك من النبي صلى الله عليه وسلم ما أعطاه ذلك لأنه لم يكن يسئل شيئا إلا قال " نعم " .
ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
মুসলিমরা আবূ সুফইয়ানের প্রতি দুষ্টি দিতেন না এবং তাঁর সাথে উঠা-বসা করতেন না। তখন তিনি রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে বললেন, হে আল্লাহর নাবী! তিনটি জিনিস আমাকে দিন। তিনি বললেন, হ্যাঁ। তিনি (আবূ সুফইয়ান) বললেন আমার নিকট আরবের সবচেয়ে উত্তম ও সুন্দরী উম্মু হাবীবাহ বিনতু আবূ সুফইয়ান(রাঃ) আছে তাকে আমি আপনার সাথে বিবাহ দিব। রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন হ্যাঁ। আবূ সুফইয়ান (রাঃ)পুনরায় বললেন, আমার পুত্র মু’আবিয়াহকে আপনি ওয়াহী লেখক নিযুক্ত করুন। রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন হ্যাঁ। আবূ সূফইয়ান (রাঃ) বললেন আমাকে কাফিরদের বিপক্ষে যুদ্ধ করার নির্দেশ দিন, যেমন আমি (ইসলাম গ্রহণের পূর্বে) মুসলিমদের বিপক্ষে অস্ত্র ধারণ করেছিলাম। তিনি বললেন আচ্ছা। আবূ যুমায়ল (রাঃ) বলেন, যদি তিনি এসব ব্যাপারে রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট আবেদন না করতেন তাহলে তিনি তা দিতেন না। কারণ, তাঁর (আবূ সুফইয়ান (রাঃ) এর নিকট চাওয়া হলে তিনি হ্যাঁ বলতেন। (ই.ফা.৬১৮৪, ই.সে. ৬২২৮)
ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
মুসলিমরা আবূ সুফইয়ানের প্রতি দুষ্টি দিতেন না এবং তাঁর সাথে উঠা-বসা করতেন না। তখন তিনি রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে বললেন, হে আল্লাহর নাবী! তিনটি জিনিস আমাকে দিন। তিনি বললেন, হ্যাঁ। তিনি (আবূ সুফইয়ান) বললেন আমার নিকট আরবের সবচেয়ে উত্তম ও সুন্দরী উম্মু হাবীবাহ বিনতু আবূ সুফইয়ান(রাঃ) আছে তাকে আমি আপনার সাথে বিবাহ দিব। রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন হ্যাঁ। আবূ সুফইয়ান (রাঃ)পুনরায় বললেন, আমার পুত্র মু’আবিয়াহকে আপনি ওয়াহী লেখক নিযুক্ত করুন। রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন হ্যাঁ। আবূ সূফইয়ান (রাঃ) বললেন আমাকে কাফিরদের বিপক্ষে যুদ্ধ করার নির্দেশ দিন, যেমন আমি (ইসলাম গ্রহণের পূর্বে) মুসলিমদের বিপক্ষে অস্ত্র ধারণ করেছিলাম। তিনি বললেন আচ্ছা। আবূ যুমায়ল (রাঃ) বলেন, যদি তিনি এসব ব্যাপারে রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট আবেদন না করতেন তাহলে তিনি তা দিতেন না। কারণ, তাঁর (আবূ সুফইয়ান (রাঃ) এর নিকট চাওয়া হলে তিনি হ্যাঁ বলতেন। (ই.ফা.৬১৮৪, ই.সে. ৬২২৮)
حدثني عباس بن عبد العظيم العنبري، وأحمد بن جعفر المعقري، قالا حدثنا النضر، - وهو ابن محمد اليمامي - حدثنا عكرمة، حدثنا أبو زميل، حدثني ابن عباس، قال كان المسلمون لا ينظرون إلى أبي سفيان ولا يقاعدونه فقال للنبي صلى الله عليه وسلم يا نبي الله ثلاث أعطنيهن قال " نعم " . قال عندي أحسن العرب وأجمله أم حبيبة بنت أبي سفيان أزوجكها قال " نعم " . قال ومعاوية تجعله كاتبا بين يديك . قال " نعم " . قال وتؤمرني حتى أقاتل الكفار كما كنت أقاتل المسلمين . قال " نعم " . قال أبو زميل ولولا أنه طلب ذلك من النبي صلى الله عليه وسلم ما أعطاه ذلك لأنه لم يكن يسئل شيئا إلا قال " نعم " .
সহিহ মুসলিম > জা’ফার ইবনু আবু তালিব, আসমা বিনতু ‘উমায়স ও তাদের নৌ সফর-সঙ্গীদের ফাজীলাত
সহিহ মুসলিম ৬৩০৪
حدثنا عبد الله بن براد الأشعري، ومحمد بن العلاء الهمداني، قالا حدثنا أبو أسامة حدثني بريد، عن أبي بردة، عن أبي موسى، قال بلغنا مخرج رسول الله صلى الله عليه وسلم ونحن باليمن فخرجنا مهاجرين إليه أنا وأخوان لي أنا أصغرهما أحدهما أبو بردة والآخر أبو رهم - إما قال بضعا وإما قال ثلاثة وخمسين أو اثنين وخمسين رجلا من قومي - قال فركبنا سفينة فألقتنا سفينتنا إلى النجاشي بالحبشة فوافقنا جعفر بن أبي طالب وأصحابه عنده فقال جعفر إن رسول الله صلى الله عليه وسلم بعثنا ها هنا وأمرنا بالإقامة فأقيموا معنا . فأقمنا معه حتى قدمنا جميعا - قال - فوافقنا رسول الله صلى الله عليه وسلم حين افتتح خيبر فأسهم لنا - أو قال أعطانا منها - وما قسم لأحد غاب عن فتح خيبر منها شيئا إلا لمن شهد معه إلا لأصحاب سفينتنا مع جعفر وأصحابه قسم لهم معهم - قال - فكان ناس من الناس يقولون لنا - يعني لأهل السفينة - نحن سبقناكم بالهجرة .
আবূ মূসা আশ’আরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন যখন আমাদের নিকট রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর হিজরাতের সংবাদ পৌছল তখন আমরা ইয়ামানে ছিলাম। তারপর আমি ও আমার দু’ভাই তাঁর নিকট মিলিত হওয়ার জন্য হিজরত করলাম। আমি ছিলাম সে দুজনের ছোট। তাঁদের মধ্যে একজনের নাম ছিল আবূ বুরদাহ (রাঃ) অন্যজন ছিলেন আবূ রুহম (রাঃ) তিনি হয়ত বলেছেন, তখন পঞ্চাশ জনের কিছু বেশি, নয়ত বলেছেন তিপ্পান্ন জন অথবা বায়ান্নজন ব্যক্তি আমাদের সম্প্রদায় ছিল। আমরা একটি নৌকায় আরোহিত হলাম। নৌকাটি আমাদের নিয়ে আবিসিনিয়ায় সন্নিকটে উপস্থিত হলো, যেখানে বাদশাহ ছিলেন নাজাশী। তখন আমরা তাঁর নিকট জা’ফার ইবনু আবূ তালিব (রাঃ) ও তাঁর সাথীদের দেখা পেলাম। তারপর জা’ফর(রাঃ) বললেন, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদেরকে এখানে পাঠিয়েছেন এবং অবস্থান করার আদেশ দিয়েছেন। অতএব আপনারা আমাদের সাথে অবস্থান করুন। তিনি বলেন আমরা তাঁর সাথে থাকতে লাগলাম, পরিশেষে আমরা সকলে একসাথে মাদীনাহ প্রত্যাবর্তন করলাম। তিনি বলেন তারপর খাইবার বিজয়কালে আমরা রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সাথে একত্রিত হলাম্ তিনি আমাদেরও গনীমাতের সম্পদের অংশ দিলেন কিংবা তিনি বলেছেন, তিনি তা হতে আমাদেরও প্রদান করেছেন। তিনি তাঁর সাথে যারা যুদ্ধের মাঠে সমাবেত হয়েছিল তাদের ছাড়া কাউকে গনীমাতের অংশ দান করেননি। তবে জা’ফর ও তাঁর সাথীদের সাথে আমাদের নৌকায় আরোহী সাথীদেরও তাঁদের সাথে অংশ প্রদান করেছিলেন। রাবী বলেন, লোকদের মধ্যে কেউ আমাদের অর্থাৎ-নৌকা আরোহীদের বলে বেড়াত যে, আমরা তোমাদের অগ্রে হিজরাতকারী। (ই.ফা.৬১৮৫, ই.সে. ৬২২৯)
আবূ মূসা আশ’আরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন যখন আমাদের নিকট রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর হিজরাতের সংবাদ পৌছল তখন আমরা ইয়ামানে ছিলাম। তারপর আমি ও আমার দু’ভাই তাঁর নিকট মিলিত হওয়ার জন্য হিজরত করলাম। আমি ছিলাম সে দুজনের ছোট। তাঁদের মধ্যে একজনের নাম ছিল আবূ বুরদাহ (রাঃ) অন্যজন ছিলেন আবূ রুহম (রাঃ) তিনি হয়ত বলেছেন, তখন পঞ্চাশ জনের কিছু বেশি, নয়ত বলেছেন তিপ্পান্ন জন অথবা বায়ান্নজন ব্যক্তি আমাদের সম্প্রদায় ছিল। আমরা একটি নৌকায় আরোহিত হলাম। নৌকাটি আমাদের নিয়ে আবিসিনিয়ায় সন্নিকটে উপস্থিত হলো, যেখানে বাদশাহ ছিলেন নাজাশী। তখন আমরা তাঁর নিকট জা’ফার ইবনু আবূ তালিব (রাঃ) ও তাঁর সাথীদের দেখা পেলাম। তারপর জা’ফর(রাঃ) বললেন, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদেরকে এখানে পাঠিয়েছেন এবং অবস্থান করার আদেশ দিয়েছেন। অতএব আপনারা আমাদের সাথে অবস্থান করুন। তিনি বলেন আমরা তাঁর সাথে থাকতে লাগলাম, পরিশেষে আমরা সকলে একসাথে মাদীনাহ প্রত্যাবর্তন করলাম। তিনি বলেন তারপর খাইবার বিজয়কালে আমরা রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সাথে একত্রিত হলাম্ তিনি আমাদেরও গনীমাতের সম্পদের অংশ দিলেন কিংবা তিনি বলেছেন, তিনি তা হতে আমাদেরও প্রদান করেছেন। তিনি তাঁর সাথে যারা যুদ্ধের মাঠে সমাবেত হয়েছিল তাদের ছাড়া কাউকে গনীমাতের অংশ দান করেননি। তবে জা’ফর ও তাঁর সাথীদের সাথে আমাদের নৌকায় আরোহী সাথীদেরও তাঁদের সাথে অংশ প্রদান করেছিলেন। রাবী বলেন, লোকদের মধ্যে কেউ আমাদের অর্থাৎ-নৌকা আরোহীদের বলে বেড়াত যে, আমরা তোমাদের অগ্রে হিজরাতকারী। (ই.ফা.৬১৮৫, ই.সে. ৬২২৯)
حدثنا عبد الله بن براد الأشعري، ومحمد بن العلاء الهمداني، قالا حدثنا أبو أسامة حدثني بريد، عن أبي بردة، عن أبي موسى، قال بلغنا مخرج رسول الله صلى الله عليه وسلم ونحن باليمن فخرجنا مهاجرين إليه أنا وأخوان لي أنا أصغرهما أحدهما أبو بردة والآخر أبو رهم - إما قال بضعا وإما قال ثلاثة وخمسين أو اثنين وخمسين رجلا من قومي - قال فركبنا سفينة فألقتنا سفينتنا إلى النجاشي بالحبشة فوافقنا جعفر بن أبي طالب وأصحابه عنده فقال جعفر إن رسول الله صلى الله عليه وسلم بعثنا ها هنا وأمرنا بالإقامة فأقيموا معنا . فأقمنا معه حتى قدمنا جميعا - قال - فوافقنا رسول الله صلى الله عليه وسلم حين افتتح خيبر فأسهم لنا - أو قال أعطانا منها - وما قسم لأحد غاب عن فتح خيبر منها شيئا إلا لمن شهد معه إلا لأصحاب سفينتنا مع جعفر وأصحابه قسم لهم معهم - قال - فكان ناس من الناس يقولون لنا - يعني لأهل السفينة - نحن سبقناكم بالهجرة .
সহিহ মুসলিম ৬৩০৫
قال فدخلت أسماء بنت عميس - وهي ممن قدم معنا - على حفصة زوج النبي صلى الله عليه وسلم زائرة وقد كانت هاجرت إلى النجاشي فيمن هاجر إليه فدخل عمر على حفصة وأسماء عندها فقال عمر حين رأى أسماء من هذه قالت أسماء بنت عميس . قال عمر الحبشية هذه البحرية هذه فقالت أسماء نعم . فقال عمر سبقناكم بالهجرة فنحن أحق برسول الله صلى الله عليه وسلم منكم . فغضبت وقالت كلمة كذبت يا عمر كلا والله كنتم مع رسول الله صلى الله عليه وسلم يطعم جائعكم ويعظ جاهلكم وكنا في دار أو في أرض البعداء البغضاء في الحبشة وذلك في الله وفي رسوله وايم الله لا أطعم طعاما ولا أشرب شرابا حتى أذكر ما قلت لرسول الله صلى الله عليه وسلم ونحن كنا نؤذى ونخاف وسأذكر ذلك لرسول الله صلى الله عليه وسلم وأسأله ووالله لا أكذب ولا أزيغ ولا أزيد على ذلك . قال فلما جاء النبي صلى الله عليه وسلم قالت يا نبي الله إن عمر قال كذا وكذا . فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " ليس بأحق بي منكم وله ولأصحابه هجرة واحدة ولكم أنتم أهل السفينة هجرتان " . قالت فلقد رأيت أبا موسى وأصحاب السفينة يأتوني أرسالا يسألوني عن هذا الحديث ما من الدنيا شىء هم به أفرح ولا أعظم في أنفسهم مما قال لهم رسول الله صلى الله عليه وسلم . قال أبو بردة فقالت أسماء فلقد رأيت أبا موسى وإنه ليستعيد هذا الحديث مني .
রাবী (আব্দুল্লাহ ইবনু বাররাদ আশ’আরী) (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
অতঃপর আমাদের নৌকায় সফর সঙ্গিনী আসমা বিনতু উমায়স (রাঃ) রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর স্ত্রী হাফসাহ (রাঃ) এর সাথে সাক্ষাৎ করার জন্য বের হন। যাঁরা নাজাশীর নিকট হিজরাত করেছিলেন, তিনি ছিলেন তাঁদের একজন। ইত্যবসরে উমার(রাঃ) হাফসার নিকট আসলেন। তখন আসমা বিনতু উমায়স (রাঃ) তাঁর নিকট উপস্থিত ছিলেন। তখন উমার (রাঃ)আসমাকে দেখে বললেন, ইনি কে? হাফসাহ (রাঃ) বললেন তিনি আসমা বিনতু উমায়স। উমার (রাঃ) বললেন ইনিই কি হাবশায় হিজরাতকারিণী, নৌকায় আরোহণকারিণী? তখন আসমা (রাঃ) বললেন জি হ্যাঁ। উমার (রাঃ) বললেন, হিজরাতের দৃষ্টিকোণে আমরা তোমাদের চেয়ে অগ্রগামী। অতএব তোমাদের চেয়ে আমরা রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সম্বন্ধে বেশি হকদার। তখন আসমা (রাঃ) রাগান্মিত স্বরে বললেন, হে উমার! কথাটি সঠিক নয়। কক্ষনো সঠিক হতে পারে না আল্লাহ শপথ! তোমরা রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)এর সাথে ছিলে। তিনি তোমাদের ক্ষুধার্তদের খাবার দান করতেন, অজ্ঞদের জ্ঞানের আলো বিতরণ করতেন। আর আমরা আবিসিনিয়ায় প্রবাসে বিপদের ঝুঁকি মাথায় নিয়ে অবস্থান করছিলাম। এটা ছিল শুধু আল্লাহ ও তাঁর রসূলের সান্নিধ্য লাভের জন্যই। আল্লাহর শপথ! তুমি যা বলেছ তা রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট আলোচনা না করা পর্যন্ত আমি কোন খাবার খাব না এবং পানীয় দ্রব্যও ছুঁবো না। আমার (বিদেশ বিভুঁইয়ে) সার্বক্ষণিক বিপদ ও ভয়ভীতির মাঝে দিনাতিপাত করতাম। আমি ব্যাপারটি রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর কাছে উত্থাপন করব এবং প্রশ্ন করব। আল্লাহর শপথ! আমি মিথ্যাচার করব না, বিপথগামীও হব না এবং প্রকৃত ঘটনার চেয়ে বাড়িয়েও কিছু বলব না। রাবী বলেন, যখন রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আসলেন তখন আসমা (রাঃ) বললেন, হে আল্লাহর নাবী! উমার (রাঃ) এই এই বলেছেন। তখনরসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন আমার প্রতি তোমাদের তুলনায় তার হক অধিক নেই। কারণ, তাঁর ও তাঁর সঙ্গীদের জন্য আছে কেবল একটি হিজরাত। আর তোমাদের নৌকারোহীদের জন্য আছে দু’টি হিজরাত। তিনি (আসমা (রাঃ) বলেন, আমি আবূ মূসা (রাঃ) ও নৌকারোহীদের দলবেঁধে এসে আমার নিকট এ হাদীসটি প্রশ্ন করতে দেখেছি। তাঁদের বিষয়ে রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যা বলেছেন তাঁদের নিকট এর চেয়ে বেশি আনন্দদায়ক এবং বড় ও মহৎ কোন ব্যাপার ছির না। আবূ বুরদাহ (রাঃ) বলেন যে, আসমা (রাঃ) বলেছেন, আমি আবূ মূসা (রাঃ) কে দেখেছি তিনি আমার নিকট হতে এ হাদীস আনন্দের আতিশয্যে বারবার শুনতে চাইতেন। (ই.ফা.৬১৮৫, ই.সে. ৬২২৯)
রাবী (আব্দুল্লাহ ইবনু বাররাদ আশ’আরী) (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
অতঃপর আমাদের নৌকায় সফর সঙ্গিনী আসমা বিনতু উমায়স (রাঃ) রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর স্ত্রী হাফসাহ (রাঃ) এর সাথে সাক্ষাৎ করার জন্য বের হন। যাঁরা নাজাশীর নিকট হিজরাত করেছিলেন, তিনি ছিলেন তাঁদের একজন। ইত্যবসরে উমার(রাঃ) হাফসার নিকট আসলেন। তখন আসমা বিনতু উমায়স (রাঃ) তাঁর নিকট উপস্থিত ছিলেন। তখন উমার (রাঃ)আসমাকে দেখে বললেন, ইনি কে? হাফসাহ (রাঃ) বললেন তিনি আসমা বিনতু উমায়স। উমার (রাঃ) বললেন ইনিই কি হাবশায় হিজরাতকারিণী, নৌকায় আরোহণকারিণী? তখন আসমা (রাঃ) বললেন জি হ্যাঁ। উমার (রাঃ) বললেন, হিজরাতের দৃষ্টিকোণে আমরা তোমাদের চেয়ে অগ্রগামী। অতএব তোমাদের চেয়ে আমরা রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সম্বন্ধে বেশি হকদার। তখন আসমা (রাঃ) রাগান্মিত স্বরে বললেন, হে উমার! কথাটি সঠিক নয়। কক্ষনো সঠিক হতে পারে না আল্লাহ শপথ! তোমরা রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)এর সাথে ছিলে। তিনি তোমাদের ক্ষুধার্তদের খাবার দান করতেন, অজ্ঞদের জ্ঞানের আলো বিতরণ করতেন। আর আমরা আবিসিনিয়ায় প্রবাসে বিপদের ঝুঁকি মাথায় নিয়ে অবস্থান করছিলাম। এটা ছিল শুধু আল্লাহ ও তাঁর রসূলের সান্নিধ্য লাভের জন্যই। আল্লাহর শপথ! তুমি যা বলেছ তা রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট আলোচনা না করা পর্যন্ত আমি কোন খাবার খাব না এবং পানীয় দ্রব্যও ছুঁবো না। আমার (বিদেশ বিভুঁইয়ে) সার্বক্ষণিক বিপদ ও ভয়ভীতির মাঝে দিনাতিপাত করতাম। আমি ব্যাপারটি রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর কাছে উত্থাপন করব এবং প্রশ্ন করব। আল্লাহর শপথ! আমি মিথ্যাচার করব না, বিপথগামীও হব না এবং প্রকৃত ঘটনার চেয়ে বাড়িয়েও কিছু বলব না। রাবী বলেন, যখন রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আসলেন তখন আসমা (রাঃ) বললেন, হে আল্লাহর নাবী! উমার (রাঃ) এই এই বলেছেন। তখনরসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন আমার প্রতি তোমাদের তুলনায় তার হক অধিক নেই। কারণ, তাঁর ও তাঁর সঙ্গীদের জন্য আছে কেবল একটি হিজরাত। আর তোমাদের নৌকারোহীদের জন্য আছে দু’টি হিজরাত। তিনি (আসমা (রাঃ) বলেন, আমি আবূ মূসা (রাঃ) ও নৌকারোহীদের দলবেঁধে এসে আমার নিকট এ হাদীসটি প্রশ্ন করতে দেখেছি। তাঁদের বিষয়ে রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যা বলেছেন তাঁদের নিকট এর চেয়ে বেশি আনন্দদায়ক এবং বড় ও মহৎ কোন ব্যাপার ছির না। আবূ বুরদাহ (রাঃ) বলেন যে, আসমা (রাঃ) বলেছেন, আমি আবূ মূসা (রাঃ) কে দেখেছি তিনি আমার নিকট হতে এ হাদীস আনন্দের আতিশয্যে বারবার শুনতে চাইতেন। (ই.ফা.৬১৮৫, ই.সে. ৬২২৯)
قال فدخلت أسماء بنت عميس - وهي ممن قدم معنا - على حفصة زوج النبي صلى الله عليه وسلم زائرة وقد كانت هاجرت إلى النجاشي فيمن هاجر إليه فدخل عمر على حفصة وأسماء عندها فقال عمر حين رأى أسماء من هذه قالت أسماء بنت عميس . قال عمر الحبشية هذه البحرية هذه فقالت أسماء نعم . فقال عمر سبقناكم بالهجرة فنحن أحق برسول الله صلى الله عليه وسلم منكم . فغضبت وقالت كلمة كذبت يا عمر كلا والله كنتم مع رسول الله صلى الله عليه وسلم يطعم جائعكم ويعظ جاهلكم وكنا في دار أو في أرض البعداء البغضاء في الحبشة وذلك في الله وفي رسوله وايم الله لا أطعم طعاما ولا أشرب شرابا حتى أذكر ما قلت لرسول الله صلى الله عليه وسلم ونحن كنا نؤذى ونخاف وسأذكر ذلك لرسول الله صلى الله عليه وسلم وأسأله ووالله لا أكذب ولا أزيغ ولا أزيد على ذلك . قال فلما جاء النبي صلى الله عليه وسلم قالت يا نبي الله إن عمر قال كذا وكذا . فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " ليس بأحق بي منكم وله ولأصحابه هجرة واحدة ولكم أنتم أهل السفينة هجرتان " . قالت فلقد رأيت أبا موسى وأصحاب السفينة يأتوني أرسالا يسألوني عن هذا الحديث ما من الدنيا شىء هم به أفرح ولا أعظم في أنفسهم مما قال لهم رسول الله صلى الله عليه وسلم . قال أبو بردة فقالت أسماء فلقد رأيت أبا موسى وإنه ليستعيد هذا الحديث مني .
সহিহ মুসলিম > সালমান (রাঃ), সুহায়ব (রাঃ) ও বিলাল (রাঃ)এর ফযিলত।
সহিহ মুসলিম ৬৩০৬
حدثنا محمد بن حاتم، حدثنا بهز، حدثنا حماد بن سلمة، عن ثابت، عن معاوية، بن قرة عن عائذ بن عمرو، أن أبا سفيان، أتى على سلمان وصهيب وبلال في نفر فقالوا والله ما أخذت سيوف الله من عنق عدو الله مأخذها . قال فقال أبو بكر أتقولون هذا لشيخ قريش وسيدهم فأتى النبي صلى الله عليه وسلم فأخبره فقال " يا أبا بكر لعلك أغضبتهم لئن كنت أغضبتهم لقد أغضبت ربك " . فأتاهم أبو بكر فقال يا إخوتاه أغضبتكم قالوا لا يغفر الله لك يا أخى .
আয়িয ইবনু আমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আবূ সুফইয়ান (রাঃ) একদল লোকের সঙ্গে সালমান ফারসী (রাঃ), সুহায়ব (রাঃ) ও বিলাল (রাঃ) এর নিকট আসলেন। তখন তাঁরা বললেন, আল্লাহর তলোয়ারসমূহ আল্লাহর শত্রুদের ঘাড়ে ঠিকসময়ে তার লক্ষ্যস্থলে এসে পড়েনি। রাবী বলেন, আবূ বাকর (রাঃ) বললেন, তোমরা কি একজন বয়োবৃদ্ধ কুরায়শ নেতাকে এরূপ কথা বলছ? তারপর তিনি রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট এসে তাকেঁ ব্যাপারটি জানালেন। তখন তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃহে আবূ বাকর! তুমি মনে হয় তাদের অসন্তষ্ট করেছো। তুমি যদি তাদের অসন্তষ্ট করে থাক তবে তুমি তোমার প্রতি পালককেই অসন্তষ্ট করলে। তারপর আবূ বাকর (রাঃ) তাঁদের নিকট এসে বললেন, হে আমার ভাইয়েরা! আমি তোমাদের অসন্তষ্ট করেছি, তাই না? তারা বললেন না হে আমার ভাই! আল্লাহ আপনাকে মাফ করুন। (ই.ফা.৬১৮৬, ই.সে. ৬২৩০)
আয়িয ইবনু আমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আবূ সুফইয়ান (রাঃ) একদল লোকের সঙ্গে সালমান ফারসী (রাঃ), সুহায়ব (রাঃ) ও বিলাল (রাঃ) এর নিকট আসলেন। তখন তাঁরা বললেন, আল্লাহর তলোয়ারসমূহ আল্লাহর শত্রুদের ঘাড়ে ঠিকসময়ে তার লক্ষ্যস্থলে এসে পড়েনি। রাবী বলেন, আবূ বাকর (রাঃ) বললেন, তোমরা কি একজন বয়োবৃদ্ধ কুরায়শ নেতাকে এরূপ কথা বলছ? তারপর তিনি রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট এসে তাকেঁ ব্যাপারটি জানালেন। তখন তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃহে আবূ বাকর! তুমি মনে হয় তাদের অসন্তষ্ট করেছো। তুমি যদি তাদের অসন্তষ্ট করে থাক তবে তুমি তোমার প্রতি পালককেই অসন্তষ্ট করলে। তারপর আবূ বাকর (রাঃ) তাঁদের নিকট এসে বললেন, হে আমার ভাইয়েরা! আমি তোমাদের অসন্তষ্ট করেছি, তাই না? তারা বললেন না হে আমার ভাই! আল্লাহ আপনাকে মাফ করুন। (ই.ফা.৬১৮৬, ই.সে. ৬২৩০)
حدثنا محمد بن حاتم، حدثنا بهز، حدثنا حماد بن سلمة، عن ثابت، عن معاوية، بن قرة عن عائذ بن عمرو، أن أبا سفيان، أتى على سلمان وصهيب وبلال في نفر فقالوا والله ما أخذت سيوف الله من عنق عدو الله مأخذها . قال فقال أبو بكر أتقولون هذا لشيخ قريش وسيدهم فأتى النبي صلى الله عليه وسلم فأخبره فقال " يا أبا بكر لعلك أغضبتهم لئن كنت أغضبتهم لقد أغضبت ربك " . فأتاهم أبو بكر فقال يا إخوتاه أغضبتكم قالوا لا يغفر الله لك يا أخى .
সহিহ মুসলিম > আনসারদের (রাঃ) ফযিলত।
সহিহ মুসলিম ৬৩০৭
حدثنا إسحاق بن إبراهيم الحنظلي، وأحمد بن عبدة، - واللفظ لإسحاق - قالا أخبرنا سفيان، عن عمرو، عن جابر بن عبد الله، قال فينا نزلت { إذ همت طائفتان منكم أن تفشلا والله وليهما} بنو سلمة وبنو حارثة وما نحب أنها لم تنزل لقول الله عز وجل { والله وليهما} .
জাবির ইবনু আব্দুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, “তোমাদের দু’টি দল যখন কাপুরুষতা ও সাহসহীনতা দেখাবার জন্য প্রস্তত হয়েছিল, অথচ আল্লাহই সাহায্যকারী হিসেবে বর্তমান ছিলেন”- (সূরাহ আ-লি ইমরান ১২২) এ আয়াতটি আমাদের অর্থাৎ- বনূ সালিমাহ ও বনূ হারিসাহ সম্বন্ধে অবতীর্ণ হয়েছিল। আর আমরা পছন্দ করতাম না যে এ আয়াতটি অবতীর্ণ না হোক। কারণ, আল্লাহ তা’আলা বলেছেন: আল্লাহ এদের দু’জনের সাহায্যকারী ও অভিভাবক। (ই.ফা.৬১৮৭, ই.সে. ৬২৩১)
জাবির ইবনু আব্দুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, “তোমাদের দু’টি দল যখন কাপুরুষতা ও সাহসহীনতা দেখাবার জন্য প্রস্তত হয়েছিল, অথচ আল্লাহই সাহায্যকারী হিসেবে বর্তমান ছিলেন”- (সূরাহ আ-লি ইমরান ১২২) এ আয়াতটি আমাদের অর্থাৎ- বনূ সালিমাহ ও বনূ হারিসাহ সম্বন্ধে অবতীর্ণ হয়েছিল। আর আমরা পছন্দ করতাম না যে এ আয়াতটি অবতীর্ণ না হোক। কারণ, আল্লাহ তা’আলা বলেছেন: আল্লাহ এদের দু’জনের সাহায্যকারী ও অভিভাবক। (ই.ফা.৬১৮৭, ই.সে. ৬২৩১)
حدثنا إسحاق بن إبراهيم الحنظلي، وأحمد بن عبدة، - واللفظ لإسحاق - قالا أخبرنا سفيان، عن عمرو، عن جابر بن عبد الله، قال فينا نزلت { إذ همت طائفتان منكم أن تفشلا والله وليهما} بنو سلمة وبنو حارثة وما نحب أنها لم تنزل لقول الله عز وجل { والله وليهما} .
সহিহ মুসলিম ৬৩০৮
حدثنا محمد بن المثنى، حدثنا محمد بن جعفر، وعبد الرحمن بن مهدي، قالا حدثنا شعبة، عن قتادة، عن النضر بن أنس، عن زيد بن أرقم، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " اللهم اغفر للأنصار ولأبناء الأنصار وأبناء أبناء الأنصار " .
যায়দ ইবনু আরকাম (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: হে আল্লাহ! আনসারদের মাফ করুন, মাফ করে দিন তাদের সন্তানদের ও নাতী-নাতনীদেরকে। ই.ফা.৬১৮৮, ই.সে. ৬২৩২)
যায়দ ইবনু আরকাম (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: হে আল্লাহ! আনসারদের মাফ করুন, মাফ করে দিন তাদের সন্তানদের ও নাতী-নাতনীদেরকে। ই.ফা.৬১৮৮, ই.সে. ৬২৩২)
حدثنا محمد بن المثنى، حدثنا محمد بن جعفر، وعبد الرحمن بن مهدي، قالا حدثنا شعبة، عن قتادة، عن النضر بن أنس، عن زيد بن أرقم، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " اللهم اغفر للأنصار ولأبناء الأنصار وأبناء أبناء الأنصار " .
সহিহ মুসলিম ৬৩১০
حدثني أبو معن الرقاشي، حدثنا عمر بن يونس، حدثنا عكرمة، - وهو ابن عمار - حدثنا إسحاق، - وهو ابن عبد الله بن أبي طلحة - أن أنسا، حدثه أن رسول الله صلى الله عليه وسلم استغفر للأنصار - قال - وأحسبه قال " ولذراري الأنصار ولموالي الأنصار " . لا أشك فيه .
ইসহাক (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
আনাস (রাঃ) তাকে শুনিয়েছেন যে, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আনাসারদের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করেছেন। রাবী বলেন, আমি মনে করি যে, তিনি বলেছেন: আনসারদের সন্তান-সন্ততি ও তাদের গোলামদের জন্যও ক্ষমা প্রার্থনা করেছেন। “এতে আমার কোন সংশয় নেই। (ই.ফা.৬১৮৯, ই.সে. ৬২৩৪)
ইসহাক (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
আনাস (রাঃ) তাকে শুনিয়েছেন যে, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আনাসারদের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করেছেন। রাবী বলেন, আমি মনে করি যে, তিনি বলেছেন: আনসারদের সন্তান-সন্ততি ও তাদের গোলামদের জন্যও ক্ষমা প্রার্থনা করেছেন। “এতে আমার কোন সংশয় নেই। (ই.ফা.৬১৮৯, ই.সে. ৬২৩৪)
حدثني أبو معن الرقاشي، حدثنا عمر بن يونس، حدثنا عكرمة، - وهو ابن عمار - حدثنا إسحاق، - وهو ابن عبد الله بن أبي طلحة - أن أنسا، حدثه أن رسول الله صلى الله عليه وسلم استغفر للأنصار - قال - وأحسبه قال " ولذراري الأنصار ولموالي الأنصار " . لا أشك فيه .
সহিহ মুসলিম ৬৩১১
حدثني أبو بكر بن أبي شيبة، وزهير بن حرب، جميعا عن ابن علية، - واللفظ لزهير - حدثنا إسماعيل، عن عبد العزيز، - وهو ابن صهيب - عن أنس، أن النبي صلى الله عليه وسلم رأى صبيانا ونساء مقبلين من عرس فقام نبي الله صلى الله عليه وسلم ممثلا فقال " اللهم أنتم من أحب الناس إلى اللهم أنتم من أحب الناس إلى " . يعني الأنصار .
আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কিছু বালক ও নারীকে কোন এক উৎসব-অনুষ্ঠান থেকে আসতে দেখেন। তখন তিনি তাদের সামনে গিয়ে বললেনঃআল্লাহর শপথ! তোমরা (আনসাররা) আমার নিকট সবচেয়ে পছন্দের লোক, আমার নিকট তোমরা সবচেয়ে প্রিয় লোক। (ই.ফা.৬১৯০, ই.সে.৬২৩৫)
আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কিছু বালক ও নারীকে কোন এক উৎসব-অনুষ্ঠান থেকে আসতে দেখেন। তখন তিনি তাদের সামনে গিয়ে বললেনঃআল্লাহর শপথ! তোমরা (আনসাররা) আমার নিকট সবচেয়ে পছন্দের লোক, আমার নিকট তোমরা সবচেয়ে প্রিয় লোক। (ই.ফা.৬১৯০, ই.সে.৬২৩৫)
حدثني أبو بكر بن أبي شيبة، وزهير بن حرب، جميعا عن ابن علية، - واللفظ لزهير - حدثنا إسماعيل، عن عبد العزيز، - وهو ابن صهيب - عن أنس، أن النبي صلى الله عليه وسلم رأى صبيانا ونساء مقبلين من عرس فقام نبي الله صلى الله عليه وسلم ممثلا فقال " اللهم أنتم من أحب الناس إلى اللهم أنتم من أحب الناس إلى " . يعني الأنصار .
সহিহ মুসলিম ৬৩১২
حدثنا محمد بن المثنى، وابن، بشار جميعا عن غندر، قال ابن المثنى حدثنا محمد، بن جعفر حدثنا شعبة، عن هشام بن زيد، سمعت أنس بن مالك، يقول جاءت امرأة من الأنصار إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم - قال - فخلا بها رسول الله صلى الله عليه وسلم وقال " والذي نفسي بيده إنكم لأحب الناس إلى " . ثلاث مرات .
হিশাম ইবনু যায়দ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি আনাস (রাঃ) কে বলতে শুনেছি যে, জনৈক আনসারী নারী রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট আসলেন। রাবী বলেন তখন রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তার সাথে নীরবে আলাপ করছিলেন এবং বলছিলেন যাঁর হাতে আমার জীবন সে সত্তার শপথ, তোমরা আমার নিকট সবচেয়ে পছন্দের লোক। তিনি এ কথাটি তিনবার বললেন। (ই.ফা.৬১৯১, ই.সে. ৬২৩৬)
হিশাম ইবনু যায়দ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি আনাস (রাঃ) কে বলতে শুনেছি যে, জনৈক আনসারী নারী রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট আসলেন। রাবী বলেন তখন রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তার সাথে নীরবে আলাপ করছিলেন এবং বলছিলেন যাঁর হাতে আমার জীবন সে সত্তার শপথ, তোমরা আমার নিকট সবচেয়ে পছন্দের লোক। তিনি এ কথাটি তিনবার বললেন। (ই.ফা.৬১৯১, ই.সে. ৬২৩৬)
حدثنا محمد بن المثنى، وابن، بشار جميعا عن غندر، قال ابن المثنى حدثنا محمد، بن جعفر حدثنا شعبة، عن هشام بن زيد، سمعت أنس بن مالك، يقول جاءت امرأة من الأنصار إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم - قال - فخلا بها رسول الله صلى الله عليه وسلم وقال " والذي نفسي بيده إنكم لأحب الناس إلى " . ثلاث مرات .
সহিহ মুসলিম ৬৩১৪
حدثنا محمد بن المثنى، ومحمد بن بشار، - واللفظ لابن المثنى - قالا حدثنا محمد بن جعفر، أخبرنا شعبة، سمعت قتادة، يحدث عن أنس بن مالك، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " إن الأنصار كرشي وعيبتي وإن الناس سيكثرون ويقلون فاقبلوا من محسنهم واعفوا عن مسيئهم " .
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
যে রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: আনসারগণ আমার পরম শুভাকাঙ্ক্ষী এবং ঘনিষ্ঠ বন্ধু। আর লোকের সংখ্যা অনবরত বৃদ্ধি পাবে এবং আনসারদের সংখ্যা ক্রমশ কমতে থাকবে। অতএব তাদের ভাল আচরণগুলো গ্রহণ করো এবং তাদের অসদাচরণ ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখ। (ই.ফা.৬১৯২, ই.সে. ৬২৩৮)
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
যে রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: আনসারগণ আমার পরম শুভাকাঙ্ক্ষী এবং ঘনিষ্ঠ বন্ধু। আর লোকের সংখ্যা অনবরত বৃদ্ধি পাবে এবং আনসারদের সংখ্যা ক্রমশ কমতে থাকবে। অতএব তাদের ভাল আচরণগুলো গ্রহণ করো এবং তাদের অসদাচরণ ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখ। (ই.ফা.৬১৯২, ই.সে. ৬২৩৮)
حدثنا محمد بن المثنى، ومحمد بن بشار، - واللفظ لابن المثنى - قالا حدثنا محمد بن جعفر، أخبرنا شعبة، سمعت قتادة، يحدث عن أنس بن مالك، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " إن الأنصار كرشي وعيبتي وإن الناس سيكثرون ويقلون فاقبلوا من محسنهم واعفوا عن مسيئهم " .
সহিহ মুসলিম ৬৩০৯
وحدثنيه يحيى بن حبيب، حدثنا خالد، - يعني ابن الحارث - حدثنا شعبة، بهذا الإسناد .
শু’বাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
এ সূত্রে উপরের হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। (ই.ফা.৬১৮৮, ই.সে. ৬২৩৩)
শু’বাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
এ সূত্রে উপরের হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। (ই.ফা.৬১৮৮, ই.সে. ৬২৩৩)
وحدثنيه يحيى بن حبيب، حدثنا خالد، - يعني ابن الحارث - حدثنا شعبة، بهذا الإسناد .
সহিহ মুসলিম ৬৩১৩
حدثنيه يحيى بن حبيب، حدثنا خالد بن الحارث، ح وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وأبو كريب قالا حدثنا ابن إدريس، كلاهما عن شعبة، بهذا الإسناد .
শু’বাহ (রাঃ) এর সূত্রে এ সানাদ থেকে বর্নিতঃ
অবিকল রিওয়ায়াত করেছেন। (ই.ফা.৬১৯১, ই.সে. ৬২৩৭)
শু’বাহ (রাঃ) এর সূত্রে এ সানাদ থেকে বর্নিতঃ
অবিকল রিওয়ায়াত করেছেন। (ই.ফা.৬১৯১, ই.সে. ৬২৩৭)
حدثنيه يحيى بن حبيب، حدثنا خالد بن الحارث، ح وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وأبو كريب قالا حدثنا ابن إدريس، كلاهما عن شعبة، بهذا الإسناد .