সহিহ মুসলিম > আবূ হুরাইরাহ্ আদ্-দুসী (রাঃ)-এর ফযিলত

সহিহ মুসলিম ৬২৯১

حدثنا قتيبة بن سعيد، وأبو بكر بن أبي شيبة وزهير بن حرب جميعا عن سفيان، قال زهير حدثنا سفيان بن عيينة، عن الزهري، عن الأعرج، قال سمعت أبا هريرة، يقول إنكم تزعمون أن أبا هريرة، يكثر الحديث عن رسول الله صلى الله عليه وسلم والله الموعد كنت رجلا مسكينا أخدم رسول الله صلى الله عليه وسلم على ملء بطني وكان المهاجرون يشغلهم الصفق بالأسواق وكانت الأنصار يشغلهم القيام على أموالهم فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ من يبسط ثوبه فلن ينسى شيئا سمعه مني ‏"‏ ‏.‏ فبسطت ثوبي حتى قضى حديثه ثم ضممته إلى فما نسيت شيئا سمعته منه ‏.‏

আ‘রাজ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি আবূ হুরায়রা্ (রাঃ)-কে বলতে শুনেছি যে, তোমরা বলছ যে, আবূ হুরায়রা্ রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে অধিক হাদীস রিওয়ায়াত করছে। আর আল্লাহেই হিসাব গ্রহণকারী। আমি ছিলাম একজন নিরীহ লোক। আমি সর্বদা রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সেবায় থাকতাম (খেয়ে না খেয়ে তাঁর সাহচর্যে থাকতাম) যখন মুহাজিরগণ বাজারে ব্যবসায়-বাণিজ্যে মনোনিবেশ করতেন এবং আনসারগণ তাদের ধন-সম্পদের সংরক্ষণ ও হিফাযাতে ব্যতিব্যস্ত থাকতেন। একবার রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, যে লোক তার বস্ত্রের আঁচল বিছিয়ে দিবে সে আমার নিকট হতে যা কিছু শুনবে তা ভুলবে না। আমি আমার কাপড়ের আঁচল বিছিয়ে দিলাম এবং তিনি হাদীস রিওয়ায়াত করলেন। তারপর আমি সে বস্ত্রটা আমার বুকের সাথে মিলিয়ে নিলাম। তখন হতে আমি তাঁর কাছ থেকে যা কিছু শুনেছি তার কিছুই ভুলে যাইনি। (ই.ফা. ৬১৭২, ই.সে. ৬২১৬)

আ‘রাজ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি আবূ হুরায়রা্ (রাঃ)-কে বলতে শুনেছি যে, তোমরা বলছ যে, আবূ হুরায়রা্ রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে অধিক হাদীস রিওয়ায়াত করছে। আর আল্লাহেই হিসাব গ্রহণকারী। আমি ছিলাম একজন নিরীহ লোক। আমি সর্বদা রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সেবায় থাকতাম (খেয়ে না খেয়ে তাঁর সাহচর্যে থাকতাম) যখন মুহাজিরগণ বাজারে ব্যবসায়-বাণিজ্যে মনোনিবেশ করতেন এবং আনসারগণ তাদের ধন-সম্পদের সংরক্ষণ ও হিফাযাতে ব্যতিব্যস্ত থাকতেন। একবার রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, যে লোক তার বস্ত্রের আঁচল বিছিয়ে দিবে সে আমার নিকট হতে যা কিছু শুনবে তা ভুলবে না। আমি আমার কাপড়ের আঁচল বিছিয়ে দিলাম এবং তিনি হাদীস রিওয়ায়াত করলেন। তারপর আমি সে বস্ত্রটা আমার বুকের সাথে মিলিয়ে নিলাম। তখন হতে আমি তাঁর কাছ থেকে যা কিছু শুনেছি তার কিছুই ভুলে যাইনি। (ই.ফা. ৬১৭২, ই.সে. ৬২১৬)

حدثنا قتيبة بن سعيد، وأبو بكر بن أبي شيبة وزهير بن حرب جميعا عن سفيان، قال زهير حدثنا سفيان بن عيينة، عن الزهري، عن الأعرج، قال سمعت أبا هريرة، يقول إنكم تزعمون أن أبا هريرة، يكثر الحديث عن رسول الله صلى الله عليه وسلم والله الموعد كنت رجلا مسكينا أخدم رسول الله صلى الله عليه وسلم على ملء بطني وكان المهاجرون يشغلهم الصفق بالأسواق وكانت الأنصار يشغلهم القيام على أموالهم فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ من يبسط ثوبه فلن ينسى شيئا سمعه مني ‏"‏ ‏.‏ فبسطت ثوبي حتى قضى حديثه ثم ضممته إلى فما نسيت شيئا سمعته منه ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৬২৯০

حدثنا عمرو الناقد، حدثنا عمر بن يونس اليمامي، حدثنا عكرمة بن عمار، عن أبي كثير، يزيد بن عبد الرحمن حدثني أبو هريرة، قال كنت أدعو أمي إلى الإسلام وهي مشركة فدعوتها يوما فأسمعتني في رسول الله صلى الله عليه وسلم ما أكره فأتيت رسول الله صلى الله عليه وسلم وأنا أبكي قلت يا رسول الله إني كنت أدعو أمي إلى الإسلام فتأبى على فدعوتها اليوم فأسمعتني فيك ما أكره فادع الله أن يهدي أم أبي هريرة فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ اللهم اهد أم أبي هريرة ‏"‏ ‏.‏ فخرجت مستبشرا بدعوة نبي الله صلى الله عليه وسلم فلما جئت فصرت إلى الباب فإذا هو مجاف فسمعت أمي خشف قدمى فقالت مكانك يا أبا هريرة ‏.‏ وسمعت خضخضة الماء قال - فاغتسلت ولبست درعها وعجلت عن خمارها ففتحت الباب ثم قالت يا أبا هريرة أشهد أن لا إله إلا الله وأشهد أن محمدا عبده ورسوله - قال - فرجعت إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فأتيته وأنا أبكي من الفرح - قال - قلت يا رسول الله أبشر قد استجاب الله دعوتك وهدى أم أبي هريرة ‏.‏ فحمد الله وأثنى عليه وقال خيرا - قال - قلت يا رسول الله ادع الله أن يحببني أنا وأمي إلى عباده المؤمنين ويحببهم إلينا - قال - فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ اللهم حبب عبيدك هذا - يعني أبا هريرة وأمه - إلى عبادك المؤمنين وحبب إليهم المؤمنين ‏"‏ ‏.‏ فما خلق مؤمن يسمع بي ولا يراني إلا أحبني ‏.‏

আবূ কাসীর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আবূ হুরায়রা্ (রাঃ) রিওয়ায়াত করেছেন যে, আমি আমার মাকে ইসলামের দিকে আহ্বান করতাম, তখন তিনি মুশরিকা ছিলেন। একদা আমি তাকে ইসলাম গ্রহণের জন্য আহ্বান জানালে তখন তিনি রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর ব্যাপারে আমাকে এমন কথা শুনালেন, যা আমার নিকট অনেক অপছন্দনীয় মহে হচ্ছিল। আমি কাঁদতে কাঁদতে রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট আসলাম। আমি বললাম, হে আল্লাহর রসূল! আমি আমার মাকে ইসলামের দা‘ওয়াত দিয়েছিলাম আর তিনি আমার দা‘ওয়াত অস্বীকার করে আসছেন। তাপর আমি তাকে আজ দা‘ওয়াত দেয়াতে তিনি আমাকে আপনার ব্যাপারে এমন কথা শুনালেন, যা আমি সর্বদাই অপছন্দ করি। অতএব আপনি আল্লাহর নিকট দু’আ করুন যেন তিনি আবূ হুরাইরার মাকে হিদায়াত দান করেন। তখন রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ“হে আল্লাহ! আবূ হুরাইরার মাকে হিদায়াত দান করো।” তারপর রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর দু’আর কারণে আমি খুশী মনে বেরিয়ে এলাম। যখন আমি ঘরে পৌঁছলাম তখন তার দরজা বন্ধ দেখতে পেলাম। আমার মা আমার পায়ের আওয়াজ শুনতে পেলেন। তারপর তিনি বললেন, আবূ হুরায়রা্! একটু দাঁড়াও (থামো)। তখন আমি পানির কলকল শব্দ শুনছিলাম। তিনি বলেন, এরপর তিনি (আমার মা) গোসল করলেন এবং শরীরে চাদর দিলেন। আর তাড়াতাড়ি করে ওড়না জড়িয়ে নিলেন, তারপর বাড়ীর দরজা খুলে দিলেন। অতঃপর বললেন, “হে আবূ হুরায়রা্! আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ব্যতীত প্রকৃতপক্ষে কোন ইলাহ নেই; আমি আরও সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর বান্দা ও রসূল।” তিনি বলেন, তখন আমি রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর খিদমাতে উপস্থিত হলাম। তারপর তাঁর নিকট গেলাম এবং আমি তখন আনন্দে আত্মহারা হয়ে কাঁদছিলাম। তিনি বলেন, আমি বললাম, হে আল্লাহর রসূল! সুখবর শুনুন। আল্লাহ আপনার দু’আ কবূল করেছেন এবং আবূ হুরাইরার মাকে হিদায়াতপ্রাপ্ত করেছেন। তারপর তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করলেন ও তাঁর প্রশংসা করলেন। আর বললেন, ‘উত্তম’। তিনি বলেন, তারপর আমি বললাম, হে আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)। আপনি আল্লাহর নিকট দু’আ করুন, তিনি যেন আমাকে এবং আমার মাকে মু’মিন বান্দাদের নিকট প্রিয়পাত্র করেন এবং তাঁদের ভালবাসা আমাদের অন্তরে বদ্ধমূল করে দেন। তিনি (বর্ণনাকারী) বলেন, তারপর রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ“হে আল্লাহ! তোমার এ বান্দা আবূ হুরাইরাকে এবং তাঁর মাকে মু’মিন বান্দাদের নিকট প্রিয়পাত্র করে দাও এবং তাঁদের নিকটও মু’মিন বান্দাদের প্রিয়পাত্র করে দাও।” তারপর এমন কোন মু’মিন বান্দা পয়দা হয়নি, যে আমার কথা শুনেছে কিংবা আমাকে দেখেছে অথচ আমাকে ভালবাসেনি। (ই.ফা. ৬১৭১, ই.সে. ৬২১৫)

আবূ কাসীর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আবূ হুরায়রা্ (রাঃ) রিওয়ায়াত করেছেন যে, আমি আমার মাকে ইসলামের দিকে আহ্বান করতাম, তখন তিনি মুশরিকা ছিলেন। একদা আমি তাকে ইসলাম গ্রহণের জন্য আহ্বান জানালে তখন তিনি রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর ব্যাপারে আমাকে এমন কথা শুনালেন, যা আমার নিকট অনেক অপছন্দনীয় মহে হচ্ছিল। আমি কাঁদতে কাঁদতে রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট আসলাম। আমি বললাম, হে আল্লাহর রসূল! আমি আমার মাকে ইসলামের দা‘ওয়াত দিয়েছিলাম আর তিনি আমার দা‘ওয়াত অস্বীকার করে আসছেন। তাপর আমি তাকে আজ দা‘ওয়াত দেয়াতে তিনি আমাকে আপনার ব্যাপারে এমন কথা শুনালেন, যা আমি সর্বদাই অপছন্দ করি। অতএব আপনি আল্লাহর নিকট দু’আ করুন যেন তিনি আবূ হুরাইরার মাকে হিদায়াত দান করেন। তখন রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ“হে আল্লাহ! আবূ হুরাইরার মাকে হিদায়াত দান করো।” তারপর রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর দু’আর কারণে আমি খুশী মনে বেরিয়ে এলাম। যখন আমি ঘরে পৌঁছলাম তখন তার দরজা বন্ধ দেখতে পেলাম। আমার মা আমার পায়ের আওয়াজ শুনতে পেলেন। তারপর তিনি বললেন, আবূ হুরায়রা্! একটু দাঁড়াও (থামো)। তখন আমি পানির কলকল শব্দ শুনছিলাম। তিনি বলেন, এরপর তিনি (আমার মা) গোসল করলেন এবং শরীরে চাদর দিলেন। আর তাড়াতাড়ি করে ওড়না জড়িয়ে নিলেন, তারপর বাড়ীর দরজা খুলে দিলেন। অতঃপর বললেন, “হে আবূ হুরায়রা্! আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ব্যতীত প্রকৃতপক্ষে কোন ইলাহ নেই; আমি আরও সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর বান্দা ও রসূল।” তিনি বলেন, তখন আমি রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর খিদমাতে উপস্থিত হলাম। তারপর তাঁর নিকট গেলাম এবং আমি তখন আনন্দে আত্মহারা হয়ে কাঁদছিলাম। তিনি বলেন, আমি বললাম, হে আল্লাহর রসূল! সুখবর শুনুন। আল্লাহ আপনার দু’আ কবূল করেছেন এবং আবূ হুরাইরার মাকে হিদায়াতপ্রাপ্ত করেছেন। তারপর তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করলেন ও তাঁর প্রশংসা করলেন। আর বললেন, ‘উত্তম’। তিনি বলেন, তারপর আমি বললাম, হে আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)। আপনি আল্লাহর নিকট দু’আ করুন, তিনি যেন আমাকে এবং আমার মাকে মু’মিন বান্দাদের নিকট প্রিয়পাত্র করেন এবং তাঁদের ভালবাসা আমাদের অন্তরে বদ্ধমূল করে দেন। তিনি (বর্ণনাকারী) বলেন, তারপর রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ“হে আল্লাহ! তোমার এ বান্দা আবূ হুরাইরাকে এবং তাঁর মাকে মু’মিন বান্দাদের নিকট প্রিয়পাত্র করে দাও এবং তাঁদের নিকটও মু’মিন বান্দাদের প্রিয়পাত্র করে দাও।” তারপর এমন কোন মু’মিন বান্দা পয়দা হয়নি, যে আমার কথা শুনেছে কিংবা আমাকে দেখেছে অথচ আমাকে ভালবাসেনি। (ই.ফা. ৬১৭১, ই.সে. ৬২১৫)

حدثنا عمرو الناقد، حدثنا عمر بن يونس اليمامي، حدثنا عكرمة بن عمار، عن أبي كثير، يزيد بن عبد الرحمن حدثني أبو هريرة، قال كنت أدعو أمي إلى الإسلام وهي مشركة فدعوتها يوما فأسمعتني في رسول الله صلى الله عليه وسلم ما أكره فأتيت رسول الله صلى الله عليه وسلم وأنا أبكي قلت يا رسول الله إني كنت أدعو أمي إلى الإسلام فتأبى على فدعوتها اليوم فأسمعتني فيك ما أكره فادع الله أن يهدي أم أبي هريرة فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ اللهم اهد أم أبي هريرة ‏"‏ ‏.‏ فخرجت مستبشرا بدعوة نبي الله صلى الله عليه وسلم فلما جئت فصرت إلى الباب فإذا هو مجاف فسمعت أمي خشف قدمى فقالت مكانك يا أبا هريرة ‏.‏ وسمعت خضخضة الماء قال - فاغتسلت ولبست درعها وعجلت عن خمارها ففتحت الباب ثم قالت يا أبا هريرة أشهد أن لا إله إلا الله وأشهد أن محمدا عبده ورسوله - قال - فرجعت إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فأتيته وأنا أبكي من الفرح - قال - قلت يا رسول الله أبشر قد استجاب الله دعوتك وهدى أم أبي هريرة ‏.‏ فحمد الله وأثنى عليه وقال خيرا - قال - قلت يا رسول الله ادع الله أن يحببني أنا وأمي إلى عباده المؤمنين ويحببهم إلينا - قال - فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ اللهم حبب عبيدك هذا - يعني أبا هريرة وأمه - إلى عبادك المؤمنين وحبب إليهم المؤمنين ‏"‏ ‏.‏ فما خلق مؤمن يسمع بي ولا يراني إلا أحبني ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৬২৯৩

وحدثني حرملة بن يحيى التجيبي، أخبرنا ابن وهب، أخبرني يونس، عن ابن، شهاب أن عروة بن الزبير، حدثه أن عائشة قالت ألا يعجبك أبو هريرة جاء فجلس إلى جنب حجرتي يحدث عن النبي صلى الله عليه وسلم يسمعني ذلك وكنت أسبح فقام قبل أن أقضي سبحتي ولو أدركته لرددت عليه إن رسول الله صلى الله عليه وسلم لم يكن يسرد الحديث كسردكم ‏.‏ قال ابن شهاب وقال ابن المسيب إن أبا هريرة قال يقولون إن أبا هريرة قد أكثر والله الموعد ويقولون ما بال المهاجرين والأنصار لا يتحدثون مثل أحاديثه وسأخبركم عن ذلك إن إخواني من الأنصار كان يشغلهم عمل أرضيهم وإن إخواني من المهاجرين كان يشغلهم الصفق بالأسواق وكنت ألزم رسول الله صلى الله عليه وسلم على ملء بطني فأشهد إذا غابوا وأحفظ إذا نسوا ولقد قال رسول الله صلى الله عليه وسلم يوما ‏"‏ أيكم يبسط ثوبه فيأخذ من حديثي هذا ثم يجمعه إلى صدره فإنه لم ينس شيئا سمعه ‏"‏ ‏.‏ فبسطت بردة على حتى فرغ من حديثه ثم جمعتها إلى صدري فما نسيت بعد ذلك اليوم شيئا حدثني به ولولا آيتان أنزلهما الله في كتابه ما حدثت شيئا أبدا ‏{‏ إن الذين يكتمون ما أنزلنا من البينات والهدى‏}‏ إلى آخر الآيتين ‏.‏

আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, (হে ‘উরওয়াহ্!) তোমার নিকট কি বিস্ময়কর বলে মনে হয় না যে, আবূ হুরায়রা্ (রাঃ) আমার কক্ষে একদিকে বসে রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে হাদীস রিওয়ায়াত করছেন এবং তিনি তা আমাকে শুনাচ্ছেন? কিন্তু আমি সে সময় তাসবীহ পাঠে (নাফল সলাতে) মগ্ন ছিলাম। আর তিনি আমার তাসবীহ পাঠের ফারেগ হওয়ার আগেই উঠে চলে গেলেন। যদি আমি তখন তাঁকে পেতাম তাহলে তাকে প্রতিবাদ করতাম। কারণ, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এ রকম তাড়াতাড়ি করে কথাবার্তা বলতেন না যেমন তোমরা বলছ। ইবনু শিহাব ও ইবনু মুসাইয়্যাব (রহঃ) বলেন যে, আবূ হুরায়রা্ (রাঃ) বলেছেন, লোকেরা বলাবলি করত যে, আবূ হুরায়রা্ বেশি সংখ্যক হাদীস রিওয়ায়াত করেন এবং আল্লাহই (এর প্রামাণ্যতা সম্পর্কে) অধিক অবহিত। তিনি বলেন যে, ব্যক্তিরা এ মর্মে আরও নালিশ করত যে, মুহাজির ও আনসারগণ আবূ হুরাইরার ন্যায় বেশি বেশি হাদীস রিওয়ায়াত করেননি কেন? এর প্রত্যুত্তরে আমি তোমাদের নিকট বলতে চাই যে, আমার আনসার ভাইয়েরা তো ফসলাদির কাজে সর্বদা ব্যস্ত থাকতেন। আর আমার মুহাজির ভাইয়েরা হাট-বাজারে ব্যবসায়-বাণিজ্যে ক্রয়-বিক্রয়ের কাজে মগ্ন থাকতেন। আর আমি রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সুহবত আমার জন্য আবশ্যকীয় করে নিতাম এবং খেয়ে না খেয়ে তাঁর সাহচর্যে থাকতাম। তাঁরা যখন উপস্থিত না থাকতেন তখন আমি উপস্থিত থাকতাম এবং তাঁরা ভুলে যেতেন আমি মুখস্থ করতাম। রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একদা বললেনঃতোমাদের মাঝে কে আছে, যে তার কাপড়ের আঁচল বিছিয়ে দিবে আর আমার হদীস গ্রহণ করবে? এরপর তা আপন বক্ষে স্পর্শ করবে তাহলে সে যা শুনবে কখনো ভূলবে না। আমি আমার চাদর পেতে দিলাম এবং তিনি তাঁর হাদীস বর্ণনার ইতি টানলেন। তারপর আমি চাদরখানি আমার বুকে জড়িয়ে নিলম। সেদিন থেকে আমি কোন ব্যাপারেই ভুলে যাইনি যা তিনি বলেছেন। (সবটুকুই মনে রয়েছে)। আল্লাহ তাঁর কিতাবে দু’টি আয়াত যদি অবতীর্ণ না করতেন তাহলে আমি কখনো হাদীস রিওয়ায়াত করতাম না। আয়াত দু’টি এই- “আমি যে স্পষ্ট নমুনা ও পথ নির্দেশ মানুষের জন্য নাযিল করেছি, কিতাবে তা সুস্পষ্টভাবে উল্লেখ করার পরও যারা তা লুকিয়ে রাখে আল্লাহ তাদেরকে অভিসম্পাত দেন এবং অভিসম্পাতকারীরাও অভিশাপ দেয়; কিন্তু যারা তাওবাহ্ করে এবং নিজেদের সংশোধন করে আর সত্যকে সুস্পষ্টভাবে প্রকাশ করে, এ সমস্ত ব্যক্তি তারাই যাদের প্রতি আমি ক্ষমা করে দিব। কেননা আমি ক্ষমাশীল ও পরম দয়ালু”- (সূরাহ্ আল বাকারাহ্ ২: ১৫৯-১৬০) [দ্রষ্টব্য হাদীস ২৩৯৭] (ই.ফা. ৬১৬৫, ই.সে. ৬২০৯)

আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, (হে ‘উরওয়াহ্!) তোমার নিকট কি বিস্ময়কর বলে মনে হয় না যে, আবূ হুরায়রা্ (রাঃ) আমার কক্ষে একদিকে বসে রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে হাদীস রিওয়ায়াত করছেন এবং তিনি তা আমাকে শুনাচ্ছেন? কিন্তু আমি সে সময় তাসবীহ পাঠে (নাফল সলাতে) মগ্ন ছিলাম। আর তিনি আমার তাসবীহ পাঠের ফারেগ হওয়ার আগেই উঠে চলে গেলেন। যদি আমি তখন তাঁকে পেতাম তাহলে তাকে প্রতিবাদ করতাম। কারণ, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এ রকম তাড়াতাড়ি করে কথাবার্তা বলতেন না যেমন তোমরা বলছ। ইবনু শিহাব ও ইবনু মুসাইয়্যাব (রহঃ) বলেন যে, আবূ হুরায়রা্ (রাঃ) বলেছেন, লোকেরা বলাবলি করত যে, আবূ হুরায়রা্ বেশি সংখ্যক হাদীস রিওয়ায়াত করেন এবং আল্লাহই (এর প্রামাণ্যতা সম্পর্কে) অধিক অবহিত। তিনি বলেন যে, ব্যক্তিরা এ মর্মে আরও নালিশ করত যে, মুহাজির ও আনসারগণ আবূ হুরাইরার ন্যায় বেশি বেশি হাদীস রিওয়ায়াত করেননি কেন? এর প্রত্যুত্তরে আমি তোমাদের নিকট বলতে চাই যে, আমার আনসার ভাইয়েরা তো ফসলাদির কাজে সর্বদা ব্যস্ত থাকতেন। আর আমার মুহাজির ভাইয়েরা হাট-বাজারে ব্যবসায়-বাণিজ্যে ক্রয়-বিক্রয়ের কাজে মগ্ন থাকতেন। আর আমি রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সুহবত আমার জন্য আবশ্যকীয় করে নিতাম এবং খেয়ে না খেয়ে তাঁর সাহচর্যে থাকতাম। তাঁরা যখন উপস্থিত না থাকতেন তখন আমি উপস্থিত থাকতাম এবং তাঁরা ভুলে যেতেন আমি মুখস্থ করতাম। রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একদা বললেনঃতোমাদের মাঝে কে আছে, যে তার কাপড়ের আঁচল বিছিয়ে দিবে আর আমার হদীস গ্রহণ করবে? এরপর তা আপন বক্ষে স্পর্শ করবে তাহলে সে যা শুনবে কখনো ভূলবে না। আমি আমার চাদর পেতে দিলাম এবং তিনি তাঁর হাদীস বর্ণনার ইতি টানলেন। তারপর আমি চাদরখানি আমার বুকে জড়িয়ে নিলম। সেদিন থেকে আমি কোন ব্যাপারেই ভুলে যাইনি যা তিনি বলেছেন। (সবটুকুই মনে রয়েছে)। আল্লাহ তাঁর কিতাবে দু’টি আয়াত যদি অবতীর্ণ না করতেন তাহলে আমি কখনো হাদীস রিওয়ায়াত করতাম না। আয়াত দু’টি এই- “আমি যে স্পষ্ট নমুনা ও পথ নির্দেশ মানুষের জন্য নাযিল করেছি, কিতাবে তা সুস্পষ্টভাবে উল্লেখ করার পরও যারা তা লুকিয়ে রাখে আল্লাহ তাদেরকে অভিসম্পাত দেন এবং অভিসম্পাতকারীরাও অভিশাপ দেয়; কিন্তু যারা তাওবাহ্ করে এবং নিজেদের সংশোধন করে আর সত্যকে সুস্পষ্টভাবে প্রকাশ করে, এ সমস্ত ব্যক্তি তারাই যাদের প্রতি আমি ক্ষমা করে দিব। কেননা আমি ক্ষমাশীল ও পরম দয়ালু”- (সূরাহ্ আল বাকারাহ্ ২: ১৫৯-১৬০) [দ্রষ্টব্য হাদীস ২৩৯৭] (ই.ফা. ৬১৬৫, ই.সে. ৬২০৯)

وحدثني حرملة بن يحيى التجيبي، أخبرنا ابن وهب، أخبرني يونس، عن ابن، شهاب أن عروة بن الزبير، حدثه أن عائشة قالت ألا يعجبك أبو هريرة جاء فجلس إلى جنب حجرتي يحدث عن النبي صلى الله عليه وسلم يسمعني ذلك وكنت أسبح فقام قبل أن أقضي سبحتي ولو أدركته لرددت عليه إن رسول الله صلى الله عليه وسلم لم يكن يسرد الحديث كسردكم ‏.‏ قال ابن شهاب وقال ابن المسيب إن أبا هريرة قال يقولون إن أبا هريرة قد أكثر والله الموعد ويقولون ما بال المهاجرين والأنصار لا يتحدثون مثل أحاديثه وسأخبركم عن ذلك إن إخواني من الأنصار كان يشغلهم عمل أرضيهم وإن إخواني من المهاجرين كان يشغلهم الصفق بالأسواق وكنت ألزم رسول الله صلى الله عليه وسلم على ملء بطني فأشهد إذا غابوا وأحفظ إذا نسوا ولقد قال رسول الله صلى الله عليه وسلم يوما ‏"‏ أيكم يبسط ثوبه فيأخذ من حديثي هذا ثم يجمعه إلى صدره فإنه لم ينس شيئا سمعه ‏"‏ ‏.‏ فبسطت بردة على حتى فرغ من حديثه ثم جمعتها إلى صدري فما نسيت بعد ذلك اليوم شيئا حدثني به ولولا آيتان أنزلهما الله في كتابه ما حدثت شيئا أبدا ‏{‏ إن الذين يكتمون ما أنزلنا من البينات والهدى‏}‏ إلى آخر الآيتين ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৬২৯২

حدثني عبد الله بن جعفر بن يحيى بن خالد، أخبرنا معن، أخبرنا مالك، ح وحدثنا عبد بن حميد، أخبرنا عبد الرزاق، أخبرنا معمر، كلاهما عن الزهري، عن الأعرج، عن أبي، هريرة بهذا الحديث غير أن مالكا، انتهى حديثه عند انقضاء قول أبي هريرة ولم يذكر في حديثه الرواية عن النبي صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ من يبسط ثوبه ‏"‏ ‏.‏ إلى آخره ‏.‏

আ‘রজ (রহঃ)-এর সূত্রে আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ)-এর সানাদ থেকে বর্নিতঃ

কিন্তু মালিক ইবনু আনাস আবূ হুরায়রা্ (রাঃ)-এর উক্তি পর্যন্ত তাঁর হাদীসের রিওয়ায়াত শেষ করেছেন এবং তিনি তাঁর হাদীসে রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে “যে তার বস্ত্র বিছাবে” হতে বর্ণনার শেষ পর্যন্ত বর্ণনা করেননি। (ই.ফা. ৬১৭৩, ই.সে. ৬২১৭)

আ‘রজ (রহঃ)-এর সূত্রে আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ)-এর সানাদ থেকে বর্নিতঃ

কিন্তু মালিক ইবনু আনাস আবূ হুরায়রা্ (রাঃ)-এর উক্তি পর্যন্ত তাঁর হাদীসের রিওয়ায়াত শেষ করেছেন এবং তিনি তাঁর হাদীসে রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে “যে তার বস্ত্র বিছাবে” হতে বর্ণনার শেষ পর্যন্ত বর্ণনা করেননি। (ই.ফা. ৬১৭৩, ই.সে. ৬২১৭)

حدثني عبد الله بن جعفر بن يحيى بن خالد، أخبرنا معن، أخبرنا مالك، ح وحدثنا عبد بن حميد، أخبرنا عبد الرزاق، أخبرنا معمر، كلاهما عن الزهري، عن الأعرج، عن أبي، هريرة بهذا الحديث غير أن مالكا، انتهى حديثه عند انقضاء قول أبي هريرة ولم يذكر في حديثه الرواية عن النبي صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ من يبسط ثوبه ‏"‏ ‏.‏ إلى آخره ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৬২৯৪

وحدثنا عبد الله بن عبد الرحمن الدارمي، أخبرنا أبو اليمان، عن شعيب، عن الزهري، أخبرني سعيد بن المسيب، وأبو سلمة بن عبد الرحمن أن أبا هريرة، قال إنكم تقولون إن أبا هريرة يكثر الحديث عن رسول الله صلى الله عليه وسلم بنحو حديثهم ‏.‏

সা‘ঈদ ইবনু মুসাইয়্যাব ও আবূ সালামাহ্ ইবনু ‘আবদুর রহমান (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আবূ হুরায়রা্ (রাঃ) বলেছেন, তোমরা বলাবলি করছ যে, আবূ হুরায়রা্ (রাঃ) রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে বেশি সংখ্যক হাদীস রিওয়ায়াত করেছেন। হাদীসের অবশিষ্টাংশ তাঁদের বর্ণিত হাদীসের অবিকল। (ই.ফা. ৬১৭৫, ই.সে. ৬২১৯)

সা‘ঈদ ইবনু মুসাইয়্যাব ও আবূ সালামাহ্ ইবনু ‘আবদুর রহমান (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আবূ হুরায়রা্ (রাঃ) বলেছেন, তোমরা বলাবলি করছ যে, আবূ হুরায়রা্ (রাঃ) রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে বেশি সংখ্যক হাদীস রিওয়ায়াত করেছেন। হাদীসের অবশিষ্টাংশ তাঁদের বর্ণিত হাদীসের অবিকল। (ই.ফা. ৬১৭৫, ই.সে. ৬২১৯)

وحدثنا عبد الله بن عبد الرحمن الدارمي، أخبرنا أبو اليمان، عن شعيب، عن الزهري، أخبرني سعيد بن المسيب، وأبو سلمة بن عبد الرحمن أن أبا هريرة، قال إنكم تقولون إن أبا هريرة يكثر الحديث عن رسول الله صلى الله عليه وسلم بنحو حديثهم ‏.‏


সহিহ মুসলিম > হাতিব ইবনু আবূ বালতা‘আহ্ এবং বদরী সহাবীগণ (রাঃ)-এর ফযিলত

সহিহ মুসলিম ৬২৯৬

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا محمد بن فضيل، ح وحدثنا إسحاق بن إبراهيم، أخبرنا عبد الله بن إدريس، ح وحدثنا رفاعة بن الهيثم الواسطي، حدثنا خالد، - يعني ابن عبد الله - كلهم عن حصين، عن سعد بن عبيدة، عن أبي عبد الرحمن السلمي، عن علي، قال بعثني رسول الله صلى الله عليه وسلم وأبا مرثد الغنوي والزبير بن العوام وكلنا فارس فقال ‏ "‏ انطلقوا حتى تأتوا روضة خاخ فإن بها امرأة من المشركين معها كتاب من حاطب إلى المشركين ‏"‏ ‏.‏ فذكر بمعنى حديث عبيد الله بن أبي رافع عن علي ‏.‏

আলী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে এবং আবূ মারসাদ গানাবী ও যুবায়র ইবনুল ‘আও্ওয়াম (রাঃ)-কে প্রেরণ করলেন। আমরা সকলে অশ্বারোহী ছিলাম। তিনি বললেনঃতোমরা ‘রাওযায়ে খাখ’ নামক জায়গার দিকে রওনা হয়ে যাও। সেখানে এক মুশরিকা নারী রয়েছে। তার কাছে হাতিবের পক্ষ হতে মুশরিকদের নিকটে লেখা একটি পত্র রয়েছে। তারপর তিনি (বর্ণনাকারী) ‘আলী (রাঃ) হতে ‘উবাইদুল্লাহ ইবনু আবূ রাফি‘ বর্ণিত হাদীসের অবিকল বর্ণনা করেন। (ই.ফা. ৬১৭৭, ই.সে. ৬২২১)

আলী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে এবং আবূ মারসাদ গানাবী ও যুবায়র ইবনুল ‘আও্ওয়াম (রাঃ)-কে প্রেরণ করলেন। আমরা সকলে অশ্বারোহী ছিলাম। তিনি বললেনঃতোমরা ‘রাওযায়ে খাখ’ নামক জায়গার দিকে রওনা হয়ে যাও। সেখানে এক মুশরিকা নারী রয়েছে। তার কাছে হাতিবের পক্ষ হতে মুশরিকদের নিকটে লেখা একটি পত্র রয়েছে। তারপর তিনি (বর্ণনাকারী) ‘আলী (রাঃ) হতে ‘উবাইদুল্লাহ ইবনু আবূ রাফি‘ বর্ণিত হাদীসের অবিকল বর্ণনা করেন। (ই.ফা. ৬১৭৭, ই.সে. ৬২২১)

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا محمد بن فضيل، ح وحدثنا إسحاق بن إبراهيم، أخبرنا عبد الله بن إدريس، ح وحدثنا رفاعة بن الهيثم الواسطي، حدثنا خالد، - يعني ابن عبد الله - كلهم عن حصين، عن سعد بن عبيدة، عن أبي عبد الرحمن السلمي، عن علي، قال بعثني رسول الله صلى الله عليه وسلم وأبا مرثد الغنوي والزبير بن العوام وكلنا فارس فقال ‏ "‏ انطلقوا حتى تأتوا روضة خاخ فإن بها امرأة من المشركين معها كتاب من حاطب إلى المشركين ‏"‏ ‏.‏ فذكر بمعنى حديث عبيد الله بن أبي رافع عن علي ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৬২৯৭

حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا ليث، ح وحدثنا محمد بن رمح، أخبرنا الليث، عن أبي الزبير، عن جابر، أن عبدا، لحاطب جاء رسول الله صلى الله عليه وسلم يشكو حاطبا فقال يا رسول الله ليدخلن حاطب النار ‏.‏ فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ كذبت لا يدخلها فإنه شهد بدرا والحديبية ‏"‏ ‏.‏

জাবির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

হাতিবের এক দাস রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট এসে তাঁর বিপক্ষে অভিযোগ উথপান করল। সে বলল, হে আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)হাতিব অবশ্যই জাহান্নাম ঢুকবে। তখন রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন তুমি মিথ্যা বলেছ, সে জাহান্নামে প্রবেশকরবে না। কারণ সে বদর যুদ্ধে ও হুদাইবিয়ার প্রান্তরে উপস্থিত হয়েছিল। ( সহীহ মুসলিম হাদীস নং- ৬২৯৭) (ই.ফা.৬১৭৮, ই.সে.৬২২২) অধ্যায়ঃ হাতিব ইবনু আবূ বালতা’আহ এবং বাদরী সাহাবীগণ (রাঃ) এর ফযিলত।৫ম খন্ড ৪৪৮ পৃষ্টা, আহলে হাদীস লাইব্রেরী ঢাকা প্রকাসীত।

জাবির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

হাতিবের এক দাস রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট এসে তাঁর বিপক্ষে অভিযোগ উথপান করল। সে বলল, হে আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)হাতিব অবশ্যই জাহান্নাম ঢুকবে। তখন রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন তুমি মিথ্যা বলেছ, সে জাহান্নামে প্রবেশকরবে না। কারণ সে বদর যুদ্ধে ও হুদাইবিয়ার প্রান্তরে উপস্থিত হয়েছিল। ( সহীহ মুসলিম হাদীস নং- ৬২৯৭) (ই.ফা.৬১৭৮, ই.সে.৬২২২) অধ্যায়ঃ হাতিব ইবনু আবূ বালতা’আহ এবং বাদরী সাহাবীগণ (রাঃ) এর ফযিলত।৫ম খন্ড ৪৪৮ পৃষ্টা, আহলে হাদীস লাইব্রেরী ঢাকা প্রকাসীত।

حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا ليث، ح وحدثنا محمد بن رمح، أخبرنا الليث، عن أبي الزبير، عن جابر، أن عبدا، لحاطب جاء رسول الله صلى الله عليه وسلم يشكو حاطبا فقال يا رسول الله ليدخلن حاطب النار ‏.‏ فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ كذبت لا يدخلها فإنه شهد بدرا والحديبية ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৬২৯৫

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وعمرو الناقد، وزهير بن حرب، وإسحاق بن إبراهيم، وابن أبي عمر - واللفظ لعمرو - قال إسحاق أخبرنا وقال الآخرون، حدثنا سفيان بن، عيينة عن عمرو، عن الحسن بن محمد، أخبرني عبيد الله بن أبي رافع، - وهو كاتب علي قال سمعت عليا، رضى الله عنه وهو يقول بعثنا رسول الله صلى الله عليه وسلم أنا والزبير والمقداد فقال ‏"‏ ائتوا روضة خاخ فإن بها ظعينة معها كتاب فخذوه منها ‏"‏ ‏.‏ فانطلقنا تعادى بنا خيلنا فإذا نحن بالمرأة فقلنا أخرجي الكتاب ‏.‏ فقالت ما معي كتاب ‏.‏ فقلنا لتخرجن الكتاب أو لتلقين الثياب ‏.‏ فأخرجته من عقاصها فأتينا به رسول الله صلى الله عليه وسلم فإذا فيه من حاطب بن أبي بلتعة إلى ناس من المشركين من أهل مكة يخبرهم ببعض أمر رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ يا حاطب ما هذا ‏"‏ ‏.‏ قال لا تعجل على يا رسول الله إني كنت امرأ ملصقا في قريش - قال سفيان كان حليفا لهم ولم يكن من أنفسها - وكان ممن كان معك من المهاجرين لهم قرابات يحمون بها أهليهم فأحببت إذ فاتني ذلك من النسب فيهم أن أتخذ فيهم يدا يحمون بها قرابتي ولم أفعله كفرا ولا ارتدادا عن ديني ولا رضا بالكفر بعد الإسلام ‏.‏ فقال النبي صلى الله عليه وسلم ‏"‏ صدق ‏"‏ ‏.‏ فقال عمر دعني يا رسول الله أضرب عنق هذا المنافق ‏.‏ فقال ‏"‏ إنه قد شهد بدرا وما يدريك لعل الله اطلع على أهل بدر فقال اعملوا ما شئتم فقد غفرت لكم ‏"‏ ‏.‏ فأنزل الله عز وجل ‏{‏ يا أيها الذين آمنوا لا تتخذوا عدوي وعدوكم أولياء‏}‏ وليس في حديث أبي بكر وزهير ذكر الآية وجعلها إسحاق في روايته من تلاوة سفيان ‏.‏

উবাইদুল্লাহ ইবনু আবূ রাফি’ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি ‘আলী (রাঃ)-কে বলতে শুনেছেন যে, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে যুবায়র ও মিকদাদ (রাঃ)-কে (বিশেষ কাজে) প্রেরণ করে বললেনঃতোমরা দ্রুত ‘আওযায়ে খাখ’ (মাদীনার সন্নিকটবর্তী একটি জায়গার নাম) যাও। সেখানে উষ্ট্রারোহিণী এক নারী রয়েছে তার কাছে একটি গোপনীয় পত্র রয়েছে। তোমরা তার নিকট হতে সেটা নিয়ে এসো। আমরা ঘোড়ার পৃষ্ঠে আরোহিত হয়ে ছুটে চললাম। সেখানে আমরা জনৈক নারীকে দেখতে পেলাম। আমরা তাকে বললাম, পত্র বের করে দাও। সে বলল, আমার নিকট কোন পত্র নেই। আমরা বললাম, তোমাকে পত্র বের করতেই হবে, আর না হলে গায়ের বস্ত্র খুলতে বাধ্য হব। তারপর সে তার চুলের বেণীর মাঝখান থেকে পত্র বের করে দিল। তখন আমরা তা নিয়ে রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট আসলাম। পত্র খুলে দেখা গেল যে, তা হাতিব ইবনু আবূ বালতা (রাঃ)-এর পক্ষ হতে মাক্কার কতিপয় মুশরিকের প্রতি লিখিত একটি চিঠি ছিল। তিনি এ চিঠিতে রসূলূল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কতক গুরুত্বপূর্ণ কাজের লুকানো তথ্য প্রকাশ করে দিয়েছিলেন। তখন রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃহে হাতিব! তুমি এমন কাজ কেন করলে? সে বলল, হে আল্লাহর রসূল! আমার ব্যাপারে অনুগ্রহ করে দ্রুত রায় ঘোষণা করবেন না। আমি এমন একজন লোক, কুরায়শদের সঙ্গে যার সম্পর্ক রয়েছে (কিন্তু আমি তাদের বংশের কেউ নেই)। সুফ্ইয়ান (রহঃ) বলেন, তিনি তাদের মিত্র ছিলেন, কিন্তু তাদের (বংশোদ্ভূত) গোত্রভুক্ত ছিলেন না। আর আপনার মুহাজির সহাবীদের অনেকের আত্মীয়-স্বজন সেখানে আছে, যাদের মাধ্যমে তাঁদের পরিবার-পরিজনের নিরাপত্তা নিশ্চিত হচ্ছে। তাই আমি স্থির করলাম যে, কুরায়শদের সাথে যখন আমা্র কোন আত্মীয়তার সম্পর্ক নেই তখন এমন কোন কাজ করি যার দ্বারা আমার পরিবার-পরিজন মুক্তি পেতে পারে। আমি এ কাজটি এজন্য করিনি যে, আমি কাফির হয়ে গেছি অথবা মুরতাদ হয়েছি দ্বীন থেকে। আর আমি ইসলাম কবূলের পরে কুফ্রের প্রতি আসক্ত হইনি। তারপর রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃসে সত্যই বলেছে। ‘উমার (রাঃ) বললেন, হে আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)! আমাকে অনুমতি দিন, আমি এ মুনাফিকের গর্দান কেটে দিব। তখন তিনি বললেন, সে তো বদর যুদ্ধে শারীক হয়েছিল এবং তুমি কি জান না যে, আল্লাহ বদরী সহাবীদের সম্পর্কে অধিক অবহিত আছেন। তিনি বলেছেন: “তোমরা যা খুশী করতে পারো, আমি তোমাদের ক্ষমা করে দিয়েছি।” এরপর আল্লাহ তা‘আলা এ আয়াত অবতীর্ণ করেন- “হে মু’মিনগণ! আমার ও তোমাদের শত্রুকে বন্ধুরূপে গ্রহণ করো না”- (সুরাহ্ আল মুমতাহিনাহ্ ৬০: ১)। আবূ বকর ও যুহায়র বর্ণিত হাদীসে আয়াতের বর্ণনা নেই। আর ইসহাক্ তাঁর বর্ণনায় আয়াতটিকে সুফ্ইয়ানের তিলাওয়াত হিসেবে উল্লেখ করেছেন। (ই.ফা. ৬১৭৬, ই.সে. ৬২২০)

উবাইদুল্লাহ ইবনু আবূ রাফি’ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি ‘আলী (রাঃ)-কে বলতে শুনেছেন যে, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে যুবায়র ও মিকদাদ (রাঃ)-কে (বিশেষ কাজে) প্রেরণ করে বললেনঃতোমরা দ্রুত ‘আওযায়ে খাখ’ (মাদীনার সন্নিকটবর্তী একটি জায়গার নাম) যাও। সেখানে উষ্ট্রারোহিণী এক নারী রয়েছে তার কাছে একটি গোপনীয় পত্র রয়েছে। তোমরা তার নিকট হতে সেটা নিয়ে এসো। আমরা ঘোড়ার পৃষ্ঠে আরোহিত হয়ে ছুটে চললাম। সেখানে আমরা জনৈক নারীকে দেখতে পেলাম। আমরা তাকে বললাম, পত্র বের করে দাও। সে বলল, আমার নিকট কোন পত্র নেই। আমরা বললাম, তোমাকে পত্র বের করতেই হবে, আর না হলে গায়ের বস্ত্র খুলতে বাধ্য হব। তারপর সে তার চুলের বেণীর মাঝখান থেকে পত্র বের করে দিল। তখন আমরা তা নিয়ে রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট আসলাম। পত্র খুলে দেখা গেল যে, তা হাতিব ইবনু আবূ বালতা (রাঃ)-এর পক্ষ হতে মাক্কার কতিপয় মুশরিকের প্রতি লিখিত একটি চিঠি ছিল। তিনি এ চিঠিতে রসূলূল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কতক গুরুত্বপূর্ণ কাজের লুকানো তথ্য প্রকাশ করে দিয়েছিলেন। তখন রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃহে হাতিব! তুমি এমন কাজ কেন করলে? সে বলল, হে আল্লাহর রসূল! আমার ব্যাপারে অনুগ্রহ করে দ্রুত রায় ঘোষণা করবেন না। আমি এমন একজন লোক, কুরায়শদের সঙ্গে যার সম্পর্ক রয়েছে (কিন্তু আমি তাদের বংশের কেউ নেই)। সুফ্ইয়ান (রহঃ) বলেন, তিনি তাদের মিত্র ছিলেন, কিন্তু তাদের (বংশোদ্ভূত) গোত্রভুক্ত ছিলেন না। আর আপনার মুহাজির সহাবীদের অনেকের আত্মীয়-স্বজন সেখানে আছে, যাদের মাধ্যমে তাঁদের পরিবার-পরিজনের নিরাপত্তা নিশ্চিত হচ্ছে। তাই আমি স্থির করলাম যে, কুরায়শদের সাথে যখন আমা্র কোন আত্মীয়তার সম্পর্ক নেই তখন এমন কোন কাজ করি যার দ্বারা আমার পরিবার-পরিজন মুক্তি পেতে পারে। আমি এ কাজটি এজন্য করিনি যে, আমি কাফির হয়ে গেছি অথবা মুরতাদ হয়েছি দ্বীন থেকে। আর আমি ইসলাম কবূলের পরে কুফ্রের প্রতি আসক্ত হইনি। তারপর রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃসে সত্যই বলেছে। ‘উমার (রাঃ) বললেন, হে আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)! আমাকে অনুমতি দিন, আমি এ মুনাফিকের গর্দান কেটে দিব। তখন তিনি বললেন, সে তো বদর যুদ্ধে শারীক হয়েছিল এবং তুমি কি জান না যে, আল্লাহ বদরী সহাবীদের সম্পর্কে অধিক অবহিত আছেন। তিনি বলেছেন: “তোমরা যা খুশী করতে পারো, আমি তোমাদের ক্ষমা করে দিয়েছি।” এরপর আল্লাহ তা‘আলা এ আয়াত অবতীর্ণ করেন- “হে মু’মিনগণ! আমার ও তোমাদের শত্রুকে বন্ধুরূপে গ্রহণ করো না”- (সুরাহ্ আল মুমতাহিনাহ্ ৬০: ১)। আবূ বকর ও যুহায়র বর্ণিত হাদীসে আয়াতের বর্ণনা নেই। আর ইসহাক্ তাঁর বর্ণনায় আয়াতটিকে সুফ্ইয়ানের তিলাওয়াত হিসেবে উল্লেখ করেছেন। (ই.ফা. ৬১৭৬, ই.সে. ৬২২০)

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وعمرو الناقد، وزهير بن حرب، وإسحاق بن إبراهيم، وابن أبي عمر - واللفظ لعمرو - قال إسحاق أخبرنا وقال الآخرون، حدثنا سفيان بن، عيينة عن عمرو، عن الحسن بن محمد، أخبرني عبيد الله بن أبي رافع، - وهو كاتب علي قال سمعت عليا، رضى الله عنه وهو يقول بعثنا رسول الله صلى الله عليه وسلم أنا والزبير والمقداد فقال ‏"‏ ائتوا روضة خاخ فإن بها ظعينة معها كتاب فخذوه منها ‏"‏ ‏.‏ فانطلقنا تعادى بنا خيلنا فإذا نحن بالمرأة فقلنا أخرجي الكتاب ‏.‏ فقالت ما معي كتاب ‏.‏ فقلنا لتخرجن الكتاب أو لتلقين الثياب ‏.‏ فأخرجته من عقاصها فأتينا به رسول الله صلى الله عليه وسلم فإذا فيه من حاطب بن أبي بلتعة إلى ناس من المشركين من أهل مكة يخبرهم ببعض أمر رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ يا حاطب ما هذا ‏"‏ ‏.‏ قال لا تعجل على يا رسول الله إني كنت امرأ ملصقا في قريش - قال سفيان كان حليفا لهم ولم يكن من أنفسها - وكان ممن كان معك من المهاجرين لهم قرابات يحمون بها أهليهم فأحببت إذ فاتني ذلك من النسب فيهم أن أتخذ فيهم يدا يحمون بها قرابتي ولم أفعله كفرا ولا ارتدادا عن ديني ولا رضا بالكفر بعد الإسلام ‏.‏ فقال النبي صلى الله عليه وسلم ‏"‏ صدق ‏"‏ ‏.‏ فقال عمر دعني يا رسول الله أضرب عنق هذا المنافق ‏.‏ فقال ‏"‏ إنه قد شهد بدرا وما يدريك لعل الله اطلع على أهل بدر فقال اعملوا ما شئتم فقد غفرت لكم ‏"‏ ‏.‏ فأنزل الله عز وجل ‏{‏ يا أيها الذين آمنوا لا تتخذوا عدوي وعدوكم أولياء‏}‏ وليس في حديث أبي بكر وزهير ذكر الآية وجعلها إسحاق في روايته من تلاوة سفيان ‏.‏


সহিহ মুসলিম > বাই‘আতে রিযওয়ানে অংশগ্রহনকারী আসহাবে শাজারাহ (রাঃ)-এর ফযিলত

সহিহ মুসলিম ৬২৯৮

حدثني هارون بن عبد الله، حدثنا حجاج بن محمد، قال قال ابن جريج أخبرني أبو الزبير، أنه سمع جابر بن عبد الله، يقول أخبرتني أم مبشر، أنها سمعت النبي صلى الله عليه وسلم يقول عند حفصة ‏"‏ لا يدخل النار إن شاء الله من أصحاب الشجرة أحد ‏.‏ الذين بايعوا تحتها ‏"‏ ‏.‏ قالت بلى يا رسول الله ‏.‏ فانتهرها فقالت حفصة ‏{‏ وإن منكم إلا واردها‏}‏ فقال النبي صلى الله عليه وسلم ‏"‏ قد قال الله عز وجل ‏{‏ ثم ننجي الذين اتقوا ونذر الظالمين فيها جثيا‏}‏

জাবির ইবনু আব্দুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আমাকে উম্মু মুবাশশার (রাঃ) অবহিত করেছেন যে, তিনি রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে হাফসাহ (রাঃ) এর নিকট বলতে শুনেছেন, আল্লাহ চান তো বৃক্ষের নীচে বসে বাই’আতে রিযওয়ানে অংশগ্রহনকারীদের কেউই জাহান্নামে ঢুকবে না। তিনি (হাফসাহ) বললেন, হ্যাঁ, হে আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)! (কেন যাবে না) তখন তিনি তাকে নিন্দাবাদ করলেন। হাফসাহ (রাঃ) বলেছিলেন আল্লাহ তা’আলা বলেছেন, তোমাদের মাঝে এমন কেউ নেই যে তা অতিক্রম না করবে অর্থৎ- পুলসিরাত। তখন রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, আল্লাহ তো এও বলেছেন;যারা তাকওয়া অবলম্বন করেছে আমি তাদের মুক্তি দিব এবং যালিমদেরকে হামাগুড়ি দিয়ে জাহান্নামে নিক্ষিপ্ত অবস্থায় রেখে দিব। (সূরাহ মারইয়াম ১৯: ৭১-৭২) (ই.ফা.৬১৭৯, ই.সে. ৬২২৩)

জাবির ইবনু আব্দুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আমাকে উম্মু মুবাশশার (রাঃ) অবহিত করেছেন যে, তিনি রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে হাফসাহ (রাঃ) এর নিকট বলতে শুনেছেন, আল্লাহ চান তো বৃক্ষের নীচে বসে বাই’আতে রিযওয়ানে অংশগ্রহনকারীদের কেউই জাহান্নামে ঢুকবে না। তিনি (হাফসাহ) বললেন, হ্যাঁ, হে আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)! (কেন যাবে না) তখন তিনি তাকে নিন্দাবাদ করলেন। হাফসাহ (রাঃ) বলেছিলেন আল্লাহ তা’আলা বলেছেন, তোমাদের মাঝে এমন কেউ নেই যে তা অতিক্রম না করবে অর্থৎ- পুলসিরাত। তখন রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, আল্লাহ তো এও বলেছেন;যারা তাকওয়া অবলম্বন করেছে আমি তাদের মুক্তি দিব এবং যালিমদেরকে হামাগুড়ি দিয়ে জাহান্নামে নিক্ষিপ্ত অবস্থায় রেখে দিব। (সূরাহ মারইয়াম ১৯: ৭১-৭২) (ই.ফা.৬১৭৯, ই.সে. ৬২২৩)

حدثني هارون بن عبد الله، حدثنا حجاج بن محمد، قال قال ابن جريج أخبرني أبو الزبير، أنه سمع جابر بن عبد الله، يقول أخبرتني أم مبشر، أنها سمعت النبي صلى الله عليه وسلم يقول عند حفصة ‏"‏ لا يدخل النار إن شاء الله من أصحاب الشجرة أحد ‏.‏ الذين بايعوا تحتها ‏"‏ ‏.‏ قالت بلى يا رسول الله ‏.‏ فانتهرها فقالت حفصة ‏{‏ وإن منكم إلا واردها‏}‏ فقال النبي صلى الله عليه وسلم ‏"‏ قد قال الله عز وجل ‏{‏ ثم ننجي الذين اتقوا ونذر الظالمين فيها جثيا‏}‏


সহিহ মুসলিম > আবূ মূসা আশ‘আরী ও আবূ ‘আমির আশ‘আরী (রাঃ)-এর ফযিলত

সহিহ মুসলিম ৬২৯৯

حدثنا أبو عامر الأشعري، وأبو كريب جميعا عن أبي أسامة، قال أبو عامر حدثنا أبو أسامة، حدثنا بريد، عن جده أبي بردة، عن أبي موسى، قال كنت عند النبي صلى الله عليه وسلم وهو نازل بالجعرانة بين مكة والمدينة ومعه بلال فأتى رسول الله صلى الله عليه وسلم رجل أعرابي فقال ألا تنجز لي يا محمد ما وعدتني فقال له رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ أبشر ‏"‏ ‏.‏ فقال له الأعرابي أكثرت على من ‏"‏ أبشر ‏"‏ ‏.‏ فأقبل رسول الله صلى الله عليه وسلم على أبي موسى وبلال كهيئة الغضبان فقال ‏"‏ إن هذا قد رد البشرى فاقبلا أنتما ‏"‏ ‏.‏ فقالا قبلنا يا رسول الله ‏.‏ ثم دعا رسول الله صلى الله عليه وسلم بقدح فيه ماء فغسل يديه ووجهه فيه ومج فيه ثم قال ‏"‏ اشربا منه وأفرغا على وجوهكما ونحوركما وأبشرا ‏"‏ ‏.‏ فأخذا القدح ففعلا ما أمرهما به رسول الله صلى الله عليه وسلم فنادتهما أم سلمة من وراء الستر أفضلا لأمكما مما في إنائكما ‏.‏ فأفضلا لها منه طائفة ‏.‏

আবূ মূসা আশআরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সেবায় ছিলাম। সে সময় তিনি মাক্কাহ ও মাদীনার মাঝামাঝি জি’রানাহ নামধারী জায়গায় অবস্থান করছিলেন। তাঁর সাথে বিলালও (রাঃ) ছিলেন। তখন রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)এর নিকট এক আরব বেদুঈন এলো। সে বলল হে মুহাম্মাদ! আপনি আমাকে যে ওয়া’দা দিয়েছেন তা কি পূরণ করবেন না? তখন রসূল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে বললেন, তুমি সুখবর গ্রহণ করো। তারপর সে তাঁকে (রসূলুল্লাহ্কে) বলল, আপনি তো অনেকবারই বলেছেন সুখবর গ্রহণ করো। তখন রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) রাগান্মিতহয়ে আবূ মূসা ও বিলালের দিকে দৃষ্টি আকর্ষণ করে বললেন. দেখ এ লোকটি সুখবর প্রত্যাখ্যান করেছে। অতএব তোমরা উভয়ে এগিয়ে এসো। তখন তাঁরা উভয়ে বললেন, হে আল্লাহ রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)! আমরা এগিয়েএসেছি, আপনার সুখবর গ্রহণ করেছি। তারপর রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একটি পানি ভর্তি পাত্র আনালেন। তিনিতাঁর দু হাত ও মুখমন্ডল ধুইলেন এবং তাতে কুলি করলেন। তারপর তিনি বললেন, তোমরা দুজনে এ থেকে পানি পান করো এবং তোমাদের মুখমন্ডলে ও বুকে জড়িয়ে দাও। আর তোমরা দুজনে সুখবর কবূল করো। তারা উভয়ে পেয়ালাটি গ্রহন করলেন এবং রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নির্দেশ মুতাবিক কাজ করলেন। তখন উম্মুল মুমিনীন উম্মু সালামাহ (রাঃ) পর্দার অন্তরাল হতে তাদেঁর উভয়কে ডেকে বললেন, তোমাদের মায়ের জন্য তোমাদের পেয়ালায় কিছু পানি রেখে দাও। তারপর তাঁরা অবশিষ্ট পানি হতে তাকেঁ অল্প পরিমাণ দিলেন। (ই.ফা.৬১৮০, ই.সে. ৬২২৪)

আবূ মূসা আশআরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সেবায় ছিলাম। সে সময় তিনি মাক্কাহ ও মাদীনার মাঝামাঝি জি’রানাহ নামধারী জায়গায় অবস্থান করছিলেন। তাঁর সাথে বিলালও (রাঃ) ছিলেন। তখন রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)এর নিকট এক আরব বেদুঈন এলো। সে বলল হে মুহাম্মাদ! আপনি আমাকে যে ওয়া’দা দিয়েছেন তা কি পূরণ করবেন না? তখন রসূল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে বললেন, তুমি সুখবর গ্রহণ করো। তারপর সে তাঁকে (রসূলুল্লাহ্কে) বলল, আপনি তো অনেকবারই বলেছেন সুখবর গ্রহণ করো। তখন রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) রাগান্মিতহয়ে আবূ মূসা ও বিলালের দিকে দৃষ্টি আকর্ষণ করে বললেন. দেখ এ লোকটি সুখবর প্রত্যাখ্যান করেছে। অতএব তোমরা উভয়ে এগিয়ে এসো। তখন তাঁরা উভয়ে বললেন, হে আল্লাহ রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)! আমরা এগিয়েএসেছি, আপনার সুখবর গ্রহণ করেছি। তারপর রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একটি পানি ভর্তি পাত্র আনালেন। তিনিতাঁর দু হাত ও মুখমন্ডল ধুইলেন এবং তাতে কুলি করলেন। তারপর তিনি বললেন, তোমরা দুজনে এ থেকে পানি পান করো এবং তোমাদের মুখমন্ডলে ও বুকে জড়িয়ে দাও। আর তোমরা দুজনে সুখবর কবূল করো। তারা উভয়ে পেয়ালাটি গ্রহন করলেন এবং রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নির্দেশ মুতাবিক কাজ করলেন। তখন উম্মুল মুমিনীন উম্মু সালামাহ (রাঃ) পর্দার অন্তরাল হতে তাদেঁর উভয়কে ডেকে বললেন, তোমাদের মায়ের জন্য তোমাদের পেয়ালায় কিছু পানি রেখে দাও। তারপর তাঁরা অবশিষ্ট পানি হতে তাকেঁ অল্প পরিমাণ দিলেন। (ই.ফা.৬১৮০, ই.সে. ৬২২৪)

حدثنا أبو عامر الأشعري، وأبو كريب جميعا عن أبي أسامة، قال أبو عامر حدثنا أبو أسامة، حدثنا بريد، عن جده أبي بردة، عن أبي موسى، قال كنت عند النبي صلى الله عليه وسلم وهو نازل بالجعرانة بين مكة والمدينة ومعه بلال فأتى رسول الله صلى الله عليه وسلم رجل أعرابي فقال ألا تنجز لي يا محمد ما وعدتني فقال له رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ أبشر ‏"‏ ‏.‏ فقال له الأعرابي أكثرت على من ‏"‏ أبشر ‏"‏ ‏.‏ فأقبل رسول الله صلى الله عليه وسلم على أبي موسى وبلال كهيئة الغضبان فقال ‏"‏ إن هذا قد رد البشرى فاقبلا أنتما ‏"‏ ‏.‏ فقالا قبلنا يا رسول الله ‏.‏ ثم دعا رسول الله صلى الله عليه وسلم بقدح فيه ماء فغسل يديه ووجهه فيه ومج فيه ثم قال ‏"‏ اشربا منه وأفرغا على وجوهكما ونحوركما وأبشرا ‏"‏ ‏.‏ فأخذا القدح ففعلا ما أمرهما به رسول الله صلى الله عليه وسلم فنادتهما أم سلمة من وراء الستر أفضلا لأمكما مما في إنائكما ‏.‏ فأفضلا لها منه طائفة ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৬৩০০

حدثنا عبد الله بن براد أبو عامر الأشعري، وأبو كريب محمد بن العلاء - واللفظ لأبي عامر - قالا حدثنا أبو أسامة، عن بريد، عن أبي بردة، عن أبيه، قال لما فرغ النبي صلى الله عليه وسلم من حنين بعث أبا عامر على جيش إلى أوطاس فلقي دريد بن الصمة فقتل دريد وهزم الله أصحابه فقال أبو موسى وبعثني مع أبي عامر - قال - فرمي أبو عامر في ركبته رماه رجل من بني جشم بسهم فأثبته في ركبته فانتهيت إليه فقلت يا عم من رماك فأشار أبو عامر إلى أبي موسى فقال إن ذاك قاتلي تراه ذلك الذي رماني ‏.‏ قال أبو موسى فقصدت له فاعتمدته فلحقته فلما رآني ولى عني ذاهبا فاتبعته وجعلت أقول له ألا تستحيي ألست عربيا ألا تثبت فكف فالتقيت أنا وهو فاختلفنا أنا وهو ضربتين فضربته بالسيف فقتلته ثم رجعت إلى أبي عامر فقلت إن الله قد قتل صاحبك ‏.‏ قال فانزع هذا السهم فنزعته فنزا منه الماء فقال يا ابن أخي انطلق إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فأقرئه مني السلام وقل له يقول لك أبو عامر استغفر لي ‏.‏ قال واستعملني أبو عامر على الناس ومكث يسيرا ثم إنه مات فلما رجعت إلى النبي صلى الله عليه وسلم دخلت عليه وهو في بيت على سرير مرمل وعليه فراش وقد أثر رمال السرير بظهر رسول الله صلى الله عليه وسلم وجنبيه فأخبرته بخبرنا وخبر أبي عامر وقلت له قال قل له يستغفر لي ‏.‏ فدعا رسول الله صلى الله عليه وسلم بماء فتوضأ منه ثم رفع يديه ثم قال ‏"‏ اللهم اغفر لعبيد أبي عامر ‏"‏ ‏.‏ حتى رأيت بياض إبطيه ثم قال ‏"‏ اللهم اجعله يوم القيامة فوق كثير من خلقك أو من الناس ‏"‏ ‏.‏ فقلت ولي يا رسول الله فاستغفر ‏.‏ فقال النبي صلى الله عليه وسلم ‏"‏ اللهم اغفر لعبد الله بن قيس ذنبه وأدخله يوم القيامة مدخلا كريما ‏"‏ ‏.‏ قال أبو بردة إحداهما لأبي عامر والأخرى لأبي موسى ‏.‏

আব্দুল্লাহ ইবনু বাররাদ আবূ আমির আশ’আরী ও আবূ কুরায়ব মুহাম্মাদ ইবনু আলা(রহঃ) আবূ বুরদাহ (রাঃ) এর পিতার সানাদ থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন হুনায়ন যুদ্ধ থেকে ফিরে আসেন তখন আবূ আমির (রাঃ) কে একটি বাহিনীর পরিচালনায় দিয়ে আওতাস অভিযানে পাঠান। তিনি দুরায়দ ইবনু সিম্মার পরস্পর একত্রিত হলেন। দুরায়দ ইবনু সিম্মাহ মৃত্যুবরণ করলো এবং আল্লাহ তার বাহিনীকে বিজিত করলেন। তারপর আবূ মূসা (রাঃ) বলেন, তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে আবূ আমিরের সাথে প্রেরণ করেছিলেন। আবূ আমিরের হাঁটুতে তীরের আঘাত লেগেছিল। বানী জুশাম সম্প্রদায়ের এক লোক সে তীরটি নিক্ষেপ করেছিল। এ তীরটি তার হাঁটুতে বিদ্ধ হয়েছিল। তখন আমি তাঁর নিকট গেলাম এবং বললাম, চাচাজান! কে আপনাকে তীর বিদ্ধ করেছে? তখন আবূ আমির-এর ইঙ্গিতে আবূ মূসা (রাঃ) কে জানালেন, ঐ আমার ঘাতক, যাকে তুমি দেখতে পাচ্ছ, সে আমাকে তীরবিদ্ধ করেছে। আবূ মূসা (রাঃ)বলেন আমি তাকে আক্রমণ করে মারার ইচ্ছা পোষণ করলাম। আমি তার মুখোমুখি হলাম। সে আমাকে দেখামাত্র লুকিয়ে যাচ্ছিল। আমি তাকে আক্রমণ করে বলছিলাম, হে বেহায়া, বেপরোয়া! পালাচ্ছ কেন? তুমি কি আরবীয় নও? বীরত্ব আছে তো দাঁড়িয়ে যাও, ভাগছো কেন? তখন সে থামল। তারপর সে ও আমি পরস্পর মুখোমুখি হলাম। আমরা পরস্পরে দুবার পাল্টাপাল্টি আক্রমণ করলাম। আমি তাকে তলোয়ার দিয়ে আঘাত করে ধরাশায়ী করলাম এবং শেষাবধি মেরে ফেললাম। তারপর আমি আমির (রাঃ)এর নিকট পত্যাবর্তন করে বললাম, আল্লাহ আপনার ঘাতককে মেরে ফেলেছেন। তখন আবূ আমির (রাঃ) বললেন, এ তীরটি বের করে নাও। আমি তৎক্ষণাৎ তা বের করে ফেললাম। তখন তা থেকে পানি (রক্ত) বের হচ্ছিল। তারপর তিনি বললেন, হে আমার ভ্রাতুষ্পুত্র! তুমি রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট যাও এবং আমার পক্ষ থেকে তাঁকে সালাম পৌছে দিও। আর তাঁর নিকট গিয়ে আবেদন করবে, আবূ আমির আপনাকে তার জন্য মাগফিরাতের দু’আ চেয়েছেন। তিনি (আবূ মূসা) বলেন, উপস্থিত লোকদের সামনে আবূ আমির আমাকে এ দায়িত্ব দিলেন এবং কতক সময় স্থির থাকলেন। তারপর তিনি জান্নাতবাসীদের মধ্যে গণ্য হলেন। আমি নাবী(সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট গেলাম এবং তাঁর সেবায় উপস্থিত হলাম্ তখন তিনি চাটাইপাতা খাটের উপর ছিলেন এবং ঐ খাটের উপর চাদর ছিল না। রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর পৃষ্ঠে ও পাঁজরে চাটাইয়ের চিহ্ন বসে গিয়েছিল। তারপর আমি তাঁর নিকট আমাদের ও আবূ আমিরের সংবাদ দিলাম এবং আমি তাঁকে বললাম, তিনি (আবূ আমির)বলেছেন. তাঁর জন্য আপনাকে মাগফিরাতের দু’আ কামনা করতে। রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) পানি আনালেন এবং তা দ্বারা ওযূ করলেন। তারপর দু’হাত তুলে বললেন. হে আল্লাহ! উবায়দ আবূ আমিরকে ক্ষমা করে দাও। তখন আমি তাঁর দু বগলের শুভ্রতা দেখছিলাম। পুনরায় তিনি বললেন, হে আল্লাহ! তাকে কিয়ামাতের দিন তোমার মাখলূকের মাঝে কিংবা মানুষের মধ্যে অনেকের উপরে জায়গা দিও। তখন আমি বললাম হে আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমার জন্যও মাগফিরাতের দু’আ করুন। তখন রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, হে আল্লাহ! আব্দুল্লাহ ইবনু কায়সের গুনাহ মাফ করে দাও এবং তাকে কিয়ামাতের দিনে সম্মানজনক জান্নাতে প্রবেশ করাও। আবূ বুরদাহ (রাঃ) বলেন, একটি দু’আ আবূ আমিরের জন্য এবং অপরটি আবূ মূসা আশ’আরীর জন্য। (ই.ফা.৬১৮১, ই.সে. ৬২২৫)

আব্দুল্লাহ ইবনু বাররাদ আবূ আমির আশ’আরী ও আবূ কুরায়ব মুহাম্মাদ ইবনু আলা(রহঃ) আবূ বুরদাহ (রাঃ) এর পিতার সানাদ থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন হুনায়ন যুদ্ধ থেকে ফিরে আসেন তখন আবূ আমির (রাঃ) কে একটি বাহিনীর পরিচালনায় দিয়ে আওতাস অভিযানে পাঠান। তিনি দুরায়দ ইবনু সিম্মার পরস্পর একত্রিত হলেন। দুরায়দ ইবনু সিম্মাহ মৃত্যুবরণ করলো এবং আল্লাহ তার বাহিনীকে বিজিত করলেন। তারপর আবূ মূসা (রাঃ) বলেন, তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে আবূ আমিরের সাথে প্রেরণ করেছিলেন। আবূ আমিরের হাঁটুতে তীরের আঘাত লেগেছিল। বানী জুশাম সম্প্রদায়ের এক লোক সে তীরটি নিক্ষেপ করেছিল। এ তীরটি তার হাঁটুতে বিদ্ধ হয়েছিল। তখন আমি তাঁর নিকট গেলাম এবং বললাম, চাচাজান! কে আপনাকে তীর বিদ্ধ করেছে? তখন আবূ আমির-এর ইঙ্গিতে আবূ মূসা (রাঃ) কে জানালেন, ঐ আমার ঘাতক, যাকে তুমি দেখতে পাচ্ছ, সে আমাকে তীরবিদ্ধ করেছে। আবূ মূসা (রাঃ)বলেন আমি তাকে আক্রমণ করে মারার ইচ্ছা পোষণ করলাম। আমি তার মুখোমুখি হলাম। সে আমাকে দেখামাত্র লুকিয়ে যাচ্ছিল। আমি তাকে আক্রমণ করে বলছিলাম, হে বেহায়া, বেপরোয়া! পালাচ্ছ কেন? তুমি কি আরবীয় নও? বীরত্ব আছে তো দাঁড়িয়ে যাও, ভাগছো কেন? তখন সে থামল। তারপর সে ও আমি পরস্পর মুখোমুখি হলাম। আমরা পরস্পরে দুবার পাল্টাপাল্টি আক্রমণ করলাম। আমি তাকে তলোয়ার দিয়ে আঘাত করে ধরাশায়ী করলাম এবং শেষাবধি মেরে ফেললাম। তারপর আমি আমির (রাঃ)এর নিকট পত্যাবর্তন করে বললাম, আল্লাহ আপনার ঘাতককে মেরে ফেলেছেন। তখন আবূ আমির (রাঃ) বললেন, এ তীরটি বের করে নাও। আমি তৎক্ষণাৎ তা বের করে ফেললাম। তখন তা থেকে পানি (রক্ত) বের হচ্ছিল। তারপর তিনি বললেন, হে আমার ভ্রাতুষ্পুত্র! তুমি রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট যাও এবং আমার পক্ষ থেকে তাঁকে সালাম পৌছে দিও। আর তাঁর নিকট গিয়ে আবেদন করবে, আবূ আমির আপনাকে তার জন্য মাগফিরাতের দু’আ চেয়েছেন। তিনি (আবূ মূসা) বলেন, উপস্থিত লোকদের সামনে আবূ আমির আমাকে এ দায়িত্ব দিলেন এবং কতক সময় স্থির থাকলেন। তারপর তিনি জান্নাতবাসীদের মধ্যে গণ্য হলেন। আমি নাবী(সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট গেলাম এবং তাঁর সেবায় উপস্থিত হলাম্ তখন তিনি চাটাইপাতা খাটের উপর ছিলেন এবং ঐ খাটের উপর চাদর ছিল না। রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর পৃষ্ঠে ও পাঁজরে চাটাইয়ের চিহ্ন বসে গিয়েছিল। তারপর আমি তাঁর নিকট আমাদের ও আবূ আমিরের সংবাদ দিলাম এবং আমি তাঁকে বললাম, তিনি (আবূ আমির)বলেছেন. তাঁর জন্য আপনাকে মাগফিরাতের দু’আ কামনা করতে। রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) পানি আনালেন এবং তা দ্বারা ওযূ করলেন। তারপর দু’হাত তুলে বললেন. হে আল্লাহ! উবায়দ আবূ আমিরকে ক্ষমা করে দাও। তখন আমি তাঁর দু বগলের শুভ্রতা দেখছিলাম। পুনরায় তিনি বললেন, হে আল্লাহ! তাকে কিয়ামাতের দিন তোমার মাখলূকের মাঝে কিংবা মানুষের মধ্যে অনেকের উপরে জায়গা দিও। তখন আমি বললাম হে আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমার জন্যও মাগফিরাতের দু’আ করুন। তখন রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, হে আল্লাহ! আব্দুল্লাহ ইবনু কায়সের গুনাহ মাফ করে দাও এবং তাকে কিয়ামাতের দিনে সম্মানজনক জান্নাতে প্রবেশ করাও। আবূ বুরদাহ (রাঃ) বলেন, একটি দু’আ আবূ আমিরের জন্য এবং অপরটি আবূ মূসা আশ’আরীর জন্য। (ই.ফা.৬১৮১, ই.সে. ৬২২৫)

حدثنا عبد الله بن براد أبو عامر الأشعري، وأبو كريب محمد بن العلاء - واللفظ لأبي عامر - قالا حدثنا أبو أسامة، عن بريد، عن أبي بردة، عن أبيه، قال لما فرغ النبي صلى الله عليه وسلم من حنين بعث أبا عامر على جيش إلى أوطاس فلقي دريد بن الصمة فقتل دريد وهزم الله أصحابه فقال أبو موسى وبعثني مع أبي عامر - قال - فرمي أبو عامر في ركبته رماه رجل من بني جشم بسهم فأثبته في ركبته فانتهيت إليه فقلت يا عم من رماك فأشار أبو عامر إلى أبي موسى فقال إن ذاك قاتلي تراه ذلك الذي رماني ‏.‏ قال أبو موسى فقصدت له فاعتمدته فلحقته فلما رآني ولى عني ذاهبا فاتبعته وجعلت أقول له ألا تستحيي ألست عربيا ألا تثبت فكف فالتقيت أنا وهو فاختلفنا أنا وهو ضربتين فضربته بالسيف فقتلته ثم رجعت إلى أبي عامر فقلت إن الله قد قتل صاحبك ‏.‏ قال فانزع هذا السهم فنزعته فنزا منه الماء فقال يا ابن أخي انطلق إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فأقرئه مني السلام وقل له يقول لك أبو عامر استغفر لي ‏.‏ قال واستعملني أبو عامر على الناس ومكث يسيرا ثم إنه مات فلما رجعت إلى النبي صلى الله عليه وسلم دخلت عليه وهو في بيت على سرير مرمل وعليه فراش وقد أثر رمال السرير بظهر رسول الله صلى الله عليه وسلم وجنبيه فأخبرته بخبرنا وخبر أبي عامر وقلت له قال قل له يستغفر لي ‏.‏ فدعا رسول الله صلى الله عليه وسلم بماء فتوضأ منه ثم رفع يديه ثم قال ‏"‏ اللهم اغفر لعبيد أبي عامر ‏"‏ ‏.‏ حتى رأيت بياض إبطيه ثم قال ‏"‏ اللهم اجعله يوم القيامة فوق كثير من خلقك أو من الناس ‏"‏ ‏.‏ فقلت ولي يا رسول الله فاستغفر ‏.‏ فقال النبي صلى الله عليه وسلم ‏"‏ اللهم اغفر لعبد الله بن قيس ذنبه وأدخله يوم القيامة مدخلا كريما ‏"‏ ‏.‏ قال أبو بردة إحداهما لأبي عامر والأخرى لأبي موسى ‏.‏


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00